সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশ পরিবারের জন্য সদাক্বাহ্ যাকাত খাওয়া হারাম, এরা হচ্ছে বনূ হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিব; এরা ছাড়া অন্য কারো জন্য যাকাত-সদাক্বাহ্ খাওয়া হারাম নয়
সহিহ মুসলিম ২৩৬৩
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - سمع أبا هريرة، يقول أخذ الحسن بن علي تمرة من تمر الصدقة فجعلها في فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كخ كخ ارم بها أما علمت أنا لا نأكل الصدقة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) যাকাতের খেজুর থেকে একটি খেজুর তুলে মুখে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি থু থু করে ফেলে দাও। তুমি কি জান না আমারা সদাক্বাহ্ বা যাকাত খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪১ ই. সে. ২৩৪১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) যাকাতের খেজুর থেকে একটি খেজুর তুলে মুখে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি থু থু করে ফেলে দাও। তুমি কি জান না আমারা সদাক্বাহ্ বা যাকাত খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪১ ই. সে. ২৩৪১)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - سمع أبا هريرة، يقول أخذ الحسن بن علي تمرة من تمر الصدقة فجعلها في فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كخ كخ ارم بها أما علمت أنا لا نأكل الصدقة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৯
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بتمرة بالطريق فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্বাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৭, ই. সে. ২৩৪৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্বাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৭, ই. সে. ২৩৪৭)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بتمرة بالطريق فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৮
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن سفيان، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম। (ই. ফা. ২৩৪৬, ই. সে. ২৩৪৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম। (ই. ফা. ২৩৪৬, ই. সে. ২৩৪৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن سفيان، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭০
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون صدقة لأكلتها " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি খেজুর দেখতে পেয়ে বললেন, এটা যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম। (এভাবে নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৮, ই. সে. ২৩৪৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি খেজুর দেখতে পেয়ে বললেন, এটা যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম। (এভাবে নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৮, ই. সে. ২৩৪৮)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون صدقة لأكلتها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৬
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن أبا يونس، مولى أبي هريرة حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي ثم أرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة فألقيها " .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি ঘরে ফিরে গিয়ে (কোন কোন সময়) আমার বিছানার উপর খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। আমি তা খাওয়ার জন্য তুলে নেই। কিন্তু পরক্ষণেই সদাক্বার খেজুর হতে পারে এ আশঙ্কায় তা ফেলে দেই (এবং খাওয়া থেকে বিরত থাকি)। (ই. ফা. ২৩৪৪ ই. সে. ২৩৪৪)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি ঘরে ফিরে গিয়ে (কোন কোন সময়) আমার বিছানার উপর খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। আমি তা খাওয়ার জন্য তুলে নেই। কিন্তু পরক্ষণেই সদাক্বার খেজুর হতে পারে এ আশঙ্কায় তা ফেলে দেই (এবং খাওয়া থেকে বিরত থাকি)। (ই. ফা. ২৩৪৪ ই. সে. ২৩৪৪)
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن أبا يونس، مولى أبي هريرة حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي ثم أرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة فألقيها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৭
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي - أو في بيتي - فأرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة - أو من الصدقة - فألقيها " .
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) আল্লাহর রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি হাদীস নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! আমি ঘরে ফিরে আমার বিছানায় অথবা (তিনি বলেছেন) আমার ঘরের মধ্যে খেজুর পড়ে থাকতে পাই। আমি তা খাওয়ার জন্য হাতে তুলে নেই। পরক্ষণেই আমার সন্দেহ হয়, এটা সদাক্বার খেজুর হতে পারে। তাই আমি তা ফেলে দেই।” (ই. ফা. ২৩৪৫, ই. সে. ২৩৪৫)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) আল্লাহর রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি হাদীস নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! আমি ঘরে ফিরে আমার বিছানায় অথবা (তিনি বলেছেন) আমার ঘরের মধ্যে খেজুর পড়ে থাকতে পাই। আমি তা খাওয়ার জন্য হাতে তুলে নেই। পরক্ষণেই আমার সন্দেহ হয়, এটা সদাক্বার খেজুর হতে পারে। তাই আমি তা ফেলে দেই।” (ই. ফা. ২৩৪৫, ই. সে. ২৩৪৫)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي - أو في بيتي - فأرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة - أو من الصدقة - فألقيها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৪
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال " أنا لا، تحل لنا الصدقة " .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, “আমাদের জন্য সদাক্বাহ্-যাকাতের মাল হালাল নয়”। (ই. ফা. ২৩৪২ ই. সে. ২৩৪২)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, “আমাদের জন্য সদাক্বাহ্-যাকাতের মাল হালাল নয়”। (ই. ফা. ২৩৪২ ই. সে. ২৩৪২)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال " أنا لا، تحل لنا الصدقة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৫
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن، أبي عدي كلاهما عن شعبة، في هذا الإسناد كما قال ابن معاذ " أنا لا، نأكل الصدقة " .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও ইবনু মু’আয বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ “আমরা যাকাত-সদাক্বাহ্ ইত্যাদি খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪৩ ই. সে. ২৩৪৩)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও ইবনু মু’আয বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ “আমরা যাকাত-সদাক্বাহ্ ইত্যাদি খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪৩ ই. সে. ২৩৪৩)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن، أبي عدي كلاهما عن شعبة، في هذا الإسناد كما قال ابن معاذ " أنا لا، نأكل الصدقة " .
সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরকে সদাক্বাহ্ উসূলকারী নিযুক্ত না করা প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ২৩৭২
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن، شهاب عن عبد الله بن الحارث بن نوفل الهاشمي، أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث، بن عبد المطلب أخبره أن أباه ربيعة بن الحارث بن عبد المطلب والعباس بن عبد المطلب قالا لعبد المطلب بن ربيعة وللفضل بن عباس ائتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وساق الحديث بنحو حديث مالك وقال فيه فألقى علي رداءه ثم اضطجع عليه وقال أنا أبو حسن القرم والله لا أريم مكاني حتى يرجع إليكما ابناكما بحور ما بعثتما به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وقال في الحديث ثم قال لنا " إن هذه الصدقات إنما هي أوساخ الناس وإنها لا تحل لمحمد ولا لآل محمد " . وقال أيضا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي محمية بن جزء " . وهو رجل من بني أسد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمله على الأخماس .
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেনে এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেনে এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن، شهاب عن عبد الله بن الحارث بن نوفل الهاشمي، أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث، بن عبد المطلب أخبره أن أباه ربيعة بن الحارث بن عبد المطلب والعباس بن عبد المطلب قالا لعبد المطلب بن ربيعة وللفضل بن عباس ائتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وساق الحديث بنحو حديث مالك وقال فيه فألقى علي رداءه ثم اضطجع عليه وقال أنا أبو حسن القرم والله لا أريم مكاني حتى يرجع إليكما ابناكما بحور ما بعثتما به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وقال في الحديث ثم قال لنا " إن هذه الصدقات إنما هي أوساخ الناس وإنها لا تحل لمحمد ولا لآل محمد " . وقال أيضا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي محمية بن جزء " . وهو رجل من بني أسد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمله على الأخماس .
সহিহ মুসলিম ২৩৭১
حدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن عبد الله بن عبد الله بن نوفل بن الحارث بن عبد المطلب، حدثه أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث حدثه قال اجتمع ربيعة بن الحارث والعباس بن عبد المطلب فقالا والله لو بعثنا هذين الغلامين - قالا لي وللفضل بن عباس - إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلماه فأمرهما على هذه الصدقات فأديا ما يؤدي الناس وأصابا مما يصيب الناس - قال - فبينما هما في ذلك جاء علي بن أبي طالب فوقف عليهما فذكرا له ذلك فقال علي بن أبي طالب لا تفعلا فوالله ما هو بفاعل . فانتحاه ربيعة بن الحارث فقال والله ما تصنع هذا إلا نفاسة منك علينا فوالله لقد نلت صهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فما نفسناه عليك . قال علي أرسلوهما . فانطلقا واضطجع علي - قال - فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر سبقناه إلى الحجرة فقمنا عندها حتى جاء فأخذ بآذاننا . ثم قال " أخرجا ما تصرران " ثم دخل ودخلنا عليه وهو يومئذ عند زينب بنت جحش - قال - فتواكلنا الكلام ثم تكلم أحدنا فقال يا رسول الله أنت أبر الناس وأوصل الناس وقد بلغنا النكاح فجئنا لتؤمرنا على بعض هذه الصدقات فنؤدي إليك كما يؤدي الناس ونصيب كما يصيبون - قال - فسكت طويلا حتى أردنا أن نكلمه - قال - وجعلت زينب تلمع علينا من وراء الحجاب أن لا تكلماه - قال - ثم قال " إن الصدقة لا تنبغي لآل محمد . إنما هي أوساخ الناس ادعوا لي محمية - وكان على الخمس - ونوفل بن الحارث بن عبد المطلب " . قال فجاءاه فقال لمحمية " أنكح هذا الغلام ابنتك " . للفضل بن عباس فأنكحه وقال لنوفل بن الحارث " أنكح هذا الغلام ابنتك " . لي فأنكحني وقال لمحمية " أصدق عنهما من الخمس كذا وكذا " . قال الزهري ولم يسمه لي .
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু’টিকে অর্থাৎ আমি ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রামিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রামিক পেত। রাবী বলেন, তাঁরা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) এসে তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁরা এ প্রস্তাবটি তাঁর কাছে উত্থাপন করলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ! তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রাবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না!” তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং ‘আলী (রাঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু’জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কন্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছো, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! “আপনি সর্বশ্রেষ্ট অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরনাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রামিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য ‘যাকাত’ গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহ্মিয়্যাহ্ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু’জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহ্মিয়্যাহ্ বললেনঃ “তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহ্মিয়্যাকে বললেন, এ দু’জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মুহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শায়খ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে মুহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ২৩৪৯, ই. সে. ২৩৪৯)
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু’টিকে অর্থাৎ আমি ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রামিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রামিক পেত। রাবী বলেন, তাঁরা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) এসে তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁরা এ প্রস্তাবটি তাঁর কাছে উত্থাপন করলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ! তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রাবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না!” তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং ‘আলী (রাঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু’জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কন্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছো, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! “আপনি সর্বশ্রেষ্ট অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরনাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রামিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য ‘যাকাত’ গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহ্মিয়্যাহ্ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু’জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহ্মিয়্যাহ্ বললেনঃ “তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহ্মিয়্যাকে বললেন, এ দু’জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মুহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শায়খ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে মুহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ২৩৪৯, ই. সে. ২৩৪৯)
حدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن عبد الله بن عبد الله بن نوفل بن الحارث بن عبد المطلب، حدثه أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث حدثه قال اجتمع ربيعة بن الحارث والعباس بن عبد المطلب فقالا والله لو بعثنا هذين الغلامين - قالا لي وللفضل بن عباس - إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلماه فأمرهما على هذه الصدقات فأديا ما يؤدي الناس وأصابا مما يصيب الناس - قال - فبينما هما في ذلك جاء علي بن أبي طالب فوقف عليهما فذكرا له ذلك فقال علي بن أبي طالب لا تفعلا فوالله ما هو بفاعل . فانتحاه ربيعة بن الحارث فقال والله ما تصنع هذا إلا نفاسة منك علينا فوالله لقد نلت صهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فما نفسناه عليك . قال علي أرسلوهما . فانطلقا واضطجع علي - قال - فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر سبقناه إلى الحجرة فقمنا عندها حتى جاء فأخذ بآذاننا . ثم قال " أخرجا ما تصرران " ثم دخل ودخلنا عليه وهو يومئذ عند زينب بنت جحش - قال - فتواكلنا الكلام ثم تكلم أحدنا فقال يا رسول الله أنت أبر الناس وأوصل الناس وقد بلغنا النكاح فجئنا لتؤمرنا على بعض هذه الصدقات فنؤدي إليك كما يؤدي الناس ونصيب كما يصيبون - قال - فسكت طويلا حتى أردنا أن نكلمه - قال - وجعلت زينب تلمع علينا من وراء الحجاب أن لا تكلماه - قال - ثم قال " إن الصدقة لا تنبغي لآل محمد . إنما هي أوساخ الناس ادعوا لي محمية - وكان على الخمس - ونوفل بن الحارث بن عبد المطلب " . قال فجاءاه فقال لمحمية " أنكح هذا الغلام ابنتك " . للفضل بن عباس فأنكحه وقال لنوفل بن الحارث " أنكح هذا الغلام ابنتك " . لي فأنكحني وقال لمحمية " أصدق عنهما من الخمس كذا وكذا " . قال الزهري ولم يسمه لي .
সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্ দাতা তা সদাক্বাহ্ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায়
সহিহ মুসলিম ২৩৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن عيينة، عن الزهري، بهذا الإسناد نحوه .
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৫২, ই. সে. ২৩৫২)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৫২, ই. সে. ২৩৫২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن عيينة، عن الزهري، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম ২৩৭৭
حدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا هشام بن عروة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كانت في بريرة ثلاث قضيات كان الناس يتصدقون عليها وتهدي لنا فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " هو عليها صدقة ولكم هدية فكلوه " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বারীরাহ্ (রাঃ)-কে মুক্বদ্দামার প্রেক্ষিতে শারী’আতের তিনটি হুকুম প্রবর্তিত হয়। লোকজন তাকে সদাক্বাহ্ দিত এবং তিনি তা আমাদেরকে উপহার হিসেবে দান করতেন। এ ব্যাপারে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালাম। তিনি বললেন, এটা তার জন্য সদাক্বাহ্ এবং তোমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্। সুতরাং তোমরা তা খাও। (ই. ফা. ২৩৫৫, ই. সে. ২৩৫৫)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বারীরাহ্ (রাঃ)-কে মুক্বদ্দামার প্রেক্ষিতে শারী’আতের তিনটি হুকুম প্রবর্তিত হয়। লোকজন তাকে সদাক্বাহ্ দিত এবং তিনি তা আমাদেরকে উপহার হিসেবে দান করতেন। এ ব্যাপারে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালাম। তিনি বললেন, এটা তার জন্য সদাক্বাহ্ এবং তোমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্। সুতরাং তোমরা তা খাও। (ই. ফা. ২৩৫৫, ই. সে. ২৩৫৫)
حدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا هشام بن عروة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت كانت في بريرة ثلاث قضيات كان الناس يتصدقون عليها وتهدي لنا فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " هو عليها صدقة ولكم هدية فكلوه " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا محمد بن، المثنى وابن بشار قال حدثنا محمد بن جعفر، كلاهما عن شعبة، عن قتادة، عن أنس، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع أنس بن مالك، قال أهدت بريرة إلى النبي صلى الله عليه وسلم لحما تصدق به عليها فقال " هو لها صدقة ولنا هدية " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বারীয়াহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিছু গোশ্ত উপহার দিলেন। এটা তাকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ গোশ্ত তার (বারীরার) জন্য সদাক্বাহ্ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ বা উপঢৌকন হিসেবে গণ্য। (ই. ফা. ২৩৫৩, ই. সে. ২৩৫৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বারীয়াহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিছু গোশ্ত উপহার দিলেন। এটা তাকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ গোশ্ত তার (বারীরার) জন্য সদাক্বাহ্ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ বা উপঢৌকন হিসেবে গণ্য। (ই. ফা. ২৩৫৩, ই. সে. ২৩৫৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا محمد بن، المثنى وابن بشار قال حدثنا محمد بن جعفر، كلاهما عن شعبة، عن قتادة، عن أنس، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمع أنس بن مالك، قال أهدت بريرة إلى النبي صلى الله عليه وسلم لحما تصدق به عليها فقال " هو لها صدقة ولنا هدية " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭৬
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، وأتي النبي، صلى الله عليه وسلم بلحم بقر فقيل هذا ما تصدق به على بريرة . فقال " هو لها صدقة ولنا هدية " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু গরুর গোশ্ত আনা হলো। অতঃপর বলা হলো এ গোশ্ত বারীরাকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দান করা হয়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা তার জন্য সদাক্বাহ্ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ বা উপঢৌকন।” (ই. ফা. ২৩৫৪, ই. সে. ২৩৫৪)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু গরুর গোশ্ত আনা হলো। অতঃপর বলা হলো এ গোশ্ত বারীরাকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দান করা হয়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এটা তার জন্য সদাক্বাহ্ কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়্যাহ্ বা উপঢৌকন।” (ই. ফা. ২৩৫৪, ই. সে. ২৩৫৪)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، وأتي النبي، صلى الله عليه وسلم بلحم بقر فقيل هذا ما تصدق به على بريرة . فقال " هو لها صدقة ولنا هدية " .
সহিহ মুসলিম ২৩৮০
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن خالد، عن حفصة، عن أم عطية، قالت بعث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة من الصدقة فبعثت إلى عائشة منها بشىء فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عائشة قال " هل عندكم شىء " . قالت لا . إلا أن نسيبة بعثت إلينا من الشاة التي بعثتم بها إليها قال " إنها قد بلغت محلها " .
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য সদাক্বার একটি বকরী পাঠালেন। অতঃপর আমি এ থেকে কিছু গোশ্ত ‘আয়িশা (রাঃ)-এর জন্য পাঠালাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, না; তবে আপনি নুসায়বার (উম্মু ‘আতিয়্যাহ্) কাছে (সদাক্বার) বকরী পাঠিয়ে ছিলেন। এ থেকে সে আমার জন্য কিছু গোশ্ত পাঠিয়েছে। তিনি বললেন, এ (সদাক্বাহ্) তো তাঁর যথাযথ স্থানে পৌঁছে গেছে (অর্থাৎ উম্মু ‘আত্বিয়ার জন্য সদাক্বাহ্ ছিল। সে তা হস্তান্তর করার পর এখন তোমার জন্য এটা হাদীয়্যাহ। কাজেই তুমি খাও, আমাকে দাও)। (ই. ফা. ২৩৫৮, ই. সে. ২৩৫৮)
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য সদাক্বার একটি বকরী পাঠালেন। অতঃপর আমি এ থেকে কিছু গোশ্ত ‘আয়িশা (রাঃ)-এর জন্য পাঠালাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, না; তবে আপনি নুসায়বার (উম্মু ‘আতিয়্যাহ্) কাছে (সদাক্বার) বকরী পাঠিয়ে ছিলেন। এ থেকে সে আমার জন্য কিছু গোশ্ত পাঠিয়েছে। তিনি বললেন, এ (সদাক্বাহ্) তো তাঁর যথাযথ স্থানে পৌঁছে গেছে (অর্থাৎ উম্মু ‘আত্বিয়ার জন্য সদাক্বাহ্ ছিল। সে তা হস্তান্তর করার পর এখন তোমার জন্য এটা হাদীয়্যাহ। কাজেই তুমি খাও, আমাকে দাও)। (ই. ফা. ২৩৫৮, ই. সে. ২৩৫৮)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن خالد، عن حفصة، عن أم عطية، قالت بعث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة من الصدقة فبعثت إلى عائشة منها بشىء فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عائشة قال " هل عندكم شىء " . قالت لا . إلا أن نسيبة بعثت إلينا من الشاة التي بعثتم بها إليها قال " إنها قد بلغت محلها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭৯
وحدثني أبو الطاهر، حدثنا ابن وهب، أخبرني مالك بن أنس، عن ربيعة، عن القاسم، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك غير أنه قال " وهو لنا منها هدية " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৭, ই. সে. ২৩৫৭)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৭, ই. সে. ২৩৫৭)
وحدثني أبو الطاهر، حدثنا ابن وهب، أخبرني مالك بن أنس، عن ربيعة، عن القاسم، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك غير أنه قال " وهو لنا منها هدية " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، أن عبيد بن السباق، قال إن جويرية زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها فقال " هل من طعام " . قالت لا والله يا رسول الله ما عندنا طعام إلا عظم من شاة أعطيته مولاتي من الصدقة . فقال " قربيه فقد بلغت محلها " .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী জুওয়াইরিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাকে এ হাদীস অবহিত করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে এসে বললেনঃ খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের খাওয়ার কিছু নেই। তবে বকরীর কয়েকটি হাড় আছে। এটা আমার মুক্ত দাসীকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ তা আমার কাছে নিয়ে এসো, কেননা সদাক্বাহ্ তার নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে গেছে। (ই. ফা. ২৩৫১, ই. সে. ২৩৫১)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী জুওয়াইরিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাকে এ হাদীস অবহিত করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ঘরে এসে বললেনঃ খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের খাওয়ার কিছু নেই। তবে বকরীর কয়েকটি হাড় আছে। এটা আমার মুক্ত দাসীকে সদাক্বাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ তা আমার কাছে নিয়ে এসো, কেননা সদাক্বাহ্ তার নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে গেছে। (ই. ফা. ২৩৫১, ই. সে. ২৩৫১)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، أن عبيد بن السباق، قال إن جويرية زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها فقال " هل من طعام " . قالت لا والله يا رسول الله ما عندنا طعام إلا عظم من شاة أعطيته مولاتي من الصدقة . فقال " قربيه فقد بلغت محلها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن سماك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، ح . وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت عبد، الرحمن بن القاسم قال سمعت القاسم، يحدث عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৬, ই. সে. ২৩৫৬)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আর একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়্যাহ্।” (ই. ফা. ২৩৫৬, ই. সে. ২৩৫৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن سماك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، ح . وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت عبد، الرحمن بن القاسم قال سمعت القاسم، يحدث عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك .
সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক হাদিয়া গ্রহণ এবং সদকা প্রত্যাখ্যান প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ২৩৮১
حدثنا عبد الرحمن بن سلام الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد، - وهو ابن زياد - عن أبي هريرة، . أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أتي بطعام سأل عنه فإن قيل هدية أكل منها وإن قيل صدقة لم يأكل منها .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কোন প্রকার খাদ্যদ্রব্য আসলে তিনি এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে নিতেন। যদি বলা হত, এটা হাদিয়্যাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে, তাহলে তিনি এটা খেতেন, আর যদি বলা হত এটা সদাক্বাহ্ তাহলে তিনি তা খেতেন না। (ই. ফা. ২৩৫৯, ই. সে. ২৩৫৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কোন প্রকার খাদ্যদ্রব্য আসলে তিনি এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে নিতেন। যদি বলা হত, এটা হাদিয়্যাহ্ হিসেবে দেয়া হয়েছে, তাহলে তিনি এটা খেতেন, আর যদি বলা হত এটা সদাক্বাহ্ তাহলে তিনি তা খেতেন না। (ই. ফা. ২৩৫৯, ই. সে. ২৩৫৯)
حدثنا عبد الرحمن بن سلام الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد، - وهو ابن زياد - عن أبي هريرة، . أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أتي بطعام سأل عنه فإن قيل هدية أكل منها وإن قيل صدقة لم يأكل منها .