সহিহ মুসলিম > সারা বছর ধরে সিয়াম পালন করা নিষেধ, কারণ এতে স্বাস্থ্যহানি হওয়ার এবং জরুরী কর্তব্য পালনে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, একদিন পরপর সিয়াম পালন করার ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ২৬২৩
وحدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن الأوزاعي، قراءة قال حدثني يحيى بن أبي كثير، عن ابن الحكم بن ثوبان، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله لا تكن بمثل فلان كان يقوم الليل فترك قيام الليل " .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ! (বেশী বেশী রাত জেগে) তুমিও অমুক ব্যক্তির মতো হয়ে যেও না। সে রাত জেগে জেগে সলাত আদায় করত, অতঃপর রাত জেগে ‘ইবাদাত করা ছেড়ে দিয়েছে। (ই.ফা. ২৬০০, ই.সে ২৫৯৯)
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ! (বেশী বেশী রাত জেগে) তুমিও অমুক ব্যক্তির মতো হয়ে যেও না। সে রাত জেগে জেগে সলাত আদায় করত, অতঃপর রাত জেগে ‘ইবাদাত করা ছেড়ে দিয়েছে। (ই.ফা. ২৬০০, ই.সে ২৫৯৯)
وحدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن الأوزاعي، قراءة قال حدثني يحيى بن أبي كثير، عن ابن الحكم بن ثوبان، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله لا تكن بمثل فلان كان يقوم الليل فترك قيام الليل " .
সহিহ মুসলিম ২৬১৯
حدثني أبو الطاهر، قال سمعت عبد الله بن وهب، يحدث عن يونس، عن ابن، شهاب ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يقول لأقومن الليل ولأصومن النهار ما عشت . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " آنت الذي تقول ذلك " . فقلت له قد قلته يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإنك لا تستطيع ذلك فصم وأفطر ونم وقم وصم من الشهر ثلاثة أيام فإن الحسنة بعشر أمثالها وذلك مثل صيام الدهر " . قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك . قال " صم يوما وأفطر يومين " . قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله قال " صم يوما وأفطر يوما وذلك صيام داود - عليه السلام - وهو أعدل الصيام " . قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا أفضل من ذلك " . قال عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما لأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلى من أهلي ومالي .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবহিত করা হলো যে, আমি বলছি, আমি যতদিন বেঁচে থাকব সারা রাতে সলাত আদায় করব এবং সর্বদা দিনের বেলা সিয়াম পালন করব। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ কথা বলেছ? আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এ কথা বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এ কাজ করতে পারবে না, কারণ তোমার সে সামর্থ্য নেই। পড়, নিদ্রাও যাও। আর প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম পালন কর। কেননা প্রত্যেক নেক কাজের জন্য দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়। এতেই সারা জীবন সিয়াম পালন করার সাওয়াব পাওয়া যাবে। রাবী বলেন, আমি আরয করলাম, আমি এর চেয়েও বেশী করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তবে একদিন সিয়াম পালন কর এবং অতঃপর দু’দিন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাক। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম’। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সিয়াম পালন কর এবং একদিন বিরত থাক। এটাই দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম। আর এর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মত তিন দিনের সিয়াম পালন করাকে যদি আমি গ্রহণ করে নিতাম তাহলে এটা আমার কাছে আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়েও পছন্দনীয় হত। (ই.ফা. ২৫৯৬, ই.সে. ২৫৯৫)
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবহিত করা হলো যে, আমি বলছি, আমি যতদিন বেঁচে থাকব সারা রাতে সলাত আদায় করব এবং সর্বদা দিনের বেলা সিয়াম পালন করব। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ কথা বলেছ? আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এ কথা বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এ কাজ করতে পারবে না, কারণ তোমার সে সামর্থ্য নেই। পড়, নিদ্রাও যাও। আর প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম পালন কর। কেননা প্রত্যেক নেক কাজের জন্য দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়। এতেই সারা জীবন সিয়াম পালন করার সাওয়াব পাওয়া যাবে। রাবী বলেন, আমি আরয করলাম, আমি এর চেয়েও বেশী করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তবে একদিন সিয়াম পালন কর এবং অতঃপর দু’দিন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাক। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম’। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সিয়াম পালন কর এবং একদিন বিরত থাক। এটাই দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম। আর এর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মত তিন দিনের সিয়াম পালন করাকে যদি আমি গ্রহণ করে নিতাম তাহলে এটা আমার কাছে আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়েও পছন্দনীয় হত। (ই.ফা. ২৫৯৬, ই.সে. ২৫৯৫)
حدثني أبو الطاهر، قال سمعت عبد الله بن وهب، يحدث عن يونس، عن ابن، شهاب ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يقول لأقومن الليل ولأصومن النهار ما عشت . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " آنت الذي تقول ذلك " . فقلت له قد قلته يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإنك لا تستطيع ذلك فصم وأفطر ونم وقم وصم من الشهر ثلاثة أيام فإن الحسنة بعشر أمثالها وذلك مثل صيام الدهر " . قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك . قال " صم يوما وأفطر يومين " . قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله قال " صم يوما وأفطر يوما وذلك صيام داود - عليه السلام - وهو أعدل الصيام " . قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا أفضل من ذلك " . قال عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما لأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلى من أهلي ومالي .
সহিহ মুসলিম ২৬২৬
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثني أبي، حدثنا شعبة، عن حبيب، سمع أبا العباس، سمع عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله بن عمرو إنك لتصوم الدهر وتقوم الليل وإنك إذا فعلت ذلك هجمت له العين ونهكت لا صام من صام الأبد صوم ثلاثة أيام من الشهر صوم الشهر كله " . قلت فإني أطيق أكثر من ذلك . قال " فصم صوم داود كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى " .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র! তুমি তো একাধারে সওম (রোযা) পালন করে যাচ্ছ। সারারাত ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাক। তুমি এরূপ করলে তাতে তোমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলবে। যে ব্যক্তি সর্বদা সওম পালন করল, সে মূলত সওম পালন করল না। মাসে তিন দিন সওম পালন করা পূর্ণ মাস পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশি সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ)-এর ন্যায় সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন ছেড়ে দিতেন এবং পলায়ন করতেন না যখন শত্রুর সম্মুখীন হতেন। (ই.ফা. ২৬০৩, ই.সে. ২৬০২)
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র! তুমি তো একাধারে সওম (রোযা) পালন করে যাচ্ছ। সারারাত ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাক। তুমি এরূপ করলে তাতে তোমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলবে। যে ব্যক্তি সর্বদা সওম পালন করল, সে মূলত সওম পালন করল না। মাসে তিন দিন সওম পালন করা পূর্ণ মাস পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশি সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ)-এর ন্যায় সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন ছেড়ে দিতেন এবং পলায়ন করতেন না যখন শত্রুর সম্মুখীন হতেন। (ই.ফা. ২৬০৩, ই.সে. ২৬০২)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثني أبي، حدثنا شعبة، عن حبيب، سمع أبا العباس، سمع عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله بن عمرو إنك لتصوم الدهر وتقوم الليل وإنك إذا فعلت ذلك هجمت له العين ونهكت لا صام من صام الأبد صوم ثلاثة أيام من الشهر صوم الشهر كله " . قلت فإني أطيق أكثر من ذلك . قال " فصم صوم داود كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى " .
সহিহ মুসলিম ২৬২৪
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يزعم أن أبا العباس، أخبره أنه، سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - يقول بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أني أصوم أسرد وأصلي الليل فإما أرسل إلى وإما لقيته فقال " ألم أخبر أنك تصوم ولا تفطر وتصلي الليل فلا تفعل فإن لعينك حظا ولنفسك حظا ولأهلك حظا . فصم وأفطر وصل ونم وصم من كل عشرة أيام يوما ولك أجر تسعة " . قال إني أجدني أقوى من ذلك يا نبي الله . قال " فصم صيام داود عليه السلام " . قال وكيف كان داود يصوم يا نبي الله قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى " . قال من لي بهذه يا نبي الله قال عطاء فلا أدري كيف ذكر صيام الأبد . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد " .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতে পারলেন, আমি অনবরত সিয়াম পালন করি এবং রাতভর সলাত আদায় করি। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন অথবা (রাবীর সন্দেহ) আমি তাঁর সাথে দেখা করি। তিনি বললেন, আমি খবর পেয়েছি, তুমি অনবরত সিয়াম পালন কর, বিরতি দাও না, আর রাত ভর সলাত আদায় কর। এরপর আর এরূপ করবে না। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের অংশ (হাক্ব) আছে, তোমার দেহ ও আত্মার অংশ আছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনেরও অংশ আছে। কাজেই তুমি সিয়ামও পালন কর, বিরতিও দাও, সলাতও আদায় কর, ঘুমও যাও। তুমি দশ দিনে একদিন সিয়াম পালন কর, তাহলে বাকি নয়টি দিনেরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমি নিজের মধ্যে এর চেয়েও অধিক সিয়াম পালন করার শক্তি রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আঃ)-এর মত সিয়াম পালন কর। তিনি (‘আবদুল্লাহ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ) কিভাবে সিয়াম পালন করতেন? তিনি (নবী) বললেন, দাউদ (আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন বিরতি দিতেন। এ জন্যেই (দুর্বল হতেন না এবং) দুশমনের সম্মুখীন হলে (ময়দান ছেড়ে) পালাতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! এ ব্যাপারে কে আমার দায়িত্ব নিবে? ‘আত্বা বলেন, আমি জানি না, অনবরত সিয়াম পালন করার বিষয়টি কিভাবে আলোচনায় আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি অনবরত সিয়াম পালন করল, সে যেন কোন সিয়ামই পালন করেনি। যে ব্যক্তি সব সময় সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি, যে ব্যক্তি সদাসর্বদা সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি। ( ই.ফা. ২৬০১, ই.সে ২৬০০)
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতে পারলেন, আমি অনবরত সিয়াম পালন করি এবং রাতভর সলাত আদায় করি। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন অথবা (রাবীর সন্দেহ) আমি তাঁর সাথে দেখা করি। তিনি বললেন, আমি খবর পেয়েছি, তুমি অনবরত সিয়াম পালন কর, বিরতি দাও না, আর রাত ভর সলাত আদায় কর। এরপর আর এরূপ করবে না। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের অংশ (হাক্ব) আছে, তোমার দেহ ও আত্মার অংশ আছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনেরও অংশ আছে। কাজেই তুমি সিয়ামও পালন কর, বিরতিও দাও, সলাতও আদায় কর, ঘুমও যাও। তুমি দশ দিনে একদিন সিয়াম পালন কর, তাহলে বাকি নয়টি দিনেরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমি নিজের মধ্যে এর চেয়েও অধিক সিয়াম পালন করার শক্তি রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আঃ)-এর মত সিয়াম পালন কর। তিনি (‘আবদুল্লাহ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ) কিভাবে সিয়াম পালন করতেন? তিনি (নবী) বললেন, দাউদ (আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন বিরতি দিতেন। এ জন্যেই (দুর্বল হতেন না এবং) দুশমনের সম্মুখীন হলে (ময়দান ছেড়ে) পালাতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! এ ব্যাপারে কে আমার দায়িত্ব নিবে? ‘আত্বা বলেন, আমি জানি না, অনবরত সিয়াম পালন করার বিষয়টি কিভাবে আলোচনায় আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি অনবরত সিয়াম পালন করল, সে যেন কোন সিয়ামই পালন করেনি। যে ব্যক্তি সব সময় সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি, যে ব্যক্তি সদাসর্বদা সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি। ( ই.ফা. ২৬০১, ই.সে ২৬০০)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يزعم أن أبا العباس، أخبره أنه، سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - يقول بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أني أصوم أسرد وأصلي الليل فإما أرسل إلى وإما لقيته فقال " ألم أخبر أنك تصوم ولا تفطر وتصلي الليل فلا تفعل فإن لعينك حظا ولنفسك حظا ولأهلك حظا . فصم وأفطر وصل ونم وصم من كل عشرة أيام يوما ولك أجر تسعة " . قال إني أجدني أقوى من ذلك يا نبي الله . قال " فصم صيام داود عليه السلام " . قال وكيف كان داود يصوم يا نبي الله قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى " . قال من لي بهذه يا نبي الله قال عطاء فلا أدري كيف ذكر صيام الأبد . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد " .
সহিহ মুসলিম ২৬২২
حدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى بني زهرة عن أبي سلمة، قال - وأحسبني قد سمعته أنا من أبي سلمة، - عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقرإ القرآن في كل شهر " . قال قلت إني أجد قوة . قال " فاقرأه في عشرين ليلة " . قال قلت إني أجد قوة . قال " فاقرأه في سبع ولا تزد على ذلك " .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি প্রতি মাসে একবার করে সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আরো বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বিশ দিন অন্তর একবার কুরআন খতম কর। রাবী বলেন, আমি আবার আরয করলাম, আমার আরো (বেশী পাঠ করার ) শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে তুমি সাত দিন অন্তর একবার সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। তবে এর চেয়ে বেশী (তিলাওয়াত) করো না। (কারণ এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে কুরআন খতম করলে কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা এবং এর মর্ম উপলব্ধি করার সুযোগ হয় না)। [১১] (ই.ফা. ২৫৯৯, ই.সে. ২৫৯৮)
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি প্রতি মাসে একবার করে সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আরো বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বিশ দিন অন্তর একবার কুরআন খতম কর। রাবী বলেন, আমি আবার আরয করলাম, আমার আরো (বেশী পাঠ করার ) শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে তুমি সাত দিন অন্তর একবার সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। তবে এর চেয়ে বেশী (তিলাওয়াত) করো না। (কারণ এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে কুরআন খতম করলে কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা এবং এর মর্ম উপলব্ধি করার সুযোগ হয় না)। [১১] (ই.ফা. ২৫৯৯, ই.সে. ২৫৯৮)
حدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى بني زهرة عن أبي سلمة، قال - وأحسبني قد سمعته أنا من أبي سلمة، - عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقرإ القرآن في كل شهر " . قال قلت إني أجد قوة . قال " فاقرأه في عشرين ليلة " . قال قلت إني أجد قوة . قال " فاقرأه في سبع ولا تزد على ذلك " .
সহিহ মুসলিম ২৬২০
وحدثنا عبد الله بن محمد الرومي، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا يحيى، قال انطلقت أنا وعبد الله بن يزيد، حتى نأتي أبا سلمة فأرسلنا إليه رسولا فخرج علينا وإذا عند باب داره مسجد - قال - فكنا في المسجد حتى خرج إلينا . فقال إن تشاءوا أن تدخلوا وإن تشاءوا أن تقعدوا ها هنا . - قال - فقلنا لا بل نقعد ها هنا فحدثنا . قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص - رضى الله عنهما - قال كنت أصوم الدهر وأقرأ القرآن كل ليلة - قال - فإما ذكرت للنبي صلى الله عليه وسلم وإما أرسل إلى فأتيته فقال لي " ألم أخبر أنك تصوم الدهر وتقرأ القرآن كل ليلة " . قلت بلى يا نبي الله ولم أرد بذلك إلا الخير . قال " فإن بحسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثة أيام " . قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك . قال " فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا - قال - فصم صوم داود نبي الله صلى الله عليه وسلم فإنه كان أعبد الناس " . قال قلت يا نبي الله وما صوم داود قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما " . قال " واقرإ القرآن في كل شهر " . قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال " فاقرأه في كل عشرين " . قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال " فاقرأه في كل عشر " . قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك . قال " فاقرأه في كل سبع ولا تزد على ذلك . فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا " . قال فشددت فشدد على . قال وقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك لا تدري لعلك يطول بك عمر " . قال فصرت إلى الذي قال لي النبي صلى الله عليه وسلم فلما كبرت وددت أني كنت قبلت رخصة نبي الله صلى الله عليه وسلم .
ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আবূ সালামার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশে রওনা হলাম। অবশেষে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে পৌছলাম। তার বাড়ির সামনেই ছিল একটি মাসজিদ। আমরা সেখানে গিয়ে বসলাম এবং তাকে খবর দেয়ার জন্য একটি লোক পাঠালাম। তিনি বাড়ির ভিতর থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে এসে বললেন, তোমরা ইচ্ছে করলে ঘরে গিয়েও বসতে পার অথবা এখানেও বসতে পার। আমরা বললাম, অবশ্যই আমরা এখানে বসব। অতঃপর তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি সর্বদা সিয়াম পালন করতাম এবং প্রতি রাতেই (রাতভর) কু্রআন তিলাওয়াত করতাম। পরে হয়ত বা আমার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আলোচনা করা হয়েছে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি নিজেই আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি গিয়ে তাঁর কাছে হাজির হলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পারলাম, তুমি নাকি সর্বদা সিয়াম পালন কর এবং প্রতি রাতেই (সারারাত) কুরআন তিয়াওয়াত কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর নবী! আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি কল্যাণ লাভ করার উদ্দেশেই তা করে থাকি। তিনি বললেন, প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। তখন আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশী করতের সক্ষম। তিনি বললেন, (এরূপ করো না)। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে, যারা তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে তাদেরও তোমার উপর অধিকার রয়েছে। আর তোমার উপর তোমার দেহেরও হাক্ব আছে। তাই তুমি আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম অনুসরণ কর। কেননা তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ‘ইবাদাত করতেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম কী? তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন পালন করতেন না (অর্থাৎ একদিন পরপর সিয়াম পালন করতেন)। তিনি (আরো) বললেন, তুমি প্রতি মাসে একবার কুরআন খতম কর। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি দশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আবার বললাম, হে আল্লাহর নবী এর চেয়েও বেশী পারি। তিনি বললেন, তুমি সাতদিন অন্তর কুরআন খতম কর, তবে এর চেয়ে বেশী পড়ো না। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমারে সাক্ষাতপ্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে, আর তোমার শরীরেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (সর্বদা সিয়াম পালন করে) নিজের উপর কঠোরতা করেছি। ফলে (আমার উপরও) কঠোরতা চেপে বসেছে। তিনি আরো বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, তোমার জানা নেই হয়ত বা তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে। (তখন তোমার পক্ষে এত বেশী ‘আমাল করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছিলেন বাস্তবে তাই হলো। আমি যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়লাম তখন অনুশোচনা করে বলতাম, “হায়! আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দেয়া অবকাশটুকু গ্রহণ করতাম! (ই.ফা. ২৫৯৭, অ.সে. ২৫৯৬)
ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আবূ সালামার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশে রওনা হলাম। অবশেষে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে পৌছলাম। তার বাড়ির সামনেই ছিল একটি মাসজিদ। আমরা সেখানে গিয়ে বসলাম এবং তাকে খবর দেয়ার জন্য একটি লোক পাঠালাম। তিনি বাড়ির ভিতর থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে এসে বললেন, তোমরা ইচ্ছে করলে ঘরে গিয়েও বসতে পার অথবা এখানেও বসতে পার। আমরা বললাম, অবশ্যই আমরা এখানে বসব। অতঃপর তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি সর্বদা সিয়াম পালন করতাম এবং প্রতি রাতেই (রাতভর) কু্রআন তিলাওয়াত করতাম। পরে হয়ত বা আমার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আলোচনা করা হয়েছে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি নিজেই আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি গিয়ে তাঁর কাছে হাজির হলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পারলাম, তুমি নাকি সর্বদা সিয়াম পালন কর এবং প্রতি রাতেই (সারারাত) কুরআন তিয়াওয়াত কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর নবী! আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি কল্যাণ লাভ করার উদ্দেশেই তা করে থাকি। তিনি বললেন, প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। তখন আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশী করতের সক্ষম। তিনি বললেন, (এরূপ করো না)। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে, যারা তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে তাদেরও তোমার উপর অধিকার রয়েছে। আর তোমার উপর তোমার দেহেরও হাক্ব আছে। তাই তুমি আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম অনুসরণ কর। কেননা তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ‘ইবাদাত করতেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম কী? তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন পালন করতেন না (অর্থাৎ একদিন পরপর সিয়াম পালন করতেন)। তিনি (আরো) বললেন, তুমি প্রতি মাসে একবার কুরআন খতম কর। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি দশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আবার বললাম, হে আল্লাহর নবী এর চেয়েও বেশী পারি। তিনি বললেন, তুমি সাতদিন অন্তর কুরআন খতম কর, তবে এর চেয়ে বেশী পড়ো না। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমারে সাক্ষাতপ্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে, আর তোমার শরীরেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (সর্বদা সিয়াম পালন করে) নিজের উপর কঠোরতা করেছি। ফলে (আমার উপরও) কঠোরতা চেপে বসেছে। তিনি আরো বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, তোমার জানা নেই হয়ত বা তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে। (তখন তোমার পক্ষে এত বেশী ‘আমাল করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছিলেন বাস্তবে তাই হলো। আমি যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়লাম তখন অনুশোচনা করে বলতাম, “হায়! আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দেয়া অবকাশটুকু গ্রহণ করতাম! (ই.ফা. ২৫৯৭, অ.সে. ২৫৯৬)
وحدثنا عبد الله بن محمد الرومي، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا يحيى، قال انطلقت أنا وعبد الله بن يزيد، حتى نأتي أبا سلمة فأرسلنا إليه رسولا فخرج علينا وإذا عند باب داره مسجد - قال - فكنا في المسجد حتى خرج إلينا . فقال إن تشاءوا أن تدخلوا وإن تشاءوا أن تقعدوا ها هنا . - قال - فقلنا لا بل نقعد ها هنا فحدثنا . قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص - رضى الله عنهما - قال كنت أصوم الدهر وأقرأ القرآن كل ليلة - قال - فإما ذكرت للنبي صلى الله عليه وسلم وإما أرسل إلى فأتيته فقال لي " ألم أخبر أنك تصوم الدهر وتقرأ القرآن كل ليلة " . قلت بلى يا نبي الله ولم أرد بذلك إلا الخير . قال " فإن بحسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثة أيام " . قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك . قال " فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا - قال - فصم صوم داود نبي الله صلى الله عليه وسلم فإنه كان أعبد الناس " . قال قلت يا نبي الله وما صوم داود قال " كان يصوم يوما ويفطر يوما " . قال " واقرإ القرآن في كل شهر " . قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال " فاقرأه في كل عشرين " . قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال " فاقرأه في كل عشر " . قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك . قال " فاقرأه في كل سبع ولا تزد على ذلك . فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا " . قال فشددت فشدد على . قال وقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك لا تدري لعلك يطول بك عمر " . قال فصرت إلى الذي قال لي النبي صلى الله عليه وسلم فلما كبرت وددت أني كنت قبلت رخصة نبي الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ২৬২৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار " . قلت إني أفعل ذلك . قال " فإنك إذا فعلت ذلك هجمت عيناك ونفهت نفسك لعينك حق ولنفسك حق ولأهلك حق قم ونم وصم وأفطر " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, আমাকে তোমার সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি সারারাত দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর এবং দিনের বেলা সওম রাখ? আমি বললাম, আমি অবশ্য করি। তিনি বলেন, তুমি এরূপ করতে গেলে অনিদ্রার কারণে তোমার চোখ কোটরাগত হবে এবং তুমি দুর্বল হয়ে পড়বে। তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার দেহের হাক্ব রয়েছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনের হাক্ব রয়েছে। অতএব তুমি রাতে ‘ইবাদতও করবে এবং নিদ্রাও যাবে। সওমও পালন করবে, আবার তা বাদও দিবে। (ই. ফা. ২৬০৫, ই. সে. ২৬০৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, আমাকে তোমার সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি সারারাত দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর এবং দিনের বেলা সওম রাখ? আমি বললাম, আমি অবশ্য করি। তিনি বলেন, তুমি এরূপ করতে গেলে অনিদ্রার কারণে তোমার চোখ কোটরাগত হবে এবং তুমি দুর্বল হয়ে পড়বে। তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার দেহের হাক্ব রয়েছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনের হাক্ব রয়েছে। অতএব তুমি রাতে ‘ইবাদতও করবে এবং নিদ্রাও যাবে। সওমও পালন করবে, আবার তা বাদও দিবে। (ই. ফা. ২৬০৫, ই. সে. ২৬০৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار " . قلت إني أفعل ذلك . قال " فإنك إذا فعلت ذلك هجمت عيناك ونفهت نفسك لعينك حق ولنفسك حق ولأهلك حق قم ونم وصم وأفطر " .
সহিহ মুসলিম ২৬২৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قال زهير حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أحب الصيام إلى الله صيام داود وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود عليه السلام كان ينام نصف الليل ويقوم ثلثه وينام سدسه وكان يصوم يوما ويفطر يوما " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্র নিকট পছন্দনীয় সওম হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সওম এবং তাঁর নিকট পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধরাত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন। অতঃপর এক ষষ্ঠাংশ রাত ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৬, ই. সে. ২৬০৫)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্র নিকট পছন্দনীয় সওম হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সওম এবং তাঁর নিকট পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধরাত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন। অতঃপর এক ষষ্ঠাংশ রাত ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৬, ই. সে. ২৬০৫)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قال زهير حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أحب الصيام إلى الله صيام داود وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود عليه السلام كان ينام نصف الليل ويقوم ثلثه وينام سدسه وكان يصوم يوما ويفطر يوما " .
সহিহ মুসলিম ২৬৩০
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو، بن دينار أن عمرو بن أوس، أخبره عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أحب الصيام إلى الله صيام داود كان يصوم نصف الدهر وأحب الصلاة إلى الله عز وجل صلاة داود - عليه السلام - كان يرقد شطر الليل ثم يقوم ثم يرقد آخره يقوم ثلث الليل بعد شطره " . قال قلت لعمرو بن دينار أعمرو بن أوس كان يقول يقوم ثلث الليل بعد شطره قال نعم .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক প্রিয় সওম হচ্ছে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম। তিনি বছরের অর্ধেক কাল সওম পালন করতেন। মহান আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধ রাত ঘুমাতেন, অতঃপর সলাতে দাঁড়াতেন, অতঃপর শেষ রাতে ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি অর্ধ রাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাত করতেন। রাবী ইবনু জুয়ায়জ (রহঃ) বলেন, আমি ‘আমর ইবনু দীনারকে বললাম, ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) কি এ কথা বলতেন যে, তিনি অর্ধরাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই. ফা. ২৬০৭ ই. সে. ২৬০৬)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক প্রিয় সওম হচ্ছে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম। তিনি বছরের অর্ধেক কাল সওম পালন করতেন। মহান আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধ রাত ঘুমাতেন, অতঃপর সলাতে দাঁড়াতেন, অতঃপর শেষ রাতে ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি অর্ধ রাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাত করতেন। রাবী ইবনু জুয়ায়জ (রহঃ) বলেন, আমি ‘আমর ইবনু দীনারকে বললাম, ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) কি এ কথা বলতেন যে, তিনি অর্ধরাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই. ফা. ২৬০৭ ই. সে. ২৬০৬)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو، بن دينار أن عمرو بن أوس، أخبره عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أحب الصيام إلى الله صيام داود كان يصوم نصف الدهر وأحب الصلاة إلى الله عز وجل صلاة داود - عليه السلام - كان يرقد شطر الليل ثم يقوم ثم يرقد آخره يقوم ثلث الليل بعد شطره " . قال قلت لعمرو بن دينار أعمرو بن أوس كان يقول يقوم ثلث الليل بعد شطره قال نعم .
সহিহ মুসলিম ২৬৩১
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، قال أخبرني أبو المليح، قال دخلت مع أبيك على عبد الله بن عمرو فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي فدخل على فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف فجلس على الأرض وصارت الوسادة بيني وبينه فقال لي " أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام " . قلت يا رسول الله . قال " خمسا " . قلت يا رسول الله . قال " سبعا " . قلت يا رسول الله . قال " تسعا " . قلت يا رسول الله . قال " أحد عشر " . قلت يا رسول الله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صوم فوق صوم داود شطر الدهر صيام يوم وإفطار يوم " .
আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আবুল মালীহ (রহঃ) অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি তোমার পিতার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের নিকট বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার সওম সম্পর্কে উল্লেখ করা হলে তিনি আমার কাছে এলেন। আমি তাঁর জন্য একটি চামড়ার বালিশ বিছিয়ে দিলাম। তাতে খেজুরের আঁশ ভর্তি ছিল। তিনি মাটির উপর বসে গেলেন এবং বালিশটি তাঁর ও আমার মাঝে পড়ে থাকল। তিনি আমাকে বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি বললাম: হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে পাঁচদিন? আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে সাতদিন? আমি বললাম : হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে নয়দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে এগারদিন। আমি বললাম : হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, দাঊদ (আঃ)-এর সওমের উপর কোন সওম নেই। তিনি বছরের অর্ধেক অর্থাত একদিন যদি এ সওম পালন করতেন, আরেক দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৮, ই. সে. ২৬০৭)
আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আবুল মালীহ (রহঃ) অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি তোমার পিতার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের নিকট বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার সওম সম্পর্কে উল্লেখ করা হলে তিনি আমার কাছে এলেন। আমি তাঁর জন্য একটি চামড়ার বালিশ বিছিয়ে দিলাম। তাতে খেজুরের আঁশ ভর্তি ছিল। তিনি মাটির উপর বসে গেলেন এবং বালিশটি তাঁর ও আমার মাঝে পড়ে থাকল। তিনি আমাকে বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি বললাম: হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে পাঁচদিন? আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে সাতদিন? আমি বললাম : হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে নয়দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে এগারদিন। আমি বললাম : হে আল্লাহ্র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, দাঊদ (আঃ)-এর সওমের উপর কোন সওম নেই। তিনি বছরের অর্ধেক অর্থাত একদিন যদি এ সওম পালন করতেন, আরেক দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৮, ই. সে. ২৬০৭)
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، قال أخبرني أبو المليح، قال دخلت مع أبيك على عبد الله بن عمرو فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي فدخل على فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف فجلس على الأرض وصارت الوسادة بيني وبينه فقال لي " أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام " . قلت يا رسول الله . قال " خمسا " . قلت يا رسول الله . قال " سبعا " . قلت يا رسول الله . قال " تسعا " . قلت يا رسول الله . قال " أحد عشر " . قلت يا رسول الله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا صوم فوق صوم داود شطر الدهر صيام يوم وإفطار يوم " .
সহিহ মুসলিম ২৬৩২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن زياد بن فياض، قال سمعت أبا عياض، عن عبد، الله بن عمرو - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له " صم يوما ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم يومين ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم ثلاثة أيام ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم أربعة أيام ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم أفضل الصيام عند الله صوم داود - عليه السلام - كان يصوم يوما ويفطر يوما " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেন, তুমি একদিন সওম পালন করলে পরের দিনের সাওয়াব পাবে। তিনি বলেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দু’দিন সওম পালন কর। তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোর সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক সওম পালন করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি চারদিন সওম পালন কর, তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব লাভ করবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম পালন কর যা আল্লাহ্র কাছে সর্বোত্তম সাওম। তিনি পর্যায়ক্রমে একদিন সওম পালন করতেন এবং পরের দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৯, ই. সে. ২৬০৮)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেন, তুমি একদিন সওম পালন করলে পরের দিনের সাওয়াব পাবে। তিনি বলেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দু’দিন সওম পালন কর। তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোর সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক সওম পালন করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি চারদিন সওম পালন কর, তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব লাভ করবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম পালন কর যা আল্লাহ্র কাছে সর্বোত্তম সাওম। তিনি পর্যায়ক্রমে একদিন সওম পালন করতেন এবং পরের দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৯, ই. সে. ২৬০৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن زياد بن فياض، قال سمعت أبا عياض، عن عبد، الله بن عمرو - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له " صم يوما ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم يومين ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم ثلاثة أيام ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم أربعة أيام ولك أجر ما بقي " . قال إني أطيق أكثر من ذلك . قال " صم أفضل الصيام عند الله صوم داود - عليه السلام - كان يصوم يوما ويفطر يوما " .
সহিহ মুসলিম ২৬৩৩
وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، جميعا عن ابن مهدي، - قال زهير حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، - حدثنا سليم بن حيان، حدثنا سعيد بن ميناء، قال قال عبد الله بن عمرو قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله بن عمرو بلغني أنك تصوم النهار وتقوم الليل فلا تفعل فإن لجسدك عليك حظا ولعينك عليك حظا وإن لزوجك عليك حظا صم وأفطر صم من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صوم الدهر " . قلت يا رسول الله إن بي قوة . قال " فصم صوم داود - عليه السلام - صم يوما وأفطر يوما " . فكان يقول يا ليتني أخذت بالرخصة .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র! আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি দিনের বেলা সওম পালন কর এবং রাতের সলাতে থাক, তুমি এরূপ করো না। কারণ তোমার উপর তোমাদের দেহের একটি অংশ (হাক্ব) রয়েছে, তোমার উপর তোমার চোখের অংশ রয়েছে এবং তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অংশ রয়েছে। তুমি সওমও পালন কর এবং বাদও দাও। প্রতি মাসে তিনদিন করে সওম পালন কর এবং এটাই হ’ল সারা বছরের সওম (এর নিয়ম)। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার আরও শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম-এর মতো সওম পালন কর। পর্যায়ক্রমে একটি সওম পালন কর এবং একদিন বাদ দাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, হায়! আমি যদি সহজটার উপর ‘আমাল করতাম! (ই.ফা. ২৬১০, ই. সে. ২৬০৯)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র! আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি দিনের বেলা সওম পালন কর এবং রাতের সলাতে থাক, তুমি এরূপ করো না। কারণ তোমার উপর তোমাদের দেহের একটি অংশ (হাক্ব) রয়েছে, তোমার উপর তোমার চোখের অংশ রয়েছে এবং তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অংশ রয়েছে। তুমি সওমও পালন কর এবং বাদও দাও। প্রতি মাসে তিনদিন করে সওম পালন কর এবং এটাই হ’ল সারা বছরের সওম (এর নিয়ম)। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার আরও শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম-এর মতো সওম পালন কর। পর্যায়ক্রমে একটি সওম পালন কর এবং একদিন বাদ দাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, হায়! আমি যদি সহজটার উপর ‘আমাল করতাম! (ই.ফা. ২৬১০, ই. সে. ২৬০৯)
وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، جميعا عن ابن مهدي، - قال زهير حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، - حدثنا سليم بن حيان، حدثنا سعيد بن ميناء، قال قال عبد الله بن عمرو قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عبد الله بن عمرو بلغني أنك تصوم النهار وتقوم الليل فلا تفعل فإن لجسدك عليك حظا ولعينك عليك حظا وإن لزوجك عليك حظا صم وأفطر صم من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صوم الدهر " . قلت يا رسول الله إن بي قوة . قال " فصم صوم داود - عليه السلام - صم يوما وأفطر يوما " . فكان يقول يا ليتني أخذت بالرخصة .
সহিহ মুসলিম ২৬২১
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين المعلم، عن يحيى، بن أبي كثير بهذا الإسناد وزاد فيه بعد قوله " من كل شهر ثلاثة أيام " " فإن لك بكل حسنة عشر أمثالها فذلك الدهر كله " . وقال في الحديث قلت وما صوم نبي الله داود قال " نصف الدهر " . ولم يذكر في الحديث من قراءة القرآن شيئا ولم يقل " وإن لزورك عليك حقا " . ولكن قال " وإن لولدك عليك حقا " .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘প্রতি মাসে তিনদিন করে সিয়াম পালন করাই যথেষ্ট’- এ কথার পরে আরো আছে, “কেননা প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময়ে তার দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়, আর এভাবে তা সারা বছরের সিয়ামের সমতুল্য গণ্য হয়”। তিনি তার বর্ণিত হাদীসের আরো উল্লেখ করেছেন, “আমি বললাম, আল্লাহর নবী দাউদ (‘আঃ)- এর সিয়াম কী (ছিল)? তিনি বললেন, বছরের অর্ধেক (অর্থাৎ একদিন সিয়াম পালন করা ও একদিন সিয়াম ভাঙ্গা)। তিনি (এ হাদীসে) কুরআন তিলাওয়াতের প্রসঙ্গে কিছুই উল্লেখ করেননি। এ বর্ণনায় তিনি “তোমার সাক্ষাত-প্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে”- এ কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং এতে আছেঃ তোমার সন্তানদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। (ই.ফা. ২৫৯৮, ই.সে. ২৫৯৭)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘প্রতি মাসে তিনদিন করে সিয়াম পালন করাই যথেষ্ট’- এ কথার পরে আরো আছে, “কেননা প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময়ে তার দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়, আর এভাবে তা সারা বছরের সিয়ামের সমতুল্য গণ্য হয়”। তিনি তার বর্ণিত হাদীসের আরো উল্লেখ করেছেন, “আমি বললাম, আল্লাহর নবী দাউদ (‘আঃ)- এর সিয়াম কী (ছিল)? তিনি বললেন, বছরের অর্ধেক (অর্থাৎ একদিন সিয়াম পালন করা ও একদিন সিয়াম ভাঙ্গা)। তিনি (এ হাদীসে) কুরআন তিলাওয়াতের প্রসঙ্গে কিছুই উল্লেখ করেননি। এ বর্ণনায় তিনি “তোমার সাক্ষাত-প্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে”- এ কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং এতে আছেঃ তোমার সন্তানদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। (ই.ফা. ২৫৯৮, ই.সে. ২৫৯৭)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين المعلم، عن يحيى، بن أبي كثير بهذا الإسناد وزاد فيه بعد قوله " من كل شهر ثلاثة أيام " " فإن لك بكل حسنة عشر أمثالها فذلك الدهر كله " . وقال في الحديث قلت وما صوم نبي الله داود قال " نصف الدهر " . ولم يذكر في الحديث من قراءة القرآن شيئا ولم يقل " وإن لزورك عليك حقا " . ولكن قال " وإن لولدك عليك حقا " .
সহিহ মুসলিম ২৬২৭
وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، بهذا الإسناد وقال " ونفهت النفس " .
হাবীব ইবনু আবূ সাবিত (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আরও আছে, “এবং তুমি শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে পড়বে।” (ই.ফা. ২৬০৪, ই. সে. ২৬০৩)
হাবীব ইবনু আবূ সাবিত (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আরও আছে, “এবং তুমি শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে পড়বে।” (ই.ফা. ২৬০৪, ই. সে. ২৬০৩)
وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، بهذا الإسناد وقال " ونفهت النفس " .
সহিহ মুসলিম ২৬২৫
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد وقال إن أبا العباس الشاعر أخبره . قال مسلم أبو العباس السائب بن فروخ من أهل مكة ثقة عدل .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি বলেছেন, আবূ ‘আব্বাস শা’ইর (রহঃ) তাকে অবহিত করেছেন। (ইমাম মুসলিম বলেন): তিনি হলেন আবু ‘আব্বাস আস্ সায়িব ইবনু ফার্রূখ। তিনি মাক্কার অধিবাসী এবং বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। (ই.ফা. ২৬০২, ই.সে.২৬০১)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি বলেছেন, আবূ ‘আব্বাস শা’ইর (রহঃ) তাকে অবহিত করেছেন। (ইমাম মুসলিম বলেন): তিনি হলেন আবু ‘আব্বাস আস্ সায়িব ইবনু ফার্রূখ। তিনি মাক্কার অধিবাসী এবং বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। (ই.ফা. ২৬০২, ই.সে.২৬০১)
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد وقال إن أبا العباس الشاعر أخبره . قال مسلم أبو العباس السائب بن فروخ من أهل مكة ثقة عدل .
সহিহ মুসলিম > প্রতি মাসে তিনদিন, আরাফাতের দিন, ‘আশুরার দিন, সোম ও বৃহস্পতিবার সওম পালনের ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ২৬৩৫
وحدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا مهدي، - وهو ابن ميمون - حدثنا غيلان بن جرير، عن مطرف، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أنصلى الله عليه وسلم قال له أو قال لرجل وهو يسمع " يا فلان أصمت من سرة هذا الشهر " . قال لا . قال " فإذا أفطرت فصم يومين " .
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন অথবা (অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ) তিনি কোন ব্যক্তিকে বলেছেন এবং তিনি তা শুনলেন, হে অমুক! তুমি কি এ মাসের মধ্যভাগে সওম পালন করেছিলে? সে বলল, না। তিনি বললেন, যখন তুমি তা ভঙ্গ করবে, তখন দু’দিন সওম পালন করবে। (ই.ফা. ২৬১২, ই. সে. ২৬১১)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন অথবা (অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ) তিনি কোন ব্যক্তিকে বলেছেন এবং তিনি তা শুনলেন, হে অমুক! তুমি কি এ মাসের মধ্যভাগে সওম পালন করেছিলে? সে বলল, না। তিনি বললেন, যখন তুমি তা ভঙ্গ করবে, তখন দু’দিন সওম পালন করবে। (ই.ফা. ২৬১২, ই. সে. ২৬১১)
وحدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا مهدي، - وهو ابن ميمون - حدثنا غيلان بن جرير، عن مطرف، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أنصلى الله عليه وسلم قال له أو قال لرجل وهو يسمع " يا فلان أصمت من سرة هذا الشهر " . قال لا . قال " فإذا أفطرت فصم يومين " .
সহিহ মুসলিম ২৬৪০
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا مهدي بن ميمون، عن غيلان، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة الأنصاري، رضى الله عنه أنرسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن صوم الاثنين فقال " فيه ولدت وفيه أنزل على " .
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে সোমবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ঐদিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং ঐদিন আমার উপর (কুরআন) নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ২৬১৭, ই. সে. ২৬১৬)
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে সোমবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ঐদিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং ঐদিন আমার উপর (কুরআন) নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ২৬১৭, ই. সে. ২৬১৬)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا مهدي بن ميمون، عن غيلان، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة الأنصاري، رضى الله عنه أنرسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن صوم الاثنين فقال " فيه ولدت وفيه أنزل على " .
সহিহ মুসলিম ২৬৩৬
وحدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد، جميعا عن حماد، - قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، - عن غيلان، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، رجل أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال كيف تصوم فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى عمر - رضى الله عنه - غضبه قال رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا نعوذ بالله من غضب الله وغضب رسوله . فجعل عمر - رضى الله عنه - يردد هذا الكلام حتى سكن غضبه فقال عمر يا رسول الله كيف بمن يصوم الدهر كله قال " لا صام ولا أفطر - أو قال - لم يصم ولم يفطر " . قال كيف من يصوم يومين ويفطر يوما قال " ويطيق ذلك أحد " . قال كيف من يصوم يوما ويفطر يوما قال " ذاك صوم داود عليه السلام " . قال كيف من يصوم يوما ويفطر يومين قال " وددت أني طوقت ذلك " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ثلاث من كل شهر ورمضان إلى رمضان فهذا صيام الدهر كله صيام يوم عرفة أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله والسنة التي بعده وصيام يوم عاشوراء أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله " .
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি কিভাবে সওম পালন করেন? তার এ কথায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর অসন্তোষ লক্ষ্য করে বললেন, “আমরা আল্লাহ্র উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর আমাদের নবী হিসেবে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আল্লাহ্র কাছে তাঁর ও তাঁর রসূলের অসন্তোষ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি”। উমার (রাঃ) কথাটি বার বার আওড়াতে থাকলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসন্তোষের ভাব দূরীভূত হ’ল। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! যে ব্যক্তি সারা বছর সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি এবং ছেড়েও দেয়নি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে ব্যক্তি একদিন পর একদিন সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, এটা দাঊদ (আঃ)-এর সওম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, যে একদিন সওম পালন করে ও একদিন করে না, তার অবস্থা কিরূপ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি আশা করি যে, আমার এতটা শক্তি হোক। তিনি পুনরায় বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা এবং রমাযান মাসের সওম এক রমাযান থেকে পরবর্তী রমাযান পর্যন্ত সারা বছর সওম পালনের সমান। আর ‘আরাফাহ্ দিবসের সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। আর ‘আশুরার সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফ্ফারাহ্ হয়ে যাবে। (ই.ফা. ২৬১৩, ই. সে. ২৬১২)
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি কিভাবে সওম পালন করেন? তার এ কথায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর অসন্তোষ লক্ষ্য করে বললেন, “আমরা আল্লাহ্র উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর আমাদের নবী হিসেবে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা আল্লাহ্র কাছে তাঁর ও তাঁর রসূলের অসন্তোষ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি”। উমার (রাঃ) কথাটি বার বার আওড়াতে থাকলেন, এমনকি শেষ পর্যন্ত রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসন্তোষের ভাব দূরীভূত হ’ল। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! যে ব্যক্তি সারা বছর সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি এবং ছেড়েও দেয়নি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, যে ব্যক্তি একদিন পর একদিন সওম পালন করে তার অবস্থা কিরূপ? তিনি বললেন, এটা দাঊদ (আঃ)-এর সওম। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, যে একদিন সওম পালন করে ও একদিন করে না, তার অবস্থা কিরূপ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি আশা করি যে, আমার এতটা শক্তি হোক। তিনি পুনরায় বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা এবং রমাযান মাসের সওম এক রমাযান থেকে পরবর্তী রমাযান পর্যন্ত সারা বছর সওম পালনের সমান। আর ‘আরাফাহ্ দিবসের সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। আর ‘আশুরার সওম সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফ্ফারাহ্ হয়ে যাবে। (ই.ফা. ২৬১৩, ই. সে. ২৬১২)
وحدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد، جميعا عن حماد، - قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، - عن غيلان، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، رجل أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال كيف تصوم فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى عمر - رضى الله عنه - غضبه قال رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا نعوذ بالله من غضب الله وغضب رسوله . فجعل عمر - رضى الله عنه - يردد هذا الكلام حتى سكن غضبه فقال عمر يا رسول الله كيف بمن يصوم الدهر كله قال " لا صام ولا أفطر - أو قال - لم يصم ولم يفطر " . قال كيف من يصوم يومين ويفطر يوما قال " ويطيق ذلك أحد " . قال كيف من يصوم يوما ويفطر يوما قال " ذاك صوم داود عليه السلام " . قال كيف من يصوم يوما ويفطر يومين قال " وددت أني طوقت ذلك " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ثلاث من كل شهر ورمضان إلى رمضان فهذا صيام الدهر كله صيام يوم عرفة أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله والسنة التي بعده وصيام يوم عاشوراء أحتسب على الله أن يكفر السنة التي قبله " .
সহিহ মুসলিম ২৬৩৭
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن غيلان بن جرير، سمع عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة الأنصاري، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن صومه قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر رضى الله عنه رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا وببيعتنا بيعة . قال فسئل عن صيام الدهر فقال " لا صام ولا أفطر " . أو " ما صام وما أفطر " . قال فسئل عن صوم يومين وإفطار يوم قال " ومن يطيق ذلك " . قال وسئل عن صوم يوم وإفطار يومين قال " ليت أن الله قوانا لذلك " . قال وسئل عن صوم يوم وإفطار يوم قال " ذاك صوم أخي داود عليه السلام " . قال وسئل عن صوم يوم الاثنين قال " ذاك يوم ولدت فيه ويوم بعثت أو أنزل على فيه " . قال فقال " صوم ثلاثة من كل شهر ورمضان إلى رمضان صوم الدهر " . قال وسئل عن صوم يوم عرفة فقال " يكفر السنة الماضية والباقية " . قال وسئل عن صوم يوم عاشوراء فقال " يكفر السنة الماضية " . وفي هذا الحديث من رواية شعبة قال وسئل عن صوم يوم الاثنين والخميس فسكتنا عن ذكر الخميس لما نراه وهما .
আবূ ক্বাতাদাহ্ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমরা আল্লাহ্র উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দ্বীন হিসেবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর (আমাদের) রসূল হিসেবে এবং আমাদের কৃত বাই’আতের উপর আমরা সন্তুষ্ট। অতঃপর সারা বছর সওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি, ইফত্বার করেনি, সে সওম পালন করেনি এবং সওমহীনও থাকেনি। অতঃপর একাধারে দুদিন সওম পালন করা ও একদিন সওম পালন না করা সম্পর্কে জিজ্ঞস করা হ’ল। তিনি বললেন, এভাবে সওম পালনের সামর্থ্য কার আছে? অতঃপর একদিন সওম পালন ও দু’দিন সওম ত্যাগ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল। তিনি বললেন, আল্লাহ যেন আমাদের এরূপ সওম পালনের সামর্থ্য দান করেন। অতঃপর একদিন সওম পালন করা ও একদিন না করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল। তিনি বললেন, তা আমার ভাই দাঊদ (আঃ)-এর সওম। অতঃপর সোমবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এ দিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং এ দিনই আমি নুবূয়াতপ্রাপ্ত হয়েছি বা আমার উপর (কুরবান) নাযিল করা হয়েছে। তিনি আরও বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন এবং গোটা রমাযান সওম পালন করাই হ’ল সারা বছর সওম পালনের সমতূল্য। অতঃপর ‘আরাফাহ্ দিবসের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলেন তিনি বললেন, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের কাফ্ফারা হয়ে যাবে। অতঃপর ‘আশূরার সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, বিগত বছরের গুনাহের কাফ্ফারাহ্ হয়ে যাবে। এ হাদীসে শু’বাহ্-এর বর্ণনায় আরও আছে, “অতঃপর সোমবার ও বৃহস্পতিবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল”। কিন্তু আমাদের বৃহস্পতিবারের কথা ভুলবশতঃ বর্ণিত হয়েছে, তাই আমরা তার উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। (ই.ফা. ২৬১৪, ই. সে. ২৬১৩)
আবূ ক্বাতাদাহ্ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমরা আল্লাহ্র উপর (আমাদের) প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামের উপর (আমাদের) দ্বীন হিসেবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর (আমাদের) রসূল হিসেবে এবং আমাদের কৃত বাই’আতের উপর আমরা সন্তুষ্ট। অতঃপর সারা বছর সওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, সে সওম পালন করেনি, ইফত্বার করেনি, সে সওম পালন করেনি এবং সওমহীনও থাকেনি। অতঃপর একাধারে দুদিন সওম পালন করা ও একদিন সওম পালন না করা সম্পর্কে জিজ্ঞস করা হ’ল। তিনি বললেন, এভাবে সওম পালনের সামর্থ্য কার আছে? অতঃপর একদিন সওম পালন ও দু’দিন সওম ত্যাগ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল। তিনি বললেন, আল্লাহ যেন আমাদের এরূপ সওম পালনের সামর্থ্য দান করেন। অতঃপর একদিন সওম পালন করা ও একদিন না করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল। তিনি বললেন, তা আমার ভাই দাঊদ (আঃ)-এর সওম। অতঃপর সোমবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এ দিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং এ দিনই আমি নুবূয়াতপ্রাপ্ত হয়েছি বা আমার উপর (কুরবান) নাযিল করা হয়েছে। তিনি আরও বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন এবং গোটা রমাযান সওম পালন করাই হ’ল সারা বছর সওম পালনের সমতূল্য। অতঃপর ‘আরাফাহ্ দিবসের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলেন তিনি বললেন, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের কাফ্ফারা হয়ে যাবে। অতঃপর ‘আশূরার সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, বিগত বছরের গুনাহের কাফ্ফারাহ্ হয়ে যাবে। এ হাদীসে শু’বাহ্-এর বর্ণনায় আরও আছে, “অতঃপর সোমবার ও বৃহস্পতিবারের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল”। কিন্তু আমাদের বৃহস্পতিবারের কথা ভুলবশতঃ বর্ণিত হয়েছে, তাই আমরা তার উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। (ই.ফা. ২৬১৪, ই. সে. ২৬১৩)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن غيلان بن جرير، سمع عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة الأنصاري، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن صومه قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر رضى الله عنه رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا وببيعتنا بيعة . قال فسئل عن صيام الدهر فقال " لا صام ولا أفطر " . أو " ما صام وما أفطر " . قال فسئل عن صوم يومين وإفطار يوم قال " ومن يطيق ذلك " . قال وسئل عن صوم يوم وإفطار يومين قال " ليت أن الله قوانا لذلك " . قال وسئل عن صوم يوم وإفطار يوم قال " ذاك صوم أخي داود عليه السلام " . قال وسئل عن صوم يوم الاثنين قال " ذاك يوم ولدت فيه ويوم بعثت أو أنزل على فيه " . قال فقال " صوم ثلاثة من كل شهر ورمضان إلى رمضان صوم الدهر " . قال وسئل عن صوم يوم عرفة فقال " يكفر السنة الماضية والباقية " . قال وسئل عن صوم يوم عاشوراء فقال " يكفر السنة الماضية " . وفي هذا الحديث من رواية شعبة قال وسئل عن صوم يوم الاثنين والخميس فسكتنا عن ذكر الخميس لما نراه وهما .
সহিহ মুসলিম ২৬৩৪
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن يزيد الرشك، قال حدثتني معاذة، العدوية أنها سألت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم من كل شهر ثلاثة أيام قالت نعم . فقلت لها من أى أيام الشهر كان يصوم قالت لم يكن يبالي من أى أيام الشهر يصوم .
মু’আযাহ্ আল ‘আদাবিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে জানতে চাইলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করলাম, মাসের কোন্ কোন্ দিন তিনি সওম পালন করতেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি মাসের যে কোন দিন সওম পালন করতে দ্বিধা করতেন না। (ই.ফা. ২৬১১, ই. সে. ২৬১০)
মু’আযাহ্ আল ‘আদাবিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে জানতে চাইলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করলাম, মাসের কোন্ কোন্ দিন তিনি সওম পালন করতেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিনি মাসের যে কোন দিন সওম পালন করতে দ্বিধা করতেন না। (ই.ফা. ২৬১১, ই. সে. ২৬১০)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن يزيد الرشك، قال حدثتني معاذة، العدوية أنها سألت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم من كل شهر ثلاثة أيام قالت نعم . فقلت لها من أى أيام الشهر كان يصوم قالت لم يكن يبالي من أى أيام الشهر يصوم .
সহিহ মুসলিম ২৬৩৮
وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا النضر بن شميل، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد.
শু’বাহ্ (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৬১৫, ই. সে. ২৬১৪)
শু’বাহ্ (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৬১৫, ই. সে. ২৬১৪)
وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا النضر بن شميل، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد.
সহিহ মুসলিম ২৬৩৯
وحدثني أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا أبان العطار، حدثنا غيلان بن جرير، في هذا الإسناد بمثل حديث شعبة غير أنه ذكر فيه الاثنين ولم يذكر الخميس .
গইলান ইবনু জারীর (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
শু’বাহ্-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে তিনি (গইলান) সোমবারের উল্লেখ করেছেন কিন্তু বৃহস্পতিবারের উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৬১৬, ই. সে. ২৬১৫)
গইলান ইবনু জারীর (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
শু’বাহ্-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে তিনি (গইলান) সোমবারের উল্লেখ করেছেন কিন্তু বৃহস্পতিবারের উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৬১৬, ই. সে. ২৬১৫)
وحدثني أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا أبان العطار، حدثنا غيلان بن جرير، في هذا الإسناد بمثل حديث شعبة غير أنه ذكر فيه الاثنين ولم يذكر الخميس .
সহিহ মুসলিম > শা’বান মাসের সওম
সহিহ মুসলিম ২৬৪১
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن مطرف، - ولم أفهم مطرفا من هداب - عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له أو لآخر " أصمت من سرر شعبان " . قال لا . قال " فإذا أفطرت فصم يومين " .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অথবা অপর কাউকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি শা’বান মাসের মধ্যভাগে সওম পালন করেছিলে? তিনি বললেন, না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যখন তুমি সওম পালন করনি, তখন দু’দিন সওম পালন করে নিও। (ই.ফা. ২৬১৮, ই. সে. ২৬১৭)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অথবা অপর কাউকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি শা’বান মাসের মধ্যভাগে সওম পালন করেছিলে? তিনি বললেন, না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যখন তুমি সওম পালন করনি, তখন দু’দিন সওম পালন করে নিও। (ই.ফা. ২৬১৮, ই. সে. ২৬১৭)
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن مطرف، - ولم أفهم مطرفا من هداب - عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له أو لآخر " أصمت من سرر شعبان " . قال لا . قال " فإذا أفطرت فصم يومين " .
সহিহ মুসলিম ২৬৪২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن الجريري، عن أبي، العلاء عن مطرف، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لرجل " هل صمت من سرر هذا الشهر شيئا " . قال لا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإذا أفطرت من رمضان فصم يومين مكانه " .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ মাসের মধ্যভাগে কিছু দিন সওম পালন করেছিলে? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তার বদলে রমাযানের সিয়াম শেষ করে দু’দিন সিয়াম পালন করবে। (ই.ফা. ২৬১৯, ই. সে. ২৬১৮)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ মাসের মধ্যভাগে কিছু দিন সওম পালন করেছিলে? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তার বদলে রমাযানের সিয়াম শেষ করে দু’দিন সিয়াম পালন করবে। (ই.ফা. ২৬১৯, ই. সে. ২৬১৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن الجريري، عن أبي، العلاء عن مطرف، عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لرجل " هل صمت من سرر هذا الشهر شيئا " . قال لا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإذا أفطرت من رمضان فصم يومين مكانه " .
সহিহ মুসলিম ২৬৪৩
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابن أخي، مطرف بن الشخير قال سمعت مطرفا، يحدث عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أنصلى الله عليه وسلم قال لرجل " هل صمت من سرر هذا الشهر شيئا " . يعني شعبان . قال لا . قال فقال له " إذا أفطرت رمضان فصم يوما أو يومين " . شعبة الذي شك فيه قال وأظنه قال يومين .
’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বললেন, তুমি কি এক মাসের অর্থাৎ শা’বান মাসের মধ্যভাগে কিছু দিন সিয়াম পালন করেছ? সে বলল, না। তিনি তাকে বললেন, রমাযানের সওম পালন শেষ করে তুমি একদিন বা দু’দিন সওম পালন কর। এ সম্পর্কে শু’বাহ-এর সন্দেহ রয়েছে এবং রাবী বলেন, আমার ধারণা যে, তিনি দু’দিনের কথা বলেছেন। (ই.ফা. ২৬২০, ই. সে. ২৬১৯)
’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বললেন, তুমি কি এক মাসের অর্থাৎ শা’বান মাসের মধ্যভাগে কিছু দিন সিয়াম পালন করেছ? সে বলল, না। তিনি তাকে বললেন, রমাযানের সওম পালন শেষ করে তুমি একদিন বা দু’দিন সওম পালন কর। এ সম্পর্কে শু’বাহ-এর সন্দেহ রয়েছে এবং রাবী বলেন, আমার ধারণা যে, তিনি দু’দিনের কথা বলেছেন। (ই.ফা. ২৬২০, ই. সে. ২৬১৯)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابن أخي، مطرف بن الشخير قال سمعت مطرفا، يحدث عن عمران بن حصين، - رضى الله عنهما - أنصلى الله عليه وسلم قال لرجل " هل صمت من سرر هذا الشهر شيئا " . يعني شعبان . قال لا . قال فقال له " إذا أفطرت رمضان فصم يوما أو يومين " . شعبة الذي شك فيه قال وأظنه قال يومين .
সহিহ মুসলিম ২৬৪৪
وحدثني محمد بن قدامة، ويحيى اللؤلؤي، قالا أخبرنا النضر، أخبرنا شعبة، حدثنا عبد الله بن هانئ ابن أخي، مطرف في هذا الإسناد . بمثله .
‘আবদুল্লাহ ইবনু হানী ইবনু আখী মুতাররিফ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস করেছেন। (ই.ফা. ২৬২১, ই. সে. ২৬২০)
‘আবদুল্লাহ ইবনু হানী ইবনু আখী মুতাররিফ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস করেছেন। (ই.ফা. ২৬২১, ই. সে. ২৬২০)
وحدثني محمد بن قدامة، ويحيى اللؤلؤي، قالا أخبرنا النضر، أخبرنا شعبة، حدثنا عبد الله بن هانئ ابن أخي، مطرف في هذا الإسناد . بمثله .
সহিহ মুসলিম > মুহার্রমের সওমের ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ২৬৪৬
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن محمد بن، المنتشر عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - يرفعه قال سئل أى الصلاة أفضل بعد المكتوبة وأى الصيام أفضل بعد شهر رمضان فقال " أفضل الصلاة بعد الصلاة المكتوبة الصلاة في جوف الليل وأفضل الصيام بعد شهر رمضان صيام شهر الله المحرم " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হ’ল, ফার্য সলাতসমূহের পর কোন্ সলাত এবং রমাযান মাসের সিয়ামের পর কোন্ সওম সর্বোত্তম? তিনি বললেন, ফরয সলাতসমূহের পর গভীর রাতের সলাত সর্বোত্তম এবং রমাযান মাসের সিয়ামের পর আল্লাহ্র মাস মুহার্রমের সওম সর্বোত্তম। (ই.ফা. ২৬২৩, ই. সে. ২৬২২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হ’ল, ফার্য সলাতসমূহের পর কোন্ সলাত এবং রমাযান মাসের সিয়ামের পর কোন্ সওম সর্বোত্তম? তিনি বললেন, ফরয সলাতসমূহের পর গভীর রাতের সলাত সর্বোত্তম এবং রমাযান মাসের সিয়ামের পর আল্লাহ্র মাস মুহার্রমের সওম সর্বোত্তম। (ই.ফা. ২৬২৩, ই. সে. ২৬২২)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن محمد بن، المنتشر عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - يرفعه قال سئل أى الصلاة أفضل بعد المكتوبة وأى الصيام أفضل بعد شهر رمضان فقال " أفضل الصلاة بعد الصلاة المكتوبة الصلاة في جوف الليل وأفضل الصيام بعد شهر رمضان صيام شهر الله المحرم " .
সহিহ মুসলিম ২৬৪৫
حدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن حميد بن عبد الرحمن، الحميري عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم وأفضل الصلاة بعد الفريضة صلاة الليل " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: রমাযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সওম হচ্ছে আল্লাহ্র মাস মুহাররমের সওম এবং ফরয সলাতের পর সর্বোত্তম সলাত হচ্ছে রাতের সলাত। (ই.ফা. ২৬২২, ই. সে. ২৬২১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: রমাযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সওম হচ্ছে আল্লাহ্র মাস মুহাররমের সওম এবং ফরয সলাতের পর সর্বোত্তম সলাত হচ্ছে রাতের সলাত। (ই.ফা. ২৬২২, ই. সে. ২৬২১)
حدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن حميد بن عبد الرحمن، الحميري عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم وأفضل الصلاة بعد الفريضة صلاة الليل " .
সহিহ মুসলিম ২৬৪৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن عبد الملك، بن عمير بهذا الإسناد في ذكر الصيام عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله .
‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৬২৪, ই.সে. ২৬২৩)
‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৬২৪, ই.সে. ২৬২৩)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن عبد الملك، بن عمير بهذا الإسناد في ذكر الصيام عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله .