সহিহ মুসলিম > অন্যের কাছে হাত পাতার প্রতি নিষেধাজ্ঞা

সহিহ মুসলিম ২২৭৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، أخبرني معاوية بن صالح، حدثني ربيعة بن يزيد الدمشقي، عن عبد الله بن عامر اليحصبي، قال سمعت معاوية، يقول إياكم وأحاديث إلا حديثا كان في عهد عمر فإن عمر كان يخيف الناس في الله عز وجل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏"‏ من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين ‏"‏ ‏.‏ وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إنما أنا خازن فمن أعطيته عن طيب نفس فيبارك له فيه ومن أعطيته عن مسألة وشره كان كالذي يأكل ولا يشبع ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির আল ইয়াহ্‌সাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) বলেন, তোমরা হাদীস বর্ণনা করার ব্যাপারে সতর্ক থাকো। কেবলমাত্র সে সকল হাদীস বর্ণনা করতে পারো যা ‘উমার (রাঃ)-এর সময় ছিল। কেননা ‘উমার (রাঃ) লোকদের মনে আল্লাহ্‌র ভয় বদ্ধমূল করার প্রয়াস পেতেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ “আল্লাহ্‌ তা’আলা যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দান করেন।” মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরো বলতে শুনেছিঃ “আমি তো শুধুমাত্র জনৈক খাজাঞ্চি। যাকে আমি স্বতস্ফূর্তভাবে দান করি, তাতে তার বারাকাত হয়। আর যাকে আমি তার সনির্বন্ধ মিনতি ও উত্যক্ত করার করার পর দেই তার অবস্থা এমন ব্যক্তির মত যে খায় অথচ পরিতৃপ্ত হতে পারে না।” (ই.ফা. ২২৫৮, ই.সে. ২২৫৮)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির আল ইয়াহ্‌সাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) বলেন, তোমরা হাদীস বর্ণনা করার ব্যাপারে সতর্ক থাকো। কেবলমাত্র সে সকল হাদীস বর্ণনা করতে পারো যা ‘উমার (রাঃ)-এর সময় ছিল। কেননা ‘উমার (রাঃ) লোকদের মনে আল্লাহ্‌র ভয় বদ্ধমূল করার প্রয়াস পেতেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ “আল্লাহ্‌ তা’আলা যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দান করেন।” মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরো বলতে শুনেছিঃ “আমি তো শুধুমাত্র জনৈক খাজাঞ্চি। যাকে আমি স্বতস্ফূর্তভাবে দান করি, তাতে তার বারাকাত হয়। আর যাকে আমি তার সনির্বন্ধ মিনতি ও উত্যক্ত করার করার পর দেই তার অবস্থা এমন ব্যক্তির মত যে খায় অথচ পরিতৃপ্ত হতে পারে না।” (ই.ফা. ২২৫৮, ই.সে. ২২৫৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، أخبرني معاوية بن صالح، حدثني ربيعة بن يزيد الدمشقي، عن عبد الله بن عامر اليحصبي، قال سمعت معاوية، يقول إياكم وأحاديث إلا حديثا كان في عهد عمر فإن عمر كان يخيف الناس في الله عز وجل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يقول ‏"‏ من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين ‏"‏ ‏.‏ وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إنما أنا خازن فمن أعطيته عن طيب نفس فيبارك له فيه ومن أعطيته عن مسألة وشره كان كالذي يأكل ولا يشبع ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮০

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن وهب بن منبه، عن أخيه، همام عن معاوية، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تلحفوا في المسألة فوالله لا يسألني أحد منكم شيئا فتخرج له مسألته مني شيئا وأنا له كاره فيبارك له فيما أعطيته ‏"‏ ‏.

মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন কিছু পাওয়ার ব্যাপারে মাত্রাতিরিক্ত কাকুতি মিনতির আশ্রয় নিও না। কেননা, আল্লাহ্‌র শপথ! যে ব্যক্তি আমার কাছে কোন কিছু চায়, আর তার মিনতিপূর্ণ আকুল প্রার্থনাই আমাকে দানে বাধ্য করে অথচ আমি তা অপছন্দ করি, তাহলে এতে কী করে বারাকাত হবে? (ই.ফা. ২২৫৯, ই.সে. ২২৫৯)

মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন কিছু পাওয়ার ব্যাপারে মাত্রাতিরিক্ত কাকুতি মিনতির আশ্রয় নিও না। কেননা, আল্লাহ্‌র শপথ! যে ব্যক্তি আমার কাছে কোন কিছু চায়, আর তার মিনতিপূর্ণ আকুল প্রার্থনাই আমাকে দানে বাধ্য করে অথচ আমি তা অপছন্দ করি, তাহলে এতে কী করে বারাকাত হবে? (ই.ফা. ২২৫৯, ই.সে. ২২৫৯)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن وهب بن منبه، عن أخيه، همام عن معاوية، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تلحفوا في المسألة فوالله لا يسألني أحد منكم شيئا فتخرج له مسألته مني شيئا وأنا له كاره فيبارك له فيما أعطيته ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮২

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، قال سمعت معاوية بن أبي سفيان، وهو يخطب يقول إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين وإنما أنا قاسم ويعطي الله ‏"‏ ‏.

মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি খুত্‌বাহ্‌ দেয়ার সময় বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ “আল্লাহ্‌ তা’আলা যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন। আমি জনৈক বণ্টনকারী আর দান করার মালিক আল্লাহ্‌ এবং তিনিই দিয়ে থাকেন। (ই.ফা. ২২৬১, ই.সে. ২২৬১)

মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি খুত্‌বাহ্‌ দেয়ার সময় বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ “আল্লাহ্‌ তা’আলা যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন। আমি জনৈক বণ্টনকারী আর দান করার মালিক আল্লাহ্‌ এবং তিনিই দিয়ে থাকেন। (ই.ফা. ২২৬১, ই.সে. ২২৬১)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني حميد بن عبد الرحمن بن عوف، قال سمعت معاوية بن أبي سفيان، وهو يخطب يقول إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين وإنما أنا قاسم ويعطي الله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮১

حدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، حدثني وهب بن، منبه - ودخلت عليه في داره بصنعاء فأطعمني من جوزة في داره - عن أخيه قال سمعت معاوية بن أبي سفيان يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ فذكر مثله ‏.

‘আমর ইবনু দীনার থেকে ওয়াহ্ব ইবনু মুনাব্বিহ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সনা’আ নামক স্থানে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে আখরোট দিয়ে আপ্যায়ণ করলেন। তাঁর (ওয়াহ্ব ইবনু মুনাব্বিহ) ভাই বর্ণনা করেন, আমি আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) এর পুত্র মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৬০, ই.সে. ২২৬০)

‘আমর ইবনু দীনার থেকে ওয়াহ্ব ইবনু মুনাব্বিহ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সনা’আ নামক স্থানে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে আখরোট দিয়ে আপ্যায়ণ করলেন। তাঁর (ওয়াহ্ব ইবনু মুনাব্বিহ) ভাই বর্ণনা করেন, আমি আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) এর পুত্র মু’আবিয়াহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৬০, ই.সে. ২২৬০)

حدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، حدثني وهب بن، منبه - ودخلت عليه في داره بصنعاء فأطعمني من جوزة في داره - عن أخيه قال سمعت معاوية بن أبي سفيان يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ فذكر مثله ‏.


সহিহ মুসলিম > যে অভাবীর অভাব মানুষের নিকট প্রকাশের পূর্বে তাকে দান করা হয় তার প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২২৮৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ليس المسكين بهذا الطواف الذي يطوف على الناس فترده اللقمة واللقمتان والتمرة والتمرتان ‏"‏ ‏.‏ قالوا فما المسكين يا رسول الله قال ‏"‏ الذي لا يجد غنى يغنيه ولا يفطن له فيتصدق عليه ولا يسأل الناس شيئا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “যারা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে বেড়ায় এবং দু’ এক গ্রাস খাবার বা দু’ একটা খেজুর ভিক্ষা নিয়ে ফিরে যায় তারা (প্রকৃত) মিসকীন নয়। এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে মিসকীন কে? (উত্তরে) তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মানবীয় মৌলিক প্রয়োজন মিটানোর মত সামর্থ্য যার নেই আর সমাজের মানুষও তাকে অভাবী বলে জানে না যাতে তাকে দান করতে পারে এবং সে নিজেও (মুখ খুলে) কারো কাছে কিছু চায় না।” (এ ব্যক্তি হলো প্রকৃত মিসকীন অর্থাৎ আর্থিক অনটনভুক্ত গরীব ভদ্রলোক)। (ই.ফা. ২২৬২, ই.সে. ২২৬২)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “যারা মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে বেড়ায় এবং দু’ এক গ্রাস খাবার বা দু’ একটা খেজুর ভিক্ষা নিয়ে ফিরে যায় তারা (প্রকৃত) মিসকীন নয়। এ কথা শুনে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে মিসকীন কে? (উত্তরে) তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মানবীয় মৌলিক প্রয়োজন মিটানোর মত সামর্থ্য যার নেই আর সমাজের মানুষও তাকে অভাবী বলে জানে না যাতে তাকে দান করতে পারে এবং সে নিজেও (মুখ খুলে) কারো কাছে কিছু চায় না।” (এ ব্যক্তি হলো প্রকৃত মিসকীন অর্থাৎ আর্থিক অনটনভুক্ত গরীব ভদ্রলোক)। (ই.ফা. ২২৬২, ই.সে. ২২৬২)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ليس المسكين بهذا الطواف الذي يطوف على الناس فترده اللقمة واللقمتان والتمرة والتمرتان ‏"‏ ‏.‏ قالوا فما المسكين يا رسول الله قال ‏"‏ الذي لا يجد غنى يغنيه ولا يفطن له فيتصدق عليه ولا يسأل الناس شيئا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮৪

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - أخبرني شريك، عن عطاء بن يسار، مولى ميمونة عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس المسكين بالذي ترده التمرة والتمرتان ولا اللقمة واللقمتان إنما المسكين المتعفف اقرءوا إن شئتم ‏{‏ لا يسألون الناس إلحافا‏}‏ ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি দু’ একটি খেজুর বা দু’ এক গ্রাস খাবার ভিক্ষা চেয়ে বেড়ায় এবং এ নিয়ে চলে যায় সে মিসকীন নয়। বরং প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি, যে মানুষের কাছে হাত পাতে না। প্রকৃত মিসকীনের স্বরূপ জানতে চাইলে এ আয়াত পাঠ করো- “তারা মানুষের কাছে কাকুতি মিনতির সাথে হাত পাতে না”- (সূরাহ্‌ আল-বাক্বারাহ্‌ ২:২৭৩)। (ই.ফা. ২২৬৩, ই.সে. ২২৬৩)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি দু’ একটি খেজুর বা দু’ এক গ্রাস খাবার ভিক্ষা চেয়ে বেড়ায় এবং এ নিয়ে চলে যায় সে মিসকীন নয়। বরং প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি, যে মানুষের কাছে হাত পাতে না। প্রকৃত মিসকীনের স্বরূপ জানতে চাইলে এ আয়াত পাঠ করো- “তারা মানুষের কাছে কাকুতি মিনতির সাথে হাত পাতে না”- (সূরাহ্‌ আল-বাক্বারাহ্‌ ২:২৭৩)। (ই.ফা. ২২৬৩, ই.সে. ২২৬৩)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - أخبرني شريك، عن عطاء بن يسار، مولى ميمونة عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس المسكين بالذي ترده التمرة والتمرتان ولا اللقمة واللقمتان إنما المسكين المتعفف اقرءوا إن شئتم ‏{‏ لا يسألون الناس إلحافا‏}‏ ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮৫

وحدثنيه أبو بكر بن إسحاق، حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا محمد بن جعفر، أخبرني شريك، أخبرني عطاء بن يسار، وعبد الرحمن بن أبي عمرة، أنهما سمعا أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث إسماعيل ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রেও ইসমা’ঈল বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৬৪, ই.সে. ২২৬৪)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রেও ইসমা’ঈল বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৬৪, ই.সে. ২২৬৪)

وحدثنيه أبو بكر بن إسحاق، حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا محمد بن جعفر، أخبرني شريك، أخبرني عطاء بن يسار، وعبد الرحمن بن أبي عمرة، أنهما سمعا أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث إسماعيل ‏.


সহিহ মুসলিম > মানুষের নিকট চাওয়া অপছন্দনীয়

সহিহ মুসলিম ২২৯১

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن إسماعيل، حدثني قيس بن، أبي حازم قال أتينا أبا هريرة فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والله لأن يغدو أحدكم فيحطب على ظهره فيبيعه ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث بيان ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহর শপথ! যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি সকালে গিয়ে এক বোঝা কাঠ সংগ্রহ করে তা পিঠে করে নিয়ে এসে বিক্রি করে।” .......... হাদীসের বাকি অংশ বায়ান বর্ণিত (উপরের) হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৬৯, ই.সে. ২২৭০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহর শপথ! যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি সকালে গিয়ে এক বোঝা কাঠ সংগ্রহ করে তা পিঠে করে নিয়ে এসে বিক্রি করে।” .......... হাদীসের বাকি অংশ বায়ান বর্ণিত (উপরের) হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২৬৯, ই.সে. ২২৭০)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن إسماعيل، حدثني قيس بن، أبي حازم قال أتينا أبا هريرة فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والله لأن يغدو أحدكم فيحطب على ظهره فيبيعه ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديث بيان ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২২৮৬

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، عن معمر، عن عبد الله بن مسلم، أخي الزهري عن حمزة بن عبد الله، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تزال المسألة بأحدكم حتى يلقى الله وليس في وجهه مزعة لحم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ কেউ মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইতে চাইতে আল্লাহ্‌র সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে তার মুখমন্ডলে গোশ্‌তের কোন টুকরা অবশিষ্ট থাকবে না। (ই.ফা. ২২৬৫, ই.সে. ২২৬৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ কেউ মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইতে চাইতে আল্লাহ্‌র সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে তার মুখমন্ডলে গোশ্‌তের কোন টুকরা অবশিষ্ট থাকবে না। (ই.ফা. ২২৬৫, ই.সে. ২২৬৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، عن معمر، عن عبد الله بن مسلم، أخي الزهري عن حمزة بن عبد الله، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تزال المسألة بأحدكم حتى يلقى الله وليس في وجهه مزعة لحم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২২৯০

حدثني هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن بيان أبي بشر، عن قيس بن، أبي حازم عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لأن يغدو أحدكم فيحطب على ظهره فيتصدق به ويستغني به من الناس خير له من أن يسأل رجلا أعطاه أو منعه ذلك فإن اليد العليا أفضل من اليد السفلى وابدأ بمن تعول ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ “কোন ব্যক্তি সকালে উঠে গিয়ে লাকড়ি সংগ্রহ করে তা নিজের পিঠে বহন করে এনে অপরকে দান করে এবং এ দিয়ে অপরের দ্বারস্থ হওয়া থেকে মুক্ত থাকে। তার এ কাজ মানুষের দরজায় দরজায় বেড়ানোর চেয়ে উত্তম-তারা কিছু দিক বা না দিক। কেননা উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তোমার উপর ন্যস্ত তাদের দিয়েই দান শুরু কর।” (ই.ফা.২২৬৮, ই,সে ২২৬৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ “কোন ব্যক্তি সকালে উঠে গিয়ে লাকড়ি সংগ্রহ করে তা নিজের পিঠে বহন করে এনে অপরকে দান করে এবং এ দিয়ে অপরের দ্বারস্থ হওয়া থেকে মুক্ত থাকে। তার এ কাজ মানুষের দরজায় দরজায় বেড়ানোর চেয়ে উত্তম-তারা কিছু দিক বা না দিক। কেননা উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তোমার উপর ন্যস্ত তাদের দিয়েই দান শুরু কর।” (ই.ফা.২২৬৮, ই,সে ২২৬৯)

حدثني هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن بيان أبي بشر، عن قيس بن، أبي حازم عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لأن يغدو أحدكم فيحطب على ظهره فيتصدق به ويستغني به من الناس خير له من أن يسأل رجلا أعطاه أو منعه ذلك فإن اليد العليا أفضل من اليد السفلى وابدأ بمن تعول ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮৮

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني الليث، عن عبيد الله بن، أبي جعفر عن حمزة بن عبد الله بن عمر، أنه سمع أباه، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما يزال الرجل يسأل الناس حتى يأتي يوم القيامة وليس في وجهه مزعة لحم ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার পিতাকে (‘আবদুল্লাহ) বলতে শুনেছেনঃ রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অনবরত লোকের কাছে হাত পেতে প্রার্থনা (ভিক্ষা) করতে থাকবে। পরিণামে ক্বিয়ামাতের দিন যখন সে উপস্থিত হবে তার মুখমন্ডলে গোশতের কোন টুকরা থাকবে না। (ই.ফা. ২২৬৬, ই.সে. ২২৬৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার পিতাকে (‘আবদুল্লাহ) বলতে শুনেছেনঃ রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অনবরত লোকের কাছে হাত পেতে প্রার্থনা (ভিক্ষা) করতে থাকবে। পরিণামে ক্বিয়ামাতের দিন যখন সে উপস্থিত হবে তার মুখমন্ডলে গোশতের কোন টুকরা থাকবে না। (ই.ফা. ২২৬৬, ই.সে. ২২৬৭)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني الليث، عن عبيد الله بن، أبي جعفر عن حمزة بن عبد الله بن عمر، أنه سمع أباه، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما يزال الرجل يسأل الناس حتى يأتي يوم القيامة وليس في وجهه مزعة لحم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮৯

حدثنا أبو كريب، وواصل بن عبد الأعلى، قالا حدثنا ابن فضيل، عن عمارة بن، القعقاع عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من سأل الناس أموالهم تكثرا فإنما يسأل جمرا فليستقل أو ليستكثر ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি (অভাবের তাড়না ছাড়াই) নিজের সম্পদ বাড়ানোর জন্য মানুষের কাছে সম্পদ ভিক্ষা করে বেড়ায় বস্তুতঃ সে আগুনের ফুলকি ভিক্ষা করছে। কাজেই এখন তার ভেবে দেখা উচিত সে বেশী নিবে না কম নিবে।” (ই.ফা. ২২৬৭, ই.সে.২২৬৮)

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি (অভাবের তাড়না ছাড়াই) নিজের সম্পদ বাড়ানোর জন্য মানুষের কাছে সম্পদ ভিক্ষা করে বেড়ায় বস্তুতঃ সে আগুনের ফুলকি ভিক্ষা করছে। কাজেই এখন তার ভেবে দেখা উচিত সে বেশী নিবে না কম নিবে।” (ই.ফা. ২২৬৭, ই.সে.২২৬৮)

حدثنا أبو كريب، وواصل بن عبد الأعلى، قالا حدثنا ابن فضيل، عن عمارة بن، القعقاع عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من سأل الناس أموالهم تكثرا فإنما يسأل جمرا فليستقل أو ليستكثر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৯৩

حدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، وسلمة بن شبيب، - قال سلمة حدثنا وقال الدارمي، أخبرنا مروان، وهو ابن محمد الدمشقي - حدثنا سعيد، - وهو ابن عبد العزيز - عن ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي مسلم الخولاني، قال حدثني الحبيب الأمين، أما هو فحبيب إلى وأما هو عندي فأمين عوف بن مالك الأشجعي قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم تسعة أو ثمانية أو سبعة فقال ‏"‏ ألا تبايعون رسول الله ‏"‏ وكنا حديث عهد ببيعة فقلنا قد بايعناك يا رسول الله ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألا تبايعون رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فقلنا قد بايعناك يا رسول الله ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألا تبايعون رسول الله ‏"‏ ‏.‏ قال فبسطنا أيدينا وقلنا قد بايعناك يا رسول الله فعلام نبايعك قال ‏"‏ على أن تعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا والصلوات الخمس وتطيعوا - وأسر كلمة خفية - ولا تسألوا الناس شيئا ‏"‏ ‏.‏ فلقد رأيت بعض أولئك النفر يسقط سوط أحدهم فما يسأل أحدا يناوله إياه ‏.

‘আওফ ইবনু মালিক আল আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের সাত বা আট বা নয় জন লোকের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ‘তোমরা কেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়’আত করছো না?” অথচ আমরা ইতোপূর্বে বায়’আত গ্রহণের সময় তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ করেছি। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো আপনার কাছে বায়’আত গ্রহণ করেছি। তিনি আবার বললেনঃ“তোমরা কেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়’আত হচ্ছো না?” বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমরা হাত বাড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো ইতোপূর্বেই আপনার কাছে বায়’আত গ্রহণ করেছি, এখন আবার আপনার কাছে কিসের বায়’আত করবো? তিনি বললেনঃতোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত করো, তার সাথে কাউকে অংশীদার স্থাপন করবে না, ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায় করবে। এবং আল্লাহর আনুগত্য করবে। তিনি আর একটি কথা বললেন চুপে চুপে, তা হলো লোকের কাছে কিছুর জন্য হাত পাতবে না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি দেখেছি, সে বায়’আত গ্রহণকারী দলের কারো কারো উটের পিঠে থাকা অবস্থায় হাত থেকে চাবুক পড়ে গেছে কিন্তু সে কাউকে তা তুলে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেনি বরং নিজেই নীচে নেমে তুলে নিয়েছে। (ই.ফা. ২২৭১, ই.সে. ২২৭২)

‘আওফ ইবনু মালিক আল আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের সাত বা আট বা নয় জন লোকের উপস্থিতিতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ‘তোমরা কেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়’আত করছো না?” অথচ আমরা ইতোপূর্বে বায়’আত গ্রহণের সময় তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ করেছি। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো আপনার কাছে বায়’আত গ্রহণ করেছি। তিনি আবার বললেনঃ“তোমরা কেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়’আত হচ্ছো না?” বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমরা হাত বাড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো ইতোপূর্বেই আপনার কাছে বায়’আত গ্রহণ করেছি, এখন আবার আপনার কাছে কিসের বায়’আত করবো? তিনি বললেনঃতোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত করো, তার সাথে কাউকে অংশীদার স্থাপন করবে না, ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায় করবে। এবং আল্লাহর আনুগত্য করবে। তিনি আর একটি কথা বললেন চুপে চুপে, তা হলো লোকের কাছে কিছুর জন্য হাত পাতবে না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি দেখেছি, সে বায়’আত গ্রহণকারী দলের কারো কারো উটের পিঠে থাকা অবস্থায় হাত থেকে চাবুক পড়ে গেছে কিন্তু সে কাউকে তা তুলে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেনি বরং নিজেই নীচে নেমে তুলে নিয়েছে। (ই.ফা. ২২৭১, ই.সে. ২২৭২)

حدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، وسلمة بن شبيب، - قال سلمة حدثنا وقال الدارمي، أخبرنا مروان، وهو ابن محمد الدمشقي - حدثنا سعيد، - وهو ابن عبد العزيز - عن ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي مسلم الخولاني، قال حدثني الحبيب الأمين، أما هو فحبيب إلى وأما هو عندي فأمين عوف بن مالك الأشجعي قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم تسعة أو ثمانية أو سبعة فقال ‏"‏ ألا تبايعون رسول الله ‏"‏ وكنا حديث عهد ببيعة فقلنا قد بايعناك يا رسول الله ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألا تبايعون رسول الله ‏"‏ ‏.‏ فقلنا قد بايعناك يا رسول الله ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألا تبايعون رسول الله ‏"‏ ‏.‏ قال فبسطنا أيدينا وقلنا قد بايعناك يا رسول الله فعلام نبايعك قال ‏"‏ على أن تعبدوا الله ولا تشركوا به شيئا والصلوات الخمس وتطيعوا - وأسر كلمة خفية - ولا تسألوا الناس شيئا ‏"‏ ‏.‏ فلقد رأيت بعض أولئك النفر يسقط سوط أحدهم فما يسأل أحدا يناوله إياه ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৮৭

وحدثني عمرو الناقد، حدثني إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا معمر، عن أخي الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ولم يذكر ‏ "‏ مزعة ‏"‏ ‏.

মা’মার (রহঃ) যুহরীর ভাই এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্র্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে (আরবী) “টুকরা”” শব্দটির উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২২৬৫, ই,সে. ২২৬৬)

মা’মার (রহঃ) যুহরীর ভাই এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্র্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে (আরবী) “টুকরা”” শব্দটির উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ২২৬৫, ই,সে. ২২৬৬)

وحدثني عمرو الناقد، حدثني إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا معمر، عن أخي الزهري، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ولم يذكر ‏ "‏ مزعة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৯২

حدثني أبو الطاهر، ويونس بن عبد الأعلى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، بن الحارث عن ابن شهاب، عن أبي عبيد، مولى عبد الرحمن بن عوف أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأن يحتزم أحدكم حزمة من حطب فيحملها على ظهره فيبيعها خير له من أن يسأل رجلا يعطيه أو يمنعه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি নিজের পিঠে করে লাকড়ির বোঝা বয়ে এনে তা বিক্রি করে তবে এটা তার জন্য কোন লোকের কাছে ভিক্ষা চেয়ে বেড়ানো থেকে উত্তম। কেননা তার জানা নেই যে, সে ব্যক্তি তাকে দিবে না বিমুখ করবে। (ই.ফা. ২২৭০,ই.সে. ২২৭১)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি নিজের পিঠে করে লাকড়ির বোঝা বয়ে এনে তা বিক্রি করে তবে এটা তার জন্য কোন লোকের কাছে ভিক্ষা চেয়ে বেড়ানো থেকে উত্তম। কেননা তার জানা নেই যে, সে ব্যক্তি তাকে দিবে না বিমুখ করবে। (ই.ফা. ২২৭০,ই.সে. ২২৭১)

حدثني أبو الطاهر، ويونس بن عبد الأعلى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، بن الحارث عن ابن شهاب، عن أبي عبيد، مولى عبد الرحمن بن عوف أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لأن يحتزم أحدكم حزمة من حطب فيحملها على ظهره فيبيعها خير له من أن يسأل رجلا يعطيه أو يمنعه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > ভিক্ষা করা যার জন্য জায়িয

সহিহ মুসলিম ২২৯৪

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن حماد بن زيد، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، عن هارون بن رياب، حدثني كنانة بن نعيم العدوي، عن قبيصة بن، مخارق الهلالي قال تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أسأله فيها فقال ‏"‏ أقم حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال ‏"‏ يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة اجتاحت ماله فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - ورجل أصابته فاقة حتى يقوم ثلاثة من ذوي الحجا من قومه لقد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - فما سواهن من المسألة يا قبيصة سحتا يأكلها صاحبها سحتا ‏"‏ ‏.

ক্ববীসাহ্ ইবনু মুখারিক্ব আল হিলালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি (দেনার জমিন হয়ে) বিরাট অঙ্কের ঋণী হয়ে পড়লাম। কাজেই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে এজন্য তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি বললেন, “যাকাত বা সদাক্বার মাল আসা পর্যন্ত আমার কাছে অপেক্ষা কর। তা এসে গেলে আমি তোমাকে তা থেকে দিতে নির্দেশ দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বললেনঃ হে ক্ববীসাহ্! মনে রেখো, তিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য হাত পাতা বা সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল নয়। (১) যে ব্যক্তি (কোন ভাল কাজ করতে গিয়ে বা দেনার জমিন হয়ে) ঋণী হয়ে পড়েছে। ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা তার জন্য হালাল। যখন দেনা পরিশোধ হয়ে যাবে তখন সে এ থেকে বিরত থাকবে। (২) যে ব্যক্তি প্রাকৃতিক দুর্যোগে পতিত হয়েছে এবং এতে তার যাবতীয় সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। তার জন্য সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষন না তার জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়। রাবীর সন্দেহ- তিনি কি ‘ক্বিওয়াম’ শব্দ বলেছেন না ‘সিদাদ’ শব্দ বলেছেন? (উভয় শব্দের অর্থ একই)। (৩) যে ব্যক্তি এমন অভাবগ্রস্ত হয়েছে যে, তার গোত্রের তিনজন জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোক সাক্ষ্য দেয় যে, “সত্যিই অমুক অভাবে পড়েছে” তার জন্য জীবিকা নির্বাহের পরিমাণ সম্পদ লাভ করার পূর্ব পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল। হে ক্ববীসাহ্! এ তিন প্রকার লোক ছাড়া আর সকলের জন্য সাহায্য চাওয়া হারাম। অতএব এ তিন প্রকার লোক ছাড়া যে সব লোক সাহায্য চেয়ে বেড়ায় তারা হারাম খায়। (ই.ফা. ২২৭২, ই.সে. ২২৭৩)

ক্ববীসাহ্ ইবনু মুখারিক্ব আল হিলালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার আমি (দেনার জমিন হয়ে) বিরাট অঙ্কের ঋণী হয়ে পড়লাম। কাজেই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে এজন্য তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি বললেন, “যাকাত বা সদাক্বার মাল আসা পর্যন্ত আমার কাছে অপেক্ষা কর। তা এসে গেলে আমি তোমাকে তা থেকে দিতে নির্দেশ দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বললেনঃ হে ক্ববীসাহ্! মনে রেখো, তিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য হাত পাতা বা সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল নয়। (১) যে ব্যক্তি (কোন ভাল কাজ করতে গিয়ে বা দেনার জমিন হয়ে) ঋণী হয়ে পড়েছে। ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা তার জন্য হালাল। যখন দেনা পরিশোধ হয়ে যাবে তখন সে এ থেকে বিরত থাকবে। (২) যে ব্যক্তি প্রাকৃতিক দুর্যোগে পতিত হয়েছে এবং এতে তার যাবতীয় সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। তার জন্য সাহায্য চাওয়া হালাল যতক্ষন না তার জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়। রাবীর সন্দেহ- তিনি কি ‘ক্বিওয়াম’ শব্দ বলেছেন না ‘সিদাদ’ শব্দ বলেছেন? (উভয় শব্দের অর্থ একই)। (৩) যে ব্যক্তি এমন অভাবগ্রস্ত হয়েছে যে, তার গোত্রের তিনজন জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোক সাক্ষ্য দেয় যে, “সত্যিই অমুক অভাবে পড়েছে” তার জন্য জীবিকা নির্বাহের পরিমাণ সম্পদ লাভ করার পূর্ব পর্যন্ত সাহায্য প্রার্থনা করা হালাল। হে ক্ববীসাহ্! এ তিন প্রকার লোক ছাড়া আর সকলের জন্য সাহায্য চাওয়া হারাম। অতএব এ তিন প্রকার লোক ছাড়া যে সব লোক সাহায্য চেয়ে বেড়ায় তারা হারাম খায়। (ই.ফা. ২২৭২, ই.সে. ২২৭৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن حماد بن زيد، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، عن هارون بن رياب، حدثني كنانة بن نعيم العدوي، عن قبيصة بن، مخارق الهلالي قال تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أسأله فيها فقال ‏"‏ أقم حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال ‏"‏ يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة اجتاحت ماله فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - ورجل أصابته فاقة حتى يقوم ثلاثة من ذوي الحجا من قومه لقد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش - أو قال سدادا من عيش - فما سواهن من المسألة يا قبيصة سحتا يأكلها صاحبها سحتا ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00