সহিহ মুসলিম > সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই

সহিহ মুসলিম ২৪২৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن حصين، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، - رضى الله عنه - قال لما نزلت ‏{‏ حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر‏}‏ قال له عدي بن حاتم يا رسول الله إني أجعل تحت وسادتي عقالين عقالا أبيض وعقالا أسود أعرف الليل من النهار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن وسادتك لعريض إنما هو سواد الليل وبياض النهار ‏"‏ ‏.

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যখন এ আয়াত (আরবী) “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ ২ : ১৮৭) নাযিল হলো, তখন ‘আদী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার বালিশের নীচে একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের রশি রেখে দিয়েছি। এগুলোর দ্বারা আমি রাত ও দিনের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে থাকি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে) বললেন, তোমার বালিশ তো খুবই চওড়া। জেনে রাখো, এ-তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা। (ই.ফা. ২৪০০, ই.সে. ২৪০০)

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যখন এ আয়াত (আরবী) “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ ২ : ১৮৭) নাযিল হলো, তখন ‘আদী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার বালিশের নীচে একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের রশি রেখে দিয়েছি। এগুলোর দ্বারা আমি রাত ও দিনের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে থাকি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে) বললেন, তোমার বালিশ তো খুবই চওড়া। জেনে রাখো, এ-তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা। (ই.ফা. ২৪০০, ই.সে. ২৪০০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن حصين، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، - رضى الله عنه - قال لما نزلت ‏{‏ حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر‏}‏ قال له عدي بن حاتم يا رسول الله إني أجعل تحت وسادتي عقالين عقالا أبيض وعقالا أسود أعرف الليل من النهار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن وسادتك لعريض إنما هو سواد الليل وبياض النهار ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪২৫

حدثني محمد بن سهل التميمي، وأبو بكر بن إسحاق قالا حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا أبو غسان، حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، - رضى الله عنه - قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود‏}‏ قال فكان الرجل إذا أراد الصوم ربط أحدهم في رجليه الخيط الأسود والخيط الأبيض فلا يزال يأكل ويشرب حتى يتبين له رئيهما فأنزل الله بعد ذلك ‏{‏ من الفجر‏}‏ فعلموا أنما يعني بذلك الليل والنهار ‏.

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত- (আরবী) “তোমরা সাদা রেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার কর” অবতীর্ণ হলো- কোন ব্যক্তি সিয়াম পালন করার ইচ্ছা করত এবং নিজের উভয় পায়ে সাদা ও কালো দু’টি সূতা বেঁধে নিত। অতঃপর সাদা ও কালো বর্ণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাকত। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা “ফাজ্‌রের” কথাটি অবতীর্ণ করলেন। তখন তারা সকলেই জানতে পারল যে, সাদা ও কালো রেখার অর্থ হলো রাত (রাতের অন্ধকার) ও দিন (দিনের আলো)। (ই.ফা. ২৪০২, ই.সে. ২৪০২)

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত- (আরবী) “তোমরা সাদা রেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার কর” অবতীর্ণ হলো- কোন ব্যক্তি সিয়াম পালন করার ইচ্ছা করত এবং নিজের উভয় পায়ে সাদা ও কালো দু’টি সূতা বেঁধে নিত। অতঃপর সাদা ও কালো বর্ণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাকত। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা “ফাজ্‌রের” কথাটি অবতীর্ণ করলেন। তখন তারা সকলেই জানতে পারল যে, সাদা ও কালো রেখার অর্থ হলো রাত (রাতের অন্ধকার) ও দিন (দিনের আলো)। (ই.ফা. ২৪০২, ই.সে. ২৪০২)

حدثني محمد بن سهل التميمي، وأبو بكر بن إسحاق قالا حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا أبو غسان، حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، - رضى الله عنه - قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود‏}‏ قال فكان الرجل إذا أراد الصوم ربط أحدهم في رجليه الخيط الأسود والخيط الأبيض فلا يزال يأكل ويشرب حتى يتبين له رئيهما فأنزل الله بعد ذلك ‏{‏ من الفجر‏}‏ فعلموا أنما يعني بذلك الليل والنهار ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪২৮

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - قال كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم مؤذنان بلال وابن أم مكتوم الأعمى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.‏ قال ولم يكن بينهما إلا أن ينزل هذا ويرقى هذا ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’জন মুয়ায্‌যিন ছিলেন, তারা হলেন, বিলাল (রাঃ) ও উম্মু মাকতূমের অন্ধ ছেলে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিলাল (রাঃ) রাতেই আযান দেয়। অতএব ইবনু উম্মু মাকতূম আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। বর্ণনাকারী বলেনঃ দু’জনের আযানের ব্যবধান ছিল যে, একজন আযান দিয়ে নামত অপরজন আযান দিতে আরোহন করত। (ই.ফা. ২৪০৫, ই.সে. ২৪০৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’জন মুয়ায্‌যিন ছিলেন, তারা হলেন, বিলাল (রাঃ) ও উম্মু মাকতূমের অন্ধ ছেলে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিলাল (রাঃ) রাতেই আযান দেয়। অতএব ইবনু উম্মু মাকতূম আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। বর্ণনাকারী বলেনঃ দু’জনের আযানের ব্যবধান ছিল যে, একজন আযান দিয়ে নামত অপরজন আযান দিতে আরোহন করত। (ই.ফা. ২৪০৫, ই.সে. ২৪০৫)

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - قال كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم مؤذنان بلال وابن أم مكتوم الأعمى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.‏ قال ولم يكن بينهما إلا أن ينزل هذا ويرقى هذا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪২৪

حدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا فضيل بن سليمان، حدثنا أبو حازم، حدثنا سهل بن سعد، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود‏}‏ قال كان الرجل يأخذ خيطا أبيض وخيطا أسود فيأكل حتى يستبينهما حتى أنزل الله عز وجل ‏{‏ من الفجر‏}‏ فبين ذلك ‏.

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আরবী) “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরাহ আল বাক্বারাহ্‌ ২ : ১৮৭) নাযিল হ’ল, তখন লোকেরা একটি কালো এবং একটি সাদা রশি রাখত। তারা উভয় রশি সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকত। এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা (আরবী) (ফাজরের) কথাটি নাযিল করে বিষয়টির অস্পষ্টতা ও জটিলতা দূরীভূত হলো। (ই.ফা. ২৪০১, ই.সে. ২৪০১)

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আরবী) “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরাহ আল বাক্বারাহ্‌ ২ : ১৮৭) নাযিল হ’ল, তখন লোকেরা একটি কালো এবং একটি সাদা রশি রাখত। তারা উভয় রশি সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত না হওয়া পর্যন্ত খেতে থাকত। এরপর মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা (আরবী) (ফাজরের) কথাটি নাযিল করে বিষয়টির অস্পষ্টতা ও জটিলতা দূরীভূত হলো। (ই.ফা. ২৪০১, ই.সে. ২৪০১)

حدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا فضيل بن سليمان، حدثنا أبو حازم، حدثنا سهل بن سعد، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود‏}‏ قال كان الرجل يأخذ خيطا أبيض وخيطا أسود فيأكل حتى يستبينهما حتى أنزل الله عز وجل ‏{‏ من الفجر‏}‏ فبين ذلك ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪২৬

حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله، - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى تسمعوا تأذين ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতূমের আযান শুনতে না পাওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”। (ই.ফা. ২৪০৩, ই.সে. ২৪০৩)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতূমের আযান শুনতে না পাওয়া পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”। (ই.ফা. ২৪০৩, ই.সে. ২৪০৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله، - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى تسمعوا تأذين ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৪২৭

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى تسمعوا أذان ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতূমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”। (ই.ফা. ২৪০৪, ই.সে. ২৪০৪)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়। তাই তোমরা ইবনু মাকতূমের আযান না শুনা পর্যন্ত পানাহার করতে থাক”। (ই.ফা. ২৪০৪, ই.সে. ২৪০৪)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى تسمعوا أذان ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩১

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن سليمان التيمي، عن أبي، عثمان عن ابن مسعود، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يمنعن أحدا منكم أذان بلال - أو قال نداء بلال - من سحوره فإنه يؤذن - أو قال ينادي - بليل ليرجع قائمكم ويوقظ نائمكم ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ ليس أن يقول هكذا وهكذا - وصوب يده ورفعها - حتى يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ وفرج بين إصبعيه ‏.

ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কাউকেই যেন বিলালের আযান অবশ্যই তার সাহরী খাওয়া হতে বিরত না রাখে। কেননা সে রাতেই আযান দেয়, যাতে তোমাদের ক্বিয়ামকারীগণ সাহরী খেতে শুরু করে এবং ঘুমন্ত ব্যক্তি সাহ্‌রী খাওয়ার জন্য জাগে। তিনি তাঁর হাতে আঙ্গুল ফাঁকা করে দু’জনের আযানের সময়ের ব্যবধান বুঝালেন। (ই.ফা. ২৪০৮, ই.সে. ২৪০৮)

ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কাউকেই যেন বিলালের আযান অবশ্যই তার সাহরী খাওয়া হতে বিরত না রাখে। কেননা সে রাতেই আযান দেয়, যাতে তোমাদের ক্বিয়ামকারীগণ সাহরী খেতে শুরু করে এবং ঘুমন্ত ব্যক্তি সাহ্‌রী খাওয়ার জন্য জাগে। তিনি তাঁর হাতে আঙ্গুল ফাঁকা করে দু’জনের আযানের সময়ের ব্যবধান বুঝালেন। (ই.ফা. ২৪০৮, ই.সে. ২৪০৮)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن سليمان التيمي، عن أبي، عثمان عن ابن مسعود، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يمنعن أحدا منكم أذان بلال - أو قال نداء بلال - من سحوره فإنه يؤذن - أو قال ينادي - بليل ليرجع قائمكم ويوقظ نائمكم ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ ليس أن يقول هكذا وهكذا - وصوب يده ورفعها - حتى يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ وفرج بين إصبعيه ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩৪

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن عبد الله بن سوادة القشيري، حدثني والدي، أنه سمع سمرة بن جندب، يقول سمعت محمدا، صلى الله عليه وسلم يقول

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, বিলালের আহ্বান যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়া থেকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখাও; যতক্ষণ পর্যন্ত তা বিস্তৃত হয়ে প্রতিভাত হয়। (ই.ফা. ২৪১১, ই.সে. ২৪১১)

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, বিলালের আহ্বান যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়া থেকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখাও; যতক্ষণ পর্যন্ত তা বিস্তৃত হয়ে প্রতিভাত হয়। (ই.ফা. ২৪১১, ই.সে. ২৪১১)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن عبد الله بن سوادة القشيري، حدثني والدي، أنه سمع سمرة بن جندب، يقول سمعت محمدا، صلى الله عليه وسلم يقول


সহিহ মুসলিম ২৪৩৫

وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل ابن علية، حدثني عبد الله بن سوادة، عن أبيه، عن سمرة بن جندب، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يغرنكم أذان بلال ولا هذا البياض - لعمود الصبح - حتى يستطير هكذا ‏"‏‏.‏

সামুরাহ্‌ ইবুন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখা ও যা স্তম্ভের ন্যায় দেখা যায়, যতক্ষণ না তা বিস্তৃত উদ্ভাসিত হবে। (ই.ফা. ২৪১২, ই.সে. ২৪১২)

সামুরাহ্‌ ইবুন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে এবং এ শুভ্র রেখা ও যা স্তম্ভের ন্যায় দেখা যায়, যতক্ষণ না তা বিস্তৃত উদ্ভাসিত হবে। (ই.ফা. ২৪১২, ই.সে. ২৪১২)

وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل ابن علية، حدثني عبد الله بن سوادة، عن أبيه، عن سمرة بن جندب، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يغرنكم أذان بلال ولا هذا البياض - لعمود الصبح - حتى يستطير هكذا ‏"‏‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৪৩৬

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - حدثنا عبد الله، بن سوادة القشيري عن أبيه، عن سمرة بن جندب، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يغرنكم من سحوركم أذان بلال ولا بياض الأفق المستطيل هكذا حتى يستطير هكذا ‏"‏ ‏.‏ وحكاه حماد بيديه قال يعني معترضا ‏.

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিলালের আযান এবং আকাশ প্রান্তে এ লম্বা রেখা যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না এ শুভ্র রেখা পূর্বাকাশে এভাবে বিস্তৃত হয়। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উভয় হাত দ্বারা আড়াআড়ি হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। (ই.ফা. ২৪১৩, ই.সে. ২৪১৩)

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিলালের আযান এবং আকাশ প্রান্তে এ লম্বা রেখা যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না এ শুভ্র রেখা পূর্বাকাশে এভাবে বিস্তৃত হয়। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উভয় হাত দ্বারা আড়াআড়ি হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। (ই.ফা. ২৪১৩, ই.সে. ২৪১৩)

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - حدثنا عبد الله، بن سوادة القشيري عن أبيه، عن سمرة بن جندب، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يغرنكم من سحوركم أذان بلال ولا بياض الأفق المستطيل هكذا حتى يستطير هكذا ‏"‏ ‏.‏ وحكاه حماد بيديه قال يعني معترضا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩৭

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سوادة، قال سمعت سمرة، بن جندب - رضى الله عنه - وهو يخطب يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لا يغرنكم نداء بلال ولا هذا البياض حتى يبدو الفجر - أو قال - حتى ينفجر الفجر ‏"‏ ‏.

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিলালের আযান এবং এ শুভ্র রেখা যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সুবহে সাদিক সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়। (ই.ফা. ২৪১৪, ই.সে. ২৪১৪)

সামুরাহ্‌ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিলালের আযান এবং এ শুভ্র রেখা যেন তোমাদেরকে ধোঁকায় না ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সুবহে সাদিক সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়। (ই.ফা. ২৪১৪, ই.সে. ২৪১৪)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سوادة، قال سمعت سمرة، بن جندب - رضى الله عنه - وهو يخطب يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لا يغرنكم نداء بلال ولا هذا البياض حتى يبدو الفجر - أو قال - حتى ينفجر الفجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪২৯

وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، حدثنا القاسم، عن عائشة، - رضى الله عنها - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪০৬, ই.সে. ২৪০৬)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪০৬, ই.সে. ২৪০৬)

وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، حدثنا القاسم، عن عائشة، - رضى الله عنها - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩২

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو خالد، - يعني الأحمر - عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد غير أنه قال ‏"‏ إن الفجر ليس الذي يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ وجمع أصابعه ثم نكسها إلى الأرض ‏"‏ ولكن الذي يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ ووضع المسبحة على المسبحة ومد يديه ‏.

সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেছেনঃ এটাকে ফজর বলে না- এ বলে তিনি তার আঙ্গুলগুলো একত্র করলেন অতঃপর তা মাটির (পৃথিবীর) দিকে উল্টালেন। বরং ফজর এটাকে বলে- এ বলে তাসবীহ পাঠের আঙ্গুলের উপর আরেক তাসবীহ পাঠের আঙ্গুল স্থাপন করে তার দু’হাত সম্প্রসারণ করলেন। (ই.ফা. ২৪০৯, ই.সে. ২৪০৯)

সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেছেনঃ এটাকে ফজর বলে না- এ বলে তিনি তার আঙ্গুলগুলো একত্র করলেন অতঃপর তা মাটির (পৃথিবীর) দিকে উল্টালেন। বরং ফজর এটাকে বলে- এ বলে তাসবীহ পাঠের আঙ্গুলের উপর আরেক তাসবীহ পাঠের আঙ্গুল স্থাপন করে তার দু’হাত সম্প্রসারণ করলেন। (ই.ফা. ২৪০৯, ই.সে. ২৪০৯)

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبو خالد، - يعني الأحمر - عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد غير أنه قال ‏"‏ إن الفجر ليس الذي يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ وجمع أصابعه ثم نكسها إلى الأرض ‏"‏ ولكن الذي يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ ووضع المسبحة على المسبحة ومد يديه ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩৮

وحدثناه ابن المثنى، حدثنا أبو داود، أخبرنا شعبة، أخبرني سوادة بن حنظلة، القشيري قال سمعت سمرة بن جندب، - رضى الله عنه - يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر هذا ‏.

সামুরাহ্ ইবুন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ আলোচনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪১৫, ই.সে. ২৪১৪[ক])

সামুরাহ্ ইবুন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ আলোচনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪১৫, ই.সে. ২৪১৪[ক])

وحدثناه ابن المثنى، حدثنا أبو داود، أخبرنا شعبة، أخبرني سوادة بن حنظلة، القشيري قال سمعت سمرة بن جندب، - رضى الله عنه - يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر هذا ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا معتمر بن سليمان، ح وحدثنا إسحاق بن، إبراهيم أخبرنا جرير، والمعتمر بن سليمان، كلاهما عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد ‏.‏ وانتهى حديث المعتمر عند قوله ‏"‏ ينبه نائمكم ويرجع قائمكم ‏"‏ ‏.‏ وقال إسحاق قال جرير في حديثه ‏"‏ وليس أن يقول هكذا ولكن يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ يعني الفجر هو المعترض وليس بالمستطيل ‏.

আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইবরাহীম, জারীর ও মু’তামির উভয়েই সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ)-এর বরাতে অত্র সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। মু’তামির-এর হাদীস এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে “তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগিয়ে দেন বরং ক্বিয়ামকারীদেরকে ফিরিয়ে দেন। জারীরের হাদীসে এ কথাও আছে যে, লম্বা রেখাকে ফজর বলে না বরং ফজর বলে প্রশস্ত আলোকে”। (ই.ফা. ২৪১০, ই.সে. ২৪১০)

আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইবরাহীম, জারীর ও মু’তামির উভয়েই সুলায়মান আত্ তায়মী (রহঃ)-এর বরাতে অত্র সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। মু’তামির-এর হাদীস এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে “তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগিয়ে দেন বরং ক্বিয়ামকারীদেরকে ফিরিয়ে দেন। জারীরের হাদীসে এ কথাও আছে যে, লম্বা রেখাকে ফজর বলে না বরং ফজর বলে প্রশস্ত আলোকে”। (ই.ফা. ২৪১০, ই.সে. ২৪১০)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا معتمر بن سليمان، ح وحدثنا إسحاق بن، إبراهيم أخبرنا جرير، والمعتمر بن سليمان، كلاهما عن سليمان التيمي، بهذا الإسناد ‏.‏ وانتهى حديث المعتمر عند قوله ‏"‏ ينبه نائمكم ويرجع قائمكم ‏"‏ ‏.‏ وقال إسحاق قال جرير في حديثه ‏"‏ وليس أن يقول هكذا ولكن يقول هكذا ‏"‏ ‏.‏ يعني الفجر هو المعترض وليس بالمستطيل ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩০

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا عبدة، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا حماد بن مسعدة، كلهم عن عبيد الله، بالإسنادين كليهما ‏.‏ نحو حديث ابن نمير ‏.

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব, ইবনুল মুসান্না এরা ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ)-এর বরাত থেকে বর্নিতঃ

ইবনু নুমায়রের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪০৭, ই.সে. ২৪০৭)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব, ইবনুল মুসান্না এরা ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ)-এর বরাত থেকে বর্নিতঃ

ইবনু নুমায়রের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪০৭, ই.সে. ২৪০৭)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا عبدة، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا حماد بن مسعدة، كلهم عن عبيد الله، بالإسنادين كليهما ‏.‏ نحو حديث ابن نمير ‏.


সহিহ মুসলিম > সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ২৪৪০

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن موسى بن على، عن أبيه، عن أبي قيس، مولى عمرو بن العاص عن عمرو بن العاص، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر ‏"‏ ‏.

‘আম্‌র ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাদের ও কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হ’ল সাহরি খাওয়া। (ই.ফা. ২৪১৭, ই.সে. ২৪১৬)

‘আম্‌র ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাদের ও কিতাবীদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হ’ল সাহরি খাওয়া। (ই.ফা. ২৪১৭, ই.সে. ২৪১৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن موسى بن على، عن أبيه، عن أبي قيس، مولى عمرو بن العاص عن عمرو بن العاص، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৩৯

حدثنا يحيى بن يحيى، قال أخبرنا هشيم، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، ح . وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، عن ابن علية، عن عبد العزيز، عن أنس، رضى الله عنه ح . وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، وعبد العزيز بن صهيب، عن أنس، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تسحروا فإن في السحور بركة ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহ্‌রী খাও, সাহ্‌রীতে বারাকাত রয়েছে। (ই.ফা. ২৪১৬, ই.সে. ২৪১৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাহ্‌রী খাও, সাহ্‌রীতে বারাকাত রয়েছে। (ই.ফা. ২৪১৬, ই.সে. ২৪১৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال أخبرنا هشيم، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، ح . وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، عن ابن علية، عن عبد العزيز، عن أنس، رضى الله عنه ح . وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، وعبد العزيز بن صهيب، عن أنس، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تسحروا فإن في السحور بركة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن أنس، عن زيد بن ثابت، - رضى الله عنه - قال تسحرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قمنا إلى الصلاة ‏.‏ قلت كم كان قدر ما بينهما قال خمسين آية ‏.

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহ্‌রী খেয়ে সালাতে দাঁড়ালাম। [রাবী আনাস (রাঃ) বলেন] আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সাহ্‌রী ও আযানের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বলরেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়ের। (ই.ফা. ২৪১৯, ই.সে. ২৪১৮)

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহ্‌রী খেয়ে সালাতে দাঁড়ালাম। [রাবী আনাস (রাঃ) বলেন] আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সাহ্‌রী ও আযানের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বলরেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়ের। (ই.ফা. ২৪১৯, ই.সে. ২৪১৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن أنس، عن زيد بن ثابت، - رضى الله عنه - قال تسحرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قمنا إلى الصلاة ‏.‏ قلت كم كان قدر ما بينهما قال خمسين آية ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪৪

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل، بن سعد - رضى الله عنه - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر ‏"‏ ‏.

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যতদিন মানুষ বিলম্ব না করে ইফত্বার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। (ই.ফা. ২৪২১, ই.সে. ২৪২০)

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যতদিন মানুষ বিলম্ব না করে ইফত্বার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। (ই.ফা. ২৪২১, ই.সে. ২৪২০)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل، بن سعد - رضى الله عنه - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪৭

وحدثنا أبو كريب، أخبرنا ابن أبي زائدة، عن الأعمش، عن عمارة، عن أبي عطية، قال دخلت أنا ومسروق، على عائشة - رضى الله عنها - فقال لها مسروق رجلان من أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير أحدهما يعجل المغرب والإفطار والآخر يؤخر المغرب والإفطار ‏.‏ فقالت من يعجل المغرب والإفطار قال عبد الله ‏. فقالت هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ‏.

আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিন বলেন, আমি ও মাসরূক ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর মাসরূক তাঁকে বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের মধ্যে দু’ ব্যক্তি যারা কল্যাণজনক কাজে কোন প্রকার অবহেলা প্রদর্শন করেন না, তাঁদের একজন মাগরিব এবং ইফত্বারের মধ্যে ত্বরা করেন। আর অপরজন মাগরিব ও ইফত্বারে বিলম্ব করেন। তিনি বললেন যে, কোন ব্যক্তি সে মাগরিব ও ইফত্বারে ত্বরা করেন? তিনি বললেন, তিনি ‘আবদুল্লাহ। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। (ই.ফা. ২৪২৪, ই.সে. ২৪২৩)

আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিন বলেন, আমি ও মাসরূক ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর মাসরূক তাঁকে বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের মধ্যে দু’ ব্যক্তি যারা কল্যাণজনক কাজে কোন প্রকার অবহেলা প্রদর্শন করেন না, তাঁদের একজন মাগরিব এবং ইফত্বারের মধ্যে ত্বরা করেন। আর অপরজন মাগরিব ও ইফত্বারে বিলম্ব করেন। তিনি বললেন যে, কোন ব্যক্তি সে মাগরিব ও ইফত্বারে ত্বরা করেন? তিনি বললেন, তিনি ‘আবদুল্লাহ। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। (ই.ফা. ২৪২৪, ই.সে. ২৪২৩)

وحدثنا أبو كريب، أخبرنا ابن أبي زائدة، عن الأعمش، عن عمارة، عن أبي عطية، قال دخلت أنا ومسروق، على عائشة - رضى الله عنها - فقال لها مسروق رجلان من أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير أحدهما يعجل المغرب والإفطار والآخر يؤخر المغرب والإفطار ‏.‏ فقالت من يعجل المغرب والإفطار قال عبد الله ‏. فقالت هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪৬

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كريب محمد بن العلاء قالا أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمارة بن عمير، عن أبي عطية، قال دخلت أنا ومسروق، على عائشة فقلنا يا أم المؤمنين رجلان من أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم أحدهما يعجل الإفطار ويعجل الصلاة والآخر يؤخر الإفطار ويؤخر الصلاة ‏.‏ قالت أيهما الذي يعجل الإفطار ويعجل الصلاة قال قلنا عبد الله يعني ابن مسعود ‏.‏ قالت كذلك كان يصنع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ زاد أبو كريب والآخر أبو موسى ‏.

আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবীবৃন্দের দু’ ব্যক্তির মধ্যে এক ব্যক্তি ইফত্বার ও সলাত ত্বরান্বিত করে এবং অন্য এক ব্যক্তি ইফত্বার ও সলাত বিলম্ব করে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কোন ব্যক্তি যে ইফত্বার ও সালাত ত্বরান্বিত করে? আমরা বললাম, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। আবূ কুরায়ব বলেন, অপরজনে হলেন, আবূ মূসা (রাঃ) (ই.ফা. ২৪২৩, ই.সে. ২৪২২)

আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও মাসরূক (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবীবৃন্দের দু’ ব্যক্তির মধ্যে এক ব্যক্তি ইফত্বার ও সলাত ত্বরান্বিত করে এবং অন্য এক ব্যক্তি ইফত্বার ও সলাত বিলম্ব করে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কোন ব্যক্তি যে ইফত্বার ও সালাত ত্বরান্বিত করে? আমরা বললাম, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। আবূ কুরায়ব বলেন, অপরজনে হলেন, আবূ মূসা (রাঃ) (ই.ফা. ২৪২৩, ই.সে. ২৪২২)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كريب محمد بن العلاء قالا أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمارة بن عمير، عن أبي عطية، قال دخلت أنا ومسروق، على عائشة فقلنا يا أم المؤمنين رجلان من أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم أحدهما يعجل الإفطار ويعجل الصلاة والآخر يؤخر الإفطار ويؤخر الصلاة ‏.‏ قالت أيهما الذي يعجل الإفطار ويعجل الصلاة قال قلنا عبد الله يعني ابن مسعود ‏.‏ قالت كذلك كان يصنع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ زاد أبو كريب والآخر أبو موسى ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪১

وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة جميعا عن وكيع، ح وحدثنيه أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، كلاهما عن موسى بن على، بهذا الإسناد .

মূসা ইবনু ‘উলাইয়্যা (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২৪১৮, ই.সে. ২৪১৭)

মূসা ইবনু ‘উলাইয়্যা (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ২৪১৮, ই.সে. ২৪১৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة جميعا عن وكيع، ح وحدثنيه أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، كلاهما عن موسى بن على، بهذا الإسناد .


সহিহ মুসলিম ২৪৪৩

وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا همام، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، حدثنا عمر بن عامر، كلاهما عن قتادة، بهذا الإسناد ‏.

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২০, ই.সে. ২৪১৯)

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২০, ই.সে. ২৪১৯)

وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا همام، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، حدثنا عمر بن عامر، كلاهما عن قتادة، بهذا الإسناد ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪৫

وحدثناه قتيبة، حدثنا يعقوب، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، بن مهدي عن سفيان، كلاهما عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، - رضى الله عنه - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২২, ই.সে. ২৪২১)

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২২, ই.সে. ২৪২১)

وحدثناه قتيبة، حدثنا يعقوب، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، بن مهدي عن سفيان، كلاهما عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، - رضى الله عنه - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম > সওমের সময় পূর্ণ হওয়া এবং দিবস সমাপ্ত হওয়া

সহিহ মুসলিম ২৪৪৯

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن أبي إسحاق الشيباني، عن عبد الله، بن أبي أوفى - رضى الله عنه - قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر في شهر رمضان فلما غابت الشمس قال ‏"‏ يا فلان انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله إن عليك نهارا ‏.‏ قال ‏"‏ انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ قال فنزل فجدح فأتاه به فشرب النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال بيده ‏"‏ إذا غابت الشمس من ها هنا وجاء الليل من ها هنا فقد أفطر الصائم ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে কোন এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গী ছিলাম। সূর্য ডুবে গেলে তিনি বললেন, হে অমুক! অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! এখনো দিন রয়ে গেছে। পুনরায় তিনি বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। তখন সে অবতরণ করল এবং ছাতু গুলে তার নিকট পেশ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পান করলেন এবং হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, সূর্য এদিক থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং রাত্র যখন এদিক থেকে ঘনিয়ে আসবে, তখন সিয়াম পালনকারী ইফত্বার করবে। (ই.ফা. ২৪২৬, ই.সে. ২৪২৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে কোন এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গী ছিলাম। সূর্য ডুবে গেলে তিনি বললেন, হে অমুক! অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! এখনো দিন রয়ে গেছে। পুনরায় তিনি বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। তখন সে অবতরণ করল এবং ছাতু গুলে তার নিকট পেশ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পান করলেন এবং হাত দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, সূর্য এদিক থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং রাত্র যখন এদিক থেকে ঘনিয়ে আসবে, তখন সিয়াম পালনকারী ইফত্বার করবে। (ই.ফা. ২৪২৬, ই.সে. ২৪২৫)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن أبي إسحاق الشيباني، عن عبد الله، بن أبي أوفى - رضى الله عنه - قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر في شهر رمضان فلما غابت الشمس قال ‏"‏ يا فلان انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله إن عليك نهارا ‏.‏ قال ‏"‏ انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ قال فنزل فجدح فأتاه به فشرب النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال بيده ‏"‏ إذا غابت الشمس من ها هنا وجاء الليل من ها هنا فقد أفطر الصائم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৫১

وحدثنا أبو كامل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، قال سمعت عبد، الله بن أبي أوفى - رضى الله عنه - يقول سرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو صائم فلما غربت الشمس قال ‏ "‏ يا فلان انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ مثل حديث ابن مسهر وعباد بن العوام ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ভ্রমণ করলাম। এ সময় তিনি সওমরত ছিলেন। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি বললেন, হে অমুক! তুমি অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। এরপর তিনি ইবনু মুসহির এবং ‘আব্বাস ইবনু ‘আও্‌ওয়াম-এর অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২৮, ই.সে. ২৪২৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ভ্রমণ করলাম। এ সময় তিনি সওমরত ছিলেন। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি বললেন, হে অমুক! তুমি অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। এরপর তিনি ইবনু মুসহির এবং ‘আব্বাস ইবনু ‘আও্‌ওয়াম-এর অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২৮, ই.সে. ২৪২৭)

وحدثنا أبو كامل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، قال سمعت عبد، الله بن أبي أوفى - رضى الله عنه - يقول سرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو صائم فلما غربت الشمس قال ‏ "‏ يا فلان انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ مثل حديث ابن مسهر وعباد بن العوام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৪৫০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعباد بن العوام، عن الشيباني، عن ابن أبي أوفى، - رضى الله عنه - قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فلما غابت الشمس قال لرجل ‏"‏ انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله لو أمسيت ‏.‏ قال ‏"‏ انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ قال إن علينا نهارا ‏.‏ فنزل فجدح له فشرب ثم قال ‏"‏ إذا رأيتم الليل قد أقبل من ها هنا - وأشار بيده نحو المشرق - فقد أفطر الصائم ‏"‏ ‏.

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি এক ব্যক্তিকে বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! সন্ধ্যা হতে দিন। পুনরায় তিনি বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, দিন আমাদের আরো বাকী রয়েছে। এরপর সে অবতরণ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য ছাতু গুলে আনলো। তিনি পান করলেন এবং হাত দ্বারা পূর্বদিকে ইঙ্গিত করে বললেন, যখন তোমরা দেখবে যে, এদিক থেকে রাত্র ঘনিয়ে আসছে, তখন সিয়াম পালনকারীর ইফত্বারের সময় হবে। (ই.ফা. ২৪২৭, ই.সে. ২৪২৬)

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। যখন সূর্য অদৃশ্য হয়ে গেল তখন তিনি এক ব্যক্তিকে বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! সন্ধ্যা হতে দিন। পুনরায় তিনি বললেন, অবতরণ কর এবং আমাদের জন্য ছাতু গুলে আনো। সে বলল, দিন আমাদের আরো বাকী রয়েছে। এরপর সে অবতরণ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য ছাতু গুলে আনলো। তিনি পান করলেন এবং হাত দ্বারা পূর্বদিকে ইঙ্গিত করে বললেন, যখন তোমরা দেখবে যে, এদিক থেকে রাত্র ঘনিয়ে আসছে, তখন সিয়াম পালনকারীর ইফত্বারের সময় হবে। (ই.ফা. ২৪২৭, ই.সে. ২৪২৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعباد بن العوام، عن الشيباني، عن ابن أبي أوفى، - رضى الله عنه - قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فلما غابت الشمس قال لرجل ‏"‏ انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله لو أمسيت ‏.‏ قال ‏"‏ انزل فاجدح لنا ‏"‏ ‏.‏ قال إن علينا نهارا ‏.‏ فنزل فجدح له فشرب ثم قال ‏"‏ إذا رأيتم الليل قد أقبل من ها هنا - وأشار بيده نحو المشرق - فقد أفطر الصائم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৪৮

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كريب وابن نمير - واتفقوا في اللفظ - قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، وقال ابن نمير، حدثنا أبي وقال أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، جميعا عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عاصم بن عمر، عن عمر، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا أقبل الليل وأدبر النهار وغابت الشمس فقد أفطر الصائم ‏"‏ ‏.‏ لم يذكر ابن نمير ‏"‏ فقد ‏"‏ ‏.‏

‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন রাত আসে, দিন চলে যায় এবং সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন সিয়াম পালনকারী ইফত্বার করবে। [৫] ইবনু নুমায়র (রহঃ) (আরবী) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৪২৫, ই.সে. ২৪২৪)

‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন রাত আসে, দিন চলে যায় এবং সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন সিয়াম পালনকারী ইফত্বার করবে। [৫] ইবনু নুমায়র (রহঃ) (আরবী) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ২৪২৫, ই.সে. ২৪২৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كريب وابن نمير - واتفقوا في اللفظ - قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، وقال ابن نمير، حدثنا أبي وقال أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، جميعا عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عاصم بن عمر، عن عمر، - رضى الله عنه - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا أقبل الليل وأدبر النهار وغابت الشمس فقد أفطر الصائم ‏"‏ ‏.‏ لم يذكر ابن نمير ‏"‏ فقد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৪৫২

وحدثنا ابن أبي عمر، أخبرنا سفيان، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا جرير، كلاهما عن الشيباني، عن ابن أبي أوفى، ح . وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن، جعفر قالا حدثنا شعبة، عن الشيباني، عن ابن أبي أوفى، - رضى الله عنه - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث ابن مسهر وعباد وعبد الواحد وليس في حديث أحد منهم في شهر رمضان ولا قوله ‏ "‏ وجاء الليل من ها هنا ‏"‏ ‏.‏ إلا في رواية هشيم وحده ‏.‏

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু মুসহির, ‘আব্বাস ও ‘আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ)-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁদের কারো হাদীসের মধ্য রমাযান মাসের উল্লেখ নেই। অনুরূপভাবে হুশায়ম ব্যতীত তাদের বর্ণনায় “এবং যখন রাত্র এদিক থেকে ঘনিয়ে আসে” এ কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪২৯, ই.সে. ২৪২৮)

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু মুসহির, ‘আব্বাস ও ‘আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ)-এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁদের কারো হাদীসের মধ্য রমাযান মাসের উল্লেখ নেই। অনুরূপভাবে হুশায়ম ব্যতীত তাদের বর্ণনায় “এবং যখন রাত্র এদিক থেকে ঘনিয়ে আসে” এ কথাটিও উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪২৯, ই.সে. ২৪২৮)

وحدثنا ابن أبي عمر، أخبرنا سفيان، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا جرير، كلاهما عن الشيباني، عن ابن أبي أوفى، ح . وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن، جعفر قالا حدثنا شعبة، عن الشيباني، عن ابن أبي أوفى، - رضى الله عنه - عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث ابن مسهر وعباد وعبد الواحد وليس في حديث أحد منهم في شهر رمضان ولا قوله ‏ "‏ وجاء الليل من ها هنا ‏"‏ ‏.‏ إلا في رواية هشيم وحده ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সওমে বিসাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ২৪৫৪

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم واصل في رمضان فواصل الناس فنهاهم ‏.‏ قيل له أنت تواصل قال ‏ "‏ إني لست مثلكم إني أطعم وأسقى ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাসে সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। তা দেখে সাহাবীগণও সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করলেন। এতে তাঁকে প্রশ্ন করা হ’ল, আপনি তো সওমে বিসাল করছেন। উত্তরে তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে তো খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩১, ই.সে. ২৪৩০)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাসে সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। তা দেখে সাহাবীগণও সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এরপর তিনি তাদেরকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করলেন। এতে তাঁকে প্রশ্ন করা হ’ল, আপনি তো সওমে বিসাল করছেন। উত্তরে তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতো নই। আমাকে তো খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩১, ই.সে. ২৪৩০)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم واصل في رمضان فواصل الناس فنهاهم ‏.‏ قيل له أنت تواصل قال ‏ "‏ إني لست مثلكم إني أطعم وأسقى ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৬১

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসের প্রথমাংশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এ দেখে মুসলিমদের কতিপয় লোক সওমে বিসাল আরম্ভ করে দিলেন। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছার পর তিনি বললেন, যদি আমাদের জন্য মাস দীর্ঘায়িত করে দেয়া হতো তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যাতে সীমালঙ্ঘনকারীরা সীমালংঘন করা ছেড়ে দিত। এরপর তিনি বললেন, তোমরা তো আমার মতো নও অথবা বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। কারণ আমার প্রতিপালক তো আমাকে পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৮, ই.সে. ২৪৩৭)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসের প্রথমাংশে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল আরম্ভ করলেন। এ দেখে মুসলিমদের কতিপয় লোক সওমে বিসাল আরম্ভ করে দিলেন। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছার পর তিনি বললেন, যদি আমাদের জন্য মাস দীর্ঘায়িত করে দেয়া হতো তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যাতে সীমালঙ্ঘনকারীরা সীমালংঘন করা ছেড়ে দিত। এরপর তিনি বললেন, তোমরা তো আমার মতো নও অথবা বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। কারণ আমার প্রতিপালক তো আমাকে পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৮, ই.সে. ২৪৩৭)


সহিহ মুসলিম ২৪৫৩

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال قالوا إنك تواصل ‏.‏ قال ‏ "‏ إني لست كهيئتكم إني أطعم وأسقى ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এতে সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। তিন বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমাকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩০, ই.সে. ২৪২৯)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এতে সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। তিন বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমাকে খাওয়ানো ও পান করানো হয়। (ই.ফা. ২৪৩০, ই.সে. ২৪২৯)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، - رضى الله عنهما - أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال قالوا إنك تواصل ‏.‏ قال ‏ "‏ إني لست كهيئتكم إني أطعم وأسقى ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৪৫৭

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাক। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন? তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তোমরা তো আমার মত নও। আমি এমতাবস্থায় রাত্রি যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান। তাই তোমরা তোমাদের সামর্থ্যে যতটুকু কুলায়, ততটুকু ‘আমাল কর। (ই.ফা. ২৪৩৪, ই.সে. ২৪৩৩)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাক। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন? তিনি বললেন, এ ব্যাপারে তোমরা তো আমার মত নও। আমি এমতাবস্থায় রাত্রি যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করান। তাই তোমরা তোমাদের সামর্থ্যে যতটুকু কুলায়, ততটুকু ‘আমাল কর। (ই.ফা. ২৪৩৪, ই.সে. ২৪৩৩)


সহিহ মুসলিম ২৪৫৬

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। তখন মুসলিমদের এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার মতো কে আছে? আমি রাত্রি যাপন করি এমতাবস্থায় যে, আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান এবং আমাকে পান করান। সাহাবীগণ সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের সাথে একদিন এবং পরে আরেক দিন সওমে বিসাল করলেন। এরপর তারা চাঁদ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, চাঁর আরো দেরীতে দেখা দিলে আমিও সওমে বিসাল দির্ঘায়িত করতাম। তাঁরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি শাস্তি স্বরূপ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ২৪৩৩, ই.সে. ২৪৩২)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। তখন মুসলিমদের এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তো সওমে বিসাল করে থাকেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার মতো কে আছে? আমি রাত্রি যাপন করি এমতাবস্থায় যে, আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান এবং আমাকে পান করান। সাহাবীগণ সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের সাথে একদিন এবং পরে আরেক দিন সওমে বিসাল করলেন। এরপর তারা চাঁদ দেখলেন, তখন তিনি বললেন, চাঁর আরো দেরীতে দেখা দিলে আমিও সওমে বিসাল দির্ঘায়িত করতাম। তাঁরা সওমে বিসাল থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে তিনি শাস্তি স্বরূপ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। (ই.ফা. ২৪৩৩, ই.সে. ২৪৩২)


সহিহ মুসলিম ২৪৬০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালাম। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসেও তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। এভাবে আমরা এক দল লোক হয়ে গেলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তাঁর পেছনে আছি, তখন তিনি সালাত সংক্ষেপ করে ফেললেন। তারপর তিনি আপন গৃহে চলে গেলেন এবং এমন (দীর্ঘ) সালাত আদায় করলেন যে, এভাবে তিনি আমাদের সাথে সালাত আদায় করতেন না। সকালে আমরা তাঁকে বললাম, রাত্রে আপনি আমাদের সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই তো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ঐ কাজের, যা আমি করেছি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানের শেষভাগে আবার সওমে বিসাল করতে আরম্ভ করলেন। এ দেখে কতিপয় সহাবীও সওমে বিসাল শুরু করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, লোকদের কী হ’ল, তারা যে সওমে বিসাল আরম্ভ করেছে! তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর শপথ! যদি মাস দীর্ঘায়িত হতো, তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যার ফরে সীমালঙ্ঘনকারীগণ সওমে বিসাল করা ছেড়ে দিত। (ই.ফা. ২৪৩৭, ই.সে. ২৪৩৬)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমাযান মাসে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করছিলেন। আমি তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালাম। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসেও তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। এভাবে আমরা এক দল লোক হয়ে গেলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তাঁর পেছনে আছি, তখন তিনি সালাত সংক্ষেপ করে ফেললেন। তারপর তিনি আপন গৃহে চলে গেলেন এবং এমন (দীর্ঘ) সালাত আদায় করলেন যে, এভাবে তিনি আমাদের সাথে সালাত আদায় করতেন না। সকালে আমরা তাঁকে বললাম, রাত্রে আপনি আমাদের সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাই তো আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে ঐ কাজের, যা আমি করেছি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযানের শেষভাগে আবার সওমে বিসাল করতে আরম্ভ করলেন। এ দেখে কতিপয় সহাবীও সওমে বিসাল শুরু করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, লোকদের কী হ’ল, তারা যে সওমে বিসাল আরম্ভ করেছে! তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর শপথ! যদি মাস দীর্ঘায়িত হতো, তবে আমি এমনভাবে সওমে বিসাল করতাম যার ফরে সীমালঙ্ঘনকারীগণ সওমে বিসাল করা ছেড়ে দিত। (ই.ফা. ২৪৩৭, ই.সে. ২৪৩৬)


সহিহ মুসলিম ২৪৬২

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعثمان بن أبي شيبة، جميعا عن عبدة، - قال إسحاق أخبرنا عبدة بن سليمان، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت نهاهم النبي صلى الله عليه وسلم عن الوصال رحمة لهم ‏.‏ فقالوا إنك تواصل ‏.‏ قال ‏ "‏ إني لست كهيئتكم إني يطعمني ربي ويسقيني ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দয়াবশতঃ সবাইকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করেন। তিনি বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। আমাকে তো আমার প্রতিপালক পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৯, ই.সে. ২৪৩৮)

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দয়াবশতঃ সবাইকে সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি তো সওমে বিসাল করেন। তিনি বললেন, আমি তো তোমাদের মতো নই। আমাকে তো আমার প্রতিপালক পানাহার করান। (ই.ফা. ২৪৩৯, ই.সে. ২৪৩৮)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعثمان بن أبي شيبة، جميعا عن عبدة، - قال إسحاق أخبرنا عبدة بن سليمان، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت نهاهم النبي صلى الله عليه وسلم عن الوصال رحمة لهم ‏.‏ فقالوا إنك تواصل ‏.‏ قال ‏ "‏ إني لست كهيئتكم إني يطعمني ربي ويسقيني ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৪৫৯

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবূ যুর’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৩৬, ই.সে. ২৪৩৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবূ যুর’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪৩৬, ই.সে. ২৪৩৫)


সহিহ মুসলিম ২৪৫৮

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হাদীসের শেষে কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন হলেও অর্থ একই)। (ই.ফা. ২৪৩৫, ই.সে. ২৪৩৪)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)- এর সূত্রে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হাদীসের শেষে কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন হলেও অর্থ একই)। (ই.ফা. ২৪৩৫, ই.সে. ২৪৩৪)


সহিহ মুসলিম ২৪৫৫

ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রমাযান মাসের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৩২, ই.সে. ২৪৩১)

ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে রমাযান মাসের কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২৪৩২, ই.সে. ২৪৩১)


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00