সহিহ মুসলিম > আল্লাহ্র পথে (যুদ্ধক্ষেত্রে) সিয়াম পালন করতে সক্ষম হলে এবং এতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার বা শক্তিহীন হয়ে যুদ্ধ করতে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলে এ ধরনের সিয়ামের ফাযীলত
সহিহ মুসলিম ২৬০৩
وحدثني إسحاق بن منصور، وعبد الرحمن بن بشر العبدي، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن يحيى بن سعيد، وسهيل بن أبي صالح، أنهما سمعا النعمان بن، أبي عياش الزرقي يحدث عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صام يوما في سبيل الله باعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا " .
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় একদিন সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৮০, ই.সে. ২৫৭৯)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় একদিন সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৮০, ই.সে. ২৫৭৯)
وحدثني إسحاق بن منصور، وعبد الرحمن بن بشر العبدي، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن يحيى بن سعيد، وسهيل بن أبي صالح، أنهما سمعا النعمان بن، أبي عياش الزرقي يحدث عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صام يوما في سبيل الله باعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا " .
সহিহ মুসলিম ২৬০১
وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرني الليث، عن ابن الهاد، عن سهيل بن، أبي صالح عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا " .
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় (যুদ্ধের সময়) একদিন সিয়াম পালন করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে এ দিনের (সিয়ামের) বারাকাতে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৭৮, ই.সে. ২৫৭৭)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় (যুদ্ধের সময়) একদিন সিয়াম পালন করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে এ দিনের (সিয়ামের) বারাকাতে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৭৮, ই.সে. ২৫৭৭)
وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرني الليث، عن ابن الهاد، عن سهيل بن، أبي صالح عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا " .
সহিহ মুসলিম ২৬০২
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن سهيل، بهذا الإسناد .
সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৭৯, ই.সে. ২৫৭৮)
সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৭৯, ই.সে. ২৫৭৮)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن سهيل، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > দিনের বেলা সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার পূর্ব পর্যন্ত নাফ্ল সিয়ামের নিয়্যাত করা যেতে পারে, নাফ্ল সিয়াম পালনকারীর জন্য কোনরূপ ওজর ছাড়াই সিয়াম ভঙ্গ করা জায়িয, তবে সিয়াম পূর্ণ করাই উত্তম।
সহিহ মুসলিম ২৬০৫
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال " هل عندكم شىء " . فقلنا لا . قال " فإني إذا صائم " . ثم أتانا يوما آخر فقلنا يا رسول الله أهدي لنا حيس . فقال " أرينيه فلقد أصبحت صائما " . فأكل .
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; আবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ই.ফা. ২৫৮২, ই.সে. ২৫৮১)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; আবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ই.ফা. ২৫৮২, ই.সে. ২৫৮১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال " هل عندكم شىء " . فقلنا لا . قال " فإني إذا صائم " . ثم أتانا يوما آخر فقلنا يا رسول الله أهدي لنا حيس . فقال " أرينيه فلقد أصبحت صائما " . فأكل .
সহিহ মুসলিম ২৬০৪
وحدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا طلحة، بن يحيى بن عبيد الله حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " يا عائشة هل عندكم شىء " . قالت فقلت يا رسول الله ما عندنا شىء . قال " فإني صائم " . قالت فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - قالت - فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله أهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - وقد خبأت لك شيئا . قال " ما هو " . قلت حيس . قال " هاتيه " . فجئت به فأكل ثم قال " قد كنت أصبحت صائما " . قال طلحة فحدثت مجاهدا بهذا الحديث فقال ذاك بمنزلة الرجل يخرج الصدقة من ماله فإن شاء أمضاها وإن شاء أمسكها.
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “হে ‘আয়িশাহ্! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম পালনকারী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বলেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বল্হাহ্ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাক্বাহ্ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ই.ফা. ২৫৮১, ই.সে. ২৫৮০)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “হে ‘আয়িশাহ্! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম পালনকারী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বলেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বল্হাহ্ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাক্বাহ্ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ই.ফা. ২৫৮১, ই.সে. ২৫৮০)
وحدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا طلحة، بن يحيى بن عبيد الله حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " يا عائشة هل عندكم شىء " . قالت فقلت يا رسول الله ما عندنا شىء . قال " فإني صائم " . قالت فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - قالت - فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله أهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - وقد خبأت لك شيئا . قال " ما هو " . قلت حيس . قال " هاتيه " . فجئت به فأكل ثم قال " قد كنت أصبحت صائما " . قال طلحة فحدثت مجاهدا بهذا الحديث فقال ذاك بمنزلة الرجل يخرج الصدقة من ماله فإن شاء أمضاها وإن شاء أمسكها.
সহিহ মুসলিম > ভুলে পানাহার করলে বা সঙ্গম করে বসলে তাতে সিয়াম ভঙ্গ হয় না
সহিহ মুসলিম ২৬০৬
وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্ই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৮৩, ই.সে. ২৫৮২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্ই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৮৩, ই.সে. ২৫৮২)
وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه " .
সহিহ মুসলিম > রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম
সহিহ মুসলিম ২৬১২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن ابن أبي لبيد، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام . ويفطر حتى نقول قد أفطر . ولم أره صائما من شهر قط أكثر من صيامه من شعبان كان يصوم شعبان كله كان يصوم شعبان إلا قليلا .
আবূ সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যে, আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম পালন করে যাচ্ছেন (হয়ত আর বিরত হবেন না)। আবার তিনি কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন না করে অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, হয়ত তিনি আর সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাকে শা’বান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত অধিক (নাফ্ল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি। তিনি পুরো শা’বান মাসেই সিয়াম পালন করতেন। (অর্থাৎ কয়েক দিন ছাড়া পূর্ণ শা’বান মাস সিয়াম পালন করতেন)। (ই.ফা. ২৫৮৯, ই.সে. ২৫৮৮)
আবূ সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যে, আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম পালন করে যাচ্ছেন (হয়ত আর বিরত হবেন না)। আবার তিনি কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন না করে অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, হয়ত তিনি আর সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাকে শা’বান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত অধিক (নাফ্ল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি। তিনি পুরো শা’বান মাসেই সিয়াম পালন করতেন। (অর্থাৎ কয়েক দিন ছাড়া পূর্ণ শা’বান মাস সিয়াম পালন করতেন)। (ই.ফা. ২৫৮৯, ই.সে. ২৫৮৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن ابن أبي لبيد، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام . ويفطر حتى نقول قد أفطر . ولم أره صائما من شهر قط أكثر من صيامه من شعبان كان يصوم شعبان كله كان يصوم شعبان إلا قليلا .
সহিহ মুসলিম ২৬০৮
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا كهمس، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعائشة - رضى الله عنها - أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا كله قالت ما علمته صام شهرا كله إلا رمضان ولا أفطره كله حتى يصوم منه حتى مضى لسبيله صلى الله عليه وسلم .
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কখনও একটি পূর্ণ মাস (নাফ্ল) সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তাঁর ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও কাটেনি যে মাসে তিনি (দু’ একটি) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৫, ই.সে. ২৫৮৪)
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কখনও একটি পূর্ণ মাস (নাফ্ল) সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তাঁর ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও কাটেনি যে মাসে তিনি (দু’ একটি) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৫, ই.সে. ২৫৮৪)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا كهمس، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعائشة - رضى الله عنها - أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا كله قالت ما علمته صام شهرا كله إلا رمضان ولا أفطره كله حتى يصوم منه حتى مضى لسبيله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ২৬১৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن يحيى بن، أبي كثير حدثنا أبو سلمة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الشهر من السنة أكثر صياما منه في شعبان وكان يقول " خذوا من الأعمال ما تطيقون فإن الله لن يمل حتى تملوا " . وكان يقول " أحب العمل إلى الله ما داوم عليه صاحبه وإن قل " .
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসে যত সিয়াম পালন করতেন, সারা বছরে অন্য কোন মাসে তিনি এত অধিক সিয়াম পালন করতেন না। আর তিনি (লোকদের উদ্দেশ্য) বলতেন, “তোমরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যত বেশী পার ‘আমাল কর।” কেননা, আল্লাহ তা’আলা (তোমাদেরকে সাওয়াব দানে) ক্লান্ত বা বিরক্ত হবেন না যতক্ষণ তোমরা অক্ষম হয়ে না পড়বে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তা’আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ‘আমাল হচ্ছে যা কোন বান্দা অব্যাহতভাবে করে থাকে- যদিও তা পরিমাণে কম হয়। (ই.ফা. ২৫৯০, ই.সে. ২৫৮৯)
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসে যত সিয়াম পালন করতেন, সারা বছরে অন্য কোন মাসে তিনি এত অধিক সিয়াম পালন করতেন না। আর তিনি (লোকদের উদ্দেশ্য) বলতেন, “তোমরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী যত বেশী পার ‘আমাল কর।” কেননা, আল্লাহ তা’আলা (তোমাদেরকে সাওয়াব দানে) ক্লান্ত বা বিরক্ত হবেন না যতক্ষণ তোমরা অক্ষম হয়ে না পড়বে। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তা’আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ‘আমাল হচ্ছে যা কোন বান্দা অব্যাহতভাবে করে থাকে- যদিও তা পরিমাণে কম হয়। (ই.ফা. ২৫৯০, ই.সে. ২৫৮৯)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن يحيى بن، أبي كثير حدثنا أبو سلمة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الشهر من السنة أكثر صياما منه في شعبان وكان يقول " خذوا من الأعمال ما تطيقون فإن الله لن يمل حتى تملوا " . وكان يقول " أحب العمل إلى الله ما داوم عليه صاحبه وإن قل " .
সহিহ মুসলিম ২৬০৭
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن سعيد الجريري، عن عبد الله، بن شقيق قال قلت لعائشة رضى الله عنها هل كان النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا معلوما سوى رمضان قالت والله إن صام شهرا معلوما سوى رمضان حتى مضى لوجهه ولا أفطره حتى يصيب منه .
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর শপথ! তিনি আজীবন রমাযান ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ এক মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও অতিবাহিত হয়নি যাতে তিনি অন্তত কিছু সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৪, ই.সে. ২৫৮৩)
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর শপথ! তিনি আজীবন রমাযান ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ এক মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও অতিবাহিত হয়নি যাতে তিনি অন্তত কিছু সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৮৪, ই.সে. ২৫৮৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن سعيد الجريري، عن عبد الله، بن شقيق قال قلت لعائشة رضى الله عنها هل كان النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرا معلوما سوى رمضان قالت والله إن صام شهرا معلوما سوى رمضان حتى مضى لوجهه ولا أفطره حتى يصيب منه .
সহিহ মুসলিম ২৬১৮
وحدثني زهير بن حرب، وابن أبي خلف، قالا حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، رضى الله عنه ح. وحدثني أبو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن أنس، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصوم حتى يقال قد صام قد صام . ويفطر حتى يقال قد أفطر قد أفطر .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়াম পালন করে যেতেন, এমনকি বলা হত তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আবার তিনি সিয়াম থেকে এমনভাবে বিরত থাকতেন যে, বলা হত তিনি অনেক দিন সিয়াম থেকে বিরত রয়েছেন, অনেক দিন বিরত রয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৯৫, ই.সে. ২৫৯৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়াম পালন করে যেতেন, এমনকি বলা হত তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আবার তিনি সিয়াম থেকে এমনভাবে বিরত থাকতেন যে, বলা হত তিনি অনেক দিন সিয়াম থেকে বিরত রয়েছেন, অনেক দিন বিরত রয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৯৫, ই.সে. ২৫৯৪)
وحدثني زهير بن حرب، وابن أبي خلف، قالا حدثنا روح بن عبادة، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، رضى الله عنه ح. وحدثني أبو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن أنس، رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصوم حتى يقال قد صام قد صام . ويفطر حتى يقال قد أفطر قد أفطر .
সহিহ মুসলিম ২৬০৯
وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، عن أيوب، وهشام، عن محمد، عن عبد الله بن شقيق، - قال حماد وأظن أيوب قد سمعه من عبد الله بن شقيق، - قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صوم النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام قد صام . ويفطر حتى نقول قد أفطر قد أفطر - قالت - وما رأيته صام شهرا كاملا منذ قدم المدينة إلا أن يكون رمضان .
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আর কখনো তিনি একাধারে পানাহার (সিয়াম পালন না করে) কাটিয়ে দিতেন। যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক দিন যাবৎ সিয়াম পালন করেননি, তিনি অনেক দিন সিয়াম পালন করেননি। ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তিনি মাদীনায় আসার পর আমি তাঁকে রমাযান মাস ছাড়া কখনো পূর্ণ একটি মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৬, ই.সে. ২৫৮৫)
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক সিয়াম পালন করেছেন। আর কখনো তিনি একাধারে পানাহার (সিয়াম পালন না করে) কাটিয়ে দিতেন। যাতে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি অনেক দিন যাবৎ সিয়াম পালন করেননি, তিনি অনেক দিন সিয়াম পালন করেননি। ‘আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তিনি মাদীনায় আসার পর আমি তাঁকে রমাযান মাস ছাড়া কখনো পূর্ণ একটি মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৬, ই.সে. ২৫৮৫)
وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، عن أيوب، وهشام، عن محمد، عن عبد الله بن شقيق، - قال حماد وأظن أيوب قد سمعه من عبد الله بن شقيق، - قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صوم النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصوم حتى نقول قد صام قد صام . ويفطر حتى نقول قد أفطر قد أفطر - قالت - وما رأيته صام شهرا كاملا منذ قدم المدينة إلا أن يكون رمضان .
সহিহ মুসলিম ২৬১৪
حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال ما صام رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا كاملا قط غير رمضان . وكان يصوم إذا صام حتى يقول القائل لا والله لا يفطر . ويفطر إذا أفطر حتى يقول القائل لا والله لا يصوم .
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন না। তিনি যখন সিয়াম পালন করতেন তখন ক্রমাগত সিয়াম পালন করে যেতেন। ফলে লোকেরা বলত, আল্লাহর ক্বসম! হয়ত তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন তিনি সিয়াম ছেড়ে দিতেন একাধারেই বিরতি দিতে থাকতেন। এমনকি লোকেরা বলত আল্লাহর ক্বসম! তিনি হয়ত আর সিয়াম পালন করবেন না। [১০] (ই.ফা. ২৫৯১, ই.সে. ২৫৯০)
’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন না। তিনি যখন সিয়াম পালন করতেন তখন ক্রমাগত সিয়াম পালন করে যেতেন। ফলে লোকেরা বলত, আল্লাহর ক্বসম! হয়ত তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন তিনি সিয়াম ছেড়ে দিতেন একাধারেই বিরতি দিতে থাকতেন। এমনকি লোকেরা বলত আল্লাহর ক্বসম! তিনি হয়ত আর সিয়াম পালন করবেন না। [১০] (ই.ফা. ২৫৯১, ই.সে. ২৫৯০)
حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال ما صام رسول الله صلى الله عليه وسلم شهرا كاملا قط غير رمضان . وكان يصوم إذا صام حتى يقول القائل لا والله لا يفطر . ويفطر إذا أفطر حتى يقول القائل لا والله لا يصوم .
সহিহ মুসলিম ২৬১১
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر . ويفطر حتى نقول لا يصوم . وما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته في شهر أكثر منه صياما في شعبان .
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন। ফলে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার এমনভাবে তিনি ক্রমাগত সিয়াম ছাড়তে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাঁকে কখনো রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে অধিক সিয়াম পালন করতেও দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৮, ই.সে. ২৫৮৭)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন। ফলে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার এমনভাবে তিনি ক্রমাগত সিয়াম ছাড়তে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাঁকে কখনো রমাযান মাস ছাড়া অন্য কোন মাসে অধিক সিয়াম পালন করতেও দেখিনি। (ই.ফা. ২৫৮৮, ই.সে. ২৫৮৭)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر . ويفطر حتى نقول لا يصوم . وما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته في شهر أكثر منه صياما في شعبان .
সহিহ মুসলিম ২৬১৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، قال سألت سعيد بن جبير عن صوم، رجب - ونحن يومئذ في رجب - فقال سمعت ابن عباس - رضى الله عنهما - يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر . ويفطر حتى نقول لا يصوم .
’উসমান ইবনু হাকীম আল আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রজব মাসের সিয়াম সম্পর্কে সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি হয়ত আর সিয়াম ছাড়বেন না। আবার তিনি এমনভাবে ক্রমাগত সিয়াম না রেখে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। (ই.ফা. ২৫৯৩, ই.সে. ২৫৯২)
’উসমান ইবনু হাকীম আল আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রজব মাসের সিয়াম সম্পর্কে সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)- কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম পালন করতে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি হয়ত আর সিয়াম ছাড়বেন না। আবার তিনি এমনভাবে ক্রমাগত সিয়াম না রেখে থাকতেন যাতে আমরা বলতাম, তিনি বুঝি আর (এ মাসে) সিয়াম পালন করবেন না। (ই.ফা. ২৫৯৩, ই.সে. ২৫৯২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، قال سألت سعيد بن جبير عن صوم، رجب - ونحن يومئذ في رجب - فقال سمعت ابن عباس - رضى الله عنهما - يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر . ويفطر حتى نقول لا يصوم .
সহিহ মুসলিম ২৬১৫
وحدثنا محمد بن بشار وأبو بكر بن نافع عن غندر عن شعبة عن أبي بشر بهذا الإسناد وقال شهرا متتابعا منذ قدم المدينة
আবূ বিশর (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাতে আসার পর কখনো একাধারে এক মাস (নাফ্ল) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৯২, ই.সে. ২৫৯১)
আবূ বিশর (রহঃ)-এর সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাতে আসার পর কখনো একাধারে এক মাস (নাফ্ল) সিয়াম পালন করেননি। (ই.ফা. ২৫৯২, ই.সে. ২৫৯১)
وحدثنا محمد بن بشار وأبو بكر بن نافع عن غندر عن شعبة عن أبي بشر بهذا الإسناد وقال شهرا متتابعا منذ قدم المدينة
সহিহ মুসলিম ২৬১৭
وحدثنيه علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثني إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن عثمان بن حكيم، في هذا الإسناد . بمثله .
’উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৯৪, ই.সে.২৫৯৩)
’উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৯৪, ই.সে.২৫৯৩)
وحدثنيه علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثني إبراهيم بن موسى، أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن عثمان بن حكيم، في هذا الإسناد . بمثله .
সহিহ মুসলিম ২৬১০
وحدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن أيوب، عن عبد الله بن شقيق، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - بمثله ولم يذكر في الإسناد هشاما ولا محمدا .
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সানাদে অধঃস্তন রাবী হিশাম ও মুহাম্মাদের নাম উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৫৮৭, ই.সে.২৫৮৬)
’আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সানাদে অধঃস্তন রাবী হিশাম ও মুহাম্মাদের নাম উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৫৮৭, ই.সে.২৫৮৬)
وحدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن أيوب، عن عبد الله بن شقيق، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - بمثله ولم يذكر في الإسناد هشاما ولا محمدا .