সহিহ মুসলিম > ভিক্ষাবৃত্তি থেকে বিরত থাকা ও ধৈর্য ধারনের ফাযীলত

সহিহ মুসলিম ২৩১৪

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من الأنصار سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاهم ثم سألوه فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده قال ‏ "‏ ما يكن عندي من خير فلن أدخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله ومن يصبر يصبره الله وما أعطي أحد من عطاء خير وأوسع من الصبر ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনসার সম্প্রদায়ের কিছু সংখ্যক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কিছু সাহায্য চাইল। তিনি তাদেরকে দান করলেন। তারা আবারও চাইল তিনি আবারও দিলেন। এমনকি তার কাছে যে সম্পদ ছিল তাও ফুরিয়ে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আমার কাছে যখন কোন মালামাল থাকে তা তোমাদের দিতে কোন প্রকার কুণ্ঠাবোধ করি না। আর যে ব্যক্তি অন্যের কাছে চাওয়া থেকে বেঁচে থাকতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে (পরের কাছে হাত পাতার অভিশাপ থেকে) বাঁচিয়ে রাখেন। আর যে ব্যক্তি স্বনির্ভর হতে হতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে বেপরোয়া ও স্বনির্ভর করে দেন। আর যে ব্যক্তি ধৈর্যের পথে অগ্রসর হয় আল্লাহ্‌ তাকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন। বস্তুতঃ আল্লাহ্‌র দেয়া অবদানগুলোর মধ্যে ধৈর্য শক্তির চেয়ে উত্তম ও প্রশস্ত অবদান আর কিছু নেই। ( ই.ফা. ২২৯২, ই.সে. ২২৯৩)

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনসার সম্প্রদায়ের কিছু সংখ্যক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কিছু সাহায্য চাইল। তিনি তাদেরকে দান করলেন। তারা আবারও চাইল তিনি আবারও দিলেন। এমনকি তার কাছে যে সম্পদ ছিল তাও ফুরিয়ে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আমার কাছে যখন কোন মালামাল থাকে তা তোমাদের দিতে কোন প্রকার কুণ্ঠাবোধ করি না। আর যে ব্যক্তি অন্যের কাছে চাওয়া থেকে বেঁচে থাকতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে (পরের কাছে হাত পাতার অভিশাপ থেকে) বাঁচিয়ে রাখেন। আর যে ব্যক্তি স্বনির্ভর হতে হতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে বেপরোয়া ও স্বনির্ভর করে দেন। আর যে ব্যক্তি ধৈর্যের পথে অগ্রসর হয় আল্লাহ্‌ তাকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন। বস্তুতঃ আল্লাহ্‌র দেয়া অবদানগুলোর মধ্যে ধৈর্য শক্তির চেয়ে উত্তম ও প্রশস্ত অবদান আর কিছু নেই। ( ই.ফা. ২২৯২, ই.সে. ২২৯৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من الأنصار سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاهم ثم سألوه فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده قال ‏ "‏ ما يكن عندي من خير فلن أدخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله ومن يصبر يصبره الله وما أعطي أحد من عطاء خير وأوسع من الصبر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১৫

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.‏

যুহরী (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২২৯৩, ই.সে. ২২৯৪)

যুহরী (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২২৯৩, ই.সে. ২২৯৪)

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ভিক্ষাবৃত্তি থেকে বিরত থাকা এবং অল্পতুষ্ট থাকা সম্পর্কে

সহিহ মুসলিম ২৩১৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبيه، كلاهما عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم اجعل رزق آل محمد قوتا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “হে আল্লাহ্‌! মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের রিয্ক্ব (বা পানাহারের ব্যবস্থা) প্রয়োজন পরিমান রাখুন।” ( ই.ফা. ২২৯৫, ই.সে. ২২৯৬)

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “হে আল্লাহ্‌! মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের রিয্ক্ব (বা পানাহারের ব্যবস্থা) প্রয়োজন পরিমান রাখুন।” ( ই.ফা. ২২৯৫, ই.সে. ২২৯৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبيه، كلاهما عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم اجعل رزق آل محمد قوتا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي، أيوب حدثني شرحبيل، - وهو ابن شريك - عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله، بن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قد أفلح من أسلم ورزق كفافا وقنعه الله بما آتاه ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনুল ’আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ‘যে ব্যক্তির ইসলাম কবুল করার সৌভাগ্য হয়েছে, যাকে প্রয়োজন পরিমাণ রিয্ক্ব দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে যে সম্পদ দিয়েছেন এর উপর পরিতৃপ্ত হওয়ার শক্তি দিয়েছেন, সে-ই (জীবনে) সফলতা লাভ করেছে’। ( ই.ফা. ২২৯৪, ই.সে. ২২৯৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনুল ’আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ‘যে ব্যক্তির ইসলাম কবুল করার সৌভাগ্য হয়েছে, যাকে প্রয়োজন পরিমাণ রিয্ক্ব দেয়া হয়েছে এবং আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে যে সম্পদ দিয়েছেন এর উপর পরিতৃপ্ত হওয়ার শক্তি দিয়েছেন, সে-ই (জীবনে) সফলতা লাভ করেছে’। ( ই.ফা. ২২৯৪, ই.সে. ২২৯৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، عن سعيد بن أبي، أيوب حدثني شرحبيل، - وهو ابن شريك - عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله، بن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قد أفلح من أسلم ورزق كفافا وقنعه الله بما آتاه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কঠোরতা ও অশোভন আচরণ করা সত্ত্বেও প্রার্থনাকারীকে কিছু দান করা

সহিহ মুসলিম ২৩২১

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة، أنه قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبية ولم يعط مخرمة شيئا فقال مخرمة يا بنى انطلق بنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فانطلقت معه قال ادخل فادعه لي ‏.‏ قال فدعوته له فخرج إليه وعليه قباء منها فقال ‏"‏ خبأت هذا لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنظر إليه فقال ‏"‏ رضي مخرمة ‏"‏ ‏.‏

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু সংখ্যক ক্বাবা (শেরওয়ানী) বণ্টন করলেন। কিন্তু (আমার পিতা) মাখরামাহ্‌কে একটিও দিলেন না। মাখরামাহ্‌ বললেন, বৎস ! আমার সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে চলো। আমি তার সাথে গেলাম। তিনি বললেন, তুমি ঘরের ভিতর গিয়ে তাঁকে (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে) ডাক। আমি তাঁকে ডাকলাম। তিনি যখন বেরিয়ে আসলেন, ঐ ক্বাবাগুলোর একটি তার পরনে ছিল। তিনি বললেন, ‘এটা আমি তোমার জন্যই রেখেছিলাম।’ বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মাখরামার দিকে তাকালেন এবং বললেন, “মাখরামাহ্‌ সন্তুষ্ট হয়েছে”। (ই.ফা. ২২৯৯, ই.সে. ২৩০০)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু সংখ্যক ক্বাবা (শেরওয়ানী) বণ্টন করলেন। কিন্তু (আমার পিতা) মাখরামাহ্‌কে একটিও দিলেন না। মাখরামাহ্‌ বললেন, বৎস ! আমার সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে চলো। আমি তার সাথে গেলাম। তিনি বললেন, তুমি ঘরের ভিতর গিয়ে তাঁকে (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে) ডাক। আমি তাঁকে ডাকলাম। তিনি যখন বেরিয়ে আসলেন, ঐ ক্বাবাগুলোর একটি তার পরনে ছিল। তিনি বললেন, ‘এটা আমি তোমার জন্যই রেখেছিলাম।’ বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মাখরামার দিকে তাকালেন এবং বললেন, “মাখরামাহ্‌ সন্তুষ্ট হয়েছে”। (ই.ফা. ২২৯৯, ই.সে. ২৩০০)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة، أنه قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبية ولم يعط مخرمة شيئا فقال مخرمة يا بنى انطلق بنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فانطلقت معه قال ادخل فادعه لي ‏.‏ قال فدعوته له فخرج إليه وعليه قباء منها فقال ‏"‏ خبأت هذا لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنظر إليه فقال ‏"‏ رضي مخرمة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২৩২২

حدثنا أبو الخطاب، زياد بن يحيى الحساني حدثنا حاتم بن وردان أبو صالح، حدثنا أيوب السختياني، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة، قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم أقبية فقال لي أبي مخرمة انطلق بنا إليه عسى أن يعطينا منها شيئا ‏.‏ قال فقام أبي على الباب فتكلم فعرف النبي صلى الله عليه وسلم صوته فخرج ومعه قباء وهو يريه محاسنه وهو يقول ‏ "‏ خبأت هذا لك خبأت هذا لك ‏"‏ ‏.

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে কিছু সংখ্যক ক্বাবা (পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধানের জন্য কাপড় বিশেষ) আসলো। আমার পিতা মাখরামাহ্‌ আমাকে বললেন, “আমার সাথে তাঁর (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে চলো, হয় তো তিনি আমাদেরকে তা থেকে দু’ একটা দিতে পারেন।” বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা গিয়ে তাঁর দরজায় দাঁড়িয়ে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কণ্ঠস্বর বুঝতে পারলেন। তিনি একটি ক্বাবা সাথে করে তার কারুকাজ ও সৌন্দর্য দেখতে দেখতে বের হলেন এবং বলতে থাকলেনঃ “আমি এটি তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছিলাম; আমি এটি তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছিলাম”। ( ই.ফা. ২৩০০, ই.সে. ২৩০১)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে কিছু সংখ্যক ক্বাবা (পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধানের জন্য কাপড় বিশেষ) আসলো। আমার পিতা মাখরামাহ্‌ আমাকে বললেন, “আমার সাথে তাঁর (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে চলো, হয় তো তিনি আমাদেরকে তা থেকে দু’ একটা দিতে পারেন।” বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা গিয়ে তাঁর দরজায় দাঁড়িয়ে কথা বললেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কণ্ঠস্বর বুঝতে পারলেন। তিনি একটি ক্বাবা সাথে করে তার কারুকাজ ও সৌন্দর্য দেখতে দেখতে বের হলেন এবং বলতে থাকলেনঃ “আমি এটি তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছিলাম; আমি এটি তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছিলাম”। ( ই.ফা. ২৩০০, ই.সে. ২৩০১)

حدثنا أبو الخطاب، زياد بن يحيى الحساني حدثنا حاتم بن وردان أبو صالح، حدثنا أيوب السختياني، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة، قال قدمت على النبي صلى الله عليه وسلم أقبية فقال لي أبي مخرمة انطلق بنا إليه عسى أن يعطينا منها شيئا ‏.‏ قال فقام أبي على الباب فتكلم فعرف النبي صلى الله عليه وسلم صوته فخرج ومعه قباء وهو يريه محاسنه وهو يقول ‏ "‏ خبأت هذا لك خبأت هذا لك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১৯

حدثني عمرو الناقد، حدثنا إسحاق بن سليمان الرازي، قال سمعت مالكا، ح وحدثني يونس بن عبد الأعلى، - واللفظ له - أخبرنا عبد الله بن وهب، حدثني مالك، بن أنس عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنت أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه رداء نجراني غليظ الحاشية فأدركه أعرابي فجبذه بردائه جبذة شديدة نظرت إلى صفحة عنق رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أثرت بها حاشية الرداء من شدة جبذته ثم قال يا محمد مر لي من مال الله الذي عندك ‏.‏ فالتفت إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فضحك ثم أمر له بعطاء ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে পথ চলছিলাম, তাঁর পরনে ছিল নাজরানের তৈরি মোটা আঁচল বিশিষ্ট চাদর। এক বেদুঈন তাঁর কাছে আসলো। সে তাঁর চাদর ধরে তাকে সজোরে টান দিল। আমি দেখলাম ফলে তাঁর ঘাড়ে দাগ পরে গেল। সজোরে তার এ টানের কারণে চাদরের আঁচলও পরে গেল। সে (বেদুঈন) বলল, হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র দেয়া যে সব মাল তোমার কাছে আছে এ থেকে আমাকে কিছু দেয়ার জন্য নির্দেশ দাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন এবং তাকে কিছু মাল দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২২৯৭, ই.সে. ২২৯৮)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে পথ চলছিলাম, তাঁর পরনে ছিল নাজরানের তৈরি মোটা আঁচল বিশিষ্ট চাদর। এক বেদুঈন তাঁর কাছে আসলো। সে তাঁর চাদর ধরে তাকে সজোরে টান দিল। আমি দেখলাম ফলে তাঁর ঘাড়ে দাগ পরে গেল। সজোরে তার এ টানের কারণে চাদরের আঁচলও পরে গেল। সে (বেদুঈন) বলল, হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র দেয়া যে সব মাল তোমার কাছে আছে এ থেকে আমাকে কিছু দেয়ার জন্য নির্দেশ দাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে তাকিয়ে হেসে দিলেন এবং তাকে কিছু মাল দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ২২৯৭, ই.সে. ২২৯৮)

حدثني عمرو الناقد، حدثنا إسحاق بن سليمان الرازي، قال سمعت مالكا، ح وحدثني يونس بن عبد الأعلى، - واللفظ له - أخبرنا عبد الله بن وهب، حدثني مالك، بن أنس عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنت أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه رداء نجراني غليظ الحاشية فأدركه أعرابي فجبذه بردائه جبذة شديدة نظرت إلى صفحة عنق رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أثرت بها حاشية الرداء من شدة جبذته ثم قال يا محمد مر لي من مال الله الذي عندك ‏.‏ فالتفت إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فضحك ثم أمر له بعطاء ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن سلمان، بن ربيعة قال قال عمر بن الخطاب رضى الله عنه قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم قسما فقلت والله يا رسول الله لغير هؤلاء كان أحق به منهم ‏.‏ قال ‏ "‏ إنهم خيروني أن يسألوني بالفحش أو يبخلوني فلست بباخل ‏"‏ ‏.

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু যাকাতের মাল বন্টন করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি যাদেরকে দিয়েছেন প্রকৃত পক্ষে এরা পাওয়ার যোগ্য নয়। বরং পাওয়ার যোগ্য হল অন্য লোক। উত্তরে তিনি বললেন, তারা আমাকে এমনভাবে বাধ্য করেছে যে, আমি তাদেরকে যদি না দিতাম তাহলে তারা আমার কাছে নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন করত অথবা আমাকে কৃপন বলে আখ্যায়িত করত। সুতরাং আমি কৃপণতার আশ্রয় গ্রহণকারী নই (অর্থাৎ কৃপণ নই)। ( ই.ফা. ২২৯৬, ই. সে. ২২৯৭)

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু যাকাতের মাল বন্টন করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি যাদেরকে দিয়েছেন প্রকৃত পক্ষে এরা পাওয়ার যোগ্য নয়। বরং পাওয়ার যোগ্য হল অন্য লোক। উত্তরে তিনি বললেন, তারা আমাকে এমনভাবে বাধ্য করেছে যে, আমি তাদেরকে যদি না দিতাম তাহলে তারা আমার কাছে নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন করত অথবা আমাকে কৃপন বলে আখ্যায়িত করত। সুতরাং আমি কৃপণতার আশ্রয় গ্রহণকারী নই (অর্থাৎ কৃপণ নই)। ( ই.ফা. ২২৯৬, ই. সে. ২২৯৭)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن سلمان، بن ربيعة قال قال عمر بن الخطاب رضى الله عنه قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم قسما فقلت والله يا رسول الله لغير هؤلاء كان أحق به منهم ‏.‏ قال ‏ "‏ إنهم خيروني أن يسألوني بالفحش أو يبخلوني فلست بباخل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩২০

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا همام، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، ح وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، كلهم عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس، بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ‏.‏ وفي حديث عكرمة بن عمار من الزيادة قال ثم جبذه إليه جبذة رجع نبي الله صلى الله عليه وسلم في نحر الأعرابي ‏.‏ وفي حديث همام فجاذبه حتى انشق البرد وحتى بقيت حاشيته في عنق رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একই হাদিস বর্ণিত হয়েছে। ‘আমরের বর্ণিত হাদিসে আরও আছে “তারপর সে (বেদুঈন) এমন জোরে চাদর ধরে টান দিল যে, আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেদুঈনের ঘাড়ের সাথে লেগে গেল”। আর হাম্মামের বর্ণনায় আছেঃ এমন জোরে তাঁর চাদর ধরে টান দিল যে, তা ফেটে গেল এবং এর আঁচল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ঘাড়ে থেকে গেল। (ই.ফা. ২২৯৮, ই. সে. ২২৯৯)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একই হাদিস বর্ণিত হয়েছে। ‘আমরের বর্ণিত হাদিসে আরও আছে “তারপর সে (বেদুঈন) এমন জোরে চাদর ধরে টান দিল যে, আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেদুঈনের ঘাড়ের সাথে লেগে গেল”। আর হাম্মামের বর্ণনায় আছেঃ এমন জোরে তাঁর চাদর ধরে টান দিল যে, তা ফেটে গেল এবং এর আঁচল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ঘাড়ে থেকে গেল। (ই.ফা. ২২৯৮, ই. সে. ২২৯৯)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا همام، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، ح وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، كلهم عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس، بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ‏.‏ وفي حديث عكرمة بن عمار من الزيادة قال ثم جبذه إليه جبذة رجع نبي الله صلى الله عليه وسلم في نحر الأعرابي ‏.‏ وفي حديث همام فجاذبه حتى انشق البرد وحتى بقيت حاشيته في عنق رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম > যাকে না দিলে ঈমান থেকে বিচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাকে দান করা প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৩২৫

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن إسماعيل بن محمد بن سعد، قال سمعت محمد بن سعد، يحدث بهذا الحديث - يعني حديث الزهري الذي ذكرنا - فقال في حديثه فضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده بين عنقي وكتفي ثم قال ‏ "‏ أقتالا أى سعد إني لأعطي الرجل ‏"‏ ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রেও যুহরী বর্ণিত হয়েছে। এ বর্ণনায় আরও আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (স্নেহ ভরে) আমার ঘাড় ও কাধের মাঝে হাত মেরে বললেনঃ হে সা’দ! তুমি কি আমার সাথে লড়তে চাও? নিশ্চয়ই আমি কোন ব্যক্তিকে দিয়ে থাকি। (ই.ফা. ২৩০৩, ই.সে. ২৩০৪)

মুহাম্মাদ ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রেও যুহরী বর্ণিত হয়েছে। এ বর্ণনায় আরও আছে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (স্নেহ ভরে) আমার ঘাড় ও কাধের মাঝে হাত মেরে বললেনঃ হে সা’দ! তুমি কি আমার সাথে লড়তে চাও? নিশ্চয়ই আমি কোন ব্যক্তিকে দিয়ে থাকি। (ই.ফা. ২৩০৩, ই.সে. ২৩০৪)

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن إسماعيل بن محمد بن سعد، قال سمعت محمد بن سعد، يحدث بهذا الحديث - يعني حديث الزهري الذي ذكرنا - فقال في حديثه فضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده بين عنقي وكتفي ثم قال ‏ "‏ أقتالا أى سعد إني لأعطي الرجل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩২৩

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عامر بن سعد، عن أبيه، سعد أنه أعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم رهطا وأنا جالس فيهم قال فترك رسول الله صلى الله عليه وسلم منهم رجلا لم يعطه وهو أعجبهم إلى فقمت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساررته فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان والله إني لأراه مؤمنا ‏.‏ قال ‏"‏ أو مسلما ‏"‏ ‏.‏ فسكت قليلا ثم غلبني ما أعلم منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا ‏.‏ قال ‏"‏ أو مسلما ‏"‏ ‏.‏ فسكت قليلا ثم غلبني ما أعلم منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا ‏.‏ قال ‏"‏ أو مسلما ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ إني لأعطي الرجل ‏.‏ وغيره أحب إلى منه خشية أن يكب في النار على وجهه ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث الحلواني تكرار القول مرتين ‏.

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উপস্থিতিতে কতিপয় লোককে কিছু দান করলেন। আমিও তখন তাদের মধ্যে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে দেয়া থেকে বিরত থাকলেন। সে আমার দৃষ্টিতে তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক ছিল। সুতরাং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে দেননি কেন? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি জানি সে মু’মিন লোক। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। অতঃপর আমি সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সৎগুলাবলী ও ঈমানী চরিত্র সম্পর্কে আমার অবগতি আমাকে প্রভাবিত করায় পুনরায় বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কেন দেননি? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি জানি সে মু’মিন লোক”। তিনি (এবারও) বললেন, বরং সে মুসলিম। আমি এবারও সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সম্পর্কে আমার অবগতি পুনরায় আমাকে প্রভাবিত করল। তাই আমি বললাম, আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কিছু দেননি কেন? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি ভাল করেই জানি সে মু’মিন। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। তৃতীয়বার বললেন, আমি অধিকাংশ সময় কোন ব্যক্তিকে দেই কিন্তু অপর ব্যক্তি আমার কাছে তার তুলনায় অধিক প্রিয়। এর কারণ হচ্ছে - যদি তাদেরকে না দেই তাহলে হয়তো তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আল হুলওয়ানীর বর্ণনায় দু’বারের উল্লেখ আছে। ( ই.ফা.২৩০১, ই.সে. ২৩০২)

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উপস্থিতিতে কতিপয় লোককে কিছু দান করলেন। আমিও তখন তাদের মধ্যে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে দেয়া থেকে বিরত থাকলেন। সে আমার দৃষ্টিতে তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক ছিল। সুতরাং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে দেননি কেন? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি জানি সে মু’মিন লোক। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। অতঃপর আমি সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সৎগুলাবলী ও ঈমানী চরিত্র সম্পর্কে আমার অবগতি আমাকে প্রভাবিত করায় পুনরায় বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কেন দেননি? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি জানি সে মু’মিন লোক”। তিনি (এবারও) বললেন, বরং সে মুসলিম। আমি এবারও সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সম্পর্কে আমার অবগতি পুনরায় আমাকে প্রভাবিত করল। তাই আমি বললাম, আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কিছু দেননি কেন? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি ভাল করেই জানি সে মু’মিন। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। তৃতীয়বার বললেন, আমি অধিকাংশ সময় কোন ব্যক্তিকে দেই কিন্তু অপর ব্যক্তি আমার কাছে তার তুলনায় অধিক প্রিয়। এর কারণ হচ্ছে - যদি তাদেরকে না দেই তাহলে হয়তো তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আল হুলওয়ানীর বর্ণনায় দু’বারের উল্লেখ আছে। ( ই.ফা.২৩০১, ই.সে. ২৩০২)

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عامر بن سعد، عن أبيه، سعد أنه أعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم رهطا وأنا جالس فيهم قال فترك رسول الله صلى الله عليه وسلم منهم رجلا لم يعطه وهو أعجبهم إلى فقمت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساررته فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان والله إني لأراه مؤمنا ‏.‏ قال ‏"‏ أو مسلما ‏"‏ ‏.‏ فسكت قليلا ثم غلبني ما أعلم منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا ‏.‏ قال ‏"‏ أو مسلما ‏"‏ ‏.‏ فسكت قليلا ثم غلبني ما أعلم منه فقلت يا رسول الله ما لك عن فلان فوالله إني لأراه مؤمنا ‏.‏ قال ‏"‏ أو مسلما ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ إني لأعطي الرجل ‏.‏ وغيره أحب إلى منه خشية أن يكب في النار على وجهه ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث الحلواني تكرار القول مرتين ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩২৪

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يعقوب، بن إبراهيم بن سعد حدثنا ابن أخي ابن شهاب، ح وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعبد، بن حميد قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلهم عن الزهري، بهذا الإسناد على معنى حديث صالح عن الزهري ‏.

যুহরী (রাঃ) থেকে সালিহ (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৩০২, ই.সে. ২৩০৩)

যুহরী (রাঃ) থেকে সালিহ (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৩০২, ই.সে. ২৩০৩)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يعقوب، بن إبراهيم بن سعد حدثنا ابن أخي ابن شهاب، ح وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعبد، بن حميد قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلهم عن الزهري، بهذا الإسناد على معنى حديث صالح عن الزهري ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00