সহিহ মুসলিম > সওমে বিসাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ
সহিহ মুসলিম ২৪৫৪
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم واصل في رمضان فواصل الناس فنهاهم . قيل له أنت تواصل قال " إني لست مثلكم إني أطعم وأسقى " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাসে সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। তা দেখে সাহাবীগণও সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করলেন। এতে তাঁকে প্রশ্ন করা হ’ল, আপনি তো সওমে বিসাল করছেন। উত্তরে তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে তো খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩১, ই.সে. ২৪৩০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাসে সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। তা দেখে সাহাবীগণও সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করলেন। এতে তাঁকে প্রশ্ন করা হ’ল, আপনি তো সওমে বিসাল করছেন। উত্তরে তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে তো খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩১, ই.সে. ২৪৩০)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم واصل في رمضان فواصل الناس فنهاهم . قيل له أنت تواصل قال " إني لست مثلكم إني أطعم وأسقى " .
সহিহ মুসলিম ২৪৬১
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসের প্রথমাংশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এ দেখে মুসলিমদের কতিপয় লোক সওমে বিসাল আরম্ভ করে দিলেন। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছার পর তিনি বললেন, যদি আমাদের জন্য মাস দীর্ঘায়িত করে দেয়া হতো তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যাতে সীমালঙ্ঘনকারীরা সীমালংঘন করা ছেড়ে দিত। এরপর তিনি বললেন, তোমরা তো আমার মতো নও অথবা বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। কারণ আমার প্রতিপালক তো আমাকে পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৮, ই.সে. ২৪৩৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসের প্রথমাংশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এ দেখে মুসলিমদের কতিপয় লোক সওমে বিসাল আরম্ভ করে দিলেন। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছার পর তিনি বললেন, যদি আমাদের জন্য মাস দীর্ঘায়িত করে দেয়া হতো তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যাতে সীমালঙ্ঘনকারীরা সীমালংঘন করা ছেড়ে দিত। এরপর তিনি বললেন, তোমরা তো আমার মতো নও অথবা বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। কারণ আমার প্রতিপালক তো আমাকে পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৮, ই.সে. ২৪৩৭)
সহিহ মুসলিম ২৪৫৩
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال قالوا إنك تواصل . قال " إني لست كهيئتكم إني أطعم وأسقى " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এতে সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। তিন বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমাকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩০, ই.সে. ২৪২৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এতে সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। তিন বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমাকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩০, ই.সে. ২৪২৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال قالوا إنك تواصل . قال " إني لست كهيئتكم إني أطعم وأسقى " .
সহিহ মুসলিম ২৪৫৭
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাক। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন? তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তোমরা তো আমার মত নও। আমি এমতাবস্থায় রাত্রি যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান। তাই তোমরা তোমাদের সামর্থ্যে যতটুকু কুলায়, ততটুকু ‘আমাল কর। (ই.ফা. ২৪৩৪, ই.সে. ২৪৩৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাক। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন? তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তোমরা তো আমার মত নও। আমি এমতাবস্থায় রাত্রি যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান। তাই তোমরা তোমাদের সামর্থ্যে যতটুকু কুলায়, ততটুকু ‘আমাল কর। (ই.ফা. ২৪৩৪, ই.সে. ২৪৩৩)
সহিহ মুসলিম ২৪৫৬
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। তখন মুসলিমদের এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার মতো কে আছে? আমি রাত্রি যাপন করি এমতাবস্থায় যে, আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান এবং আমাকে পান করান। সাহাবীগণ সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের সাথে একদিন এবং পরে আরেক দিন সওমে বিসাল করলেন। এরপর তারা চাঁদ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, চাঁর আরো দেরীতে দেখা দিলে আমিও সওমে বিসাল দির্ঘায়িত করতাম। তাঁরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি শাস্তি স্বরূপ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ২৪৩৩, ই.সে. ২৪৩২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। তখন মুসলিমদের এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার মতো কে আছে? আমি রাত্রি যাপন করি এমতাবস্থায় যে, আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান এবং আমাকে পান করান। সাহাবীগণ সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের সাথে একদিন এবং পরে আরেক দিন সওমে বিসাল করলেন। এরপর তারা চাঁদ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, চাঁর আরো দেরীতে দেখা দিলে আমিও সওমে বিসাল দির্ঘায়িত করতাম। তাঁরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি শাস্তি স্বরূপ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ২৪৩৩, ই.সে. ২৪৩২)
সহিহ মুসলিম ২৪৬০
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালাম। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসেও তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। এভাবে আমরা এক দল লোক হয়ে গেলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তাঁর পেছনে আছি, তখন তিনি সালাত সংক্ষেপ করে ফেললেন। তারপর তিনি আপন গৃহে চলে গেলেন এবং এমন (দীর্ঘ) সালাত আদায় করলেন যে, এভাবে তিনি আমাদের সাথে সালাত আদায় করতেন না। সকালে আমরা তাঁকে বললাম, রাত্রে আপনি আমাদের সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই তো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ঐ কাজের, যা আমি করেছি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানের শেষভাগে আবার সওমে বিসাল করতে আরম্ভ করলেন। এ দেখে কতিপয় সহাবীও সওমে বিসাল শুরু করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, লোকদের কী হ’ল, তারা যে সওমে বিসাল আরম্ভ করেছে! তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর শপথ! যদি মাস দীর্ঘায়িত হতো, তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যার ফরে সীমালঙ্ঘনকারীগণ সওমে বিসাল করা ছেড়ে দিত। (ই.ফা. ২৪৩৭, ই.সে. ২৪৩৬)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালাম। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসেও তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। এভাবে আমরা এক দল লোক হয়ে গেলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তাঁর পেছনে আছি, তখন তিনি সালাত সংক্ষেপ করে ফেললেন। তারপর তিনি আপন গৃহে চলে গেলেন এবং এমন (দীর্ঘ) সালাত আদায় করলেন যে, এভাবে তিনি আমাদের সাথে সালাত আদায় করতেন না। সকালে আমরা তাঁকে বললাম, রাত্রে আপনি আমাদের সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই তো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ঐ কাজের, যা আমি করেছি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানের শেষভাগে আবার সওমে বিসাল করতে আরম্ভ করলেন। এ দেখে কতিপয় সহাবীও সওমে বিসাল শুরু করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, লোকদের কী হ’ল, তারা যে সওমে বিসাল আরম্ভ করেছে! তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর শপথ! যদি মাস দীর্ঘায়িত হতো, তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যার ফরে সীমালঙ্ঘনকারীগণ সওমে বিসাল করা ছেড়ে দিত। (ই.ফা. ২৪৩৭, ই.সে. ২৪৩৬)
সহিহ মুসলিম ২৪৬২
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعثمان بن أبي شيبة، جميعا عن عبدة، - قال إسحاق أخبرنا عبدة بن سليمان، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت نهاهم النبي صلى الله عليه وسلم عن الوصال رحمة لهم . فقالوا إنك تواصل . قال " إني لست كهيئتكم إني يطعمني ربي ويسقيني " .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দয়াবশতঃ সবাইকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করেন। তিনি বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। আমাকে তো আমার প্রতিপালক পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৯, ই.সে. ২৪৩৮)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দয়াবশতঃ সবাইকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করেন। তিনি বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। আমাকে তো আমার প্রতিপালক পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৯, ই.সে. ২৪৩৮)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعثمان بن أبي شيبة، جميعا عن عبدة، - قال إسحاق أخبرنا عبدة بن سليمان، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت نهاهم النبي صلى الله عليه وسلم عن الوصال رحمة لهم . فقالوا إنك تواصل . قال " إني لست كهيئتكم إني يطعمني ربي ويسقيني " .
সহিহ মুসলিম ২৪৫৯
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবূ যুর’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৩৬, ই.সে. ২৪৩৫)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবূ যুর’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৩৬, ই.সে. ২৪৩৫)
সহিহ মুসলিম ২৪৫৮
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হাদীসের শেষে কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন হলেও অর্থ একই)। (ই.ফা. ২৪৩৫, ই.সে. ২৪৩৪)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হাদীসের শেষে কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন হলেও অর্থ একই)। (ই.ফা. ২৪৩৫, ই.সে. ২৪৩৪)
সহিহ মুসলিম ২৪৫৫
ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রমাযান মাসের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৩২, ই.সে. ২৪৩১)
ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রমাযান মাসের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৩২, ই.সে. ২৪৩১)
সহিহ মুসলিম > কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়
সহিহ মুসলিম ২৪৬৬
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، وعلقمة، عن عائشة، رضى الله عنها ح . وحدثنا شجاع بن مخلد، حدثنا يحيى بن أبي زائدة، حدثنا الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم ويباشر وهو صائم ولكنه أملككم لإربه .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) চুম্বন ও স্পর্শ করতেন। তবে প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ রাখায় তোমাদের সবার চেয়ে তিনি অধিকরত শক্তিশালী ছিলেন। (ই.ফা. ২৪৪৩, ই.সে. ২৪৪২)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) চুম্বন ও স্পর্শ করতেন। তবে প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ রাখায় তোমাদের সবার চেয়ে তিনি অধিকরত শক্তিশালী ছিলেন। (ই.ফা. ২৪৪৩, ই.সে. ২৪৪২)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، وعلقمة، عن عائشة، رضى الله عنها ح . وحدثنا شجاع بن مخلد، حدثنا يحيى بن أبي زائدة، حدثنا الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم ويباشر وهو صائم ولكنه أملككم لإربه .
সহিহ মুসলিম ২৪৬৩
حدثني علي بن حجر، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل إحدى نسائه وهو صائم . ثم تضحك .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু দিতেন। তারপর তিনি হেসে দিলেন। (ই.ফা. ২৪৪০, ই.সে. ২৪৩৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু দিতেন। তারপর তিনি হেসে দিলেন। (ই.ফা. ২৪৪০, ই.সে. ২৪৩৯)
حدثني علي بن حجر، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل إحدى نسائه وهو صائم . ثم تضحك .
সহিহ মুসলিম ২৪৬৮
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يباشر وهو صائم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) স্পর্শ করতেন। (ই.ফা. ২৪৪৫, ই.সে. ২৪৪৪)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) স্পর্শ করতেন। (ই.ফা. ২৪৪৫, ই.সে. ২৪৪৪)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يباشر وهو صائم .
সহিহ মুসলিম ২৪৬৭
حدثني علي بن حجر، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عائشة، - رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم وكان أملككم لإربه .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় চুমু দিতেন। তিনি তাঁর প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিকতর ক্ষমতাবান ছিলেন। (ই.ফা. ২৪৪৪, ই.সে. ২৪৪৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় চুমু দিতেন। তিনি তাঁর প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিকতর ক্ষমতাবান ছিলেন। (ই.ফা. ২৪৪৪, ই.সে. ২৪৪৩)
حدثني علي بن حجر، وزهير بن حرب، قالا حدثنا سفيان، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عائشة، - رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم وكان أملككم لإربه .
সহিহ মুসলিম ২৪৬৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن عبيد الله بن عمر، عن القاسم، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبلني وهو صائم وأيكم يملك إربه كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يملك إربه .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় আমাকে চুমু দিতেন। তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে যে, নিজের কামোদ্দীপনাকে আয়ত্বে রাখতে পারে, যেমন আয়ত্বে রাখতে সক্ষম ছিলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কামোদ্দীপনাকে। (ই.ফা. ২৪৪২, ই.সে. ২৪৪১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় আমাকে চুমু দিতেন। তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে যে, নিজের কামোদ্দীপনাকে আয়ত্বে রাখতে পারে, যেমন আয়ত্বে রাখতে সক্ষম ছিলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কামোদ্দীপনাকে। (ই.ফা. ২৪৪২, ই.সে. ২৪৪১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن عبيد الله بن عمر، عن القاسم، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبلني وهو صائم وأيكم يملك إربه كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يملك إربه .
সহিহ মুসলিম ২৪৬৪
حدثني علي بن حجر السعدي، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان، قال قلت لعبد الرحمن بن القاسم أسمعت أباك يحدث عن عائشة، - رضى الله عنها - أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صائم فسكت ساعة ثم قال نعم .
সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনুল ক্বাসিম (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কি তোমার আব্বাকে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন? তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, হ্যাঁ, শুনেছি। (ই.ফা. ২৪৪১, ই.সে. ২৪৪০)
সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনুল ক্বাসিম (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কি তোমার আব্বাকে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন? তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে বললেন, হ্যাঁ, শুনেছি। (ই.ফা. ২৪৪১, ই.সে. ২৪৪০)
حدثني علي بن حجر السعدي، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان، قال قلت لعبد الرحمن بن القاسم أسمعت أباك يحدث عن عائشة، - رضى الله عنها - أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صائم فسكت ساعة ثم قال نعم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৩
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو الأحوص، عن زياد بن علاقة، عن عمرو بن ميمون، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل في شهر الصوم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়ামের মাসেও (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫০, ই.সে. ২৪৪৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়ামের মাসেও (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫০, ই.সে. ২৪৪৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو الأحوص، عن زياد بن علاقة، عن عمرو بن ميمون، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل في شهر الصوم .
সহিহ মুসলিম ২৪৬৯
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو عاصم، قال سمعت ابن عون، عن إبراهيم، عن الأسود، قال انطلقت أنا ومسروق، إلى عائشة - رضى الله عنها - فقلنا لها أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يباشر وهو صائم قالت نعم ولكنه كان أملككم لإربه أو من أملككم لإربه . شك أبو عاصم .
আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, সওমের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাঁর স্ত্রীদেরকে স্পর্শ করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, করতেন। তবে তিনি তাঁর প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ছিলেন অথবা বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে, যে তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম? এ ব্যাপারে আবূ ‘আসিম সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। (ই.ফা. ২৪৪৬, ই.সে. ২৪৪৫)
আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, সওমের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাঁর স্ত্রীদেরকে স্পর্শ করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, করতেন। তবে তিনি তাঁর প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ছিলেন অথবা বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে, যে তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম? এ ব্যাপারে আবূ ‘আসিম সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। (ই.ফা. ২৪৪৬, ই.সে. ২৪৪৫)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو عاصم، قال سمعت ابن عون، عن إبراهيم، عن الأسود، قال انطلقت أنا ومسروق، إلى عائشة - رضى الله عنها - فقلنا لها أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يباشر وهو صائم قالت نعم ولكنه كان أملككم لإربه أو من أملككم لإربه . شك أبو عاصم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، عن يحيى، بن أبي كثير عن أبي سلمة، أن عمر بن عبد العزيز، أخبره أن عروة بن الزبير أخبره أن عائشة أم المؤمنين - رضى الله عنها - أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صائم .
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৪৮, ই.সে. ২৪৪৭)
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় তাঁকে চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৪৮, ই.সে. ২৪৪৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، عن يحيى، بن أبي كثير عن أبي سلمة، أن عمر بن عبد العزيز، أخبره أن عروة بن الزبير أخبره أن عائشة أم المؤمنين - رضى الله عنها - أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صائم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৪
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا أبو بكر النهشلي، حدثنا زياد، بن علاقة عن عمرو بن ميمون، عن عائشة، رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل في رمضان وهو صائم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে সওমের অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদেরকে চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫১, ই.সে. ২৪৫০)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে সওমের অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদেরকে চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫১, ই.সে. ২৪৫০)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا أبو بكر النهشلي، حدثنا زياد، بن علاقة عن عمرو بن ميمون، عن عائشة، رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل في رمضان وهو صائم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৫
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن علي بن الحسين، عن عائشة، رضى الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫২, ই.সে. ২৪৫১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫২, ই.সে. ২৪৫১)
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن علي بن الحسين، عن عائشة، رضى الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৬
وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن شتير بن شكل، عن حفصة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم .
হাফসাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫৩, ই.সে. ২৪৫২)
হাফসাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫৩, ই.সে. ২৪৫২)
وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم، عن شتير بن شكل، عن حفصة، - رضى الله عنها - قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৮
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن عبد ربه بن سعيد، عن عبد الله بن كعب الحميري، عن عمر بن أبي سلمة، أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أيقبل الصائم فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " سل هذه " . لأم سلمة فأخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ذلك فقال يا رسول الله قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما والله إني لأتقاكم لله وأخشاكم له " .
‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, সওম পালনকারী ব্যক্তি চুম্বন করতে পারে কি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, কথাটি উম্মু সালামাকে জিজ্ঞেস কর। (তাঁকে জিজ্ঞেস করার পর) তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেন। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ তো আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, শোন, আল্লাহর শপথ! আমি আল্লাহ তা’আলাকে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক ভয় করি। (ই.ফা. ২৪৫৫, ই.সে. ২৪৫৪)
‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, সওম পালনকারী ব্যক্তি চুম্বন করতে পারে কি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, কথাটি উম্মু সালামাকে জিজ্ঞেস কর। (তাঁকে জিজ্ঞেস করার পর) তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেন। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ তো আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, শোন, আল্লাহর শপথ! আমি আল্লাহ তা’আলাকে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক ভয় করি। (ই.ফা. ২৪৫৫, ই.সে. ২৪৫৪)
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن عبد ربه بن سعيد، عن عبد الله بن كعب الحميري، عن عمر بن أبي سلمة، أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أيقبل الصائم فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " سل هذه " . لأم سلمة فأخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ذلك فقال يا رسول الله قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما والله إني لأتقاكم لله وأخشاكم له " .
সহিহ মুসলিম ২৪৭০
وحدثنيه يعقوب الدورقي، حدثنا إسماعيل، عن ابن عون، عن إبراهيم، عن الأسود، ومسروق أنهما دخلا على أم المؤمنين يسألانها . فذكر نحوه .
আসওয়াদ এবং মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তাঁরা দু’জন এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গমন করলেন। এরপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৪৭, ই.সে. ২৪৪৬)
আসওয়াদ এবং মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তাঁরা দু’জন এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গমন করলেন। এরপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৪৭, ই.সে. ২৪৪৬)
وحدثنيه يعقوب الدورقي، حدثنا إسماعيل، عن ابن عون، عن إبراهيم، عن الأسود، ومسروق أنهما دخلا على أم المؤمنين يسألانها . فذكر نحوه .
সহিহ মুসলিম ২৪৭২
وحدثنا يحيى بن بشر الحريري، حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - عن يحيى، بن أبي كثير بهذا الإسناد مثله .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৪৯, ই.সে. ২৪৪৮)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৪৯, ই.সে. ২৪৪৮)
وحدثنا يحيى بن بشر الحريري، حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - عن يحيى، بن أبي كثير بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৭
وحدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم عن جرير، كلاهما عن منصور، عن مسلم، عن شتير بن شكل، عن حفصة، - رضى الله عنها - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
হাফসাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৫৪, ই.সে. ২৪৫৩)
হাফসাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৫৪, ই.সে. ২৪৫৩)
وحدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم عن جرير، كلاهما عن منصور، عن مسلم، عن شتير بن شكل، عن حفصة، - رضى الله عنها - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম > জানাবাত অবস্থায় কারো প্রভাত হলে তার সওম শুদ্ধ হবে
সহিহ মুসলিম ২৪৮০
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وأبي، بكر بن عبد الرحمن أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدركه الفجر في رمضان وهو جنب من غير حلم فيغتسل ويصوم .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জানাবাত অবস্থায় ফাজ্রের সলাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৭, ই.সে. ২৪৫৬)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রমাযান মাসে ইহতিলাম ছাড়াই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জানাবাত অবস্থায় ফাজ্রের সলাতের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৭, ই.সে. ২৪৫৬)
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وأبي، بكر بن عبد الرحمن أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدركه الفجر في رمضان وهو جنب من غير حلم فيغتسل ويصوم .
সহিহ মুসলিম ২৪৮১
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن عبد ربه، عن عبد الله بن كعب الحميري، أن أبا بكر، حدثه أن مروان أرسله إلى أم سلمة - رضى الله عنها - يسأل عن الرجل يصبح جنبا أيصوم فقالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من جماع لا من حلم ثم لا يفطر ولا يقضي .
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তাকে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সওম ভঙ্গও করতেন না এবং সওমের কাযাও করতেন না। (ই.ফা. ২৪৫৮, ই.সে. ২৪৫৭)
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা মারওয়ান তাকে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য যার জানাবাতের অবস্থায় ভোর হলো, সে সওম পালন করতে পারবে কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহতিলাম ব্যতিরেকে স্ত্রী সহবাসের কারণে গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় ভোর হতো। এরপর তিনি সওম ভঙ্গও করতেন না এবং সওমের কাযাও করতেন না। (ই.ফা. ২৪৫৮, ই.সে. ২৪৫৭)
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن عبد ربه، عن عبد الله بن كعب الحميري، أن أبا بكر، حدثه أن مروان أرسله إلى أم سلمة - رضى الله عنها - يسأل عن الرجل يصبح جنبا أيصوم فقالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من جماع لا من حلم ثم لا يفطر ولا يقضي .
সহিহ মুসলিম ২৪৮৪
حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، أخبرني محمد بن يوسف، عن سليمان بن يسار، أنه سأل أم سلمة - رضى الله عنها - عن الرجل يصبح جنبا أيصوم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير احتلام ثم يصوم .
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, জানাবাতের অবস্থায় যার ভোর হয়, সে সওম পালন করবে কি? তিনি বললেন, ইহতিলাম ছাড়াই জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভোর হতো এবং তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৬১, ই.সে. ২৪৬০)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন, জানাবাতের অবস্থায় যার ভোর হয়, সে সওম পালন করবে কি? তিনি বললেন, ইহতিলাম ছাড়াই জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভোর হতো এবং তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৬১, ই.সে. ২৪৬০)
حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أبو عاصم، حدثنا ابن جريج، أخبرني محمد بن يوسف، عن سليمان بن يسار، أنه سأل أم سلمة - رضى الله عنها - عن الرجل يصبح جنبا أيصوم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير احتلام ثم يصوم .
সহিহ মুসলিম ২৪৭৯
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبد الملك، بن أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي بكر، قال سمعت أبا هريرة، - رضى الله عنه - يقص يقول في قصصه من أدركه الفجر جنبا فلا يصم . فذكرت ذلك لعبد الرحمن بن الحارث - لأبيه - فأنكر ذلك . فانطلق عبد الرحمن وانطلقت معه حتى دخلنا على عائشة وأم سلمة - رضى الله عنهما - فسألهما عبد الرحمن عن ذلك - قال - فكلتاهما قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم - قال - فانطلقنا حتى دخلنا على مروان فذكر ذلك له عبد الرحمن . فقال مروان عزمت عليك إلا ما ذهبت إلى أبي هريرة فرددت عليه ما يقول - قال - فجئنا أبا هريرة وأبو بكر حاضر ذلك كله - قال - فذكر له عبد الرحمن فقال أبو هريرة أهما قالتاه لك قال نعم . قال هما أعلم . ثم رد أبو هريرة ما كان يقول في ذلك إلى الفضل بن العباس فقال أبو هريرة سمعت ذلك من الفضل ولم أسمعه من النبي صلى الله عليه وسلم . قال فرجع أبو هريرة عما كان يقول في ذلك . قلت لعبد الملك أقالتا في رمضان قال كذلك كان يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم .
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর আলোচনায় বললেন, জানাবাত অবস্থায় কারো ভোর হলে তার সওম হবে না। এরপর এ কথাটি আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। তরপর ‘আবদুর রহমান চললেন। আমিও তাঁর সাথে সাথে চললাম। আমরা ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর ‘আবদুর রহমান তাঁদের উভয়কে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকে জানাবাতের অবস্থায় ভোর করতেন এবং সওম পালন করতেন। তারপর আমরা মারওয়ানের নিকট আসলাম এবং ‘আবদুর রহমান তার সাথে এ নিয়ে আলোচনা করলেন। এরপর মারওয়ান বললেন, আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি আবূ হুরায়রার নিকট যাও এবং তার কথাটি রদ করে দাও। এরপর আমি আবূ হুরায়রার নিকট গেলাম। এ সময় আবূ বকর (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের সাথে ছিলেন। ‘আবদুর রহমান এ নিয়ে আবূ হুরায়রার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, তোমার নিকট তাঁরা উভয়েই কি এ কথা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন। তখন আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, বস্তুত তাঁরাই সর্বাধিক অবগত। তারপর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর এ কথাটিকে ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের প্রতি সম্পর্কিত করে বললেন, আমি এ কথাটি ফায্লের (ইবনু আব্বাস) থেকে শুনেছিলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনিনি। রাবী বলেন, এরপর আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এ বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘আবদুল মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, তারা রমাযানের কথা বলেছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ অনুরূপই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকেও জানাবাত অবস্থায় ভোর করতেন। এরপর সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৬, ই.সে. ২৪৫৫)
আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর আলোচনায় বললেন, জানাবাত অবস্থায় কারো ভোর হলে তার সওম হবে না। এরপর এ কথাটি আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু হারিস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করলেন। তরপর ‘আবদুর রহমান চললেন। আমিও তাঁর সাথে সাথে চললাম। আমরা ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর ‘আবদুর রহমান তাঁদের উভয়কে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকে জানাবাতের অবস্থায় ভোর করতেন এবং সওম পালন করতেন। তারপর আমরা মারওয়ানের নিকট আসলাম এবং ‘আবদুর রহমান তার সাথে এ নিয়ে আলোচনা করলেন। এরপর মারওয়ান বললেন, আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি আবূ হুরায়রার নিকট যাও এবং তার কথাটি রদ করে দাও। এরপর আমি আবূ হুরায়রার নিকট গেলাম। এ সময় আবূ বকর (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের সাথে ছিলেন। ‘আবদুর রহমান এ নিয়ে আবূ হুরায়রার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, তোমার নিকট তাঁরা উভয়েই কি এ কথা বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাঁরা উভয়েই এ কথা বলেছেন। তখন আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, বস্তুত তাঁরাই সর্বাধিক অবগত। তারপর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর এ কথাটিকে ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের প্রতি সম্পর্কিত করে বললেন, আমি এ কথাটি ফায্লের (ইবনু আব্বাস) থেকে শুনেছিলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনিনি। রাবী বলেন, এরপর আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) এ বিষয়ে তাঁর মত পরিবর্তন করেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ‘আবদুল মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, তারা রমাযানের কথা বলেছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ অনুরূপই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহতিলাম ব্যতিরেকেও জানাবাত অবস্থায় ভোর করতেন। এরপর সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৬, ই.সে. ২৪৫৫)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبد الملك، بن أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي بكر، قال سمعت أبا هريرة، - رضى الله عنه - يقص يقول في قصصه من أدركه الفجر جنبا فلا يصم . فذكرت ذلك لعبد الرحمن بن الحارث - لأبيه - فأنكر ذلك . فانطلق عبد الرحمن وانطلقت معه حتى دخلنا على عائشة وأم سلمة - رضى الله عنهما - فسألهما عبد الرحمن عن ذلك - قال - فكلتاهما قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم - قال - فانطلقنا حتى دخلنا على مروان فذكر ذلك له عبد الرحمن . فقال مروان عزمت عليك إلا ما ذهبت إلى أبي هريرة فرددت عليه ما يقول - قال - فجئنا أبا هريرة وأبو بكر حاضر ذلك كله - قال - فذكر له عبد الرحمن فقال أبو هريرة أهما قالتاه لك قال نعم . قال هما أعلم . ثم رد أبو هريرة ما كان يقول في ذلك إلى الفضل بن العباس فقال أبو هريرة سمعت ذلك من الفضل ولم أسمعه من النبي صلى الله عليه وسلم . قال فرجع أبو هريرة عما كان يقول في ذلك . قلت لعبد الملك أقالتا في رمضان قال كذلك كان يصبح جنبا من غير حلم ثم يصوم .
সহিহ মুসলিম ২৪৮৩
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن، جعفر أخبرني عبد الله بن عبد الرحمن، - وهو ابن معمر بن حزم الأنصاري أبو طوالة - أن أبا يونس، مولى عائشة أخبره عن عائشة، - رضى الله عنها - أن رجلا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستفتيه وهي تسمع من وراء الباب فقال يا رسول الله تدركني الصلاة وأنا جنب أفأصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وأنا تدركني الصلاة وأنا جنب فأصوم " . فقال لست مثلنا يا رسول الله قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر . فقال " والله إني لأرجو أن أكون أخشاكم لله وأعلمكم بما أتقي " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। এ সময় তিনি দরজার পেছন থেকে কথাগুলো শুনছিলেন। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! জানাবাতের অবস্থায় আমার ফাজরের সময় হয়ে যায়, এমতাবস্থায় আমি সওম পালন করতে পারি কি? উত্তরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জানাবাতের অবস্থায় আমারও ফাজরের সলাতের সময় হয়ে যায়, আমি তো সওম পালন করি। এরপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন। আল্লাহ তা’আলা আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার আশা, আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে সর্বাধিক ভয় করি এবং আমি সর্বাধিক অবগত ঐ বিষয় সম্পর্কে, যা থেকে আমার বিরত থাকা আবশ্যক। (ই.ফা. ২৪৬০, ই.সে. ২৪৫৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। এ সময় তিনি দরজার পেছন থেকে কথাগুলো শুনছিলেন। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ! জানাবাতের অবস্থায় আমার ফাজরের সময় হয়ে যায়, এমতাবস্থায় আমি সওম পালন করতে পারি কি? উত্তরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জানাবাতের অবস্থায় আমারও ফাজরের সলাতের সময় হয়ে যায়, আমি তো সওম পালন করি। এরপর লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো আমাদের মতো নন। আল্লাহ তা’আলা আপনার পূর্বাপর সমূদয় গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমার আশা, আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে সর্বাধিক ভয় করি এবং আমি সর্বাধিক অবগত ঐ বিষয় সম্পর্কে, যা থেকে আমার বিরত থাকা আবশ্যক। (ই.ফা. ২৪৬০, ই.সে. ২৪৫৯)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن، جعفر أخبرني عبد الله بن عبد الرحمن، - وهو ابن معمر بن حزم الأنصاري أبو طوالة - أن أبا يونس، مولى عائشة أخبره عن عائشة، - رضى الله عنها - أن رجلا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم يستفتيه وهي تسمع من وراء الباب فقال يا رسول الله تدركني الصلاة وأنا جنب أفأصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وأنا تدركني الصلاة وأنا جنب فأصوم " . فقال لست مثلنا يا رسول الله قد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر . فقال " والله إني لأرجو أن أكون أخشاكم لله وأعلمكم بما أتقي " .
সহিহ মুসলিম ২৪৮২
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد ربه بن سعيد، عن أبي، بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن عائشة، وأم سلمة زوجى النبي صلى الله عليه وسلم أنهما قالتا إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصبح جنبا من جماع غير احتلام في رمضان ثم يصوم .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ই বলেন, রমাযান মাসে ইহ্তিলাম ছাড়াই স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভোর হতো, এরপর তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৯, ই.সে. ২৪৫৮)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ এবং উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়ই বলেন, রমাযান মাসে ইহ্তিলাম ছাড়াই স্ত্রী সহবাসের কারণে জানাবাতের অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভোর হতো, এরপর তিনি সওম পালন করতেন। (ই.ফা. ২৪৫৯, ই.সে. ২৪৫৮)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد ربه بن سعيد، عن أبي، بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن عائشة، وأم سلمة زوجى النبي صلى الله عليه وسلم أنهما قالتا إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصبح جنبا من جماع غير احتلام في رمضان ثم يصوم .
সহিহ মুসলিম > রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্ফারাহ আদায় করতে হবে
সহিহ মুসলিম ২৪৮৭
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - أن رجلا، وقع بامرأته في رمضان فاستفتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " هل تجد رقبة " . قال لا . قال " وهل تستطيع صيام شهرين " . قال لا . قال " فأطعم ستين مسكينا " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। এক ব্যক্তি রমাযান মাসে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করল। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি? সে বলল, না। তিনি আবার বললেন, তুমি দু’মাস সওম পালন করতে পারবে কি? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। (ই.ফা. ২৪৬৪, ই.সে. ২৪৬৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। এক ব্যক্তি রমাযান মাসে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে এবং এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রশ্ন করল। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি? সে বলল, না। তিনি আবার বললেন, তুমি দু’মাস সওম পালন করতে পারবে কি? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও। (ই.ফা. ২৪৬৪, ই.সে. ২৪৬৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - أن رجلا، وقع بامرأته في رمضان فاستفتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " هل تجد رقبة " . قال لا . قال " وهل تستطيع صيام شهرين " . قال لا . قال " فأطعم ستين مسكينا " .
সহিহ মুসলিম ২৪৮৯
حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر رجلا أفطر في رمضان أن يعتق رقبة أو يصوم شهرين أو يطعم ستين مسكينا .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আযাদ করবে অথবা দু’মাস সওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে। (ই.ফা. ২৪৬৬, ই.সে. ২৪৬৫)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নির্দেশ দিলেন, হয় তো সে একটি গোলাম আযাদ করবে অথবা দু’মাস সওম পালন করবে অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়াবে। (ই.ফা. ২৪৬৬, ই.সে. ২৪৬৫)
حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر رجلا أفطر في رمضان أن يعتق رقبة أو يصوم شهرين أو يطعم ستين مسكينا .
সহিহ মুসলিম ২৪৯১
حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن عبد، الرحمن بن القاسم عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن عائشة، - رضى الله عنها - أنها قالت جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال احترقت . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لم " . قال وطئت امرأتي في رمضان نهارا . قال " تصدق تصدق " . قال ما عندي شىء . فأمره أن يجلس فجاءه عرقان فيهما طعام فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتصدق به .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেন? সে বলল, রমাযানের দিনে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ দাও, সদাক্বাহ দাও। সে বলল, আমার নিকট কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বসার জন্য নির্দেশ দিলেন। এমতাবস্থায় দু’ টুকরি ভর্তি খাদ্য আসল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগুলো সদাক্বাহ করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৪৬৮, ই.সে. ২৪৬৭)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কেন? সে বলল, রমাযানের দিনে আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ দাও, সদাক্বাহ দাও। সে বলল, আমার নিকট কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বসার জন্য নির্দেশ দিলেন। এমতাবস্থায় দু’ টুকরি ভর্তি খাদ্য আসল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগুলো সদাক্বাহ করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২৪৬৮, ই.সে. ২৪৬৭)
حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن عبد، الرحمن بن القاسم عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن عائشة، - رضى الله عنها - أنها قالت جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال احترقت . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لم " . قال وطئت امرأتي في رمضان نهارا . قال " تصدق تصدق " . قال ما عندي شىء . فأمره أن يجلس فجاءه عرقان فيهما طعام فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتصدق به .
সহিহ মুসলিম ২৪৯২
وحدثنا محمد بن المثنى، أخبرنا عبد الوهاب الثقفي، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول أخبرني عبد الرحمن بن القاسم، أن محمد بن جعفر بن الزبير، أخبره أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، - رضى الله عنها - تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وليس في أول الحديث " تصدق تصدق " . ولا قوله نهارا .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তবে এ হাদীসের প্রথমে “সদাক্বাহ করো, সদাক্বাহ করে” শব্দ দু’টো উল্লেখ নেই এবং এতে “দিনের বেলায়” কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৯, ই.সে. ২৪৬৮)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তবে এ হাদীসের প্রথমে “সদাক্বাহ করো, সদাক্বাহ করে” শব্দ দু’টো উল্লেখ নেই এবং এতে “দিনের বেলায়” কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৯, ই.সে. ২৪৬৮)
وحدثنا محمد بن المثنى، أخبرنا عبد الوهاب الثقفي، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول أخبرني عبد الرحمن بن القاسم، أن محمد بن جعفر بن الزبير، أخبره أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، - رضى الله عنها - تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وليس في أول الحديث " تصدق تصدق " . ولا قوله نهارا .
সহিহ মুসলিম ২৪৮৫
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب وابن نمير كلهم عن ابن عيينة، - قال يحيى أخبرنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن حميد بن عبد، الرحمن عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال هلكت يا رسول الله . قال " وما أهلكك " . قال وقعت على امرأتي في رمضان . قال " هل تجد ما تعتق رقبة " . قال لا . قال " فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين " . قال لا . قال " فهل تجد ما تطعم ستين مسكينا " . قال لا - قال - ثم جلس فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق فيه تمر . فقال " تصدق بهذا " . قال أفقر منا فما بين لابتيها أهل بيت أحوج إليه منا . فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال " اذهب فأطعمه أهلك " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি বলরেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি রমাযানে সওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি যাকে তুমি আযাদ করে দিতে পার? সে বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ক্রমাগত দু’মাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে গেল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হ’ল। তিনি লোকটিকে বললেন, এগুলো সদাক্বাহ করে দাও। তখন সে বলল, আমার চেয়েও অভাবী লোককে সদাক্বাহ করে দিব? (মাদীনার) দু’টি কংকরময় ভূমির মধ্যস্থিত স্থানে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবী আর একটিও নেই। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ হয়ে পড়ল। তখন তিনি বললেন, তাহলে যাও এবং তোমার পরিবারকে খেতে দাও। (ই.ফা. ২৪৬২, ই.সে. ২৪৬১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গিয়েছি। তিনি বলরেন, কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে? সে বলল, আমি রমাযানে সওমরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তোমার কোন ক্রীতদাস আছে কি যাকে তুমি আযাদ করে দিতে পার? সে বলল, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি ক্রমাগত দু’মাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। তারপর সে বসে গেল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হ’ল। তিনি লোকটিকে বললেন, এগুলো সদাক্বাহ করে দাও। তখন সে বলল, আমার চেয়েও অভাবী লোককে সদাক্বাহ করে দিব? (মাদীনার) দু’টি কংকরময় ভূমির মধ্যস্থিত স্থানে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবী আর একটিও নেই। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর সামনের দাঁতগুলো প্রকাশ হয়ে পড়ল। তখন তিনি বললেন, তাহলে যাও এবং তোমার পরিবারকে খেতে দাও। (ই.ফা. ২৪৬২, ই.সে. ২৪৬১)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب وابن نمير كلهم عن ابن عيينة، - قال يحيى أخبرنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن حميد بن عبد، الرحمن عن أبي هريرة، - رضى الله عنه - قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال هلكت يا رسول الله . قال " وما أهلكك " . قال وقعت على امرأتي في رمضان . قال " هل تجد ما تعتق رقبة " . قال لا . قال " فهل تستطيع أن تصوم شهرين متتابعين " . قال لا . قال " فهل تجد ما تطعم ستين مسكينا " . قال لا - قال - ثم جلس فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق فيه تمر . فقال " تصدق بهذا " . قال أفقر منا فما بين لابتيها أهل بيت أحوج إليه منا . فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال " اذهب فأطعمه أهلك " .
সহিহ মুসলিম ২৪৯৩
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، أن عبد الرحمن، بن القاسم حدثه أن محمد بن جعفر بن الزبير حدثه أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد في رمضان فقال يا رسول الله احترقت احترقت . فسأله رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما شأنه " . فقال أصبت أهلي . قال " تصدق " . فقال والله يا نبي الله ما لي شىء وما أقدر عليه . قال " اجلس " . فجلس فبينا هو على ذلك أقبل رجل يسوق حمارا عليه طعام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أين المحترق آنفا " . فقام الرجل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تصدق بهذا " . فقال يا رسول الله أغيرنا فوالله إنا لجياع ما لنا شىء . قال " فكلوه " .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের মাসে মসজিদের মধ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো জ্বলে গিয়েছি, আমি তো জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার, কী হয়েছে তার? সে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ কর। সে বলল, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর নাবী! আমার কিছুই নেই এবং এ ব্যাপারে আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন, বসো। সে বসল, লোকটি বসা থাকতেই এক ব্যক্তি গাধা হাঁকিয়ে আসল। এর উপর ছিল খাদ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ঐ অগ্নিদদ্ধ লোকটি কোথায়, যে কিছুক্ষণ পূর্বে এসেছিল? লোকটি দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো সদাক্বাহ্ করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের ছাড়া অন্য লোকদের সদাক্বাহ করে দিব? আল্লাহর শপথ আমরা অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, আমাদের কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে ওগুলো তোমরা খেয়ে ফেল। (ই.ফা. ২৪৭০, ই.সে. ২৪৬৯)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমাযানের মাসে মসজিদের মধ্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো জ্বলে গিয়েছি, আমি তো জ্বলে গিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার, কী হয়েছে তার? সে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেন, তাহলে সদাক্বাহ কর। সে বলল, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর নাবী! আমার কিছুই নেই এবং এ ব্যাপারে আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন, বসো। সে বসল, লোকটি বসা থাকতেই এক ব্যক্তি গাধা হাঁকিয়ে আসল। এর উপর ছিল খাদ্য। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ঐ অগ্নিদদ্ধ লোকটি কোথায়, যে কিছুক্ষণ পূর্বে এসেছিল? লোকটি দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এগুলো সদাক্বাহ্ করে দাও। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের ছাড়া অন্য লোকদের সদাক্বাহ করে দিব? আল্লাহর শপথ আমরা অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, আমাদের কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে ওগুলো তোমরা খেয়ে ফেল। (ই.ফা. ২৪৭০, ই.সে. ২৪৬৯)
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، أن عبد الرحمن، بن القاسم حدثه أن محمد بن جعفر بن الزبير حدثه أن عباد بن عبد الله بن الزبير حدثه أنه، سمع عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول أتى رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد في رمضان فقال يا رسول الله احترقت احترقت . فسأله رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما شأنه " . فقال أصبت أهلي . قال " تصدق " . فقال والله يا نبي الله ما لي شىء وما أقدر عليه . قال " اجلس " . فجلس فبينا هو على ذلك أقبل رجل يسوق حمارا عليه طعام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أين المحترق آنفا " . فقام الرجل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تصدق بهذا " . فقال يا رسول الله أغيرنا فوالله إنا لجياع ما لنا شىء . قال " فكلوه " .
সহিহ মুসলিম ২৪৮৬
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن محمد بن مسلم الزهري، بهذا الإسناد . مثل رواية ابن عيينة وقال بعرق فيه تمر - وهو الزنبيل - ولم يذكر فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে (আরবী) এরপর (আরবী) শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৩, ই.সে. ২৪৬২)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে (আরবী) এরপর (আরবী) শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৬৩, ই.সে. ২৪৬২)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن محمد بن مسلم الزهري، بهذا الإسناد . مثل رواية ابن عيينة وقال بعرق فيه تمر - وهو الزنبيل - ولم يذكر فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه .
সহিহ মুসলিম ২৪৮৮
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا إسحاق بن عيسى، أخبرنا مالك، عن الزهري، بهذا الإسناد أن رجلا، أفطر في رمضان فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفر بعتق رقبة . ثم ذكر بمثل حديث ابن عيينة .
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর কাফ্ফারাহ হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৪৬৫, ই.সে. ২৪৬৪)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি রমাযানের সওম ভেঙ্গে ফেলার কারণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এর কাফ্ফারাহ হিসেবে একটি গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২৪৬৫, ই.সে. ২৪৬৪)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا إسحاق بن عيسى، أخبرنا مالك، عن الزهري، بهذا الإسناد أن رجلا، أفطر في رمضان فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفر بعتق رقبة . ثم ذكر بمثل حديث ابن عيينة .
সহিহ মুসলিম ২৪৯০
حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد نحو حديث ابن عيينة .
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৬৭, ই.সে. ২৪৬৬)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নার অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৬৭, ই.সে. ২৪৬৬)
حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد نحو حديث ابن عيينة .