সহিহ মুসলিম > ইফরাদ ও ক্বিরান হাজ্জ প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৮৮৪

حدثنا يحيى بن أيوب، وعبد الله بن عون الهلالي، قالا حدثنا عباد بن عباد، المهلبي حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، - في رواية يحيى - قال أهللنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج مفردا وفي رواية ابن عون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بالحج مفردا ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্ইয়ার রিওয়ায়াতে আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। ইবনু ‘আওন-এর রিওয়ায়াতে আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। (ই.ফা. ২৮৬০, ই.সে. ২৮৫৯)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্ইয়ার রিওয়ায়াতে আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। ইবনু ‘আওন-এর রিওয়ায়াতে আছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইফরাদ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। (ই.ফা. ২৮৬০, ই.সে. ২৮৫৯)

حدثنا يحيى بن أيوب، وعبد الله بن عون الهلالي، قالا حدثنا عباد بن عباد، المهلبي حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، - في رواية يحيى - قال أهللنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج مفردا وفي رواية ابن عون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بالحج مفردا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৮৫

وحدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، حدثنا حميد، عن بكر، عن أنس، - رضى الله عنه - قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يلبي بالحج والعمرة جميعا ‏.‏ قال بكر فحدثت بذلك ابن عمر فقال لبى بالحج وحده ‏.‏ فلقيت أنسا فحدثته بقول ابن عمر فقال أنس ما تعدوننا إلا صبيانا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لبيك عمرة وحجا ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাক্র বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাক্র) আনাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাছে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাঃ) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (ই.ফা. ২৮৬১, ই.সে. ২৮৬০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাক্র বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাক্র) আনাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাছে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাঃ) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (ই.ফা. ২৮৬১, ই.সে. ২৮৬০)

وحدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، حدثنا حميد، عن بكر، عن أنس، - رضى الله عنه - قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يلبي بالحج والعمرة جميعا ‏.‏ قال بكر فحدثت بذلك ابن عمر فقال لبى بالحج وحده ‏.‏ فلقيت أنسا فحدثته بقول ابن عمر فقال أنس ما تعدوننا إلا صبيانا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لبيك عمرة وحجا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৮৬

وحدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حبيب، بن الشهيد عن بكر بن عبد الله، حدثنا أنس، رضى الله عنه أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم جمع بينهما بين الحج والعمرة قال فسألت ابن عمر فقال أهللنا بالحج ‏.‏ فرجعت إلى أنس فأخبرته ما قال ابن عمر فقال كأنما كنا صبيانا ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাক্র) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু ‘উমার (রাঃ) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করলাম। আনাস (রাঃ) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম! [২০] (ই.ফা. ২৮৬২, ই.সে. ২৮৬১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাক্র) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু ‘উমার (রাঃ) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করলাম। আনাস (রাঃ) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম! [২০] (ই.ফা. ২৮৬২, ই.সে. ২৮৬১)

وحدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حبيب، بن الشهيد عن بكر بن عبد الله، حدثنا أنس، رضى الله عنه أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم جمع بينهما بين الحج والعمرة قال فسألت ابن عمر فقال أهللنا بالحج ‏.‏ فرجعت إلى أنس فأخبرته ما قال ابن عمر فقال كأنما كنا صبيانا ‏.


সহিহ মুসলিম > হাজীদের জন্য ত্বওয়াফে কুদূম, অতঃপর সা’ঈ মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ২৮৮৯

حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر عن رجل، قدم بعمرة فطاف بالبيت ولم يطف بين الصفا والمروة أيأتي امرأته فقال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا وصلى خلف المقام ركعتين وبين الصفا والمروة سبعا وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة ‏.

‘আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে আগমন করেছে, অতঃপর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেনি- সে কি তার স্ত্রীর সাথে মিলতে পারে? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ আগমন করে সাতবার বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেন, মাক্বামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করেন। আর তোমাদের জন্য অবশ্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৫, ই.সে. ২৮৬৪)

‘আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে আগমন করেছে, অতঃপর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেনি- সে কি তার স্ত্রীর সাথে মিলতে পারে? ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ আগমন করে সাতবার বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেন, মাক্বামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করেন। আর তোমাদের জন্য অবশ্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৫, ই.সে. ২৮৬৪)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، قال سألنا ابن عمر عن رجل، قدم بعمرة فطاف بالبيت ولم يطف بين الصفا والمروة أيأتي امرأته فقال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا وصلى خلف المقام ركعتين وبين الصفا والمروة سبعا وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৮৭

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبثر، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن وبرة، قال كنت جالسا عند ابن عمر فجاءه رجل فقال أيصلح لي أن أطوف بالبيت قبل أن آتي الموقف ‏.‏ فقال نعم ‏.‏ فقال فإن ابن عباس يقول لا تطف بالبيت حتى تأتي الموقف ‏.‏ فقال ابن عمر فقد حج رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت قبل أن يأتي الموقف فبقول رسول الله صلى الله عليه وسلم أحق أن تأخذ أو بقول ابن عباس إن كنت صادقا

ওয়াবারাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, আল মাওক্বিফ (‘আরাফাহ্‌)-এ যাবার পূর্বে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করা আমার জন্য সঠিক হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, কিন্তু ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তুমি বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করো না-যে পর্যন্ত না মাওক্বিফে আসো! ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ করেছেন এবং মাওক্বিফে যাবার পূর্বেই বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছেন। অতএব তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে বল, তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা মত ‘আমাল করা উচিত, না ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কথা মত? (ই.ফা. ২৮৬৩, ই.সে. ২৮৬২)

ওয়াবারাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, আল মাওক্বিফ (‘আরাফাহ্‌)-এ যাবার পূর্বে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করা আমার জন্য সঠিক হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, কিন্তু ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তুমি বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করো না-যে পর্যন্ত না মাওক্বিফে আসো! ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ করেছেন এবং মাওক্বিফে যাবার পূর্বেই বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করেছেন। অতএব তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে বল, তোমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা মত ‘আমাল করা উচিত, না ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কথা মত? (ই.ফা. ২৮৬৩, ই.সে. ২৮৬২)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبثر، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن وبرة، قال كنت جالسا عند ابن عمر فجاءه رجل فقال أيصلح لي أن أطوف بالبيت قبل أن آتي الموقف ‏.‏ فقال نعم ‏.‏ فقال فإن ابن عباس يقول لا تطف بالبيت حتى تأتي الموقف ‏.‏ فقال ابن عمر فقد حج رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت قبل أن يأتي الموقف فبقول رسول الله صلى الله عليه وسلم أحق أن تأخذ أو بقول ابن عباس إن كنت صادقا


সহিহ মুসলিম ২৮৮৮

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن بيان، عن وبرة، قال سأل رجل ابن عمر - رضى الله عنهما - أطوف بالبيت وقد أحرمت بالحج فقال وما يمنعك قال إني رأيت ابن فلان يكرهه وأنت أحب إلينا منه رأيناه قد فتنته الدنيا ‏.‏ فقال وأينا - أو أيكم - لم تفتنه الدنيا ثم قال رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم أحرم بالحج وطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة فسنة الله وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم أحق أن تتبع من سنة فلان إن كنت صادقا ‏.

ওয়াবারাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, আমি কি বায়তুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ করব অথচ আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি? তিনি বললেন, কিসে তোমাকে বাধা দিচ্ছে? সে বলল, আমি অমুকের পুত্রকে দেখেছি, তিনি তা পছন্দ করেন না কিন্তু তার তুলনায় আপনি আমাদের অধিক প্রিয়। আমরা লক্ষ্য করছি যে, এ দুনিয়া তাকে প্রলুব্ধ করেছে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যাকে দুনিয়া প্রলুব্ধ করেনি? অতঃপর তিনি বললেন, আমরা দেখেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছেন এবং বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেছেন। অতএব তুমি সত্যবাদী হলে আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত অমুকের সুন্নাতের তুলনায় অনুসরণের বেলায় অগ্রগণ্য। (ই.ফা. ২৮৬৪, ই.সে. ২৮৬৩)

ওয়াবারাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, আমি কি বায়তুল্লাহ্‌র ত্বওয়াফ করব অথচ আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি? তিনি বললেন, কিসে তোমাকে বাধা দিচ্ছে? সে বলল, আমি অমুকের পুত্রকে দেখেছি, তিনি তা পছন্দ করেন না কিন্তু তার তুলনায় আপনি আমাদের অধিক প্রিয়। আমরা লক্ষ্য করছি যে, এ দুনিয়া তাকে প্রলুব্ধ করেছে। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যাকে দুনিয়া প্রলুব্ধ করেনি? অতঃপর তিনি বললেন, আমরা দেখেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছেন এবং বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করেছেন। অতএব তুমি সত্যবাদী হলে আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাত অমুকের সুন্নাতের তুলনায় অনুসরণের বেলায় অগ্রগণ্য। (ই.ফা. ২৮৬৪, ই.সে. ২৮৬৩)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن بيان، عن وبرة، قال سأل رجل ابن عمر - رضى الله عنهما - أطوف بالبيت وقد أحرمت بالحج فقال وما يمنعك قال إني رأيت ابن فلان يكرهه وأنت أحب إلينا منه رأيناه قد فتنته الدنيا ‏.‏ فقال وأينا - أو أيكم - لم تفتنه الدنيا ثم قال رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم أحرم بالحج وطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة فسنة الله وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم أحق أن تتبع من سنة فلان إن كنت صادقا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৯০

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو الربيع الزهراني، عن حماد بن زيد، ح وحدثنا عبد، بن حميد أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، جميعا عن عمرو بن دينار، عن ابن، عمر - رضى الله عنهما - عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث ابن عيينة ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৬, ই.সে. ২৮৬৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৮৬৬, ই.সে. ২৮৬৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو الربيع الزهراني، عن حماد بن زيد، ح وحدثنا عبد، بن حميد أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، جميعا عن عمرو بن دينار، عن ابن، عمر - رضى الله عنهما - عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث ابن عيينة ‏.


সহিহ মুসলিম > উমরার উদ্দেশে ইহরামকারীর জন্য ত্বওয়াফের পরে সা’ঈর পূর্বে ইহরাম খোলা জায়িয নয়, হাজ্জের উদ্দেশে ইহরামকারীও ত্বওয়াফে কুদূমের পর ইহরাম খুলতে পারবে না, ক্বিরান হাজ্জকারীর হুকুমও অনুরূপ

সহিহ মুসলিম ২৮৯২

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، حدثني منصور، بن عبد الرحمن عن أمه، صفية بنت شيبة عن أسماء بنت أبي بكر، - رضى الله عنهما - قالت خرجنا محرمين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كان معه هدى فليقم على إحرامه ومن لم يكن معه هدى فليحلل ‏"‏ ‏.‏ فلم يكن معي هدى فحللت وكان مع الزبير هدى فلم يحلل ‏.‏ قالت فلبست ثيابي ثم خرجت فجلست إلى الزبير فقال قومي عني ‏.‏ فقلت أتخشى أن أثب عليك.

আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আমার সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, তাই আমি ইহরাম খুলে ফেললাম। কিন্তু (আমার স্বামী) যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তাই তিনি ইহরাম খুলেননি। রাবী বলেন, আমি আমার স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করে বের হয়ে গিয়ে যুবায়র (রাঃ)-এর পাশে বসলাম। তিনি বললেন, আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব? (ই.ফা. ২৮৬৮, ই.সে. ২৮৬৭)

আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আমার সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, তাই আমি ইহরাম খুলে ফেললাম। কিন্তু (আমার স্বামী) যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তাই তিনি ইহরাম খুলেননি। রাবী বলেন, আমি আমার স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করে বের হয়ে গিয়ে যুবায়র (রাঃ)-এর পাশে বসলাম। তিনি বললেন, আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব? (ই.ফা. ২৮৬৮, ই.সে. ২৮৬৭)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، حدثني منصور، بن عبد الرحمن عن أمه، صفية بنت شيبة عن أسماء بنت أبي بكر، - رضى الله عنهما - قالت خرجنا محرمين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كان معه هدى فليقم على إحرامه ومن لم يكن معه هدى فليحلل ‏"‏ ‏.‏ فلم يكن معي هدى فحللت وكان مع الزبير هدى فلم يحلل ‏.‏ قالت فلبست ثيابي ثم خرجت فجلست إلى الزبير فقال قومي عني ‏.‏ فقلت أتخشى أن أثب عليك.


সহিহ মুসলিম ২৮৯৪

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن أبي الأسود، أن عبد الله، مولى أسماء بنت أبي بكر - رضى الله عنهما - حدثه أنه، كان يسمع أسماء كلما مرت بالحجون تقول صلى الله على رسوله وسلم لقد نزلنا معه ها هنا ونحن يومئذ خفاف الحقائب قليل ظهرنا قليلة أزوادنا فاعتمرت أنا وأختي عائشة والزبير وفلان وفلان فلما مسحنا البيت أحللنا ثم أهللنا من العشي بالحج ‏.‏ قال هارون في روايته أن مولى أسماء ‏.‏ ولم يسم عبد الله ‏.

আসমা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

আসমা (রাঃ) যখনই আল-হাজুন (হারাম শরীফের সীমার মধ্যে মাক্কার উচ্চভূমিতে একটি পাহাড়) অতিক্রম করতেন, তখনই তিনি তাকে বলতে শুনতেন, সল্লাল্লাহু ‘আলা রসূলিহী (আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অনুগ্রহ করুন)। আমরা তাঁর সঙ্গে এখানে অবতরণ করেছিলাম, আমাদের বোঝা ছিল কম, বাহনের সংখ্যা অত্যন্ত কম এবং রসদও ছিল সামান্য। আমি, আমার বোন ‘আয়িশা (রাঃ), যুবায়র (রাঃ) এবং আরও অমুক অমুক ‘উমরাহ্ পালন করেছিলাম। আমরা যখনই বায়তুল্লাহ স্পর্শ করলাম, তখনই ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর তৃতীয় প্রহরে হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। অধঃস্তন রাবী হারূন তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “আসমা (রাঃ)-এর মুক্তদাস” এবং তিনি ‘আবদুল্লাহ’ নাম উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৮৭০, ই.সে. ২৮৬৯)

আসমা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

আসমা (রাঃ) যখনই আল-হাজুন (হারাম শরীফের সীমার মধ্যে মাক্কার উচ্চভূমিতে একটি পাহাড়) অতিক্রম করতেন, তখনই তিনি তাকে বলতে শুনতেন, সল্লাল্লাহু ‘আলা রসূলিহী (আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অনুগ্রহ করুন)। আমরা তাঁর সঙ্গে এখানে অবতরণ করেছিলাম, আমাদের বোঝা ছিল কম, বাহনের সংখ্যা অত্যন্ত কম এবং রসদও ছিল সামান্য। আমি, আমার বোন ‘আয়িশা (রাঃ), যুবায়র (রাঃ) এবং আরও অমুক অমুক ‘উমরাহ্ পালন করেছিলাম। আমরা যখনই বায়তুল্লাহ স্পর্শ করলাম, তখনই ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর তৃতীয় প্রহরে হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। অধঃস্তন রাবী হারূন তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “আসমা (রাঃ)-এর মুক্তদাস” এবং তিনি ‘আবদুল্লাহ’ নাম উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৮৭০, ই.সে. ২৮৬৯)

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن أبي الأسود، أن عبد الله، مولى أسماء بنت أبي بكر - رضى الله عنهما - حدثه أنه، كان يسمع أسماء كلما مرت بالحجون تقول صلى الله على رسوله وسلم لقد نزلنا معه ها هنا ونحن يومئذ خفاف الحقائب قليل ظهرنا قليلة أزوادنا فاعتمرت أنا وأختي عائشة والزبير وفلان وفلان فلما مسحنا البيت أحللنا ثم أهللنا من العشي بالحج ‏.‏ قال هارون في روايته أن مولى أسماء ‏.‏ ولم يسم عبد الله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৯১

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن محمد بن عبد الرحمن، أن رجلا، من أهل العراق قال له سل لي عروة بن الزبير عن رجل يهل بالحج فإذا طاف بالبيت أيحل أم لا فإن قال لك لا يحل ‏.‏ فقل له إن رجلا يقول ذلك - قال - فسألته فقال لا يحل من أهل بالحج إلا بالحج ‏.‏ قلت فإن رجلا كان يقول ذلك ‏.‏ قال بئس ما قال فتصداني الرجل فسألني فحدثته فقال فقل له فإن رجلا كان يخبر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد فعل ذلك وما شأن أسماء والزبير فعلا ذلك ‏.‏ قال فجئته فذكرت له ذلك فقال من هذا فقلت لا أدري ‏.‏ قال فما باله لا يأتيني بنفسه يسألني أظنه عراقيا ‏.‏ قلت لا أدري ‏.‏ قال فإنه قد كذب قد حج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرتني عائشة - رضى الله عنها - أن أول شىء بدأ به حين قدم مكة أنه توضأ ثم طاف بالبيت ثم حج أبو بكر فكان أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم عمر مثل ذلك ثم حج عثمان فرأيته أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم معاوية وعبد الله بن عمر ثم حججت مع أبي الزبير بن العوام فكان أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم رأيت المهاجرين والأنصار يفعلون ذلك ثم لم يكن غيره ثم آخر من رأيت فعل ذلك ابن عمر ثم لم ينقضها بعمرة وهذا ابن عمر عندهم أفلا يسألونه ولا أحد ممن مضى ما كانوا يبدءون بشىء حين يضعون أقدامهم أول من الطواف بالبيت ثم لا يحلون وقد رأيت أمي وخالتي حين تقدمان لا تبدآن بشىء أول من البيت تطوفان به ثم لا تحلان وقد أخبرتني أمي أنها أقبلت هي وأختها والزبير وفلان وفلان بعمرة قط فلما مسحوا الركن حلوا وقد كذب فيما ذكر من ذلك ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইরাকের অধিবাসী এক ব্যক্তি তাকে বলল, আমার পক্ষ থেকে আপনি ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করুন যে, এক ব্যক্তি হাজ্জের ইহরাম বাঁধল, সে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পর ইহরাম খুলতে পারবে কিনা? তিনি যদি আপনাকে বলেন, সে ইহরাম খুলতে পারবে না- তবে তাকে বলুন, এক ব্যক্তি বলেছে, সে ইহরাম খুলতে পারবে। রাবী বলেন, অতএব আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছে, সে তা সমাধান না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারবে না। আমি বললাম, কিন্তু এক ব্যক্তি তাই বলেছে। তিনি বললেন, সে যা বলছে তা দুঃখজনক। ইরাকের লোকটি আমার সাথে পুনরায় সাক্ষাৎ করলে আমি তাকে উপরোক্ত কথা বললাম। সে বলল, আপনি তাকে বলুন, কিন্তু এক ব্যক্তি বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাই করেছেন এবং আসমা (রাঃ) ও যুবায়র (রাঃ) অনুরূপ করেছেন কেন? রাবী বলেন, আমি তার নিকট গিয়ে এ বিষয় তাকে জানাই। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকটি কে? আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, তার কী হয়েছে যে, সে নিজে আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করছে না? আমার মনে হয়, সে ইরাকী। আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। রসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাজ্জ সম্পর্কে ‘আয়িশা (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় পৌঁছে সর্বপ্রথম যে কাজ করেছেন তা ছিল এই যে, তিনি ওযূ করেন, এরপর বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) হাজ্জ করেছেন। তিনি (মাক্কায় পৌঁছে) সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন এবং এরপর ‘উমার (রাঃ)-ও অনুরূপ করেছেন। অতঃপর ‘উসমান (রাঃ) হাজ্জ করেছেন। আমি তাকে সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করতে দেখেছি এবং এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর মু’আবিয়াহ্ (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও (অনুরূপ করেছেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবায়র ইবনুল ‘আও্ওয়াম (রাঃ)-এর সাথে হাজ্জ করেছি। তিনিও সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন। এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর আমি মুহাজির ও আনসারদের অনুরূপ করতে দেখেছি। এছাড়া তারা অন্য কিছু করেননি। অতঃপর সর্বশেষে আমি যাকে অনুরূপ করতে দেখেছি, তিনি হচ্ছেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)। তিনি হাজ্জকে ‘উমরাহ্ দ্বারা ভঙ্গ করেননি। আর সে ইবনু ‘উমার (রাঃ) তো তাদের মধ্যে বর্তমান আছে। তারা কেন তাকে জিজ্ঞেস করছে না? এভাবে যত লোক অতীত হয়েছে, তারা মাক্কায় পা রেখেই সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করতেন। অতঃপর তারা ইহরাম খুলতেন না। আর আমি, আমার মা [আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ)] ও আমার খালা [‘আয়িশা (রাঃ)]-কেও দেখেছি যে, তারা মাক্কায় পৌঁছে প্রথমেই বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন। এরপরও ইহরাম খুলেননি। আমার মা (আসমা) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি তার বোন (‘আয়িশাহ), যুবায়র (রাঃ) এবং অমুক অমুক শুধুমাত্র ‘উমরার ইহরাম বেঁধে মাক্কায় এসেছেন এবং তারা (ত্বওয়াফ ও সা’ঈর পরে) রুকন (হাজারে আসওয়াদ) চুম্বন করার পর ইহরাম খুলেছেন। এ ব্যক্তি (ইরাকী) এ ব্যাপারে যা বলেছে, মিথ্যা বলেছে। (ই.ফা. ২৮৬৭ ই.সে. ২৮৬৬)

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইরাকের অধিবাসী এক ব্যক্তি তাকে বলল, আমার পক্ষ থেকে আপনি ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করুন যে, এক ব্যক্তি হাজ্জের ইহরাম বাঁধল, সে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পর ইহরাম খুলতে পারবে কিনা? তিনি যদি আপনাকে বলেন, সে ইহরাম খুলতে পারবে না- তবে তাকে বলুন, এক ব্যক্তি বলেছে, সে ইহরাম খুলতে পারবে। রাবী বলেন, অতএব আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছে, সে তা সমাধান না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারবে না। আমি বললাম, কিন্তু এক ব্যক্তি তাই বলেছে। তিনি বললেন, সে যা বলছে তা দুঃখজনক। ইরাকের লোকটি আমার সাথে পুনরায় সাক্ষাৎ করলে আমি তাকে উপরোক্ত কথা বললাম। সে বলল, আপনি তাকে বলুন, কিন্তু এক ব্যক্তি বলে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাই করেছেন এবং আসমা (রাঃ) ও যুবায়র (রাঃ) অনুরূপ করেছেন কেন? রাবী বলেন, আমি তার নিকট গিয়ে এ বিষয় তাকে জানাই। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকটি কে? আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, তার কী হয়েছে যে, সে নিজে আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করছে না? আমার মনে হয়, সে ইরাকী। আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। রসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাজ্জ সম্পর্কে ‘আয়িশা (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় পৌঁছে সর্বপ্রথম যে কাজ করেছেন তা ছিল এই যে, তিনি ওযূ করেন, এরপর বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) হাজ্জ করেছেন। তিনি (মাক্কায় পৌঁছে) সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন এবং এরপর ‘উমার (রাঃ)-ও অনুরূপ করেছেন। অতঃপর ‘উসমান (রাঃ) হাজ্জ করেছেন। আমি তাকে সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করতে দেখেছি এবং এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর মু’আবিয়াহ্ (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও (অনুরূপ করেছেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবায়র ইবনুল ‘আও্ওয়াম (রাঃ)-এর সাথে হাজ্জ করেছি। তিনিও সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন। এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর আমি মুহাজির ও আনসারদের অনুরূপ করতে দেখেছি। এছাড়া তারা অন্য কিছু করেননি। অতঃপর সর্বশেষে আমি যাকে অনুরূপ করতে দেখেছি, তিনি হচ্ছেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)। তিনি হাজ্জকে ‘উমরাহ্ দ্বারা ভঙ্গ করেননি। আর সে ইবনু ‘উমার (রাঃ) তো তাদের মধ্যে বর্তমান আছে। তারা কেন তাকে জিজ্ঞেস করছে না? এভাবে যত লোক অতীত হয়েছে, তারা মাক্কায় পা রেখেই সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করতেন। অতঃপর তারা ইহরাম খুলতেন না। আর আমি, আমার মা [আসমা বিনতু আবূ বকর (রাঃ)] ও আমার খালা [‘আয়িশা (রাঃ)]-কেও দেখেছি যে, তারা মাক্কায় পৌঁছে প্রথমেই বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করেছেন। এরপরও ইহরাম খুলেননি। আমার মা (আসমা) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি তার বোন (‘আয়িশাহ), যুবায়র (রাঃ) এবং অমুক অমুক শুধুমাত্র ‘উমরার ইহরাম বেঁধে মাক্কায় এসেছেন এবং তারা (ত্বওয়াফ ও সা’ঈর পরে) রুকন (হাজারে আসওয়াদ) চুম্বন করার পর ইহরাম খুলেছেন। এ ব্যক্তি (ইরাকী) এ ব্যাপারে যা বলেছে, মিথ্যা বলেছে। (ই.ফা. ২৮৬৭ ই.সে. ২৮৬৬)

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن محمد بن عبد الرحمن، أن رجلا، من أهل العراق قال له سل لي عروة بن الزبير عن رجل يهل بالحج فإذا طاف بالبيت أيحل أم لا فإن قال لك لا يحل ‏.‏ فقل له إن رجلا يقول ذلك - قال - فسألته فقال لا يحل من أهل بالحج إلا بالحج ‏.‏ قلت فإن رجلا كان يقول ذلك ‏.‏ قال بئس ما قال فتصداني الرجل فسألني فحدثته فقال فقل له فإن رجلا كان يخبر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد فعل ذلك وما شأن أسماء والزبير فعلا ذلك ‏.‏ قال فجئته فذكرت له ذلك فقال من هذا فقلت لا أدري ‏.‏ قال فما باله لا يأتيني بنفسه يسألني أظنه عراقيا ‏.‏ قلت لا أدري ‏.‏ قال فإنه قد كذب قد حج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرتني عائشة - رضى الله عنها - أن أول شىء بدأ به حين قدم مكة أنه توضأ ثم طاف بالبيت ثم حج أبو بكر فكان أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم عمر مثل ذلك ثم حج عثمان فرأيته أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم معاوية وعبد الله بن عمر ثم حججت مع أبي الزبير بن العوام فكان أول شىء بدأ به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم رأيت المهاجرين والأنصار يفعلون ذلك ثم لم يكن غيره ثم آخر من رأيت فعل ذلك ابن عمر ثم لم ينقضها بعمرة وهذا ابن عمر عندهم أفلا يسألونه ولا أحد ممن مضى ما كانوا يبدءون بشىء حين يضعون أقدامهم أول من الطواف بالبيت ثم لا يحلون وقد رأيت أمي وخالتي حين تقدمان لا تبدآن بشىء أول من البيت تطوفان به ثم لا تحلان وقد أخبرتني أمي أنها أقبلت هي وأختها والزبير وفلان وفلان بعمرة قط فلما مسحوا الركن حلوا وقد كذب فيما ذكر من ذلك ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৯৩

وحدثني عباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا أبو هشام المغيرة بن سلمة، المخزومي حدثنا وهيب، حدثنا منصور بن عبد الرحمن، عن أمه، عن أسماء بنت أبي بكر، - رضى الله عنهما - قالت قدمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مهلين بالحج ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث ابن جريج غير أنه قال فقال استرخي عني استرخي عني ‏.‏ فقلت أتخشى أن أثب عليك .

‘আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হাজ্জের ইহরাম বেঁধে (মাক্কায়) পৌঁছলাম। অবশিষ্ট বর্ণনা ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, যুবায়র (রাঃ) বললেন, “তুমি আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাও, দূরে সরে যাও।” আমি (আসমা) বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব?” (ই.ফা. ২৮৬৯, ই.সে. ২৮৬৮)

‘আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হাজ্জের ইহরাম বেঁধে (মাক্কায়) পৌঁছলাম। অবশিষ্ট বর্ণনা ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, যুবায়র (রাঃ) বললেন, “তুমি আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাও, দূরে সরে যাও।” আমি (আসমা) বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ব?” (ই.ফা. ২৮৬৯, ই.সে. ২৮৬৮)

وحدثني عباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا أبو هشام المغيرة بن سلمة، المخزومي حدثنا وهيب، حدثنا منصور بن عبد الرحمن، عن أمه، عن أسماء بنت أبي بكر، - رضى الله عنهما - قالت قدمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مهلين بالحج ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث ابن جريج غير أنه قال فقال استرخي عني استرخي عني ‏.‏ فقلت أتخشى أن أثب عليك .


সহিহ মুসলিম > হাজ্জে তামাত্তু’ প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৮৯৫

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، عن مسلم القري، قال سألت ابن عباس - رضى الله عنهما - عن متعة الحج، فرخص فيها وكان ابن الزبير ينهى عنها فقال هذه أم ابن الزبير تحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص فيها فادخلوا عليها فاسألوها قال فدخلنا عليها فإذا امرأة ضخمة عمياء فقالت قد رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ‏.

মুসলিম আল কুর্রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি তার অনুমতি দিলেন কিন্তু ইবনু যুবায়র তা নিষেধ করতেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এই তো ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মা, তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটা করার অনুমতি দিয়েছেন। তোমরা তার কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস কর। রাবী বলেন, আমরা তার কাছে গেলাম, তিনি ছিলেন স্থুলদেহী এবং তার দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামাত্তু’ হাজ্জের অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৮৭১, ই.সে. ২৮৭০)

মুসলিম আল কুর্রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি তার অনুমতি দিলেন কিন্তু ইবনু যুবায়র তা নিষেধ করতেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এই তো ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মা, তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটা করার অনুমতি দিয়েছেন। তোমরা তার কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস কর। রাবী বলেন, আমরা তার কাছে গেলাম, তিনি ছিলেন স্থুলদেহী এবং তার দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামাত্তু’ হাজ্জের অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৮৭১, ই.সে. ২৮৭০)

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، عن مسلم القري، قال سألت ابن عباس - رضى الله عنهما - عن متعة الحج، فرخص فيها وكان ابن الزبير ينهى عنها فقال هذه أم ابن الزبير تحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص فيها فادخلوا عليها فاسألوها قال فدخلنا عليها فإذا امرأة ضخمة عمياء فقالت قد رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৯৭

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، حدثنا مسلم القري، سمع ابن عباس، - رضى الله عنهما - يقول أهل النبي صلى الله عليه وسلم بعمرة وأهل أصحابه بحج فلم يحل النبي صلى الله عليه وسلم ولا من ساق الهدى من أصحابه وحل بقيتهم فكان طلحة بن عبيد الله فيمن ساق الهدى فلم يحل ‏.

মুসলিম আল কুর্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন এবং তাঁর সাহাবীগণ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তারা ইহরাম খুলেননি। অন্যরা (ত্বওয়াফ ও সা’ঈর পর) ইহরাম মুক্ত হয়ে গেলেন। যারা সাথে কুরবানীর পশু এনেছিলেন, ত্বল্‌হাহ্‌ (রাঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএবং তিনিও ইহরাম খুলেননি। (ই.ফা. ২৮৭৩, ই.সে. ২৮৭২)

মুসলিম আল কুর্‌রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন এবং তাঁর সাহাবীগণ হাজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তারা ইহরাম খুলেননি। অন্যরা (ত্বওয়াফ ও সা’ঈর পর) ইহরাম মুক্ত হয়ে গেলেন। যারা সাথে কুরবানীর পশু এনেছিলেন, ত্বল্‌হাহ্‌ (রাঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএবং তিনিও ইহরাম খুলেননি। (ই.ফা. ২৮৭৩, ই.সে. ২৮৭২)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، حدثنا مسلم القري، سمع ابن عباس، - رضى الله عنهما - يقول أهل النبي صلى الله عليه وسلم بعمرة وأهل أصحابه بحج فلم يحل النبي صلى الله عليه وسلم ولا من ساق الهدى من أصحابه وحل بقيتهم فكان طلحة بن عبيد الله فيمن ساق الهدى فلم يحل ‏.


সহিহ মুসলিম ২৮৯৬

وحدثناه ابن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثناه ابن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - جميعا عن شعبة، بهذا الإسناد فأما عبد الرحمن ففي حديثه المتعة ولم يقل متعة الحج ‏.‏ وأما ابن جعفر فقال قال شعبة قال مسلم لا أدري متعة الحج أو متعة النساء ‏.‏

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। অধঃস্তন রাবী ‘আবদুর রহমানের বর্ণনায় “আল মুত’আহ্‌” উল্লেখ আছে- “মুত’আতুল হাজ্জ” নয় এবং ইবনু জা’ফার (রহঃ)-এর বর্ণনায় শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল কুর্‌রী (রহঃ) বলেছেন, তামাত্তু’ হাজ্জ না মুত্‌’আহ বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তা আমি জানি না। (ই.ফা. ২৮৭২, ই.সে. ২৮৭১)

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। অধঃস্তন রাবী ‘আবদুর রহমানের বর্ণনায় “আল মুত’আহ্‌” উল্লেখ আছে- “মুত’আতুল হাজ্জ” নয় এবং ইবনু জা’ফার (রহঃ)-এর বর্ণনায় শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল কুর্‌রী (রহঃ) বলেছেন, তামাত্তু’ হাজ্জ না মুত্‌’আহ বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তা আমি জানি না। (ই.ফা. ২৮৭২, ই.সে. ২৮৭১)

وحدثناه ابن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثناه ابن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - جميعا عن شعبة، بهذا الإسناد فأما عبد الرحمن ففي حديثه المتعة ولم يقل متعة الحج ‏.‏ وأما ابن جعفر فقال قال شعبة قال مسلم لا أدري متعة الحج أو متعة النساء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৮৯৮

وحدثناه محمد بن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال وكان ممن لم يكن معه الهدى طلحة بن عبيد الله ورجل آخر فأحلا ‏.

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে তার বর্ণনায় হাদীসের শেষাংশ এরূপ : “যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, ত্বল্‌হাহ্‌ ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) এবং আরও এক ব্যক্তি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তারা উভয়ে ইহরাম খুলে ফেলেন।” (ই.ফা. ২৮৭৪, ই.সে. ২৮৭৩)

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে তার বর্ণনায় হাদীসের শেষাংশ এরূপ : “যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, ত্বল্‌হাহ্‌ ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) এবং আরও এক ব্যক্তি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তারা উভয়ে ইহরাম খুলে ফেলেন।” (ই.ফা. ২৮৭৪, ই.সে. ২৮৭৩)

وحدثناه محمد بن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال وكان ممن لم يكن معه الهدى طلحة بن عبيد الله ورجل آخر فأحلا ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00