সহিহ মুসলিম > তামাত্তু’ হাজ্জের বৈধতা
সহিহ মুসলিম ২৮৫৫
وحدثنا سعيد بن منصور، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب قالوا حدثنا أبو معاوية عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، - رضى الله عنه - قال كانت المتعة في الحج لأصحاب محمد صلى الله عليه وسلم خاصة .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তামাত্তু’ হাজ্জ মুহাম্মাদ-এর সাহাবীগণের জন্যই বিশেষভাবে নির্দিষ্ট ছিল। (ই. ফা. ২৮৩১, ই.সে. ২৮৩০)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তামাত্তু’ হাজ্জ মুহাম্মাদ-এর সাহাবীগণের জন্যই বিশেষভাবে নির্দিষ্ট ছিল। (ই. ফা. ২৮৩১, ই.সে. ২৮৩০)
وحدثنا سعيد بن منصور، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب قالوا حدثنا أبو معاوية عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، - رضى الله عنه - قال كانت المتعة في الحج لأصحاب محمد صلى الله عليه وسلم خاصة .
সহিহ মুসলিম ২৮৫৬
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عياش العامري، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، - رضى الله عنه - قال كانت لنا رخصة . يعني المتعة في الحج .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তামাত্তু’ হাজ্জ আমাদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধা হিসেবে অনুমোদিত ছিল। (ই. ফা. ২৮৩২, ই.সে. ২৮৩১)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তামাত্তু’ হাজ্জ আমাদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধা হিসেবে অনুমোদিত ছিল। (ই. ফা. ২৮৩২, ই.সে. ২৮৩১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عياش العامري، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، - رضى الله عنه - قال كانت لنا رخصة . يعني المتعة في الحج .
সহিহ মুসলিম ২৮৫৪
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن المسيب، قال اجتمع علي وعثمان - رضى الله عنهما - بعسفان فكان عثمان ينهى عن المتعة أو العمرة فقال علي ما تريد إلى أمر فعله رسول الله صلى الله عليه وسلم تنهى عنه فقال عثمان دعنا منك . فقال إني لا أستطيع أن أدعك فلما أن رأى علي ذلك أهل بهما جميعا .
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ) ‘উসফান’ নামক স্থানে একত্রে হলেন। ‘উসমান (রাঃ) তামাত্তু’ ও ‘উমরাহ্ করতে নিষেধ করতেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কাজ করেছেন, আপনি তা নিষেধ করেছেন- এতে আপনার উদ্দেশ্য কী? ‘উসমান (রাঃ) বললেন, আপনি আমাকে আপনার কথা থেকে রেহাই দিন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমি আপনাকে ছাড়তে পারি না। ‘আলী (রাঃ) যখন এ অবস্থা দেখলেন, তিনি একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের ইহরাম বাঁধলেন। (ই. ফা. ২৮৩০, ই.সে. ২৮২৯)
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ) ‘উসফান’ নামক স্থানে একত্রে হলেন। ‘উসমান (রাঃ) তামাত্তু’ ও ‘উমরাহ্ করতে নিষেধ করতেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কাজ করেছেন, আপনি তা নিষেধ করেছেন- এতে আপনার উদ্দেশ্য কী? ‘উসমান (রাঃ) বললেন, আপনি আমাকে আপনার কথা থেকে রেহাই দিন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমি আপনাকে ছাড়তে পারি না। ‘আলী (রাঃ) যখন এ অবস্থা দেখলেন, তিনি একত্রে হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের ইহরাম বাঁধলেন। (ই. ফা. ২৮৩০, ই.সে. ২৮২৯)
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن المسيب، قال اجتمع علي وعثمان - رضى الله عنهما - بعسفان فكان عثمان ينهى عن المتعة أو العمرة فقال علي ما تريد إلى أمر فعله رسول الله صلى الله عليه وسلم تنهى عنه فقال عثمان دعنا منك . فقال إني لا أستطيع أن أدعك فلما أن رأى علي ذلك أهل بهما جميعا .
সহিহ মুসলিম ২৮৫২
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال قال عبد الله بن شقيق كان عثمان ينهى عن المتعة، وكان، علي يأمر بها فقال عثمان لعلي كلمة ثم قال علي لقد علمت أنا قد تمتعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أجل ولكنا كنا خائفين .
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) বলেছেন, ‘উসমান (রাঃ) তামাত্তু’ হাজ্জ করতে নিষেধ করতেন। আর ‘আলী (রাঃ) তামাত্তু’ হাজ্জ করার নির্দেশ দিতেন। অতএব ‘উসামান (রাঃ) ‘আলী (রাঃ) –এর সঙ্গে কথা বললেন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বললেন,’ আপনি অবশ্যই জানেন, আমরা নিশ্চিত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তামাত্তু’ হাজ্জ করেছি। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ; কিন্তু আমরা তখন আতঙ্কিত ছিলাম। (ই. ফা. ২৮২৮, ই.সে. ২৮২৭)
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) বলেছেন, ‘উসমান (রাঃ) তামাত্তু’ হাজ্জ করতে নিষেধ করতেন। আর ‘আলী (রাঃ) তামাত্তু’ হাজ্জ করার নির্দেশ দিতেন। অতএব ‘উসামান (রাঃ) ‘আলী (রাঃ) –এর সঙ্গে কথা বললেন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বললেন,’ আপনি অবশ্যই জানেন, আমরা নিশ্চিত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তামাত্তু’ হাজ্জ করেছি। ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ; কিন্তু আমরা তখন আতঙ্কিত ছিলাম। (ই. ফা. ২৮২৮, ই.সে. ২৮২৭)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال قال عبد الله بن شقيق كان عثمان ينهى عن المتعة، وكان، علي يأمر بها فقال عثمان لعلي كلمة ثم قال علي لقد علمت أنا قد تمتعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أجل ولكنا كنا خائفين .
সহিহ মুসলিম ২৮৫৮
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن بيان، عن عبد الرحمن بن أبي الشعثاء، قال أتيت إبراهيم النخعي وإبراهيم التيمي فقلت إني أهم أن أجمع العمرة والحج العام . فقال إبراهيم النخعي لكن أبوك لم يكن ليهم بذلك . قال قتيبة حدثنا جرير عن بيان عن إبراهيم التيمي عن أبيه أنه مر بأبي ذر - رضى الله عنه - بالربذة فذكر له ذلك فقال إنما كانت لنا خاصة دونكم .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ শা’সা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্রাহীম নাখা’ঈ ও ইব্রাহীম আত্ তায়মীর নিকট এলাম এবং বললাম, আমি এ বছর হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে করতে চাই। ইব্রাহীম নাখা’ঈ বললেন, কিন্তু তোমার পিতা তো এরূপ সংকল্প করেননি। কুতায়বাহ্ (রহঃ).. ইব্রাহীম আত্ তায়মী তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (পিতা) রাবাযাহ্ নামক স্থানে আবূ যার (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তার সামনে এ প্রসঙ্গ উপস্থাপন করলেন। আবূ যার (রাঃ) বললেন, তা আমাদের জন্য (একটা সুবিধা স্বরূপ) নির্দিষ্ট ছিল, তোমাদের জন্য নয়। (ই.ফা. ২৮৩৪, ই.সে. ২৮৩৩)
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ শা’সা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্রাহীম নাখা’ঈ ও ইব্রাহীম আত্ তায়মীর নিকট এলাম এবং বললাম, আমি এ বছর হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে করতে চাই। ইব্রাহীম নাখা’ঈ বললেন, কিন্তু তোমার পিতা তো এরূপ সংকল্প করেননি। কুতায়বাহ্ (রহঃ).. ইব্রাহীম আত্ তায়মী তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (পিতা) রাবাযাহ্ নামক স্থানে আবূ যার (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তার সামনে এ প্রসঙ্গ উপস্থাপন করলেন। আবূ যার (রাঃ) বললেন, তা আমাদের জন্য (একটা সুবিধা স্বরূপ) নির্দিষ্ট ছিল, তোমাদের জন্য নয়। (ই.ফা. ২৮৩৪, ই.সে. ২৮৩৩)
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن بيان، عن عبد الرحمن بن أبي الشعثاء، قال أتيت إبراهيم النخعي وإبراهيم التيمي فقلت إني أهم أن أجمع العمرة والحج العام . فقال إبراهيم النخعي لكن أبوك لم يكن ليهم بذلك . قال قتيبة حدثنا جرير عن بيان عن إبراهيم التيمي عن أبيه أنه مر بأبي ذر - رضى الله عنه - بالربذة فذكر له ذلك فقال إنما كانت لنا خاصة دونكم .
সহিহ মুসলিম ২৮৫৯
وحدثنا سعيد بن منصور، وابن أبي عمر، جميعا عن الفزاري، - قال سعيد حدثنا مروان بن معاوية، - أخبرنا سليمان التيمي، عن غنيم بن قيس، قال سألت سعد بن أبي وقاص - رضى الله عنه - عن المتعة، فقال فعلناها وهذا يومئذ كافر بالعرش . يعني بيوت مكة .
গুনায়ম ইবনু ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমরা ‘উমরাহ্ আদায় করেছি। এটা সে সময়কার কথা যখন তিনি (আমীর মু’আবিয়াহ্) কাফির ছিলেন এবং মাক্কার বাড়িতে বসবাস করতেন। (ই.ফা. ২৮৩৫, ই.সে. ২৮৩৪)
গুনায়ম ইবনু ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমরা ‘উমরাহ্ আদায় করেছি। এটা সে সময়কার কথা যখন তিনি (আমীর মু’আবিয়াহ্) কাফির ছিলেন এবং মাক্কার বাড়িতে বসবাস করতেন। (ই.ফা. ২৮৩৫, ই.সে. ২৮৩৪)
وحدثنا سعيد بن منصور، وابن أبي عمر، جميعا عن الفزاري، - قال سعيد حدثنا مروان بن معاوية، - أخبرنا سليمان التيمي، عن غنيم بن قيس، قال سألت سعد بن أبي وقاص - رضى الله عنه - عن المتعة، فقال فعلناها وهذا يومئذ كافر بالعرش . يعني بيوت مكة .
সহিহ মুসলিম ২৮৬২
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، حدثنا الجريري، عن أبي، العلاء عن مطرف، قال قال لي عمران بن حصين إني لأحدثك بالحديث اليوم ينفعك الله به بعد اليوم واعلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أعمر طائفة من أهله في العشر فلم تنزل آية تنسخ ذلك ولم ينه عنه حتى مضى لوجهه ارتأى كل امرئ بعد ما شاء أن يرتئي .
মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি আজ তোমাকে একটি হাদীস বলব, পরবর্তী সময়ে আল্লাহ তা’আলা এর দ্বারা তোমাকে উপকৃত করবেন। জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে যিলহাজ্জ্ব মাসের দশ তারিখের মধ্যে ‘উমরাহ্ করিয়েছিলেন। এটা রহিত করে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ইন্তিকাল পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরে লোকেরা নিজ নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করে। (ই.ফা. ২৮৩৮, ই.সে. ২৮৩৭)
মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি আজ তোমাকে একটি হাদীস বলব, পরবর্তী সময়ে আল্লাহ তা’আলা এর দ্বারা তোমাকে উপকৃত করবেন। জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে যিলহাজ্জ্ব মাসের দশ তারিখের মধ্যে ‘উমরাহ্ করিয়েছিলেন। এটা রহিত করে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ইন্তিকাল পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরে লোকেরা নিজ নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করে। (ই.ফা. ২৮৩৮, ই.সে. ২৮৩৭)
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، حدثنا الجريري، عن أبي، العلاء عن مطرف، قال قال لي عمران بن حصين إني لأحدثك بالحديث اليوم ينفعك الله به بعد اليوم واعلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أعمر طائفة من أهله في العشر فلم تنزل آية تنسخ ذلك ولم ينه عنه حتى مضى لوجهه ارتأى كل امرئ بعد ما شاء أن يرتئي .
সহিহ মুসলিম ২৮৬৫
حدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، قال سمعت مطرفا، قال قال لي عمران بن حصين . بمثل حديث معاذ .
মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) আমাকে বললেন.. পরবর্তী অংশ উপরোক্ত মু’আয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৮৪১, ই.সে. ২৮৪০)
মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) আমাকে বললেন.. পরবর্তী অংশ উপরোক্ত মু’আয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৮৪১, ই.সে. ২৮৪০)
حدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، قال سمعت مطرفا، قال قال لي عمران بن حصين . بمثل حديث معاذ .
সহিহ মুসলিম ২৮৬৪
وحدثني عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، عن مطرف، قال قال لي عمران بن حصين أحدثك حديثا عسى الله أن ينفعك به إن رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين حجة وعمرة ثم لم ينه عنه حتى مات ولم ينزل فيه قرآن يحرمه وقد كان يسلم على حتى اكتويت فتركت ثم تركت الكى فعاد .
মুত্বাররিফ (রহঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে একটি হাদীস শুনাব। আশা করি, আল্লাহ তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে আদায় করেছেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এরূপ করতে নিষেধ করেননি এবং তা হারাম বলে কুরআনের কোন আয়াতও নাযিল হয়নি। (রোগের কারণে) তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত আমাকে (ফেরেশতাগণ কর্তৃক) সালাম দেয়া অব্যাহত ছিল। আমি দাগ গ্রহণ করলে সালাম দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবার যখন দাগ দেয়া বন্ধ করলাম, পুনরায় সালাম দেয়া শুরু হয়। (ই.ফা. ২৮৪০, ই.সে. ২৮৩৯
মুত্বাররিফ (রহঃ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে একটি হাদীস শুনাব। আশা করি, আল্লাহ তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে আদায় করেছেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এরূপ করতে নিষেধ করেননি এবং তা হারাম বলে কুরআনের কোন আয়াতও নাযিল হয়নি। (রোগের কারণে) তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত আমাকে (ফেরেশতাগণ কর্তৃক) সালাম দেয়া অব্যাহত ছিল। আমি দাগ গ্রহণ করলে সালাম দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবার যখন দাগ দেয়া বন্ধ করলাম, পুনরায় সালাম দেয়া শুরু হয়। (ই.ফা. ২৮৪০, ই.সে. ২৮৩৯
وحدثني عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، عن مطرف، قال قال لي عمران بن حصين أحدثك حديثا عسى الله أن ينفعك به إن رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين حجة وعمرة ثم لم ينه عنه حتى مات ولم ينزل فيه قرآن يحرمه وقد كان يسلم على حتى اكتويت فتركت ثم تركت الكى فعاد .
সহিহ মুসলিম ২৮৬৬
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن قتادة، عن مطرف، قال بعث إلى عمران بن حصين في مرضه الذي توفي فيه فقال إني كنت محدثك بأحاديث لعل الله أن ينفعك بها بعدي فإن عشت فاكتم عني وإن مت فحدث بها إن شئت إنه قد سلم على واعلم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قد جمع بين حج وعمرة ثم لم ينزل فيها كتاب الله ولم ينه عنها نبي الله صلى الله عليه وسلم . قال رجل فيها برأيه ما شاء .
মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) মৃত্যুকালীন রোগে আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কয়েকটি হাদীস বলব, আশা করি আল্লাহ তা’আলা আমার পরে তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। আমি বেঁচে থাকলে তুমি আমার সূত্রে বর্ণনা করা গোপন রাখবে। আর আমি মারা গেলে তুমি চাইলে তা বর্ণনা করতে পার। আমাকে সালাম করা হতো। জেনে রাখ, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে আদায় করেছেন। অতঃপর এ বিষয়ে কোন আয়াতও নাযিল হয়নি এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তা নিষিদ্ধ করেননি। এক ব্যক্তি (‘উমার) এ বিষয়ে যা ইচ্ছা করলেন, তা বললেন। (ই.ফা. ২৮৪২, ই.সে. ২৮৪১)
মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) মৃত্যুকালীন রোগে আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কয়েকটি হাদীস বলব, আশা করি আল্লাহ তা’আলা আমার পরে তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। আমি বেঁচে থাকলে তুমি আমার সূত্রে বর্ণনা করা গোপন রাখবে। আর আমি মারা গেলে তুমি চাইলে তা বর্ণনা করতে পার। আমাকে সালাম করা হতো। জেনে রাখ, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে আদায় করেছেন। অতঃপর এ বিষয়ে কোন আয়াতও নাযিল হয়নি এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তা নিষিদ্ধ করেননি। এক ব্যক্তি (‘উমার) এ বিষয়ে যা ইচ্ছা করলেন, তা বললেন। (ই.ফা. ২৮৪২, ই.সে. ২৮৪১)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن قتادة، عن مطرف، قال بعث إلى عمران بن حصين في مرضه الذي توفي فيه فقال إني كنت محدثك بأحاديث لعل الله أن ينفعك بها بعدي فإن عشت فاكتم عني وإن مت فحدث بها إن شئت إنه قد سلم على واعلم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قد جمع بين حج وعمرة ثم لم ينزل فيها كتاب الله ولم ينه عنها نبي الله صلى الله عليه وسلم . قال رجل فيها برأيه ما شاء .
সহিহ মুসলিম ২৮৬৭
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عمران بن الحصين، - رضى الله عنه - قال اعلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين حج وعمرة ثم لم ينزل فيها كتاب ولم ينهنا عنهما رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال فيها رجل برأيه ما شاء.
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে (একই ইহরামে) আদায় করেছেন। এরপর এ বিষয়ে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও অনুরূপ করতে আমাদেরকে নিষেধ করেননি। এরপর এক ব্যক্তি এ বিষয়ে নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তা বললেন। (ই.ফা. ২৮৪৩, ই.সে. ২৮৪২)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ একত্রে (একই ইহরামে) আদায় করেছেন। এরপর এ বিষয়ে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও অনুরূপ করতে আমাদেরকে নিষেধ করেননি। এরপর এক ব্যক্তি এ বিষয়ে নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তা বললেন। (ই.ফা. ২৮৪৩, ই.সে. ২৮৪২)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عمران بن الحصين، - رضى الله عنه - قال اعلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين حج وعمرة ثم لم ينزل فيها كتاب ولم ينهنا عنهما رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال فيها رجل برأيه ما شاء.
সহিহ মুসলিম ২৮৬৮
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن مطرف، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنه - قال تمتعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم ينزل فيه القرآن . قال رجل برأيه ما شاء
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তামাত্তু’ হাজ্জ করেছি। এ বিষয়ে কুরআনে কোন আয়াত নাযিল হয়নি। এক ব্যক্তি ইচ্ছামত যা বলার, তাই বললেন। (ই.ফা. ২৮৪৪, ই.সে. ২৮৪৩)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তামাত্তু’ হাজ্জ করেছি। এ বিষয়ে কুরআনে কোন আয়াত নাযিল হয়নি। এক ব্যক্তি ইচ্ছামত যা বলার, তাই বললেন। (ই.ফা. ২৮৪৪, ই.সে. ২৮৪৩)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن مطرف، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنه - قال تمتعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم ينزل فيه القرآن . قال رجل برأيه ما شاء
সহিহ মুসলিম ২৮৭০
حدثنا حامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، قالا حدثنا بشر، بن المفضل حدثنا عمران بن مسلم، عن أبي رجاء، قال قال عمران بن حصين نزلت آية المتعة في كتاب الله - يعني متعة الحج - وأمرنا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم لم تنزل آية تنسخ آية متعة الحج ولم ينه عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى مات . قال رجل برأيه بعد ما شاء .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে মুত্’আহ অর্থাৎ তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কে আয়াত নাযিল হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কিত আয়াত রহিতকারী কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরবর্তীকালে এক ব্যক্তি নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তাই বলেছেন। (ই.ফা. ২৮৪৬, ই.সে. ২৮৪৫)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে মুত্’আহ অর্থাৎ তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কে আয়াত নাযিল হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পর্কিত আয়াত রহিতকারী কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরবর্তীকালে এক ব্যক্তি নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তাই বলেছেন। (ই.ফা. ২৮৪৬, ই.সে. ২৮৪৫)
حدثنا حامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، قالا حدثنا بشر، بن المفضل حدثنا عمران بن مسلم، عن أبي رجاء، قال قال عمران بن حصين نزلت آية المتعة في كتاب الله - يعني متعة الحج - وأمرنا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم لم تنزل آية تنسخ آية متعة الحج ولم ينه عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى مات . قال رجل برأيه بعد ما شاء .
সহিহ মুসলিম ২৮৬০
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد وقال في روايته يعني معاوية .
সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তিনি এ রিওয়ায়াতে মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২৮৩৬, ই.সে. ২৮৩৫)
সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তিনি এ রিওয়ায়াতে মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২৮৩৬, ই.সে. ২৮৩৫)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد وقال في روايته يعني معاوية .
সহিহ মুসলিম ২৮৫৩
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - أخبرنا شعبة، بهذا الإسناد مثله .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ২৮২৯, ই.সে. ২৮২৮)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ২৮২৯, ই.সে. ২৮২৮)
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - أخبرنا شعبة، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ২৮৫৭
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن فضيل، عن زبيد، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال قال أبو ذر رضى الله عنه لا تصلح المتعتان إلا لنا خاصة . يعني متعة النساء ومتعة الحج .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দু’টি মুত’আহ কেবল আমাদের যুগের জন্যই নির্দিষ্ট ছিল। অর্থাৎ মুত’আহ্ বিবাহ ও তামাত্তু’ হাজ্জ। (ই.ফা. ২৮৩৩, ই.সে. ২৮৩২)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দু’টি মুত’আহ কেবল আমাদের যুগের জন্যই নির্দিষ্ট ছিল। অর্থাৎ মুত’আহ্ বিবাহ ও তামাত্তু’ হাজ্জ। (ই.ফা. ২৮৩৩, ই.সে. ২৮৩২)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن فضيل، عن زبيد، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال قال أبو ذر رضى الله عنه لا تصلح المتعتان إلا لنا خاصة . يعني متعة النساء ومتعة الحج .
সহিহ মুসলিম ২৮৬১
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا أبو أحمد الزبيري، حدثنا سفيان، ح وحدثني محمد، بن أبي خلف حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، جميعا عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد . مثل حديثهما وفي حديث سفيان المتعة في الحج .
সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সূত্রে উভয়ের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং সুফ্ইয়ানের হাদীসে তামাত্তু’ হাজ্জের উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৩৭, ই.সে. ২৮৩৬)
সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সূত্রে উভয়ের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং সুফ্ইয়ানের হাদীসে তামাত্তু’ হাজ্জের উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৩৭, ই.সে. ২৮৩৬)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا أبو أحمد الزبيري، حدثنا سفيان، ح وحدثني محمد، بن أبي خلف حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، جميعا عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد . مثل حديثهما وفي حديث سفيان المتعة في الحج .
সহিহ মুসলিম ২৮৬৩
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن حاتم، كلاهما عن وكيع، حدثنا سفيان، عن الجريري، في هذا الإسناد وقال ابن حاتم في روايته ارتأى رجل برأيه ما شاء . يعني عمر .
আল জুরায়রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে হাতিম তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “এক ব্যক্তি অর্থাৎ ‘উমার (রাঃ) তাঁর নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করেন”। (ই.ফা. ২৮৩৯, ই.সে. ২৮৩৮)
আল জুরায়রী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে হাতিম তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “এক ব্যক্তি অর্থাৎ ‘উমার (রাঃ) তাঁর নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করেন”। (ই.ফা. ২৮৩৯, ই.সে. ২৮৩৮)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن حاتم، كلاهما عن وكيع، حدثنا سفيان، عن الجريري، في هذا الإسناد وقال ابن حاتم في روايته ارتأى رجل برأيه ما شاء . يعني عمر .
সহিহ মুসলিম ২৮৬৯
وحدثنيه حجاج بن الشاعر، حدثنا عبيد الله بن عبد المجيد، حدثنا إسماعيل، بن مسلم حدثني محمد بن واسع، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنه - بهذا الحديث قال تمتع نبي الله صلى الله عليه وسلم وتمتعنا معه
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামাত্তু’ হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে তামাত্তু’ হাজ্জ করেছি। (ই.ফা. ২৮৪৫, ই.সে. ২৮৪৪)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামাত্তু’ হাজ্জ আদায় করেছেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে তামাত্তু’ হাজ্জ করেছি। (ই.ফা. ২৮৪৫, ই.সে. ২৮৪৪)
وحدثنيه حجاج بن الشاعر، حدثنا عبيد الله بن عبد المجيد، حدثنا إسماعيل، بن مسلم حدثني محمد بن واسع، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنه - بهذا الحديث قال تمتع نبي الله صلى الله عليه وسلم وتمتعنا معه
সহিহ মুসলিম ২৮৭১
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عمران القصير، حدثنا أبو رجاء عن عمران بن حصين، . بمثله غير أنه قال وفعلناها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يقل وأمرنا بها .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তিনি বলেছেন, “আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হাজ্জ করেছি।” তিনি এরূপ বলেননি- “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন”। (ই.ফা. ২৮৪৭, ই.সে. ২৮৪৬)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তিনি বলেছেন, “আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হাজ্জ করেছি।” তিনি এরূপ বলেননি- “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন”। (ই.ফা. ২৮৪৭, ই.সে. ২৮৪৬)
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عمران القصير، حدثنا أبو رجاء عن عمران بن حصين، . بمثله غير أنه قال وفعلناها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يقل وأمرنا بها .
সহিহ মুসলিম > তামাত্তু’ হাজ্জ পালনকারীর জন্য কুরবানী ওয়াজিব; যে ব্যক্তি এর সামর্থ্য না রাখে, সে হাজ্জের অনুষ্ঠান চলাকালে তিনদিন এবং বাড়িতে প্রত্যাবর্তনের পরে সাতদিন সওম পালন করবে
সহিহ মুসলিম ২৮৭৩
وحدثنيه عبد الملك بن شعيب، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمتعه بالحج إلى العمرة وتمتع الناس معه بمثل الذي أخبرني سالم بن عبد الله عن عبد الله - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم.
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তামাত্তু’ হাজ্জ পালন এবং তাঁর সাথের লোকদের তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পাদন সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ই.ফা. ২৮৪৯, ই.সে. ২৮৪৮)
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তামাত্তু’ হাজ্জ পালন এবং তাঁর সাথের লোকদের তামাত্তু’ হাজ্জ সম্পাদন সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ই.ফা. ২৮৪৯, ই.সে. ২৮৪৮)
وحدثنيه عبد الملك بن شعيب، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمتعه بالحج إلى العمرة وتمتع الناس معه بمثل الذي أخبرني سالم بن عبد الله عن عبد الله - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم.
সহিহ মুসলিম ২৮৭২
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، أن عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال تمتع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بالعمرة إلى الحج وأهدى فساق معه الهدى من ذي الحليفة وبدأ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بالعمرة ثم أهل بالحج وتمتع الناس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعمرة إلى الحج فكان من الناس من أهدى فساق الهدى ومنهم من لم يهد فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قال للناس " من كان منكم أهدى فإنه لا يحل من شىء حرم منه حتى يقضي حجه ومن لم يكن منكم أهدى فليطف بالبيت وبالصفا والمروة وليقصر وليحلل ثم ليهل بالحج وليهد فمن لم يجد هديا فليصم ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع إلى أهله " . وطاف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قدم مكة فاستلم الركن أول شىء ثم خب ثلاثة أطواف من السبع ومشى أربعة أطواف ثم ركع - حين قضى طوافه بالبيت عند المقام - ركعتين ثم سلم فانصرف فأتى الصفا فطاف بالصفا والمروة سبعة أطواف ثم لم يحلل من شىء حرم منه حتى قضى حجه ونحر هديه يوم النحر وأفاض فطاف بالبيت ثم حل من كل شىء حرم منه وفعل مثل ما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهدى وساق الهدى من الناس .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামাত্তু’ করেছেন, প্রথমে ‘উমরাহ্ ও পরে হাজ্জ করেছেন এবং পশু কুরবানী করেছেন। তিনি যুল হুলায়ফাহ্ থেকে সাথে করে কুরবানীর পশু নিয়েছিলেন। এখান থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে ‘উমরার, অতঃপর হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ শুরু করেন। লোকেরাও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণে হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ্ যুক্ত করে তামাত্তু’ করেছে। কতক লোকেরা কুরবানীর পশু সাথে নিয়েছিল, আর কতকের কুরবানীর পশু ছিল না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাতে উপনীত হয়ে লোকদের উদ্দেশে বললেন, তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু আছে, হাজ্জ শেষ না করা পর্যন্ত তাদের জন্য (সাময়িকভাবে) নিষিদ্ধ কোন জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু নেই- তার যেন বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করে মাথার চুল খাটো করার পর ইহরাম খুলে ফেলে। অতঃপর তারা (৮ যিলহাজ্জ) পুনরায় হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধবে এবং (নির্দিষ্ট দিনে) কুরবানী করবে। কোন ব্যক্তি বুরবানীর পশু না পেলে হাজ্জ চলাকালীন সময়ে তিনদিন এবং বাড়িতে ফেরার পর সাতদিন সওম পালন করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় পৌঁছে প্রথমে রুকনে (হাজারে আসওয়াদ) স্পর্শ করলেন, অতঃপর বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করলেন- তিন চক্কর সামান্য দ্রুতগতিতে এবং চার চক্কর ধীরগতিতে। বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ সমাপ্ত করে তিনি মাক্বামে ইব্রাহীমের নিকট দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরিয়ে সলাত শেষ করলেন। অতঃপর তিনি সাফা পাহাড়ে এলেন এবং সাফা-মারওয়াহ্ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাতবার সা’ঈ করলেন। এরপর তিনি কোন জিনিস হালাল করেননি- যা হারাম হয়েছিল (ইহরামের কারণে অর্থাৎ তিনি ইহরামমুক্ত হননি) যে পর্যন্ত না হাজ্জ সমাপন করেন এবং কুরবানীর দিন নিজের পশু কুরবানী না করেন এবং কা’বাহ্ ঘর-এর ত্বওয়াফ করেছেন। অতঃপর যে সব জিনিস হারাম ছিল, তা তাঁর জন্য হালাল হয়ে গেল (অর্থাৎ তিনি ইহরাম খুললেন) আর যেসব লোক সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছিল, তারাও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ করেছিল। (ই.ফা. ২৮৪৮, ই.সে. ২৮৪৭)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তামাত্তু’ করেছেন, প্রথমে ‘উমরাহ্ ও পরে হাজ্জ করেছেন এবং পশু কুরবানী করেছেন। তিনি যুল হুলায়ফাহ্ থেকে সাথে করে কুরবানীর পশু নিয়েছিলেন। এখান থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে ‘উমরার, অতঃপর হাজ্জের তালবিয়াহ্ পাঠ শুরু করেন। লোকেরাও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণে হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ্ যুক্ত করে তামাত্তু’ করেছে। কতক লোকেরা কুরবানীর পশু সাথে নিয়েছিল, আর কতকের কুরবানীর পশু ছিল না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাতে উপনীত হয়ে লোকদের উদ্দেশে বললেন, তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু আছে, হাজ্জ শেষ না করা পর্যন্ত তাদের জন্য (সাময়িকভাবে) নিষিদ্ধ কোন জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু নেই- তার যেন বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করে মাথার চুল খাটো করার পর ইহরাম খুলে ফেলে। অতঃপর তারা (৮ যিলহাজ্জ) পুনরায় হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধবে এবং (নির্দিষ্ট দিনে) কুরবানী করবে। কোন ব্যক্তি বুরবানীর পশু না পেলে হাজ্জ চলাকালীন সময়ে তিনদিন এবং বাড়িতে ফেরার পর সাতদিন সওম পালন করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় পৌঁছে প্রথমে রুকনে (হাজারে আসওয়াদ) স্পর্শ করলেন, অতঃপর বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ করলেন- তিন চক্কর সামান্য দ্রুতগতিতে এবং চার চক্কর ধীরগতিতে। বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ সমাপ্ত করে তিনি মাক্বামে ইব্রাহীমের নিকট দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরিয়ে সলাত শেষ করলেন। অতঃপর তিনি সাফা পাহাড়ে এলেন এবং সাফা-মারওয়াহ্ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাতবার সা’ঈ করলেন। এরপর তিনি কোন জিনিস হালাল করেননি- যা হারাম হয়েছিল (ইহরামের কারণে অর্থাৎ তিনি ইহরামমুক্ত হননি) যে পর্যন্ত না হাজ্জ সমাপন করেন এবং কুরবানীর দিন নিজের পশু কুরবানী না করেন এবং কা’বাহ্ ঘর-এর ত্বওয়াফ করেছেন। অতঃপর যে সব জিনিস হারাম ছিল, তা তাঁর জন্য হালাল হয়ে গেল (অর্থাৎ তিনি ইহরাম খুললেন) আর যেসব লোক সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছিল, তারাও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ করেছিল। (ই.ফা. ২৮৪৮, ই.সে. ২৮৪৭)
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، أن عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال تمتع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بالعمرة إلى الحج وأهدى فساق معه الهدى من ذي الحليفة وبدأ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بالعمرة ثم أهل بالحج وتمتع الناس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعمرة إلى الحج فكان من الناس من أهدى فساق الهدى ومنهم من لم يهد فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قال للناس " من كان منكم أهدى فإنه لا يحل من شىء حرم منه حتى يقضي حجه ومن لم يكن منكم أهدى فليطف بالبيت وبالصفا والمروة وليقصر وليحلل ثم ليهل بالحج وليهد فمن لم يجد هديا فليصم ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع إلى أهله " . وطاف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قدم مكة فاستلم الركن أول شىء ثم خب ثلاثة أطواف من السبع ومشى أربعة أطواف ثم ركع - حين قضى طوافه بالبيت عند المقام - ركعتين ثم سلم فانصرف فأتى الصفا فطاف بالصفا والمروة سبعة أطواف ثم لم يحلل من شىء حرم منه حتى قضى حجه ونحر هديه يوم النحر وأفاض فطاف بالبيت ثم حل من كل شىء حرم منه وفعل مثل ما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهدى وساق الهدى من الناس .
সহিহ মুসলিম > ক্বিরান হাজ্জ সমাপনকারী ইফরাদ হাজ্জ সম্পাদনকারীর সাথেই ইহরাম খুলতে পারবে, তার আগে নয়
সহিহ মুসলিম ২৮৭৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن حفصة، - رضى الله عنها - قالت يا رسول الله . بمثل حديث مالك " فلا أحل حتى أنحر " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাফ্সাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল!... মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ-কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (ই.ফা. ২৮৫৩, ই.সে. ২৮৫২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাফ্সাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল!... মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ-কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (ই.ফা. ২৮৫৩, ই.সে. ২৮৫২)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن حفصة، - رضى الله عنها - قالت يا رسول الله . بمثل حديث مالك " فلا أحل حتى أنحر " .
সহিহ মুসলিম ২৮৭৪
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أن حفصة، - رضى الله عنهم - زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت من عمرتك قال " إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী হাফসাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরামমুক্ত হল অথচ আপনি ‘উমরাহ্ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি আমার মাথার চুল জমাট করেছি এবং কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি। অতএব আমি কুরবানী না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারি না। (ই.ফা. ২৮৫০, ই.সে. ২৮৪৯)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী হাফসাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরামমুক্ত হল অথচ আপনি ‘উমরাহ্ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি আমার মাথার চুল জমাট করেছি এবং কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি। অতএব আমি কুরবানী না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারি না। (ই.ফা. ২৮৫০, ই.সে. ২৮৪৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أن حفصة، - رضى الله عنهم - زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت من عمرتك قال " إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر " .
সহিহ মুসলিম ২৮৭৬
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، - رضى الله عنهم - قالت قلت للنبي صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحل من عمرتك قال " إني قلدت هديي ولبدت رأسي فلا أحل حتى أحل من الحج " .
হাফ্সাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরাম খুলেছে অথচ আপনি ‘উমরাহ্ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি এবং মাথার চুল জমাট করেছি। অতএব হাজ্জের যাবতীয় অনুষ্ঠান শেষ না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারব না। (ই.ফা. ২৮৫২, ই.সে. ২৮৫১)
হাফ্সাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরাম খুলেছে অথচ আপনি ‘উমরাহ্ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি এবং মাথার চুল জমাট করেছি। অতএব হাজ্জের যাবতীয় অনুষ্ঠান শেষ না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারব না। (ই.ফা. ২৮৫২, ই.সে. ২৮৫১)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، - رضى الله عنهم - قالت قلت للنبي صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحل من عمرتك قال " إني قلدت هديي ولبدت رأسي فلا أحل حتى أحل من الحج " .
সহিহ মুসলিম ২৮৭৮
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا هشام بن سليمان المخزومي، وعبد المجيد، عن ابن جريج، عن نافع، عن ابن عمر، قال حدثتني حفصة، - رضى الله عنها - أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر أزواجه أن يحللن عام حجة الوداع . قالت حفصة فقلت ما يمنعك أن تحل قال " إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر هديي " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাফ্সাহ্ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জের দিন তাঁর স্ত্রীদের (‘উমরাহ্ সমাপনের পর) নির্দেশ দিলেন তারা যেন ইহরাম খুলেন। হাফ্সাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনাকে ইহরাম খুলতে কিসে বাধা দিচ্ছে? তিনি বললেন, আমি মাথার চুল আঠালো করেছি এবং সাথে কুরবানীর পশু এনেছি। অতএব পশু কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারি না। (ই.ফা. ২৮৫৪, ই.সে. ২৮৫৩)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাফ্সাহ্ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জের দিন তাঁর স্ত্রীদের (‘উমরাহ্ সমাপনের পর) নির্দেশ দিলেন তারা যেন ইহরাম খুলেন। হাফ্সাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনাকে ইহরাম খুলতে কিসে বাধা দিচ্ছে? তিনি বললেন, আমি মাথার চুল আঠালো করেছি এবং সাথে কুরবানীর পশু এনেছি। অতএব পশু কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারি না। (ই.ফা. ২৮৫৪, ই.সে. ২৮৫৩)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا هشام بن سليمان المخزومي، وعبد المجيد، عن ابن جريج، عن نافع، عن ابن عمر، قال حدثتني حفصة، - رضى الله عنها - أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر أزواجه أن يحللن عام حجة الوداع . قالت حفصة فقلت ما يمنعك أن تحل قال " إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر هديي " .
সহিহ মুসলিম ২৮৭৫
وحدثناه ابن نمير، حدثنا خالد بن مخلد، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، - رضى الله عنهم - قالت قلت يا رسول الله ما لك لم تحل بنحوه .
হাফ্সাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, আপনি ইহরাম খুলেননি?... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৮৫১, ই.সে. ২৮৫০)
হাফ্সাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, আপনি ইহরাম খুলেননি?... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২৮৫১, ই.সে. ২৮৫০)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا خالد بن مخلد، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، - رضى الله عنهم - قالت قلت يا رسول الله ما لك لم تحل بنحوه .
সহিহ মুসলিম > বাধাপ্রাপ্ত হলে হালাল হওয়ার বৈধতা এং হাজ্জে ক্বিরান বৈধ হওয়ার বিবরণ
সহিহ মুসলিম ২৮৮১
وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، قال أراد ابن عمر الحج حين نزل الحجاج بابن الزبير . واقتص الحديث بمثل هذه القصة وقال في آخر الحديث وكان يقول من جمع بين الحج والعمرة كفاه طواف واحد ولم يحل حتى يحل منهما جميعا .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাজ্জাজ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হ’ল- ঐ বছর ‘উমার (রাঃ) হাজ্জের সংকল্প করলেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সূত্রে হাদীসের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, “তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি হাজ্জ ও ‘উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধল, তার জন্য এক ত্বওয়াফই (সাত চক্কর) যথেষ্ট এবং উভয়ের অনুষ্ঠান সমাপ্ত না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলবে না। (ই.ফা. ২৮৫৭, ই.সে. ২৮৫৬)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাজ্জাজ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হ’ল- ঐ বছর ‘উমার (রাঃ) হাজ্জের সংকল্প করলেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সূত্রে হাদীসের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, “তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি হাজ্জ ও ‘উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধল, তার জন্য এক ত্বওয়াফই (সাত চক্কর) যথেষ্ট এবং উভয়ের অনুষ্ঠান সমাপ্ত না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলবে না। (ই.ফা. ২৮৫৭, ই.সে. ২৮৫৬)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، قال أراد ابن عمر الحج حين نزل الحجاج بابن الزبير . واقتص الحديث بمثل هذه القصة وقال في آخر الحديث وكان يقول من جمع بين الحج والعمرة كفاه طواف واحد ولم يحل حتى يحل منهما جميعا .
সহিহ মুসলিম ২৮৭৯
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا هشام بن سليمان المخزومي، وعبد المجيد، عن ابن جريج، عن نافع، عن ابن عمر، قال حدثتني حفصة، - رضى الله عنها - أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر أزواجه أن يحللن عام حجة الوداع . قالت حفصة فقلت ما يمنعك أن تحل قال " إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر هديي " .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাঙ্গামা [হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যকার সংঘাত] চলাকালীন সময়ে ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ পৌঁছতে আমরা যদি বাধাপ্রাপ্ত হই তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যেরূপ করেছিলাম, এখনও তদ্রূপ করব। অতএব তিনি রওনা হলেন এবং ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন, তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন; যতক্ষণ না আল বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন। এখানে তিনি নিজের সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের নিয়ম একই। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি নিজের জন্য হাজ্জকে ‘উমরার সাথে বাধ্যতামূলক করলাম। (রাবী বলেন) অতএব তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌঁছলেন, সাতবার ত্বওয়াফ করলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং নিজের (হাজ্জ ও ‘উমরার) জন্য এটাই (এক ত্বওয়াফ ও এক সা’ঈ) যথেষ্ট বিবেচনা করলেন এবং কুরবানী করলেন। (ই.ফা. ২৮৫৫, ই.সে. ২৮৫৪)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাঙ্গামা [হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যকার সংঘাত] চলাকালীন সময়ে ‘উমরাহ্ করার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ পৌঁছতে আমরা যদি বাধাপ্রাপ্ত হই তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যেরূপ করেছিলাম, এখনও তদ্রূপ করব। অতএব তিনি রওনা হলেন এবং ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন, তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন; যতক্ষণ না আল বায়দা নামক স্থানে পৌঁছলেন। এখানে তিনি নিজের সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের নিয়ম একই। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি নিজের জন্য হাজ্জকে ‘উমরার সাথে বাধ্যতামূলক করলাম। (রাবী বলেন) অতএব তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌঁছলেন, সাতবার ত্বওয়াফ করলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং নিজের (হাজ্জ ও ‘উমরার) জন্য এটাই (এক ত্বওয়াফ ও এক সা’ঈ) যথেষ্ট বিবেচনা করলেন এবং কুরবানী করলেন। (ই.ফা. ২৮৫৫, ই.সে. ২৮৫৪)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا هشام بن سليمان المخزومي، وعبد المجيد، عن ابن جريج، عن نافع، عن ابن عمر، قال حدثتني حفصة، - رضى الله عنها - أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر أزواجه أن يحللن عام حجة الوداع . قالت حفصة فقلت ما يمنعك أن تحل قال " إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر هديي " .
সহিহ মুসলিম ২৮৮০
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، حدثني نافع، أن عبد الله بن عبد الله، وسالم بن عبد الله، كلما عبد الله حين نزل الحجاج لقتال ابن الزبير قالا لا يضرك أن لا تحج العام فإنا نخشى أن يكون بين الناس قتال يحال بينك وبين البيت قال فإن حيل بيني وبينه فعلت كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا معه حين حالت كفار قريش بينه وبين البيت أشهدكم أني قد أوجبت عمرة . فانطلق حتى أتى ذا الحليفة فلبى بالعمرة ثم قال إن خلي سبيلي قضيت عمرتي وإن حيل بيني وبينه فعلت كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا معه . ثم تلا { لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة} ثم سار حتى إذا كان بظهر البيداء قال ما أمرهما إلا واحد إن حيل بيني وبين العمرة حيل بيني وبين الحج أشهدكم أني قد أوجبت حجة مع عمرة . فانطلق حتى ابتاع بقديد هديا ثم طاف لهما طوافا واحدا بالبيت وبين الصفا والمروة ثم لم يحل منهما حتى حل منهما بحجة يوم النحر .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এবং সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ উভয়ে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে কথা বললেন- যে বছর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এসেছিল। তারা উভয়ে বললেন, এ বছর হাজ্জ না করলে আপনার কী ক্ষতি আছে? কারণ আমাদের আশংকা হচ্ছে- গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং আপনি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে পারবেন না। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি তা আমার ও বায়তুল্লাহ-এর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়ও তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। কুরায়শ কাফিররা যখন তাঁর ও বায়তুল্লাহ্র মাঝে প্রতিবন্ধক হয়েছিল, এ সময় আমি তাঁর সঙ্গে ছিলাম। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি ‘উমরার নিয়্যত করলাম। অতঃপর তিনি রওনা হয়ে যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে পৌঁছে ‘উমরার জন্য তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, যদি আমার পথ উন্মুক্ত থাকে, তবে আমি ‘উমরাহ্ পূর্ণ করব। আর যদি আমার ও বায়তুল্লাহ-এর মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন আমিও তাই করব। সে সময় আমি তাঁর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন : “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩ : ২১)। তিনি আবার চলতে লাগলেন, যতক্ষণ না বায়দা নামক স্থানের উপকণ্ঠে পৌঁছলেন। এখানে পৌঁছে তিনি বললেনঃ হাজ্জ ও ‘উমরার বিধান একই। যদি আমার এবং ‘উমরার মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে আমার এবং হাজ্জের মাঝেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি আমার ‘উমরার সাথে হাজ্জকেও বাধ্যতামূলক করে নিলাম। অতঃপর তিনি অগ্রসর হলেন এবং কুদায়দ নামক স্থানে পৌঁছে কুরবানীর পশু ক্রয় করলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের জন্য এক ত্বওয়াফ (সাত চক্কর) ও এক সা’ঈ (সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার দৌড়) করলেন এবং ইহরাম খুললেন না, বরং হাজ্জ সমাপন করে কুরবানীর দিন উভয়ের ইহরাম খুললেন। (ই.ফা. ২৮৫৬, ই.সে. ২৮৫৫)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এবং সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ উভয়ে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে কথা বললেন- যে বছর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এসেছিল। তারা উভয়ে বললেন, এ বছর হাজ্জ না করলে আপনার কী ক্ষতি আছে? কারণ আমাদের আশংকা হচ্ছে- গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং আপনি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছতে পারবেন না। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি তা আমার ও বায়তুল্লাহ-এর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়ও তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। কুরায়শ কাফিররা যখন তাঁর ও বায়তুল্লাহ্র মাঝে প্রতিবন্ধক হয়েছিল, এ সময় আমি তাঁর সঙ্গে ছিলাম। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি ‘উমরার নিয়্যত করলাম। অতঃপর তিনি রওনা হয়ে যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে পৌঁছে ‘উমরার জন্য তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, যদি আমার পথ উন্মুক্ত থাকে, তবে আমি ‘উমরাহ্ পূর্ণ করব। আর যদি আমার ও বায়তুল্লাহ-এর মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন আমিও তাই করব। সে সময় আমি তাঁর সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন : “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”-(সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩ : ২১)। তিনি আবার চলতে লাগলেন, যতক্ষণ না বায়দা নামক স্থানের উপকণ্ঠে পৌঁছলেন। এখানে পৌঁছে তিনি বললেনঃ হাজ্জ ও ‘উমরার বিধান একই। যদি আমার এবং ‘উমরার মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে আমার এবং হাজ্জের মাঝেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি আমার ‘উমরার সাথে হাজ্জকেও বাধ্যতামূলক করে নিলাম। অতঃপর তিনি অগ্রসর হলেন এবং কুদায়দ নামক স্থানে পৌঁছে কুরবানীর পশু ক্রয় করলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ উভয়ের জন্য এক ত্বওয়াফ (সাত চক্কর) ও এক সা’ঈ (সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার দৌড়) করলেন এবং ইহরাম খুললেন না, বরং হাজ্জ সমাপন করে কুরবানীর দিন উভয়ের ইহরাম খুললেন। (ই.ফা. ২৮৫৬, ই.সে. ২৮৫৫)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، حدثني نافع، أن عبد الله بن عبد الله، وسالم بن عبد الله، كلما عبد الله حين نزل الحجاج لقتال ابن الزبير قالا لا يضرك أن لا تحج العام فإنا نخشى أن يكون بين الناس قتال يحال بينك وبين البيت قال فإن حيل بيني وبينه فعلت كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا معه حين حالت كفار قريش بينه وبين البيت أشهدكم أني قد أوجبت عمرة . فانطلق حتى أتى ذا الحليفة فلبى بالعمرة ثم قال إن خلي سبيلي قضيت عمرتي وإن حيل بيني وبينه فعلت كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا معه . ثم تلا { لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة} ثم سار حتى إذا كان بظهر البيداء قال ما أمرهما إلا واحد إن حيل بيني وبين العمرة حيل بيني وبين الحج أشهدكم أني قد أوجبت حجة مع عمرة . فانطلق حتى ابتاع بقديد هديا ثم طاف لهما طوافا واحدا بالبيت وبين الصفا والمروة ثم لم يحل منهما حتى حل منهما بحجة يوم النحر .
সহিহ মুসলিম ২৮৮২
وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، - واللفظ له - حدثنا ليث، عن نافع، أن ابن عمر، أراد الحج عام نزل الحجاج بابن الزبير فقيل له إن الناس كائن بينهم قتال وإنا نخاف أن يصدوك فقال لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة أصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أشهدكم أني قد أوجبت عمرة . ثم خرج حتى كان بظاهر البيداء قال ما شأن الحج والعمرة إلا واحد اشهدوا - قال ابن رمح أشهدكم - أني قد أوجبت حجا مع عمرتي . وأهدى هديا اشتراه بقديد ثم انطلق يهل بهما جميعا حتى قدم مكة فطاف بالبيت وبالصفا والمروة ولم يزد على ذلك ولم ينحر ولم يحلق ولم يقصر ولم يحلل من شىء حرم منه حتى كان يوم النحر فنحر وحلق ورأى أن قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الأول . وقال ابن عمر كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم .
নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হ’ল- সে বছর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজ্জে যাবার সংকল্প করলেন। তাকে বলা হ’ল, লোকদের মধ্যে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আমাদের আশংকা হচ্ছে- তারা আপনাকে বাধা দিবে। তিনি বললেন, “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”- (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩ : ২১)। এরূপ পরিস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন, আমিও অনুরূপ করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, নিশ্চয়ই আমি ‘উমরার সংকল্প করেছি। অতঃপর তিনি রওনা হলেন। অবশেষে যখন আল বায়দার উপকণ্ঠে পৌঁছলেন তখন তিনি বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরার অবস্থা একই, তোমরা সাক্ষী থাক। ইবনু রুম্হের বর্ণনায় আছে : আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি নিশ্চয়ই আমার ‘উমরার সাথে হাজ্জ অনিবার্য করে নিলাম। অতঃপর তিনি কুরবানীর পশু সঙ্গে নিলেন যা তিনি কুদায়দ নামক স্থানে ক্রয় করেছিলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও ‘উমরার একত্রে ইহরাম বেঁধে অগ্রসর হলেন। অবশেষে মাক্কায় পৌঁছে তিনি বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করলেন না। তিনি কুরবানীও করেননি। মাথা মুণ্ডান বা চুল ছাঁটেননি এবং (ইহরামের কারণে) যা কিছু তার জন্য হারাম হয়েছিল, তার কোনটি হালাল করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন ও মাথা কামালেন এবং তার মত অনুযায়ী তিন তার প্রথম ত্বওয়াফ দ্বারাই হাজ্জ ও ‘উমরার ত্বওয়াফ সম্পাদন করে ফেলেছেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ২৮৫৮, ই.সে. ২৮৫৭)
নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হ’ল- সে বছর ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজ্জে যাবার সংকল্প করলেন। তাকে বলা হ’ল, লোকদের মধ্যে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আমাদের আশংকা হচ্ছে- তারা আপনাকে বাধা দিবে। তিনি বললেন, “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”- (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩ : ২১)। এরূপ পরিস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করেছেন, আমিও অনুরূপ করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, নিশ্চয়ই আমি ‘উমরার সংকল্প করেছি। অতঃপর তিনি রওনা হলেন। অবশেষে যখন আল বায়দার উপকণ্ঠে পৌঁছলেন তখন তিনি বললেন, হাজ্জ ও ‘উমরার অবস্থা একই, তোমরা সাক্ষী থাক। ইবনু রুম্হের বর্ণনায় আছে : আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি নিশ্চয়ই আমার ‘উমরার সাথে হাজ্জ অনিবার্য করে নিলাম। অতঃপর তিনি কুরবানীর পশু সঙ্গে নিলেন যা তিনি কুদায়দ নামক স্থানে ক্রয় করেছিলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও ‘উমরার একত্রে ইহরাম বেঁধে অগ্রসর হলেন। অবশেষে মাক্কায় পৌঁছে তিনি বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সা’ঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করলেন না। তিনি কুরবানীও করেননি। মাথা মুণ্ডান বা চুল ছাঁটেননি এবং (ইহরামের কারণে) যা কিছু তার জন্য হারাম হয়েছিল, তার কোনটি হালাল করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন ও মাথা কামালেন এবং তার মত অনুযায়ী তিন তার প্রথম ত্বওয়াফ দ্বারাই হাজ্জ ও ‘উমরার ত্বওয়াফ সম্পাদন করে ফেলেছেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ২৮৫৮, ই.সে. ২৮৫৭)
وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، - واللفظ له - حدثنا ليث، عن نافع، أن ابن عمر، أراد الحج عام نزل الحجاج بابن الزبير فقيل له إن الناس كائن بينهم قتال وإنا نخاف أن يصدوك فقال لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة أصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أشهدكم أني قد أوجبت عمرة . ثم خرج حتى كان بظاهر البيداء قال ما شأن الحج والعمرة إلا واحد اشهدوا - قال ابن رمح أشهدكم - أني قد أوجبت حجا مع عمرتي . وأهدى هديا اشتراه بقديد ثم انطلق يهل بهما جميعا حتى قدم مكة فطاف بالبيت وبالصفا والمروة ولم يزد على ذلك ولم ينحر ولم يحلق ولم يقصر ولم يحلل من شىء حرم منه حتى كان يوم النحر فنحر وحلق ورأى أن قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الأول . وقال ابن عمر كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ২৮৮৩
حدثنا أبو الربيع الزهراني، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، ح وحدثني زهير بن، حرب حدثني إسماعيل، كلاهما عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، . بهذه القصة . ولم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم إلا في أول الحديث حين قيل له يصدوك عن البيت . قال إذا أفعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر في آخر الحديث هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم . كما ذكره الليث .
নাফি’ সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেন। তবে এ সূত্রে হাদীসের প্রথমাংশে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উল্লেখ করেছেন- যখন তাকে বলা হ’ল, আপনি বায়তুল্লাহ এ পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হবেন। তখন তিনি বললেন, তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। তিনি হাদীসের শেষে উল্লেখ করেননি যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন”-যেমন লায়স (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৫৯, ই.সে. ২৮৫৮)
নাফি’ সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেন। তবে এ সূত্রে হাদীসের প্রথমাংশে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উল্লেখ করেছেন- যখন তাকে বলা হ’ল, আপনি বায়তুল্লাহ এ পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হবেন। তখন তিনি বললেন, তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। তিনি হাদীসের শেষে উল্লেখ করেননি যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন”-যেমন লায়স (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে। (ই.ফা. ২৮৫৯, ই.সে. ২৮৫৮)
حدثنا أبو الربيع الزهراني، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، ح وحدثني زهير بن، حرب حدثني إسماعيل، كلاهما عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، . بهذه القصة . ولم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم إلا في أول الحديث حين قيل له يصدوك عن البيت . قال إذا أفعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر في آخر الحديث هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم . كما ذكره الليث .