সহিহ মুসলিম > দিনের বেলা সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার পূর্ব পর্যন্ত নাফ্‌ল সিয়ামের নিয়্যাত করা যেতে পারে, নাফ্‌ল সিয়াম পালনকারীর জন্য কোনরূপ ওজর ছাড়াই সিয়াম ভঙ্গ করা জায়িয, তবে সিয়াম পূর্ণ করাই উত্তম।

সহিহ মুসলিম ২৬০৫

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال ‏"‏ هل عندكم شىء ‏"‏ ‏.‏ فقلنا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فإني إذا صائم ‏"‏ ‏.‏ ثم أتانا يوما آخر فقلنا يا رسول الله أهدي لنا حيس ‏.‏ فقال ‏"‏ أرينيه فلقد أصبحت صائما ‏"‏ ‏.‏ فأكل ‏.

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; আবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ই.ফা. ২৫৮২, ই.সে. ২৫৮১)

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; আবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ই.ফা. ২৫৮২, ই.সে. ২৫৮১)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال ‏"‏ هل عندكم شىء ‏"‏ ‏.‏ فقلنا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فإني إذا صائم ‏"‏ ‏.‏ ثم أتانا يوما آخر فقلنا يا رسول الله أهدي لنا حيس ‏.‏ فقال ‏"‏ أرينيه فلقد أصبحت صائما ‏"‏ ‏.‏ فأكل ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬০৪

وحدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا طلحة، بن يحيى بن عبيد الله حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم ‏"‏ يا عائشة هل عندكم شىء ‏"‏ ‏.‏ قالت فقلت يا رسول الله ما عندنا شىء ‏.‏ قال ‏"‏ فإني صائم ‏"‏ ‏.‏ قالت فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - قالت - فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله أهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - وقد خبأت لك شيئا ‏.‏ قال ‏"‏ ما هو ‏"‏ ‏.‏ قلت حيس ‏.‏ قال ‏"‏ هاتيه ‏"‏ ‏.‏ فجئت به فأكل ثم قال ‏"‏ قد كنت أصبحت صائما ‏"‏ ‏.‏ قال طلحة فحدثت مجاهدا بهذا الحديث فقال ذاك بمنزلة الرجل يخرج الصدقة من ماله فإن شاء أمضاها وإن شاء أمسكها‏.

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “হে ‘আয়িশাহ্‌! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম পালনকারী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বলেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বল্‌হাহ্‌ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাক্বাহ্‌ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ই.ফা. ২৫৮১, ই.সে. ২৫৮০)

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “হে ‘আয়িশাহ্‌! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম পালনকারী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বলেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বল্‌হাহ্‌ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাক্বাহ্‌ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ই.ফা. ২৫৮১, ই.সে. ২৫৮০)

وحدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا طلحة، بن يحيى بن عبيد الله حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم ‏"‏ يا عائشة هل عندكم شىء ‏"‏ ‏.‏ قالت فقلت يا رسول الله ما عندنا شىء ‏.‏ قال ‏"‏ فإني صائم ‏"‏ ‏.‏ قالت فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - قالت - فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله أهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - وقد خبأت لك شيئا ‏.‏ قال ‏"‏ ما هو ‏"‏ ‏.‏ قلت حيس ‏.‏ قال ‏"‏ هاتيه ‏"‏ ‏.‏ فجئت به فأكل ثم قال ‏"‏ قد كنت أصبحت صائما ‏"‏ ‏.‏ قال طلحة فحدثت مجاهدا بهذا الحديث فقال ذاك بمنزلة الرجل يخرج الصدقة من ماله فإن شاء أمضاها وإن شاء أمسكها‏.


সহিহ মুসলিম > ভুলে পানাহার করলে বা সঙ্গম করে বসলে তাতে সিয়াম ভঙ্গ হয় না

সহিহ মুসলিম ২৬০৬

وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্‌ই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৮৩, ই.সে. ২৫৮২)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্‌ই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৮৩, ই.সে. ২৫৮২)

وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম

সহিহ মুসলিম ২৬১২

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن ابن أبي لبيد، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام ‏.‏ ويفطر حتى نقول قد أفطر ‏.‏ ولم أره صائما من شهر قط أكثر من صيامه من شعبان كان يصوم شعبان كله كان يصوم شعبان إلا قليلا ‏.

আবূ সালামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যে, আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম পালন করে যাচ্ছেন (হয়ত আর বিরত হবেন না)। আবার তিনি কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন না করে অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, হয়ত তিনি আর সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাকে শা’বান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত অধিক (নাফ্‌ল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি। তিনি পুরো শা’বান মাসেই সিয়াম পালন করতেন। (অর্থাৎ কয়েক দিন ছাড়া পূর্ণ শা’বান মাস সিয়াম পালন করতেন)। (ই.ফা. ২৫৮৯, ই.সে. ২৫৮৮)

আবূ সালামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যে, আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম পালন করে যাচ্ছেন (হয়ত আর বিরত হবেন না)। আবার তিনি কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন না করে অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, হয়ত তিনি আর সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাকে শা’বান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত অধিক (নাফ্‌ল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি। তিনি পুরো শা’বান মাসেই সিয়াম পালন করতেন। (অর্থাৎ কয়েক দিন ছাড়া পূর্ণ শা’বান মাস সিয়াম পালন করতেন)। (ই.ফা. ২৫৮৯, ই.সে. ২৫৮৮)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن ابن أبي لبيد، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام ‏.‏ ويفطر حتى نقول قد أفطر ‏.‏ ولم أره صائما من شهر قط أكثر من صيامه من شعبان كان يصوم شعبان كله كان يصوم شعبان إلا قليلا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬০৮

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا كهمس، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعائشة - رضى الله عنها - أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا كله قالت ما علمته صام شهرا كله إلا رمضان ولا أفطره كله حتى يصوم منه حتى مضى لسبيله صلى الله عليه وسلم ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কখনও একটি পূর্ণ মাস (নাফ্‌ল) সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তাঁর ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও কাটেনি যে মাসে তিনি (দু’ একটি) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৫, ই.সে. ২৫৮৪)

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কখনও একটি পূর্ণ মাস (নাফ্‌ল) সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তাঁর ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও কাটেনি যে মাসে তিনি (দু’ একটি) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৫, ই.সে. ২৫৮৪)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا كهمس، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعائشة - رضى الله عنها - أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا كله قالت ما علمته صام شهرا كله إلا رمضان ولا أفطره كله حتى يصوم منه حتى مضى لسبيله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن يحيى بن، أبي كثير حدثنا أبو سلمة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الشهر من السنة أكثر صياما منه في شعبان وكان يقول ‏"‏ خذوا من الأعمال ما تطيقون فإن الله لن يمل حتى تملوا ‏"‏ ‏.‏ وكان يقول ‏"‏ أحب العمل إلى الله ما داوم عليه صاحبه وإن قل ‏"‏ ‏.

’আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসে যত সিয়াম পালন করতেন, সারা বছরে অন্য কোন মাসে তিনি এত অধিক সিয়াম পালন করতেন না। আর তিনি (লোকদের উদ্দেশ্য) বলতেন, “তোমরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যত বেশী পার ‘আমাল কর।” কেননা, আল্লাহ তা’আলা (তোমাদেরকে সাওয়াব দানে) ক্লান্ত বা বিরক্ত হবেন না যতক্ষণ তোমরা অক্ষম হয়ে না পড়বে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তা’আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ‘আমাল হচ্ছে যা কোন বান্দা অব্যাহতভাবে করে থাকে- যদিও তা পরিমাণে কম হয়। (ই.ফা. ২৫৯০, ই.সে. ২৫৮৯)

’আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসে যত সিয়াম পালন করতেন, সারা বছরে অন্য কোন মাসে তিনি এত অধিক সিয়াম পালন করতেন না। আর তিনি (লোকদের উদ্দেশ্য) বলতেন, “তোমরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যত বেশী পার ‘আমাল কর।” কেননা, আল্লাহ তা’আলা (তোমাদেরকে সাওয়াব দানে) ক্লান্ত বা বিরক্ত হবেন না যতক্ষণ তোমরা অক্ষম হয়ে না পড়বে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তা’আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ‘আমাল হচ্ছে যা কোন বান্দা অব্যাহতভাবে করে থাকে- যদিও তা পরিমাণে কম হয়। (ই.ফা. ২৫৯০, ই.সে. ২৫৮৯)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن يحيى بن، أبي كثير حدثنا أبو سلمة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الشهر من السنة أكثر صياما منه في شعبان وكان يقول ‏"‏ خذوا من الأعمال ما تطيقون فإن الله لن يمل حتى تملوا ‏"‏ ‏.‏ وكان يقول ‏"‏ أحب العمل إلى الله ما داوم عليه صاحبه وإن قل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬০৭

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن سعيد الجريري، عن عبد الله، بن شقيق قال قلت لعائشة رضى الله عنها هل كان النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا معلوما سوى رمضان قالت والله إن صام شهرا معلوما سوى رمضان حتى مضى لوجهه ولا أفطره حتى يصيب منه ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর শপথ! তিনি আজীবন রমাযান ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ এক মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও অতিবাহিত হয়নি যাতে তিনি অন্তত কিছু সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৪, ই.সে. ২৫৮৩)

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর শপথ! তিনি আজীবন রমাযান ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ এক মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও অতিবাহিত হয়নি যাতে তিনি অন্তত কিছু সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৪, ই.সে. ২৫৮৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن سعيد الجريري، عن عبد الله، بن شقيق قال قلت لعائشة رضى الله عنها هل كان النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا معلوما سوى رمضان قالت والله إن صام شهرا معلوما سوى رمضان حتى مضى لوجهه ولا أفطره حتى يصيب منه ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১৮

وحدثني زهير بن حرب، وابن أبي خلف، قالا حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، رضى الله عنه ح. وحدثني أبو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن أنس، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصوم حتى يقال قد صام قد صام ‏.‏ ويفطر حتى يقال قد أفطر قد أفطر ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়াম পালন করে যেতেন, এমনকি বলা হত তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আবার তিনি সিয়াম থেকে এমনভাবে বিরত থাকতেন যে, বলা হত তিনি অনেক দিন সিয়াম থেকে বিরত রয়েছেন, অনেক দিন বিরত রয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৯৫, ই.সে. ২৫৯৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়াম পালন করে যেতেন, এমনকি বলা হত তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আবার তিনি সিয়াম থেকে এমনভাবে বিরত থাকতেন যে, বলা হত তিনি অনেক দিন সিয়াম থেকে বিরত রয়েছেন, অনেক দিন বিরত রয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৯৫, ই.সে. ২৫৯৪)

وحدثني زهير بن حرب، وابن أبي خلف، قالا حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، رضى الله عنه ح. وحدثني أبو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن أنس، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصوم حتى يقال قد صام قد صام ‏.‏ ويفطر حتى يقال قد أفطر قد أفطر ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬০৯

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، عن أيوب، وهشام، عن محمد، عن عبد الله بن شقيق، - قال حماد وأظن أيوب قد سمعه من عبد الله بن شقيق، - قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صوم النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام قد صام ‏.‏ ويفطر حتى نقول قد أفطر قد أفطر - قالت - وما رأيته صام شهرا كاملا منذ قدم المدينة إلا أن يكون رمضان ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আর কখনো তিনি একাধারে পানাহার (সিয়াম পালন না করে) কাটিয়ে দিতেন। যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক দিন যাবৎ সিয়াম পালন করেননি, তিনি অনেক দিন সিয়াম পালন করেননি। ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তিনি মাদীনায় আসার পর আমি তাঁকে রমাযান মাস ছাড়া কখনো পূর্ণ একটি মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৬, ই.সে. ২৫৮৫)

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আর কখনো তিনি একাধারে পানাহার (সিয়াম পালন না করে) কাটিয়ে দিতেন। যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক দিন যাবৎ সিয়াম পালন করেননি, তিনি অনেক দিন সিয়াম পালন করেননি। ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তিনি মাদীনায় আসার পর আমি তাঁকে রমাযান মাস ছাড়া কখনো পূর্ণ একটি মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৬, ই.সে. ২৫৮৫)

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، عن أيوب، وهشام، عن محمد، عن عبد الله بن شقيق، - قال حماد وأظن أيوب قد سمعه من عبد الله بن شقيق، - قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صوم النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام قد صام ‏.‏ ويفطر حتى نقول قد أفطر قد أفطر - قالت - وما رأيته صام شهرا كاملا منذ قدم المدينة إلا أن يكون رمضان ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১৪

حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال ما صام رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا كاملا قط غير رمضان ‏.‏ وكان يصوم إذا صام حتى يقول القائل لا والله لا يفطر ‏.‏ ويفطر إذا أفطر حتى يقول القائل لا والله لا يصوم ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন না। তিনি যখন সিয়াম পালন করতেন তখন ক্রমাগত সিয়াম পালন করে যেতেন। ফলে লোকেরা বলত, আল্লাহর ক্বসম! হয়ত তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন তিনি সিয়াম ছেড়ে দিতেন একাধারেই বিরতি দিতে থাকতেন। এমনকি লোকেরা বলত আল্লাহর ক্বসম! তিনি হয়ত আর সিয়াম পালন করবেন না। [১০] (ই.ফা. ২৫৯১, ই.সে. ২৫৯০)

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন না। তিনি যখন সিয়াম পালন করতেন তখন ক্রমাগত সিয়াম পালন করে যেতেন। ফলে লোকেরা বলত, আল্লাহর ক্বসম! হয়ত তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন তিনি সিয়াম ছেড়ে দিতেন একাধারেই বিরতি দিতে থাকতেন। এমনকি লোকেরা বলত আল্লাহর ক্বসম! তিনি হয়ত আর সিয়াম পালন করবেন না। [১০] (ই.ফা. ২৫৯১, ই.সে. ২৫৯০)

حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال ما صام رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا كاملا قط غير رمضان ‏.‏ وكان يصوم إذا صام حتى يقول القائل لا والله لا يفطر ‏.‏ ويفطر إذا أفطر حتى يقول القائل لا والله لا يصوم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১১

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر ‏.‏ ويفطر حتى نقول لا يصوم ‏.‏ وما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته في شهر أكثر منه صياما في شعبان ‏.

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন। ফলে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার এমনভাবে তিনি ক্রমাগত সিয়াম ছাড়তে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাঁকে কখনো রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে অধিক সিয়াম পালন করতেও দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৮, ই.সে. ২৫৮৭)

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন। ফলে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার এমনভাবে তিনি ক্রমাগত সিয়াম ছাড়তে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাঁকে কখনো রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে অধিক সিয়াম পালন করতেও দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৮, ই.সে. ২৫৮৭)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر ‏.‏ ويفطر حتى نقول لا يصوم ‏.‏ وما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته في شهر أكثر منه صياما في شعبان ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، قال سألت سعيد بن جبير عن صوم، رجب - ونحن يومئذ في رجب - فقال سمعت ابن عباس - رضى الله عنهما - يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر ‏.‏ ويفطر حتى نقول لا يصوم ‏.

’উসমান ইবনু হাকীম আল আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রজব মাসের সিয়াম সম্পর্কে সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি হয়ত আর সিয়াম ছাড়বেন না। আবার তিনি এমনভাবে ক্রমাগত সিয়াম না রেখে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। (ই.ফা. ২৫৯৩, ই.সে. ২৫৯২)

’উসমান ইবনু হাকীম আল আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রজব মাসের সিয়াম সম্পর্কে সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি হয়ত আর সিয়াম ছাড়বেন না। আবার তিনি এমনভাবে ক্রমাগত সিয়াম না রেখে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। (ই.ফা. ২৫৯৩, ই.সে. ২৫৯২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، قال سألت سعيد بن جبير عن صوم، رجب - ونحن يومئذ في رجب - فقال سمعت ابن عباس - رضى الله عنهما - يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر ‏.‏ ويفطر حتى نقول لا يصوم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১৫

وحدثنا محمد بن بشار وأبو بكر بن نافع عن غندر عن شعبة عن أبي بشر بهذا الإسناد وقال شهرا متتابعا منذ قدم المدينة

আবূ বিশর (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাতে আসার পর কখনো একাধারে এক মাস (নাফ্ল) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৯২, ই.সে. ২৫৯১)

আবূ বিশর (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাতে আসার পর কখনো একাধারে এক মাস (নাফ্ল) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৯২, ই.সে. ২৫৯১)

وحدثنا محمد بن بشار وأبو بكر بن نافع عن غندر عن شعبة عن أبي بشر بهذا الإسناد وقال شهرا متتابعا منذ قدم المدينة


সহিহ মুসলিম ২৬১৭

وحدثنيه علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثني إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن عثمان بن حكيم، في هذا الإسناد ‏.‏ بمثله ‏.

’উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৯৪, ই.সে.২৫৯৩)

’উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৯৪, ই.সে.২৫৯৩)

وحدثنيه علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثني إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن عثمان بن حكيم، في هذا الإسناد ‏.‏ بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১০

وحدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن أيوب، عن عبد الله بن شقيق، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - بمثله ولم يذكر في الإسناد هشاما ولا محمدا ‏.‏

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সানাদে অধঃস্তন রাবী হিশাম ও মুহাম্মাদের নাম উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৫৮৭, ই.সে.২৫৮৬)

’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সানাদে অধঃস্তন রাবী হিশাম ও মুহাম্মাদের নাম উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৫৮৭, ই.সে.২৫৮৬)

وحدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن أيوب، عن عبد الله بن شقيق، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - بمثله ولم يذكر في الإسناد هشاما ولا محمدا ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সারা বছর ধরে সিয়াম পালন করা নিষেধ, কারণ এতে স্বাস্থ্যহানি হওয়ার এবং জরুরী কর্তব্য পালনে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, একদিন পরপর সিয়াম পালন করার ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ২৬২৩

وحدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن الأوزاعي، قراءة قال حدثني يحيى بن أبي كثير، عن ابن الحكم بن ثوبان، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عبد الله لا تكن بمثل فلان كان يقوم الليل فترك قيام الليل ‏"‏ ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ! (বেশী বেশী রাত জেগে) তুমিও অমুক ব্যক্তির মতো হয়ে যেও না। সে রাত জেগে জেগে সলাত আদায় করত, অতঃপর রাত জেগে ‘ইবাদাত করা ছেড়ে দিয়েছে। (ই.ফা. ২৬০০, ই.সে ২৫৯৯)

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ! (বেশী বেশী রাত জেগে) তুমিও অমুক ব্যক্তির মতো হয়ে যেও না। সে রাত জেগে জেগে সলাত আদায় করত, অতঃপর রাত জেগে ‘ইবাদাত করা ছেড়ে দিয়েছে। (ই.ফা. ২৬০০, ই.সে ২৫৯৯)

وحدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمرو بن أبي سلمة، عن الأوزاعي، قراءة قال حدثني يحيى بن أبي كثير، عن ابن الحكم بن ثوبان، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عبد الله لا تكن بمثل فلان كان يقوم الليل فترك قيام الليل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬১৯

حدثني أبو الطاهر، قال سمعت عبد الله بن وهب، يحدث عن يونس، عن ابن، شهاب ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يقول لأقومن الليل ولأصومن النهار ما عشت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ آنت الذي تقول ذلك ‏"‏ ‏.‏ فقلت له قد قلته يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فإنك لا تستطيع ذلك فصم وأفطر ونم وقم وصم من الشهر ثلاثة أيام فإن الحسنة بعشر أمثالها وذلك مثل صيام الدهر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم يوما وأفطر يومين ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله قال ‏"‏ صم يوما وأفطر يوما وذلك صيام داود - عليه السلام - وهو أعدل الصيام ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا أفضل من ذلك ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما لأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلى من أهلي ومالي ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবহিত করা হলো যে, আমি বলছি, আমি যতদিন বেঁচে থাকব সারা রাতে সলাত আদায় করব এবং সর্বদা দিনের বেলা সিয়াম পালন করব। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ কথা বলেছ? আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এ কথা বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এ কাজ করতে পারবে না, কারণ তোমার সে সামর্থ্য নেই। পড়, নিদ্রাও যাও। আর প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম পালন কর। কেননা প্রত্যেক নেক কাজের জন্য দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়। এতেই সারা জীবন সিয়াম পালন করার সাওয়াব পাওয়া যাবে। রাবী বলেন, আমি আরয করলাম, আমি এর চেয়েও বেশী করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তবে একদিন সিয়াম পালন কর এবং অতঃপর দু’দিন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাক। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম’। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সিয়াম পালন কর এবং একদিন বিরত থাক। এটাই দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম। আর এর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মত তিন দিনের সিয়াম পালন করাকে যদি আমি গ্রহণ করে নিতাম তাহলে এটা আমার কাছে আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়েও পছন্দনীয় হত। (ই.ফা. ২৫৯৬, ই.সে. ২৫৯৫)

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবহিত করা হলো যে, আমি বলছি, আমি যতদিন বেঁচে থাকব সারা রাতে সলাত আদায় করব এবং সর্বদা দিনের বেলা সিয়াম পালন করব। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি এ কথা বলেছ? আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এ কথা বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এ কাজ করতে পারবে না, কারণ তোমার সে সামর্থ্য নেই। পড়, নিদ্রাও যাও। আর প্রতি মাসে তিন দিন সিয়াম পালন কর। কেননা প্রত্যেক নেক কাজের জন্য দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়। এতেই সারা জীবন সিয়াম পালন করার সাওয়াব পাওয়া যাবে। রাবী বলেন, আমি আরয করলাম, আমি এর চেয়েও বেশী করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তবে একদিন সিয়াম পালন কর এবং অতঃপর দু’দিন সিয়াম পালন থেকে বিরত থাক। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম’। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সিয়াম পালন কর এবং একদিন বিরত থাক। এটাই দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম। আর এর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মত তিন দিনের সিয়াম পালন করাকে যদি আমি গ্রহণ করে নিতাম তাহলে এটা আমার কাছে আমার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়েও পছন্দনীয় হত। (ই.ফা. ২৫৯৬, ই.সে. ২৫৯৫)

حدثني أبو الطاهر، قال سمعت عبد الله بن وهب، يحدث عن يونس، عن ابن، شهاب ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يقول لأقومن الليل ولأصومن النهار ما عشت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ آنت الذي تقول ذلك ‏"‏ ‏.‏ فقلت له قد قلته يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فإنك لا تستطيع ذلك فصم وأفطر ونم وقم وصم من الشهر ثلاثة أيام فإن الحسنة بعشر أمثالها وذلك مثل صيام الدهر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم يوما وأفطر يومين ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله قال ‏"‏ صم يوما وأفطر يوما وذلك صيام داود - عليه السلام - وهو أعدل الصيام ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا أفضل من ذلك ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما لأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلى من أهلي ومالي ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২৬

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثني أبي، حدثنا شعبة، عن حبيب، سمع أبا العباس، سمع عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عبد الله بن عمرو إنك لتصوم الدهر وتقوم الليل وإنك إذا فعلت ذلك هجمت له العين ونهكت لا صام من صام الأبد صوم ثلاثة أيام من الشهر صوم الشهر كله ‏"‏ ‏.‏ قلت فإني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم داود كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى ‏"‏ ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র! তুমি তো একাধারে সওম (রোযা) পালন করে যাচ্ছ। সারারাত ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাক। তুমি এরূপ করলে তাতে তোমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলবে। যে ব্যক্তি সর্বদা সওম পালন করল, সে মূলত সওম পালন করল না। মাসে তিন দিন সওম পালন করা পূর্ণ মাস পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশি সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ)-এর ন্যায় সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন ছেড়ে দিতেন এবং পলায়ন করতেন না যখন শত্রুর সম্মুখীন হতেন। (ই.ফা. ২৬০৩, ই.সে. ২৬০২)

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র! তুমি তো একাধারে সওম (রোযা) পালন করে যাচ্ছ। সারারাত ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাক। তুমি এরূপ করলে তাতে তোমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলবে। যে ব্যক্তি সর্বদা সওম পালন করল, সে মূলত সওম পালন করল না। মাসে তিন দিন সওম পালন করা পূর্ণ মাস পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশি সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ)-এর ন্যায় সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন ছেড়ে দিতেন এবং পলায়ন করতেন না যখন শত্রুর সম্মুখীন হতেন। (ই.ফা. ২৬০৩, ই.সে. ২৬০২)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثني أبي، حدثنا شعبة، عن حبيب، سمع أبا العباس، سمع عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عبد الله بن عمرو إنك لتصوم الدهر وتقوم الليل وإنك إذا فعلت ذلك هجمت له العين ونهكت لا صام من صام الأبد صوم ثلاثة أيام من الشهر صوم الشهر كله ‏"‏ ‏.‏ قلت فإني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم داود كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২৪

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يزعم أن أبا العباس، أخبره أنه، سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - يقول بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أني أصوم أسرد وأصلي الليل فإما أرسل إلى وإما لقيته فقال ‏"‏ ألم أخبر أنك تصوم ولا تفطر وتصلي الليل فلا تفعل فإن لعينك حظا ولنفسك حظا ولأهلك حظا ‏.‏ فصم وأفطر وصل ونم وصم من كل عشرة أيام يوما ولك أجر تسعة ‏"‏ ‏.‏ قال إني أجدني أقوى من ذلك يا نبي الله ‏.‏ قال ‏"‏ فصم صيام داود عليه السلام ‏"‏ ‏.‏ قال وكيف كان داود يصوم يا نبي الله قال ‏"‏ كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى ‏"‏ ‏.‏ قال من لي بهذه يا نبي الله قال عطاء فلا أدري كيف ذكر صيام الأبد ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد ‏"‏ ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতে পারলেন, আমি অনবরত সিয়াম পালন করি এবং রাতভর সলাত আদায় করি। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন অথবা (রাবীর সন্দেহ) আমি তাঁর সাথে দেখা করি। তিনি বললেন, আমি খবর পেয়েছি, তুমি অনবরত সিয়াম পালন কর, বিরতি দাও না, আর রাত ভর সলাত আদায় কর। এরপর আর এরূপ করবে না। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের অংশ (হাক্ব) আছে, তোমার দেহ ও আত্মার অংশ আছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনেরও অংশ আছে। কাজেই তুমি সিয়ামও পালন কর, বিরতিও দাও, সলাতও আদায় কর, ঘুমও যাও। তুমি দশ দিনে একদিন সিয়াম পালন কর, তাহলে বাকি নয়টি দিনেরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমি নিজের মধ্যে এর চেয়েও অধিক সিয়াম পালন করার শক্তি রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আঃ)-এর মত সিয়াম পালন কর। তিনি (‘আবদুল্লাহ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ) কিভাবে সিয়াম পালন করতেন? তিনি (নবী) বললেন, দাউদ (আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন বিরতি দিতেন। এ জন্যেই (দুর্বল হতেন না এবং) দুশমনের সম্মুখীন হলে (ময়দান ছেড়ে) পালাতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! এ ব্যাপারে কে আমার দায়িত্ব নিবে? ‘আত্বা বলেন, আমি জানি না, অনবরত সিয়াম পালন করার বিষয়টি কিভাবে আলোচনায় আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি অনবরত সিয়াম পালন করল, সে যেন কোন সিয়ামই পালন করেনি। যে ব্যক্তি সব সময় সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি, যে ব্যক্তি সদাসর্বদা সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি। ( ই.ফা. ২৬০১, ই.সে ২৬০০)

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতে পারলেন, আমি অনবরত সিয়াম পালন করি এবং রাতভর সলাত আদায় করি। তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন অথবা (রাবীর সন্দেহ) আমি তাঁর সাথে দেখা করি। তিনি বললেন, আমি খবর পেয়েছি, তুমি অনবরত সিয়াম পালন কর, বিরতি দাও না, আর রাত ভর সলাত আদায় কর। এরপর আর এরূপ করবে না। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের অংশ (হাক্ব) আছে, তোমার দেহ ও আত্মার অংশ আছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনেরও অংশ আছে। কাজেই তুমি সিয়ামও পালন কর, বিরতিও দাও, সলাতও আদায় কর, ঘুমও যাও। তুমি দশ দিনে একদিন সিয়াম পালন কর, তাহলে বাকি নয়টি দিনেরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমি নিজের মধ্যে এর চেয়েও অধিক সিয়াম পালন করার শক্তি রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আঃ)-এর মত সিয়াম পালন কর। তিনি (‘আবদুল্লাহ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ) কিভাবে সিয়াম পালন করতেন? তিনি (নবী) বললেন, দাউদ (আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন বিরতি দিতেন। এ জন্যেই (দুর্বল হতেন না এবং) দুশমনের সম্মুখীন হলে (ময়দান ছেড়ে) পালাতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! এ ব্যাপারে কে আমার দায়িত্ব নিবে? ‘আত্বা বলেন, আমি জানি না, অনবরত সিয়াম পালন করার বিষয়টি কিভাবে আলোচনায় আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি অনবরত সিয়াম পালন করল, সে যেন কোন সিয়ামই পালন করেনি। যে ব্যক্তি সব সময় সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি, যে ব্যক্তি সদাসর্বদা সিয়াম পালন করল সে যেন সিয়ামই পালন করেনি। ( ই.ফা. ২৬০১, ই.সে ২৬০০)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عطاء، يزعم أن أبا العباس، أخبره أنه، سمع عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - يقول بلغ النبي صلى الله عليه وسلم أني أصوم أسرد وأصلي الليل فإما أرسل إلى وإما لقيته فقال ‏"‏ ألم أخبر أنك تصوم ولا تفطر وتصلي الليل فلا تفعل فإن لعينك حظا ولنفسك حظا ولأهلك حظا ‏.‏ فصم وأفطر وصل ونم وصم من كل عشرة أيام يوما ولك أجر تسعة ‏"‏ ‏.‏ قال إني أجدني أقوى من ذلك يا نبي الله ‏.‏ قال ‏"‏ فصم صيام داود عليه السلام ‏"‏ ‏.‏ قال وكيف كان داود يصوم يا نبي الله قال ‏"‏ كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر إذا لاقى ‏"‏ ‏.‏ قال من لي بهذه يا نبي الله قال عطاء فلا أدري كيف ذكر صيام الأبد ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد لا صام من صام الأبد ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২২

حدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى بني زهرة عن أبي سلمة، قال - وأحسبني قد سمعته أنا من أبي سلمة، - عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقرإ القرآن في كل شهر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إني أجد قوة ‏.‏ قال ‏"‏ فاقرأه في عشرين ليلة ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إني أجد قوة ‏.‏ قال ‏"‏ فاقرأه في سبع ولا تزد على ذلك ‏"‏ ‏.

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি প্রতি মাসে একবার করে সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আরো বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বিশ দিন অন্তর একবার কুরআন খতম কর। রাবী বলেন, আমি আবার আরয করলাম, আমার আরো (বেশী পাঠ করার ) শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে তুমি সাত দিন অন্তর একবার সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। তবে এর চেয়ে বেশী (তিলাওয়াত) করো না। (কারণ এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে কুরআন খতম করলে কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা এবং এর মর্ম উপলব্ধি করার সুযোগ হয় না)। [১১] (ই.ফা. ২৫৯৯, ই.সে. ২৫৯৮)

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি প্রতি মাসে একবার করে সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আরো বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বিশ দিন অন্তর একবার কুরআন খতম কর। রাবী বলেন, আমি আবার আরয করলাম, আমার আরো (বেশী পাঠ করার ) শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে তুমি সাত দিন অন্তর একবার সম্পূর্ণ কুরআন পাঠ কর। তবে এর চেয়ে বেশী (তিলাওয়াত) করো না। (কারণ এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে কুরআন খতম করলে কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা এবং এর মর্ম উপলব্ধি করার সুযোগ হয় না)। [১১] (ই.ফা. ২৫৯৯, ই.সে. ২৫৯৮)

حدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى بني زهرة عن أبي سلمة، قال - وأحسبني قد سمعته أنا من أبي سلمة، - عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقرإ القرآن في كل شهر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إني أجد قوة ‏.‏ قال ‏"‏ فاقرأه في عشرين ليلة ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إني أجد قوة ‏.‏ قال ‏"‏ فاقرأه في سبع ولا تزد على ذلك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২০

وحدثنا عبد الله بن محمد الرومي، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا يحيى، قال انطلقت أنا وعبد الله بن يزيد، حتى نأتي أبا سلمة فأرسلنا إليه رسولا فخرج علينا وإذا عند باب داره مسجد - قال - فكنا في المسجد حتى خرج إلينا ‏.‏ فقال إن تشاءوا أن تدخلوا وإن تشاءوا أن تقعدوا ها هنا ‏.‏ - قال - فقلنا لا بل نقعد ها هنا فحدثنا ‏.‏ قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص - رضى الله عنهما - قال كنت أصوم الدهر وأقرأ القرآن كل ليلة - قال - فإما ذكرت للنبي صلى الله عليه وسلم وإما أرسل إلى فأتيته فقال لي ‏"‏ ألم أخبر أنك تصوم الدهر وتقرأ القرآن كل ليلة ‏"‏ ‏.‏ قلت بلى يا نبي الله ولم أرد بذلك إلا الخير ‏.‏ قال ‏"‏ فإن بحسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثة أيام ‏"‏ ‏.‏ قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا - قال - فصم صوم داود نبي الله صلى الله عليه وسلم فإنه كان أعبد الناس ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله وما صوم داود قال ‏"‏ كان يصوم يوما ويفطر يوما ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ واقرإ القرآن في كل شهر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال ‏"‏ فاقرأه في كل عشرين ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال ‏"‏ فاقرأه في كل عشر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فاقرأه في كل سبع ولا تزد على ذلك ‏.‏ فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا ‏"‏ ‏.‏ قال فشددت فشدد على ‏.‏ قال وقال لي النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنك لا تدري لعلك يطول بك عمر ‏"‏ ‏.‏ قال فصرت إلى الذي قال لي النبي صلى الله عليه وسلم فلما كبرت وددت أني كنت قبلت رخصة نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.

ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আবূ সালামার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশে রওনা হলাম। অবশেষে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে পৌছলাম। তার বাড়ির সামনেই ছিল একটি মাসজিদ। আমরা সেখানে গিয়ে বসলাম এবং তাকে খবর দেয়ার জন্য একটি লোক পাঠালাম। তিনি বাড়ির ভিতর থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে এসে বললেন, তোমরা ইচ্ছে করলে ঘরে গিয়েও বসতে পার অথবা এখানেও বসতে পার। আমরা বললাম, অবশ্যই আমরা এখানে বসব। অতঃপর তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি সর্বদা সিয়াম পালন করতাম এবং প্রতি রাতেই (রাতভর) কু্রআন তিলাওয়াত করতাম। পরে হয়ত বা আমার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আলোচনা করা হয়েছে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি নিজেই আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি গিয়ে তাঁর কাছে হাজির হলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পারলাম, তুমি নাকি সর্বদা সিয়াম পালন কর এবং প্রতি রাতেই (সারারাত) কুরআন তিয়াওয়াত কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর নবী! আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি কল্যাণ লাভ করার উদ্দেশেই তা করে থাকি। তিনি বললেন, প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। তখন আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশী করতের সক্ষম। তিনি বললেন, (এরূপ করো না)। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে, যারা তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে তাদেরও তোমার উপর অধিকার রয়েছে। আর তোমার উপর তোমার দেহেরও হাক্ব আছে। তাই তুমি আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম অনুসরণ কর। কেননা তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ‘ইবাদাত করতেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম কী? তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন পালন করতেন না (অর্থাৎ একদিন পরপর সিয়াম পালন করতেন)। তিনি (আরো) বললেন, তুমি প্রতি মাসে একবার কুরআন খতম কর। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি দশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আবার বললাম, হে আল্লাহর নবী এর চেয়েও বেশী পারি। তিনি বললেন, তুমি সাতদিন অন্তর কুরআন খতম কর, তবে এর চেয়ে বেশী পড়ো না। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমারে সাক্ষাতপ্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে, আর তোমার শরীরেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (সর্বদা সিয়াম পালন করে) নিজের উপর কঠোরতা করেছি। ফলে (আমার উপরও) কঠোরতা চেপে বসেছে। তিনি আরো বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, তোমার জানা নেই হয়ত বা তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে। (তখন তোমার পক্ষে এত বেশী ‘আমাল করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছিলেন বাস্তবে তাই হলো। আমি যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়লাম তখন অনুশোচনা করে বলতাম, “হায়! আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দেয়া অবকাশটুকু গ্রহণ করতাম! (ই.ফা. ২৫৯৭, অ.সে. ২৫৯৬)

ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আবূ সালামার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশে রওনা হলাম। অবশেষে আমরা তার বাড়িতে গিয়ে পৌছলাম। তার বাড়ির সামনেই ছিল একটি মাসজিদ। আমরা সেখানে গিয়ে বসলাম এবং তাকে খবর দেয়ার জন্য একটি লোক পাঠালাম। তিনি বাড়ির ভিতর থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে এসে বললেন, তোমরা ইচ্ছে করলে ঘরে গিয়েও বসতে পার অথবা এখানেও বসতে পার। আমরা বললাম, অবশ্যই আমরা এখানে বসব। অতঃপর তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি সর্বদা সিয়াম পালন করতাম এবং প্রতি রাতেই (রাতভর) কু্রআন তিলাওয়াত করতাম। পরে হয়ত বা আমার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আলোচনা করা হয়েছে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি নিজেই আমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি গিয়ে তাঁর কাছে হাজির হলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পারলাম, তুমি নাকি সর্বদা সিয়াম পালন কর এবং প্রতি রাতেই (সারারাত) কুরআন তিয়াওয়াত কর? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর নবী! আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি কল্যাণ লাভ করার উদ্দেশেই তা করে থাকি। তিনি বললেন, প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। তখন আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশী করতের সক্ষম। তিনি বললেন, (এরূপ করো না)। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে, যারা তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসে তাদেরও তোমার উপর অধিকার রয়েছে। আর তোমার উপর তোমার দেহেরও হাক্ব আছে। তাই তুমি আল্লাহর নবী দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম অনুসরণ কর। কেননা তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ‘ইবাদাত করতেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! দাউদ (আঃ)-এর সিয়াম কী? তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ) একদিন সিয়াম পালন করতেন এবং একদিন পালন করতেন না (অর্থাৎ একদিন পরপর সিয়াম পালন করতেন)। তিনি (আরো) বললেন, তুমি প্রতি মাসে একবার কুরআন খতম কর। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী পড়ার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশী করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রতি দশ দিনে একবার কুরআন খতম কর। আমি আবার বললাম, হে আল্লাহর নবী এর চেয়েও বেশী পারি। তিনি বললেন, তুমি সাতদিন অন্তর কুরআন খতম কর, তবে এর চেয়ে বেশী পড়ো না। কেননা তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হাক্ব আছে, তোমারে সাক্ষাতপ্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে, আর তোমার শরীরেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (সর্বদা সিয়াম পালন করে) নিজের উপর কঠোরতা করেছি। ফলে (আমার উপরও) কঠোরতা চেপে বসেছে। তিনি আরো বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, তোমার জানা নেই হয়ত বা তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে। (তখন তোমার পক্ষে এত বেশী ‘আমাল করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছিলেন বাস্তবে তাই হলো। আমি যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়লাম তখন অনুশোচনা করে বলতাম, “হায়! আমি যদি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দেয়া অবকাশটুকু গ্রহণ করতাম! (ই.ফা. ২৫৯৭, অ.সে. ২৫৯৬)

وحدثنا عبد الله بن محمد الرومي، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا يحيى، قال انطلقت أنا وعبد الله بن يزيد، حتى نأتي أبا سلمة فأرسلنا إليه رسولا فخرج علينا وإذا عند باب داره مسجد - قال - فكنا في المسجد حتى خرج إلينا ‏.‏ فقال إن تشاءوا أن تدخلوا وإن تشاءوا أن تقعدوا ها هنا ‏.‏ - قال - فقلنا لا بل نقعد ها هنا فحدثنا ‏.‏ قال حدثني عبد الله بن عمرو بن العاص - رضى الله عنهما - قال كنت أصوم الدهر وأقرأ القرآن كل ليلة - قال - فإما ذكرت للنبي صلى الله عليه وسلم وإما أرسل إلى فأتيته فقال لي ‏"‏ ألم أخبر أنك تصوم الدهر وتقرأ القرآن كل ليلة ‏"‏ ‏.‏ قلت بلى يا نبي الله ولم أرد بذلك إلا الخير ‏.‏ قال ‏"‏ فإن بحسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثة أيام ‏"‏ ‏.‏ قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا - قال - فصم صوم داود نبي الله صلى الله عليه وسلم فإنه كان أعبد الناس ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله وما صوم داود قال ‏"‏ كان يصوم يوما ويفطر يوما ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ واقرإ القرآن في كل شهر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال ‏"‏ فاقرأه في كل عشرين ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك قال ‏"‏ فاقرأه في كل عشر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فاقرأه في كل سبع ولا تزد على ذلك ‏.‏ فإن لزوجك عليك حقا ولزورك عليك حقا ولجسدك عليك حقا ‏"‏ ‏.‏ قال فشددت فشدد على ‏.‏ قال وقال لي النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنك لا تدري لعلك يطول بك عمر ‏"‏ ‏.‏ قال فصرت إلى الذي قال لي النبي صلى الله عليه وسلم فلما كبرت وددت أني كنت قبلت رخصة نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار ‏"‏ ‏.‏ قلت إني أفعل ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فإنك إذا فعلت ذلك هجمت عيناك ونفهت نفسك لعينك حق ولنفسك حق ولأهلك حق قم ونم وصم وأفطر ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, আমাকে তোমার সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি সারারাত দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর এবং দিনের বেলা সওম রাখ? আমি বললাম, আমি অবশ্য করি। তিনি বলেন, তুমি এরূপ করতে গেলে অনিদ্রার কারণে তোমার চোখ কোটরাগত হবে এবং তুমি দুর্বল হয়ে পড়বে। তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার দেহের হাক্ব রয়েছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনের হাক্ব রয়েছে। অতএব তুমি রাতে ‘ইবাদতও করবে এবং নিদ্রাও যাবে। সওমও পালন করবে, আবার তা বাদও দিবে। (ই. ফা. ২৬০৫, ই. সে. ২৬০৪)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, আমাকে তোমার সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি সারারাত দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর এবং দিনের বেলা সওম রাখ? আমি বললাম, আমি অবশ্য করি। তিনি বলেন, তুমি এরূপ করতে গেলে অনিদ্রার কারণে তোমার চোখ কোটরাগত হবে এবং তুমি দুর্বল হয়ে পড়বে। তোমার চোখের হাক্ব রয়েছে, তোমার দেহের হাক্ব রয়েছে এবং তোমার পরিবার-পরিজনের হাক্ব রয়েছে। অতএব তুমি রাতে ‘ইবাদতও করবে এবং নিদ্রাও যাবে। সওমও পালন করবে, আবার তা বাদও দিবে। (ই. ফা. ২৬০৫, ই. সে. ২৬০৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن أبي العباس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار ‏"‏ ‏.‏ قلت إني أفعل ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ فإنك إذا فعلت ذلك هجمت عيناك ونفهت نفسك لعينك حق ولنفسك حق ولأهلك حق قم ونم وصم وأفطر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قال زهير حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أحب الصيام إلى الله صيام داود وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود عليه السلام كان ينام نصف الليل ويقوم ثلثه وينام سدسه وكان يصوم يوما ويفطر يوما ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্‌র নিকট পছন্দনীয় সওম হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সওম এবং তাঁর নিকট পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধরাত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন। অতঃপর এক ষষ্ঠাংশ রাত ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৬, ই. সে. ২৬০৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্‌র নিকট পছন্দনীয় সওম হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সওম এবং তাঁর নিকট পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধরাত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন। অতঃপর এক ষষ্ঠাংশ রাত ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৬, ই. সে. ২৬০৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قال زهير حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أحب الصيام إلى الله صيام داود وأحب الصلاة إلى الله صلاة داود عليه السلام كان ينام نصف الليل ويقوم ثلثه وينام سدسه وكان يصوم يوما ويفطر يوما ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬৩০

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو، بن دينار أن عمرو بن أوس، أخبره عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أحب الصيام إلى الله صيام داود كان يصوم نصف الدهر وأحب الصلاة إلى الله عز وجل صلاة داود - عليه السلام - كان يرقد شطر الليل ثم يقوم ثم يرقد آخره يقوم ثلث الليل بعد شطره ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لعمرو بن دينار أعمرو بن أوس كان يقول يقوم ثلث الليل بعد شطره قال نعم ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় সওম হচ্ছে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম। তিনি বছরের অর্ধেক কাল সওম পালন করতেন। মহান আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধ রাত ঘুমাতেন, অতঃপর সলাতে দাঁড়াতেন, অতঃপর শেষ রাতে ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি অর্ধ রাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাত করতেন। রাবী ইবনু জুয়ায়জ (রহঃ) বলেন, আমি ‘আমর ইবনু দীনারকে বললাম, ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) কি এ কথা বলতেন যে, তিনি অর্ধরাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই. ফা. ২৬০৭ ই. সে. ২৬০৬)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় সওম হচ্ছে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম। তিনি বছরের অর্ধেক কাল সওম পালন করতেন। মহান আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধ রাত ঘুমাতেন, অতঃপর সলাতে দাঁড়াতেন, অতঃপর শেষ রাতে ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি অর্ধ রাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাত করতেন। রাবী ইবনু জুয়ায়জ (রহঃ) বলেন, আমি ‘আমর ইবনু দীনারকে বললাম, ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) কি এ কথা বলতেন যে, তিনি অর্ধরাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই. ফা. ২৬০৭ ই. সে. ২৬০৬)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو، بن دينار أن عمرو بن أوس، أخبره عن عبد الله بن عمرو بن العاص، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أحب الصيام إلى الله صيام داود كان يصوم نصف الدهر وأحب الصلاة إلى الله عز وجل صلاة داود - عليه السلام - كان يرقد شطر الليل ثم يقوم ثم يرقد آخره يقوم ثلث الليل بعد شطره ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لعمرو بن دينار أعمرو بن أوس كان يقول يقوم ثلث الليل بعد شطره قال نعم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬৩১

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، قال أخبرني أبو المليح، قال دخلت مع أبيك على عبد الله بن عمرو فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي فدخل على فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف فجلس على الأرض وصارت الوسادة بيني وبينه فقال لي ‏"‏ أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ خمسا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ سبعا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ تسعا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ أحد عشر ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا صوم فوق صوم داود شطر الدهر صيام يوم وإفطار يوم ‏"‏ ‏.

আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আবুল মালীহ (রহঃ) অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি তোমার পিতার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের নিকট বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার সওম সম্পর্কে উল্লেখ করা হলে তিনি আমার কাছে এলেন। আমি তাঁর জন্য একটি চামড়ার বালিশ বিছিয়ে দিলাম। তাতে খেজুরের আঁশ ভর্তি ছিল। তিনি মাটির উপর বসে গেলেন এবং বালিশটি তাঁর ও আমার মাঝে পড়ে থাকল। তিনি আমাকে বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি বললাম: হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে পাঁচদিন? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে সাতদিন? আমি বললাম : হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে নয়দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে এগারদিন। আমি বললাম : হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, দাঊদ (আঃ)-এর সওমের উপর কোন সওম নেই। তিনি বছরের অর্ধেক অর্থাত একদিন যদি এ সওম পালন করতেন, আরেক দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৮, ই. সে. ২৬০৭)

আবূ ক্বিলাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে আবুল মালীহ (রহঃ) অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি তোমার পিতার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি আমাদের নিকট বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমার সওম সম্পর্কে উল্লেখ করা হলে তিনি আমার কাছে এলেন। আমি তাঁর জন্য একটি চামড়ার বালিশ বিছিয়ে দিলাম। তাতে খেজুরের আঁশ ভর্তি ছিল। তিনি মাটির উপর বসে গেলেন এবং বালিশটি তাঁর ও আমার মাঝে পড়ে থাকল। তিনি আমাকে বললেন, প্রতি মাসে তিনদিন সওম পালন করা কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি বললাম: হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে পাঁচদিন? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর চেয়ে বেশি সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে সাতদিন? আমি বললাম : হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে নয়দিন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! তিনি বললেন, তাহলে এগারদিন। আমি বললাম : হে আল্লাহ্‌র রসূল (আমি এর অধিক সামর্থ্য রাখি)! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, দাঊদ (আঃ)-এর সওমের উপর কোন সওম নেই। তিনি বছরের অর্ধেক অর্থাত একদিন যদি এ সওম পালন করতেন, আরেক দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৮, ই. সে. ২৬০৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، قال أخبرني أبو المليح، قال دخلت مع أبيك على عبد الله بن عمرو فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر له صومي فدخل على فألقيت له وسادة من أدم حشوها ليف فجلس على الأرض وصارت الوسادة بيني وبينه فقال لي ‏"‏ أما يكفيك من كل شهر ثلاثة أيام ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ خمسا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ سبعا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ تسعا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ أحد عشر ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا صوم فوق صوم داود شطر الدهر صيام يوم وإفطار يوم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬৩২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن زياد بن فياض، قال سمعت أبا عياض، عن عبد، الله بن عمرو - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له ‏"‏ صم يوما ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم يومين ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم ثلاثة أيام ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم أربعة أيام ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم أفضل الصيام عند الله صوم داود - عليه السلام - كان يصوم يوما ويفطر يوما ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‍র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেন, তুমি একদিন সওম পালন করলে পরের দিনের সাওয়াব পাবে। তিনি বলেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দু’দিন সওম পালন কর। তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোর সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক সওম পালন করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি চারদিন সওম পালন কর, তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব লাভ করবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম পালন কর যা আল্লাহ্‌র কাছে সর্বোত্তম সাওম। তিনি পর্যায়ক্রমে একদিন সওম পালন করতেন এবং পরের দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৯, ই. সে. ২৬০৮)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‍র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেন, তুমি একদিন সওম পালন করলে পরের দিনের সাওয়াব পাবে। তিনি বলেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দু’দিন সওম পালন কর। তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোর সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক সওম পালন করতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি তিনদিন সওম পালন কর তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব পাবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি চারদিন সওম পালন কর, তাহলে অবশিষ্ট দিনগুলোরও সাওয়াব লাভ করবে। তিনি বললেন, আমি আরও অধিক রাখতে সক্ষম। তিনি বললেন, তুমি দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম পালন কর যা আল্লাহ্‌র কাছে সর্বোত্তম সাওম। তিনি পর্যায়ক্রমে একদিন সওম পালন করতেন এবং পরের দিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৯, ই. সে. ২৬০৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن زياد بن فياض، قال سمعت أبا عياض، عن عبد، الله بن عمرو - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له ‏"‏ صم يوما ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم يومين ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم ثلاثة أيام ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم أربعة أيام ولك أجر ما بقي ‏"‏ ‏.‏ قال إني أطيق أكثر من ذلك ‏.‏ قال ‏"‏ صم أفضل الصيام عند الله صوم داود - عليه السلام - كان يصوم يوما ويفطر يوما ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬৩৩

وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، جميعا عن ابن مهدي، - قال زهير حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، - حدثنا سليم بن حيان، حدثنا سعيد بن ميناء، قال قال عبد الله بن عمرو قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عبد الله بن عمرو بلغني أنك تصوم النهار وتقوم الليل فلا تفعل فإن لجسدك عليك حظا ولعينك عليك حظا وإن لزوجك عليك حظا صم وأفطر صم من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صوم الدهر ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله إن بي قوة ‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم داود - عليه السلام - صم يوما وأفطر يوما ‏"‏ ‏.‏ فكان يقول يا ليتني أخذت بالرخصة ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‍র! আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি দিনের বেলা সওম পালন কর এবং রাতের সলাতে থাক, তুমি এরূপ করো না। কারণ তোমার উপর তোমাদের দেহের একটি অংশ (হাক্ব) রয়েছে, তোমার উপর তোমার চোখের অংশ রয়েছে এবং তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অংশ রয়েছে। তুমি সওমও পালন কর এবং বাদও দাও। প্রতি মাসে তিনদিন করে সওম পালন কর এবং এটাই হ’ল সারা বছরের সওম (এর নিয়ম)। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার আরও শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম-এর মতো সওম পালন কর। পর্যায়ক্রমে একটি সওম পালন কর এবং একদিন বাদ দাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, হায়! আমি যদি সহজটার উপর ‘আমাল করতাম! (ই.ফা. ২৬১০, ই. সে. ২৬০৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‍র! আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি দিনের বেলা সওম পালন কর এবং রাতের সলাতে থাক, তুমি এরূপ করো না। কারণ তোমার উপর তোমাদের দেহের একটি অংশ (হাক্ব) রয়েছে, তোমার উপর তোমার চোখের অংশ রয়েছে এবং তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অংশ রয়েছে। তুমি সওমও পালন কর এবং বাদও দাও। প্রতি মাসে তিনদিন করে সওম পালন কর এবং এটাই হ’ল সারা বছরের সওম (এর নিয়ম)। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার আরও শক্তি আছে। তিনি বললেন, তাহলে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম-এর মতো সওম পালন কর। পর্যায়ক্রমে একটি সওম পালন কর এবং একদিন বাদ দাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, হায়! আমি যদি সহজটার উপর ‘আমাল করতাম! (ই.ফা. ২৬১০, ই. সে. ২৬০৯)

وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن حاتم، جميعا عن ابن مهدي، - قال زهير حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، - حدثنا سليم بن حيان، حدثنا سعيد بن ميناء، قال قال عبد الله بن عمرو قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عبد الله بن عمرو بلغني أنك تصوم النهار وتقوم الليل فلا تفعل فإن لجسدك عليك حظا ولعينك عليك حظا وإن لزوجك عليك حظا صم وأفطر صم من كل شهر ثلاثة أيام فذلك صوم الدهر ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله إن بي قوة ‏.‏ قال ‏"‏ فصم صوم داود - عليه السلام - صم يوما وأفطر يوما ‏"‏ ‏.‏ فكان يقول يا ليتني أخذت بالرخصة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২১

وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين المعلم، عن يحيى، بن أبي كثير بهذا الإسناد وزاد فيه بعد قوله ‏"‏ من كل شهر ثلاثة أيام ‏"‏ ‏"‏ فإن لك بكل حسنة عشر أمثالها فذلك الدهر كله ‏"‏ ‏.‏ وقال في الحديث قلت وما صوم نبي الله داود قال ‏"‏ نصف الدهر ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر في الحديث من قراءة القرآن شيئا ولم يقل ‏"‏ وإن لزورك عليك حقا ‏"‏ ‏.‏ ولكن قال ‏"‏ وإن لولدك عليك حقا ‏"‏ ‏.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘প্রতি মাসে তিনদিন করে সিয়াম পালন করাই যথেষ্ট’- এ কথার পরে আরো আছে, “কেননা প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময়ে তার দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়, আর এভাবে তা সারা বছরের সিয়ামের সমতুল্য গণ্য হয়”। তিনি তার বর্ণিত হাদীসের আরো উল্লেখ করেছেন, “আমি বললাম, আল্লাহর নবী দাউদ (‘আঃ)- এর সিয়াম কী (ছিল)? তিনি বললেন, বছরের অর্ধেক (অর্থাৎ একদিন সিয়াম পালন করা ও একদিন সিয়াম ভাঙ্গা)। তিনি (এ হাদীসে) কুরআন তিলাওয়াতের প্রসঙ্গে কিছুই উল্লেখ করেননি। এ বর্ণনায় তিনি “তোমার সাক্ষাত-প্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে”- এ কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং এতে আছেঃ তোমার সন্তানদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। (ই.ফা. ২৫৯৮, ই.সে. ২৫৯৭)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘প্রতি মাসে তিনদিন করে সিয়াম পালন করাই যথেষ্ট’- এ কথার পরে আরো আছে, “কেননা প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময়ে তার দশগুণ সাওয়াব পাওয়া যায়, আর এভাবে তা সারা বছরের সিয়ামের সমতুল্য গণ্য হয়”। তিনি তার বর্ণিত হাদীসের আরো উল্লেখ করেছেন, “আমি বললাম, আল্লাহর নবী দাউদ (‘আঃ)- এর সিয়াম কী (ছিল)? তিনি বললেন, বছরের অর্ধেক (অর্থাৎ একদিন সিয়াম পালন করা ও একদিন সিয়াম ভাঙ্গা)। তিনি (এ হাদীসে) কুরআন তিলাওয়াতের প্রসঙ্গে কিছুই উল্লেখ করেননি। এ বর্ণনায় তিনি “তোমার সাক্ষাত-প্রার্থীদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে”- এ কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং এতে আছেঃ তোমার সন্তানদেরও তোমার উপর হাক্ব আছে। (ই.ফা. ২৫৯৮, ই.সে. ২৫৯৭)

وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حسين المعلم، عن يحيى، بن أبي كثير بهذا الإسناد وزاد فيه بعد قوله ‏"‏ من كل شهر ثلاثة أيام ‏"‏ ‏"‏ فإن لك بكل حسنة عشر أمثالها فذلك الدهر كله ‏"‏ ‏.‏ وقال في الحديث قلت وما صوم نبي الله داود قال ‏"‏ نصف الدهر ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر في الحديث من قراءة القرآن شيئا ولم يقل ‏"‏ وإن لزورك عليك حقا ‏"‏ ‏.‏ ولكن قال ‏"‏ وإن لولدك عليك حقا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২৭

وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ ونفهت النفس ‏"‏ ‏.

হাবীব ইবনু আবূ সাবিত (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আরও আছে, “এবং তুমি শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে পড়বে।” (ই.ফা. ২৬০৪, ই. সে. ২৬০৩)

হাবীব ইবনু আবূ সাবিত (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আরও আছে, “এবং তুমি শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে পড়বে।” (ই.ফা. ২৬০৪, ই. সে. ২৬০৩)

وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ ونفهت النفس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৬২৫

وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد وقال إن أبا العباس الشاعر أخبره ‏.‏ قال مسلم أبو العباس السائب بن فروخ من أهل مكة ثقة عدل ‏.

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি বলেছেন, আবূ ‘আব্বাস শা’ইর (রহঃ) তাকে অবহিত করেছেন। (ইমাম মুসলিম বলেন): তিনি হলেন আবু ‘আব্বাস আস্ সায়িব ইবনু ফার্রূখ। তিনি মাক্কার অধিবাসী এবং বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। (ই.ফা. ২৬০২, ই.সে.২৬০১)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি বলেছেন, আবূ ‘আব্বাস শা’ইর (রহঃ) তাকে অবহিত করেছেন। (ইমাম মুসলিম বলেন): তিনি হলেন আবু ‘আব্বাস আস্ সায়িব ইবনু ফার্রূখ। তিনি মাক্কার অধিবাসী এবং বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। (ই.ফা. ২৬০২, ই.সে.২৬০১)

وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد وقال إن أبا العباس الشاعر أخبره ‏.‏ قال مسلم أبو العباس السائب بن فروخ من أهل مكة ثقة عدل ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00