সহিহ মুসলিম > হাজ্জ পালনকারী ও অন্যান্যের জন্য কা’বাহ্ ঘরের অভ্যন্তরে প্রবেশ এবং সলাত আদায় করা, এর সকল পাশে দু’আ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৩১২১

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة هو وأسامة وبلال وعثمان بن طلحة الحجبي فأغلقها عليه ثم مكث فيها ‏.‏ قال ابن عمر فسألت بلالا حين خرج ما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جعل عمودين عن يساره وعمودا عن يمينه وثلاثة أعمدة وراءه - وكان البيت يومئذ على ستة أعمدة - ثم صلى ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে এবং উসামাহ্, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ আল হাজাবী (রাঃ) কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলেন এবং কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করলেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, বের হয়ে আসলে আমি বিলালকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী করেছেন? তিনি বললেন, তিনি দু’টি থাম নিজের বাঁ দিকে, একটি থাম ডান পাশে এবং তিনটি থাম পিছনে রেখে সলাত আদায় করলেন। তৎকালে বায়তুল্লাহ ছয়টি থামের উপর দন্ডায়মান ছিল। (ই.ফা. ৩০৯৬, ই.সে. ৩০৯৩)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে এবং উসামাহ্, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ আল হাজাবী (রাঃ) কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলেন এবং কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করলেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, বের হয়ে আসলে আমি বিলালকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী করেছেন? তিনি বললেন, তিনি দু’টি থাম নিজের বাঁ দিকে, একটি থাম ডান পাশে এবং তিনটি থাম পিছনে রেখে সলাত আদায় করলেন। তৎকালে বায়তুল্লাহ ছয়টি থামের উপর দন্ডায়মান ছিল। (ই.ফা. ৩০৯৬, ই.সে. ৩০৯৩)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة هو وأسامة وبلال وعثمان بن طلحة الحجبي فأغلقها عليه ثم مكث فيها ‏.‏ قال ابن عمر فسألت بلالا حين خرج ما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جعل عمودين عن يساره وعمودا عن يمينه وثلاثة أعمدة وراءه - وكان البيت يومئذ على ستة أعمدة - ثم صلى ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১২৩

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أيوب السختياني، عن نافع، عن ابن، عمر قال أقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح على ناقة لأسامة بن زيد حتى أناخ بفناء الكعبة ثم دعا عثمان بن طلحة فقال ‏ "‏ ائتني بالمفتاح ‏"‏ ‏.‏ فذهب إلى أمه فأبت أن تعطيه فقال والله لتعطينيه أو ليخرجن هذا السيف من صلبي - قال - فأعطته إياه ‏.‏ فجاء به إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدفعه إليه ففتح الباب ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث حماد بن زيد ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর উষ্ট্রীতে আরোহণ করে (মাক্কায়) আগমন করেন। উসামাহ্ (রাঃ) উষ্ট্রীকে কা’বার চত্বরে বসান। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-কে ডাকলেন এবং বললেন, আমার নিকট (কা’বার) চাবি নিয়ে এসো। তিনি তার মায়ের নিকট উপস্থিত হয়ে চাবি চাইলেন কিন্তু তিনি তাকে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! তাঁকে চাবি দিন, অন্যথায় এ তরবারি আমার পিঠ ভেদ করে চলে যাবে। অতঃপর তিনি তাকে চাবি দিলেন। তিনি চাবি নিয়ে নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁর নিকট হস্তান্তর করেন। তিনি কা’বার দরজা খুললেন। ...হাদীসে অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাম্মাদ ইবনু যায়দের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩০৯৮, ই.সে. ৩০৯৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর উষ্ট্রীতে আরোহণ করে (মাক্কায়) আগমন করেন। উসামাহ্ (রাঃ) উষ্ট্রীকে কা’বার চত্বরে বসান। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-কে ডাকলেন এবং বললেন, আমার নিকট (কা’বার) চাবি নিয়ে এসো। তিনি তার মায়ের নিকট উপস্থিত হয়ে চাবি চাইলেন কিন্তু তিনি তাকে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! তাঁকে চাবি দিন, অন্যথায় এ তরবারি আমার পিঠ ভেদ করে চলে যাবে। অতঃপর তিনি তাকে চাবি দিলেন। তিনি চাবি নিয়ে নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁর নিকট হস্তান্তর করেন। তিনি কা’বার দরজা খুললেন। ...হাদীসে অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাম্মাদ ইবনু যায়দের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩০৯৮, ই.সে. ৩০৯৫)

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أيوب السختياني، عن نافع، عن ابن، عمر قال أقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح على ناقة لأسامة بن زيد حتى أناخ بفناء الكعبة ثم دعا عثمان بن طلحة فقال ‏ "‏ ائتني بالمفتاح ‏"‏ ‏.‏ فذهب إلى أمه فأبت أن تعطيه فقال والله لتعطينيه أو ليخرجن هذا السيف من صلبي - قال - فأعطته إياه ‏.‏ فجاء به إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدفعه إليه ففتح الباب ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث حماد بن زيد ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১২৪

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى، وهو القطان ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا عبدة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت ومعه أسامة وبلال وعثمان بن طلحة فأجافوا عليهم الباب طويلا ثم فتح فكنت أول من دخل فلقيت بلالا فقلت أين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بين العمودين المقدمين ‏.‏ فنسيت أن أسأله كم صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামাহ্, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)। লোকেরা অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ করে রাখল। অতঃপর তা খোলা হ’ল। আমিই সর্বপ্রথম (অগ্রসর হয়ে ভিতরে) প্রবেশ করে বিলালকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন্ স্থানে সলাত আদায় করেছেন? বিলাল বললেন, সামনের দু’থামের মাঝখানে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কত রাক’আত সলাত আদায় করেছেন। (ই.ফা. ৩০৯৯, ই.সে . ৩০৯৬)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামাহ্, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)। লোকেরা অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ করে রাখল। অতঃপর তা খোলা হ’ল। আমিই সর্বপ্রথম (অগ্রসর হয়ে ভিতরে) প্রবেশ করে বিলালকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন্ স্থানে সলাত আদায় করেছেন? বিলাল বললেন, সামনের দু’থামের মাঝখানে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কত রাক’আত সলাত আদায় করেছেন। (ই.ফা. ৩০৯৯, ই.সে . ৩০৯৬)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى، وهو القطان ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا عبدة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت ومعه أسامة وبلال وعثمان بن طلحة فأجافوا عليهم الباب طويلا ثم فتح فكنت أول من دخل فلقيت بلالا فقلت أين صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال بين العمودين المقدمين ‏.‏ فنسيت أن أسأله كم صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ মুসলিম ৩১২৫

وحدثني حميد بن مسعدة، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا عبد الله، بن عون عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أنه انتهى إلى الكعبة وقد دخلها النبي صلى الله عليه وسلم وبلال وأسامة وأجاف عليهم عثمان بن طلحة الباب قال فمكثوا فيه مليا ثم فتح الباب فخرج النبي صلى الله عليه وسلم ورقيت الدرجة فدخلت البيت فقلت أين صلى النبي صلى الله عليه وسلم قالوا ها هنا ‏.‏ قال ونسيت أن أسألهم كم صلى

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কা’বার নিকটে পৌছলেন। ইতোমধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বিলাল ও উসামাহ্ (রাঃ) কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ) দরজা বন্ধ করে দিলেন। তারা কিছু সময় কা’বার অভ্যন্তরে অবস্থান করলেন। অতঃপর দরজা খোলা হ’ল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এলেন। আমি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলাম এবং বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথায় সলাত আদায় করেছেন? তারা বললেন, এখানে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, তিনি কত রাক’আত সালাত আদায় করেছেন তা আমি তাদের নিকট জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি। (ই.ফা. ৩১০০, ই.সে. ৩০৯৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কা’বার নিকটে পৌছলেন। ইতোমধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বিলাল ও উসামাহ্ (রাঃ) কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ) দরজা বন্ধ করে দিলেন। তারা কিছু সময় কা’বার অভ্যন্তরে অবস্থান করলেন। অতঃপর দরজা খোলা হ’ল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এলেন। আমি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলাম এবং বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথায় সলাত আদায় করেছেন? তারা বললেন, এখানে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, তিনি কত রাক’আত সালাত আদায় করেছেন তা আমি তাদের নিকট জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি। (ই.ফা. ৩১০০, ই.সে. ৩০৯৭)

وحدثني حميد بن مسعدة، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا عبد الله، بن عون عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أنه انتهى إلى الكعبة وقد دخلها النبي صلى الله عليه وسلم وبلال وأسامة وأجاف عليهم عثمان بن طلحة الباب قال فمكثوا فيه مليا ثم فتح الباب فخرج النبي صلى الله عليه وسلم ورقيت الدرجة فدخلت البيت فقلت أين صلى النبي صلى الله عليه وسلم قالوا ها هنا ‏.‏ قال ونسيت أن أسألهم كم صلى


সহিহ মুসলিম ৩১২৭

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سالم بن عبد الله، عن أبيه، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة هو وأسامة بن زيد وبلال وعثمان بن طلحة ولم يدخلها معهم أحد ثم أغلقت عليهم ‏.‏ قال عبد الله بن عمر فأخبرني بلال أو عثمان بن طلحة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في جوف الكعبة بين العمودين اليمانيين.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (‘আবদুল্লাহ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), উসামাহ্ ইবনু যায়দ, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-কে কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখলাম। তাদের সঙ্গে আর কেউ প্রবেশ করেনি। অতঃপর দরজা বন্ধ করে দেয়া হ’ল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, বিলাল অথবা ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ) আমাকে অবহিত করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার কেন্দ্রস্থলে ইয়ামানী দু’স্তম্ভের [২৯] মাঝখানে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ৩১০২, ই.সে. ৩০৯৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (‘আবদুল্লাহ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), উসামাহ্ ইবনু যায়দ, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-কে কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখলাম। তাদের সঙ্গে আর কেউ প্রবেশ করেনি। অতঃপর দরজা বন্ধ করে দেয়া হ’ল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, বিলাল অথবা ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ) আমাকে অবহিত করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার কেন্দ্রস্থলে ইয়ামানী দু’স্তম্ভের [২৯] মাঝখানে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা. ৩১০২, ই.সে. ৩০৯৯)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سالم بن عبد الله، عن أبيه، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة هو وأسامة بن زيد وبلال وعثمان بن طلحة ولم يدخلها معهم أحد ثم أغلقت عليهم ‏.‏ قال عبد الله بن عمر فأخبرني بلال أو عثمان بن طلحة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في جوف الكعبة بين العمودين اليمانيين.


সহিহ মুসলিম ৩১২২

حدثنا أبو الربيع الزهراني، وقتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري كلهم عن حماد بن زيد، - قال أبو كامل - حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فنزل بفناء الكعبة وأرسل إلى عثمان بن طلحة فجاء بالمفتح ففتح الباب - قال - ثم دخل النبي صلى الله عليه وسلم وبلال وأسامة بن زيد وعثمان بن طلحة وأمر بالباب فأغلق فلبثوا فيه مليا ثم فتح الباب ‏.‏ فقال عبد الله فبادرت الناس فتلقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم خارجا وبلال على إثره فقلت لبلال هل صلى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم ‏.‏ قلت أين قال بين العمودين تلقاء وجهه ‏.‏ قال ونسيت أن أسأله كم صلى

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মাক্কায়) এলেন এবং কা’বার চত্বরে অবতরণ করলেন। অতঃপর ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-কে ডেকে পাঠালেন। তিনি চাবি নিয়ে এলেন এবং (কা’বার) দরজা খুললেন। রাবী বলেন অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল উসামাহ্ ইবনু যায়দ ও ‘উসমান ইবনু ত্বলহাহ্ (রাঃ) ভিতরে প্রবেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দরজা (ভিতর থেকে) বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন, অতএব তা বন্ধ করে দেয়া হলো। তারা কিছু সময় ভিতরে অবস্থান করলেন। অতঃপর দরজা খোলা হল। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বাইরে সকলের আগে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে মিলিত হলাম এবং বিলাল তাঁর পিছনে ছিলেন। আমি বিলালকে বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা’বার অভ্যন্তরে সলাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, কোন্ জায়গায়? বিলাল (রাঃ) বললেন, তাঁর সামনের দু’টি থামের মাঝখানে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, তিনি কত রাক’আত সলাত আদায় করেছেন, বিলালের নিকট তা জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি। (ই.ফা. ৩০৯৭, ই.সে. ৩০৯৪)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মাক্কায়) এলেন এবং কা’বার চত্বরে অবতরণ করলেন। অতঃপর ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-কে ডেকে পাঠালেন। তিনি চাবি নিয়ে এলেন এবং (কা’বার) দরজা খুললেন। রাবী বলেন অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল উসামাহ্ ইবনু যায়দ ও ‘উসমান ইবনু ত্বলহাহ্ (রাঃ) ভিতরে প্রবেশ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দরজা (ভিতর থেকে) বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন, অতএব তা বন্ধ করে দেয়া হলো। তারা কিছু সময় ভিতরে অবস্থান করলেন। অতঃপর দরজা খোলা হল। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বাইরে সকলের আগে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে মিলিত হলাম এবং বিলাল তাঁর পিছনে ছিলেন। আমি বিলালকে বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কা’বার অভ্যন্তরে সলাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, কোন্ জায়গায়? বিলাল (রাঃ) বললেন, তাঁর সামনের দু’টি থামের মাঝখানে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, তিনি কত রাক’আত সলাত আদায় করেছেন, বিলালের নিকট তা জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি। (ই.ফা. ৩০৯৭, ই.সে. ৩০৯৪)

حدثنا أبو الربيع الزهراني، وقتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري كلهم عن حماد بن زيد، - قال أبو كامل - حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فنزل بفناء الكعبة وأرسل إلى عثمان بن طلحة فجاء بالمفتح ففتح الباب - قال - ثم دخل النبي صلى الله عليه وسلم وبلال وأسامة بن زيد وعثمان بن طلحة وأمر بالباب فأغلق فلبثوا فيه مليا ثم فتح الباب ‏.‏ فقال عبد الله فبادرت الناس فتلقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم خارجا وبلال على إثره فقلت لبلال هل صلى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم ‏.‏ قلت أين قال بين العمودين تلقاء وجهه ‏.‏ قال ونسيت أن أسأله كم صلى


সহিহ মুসলিম ৩১২৯

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة وفيها ست سوار فقام عند سارية فدعا ولم يصل ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। আর তাতে ছিল ছয়টি স্তম্ভ। একটি থামের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি দু’আ করেছেন কিন্তু সলাত আদায় করেননি। (ই.ফা. ৩১০৪, ই.সে. ৩১০১)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। আর তাতে ছিল ছয়টি স্তম্ভ। একটি থামের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি দু’আ করেছেন কিন্তু সলাত আদায় করেননি। (ই.ফা. ৩১০৪, ই.সে. ৩১০১)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة وفيها ست سوار فقام عند سارية فدعا ولم يصل ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১২৬

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا ابن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن، شهاب عن سالم، عن أبيه، أنه قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت هو وأسامة بن زيد وبلال وعثمان بن طلحة فأغلقوا عليهم فلما فتحوا كنت في أول من ولج فلقيت بلالا فسألته هل صلى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم صلى بين العمودين اليمانيين.

সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতা সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি (পিতা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্ ইবনু যায়দ, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ) বায়তুল্লাহ্য় প্রবেশ করলেন। অতঃপর তারা দরজা বন্ধ করে দিলেন। অতঃপর যখন তারা দরজা খুললেন, তখন প্রথমেই আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং বিলালের সাথে মিলিত হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ভিতরে সলাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি দু’ইয়ামানী থামের মাঝখানে সলাত আদায় করেছেন। (ই.ফা. ৩১০১, ই.সে. ৩০৯৮)

সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতা সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি (পিতা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্ ইবনু যায়দ, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু ত্বল্হাহ্ (রাঃ) বায়তুল্লাহ্য় প্রবেশ করলেন। অতঃপর তারা দরজা বন্ধ করে দিলেন। অতঃপর যখন তারা দরজা খুললেন, তখন প্রথমেই আমি ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং বিলালের সাথে মিলিত হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ভিতরে সলাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি দু’ইয়ামানী থামের মাঝখানে সলাত আদায় করেছেন। (ই.ফা. ৩১০১, ই.সে. ৩০৯৮)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا ابن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن، شهاب عن سالم، عن أبيه، أنه قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت هو وأسامة بن زيد وبلال وعثمان بن طلحة فأغلقوا عليهم فلما فتحوا كنت في أول من ولج فلقيت بلالا فسألته هل صلى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم صلى بين العمودين اليمانيين.


সহিহ মুসলিম ৩১৩০

وحدثني سريج بن يونس، حدثني هشيم، أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد، قال قلت لعبد الله بن أبي أوفى صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم أدخل النبي صلى الله عليه وسلم البيت في عمرته قال لا ‏.

ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী আবূ আওফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরাহ্ আদায়কালে বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলেন কি? তিনি বললেন, না। [৩১] (ই.ফা. ৩১০৫, ই.সে ৩১০২)

ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী আবূ আওফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরাহ্ আদায়কালে বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলেন কি? তিনি বললেন, না। [৩১] (ই.ফা. ৩১০৫, ই.সে ৩১০২)

وحدثني سريج بن يونس، حدثني هشيم، أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد، قال قلت لعبد الله بن أبي أوفى صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم أدخل النبي صلى الله عليه وسلم البيت في عمرته قال لا ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১২৮

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، جميعا عن ابن بكر، قال عبد أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، قال قلت لعطاء أسمعت ابن عباس يقول إنما أمرتم بالطواف ولم تؤمروا بدخوله ‏.‏ قال لم يكن ينهى عن دخوله ولكني سمعته يقول أخبرني أسامة بن زيد أن النبي صلى الله عليه وسلم لما دخل البيت دعا في نواحيه كلها ولم يصل فيه حتى خرج فلما خرج ركع في قبل البيت ركعتين ‏.‏ وقال ‏ "‏ هذه القبلة ‏"‏ ‏.‏ قلت له ما نواحيها أفي زواياها قال بل في كل قبلة من البيت ‏.

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম- আপনি কি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদেরকে কেবল ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশের নির্দেশ দেয়া হয়নি?” ‘আত্বা বললেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তো কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ নিষেধ করেননি, বরং আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এর সকল পাশে দু’আ করেছেন কিন্তু বের হওয়া পর্যন্ত কোন সলাত আদায় করেননি। তিনি বের হয়ে এসে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করে দু’রাক’আত সলাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, এ হ’ল ক্বিবলাহ্। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এর পার্শ্ব বলতে কী বুঝায়? তা দিয়ে কি কোণ বুঝানো হয়েছে? তিনি (‘আত্বা) আরও বললেন, এর সমস্ত পার্শ্ব ও কোণই ক্বিবলাহ্। [৩০] (ই.ফা. ৩১০৩, ই.সে. ৩১০০)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আত্বা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম- আপনি কি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদেরকে কেবল ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশের নির্দেশ দেয়া হয়নি?” ‘আত্বা বললেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তো কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ নিষেধ করেননি, বরং আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ্র অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এর সকল পাশে দু’আ করেছেন কিন্তু বের হওয়া পর্যন্ত কোন সলাত আদায় করেননি। তিনি বের হয়ে এসে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করে দু’রাক’আত সলাত আদায় করেছেন এবং বলেছেন, এ হ’ল ক্বিবলাহ্। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এর পার্শ্ব বলতে কী বুঝায়? তা দিয়ে কি কোণ বুঝানো হয়েছে? তিনি (‘আত্বা) আরও বললেন, এর সমস্ত পার্শ্ব ও কোণই ক্বিবলাহ্। [৩০] (ই.ফা. ৩১০৩, ই.সে. ৩১০০)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، جميعا عن ابن بكر، قال عبد أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، قال قلت لعطاء أسمعت ابن عباس يقول إنما أمرتم بالطواف ولم تؤمروا بدخوله ‏.‏ قال لم يكن ينهى عن دخوله ولكني سمعته يقول أخبرني أسامة بن زيد أن النبي صلى الله عليه وسلم لما دخل البيت دعا في نواحيه كلها ولم يصل فيه حتى خرج فلما خرج ركع في قبل البيت ركعتين ‏.‏ وقال ‏ "‏ هذه القبلة ‏"‏ ‏.‏ قلت له ما نواحيها أفي زواياها قال بل في كل قبلة من البيت ‏.


সহিহ মুসলিম > কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণ

সহিহ মুসলিম ৩১৩১

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لولا حداثة عهد قومك بالكفر لنقضت الكعبة ولجعلتها على أساس إبراهيم فإن قريشا حين بنت البيت استقصرت ولجعلت لها خلفا ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তোমার জাতির লোকদের কুফরি পরিত্যাগের যুগটি নিকটবর্তী না হলে আমি কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে তা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ভিত্তির উপর পুনর্নির্মাণ করতাম। কারণ কুরায়শগণ কা’বাহ্ ঘর নির্মাণের সময় এর আয়তন ছোট করে দিয়েছে। আর তার পেছনে একটি দরজা স্থাপণ করতাম। (ই.ফা. ৩১০৬, ই.সে. ৩১০৩)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তোমার জাতির লোকদের কুফরি পরিত্যাগের যুগটি নিকটবর্তী না হলে আমি কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে তা ইব্রাহীম (আঃ)-এর ভিত্তির উপর পুনর্নির্মাণ করতাম। কারণ কুরায়শগণ কা’বাহ্ ঘর নির্মাণের সময় এর আয়তন ছোট করে দিয়েছে। আর তার পেছনে একটি দরজা স্থাপণ করতাম। (ই.ফা. ৩১০৬, ই.সে. ৩১০৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لولا حداثة عهد قومك بالكفر لنقضت الكعبة ولجعلتها على أساس إبراهيم فإن قريشا حين بنت البيت استقصرت ولجعلت لها خلفا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৪

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن مخرمة، ح وحدثني هارون، بن سعيد الأيلي حدثنا ابن وهب، أخبرني مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال سمعت نافعا، مولى ابن عمر يقول سمعت عبد الله بن أبي بكر بن أبي قحافة، يحدث عبد الله بن عمر عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لولا أن قومك حديثو عهد بجاهلية - أو قال بكفر - لأنفقت كنز الكعبة في سبيل الله ولجعلت بابها بالأرض ولأدخلت فيها من الحجر ‏"‏ ‏.

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি জাহিলী যুগের কাছাকাছি না হতো অথবা নিকট অতীতে কুফরি ত্যাগ না করত, তবে আমি অবশ্যই কা’বায় পুঞ্জীভূত সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতাম, এর দরজা ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম এবং হাতীমকে কা’বার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। (ই.ফা. ৩১০৯, ই.সে. ৩১০৬)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি জাহিলী যুগের কাছাকাছি না হতো অথবা নিকট অতীতে কুফরি ত্যাগ না করত, তবে আমি অবশ্যই কা’বায় পুঞ্জীভূত সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতাম, এর দরজা ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম এবং হাতীমকে কা’বার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। (ই.ফা. ৩১০৯, ই.সে. ৩১০৬)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن مخرمة، ح وحدثني هارون، بن سعيد الأيلي حدثنا ابن وهب، أخبرني مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال سمعت نافعا، مولى ابن عمر يقول سمعت عبد الله بن أبي بكر بن أبي قحافة، يحدث عبد الله بن عمر عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لولا أن قومك حديثو عهد بجاهلية - أو قال بكفر - لأنفقت كنز الكعبة في سبيل الله ولجعلت بابها بالأرض ولأدخلت فيها من الحجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৩

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد، الله أن عبد الله بن محمد بن أبي بكر الصديق، أخبر عبد الله بن عمر، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ألم ترى أن قومك حين بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد إبراهيم ‏"‏ ‏.‏ قالت فقلت يا رسول الله أفلا تردها على قواعد إبراهيم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت ‏"‏ ‏.‏ فقال عبد الله بن عمر لئن كانت عائشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر إلا أن البيت لم يتمم على قواعد إبراهيم ‏.

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি কি দেখনি যে, তোমার গোত্রের লোকেরা কা’বাহ্ ঘর নির্মাণের সময় তা ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিত্গুলোর চেয়ে ছোট করে দেয়? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কি তা ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিতের উপর পুনর্নির্মাণ করতে চান? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের কওমের কুফরী পরিত্যাগের যুগটি যদি নিকটতর না হতো। (তবে তাই করতাম)। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, যদিও বা ‘আয়িশা (রাঃ) তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখে শুনে থাকবেন। কিন্তু হাজারের নিকটবর্তী উভয় রুকনের স্পর্শ ত্যাগ করতে দেখিনি। তবে বায়তুল্লাহ ইব্রাহীম (‘আঃ)–এর গোটা ভিতের উপর পুনর্নির্মিত হয়নি। (ই.ফা. ৩১০৮, ই.সে.৩১০৫)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি কি দেখনি যে, তোমার গোত্রের লোকেরা কা’বাহ্ ঘর নির্মাণের সময় তা ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিত্গুলোর চেয়ে ছোট করে দেয়? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কি তা ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিতের উপর পুনর্নির্মাণ করতে চান? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের কওমের কুফরী পরিত্যাগের যুগটি যদি নিকটতর না হতো। (তবে তাই করতাম)। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, যদিও বা ‘আয়িশা (রাঃ) তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখে শুনে থাকবেন। কিন্তু হাজারের নিকটবর্তী উভয় রুকনের স্পর্শ ত্যাগ করতে দেখিনি। তবে বায়তুল্লাহ ইব্রাহীম (‘আঃ)–এর গোটা ভিতের উপর পুনর্নির্মিত হয়নি। (ই.ফা. ৩১০৮, ই.সে.৩১০৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد، الله أن عبد الله بن محمد بن أبي بكر الصديق، أخبر عبد الله بن عمر، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ألم ترى أن قومك حين بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد إبراهيم ‏"‏ ‏.‏ قالت فقلت يا رسول الله أفلا تردها على قواعد إبراهيم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت ‏"‏ ‏.‏ فقال عبد الله بن عمر لئن كانت عائشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر إلا أن البيت لم يتمم على قواعد إبراهيم ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৯

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا عبد الله بن بكر السهمي، حدثنا حاتم بن أبي، صغيرة عن أبي قزعة، أن عبد الملك بن مروان، بينما هو يطوف بالبيت إذ قال قاتل الله ابن الزبير حيث يكذب على أم المؤمنين يقول سمعتها تقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عائشة لولا حدثان قومك بالكفر لنقضت البيت حتى أزيد فيه من الحجر فإن قومك قصروا في البناء ‏"‏ ‏.‏ فقال الحارث بن عبد الله بن أبي ربيعة لا تقل هذا يا أمير المؤمنين فأنا سمعت أم المؤمنين تحدث هذا ‏.‏ قال لو كنت سمعته قبل أن أهدمه لتركته على ما بنى ابن الزبير ‏.

আবূ ক্বাযা’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফকালে বলে উঠলেন, আল্লাহ ইবনু যুবায়রকে ধ্বংস করুন- যেহেতু সে উম্মুল মু’মিনীন [‘আয়িশা (রাঃ)]-এর উপর মিথ্যারোপ করেছেন যে, সে তাকে নাকি বলতে শুনেছে, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আয়িশাহ্! তোমার সম্প্রদায় যদি অতীতে কুফরি পরিত্যাগকারী না হতো তবে আমি কা’বাহ্ ঘর বেঙ্গে তাতে হাতীমের অংশ যুক্ত করে দিতাম। কারণ তোমার সম্প্রদায় কা’বার আয়তন ছোট করে দিয়েছে”। (আবদুল মালিকের এ কথার উপর) হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী’আহ্ বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ কথা আর বলবেন না। কারণ আমি নিজে উম্মুল মু’মিনীন [‘আয়িশা (রাঃ)]-কে এ কথা বলতে শুনেছি। অতঃপর ‘আবদুল মালিক বললেন, কা’বাহ্ ঘর ভাঙ্গার পূর্বে যদি আমি তা শুনতে পেতাম, তাহলে ইবনু যুবায়রের ভিতের উপরই তা অটুট রাখতাম। (ই.ফা. ৩১১৪, ই.সে. ৩১১১)

আবূ ক্বাযা’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফকালে বলে উঠলেন, আল্লাহ ইবনু যুবায়রকে ধ্বংস করুন- যেহেতু সে উম্মুল মু’মিনীন [‘আয়িশা (রাঃ)]-এর উপর মিথ্যারোপ করেছেন যে, সে তাকে নাকি বলতে শুনেছে, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আয়িশাহ্! তোমার সম্প্রদায় যদি অতীতে কুফরি পরিত্যাগকারী না হতো তবে আমি কা’বাহ্ ঘর বেঙ্গে তাতে হাতীমের অংশ যুক্ত করে দিতাম। কারণ তোমার সম্প্রদায় কা’বার আয়তন ছোট করে দিয়েছে”। (আবদুল মালিকের এ কথার উপর) হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী’আহ্ বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ কথা আর বলবেন না। কারণ আমি নিজে উম্মুল মু’মিনীন [‘আয়িশা (রাঃ)]-কে এ কথা বলতে শুনেছি। অতঃপর ‘আবদুল মালিক বললেন, কা’বাহ্ ঘর ভাঙ্গার পূর্বে যদি আমি তা শুনতে পেতাম, তাহলে ইবনু যুবায়রের ভিতের উপরই তা অটুট রাখতাম। (ই.ফা. ৩১১৪, ই.সে. ৩১১১)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا عبد الله بن بكر السهمي، حدثنا حاتم بن أبي، صغيرة عن أبي قزعة، أن عبد الملك بن مروان، بينما هو يطوف بالبيت إذ قال قاتل الله ابن الزبير حيث يكذب على أم المؤمنين يقول سمعتها تقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عائشة لولا حدثان قومك بالكفر لنقضت البيت حتى أزيد فيه من الحجر فإن قومك قصروا في البناء ‏"‏ ‏.‏ فقال الحارث بن عبد الله بن أبي ربيعة لا تقل هذا يا أمير المؤمنين فأنا سمعت أم المؤمنين تحدث هذا ‏.‏ قال لو كنت سمعته قبل أن أهدمه لتركته على ما بنى ابن الزبير ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৭

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عبد، الله بن عبيد بن عمير والوليد بن عطاء يحدثان عن الحارث بن عبد الله بن أبي ربيعة، قال عبد الله بن عبيد وفد الحارث بن عبد الله على عبد الملك بن مروان في خلافته فقال عبد الملك ما أظن أبا خبيب - يعني ابن الزبير - سمع من عائشة ما كان يزعم أنه سمعه منها ‏.‏ قال الحارث بلى أنا سمعته منها ‏.‏ قال سمعتها تقول ماذا قال قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن قومك استقصروا من بنيان البيت ولولا حداثة عهدهم بالشرك أعدت ما تركوا منه فإن بدا لقومك من بعدي أن يبنوه فهلمي لأريك ما تركوا منه ‏"‏ ‏.‏ فأراها قريبا من سبعة أذرع ‏.‏ هذا حديث عبد الله بن عبيد وزاد عليه الوليد بن عطاء قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ولجعلت لها بابين موضوعين في الأرض شرقيا وغربيا وهل تدرين لم كان قومك رفعوا بابها ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت لا ‏.‏ قال ‏"‏ تعززا أن لا يدخلها إلا من أرادوا فكان الرجل إذا هو أراد أن يدخلها يدعونه يرتقي حتى إذا كاد أن يدخل دفعوه فسقط ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الملك للحارث أنت سمعتها تقول هذا قال نعم‏.‏ قال فنكت ساعة بعصاه ثم قال وددت أني تركته وما تحمل.

হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী’আহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উবায়দ বলেন, হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ প্রতিনিধি হিসেবে ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের রাজত্বকালে তার নিকট গিয়েছিলেন। ‘আবদুল মালিক বললেন, আমি মনে করি না যে, আবূ যুবায়র অর্থাৎ ইবনু যুবায়র (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট এমন কিছু শুনেছেন যার দাবি তিনি করে থাকেন। [অর্থাৎ ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিতের উপর কা’বাহ ঘরের পুণর্নিমাণের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অভিপ্রায় সম্পর্কিত কোন হাদীস তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট শুনেননি]। হারিস বলেন, হ্যাঁ, আমি নিজেই তার নিকট এ হাদীস শুনেছি। ‘আবদুল মালিক বললেন, আপনি তাকে কী বলতে শুনেছেন? হারিস বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার ক্বওমের লোকেরা কা’বাহ্ ঘরের ভিত (আয়তনে) ছোট করে ফেলেছে। অতীতে তারা শির্ক পরিত্যাগ না করলে আমি তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু কা’বার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি আমার পরে তা পুণর্নিমাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে এসো, আমি তোমাকে তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু দেখিয়ে দিই”- অতএব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশাহ-কে (হাতীম সংলগ্ন) প্রায় সাত গজ স্থান দেখিয়ে দিলেন। এ হাদীস ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উবায়দ কর্তৃক বর্ণিত। ওয়ালীদ ইবনু ‘আত্বা ও বর্ণনার উপর আরো বৃদ্ধি করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি জমিনের সমতলে দু’টি দরজাও নির্মাণ করতাম- একটি পূর্বদিকে এবং অপরটি পশ্চিম দিকে। তুমি কি জান তোমার গোত্রের লোকেরা কা’বার দরজা (ভূমি থেকে) উঁচুতে স্থাপন করেছে কেন?” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “গর্ব ও অহংকারের বশবর্তী হয়ে (তারা এটা করেছে) যাকে কেবল সে ব্যক্তিই কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে- যাকে তারা অনুমতি দিবে। যখন কোন ব্যক্তি কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশের ইচ্ছা করত, তারা তাকে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে দিত। এমনকি সে যখন তাতে প্রবেশ করত, তখন তারা তাকে টেনে নিচে ফেলে দিত”। ‘আবদুল মালিক হারিসকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, কিছুক্ষণ তিনি হাতের ছড়ি দিয়ে মাটি খুঁড়তে লাগলেন, এরপর বললেনঃ আমি তার (ইবনু যুবায়র) কাজ স্ব অবস্থায় বহাল রাখার আকাঙক্ষা করছি। (ই.ফা. ৩১১২, ই.সে. ৩১০৯)

হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী’আহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উবায়দ বলেন, হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ প্রতিনিধি হিসেবে ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের রাজত্বকালে তার নিকট গিয়েছিলেন। ‘আবদুল মালিক বললেন, আমি মনে করি না যে, আবূ যুবায়র অর্থাৎ ইবনু যুবায়র (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট এমন কিছু শুনেছেন যার দাবি তিনি করে থাকেন। [অর্থাৎ ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিতের উপর কা’বাহ ঘরের পুণর্নিমাণের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অভিপ্রায় সম্পর্কিত কোন হাদীস তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট শুনেননি]। হারিস বলেন, হ্যাঁ, আমি নিজেই তার নিকট এ হাদীস শুনেছি। ‘আবদুল মালিক বললেন, আপনি তাকে কী বলতে শুনেছেন? হারিস বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার ক্বওমের লোকেরা কা’বাহ্ ঘরের ভিত (আয়তনে) ছোট করে ফেলেছে। অতীতে তারা শির্ক পরিত্যাগ না করলে আমি তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু কা’বার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি আমার পরে তা পুণর্নিমাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে এসো, আমি তোমাকে তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু দেখিয়ে দিই”- অতএব রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশাহ-কে (হাতীম সংলগ্ন) প্রায় সাত গজ স্থান দেখিয়ে দিলেন। এ হাদীস ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উবায়দ কর্তৃক বর্ণিত। ওয়ালীদ ইবনু ‘আত্বা ও বর্ণনার উপর আরো বৃদ্ধি করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি জমিনের সমতলে দু’টি দরজাও নির্মাণ করতাম- একটি পূর্বদিকে এবং অপরটি পশ্চিম দিকে। তুমি কি জান তোমার গোত্রের লোকেরা কা’বার দরজা (ভূমি থেকে) উঁচুতে স্থাপন করেছে কেন?” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “গর্ব ও অহংকারের বশবর্তী হয়ে (তারা এটা করেছে) যাকে কেবল সে ব্যক্তিই কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে- যাকে তারা অনুমতি দিবে। যখন কোন ব্যক্তি কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশের ইচ্ছা করত, তারা তাকে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে দিত। এমনকি সে যখন তাতে প্রবেশ করত, তখন তারা তাকে টেনে নিচে ফেলে দিত”। ‘আবদুল মালিক হারিসকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, কিছুক্ষণ তিনি হাতের ছড়ি দিয়ে মাটি খুঁড়তে লাগলেন, এরপর বললেনঃ আমি তার (ইবনু যুবায়র) কাজ স্ব অবস্থায় বহাল রাখার আকাঙক্ষা করছি। (ই.ফা. ৩১১২, ই.সে. ৩১০৯)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عبد، الله بن عبيد بن عمير والوليد بن عطاء يحدثان عن الحارث بن عبد الله بن أبي ربيعة، قال عبد الله بن عبيد وفد الحارث بن عبد الله على عبد الملك بن مروان في خلافته فقال عبد الملك ما أظن أبا خبيب - يعني ابن الزبير - سمع من عائشة ما كان يزعم أنه سمعه منها ‏.‏ قال الحارث بلى أنا سمعته منها ‏.‏ قال سمعتها تقول ماذا قال قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن قومك استقصروا من بنيان البيت ولولا حداثة عهدهم بالشرك أعدت ما تركوا منه فإن بدا لقومك من بعدي أن يبنوه فهلمي لأريك ما تركوا منه ‏"‏ ‏.‏ فأراها قريبا من سبعة أذرع ‏.‏ هذا حديث عبد الله بن عبيد وزاد عليه الوليد بن عطاء قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ولجعلت لها بابين موضوعين في الأرض شرقيا وغربيا وهل تدرين لم كان قومك رفعوا بابها ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت لا ‏.‏ قال ‏"‏ تعززا أن لا يدخلها إلا من أرادوا فكان الرجل إذا هو أراد أن يدخلها يدعونه يرتقي حتى إذا كاد أن يدخل دفعوه فسقط ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الملك للحارث أنت سمعتها تقول هذا قال نعم‏.‏ قال فنكت ساعة بعصاه ثم قال وددت أني تركته وما تحمل.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৬

حدثنا هناد بن السري، حدثنا ابن أبي زائدة، أخبرني ابن أبي سليمان، عن عطاء، قال لما احترق البيت زمن يزيد بن معاوية حين غزاها أهل الشام فكان من أمره ما كان تركه ابن الزبير حتى قدم الناس الموسم يريد أن يجرئهم - أو يحربهم - على أهل الشام فلما صدر الناس قال يا أيها الناس أشيروا على في الكعبة أنقضها ثم أبني بناءها أو أصلح ما وهى منها قال ابن عباس فإني قد فرق لي رأى فيها أرى أن تصلح ما وهى منها وتدع بيتا أسلم الناس عليه وأحجارا أسلم الناس عليها وبعث عليها النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال ابن الزبير لو كان أحدكم احترق بيته ما رضي حتى يجده فكيف بيت ربكم إني مستخير ربي ثلاثا ثم عازم على أمري فلما مضى الثلاث أجمع رأيه على أن ينقضها فتحاماه الناس أن ينزل بأول الناس يصعد فيه أمر من السماء حتى صعده رجل فألقى منه حجارة فلما لم يره الناس أصابه شىء تتابعوا فنقضوه حتى بلغوا به الأرض فجعل ابن الزبير أعمدة فستر عليها الستور حتى ارتفع بناؤه ‏.‏ وقال ابن الزبير إني سمعت عائشة تقول إن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لولا أن الناس حديث عهدهم بكفر وليس عندي من النفقة ما يقوي على بنائه لكنت أدخلت فيه من الحجر خمس أذرع ولجعلت لها بابا يدخل الناس منه وبابا يخرجون منه ‏"‏ ‏.‏ قال فأنا اليوم أجد ما أنفق ولست أخاف الناس - قال - فزاد فيه خمس أذرع من الحجر حتى أبدى أسا نظر الناس إليه فبنى عليه البناء وكان طول الكعبة ثماني عشرة ذراعا فلما زاد فيه استقصره فزاد في طوله عشر أذرع وجعل له بابين أحدهما يدخل منه والآخر يخرج منه ‏.‏ فلما قتل ابن الزبير كتب الحجاج إلى عبد الملك بن مروان يخبره بذلك ويخبره أن ابن الزبير قد وضع البناء على أس نظر إليه العدول من أهل مكة ‏.‏ فكتب إليه عبد الملك إنا لسنا من تلطيخ ابن الزبير في شىء أما ما زاد في طوله فأقره وأما ما زاد فيه من الحجر فرده إلى بنائه وسد الباب الذي فتحه ‏.‏ فنقضه وأعاده إلى بنائه ‏.

‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু মু’আবিয়ার সময় কা’বাহ্ ঘর দগ্ধীভূত হয়েছিল- যখন সিরীয় বাহিনী মাক্কায় যুদ্ধে লিপ্ত ছিল (৬৩ হিজরী) এবং কা’বার যা হবার তাই হ’ল। হাজ্জের মৌসুমে লোকদের আগমনের সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) কা’বাকে এ অবস্থায় রেখে দিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল লোকদেরকে উদ্দীপ্ত করা অথবা তাদের মধ্যে সিরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার মনোবল সৃষ্টি করা। লোকেরা সমবেত হলে তিনি বললেন, হে জনগণ! আমাকে কা’বাহ্ ঘর সম্পর্কে পরামর্শ দিন। আমি কি তা ভেঙ্গে ফেলে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলব, নাকি শুধু এর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করব? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমার মনে একটি মতের উদয় হয়েছে, আমি মনে করি যে, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ তুমি মেরামত করবে এবং লোকদের ইসলাম গ্রহণ ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নুবূওয়াত লাভকালীন সময়ে কা’বাহ্ ঘর ও পাথরসমূহ যে অবস্থায় ছিল, তা সে অবস্থায় রেখে দিবে। ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, আপনাদের কারো ঘর অগ্নিদগ্ধ হলে তা সংস্কার না করা পর্যন্ত তিনি স্বস্তি লাভ করতে পারেন না। অতএব আপনাদের প্রতিপালকের ঘর কী করে এরূপ জীর্ণ অবস্থায় রাখা যেতে পারে? আমি আমার রব-এর কাছে তিনদিন ইস্তিখারা করব (অভিপ্রায় অবগত হবার জন্য) অতঃপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। তিনদিন পর তিনি কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণের দৃঢ় সিদ্ধান্তে উপনিত হলেন। লোকেরা আশংকা করল যে, সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কা’বার ছাদে উঠবে, সে হয়ত কোন আসমানী গযবে নিপতিত হবে। শেষ পর্যন্ত এক ব্যক্তি (ছাদ ভাঙ্গার জন্য) কা’বার ছাদে উঠল এবং তার একটি পাথর নীচে ফেলল। লোকেরা যখন দেখল সে কোন বিপদে পড়েনি, তখন তারাও তাকে অনুসরণ করল এবং কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে জমিনের সাথে মিশিয়ে দিল। অতঃপর ইবনু যুবায়র (রাঃ) কতগুলো থাম স্থাপন করে এগুলোর সাথে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। অবশেষে কা’বার দেয়ালের গাঁথুনি উচ্চ হল। ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, অবশ্যই আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “লোকেরা যদি নিকট অতীতে কুফরি ত্যাগ না করত এবং আমার নিকটও কা’বাকে পুনর্নির্মাণ করার মত অর্থ-সামর্থ্যও নেই- তাহলে আমি অবশ্যই আল-হাজার (হাতীম)-এর পাঁচ গজ স্থান কা’বাহ্ ঘরের অন্তর্ভুক্ত করতাম এবং লোকদের প্রবেশের জন্য ও বের হবার জন্য এর দু’টি দরজা বানাতাম।” ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, বর্তমানে আমার হাতে তা নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে এবং লোকদের তরফ থেকেও কোন প্রতিবাদের আশংকা নেই। রাবী বলেন, এরপর তিনি হাতীমের পাঁচ গজ এলাকা কা’বার অন্তর্ভুক্ত করলেন। ফলে তা (পুরাতন) ভিতের উপর গড়ে উঠল। [যার উপর ইব্রাহীম (‘আঃ) তা গড়েছিলেন]। এবং লোকেরা তা অবলোকন করল। এ ভিতের উপর দেয়াল গড়ে তোলা হল। কা’বার দৈর্ঘ্য ছিল আঠার গজ। তা যখন (প্রস্থে) বাড়ানো হল, তখন (স্বাভাবিকভাবেই দৈর্ঘ্য) তা ছোট হওয়ায় দৈর্ঘ্যে তা আরও দশ গজ বৃদ্ধি করা হল এবং এর দু’টি দরজা নির্মাণ করা হল, একটি প্রবেশের জন্য এবং অপরটি প্রস্থানের জন্য। ইবনু যুবায়র (রাঃ) শহীদ হলে হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানকে তা লিখে জানাল। সে আরও জানাল যে, ইবনু যুবায়র (কা’বাহ্ ঘর) সে ভিতের উপর নির্মাণ করেছে। [যা ছিল ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিত] এবং মাক্কার বিশ্বস্ত লোকেরা তা যাচাই করে দেখেছে। ‘আবদুল মালিক তাকে লিখে পাঠালেন যে, কোন বিষয়ে ইবনু যুবায়রকে অভিযুক্ত করার প্রয়োজন আমাদের নেই। সে দৈর্ঘ্যে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা বহাল রাখ এবং হাতীমের দিকে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা ভেঙ্গে পূর্বাবস্থায় নিয়ে আসো। আর সে যে (নতুন) দরজা খুলেছে তা বন্ধ করে দাও। এরপর হাজ্জাজ তা ভেঙ্গে পূর্বের ভিতের উপর পুনর্নির্মাণ করে। [৩২] (ই.ফা ৩১১১, ই.সে.৩১০৮)

‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু মু’আবিয়ার সময় কা’বাহ্ ঘর দগ্ধীভূত হয়েছিল- যখন সিরীয় বাহিনী মাক্কায় যুদ্ধে লিপ্ত ছিল (৬৩ হিজরী) এবং কা’বার যা হবার তাই হ’ল। হাজ্জের মৌসুমে লোকদের আগমনের সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) কা’বাকে এ অবস্থায় রেখে দিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল লোকদেরকে উদ্দীপ্ত করা অথবা তাদের মধ্যে সিরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার মনোবল সৃষ্টি করা। লোকেরা সমবেত হলে তিনি বললেন, হে জনগণ! আমাকে কা’বাহ্ ঘর সম্পর্কে পরামর্শ দিন। আমি কি তা ভেঙ্গে ফেলে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলব, নাকি শুধু এর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করব? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমার মনে একটি মতের উদয় হয়েছে, আমি মনে করি যে, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ তুমি মেরামত করবে এবং লোকদের ইসলাম গ্রহণ ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নুবূওয়াত লাভকালীন সময়ে কা’বাহ্ ঘর ও পাথরসমূহ যে অবস্থায় ছিল, তা সে অবস্থায় রেখে দিবে। ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, আপনাদের কারো ঘর অগ্নিদগ্ধ হলে তা সংস্কার না করা পর্যন্ত তিনি স্বস্তি লাভ করতে পারেন না। অতএব আপনাদের প্রতিপালকের ঘর কী করে এরূপ জীর্ণ অবস্থায় রাখা যেতে পারে? আমি আমার রব-এর কাছে তিনদিন ইস্তিখারা করব (অভিপ্রায় অবগত হবার জন্য) অতঃপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। তিনদিন পর তিনি কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণের দৃঢ় সিদ্ধান্তে উপনিত হলেন। লোকেরা আশংকা করল যে, সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কা’বার ছাদে উঠবে, সে হয়ত কোন আসমানী গযবে নিপতিত হবে। শেষ পর্যন্ত এক ব্যক্তি (ছাদ ভাঙ্গার জন্য) কা’বার ছাদে উঠল এবং তার একটি পাথর নীচে ফেলল। লোকেরা যখন দেখল সে কোন বিপদে পড়েনি, তখন তারাও তাকে অনুসরণ করল এবং কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে জমিনের সাথে মিশিয়ে দিল। অতঃপর ইবনু যুবায়র (রাঃ) কতগুলো থাম স্থাপন করে এগুলোর সাথে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। অবশেষে কা’বার দেয়ালের গাঁথুনি উচ্চ হল। ইবনু যুবায়র (রাঃ) বললেন, অবশ্যই আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “লোকেরা যদি নিকট অতীতে কুফরি ত্যাগ না করত এবং আমার নিকটও কা’বাকে পুনর্নির্মাণ করার মত অর্থ-সামর্থ্যও নেই- তাহলে আমি অবশ্যই আল-হাজার (হাতীম)-এর পাঁচ গজ স্থান কা’বাহ্ ঘরের অন্তর্ভুক্ত করতাম এবং লোকদের প্রবেশের জন্য ও বের হবার জন্য এর দু’টি দরজা বানাতাম।” ইবনু যুবায়র (রাঃ) বলেন, বর্তমানে আমার হাতে তা নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে এবং লোকদের তরফ থেকেও কোন প্রতিবাদের আশংকা নেই। রাবী বলেন, এরপর তিনি হাতীমের পাঁচ গজ এলাকা কা’বার অন্তর্ভুক্ত করলেন। ফলে তা (পুরাতন) ভিতের উপর গড়ে উঠল। [যার উপর ইব্রাহীম (‘আঃ) তা গড়েছিলেন]। এবং লোকেরা তা অবলোকন করল। এ ভিতের উপর দেয়াল গড়ে তোলা হল। কা’বার দৈর্ঘ্য ছিল আঠার গজ। তা যখন (প্রস্থে) বাড়ানো হল, তখন (স্বাভাবিকভাবেই দৈর্ঘ্য) তা ছোট হওয়ায় দৈর্ঘ্যে তা আরও দশ গজ বৃদ্ধি করা হল এবং এর দু’টি দরজা নির্মাণ করা হল, একটি প্রবেশের জন্য এবং অপরটি প্রস্থানের জন্য। ইবনু যুবায়র (রাঃ) শহীদ হলে হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানকে তা লিখে জানাল। সে আরও জানাল যে, ইবনু যুবায়র (কা’বাহ্ ঘর) সে ভিতের উপর নির্মাণ করেছে। [যা ছিল ইব্রাহীম (‘আঃ)-এর ভিত] এবং মাক্কার বিশ্বস্ত লোকেরা তা যাচাই করে দেখেছে। ‘আবদুল মালিক তাকে লিখে পাঠালেন যে, কোন বিষয়ে ইবনু যুবায়রকে অভিযুক্ত করার প্রয়োজন আমাদের নেই। সে দৈর্ঘ্যে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা বহাল রাখ এবং হাতীমের দিকে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা ভেঙ্গে পূর্বাবস্থায় নিয়ে আসো। আর সে যে (নতুন) দরজা খুলেছে তা বন্ধ করে দাও। এরপর হাজ্জাজ তা ভেঙ্গে পূর্বের ভিতের উপর পুনর্নির্মাণ করে। [৩২] (ই.ফা ৩১১১, ই.সে.৩১০৮)

حدثنا هناد بن السري، حدثنا ابن أبي زائدة، أخبرني ابن أبي سليمان، عن عطاء، قال لما احترق البيت زمن يزيد بن معاوية حين غزاها أهل الشام فكان من أمره ما كان تركه ابن الزبير حتى قدم الناس الموسم يريد أن يجرئهم - أو يحربهم - على أهل الشام فلما صدر الناس قال يا أيها الناس أشيروا على في الكعبة أنقضها ثم أبني بناءها أو أصلح ما وهى منها قال ابن عباس فإني قد فرق لي رأى فيها أرى أن تصلح ما وهى منها وتدع بيتا أسلم الناس عليه وأحجارا أسلم الناس عليها وبعث عليها النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال ابن الزبير لو كان أحدكم احترق بيته ما رضي حتى يجده فكيف بيت ربكم إني مستخير ربي ثلاثا ثم عازم على أمري فلما مضى الثلاث أجمع رأيه على أن ينقضها فتحاماه الناس أن ينزل بأول الناس يصعد فيه أمر من السماء حتى صعده رجل فألقى منه حجارة فلما لم يره الناس أصابه شىء تتابعوا فنقضوه حتى بلغوا به الأرض فجعل ابن الزبير أعمدة فستر عليها الستور حتى ارتفع بناؤه ‏.‏ وقال ابن الزبير إني سمعت عائشة تقول إن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لولا أن الناس حديث عهدهم بكفر وليس عندي من النفقة ما يقوي على بنائه لكنت أدخلت فيه من الحجر خمس أذرع ولجعلت لها بابا يدخل الناس منه وبابا يخرجون منه ‏"‏ ‏.‏ قال فأنا اليوم أجد ما أنفق ولست أخاف الناس - قال - فزاد فيه خمس أذرع من الحجر حتى أبدى أسا نظر الناس إليه فبنى عليه البناء وكان طول الكعبة ثماني عشرة ذراعا فلما زاد فيه استقصره فزاد في طوله عشر أذرع وجعل له بابين أحدهما يدخل منه والآخر يخرج منه ‏.‏ فلما قتل ابن الزبير كتب الحجاج إلى عبد الملك بن مروان يخبره بذلك ويخبره أن ابن الزبير قد وضع البناء على أس نظر إليه العدول من أهل مكة ‏.‏ فكتب إليه عبد الملك إنا لسنا من تلطيخ ابن الزبير في شىء أما ما زاد في طوله فأقره وأما ما زاد فيه من الحجر فرده إلى بنائه وسد الباب الذي فتحه ‏.‏ فنقضه وأعاده إلى بنائه ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৮

وحدثناه محمد بن عمرو بن جبلة، حدثنا أبو عاصم، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، كلاهما عن ابن جريج، بهذا الإسناد ‏.‏ مثل حديث ابن بكر ‏.

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে ইবনু বাকর-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১১৩, ই.সে. ৩১১০)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে ইবনু বাকর-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১১৩, ই.সে. ৩১১০)

وحدثناه محمد بن عمرو بن جبلة، حدثنا أبو عاصم، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، كلاهما عن ابن جريج، بهذا الإسناد ‏.‏ مثل حديث ابن بكر ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩৫

وحدثني محمد بن حاتم، حدثني ابن مهدي، حدثنا سليم بن حيان، عن سعيد، - يعني ابن ميناء - قال سمعت عبد الله بن الزبير، يقول حدثتني خالتي، - يعني عائشة - قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عائشة لولا أن قومك حديثو عهد بشرك لهدمت الكعبة فألزقتها بالأرض وجعلت لها بابين بابا شرقيا وبابا غربيا وزدت فيها ستة أذرع من الحجر فإن قريشا اقتصرتها حيث بنت الكعبة ‏"‏ ‏.

সা’ঈদ ইবনু মীনা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার খালা ‘আয়িশা (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ্! তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা নিকট অতীতে শির্ক পরিত্যাগ না করলে আমি কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে এর ভিত ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম। এর দু’টি দরজা করতাম-একটি পূর্বদিকে, অপরটি পশ্চিমদিকে এবং আল হাজার (হাতীম)-এর ছয় গজ স্থান কা’বার অন্তর্ভুক্ত করতাম। কেননা কুরায়শরা কা’বাহ্ ঘর নির্মাণকালে এর ভিত ছোট করে দেয়। (ই.ফা. ৩১১০, ই.সে ৩১০৭)

সা’ঈদ ইবনু মীনা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার খালা ‘আয়িশা (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ্! তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা নিকট অতীতে শির্ক পরিত্যাগ না করলে আমি কা’বাহ্ ঘর ভেঙ্গে এর ভিত ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম। এর দু’টি দরজা করতাম-একটি পূর্বদিকে, অপরটি পশ্চিমদিকে এবং আল হাজার (হাতীম)-এর ছয় গজ স্থান কা’বার অন্তর্ভুক্ত করতাম। কেননা কুরায়শরা কা’বাহ্ ঘর নির্মাণকালে এর ভিত ছোট করে দেয়। (ই.ফা. ৩১১০, ই.সে ৩১০৭)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثني ابن مهدي، حدثنا سليم بن حيان، عن سعيد، - يعني ابن ميناء - قال سمعت عبد الله بن الزبير، يقول حدثتني خالتي، - يعني عائشة - قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عائشة لولا أن قومك حديثو عهد بشرك لهدمت الكعبة فألزقتها بالأرض وجعلت لها بابين بابا شرقيا وبابا غربيا وزدت فيها ستة أذرع من الحجر فإن قريشا اقتصرتها حيث بنت الكعبة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৩২

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن نمير، عن هشام، بهذا الإسناد ‏.

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণিত। (ই.ফা. ৩১০৭, ই.সে. ৩১০৪)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণিত। (ই.ফা. ৩১০৭, ই.সে. ৩১০৪)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن نمير، عن هشام، بهذا الإسناد ‏.


সহিহ মুসলিম > কা’বার দেয়াল ও দরজার অবস্থান

সহিহ মুসলিম ৩১৪১

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا عبيد الله، - يعني ابن موسى - حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحجر ‏.‏ وساق الحديث بمعنى حديث أبي الأحوص وقال فيه فقلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم وقال ‏ "‏ مخافة أن تنفر قلوبهم ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্ হাজার (হাতীম) সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। এরপর পূর্বোক্ত আবুল আহ্ওয়াস-এর হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আছে [‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন], “এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী যে, সিঁড়ি ব্যতীত তাতে উঠা যায় না?” এতে আরো আছেঃ “তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যাবার আশংকায়”। (ই.ফা. ৩১১৬, ই.সে. ৩১১৩)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আল্ হাজার (হাতীম) সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। এরপর পূর্বোক্ত আবুল আহ্ওয়াস-এর হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আছে [‘আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন], “এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী যে, সিঁড়ি ব্যতীত তাতে উঠা যায় না?” এতে আরো আছেঃ “তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যাবার আশংকায়”। (ই.ফা. ৩১১৬, ই.সে. ৩১১৩)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا عبيد الله، - يعني ابن موسى - حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحجر ‏.‏ وساق الحديث بمعنى حديث أبي الأحوص وقال فيه فقلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم وقال ‏ "‏ مخافة أن تنفر قلوبهم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪০

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت فلم لم يدخلوه في البيت قال ‏"‏ إن قومك قصرت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا قال ‏"‏ فعل ذلك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهدهم في الجاهلية فأخاف أن تنكر قلوبهم لنظرت أن أدخل الجدر في البيت وأن ألزق بابه بالأرض ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, হাতীমের দেয়াল কি বায়তুল্লাহ্র অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তবে তার কেন এটাকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করেনি? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের নিকট পর্যপ্ত অর্থ ছিল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী? তিনি বললেন, তাও তোমার সম্প্রদায়ের কাণ্ড- যাতে তাদের কাঙ্খিত ব্যক্তি তাতে প্রবেশাধিকার পায় এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। তোমার ক্বওমের জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগের যুগ নিকটতম না হলে এবং আমার যদি এ আশংকা না হতো যে, তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে- তা হলে আমি অবশ্যই (হাতীমের) দেয়াল বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং কা’বার দরজা জমিনের সমতলে স্থাপন করার বিষয়ে বিবেচনা করতাম। (ই.ফা. ৩১১৫, ই.সে. ৩১১২)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, হাতীমের দেয়াল কি বায়তুল্লাহ্র অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তবে তার কেন এটাকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করেনি? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের নিকট পর্যপ্ত অর্থ ছিল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এর দরজা উঁচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী? তিনি বললেন, তাও তোমার সম্প্রদায়ের কাণ্ড- যাতে তাদের কাঙ্খিত ব্যক্তি তাতে প্রবেশাধিকার পায় এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। তোমার ক্বওমের জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগের যুগ নিকটতম না হলে এবং আমার যদি এ আশংকা না হতো যে, তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে- তা হলে আমি অবশ্যই (হাতীমের) দেয়াল বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং কা’বার দরজা জমিনের সমতলে স্থাপন করার বিষয়ে বিবেচনা করতাম। (ই.ফা. ৩১১৫, ই.সে. ৩১১২)

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت فلم لم يدخلوه في البيت قال ‏"‏ إن قومك قصرت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا قال ‏"‏ فعل ذلك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهدهم في الجاهلية فأخاف أن تنكر قلوبهم لنظرت أن أدخل الجدر في البيت وأن ألزق بابه بالأرض ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > বিকলাঙ্গ, বার্ধক্য ইত্যাদির কারণে অক্ষম ব্যক্তির পক্ষ হতে অথবা মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে হাজ্জ সম্পাদন

সহিহ মুসলিম ৩১৪২

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سليمان بن، يسار عن عبد الله بن عباس، أنه قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر ‏.‏ قالت يا رسول الله إن فريضة الله على عباده في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ وذلك في حجة الوداع ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সওয়ারীতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে উপবিষ্ট ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস’আম গোত্রের এক মহিলা তাঁর নিকট মাসআলাহ্ জিজ্ঞেস করতে আসলো। ফায্লও তার দিকে তাকাচ্ছিল এবং মহিলাটিও ফায্লের দিকে তাকাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্ল-এর মুখমণ্ডল অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর যে হাজ্জ ফরয করেছেন- তা আমার বৃদ্দ পিতার উপরও ফরয হয়েছে, কিন্তু তিনি বাহনের উপর অবস্থান করতে অক্ষম। আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ করতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এটা বিদায় হাজ্জের সময়কার ঘটনা। [৩৩] (ই.ফা. ৩১১৭, ই.সে. ৩১১৪)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সওয়ারীতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে উপবিষ্ট ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস’আম গোত্রের এক মহিলা তাঁর নিকট মাসআলাহ্ জিজ্ঞেস করতে আসলো। ফায্লও তার দিকে তাকাচ্ছিল এবং মহিলাটিও ফায্লের দিকে তাকাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্ল-এর মুখমণ্ডল অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপর যে হাজ্জ ফরয করেছেন- তা আমার বৃদ্দ পিতার উপরও ফরয হয়েছে, কিন্তু তিনি বাহনের উপর অবস্থান করতে অক্ষম। আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ করতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এটা বিদায় হাজ্জের সময়কার ঘটনা। [৩৩] (ই.ফা. ৩১১৭, ই.সে. ৩১১৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سليمان بن، يسار عن عبد الله بن عباس، أنه قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر ‏.‏ قالت يا رسول الله إن فريضة الله على عباده في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ وذلك في حجة الوداع ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৪৩

حدثني علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، عن ابن جريج، عن ابن شهاب، حدثنا سليمان بن يسار، عن ابن عباس، عن الفضل، أن امرأة، من خثعم قالت يا رسول الله إن أبي شيخ كبير عليه فريضة الله في الحج وهو لا يستطيع أن يستوي على ظهر بعيره ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فحجي عنه ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে তার ভাই ফায্লের সূত্র থেকে বর্নিতঃ

খাস’আম গোত্রের এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা অতি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন এবং তার উপর আল্লাহর ধার্যকৃত হাজ্জ ফারয হয়েছে। কিন্তু তিনি উটের পিঠে বসে থাকতে সক্ষম নন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ কর। (ই.ফা. ৩১১৮, ই.সে. ৩১১৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে তার ভাই ফায্লের সূত্র থেকে বর্নিতঃ

খাস’আম গোত্রের এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা অতি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন এবং তার উপর আল্লাহর ধার্যকৃত হাজ্জ ফারয হয়েছে। কিন্তু তিনি উটের পিঠে বসে থাকতে সক্ষম নন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ কর। (ই.ফা. ৩১১৮, ই.সে. ৩১১৫)

حدثني علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، عن ابن جريج، عن ابن شهاب، حدثنا سليمان بن يسار، عن ابن عباس، عن الفضل، أن امرأة، من خثعم قالت يا رسول الله إن أبي شيخ كبير عليه فريضة الله في الحج وهو لا يستطيع أن يستوي على ظهر بعيره ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فحجي عنه ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00