সহিহ মুসলিম > কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ
সহিহ মুসলিম ২৭৬৮
حدثني علي بن حجر السعدي، وزهير بن حرب، ويعقوب بن إبراهيم، جميعا عن ابن علية، عن أيوب، في هذا الإسناد . بمثله .
আইয়ূব (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৭৪৫, ই.সে. ২৭৪৩)
আইয়ূব (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৭৪৫, ই.সে. ২৭৪৩)
حدثني علي بن حجر السعدي، وزهير بن حرب، ويعقوب بن إبراهيم، جميعا عن ابن علية، عن أيوب، في هذا الإسناد . بمثله .
সহিহ মুসলিম ২৭৬৯
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، عن مجاهد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - قال في أنزلت هذه الآية { فمن كان منكم مريضا أو به أذى من رأسه ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} قال فأتيته فقال " ادنه " . فدنوت فقال " ادنه " . فدنوت . فقال صلى الله عليه وسلم " أيؤذيك هوامك " . قال ابن عون وأظنه قال نعم . قال فأمرني بفدية من صيام أو صدقة أو نسك ما تيسر .
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে এবং এ কারণে সে মাথা মুড়িয়ে ফেলে, তবে তাকে ফিদ্ইয়্যাহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে অথবা সদাক্বাহ্ দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে”- (সূরাহ আল বাকারাঃ ১৯৬)। রাবী বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এলাম এবং তিনি বললেন, আরও নিকটে আসো। অতএব আমি নিকটবর্তী হলাম এবং তিনি বললেন, পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? ইবনু ‘আওন (রহঃ) (নিজস্ব সূত্র পরম্পরায়) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন, হ্যাঁ। কা‘ব (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সওম অথবা সদাক্বাহ্ কর ছয়জন মিসকীনের মাঝে এক ফারাক্ব (তিন সা’) পরিমাণ, অথবা সহজলভ্য হলে কুরবানীর মাধ্যমে ফিদ্ইয়্যাহ্ আদায়ের নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৭৪৬, ই.সে. ২৭৪৪)
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে এবং এ কারণে সে মাথা মুড়িয়ে ফেলে, তবে তাকে ফিদ্ইয়্যাহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে অথবা সদাক্বাহ্ দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে”- (সূরাহ আল বাকারাঃ ১৯৬)। রাবী বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এলাম এবং তিনি বললেন, আরও নিকটে আসো। অতএব আমি নিকটবর্তী হলাম এবং তিনি বললেন, পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? ইবনু ‘আওন (রহঃ) (নিজস্ব সূত্র পরম্পরায়) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন, হ্যাঁ। কা‘ব (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সওম অথবা সদাক্বাহ্ কর ছয়জন মিসকীনের মাঝে এক ফারাক্ব (তিন সা’) পরিমাণ, অথবা সহজলভ্য হলে কুরবানীর মাধ্যমে ফিদ্ইয়্যাহ্ আদায়ের নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৭৪৬, ই.সে. ২৭৪৪)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، عن مجاهد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - قال في أنزلت هذه الآية { فمن كان منكم مريضا أو به أذى من رأسه ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} قال فأتيته فقال " ادنه " . فدنوت فقال " ادنه " . فدنوت . فقال صلى الله عليه وسلم " أيؤذيك هوامك " . قال ابن عون وأظنه قال نعم . قال فأمرني بفدية من صيام أو صدقة أو نسك ما تيسر .
সহিহ মুসলিম ২৭৭০
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سيف، قال سمعت مجاهدا، يقول حدثني عبد، الرحمن بن أبي ليلى حدثني كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقف عليه ورأسه يتهافت قملا فقال " أيؤذيك هوامك " . قلت نعم . قال " فاحلق رأسك " . قال ففي نزلت هذه الآية { فمن كان منكم مريضا أو به أذى من رأسه ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " صم ثلاثة أيام أو تصدق بفرق بين ستة مساكين أو انسك ما تيسر " .
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট দাঁড়ালেন এবং তখন তার মাথা থেকে উকুন ঝরে পরছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তোমার মাথা কামিয়ে ফেল। রাবী বলেন, অতএব আমার সম্পর্কে এ নাযিল হয়ঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে (এবং এ কারণে মাথা মুড়িয়ে ফেলবে) তবে তাকে ফিদ্ইয়্যাহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে অথবা সদাক্বাহ্ দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে”- (সূরাহ্ আল বাকারা ২:১৯৬)। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর অথবা এক ফারাক্ব (তিন সা’) খাদ্য ছয়জন মিসকিনকে দান কর অথবা করবানী কর- যা সহজলভ্য হয়। (ই.ফা. ২৭৪৭, ই.সে. ২৭৪৫)
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট দাঁড়ালেন এবং তখন তার মাথা থেকে উকুন ঝরে পরছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তোমার মাথা কামিয়ে ফেল। রাবী বলেন, অতএব আমার সম্পর্কে এ নাযিল হয়ঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে (এবং এ কারণে মাথা মুড়িয়ে ফেলবে) তবে তাকে ফিদ্ইয়্যাহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে অথবা সদাক্বাহ্ দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে”- (সূরাহ্ আল বাকারা ২:১৯৬)। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর অথবা এক ফারাক্ব (তিন সা’) খাদ্য ছয়জন মিসকিনকে দান কর অথবা করবানী কর- যা সহজলভ্য হয়। (ই.ফা. ২৭৪৭, ই.সে. ২৭৪৫)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سيف، قال سمعت مجاهدا، يقول حدثني عبد، الرحمن بن أبي ليلى حدثني كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقف عليه ورأسه يتهافت قملا فقال " أيؤذيك هوامك " . قلت نعم . قال " فاحلق رأسك " . قال ففي نزلت هذه الآية { فمن كان منكم مريضا أو به أذى من رأسه ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " صم ثلاثة أيام أو تصدق بفرق بين ستة مساكين أو انسك ما تيسر " .
সহিহ মুসলিম ২৭৬৭
وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن أيوب، ح وحدثني أبو الربيع، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، قال سمعت مجاهدا، يحدث عن عبد الرحمن، بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - قال أتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية وأنا أوقد تحت - قال القواريري قدر لي . وقال أبو الربيع برمة لي - والقمل يتناثر على وجهي فقال " أيؤذيك هوام رأسك " . قال قلت نعم . قال " فاحلق وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك نسيكة " . قال أيوب فلا أدري بأى ذلك بدأ .
কা‘ব ইবনু 'উজরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুদায়বিয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এলেন এবং আমি তখন চুলায় আমার হাঁড়ি বা পাতিলের নীচে আগুন জ্বালাচ্ছিলাম-আর উকুন আমার চেহারার উপর গড়িয়ে পড়ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মাথার পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যা। তিনি বললেন, তাহলে মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকিনকে আহার করাও অথবা একটি কুরবানী কর। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, আমার মনে নেই তিনি (মুজাহিদ) কোন্ শব্দটি আগে বলেছেন। (ই.ফা. ২৭৪৪, ই.সে.২৭৪২)
কা‘ব ইবনু 'উজরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুদায়বিয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এলেন এবং আমি তখন চুলায় আমার হাঁড়ি বা পাতিলের নীচে আগুন জ্বালাচ্ছিলাম-আর উকুন আমার চেহারার উপর গড়িয়ে পড়ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মাথার পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যা। তিনি বললেন, তাহলে মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকিনকে আহার করাও অথবা একটি কুরবানী কর। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, আমার মনে নেই তিনি (মুজাহিদ) কোন্ শব্দটি আগে বলেছেন। (ই.ফা. ২৭৪৪, ই.সে.২৭৪২)
وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن أيوب، ح وحدثني أبو الربيع، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، قال سمعت مجاهدا، يحدث عن عبد الرحمن، بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - قال أتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية وأنا أوقد تحت - قال القواريري قدر لي . وقال أبو الربيع برمة لي - والقمل يتناثر على وجهي فقال " أيؤذيك هوام رأسك " . قال قلت نعم . قال " فاحلق وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك نسيكة " . قال أيوب فلا أدري بأى ذلك بدأ .
সহিহ মুসলিম ২৭৭২
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر به زمن الحديبية فقال له " آذاك هوام رأسك " . قال نعم . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " احلق رأسك ثم اذبح شاة نسكا أو صم ثلاثة أيام أو أطعم ثلاثة آصع من تمر على ستة مساكين " .
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ায় তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, পোকাগুলো কি তোমার মাথায় উপদ্রব করছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, মাথা মুড়িয়ে ফেল। অতঃপর একটি বকরী কুরবানী কর অথবা তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকিনকে তিন সা’ খেজুর খেতে দাও। (ই.ফা. ২৭৪৯, ই.সে. ২৭৪৭)
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ায় তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, পোকাগুলো কি তোমার মাথায় উপদ্রব করছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, মাথা মুড়িয়ে ফেল। অতঃপর একটি বকরী কুরবানী কর অথবা তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকিনকে তিন সা’ খেজুর খেতে দাও। (ই.ফা. ২৭৪৯, ই.সে. ২৭৪৭)
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر به زمن الحديبية فقال له " آذاك هوام رأسك " . قال نعم . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " احلق رأسك ثم اذبح شاة نسكا أو صم ثلاثة أيام أو أطعم ثلاثة آصع من تمر على ستة مساكين " .
সহিহ মুসলিম ২৭৭১
وحدثنا محمد بن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، وأيوب، وحميد، وعبد، الكريم عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - أن النبي صلى الله عليه وسلم مر به وهو بالحديبية قبل أن يدخل مكة وهو محرم وهو يوقد تحت قدر والقمل يتهافت على وجهه فقال " أيؤذيك هوامك هذه " . قال نعم . قال " فاحلق رأسك وأطعم فرقا بين ستة مساكين - والفرق ثلاثة آصع - أو صم ثلاثة أيام أو انسك نسيكة " . قال ابن أبي نجيح " أو اذبح شاة " .
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ায় তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন- মাক্কায় প্রবেশের পূর্বে- তিনি যখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন এবং নিজের হাঁড়ির নিচে আগুন জ্বালাচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তার (মাথা থেকে) মুখমণ্ডলে উকুন ঝরে পড়ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ বললেন, তাহলে তোমার মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং ছয়জন মিসকিনকে এক ফারাক খাদ্য দান কর (এক ফারাক্ব-এ তিন সা’), অথবা তিনদিন সওম পালন কর অথবা একটি কুরবানী কর। ইবনু আবূ নাজীহ-এর বর্ণনায় আছে, “অথবা একটি বকরী কুরবানী কর।” (ই.ফা. ২৭৪৮, ই.সে. ২৭৪৬)
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ায় তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন- মাক্কায় প্রবেশের পূর্বে- তিনি যখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন এবং নিজের হাঁড়ির নিচে আগুন জ্বালাচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তার (মাথা থেকে) মুখমণ্ডলে উকুন ঝরে পড়ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ বললেন, তাহলে তোমার মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং ছয়জন মিসকিনকে এক ফারাক খাদ্য দান কর (এক ফারাক্ব-এ তিন সা’), অথবা তিনদিন সওম পালন কর অথবা একটি কুরবানী কর। ইবনু আবূ নাজীহ-এর বর্ণনায় আছে, “অথবা একটি বকরী কুরবানী কর।” (ই.ফা. ২৭৪৮, ই.সে. ২৭৪৬)
وحدثنا محمد بن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، وأيوب، وحميد، وعبد، الكريم عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - أن النبي صلى الله عليه وسلم مر به وهو بالحديبية قبل أن يدخل مكة وهو محرم وهو يوقد تحت قدر والقمل يتهافت على وجهه فقال " أيؤذيك هوامك هذه " . قال نعم . قال " فاحلق رأسك وأطعم فرقا بين ستة مساكين - والفرق ثلاثة آصع - أو صم ثلاثة أيام أو انسك نسيكة " . قال ابن أبي نجيح " أو اذبح شاة " .
সহিহ মুসলিম ২৭৭৩
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن عبد الله بن معقل، قال قعدت إلى كعب - رضى الله عنه - وهو في المسجد فسألته عن هذه الآية { ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} فقال كعب رضى الله عنه نزلت في كان بي أذى من رأسي فحملت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم والقمل يتناثر على وجهي فقال " ما كنت أرى أن الجهد بلغ منك ما أرى أتجد شاة " . فقلت لا فنزلت هذه الآية { ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} قال صوم ثلاثة أيام أو إطعام ستة مساكين نصف صاع طعاما لكل مسكين - قال - فنزلت في خاصة وهى لكم عامة .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মা‘ক্বিল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাসজিদে কা‘ব ইবনু ‘উজ্রাহ্ (রাঃ)-এর নিকট বসলাম। অতঃপর আমি তাকে এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, “ফিদ্ইয়াহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে অথবা সদক্বাহ্ দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে।” কা‘ব (রাঃ) বললেন, তা আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। আমার মাথায় কিছু কষ্ট ছিল। অতঃপর আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাওয়া হল এবং তখন আমার মুখমণ্ডলে উকুন গড়িয়ে পড়ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি যা দেখছি তাতে মনে হয় যে, তোমার অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে। তুমি কি একটি বকরী সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে? আমি বললাম, না। তখন আয়াত নাযিল হয়, “ফিদ্ইয়াহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে, সদাক্বাহ্ করতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে।” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে অর্ধ সা‘ করে খাদ্য দান কর। কা‘ব (রাঃ) বলেন, আয়াতটি বিশেষভাবে আমার প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছে কিন্তু এর নির্দেশ সাধারণভাবে তোমাদের সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। (ই.ফা. ২৭৫০, ই.সে. ২৭৪৮)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মা‘ক্বিল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাসজিদে কা‘ব ইবনু ‘উজ্রাহ্ (রাঃ)-এর নিকট বসলাম। অতঃপর আমি তাকে এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, “ফিদ্ইয়াহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে অথবা সদক্বাহ্ দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে।” কা‘ব (রাঃ) বললেন, তা আমার সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। আমার মাথায় কিছু কষ্ট ছিল। অতঃপর আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে যাওয়া হল এবং তখন আমার মুখমণ্ডলে উকুন গড়িয়ে পড়ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি যা দেখছি তাতে মনে হয় যে, তোমার অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে। তুমি কি একটি বকরী সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে? আমি বললাম, না। তখন আয়াত নাযিল হয়, “ফিদ্ইয়াহ্ হিসেবে সওম পালন করতে হবে, সদাক্বাহ্ করতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে।” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে অর্ধ সা‘ করে খাদ্য দান কর। কা‘ব (রাঃ) বলেন, আয়াতটি বিশেষভাবে আমার প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছে কিন্তু এর নির্দেশ সাধারণভাবে তোমাদের সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। (ই.ফা. ২৭৫০, ই.সে. ২৭৪৮)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن عبد الله بن معقل، قال قعدت إلى كعب - رضى الله عنه - وهو في المسجد فسألته عن هذه الآية { ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} فقال كعب رضى الله عنه نزلت في كان بي أذى من رأسي فحملت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم والقمل يتناثر على وجهي فقال " ما كنت أرى أن الجهد بلغ منك ما أرى أتجد شاة " . فقلت لا فنزلت هذه الآية { ففدية من صيام أو صدقة أو نسك} قال صوم ثلاثة أيام أو إطعام ستة مساكين نصف صاع طعاما لكل مسكين - قال - فنزلت في خاصة وهى لكم عامة .
সহিহ মুসলিম ২৭৭৪
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن زكرياء بن أبي زائدة، حدثنا عبد الرحمن بن الأصبهاني، حدثني عبد الله بن معقل، حدثني كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - أنه خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم محرما فقمل رأسه ولحيته فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فأرسل إليه فدعا الحلاق فحلق رأسه ثم قال له " هل عندك نسك " . قال ما أقدر عليه . فأمره أن يصوم ثلاثة أيام أو يطعم ستة مساكين لكل مسكينين صاع فأنزل الله عز وجل فيه خاصة { فمن كان منكم مريضا أو به أذى من رأسه} ثم كانت للمسلمين عامة .
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইহরাম অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে রওনা হলেন। তার মাথা ও দাঁড়িতে উকুন ধরে যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা জানতে পেরে তাকে ডেকে পাঠালেন এবং একজন নাপিতও ডাকলেন। সে তার মাথা মুড়িয়ে দিল। অতঃপর তিনি বললেন, তোমার সাথে কুরবানীর পশু আছে কি? তিনি বললেন, আমি তা সংগ্রহ করতে সক্ষম নই। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তিনদিন সওম পালনের অথবা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে এক সা’ করে খাদ্য দান করার নির্দেশ দিলেন। আল্লাহ তা‘আলা বিশেষ করে তার প্রসঙ্গে নাযিল করলেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে...”। অতঃপর এ আয়াতের নির্দেশ সাধারণভাবে সকল মুসলিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। (ই.ফা. ২৭৫১, ই.সে. ২৭৪৯)
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইহরাম অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে রওনা হলেন। তার মাথা ও দাঁড়িতে উকুন ধরে যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা জানতে পেরে তাকে ডেকে পাঠালেন এবং একজন নাপিতও ডাকলেন। সে তার মাথা মুড়িয়ে দিল। অতঃপর তিনি বললেন, তোমার সাথে কুরবানীর পশু আছে কি? তিনি বললেন, আমি তা সংগ্রহ করতে সক্ষম নই। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তিনদিন সওম পালনের অথবা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে এক সা’ করে খাদ্য দান করার নির্দেশ দিলেন। আল্লাহ তা‘আলা বিশেষ করে তার প্রসঙ্গে নাযিল করলেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে...”। অতঃপর এ আয়াতের নির্দেশ সাধারণভাবে সকল মুসলিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। (ই.ফা. ২৭৫১, ই.সে. ২৭৪৯)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن زكرياء بن أبي زائدة، حدثنا عبد الرحمن بن الأصبهاني، حدثني عبد الله بن معقل، حدثني كعب بن عجرة، - رضى الله عنه - أنه خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم محرما فقمل رأسه ولحيته فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فأرسل إليه فدعا الحلاق فحلق رأسه ثم قال له " هل عندك نسك " . قال ما أقدر عليه . فأمره أن يصوم ثلاثة أيام أو يطعم ستة مساكين لكل مسكينين صاع فأنزل الله عز وجل فيه خاصة { فمن كان منكم مريضا أو به أذى من رأسه} ثم كانت للمسلمين عامة .
সহিহ মুসলিম > ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো জায়িয
সহিহ মুসলিম ২৭৭৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن طاوس، وعطاء، عن ابن، عباس - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়ে ছিলেন। (ই.ফা. ২৭৫২, ই.সে. ২৭৫০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়ে ছিলেন। (ই.ফা. ২৭৫২, ই.সে. ২৭৫০)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن طاوس، وعطاء، عن ابن، عباس - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم .
সহিহ মুসলিম ২৭৭৬
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا المعلى بن منصور، حدثنا سليمان بن بلال، عن علقمة بن أبي علقمة، عن عبد الرحمن الأعرج، عن ابن بحينة، أن النبي صلى الله عليه وسلم احتجم بطريق مكة وهو محرم وسط رأسه .
ইবনু বুহায়নাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় মাক্কায় যাবার পথে নিজের মাথার মথ্যস্থলে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৭৫৩, ই.সে. ২৭৫১)
ইবনু বুহায়নাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় মাক্কায় যাবার পথে নিজের মাথার মথ্যস্থলে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৭৫৩, ই.সে. ২৭৫১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا المعلى بن منصور، حدثنا سليمان بن بلال، عن علقمة بن أبي علقمة، عن عبد الرحمن الأعرج، عن ابن بحينة، أن النبي صلى الله عليه وسلم احتجم بطريق مكة وهو محرم وسط رأسه .
সহিহ মুসলিম > ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা করানো জায়িয
সহিহ মুসলিম ২৭৭৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن، عيينة - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - حدثنا أيوب بن موسى، عن نبيه بن وهب، قال خرجنا مع أبان بن عثمان حتى إذا كنا بملل اشتكى عمر بن عبيد الله عينيه فلما كنا بالروحاء اشتد وجعه فأرسل إلى أبان بن عثمان يسأله فأرسل إليه أن اضمدهما بالصبر فإن عثمان - رضى الله عنه - حدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الرجل إذا اشتكى عينيه وهو محرم ضمدهما بالصبر .
নুবায়হ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার (ইহরাম অবস্থায়) আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ)-এর সাথে রওনা হলাম। আমরা মালাল নামক স্থানে পৌঁছলে ‘উমার ইবনু ‘উবায়দুল্লাহর চোখে পীড়া দেখা দিল। রাওহা নামক স্থানে পৌঁছে তার চোখের ব্যথা আরও তীব্রতর হ‘ল। তিনি (নুবায়হ) আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ)-এর কাছে (কী করতে হবে তা) জিজ্ঞেস করার জন্য একজনকে পাঠালেন, তিনি বলে পাঠালেন, চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দাও, কারণ ‘উসমান (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইহরাম অবস্থায় এক ব্যক্তির চক্ষুরোগ দেখা দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দেন। (ই.ফা. ২৭৫৪, ই.সে. ২৭৫২)
নুবায়হ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার (ইহরাম অবস্থায়) আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ)-এর সাথে রওনা হলাম। আমরা মালাল নামক স্থানে পৌঁছলে ‘উমার ইবনু ‘উবায়দুল্লাহর চোখে পীড়া দেখা দিল। রাওহা নামক স্থানে পৌঁছে তার চোখের ব্যথা আরও তীব্রতর হ‘ল। তিনি (নুবায়হ) আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ)-এর কাছে (কী করতে হবে তা) জিজ্ঞেস করার জন্য একজনকে পাঠালেন, তিনি বলে পাঠালেন, চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দাও, কারণ ‘উসমান (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইহরাম অবস্থায় এক ব্যক্তির চক্ষুরোগ দেখা দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চোখে মুসব্বারের প্রলেপ দেন। (ই.ফা. ২৭৫৪, ই.সে. ২৭৫২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن، عيينة - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - حدثنا أيوب بن موسى، عن نبيه بن وهب، قال خرجنا مع أبان بن عثمان حتى إذا كنا بملل اشتكى عمر بن عبيد الله عينيه فلما كنا بالروحاء اشتد وجعه فأرسل إلى أبان بن عثمان يسأله فأرسل إليه أن اضمدهما بالصبر فإن عثمان - رضى الله عنه - حدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الرجل إذا اشتكى عينيه وهو محرم ضمدهما بالصبر .
সহিহ মুসলিম ২৭৭৮
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني أبي، حدثنا أيوب بن موسى، حدثني نبيه بن وهب، أن عمر بن عبيد الله بن معمر، رمدت عينه فأراد أن يكحلها، فنهاه أبان بن عثمان وأمره أن يضمدها بالصبر وحدث عن عثمان بن عفان عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه فعل ذلك .
নুবায়হ ইবনু ওয়াহাব্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উবায়দুল্লাহ ইবনু মা‘মার-এর পুত্র ‘উমারের চোখ ফুলে উঠলে তিনি সুরমা লাগানোর ইচ্ছা করলেন। কিন্তু আবান ইবনু ‘উসমান (রাঃ) তাকে চোখে সুরমা লাগাতে নিষেধ করলেন এবং মুসব্বারের প্রলেপ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এও বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ২৭৫৫, ই.সে. ২৭৫৩)
নুবায়হ ইবনু ওয়াহাব্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উবায়দুল্লাহ ইবনু মা‘মার-এর পুত্র ‘উমারের চোখ ফুলে উঠলে তিনি সুরমা লাগানোর ইচ্ছা করলেন। কিন্তু আবান ইবনু ‘উসমান (রাঃ) তাকে চোখে সুরমা লাগাতে নিষেধ করলেন এবং মুসব্বারের প্রলেপ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এও বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ২৭৫৫, ই.সে. ২৭৫৩)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني أبي، حدثنا أيوب بن موسى، حدثني نبيه بن وهب، أن عمر بن عبيد الله بن معمر، رمدت عينه فأراد أن يكحلها، فنهاه أبان بن عثمان وأمره أن يضمدها بالصبر وحدث عن عثمان بن عفان عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه فعل ذلك .
সহিহ মুসলিম > মুহরিম ব্যক্তির জন্য শরীর ও মাথা ধৌত করা জায়িয
সহিহ মুসলিম ২৭৭৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وقتيبة بن سعيد، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن زيد بن أسلم، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - وهذا حديثه - عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن زيد بن أسلم، عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين، عن أبيه، عن عبد الله بن عباس، والمسور بن مخرمة، أنهما اختلفا بالأبواء فقال عبد الله بن عباس يغسل المحرم رأسه . وقال المسور لا يغسل المحرم رأسه . فأرسلني ابن عباس إلى أبي أيوب الأنصاري أسأله عن ذلك فوجدته يغتسل بين القرنين وهو يستتر بثوب - قال - فسلمت عليه فقال من هذا فقلت أنا عبد الله بن حنين أرسلني إليك عبد الله بن عباس أسألك كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه وهو محرم فوضع أبو أيوب - رضى الله عنه - يده على الثوب فطأطأه حتى بدا لي رأسه ثم قال لإنسان يصب اصبب . فصب على رأسه ثم حرك رأسه بيديه فأقبل بهما وأدبر ثم قال هكذا رأيته صلى الله عليه وسلم يفعل .
ইব্রাহীম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) আবওয়া নামক স্থানে পরস্পর মতবিরোধে লিপ্ত হলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, মুহরিম ব্যক্তি মাথা ধৌত করতে পারবে, কিন্তু মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, সে মাথা ধৌত করতে পারবে না। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে (অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়নকে) এ সম্পর্কিত মাসাআলাহ্ জানার জন্য আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। আমি তাকে কূপের দু‘ খুঁটির মাঝে গোসলরত অবস্থায় পেলাম। তিনি একখণ্ড কাপড় টাঙ্গিয়ে নিজেকে আড়াল করে নিয়েছিলেন। আমি তাকে সালাম করলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কে? আমি বললাম, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন, আমাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আপনার নিকট এ কথা জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় কিভাবে মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইয়ূব (রাঃ) তার হাত টানানো কাপড়ের উপর রাখলেন এবং তা (সামান্য) নীচু করলেন- যাতে তার মাথা আমার দৃষ্টিগোচর হ‘ল। অতঃপর তিনি তার গোসলে সাহায্যকারী ব্যক্তিকে পানি ঢালতে বললেন। অতপর সে তার মাথায় ঢালল। এরপর তিনি উভয় হাত সামনে ও পিছনে সঞ্চালন করে নিজের মাথা মললেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এরূপ করতে দেখেছি। (ই.ফা. ২৭৫৬, ই.সে. ২৭৫৪)
ইব্রাহীম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) আবওয়া নামক স্থানে পরস্পর মতবিরোধে লিপ্ত হলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, মুহরিম ব্যক্তি মাথা ধৌত করতে পারবে, কিন্তু মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, সে মাথা ধৌত করতে পারবে না। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে (অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়নকে) এ সম্পর্কিত মাসাআলাহ্ জানার জন্য আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। আমি তাকে কূপের দু‘ খুঁটির মাঝে গোসলরত অবস্থায় পেলাম। তিনি একখণ্ড কাপড় টাঙ্গিয়ে নিজেকে আড়াল করে নিয়েছিলেন। আমি তাকে সালাম করলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কে? আমি বললাম, ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন, আমাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আপনার নিকট এ কথা জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় কিভাবে মাথা ধৌত করতেন? আবূ আইয়ূব (রাঃ) তার হাত টানানো কাপড়ের উপর রাখলেন এবং তা (সামান্য) নীচু করলেন- যাতে তার মাথা আমার দৃষ্টিগোচর হ‘ল। অতঃপর তিনি তার গোসলে সাহায্যকারী ব্যক্তিকে পানি ঢালতে বললেন। অতপর সে তার মাথায় ঢালল। এরপর তিনি উভয় হাত সামনে ও পিছনে সঞ্চালন করে নিজের মাথা মললেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এরূপ করতে দেখেছি। (ই.ফা. ২৭৫৬, ই.সে. ২৭৫৪)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وقتيبة بن سعيد، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن زيد بن أسلم، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - وهذا حديثه - عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن زيد بن أسلم، عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين، عن أبيه، عن عبد الله بن عباس، والمسور بن مخرمة، أنهما اختلفا بالأبواء فقال عبد الله بن عباس يغسل المحرم رأسه . وقال المسور لا يغسل المحرم رأسه . فأرسلني ابن عباس إلى أبي أيوب الأنصاري أسأله عن ذلك فوجدته يغتسل بين القرنين وهو يستتر بثوب - قال - فسلمت عليه فقال من هذا فقلت أنا عبد الله بن حنين أرسلني إليك عبد الله بن عباس أسألك كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه وهو محرم فوضع أبو أيوب - رضى الله عنه - يده على الثوب فطأطأه حتى بدا لي رأسه ثم قال لإنسان يصب اصبب . فصب على رأسه ثم حرك رأسه بيديه فأقبل بهما وأدبر ثم قال هكذا رأيته صلى الله عليه وسلم يفعل .
সহিহ মুসলিম ২৭৮০
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا ابن جريج، أخبرني زيد بن أسلم، بهذا الإسناد وقال فأمر أبو أيوب بيديه على رأسه جميعا على جميع رأسه فأقبل بهما وأدبر فقال المسور لابن عباس لا أماريك أبدا .
যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদ সূত্রে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, আবূ আইয়ূব (রাঃ) তার উভয় হাত সামনে-পিছনে সঞ্চালন করে সম্পূর্ণ মাথা ভালভাবে মললেন। এরপর মিসওয়ার (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, আমি আর কখনও আপনার সাথে বিতর্কে লিপ্ত হব না। (ই.ফা. ২৭৫৭, ই.সে. ২৭৫৫)
যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদ সূত্রে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, আবূ আইয়ূব (রাঃ) তার উভয় হাত সামনে-পিছনে সঞ্চালন করে সম্পূর্ণ মাথা ভালভাবে মললেন। এরপর মিসওয়ার (রাঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, আমি আর কখনও আপনার সাথে বিতর্কে লিপ্ত হব না। (ই.ফা. ২৭৫৭, ই.সে. ২৭৫৫)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا ابن جريج، أخبرني زيد بن أسلم، بهذا الإسناد وقال فأمر أبو أيوب بيديه على رأسه جميعا على جميع رأسه فأقبل بهما وأدبر فقال المسور لابن عباس لا أماريك أبدا .