সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময়

সহিহ মুসলিম ২৯২৩

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، أن أنسا، - رضى الله عنه - أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر أربع عمر كلهن في ذي القعدة إلا التي مع حجته عمرة من الحديبية أو زمن الحديبية في ذي القعدة وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة وعمرة من جعرانة حيث قسم غنائم حنين في ذي القعدة وعمرة مع حجته‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন এবং হাজ্জের সাথের ‘উমরাহ্ ব্যতীত সকল ‘উমরাহ্ই যুল ক্বা’দায় করেন। (১) হুদায়বিয়াহ্ থেকে বা হুদায়বিয়ার সময়ের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (২) পরবর্তী বছরের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (৩) জি’রানাহ্ থেকে কৃত ‘উমরাহ, যেখানে হুনায়নের গনীমাতের সম্পদ বণ্টন করা হয়েছিল, সে ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে এবং (৪) আর একটি ‘উমরাহ্ যা হাজ্জের সাথে করেন। (ই.ফা. ২৮৯৯. ই.সে. ২৮৯৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন এবং হাজ্জের সাথের ‘উমরাহ্ ব্যতীত সকল ‘উমরাহ্ই যুল ক্বা’দায় করেন। (১) হুদায়বিয়াহ্ থেকে বা হুদায়বিয়ার সময়ের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (২) পরবর্তী বছরের ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে, (৩) জি’রানাহ্ থেকে কৃত ‘উমরাহ, যেখানে হুনায়নের গনীমাতের সম্পদ বণ্টন করা হয়েছিল, সে ‘উমরাহ্ যুল ক্বা’দাহ্ মাসে এবং (৪) আর একটি ‘উমরাহ্ যা হাজ্জের সাথে করেন। (ই.ফা. ২৮৯৯. ই.সে. ২৮৯৮)

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، أن أنسا، - رضى الله عنه - أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر أربع عمر كلهن في ذي القعدة إلا التي مع حجته عمرة من الحديبية أو زمن الحديبية في ذي القعدة وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة وعمرة من جعرانة حيث قسم غنائم حنين في ذي القعدة وعمرة مع حجته‏.


সহিহ মুসলিম ২৯২৫

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الحسن بن موسى، أخبرنا زهير، عن أبي إسحاق، قال سألت زيد بن أرقم كم غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبع عشرة ‏.‏ قال وحدثني زيد بن أرقم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا تسع عشرة وأنه حج بعد ما هاجر حجة واحدة حجة الوداع ‏.‏ قال أبو إسحاق وبمكة أخرى ‏.

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে কয়বার যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরবার। রাবী বলেন, যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) আমাকে আরও বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঊনিশবার যুদ্ধ করেছেন এবং তিনি হিজরাত করার পরে একবার হাজ্জ করেছেন, তা হ’ল বিদায় হাজ্জ। আবূ ইসহাক্ব আরও বলেন, তিনি মাক্কাহ্ থেকেও একবার হাজ্জ করেছেন। (ই.ফা. ২৯০১, ই.সে. ২৯০০)

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে কয়বার যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরবার। রাবী বলেন, যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) আমাকে আরও বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঊনিশবার যুদ্ধ করেছেন এবং তিনি হিজরাত করার পরে একবার হাজ্জ করেছেন, তা হ’ল বিদায় হাজ্জ। আবূ ইসহাক্ব আরও বলেন, তিনি মাক্কাহ্ থেকেও একবার হাজ্জ করেছেন। (ই.ফা. ২৯০১, ই.সে. ২৯০০)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الحسن بن موسى، أخبرنا زهير، عن أبي إسحاق، قال سألت زيد بن أرقم كم غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سبع عشرة ‏.‏ قال وحدثني زيد بن أرقم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا تسع عشرة وأنه حج بعد ما هاجر حجة واحدة حجة الوداع ‏.‏ قال أبو إسحاق وبمكة أخرى ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯২৭

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، قال دخلت أنا وعروة بن الزبير المسجد، فإذا عبد الله بن عمر جالس إلى حجرة عائشة والناس يصلون الضحى في المسجد فسألناه عن صلاتهم فقال بدعة ‏.‏ فقال له عروة يا أبا عبد الرحمن كم اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أربع عمر إحداهن في رجب ‏.‏ فكرهنا أن نكذبه ونرد عليه وسمعنا استنان عائشة في الحجرة ‏.‏ فقال عروة ألا تسمعين يا أم المؤمنين إلى ما يقول أبو عبد الرحمن فقالت وما يقول قال يقول اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم أربع عمر إحداهن في رجب ‏.‏ فقالت يرحم الله أبا عبد الرحمن ما اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا وهو معه وما اعتمر في رجب قط ‏.

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র মাসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আয়িশার হুজরায় বসা ছিলেন এবং লোকেরা মাসজিদে চাশ্‌তের সলাত আদায় করছিল। আমরা এদের সলাত সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা বিদ’আত। তাকে ‘উরওয়াহ্ বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরাহ্ করেছেন? তিনি বললেন, চারটি ‘উমরাহ্, এর একটি রজব মাসে। আমরা তার কথা অসত্য মনে করা ও তা রদ করা অপছন্দ করলাম। আমরা হুজরাহ থেকে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মিসওয়াক করার শব্দ শুনতে পেলাম। ‘উরওয়াহ্ বললেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবূ ‘আবদুর রহমান কী বলেছেন তা কি আপনি শুনছেন না? তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কী বলে? ‘উরওয়াহ্ বললেন, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন, এর একটি ছিল রজব মাসে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আবূ ‘আবদুর রহমানকে রহম করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই ‘উমরাহ্ করেছেন, সে তার সাথেই ছিল। তিনি কখনও রজব মাসে ‘উমরাহ্ করেননি। (ই.ফা. ২৯০৩, ই.সে. ২৯০২)

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র মাসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আয়িশার হুজরায় বসা ছিলেন এবং লোকেরা মাসজিদে চাশ্‌তের সলাত আদায় করছিল। আমরা এদের সলাত সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা বিদ’আত। তাকে ‘উরওয়াহ্ বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরাহ্ করেছেন? তিনি বললেন, চারটি ‘উমরাহ্, এর একটি রজব মাসে। আমরা তার কথা অসত্য মনে করা ও তা রদ করা অপছন্দ করলাম। আমরা হুজরাহ থেকে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর মিসওয়াক করার শব্দ শুনতে পেলাম। ‘উরওয়াহ্ বললেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবূ ‘আবদুর রহমান কী বলেছেন তা কি আপনি শুনছেন না? তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কী বলে? ‘উরওয়াহ্ বললেন, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ্ করেছেন, এর একটি ছিল রজব মাসে। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আবূ ‘আবদুর রহমানকে রহম করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই ‘উমরাহ্ করেছেন, সে তার সাথেই ছিল। তিনি কখনও রজব মাসে ‘উমরাহ্ করেননি। (ই.ফা. ২৯০৩, ই.সে. ২৯০২)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، قال دخلت أنا وعروة بن الزبير المسجد، فإذا عبد الله بن عمر جالس إلى حجرة عائشة والناس يصلون الضحى في المسجد فسألناه عن صلاتهم فقال بدعة ‏.‏ فقال له عروة يا أبا عبد الرحمن كم اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أربع عمر إحداهن في رجب ‏.‏ فكرهنا أن نكذبه ونرد عليه وسمعنا استنان عائشة في الحجرة ‏.‏ فقال عروة ألا تسمعين يا أم المؤمنين إلى ما يقول أبو عبد الرحمن فقالت وما يقول قال يقول اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم أربع عمر إحداهن في رجب ‏.‏ فقالت يرحم الله أبا عبد الرحمن ما اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا وهو معه وما اعتمر في رجب قط ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯২৬

وحدثنا هارون بن عبد الله، أخبرنا محمد بن بكر البرساني، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يخبر قال أخبرني عروة بن الزبير، قال كنت أنا وابن، عمر مستندين إلى حجرة عائشة وإنا لنسمع ضربها بالسواك تستن - قال - فقلت يا أبا عبد الرحمن أعتمر النبي صلى الله عليه وسلم في رجب قال نعم ‏.‏ فقلت لعائشة أى أمتاه ألا تسمعين ما يقول أبو عبد الرحمن قالت وما يقول قلت يقول اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم في رجب ‏.‏ فقالت يغفر الله لأبي عبد الرحمن لعمري ما اعتمر في رجب وما اعتمر من عمرة إلا وإنه لمعه ‏.‏ قال وابن عمر يسمع فما قال لا ولا نعم ‏.‏ سكت ‏.

‘উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ঠেস দিয়ে বসেছিলাম এবং আমরা মিসওয়াক দিয়ে তার দাঁত মাজার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান (ইবনু ‘উমার)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রজব মাসে ‘উমরাহ্‌ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি (‘উরওয়াহ্‌) বললাম, হে আম্মা! আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন আবূ ‘আবদুর রহমান কী বলছেন? তিনি বললেন, সে কী বলছে? আমি বললাম, তিনি বলছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে ‘উমরাহ্‌ করেছেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আবূ ‘আবদুর রহমানকে ক্ষমা করুন। আমার জীবনের শপথ, তিনি রজব মাসে কখনও ‘উমরাহ্‌ করেননি। আর তিনি যখনই ‘উমরাহ্‌ করেছেন, অবশ্যই আবূ ‘আবদুর রহমান তাঁর সঙ্গে ছিল। রাবী বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কথাগুলো শুনছিলেন, কিন্তু তিনি হ্যাঁ-ও বলেননি এবং না-ও বলেননি, বরং নীরব ছিলেন। (ই.ফা. ২৯০২, ই.সে. ২৯০১)

‘উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ঠেস দিয়ে বসেছিলাম এবং আমরা মিসওয়াক দিয়ে তার দাঁত মাজার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান (ইবনু ‘উমার)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রজব মাসে ‘উমরাহ্‌ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি (‘উরওয়াহ্‌) বললাম, হে আম্মা! আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন আবূ ‘আবদুর রহমান কী বলছেন? তিনি বললেন, সে কী বলছে? আমি বললাম, তিনি বলছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজব মাসে ‘উমরাহ্‌ করেছেন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আবূ ‘আবদুর রহমানকে ক্ষমা করুন। আমার জীবনের শপথ, তিনি রজব মাসে কখনও ‘উমরাহ্‌ করেননি। আর তিনি যখনই ‘উমরাহ্‌ করেছেন, অবশ্যই আবূ ‘আবদুর রহমান তাঁর সঙ্গে ছিল। রাবী বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কথাগুলো শুনছিলেন, কিন্তু তিনি হ্যাঁ-ও বলেননি এবং না-ও বলেননি, বরং নীরব ছিলেন। (ই.ফা. ২৯০২, ই.সে. ২৯০১)

وحدثنا هارون بن عبد الله، أخبرنا محمد بن بكر البرساني، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يخبر قال أخبرني عروة بن الزبير، قال كنت أنا وابن، عمر مستندين إلى حجرة عائشة وإنا لنسمع ضربها بالسواك تستن - قال - فقلت يا أبا عبد الرحمن أعتمر النبي صلى الله عليه وسلم في رجب قال نعم ‏.‏ فقلت لعائشة أى أمتاه ألا تسمعين ما يقول أبو عبد الرحمن قالت وما يقول قلت يقول اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم في رجب ‏.‏ فقالت يغفر الله لأبي عبد الرحمن لعمري ما اعتمر في رجب وما اعتمر من عمرة إلا وإنه لمعه ‏.‏ قال وابن عمر يسمع فما قال لا ولا نعم ‏.‏ سكت ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯২৪

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، قال سألت أنسا كم حج رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حجة واحدة واعتمر أربع عمر ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث هداب ‏.

ক্বাতাদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার হাজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার এবং ‘উমরাহ্‌ করেছেন চারবার।... অবশিষ্ট বর্ণনা হাদ্দাদের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৯০০, ই.সে. ২৮৯৯)

ক্বাতাদাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার হাজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার এবং ‘উমরাহ্‌ করেছেন চারবার।... অবশিষ্ট বর্ণনা হাদ্দাদের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৯০০, ই.সে. ২৮৯৯)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، قال سألت أنسا كم حج رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حجة واحدة واعتمر أربع عمر ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث هداب ‏.


সহিহ মুসলিম > রমাযান মাসের ‘উমরার ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ২৯২৯

وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حبيب، المعلم عن عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لامرأة من الأنصار يقال لها أم سنان ‏"‏ ما منعك أن تكوني حججت معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت ناضحان كانا لأبي فلان - زوجها - حج هو وابنه على أحدهما وكان الآخر يسقي عليه غلامنا ‏.‏ قال ‏"‏ فعمرة في رمضان تقضي حجة ‏.‏ أو حجة معي ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সিনান নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ আমাদের সাথে হাজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, অমুকের পিতা- তার স্বামীর দু’টি পানি বহনকারী উট আছে। এর একটি নিয়ে সে ও তার ছেলে হাজ্জে গিয়েছে। অপরটির সাহায্যে আমাদের গোলাম পানি বহন করছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে রমাযান মাসের ‘উমরাহ্ হাজ্জের সমান কিংবা তিনি বলেছেন, আমাদের সঙ্গে একটি হাজ্জের সমান। (ই.ফা. ২৯০৫, ই.সে. ২৯০৪)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সিনান নাম্নী এক আনসারী মহিলাকে বললেনঃ আমাদের সাথে হাজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, অমুকের পিতা- তার স্বামীর দু’টি পানি বহনকারী উট আছে। এর একটি নিয়ে সে ও তার ছেলে হাজ্জে গিয়েছে। অপরটির সাহায্যে আমাদের গোলাম পানি বহন করছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে রমাযান মাসের ‘উমরাহ্ হাজ্জের সমান কিংবা তিনি বলেছেন, আমাদের সঙ্গে একটি হাজ্জের সমান। (ই.ফা. ২৯০৫, ই.সে. ২৯০৪)

وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حبيب، المعلم عن عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لامرأة من الأنصار يقال لها أم سنان ‏"‏ ما منعك أن تكوني حججت معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت ناضحان كانا لأبي فلان - زوجها - حج هو وابنه على أحدهما وكان الآخر يسقي عليه غلامنا ‏.‏ قال ‏"‏ فعمرة في رمضان تقضي حجة ‏.‏ أو حجة معي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯২৮

وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، قال أخبرني عطاء، قال سمعت ابن عباس، يحدثنا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لامرأة من الأنصار سماها ابن عباس فنسيت اسمها ‏"‏ ما منعك أن تحجي معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت لم يكن لنا إلا ناضحان فحج أبو ولدها وابنها على ناضح وترك لنا ناضحا ننضح عليه قال ‏"‏ فإذا جاء رمضان فاعتمري فإن عمرة فيه تعدل حجة ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারী মহিলাকে বললেন যার নাম ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু আমি তার নাম ভুলে গেছি- আমাদের সাথে হাজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, আমাদের পানি বহনকারী মাত্র দু’টি উট আছে। আমার ছেলের বাপ (স্বামী) ও তার ছেলে এর একটিতে চড়ে হাজ্জ করেন এবং অপরটি আমাদের জন্য রেখে যান পানি বহনের উদ্দেশে। তিনি বললেন, রমাযান মাস এলে তুমি ‘উমরাহ্‌ কর। কারণ এ মাসের ‘উমরাহ্‌ একটা হাজ্জের সমান। (ই.ফা. ২৯০৪, ই.সে. ২৯০৩)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আনসারী মহিলাকে বললেন যার নাম ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু আমি তার নাম ভুলে গেছি- আমাদের সাথে হাজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, আমাদের পানি বহনকারী মাত্র দু’টি উট আছে। আমার ছেলের বাপ (স্বামী) ও তার ছেলে এর একটিতে চড়ে হাজ্জ করেন এবং অপরটি আমাদের জন্য রেখে যান পানি বহনের উদ্দেশে। তিনি বললেন, রমাযান মাস এলে তুমি ‘উমরাহ্‌ কর। কারণ এ মাসের ‘উমরাহ্‌ একটা হাজ্জের সমান। (ই.ফা. ২৯০৪, ই.সে. ২৯০৩)

وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، قال أخبرني عطاء، قال سمعت ابن عباس، يحدثنا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لامرأة من الأنصار سماها ابن عباس فنسيت اسمها ‏"‏ ما منعك أن تحجي معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت لم يكن لنا إلا ناضحان فحج أبو ولدها وابنها على ناضح وترك لنا ناضحا ننضح عليه قال ‏"‏ فإذا جاء رمضان فاعتمري فإن عمرة فيه تعدل حجة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > উচ্চ গিরিপথ দিয়ে মাক্কায় প্রবেশ, নিম্নপথ দিয়ে সেখান থেকে প্রস্থান এবং যে পথ দিয়ে শহর থেকে বের হয়েছে তার বিপরীত পথ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ২৯৩২

حدثنا محمد بن المثنى، وابن أبي عمر، جميعا عن ابن عيينة، - قال ابن المثنى حدثنا سفيان، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما جاء إلى مكة دخلها من أعلاها وخرج من أسفلها ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মাক্কায় পৌঁছলেন, তখন উচ্চ এলাকা দিয়ে প্রবেশ করলেন এবং নীচু এলাকা দিয়ে বের হলেন। (ই.ফা. ২৯০৮, ই.সে. ২৯০৭)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মাক্কায় পৌঁছলেন, তখন উচ্চ এলাকা দিয়ে প্রবেশ করলেন এবং নীচু এলাকা দিয়ে বের হলেন। (ই.ফা. ২৯০৮, ই.সে. ২৯০৭)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن أبي عمر، جميعا عن ابن عيينة، - قال ابن المثنى حدثنا سفيان، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما جاء إلى مكة دخلها من أعلاها وخرج من أسفلها ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯৩০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخرج من طريق الشجرة ويدخل من طريق المعرس وإذا دخل مكة دخل من الثنية العليا ويخرج من الثنية السفلى ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শাজারার পথ দিয়ে (মাদীনাহ্ থেকে) বের হতেন এবং মু’আর্রাস-এর পথ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করতেন। তিনি মাক্কায় প্রবেশকালে উচ্চ গিরিপথ দিয়ে প্রবেশ করতেন এবং নিম্নপথ দিয়ে বের হতেন। (ই.ফা. ২৯০৬, ই.সে. ২৯০৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শাজারার পথ দিয়ে (মাদীনাহ্ থেকে) বের হতেন এবং মু’আর্রাস-এর পথ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করতেন। তিনি মাক্কায় প্রবেশকালে উচ্চ গিরিপথ দিয়ে প্রবেশ করতেন এবং নিম্নপথ দিয়ে বের হতেন। (ই.ফা. ২৯০৬, ই.সে. ২৯০৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخرج من طريق الشجرة ويدخل من طريق المعرس وإذا دخل مكة دخل من الثنية العليا ويخرج من الثنية السفلى ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯৩৩

وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح من كداء من أعلى مكة ‏.‏ قال هشام فكان أبي يدخل منهما كليهما وكان أبي أكثر ما يدخل من كداء ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের বছর মাক্কার উচ্চভূমিতে অবস্থিত ‘কাদা’ টিলা দিয়ে প্রবেশ করেন। হিশাম বলেন, আমার পিতা উভয় স্থান দিয়েই প্রবেশ করতেন, তবে অধিকাংশ সময় ‘কাদা’ টিলা দিয়ে প্রবেশ করতেন। (ই.ফা. ২৯০৯, ই.সে. ২৯০৮)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের বছর মাক্কার উচ্চভূমিতে অবস্থিত ‘কাদা’ টিলা দিয়ে প্রবেশ করেন। হিশাম বলেন, আমার পিতা উভয় স্থান দিয়েই প্রবেশ করতেন, তবে অধিকাংশ সময় ‘কাদা’ টিলা দিয়ে প্রবেশ করতেন। (ই.ফা. ২৯০৯, ই.সে. ২৯০৮)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح من كداء من أعلى مكة ‏.‏ قال هشام فكان أبي يدخل منهما كليهما وكان أبي أكثر ما يدخل من كداء ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯৩১

وحدثنيه زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ وقال في رواية زهير العليا التي بالبطحاء ‏.

‘উবায়দুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু রাবী বলেন, যুহায়রের রিওয়ায়াতে রয়েছে, বাত্বহার দিকের উচ্চপথ। (ই.ফা. ২৯০৭, ই.সে. ২৯০৬)

‘উবায়দুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু রাবী বলেন, যুহায়রের রিওয়ায়াতে রয়েছে, বাত্বহার দিকের উচ্চপথ। (ই.ফা. ২৯০৭, ই.সে. ২৯০৬)

وحدثنيه زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ وقال في رواية زهير العليا التي بالبطحاء ‏.


সহিহ মুসলিম > মাক্কায় প্রবেশের সংকল্প করলে ‘যী ত্বিওয়াতে’ রাত যাপন করা এবং গোসল করে দিনের বেলা মাক্কায় প্রবেশ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ২৯৩৫

وحدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن نافع، أن ابن عمر، كان لا يقدم مكة إلا بات بذي طوى حتى يصبح ويغتسل ثم يدخل مكة نهارا ويذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه فعله ‏.

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) যী ত্বিওয়ায় ভোর পর্যন্ত রাত যাপন না করে মাক্কায় উপনীত হতেন না। তিনি (সেখানে) গোসল করতেন, অতঃপর দিনের বেলায় মাক্কায় প্রবেশ করতেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও তাই করতেন বলে তিনি বলেছেন। (ই.ফা. ২৯১১, ই.সে. ২৯১০)

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) যী ত্বিওয়ায় ভোর পর্যন্ত রাত যাপন না করে মাক্কায় উপনীত হতেন না। তিনি (সেখানে) গোসল করতেন, অতঃপর দিনের বেলায় মাক্কায় প্রবেশ করতেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও তাই করতেন বলে তিনি বলেছেন। (ই.ফা. ২৯১১, ই.সে. ২৯১০)

وحدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن نافع، أن ابن عمر، كان لا يقدم مكة إلا بات بذي طوى حتى يصبح ويغتسل ثم يدخل مكة نهارا ويذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه فعله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯৩৭

حدثنا محمد بن إسحاق المسيبي، حدثني أنس، - يعني ابن عياض - عن موسى، بن عقبة عن نافع، أن عبد الله، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استقبل فرضتى الجبل الذي بينه وبين الجبل الطويل نحو الكعبة يجعل المسجد الذي بني ثم يسار المسجد الذي بطرف الأكمة ومصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أسفل منه على الأكمة السوداء يدع من الأكمة عشر أذرع أو نحوها ثم يصلي مستقبل الفرضتين من الجبل الطويل الذي بينك وبين الكعبة صلى الله عليه وسلم ‏.

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেন : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও কা‘বার দীর্ঘ পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত দুই উপত্যকার দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন। টিলার পাশে নির্মিত মাসজিদ তাঁর বাঁ দিকে থাকত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের স্থান এ কালো টিলার পাদদেশে দশ হাত বা তার চেয়ে সামান্য কমবেশি দূরত্বে অবস্থিত ছিল। তিনি দুই টিলার দিকে মুখ করে সলাত আদায় করলেন যা তাঁর ও কা‘বার পার্শ্ববর্তী বড় পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত ছিল। তাঁর উপর আল্লাহর রহমাত ও শান্তি বর্ষিত হোক। (ই.ফা. ২৯১৩, ই.সে. ২৯১২)

নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেন : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও কা‘বার দীর্ঘ পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত দুই উপত্যকার দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন। টিলার পাশে নির্মিত মাসজিদ তাঁর বাঁ দিকে থাকত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের স্থান এ কালো টিলার পাদদেশে দশ হাত বা তার চেয়ে সামান্য কমবেশি দূরত্বে অবস্থিত ছিল। তিনি দুই টিলার দিকে মুখ করে সলাত আদায় করলেন যা তাঁর ও কা‘বার পার্শ্ববর্তী বড় পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত ছিল। তাঁর উপর আল্লাহর রহমাত ও শান্তি বর্ষিত হোক। (ই.ফা. ২৯১৩, ই.সে. ২৯১২)

حدثنا محمد بن إسحاق المسيبي، حدثني أنس، - يعني ابن عياض - عن موسى، بن عقبة عن نافع، أن عبد الله، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استقبل فرضتى الجبل الذي بينه وبين الجبل الطويل نحو الكعبة يجعل المسجد الذي بني ثم يسار المسجد الذي بطرف الأكمة ومصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أسفل منه على الأكمة السوداء يدع من الأكمة عشر أذرع أو نحوها ثم يصلي مستقبل الفرضتين من الجبل الطويل الذي بينك وبين الكعبة صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯৩৬

وحدثنا محمد بن إسحاق المسيبي، حدثني أنس، - يعني ابن عياض - عن موسى بن عقبة، عن نافع، أن عبد الله، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينزل بذي طوى ويبيت به حتى يصلي الصبح حين يقدم مكة ومصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك على أكمة غليظة ليس في المسجد الذي بني ثم ولكن أسفل من ذلك على أكمة غليظة ‏.

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় আগমন করলে প্রথম যী ত্বিওয়ায় অবতরণ করতেন, সেখানে রাত যাপন করতেন, এরপর ফজরের সলাত আদায় করতেন (অতঃপর মাক্কাহ্ শহরে প্রবেশ করতেন)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ সলাতের স্থান ছিল একটি অসমতল টিলার উপর, সেখানে নির্মিত মাসজিদে নয়, বরং নিম্নদিকে অবস্থিত টিলায়। (ই.ফা. ২৯১২, ই.সে. ২৯১১)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় আগমন করলে প্রথম যী ত্বিওয়ায় অবতরণ করতেন, সেখানে রাত যাপন করতেন, এরপর ফজরের সলাত আদায় করতেন (অতঃপর মাক্কাহ্ শহরে প্রবেশ করতেন)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এ সলাতের স্থান ছিল একটি অসমতল টিলার উপর, সেখানে নির্মিত মাসজিদে নয়, বরং নিম্নদিকে অবস্থিত টিলায়। (ই.ফা. ২৯১২, ই.সে. ২৯১১)

وحدثنا محمد بن إسحاق المسيبي، حدثني أنس، - يعني ابن عياض - عن موسى بن عقبة، عن نافع، أن عبد الله، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينزل بذي طوى ويبيت به حتى يصلي الصبح حين يقدم مكة ومصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك على أكمة غليظة ليس في المسجد الذي بني ثم ولكن أسفل من ذلك على أكمة غليظة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৯৩৪

حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بات بذي طوى حتى أصبح ثم دخل مكة ‏.‏ قال وكان عبد الله يفعل ذلك ‏.‏ وفي رواية ابن سعيد حتى صلى الصبح ‏.‏ قال يحيى أو قال حتى أصبح ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যী ত্বিওয়া নামক স্থানে ভোর পর্যন্ত রাত্রি যাপন করলেন, অতঃপর মাক্কায় প্রবেশ করলেন। নাফি‘ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-ও তাই করতেন। ইবনু সা‘ঈদের বর্ণনায় আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে ফাজ্‌রের সলাত আদায় করলেন। ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) বলেন, অথবা তিনি (‘উবায়দুল্লাহ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এখানে সকাল পর্যন্ত অবস্থান করলেন। (ই.ফা. ২৯১০, ই.সে. ২৯০৯)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যী ত্বিওয়া নামক স্থানে ভোর পর্যন্ত রাত্রি যাপন করলেন, অতঃপর মাক্কায় প্রবেশ করলেন। নাফি‘ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-ও তাই করতেন। ইবনু সা‘ঈদের বর্ণনায় আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে ফাজ্‌রের সলাত আদায় করলেন। ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) বলেন, অথবা তিনি (‘উবায়দুল্লাহ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এখানে সকাল পর্যন্ত অবস্থান করলেন। (ই.ফা. ২৯১০, ই.সে. ২৯০৯)

حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بات بذي طوى حتى أصبح ثم دخل مكة ‏.‏ قال وكان عبد الله يفعل ذلك ‏.‏ وفي رواية ابن سعيد حتى صلى الصبح ‏.‏ قال يحيى أو قال حتى أصبح ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00