সহিহ মুসলিম > খারিজী সম্প্রদায়কে হত্যা করতে উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ২৩৫২
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبد الله بن سعيد الأشج، جميعا عن وكيع، - قال الأشج حدثنا وكيع، - حدثنا الأعمش، عن خيثمة، عن سويد بن غفلة، قال قال علي إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فلأن أخر من السماء أحب إلى من أن أقول عليه ما لم يقل وإذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فإن الحرب خدعة . سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " سيخرج في آخر الزمان قوم أحداث الأسنان سفهاء الأحلام يقولون من خير قول البرية يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية فإذا لقيتموهم فاقتلوهم فإن في قتلهم أجرا لمن قتلهم عند الله يوم القيامة " .
সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেনঃ আমি কোন কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে বানিয়ে বলার চেয়ে - আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া শ্রেয় মনে করি। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপার নিয়ে কথা বলি তখন মনে রাখবে যে, যুদ্ধে কৌশল ও চাতুরকার আশ্রয় নেয়া বৈধ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনিঃ সে যুগে (অর্থাৎ কিয়ামাতের পূর্বে) এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা অল্প বয়স্ক ও স্বল্প-বুদ্ধি সম্পন্ন হবে। তারা সৃষ্টি জগতের চেয়ে ভাল ভাল কথা বলবে, তারা কুরআন মাজীদ পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের গলার নিচে যাবে না। তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারাও অনুরূপভাবে বেরিয়ে যাবে। অতএব, তোমারা তাদের মুখোমুখী হলে তাদের হত্যা করে ফেলবে। কেননা তাদেরকে যারা হত্যা করবে তারা ক্বিয়ামাতের আল্লাহর কাছে সোয়াব পাবে। (ই.ফা. ২৩৩০ ই.সে. ২৩৩১)
সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেনঃ আমি কোন কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে বানিয়ে বলার চেয়ে - আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া শ্রেয় মনে করি। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপার নিয়ে কথা বলি তখন মনে রাখবে যে, যুদ্ধে কৌশল ও চাতুরকার আশ্রয় নেয়া বৈধ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনিঃ সে যুগে (অর্থাৎ কিয়ামাতের পূর্বে) এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা অল্প বয়স্ক ও স্বল্প-বুদ্ধি সম্পন্ন হবে। তারা সৃষ্টি জগতের চেয়ে ভাল ভাল কথা বলবে, তারা কুরআন মাজীদ পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের গলার নিচে যাবে না। তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারাও অনুরূপভাবে বেরিয়ে যাবে। অতএব, তোমারা তাদের মুখোমুখী হলে তাদের হত্যা করে ফেলবে। কেননা তাদেরকে যারা হত্যা করবে তারা ক্বিয়ামাতের আল্লাহর কাছে সোয়াব পাবে। (ই.ফা. ২৩৩০ ই.সে. ২৩৩১)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعبد الله بن سعيد الأشج، جميعا عن وكيع، - قال الأشج حدثنا وكيع، - حدثنا الأعمش، عن خيثمة، عن سويد بن غفلة، قال قال علي إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فلأن أخر من السماء أحب إلى من أن أقول عليه ما لم يقل وإذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فإن الحرب خدعة . سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " سيخرج في آخر الزمان قوم أحداث الأسنان سفهاء الأحلام يقولون من خير قول البرية يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية فإذا لقيتموهم فاقتلوهم فإن في قتلهم أجرا لمن قتلهم عند الله يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৫
وحدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا ابن علية، وحماد بن زيد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، - واللفظ لهما - قالا حدثنا إسماعيل ابن علية، عن أيوب، عن محمد، عن عبيدة، عن علي، قال ذكر الخوارج فقال فيهم رجل مخدج اليد - أو مودن اليد أو مثدون اليد - لولا أن تبطروا لحدثتكم بما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد صلى الله عليه وسلم - قال - قلت آنت سمعته من محمد صلى الله عليه وسلم قال إي ورب الكعبة إي ورب الكعبة إي ورب الكعبة .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, তাদের মধ্যে এমন এক ব্যাক্তি থাকবে যার হাত খাটো বা মহিলাদের স্তনের ন্যায় হবে। তোমরা যদি অহংকারে লিপ্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পার তাহলে আমি তোমাদেরকে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যবানে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি সম্বন্ধে আলোচনা করব যা তিনি তাদের হত্যাকারীদের সম্পর্কে বলেছেন। (ই. ফা. ২৩৩৩ ই. সে. ২৩৩৪)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
। তিনি খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, তাদের মধ্যে এমন এক ব্যাক্তি থাকবে যার হাত খাটো বা মহিলাদের স্তনের ন্যায় হবে। তোমরা যদি অহংকারে লিপ্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পার তাহলে আমি তোমাদেরকে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যবানে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি সম্বন্ধে আলোচনা করব যা তিনি তাদের হত্যাকারীদের সম্পর্কে বলেছেন। (ই. ফা. ২৩৩৩ ই. সে. ২৩৩৪)
وحدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا ابن علية، وحماد بن زيد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، - واللفظ لهما - قالا حدثنا إسماعيل ابن علية، عن أيوب، عن محمد، عن عبيدة، عن علي، قال ذكر الخوارج فقال فيهم رجل مخدج اليد - أو مودن اليد أو مثدون اليد - لولا أن تبطروا لحدثتكم بما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد صلى الله عليه وسلم - قال - قلت آنت سمعته من محمد صلى الله عليه وسلم قال إي ورب الكعبة إي ورب الكعبة إي ورب الكعبة .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৮
حدثني أبو الطاهر، ويونس بن عبد الأعلى، قالا أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن عبيد الله بن أبي رافع، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن الحرورية لما خرجت وهو مع علي بن أبي طالب - رضى الله عنه - قالوا لا حكم إلا لله . قال علي كلمة حق أريد بها باطل إن رسول الله صلى الله عليه وسلم وصف ناسا إني لأعرف صفتهم في هؤلاء " يقولون الحق بألسنتهم لا يجوز هذا منهم - وأشار إلى حلقه - من أبغض خلق الله إليه منهم أسود إحدى يديه طبى شاة أو حلمة ثدى " . فلما قتلهم علي بن أبي طالب - رضى الله عنه - قال انظروا . فنظروا فلم يجدوا شيئا فقال ارجعوا فوالله ما كذبت ولا كذبت . مرتين أو ثلاثا ثم وجدوه في خربة فأتوا به حتى وضعوه بين يديه . قال عبيد الله وأنا حاضر ذلك من أمرهم . وقول علي فيهم زاد يونس في روايته قال بكير وحدثني رجل عن ابن حنين أنه قال رأيت ذلك الأسود .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুক্ত গোলাম ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন হারূরিয়াহ বের হলো এবং যখন সে ‘আলী (রাঃ)-এর সাথে ছিল তখন বলল, “আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো হুকুম দেয়ার অধিকার নেই” ‘আলী (রাঃ) বলেন, “এ কথাটি সত্য কিন্তু এর পেছনে তাদের হীন উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যাক্তি সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছিলেন আমি তাদের মধ্যে সে চিহ্নগুলো ভালভাবেই লক্ষ্য করেছি। তারা মুখে সত্য কথা বলে কিন্তু তা তাদের এটা থেকে অতিক্রম করে না। এ বলে তিনি (‘উবাইদুল্লাহ) তার কন্ঠনালীর দিকে ইঙ্গিত করলেন। (অর্থাৎ সত্য কথা গলার নীচে যায় না)। আল্লাহর সৃষ্টি জগতে এরা তাঁর চরম শত্রু। তাদের মধ্যে কালো বর্ণের এক ব্যাক্তি রয়েছে যার একটি হাত বকরীর স্তন বা স্তনেত বোঁটার ন্যায়। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) তাদেরকে হত্যা করার পর বললেন, তোমরা তাকে খুঁজে বের কর। কিন্তু তারা তাকে খুঁজে পেল না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা গিয়ে আবার খোঁজ কর। আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যা বলিনি এবং আমার কাছেও মিথ্যা বলা হয়নি। (অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে মিথ্যা বলেননি এবং আমিও তোমাদের কাছে মিথ্যা বলছি না।) এ কথাটি তিনি দু’ অথবা তিনবার বললেন। তারা তাকে ধ্বংস-স্তুপের মধ্যে পেয়ে গেল এবং নিয়ে এসে তাঁর সামনে রাখল। ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তাদের এ তৎপরতার সময় এবং ‘আলী (রাঃ) খারিজীদের সম্বন্ধে এ উক্তিটি করার সময় আমি সেখানে উপস্হিত ছিলাম। ইউনুসের বর্ণনায় আরও আছে, বুকায়র বলেনঃ ‘আমার কাছে এক ব্যাক্তি ইবনু হুনায়নের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “সে কালো লোকটিকে আমি দেখেছি”। (ই. ফা. ২৩৩৬ ই. সে. ২৩৩৬)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুক্ত গোলাম ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন হারূরিয়াহ বের হলো এবং যখন সে ‘আলী (রাঃ)-এর সাথে ছিল তখন বলল, “আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো হুকুম দেয়ার অধিকার নেই” ‘আলী (রাঃ) বলেন, “এ কথাটি সত্য কিন্তু এর পেছনে তাদের হীন উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যাক্তি সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছিলেন আমি তাদের মধ্যে সে চিহ্নগুলো ভালভাবেই লক্ষ্য করেছি। তারা মুখে সত্য কথা বলে কিন্তু তা তাদের এটা থেকে অতিক্রম করে না। এ বলে তিনি (‘উবাইদুল্লাহ) তার কন্ঠনালীর দিকে ইঙ্গিত করলেন। (অর্থাৎ সত্য কথা গলার নীচে যায় না)। আল্লাহর সৃষ্টি জগতে এরা তাঁর চরম শত্রু। তাদের মধ্যে কালো বর্ণের এক ব্যাক্তি রয়েছে যার একটি হাত বকরীর স্তন বা স্তনেত বোঁটার ন্যায়। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) তাদেরকে হত্যা করার পর বললেন, তোমরা তাকে খুঁজে বের কর। কিন্তু তারা তাকে খুঁজে পেল না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা গিয়ে আবার খোঁজ কর। আল্লাহর শপথ! আমি মিথ্যা বলিনি এবং আমার কাছেও মিথ্যা বলা হয়নি। (অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে মিথ্যা বলেননি এবং আমিও তোমাদের কাছে মিথ্যা বলছি না।) এ কথাটি তিনি দু’ অথবা তিনবার বললেন। তারা তাকে ধ্বংস-স্তুপের মধ্যে পেয়ে গেল এবং নিয়ে এসে তাঁর সামনে রাখল। ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তাদের এ তৎপরতার সময় এবং ‘আলী (রাঃ) খারিজীদের সম্বন্ধে এ উক্তিটি করার সময় আমি সেখানে উপস্হিত ছিলাম। ইউনুসের বর্ণনায় আরও আছে, বুকায়র বলেনঃ ‘আমার কাছে এক ব্যাক্তি ইবনু হুনায়নের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “সে কালো লোকটিকে আমি দেখেছি”। (ই. ফা. ২৩৩৬ ই. সে. ২৩৩৬)
حدثني أبو الطاهر، ويونس بن عبد الأعلى، قالا أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن عبيد الله بن أبي رافع، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن الحرورية لما خرجت وهو مع علي بن أبي طالب - رضى الله عنه - قالوا لا حكم إلا لله . قال علي كلمة حق أريد بها باطل إن رسول الله صلى الله عليه وسلم وصف ناسا إني لأعرف صفتهم في هؤلاء " يقولون الحق بألسنتهم لا يجوز هذا منهم - وأشار إلى حلقه - من أبغض خلق الله إليه منهم أسود إحدى يديه طبى شاة أو حلمة ثدى " . فلما قتلهم علي بن أبي طالب - رضى الله عنه - قال انظروا . فنظروا فلم يجدوا شيئا فقال ارجعوا فوالله ما كذبت ولا كذبت . مرتين أو ثلاثا ثم وجدوه في خربة فأتوا به حتى وضعوه بين يديه . قال عبيد الله وأنا حاضر ذلك من أمرهم . وقول علي فيهم زاد يونس في روايته قال بكير وحدثني رجل عن ابن حنين أنه قال رأيت ذلك الأسود .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৭
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، حدثنا سلمة بن كهيل، حدثني زيد بن وهب الجهني، أنه كان في الجيش الذين كانوا مع علي - رضى الله عنه - الذين ساروا إلى الخوارج فقال علي رضى الله عنه أيها الناس إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يخرج قوم من أمتي يقرءون القرآن ليس قراءتكم إلى قراءتهم بشىء ولا صلاتكم إلى صلاتهم بشىء ولا صيامكم إلى صيامهم بشىء يقرءون القرآن يحسبون أنه لهم وهو عليهم لا تجاوز صلاتهم تراقيهم يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية " . لو يعلم الجيش الذين يصيبونهم ما قضي لهم على لسان نبيهم صلى الله عليه وسلم لاتكلوا عن العمل وآية ذلك أن فيهم رجلا له عضد وليس له ذراع على رأس عضده مثل حلمة الثدى عليه شعرات بيض فتذهبون إلى معاوية وأهل الشام وتتركون هؤلاء يخلفونكم في ذراريكم وأموالكم والله إني لأرجو أن يكونوا هؤلاء القوم فإنهم قد سفكوا الدم الحرام وأغاروا في سرح الناس فسيروا على اسم الله . قال سلمة بن كهيل فنزلني زيد بن وهب منزلا حتى قال مررنا على قنطرة فلما التقينا وعلى الخوارج يومئذ عبد الله بن وهب الراسبي فقال لهم ألقوا الرماح وسلوا سيوفكم من جفونها فإني أخاف أن يناشدوكم كما ناشدوكم يوم حروراء . فرجعوا فوحشوا برماحهم وسلوا السيوف وشجرهم الناس برماحهم - قال - وقتل بعضهم على بعض وما أصيب من الناس يومئذ إلا رجلان فقال علي رضى الله عنه التمسوا فيهم المخدج . فالتمسوه فلم يجدوه فقام علي - رضى الله عنه - بنفسه حتى أتى ناسا قد قتل بعضهم على بعض قال أخروهم . فوجدوه مما يلي الأرض فكبر ثم قال صدق الله وبلغ رسوله - قال - فقام إليه عبيدة السلماني فقال يا أمير المؤمنين الله الذي لا إله إلا هو لسمعت هذا الحديث من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إي والله الذي لا إله إلا هو . حتى استحلفه ثلاثا وهو يحلف له .
যায়দ ইবনু ওয়াহব আল জুহানী থেকে বর্নিতঃ
যে সৈন্যদল ‘আলী (রাঃ)-এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল - তিনি তাদের সাথে উপস্হিত ছিলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, হে লোক সকল! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে শুনেছিঃ “আমার উম্মাতের মধ্যে এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন পাঠ করবে। তোমাদের পাঠ তাদের পাঠের তুলনায় নিম্মমানের হবে। অনুরূপভাবে তাদের সালাম ও সিয়া্মের তুলানায় তোমাদের সলাত-সিয়াম সামান্য বলে মনে হবে। কুরআন পাঠ করে তারা ধারণা করবে এতে তাদের লাভ হচ্ছে। অথচ এটা তাদের জন্য ক্ষতিরই কারণ হবে। তাদের সালাত তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনটি তীর বেরিয়ে যায় শিকার থেকে। আর যে সৈন্যদল তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে তারা যদি তাদের নীরব মাধ্যমে কৃত ওয়া’দা সম্পর্কে জানতে পারত তাহলে তারা এ কাজের (পুরস্কারের) উপরই ভরসা করে বসে থাকত। সে দলের চিহ্ন হলো – তাদের মধ্যে এমন এক লোক থাকবে যার বাহুর অগ্রভাগে স্ত্রীলোকের স্তনের বোঁটার ন্যায় একটি মাংসপেশি থাকবে। এর সাদা পশম থাকবে। ‘আলী (রাঃ) বলেন, অতএব তোমরা মু’আবিয়াহ ও সিরিয়ার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাচ্ছ। অপরদিকে তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্তুতি ও ধন-সম্পদের পিছনে এদেরকে (খারিজী) রেখে যাচ্ছ। আল্লাহর শপথ ! আমার বিশ্বাস এরাই হচ্ছে সেই সম্প্রদায় (যাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে)। কেননা এরা অবৈধভাবে রক্তপাত ঘটিয়েছে ও মানুষের গবাদি পশু লুটপাট করেছে। সুতরাং আল্লাহর নাম নিয়ে যাত্রা শুরু কর। সালামহ ইবনু কুহায়ল বলেন, অতঃপর যায়দ ইবনু ওয়াহব (রাঃ) প্রতিটি মঞ্জিলের বর্ণনায় আমাকে দেয়েছেন। এমনকি তিনি বলেছেন, “আমারা একটি পুলের উপর দিয়ে অতিক্রম করে খারিজীদের মুখোমুখি হলাম। এ দিন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব আর রাসিবী খারিজীদের সেনাপতি ছিলেন। সে তাদেরকে বলল, তোমরা বল্লম ফেলে দিয়ে খাপ থেকে তরবারি বের কর। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তারা হারূরার দিনের ন্যায় আজও তোমাদের উপর চরম আঘাত হানবে। সুতরাং তারা ফিরে গিয়ে বল্লম ফেলে দিয়ে তরবারি খাপ থেকে বের করে নিল। লোকজন বল্লম দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হল। তারা একের পর এক নিহত হতে লাগল। সেদিন ‘আলী (রাঃ)-এর দল থেকে মাত্র দু’জন লোক নিহত হল। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এদের মধ্যে থেকে সে বিকলাঙ্গ ব্যাক্তিকে খুঁজে বের কর। অতঃপর তারা তাকে খুঁজে পেল না। তখন ‘আলী (রাঃ) নিজেই দাঁড়ালেন এবং নিহতদের পাশে গিয়ে লাশগুলো সরাবার নির্দেশ দিলেন। তিনি তাকে জমীনের উপর পড়ে থাকা অবস্হায় দেখতে পেয়ে – “আল্ল-হু আকবর” বলে উঠলেন। অতঃপর তিনি পুনরায় বললেন, “আল্লাহ তা’য়ালা সত্য কথাই বলেছেন এবং তাঁর রাসুল সঠিক সংবাদ পৌছিয়েছেন”। রাবী বলেন, এরপর ‘আবিদাহ আস সালমানী তাঁর কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে মহান আল্লাহর শপথ যিনি ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নেই। আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে শুনেছি। এভাবে তিনি (‘আলী) তিনবার শপথ করে ‘আবদাহ্ আস সালমানীকে একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। (ই. ফা. ২৩৩৫ ই. সে. ২৩৩৫)
যায়দ ইবনু ওয়াহব আল জুহানী থেকে বর্নিতঃ
যে সৈন্যদল ‘আলী (রাঃ)-এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল - তিনি তাদের সাথে উপস্হিত ছিলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, হে লোক সকল! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে শুনেছিঃ “আমার উম্মাতের মধ্যে এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন পাঠ করবে। তোমাদের পাঠ তাদের পাঠের তুলনায় নিম্মমানের হবে। অনুরূপভাবে তাদের সালাম ও সিয়া্মের তুলানায় তোমাদের সলাত-সিয়াম সামান্য বলে মনে হবে। কুরআন পাঠ করে তারা ধারণা করবে এতে তাদের লাভ হচ্ছে। অথচ এটা তাদের জন্য ক্ষতিরই কারণ হবে। তাদের সালাত তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনটি তীর বেরিয়ে যায় শিকার থেকে। আর যে সৈন্যদল তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে তারা যদি তাদের নীরব মাধ্যমে কৃত ওয়া’দা সম্পর্কে জানতে পারত তাহলে তারা এ কাজের (পুরস্কারের) উপরই ভরসা করে বসে থাকত। সে দলের চিহ্ন হলো – তাদের মধ্যে এমন এক লোক থাকবে যার বাহুর অগ্রভাগে স্ত্রীলোকের স্তনের বোঁটার ন্যায় একটি মাংসপেশি থাকবে। এর সাদা পশম থাকবে। ‘আলী (রাঃ) বলেন, অতএব তোমরা মু’আবিয়াহ ও সিরিয়ার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাচ্ছ। অপরদিকে তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্তুতি ও ধন-সম্পদের পিছনে এদেরকে (খারিজী) রেখে যাচ্ছ। আল্লাহর শপথ ! আমার বিশ্বাস এরাই হচ্ছে সেই সম্প্রদায় (যাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে)। কেননা এরা অবৈধভাবে রক্তপাত ঘটিয়েছে ও মানুষের গবাদি পশু লুটপাট করেছে। সুতরাং আল্লাহর নাম নিয়ে যাত্রা শুরু কর। সালামহ ইবনু কুহায়ল বলেন, অতঃপর যায়দ ইবনু ওয়াহব (রাঃ) প্রতিটি মঞ্জিলের বর্ণনায় আমাকে দেয়েছেন। এমনকি তিনি বলেছেন, “আমারা একটি পুলের উপর দিয়ে অতিক্রম করে খারিজীদের মুখোমুখি হলাম। এ দিন ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব আর রাসিবী খারিজীদের সেনাপতি ছিলেন। সে তাদেরকে বলল, তোমরা বল্লম ফেলে দিয়ে খাপ থেকে তরবারি বের কর। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তারা হারূরার দিনের ন্যায় আজও তোমাদের উপর চরম আঘাত হানবে। সুতরাং তারা ফিরে গিয়ে বল্লম ফেলে দিয়ে তরবারি খাপ থেকে বের করে নিল। লোকজন বল্লম দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হল। তারা একের পর এক নিহত হতে লাগল। সেদিন ‘আলী (রাঃ)-এর দল থেকে মাত্র দু’জন লোক নিহত হল। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এদের মধ্যে থেকে সে বিকলাঙ্গ ব্যাক্তিকে খুঁজে বের কর। অতঃপর তারা তাকে খুঁজে পেল না। তখন ‘আলী (রাঃ) নিজেই দাঁড়ালেন এবং নিহতদের পাশে গিয়ে লাশগুলো সরাবার নির্দেশ দিলেন। তিনি তাকে জমীনের উপর পড়ে থাকা অবস্হায় দেখতে পেয়ে – “আল্ল-হু আকবর” বলে উঠলেন। অতঃপর তিনি পুনরায় বললেন, “আল্লাহ তা’য়ালা সত্য কথাই বলেছেন এবং তাঁর রাসুল সঠিক সংবাদ পৌছিয়েছেন”। রাবী বলেন, এরপর ‘আবিদাহ আস সালমানী তাঁর কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! সে মহান আল্লাহর শপথ যিনি ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নেই। আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে শুনেছি। এভাবে তিনি (‘আলী) তিনবার শপথ করে ‘আবদাহ্ আস সালমানীকে একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। (ই. ফা. ২৩৩৫ ই. সে. ২৩৩৫)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، حدثنا سلمة بن كهيل، حدثني زيد بن وهب الجهني، أنه كان في الجيش الذين كانوا مع علي - رضى الله عنه - الذين ساروا إلى الخوارج فقال علي رضى الله عنه أيها الناس إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يخرج قوم من أمتي يقرءون القرآن ليس قراءتكم إلى قراءتهم بشىء ولا صلاتكم إلى صلاتهم بشىء ولا صيامكم إلى صيامهم بشىء يقرءون القرآن يحسبون أنه لهم وهو عليهم لا تجاوز صلاتهم تراقيهم يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية " . لو يعلم الجيش الذين يصيبونهم ما قضي لهم على لسان نبيهم صلى الله عليه وسلم لاتكلوا عن العمل وآية ذلك أن فيهم رجلا له عضد وليس له ذراع على رأس عضده مثل حلمة الثدى عليه شعرات بيض فتذهبون إلى معاوية وأهل الشام وتتركون هؤلاء يخلفونكم في ذراريكم وأموالكم والله إني لأرجو أن يكونوا هؤلاء القوم فإنهم قد سفكوا الدم الحرام وأغاروا في سرح الناس فسيروا على اسم الله . قال سلمة بن كهيل فنزلني زيد بن وهب منزلا حتى قال مررنا على قنطرة فلما التقينا وعلى الخوارج يومئذ عبد الله بن وهب الراسبي فقال لهم ألقوا الرماح وسلوا سيوفكم من جفونها فإني أخاف أن يناشدوكم كما ناشدوكم يوم حروراء . فرجعوا فوحشوا برماحهم وسلوا السيوف وشجرهم الناس برماحهم - قال - وقتل بعضهم على بعض وما أصيب من الناس يومئذ إلا رجلان فقال علي رضى الله عنه التمسوا فيهم المخدج . فالتمسوه فلم يجدوه فقام علي - رضى الله عنه - بنفسه حتى أتى ناسا قد قتل بعضهم على بعض قال أخروهم . فوجدوه مما يلي الأرض فكبر ثم قال صدق الله وبلغ رسوله - قال - فقام إليه عبيدة السلماني فقال يا أمير المؤمنين الله الذي لا إله إلا هو لسمعت هذا الحديث من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إي والله الذي لا إله إلا هو . حتى استحلفه ثلاثا وهو يحلف له .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا محمد بن أبي، بكر المقدمي وأبو بكر بن نافع قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . مثله .
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৩১ ই. সে. ২৩৩২)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৩১ ই. সে. ২৩৩২)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا محمد بن أبي، بكر المقدمي وأبو بكر بن نافع قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . مثله .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৪
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وزهير بن حرب قالوا حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . وليس في حديثهما " يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية " .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে অপর এক সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরে বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে- “তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারা অনুরূপভাবে দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে” কথাটির উল্লেখ নেই। (ই. ফা. ২৩৩২ ই. সে. ২৩৩৩)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে অপর এক সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উপরে বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে- “তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারা অনুরূপভাবে দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে” কথাটির উল্লেখ নেই। (ই. ফা. ২৩৩২ ই. সে. ২৩৩৩)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وزهير بن حرب قالوا حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . وليس في حديثهما " يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية " .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৬
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، عن محمد، عن عبيدة، قال لا أحدثكم إلا ما سمعت منه، . فذكر عن علي، نحو حديث أيوب مرفوعا .
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবীদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি সরাসরি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখে এ কথা শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কা‘বার প্রভুর শপথ! হ্যাঁ কা‘বার প্রভুর শপথ! হ্যাঁ, কা‘বার প্রভুর শপথ! (ই. ফা. ২৩৩৪ ই. সে.)
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবীদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি সরাসরি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখে এ কথা শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কা‘বার প্রভুর শপথ! হ্যাঁ কা‘বার প্রভুর শপথ! হ্যাঁ, কা‘বার প্রভুর শপথ! (ই. ফা. ২৩৩৪ ই. সে.)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، عن محمد، عن عبيدة، قال لا أحدثكم إلا ما سمعت منه، . فذكر عن علي، نحو حديث أيوب مرفوعا .
সহিহ মুসলিম > সৃষ্টি ও চরিত্রগত দিক দিয়ে খারিজী সম্প্রদায় সবচেয়ে নিকৃষ্ট
সহিহ মুসলিম ২৩৬২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق، جميعا عن يزيد، - قال أبو بكر حدثنا يزيد بن هارون، - عن العوام بن حوشب، حدثنا أبو إسحاق الشيباني، عن أسير بن عمرو، عن سهل بن حنيف، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يتيه قوم قبل المشرق محلقة رءوسهم " .
সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “মাথা নেড়া এক সম্প্রদায় (খারিজী) পূর্ব দিক থেকে বেরুবে।” (ই. ফা. ২৩৪০ ই. সে. ২৩৪০)
সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “মাথা নেড়া এক সম্প্রদায় (খারিজী) পূর্ব দিক থেকে বেরুবে।” (ই. ফা. ২৩৪০ ই. সে. ২৩৪০)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق، جميعا عن يزيد، - قال أبو بكر حدثنا يزيد بن هارون، - عن العوام بن حوشب، حدثنا أبو إسحاق الشيباني، عن أسير بن عمرو، عن سهل بن حنيف، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يتيه قوم قبل المشرق محلقة رءوسهم " .
সহিহ মুসলিম ২৩৫৯
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن بعدي من أمتي - أو سيكون بعدي من أمتي - قوم يقرءون القرآن لا يجاوز حلاقيمهم يخرجون من الدين كما يخرج السهم من الرمية ثم لا يعودون فيه هم شر الخلق والخليقة " . فقال ابن الصامت فلقيت رافع بن عمرو الغفاري أخا الحكم الغفاري قلت ما حديث سمعته من أبي ذر كذا وكذا فذكرت له هذا الحديث فقال وأنا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে বা অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে - তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না, তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে চলে যায় তারাও তেমনি দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে, আর ফিরে আসবে না। সৃষ্টিকূলের মধ্যে তারা নিকৃষ্ট ও অধম। ইবনু সামিত (রাঃ) বলেন, আমি হাকাম আল গিফারির ভাই রাফি’ ইবনু ‘আমর আল গিফারির সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমি আবূ যার (রাঃ) থেকে এ ধরনের হাদীস শুনেছি এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? তার সামনে এ হাদীসটিও উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আমি এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে শুনেছি। (ই. ফা. ২৩৩৭ ই. সে. ২৩৩৭)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে বা অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে - তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না, তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে চলে যায় তারাও তেমনি দ্বীন থেকে বেরিয়ে যাবে, আর ফিরে আসবে না। সৃষ্টিকূলের মধ্যে তারা নিকৃষ্ট ও অধম। ইবনু সামিত (রাঃ) বলেন, আমি হাকাম আল গিফারির ভাই রাফি’ ইবনু ‘আমর আল গিফারির সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমি আবূ যার (রাঃ) থেকে এ ধরনের হাদীস শুনেছি এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? তার সামনে এ হাদীসটিও উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আমি এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে শুনেছি। (ই. ফা. ২৩৩৭ ই. সে. ২৩৩৭)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثنا حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن بعدي من أمتي - أو سيكون بعدي من أمتي - قوم يقرءون القرآن لا يجاوز حلاقيمهم يخرجون من الدين كما يخرج السهم من الرمية ثم لا يعودون فيه هم شر الخلق والخليقة " . فقال ابن الصامت فلقيت رافع بن عمرو الغفاري أخا الحكم الغفاري قلت ما حديث سمعته من أبي ذر كذا وكذا فذكرت له هذا الحديث فقال وأنا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ২৩৬০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن يسير بن، عمرو قال سألت سهل بن حنيف هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الخوارج فقال سمعته - وأشار بيده نحو المشرق " قوم يقرءون القرآن بألسنتهم لا يعدو تراقيهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية " .
ইউসায়র ইবনু ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছিঃ এরা এমন এক সম্প্রদায়, তারা কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বেরিয়ে যায়। (ই. ফা. ২৩৩৮ ই. সে. ২৩৩৮)
ইউসায়র ইবনু ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছিঃ এরা এমন এক সম্প্রদায়, তারা কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বেরিয়ে যায়। (ই. ফা. ২৩৩৮ ই. সে. ২৩৩৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن يسير بن، عمرو قال سألت سهل بن حنيف هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يذكر الخوارج فقال سمعته - وأشار بيده نحو المشرق " قوم يقرءون القرآن بألسنتهم لا يعدو تراقيهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬১
وحدثناه أبو كامل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، بهذا الإسناد وقال يخرج منه أقوام .
সুলায়মান আশ্ শায়বানী (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এ উম্মাতের থেকে কতিপয় সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে। (ই. ফা. ২৩৩৯ ই. সে. ২৩৩৯)
সুলায়মান আশ্ শায়বানী (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এ উম্মাতের থেকে কতিপয় সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে। (ই. ফা. ২৩৩৯ ই. সে. ২৩৩৯)
وحدثناه أبو كامل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، بهذا الإسناد وقال يخرج منه أقوام .
সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশ পরিবারের জন্য সদাক্বাহ্ যাকাত খাওয়া হারাম, এরা হচ্ছে বনূ হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিব; এরা ছাড়া অন্য কারো জন্য যাকাত-সদাক্বাহ্ খাওয়া হারাম নয়
সহিহ মুসলিম ২৩৬৩
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - سمع أبا هريرة، يقول أخذ الحسن بن علي تمرة من تمر الصدقة فجعلها في فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كخ كخ ارم بها أما علمت أنا لا نأكل الصدقة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) যাকাতের খেজুর থেকে একটি খেজুর তুলে মুখে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি থু থু করে ফেলে দাও। তুমি কি জান না আমারা সদাক্বাহ্ বা যাকাত খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪১ ই. সে. ২৩৪১)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) যাকাতের খেজুর থেকে একটি খেজুর তুলে মুখে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি থু থু করে ফেলে দাও। তুমি কি জান না আমারা সদাক্বাহ্ বা যাকাত খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪১ ই. সে. ২৩৪১)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محمد، - وهو ابن زياد - سمع أبا هريرة، يقول أخذ الحسن بن علي تمرة من تمر الصدقة فجعلها في فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كخ كخ ارم بها أما علمت أنا لا نأكل الصدقة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৯
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بتمرة بالطريق فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্বাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৭, ই. সে. ২৩৪৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্বাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৭, ই. সে. ২৩৪৭)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بتمرة بالطريق فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৮
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن سفيان، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম। (ই. ফা. ২৩৪৬, ই. সে. ২৩৪৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম। (ই. ফা. ২৩৪৬, ই. সে. ২৩৪৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن سفيان، عن منصور، عن طلحة بن مصرف، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون من الصدقة لأكلتها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৭০
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون صدقة لأكلتها " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি খেজুর দেখতে পেয়ে বললেন, এটা যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম। (এভাবে নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৮, ই. সে. ২৩৪৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি খেজুর দেখতে পেয়ে বললেন, এটা যদি সদাক্বার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম। (এভাবে নষ্ট হতে দিতাম না)। (ই. ফা. ২৩৪৮, ই. সে. ২৩৪৮)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم وجد تمرة فقال " لولا أن تكون صدقة لأكلتها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৬
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن أبا يونس، مولى أبي هريرة حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي ثم أرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة فألقيها " .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি ঘরে ফিরে গিয়ে (কোন কোন সময়) আমার বিছানার উপর খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। আমি তা খাওয়ার জন্য তুলে নেই। কিন্তু পরক্ষণেই সদাক্বার খেজুর হতে পারে এ আশঙ্কায় তা ফেলে দেই (এবং খাওয়া থেকে বিরত থাকি)। (ই. ফা. ২৩৪৪ ই. সে. ২৩৪৪)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি ঘরে ফিরে গিয়ে (কোন কোন সময়) আমার বিছানার উপর খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। আমি তা খাওয়ার জন্য তুলে নেই। কিন্তু পরক্ষণেই সদাক্বার খেজুর হতে পারে এ আশঙ্কায় তা ফেলে দেই (এবং খাওয়া থেকে বিরত থাকি)। (ই. ফা. ২৩৪৪ ই. সে. ২৩৪৪)
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن أبا يونس، مولى أبي هريرة حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي ثم أرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة فألقيها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৭
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي - أو في بيتي - فأرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة - أو من الصدقة - فألقيها " .
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) আল্লাহর রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি হাদীস নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! আমি ঘরে ফিরে আমার বিছানায় অথবা (তিনি বলেছেন) আমার ঘরের মধ্যে খেজুর পড়ে থাকতে পাই। আমি তা খাওয়ার জন্য হাতে তুলে নেই। পরক্ষণেই আমার সন্দেহ হয়, এটা সদাক্বার খেজুর হতে পারে। তাই আমি তা ফেলে দেই।” (ই. ফা. ২৩৪৫, ই. সে. ২৩৪৫)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) আল্লাহর রসূল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি হাদীস নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! আমি ঘরে ফিরে আমার বিছানায় অথবা (তিনি বলেছেন) আমার ঘরের মধ্যে খেজুর পড়ে থাকতে পাই। আমি তা খাওয়ার জন্য হাতে তুলে নেই। পরক্ষণেই আমার সন্দেহ হয়, এটা সদাক্বার খেজুর হতে পারে। তাই আমি তা ফেলে দেই।” (ই. ফা. ২৩৪৫, ই. সে. ২৩৪৫)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله إني لأنقلب إلى أهلي فأجد التمرة ساقطة على فراشي - أو في بيتي - فأرفعها لآكلها ثم أخشى أن تكون صدقة - أو من الصدقة - فألقيها " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৪
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال " أنا لا، تحل لنا الصدقة " .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, “আমাদের জন্য সদাক্বাহ্-যাকাতের মাল হালাল নয়”। (ই. ফা. ২৩৪২ ই. সে. ২৩৪২)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, “আমাদের জন্য সদাক্বাহ্-যাকাতের মাল হালাল নয়”। (ই. ফা. ২৩৪২ ই. সে. ২৩৪২)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال " أنا لا، تحل لنا الصدقة " .
সহিহ মুসলিম ২৩৬৫
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن، أبي عدي كلاهما عن شعبة، في هذا الإسناد كما قال ابن معاذ " أنا لا، نأكل الصدقة " .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও ইবনু মু’আয বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ “আমরা যাকাত-সদাক্বাহ্ ইত্যাদি খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪৩ ই. সে. ২৩৪৩)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও ইবনু মু’আয বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ “আমরা যাকাত-সদাক্বাহ্ ইত্যাদি খাই না”। (ই. ফা. ২৩৪৩ ই. সে. ২৩৪৩)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن، أبي عدي كلاهما عن شعبة، في هذا الإسناد كما قال ابن معاذ " أنا لا، نأكل الصدقة " .
সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরকে সদাক্বাহ্ উসূলকারী নিযুক্ত না করা প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ২৩৭২
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن، شهاب عن عبد الله بن الحارث بن نوفل الهاشمي، أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث، بن عبد المطلب أخبره أن أباه ربيعة بن الحارث بن عبد المطلب والعباس بن عبد المطلب قالا لعبد المطلب بن ربيعة وللفضل بن عباس ائتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وساق الحديث بنحو حديث مالك وقال فيه فألقى علي رداءه ثم اضطجع عليه وقال أنا أبو حسن القرم والله لا أريم مكاني حتى يرجع إليكما ابناكما بحور ما بعثتما به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وقال في الحديث ثم قال لنا " إن هذه الصدقات إنما هي أوساخ الناس وإنها لا تحل لمحمد ولا لآل محمد " . وقال أيضا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي محمية بن جزء " . وهو رجل من بني أسد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمله على الأخماس .
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেনে এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর ‘আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেনে এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাহ্মিয়্যাহ্ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ই. ফা. ২৩৫০, ই. সে. ২৩৫০)
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن، شهاب عن عبد الله بن الحارث بن نوفل الهاشمي، أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث، بن عبد المطلب أخبره أن أباه ربيعة بن الحارث بن عبد المطلب والعباس بن عبد المطلب قالا لعبد المطلب بن ربيعة وللفضل بن عباس ائتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وساق الحديث بنحو حديث مالك وقال فيه فألقى علي رداءه ثم اضطجع عليه وقال أنا أبو حسن القرم والله لا أريم مكاني حتى يرجع إليكما ابناكما بحور ما بعثتما به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وقال في الحديث ثم قال لنا " إن هذه الصدقات إنما هي أوساخ الناس وإنها لا تحل لمحمد ولا لآل محمد " . وقال أيضا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي محمية بن جزء " . وهو رجل من بني أسد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمله على الأخماس .
সহিহ মুসলিম ২৩৭১
حدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن عبد الله بن عبد الله بن نوفل بن الحارث بن عبد المطلب، حدثه أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث حدثه قال اجتمع ربيعة بن الحارث والعباس بن عبد المطلب فقالا والله لو بعثنا هذين الغلامين - قالا لي وللفضل بن عباس - إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلماه فأمرهما على هذه الصدقات فأديا ما يؤدي الناس وأصابا مما يصيب الناس - قال - فبينما هما في ذلك جاء علي بن أبي طالب فوقف عليهما فذكرا له ذلك فقال علي بن أبي طالب لا تفعلا فوالله ما هو بفاعل . فانتحاه ربيعة بن الحارث فقال والله ما تصنع هذا إلا نفاسة منك علينا فوالله لقد نلت صهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فما نفسناه عليك . قال علي أرسلوهما . فانطلقا واضطجع علي - قال - فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر سبقناه إلى الحجرة فقمنا عندها حتى جاء فأخذ بآذاننا . ثم قال " أخرجا ما تصرران " ثم دخل ودخلنا عليه وهو يومئذ عند زينب بنت جحش - قال - فتواكلنا الكلام ثم تكلم أحدنا فقال يا رسول الله أنت أبر الناس وأوصل الناس وقد بلغنا النكاح فجئنا لتؤمرنا على بعض هذه الصدقات فنؤدي إليك كما يؤدي الناس ونصيب كما يصيبون - قال - فسكت طويلا حتى أردنا أن نكلمه - قال - وجعلت زينب تلمع علينا من وراء الحجاب أن لا تكلماه - قال - ثم قال " إن الصدقة لا تنبغي لآل محمد . إنما هي أوساخ الناس ادعوا لي محمية - وكان على الخمس - ونوفل بن الحارث بن عبد المطلب " . قال فجاءاه فقال لمحمية " أنكح هذا الغلام ابنتك " . للفضل بن عباس فأنكحه وقال لنوفل بن الحارث " أنكح هذا الغلام ابنتك " . لي فأنكحني وقال لمحمية " أصدق عنهما من الخمس كذا وكذا " . قال الزهري ولم يسمه لي .
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু’টিকে অর্থাৎ আমি ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রামিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রামিক পেত। রাবী বলেন, তাঁরা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) এসে তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁরা এ প্রস্তাবটি তাঁর কাছে উত্থাপন করলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ! তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রাবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না!” তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং ‘আলী (রাঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু’জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কন্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছো, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! “আপনি সর্বশ্রেষ্ট অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরনাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রামিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য ‘যাকাত’ গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহ্মিয়্যাহ্ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু’জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহ্মিয়্যাহ্ বললেনঃ “তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহ্মিয়্যাকে বললেন, এ দু’জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মুহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শায়খ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে মুহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ২৩৪৯, ই. সে. ২৩৪৯)
‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রবী’আহ্ ইবনু হারিস ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু’টিকে অর্থাৎ আমি ও ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রামিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রামিক পেত। রাবী বলেন, তাঁরা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) এসে তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁরা এ প্রস্তাবটি তাঁর কাছে উত্থাপন করলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ! তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রাবী’আহ্ ইবনু হারিস (রাঃ) তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না!” তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং ‘আলী (রাঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। ‘আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রাবী’আহ্ বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু’জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কন্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছো, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! “আপনি সর্বশ্রেষ্ট অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরনাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রামিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য ‘যাকাত’ গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহ্মিয়্যাহ্ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু’জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহ্মিয়্যাহ্ বললেনঃ “তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফায্ল ইবনু ‘আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহ্মিয়্যাকে বললেন, এ দু’জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মুহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শায়খ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আমার কাছে মুহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ২৩৪৯, ই. সে. ২৩৪৯)
حدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن عبد الله بن عبد الله بن نوفل بن الحارث بن عبد المطلب، حدثه أن عبد المطلب بن ربيعة بن الحارث حدثه قال اجتمع ربيعة بن الحارث والعباس بن عبد المطلب فقالا والله لو بعثنا هذين الغلامين - قالا لي وللفضل بن عباس - إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلماه فأمرهما على هذه الصدقات فأديا ما يؤدي الناس وأصابا مما يصيب الناس - قال - فبينما هما في ذلك جاء علي بن أبي طالب فوقف عليهما فذكرا له ذلك فقال علي بن أبي طالب لا تفعلا فوالله ما هو بفاعل . فانتحاه ربيعة بن الحارث فقال والله ما تصنع هذا إلا نفاسة منك علينا فوالله لقد نلت صهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فما نفسناه عليك . قال علي أرسلوهما . فانطلقا واضطجع علي - قال - فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر سبقناه إلى الحجرة فقمنا عندها حتى جاء فأخذ بآذاننا . ثم قال " أخرجا ما تصرران " ثم دخل ودخلنا عليه وهو يومئذ عند زينب بنت جحش - قال - فتواكلنا الكلام ثم تكلم أحدنا فقال يا رسول الله أنت أبر الناس وأوصل الناس وقد بلغنا النكاح فجئنا لتؤمرنا على بعض هذه الصدقات فنؤدي إليك كما يؤدي الناس ونصيب كما يصيبون - قال - فسكت طويلا حتى أردنا أن نكلمه - قال - وجعلت زينب تلمع علينا من وراء الحجاب أن لا تكلماه - قال - ثم قال " إن الصدقة لا تنبغي لآل محمد . إنما هي أوساخ الناس ادعوا لي محمية - وكان على الخمس - ونوفل بن الحارث بن عبد المطلب " . قال فجاءاه فقال لمحمية " أنكح هذا الغلام ابنتك " . للفضل بن عباس فأنكحه وقال لنوفل بن الحارث " أنكح هذا الغلام ابنتك " . لي فأنكحني وقال لمحمية " أصدق عنهما من الخمس كذا وكذا " . قال الزهري ولم يسمه لي .