সহিহ মুসলিম > জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে

সহিহ মুসলিম ২৪৮০

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وأبي، بكر بن عبد الرحمن أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدركه الفجر في رمضان وهو جنب من غير حلم فيغتسل ويصوم ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জানাবাত অবস্থায় ফাজ্‌রের সলাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৭, ই.সে. ২৪৫৬)

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জানাবাত অবস্থায় ফাজ্‌রের সলাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৭, ই.সে. ২৪৫৬)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وأبي، بكر بن عبد الرحمن أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدركه الفجر في رمضان وهو جنب من غير حلم فيغتسل ويصوم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮১

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن عبد ربه، عن عبد الله بن كعب الحميري، أن أبا بكر، حدثه أن مروان أرسله إلى أم سلمة - رضى الله عنها - يسأل عن الرجل يصبح جنبا أيصوم فقالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من جماع لا من حلم ثم لا يفطر ولا يقضي ‏.

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তাকে উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সওম ভঙ্গও করতেন না এবং সওমের কাযাও করতেন না। (ই.ফা. ২৪৫৮, ই.সে. ২৪৫৭)

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তাকে উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সওম ভঙ্গও করতেন না এবং সওমের কাযাও করতেন না। (ই.ফা. ২৪৫৮, ই.সে. ২৪৫৭)

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن عبد ربه، عن عبد الله بن كعب الحميري، أن أبا بكر، حدثه أن مروان أرسله إلى أم سلمة - رضى الله عنها - يسأل عن الرجل يصبح جنبا أيصوم فقالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من جماع لا من حلم ثم لا يفطر ولا يقضي ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮৪

حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، أخبرني محمد بن يوسف، عن سليمان بن يسار، أنه سأل أم سلمة - رضى الله عنها - عن الرجل يصبح جنبا أيصوم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير احتلام ثم يصوم ‏.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, জানাবাতের অবস্থায় যার ভোর হয়, সে সওম পালন করবে কি? তিনি বললেন, ইহতিলাম ছাড়াই জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভোর হতো এবং তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৬১, ই.সে. ২৪৬০)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, জানাবাতের অবস্থায় যার ভোর হয়, সে সওম পালন করবে কি? তিনি বললেন, ইহতিলাম ছাড়াই জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভোর হতো এবং তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৬১, ই.সে. ২৪৬০)

حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، أخبرني محمد بن يوسف، عن سليمان بن يسار، أنه سأل أم سلمة - رضى الله عنها - عن الرجل يصبح جنبا أيصوم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير احتلام ثم يصوم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৭৯

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبد الملك، بن أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي بكر، قال سمعت أبا هريرة، - رضى الله عنه - يقص يقول في قصصه من أدركه الفجر جنبا فلا يصم ‏.‏ فذكرت ذلك لعبد الرحمن بن الحارث - لأبيه - فأنكر ذلك ‏.‏ فانطلق عبد الرحمن وانطلقت معه حتى دخلنا على عائشة وأم سلمة - رضى الله عنهما - فسألهما عبد الرحمن عن ذلك - قال - فكلتاهما قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم - قال - فانطلقنا حتى دخلنا على مروان فذكر ذلك له عبد الرحمن ‏.‏ فقال مروان عزمت عليك إلا ما ذهبت إلى أبي هريرة فرددت عليه ما يقول - قال - فجئنا أبا هريرة وأبو بكر حاضر ذلك كله - قال - فذكر له عبد الرحمن فقال أبو هريرة أهما قالتاه لك قال نعم ‏.‏ قال هما أعلم ‏.‏ ثم رد أبو هريرة ما كان يقول في ذلك إلى الفضل بن العباس فقال أبو هريرة سمعت ذلك من الفضل ولم أسمعه من النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال فرجع أبو هريرة عما كان يقول في ذلك ‏.‏ قلت لعبد الملك أقالتا في رمضان قال كذلك كان يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم ‏.

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) তাঁর আলোচনায় বললেন, জানাবাত অবস্থায় কারো ভোর হলে তার সওম হবে না। এরপর এ কথাটি আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। তরপর ‘আবদুর রহমান চললেন। আমিও তাঁর সাথে সাথে চললাম। আমরা ‘আয়িশাহ্‌ এবং উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর ‘আবদুর রহমান তাঁদের উভয়কে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকে জানাবাতের অবস্থায় ভোর করতেন এবং সওম পালন করতেন। তারপর আমরা মারওয়ানের নিকট আসলাম এবং ‘আবদুর রহমান তার সাথে এ নিয়ে আলোচনা করলেন। এরপর মারওয়ান বললেন, আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি আবূ হুরায়রার নিকট যাও এবং তার কথাটি রদ করে দাও। এরপর আমি আবূ হুরায়রার নিকট গেলাম। এ সময় আবূ বকর (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের সাথে ছিলেন। ‘আবদুর রহমান এ নিয়ে আবূ হুরায়রার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তোমার নিকট তাঁরা উভয়েই কি এ কথা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন। তখন আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, বস্তুত তাঁরাই সর্বাধিক অবগত। তারপর আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) তাঁর এ কথাটিকে ফায্‌ল ইবনু ‘আব্বাসের প্রতি সম্পর্কিত করে বললেন, আমি এ কথাটি ফায্‌লের (ইবনু আব্বাস) থেকে শুনেছিলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনিনি। রাবী বলেন, এরপর আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এ বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘আবদুল মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, তারা রমাযানের কথা বলেছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ অনুরূপই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকেও জানাবাত অবস্থায় ভোর করতেন। এরপর সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৬, ই.সে. ২৪৫৫)

আবূ বাক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) তাঁর আলোচনায় বললেন, জানাবাত অবস্থায় কারো ভোর হলে তার সওম হবে না। এরপর এ কথাটি আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। তরপর ‘আবদুর রহমান চললেন। আমিও তাঁর সাথে সাথে চললাম। আমরা ‘আয়িশাহ্‌ এবং উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর ‘আবদুর রহমান তাঁদের উভয়কে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকে জানাবাতের অবস্থায় ভোর করতেন এবং সওম পালন করতেন। তারপর আমরা মারওয়ানের নিকট আসলাম এবং ‘আবদুর রহমান তার সাথে এ নিয়ে আলোচনা করলেন। এরপর মারওয়ান বললেন, আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি আবূ হুরায়রার নিকট যাও এবং তার কথাটি রদ করে দাও। এরপর আমি আবূ হুরায়রার নিকট গেলাম। এ সময় আবূ বকর (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের সাথে ছিলেন। ‘আবদুর রহমান এ নিয়ে আবূ হুরায়রার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তোমার নিকট তাঁরা উভয়েই কি এ কথা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন। তখন আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, বস্তুত তাঁরাই সর্বাধিক অবগত। তারপর আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) তাঁর এ কথাটিকে ফায্‌ল ইবনু ‘আব্বাসের প্রতি সম্পর্কিত করে বললেন, আমি এ কথাটি ফায্‌লের (ইবনু আব্বাস) থেকে শুনেছিলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনিনি। রাবী বলেন, এরপর আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এ বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘আবদুল মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, তারা রমাযানের কথা বলেছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ অনুরূপই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকেও জানাবাত অবস্থায় ভোর করতেন। এরপর সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৬, ই.সে. ২৪৫৫)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبد الملك، بن أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي بكر، قال سمعت أبا هريرة، - رضى الله عنه - يقص يقول في قصصه من أدركه الفجر جنبا فلا يصم ‏.‏ فذكرت ذلك لعبد الرحمن بن الحارث - لأبيه - فأنكر ذلك ‏.‏ فانطلق عبد الرحمن وانطلقت معه حتى دخلنا على عائشة وأم سلمة - رضى الله عنهما - فسألهما عبد الرحمن عن ذلك - قال - فكلتاهما قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم - قال - فانطلقنا حتى دخلنا على مروان فذكر ذلك له عبد الرحمن ‏.‏ فقال مروان عزمت عليك إلا ما ذهبت إلى أبي هريرة فرددت عليه ما يقول - قال - فجئنا أبا هريرة وأبو بكر حاضر ذلك كله - قال - فذكر له عبد الرحمن فقال أبو هريرة أهما قالتاه لك قال نعم ‏.‏ قال هما أعلم ‏.‏ ثم رد أبو هريرة ما كان يقول في ذلك إلى الفضل بن العباس فقال أبو هريرة سمعت ذلك من الفضل ولم أسمعه من النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال فرجع أبو هريرة عما كان يقول في ذلك ‏.‏ قلت لعبد الملك أقالتا في رمضان قال كذلك كان يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮৩

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن، جعفر أخبرني عبد الله بن عبد الرحمن، - وهو ابن معمر بن حزم الأنصاري أبو طوالة - أن أبا يونس، مولى عائشة أخبره عن عائشة، - رضى الله عنها - أن رجلا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستفتيه وهي تسمع من وراء الباب فقال يا رسول الله تدركني الصلاة وأنا جنب أفأصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأنا تدركني الصلاة وأنا جنب فأصوم ‏"‏ ‏.‏ فقال لست مثلنا يا رسول الله قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر ‏.‏ فقال ‏"‏ والله إني لأرجو أن أكون أخشاكم لله وأعلمكم بما أتقي ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। এ সময় তিনি দরজার পেছন থেকে কথাগুলো শুনছিলেন। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! জানাবাতের অবস্থায় আমার ফাজরের সময় হয়ে যায়, এমতাবস্থায় আমি সওম পালন করতে পারি কি? উত্তরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জানাবাতের অবস্থায় আমারও ফাজরের সলাতের সময় হয়ে যায়, আমি তো সওম পালন করি। এরপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন। আল্লাহ তা’আলা আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার আশা, আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে সর্বাধিক ভয় করি এবং আমি সর্বাধিক অবগত ঐ বিষয় সম্পর্কে, যা থেকে আমার বিরত থাকা আবশ্যক। (ই.ফা. ২৪৬০, ই.সে. ২৪৫৯)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। এ সময় তিনি দরজার পেছন থেকে কথাগুলো শুনছিলেন। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! জানাবাতের অবস্থায় আমার ফাজরের সময় হয়ে যায়, এমতাবস্থায় আমি সওম পালন করতে পারি কি? উত্তরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জানাবাতের অবস্থায় আমারও ফাজরের সলাতের সময় হয়ে যায়, আমি তো সওম পালন করি। এরপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন। আল্লাহ তা’আলা আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার আশা, আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে সর্বাধিক ভয় করি এবং আমি সর্বাধিক অবগত ঐ বিষয় সম্পর্কে, যা থেকে আমার বিরত থাকা আবশ্যক। (ই.ফা. ২৪৬০, ই.সে. ২৪৫৯)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن، جعفر أخبرني عبد الله بن عبد الرحمن، - وهو ابن معمر بن حزم الأنصاري أبو طوالة - أن أبا يونس، مولى عائشة أخبره عن عائشة، - رضى الله عنها - أن رجلا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستفتيه وهي تسمع من وراء الباب فقال يا رسول الله تدركني الصلاة وأنا جنب أفأصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأنا تدركني الصلاة وأنا جنب فأصوم ‏"‏ ‏.‏ فقال لست مثلنا يا رسول الله قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر ‏.‏ فقال ‏"‏ والله إني لأرجو أن أكون أخشاكم لله وأعلمكم بما أتقي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮২

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد ربه بن سعيد، عن أبي، بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن عائشة، وأم سلمة زوجى النبي صلى الله عليه وسلم أنهما قالتا إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصبح جنبا من جماع غير احتلام في رمضان ثم يصوم ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেন, রমাযান মাসে ইহ্তিলাম ছাড়াই স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভোর হতো, এরপর তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৯, ই.সে. ২৪৫৮)

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেন, রমাযান মাসে ইহ্তিলাম ছাড়াই স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভোর হতো, এরপর তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৯, ই.সে. ২৪৫৮)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد ربه بن سعيد، عن أبي، بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن عائشة، وأم سلمة زوجى النبي صلى الله عليه وسلم أنهما قالتا إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصبح جنبا من جماع غير احتلام في رمضان ثم يصوم ‏.


সহিহ মুসলিম > রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্‌ফারাহ্‌ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্‌ফারাহ আদায় করতে হবে

সহিহ মুসলিম ২৪৮৭

حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - أن رجلا، وقع بامرأته في رمضان فاستفتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال ‏"‏ هل تجد رقبة ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ وهل تستطيع صيام شهرين ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فأطعم ستين مسكينا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। এক ব্যক্তি রমাযান মাসে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করল। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি? সে বলল, না। তিনি আবার বললেন, তুমি দু’মাস সওম পালন করতে পারবে কি? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। (ই.ফা. ২৪৬৪, ই.সে. ২৪৬৩)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। এক ব্যক্তি রমাযান মাসে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করল। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি? সে বলল, না। তিনি আবার বললেন, তুমি দু’মাস সওম পালন করতে পারবে কি? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। (ই.ফা. ২৪৬৪, ই.সে. ২৪৬৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - أن رجلا، وقع بامرأته في رمضان فاستفتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال ‏"‏ هل تجد رقبة ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ وهل تستطيع صيام شهرين ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فأطعم ستين مسكينا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮৯

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر رجلا أفطر في رمضان أن يعتق رقبة أو يصوم شهرين أو يطعم ستين مسكينا ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আযাদ করবে অথবা দু’মাস সওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে। (ই.ফা. ২৪৬৬, ই.সে. ২৪৬৫)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আযাদ করবে অথবা দু’মাস সওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে। (ই.ফা. ২৪৬৬, ই.সে. ২৪৬৫)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر رجلا أفطر في رمضان أن يعتق رقبة أو يصوم شهرين أو يطعم ستين مسكينا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯১

حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن عبد، الرحمن بن القاسم عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن عائشة، - رضى الله عنها - أنها قالت جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال احترقت ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لم ‏"‏ ‏.‏ قال وطئت امرأتي في رمضان نهارا ‏.‏ قال ‏"‏ تصدق تصدق ‏"‏ ‏.‏ قال ما عندي شىء ‏.‏ فأمره أن يجلس فجاءه عرقان فيهما طعام فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتصدق به ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেন? সে বলল, রমাযানের দিনে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ দাও, সদাক্বাহ দাও। সে বলল, আমার নিকট কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বসার জন্য নির্দেশ দিলেন। এমতাবস্থায় দু’ টুকরি ভর্তি খাদ্য আসল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগুলো সদাক্বাহ করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৪৬৮, ই.সে. ২৪৬৭)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেন? সে বলল, রমাযানের দিনে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ দাও, সদাক্বাহ দাও। সে বলল, আমার নিকট কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বসার জন্য নির্দেশ দিলেন। এমতাবস্থায় দু’ টুকরি ভর্তি খাদ্য আসল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগুলো সদাক্বাহ করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৪৬৮, ই.সে. ২৪৬৭)

حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن عبد، الرحمن بن القاسم عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن عائشة، - رضى الله عنها - أنها قالت جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال احترقت ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لم ‏"‏ ‏.‏ قال وطئت امرأتي في رمضان نهارا ‏.‏ قال ‏"‏ تصدق تصدق ‏"‏ ‏.‏ قال ما عندي شىء ‏.‏ فأمره أن يجلس فجاءه عرقان فيهما طعام فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتصدق به ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯২

وحدثنا محمد بن المثنى، أخبرنا عبد الوهاب الثقفي، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول أخبرني عبد الرحمن بن القاسم، أن محمد بن جعفر بن الزبير، أخبره أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، - رضى الله عنها - تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وليس في أول الحديث ‏ "‏ تصدق تصدق ‏"‏ ‏.‏ ولا قوله نهارا ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তবে এ হাদীসের প্রথমে “সদাক্বাহ করো, সদাক্বাহ করে” শব্দ দু’টো উল্লেখ নেই এবং এতে “দিনের বেলায়” কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৯, ই.সে. ২৪৬৮)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তবে এ হাদীসের প্রথমে “সদাক্বাহ করো, সদাক্বাহ করে” শব্দ দু’টো উল্লেখ নেই এবং এতে “দিনের বেলায়” কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৯, ই.সে. ২৪৬৮)

وحدثنا محمد بن المثنى، أخبرنا عبد الوهاب الثقفي، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول أخبرني عبد الرحمن بن القاسم، أن محمد بن جعفر بن الزبير، أخبره أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، - رضى الله عنها - تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وليس في أول الحديث ‏ "‏ تصدق تصدق ‏"‏ ‏.‏ ولا قوله نهارا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮৫

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب وابن نمير كلهم عن ابن عيينة، - قال يحيى أخبرنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن حميد بن عبد، الرحمن عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال هلكت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ وما أهلكك ‏"‏ ‏.‏ قال وقعت على امرأتي في رمضان ‏.‏ قال ‏"‏ هل تجد ما تعتق رقبة ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فهل تجد ما تطعم ستين مسكينا ‏"‏ ‏.‏ قال لا - قال - ثم جلس فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق فيه تمر ‏.‏ فقال ‏"‏ تصدق بهذا ‏"‏ ‏.‏ قال أفقر منا فما بين لابتيها أهل بيت أحوج إليه منا ‏.‏ فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال ‏"‏ اذهب فأطعمه أهلك ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি বলরেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি রমাযানে সওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি যাকে তুমি আযাদ করে দিতে পার? সে বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ক্রমাগত দু’মাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে গেল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হ’ল। তিনি লোকটিকে বললেন, এগুলো সদাক্বাহ করে দাও। তখন সে বলল, আমার চেয়েও অভাবী লোককে সদাক্বাহ করে দিব? (মাদীনার) দু’টি কংকরময় ভূমির মধ্যস্থিত স্থানে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবী আর একটিও নেই। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ হয়ে পড়ল। তখন তিনি বললেন, তাহলে যাও এবং তোমার পরিবারকে খেতে দাও। (ই.ফা. ২৪৬২, ই.সে. ২৪৬১)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি বলরেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি রমাযানে সওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি যাকে তুমি আযাদ করে দিতে পার? সে বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ক্রমাগত দু’মাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে গেল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হ’ল। তিনি লোকটিকে বললেন, এগুলো সদাক্বাহ করে দাও। তখন সে বলল, আমার চেয়েও অভাবী লোককে সদাক্বাহ করে দিব? (মাদীনার) দু’টি কংকরময় ভূমির মধ্যস্থিত স্থানে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবী আর একটিও নেই। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ হয়ে পড়ল। তখন তিনি বললেন, তাহলে যাও এবং তোমার পরিবারকে খেতে দাও। (ই.ফা. ২৪৬২, ই.সে. ২৪৬১)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب وابن نمير كلهم عن ابن عيينة، - قال يحيى أخبرنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن حميد بن عبد، الرحمن عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال هلكت يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ وما أهلكك ‏"‏ ‏.‏ قال وقعت على امرأتي في رمضان ‏.‏ قال ‏"‏ هل تجد ما تعتق رقبة ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فهل تجد ما تطعم ستين مسكينا ‏"‏ ‏.‏ قال لا - قال - ثم جلس فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق فيه تمر ‏.‏ فقال ‏"‏ تصدق بهذا ‏"‏ ‏.‏ قال أفقر منا فما بين لابتيها أهل بيت أحوج إليه منا ‏.‏ فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال ‏"‏ اذهب فأطعمه أهلك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৩

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، أن عبد الرحمن، بن القاسم حدثه أن محمد بن جعفر بن الزبير حدثه أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد في رمضان فقال يا رسول الله احترقت احترقت ‏.‏ فسأله رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما شأنه ‏"‏ ‏.‏ فقال أصبت أهلي ‏.‏ قال ‏"‏ تصدق ‏"‏ ‏.‏ فقال والله يا نبي الله ما لي شىء وما أقدر عليه ‏.‏ قال ‏"‏ اجلس ‏"‏ ‏.‏ فجلس فبينا هو على ذلك أقبل رجل يسوق حمارا عليه طعام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أين المحترق آنفا ‏"‏ ‏.‏ فقام الرجل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تصدق بهذا ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله أغيرنا فوالله إنا لجياع ما لنا شىء ‏.‏ قال ‏"‏ فكلوه ‏"‏ ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের মাসে মসজিদের মধ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো জ্বলে গিয়েছি, আমি তো জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার, কী হয়েছে তার? সে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ কর। সে বলল, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর নাবী! আমার কিছুই নেই এবং এ ব্যাপারে আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন, বসো। সে বসল, লোকটি বসা থাকতেই এক ব্যক্তি গাধা হাঁকিয়ে আসল। এর উপর ছিল খাদ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ঐ অগ্নিদদ্ধ লোকটি কোথায়, যে কিছুক্ষণ পূর্বে এসেছিল? লোকটি দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো সদাক্বাহ্‌ করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের ছাড়া অন্য লোকদের সদাক্বাহ করে দিব? আল্লাহর শপথ আমরা অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, আমাদের কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে ওগুলো তোমরা খেয়ে ফেল। (ই.ফা. ২৪৭০, ই.সে. ২৪৬৯)

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের মাসে মসজিদের মধ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো জ্বলে গিয়েছি, আমি তো জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার, কী হয়েছে তার? সে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ কর। সে বলল, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর নাবী! আমার কিছুই নেই এবং এ ব্যাপারে আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন, বসো। সে বসল, লোকটি বসা থাকতেই এক ব্যক্তি গাধা হাঁকিয়ে আসল। এর উপর ছিল খাদ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ঐ অগ্নিদদ্ধ লোকটি কোথায়, যে কিছুক্ষণ পূর্বে এসেছিল? লোকটি দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো সদাক্বাহ্‌ করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের ছাড়া অন্য লোকদের সদাক্বাহ করে দিব? আল্লাহর শপথ আমরা অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, আমাদের কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে ওগুলো তোমরা খেয়ে ফেল। (ই.ফা. ২৪৭০, ই.সে. ২৪৬৯)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، أن عبد الرحمن، بن القاسم حدثه أن محمد بن جعفر بن الزبير حدثه أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد في رمضان فقال يا رسول الله احترقت احترقت ‏.‏ فسأله رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما شأنه ‏"‏ ‏.‏ فقال أصبت أهلي ‏.‏ قال ‏"‏ تصدق ‏"‏ ‏.‏ فقال والله يا نبي الله ما لي شىء وما أقدر عليه ‏.‏ قال ‏"‏ اجلس ‏"‏ ‏.‏ فجلس فبينا هو على ذلك أقبل رجل يسوق حمارا عليه طعام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أين المحترق آنفا ‏"‏ ‏.‏ فقام الرجل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تصدق بهذا ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله أغيرنا فوالله إنا لجياع ما لنا شىء ‏.‏ قال ‏"‏ فكلوه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮৬

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن محمد بن مسلم الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ مثل رواية ابن عيينة وقال بعرق فيه تمر - وهو الزنبيل - ولم يذكر فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে (আরবী) এরপর (আরবী) শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৩, ই.সে. ২৪৬২)

মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে (আরবী) এরপর (আরবী) শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৩, ই.সে. ২৪৬২)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن محمد بن مسلم الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ مثل رواية ابن عيينة وقال بعرق فيه تمر - وهو الزنبيل - ولم يذكر فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৮৮

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا إسحاق بن عيسى، أخبرنا مالك، عن الزهري، بهذا الإسناد أن رجلا، أفطر في رمضان فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفر بعتق رقبة ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث ابن عيينة ‏.

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর কাফ্ফারাহ হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৪৬৫, ই.সে. ২৪৬৪)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর কাফ্ফারাহ হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৪৬৫, ই.সে. ২৪৬৪)

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا إسحاق بن عيسى، أخبرنا مالك، عن الزهري، بهذا الإسناد أن رجلا، أفطر في رمضان فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفر بعتق رقبة ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث ابن عيينة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯০

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد نحو حديث ابن عيينة ‏.

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৬৭, ই.সে. ২৪৬৬)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৬৭, ই.সে. ২৪৬৬)

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد نحو حديث ابن عيينة ‏.


সহিহ মুসলিম > অবৈধ নয় এমন কাজে রমাযান মাসে সফরকারী ব্যক্তির জন্য সওম পালন করা এবং ইফত্বার করা উভয়ই জায়িয যদি দু’ বা ততোধিক মঞ্জিলের উদ্দেশ্যে সফর করা হয়, অবশ্য ক্ষমতাবান ব্যক্তির জন্য সওম পালন করা উত্তম এবং অক্ষম ব্যক্তির জন্য সওম ভঙ্গ করা উত্তম

সহিহ মুসলিম ২৫০০

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني ابن عبد المجيد - حدثنا جعفر، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج عام الفتح إلى مكة في رمضان فصام حتى بلغ كراع الغميم فصام الناس ثم دعا بقدح من ماء فرفعه حتى نظر الناس إليه ثم شرب فقيل له بعد ذلك إن بعض الناس قد صام فقال ‏ "‏ أولئك العصاة أولئك العصاة ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। মাক্কাহ বিজয়ের বছর রমাযান মাসে সওমরত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কার উদ্দেশে বের হলেন। এরপর যখন তিনি “কুরা’উল গামীম” নামক স্থান পৌঁছলেন, তখন লোকেরাও সওমরত ছিল। এরপর তিনি একটি পানির পাত্র চাইলেন। এমনকি লোকেরা তাঁর দিকে তাকাতে লাগল। এরপর তিনি পানি পান করলেন। তখন তাঁকে বলা হ’ল, কতিপয় লোক সওমরত রয়েছে। তিনি বললেন, তারা অবাধ্য, তারা অবাধ্য। (ই.ফা. ২৪৭৭, ই.সে. ২৪৭৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। মাক্কাহ বিজয়ের বছর রমাযান মাসে সওমরত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কার উদ্দেশে বের হলেন। এরপর যখন তিনি “কুরা’উল গামীম” নামক স্থান পৌঁছলেন, তখন লোকেরাও সওমরত ছিল। এরপর তিনি একটি পানির পাত্র চাইলেন। এমনকি লোকেরা তাঁর দিকে তাকাতে লাগল। এরপর তিনি পানি পান করলেন। তখন তাঁকে বলা হ’ল, কতিপয় লোক সওমরত রয়েছে। তিনি বললেন, তারা অবাধ্য, তারা অবাধ্য। (ই.ফা. ২৪৭৭, ই.সে. ২৪৭৬)

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني ابن عبد المجيد - حدثنا جعفر، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج عام الفتح إلى مكة في رمضان فصام حتى بلغ كراع الغميم فصام الناس ثم دعا بقدح من ماء فرفعه حتى نظر الناس إليه ثم شرب فقيل له بعد ذلك إن بعض الناس قد صام فقال ‏ "‏ أولئك العصاة أولئك العصاة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৮

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فصام حتى بلغ عسفان ثم دعا بإناء فيه شراب فشربه نهارا ليراه الناس ثم أفطر حتى دخل مكة ‏.‏ قال ابن عباس - رضى الله عنهما - فصام رسول الله صلى الله عليه وسلم وأفطر فمن شاء صام ومن شاء أفطر ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময় রমাযান মাসে সওমরত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে বের হলেন। যখন তিনি ‘উসফান নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি পানি ভর্তি পাত্র আনার জন্য বললেন এবং লোকদেরকে দেখাবার জন্য দিনেই তা পান করে সওম ভেঙ্গে ফেললেন এবং এ অবস্থায় তিনি মক্কা প্রবেশ করলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যেহেতু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সফরে কখনো) সওম পালন করেছেন আবার কখনো ইফত্বার করেছেন, তাই কেউ ইচ্ছা করলে সওম পালন করতে পারে আবার কেউ ইচ্ছা করলে সওম ছেড়ে দিতে পারে। (ই.ফা. ২৪৭৫, ই.সে. ২৪৭৪)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময় রমাযান মাসে সওমরত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে বের হলেন। যখন তিনি ‘উসফান নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি পানি ভর্তি পাত্র আনার জন্য বললেন এবং লোকদেরকে দেখাবার জন্য দিনেই তা পান করে সওম ভেঙ্গে ফেললেন এবং এ অবস্থায় তিনি মক্কা প্রবেশ করলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যেহেতু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সফরে কখনো) সওম পালন করেছেন আবার কখনো ইফত্বার করেছেন, তাই কেউ ইচ্ছা করলে সওম পালন করতে পারে আবার কেউ ইচ্ছা করলে সওম ছেড়ে দিতে পারে। (ই.ফা. ২৪৭৫, ই.সে. ২৪৭৪)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فصام حتى بلغ عسفان ثم دعا بإناء فيه شراب فشربه نهارا ليراه الناس ثم أفطر حتى دخل مكة ‏.‏ قال ابن عباس - رضى الله عنهما - فصام رسول الله صلى الله عليه وسلم وأفطر فمن شاء صام ومن شاء أفطر ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৯

وحدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الكريم، عن طاوس، عن ابن، عباس - رضى الله عنهما - قال لا تعب على من صام ولا على من أفطر قد صام رسول الله صلى الله عليه وسلم في السفر وأفطر ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সওম পালন করে তার প্রতি দোষারোপ করো না এবং তার প্রতিও না যে সওম ছেড়ে দেয়। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের অবস্থায় (কখনো) সিয়াম পালন করেছেন (আবার কখনও) সওম ছেড়ে দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৪৭৬, ই.সে. ২৪৭৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সওম পালন করে তার প্রতি দোষারোপ করো না এবং তার প্রতিও না যে সওম ছেড়ে দেয়। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরের অবস্থায় (কখনো) সিয়াম পালন করেছেন (আবার কখনও) সওম ছেড়ে দিয়েছেন। (ই.ফা. ২৪৭৬, ই.সে. ২৪৭৫)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الكريم، عن طاوس، عن ابن، عباس - رضى الله عنهما - قال لا تعب على من صام ولا على من أفطر قد صام رسول الله صلى الله عليه وسلم في السفر وأفطر ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن محمد، بن جعفر - قال أبو بكر حدثنا غندر، - عن شعبة، عن محمد بن عبد الرحمن بن سعد، عن محمد بن عمرو بن الحسن، عن جابر بن عبد الله، - رضى الله عنهما - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فرأى رجلا قد اجتمع الناس عليه وقد ظلل عليه فقال ‏"‏ ما له ‏"‏ ‏.‏ قالوا رجل صائم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليس من البر أن تصوموا في السفر ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সফরে ছিলেন। এ সময় তিনি এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন, লোকেরা তার কাছে জটলা করে আছে এবং তাকে ছায়া করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তার কী হয়েছে? তারা বললেন, লোকটি সিয়াম পালনকারী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সফরে তোমাদের সওম পালন করা কোন নেকীর কাজ নয়। (ই.ফা. ২৪৭৯, ই.সে. ২৪৭৮)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সফরে ছিলেন। এ সময় তিনি এক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন, লোকেরা তার কাছে জটলা করে আছে এবং তাকে ছায়া করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তার কী হয়েছে? তারা বললেন, লোকটি সিয়াম পালনকারী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সফরে তোমাদের সওম পালন করা কোন নেকীর কাজ নয়। (ই.ফা. ২৪৭৯, ই.সে. ২৪৭৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار جميعا عن محمد، بن جعفر - قال أبو بكر حدثنا غندر، - عن شعبة، عن محمد بن عبد الرحمن بن سعد، عن محمد بن عمرو بن الحسن، عن جابر بن عبد الله، - رضى الله عنهما - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فرأى رجلا قد اجتمع الناس عليه وقد ظلل عليه فقال ‏"‏ ما له ‏"‏ ‏.‏ قالوا رجل صائم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليس من البر أن تصوموا في السفر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৫

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لست عشرة مضت من رمضان فمنا من صام ومنا من أفطر فلم يعب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم ‏.

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযানের ষোল দিন অতিবাহিত হবার পর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। এ সময় আমাদের কেউ সিয়াম পালন করছিলেন, আবার কেউ তা ছেড়ে দিচ্ছিলন। কিন্তু এতে সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে কোন দোষারোপ করেনি এবং সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে কোন প্রকার দোষারোপ করেনি। (ই.ফা. ২৪৮২, ই.সে. ২৪৮১)

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযানের ষোল দিন অতিবাহিত হবার পর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। এ সময় আমাদের কেউ সিয়াম পালন করছিলেন, আবার কেউ তা ছেড়ে দিচ্ছিলন। কিন্তু এতে সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে কোন দোষারোপ করেনি এবং সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে কোন প্রকার দোষারোপ করেনি। (ই.ফা. ২৪৮২, ই.সে. ২৪৮১)

حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لست عشرة مضت من رمضان فمنا من صام ومنا من أفطر فلم يعب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৭

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، - رضى الله عنه - قال كنا نسافر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فما يعاب على الصائم صومه ولا على المفطر إفطاره ‏.

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রমাযান মাসে সফর করতাম কিন্ত সওম পালনকারীকে তার সওমের কারণে দোষারোপ করা হতো না এবং সওম ভঙ্গকারীকেও তার সওম ভঙ্গের কারণে দোষারোপ করা হতো না। ( ই. ফা. ২৪৮৪, ই.সে. ২৪৮৩)

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রমাযান মাসে সফর করতাম কিন্ত সওম পালনকারীকে তার সওমের কারণে দোষারোপ করা হতো না এবং সওম ভঙ্গকারীকেও তার সওম ভঙ্গের কারণে দোষারোপ করা হতো না। ( ই. ফা. ২৪৮৪, ই.সে. ২৪৮৩)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، - رضى الله عنه - قال كنا نسافر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فما يعاب على الصائم صومه ولا على المفطر إفطاره ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৪

حدثني يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج عام الفتح في رمضان فصام حتى بلغ الكديد ثم أفطر وكان صحابة رسول الله صلى الله عليه وسلم يتبعون الأحدث فالأحدث من أمره ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

১১১৩) ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুম্‌হ ও কুতায়বাহ্‌ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ... ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, (মাক্কাহ) বিজয়ের বছর রমাযান মাসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমরত অবস্থায় সফরে বের হলেন। অতঃপর কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছাবার পর তিনি সওম ভেঙ্গে ফেললেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যখনই কোন নতুন বিষয় প্রকাশ পেত, তাঁর সাহাবীগণ তা অনুসরণ করতেন। [৬] (ই.ফা. ২৪৭১, ই.সে. ২৪৭০)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

১১১৩) ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুম্‌হ ও কুতায়বাহ্‌ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ... ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, (মাক্কাহ) বিজয়ের বছর রমাযান মাসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমরত অবস্থায় সফরে বের হলেন। অতঃপর কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছাবার পর তিনি সওম ভেঙ্গে ফেললেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যখনই কোন নতুন বিষয় প্রকাশ পেত, তাঁর সাহাবীগণ তা অনুসরণ করতেন। [৬] (ই.ফা. ২৪৭১, ই.সে. ২৪৭০)

حدثني يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج عام الفتح في رمضان فصام حتى بلغ الكديد ثم أفطر وكان صحابة رسول الله صلى الله عليه وسلم يتبعون الأحدث فالأحدث من أمره ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৮

حدثني عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فمنا الصائم ومنا المفطر فلا يجد الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم يرون أن من وجد قوة فصام فإن ذلك حسن ويرون أن من وجد ضعفا فأفطر فإن ذلك حسن ‏.

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহন করতাম। এ সময় আমাদের কেউ সওম পালন করেছেন, আবার কেউ সওম ছেড়েও দিয়েছেন। কিন্ত সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে খারাপ মনে করতেন না এবং সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে খারাপ মনে করতেন না। তারা মনে করতেন যার সামর্থ্য আছে সে-ই সওম পালন করছে, এটা তার জন্য উত্তম। আর যে দুর্বল সে সওম ছেড়ে দিয়েছে, এটা তার জন্য উত্তম। (ই. ফা.২৪৮৫, ই.সে. ২৪৮৪)

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহন করতাম। এ সময় আমাদের কেউ সওম পালন করেছেন, আবার কেউ সওম ছেড়েও দিয়েছেন। কিন্ত সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে খারাপ মনে করতেন না এবং সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে খারাপ মনে করতেন না। তারা মনে করতেন যার সামর্থ্য আছে সে-ই সওম পালন করছে, এটা তার জন্য উত্তম। আর যে দুর্বল সে সওম ছেড়ে দিয়েছে, এটা তার জন্য উত্তম। (ই. ফা.২৪৮৫, ই.সে. ২৪৮৪)

حدثني عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، - رضى الله عنه - قال كنا نغزو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فمنا الصائم ومنا المفطر فلا يجد الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم يرون أن من وجد قوة فصام فإن ذلك حسن ويرون أن من وجد ضعفا فأفطر فإن ذلك حسن ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫১০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن حميد، قال سئل أنس - رضى الله عنه - عن صوم رمضان في السفر فقال سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يعب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم ‏.

হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে সফরকালে সওমের বিধান কী? এ সম্বন্ধে আনাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, রমাযান মাসে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফর করেছি। এ সময় সওম পালনকারী ব্যক্তি সওম ভঙ্গকারী ব্যক্তির কোন নিন্দা করেনি এবং সওম ভঙ্গকারী ব্যক্তিও সওম পালনকারীর কোন নিন্দা করেনি। (ই. ফা.২৪৮৭, ই.সে. ২৪৮৬)

হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে সফরকালে সওমের বিধান কী? এ সম্বন্ধে আনাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, রমাযান মাসে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফর করেছি। এ সময় সওম পালনকারী ব্যক্তি সওম ভঙ্গকারী ব্যক্তির কোন নিন্দা করেনি এবং সওম ভঙ্গকারী ব্যক্তিও সওম পালনকারীর কোন নিন্দা করেনি। (ই. ফা.২৪৮৭, ই.সে. ২৪৮৬)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن حميد، قال سئل أنس - رضى الله عنه - عن صوم رمضان في السفر فقال سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يعب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫১১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن حميد، قال خرجت فصمت فقالوا لي أعد ‏.‏ قال فقلت إن أنسا أخبرني أن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا يسافرون فلا يعيب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم ‏.‏ فلقيت ابن أبي مليكة فأخبرني عن عائشة - رضى الله عنها - بمثله ‏.

হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সফরের উদ্দেশে বের হলাম এবং সিয়াম পালন করলাম। লোকেরা আমাকে বলল, তুমি পুনরায় সওম পালন কর। তখন আমি বললাম, আনাস (রাঃ) আমাকে বলেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগন সফরকালে সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে কোন দোষারোপ করেনি। অনুরূপভাবে সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে কোন প্রকার দোষারোপ করেনি। অতঃপর আমি ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে আমাকে অনুরূপ হাদীস শুনালেন। (ই. ফা.২৪৮৮, ই.সে. ২৪৮৭)

হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সফরের উদ্দেশে বের হলাম এবং সিয়াম পালন করলাম। লোকেরা আমাকে বলল, তুমি পুনরায় সওম পালন কর। তখন আমি বললাম, আনাস (রাঃ) আমাকে বলেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগন সফরকালে সওম পালনকারী সওম ভঙ্গকারীকে কোন দোষারোপ করেনি। অনুরূপভাবে সওম ভঙ্গকারীও সওম পালনকারীকে কোন প্রকার দোষারোপ করেনি। অতঃপর আমি ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে আমাকে অনুরূপ হাদীস শুনালেন। (ই. ফা.২৪৮৮, ই.সে. ২৪৮৭)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن حميد، قال خرجت فصمت فقالوا لي أعد ‏.‏ قال فقلت إن أنسا أخبرني أن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا يسافرون فلا يعيب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم ‏.‏ فلقيت ابن أبي مليكة فأخبرني عن عائشة - رضى الله عنها - بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৫

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وإسحاق بن إبراهيم عن سفيان، عن الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏ قال يحيى قال سفيان لا أدري من قول من هو يعني وكان يؤخذ بالآخر من قول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইয়াহ্ইয়া বলেন, সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেছেন যে, আমি জানি না এ কার কথা অর্থাৎ তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শেষোক্ত কথাটি গ্রহণ করতেন। (ই.ফা. ২৪৭২, ই.সে. ২৪৭১)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইয়াহ্ইয়া বলেন, সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেছেন যে, আমি জানি না এ কার কথা অর্থাৎ তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শেষোক্ত কথাটি গ্রহণ করতেন। (ই.ফা. ২৪৭২, ই.সে. ২৪৭১)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وإسحاق بن إبراهيم عن سفيان، عن الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏ قال يحيى قال سفيان لا أدري من قول من هو يعني وكان يؤخذ بالآخر من قول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৩

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد بن عبد الرحمن، قال سمعت محمد بن عمرو بن الحسن، يحدث أنه سمع جابر بن عبد الله، - رضى الله عنهما - يقول رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا بمثله ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে দেখলেন। এরপর তিনি অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৮০, ই.সে. ২৪৭৯)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে দেখলেন। এরপর তিনি অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৮০, ই.সে. ২৪৭৯)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد بن عبد الرحمن، قال سمعت محمد بن عمرو بن الحسن، يحدث أنه سمع جابر بن عبد الله، - رضى الله عنهما - يقول رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৬

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد قال الزهري وكان الفطر آخر الأمرين وإنما يؤخذ من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالآخر فالآخر ‏.‏ قال الزهري فصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة لثلاث عشرة ليلة خلت من رمضان ‏.

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদের সাথে বর্ণনা করেছেন। যুহরী (রহঃ) বলেন, সওম পালন না করা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সর্বশেষ কাজ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শেষোক্ত কাজকেই গ্রহণ করা হতো। তিনি বলেন, রমাযানের তের দিন অতিবাহিত হবার পর ভোরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ২৪৭৩, ই.সে. ২৪৭২)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদের সাথে বর্ণনা করেছেন। যুহরী (রহঃ) বলেন, সওম পালন না করা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সর্বশেষ কাজ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শেষোক্ত কাজকেই গ্রহণ করা হতো। তিনি বলেন, রমাযানের তের দিন অতিবাহিত হবার পর ভোরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ২৪৭৩, ই.সে. ২৪৭২)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد قال الزهري وكان الفطر آخر الأمرين وإنما يؤخذ من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالآخر فالآخر ‏.‏ قال الزهري فصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة لثلاث عشرة ليلة خلت من رمضان ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০১

وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن جعفر، بهذا الإسناد وزاد فقيل له إن الناس قد شق عليهم الصيام وإنما ينظرون فيما فعلت ‏.‏ فدعا بقدح من ماء بعد العصر ‏.

জা’ফার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, অতঃপর তাঁকে বলা হ’ল, মানুষের সওম পালন করা কষ্টাতীত হয়ে পড়েছে। আপনি কী করেন, তারা সেদিকে তাকিয়ে আছে। এ কথা শুনে তিনি ‘আসরের পর এক পাত্র পানি চাইলেন। (ই.ফা. ২৪৭৮, ই.সে. ২৪৭৭)

জা’ফার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, অতঃপর তাঁকে বলা হ’ল, মানুষের সওম পালন করা কষ্টাতীত হয়ে পড়েছে। আপনি কী করেন, তারা সেদিকে তাকিয়ে আছে। এ কথা শুনে তিনি ‘আসরের পর এক পাত্র পানি চাইলেন। (ই.ফা. ২৪৭৮, ই.সে. ২৪৭৭)

وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن جعفر، بهذا الإسناد وزاد فقيل له إن الناس قد شق عليهم الصيام وإنما ينظرون فيما فعلت ‏.‏ فدعا بقدح من ماء بعد العصر ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৯৭

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد مثل حديث الليث ‏.‏ قال ابن شهاب فكانوا يتبعون الأحدث فالأحدث من أمره ويرونه الناسخ المحكم ‏.

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে লায়স-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সাহাবীগণ প্রত্যেক নতুন বিষয়ের অনুসরণ করতেন। যে বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে পেতেন সাহাবীগণ একে রহিতকারী ও অধিকতর বলিষ্ঠ মনে করতেন। (ই.ফা. ২৪৭৪, ই.সে. ২৪৭৩)

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে লায়স-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সাহাবীগণ প্রত্যেক নতুন বিষয়ের অনুসরণ করতেন। যে বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে পেতেন সাহাবীগণ একে রহিতকারী ও অধিকতর বলিষ্ঠ মনে করতেন। (ই.ফা. ২৪৭৪, ই.সে. ২৪৭৩)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد مثل حديث الليث ‏.‏ قال ابن شهاب فكانوا يتبعون الأحدث فالأحدث من أمره ويرونه الناسخ المحكم ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৪

وحدثناه أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه وزاد قال شعبة وكان يبلغني عن يحيى بن أبي كثير أنه كان يزيد في هذا الحديث وفي هذا الإسناد أنه قال ‏ "‏ عليكم برخصة الله الذي رخص لكم ‏"‏ ‏.‏ قال فلما سألته لم يحفظه ‏.

শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। শু’বাহ্ বলেন, এ সানাদে ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীরের মাধ্যমে অতিরিক্ত এ কথাও আমার নিকট পৌঁছেছে যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে যে সুবিধা দিয়েছেন তা গ্রহণ করা তোমাদের জন্য অপরিহার্য। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তখন সে মুখস্থ বলতে পারেনি। (ই.ফা. ২৪৮১, ই.সে. ২৪৮০)

শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। শু’বাহ্ বলেন, এ সানাদে ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীরের মাধ্যমে অতিরিক্ত এ কথাও আমার নিকট পৌঁছেছে যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে যে সুবিধা দিয়েছেন তা গ্রহণ করা তোমাদের জন্য অপরিহার্য। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তখন সে মুখস্থ বলতে পারেনি। (ই.ফা. ২৪৮১, ই.সে. ২৪৮০)

وحدثناه أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه وزاد قال شعبة وكان يبلغني عن يحيى بن أبي كثير أنه كان يزيد في هذا الحديث وفي هذا الإسناد أنه قال ‏ "‏ عليكم برخصة الله الذي رخص لكم ‏"‏ ‏.‏ قال فلما سألته لم يحفظه ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৬

حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن التيمي، ح وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن مهدي، حدثنا شعبة، وقال ابن المثنى، حدثنا أبو عامر، حدثنا هشام، وقال ابن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، حدثنا عمر يعني ابن عامر، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا محمد بن بشر، عن سعيد، كلهم عن قتادة، بهذا الإسناد ‏.‏ نحو حديث همام غير أن في حديث التيمي وعمر بن عامر وهشام لثمان عشرة خلت وفي حديث سعيد في ثنتى عشرة ‏.‏ وشعبة لسبع عشرة أو تسع عشرة ‏.

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাম্মামের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে আত্ তায়মী, ‘উমার উবনু ‘আমির ও হিশামের বর্ণনায় রমাযানের আঠার দিন অতিবাহিত হয়েছে কথাটি বর্ণিত আছে। সা’ঈদের বর্ণনায় বারোই রমাযান এবং শু’বার বর্ণনায় সতের অথবা ঊনিশ রমাযানের কথা উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ২৪৮৩, ই.সে. ২৪৮২)

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাম্মামের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে আত্ তায়মী, ‘উমার উবনু ‘আমির ও হিশামের বর্ণনায় রমাযানের আঠার দিন অতিবাহিত হয়েছে কথাটি বর্ণিত আছে। সা’ঈদের বর্ণনায় বারোই রমাযান এবং শু’বার বর্ণনায় সতের অথবা ঊনিশ রমাযানের কথা উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ২৪৮৩, ই.সে. ২৪৮২)

حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن التيمي، ح وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن مهدي، حدثنا شعبة، وقال ابن المثنى، حدثنا أبو عامر، حدثنا هشام، وقال ابن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، حدثنا عمر يعني ابن عامر، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا محمد بن بشر، عن سعيد، كلهم عن قتادة، بهذا الإسناد ‏.‏ نحو حديث همام غير أن في حديث التيمي وعمر بن عامر وهشام لثمان عشرة خلت وفي حديث سعيد في ثنتى عشرة ‏.‏ وشعبة لسبع عشرة أو تسع عشرة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫০৯

حدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، وسهل بن عثمان، وسويد بن سعيد، وحسين، بن حريث كلهم عن مروان، - قال سعيد أخبرنا مروان بن معاوية، - عن عاصم، قال سمعت أبا نضرة، يحدث عن أبي سعيد الخدري، وجابر بن عبد الله، - رضى الله عنهم - قالا سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيصوم الصائم ويفطر المفطر فلا يعيب بعضهم على بعض ‏.

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) ও জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফর করেছি। এমতাবস্থায় সওম পালনকারী সওম পালন করেছেন এবং সওম যারা ছাড়তে চেয়েছেন, তারা ছেড়ে দিয়েছেন কিন্ত এতে কেউ একে অন্যের প্রতি দোষারোপ করেননি। (ই.ফা.২৪৮৬, ই.সে. ২৪৮৫)

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) ও জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ই বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফর করেছি। এমতাবস্থায় সওম পালনকারী সওম পালন করেছেন এবং সওম যারা ছাড়তে চেয়েছেন, তারা ছেড়ে দিয়েছেন কিন্ত এতে কেউ একে অন্যের প্রতি দোষারোপ করেননি। (ই.ফা.২৪৮৬, ই.সে. ২৪৮৫)

حدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، وسهل بن عثمان، وسويد بن سعيد، وحسين، بن حريث كلهم عن مروان، - قال سعيد أخبرنا مروان بن معاوية، - عن عاصم، قال سمعت أبا نضرة، يحدث عن أبي سعيد الخدري، وجابر بن عبد الله، - رضى الله عنهم - قالا سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيصوم الصائم ويفطر المفطر فلا يعيب بعضهم على بعض ‏.


সহিহ মুসলিম > সফরের কোন কাজের দায়িত্ব পেলে সিয়াম ভঙ্গকারীর প্রতিদান প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৫১৩

وحدثنا أبو كريب، حدثنا حفص، عن عاصم الأحول، عن مورق، عن أنس، - رضى الله عنه - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فصام بعض وأفطر بعض فتحزم المفطرون وعملوا وضعف الصوام عن بعض العمل - قال - فقال في ذلك ‏ "‏ ذهب المفطرون اليوم بالأجر ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সফরে ছিলেন। তখন কেউ কেউ সওম পালন করলেন, আবার কেউ কেউ সওম ছেড়ে দিলেন। এরপর যারা সওম ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা শক্তিমত্তার সাথে কাজ করলেন এবং সওম পালনকারী ব্যক্তিগন কাজে দুর্বল হয়ে পড়লেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা নেকী অর্জন করে নিল। (ই. ফা.২৪৯০, ই.সে. ২৪৮৯)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সফরে ছিলেন। তখন কেউ কেউ সওম পালন করলেন, আবার কেউ কেউ সওম ছেড়ে দিলেন। এরপর যারা সওম ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা শক্তিমত্তার সাথে কাজ করলেন এবং সওম পালনকারী ব্যক্তিগন কাজে দুর্বল হয়ে পড়লেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা নেকী অর্জন করে নিল। (ই. ফা.২৪৯০, ই.সে. ২৪৮৯)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا حفص، عن عاصم الأحول، عن مورق، عن أنس، - رضى الله عنه - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فصام بعض وأفطر بعض فتحزم المفطرون وعملوا وضعف الصوام عن بعض العمل - قال - فقال في ذلك ‏ "‏ ذهب المفطرون اليوم بالأجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫১২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، أخبرنا أبو معاوية، عن عاصم، عن مورق، عن أنس، - رضى الله عنه - قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في السفر فمنا الصائم ومنا المفطر - قال - فنزلنا منزلا في يوم حار أكثرنا ظلا صاحب الكساء ومنا من يتقي الشمس بيده - قال - فسقط الصوام وقام المفطرون فضربوا الأبنية وسقوا الركاب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ذهب المفطرون اليوم بالأجر ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমরা সফরে ছিলাম। আমাদের কেউ সওম পালন করেছেন, আবার কেউ ছেড়ে দিয়েছেন। এরপর প্রচন্ড গরমের সময় আমরা এক প্রান্তরে অবতরণ করলাম। চাদর বিশিষ্ট লোকেরাই আমাদের মধ্যে সর্বাধিক ছায়া লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের কেউ কেউ নিজ হাত দ্বারা সূর্যের কিরণ থেকে নিজেকে রক্ষা করছিলেন। অবশেষে সওম পালনকারীরা ক্লান্ত হয়ে পড়ল এবং সওম ত্যাগকারীরা সুস্থ থাকল। এবপর তারা তাঁবু খাটালো এবং উটকে পানি পান করালো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা সওয়াব অর্জন করে নিল। (ই. ফা.২৪৮৯, ই.সে. ২৪৮৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমরা সফরে ছিলাম। আমাদের কেউ সওম পালন করেছেন, আবার কেউ ছেড়ে দিয়েছেন। এরপর প্রচন্ড গরমের সময় আমরা এক প্রান্তরে অবতরণ করলাম। চাদর বিশিষ্ট লোকেরাই আমাদের মধ্যে সর্বাধিক ছায়া লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের কেউ কেউ নিজ হাত দ্বারা সূর্যের কিরণ থেকে নিজেকে রক্ষা করছিলেন। অবশেষে সওম পালনকারীরা ক্লান্ত হয়ে পড়ল এবং সওম ত্যাগকারীরা সুস্থ থাকল। এবপর তারা তাঁবু খাটালো এবং উটকে পানি পান করালো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা সওয়াব অর্জন করে নিল। (ই. ফা.২৪৮৯, ই.সে. ২৪৮৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، أخبرنا أبو معاوية، عن عاصم، عن مورق، عن أنس، - رضى الله عنه - قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في السفر فمنا الصائم ومنا المفطر - قال - فنزلنا منزلا في يوم حار أكثرنا ظلا صاحب الكساء ومنا من يتقي الشمس بيده - قال - فسقط الصوام وقام المفطرون فضربوا الأبنية وسقوا الركاب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ذهب المفطرون اليوم بالأجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৫১৪

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن معاوية بن صالح، عن ربيعة، قال حدثني قزعة، قال أتيت أبا سعيد الخدري - رضى الله عنه - وهو مكثور عليه فلما تفرق الناس عنه قلت إني لا أسألك عما يسألك هؤلاء عنه ‏.‏ سألته عن الصوم في السفر فقال سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى مكة ونحن صيام قال فنزلنا منزلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنكم قد دنوتم من عدوكم والفطر أقوى لكم ‏"‏ ‏.‏ فكانت رخصة فمنا من صام ومنا من أفطر ثم نزلنا منزلا آخر فقال ‏"‏ إنكم مصبحو عدوكم والفطر أقوى لكم فأفطروا ‏"‏ ‏.‏ وكانت عزمة فأفطرنا ثم قال لقد رأيتنا نصوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك في السفر ‏.

কাযা’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) এর নিকট গেলাম। তাঁর নিকট মানুষের খুব ভীড় ছিল। যখন লোকজন পৃথক হয়ে এদিক ওদিক চলে গেল, তখন আমি বললাম, আমি আপনার নিকট ঐসব কথা জিজ্ঞেস করব না যা লোকেরা জিজ্ঞেস করেছে। আমি তাঁকে সফরের অবস্থায় সওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সওমরত অবস্থায় মক্কার দিকে রওনা করলাম। এরপর একস্থানে আমরা অবতরণ করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন এখন তোমরা শত্রুদের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছ। এখন সওম ভঙ্গ করাই তোমাদের জন্য শক্তিশালী থাকার উপায় এবং এটা তোমাদের জন্য বিশেষ এক অবকাশ। তখন আমাদের কতক লোক সওম পালন করল, আবার কতক লোক ইফত্বার কলল। এরপর আমরা অন্য এক স্থানে অবতরণ করলাম। তখন তিনি বললেন, ভোরেই তোমরা শত্রুর মুকাবিলা করব। সুতরাং ইফত্বারই তোমাদের জন্য শক্তি বর্ধক। তাই তোমরা ইফত্বার কর। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ নির্দেশ অবশ্য পালনীয় ছিল। তাই আমরা সকলেই সওম ভঙ্গ করলাম। এরপর আমরা দেখেছি, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফরের অবস্থায় সওম পালন করতাম। (ই. ফা.২৪৯১, ই.সে. ২৪৯০)

কাযা’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) এর নিকট গেলাম। তাঁর নিকট মানুষের খুব ভীড় ছিল। যখন লোকজন পৃথক হয়ে এদিক ওদিক চলে গেল, তখন আমি বললাম, আমি আপনার নিকট ঐসব কথা জিজ্ঞেস করব না যা লোকেরা জিজ্ঞেস করেছে। আমি তাঁকে সফরের অবস্থায় সওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সওমরত অবস্থায় মক্কার দিকে রওনা করলাম। এরপর একস্থানে আমরা অবতরণ করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন এখন তোমরা শত্রুদের নিকটবর্তী হয়ে গিয়েছ। এখন সওম ভঙ্গ করাই তোমাদের জন্য শক্তিশালী থাকার উপায় এবং এটা তোমাদের জন্য বিশেষ এক অবকাশ। তখন আমাদের কতক লোক সওম পালন করল, আবার কতক লোক ইফত্বার কলল। এরপর আমরা অন্য এক স্থানে অবতরণ করলাম। তখন তিনি বললেন, ভোরেই তোমরা শত্রুর মুকাবিলা করব। সুতরাং ইফত্বারই তোমাদের জন্য শক্তি বর্ধক। তাই তোমরা ইফত্বার কর। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ নির্দেশ অবশ্য পালনীয় ছিল। তাই আমরা সকলেই সওম ভঙ্গ করলাম। এরপর আমরা দেখেছি, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফরের অবস্থায় সওম পালন করতাম। (ই. ফা.২৪৯১, ই.সে. ২৪৯০)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن معاوية بن صالح، عن ربيعة، قال حدثني قزعة، قال أتيت أبا سعيد الخدري - رضى الله عنه - وهو مكثور عليه فلما تفرق الناس عنه قلت إني لا أسألك عما يسألك هؤلاء عنه ‏.‏ سألته عن الصوم في السفر فقال سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى مكة ونحن صيام قال فنزلنا منزلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنكم قد دنوتم من عدوكم والفطر أقوى لكم ‏"‏ ‏.‏ فكانت رخصة فمنا من صام ومنا من أفطر ثم نزلنا منزلا آخر فقال ‏"‏ إنكم مصبحو عدوكم والفطر أقوى لكم فأفطروا ‏"‏ ‏.‏ وكانت عزمة فأفطرنا ثم قال لقد رأيتنا نصوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك في السفر ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00