সহিহ মুসলিম > কুরবানীর দিন, মুযদালিফায় ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথেই ফজরের সলাত আদায় করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৩০০৭
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب جميعا عن أبي معاوية، - قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، - عن الأعمش، عن عمارة، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، قال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى صلاة إلا لميقاتها إلا صلاتين صلاة المغرب والعشاء بجمع وصلى الفجر يومئذ قبل ميقاتها .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নির্ধারিত ওয়াক্তেই সলাত আদায় করতে দেখেছি। তবে মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশার সলাত আদায় করেছেন এবং রাতের ভোরে ফজরের সলাত নির্ধারিত সময়ের পূর্বে অর্থাৎ ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করেছে। (ই.ফা. ২৯৮২, ই.সে. ২৯৭৯)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নির্ধারিত ওয়াক্তেই সলাত আদায় করতে দেখেছি। তবে মুযদালিফায় মাগরিব ও ‘ইশার সলাত আদায় করেছেন এবং রাতের ভোরে ফজরের সলাত নির্ধারিত সময়ের পূর্বে অর্থাৎ ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আদায় করেছে। (ই.ফা. ২৯৮২, ই.সে. ২৯৭৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب جميعا عن أبي معاوية، - قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، - عن الأعمش، عن عمارة، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، قال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى صلاة إلا لميقاتها إلا صلاتين صلاة المغرب والعشاء بجمع وصلى الفجر يومئذ قبل ميقاتها .
সহিহ মুসলিম ৩০০৮
وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، عن الأعمش، بهذا الإسناد وقال قبل وقتها بغلس .
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনার শেষাংশ নিম্নরূপঃ “ওয়াক্ত হবার সাথে সাথেই অন্ধকারের মধ্যে তা আদায় করেছেন।” (ই.ফা. ২৯৮৩, ই.সে. ২৯৮০)
আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনার শেষাংশ নিম্নরূপঃ “ওয়াক্ত হবার সাথে সাথেই অন্ধকারের মধ্যে তা আদায় করেছেন।” (ই.ফা. ২৯৮৩, ই.সে. ২৯৮০)
وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، عن الأعمش، بهذا الإسناد وقال قبل وقتها بغلس .
সহিহ মুসলিম > দুর্বল ও বৃদ্ধদের, বিশেষতঃ মহিলাদের ভোর রাতে রাস্তায় ভিড় হবার পূর্বেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় পাঠানো এবং অন্যদের ফজর পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৩০০৯
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا أفلح، - يعني ابن حميد - عن القاسم، عن عائشة، أنها قالت استأذنت سودة رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة المزدلفة تدفع قبله وقبل حطمة الناس وكانت امرأة ثبطة - يقول القاسم والثبطة الثقيلة - قال فأذن لها فخرجت قبل دفعه وحبسنا حتى أصبحنا فدفعنا بدفعه ولأن أكون استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة فأكون أدفع بإذنه أحب إلى من مفروح به .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদাহ্ (রাঃ) মুযদালিফার রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগেই এবং রাস্তায় জনতার ভিড় হবার পূর্বেই মিনার উদ্দেশে যাত্রার জন্য তাঁর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি ছিলেন স্থূলদেহী। (অধঃস্তন রাবী) আল-ক্বাসিম বলেন, (আরবি) শব্দের অর্থ (আরবি) (ভারী)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। অতএব তিনি তাঁর আগেই রওনা হয়ে গেলেন এবং আমরা ফজর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করলাম। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে রওনা হলাম। আমিও যদি সাওদাহ (রাঃ)-এর মতো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি নিয়ে আগে ভাগে চলে যেতাম, তবে তা আরও আনন্দদায়ক হতো- যে আনন্দ এখন আমি অনুভব করছি, তার তুলনায়। (ই.ফা. ২৯৮৪, ই.সে. ২৯৮১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদাহ্ (রাঃ) মুযদালিফার রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আগেই এবং রাস্তায় জনতার ভিড় হবার পূর্বেই মিনার উদ্দেশে যাত্রার জন্য তাঁর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি ছিলেন স্থূলদেহী। (অধঃস্তন রাবী) আল-ক্বাসিম বলেন, (আরবি) শব্দের অর্থ (আরবি) (ভারী)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। অতএব তিনি তাঁর আগেই রওনা হয়ে গেলেন এবং আমরা ফজর পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করলাম। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে রওনা হলাম। আমিও যদি সাওদাহ (রাঃ)-এর মতো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি নিয়ে আগে ভাগে চলে যেতাম, তবে তা আরও আনন্দদায়ক হতো- যে আনন্দ এখন আমি অনুভব করছি, তার তুলনায়। (ই.ফা. ২৯৮৪, ই.সে. ২৯৮১)
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا أفلح، - يعني ابن حميد - عن القاسم، عن عائشة، أنها قالت استأذنت سودة رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة المزدلفة تدفع قبله وقبل حطمة الناس وكانت امرأة ثبطة - يقول القاسم والثبطة الثقيلة - قال فأذن لها فخرجت قبل دفعه وحبسنا حتى أصبحنا فدفعنا بدفعه ولأن أكون استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة فأكون أدفع بإذنه أحب إلى من مفروح به .
সহিহ মুসলিম ৩০১০
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، جميعا عن الثقفي، - قال ابن المثنى حدثنا عبد الوهاب، - حدثنا أيوب، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم، عن عائشة، قالت كانت سودة امرأة ضخمة ثبطة فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تفيض من جمع بليل فأذن لها فقالت عائشة فليتني كنت استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة وكانت عائشة لا تفيض إلا مع الإمام .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদাহ্ (রাঃ) ছিলেন ভারী ও স্থূলদেহী। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মুযদালিফাহ্ থেকে রাত থাকতেই প্রস্থান করার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) আরও বলেন, হায়! যদি সাওদাহ্ (রাঃ)-এর মতো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমিও অনুমতি প্রার্থনা করতাম! ‘আয়িশা (রাঃ) ইমামের সাথে মুযদালিফাহ্ হতে রওনা হতেন। (ই.ফা. ২৯৮৫, ই.সে. ২৯৮২)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদাহ্ (রাঃ) ছিলেন ভারী ও স্থূলদেহী। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মুযদালিফাহ্ থেকে রাত থাকতেই প্রস্থান করার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) আরও বলেন, হায়! যদি সাওদাহ্ (রাঃ)-এর মতো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমিও অনুমতি প্রার্থনা করতাম! ‘আয়িশা (রাঃ) ইমামের সাথে মুযদালিফাহ্ হতে রওনা হতেন। (ই.ফা. ২৯৮৫, ই.সে. ২৯৮২)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، جميعا عن الثقفي، - قال ابن المثنى حدثنا عبد الوهاب، - حدثنا أيوب، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم، عن عائشة، قالت كانت سودة امرأة ضخمة ثبطة فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تفيض من جمع بليل فأذن لها فقالت عائشة فليتني كنت استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة وكانت عائشة لا تفيض إلا مع الإمام .
সহিহ মুসলিম ৩০১১
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم، عن عائشة، قالت وددت أني كنت استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة فأصلي الصبح بمنى فأرمي الجمرة قبل أن يأتي الناس . فقيل لعائشة فكانت سودة استأذنته قالت نعم إنها كانت امرأة ثقيلة ثبطة فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذن لها .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আকাঙ্ক্ষা করেছিলাম আমিও যদি সাওদাহ্ (রাঃ)-এর অনুরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করতাম! তিনি মিনায় পৌঁছে ফাজ্রের সলাত আদায় করেন এবং লোকদের পৌঁছার পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেন। ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলা হ’ল, সাওদাহ্ (রাঃ) কি তাঁর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং ভারী, তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে অনুমতি দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৯৮৬, ই.সে. ২৯৮৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আকাঙ্ক্ষা করেছিলাম আমিও যদি সাওদাহ্ (রাঃ)-এর অনুরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করতাম! তিনি মিনায় পৌঁছে ফাজ্রের সলাত আদায় করেন এবং লোকদের পৌঁছার পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেন। ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলা হ’ল, সাওদাহ্ (রাঃ) কি তাঁর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং ভারী, তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে অনুমতি দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৯৮৬, ই.সে. ২৯৮৩)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم، عن عائشة، قالت وددت أني كنت استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة فأصلي الصبح بمنى فأرمي الجمرة قبل أن يأتي الناس . فقيل لعائشة فكانت سودة استأذنته قالت نعم إنها كانت امرأة ثقيلة ثبطة فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذن لها .
সহিহ মুসলিম ৩০১৬
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عمرو بن دينار، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن سالم بن شوال، عن أم، حبيبة قالت كنا نفعله على عهد النبي صلى الله عليه وسلم نغلس من جمع إلى منى . وفي رواية الناقد نغلس من مزدلفة .
সালিম ইবনু শাও্ওয়াল সূত্রে উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘আমাল থেকে এরূপ করতাম, অর্থাৎ রাতের অন্ধকারেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় চলে আসতাম। নাক্বিদ-এর বর্ণনায় আছে, “মুযদালিফাহ্ থেকে আমরা রাতের অন্ধকারেই রওনা হতাম।” (ই.ফা. ২৯৯১, ই.সে. ২৯৮৮)
সালিম ইবনু শাও্ওয়াল সূত্রে উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘আমাল থেকে এরূপ করতাম, অর্থাৎ রাতের অন্ধকারেই মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় চলে আসতাম। নাক্বিদ-এর বর্ণনায় আছে, “মুযদালিফাহ্ থেকে আমরা রাতের অন্ধকারেই রওনা হতাম।” (ই.ফা. ২৯৯১, ই.সে. ২৯৮৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عمرو بن دينار، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن سالم بن شوال، عن أم، حبيبة قالت كنا نفعله على عهد النبي صلى الله عليه وسلم نغلس من جمع إلى منى . وفي رواية الناقد نغلس من مزدلفة .
সহিহ মুসলিম ৩০২০
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، أن ابن عباس، قال بعث بي رسول الله صلى الله عليه وسلم بسحر من جمع في ثقل نبي الله صلى الله عليه وسلم . قلت أبلغك أن ابن عباس قال بعث بي بليل طويل قال لا إلا كذلك بسحر . قلت له فقال ابن عباس رمينا الجمرة قبل الفجر . وأين صلى الفجر قال لا إلا كذلك .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর মালপত্র নিয়ে ভোর রাতে মুযদালিফাহ্ থেকে (মিনায়) পাঠিয়ে দেন। আমি (ইবনু জুরায়জ) ‘আত্বাকে বললাম, আপনি জানেন কি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে গভীর রাতে পাঠিয়েছেন”? তিনি বললেন, না, কেবল ভোর রাতের কথাই আমি জানি। আমি তাঁকে পুনরায় বললাম, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “আমরা ফজরের সলাতের পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেছি।” তাহলে তিনি ফজরের সলাত কোথায় আদায় করেছেন? ‘আত্বা বললেন, না, আমি এতটুকুই জানি। (ই.ফা. ২৯৯৫, ই.সে. ২৯৯২)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর মালপত্র নিয়ে ভোর রাতে মুযদালিফাহ্ থেকে (মিনায়) পাঠিয়ে দেন। আমি (ইবনু জুরায়জ) ‘আত্বাকে বললাম, আপনি জানেন কি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে গভীর রাতে পাঠিয়েছেন”? তিনি বললেন, না, কেবল ভোর রাতের কথাই আমি জানি। আমি তাঁকে পুনরায় বললাম, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “আমরা ফজরের সলাতের পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেছি।” তাহলে তিনি ফজরের সলাত কোথায় আদায় করেছেন? ‘আত্বা বললেন, না, আমি এতটুকুই জানি। (ই.ফা. ২৯৯৫, ই.সে. ২৯৯২)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، أن ابن عباس، قال بعث بي رسول الله صلى الله عليه وسلم بسحر من جمع في ثقل نبي الله صلى الله عليه وسلم . قلت أبلغك أن ابن عباس قال بعث بي بليل طويل قال لا إلا كذلك بسحر . قلت له فقال ابن عباس رمينا الجمرة قبل الفجر . وأين صلى الفجر قال لا إلا كذلك .
সহিহ মুসলিম ৩০১৩
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن ابن جريج، حدثني عبد الله، مولى أسماء قال قالت لي أسماء وهى عند دار المزدلفة هل غاب القمر قلت لا . فصلت ساعة ثم قالت يا بنى هل غاب القمر قلت نعم . قالت ارحل بي . فارتحلنا حتى رمت الجمرة ثم صلت في منزلها فقلت لها أى هنتاه لقد غلسنا . قالت كلا أى بنى إن النبي صلى الله عليه وسلم أذن للظعن .
আসমা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আসমা (রাঃ) মুযদালিফাহ্ অবস্থানকালে জিজ্ঞেস করলেন, চাঁদ ডুবেছে কি? আমি বললাম, না। অতঃপর তিনি কিছুক্ষণ সলাত আদায় করলেন। পরে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, হে বৎস! চাঁদ ডুবেছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমার সাথে রওনা হও। আমরা রওনা হলাম এবং জামরাহ্ (পৌঁছে) তিনি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, এরপর নিজের তাঁবুতে সলাত আদায় করলেন। আমি তাকে বললাম, হে সম্মানিত মহিলা! আমরা খুব ভোরে রওনা হয়েছিলাম। তিনি বললেন, কোন অসুবিধা নেই হে বৎস! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহিলাদের খুব ভোরে রওনা হবার অনুমতি দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৯৮৮, ই.সে. ২৯৮৫)
আসমা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আসমা (রাঃ) মুযদালিফাহ্ অবস্থানকালে জিজ্ঞেস করলেন, চাঁদ ডুবেছে কি? আমি বললাম, না। অতঃপর তিনি কিছুক্ষণ সলাত আদায় করলেন। পরে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, হে বৎস! চাঁদ ডুবেছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমার সাথে রওনা হও। আমরা রওনা হলাম এবং জামরাহ্ (পৌঁছে) তিনি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, এরপর নিজের তাঁবুতে সলাত আদায় করলেন। আমি তাকে বললাম, হে সম্মানিত মহিলা! আমরা খুব ভোরে রওনা হয়েছিলাম। তিনি বললেন, কোন অসুবিধা নেই হে বৎস! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহিলাদের খুব ভোরে রওনা হবার অনুমতি দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৯৮৮, ই.সে. ২৯৮৫)
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن ابن جريج، حدثني عبد الله، مولى أسماء قال قالت لي أسماء وهى عند دار المزدلفة هل غاب القمر قلت لا . فصلت ساعة ثم قالت يا بنى هل غاب القمر قلت نعم . قالت ارحل بي . فارتحلنا حتى رمت الجمرة ثم صلت في منزلها فقلت لها أى هنتاه لقد غلسنا . قالت كلا أى بنى إن النبي صلى الله عليه وسلم أذن للظعن .
সহিহ মুসলিম ৩০২১
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن سالم بن عبد الله، أخبره أن عبد الله بن عمر كان يقدم ضعفة أهله فيقفون عند المشعر الحرام بالمزدلفة بالليل فيذكرون الله ما بدا لهم ثم يدفعون قبل أن يقف الإمام وقبل أن يدفع فمنهم من يقدم منى لصلاة الفجر ومنهم من يقدم بعد ذلك فإذا قدموا رموا الجمرة وكان ابن عمر يقول أرخص في أولئك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার সাথের দুর্বল লোকদেরকে মুযদালিফার নিকটবর্তী স্থান মাশ‘আরুল হারামে রাতে অবস্থানের জন্য আগে ভাগেই পাঠিয়ে দিতেন। অতএব তারা রাতের বেলা যতক্ষণ ইচ্ছা আল্লাহর যিকির করত। ইমামের অবস্থান ও ফিরে আসার পূর্বেই তারা (এখান থেকে) রওনা হতো। অতএব তাদের মধ্যে কেউ ফজরের সলাতের সময় মিনায় পৌঁছত এবং কেউ ফজরের সলাতের পরে। তারা এখানে পৌঁছে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করত। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুর্বল ও বৃদ্ধদের এ অনুমতি প্রদান করেছেন। [২৪] (ই.ফা. ২৯৯৬, ই.সে. ২৯৯৩)
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার সাথের দুর্বল লোকদেরকে মুযদালিফার নিকটবর্তী স্থান মাশ‘আরুল হারামে রাতে অবস্থানের জন্য আগে ভাগেই পাঠিয়ে দিতেন। অতএব তারা রাতের বেলা যতক্ষণ ইচ্ছা আল্লাহর যিকির করত। ইমামের অবস্থান ও ফিরে আসার পূর্বেই তারা (এখান থেকে) রওনা হতো। অতএব তাদের মধ্যে কেউ ফজরের সলাতের সময় মিনায় পৌঁছত এবং কেউ ফজরের সলাতের পরে। তারা এখানে পৌঁছে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করত। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুর্বল ও বৃদ্ধদের এ অনুমতি প্রদান করেছেন। [২৪] (ই.ফা. ২৯৯৬, ই.সে. ২৯৯৩)
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن سالم بن عبد الله، أخبره أن عبد الله بن عمر كان يقدم ضعفة أهله فيقفون عند المشعر الحرام بالمزدلفة بالليل فيذكرون الله ما بدا لهم ثم يدفعون قبل أن يقف الإمام وقبل أن يدفع فمنهم من يقدم منى لصلاة الفجر ومنهم من يقدم بعد ذلك فإذا قدموا رموا الجمرة وكان ابن عمر يقول أرخص في أولئك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৩০১৪
وحدثنيه علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن ابن جريج، بهذا الإسناد وفي روايته قالت لا أى بنى إن نبي الله صلى الله عليه وسلم أذن لظعنه .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছেঃ “আসমা (রাঃ) বলেন, হে বৎস! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহধর্মিণীকে অনুমতি দিয়েছিলেন।” (ই.ফা. ২৯৮৯, ই.সে. ২৯৮৬)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছেঃ “আসমা (রাঃ) বলেন, হে বৎস! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহধর্মিণীকে অনুমতি দিয়েছিলেন।” (ই.ফা. ২৯৮৯, ই.সে. ২৯৮৬)
وحدثنيه علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن ابن جريج، بهذا الإسناد وفي روايته قالت لا أى بنى إن نبي الله صلى الله عليه وسلم أذن لظعنه .
সহিহ মুসলিম ৩০১৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عبيد الله بن أبي، يزيد أنه سمع ابن عباس، يقول أنا ممن، قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ضعفة أهله .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের যে দুর্বলদের (মুযদালিফাহ্ থেকে) সর্বাগ্রে পাঠিয়ে দেন, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। (ই. ফা. ২৯৯৩, ই. সে. ২৯৯০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের যে দুর্বলদের (মুযদালিফাহ্ থেকে) সর্বাগ্রে পাঠিয়ে দেন, আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। (ই. ফা. ২৯৯৩, ই. সে. ২৯৯০)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عبيد الله بن أبي، يزيد أنه سمع ابن عباس، يقول أنا ممن، قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ضعفة أهله .
সহিহ মুসলিম ৩০১২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، كلاهما عن سفيان، عن عبد الرحمن بن القاسم، بهذا الإسناد . نحوه .
‘আবদুর রহমান ইবনু ক্বাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৮৭, ই.সে. ২৯৮৪)
‘আবদুর রহমান ইবনু ক্বাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৮৭, ই.সে. ২৯৮৪)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، كلاهما عن سفيان، عن عبد الرحمن بن القاسم، بهذا الإسناد . نحوه .
সহিহ মুসলিম ৩০১৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عمرو، عن عطاء، عن ابن عباس، قال كنت فيمن قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ضعفة أهله .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের যে দুর্বলদের আগেভাগে পাঠিয়ে দেন, আমি তাদের সাথে ছিলাম। (ই.ফা. ২৯৯৪, ই.সে. ২৯৯১)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের যে দুর্বলদের আগেভাগে পাঠিয়ে দেন, আমি তাদের সাথে ছিলাম। (ই.ফা. ২৯৯৪, ই.সে. ২৯৯১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عمرو، عن عطاء، عن ابن عباس، قال كنت فيمن قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ضعفة أهله .
সহিহ মুসলিম ৩০১৫
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثني علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، جميعا عن ابن جريج، أخبرني عطاء، أن ابن شوال، أخبره أنه، دخل على أم حبيبة فأخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث بها من جمع بليل .
(সালিম) ইবনু শাও্ওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(সালিম) ইবনু শাও্ওয়াল (রাঃ) উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অবহিত করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত থাকতেই তাকে মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় (পাঠিয়ে দেন)। (ই.ফা. ২৯৯০, ই.সে. ২৯৮৭)
(সালিম) ইবনু শাও্ওয়াল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(সালিম) ইবনু শাও্ওয়াল (রাঃ) উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে অবহিত করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত থাকতেই তাকে মুযদালিফাহ্ থেকে মিনায় (পাঠিয়ে দেন)। (ই.ফা. ২৯৯০, ই.সে. ২৯৮৭)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثني علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، جميعا عن ابن جريج، أخبرني عطاء، أن ابن شوال، أخبره أنه، دخل على أم حبيبة فأخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث بها من جمع بليل .
সহিহ মুসলিম ৩০১৭
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، جميعا عن حماد، - قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، - عن عبيد الله بن أبي يزيد، قال سمعت ابن عباس، يقول بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في الثقل - أو قال في الضعفة - من جمع بليل .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মালপত্র নিয়ে অথবা (অপর বর্ণনা অনুযায়ী) দুর্বল লোকদের সাথে রাত থাকতেই মুযদালিফাহ্ থেকে (মিনার উদ্দেশে) পাঠিয়ে দেন। (ই. ফা. ২৯৯২, ই. সে. ২৯৮৯)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মালপত্র নিয়ে অথবা (অপর বর্ণনা অনুযায়ী) দুর্বল লোকদের সাথে রাত থাকতেই মুযদালিফাহ্ থেকে (মিনার উদ্দেশে) পাঠিয়ে দেন। (ই. ফা. ২৯৯২, ই. সে. ২৯৮৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، جميعا عن حماد، - قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، - عن عبيد الله بن أبي يزيد، قال سمعت ابن عباس، يقول بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في الثقل - أو قال في الضعفة - من جمع بليل .
সহিহ মুসলিম > মাক্কাহ্ মু‘আজ্জামাকে বাঁ পাশে রেখে উপত্যকার মধ্যস্থলে দাঁড়িয়ে জাম্রাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা
সহিহ মুসলিম ৩০২৪
وحدثني يعقوب الدورقي، حدثنا ابن أبي زائدة، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن الأعمش، قال سمعت الحجاج، يقول لا تقولوا سورة البقرة . واقتصا الحديث بمثل حديث ابن مسهر .
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি, তোমরা বল না সূরাতুল বাক্বারাহ্...... এরপর ইবনু মুসহির বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৯৯৯, ই.সে. ২৯৯৬)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি, তোমরা বল না সূরাতুল বাক্বারাহ্...... এরপর ইবনু মুসহির বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৯৯৯, ই.সে. ২৯৯৬)
وحدثني يعقوب الدورقي، حدثنا ابن أبي زائدة، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن الأعمش، قال سمعت الحجاج، يقول لا تقولوا سورة البقرة . واقتصا الحديث بمثل حديث ابن مسهر .
সহিহ মুসলিম ৩০২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال رمى عبد الله بن مسعود جمرة العقبة من بطن الوادي بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة . قال فقيل له إن أناسا يرمونها من فوقها . فقال عبد الله بن مسعود هذا والذي لا إله غيره مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) উপত্যকার মধ্যখানে দাঁড়িয়ে জামরাতুল ‘আক্বাবায় সাতটি পাথর নিক্ষেপ করেছেন এবং প্রতিটি পাথরের সাথে তাকবীর বলেছেন। রাবী বলেন, তাকে বলা হ’ল, লোকেরা তো উচ্চ স্থানে দাঁড়িয়ে পাথর নিক্ষেপ করে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, সে সত্তার শপথ, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৯৭, ই.সে. ২৯৯৪)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) উপত্যকার মধ্যখানে দাঁড়িয়ে জামরাতুল ‘আক্বাবায় সাতটি পাথর নিক্ষেপ করেছেন এবং প্রতিটি পাথরের সাথে তাকবীর বলেছেন। রাবী বলেন, তাকে বলা হ’ল, লোকেরা তো উচ্চ স্থানে দাঁড়িয়ে পাথর নিক্ষেপ করে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, সে সত্তার শপথ, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৯৭, ই.সে. ২৯৯৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال رمى عبد الله بن مسعود جمرة العقبة من بطن الوادي بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة . قال فقيل له إن أناسا يرمونها من فوقها . فقال عبد الله بن مسعود هذا والذي لا إله غيره مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة
সহিহ মুসলিম ৩০২৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو المحياة، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - أخبرنا يحيى بن يعلى أبو المحياة، عن سلمة بن كهيل، عن عبد الرحمن، بن يزيد قال قيل لعبد الله إن ناسا يرمون الجمرة من فوق العقبة - قال - فرماها عبد الله من بطن الوادي ثم قال من ها هنا والذي لا إله غيره رماها الذي أنزلت عليه سورة البقرة .
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ)-কে বলা হল, লোকেরা ‘আক্বাবার উচ্চভূমি থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। রাবী বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) উপত্যকার মধ্যভাগে দাঁড়িয়ে তা নিক্ষেপ করলেন। এরপর তিনি বলেন, সে সত্তার শপথ যিনি ব্যতীত অন্য কোন মা‘বূদ নেই, যাঁর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তিনি এই স্থান থেকে কাঁকর নিক্ষেপ করেন। (ই.ফা. ৩০০২, ই.সে. ২৯৯৯)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ)-কে বলা হল, লোকেরা ‘আক্বাবার উচ্চভূমি থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। রাবী বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) উপত্যকার মধ্যভাগে দাঁড়িয়ে তা নিক্ষেপ করলেন। এরপর তিনি বলেন, সে সত্তার শপথ যিনি ব্যতীত অন্য কোন মা‘বূদ নেই, যাঁর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তিনি এই স্থান থেকে কাঁকর নিক্ষেপ করেন। (ই.ফা. ৩০০২, ই.সে. ২৯৯৯)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو المحياة، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - أخبرنا يحيى بن يعلى أبو المحياة، عن سلمة بن كهيل، عن عبد الرحمن، بن يزيد قال قيل لعبد الله إن ناسا يرمون الجمرة من فوق العقبة - قال - فرماها عبد الله من بطن الوادي ثم قال من ها هنا والذي لا إله غيره رماها الذي أنزلت عليه سورة البقرة .
সহিহ মুসলিম ৩০২৫
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن، بن يزيد أنه حج مع عبد الله قال فرمى الجمرة بسبع حصيات وجعل البيت عن يساره ومنى عن يمينه وقال هذا مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة .
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ)-এর সাথে হাজ্জ করেন। রাবী বলেন, তিনি (‘আবদুল্লাহ) জামরায় সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করেন- বায়তুল্লাহকে বামদিকে এবং মিনাকে ডানদিকে রেখে এবং তিনি বলেন, এই সে স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৩০০১, ই.সে. ২৯৯৭)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ)-এর সাথে হাজ্জ করেন। রাবী বলেন, তিনি (‘আবদুল্লাহ) জামরায় সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করেন- বায়তুল্লাহকে বামদিকে এবং মিনাকে ডানদিকে রেখে এবং তিনি বলেন, এই সে স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল করা হয়েছিল। (ই.ফা. ৩০০১, ই.সে. ২৯৯৭)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن، بن يزيد أنه حج مع عبد الله قال فرمى الجمرة بسبع حصيات وجعل البيت عن يساره ومنى عن يمينه وقال هذا مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة .
সহিহ মুসলিম ৩০২৩
وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، عن الأعمش، قال سمعت الحجاج بن يوسف، يقول وهو يخطب على المنبر ألفوا القرآن كما ألفه جبريل السورة التي يذكر فيها البقرة والسورة التي يذكر فيها النساء والسورة التي يذكر فيها آل عمران . قال فلقيت إبراهيم فأخبرته بقوله فسبه وقال حدثني عبد الرحمن بن يزيد أنه كان مع عبد الله بن مسعود فأتى جمرة العقبة فاستبطن الوادي فاستعرضها فرماها من بطن الوادي بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة - قال - فقلت يا أبا عبد الرحمن إن الناس يرمونها من فوقها . فقال هذا والذي لا إله غيره مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة .
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে বলতে শুনেছিঃ জিবরীল (‘আঃ) যে ক্রমবিন্যাসে কুরআন মাজীদ সাজিয়েছেন, তোমরা তদনুযায়ী তা সুবিন্যস্ত কর। যেমন, প্রথম সে সূরাহ্ যার মধ্যে গাভী সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। এরপর যে সূরায় মহিলাদের সম্পর্কে, এরপর সে সূরাহ্ যার মধ্যে ‘ইমরান-পরিবার সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। আ‘মাশ (রহঃ) বলেন, এরপর আমি ইব্রাহীমের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে হাজ্জাজের বক্তব্য সম্পর্কে অবহিত করলাম। তিনি তাকে গালি দিলেন। এরপর বললেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ আমাকে বলেছেন যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সাথে ছিলেন। তিনি জামরাতুল ‘আক্বাবায় এলেন, উপত্যকার মাঝে দাঁড়ালেন এবং জামরাহ্কে নিজের সম্মুখভাগে রাখলেন, এরপর উপত্যকার মাঝে দাঁড়িয়ে সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, প্রত্যেকবার নিক্ষেপের সাথে সাথে ‘আল্ল-হু আকবার’ বললেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! লোকেরা উপত্যকার উপরিভাগ থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। তিনি বললেন, সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছিল। (ই.ফা. ২৯৯৮, ই.সে. ২৯৯৫)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে বলতে শুনেছিঃ জিবরীল (‘আঃ) যে ক্রমবিন্যাসে কুরআন মাজীদ সাজিয়েছেন, তোমরা তদনুযায়ী তা সুবিন্যস্ত কর। যেমন, প্রথম সে সূরাহ্ যার মধ্যে গাভী সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। এরপর যে সূরায় মহিলাদের সম্পর্কে, এরপর সে সূরাহ্ যার মধ্যে ‘ইমরান-পরিবার সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। আ‘মাশ (রহঃ) বলেন, এরপর আমি ইব্রাহীমের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে হাজ্জাজের বক্তব্য সম্পর্কে অবহিত করলাম। তিনি তাকে গালি দিলেন। এরপর বললেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ আমাকে বলেছেন যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সাথে ছিলেন। তিনি জামরাতুল ‘আক্বাবায় এলেন, উপত্যকার মাঝে দাঁড়ালেন এবং জামরাহ্কে নিজের সম্মুখভাগে রাখলেন, এরপর উপত্যকার মাঝে দাঁড়িয়ে সাতটি কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, প্রত্যেকবার নিক্ষেপের সাথে সাথে ‘আল্ল-হু আকবার’ বললেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! লোকেরা উপত্যকার উপরিভাগ থেকে পাথর নিক্ষেপ করে। তিনি বললেন, সে সত্তার শপথ যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, এ সেই স্থান যেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছিল। (ই.ফা. ২৯৯৮, ই.সে. ২৯৯৫)
وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، عن الأعمش، قال سمعت الحجاج بن يوسف، يقول وهو يخطب على المنبر ألفوا القرآن كما ألفه جبريل السورة التي يذكر فيها البقرة والسورة التي يذكر فيها النساء والسورة التي يذكر فيها آل عمران . قال فلقيت إبراهيم فأخبرته بقوله فسبه وقال حدثني عبد الرحمن بن يزيد أنه كان مع عبد الله بن مسعود فأتى جمرة العقبة فاستبطن الوادي فاستعرضها فرماها من بطن الوادي بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة - قال - فقلت يا أبا عبد الرحمن إن الناس يرمونها من فوقها . فقال هذا والذي لا إله غيره مقام الذي أنزلت عليه سورة البقرة .
সহিহ মুসলিম ৩০২৬
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال فلما أتى جمرة العقبة .
শু‘বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, “তিনি (‘আবদুল্লাহ) যখন জামরাতুল ‘আক্বাবায় এলেন।” (ই.ফা. ৩০০১, ই.সে. ২৯৯৮)
শু‘বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, “তিনি (‘আবদুল্লাহ) যখন জামরাতুল ‘আক্বাবায় এলেন।” (ই.ফা. ৩০০১, ই.সে. ২৯৯৮)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال فلما أتى جمرة العقبة .
সহিহ মুসলিম > কুরবানীর দিন সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় জামরাতুল ‘আক্বাবায় কাঁকর নিক্ষেপ করা মুস্তাহাব এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হাজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও।”
সহিহ মুসলিম ৩০২৮
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، جميعا عن عيسى بن يونس، - قال ابن خشرم أخبرنا عيسى، - عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابرا، يقول رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يرمي على راحلته يوم النحر ويقول " لتأخذوا مناسككم فإني لا أدري لعلي لا أحج بعد حجتي هذه " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি এবং তিনি বলেছিলেনঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হাজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও। কারণ আমি জানি না- এ হাজ্জের পর আমি আর হাজ্জ করতে পারব কিনা।” (ই.ফা. ৩০০৩, ই.সে. ৩০০০)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি এবং তিনি বলেছিলেনঃ “আমার নিকট থেকে তোমরা হাজ্জের নিয়ম-কানুন শিখে নাও। কারণ আমি জানি না- এ হাজ্জের পর আমি আর হাজ্জ করতে পারব কিনা।” (ই.ফা. ৩০০৩, ই.সে. ৩০০০)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، جميعا عن عيسى بن يونس، - قال ابن خشرم أخبرنا عيسى، - عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابرا، يقول رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يرمي على راحلته يوم النحر ويقول " لتأخذوا مناسككم فإني لا أدري لعلي لا أحج بعد حجتي هذه " .
সহিহ মুসলিম ৩০৩০
وحدثني أحمد بن حنبل، حدثنا محمد بن سلمة، عن أبي عبد الرحيم، عن زيد، بن أبي أنيسة عن يحيى بن الحصين، عن أم الحصين، جدته قالت حججت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع فرأيت أسامة وبلالا وأحدهما آخذ بخطام ناقة النبي صلى الله عليه وسلم والآخر رافع ثوبه يستره من الحر حتى رمى جمرة العقبة . قال مسلم واسم أبي عبد الرحيم خالد بن أبي يزيد وهو خال محمد بن سلمة روى عنه وكيع وحجاج الأعور .
উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বিদায় হাজ্জ করেছি। আমি উসামাহ্ ও বিলালকে দেখেছি যে, তাদের একজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উষ্ট্রীর লাগাম ধরে আছেন এবং অপরজন কাপড় দিয়ে তাঁকে রৌদ্র তাপ থেকে ছায়া দান করছেন। এমতাবস্থায় তিনি জামরায় কাঁকর নিক্ষেপ করেন। ইমাম মুসলিম বলেন, আবূ ‘আবদুর রহীমের নাম খালিদ ইবনু আবূ ইয়াযীদ যিনি মুহাম্মাদ ইবনু সালামার মামা- ওয়াকী‘ এবং হাজ্জাজ আ’ওয়ার তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩০০৫, ই.সে. ৩০০২)
উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বিদায় হাজ্জ করেছি। আমি উসামাহ্ ও বিলালকে দেখেছি যে, তাদের একজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উষ্ট্রীর লাগাম ধরে আছেন এবং অপরজন কাপড় দিয়ে তাঁকে রৌদ্র তাপ থেকে ছায়া দান করছেন। এমতাবস্থায় তিনি জামরায় কাঁকর নিক্ষেপ করেন। ইমাম মুসলিম বলেন, আবূ ‘আবদুর রহীমের নাম খালিদ ইবনু আবূ ইয়াযীদ যিনি মুহাম্মাদ ইবনু সালামার মামা- ওয়াকী‘ এবং হাজ্জাজ আ’ওয়ার তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩০০৫, ই.সে. ৩০০২)
وحدثني أحمد بن حنبل، حدثنا محمد بن سلمة، عن أبي عبد الرحيم، عن زيد، بن أبي أنيسة عن يحيى بن الحصين، عن أم الحصين، جدته قالت حججت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع فرأيت أسامة وبلالا وأحدهما آخذ بخطام ناقة النبي صلى الله عليه وسلم والآخر رافع ثوبه يستره من الحر حتى رمى جمرة العقبة . قال مسلم واسم أبي عبد الرحيم خالد بن أبي يزيد وهو خال محمد بن سلمة روى عنه وكيع وحجاج الأعور .
সহিহ মুসলিম ৩০২৯
وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، عن زيد بن أبي، أنيسة عن يحيى بن حصين، عن جدته أم الحصين، قال سمعتها تقول، حججت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع فرأيته حين رمى جمرة العقبة وانصرف وهو على راحلته ومعه بلال وأسامة أحدهما يقود به راحلته والآخر رافع ثوبه على رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم من الشمس - قالت - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قولا كثيرا ثم سمعته يقول " إن أمر عليكم عبد مجدع - حسبتها قالت - أسود يقودكم بكتاب الله تعالى فاسمعوا له وأطيعوا " .
উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বিদায় হাজ্জ করেছি এবং আমি দেখেছি, তিনি জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ করে সওয়ারীতে চড়ে ফিরে আসেন এবং তার সাথে ছিলেন বিলাল ও উসামাহ্ (রাঃ)। তাদের একজন উটের লাগাম ধরে তা টেনে নিচ্ছিলেন এবং অপরজন সূর্যের তাপের কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাথার উপর কাপড় ধরে রাখছিলেন। উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক কথা বললেন। এরপর আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যদি নাক-কান কাটা কোন কাফ্রী (কালো) ক্রীতদাসকেও তোমাদের নেতা নিয়োগ করা হয় এবং সে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তোমাদের পরিচালনা করে, তবে তার (নির্দেশ) শোন এবং আনুগত্য কর। (ই.ফা. ৩০০৪, ই.সে. ৩০০১)
উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বিদায় হাজ্জ করেছি এবং আমি দেখেছি, তিনি জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ করে সওয়ারীতে চড়ে ফিরে আসেন এবং তার সাথে ছিলেন বিলাল ও উসামাহ্ (রাঃ)। তাদের একজন উটের লাগাম ধরে তা টেনে নিচ্ছিলেন এবং অপরজন সূর্যের তাপের কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাথার উপর কাপড় ধরে রাখছিলেন। উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক কথা বললেন। এরপর আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যদি নাক-কান কাটা কোন কাফ্রী (কালো) ক্রীতদাসকেও তোমাদের নেতা নিয়োগ করা হয় এবং সে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তোমাদের পরিচালনা করে, তবে তার (নির্দেশ) শোন এবং আনুগত্য কর। (ই.ফা. ৩০০৪, ই.সে. ৩০০১)
وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، عن زيد بن أبي، أنيسة عن يحيى بن حصين، عن جدته أم الحصين، قال سمعتها تقول، حججت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع فرأيته حين رمى جمرة العقبة وانصرف وهو على راحلته ومعه بلال وأسامة أحدهما يقود به راحلته والآخر رافع ثوبه على رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم من الشمس - قالت - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قولا كثيرا ثم سمعته يقول " إن أمر عليكم عبد مجدع - حسبتها قالت - أسود يقودكم بكتاب الله تعالى فاسمعوا له وأطيعوا " .