সহিহ মুসলিম > কা’বার দেয়াল ও দরজার অবস্থান

সহিহ মুসলিম ৩১৪১

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا عبيد الله، - يعني ابن موسى - حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحجر ‏.‏ وساق الحديث بمعنى حديث أبي الأحوص وقال فيه فقلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم وقال ‏ "‏ مخافة أن تنفر قلوبهم ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্ হাজার (হাতীম) সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। এরপর পূর্বোক্ত আবুল আহ্ওয়াস-এর হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আছে [‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন], “এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী যে, সিঁড়ি ব্যতীত তাতে উঠা যায় না?” এতে আরো আছেঃ “তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যাবার আশংকায়”। (ই.ফা. ৩১১৬, ই.সে. ৩১১৩)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্ হাজার (হাতীম) সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। এরপর পূর্বোক্ত আবুল আহ্ওয়াস-এর হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আছে [‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন], “এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী যে, সিঁড়ি ব্যতীত তাতে উঠা যায় না?” এতে আরো আছেঃ “তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যাবার আশংকায়”। (ই.ফা. ৩১১৬, ই.সে. ৩১১৩)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا عبيد الله، - يعني ابن موسى - حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحجر ‏.‏ وساق الحديث بمعنى حديث أبي الأحوص وقال فيه فقلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم وقال ‏ "‏ مخافة أن تنفر قلوبهم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪০

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت فلم لم يدخلوه في البيت قال ‏"‏ إن قومك قصرت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا قال ‏"‏ فعل ذلك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهدهم في الجاهلية فأخاف أن تنكر قلوبهم لنظرت أن أدخل الجدر في البيت وأن ألزق بابه بالأرض ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, হাতীমের দেয়াল কি বায়তুল্লাহ্র অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তবে তার কেন এটাকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করেনি? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের নিকট পর্যপ্ত অর্থ ছিল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী? তিনি বললেন, তাও তোমার সম্প্রদায়ের কাণ্ড- যাতে তাদের কাঙ্খিত ব্যক্তি তাতে প্রবেশাধিকার পায় এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। তোমার ক্বওমের জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগের যুগ নিকটতম না হলে এবং আমার যদি এ আশংকা না হতো যে, তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে- তা হলে আমি অবশ্যই (হাতীমের) দেয়াল বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং কা’বার দরজা জমিনের সমতলে স্থাপন করার বিষয়ে বিবেচনা করতাম। (ই.ফা. ৩১১৫, ই.সে. ৩১১২)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, হাতীমের দেয়াল কি বায়তুল্লাহ্র অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তবে তার কেন এটাকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করেনি? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের নিকট পর্যপ্ত অর্থ ছিল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী? তিনি বললেন, তাও তোমার সম্প্রদায়ের কাণ্ড- যাতে তাদের কাঙ্খিত ব্যক্তি তাতে প্রবেশাধিকার পায় এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। তোমার ক্বওমের জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগের যুগ নিকটতম না হলে এবং আমার যদি এ আশংকা না হতো যে, তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে- তা হলে আমি অবশ্যই (হাতীমের) দেয়াল বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং কা’বার দরজা জমিনের সমতলে স্থাপন করার বিষয়ে বিবেচনা করতাম। (ই.ফা. ৩১১৫, ই.সে. ৩১১২)

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت فلم لم يدخلوه في البيت قال ‏"‏ إن قومك قصرت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا قال ‏"‏ فعل ذلك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهدهم في الجاهلية فأخاف أن تنكر قلوبهم لنظرت أن أدخل الجدر في البيت وأن ألزق بابه بالأرض ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > বিকলাঙ্গ, বার্ধক্য ইত্যাদির কারণে অক্ষম ব্যক্তির পক্ষ হতে অথবা মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে হাজ্জ সম্পাদন

সহিহ মুসলিম ৩১৪২

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سليمان بن، يسار عن عبد الله بن عباس، أنه قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر ‏.‏ قالت يا رسول الله إن فريضة الله على عباده في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ وذلك في حجة الوداع ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সওয়ারীতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে উপবিষ্ট ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস’আম গোত্রের এক মহিলা তাঁর নিকট মাসআলাহ্ জিজ্ঞেস করতে আসলো। ফায্লও তার দিকে তাকাচ্ছিল এবং মহিলাটিও ফায্লের দিকে তাকাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্ল-এর মুখমণ্ডল অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর যে হাজ্জ ফরয করেছেন- তা আমার বৃদ্দ পিতার উপরও ফরয হয়েছে, কিন্তু তিনি বাহনের উপর অবস্থান করতে অক্ষম। আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ করতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এটা বিদায় হাজ্জের সময়কার ঘটনা। [৩৩] (ই.ফা. ৩১১৭, ই.সে. ৩১১৪)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সওয়ারীতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে উপবিষ্ট ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস’আম গোত্রের এক মহিলা তাঁর নিকট মাসআলাহ্ জিজ্ঞেস করতে আসলো। ফায্লও তার দিকে তাকাচ্ছিল এবং মহিলাটিও ফায্লের দিকে তাকাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্ল-এর মুখমণ্ডল অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর যে হাজ্জ ফরয করেছেন- তা আমার বৃদ্দ পিতার উপরও ফরয হয়েছে, কিন্তু তিনি বাহনের উপর অবস্থান করতে অক্ষম। আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ করতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এটা বিদায় হাজ্জের সময়কার ঘটনা। [৩৩] (ই.ফা. ৩১১৭, ই.সে. ৩১১৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سليمان بن، يسار عن عبد الله بن عباس، أنه قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر ‏.‏ قالت يا رسول الله إن فريضة الله على عباده في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ وذلك في حجة الوداع ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪৩

حدثني علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، عن ابن جريج، عن ابن شهاب، حدثنا سليمان بن يسار، عن ابن عباس، عن الفضل، أن امرأة، من خثعم قالت يا رسول الله إن أبي شيخ كبير عليه فريضة الله في الحج وهو لا يستطيع أن يستوي على ظهر بعيره ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فحجي عنه ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে তার ভাই ফায্লের সূত্র থেকে বর্নিতঃ

খাস’আম গোত্রের এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা অতি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন এবং তার উপর আল্লাহর ধার্যকৃত হাজ্জ ফারয হয়েছে। কিন্তু তিনি উটের পিঠে বসে থাকতে সক্ষম নন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ কর। (ই.ফা. ৩১১৮, ই.সে. ৩১১৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে তার ভাই ফায্লের সূত্র থেকে বর্নিতঃ

খাস’আম গোত্রের এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা অতি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন এবং তার উপর আল্লাহর ধার্যকৃত হাজ্জ ফারয হয়েছে। কিন্তু তিনি উটের পিঠে বসে থাকতে সক্ষম নন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ কর। (ই.ফা. ৩১১৮, ই.সে. ৩১১৫)

حدثني علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، عن ابن جريج، عن ابن شهاب، حدثنا سليمان بن يسار، عن ابن عباس، عن الفضل، أن امرأة، من خثعم قالت يا رسول الله إن أبي شيخ كبير عليه فريضة الله في الحج وهو لا يستطيع أن يستوي على ظهر بعيره ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فحجي عنه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > নাবালকের হাজ্জ করা জায়িয এবং যে ব্যক্তি তাকে হাজ্জ করতে সহায়তা করে, সে সাওয়াবের অধিকারী হবে

সহিহ মুসলিম ৩১৪৫

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن سفيان، عن محمد بن، عقبة عن كريب، عن ابن عباس، قال رفعت امرأة صبيا لها فقالت يا رسول الله ألهذا حج قال ‏ "‏ نعم ولك أجر ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা তার শিশু পুত্রকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! এর জন্য হাজ্জ হবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ এবং তোমার জন্য রয়েছে সাওয়াব। (ই.ফা. ৩১২০, ই.সে. ৩১১৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা তার শিশু পুত্রকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! এর জন্য হাজ্জ হবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ এবং তোমার জন্য রয়েছে সাওয়াব। (ই.ফা. ৩১২০, ই.সে. ৩১১৭)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن سفيان، عن محمد بن، عقبة عن كريب، عن ابن عباس، قال رفعت امرأة صبيا لها فقالت يا رسول الله ألهذا حج قال ‏ "‏ نعم ولك أجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪৬

وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن إبراهيم بن عقبة، عن كريب، أن امرأة، رفعت صبيا فقالت يا رسول الله ألهذا حج قال ‏ "‏ نعم ولك أجر ‏"‏ ‏.

কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক মহিলা তার শিশুকে তুলে ধরে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! এর হাজ্জ হবে কি? হ্যাঁ এবং তোমার জন্য সাওয়াব হবে। (ই.ফা. ৩১২১, ই.সে. ৩১১৮)

কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক মহিলা তার শিশুকে তুলে ধরে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! এর হাজ্জ হবে কি? হ্যাঁ এবং তোমার জন্য সাওয়াব হবে। (ই.ফা. ৩১২১, ই.সে. ৩১১৮)

وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن إبراهيم بن عقبة، عن كريب، أن امرأة، رفعت صبيا فقالت يا رسول الله ألهذا حج قال ‏ "‏ نعم ولك أجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، جميعا عن ابن، عيينة - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن إبراهيم بن عقبة، عن كريب، مولى ابن عباس عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم لقي ركبا بالروحاء فقال ‏"‏ من القوم ‏"‏ ‏.‏ قالوا المسلمون ‏.‏ فقالوا من أنت قال ‏"‏ رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فرفعت إليه امرأة صبيا فقالت ألهذا حج قال ‏"‏ نعم ولك أجر ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাওহা নামক স্থানে একদল আরোহীর সাক্ষাৎ পেলেন এবং তিনি বললেন, তোমরা কোন্ সম্প্রদায়ের লোক? তারা বলল, আমরা মুসলিম। তারা আরও জিজ্ঞেস করল, আপনি কে? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল। এরপর এক মহিলা তাঁর সামনে একটি শিশুকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করল, এর জন্য হাজ্জ আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তোমার জন্য সাওয়াব রয়েছে। [৩৪] (ই.ফা. ৩১১৯, ই.সে. ৩১১৬)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাওহা নামক স্থানে একদল আরোহীর সাক্ষাৎ পেলেন এবং তিনি বললেন, তোমরা কোন্ সম্প্রদায়ের লোক? তারা বলল, আমরা মুসলিম। তারা আরও জিজ্ঞেস করল, আপনি কে? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল। এরপর এক মহিলা তাঁর সামনে একটি শিশুকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করল, এর জন্য হাজ্জ আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তোমার জন্য সাওয়াব রয়েছে। [৩৪] (ই.ফা. ৩১১৯, ই.সে. ৩১১৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، جميعا عن ابن، عيينة - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن إبراهيم بن عقبة، عن كريب، مولى ابن عباس عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم لقي ركبا بالروحاء فقال ‏"‏ من القوم ‏"‏ ‏.‏ قالوا المسلمون ‏.‏ فقالوا من أنت قال ‏"‏ رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فرفعت إليه امرأة صبيا فقالت ألهذا حج قال ‏"‏ نعم ولك أجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪৭

وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن عقبة، عن كريب، عن ابن عباس، بمثله ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১২২, ই.সে. ৩১১৯)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১২২, ই.সে. ৩১১৯)

وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن عقبة، عن كريب، عن ابن عباس، بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম > জীবনে একবার হাজ্জ পালন ফারয

সহিহ মুসলিম ৩১৪৮

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا الربيع بن مسلم القرشي، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أيها الناس قد فرض الله عليكم الحج فحجوا ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل أكل عام يا رسول الله فسكت حتى قالها ثلاثا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو قلت نعم لوجبت ولما استطعتم - ثم قال - ذروني ما تركتكم فإنما هلك من كان قبلكم بكثرة سؤالهم واختلافهم على أنبيائهم فإذا أمرتكم بشىء فأتوا منه ما استطعتم وإذا نهيتكم عن شىء فدعوه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং বললেনঃ হে জনগণ! তোমাদের উপর হাজ্জ ফারয করা হয়েছে। অতএব তোমরা হাজ্জ কর। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! তা কি প্রতি বছর? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব থাকলেন এবং সে তিনবার কথাটি বলল। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি হ্যাঁ বললে তা ওয়াজিব হয়ে যাবে (প্রতি বছরের জন্য) অথচ তোমরা তা পালন করতে সক্ষম হবে না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা আমাকে ততটুকু কথার উপর থাকতে দাও যতটুকু আমি তোমাদের জন্য বলি। কারণ তোমাদের পূর্বেকার লোকেরা তাদের অধিক প্রশ্নের কারণে এবং তাদের নবীদের বিরোধিতার কারণে ধ্বংস হয়েছে। অতএব আমি তোমাদের যখন কোন কিছু করার নির্দেশ দেই-তোমরা তা যথাসাধ্য পালন কর এবং যখন তোমাদের কোন কিছু করতে নিষেধ করি তখন তা পরিত্যাগ কর। (ই.ফা. ৩১২৩, ই.সে. ৩১২০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং বললেনঃ হে জনগণ! তোমাদের উপর হাজ্জ ফারয করা হয়েছে। অতএব তোমরা হাজ্জ কর। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! তা কি প্রতি বছর? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব থাকলেন এবং সে তিনবার কথাটি বলল। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি হ্যাঁ বললে তা ওয়াজিব হয়ে যাবে (প্রতি বছরের জন্য) অথচ তোমরা তা পালন করতে সক্ষম হবে না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা আমাকে ততটুকু কথার উপর থাকতে দাও যতটুকু আমি তোমাদের জন্য বলি। কারণ তোমাদের পূর্বেকার লোকেরা তাদের অধিক প্রশ্নের কারণে এবং তাদের নবীদের বিরোধিতার কারণে ধ্বংস হয়েছে। অতএব আমি তোমাদের যখন কোন কিছু করার নির্দেশ দেই-তোমরা তা যথাসাধ্য পালন কর এবং যখন তোমাদের কোন কিছু করতে নিষেধ করি তখন তা পরিত্যাগ কর। (ই.ফা. ৩১২৩, ই.সে. ৩১২০)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا الربيع بن مسلم القرشي، عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أيها الناس قد فرض الله عليكم الحج فحجوا ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل أكل عام يا رسول الله فسكت حتى قالها ثلاثا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو قلت نعم لوجبت ولما استطعتم - ثم قال - ذروني ما تركتكم فإنما هلك من كان قبلكم بكثرة سؤالهم واختلافهم على أنبيائهم فإذا أمرتكم بشىء فأتوا منه ما استطعتم وإذا نهيتكم عن شىء فدعوه ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00