সহিহ মুসলিম > আদাম সন্তানের যদিও সম্পদের দু’টি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করবে

সহিহ মুসলিম ২৩০৭

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرني ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لو كان لابن آدم واد من ذهب أحب أن له واديا آخر ولن يملأ فاه إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যদি কোন আদম সন্তান একটি স্বর্ণের উপত্যকার মালিক হয়ে যায় তাহলে সে এরূপ আরেকটি উপত্যকা পেতে আকাঙ্ক্ষা করে। মাটি ছাড়া আর কিছুই তার পেট ভরাতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি তাওবাহ করে আল্লাহ্‌ তা’আলা তার তাওবাহ কবূল করেন। (ই. ফা. ২২৮৫, ই. সে. ২২৮৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যদি কোন আদম সন্তান একটি স্বর্ণের উপত্যকার মালিক হয়ে যায় তাহলে সে এরূপ আরেকটি উপত্যকা পেতে আকাঙ্ক্ষা করে। মাটি ছাড়া আর কিছুই তার পেট ভরাতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি তাওবাহ করে আল্লাহ্‌ তা’আলা তার তাওবাহ কবূল করেন। (ই. ফা. ২২৮৫, ই. সে. ২২৮৬)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرني ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لو كان لابن آدم واد من ذهب أحب أن له واديا آخر ولن يملأ فاه إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৫

حدثنا يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ويتوب الله على من تاب ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান যদি দু’টি মাঠ ভর্তি সম্পদের অধিকারী হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় মাঠ ভর্তি সম্পদ খুঁজে বেড়াবে। আদাম সন্তানের পেট-মাটি ছাড়া কোন কিছুই ভরাতে পারে না। যে ব্যক্তি তাওবাহ্ করে আল্লাহ তার তাওবাহ্ কবূল করেন। (ই.ফা ২২৮৩, ই.সে. ২২৮৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান যদি দু’টি মাঠ ভর্তি সম্পদের অধিকারী হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় মাঠ ভর্তি সম্পদ খুঁজে বেড়াবে। আদাম সন্তানের পেট-মাটি ছাড়া কোন কিছুই ভরাতে পারে না। যে ব্যক্তি তাওবাহ্ করে আল্লাহ তার তাওবাহ্ কবূল করেন। (ই.ফা ২২৮৩, ই.সে. ২২৮৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ويتوب الله على من تاب ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৬

وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول - فلا أدري أشىء أنزل أم شىء كان يقوله - بمثل حديث أبي عوانة ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)

وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول - فلا أدري أشىء أنزل أم شىء كان يقوله - بمثل حديث أبي عوانة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৮

وحدثني زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، قالا حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال سمعت عطاء، يقول سمعت ابن عباس، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لو أن لابن آدم ملء واد مالا لأحب أن يكون إليه مثله ولا يملأ نفس ابن آدم إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عباس فلا أدري أمن القرآن هو أم لا ‏.‏ وفي رواية زهير قال فلا أدري أمن القرآن ‏.‏ لم يذكر ابن عباس ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি কোন আদম সন্তানের পূর্ণ এক উদ্যান সম্পদ থাকে তাহলে সে অনুরূপ আরও সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না। যে ব্যাক্তি তওবাহ করে আল্লাহ্‌ তার তওবাহ কবুল করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি জানি না। যুহায়রের বর্ণনায় আছে - এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি তা জানি না। এখানে তিনি ইবনু ‘আব্বাসের নাম উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ২২৮৬, ই.সে. ২২৮৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি কোন আদম সন্তানের পূর্ণ এক উদ্যান সম্পদ থাকে তাহলে সে অনুরূপ আরও সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না। যে ব্যাক্তি তওবাহ করে আল্লাহ্‌ তার তওবাহ কবুল করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি জানি না। যুহায়রের বর্ণনায় আছে - এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি তা জানি না। এখানে তিনি ইবনু ‘আব্বাসের নাম উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ২২৮৬, ই.সে. ২২৮৭)

وحدثني زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، قالا حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال سمعت عطاء، يقول سمعت ابن عباس، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لو أن لابن آدم ملء واد مالا لأحب أن يكون إليه مثله ولا يملأ نفس ابن آدم إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عباس فلا أدري أمن القرآن هو أم لا ‏.‏ وفي رواية زهير قال فلا أدري أمن القرآن ‏.‏ لم يذكر ابن عباس ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৯

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن داود، عن أبي حرب بن أبي، الأسود عن أبيه، قال بعث أبو موسى الأشعري إلى قراء أهل البصرة فدخل عليه ثلاثمائة رجل قد قرءوا القرآن فقال أنتم خيار أهل البصرة وقراؤهم فاتلوه ولا يطولن عليكم الأمد فتقسو قلوبكم كما قست قلوب من كان قبلكم وإنا كنا نقرأ سورة كنا نشبهها في الطول والشدة ببراءة فأنسيتها غير أني قد حفظت منها لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ‏.‏ وكنا نقرأ سورة كنا نشبهها بإحدى المسبحات فأنسيتها غير أني حفظت منها ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لم تقولون ما لا تفعلون‏}‏ فتكتب شهادة في أعناقكم فتسألون عنها يوم القيامة ‏.

আবূল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ মুসা আল আশ’আরী (রাঃ) একবার বাসরার ক্বারীদের (‘আলিমদের) ডেকে পাঠালেন। অতঃপর সেখানকার তিনশ’ ক্বারী তাঁর কাছে আসলেন এবং কুরআন পাঠ করলেন। তিনি (তাদের উদ্দেশে) বললেন, আপনারা বাসরার মধ্যে উত্তম লোক এবং সেখানকার ক্বারী। সুতরাং আপনারা অনবরত কুরআন পাঠ করতে থাকুন। অলসতায় দীর্ঘ সময় যেন কেটে না যায়। তাহলে আপনাদের অন্তর কঠিন হয়ে যেতে পারে যেমন আপনাদের পূর্ববর্তী একদল লোকের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা দীর্ঘ এবং কঠোর ভীতি প্রদর্শনের দিক থেকে সূরাহ বারাআতের সমতুল্য। পরে তা আমি ভুলে গেছি। তবে তার এতটুকু মনে রেখেছি – ““যদি কোন আদম সন্তান দুই উপত্যকা সম্পদের মালিক হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় আরও একটি উপত্যকা ভর্তি সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া আর কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না।” আমি আরও একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা মুসাব্বিহাত (গুণগানপূর্ণ) সূরাগুলো সমতুল্য। তাও আমি ভুলে গেছি, শুধু তা থেকে এ আয়াতটি মনে আছে – ““হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা করো না” - (সূরাহ্‌ সফ ৬১ : ২)। আর যে কথা তোমরা শুধু মুখে আওড়াও অথচ করো না তা তোমরা তোমাদের ঘাড়ে সাক্ষী হিসাবে লিখে রাখা হয়। কিয়ামতের দিন তোমরাদেরকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। (ই. ফা. ২২৮৭, ই. সে. ২২৮৮)

আবূল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ মুসা আল আশ’আরী (রাঃ) একবার বাসরার ক্বারীদের (‘আলিমদের) ডেকে পাঠালেন। অতঃপর সেখানকার তিনশ’ ক্বারী তাঁর কাছে আসলেন এবং কুরআন পাঠ করলেন। তিনি (তাদের উদ্দেশে) বললেন, আপনারা বাসরার মধ্যে উত্তম লোক এবং সেখানকার ক্বারী। সুতরাং আপনারা অনবরত কুরআন পাঠ করতে থাকুন। অলসতায় দীর্ঘ সময় যেন কেটে না যায়। তাহলে আপনাদের অন্তর কঠিন হয়ে যেতে পারে যেমন আপনাদের পূর্ববর্তী একদল লোকের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা দীর্ঘ এবং কঠোর ভীতি প্রদর্শনের দিক থেকে সূরাহ বারাআতের সমতুল্য। পরে তা আমি ভুলে গেছি। তবে তার এতটুকু মনে রেখেছি – ““যদি কোন আদম সন্তান দুই উপত্যকা সম্পদের মালিক হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় আরও একটি উপত্যকা ভর্তি সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া আর কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না।” আমি আরও একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা মুসাব্বিহাত (গুণগানপূর্ণ) সূরাগুলো সমতুল্য। তাও আমি ভুলে গেছি, শুধু তা থেকে এ আয়াতটি মনে আছে – ““হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা করো না” - (সূরাহ্‌ সফ ৬১ : ২)। আর যে কথা তোমরা শুধু মুখে আওড়াও অথচ করো না তা তোমরা তোমাদের ঘাড়ে সাক্ষী হিসাবে লিখে রাখা হয়। কিয়ামতের দিন তোমরাদেরকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। (ই. ফা. ২২৮৭, ই. সে. ২২৮৮)

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن داود، عن أبي حرب بن أبي، الأسود عن أبيه، قال بعث أبو موسى الأشعري إلى قراء أهل البصرة فدخل عليه ثلاثمائة رجل قد قرءوا القرآن فقال أنتم خيار أهل البصرة وقراؤهم فاتلوه ولا يطولن عليكم الأمد فتقسو قلوبكم كما قست قلوب من كان قبلكم وإنا كنا نقرأ سورة كنا نشبهها في الطول والشدة ببراءة فأنسيتها غير أني قد حفظت منها لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ‏.‏ وكنا نقرأ سورة كنا نشبهها بإحدى المسبحات فأنسيتها غير أني حفظت منها ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لم تقولون ما لا تفعلون‏}‏ فتكتب شهادة في أعناقكم فتسألون عنها يوم القيامة ‏.


সহিহ মুসলিম > সম্পদের আধিক্যের কারণে ধনী বলে বিবেচিত নয়

সহিহ মুসলিম ২৩১০

حدثنا زهير بن حرب، وابن، نمير قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس الغنى عن كثرة العرض ولكن الغنى غنى النفس ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধন-সম্পদ ও পার্থিব সাজ-সরঞ্জামের প্রাচুর্য ও আধিক্য প্রকৃত ঐশ্বর্য নয়, বরং মনের ঐশ্বর্যই বড় ঐশ্বর্য। (ই. ফা. ২২৮৮, ই. ফা. ২২৮৯)

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধন-সম্পদ ও পার্থিব সাজ-সরঞ্জামের প্রাচুর্য ও আধিক্য প্রকৃত ঐশ্বর্য নয়, বরং মনের ঐশ্বর্যই বড় ঐশ্বর্য। (ই. ফা. ২২৮৮, ই. ফা. ২২৮৯)

حدثنا زهير بن حرب، وابن، نمير قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس الغنى عن كثرة العرض ولكن الغنى غنى النفس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > দুনিয়ার যে চাকচিক্য প্রকাশ পাবে তা থেকে বেঁচে থাকা প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২৩১২

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني مالك بن أنس، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أخوف ما أخاف عليكم ما يخرج الله لكم من زهرة الدنيا ‏"‏ ‏.‏ قالوا وما زهرة الدنيا يا رسول الله قال ‏"‏ بركات الأرض ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله وهل يأتي الخير بالشر قال ‏"‏ لا يأتي الخير إلا بالخير لا يأتي الخير إلا بالخير لا يأتي الخير إلا بالخير إن كل ما أنبت الربيع يقتل أو يلم إلا آكلة الخضر فإنها تأكل حتى إذا امتدت خاصرتاها استقبلت الشمس ثم اجترت وبالت وثلطت ثم عادت فأكلت إن هذا المال خضرة حلوة فمن أخذه بحقه ووضعه في حقه فنعم المعونة هو ومن أخذه بغير حقه كان كالذي يأكل ولا يشبع ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তোমাদের ব্যাপারে যেসব জিনিসের আশঙ্কা করছি এর মধ্যে অনন্য হল পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা সৌন্দর্য যা আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করবেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা বলতে কি বুঝায়? তিনি বললেন, পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা হলো দুনিয়ার সম্পদের প্রাচুর্য। তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! “কল্যাণ কি অকল্যাণ বয়ে আনবে। তিনি বললেন, কল্যাণ তো অকল্যাণ বয়ে আনে না, কল্যাণ তো কল্যাণই বয়ে আনে, তবে কথা হল বসন্তকালে যে সব গাছপালা, তরুলতা ও সবুজ ঘাস জন্মায় কোন পশু তা অতিরিক্ত খেয়ে কলেরা হয়ে মারা যায় বা মরার নিকটবর্তী হয়। এসব তৃণভোজী পশু অতিরিক্ত খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে। অতঃপর রোদে দাঁড়িয়ে জাবর কাটে ও পেশাব করে মলমূত্র ত্যাগ করে। এরপর আবার চারণভূমিতে গিয়ে অতিরিক্ত খেয়ে থাকে। (এ অতি ভোজের কারণে কোন সময় পেট খারাপ হয়ে মারা যায়)। এ দুনিয়ার ধন-সম্পদ তিক্ত ও সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তা সৎ পন্থায় উপার্জন করল, সে সে পথেই থাকল। সে কতই না সাহায্য সহযোগিতার সুযোগ লাভ করে। আর যে ব্যক্তি তা অসৎ পন্থায় উপার্জন করল তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে - এক ব্যক্তি খাচ্ছে অথচ পরিতৃপ্ত হতে পারছে না।” (ই. ফা. ২২৯০, ই.ফা. ২২৯১)

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তোমাদের ব্যাপারে যেসব জিনিসের আশঙ্কা করছি এর মধ্যে অনন্য হল পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা সৌন্দর্য যা আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাদের জন্য উন্মুক্ত করবেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা বলতে কি বুঝায়? তিনি বললেন, পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা হলো দুনিয়ার সম্পদের প্রাচুর্য। তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! “কল্যাণ কি অকল্যাণ বয়ে আনবে। তিনি বললেন, কল্যাণ তো অকল্যাণ বয়ে আনে না, কল্যাণ তো কল্যাণই বয়ে আনে, তবে কথা হল বসন্তকালে যে সব গাছপালা, তরুলতা ও সবুজ ঘাস জন্মায় কোন পশু তা অতিরিক্ত খেয়ে কলেরা হয়ে মারা যায় বা মরার নিকটবর্তী হয়। এসব তৃণভোজী পশু অতিরিক্ত খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে। অতঃপর রোদে দাঁড়িয়ে জাবর কাটে ও পেশাব করে মলমূত্র ত্যাগ করে। এরপর আবার চারণভূমিতে গিয়ে অতিরিক্ত খেয়ে থাকে। (এ অতি ভোজের কারণে কোন সময় পেট খারাপ হয়ে মারা যায়)। এ দুনিয়ার ধন-সম্পদ তিক্ত ও সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তা সৎ পন্থায় উপার্জন করল, সে সে পথেই থাকল। সে কতই না সাহায্য সহযোগিতার সুযোগ লাভ করে। আর যে ব্যক্তি তা অসৎ পন্থায় উপার্জন করল তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে - এক ব্যক্তি খাচ্ছে অথচ পরিতৃপ্ত হতে পারছে না।” (ই. ফা. ২২৯০, ই.ফা. ২২৯১)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني مالك بن أنس، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أخوف ما أخاف عليكم ما يخرج الله لكم من زهرة الدنيا ‏"‏ ‏.‏ قالوا وما زهرة الدنيا يا رسول الله قال ‏"‏ بركات الأرض ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله وهل يأتي الخير بالشر قال ‏"‏ لا يأتي الخير إلا بالخير لا يأتي الخير إلا بالخير لا يأتي الخير إلا بالخير إن كل ما أنبت الربيع يقتل أو يلم إلا آكلة الخضر فإنها تأكل حتى إذا امتدت خاصرتاها استقبلت الشمس ثم اجترت وبالت وثلطت ثم عادت فأكلت إن هذا المال خضرة حلوة فمن أخذه بحقه ووضعه في حقه فنعم المعونة هو ومن أخذه بغير حقه كان كالذي يأكل ولا يشبع ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১১

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا الليث بن سعد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - وتقاربا في اللفظ - قال حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن عياض بن، عبد الله بن سعد أنه سمع أبا سعيد الخدري، يقول قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فخطب الناس فقال ‏"‏ لا والله ما أخشى عليكم أيها الناس إلا ما يخرج الله لكم من زهرة الدنيا ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله أيأتي الخير بالشر فصمت رسول الله صلى الله عليه وسلم ساعة ثم قال ‏"‏ كيف قلت ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله أيأتي الخير بالشر فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الخير لا يأتي إلا بخير أو خير هو إن كل ما ينبت الربيع يقتل حبطا أو يلم إلا آكلة الخضر أكلت حتى إذا امتلأت خاصرتاها استقبلت الشمس ثلطت أو بالت ثم اجترت فعادت فأكلت فمن يأخذ مالا بحقه يبارك له فيه ومن يأخذ مالا بغير حقه فمثله كمثل الذي يأكل ولا يشبع ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন, অতঃপর লোকদের উদ্দেশে ভাষন দিলেন। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! না, আল্লাহ্‌র শপথ! তোমাদের ব্যাপারে আমার কোন কিছুর আশঙ্কা নেই। তবে আল্লাহ্‌ তোমাদের জন্য যে পার্থিব সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, এ সম্পর্কে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা রয়েছে। এক ব্যক্তি বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! কল্যাণের পরিণামে কি অকল্যাণও হয়ে থাকে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি বলেছিলে? সে বলল, আমি বলেছিলাম, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! কল্যাণের সাথে কি অকল্যাণ আসবে?” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, কল্যাণ তো অকল্যাণ বয়ে আনে না। তবে কথা হলো, বসন্তকালে যেসব তৃণলতা ও সবুজ ঘাস উৎপন্ন হয় এটা কোন পশুকে ডায়রিয়ার প্রকোপে ফেলে না বা মৃত্যুর কাছাকাছিও নিয়ে যায় না। কিন্তু চারণভূমিতে বিচরণকারী পশুরা এগুলো খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে। অতঃপর সূর্যের দিকে তাকিয়ে পেশাব-পায়খানা করতে থাকে, অতঃপর জাবর কাটতে থাকে। এগুলো পুনরায় চারণভূমি তে যায় এবং এভাবে অত্যধিক খেতে খেতে একদিন মৃত্যুর শিকার হয়। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি সৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তাকে এর মধ্যে বারাকাত দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি অসৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে - সে অনেক খাচ্ছে কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারছে না। (ই. ফা. ২২৮৯, ই. ফা. ২২৯০)

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন, অতঃপর লোকদের উদ্দেশে ভাষন দিলেন। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! না, আল্লাহ্‌র শপথ! তোমাদের ব্যাপারে আমার কোন কিছুর আশঙ্কা নেই। তবে আল্লাহ্‌ তোমাদের জন্য যে পার্থিব সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, এ সম্পর্কে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা রয়েছে। এক ব্যক্তি বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রসূল! কল্যাণের পরিণামে কি অকল্যাণও হয়ে থাকে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি বলেছিলে? সে বলল, আমি বলেছিলাম, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! কল্যাণের সাথে কি অকল্যাণ আসবে?” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, কল্যাণ তো অকল্যাণ বয়ে আনে না। তবে কথা হলো, বসন্তকালে যেসব তৃণলতা ও সবুজ ঘাস উৎপন্ন হয় এটা কোন পশুকে ডায়রিয়ার প্রকোপে ফেলে না বা মৃত্যুর কাছাকাছিও নিয়ে যায় না। কিন্তু চারণভূমিতে বিচরণকারী পশুরা এগুলো খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে। অতঃপর সূর্যের দিকে তাকিয়ে পেশাব-পায়খানা করতে থাকে, অতঃপর জাবর কাটতে থাকে। এগুলো পুনরায় চারণভূমি তে যায় এবং এভাবে অত্যধিক খেতে খেতে একদিন মৃত্যুর শিকার হয়। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি সৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তাকে এর মধ্যে বারাকাত দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি অসৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে - সে অনেক খাচ্ছে কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারছে না। (ই. ফা. ২২৮৯, ই. ফা. ২২৯০)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا الليث بن سعد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - وتقاربا في اللفظ - قال حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن عياض بن، عبد الله بن سعد أنه سمع أبا سعيد الخدري، يقول قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فخطب الناس فقال ‏"‏ لا والله ما أخشى عليكم أيها الناس إلا ما يخرج الله لكم من زهرة الدنيا ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله أيأتي الخير بالشر فصمت رسول الله صلى الله عليه وسلم ساعة ثم قال ‏"‏ كيف قلت ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله أيأتي الخير بالشر فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الخير لا يأتي إلا بخير أو خير هو إن كل ما ينبت الربيع يقتل حبطا أو يلم إلا آكلة الخضر أكلت حتى إذا امتلأت خاصرتاها استقبلت الشمس ثلطت أو بالت ثم اجترت فعادت فأكلت فمن يأخذ مالا بحقه يبارك له فيه ومن يأخذ مالا بغير حقه فمثله كمثل الذي يأكل ولا يشبع ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১৩

حدثني علي بن حجر، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام، صاحب الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وجلسنا حوله فقال ‏"‏ إن مما أخاف عليكم بعدي ما يفتح عليكم من زهرة الدنيا وزينتها ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل أويأتي الخير بالشر يا رسول الله قال فسكت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له ما شأنك تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يكلمك قال ورئينا أنه ينزل عليه فأفاق يمسح عنه الرحضاء وقال ‏"‏ إن هذا السائل - وكأنه حمده فقال - إنه لا يأتي الخير بالشر وإن مما ينبت الربيع يقتل أو يلم إلا آكلة الخضر فإنها أكلت حتى إذا امتلأت خاصرتاها استقبلت عين الشمس فثلطت وبالت ثم رتعت وإن هذا المال خضر حلو ونعم صاحب المسلم هو لمن أعطى منه المسكين واليتيم وابن السبيل أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وإنه من يأخذه بغير حقه كان كالذي يأكل ولا يشبع ويكون عليه شهيدا يوم القيامة ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের উপরে বসলেন এবং আমরা তাঁর চারদিকে বসে পড়লাম। অতঃপর তিনি (আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে) বললেনঃ “আমার পরে তোমাদের ব্যাপারে আমি যে সব জিনিসের আশঙ্কা করছি তার মধ্যে অন্যতম হলো - পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা সৌন্দর্য যা আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাদের জন্য বের করবেন। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কল্যাণ কি অকল্যাণ নিয়ে আসবে?” বর্ণনাকারী বলেন, (লোকটির প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকলেন। এতে (উপস্থিত লোকদের মধ্যে) কেউ কেউ তাকে বলল, কী দুর্ভাগা তুমি! তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে কথা বলছ অথচ তিনি তোমার সাথে কথা বলছেন না। রাবী আরও বলেন, আমাদের মনে হলো তাঁর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। অতঃপর তিনি তাঁর (মুখমণ্ডল থেকে) ঘাম মুছে জিজ্ঞেস করলেন, প্রশ্নকারী কোথায়? তিনি মনে হলো তার প্রশংসাই করলেন। তিনি বললেন, কল্যাণ মূলত অকল্যাণ বয়ে আনে না। তবে কথা হলো, বসন্তকালে যে সবুজ লতাপাতা ও তৃণরাজির আবির্ভাব ঘটে এগুলো অতি ভোজনে মৃত্যু ঘটায় বা মৃত্যুর নিকটবর্তী করে দেয়। কতিপয় তৃণভোজী পশু তা খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে, অতঃপর রোদের দিকে তাকিয়ে মল মূত্র ত্যাগ করে ও পেশাব করে এবং জাবর কাটতে থাকে। অতঃপর তা চারণভূমিতে ছুটে চলে এবং বেশি করে খায় (এ ভাবে অতিভোজের কারণে বদহজম হয়ে মারা যায়)। এ দুনিয়ায় ধন সম্পদ সবুজ এবং সুমিষ্ট। এ ধন কোন মুসলিমের কতই উত্তম বন্ধু যা থেকে সে নিঃস্ব, অনাথ, ইয়াতীম ও অসহায় এবং পথিককে দান করে। কিন্তু যে ব্যক্তি না - হাক্বভাবে ধন সম্পদ উপার্জন করে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে কোন ব্যক্তি আহার করে অথচ তৃপ্ত হয় না। আর ঐ সম্পদ কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে। (ই. ফা. ২২৯১, ই. ফা. ২২৯২)

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের উপরে বসলেন এবং আমরা তাঁর চারদিকে বসে পড়লাম। অতঃপর তিনি (আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে) বললেনঃ “আমার পরে তোমাদের ব্যাপারে আমি যে সব জিনিসের আশঙ্কা করছি তার মধ্যে অন্যতম হলো - পার্থিব চাকচিক্য ও শোভা সৌন্দর্য যা আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমাদের জন্য বের করবেন। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কল্যাণ কি অকল্যাণ নিয়ে আসবে?” বর্ণনাকারী বলেন, (লোকটির প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকলেন। এতে (উপস্থিত লোকদের মধ্যে) কেউ কেউ তাকে বলল, কী দুর্ভাগা তুমি! তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে কথা বলছ অথচ তিনি তোমার সাথে কথা বলছেন না। রাবী আরও বলেন, আমাদের মনে হলো তাঁর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। অতঃপর তিনি তাঁর (মুখমণ্ডল থেকে) ঘাম মুছে জিজ্ঞেস করলেন, প্রশ্নকারী কোথায়? তিনি মনে হলো তার প্রশংসাই করলেন। তিনি বললেন, কল্যাণ মূলত অকল্যাণ বয়ে আনে না। তবে কথা হলো, বসন্তকালে যে সবুজ লতাপাতা ও তৃণরাজির আবির্ভাব ঘটে এগুলো অতি ভোজনে মৃত্যু ঘটায় বা মৃত্যুর নিকটবর্তী করে দেয়। কতিপয় তৃণভোজী পশু তা খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলে, অতঃপর রোদের দিকে তাকিয়ে মল মূত্র ত্যাগ করে ও পেশাব করে এবং জাবর কাটতে থাকে। অতঃপর তা চারণভূমিতে ছুটে চলে এবং বেশি করে খায় (এ ভাবে অতিভোজের কারণে বদহজম হয়ে মারা যায়)। এ দুনিয়ায় ধন সম্পদ সবুজ এবং সুমিষ্ট। এ ধন কোন মুসলিমের কতই উত্তম বন্ধু যা থেকে সে নিঃস্ব, অনাথ, ইয়াতীম ও অসহায় এবং পথিককে দান করে। কিন্তু যে ব্যক্তি না - হাক্বভাবে ধন সম্পদ উপার্জন করে তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে কোন ব্যক্তি আহার করে অথচ তৃপ্ত হয় না। আর ঐ সম্পদ কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে। (ই. ফা. ২২৯১, ই. ফা. ২২৯২)

حدثني علي بن حجر، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشام، صاحب الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وجلسنا حوله فقال ‏"‏ إن مما أخاف عليكم بعدي ما يفتح عليكم من زهرة الدنيا وزينتها ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل أويأتي الخير بالشر يا رسول الله قال فسكت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له ما شأنك تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يكلمك قال ورئينا أنه ينزل عليه فأفاق يمسح عنه الرحضاء وقال ‏"‏ إن هذا السائل - وكأنه حمده فقال - إنه لا يأتي الخير بالشر وإن مما ينبت الربيع يقتل أو يلم إلا آكلة الخضر فإنها أكلت حتى إذا امتلأت خاصرتاها استقبلت عين الشمس فثلطت وبالت ثم رتعت وإن هذا المال خضر حلو ونعم صاحب المسلم هو لمن أعطى منه المسكين واليتيم وابن السبيل أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وإنه من يأخذه بغير حقه كان كالذي يأكل ولا يشبع ويكون عليه شهيدا يوم القيامة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > ভিক্ষাবৃত্তি থেকে বিরত থাকা ও ধৈর্য ধারনের ফাযীলত

সহিহ মুসলিম ২৩১৪

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من الأنصار سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاهم ثم سألوه فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده قال ‏ "‏ ما يكن عندي من خير فلن أدخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله ومن يصبر يصبره الله وما أعطي أحد من عطاء خير وأوسع من الصبر ‏"‏ ‏.

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনসার সম্প্রদায়ের কিছু সংখ্যক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কিছু সাহায্য চাইল। তিনি তাদেরকে দান করলেন। তারা আবারও চাইল তিনি আবারও দিলেন। এমনকি তার কাছে যে সম্পদ ছিল তাও ফুরিয়ে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আমার কাছে যখন কোন মালামাল থাকে তা তোমাদের দিতে কোন প্রকার কুণ্ঠাবোধ করি না। আর যে ব্যক্তি অন্যের কাছে চাওয়া থেকে বেঁচে থাকতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে (পরের কাছে হাত পাতার অভিশাপ থেকে) বাঁচিয়ে রাখেন। আর যে ব্যক্তি স্বনির্ভর হতে হতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে বেপরোয়া ও স্বনির্ভর করে দেন। আর যে ব্যক্তি ধৈর্যের পথে অগ্রসর হয় আল্লাহ্‌ তাকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন। বস্তুতঃ আল্লাহ্‌র দেয়া অবদানগুলোর মধ্যে ধৈর্য শক্তির চেয়ে উত্তম ও প্রশস্ত অবদান আর কিছু নেই। ( ই.ফা. ২২৯২, ই.সে. ২২৯৩)

আবূ সা’ইদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনসার সম্প্রদায়ের কিছু সংখ্যক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কিছু সাহায্য চাইল। তিনি তাদেরকে দান করলেন। তারা আবারও চাইল তিনি আবারও দিলেন। এমনকি তার কাছে যে সম্পদ ছিল তাও ফুরিয়ে গেল। অতঃপর তিনি বললেন, আমার কাছে যখন কোন মালামাল থাকে তা তোমাদের দিতে কোন প্রকার কুণ্ঠাবোধ করি না। আর যে ব্যক্তি অন্যের কাছে চাওয়া থেকে বেঁচে থাকতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে (পরের কাছে হাত পাতার অভিশাপ থেকে) বাঁচিয়ে রাখেন। আর যে ব্যক্তি স্বনির্ভর হতে হতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে বেপরোয়া ও স্বনির্ভর করে দেন। আর যে ব্যক্তি ধৈর্যের পথে অগ্রসর হয় আল্লাহ্‌ তাকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন। বস্তুতঃ আল্লাহ্‌র দেয়া অবদানগুলোর মধ্যে ধৈর্য শক্তির চেয়ে উত্তম ও প্রশস্ত অবদান আর কিছু নেই। ( ই.ফা. ২২৯২, ই.সে. ২২৯৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من الأنصار سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاهم ثم سألوه فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده قال ‏ "‏ ما يكن عندي من خير فلن أدخره عنكم ومن يستعفف يعفه الله ومن يستغن يغنه الله ومن يصبر يصبره الله وما أعطي أحد من عطاء خير وأوسع من الصبر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩১৫

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.‏

যুহরী (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২২৯৩, ই.সে. ২২৯৪)

যুহরী (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২২৯৩, ই.সে. ২২৯৪)

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00