সহিহ মুসলিম > সাফা-মারওয়ার মাঝে দৌড়ানো (সা‘ঈ) হাজ্জের অন্যতম রুকন, এ ছাড়া হাজ্জ শুদ্ধ হয় না
সহিহ মুসলিম ২৯৭২
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين بن المثنى، حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن، شهاب أنه قال أخبرني عروة بن الزبير، قال سألت عائشة . وساق الحديث بنحوه وقال في الحديث فلما سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقالوا يا رسول الله إنا كنا نتحرج أن نطوف بالصفا والمروة فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} قالت عائشة قد سن رسول الله صلى الله عليه وسلم الطواف بينهما فليس لأحد أن يترك الطواف بهما.
উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম .... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে- তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফকে খারাপ করি। তখন আল্লাহ তা’আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ বায়তুল্লাহর হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ্ পালন করে- এ দুটির মাঝে ত্বওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই।” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ করাকে বিধিবদ্ধ করেছেন। অতএব এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ বর্জন করার কারো অধিকার নেই। (ই.ফা. ২৯৪৮, ই.সে. ২৯৪৬)
উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম .... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে- তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফকে খারাপ করি। তখন আল্লাহ তা’আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ বায়তুল্লাহর হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ্ পালন করে- এ দুটির মাঝে ত্বওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই।” ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ করাকে বিধিবদ্ধ করেছেন। অতএব এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ বর্জন করার কারো অধিকার নেই। (ই.ফা. ২৯৪৮, ই.সে. ২৯৪৬)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين بن المثنى، حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن، شهاب أنه قال أخبرني عروة بن الزبير، قال سألت عائشة . وساق الحديث بنحوه وقال في الحديث فلما سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقالوا يا رسول الله إنا كنا نتحرج أن نطوف بالصفا والمروة فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} قالت عائشة قد سن رسول الله صلى الله عليه وسلم الطواف بينهما فليس لأحد أن يترك الطواف بهما.
সহিহ মুসলিম ২৯৭৩
وحدثنا حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته أن الأنصار كانوا قبل أن يسلموا هم وغسان يهلون لمناة فتحرجوا أن يطوفوا بين الصفا والمروة وكان ذلك سنة في آبائهم من أحرم لمناة لم يطف بين الصفا والمروة وإنهم سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك حين أسلموا فأنزل الله عز وجل في ذلك { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما ومن تطوع خيرا فإن الله شاكر عليم}
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) তাকে অভিহিত করেছেন যে, আনসার সম্প্রদায় ও গাস্সান গোত্রের নিয়ম ছিল, তারা ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধত। অতএব তারা সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করাকে পাপ মনে করত। এটা ছিল তাদের পূর্ব-পুরুষদের রীতি যে, তাদের কোন ব্যক্তি মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধলে সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ করত না। তারা ইসলাম গ্রহনের পর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তখন এ প্রসঙ্গে মহামহিম আল্লাহ নাযিল করেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কেউ বায়তুল্লাহর হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ্ পালন করে, এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎকাজ করলে আল্লাহ পুরস্কারদাতা ও সর্বজ্ঞ” – (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৫৮) (ই.ফা. ২৯৪৯, ই.সে. ২৯৪৭)
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) তাকে অভিহিত করেছেন যে, আনসার সম্প্রদায় ও গাস্সান গোত্রের নিয়ম ছিল, তারা ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধত। অতএব তারা সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করাকে পাপ মনে করত। এটা ছিল তাদের পূর্ব-পুরুষদের রীতি যে, তাদের কোন ব্যক্তি মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধলে সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ করত না। তারা ইসলাম গ্রহনের পর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তখন এ প্রসঙ্গে মহামহিম আল্লাহ নাযিল করেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কেউ বায়তুল্লাহর হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ্ পালন করে, এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎকাজ করলে আল্লাহ পুরস্কারদাতা ও সর্বজ্ঞ” – (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৫৮) (ই.ফা. ২৯৪৯, ই.সে. ২৯৪৭)
وحدثنا حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته أن الأنصار كانوا قبل أن يسلموا هم وغسان يهلون لمناة فتحرجوا أن يطوفوا بين الصفا والمروة وكان ذلك سنة في آبائهم من أحرم لمناة لم يطف بين الصفا والمروة وإنهم سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك حين أسلموا فأنزل الله عز وجل في ذلك { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما ومن تطوع خيرا فإن الله شاكر عليم}
সহিহ মুসলিম ২৯৭৪
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن عاصم، عن أنس، قال كانت الأنصار يكرهون أن يطوفوا بين الصفا والمروة حتى نزلت { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما}
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আনসারগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফকে খারাপ কাজ মনে করত। অতএব এই সঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয় : “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কোন ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ্ পালন করে এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ করলে, তার কোন দোষ নেই ......।” (ই.ফা. ২৯৫০, ই.সে. ২৯৪৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আনসারগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফকে খারাপ কাজ মনে করত। অতএব এই সঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয় : “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কোন ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ্ পালন করে এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ করলে, তার কোন দোষ নেই ......।” (ই.ফা. ২৯৫০, ই.সে. ২৯৪৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن عاصم، عن أنس، قال كانت الأنصار يكرهون أن يطوفوا بين الصفا والمروة حتى نزلت { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما}
সহিহ মুসলিম ২৯৭০
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام بن عروة، أخبرني أبي قال، قلت لعائشة ما أرى على جناحا أن لا أتطوف بين الصفا والمروة . قالت لم قلت لأن الله عز وجل يقول { إن الصفا والمروة من شعائر الله} الآية . فقالت لو كان كما تقول لكان فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . إنما أنزل هذا في أناس من الأنصار كانوا إذا أهلوا أهلوا لمناة في الجاهلية فلا يحل لهم أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما قدموا مع النبي صلى الله عليه وسلم للحج ذكروا ذلك له فأنزل الله تعالى هذه الآية فلعمري ما أتم الله حج من لم يطف بين الصفا والمروة .
‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, আমি যদি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করি তবে এতে আমার জন্য কোন দোষ মনে করি না। তিনি বললেন, কেন? আমি বললাম, কেননা মহামহিম আল্লাহ বলেন: “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম ....।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তুমি যেরূপ বলছ, যদি তাই হতো, তবে আয়াতের বক্তব্য এরূপ হতো : “এ দুই পাহাড়ের মাঝে না দৌড়ালে কোন দোষ নেই।” এ আয়াত আনসারদের সম্পর্কে নাযিল করা হয়। জাহিলী যুগে তারা যখন লাব্বায়কা বলত- তা মানাৎ দেবীর নামে লাব্বায়কা ধ্বনি করত। তাই তারা মনে করত যে, সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করা তাদের জন্য ঠিক নয়। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে (বিদায়) হাজ্জে এসে তাঁর নিকট এ বিষয়ে উল্লেখ করলে আল্লাহ উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন। অতএব আমার জীবনের শপথ! যে সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করে- আল্লাহ তার হাজ্জ পূর্ণ করবেন না। (ই.ফা. ২৯৪৬, ই.সে. ২৯৪৪)
‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, আমি যদি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করি তবে এতে আমার জন্য কোন দোষ মনে করি না। তিনি বললেন, কেন? আমি বললাম, কেননা মহামহিম আল্লাহ বলেন: “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম ....।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তুমি যেরূপ বলছ, যদি তাই হতো, তবে আয়াতের বক্তব্য এরূপ হতো : “এ দুই পাহাড়ের মাঝে না দৌড়ালে কোন দোষ নেই।” এ আয়াত আনসারদের সম্পর্কে নাযিল করা হয়। জাহিলী যুগে তারা যখন লাব্বায়কা বলত- তা মানাৎ দেবীর নামে লাব্বায়কা ধ্বনি করত। তাই তারা মনে করত যে, সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করা তাদের জন্য ঠিক নয়। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে (বিদায়) হাজ্জে এসে তাঁর নিকট এ বিষয়ে উল্লেখ করলে আল্লাহ উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন। অতএব আমার জীবনের শপথ! যে সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করে- আল্লাহ তার হাজ্জ পূর্ণ করবেন না। (ই.ফা. ২৯৪৬, ই.সে. ২৯৪৪)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام بن عروة، أخبرني أبي قال، قلت لعائشة ما أرى على جناحا أن لا أتطوف بين الصفا والمروة . قالت لم قلت لأن الله عز وجل يقول { إن الصفا والمروة من شعائر الله} الآية . فقالت لو كان كما تقول لكان فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . إنما أنزل هذا في أناس من الأنصار كانوا إذا أهلوا أهلوا لمناة في الجاهلية فلا يحل لهم أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما قدموا مع النبي صلى الله عليه وسلم للحج ذكروا ذلك له فأنزل الله تعالى هذه الآية فلعمري ما أتم الله حج من لم يطف بين الصفا والمروة .
সহিহ মুসলিম ২৯৭১
حدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، جميعا عن ابن عيينة، - قال ابن أبي عمر حدثنا سفيان، - قال سمعت الزهري، يحدث عن عروة بن الزبير، قال قلت لعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ما أرى على أحد لم يطف بين الصفا والمروة شيئا وما أبالي أن لا أطوف بينهما . قالت بئس ما قلت يا ابن أختي طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم وطاف المسلمون فكانت سنة وإنما كان من أهل لمناة الطاغية التي بالمشلل لا يطوفون بين الصفا والمروة فلما كان الإسلام سألنا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} ولو كانت كما تقول لكانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . قال الزهري فذكرت ذلك لأبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام فأعجبه ذلك . وقال إن هذا العلم . ولقد سمعت رجالا من أهل العلم يقولون إنما كان من لا يطوف بين الصفا والمروة من العرب يقولون إن طوافنا بين هذين الحجرين من أمر الجاهلية . وقال آخرون من الأنصار إنما أمرنا بالطواف بالبيت ولم نؤمر به بين الصفا والمروة فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله} . قال أبو بكر بن عبد الرحمن فأراها قد نزلت في هؤلاء وهؤلاء .
‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করলে এতে আমি দোষের কিছু দেখি না এবং আমি নিজেও এতদুভয়ের মাঝে সা‘ঈ বর্জন করায় কিছু মনে করি না। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে বোনপুত্র! তুমি যা বলেছ তা মন্দ বলেছ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সাফা-মারওয়ার মাঝে) ত্বওয়াফ (সা‘ঈ) করেছেন এবং মুসলিমরাও ত্বওয়াফ করেছে। অতএব তা সুন্নাত। যে সব লোক (জাহিলি যুগে) ‘মুশাল্লাল’ নামক স্থানে অবস্থিত নাফরমান মানাৎ দেবীর নামে ইহরাম বাঁধত, তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ করত না। ইসলামের আবির্ভাবের পর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তখন আল্লাহ তা‘আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন, “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ কা‘বাহ্ ঘরের হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ্ পালন করে, এ দু’টির মধ্যে প্রদক্ষিণ করলে এতে তার কোন পাপ নেই .....” – (সূরাহ আল বাক্বারাহ্ ২ :১৫৮)। তুমি যা বলেছ, ব্যাপারটি যদি তদ্রূপ হতো তবে বলা হতো, “এ দু’টির মধ্যে প্রদক্ষিণ না করলে তার কোন পাপ নেই।” ইমাম যুহ্রী (রহঃ) বলেন, এ প্রসঙ্গটি আমি আবূ বকর ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশামের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি তাতে বিস্মিত হলেন এবং বললেন, এর নামই জ্ঞান। তিনি আরও বললেন, জ্ঞানবান সমাজের অনেক লোককে বলতে শুনেছি-সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ বর্জনকারী আরবের অধিবাসীরা বলত, এ দুই পাথরের মাঝে ত্বওয়াফ করা জাহিলী যুগের কাজ। আর আনসার সম্প্রদায়ের লোকেরা বলত, আমাদেরকে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম।” আবূ বকর ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেন, আমিও মনে করি যে, উল্লেখিত দুই সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৪৭, ই.সে. ২৯৪৫)
‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করলে এতে আমি দোষের কিছু দেখি না এবং আমি নিজেও এতদুভয়ের মাঝে সা‘ঈ বর্জন করায় কিছু মনে করি না। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে বোনপুত্র! তুমি যা বলেছ তা মন্দ বলেছ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সাফা-মারওয়ার মাঝে) ত্বওয়াফ (সা‘ঈ) করেছেন এবং মুসলিমরাও ত্বওয়াফ করেছে। অতএব তা সুন্নাত। যে সব লোক (জাহিলি যুগে) ‘মুশাল্লাল’ নামক স্থানে অবস্থিত নাফরমান মানাৎ দেবীর নামে ইহরাম বাঁধত, তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ করত না। ইসলামের আবির্ভাবের পর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তখন আল্লাহ তা‘আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন, “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ কা‘বাহ্ ঘরের হাজ্জ কিংবা ‘উমরাহ্ পালন করে, এ দু’টির মধ্যে প্রদক্ষিণ করলে এতে তার কোন পাপ নেই .....” – (সূরাহ আল বাক্বারাহ্ ২ :১৫৮)। তুমি যা বলেছ, ব্যাপারটি যদি তদ্রূপ হতো তবে বলা হতো, “এ দু’টির মধ্যে প্রদক্ষিণ না করলে তার কোন পাপ নেই।” ইমাম যুহ্রী (রহঃ) বলেন, এ প্রসঙ্গটি আমি আবূ বকর ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশামের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি তাতে বিস্মিত হলেন এবং বললেন, এর নামই জ্ঞান। তিনি আরও বললেন, জ্ঞানবান সমাজের অনেক লোককে বলতে শুনেছি-সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ বর্জনকারী আরবের অধিবাসীরা বলত, এ দুই পাথরের মাঝে ত্বওয়াফ করা জাহিলী যুগের কাজ। আর আনসার সম্প্রদায়ের লোকেরা বলত, আমাদেরকে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম।” আবূ বকর ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেন, আমিও মনে করি যে, উল্লেখিত দুই সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৪৭, ই.সে. ২৯৪৫)
حدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، جميعا عن ابن عيينة، - قال ابن أبي عمر حدثنا سفيان، - قال سمعت الزهري، يحدث عن عروة بن الزبير، قال قلت لعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ما أرى على أحد لم يطف بين الصفا والمروة شيئا وما أبالي أن لا أطوف بينهما . قالت بئس ما قلت يا ابن أختي طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم وطاف المسلمون فكانت سنة وإنما كان من أهل لمناة الطاغية التي بالمشلل لا يطوفون بين الصفا والمروة فلما كان الإسلام سألنا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} ولو كانت كما تقول لكانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . قال الزهري فذكرت ذلك لأبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام فأعجبه ذلك . وقال إن هذا العلم . ولقد سمعت رجالا من أهل العلم يقولون إنما كان من لا يطوف بين الصفا والمروة من العرب يقولون إن طوافنا بين هذين الحجرين من أمر الجاهلية . وقال آخرون من الأنصار إنما أمرنا بالطواف بالبيت ولم نؤمر به بين الصفا والمروة فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله} . قال أبو بكر بن عبد الرحمن فأراها قد نزلت في هؤلاء وهؤلاء .
সহিহ মুসলিম ২৯৬৯
حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قال قلت لها إني لأظن رجلا لو لم يطف بين الصفا والمروة ما ضره . قالت لم قلت لأن الله تعالى يقول { إن الصفا والمروة من شعائر الله} إلى آخر الآية . فقالت ما أتم الله حج امرئ ولا عمرته لم يطف بين الصفا والمروة ولو كان كما تقول لكان فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . وهل تدري فيما كان ذاك إنما كان ذاك أن الأنصار كانوا يهلون في الجاهلية لصنمين على شط البحر يقال لهما إساف ونائلة . ثم يجيئون فيطوفون بين الصفا والمروة ثم يحلقون . فلما جاء الإسلام كرهوا أن يطوفوا بينهما للذي كانوا يصنعون في الجاهلية قالت فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله} إلى آخرها - قالت - فطافوا .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে তার পিতা সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, আমি মনে করি কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়াহ্ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সা‘ঈ না করলে তার কোন ক্ষতি হবে না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন কেন? আমি বললাম, কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ ‘সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম ......” – (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৫৮)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করলে আল্লাহ তার হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ পূর্ণ করেন না। তুমি যা বলেছ যদি তাই হতো তবে আয়াতটি এভাবে হতো, “ঐ দুই পাহাড়ের মাঝে না দৌড়ালে কোন অসুবিধা নেই।” তুমি কি জান ব্যাপারটি কী ছিল? ব্যাপার তো ছিল এই যে, আনসারগণ জাহিলী যুগে দু’টি প্রতিমার নামে সমুদ্রের তীরে ইহরাম বাঁধত। একটির নাম ইনসাফ, অপরটির নাম নায়িলাহ্। তারা এসে সাফা-মারওয়াহ্ সা‘ঈ করত। অতঃপর মাথা কামাতো। ইসলামের আবির্ভাবের পর তারা জাহিলী যুগে যা করত, সে কারণে সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করা খারাপ মনে করল। তাই আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম.......।” অতঃপর লোকেরা সা‘ঈ করে। [২২] (ই.ফা. ২৯৪৫, ই.সে. ২৯৪৩)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে তার পিতা সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, আমি মনে করি কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়াহ্ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সা‘ঈ না করলে তার কোন ক্ষতি হবে না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন কেন? আমি বললাম, কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ ‘সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম ......” – (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৫৮)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ না করলে আল্লাহ তার হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ পূর্ণ করেন না। তুমি যা বলেছ যদি তাই হতো তবে আয়াতটি এভাবে হতো, “ঐ দুই পাহাড়ের মাঝে না দৌড়ালে কোন অসুবিধা নেই।” তুমি কি জান ব্যাপারটি কী ছিল? ব্যাপার তো ছিল এই যে, আনসারগণ জাহিলী যুগে দু’টি প্রতিমার নামে সমুদ্রের তীরে ইহরাম বাঁধত। একটির নাম ইনসাফ, অপরটির নাম নায়িলাহ্। তারা এসে সাফা-মারওয়াহ্ সা‘ঈ করত। অতঃপর মাথা কামাতো। ইসলামের আবির্ভাবের পর তারা জাহিলী যুগে যা করত, সে কারণে সাফা-মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করা খারাপ মনে করল। তাই আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন : “সাফা-মারওয়াহ্ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম.......।” অতঃপর লোকেরা সা‘ঈ করে। [২২] (ই.ফা. ২৯৪৫, ই.সে. ২৯৪৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قال قلت لها إني لأظن رجلا لو لم يطف بين الصفا والمروة ما ضره . قالت لم قلت لأن الله تعالى يقول { إن الصفا والمروة من شعائر الله} إلى آخر الآية . فقالت ما أتم الله حج امرئ ولا عمرته لم يطف بين الصفا والمروة ولو كان كما تقول لكان فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . وهل تدري فيما كان ذاك إنما كان ذاك أن الأنصار كانوا يهلون في الجاهلية لصنمين على شط البحر يقال لهما إساف ونائلة . ثم يجيئون فيطوفون بين الصفا والمروة ثم يحلقون . فلما جاء الإسلام كرهوا أن يطوفوا بينهما للذي كانوا يصنعون في الجاهلية قالت فأنزل الله عز وجل { إن الصفا والمروة من شعائر الله} إلى آخرها - قالت - فطافوا .
সহিহ মুসলিম > সা‘ঈ একাধিবার করতে হবে না
সহিহ মুসলিম ২৯৭৫
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول لم يطف النبي صلى الله عليه وسلم ولا أصحابه بين الصفا والمروة إلا طوافا واحدا .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সা‘ঈ করেননি। (ই.ফা. ২৯৫১, ই.সে. ২৯৪৯)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সা‘ঈ করেননি। (ই.ফা. ২৯৫১, ই.সে. ২৯৪৯)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول لم يطف النبي صلى الله عليه وسلم ولا أصحابه بين الصفا والمروة إلا طوافا واحدا .
সহিহ মুসলিম ২৯৭৬
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد . مثله وقال إلا طوافا واحدا طوافه الأول .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “একবার মাত্র সা‘ঈ (সাত চক্কর), তা হচ্ছে প্রথমবারের সা‘ঈ।” (ই.ফা. ২৯৫২, ই.সে. ২৯৫০)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “একবার মাত্র সা‘ঈ (সাত চক্কর), তা হচ্ছে প্রথমবারের সা‘ঈ।” (ই.ফা. ২৯৫২, ই.সে. ২৯৫০)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد . مثله وقال إلا طوافا واحدا طوافه الأول .
সহিহ মুসলিম > কুরবানীর দিন জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপ শুরু করার পূর্ব পর্যন্ত হাজ্জ পালনকারীর তালবিয়াহ্ পাঠ করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ২৯৭৭
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، ح. وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال أخبرنا إسماعيل بن جعفر، عن محمد بن، أبي حرملة عن كريب، مولى ابن عباس عن أسامة بن زيد، قال ردفت رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفات فلما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم الشعب الأيسر الذي دون المزدلفة أناخ فبال ثم جاء فصببت عليه الوضوء فتوضأ وضوءا خفيفا ثم قلت الصلاة يا رسول الله . فقال " الصلاة أمامك " . فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أتى المزدلفة فصلى ثم ردف الفضل رسول الله صلى الله عليه وسلم غداة جمع
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আরাফার ময়দান থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর পিছনে তাঁর বাহনে আরোহণ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফার নিকটবর্তী পাহাড়ের বামপাশে পৌঁছে উটকে হাঁটু গেড়ে বসালেন, এরপর (নেমে গিয়ে) পেশাব করলেন এবং ফিরে এলেন। আমি তাঁকে ওযূর পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি সংক্ষেপে (অল্প পানি ব্যবহার করে) ওযূ সেরে নিলেন। এরপর আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! সলাতের সময় হয়েছে। তিনি বললেন, আরও সামনে গিয়ে সলাত আদায় করব। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনে আরোহণ করলেন এবং মুযদালিফায় পৌঁছে সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি সকালবেলা ফাযল (রাঃ)–কে তাঁর (বাহনে) পিছন দিকে বসিয়ে রওনা হলেন। (ই.ফা. ২৯৫৩, ই.সে. ২৯৫১)
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আরাফার ময়দান থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর পিছনে তাঁর বাহনে আরোহণ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফার নিকটবর্তী পাহাড়ের বামপাশে পৌঁছে উটকে হাঁটু গেড়ে বসালেন, এরপর (নেমে গিয়ে) পেশাব করলেন এবং ফিরে এলেন। আমি তাঁকে ওযূর পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি সংক্ষেপে (অল্প পানি ব্যবহার করে) ওযূ সেরে নিলেন। এরপর আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! সলাতের সময় হয়েছে। তিনি বললেন, আরও সামনে গিয়ে সলাত আদায় করব। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহনে আরোহণ করলেন এবং মুযদালিফায় পৌঁছে সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি সকালবেলা ফাযল (রাঃ)–কে তাঁর (বাহনে) পিছন দিকে বসিয়ে রওনা হলেন। (ই.ফা. ২৯৫৩, ই.সে. ২৯৫১)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، ح. وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال أخبرنا إسماعيل بن جعفر، عن محمد بن، أبي حرملة عن كريب، مولى ابن عباس عن أسامة بن زيد، قال ردفت رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفات فلما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم الشعب الأيسر الذي دون المزدلفة أناخ فبال ثم جاء فصببت عليه الوضوء فتوضأ وضوءا خفيفا ثم قلت الصلاة يا رسول الله . فقال " الصلاة أمامك " . فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أتى المزدلفة فصلى ثم ردف الفضل رسول الله صلى الله عليه وسلم غداة جمع
সহিহ মুসলিম ২৯৮২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن حصين، عن كثير بن مدرك، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال قال عبد الله ونحن بجمع سمعت الذي أنزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المقام " لبيك اللهم لبيك " .
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমরা মুযদালিফায় (সমবেত) ছিলাম। এ সময় যাঁর উপর সূরাহ বাক্বারাহ নাযিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে বলতে শুনলাম: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ই.ফা. ২৯৫৭, ই.সে. ২৯৫৫)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমরা মুযদালিফায় (সমবেত) ছিলাম। এ সময় যাঁর উপর সূরাহ বাক্বারাহ নাযিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে বলতে শুনলাম: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ই.ফা. ২৯৫৭, ই.সে. ২৯৫৫)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن حصين، عن كثير بن مدرك، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال قال عبد الله ونحن بجمع سمعت الذي أنزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المقام " لبيك اللهم لبيك " .
সহিহ মুসলিম ২৯৭৯
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، كلاهما عن عيسى بن يونس، - قال ابن خشرم أخبرنا عيسى، - عن ابن جريج، أخبرني عطاء، أخبرني ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم أردف الفضل من جمع قال فأخبرني ابن عباس أن الفضل أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يزل يلبي حتى رمى جمرة العقبة.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফায় ফায্লকে বাহনে তাঁর পিছনে বসালেন। রাবী বলেন, এরপর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে অবহিত করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপের পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকেন। (ই.ফা. ২৯৫৪, ই.সে. ২৯৫২)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযদালিফায় ফায্লকে বাহনে তাঁর পিছনে বসালেন। রাবী বলেন, এরপর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে অবহিত করলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরাতুল ‘আক্বাবায় পাথর নিক্ষেপের পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকেন। (ই.ফা. ২৯৫৪, ই.সে. ২৯৫২)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، كلاهما عن عيسى بن يونس، - قال ابن خشرم أخبرنا عيسى، - عن ابن جريج، أخبرني عطاء، أخبرني ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم أردف الفضل من جمع قال فأخبرني ابن عباس أن الفضل أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يزل يلبي حتى رمى جمرة العقبة.
সহিহ মুসলিম ২৯৮৩
وحدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، أخبرنا حصين، عن كثير بن مدرك الأشجعي، عن عبد الرحمن بن يزيد، أن عبد الله، لبى حين أفاض من جمع فقيل أعرابي هذا فقال عبد الله أنسي الناس أم ضلوا سمعت الذي أنزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المكان " لبيك اللهم لبيك "
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) মুযদালিফাহ্ রওনার প্রাক্কালে তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। বলা হ’ল, এ সম্ভবত বেদুঈন (হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি সঠিকভাবে জানে না)। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, লোকেরা কি (রসূলের সুন্নাত) ভুলে গেছে, না পথভ্রষ্ট হয়েছে! যাঁর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি এ স্থানে বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ই.ফা. ২৯৫৮, ই.সে. ২৯৫৬)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) মুযদালিফাহ্ রওনার প্রাক্কালে তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। বলা হ’ল, এ সম্ভবত বেদুঈন (হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি সঠিকভাবে জানে না)। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, লোকেরা কি (রসূলের সুন্নাত) ভুলে গেছে, না পথভ্রষ্ট হয়েছে! যাঁর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি এ স্থানে বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ই.ফা. ২৯৫৮, ই.সে. ২৯৫৬)
وحدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، أخبرنا حصين، عن كثير بن مدرك الأشجعي، عن عبد الرحمن بن يزيد، أن عبد الله، لبى حين أفاض من جمع فقيل أعرابي هذا فقال عبد الله أنسي الناس أم ضلوا سمعت الذي أنزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المكان " لبيك اللهم لبيك "
সহিহ মুসলিম ২৯৮৫
وحدثنيه يوسف بن حماد المعني، حدثنا زياد، - يعني البكائي - عن حصين، عن كثير بن مدرك الأشجعي، عن عبد الرحمن بن يزيد، والأسود بن يزيد، قالا سمعنا عبد، الله بن مسعود يقول بجمع سمعت الذي، أنزلت عليه سورة البقرة ها هنا يقول " لبيك اللهم لبيك " . ثم لبى ولبينا معه .
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)–কে মুযদালিফায় বলতে শুনেছি যে, যাঁর উপর সূরাহ্ বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” এরপর তিনি (ইবনু মাস‘ঊদ) তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে তালবিয়াহ্ পাঠ করলাম। (ই.ফা. ২৯৬০, ই.সে. ২৯৫৮)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)–কে মুযদালিফায় বলতে শুনেছি যে, যাঁর উপর সূরাহ্ বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” এরপর তিনি (ইবনু মাস‘ঊদ) তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে তালবিয়াহ্ পাঠ করলাম। (ই.ফা. ২৯৬০, ই.সে. ২৯৫৮)
وحدثنيه يوسف بن حماد المعني، حدثنا زياد، - يعني البكائي - عن حصين، عن كثير بن مدرك الأشجعي، عن عبد الرحمن بن يزيد، والأسود بن يزيد، قالا سمعنا عبد، الله بن مسعود يقول بجمع سمعت الذي، أنزلت عليه سورة البقرة ها هنا يقول " لبيك اللهم لبيك " . ثم لبى ولبينا معه .
সহিহ মুসলিম ২৯৭৮
قال كريب فأخبرني عبد الله بن عباس، عن الفضل، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يزل يلبي حتى بلغ الجمرة
কুরায়ব থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ফাযল –এর সূত্রে আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় [২৩] পৌছার পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ই.ফা. ২৯৫৩, ই.সে. ২৯৫১)
কুরায়ব থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ফাযল –এর সূত্রে আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় [২৩] পৌছার পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ই.ফা. ২৯৫৩, ই.সে. ২৯৫১)
قال كريب فأخبرني عبد الله بن عباس، عن الفضل، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يزل يلبي حتى بلغ الجمرة
সহিহ মুসলিম ২৯৮০
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا ابن رمح، أخبرني الليث، عن أبي، الزبير عن أبي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس، عن الفضل بن عباس، وكان، رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال في عشية عرفة وغداة جمع للناس حين دفعوا " عليكم بالسكينة " . وهو كاف ناقته حتى دخل محسرا - وهو من منى - قال " عليكم بحصى الخذف الذي يرمى به الجمرة " . وقال لم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى الجمرة .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে তার ভাই ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর বাহনে তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফাতে সন্ধ্যাবেলা এবং মুযদালিফায় ভোরবেলা লোকদের উদ্দেশে বললেন, যখন তারা অগ্রসর হচ্ছিল- “তোমরা ধীরে-সুস্থে অগ্রসর হও।” তিনিও নিজে উষ্ট্রীর গতি ধীর করে অগ্রসর হচ্ছিলেন এবং এভাবে মুহাস্সির পৌঁছলেন- যা মিনার অন্তর্গত। তিনি (এখানে) বললেন, তোমরা নুড়ি পাথর তুলে নাও যা জামরায় নিক্ষেপ করা হয়। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকলেন। (ই.ফা. ২৯৫৫, ই.সে. ২৯৫৩)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে তার ভাই ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর বাহনে তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফাতে সন্ধ্যাবেলা এবং মুযদালিফায় ভোরবেলা লোকদের উদ্দেশে বললেন, যখন তারা অগ্রসর হচ্ছিল- “তোমরা ধীরে-সুস্থে অগ্রসর হও।” তিনিও নিজে উষ্ট্রীর গতি ধীর করে অগ্রসর হচ্ছিলেন এবং এভাবে মুহাস্সির পৌঁছলেন- যা মিনার অন্তর্গত। তিনি (এখানে) বললেন, তোমরা নুড়ি পাথর তুলে নাও যা জামরায় নিক্ষেপ করা হয়। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকলেন। (ই.ফা. ২৯৫৫, ই.সে. ২৯৫৩)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا ابن رمح، أخبرني الليث، عن أبي، الزبير عن أبي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس، عن الفضل بن عباس، وكان، رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال في عشية عرفة وغداة جمع للناس حين دفعوا " عليكم بالسكينة " . وهو كاف ناقته حتى دخل محسرا - وهو من منى - قال " عليكم بحصى الخذف الذي يرمى به الجمرة " . وقال لم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى الجمرة .
সহিহ মুসলিম ২৯৮৪
وحدثناه حسن الحلواني، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا سفيان، عن حصين، بهذا الإسناد
হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৫৯, ই.সে. ২৯৫৭)
হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৯৫৯, ই.সে. ২৯৫৭)
وحدثناه حسن الحلواني، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا سفيان، عن حصين، بهذا الإسناد
সহিহ মুসলিম ২৯৮১
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، بهذا الإسناد غير أنه لم يذكر في الحديث ولم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى الجمرة . وزاد في حديثه والنبي صلى الله عليه وسلم يشير بيده كما يخذف الإنسان .
আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবী এ কথাটি উল্লেখ করেননি –“রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকলেন।” কিন্তু এতে উল্লেখ আছে: “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিলেন (নিক্ষেপের জন্য) নুড়ি কিভাবে ধরবে।” (ই.ফা. ২৯৫৬, ই.সে. ২৯৫৪)
আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবী এ কথাটি উল্লেখ করেননি –“রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকলেন।” কিন্তু এতে উল্লেখ আছে: “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিলেন (নিক্ষেপের জন্য) নুড়ি কিভাবে ধরবে।” (ই.ফা. ২৯৫৬, ই.সে. ২৯৫৪)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، بهذا الإسناد غير أنه لم يذكر في الحديث ولم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى الجمرة . وزاد في حديثه والنبي صلى الله عليه وسلم يشير بيده كما يخذف الإنسان .
সহিহ মুসলিম > ‘আরাফাহ্ দিবসে মিনা থেকে ‘আরাফাতে যাবার পথে তালবিয়াহ্ ও তাকবীর পাঠ করার বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ২৯৮৯
وحدثني سريج بن يونس، حدثنا عبد الله بن رجاء، عن موسى بن عقبة، حدثني محمد بن أبي بكر، قال قلت لأنس بن مالك غداة عرفة ما تقول في التلبية هذا اليوم قال سرت هذا المسير مع النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فمنا المكبر ومنا المهلل ولا يعيب أحدنا على صاحبه .
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আরাফাহ্ দিবসের সকালবেলা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–কে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিন আপনারা তালবিয়ার ক্ষেত্রে কী বলতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে আমি ও তাঁর সাহাবীগণ এ পথ ভ্রমণ করেছি। আমাদের কতক ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি উচ্চারণ করেছে এবং কতক তালবিয়াহ্ (লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা) উচ্চারণ করেছে। এতে আমাদের কেউ কারো দোষ ধরেনি। (ই.ফা. ২৯৬৪, ই.সে. ২৯৬২)
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আরাফাহ্ দিবসের সকালবেলা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–কে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিন আপনারা তালবিয়ার ক্ষেত্রে কী বলতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে আমি ও তাঁর সাহাবীগণ এ পথ ভ্রমণ করেছি। আমাদের কতক ‘আল্ল-হু আকবার’ ধ্বনি উচ্চারণ করেছে এবং কতক তালবিয়াহ্ (লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা) উচ্চারণ করেছে। এতে আমাদের কেউ কারো দোষ ধরেনি। (ই.ফা. ২৯৬৪, ই.সে. ২৯৬২)
وحدثني سريج بن يونس، حدثنا عبد الله بن رجاء، عن موسى بن عقبة، حدثني محمد بن أبي بكر، قال قلت لأنس بن مالك غداة عرفة ما تقول في التلبية هذا اليوم قال سرت هذا المسير مع النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فمنا المكبر ومنا المهلل ولا يعيب أحدنا على صاحبه .
সহিহ মুসলিম ২৯৮৮
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن محمد بن أبي بكر الثقفي، أنه سأل أنس بن مالك وهما غاديان من منى إلى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر منا فلا ينكر عليه .
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর আস্ সাক্বাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–এর সাথে সকালবেলা মিনা থেকে ‘আরাফায় যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এ দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে কিভাবে কী করতেন? তিনি বললেন, আমাদের কতক তালবিয়াহ্ পাঠ করত কিন্তু তাতে বাধা দেয়া হতো না এবং কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করত কিন্তু তাতেও বাধা দেয়া হতো না। (ই.ফা. ২৯৬৩, ই.সে. ২৯৬১)
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর আস্ সাক্বাফী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–এর সাথে সকালবেলা মিনা থেকে ‘আরাফায় যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এ দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে কিভাবে কী করতেন? তিনি বললেন, আমাদের কতক তালবিয়াহ্ পাঠ করত কিন্তু তাতে বাধা দেয়া হতো না এবং কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করত কিন্তু তাতেও বাধা দেয়া হতো না। (ই.ফা. ২৯৬৩, ই.সে. ২৯৬১)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن محمد بن أبي بكر الثقفي، أنه سأل أنس بن مالك وهما غاديان من منى إلى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر منا فلا ينكر عليه .
সহিহ মুসলিম ২৯৮৬
حدثنا أحمد بن حنبل، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا سعيد بن يحيى الأموي، حدثني أبي قالا، جميعا حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن، أبي سلمة عن عبد الله بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال غدونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم من منى إلى عرفات منا الملبي ومنا المكبر .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা সকালবেলা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে মিনা থেকে ‘আরাফার দিকে রওনা হলাম, তখন আমাদের মধ্যে কতক তালবিয়াহ্ পাঠকারী এবং কতক তাকবীর পাঠকারী ছিল। (ই.ফা. ২৯৬১, ই.সে. ২৯৫৯)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা সকালবেলা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে মিনা থেকে ‘আরাফার দিকে রওনা হলাম, তখন আমাদের মধ্যে কতক তালবিয়াহ্ পাঠকারী এবং কতক তাকবীর পাঠকারী ছিল। (ই.ফা. ২৯৬১, ই.সে. ২৯৫৯)
حدثنا أحمد بن حنبل، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا سعيد بن يحيى الأموي، حدثني أبي قالا، جميعا حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن، أبي سلمة عن عبد الله بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال غدونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم من منى إلى عرفات منا الملبي ومنا المكبر .
সহিহ মুসলিম ২৯৮৭
وحدثني محمد بن حاتم، وهارون بن عبد الله، ويعقوب الدورقي، قالوا أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عمر بن حسين، عن عبد الله بن، أبي سلمة عن عبد الله بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غداة عرفة فمنا المكبر ومنا المهلل فأما نحن فنكبر قال قلت والله لعجبا منكم كيف لم تقولوا له ماذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘আরাফাহ্ দিবসের সকালবেলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে ছিলাম। আমাদের মধ্যে কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করছিল, আর কতক তালবিয়াহ্ পাঠ করছিল। আমরা তাকবীর ধ্বনি করেছি। অধঃস্তন রাবী (‘আবদুল্লাহ ইবনু আবু সালামাহ্) বলেন, আমি (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহকে) বললাম, কী আশ্চর্য! আপনি তাকে (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার) কেন জিজ্ঞেস করলেন না যে, আপনি এ ক্ষেত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে কী করতে দেখেছেন? (ই.ফা. ২৯৬২, ই.সে. ২৯৬০)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ‘আরাফাহ্ দিবসের সকালবেলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে ছিলাম। আমাদের মধ্যে কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করছিল, আর কতক তালবিয়াহ্ পাঠ করছিল। আমরা তাকবীর ধ্বনি করেছি। অধঃস্তন রাবী (‘আবদুল্লাহ ইবনু আবু সালামাহ্) বলেন, আমি (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহকে) বললাম, কী আশ্চর্য! আপনি তাকে (‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার) কেন জিজ্ঞেস করলেন না যে, আপনি এ ক্ষেত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে কী করতে দেখেছেন? (ই.ফা. ২৯৬২, ই.সে. ২৯৬০)
وحدثني محمد بن حاتم، وهارون بن عبد الله، ويعقوب الدورقي، قالوا أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عمر بن حسين، عن عبد الله بن، أبي سلمة عن عبد الله بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غداة عرفة فمنا المكبر ومنا المهلل فأما نحن فنكبر قال قلت والله لعجبا منكم كيف لم تقولوا له ماذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع