সহিহ মুসলিম > সিয়ামের ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ২৫৯৪
وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أخبرني سعيد بن المسيب، أنه سمع أبا هريرة، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " قال الله عز وجل كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي وأنا أجزي به فوالذي نفس محمد بيده لخلفة فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ “মহান আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন, মানব সন্তানের যাবতীয় কাজ তার নিজের জন্য। কিন্ত সিয়াম, এটা আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দিব।” সে মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতের মুঠায় মুহাম্মাদের জীবন! নিশ্চয়ই সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্র কাছে কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধিময়। (ই.ফা. ২৫৭১, ই.সে. ২৫৭০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ “মহান আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন, মানব সন্তানের যাবতীয় কাজ তার নিজের জন্য। কিন্ত সিয়াম, এটা আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দিব।” সে মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতের মুঠায় মুহাম্মাদের জীবন! নিশ্চয়ই সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্র কাছে কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধিময়। (ই.ফা. ২৫৭১, ই.সে. ২৫৭০)
وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أخبرني سعيد بن المسيب، أنه سمع أبا هريرة، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " قال الله عز وجل كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي وأنا أجزي به فوالذي نفس محمد بيده لخلفة فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك " .
সহিহ মুসলিম ২৬০০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، - وهو القطواني - عن سليمان، بن بلال حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن في الجنة بابا يقال له الريان يدخل منه الصائمون يوم القيامة لا يدخل معهم أحد غيرهم يقال أين الصائمون فيدخلون منه فإذا دخل آخرهم أغلق فلم يدخل منه أحد " .
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে ‘রাইয়্যান’ নামক একটি দরজা আছে। ক্বিয়ামতের দিন এ দরজা দিয়ে সিয়াম পালনকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর সিয়াম পালনকারীগণ ছাড়া অন্য কেউ তাদের সাথে এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ক্বিয়ামতের দিন সিয়াম পালনকারীদের ডেকে বলা হবে, সিয়াম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা সে দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অতঃপর সিয়াম পালনকারীদের শেষ লোকটি প্রবেশ করার সাথে সাথে তা বন্ধ করে দেয়া হবে। অতঃপর সে দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। (ই.ফা. ২৫৭৭, ই.সে. ২৫৭৬)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে ‘রাইয়্যান’ নামক একটি দরজা আছে। ক্বিয়ামতের দিন এ দরজা দিয়ে সিয়াম পালনকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর সিয়াম পালনকারীগণ ছাড়া অন্য কেউ তাদের সাথে এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ক্বিয়ামতের দিন সিয়াম পালনকারীদের ডেকে বলা হবে, সিয়াম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা সে দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অতঃপর সিয়াম পালনকারীদের শেষ লোকটি প্রবেশ করার সাথে সাথে তা বন্ধ করে দেয়া হবে। অতঃপর সে দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। (ই.ফা. ২৫৭৭, ই.সে. ২৫৭৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، - وهو القطواني - عن سليمان، بن بلال حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن في الجنة بابا يقال له الريان يدخل منه الصائمون يوم القيامة لا يدخل معهم أحد غيرهم يقال أين الصائمون فيدخلون منه فإذا دخل آخرهم أغلق فلم يدخل منه أحد " .
সহিহ মুসলিম ২৫৯৫
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا المغيرة، - وهو الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الصيام جنة " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সিয়াম ঢাল স্বরূপ। (ই.ফা. ২৫৭২, ই.সে. ২৫৭১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সিয়াম ঢাল স্বরূপ। (ই.ফা. ২৫৭২, ই.সে. ২৫৭১)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا المغيرة، - وهو الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الصيام جنة " .
সহিহ মুসলিম ২৫৯৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الأعمش، ح وحدثنا أبو سعيد الأشج، - واللفظ له - حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل عمل ابن آدم يضاعف الحسنة عشر أمثالها إلى سبعمائة ضعف قال الله عز وجل إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به يدع شهوته وطعامه من أجلي للصائم فرحتان فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه . ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মানব সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সাওয়াব দশ গুন থেকে সাতশ’ গুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়। মহান আল্লাহ্ বলেন, “কিন্তু সিয়াম আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিফল দান করব। বান্দা আমারই জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে।” সিয়াম পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ আছে। একটি তার ইফত্বারের সময় এবং অপরটি তার প্রতিপালক আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাতের সময়। সিয়াম পালনকারীর মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ্ তা’আলার কাছে মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধময়। (ই.ফা. ২৫৭৪, ই.সে. ২৫৭৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মানব সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সাওয়াব দশ গুন থেকে সাতশ’ গুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়। মহান আল্লাহ্ বলেন, “কিন্তু সিয়াম আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিফল দান করব। বান্দা আমারই জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে।” সিয়াম পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ আছে। একটি তার ইফত্বারের সময় এবং অপরটি তার প্রতিপালক আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাতের সময়। সিয়াম পালনকারীর মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ্ তা’আলার কাছে মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধময়। (ই.ফা. ২৫৭৪, ই.সে. ২৫৭৩)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الأعمش، ح وحدثنا أبو سعيد الأشج، - واللفظ له - حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل عمل ابن آدم يضاعف الحسنة عشر أمثالها إلى سبعمائة ضعف قال الله عز وجل إلا الصوم فإنه لي وأنا أجزي به يدع شهوته وطعامه من أجلي للصائم فرحتان فرحة عند فطره وفرحة عند لقاء ربه . ولخلوف فيه أطيب عند الله من ريح المسك " .
সহিহ মুসলিম ২৫৯৬
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، عن أبي صالح الزيات، أنه سمع أبا هريرة، - رضى الله عنه - يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل كل عمل ابن آدم له إلا الصيام فإنه لي وأنا أجزي به والصيام جنة فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث يومئذ ولا يسخب فإن سابه أحد أو قاتله فليقل إني امرؤ صائم . والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله يوم القيامة من ريح المسك وللصائم فرحتان يفرحهما إذا أفطر فرح بفطره وإذا لقي ربه فرح بصومه " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মানব সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সওয়াব দশ গুন থেকে সাতশ’ গুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়।” মহান আল্লাহ্ বলেন, “আদম সন্তানের যাবতীয় ‘আমাল তার নিজের জন্য কিন্ত সিয়াম বিশেষ করে আমার জন্যই রাখা হয়। আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দিব।” সুতরাং যখন তোমাদের কারো সওমের দিন আসে সে যেন ঐ দিন অশ্লীল কথাবার্তা না বলে এবং অনর্থক শোরগোল না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সাথে বিবাদ করতে চায়, সে যেন বলে, “আমি একজন সিয়াম পালনকারী”। সে মহান আল্লাহ্র শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! সিয়াম পালনকারীদের মুখের দুর্গন্ধ ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও উত্তম হবে। আর সিয়াম পালনকারীদের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে। এর মাধ্যমে সে অনাবিল আনন্দ লাভ করে। একটি হল যখন সে ইফত্বার করে তখন ইফত্বারীর মাধ্যমে আনন্দ পায় আর দ্বিতীয়টি হলো যখন সে তার প্রভুর সাথে মিলিত হবে তখন সে তার সিয়ামের জন্য আনন্দিত হবে।” (ই.ফা. ২৫৭৩, ই.সে. ২৫৭২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “মানব সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের সওয়াব দশ গুন থেকে সাতশ’ গুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়।” মহান আল্লাহ্ বলেন, “আদম সন্তানের যাবতীয় ‘আমাল তার নিজের জন্য কিন্ত সিয়াম বিশেষ করে আমার জন্যই রাখা হয়। আর আমি নিজেই এর প্রতিদান দিব।” সুতরাং যখন তোমাদের কারো সওমের দিন আসে সে যেন ঐ দিন অশ্লীল কথাবার্তা না বলে এবং অনর্থক শোরগোল না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সাথে বিবাদ করতে চায়, সে যেন বলে, “আমি একজন সিয়াম পালনকারী”। সে মহান আল্লাহ্র শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! সিয়াম পালনকারীদের মুখের দুর্গন্ধ ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও উত্তম হবে। আর সিয়াম পালনকারীদের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে। এর মাধ্যমে সে অনাবিল আনন্দ লাভ করে। একটি হল যখন সে ইফত্বার করে তখন ইফত্বারীর মাধ্যমে আনন্দ পায় আর দ্বিতীয়টি হলো যখন সে তার প্রভুর সাথে মিলিত হবে তখন সে তার সিয়ামের জন্য আনন্দিত হবে।” (ই.ফা. ২৫৭৩, ই.সে. ২৫৭২)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، عن أبي صالح الزيات، أنه سمع أبا هريرة، - رضى الله عنه - يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قال الله عز وجل كل عمل ابن آدم له إلا الصيام فإنه لي وأنا أجزي به والصيام جنة فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث يومئذ ولا يسخب فإن سابه أحد أو قاتله فليقل إني امرؤ صائم . والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله يوم القيامة من ريح المسك وللصائم فرحتان يفرحهما إذا أفطر فرح بفطره وإذا لقي ربه فرح بصومه " .
সহিহ মুসলিম ২৫৯৯
وحدثنيه إسحاق بن عمر بن سليط الهذلي، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا ضرار بن مرة، - وهو أبو سنان - بهذا الإسناد قال وقال " إذا لقي الله فجزاه فرح " .
যিরার ইবনু মুর্রাহ্ (রহঃ) অর্থাৎ আবূ সিমান থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীস অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এতে আরো আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন সিয়াম পালনকারী আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তিনি তাকে প্রতিদান দিবেন তখন সে আনন্দিত হবে। [৯] (ই.ফা. ২৫৭৬, ই.সে. ২৫৭৫)
যিরার ইবনু মুর্রাহ্ (রহঃ) অর্থাৎ আবূ সিমান থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীস অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এতে আরো আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন সিয়াম পালনকারী আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তিনি তাকে প্রতিদান দিবেন তখন সে আনন্দিত হবে। [৯] (ই.ফা. ২৫৭৬, ই.সে. ২৫৭৫)
وحدثنيه إسحاق بن عمر بن سليط الهذلي، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا ضرار بن مرة، - وهو أبو سنان - بهذا الإسناد قال وقال " إذا لقي الله فجزاه فرح " .
সহিহ মুসলিম ২৫৯৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبي سنان، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، وأبي، سعيد - رضى الله عنهما - قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله عز وجل يقول إن الصوم لي وأنا أجزي به إن للصائم فرحتين إذا أفطر فرح وإذا لقي الله فرح . والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك " .
আবূ হুরায়রাহ্ ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “সিয়াম আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিফল দান করব।” সিয়াম পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে। একটি হলো যখন সে ইফত্বার করে আনন্দিত হয়, অপরটি হলো যখন সে মহান আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন সে আনন্দিত হবে। সে মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! নিশ্চয়ই সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্ তা’আলার কাছে মিশ্কের সুগন্ধের চেয়েও তীব্র। [৮] (ই.ফা. ২৫৭৫, ই.সে. ২৫৭৪)
আবূ হুরায়রাহ্ ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, “সিয়াম আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিফল দান করব।” সিয়াম পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে। একটি হলো যখন সে ইফত্বার করে আনন্দিত হয়, অপরটি হলো যখন সে মহান আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন সে আনন্দিত হবে। সে মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! নিশ্চয়ই সিয়াম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্ তা’আলার কাছে মিশ্কের সুগন্ধের চেয়েও তীব্র। [৮] (ই.ফা. ২৫৭৫, ই.সে. ২৫৭৪)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبي سنان، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، وأبي، سعيد - رضى الله عنهما - قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله عز وجل يقول إن الصوم لي وأنا أجزي به إن للصائم فرحتين إذا أفطر فرح وإذا لقي الله فرح . والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك " .
সহিহ মুসলিম > আল্লাহ্র পথে (যুদ্ধক্ষেত্রে) সিয়াম পালন করতে সক্ষম হলে এবং এতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার বা শক্তিহীন হয়ে যুদ্ধ করতে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলে এ ধরনের সিয়ামের ফাযীলত
সহিহ মুসলিম ২৬০৩
وحدثني إسحاق بن منصور، وعبد الرحمن بن بشر العبدي، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن يحيى بن سعيد، وسهيل بن أبي صالح، أنهما سمعا النعمان بن، أبي عياش الزرقي يحدث عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صام يوما في سبيل الله باعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا " .
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় একদিন সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৮০, ই.সে. ২৫৭৯)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় একদিন সিয়াম পালন করে, আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৮০, ই.সে. ২৫৭৯)
وحدثني إسحاق بن منصور، وعبد الرحمن بن بشر العبدي، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن يحيى بن سعيد، وسهيل بن أبي صالح، أنهما سمعا النعمان بن، أبي عياش الزرقي يحدث عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صام يوما في سبيل الله باعد الله وجهه عن النار سبعين خريفا " .
সহিহ মুসলিম ২৬০১
وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرني الليث، عن ابن الهاد، عن سهيل بن، أبي صالح عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا " .
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় (যুদ্ধের সময়) একদিন সিয়াম পালন করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে এ দিনের (সিয়ামের) বারাকাতে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৭৮, ই.সে. ২৫৭৭)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় (যুদ্ধের সময়) একদিন সিয়াম পালন করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার চেহারাকে এ দিনের (সিয়ামের) বারাকাতে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন। (ই.ফা. ২৫৭৮, ই.সে. ২৫৭৭)
وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرني الليث، عن ابن الهاد، عن سهيل بن، أبي صالح عن النعمان بن أبي عياش، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من عبد يصوم يوما في سبيل الله إلا باعد الله بذلك اليوم وجهه عن النار سبعين خريفا " .
সহিহ মুসলিম ২৬০২
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن سهيل، بهذا الإسناد .
সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৭৯, ই.সে. ২৫৭৮)
সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২৫৭৯, ই.সে. ২৫৭৮)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن سهيل، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > দিনের বেলা সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার পূর্ব পর্যন্ত নাফ্ল সিয়ামের নিয়্যাত করা যেতে পারে, নাফ্ল সিয়াম পালনকারীর জন্য কোনরূপ ওজর ছাড়াই সিয়াম ভঙ্গ করা জায়িয, তবে সিয়াম পূর্ণ করাই উত্তম।
সহিহ মুসলিম ২৬০৫
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال " هل عندكم شىء " . فقلنا لا . قال " فإني إذا صائم " . ثم أتانا يوما آخر فقلنا يا رسول الله أهدي لنا حيس . فقال " أرينيه فلقد أصبحت صائما " . فأكل .
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; আবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ই.ফা. ২৫৮২, ই.সে. ২৫৮১)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে কিছু আছে কি? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম। আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়াহ দেয়া হয়েছে। তিনি বললেন, আমাকে তা দেখাও; আবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি তা খেলেন। (ই.ফা. ২৫৮২, ই.সে. ২৫৮১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال " هل عندكم شىء " . فقلنا لا . قال " فإني إذا صائم " . ثم أتانا يوما آخر فقلنا يا رسول الله أهدي لنا حيس . فقال " أرينيه فلقد أصبحت صائما " . فأكل .
সহিহ মুসলিম ২৬০৪
وحدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا طلحة، بن يحيى بن عبيد الله حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " يا عائشة هل عندكم شىء " . قالت فقلت يا رسول الله ما عندنا شىء . قال " فإني صائم " . قالت فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - قالت - فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله أهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - وقد خبأت لك شيئا . قال " ما هو " . قلت حيس . قال " هاتيه " . فجئت به فأكل ثم قال " قد كنت أصبحت صائما " . قال طلحة فحدثت مجاهدا بهذا الحديث فقال ذاك بمنزلة الرجل يخرج الصدقة من ماله فإن شاء أمضاها وإن شاء أمسكها.
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “হে ‘আয়িশাহ্! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম পালনকারী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বলেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বল্হাহ্ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাক্বাহ্ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ই.ফা. ২৫৮১, ই.সে. ২৫৮০)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “হে ‘আয়িশাহ্! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বললেন, আমি সিয়াম পালনকারী। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়্যার বেশীর ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি। তিনি বললেন, তা কী? আমি বললাম, তা হলো হায়স (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)। তিনি বলেন, তা নিয়ে এসো। অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম। ত্বল্হাহ্ বলেন, আমি এ হাদীসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বলেন, এটা (এভাবে নাফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদাক্বাহ্ বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে। (ই.ফা. ২৫৮১, ই.সে. ২৫৮০)
وحدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا طلحة، بن يحيى بن عبيد الله حدثتني عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، - رضى الله عنها - قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " يا عائشة هل عندكم شىء " . قالت فقلت يا رسول الله ما عندنا شىء . قال " فإني صائم " . قالت فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - قالت - فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله أهديت لنا هدية - أو جاءنا زور - وقد خبأت لك شيئا . قال " ما هو " . قلت حيس . قال " هاتيه " . فجئت به فأكل ثم قال " قد كنت أصبحت صائما " . قال طلحة فحدثت مجاهدا بهذا الحديث فقال ذاك بمنزلة الرجل يخرج الصدقة من ماله فإن شاء أمضاها وإن شاء أمسكها.
সহিহ মুসলিম > ভুলে পানাহার করলে বা সঙ্গম করে বসলে তাতে সিয়াম ভঙ্গ হয় না
সহিহ মুসলিম ২৬০৬
وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্ই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৮৩, ই.সে. ২৫৮২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহ্ই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন। (ই.ফা. ২৫৮৩, ই.সে. ২৫৮২)
وحدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام القردوسي، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه " .