সহিহ মুসলিম > ভিক্ষা করা যার জন্য জায়িয

সহিহ মুসলিম ২২৯৪

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن حماد بن زيد، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، عن هارون بن رياب، حدثني كنانة بن نعيم العدوي، عن قبيصة بن، مخارق الهلالي قال تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أسأله فيها فقال ‏"‏ أقم حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال ‏"‏ يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة اجتاحت ماله فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - ورجل أصابته فاقة حتى يقوم ثلاثة من ذوي الحجا من قومه لقد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - فما سواهن من المسألة يا قبيصة سحتا يأكلها صاحبها سحتا ‏"‏ ‏.

ক্ববীসাহ্ ইবনু মুখারিক্ব আল হিলালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি (দেনার জমিন হয়ে) বিরাট অঙ্কের ঋণী হয়ে পড়লাম। কাজেই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে এজন্য তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি বললেন, “যাকাত বা সদাক্বার মাল আসা পর্যন্ত আমার কাছে অপেক্ষা কর। তা এসে গেলে আমি তোমাকে তা থেকে দিতে নির্দেশ দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বললেনঃ হে ক্ববীসাহ্! মনে রেখো, তিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য হাত পাতা বা সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল নয়। (১) যে ব্যক্তি (কোন ভাল কাজ করতে গিয়ে বা দেনার জমিন হয়ে) ঋণী হয়ে পড়েছে। ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা তার জন্য হালাল। যখন দেনা পরিশোধ হয়ে যাবে তখন সে এ থেকে বিরত থাকবে। (২) যে ব্যক্তি প্রাকৃতিক দুর্যোগে পতিত হয়েছে এবং এতে তার যাবতীয় সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। তার জন্য সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষন না তার জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়। রাবীর সন্দেহ- তিনি কি ‘ক্বিওয়াম’ শব্দ বলেছেন না ‘সিদাদ’ শব্দ বলেছেন? (উভয় শব্দের অর্থ একই)। (৩) যে ব্যক্তি এমন অভাবগ্রস্ত হয়েছে যে, তার গোত্রের তিনজন জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোক সাক্ষ্য দেয় যে, “সত্যিই অমুক অভাবে পড়েছে” তার জন্য জীবিকা নির্বাহের পরিমাণ সম্পদ লাভ করার পূর্ব পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল। হে ক্ববীসাহ্! এ তিন প্রকার লোক ছাড়া আর সকলের জন্য সাহায্য চাওয়া হারাম। অতএব এ তিন প্রকার লোক ছাড়া যে সব লোক সাহায্য চেয়ে বেড়ায় তারা হারাম খায়। (ই.ফা. ২২৭২, ই.সে. ২২৭৩)

ক্ববীসাহ্ ইবনু মুখারিক্ব আল হিলালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি (দেনার জমিন হয়ে) বিরাট অঙ্কের ঋণী হয়ে পড়লাম। কাজেই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে এজন্য তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি বললেন, “যাকাত বা সদাক্বার মাল আসা পর্যন্ত আমার কাছে অপেক্ষা কর। তা এসে গেলে আমি তোমাকে তা থেকে দিতে নির্দেশ দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বললেনঃ হে ক্ববীসাহ্! মনে রেখো, তিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য হাত পাতা বা সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল নয়। (১) যে ব্যক্তি (কোন ভাল কাজ করতে গিয়ে বা দেনার জমিন হয়ে) ঋণী হয়ে পড়েছে। ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা তার জন্য হালাল। যখন দেনা পরিশোধ হয়ে যাবে তখন সে এ থেকে বিরত থাকবে। (২) যে ব্যক্তি প্রাকৃতিক দুর্যোগে পতিত হয়েছে এবং এতে তার যাবতীয় সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। তার জন্য সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষন না তার জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়। রাবীর সন্দেহ- তিনি কি ‘ক্বিওয়াম’ শব্দ বলেছেন না ‘সিদাদ’ শব্দ বলেছেন? (উভয় শব্দের অর্থ একই)। (৩) যে ব্যক্তি এমন অভাবগ্রস্ত হয়েছে যে, তার গোত্রের তিনজন জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোক সাক্ষ্য দেয় যে, “সত্যিই অমুক অভাবে পড়েছে” তার জন্য জীবিকা নির্বাহের পরিমাণ সম্পদ লাভ করার পূর্ব পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল। হে ক্ববীসাহ্! এ তিন প্রকার লোক ছাড়া আর সকলের জন্য সাহায্য চাওয়া হারাম। অতএব এ তিন প্রকার লোক ছাড়া যে সব লোক সাহায্য চেয়ে বেড়ায় তারা হারাম খায়। (ই.ফা. ২২৭২, ই.সে. ২২৭৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن حماد بن زيد، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، عن هارون بن رياب، حدثني كنانة بن نعيم العدوي، عن قبيصة بن، مخارق الهلالي قال تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أسأله فيها فقال ‏"‏ أقم حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال ‏"‏ يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة اجتاحت ماله فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - ورجل أصابته فاقة حتى يقوم ثلاثة من ذوي الحجا من قومه لقد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - فما سواهن من المسألة يا قبيصة سحتا يأكلها صاحبها سحتا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > চাওয়া অথবা পাওয়ার আকাঙ্খা ছাড়াই যদি পাওয়া যায় তবে তা গ্রহণ করা জায়িয

সহিহ মুসলিম ২২৯৯

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن ابن السعدي، أنه قال استعملني عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - على الصدقة ‏.‏ بمثل حديث الليث ‏.

ইবনু আস্ সা’দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) যাকাত আদায় করার জন্যে কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ করলেন ........ অবশিষ্ট অংশ লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৭৭, ই.সে ২২৭৮)

ইবনু আস্ সা’দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) যাকাত আদায় করার জন্যে কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ করলেন ........ অবশিষ্ট অংশ লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৭৭, ই.সে ২২৭৮)

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن ابن السعدي، أنه قال استعملني عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - على الصدقة ‏.‏ بمثل حديث الليث ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৯৬

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعطي عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - العطاء فيقول له عمر أعطه يا رسول الله أفقر إليه مني ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خذه فتموله أو تصدق به وما جاءك من هذا المال وأنت غير مشرف ولا سائل فخذه وما لا فلا تتبعه نفسك ‏"‏ ‏.‏ قال سالم فمن أجل ذلك كان ابن عمر لا يسأل أحدا شيئا ولا يرد شيئا أعطيه ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-কে কখনো কখনো কিছু মাল দান করতেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে বলতেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার এ মালের প্রয়োজন নেই। আমার চেয়ে যার প্রয়োজন ও অভাব বেশী তাকে দিন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ“এ মাল লও এবং নিজের কাছে রেখে দাও অথবা সদাক্বাহ্ করে দাও। তোমার কামনা ও প্রার্থনা ছাড়াই যে মাল তোমার কাছে এসে যায় তা রেখে দাও। আর যা এভাবে না আসে তার জন্য অন্তরে আশা পোষন করো না। বর্ণনাকারী সালিম (রাঃ) বলেন, এ কারণে ইবনু উমার (রাঃ) কারে কাছে কিছু চাইতেন না এবং কেউ যদি (না চাওয়া সত্ত্বেও) তাকে কিছু দিতেন তাহলে তিনি এটা ফেরতও দিতেন না। (ই.ফা. ২২৭৪, ই.সে. ২২৭৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-কে কখনো কখনো কিছু মাল দান করতেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে বলতেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার এ মালের প্রয়োজন নেই। আমার চেয়ে যার প্রয়োজন ও অভাব বেশী তাকে দিন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ“এ মাল লও এবং নিজের কাছে রেখে দাও অথবা সদাক্বাহ্ করে দাও। তোমার কামনা ও প্রার্থনা ছাড়াই যে মাল তোমার কাছে এসে যায় তা রেখে দাও। আর যা এভাবে না আসে তার জন্য অন্তরে আশা পোষন করো না। বর্ণনাকারী সালিম (রাঃ) বলেন, এ কারণে ইবনু উমার (রাঃ) কারে কাছে কিছু চাইতেন না এবং কেউ যদি (না চাওয়া সত্ত্বেও) তাকে কিছু দিতেন তাহলে তিনি এটা ফেরতও দিতেন না। (ই.ফা. ২২৭৪, ই.সে. ২২৭৫)

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعطي عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - العطاء فيقول له عمر أعطه يا رسول الله أفقر إليه مني ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خذه فتموله أو تصدق به وما جاءك من هذا المال وأنت غير مشرف ولا سائل فخذه وما لا فلا تتبعه نفسك ‏"‏ ‏.‏ قال سالم فمن أجل ذلك كان ابن عمر لا يسأل أحدا شيئا ولا يرد شيئا أعطيه ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৯৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن بكير، عن بسر بن سعيد، عن ابن الساعدي، المالكي أنه قال استعملني عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - على الصدقة فلما فرغت منها وأديتها إليه أمر لي بعمالة فقلت إنما عملت لله وأجري على الله ‏.‏ فقال خذ ما أعطيت فإني عملت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فعملني فقلت مثل قولك فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أعطيت شيئا من غير أن تسأل فكل وتصدق ‏"‏ ‏.

ইবনু সা’ইদী আল মালিকী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে যাকাত আদায়ের জন্য কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ করলেন। অতঃপর আমি যখন এ কাজ সমাধা করলাম এবং আদায়কৃত সম্পদ তাঁর কাছে দিলাম-তিনি আমাকে কিছু পারিশ্রমিক দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আমি বললাম, আমি এ কাজ শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেছি। সুতরাং আমার পারিশ্রমিক শুধু আল্লাহর কাছেই পাওয়ার আশা করি। তিনি (‘উমার) বললেন, আমি যা দিচ্ছি, নিয়ে নাও। আমিও একবার রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময় এ কাজ করেছি। তিনি আমাকে পারিশ্রমিক হিসেবে কিছূ দিয়ে দিলেন তখন আমিও তাঁকে তোমার মত একই কথা বলেছিলাম। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন : “যদি তোমার আবেদন ছাড়াই কেউ কোন কিছু দান করে তুমি তা গ্রহণ করবে এবং অপরকেও দান করবে।” (ই.ফা. ২২৭৬, ই.সে ২২৭৭)

ইবনু সা’ইদী আল মালিকী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে যাকাত আদায়ের জন্য কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ করলেন। অতঃপর আমি যখন এ কাজ সমাধা করলাম এবং আদায়কৃত সম্পদ তাঁর কাছে দিলাম-তিনি আমাকে কিছু পারিশ্রমিক দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আমি বললাম, আমি এ কাজ শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেছি। সুতরাং আমার পারিশ্রমিক শুধু আল্লাহর কাছেই পাওয়ার আশা করি। তিনি (‘উমার) বললেন, আমি যা দিচ্ছি, নিয়ে নাও। আমিও একবার রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময় এ কাজ করেছি। তিনি আমাকে পারিশ্রমিক হিসেবে কিছূ দিয়ে দিলেন তখন আমিও তাঁকে তোমার মত একই কথা বলেছিলাম। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন : “যদি তোমার আবেদন ছাড়াই কেউ কোন কিছু দান করে তুমি তা গ্রহণ করবে এবং অপরকেও দান করবে।” (ই.ফা. ২২৭৬, ই.সে ২২৭৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن بكير، عن بسر بن سعيد، عن ابن الساعدي، المالكي أنه قال استعملني عمر بن الخطاب - رضى الله عنه - على الصدقة فلما فرغت منها وأديتها إليه أمر لي بعمالة فقلت إنما عملت لله وأجري على الله ‏.‏ فقال خذ ما أعطيت فإني عملت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فعملني فقلت مثل قولك فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أعطيت شيئا من غير أن تسأل فكل وتصدق ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৯৫

وحدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، - رضى الله عنه - يقول قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعطيني العطاء فأقول أعطه أفقر إليه مني ‏.‏ حتى أعطاني مرة مالا فقلت أعطه أفقر إليه مني ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خذه وما جاءك من هذا المال وأنت غير مشرف ولا سائل فخذه وما لا فلا تتبعه نفسك ‏"‏ ‏.

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কে বলতে শুনেছি : রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু উপঢৌকন দিতেন এবং আমি বলতাম, এটা আমাকে না দিয়ে যে আমার চেয়ে বেশী অভাবী তাকে দিন। এমনকি একবার তিনি আমাকে কিছু মাল দিলেন। আমি বললাম, আমার তুলনায় যার প্রয়োজন বেশী এটা তাকে দিন। তখন রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা গ্রহণ কর এবং এছাড়া ঐ সব মালও গ্রহণ কর, যা কোন প্রকার লালসা ও প্রার্থনা ব্যতীতই তোমার কাছে এসে যায়। আর যা এভাবে আসে তা পাওয়ার ইচ্ছাও রেখো না। (ই.ফা. ২২৭৩, ই.সে. ২২৭৪)

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কে বলতে শুনেছি : রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কিছু উপঢৌকন দিতেন এবং আমি বলতাম, এটা আমাকে না দিয়ে যে আমার চেয়ে বেশী অভাবী তাকে দিন। এমনকি একবার তিনি আমাকে কিছু মাল দিলেন। আমি বললাম, আমার তুলনায় যার প্রয়োজন বেশী এটা তাকে দিন। তখন রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা গ্রহণ কর এবং এছাড়া ঐ সব মালও গ্রহণ কর, যা কোন প্রকার লালসা ও প্রার্থনা ব্যতীতই তোমার কাছে এসে যায়। আর যা এভাবে আসে তা পাওয়ার ইচ্ছাও রেখো না। (ই.ফা. ২২৭৩, ই.সে. ২২৭৪)

وحدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، - رضى الله عنه - يقول قد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعطيني العطاء فأقول أعطه أفقر إليه مني ‏.‏ حتى أعطاني مرة مالا فقلت أعطه أفقر إليه مني ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خذه وما جاءك من هذا المال وأنت غير مشرف ولا سائل فخذه وما لا فلا تتبعه نفسك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৯৭

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، قال عمرو وحدثني ابن شهاب، بمثل ذلك عن السائب بن يزيد، عن عبد الله بن السعدي، عن عمر بن الخطاب، - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৭৫, ই.সে. ২২৭৬)

‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৭৫, ই.সে. ২২৭৬)

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، قال عمرو وحدثني ابن شهاب، بمثل ذلك عن السائب بن يزيد، عن عبد الله بن السعدي، عن عمر بن الخطاب، - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম > পার্থিব লোভ লালসার প্রতি অনীহা ও ঘৃণা পোষণ করা

সহিহ মুসলিম ২৩০২

وحدثني يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلهم عن أبي عوانة، - قال يحيى أخبرنا أبو عوانة، - عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يهرم ابن آدم وتشب منه اثنتان الحرص على المال والحرص على العمر ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান বার্ধক্যে পৌছে যায়, কিন্তু দু’টি ব্যাপারে তার আকাঙ্খা যৌবনে বিরাজ করে- সম্পদের লালসা এবং বেঁচে থাকার আকাঙ্খা। (ই.ফা ২২৮০, ই.সে. ২২৮১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান বার্ধক্যে পৌছে যায়, কিন্তু দু’টি ব্যাপারে তার আকাঙ্খা যৌবনে বিরাজ করে- সম্পদের লালসা এবং বেঁচে থাকার আকাঙ্খা। (ই.ফা ২২৮০, ই.সে. ২২৮১)

وحدثني يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلهم عن أبي عوانة، - قال يحيى أخبرنا أبو عوانة، - عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يهرم ابن آدم وتشب منه اثنتان الحرص على المال والحرص على العمر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০০

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قلب الشيخ شاب على حب اثنتين حب العيش والمال ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জীবন ও সম্পদ- এ দু’টির ভালবাসার ক্ষেত্রে বৃদ্ধের অন্তর চির যৌবনের অধিকারী। অর্থাৎ বেঁচে থাকার মায়া ও অর্থের মায়া। (ই.ফা. ২২৭৮, ই.সে. ২২৭৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জীবন ও সম্পদ- এ দু’টির ভালবাসার ক্ষেত্রে বৃদ্ধের অন্তর চির যৌবনের অধিকারী। অর্থাৎ বেঁচে থাকার মায়া ও অর্থের মায়া। (ই.ফা. ২২৭৮, ই.সে. ২২৭৯)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قلب الشيخ شاب على حب اثنتين حب العيش والمال ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০১

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قلب الشيخ شاب على حب اثنتين طول الحياة وحب المال ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দু’টি জিনিসের ভালবাসায় বৃদ্ধের অন্তর চির যৌবনের অধিকারী- দীর্ঘ জীবন এবং ধন-সম্পদের মোহ। (ই.ফা. ২২৭৯, ই.সে. ২২৮০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দু’টি জিনিসের ভালবাসায় বৃদ্ধের অন্তর চির যৌবনের অধিকারী- দীর্ঘ জীবন এবং ধন-সম্পদের মোহ। (ই.ফা. ২২৭৯, ই.সে. ২২৮০)

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قلب الشيخ شاب على حب اثنتين طول الحياة وحب المال ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৩

وحدثني أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال بمثله ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন ....... উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮১, ই.সে. ২২৮২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন ....... উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮১, ই.সে. ২২৮২)

وحدثني أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৪

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২২৮২, ই.সে. ২২৮৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২২৮২, ই.সে. ২২৮৩)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.


সহিহ মুসলিম > আদাম সন্তানের যদিও সম্পদের দু’টি উপত্যকা থাকে তবু সে তৃতীয়টি অনুসন্ধান করবে

সহিহ মুসলিম ২৩০৭

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرني ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لو كان لابن آدم واد من ذهب أحب أن له واديا آخر ولن يملأ فاه إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যদি কোন আদম সন্তান একটি স্বর্ণের উপত্যকার মালিক হয়ে যায় তাহলে সে এরূপ আরেকটি উপত্যকা পেতে আকাঙ্ক্ষা করে। মাটি ছাড়া আর কিছুই তার পেট ভরাতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি তাওবাহ করে আল্লাহ্‌ তা’আলা তার তাওবাহ কবূল করেন। (ই. ফা. ২২৮৫, ই. সে. ২২৮৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যদি কোন আদম সন্তান একটি স্বর্ণের উপত্যকার মালিক হয়ে যায় তাহলে সে এরূপ আরেকটি উপত্যকা পেতে আকাঙ্ক্ষা করে। মাটি ছাড়া আর কিছুই তার পেট ভরাতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি তাওবাহ করে আল্লাহ্‌ তা’আলা তার তাওবাহ কবূল করেন। (ই. ফা. ২২৮৫, ই. সে. ২২৮৬)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرني ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ لو كان لابن آدم واد من ذهب أحب أن له واديا آخر ولن يملأ فاه إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৫

حدثنا يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ويتوب الله على من تاب ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান যদি দু’টি মাঠ ভর্তি সম্পদের অধিকারী হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় মাঠ ভর্তি সম্পদ খুঁজে বেড়াবে। আদাম সন্তানের পেট-মাটি ছাড়া কোন কিছুই ভরাতে পারে না। যে ব্যক্তি তাওবাহ্ করে আল্লাহ তার তাওবাহ্ কবূল করেন। (ই.ফা ২২৮৩, ই.সে. ২২৮৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আদাম সন্তান যদি দু’টি মাঠ ভর্তি সম্পদের অধিকারী হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় মাঠ ভর্তি সম্পদ খুঁজে বেড়াবে। আদাম সন্তানের পেট-মাটি ছাড়া কোন কিছুই ভরাতে পারে না। যে ব্যক্তি তাওবাহ্ করে আল্লাহ তার তাওবাহ্ কবূল করেন। (ই.ফা ২২৮৩, ই.সে. ২২৮৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، وسعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ويتوب الله على من تاب ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৬

وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول - فلا أدري أشىء أنزل أم شىء كان يقوله - بمثل حديث أبي عوانة ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ রাবী বলেন, তবে আমি সঠিক বলতে পারব না যে, তাঁর উপর এ কথাগুলো অবতীর্ণ হয়েছিল, না তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেছিলেন। এ সূত্রে বর্ণিত হাদীস উপরোল্লেখিত আবূ ‘আওয়ানার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৮৪, ই.সে. ২২৮৫)

وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، أخبرنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول - فلا أدري أشىء أنزل أم شىء كان يقوله - بمثل حديث أبي عوانة ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৮

وحدثني زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، قالا حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال سمعت عطاء، يقول سمعت ابن عباس، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لو أن لابن آدم ملء واد مالا لأحب أن يكون إليه مثله ولا يملأ نفس ابن آدم إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عباس فلا أدري أمن القرآن هو أم لا ‏.‏ وفي رواية زهير قال فلا أدري أمن القرآن ‏.‏ لم يذكر ابن عباس ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি কোন আদম সন্তানের পূর্ণ এক উদ্যান সম্পদ থাকে তাহলে সে অনুরূপ আরও সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না। যে ব্যাক্তি তওবাহ করে আল্লাহ্‌ তার তওবাহ কবুল করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি জানি না। যুহায়রের বর্ণনায় আছে - এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি তা জানি না। এখানে তিনি ইবনু ‘আব্বাসের নাম উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ২২৮৬, ই.সে. ২২৮৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি কোন আদম সন্তানের পূর্ণ এক উদ্যান সম্পদ থাকে তাহলে সে অনুরূপ আরও সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না। যে ব্যাক্তি তওবাহ করে আল্লাহ্‌ তার তওবাহ কবুল করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি জানি না। যুহায়রের বর্ণনায় আছে - এটা কুরআনের আয়াত কিনা আমি তা জানি না। এখানে তিনি ইবনু ‘আব্বাসের নাম উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ২২৮৬, ই.সে. ২২৮৭)

وحدثني زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، قالا حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال سمعت عطاء، يقول سمعت ابن عباس، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لو أن لابن آدم ملء واد مالا لأحب أن يكون إليه مثله ولا يملأ نفس ابن آدم إلا التراب والله يتوب على من تاب ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عباس فلا أدري أمن القرآن هو أم لا ‏.‏ وفي رواية زهير قال فلا أدري أمن القرآن ‏.‏ لم يذكر ابن عباس ‏.


সহিহ মুসলিম ২৩০৯

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن داود، عن أبي حرب بن أبي، الأسود عن أبيه، قال بعث أبو موسى الأشعري إلى قراء أهل البصرة فدخل عليه ثلاثمائة رجل قد قرءوا القرآن فقال أنتم خيار أهل البصرة وقراؤهم فاتلوه ولا يطولن عليكم الأمد فتقسو قلوبكم كما قست قلوب من كان قبلكم وإنا كنا نقرأ سورة كنا نشبهها في الطول والشدة ببراءة فأنسيتها غير أني قد حفظت منها لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ‏.‏ وكنا نقرأ سورة كنا نشبهها بإحدى المسبحات فأنسيتها غير أني حفظت منها ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لم تقولون ما لا تفعلون‏}‏ فتكتب شهادة في أعناقكم فتسألون عنها يوم القيامة ‏.

আবূল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ মুসা আল আশ’আরী (রাঃ) একবার বাসরার ক্বারীদের (‘আলিমদের) ডেকে পাঠালেন। অতঃপর সেখানকার তিনশ’ ক্বারী তাঁর কাছে আসলেন এবং কুরআন পাঠ করলেন। তিনি (তাদের উদ্দেশে) বললেন, আপনারা বাসরার মধ্যে উত্তম লোক এবং সেখানকার ক্বারী। সুতরাং আপনারা অনবরত কুরআন পাঠ করতে থাকুন। অলসতায় দীর্ঘ সময় যেন কেটে না যায়। তাহলে আপনাদের অন্তর কঠিন হয়ে যেতে পারে যেমন আপনাদের পূর্ববর্তী একদল লোকের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা দীর্ঘ এবং কঠোর ভীতি প্রদর্শনের দিক থেকে সূরাহ বারাআতের সমতুল্য। পরে তা আমি ভুলে গেছি। তবে তার এতটুকু মনে রেখেছি – ““যদি কোন আদম সন্তান দুই উপত্যকা সম্পদের মালিক হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় আরও একটি উপত্যকা ভর্তি সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া আর কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না।” আমি আরও একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা মুসাব্বিহাত (গুণগানপূর্ণ) সূরাগুলো সমতুল্য। তাও আমি ভুলে গেছি, শুধু তা থেকে এ আয়াতটি মনে আছে – ““হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা করো না” - (সূরাহ্‌ সফ ৬১ : ২)। আর যে কথা তোমরা শুধু মুখে আওড়াও অথচ করো না তা তোমরা তোমাদের ঘাড়ে সাক্ষী হিসাবে লিখে রাখা হয়। কিয়ামতের দিন তোমরাদেরকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। (ই. ফা. ২২৮৭, ই. সে. ২২৮৮)

আবূল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ মুসা আল আশ’আরী (রাঃ) একবার বাসরার ক্বারীদের (‘আলিমদের) ডেকে পাঠালেন। অতঃপর সেখানকার তিনশ’ ক্বারী তাঁর কাছে আসলেন এবং কুরআন পাঠ করলেন। তিনি (তাদের উদ্দেশে) বললেন, আপনারা বাসরার মধ্যে উত্তম লোক এবং সেখানকার ক্বারী। সুতরাং আপনারা অনবরত কুরআন পাঠ করতে থাকুন। অলসতায় দীর্ঘ সময় যেন কেটে না যায়। তাহলে আপনাদের অন্তর কঠিন হয়ে যেতে পারে যেমন আপনাদের পূর্ববর্তী একদল লোকের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা দীর্ঘ এবং কঠোর ভীতি প্রদর্শনের দিক থেকে সূরাহ বারাআতের সমতুল্য। পরে তা আমি ভুলে গেছি। তবে তার এতটুকু মনে রেখেছি – ““যদি কোন আদম সন্তান দুই উপত্যকা সম্পদের মালিক হয়ে যায় তাহলে সে তৃতীয় আরও একটি উপত্যকা ভর্তি সম্পদ পেতে চাইবে। মাটি ছাড়া আর কোন কিছুতেই আদম সন্তানের পেট ভরে না।” আমি আরও একটি সূরাহ পাঠ করতাম যা মুসাব্বিহাত (গুণগানপূর্ণ) সূরাগুলো সমতুল্য। তাও আমি ভুলে গেছি, শুধু তা থেকে এ আয়াতটি মনে আছে – ““হে ঈমানদারগণ! তোমরা কেন এমন কথা বল যা করো না” - (সূরাহ্‌ সফ ৬১ : ২)। আর যে কথা তোমরা শুধু মুখে আওড়াও অথচ করো না তা তোমরা তোমাদের ঘাড়ে সাক্ষী হিসাবে লিখে রাখা হয়। কিয়ামতের দিন তোমরাদেরকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। (ই. ফা. ২২৮৭, ই. সে. ২২৮৮)

حدثني سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن داود، عن أبي حرب بن أبي، الأسود عن أبيه، قال بعث أبو موسى الأشعري إلى قراء أهل البصرة فدخل عليه ثلاثمائة رجل قد قرءوا القرآن فقال أنتم خيار أهل البصرة وقراؤهم فاتلوه ولا يطولن عليكم الأمد فتقسو قلوبكم كما قست قلوب من كان قبلكم وإنا كنا نقرأ سورة كنا نشبهها في الطول والشدة ببراءة فأنسيتها غير أني قد حفظت منها لو كان لابن آدم واديان من مال لابتغى واديا ثالثا ولا يملأ جوف ابن آدم إلا التراب ‏.‏ وكنا نقرأ سورة كنا نشبهها بإحدى المسبحات فأنسيتها غير أني حفظت منها ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لم تقولون ما لا تفعلون‏}‏ فتكتب شهادة في أعناقكم فتسألون عنها يوم القيامة ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00