সহিহ মুসলিম > দান-খয়রাত পরিমাণ যতই কম হোকনা কেন তা সত্ত্বেও উৎসাহ দেয়া-তা অবহেলা করা যাবে না
সহিহ মুসলিম ২২৬৯
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا الليث بن سعد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " يا نساء المسلمات لا تحقرن جارة لجارتها ولو فرسن شاة " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ হে মুসলিম মহিলাগণ! তোমাদের কোন প্রতিবেশী যদি ছাগলের খুরও উপহার দেয় তবুও তা তুচ্ছজ্ঞান করবে না অর্থাৎ দাতা যেন লজ্জার বশীভূত হয়ে দান থেকে বিরত না থাকে এবং গ্রহীতাও যেন অল্প বলে অবজ্ঞা না করে। (ই.ফা. ২২৪৮, ই.সে. ২২৪৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ হে মুসলিম মহিলাগণ! তোমাদের কোন প্রতিবেশী যদি ছাগলের খুরও উপহার দেয় তবুও তা তুচ্ছজ্ঞান করবে না অর্থাৎ দাতা যেন লজ্জার বশীভূত হয়ে দান থেকে বিরত না থাকে এবং গ্রহীতাও যেন অল্প বলে অবজ্ঞা না করে। (ই.ফা. ২২৪৮, ই.সে. ২২৪৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا الليث بن سعد، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " يا نساء المسلمات لا تحقرن جارة لجارتها ولو فرسن شاة " .
সহিহ মুসলিম > গোপনে দান-খয়রাত করার ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ২২৭০
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، جميعا عن يحيى القطان، - قال زهير حدثنا يحيى بن سعيد، - عن عبيد الله، أخبرني خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سبعة يظلهم الله في ظله يوم لا ظل إلا ظله الإمام العادل وشاب نشأ بعبادة الله ورجل قلبه معلق في المساجد ورجلان تحابا في الله اجتمعا عليه وتفرقا عليه ورجل دعته امرأة ذات منصب وجمال فقال إني أخاف الله . ورجل تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم يمينه ما تنفق شماله ورجل ذكر الله خاليا ففاضت عيناه " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা’আলা এমন একদিন (ক্বিয়ামাতের দিন) তাঁর (‘আর্শের) ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া অবশিষ্ট থাকবে না। (১) ন্যায়পরায়ণ ইমাম (জনগণের নেতা), (২) ঐ যুবক, যে আল্লাহ্ তা’আলার ‘ইবাদাতে মশগুল থেকে বড় হয়েছে, (৩) সে ব্যক্তি, যার অন্তর মাসজিদের সাথে লেগে রয়েছে (অর্থাৎ জামা’আতের সাথে সলাত আদায়ে যত্নবান), (৪) সে দু’ব্যক্তি, যারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একে অপরকে ভালবাসে ও পরস্পর মিলিত হয় এবং এ জন্যই (পরস্পর) বিচ্ছিন্ন হয়, (৫) যে ব্যক্তিকে কোন অভিজাত এবং সুন্দরী রমনী (ব্যভিচারের জন্য) আহ্বান জানায় আর তার জবাবে সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৬) যে ব্যক্তি এতটা গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কী দান করে তা তার বাম হাত টের পায়না এবং (৭) যে ব্যক্তি একাকী বসে আল্লাহকে স্মরণ করে আর তার চোখ দু’টো (আল্লাহ্র ভয় বা ভালবাসায়) অশ্রুপাত করে। (ই.ফা. ২২৪৯, ই.সে. ২২৫০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা’আলা এমন একদিন (ক্বিয়ামাতের দিন) তাঁর (‘আর্শের) ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া অবশিষ্ট থাকবে না। (১) ন্যায়পরায়ণ ইমাম (জনগণের নেতা), (২) ঐ যুবক, যে আল্লাহ্ তা’আলার ‘ইবাদাতে মশগুল থেকে বড় হয়েছে, (৩) সে ব্যক্তি, যার অন্তর মাসজিদের সাথে লেগে রয়েছে (অর্থাৎ জামা’আতের সাথে সলাত আদায়ে যত্নবান), (৪) সে দু’ব্যক্তি, যারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একে অপরকে ভালবাসে ও পরস্পর মিলিত হয় এবং এ জন্যই (পরস্পর) বিচ্ছিন্ন হয়, (৫) যে ব্যক্তিকে কোন অভিজাত এবং সুন্দরী রমনী (ব্যভিচারের জন্য) আহ্বান জানায় আর তার জবাবে সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি, (৬) যে ব্যক্তি এতটা গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কী দান করে তা তার বাম হাত টের পায়না এবং (৭) যে ব্যক্তি একাকী বসে আল্লাহকে স্মরণ করে আর তার চোখ দু’টো (আল্লাহ্র ভয় বা ভালবাসায়) অশ্রুপাত করে। (ই.ফা. ২২৪৯, ই.সে. ২২৫০)
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، جميعا عن يحيى القطان، - قال زهير حدثنا يحيى بن سعيد، - عن عبيد الله، أخبرني خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سبعة يظلهم الله في ظله يوم لا ظل إلا ظله الإمام العادل وشاب نشأ بعبادة الله ورجل قلبه معلق في المساجد ورجلان تحابا في الله اجتمعا عليه وتفرقا عليه ورجل دعته امرأة ذات منصب وجمال فقال إني أخاف الله . ورجل تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم يمينه ما تنفق شماله ورجل ذكر الله خاليا ففاضت عيناه " .
সহিহ মুসলিম ২২৭১
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي سعيد الخدري، - أو عن أبي هريرة، - أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث عبيد الله . وقال " ورجل معلق بالمسجد إذا خرج منه حتى يعود إليه " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ...... ‘উবায়দুল্লাহ্র বর্ণিত হাদীসের অনূরূপ। সেখানে এ কথা রয়েছে যে ব্যক্তি মাসজিদ থেকে বের হয়ে পুনরায় এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত তার অন্তর মাসজিদের সাথে লেগে থাকে। (ই.ফা. ২২৫০, ই.সে. ২২৫১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ...... ‘উবায়দুল্লাহ্র বর্ণিত হাদীসের অনূরূপ। সেখানে এ কথা রয়েছে যে ব্যক্তি মাসজিদ থেকে বের হয়ে পুনরায় এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত তার অন্তর মাসজিদের সাথে লেগে থাকে। (ই.ফা. ২২৫০, ই.সে. ২২৫১)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي سعيد الخدري، - أو عن أبي هريرة، - أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث عبيد الله . وقال " ورجل معلق بالمسجد إذا خرج منه حتى يعود إليه " .
সহিহ মুসলিম > সুস্থ ও স্বাবলম্বী এবং সম্পদের প্রতি আকর্ষণ থাকা অবস্থায় দান-খয়রাত করার ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ২২৭৩
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا ابن فضيل، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم أجرا فقال " أما وأبيك لتنبأنه أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل البقاء ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا وقد كان لفلان " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্র রসূল! কোন ধরনের দানে বিরাট সাওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়? তিনি বললেনঃ জেনে রাখ, তোমার পিতার শপথ! (আমি অবশ্য তোমাকে জানাচ্ছি) তুমি সুস্থ, সবল, ও অনুরক্ত অবস্থায় দান করবে যে, তুমি দারিদ্রকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার বাসনা রাখ। আর দানের ব্যাপারে জীবন বায়ু কন্ঠনালী আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো না যে, তখন বলতে থাকবে- অমুকের জন্য এটা, অমুকের জন্য ওটা। বরং তখন তো এসব অমুকের হয়েই যাবে। (অর্থাৎ তোমার আর দান করার প্রয়োজন হবে না বরং তোমার মৃত্যুর পর এ সব উত্তরাধিকারীগণ নিয়ে নিবে)। (ই.ফা. ২২৫২, ই.সে. ২২৫৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্র রসূল! কোন ধরনের দানে বিরাট সাওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়? তিনি বললেনঃ জেনে রাখ, তোমার পিতার শপথ! (আমি অবশ্য তোমাকে জানাচ্ছি) তুমি সুস্থ, সবল, ও অনুরক্ত অবস্থায় দান করবে যে, তুমি দারিদ্রকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার বাসনা রাখ। আর দানের ব্যাপারে জীবন বায়ু কন্ঠনালী আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো না যে, তখন বলতে থাকবে- অমুকের জন্য এটা, অমুকের জন্য ওটা। বরং তখন তো এসব অমুকের হয়েই যাবে। (অর্থাৎ তোমার আর দান করার প্রয়োজন হবে না বরং তোমার মৃত্যুর পর এ সব উত্তরাধিকারীগণ নিয়ে নিবে)। (ই.ফা. ২২৫২, ই.সে. ২২৫৩)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا ابن فضيل، عن عمارة، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم أجرا فقال " أما وأبيك لتنبأنه أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل البقاء ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا وقد كان لفلان " .
সহিহ মুসলিম ২২৭২
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم فقال " أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل الغنى ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا ألا وقد كان لفلان " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! কোন্ ধরনের সদাক্বাহ্ বা দান সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে, যখন তুমি সুস্থ-সবল, সম্পদের প্রতি আকর্ষণ প্রদর্শনকারী, দারিদ্র্যকে ভয়কারী ও এবং ঐশ্বর্যের আকাঙ্ক্ষাকারী। আর (সদাক্বাহ্ প্রদানে) বিলম্ব করবে না জীবনের অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত বিলম্ব করে প্রাণ কন্ঠনালী পর্যন্ত এসে গেলে তুমি বলবে, এটা অমুকের ওটা অমুকের- এরূপ ঠিক নয়। তখন তো এগুলো অমুকের হয়েই যাচ্ছে। অর্থাৎ তোমার মরার সাথে সাথে উত্তরাধীকারগণ নিয়ে নিবে। (ই.ফা. ২২৫১, ই.সে. ২২৫২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! কোন্ ধরনের সদাক্বাহ্ বা দান সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে, যখন তুমি সুস্থ-সবল, সম্পদের প্রতি আকর্ষণ প্রদর্শনকারী, দারিদ্র্যকে ভয়কারী ও এবং ঐশ্বর্যের আকাঙ্ক্ষাকারী। আর (সদাক্বাহ্ প্রদানে) বিলম্ব করবে না জীবনের অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত বিলম্ব করে প্রাণ কন্ঠনালী পর্যন্ত এসে গেলে তুমি বলবে, এটা অমুকের ওটা অমুকের- এরূপ ঠিক নয়। তখন তো এগুলো অমুকের হয়েই যাচ্ছে। অর্থাৎ তোমার মরার সাথে সাথে উত্তরাধীকারগণ নিয়ে নিবে। (ই.ফা. ২২৫১, ই.সে. ২২৫২)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل فقال يا رسول الله أى الصدقة أعظم فقال " أن تصدق وأنت صحيح شحيح تخشى الفقر وتأمل الغنى ولا تمهل حتى إذا بلغت الحلقوم قلت لفلان كذا ولفلان كذا ألا وقد كان لفلان " .
সহিহ মুসলিম ২২৭৪
حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا عمارة بن القعقاع، بهذا الإسناد نحو حديث جرير غير أنه قال أى الصدقة أفضل .
‘উমারাহ্ ইবনুল ক্বা’ক্বা’ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
জারীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি (আরবী) এর স্থলে (আরবী) বলেছেন। এ সূত্রে বলা হয়েছেঃ ‘কোন্ ধরনের দান-খয়রাত সর্বোত্তম? (ই.ফা. ২২৫৩, ই.সে. ২২৫৩[ক] )
‘উমারাহ্ ইবনুল ক্বা’ক্বা’ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
জারীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি (আরবী) এর স্থলে (আরবী) বলেছেন। এ সূত্রে বলা হয়েছেঃ ‘কোন্ ধরনের দান-খয়রাত সর্বোত্তম? (ই.ফা. ২২৫৩, ই.সে. ২২৫৩[ক] )
حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا عمارة بن القعقاع، بهذا الإسناد نحو حديث جرير غير أنه قال أى الصدقة أفضل .
সহিহ মুসলিম > নীচের হাতের চেয়ে উপরের হাত উত্তম। উপরের হাত অর্থে দানকারী এবং নীচের হাত অর্থে দান গ্রহণকারীকে বুঝানো হয়েছে
সহিহ মুসলিম ২২৭৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن نافع، عن عبد، الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وهو على المنبر وهو يذكر الصدقة والتعفف عن المسألة " اليد العليا خير من اليد السفلى واليد العليا المنفقة والسفلى السائلة " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে নাসীহাত করলেন। তিনি বললেন, উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। উপরের হাত হল দানকারী। আর নীচের হাত হলো দান গ্রহণকারী। (ই.ফা. ২২৫৪, ই.সে. ২২৫৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে নাসীহাত করলেন। তিনি বললেন, উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। উপরের হাত হল দানকারী। আর নীচের হাত হলো দান গ্রহণকারী। (ই.ফা. ২২৫৪, ই.সে. ২২৫৪)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن نافع، عن عبد، الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وهو على المنبر وهو يذكر الصدقة والتعفف عن المسألة " اليد العليا خير من اليد السفلى واليد العليا المنفقة والسفلى السائلة " .
সহিহ মুসলিম ২২৭৬
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن حاتم، وأحمد بن عبدة، جميعا عن يحيى القطان، - قال ابن بشار حدثنا يحيى، - حدثنا عمرو بن عثمان، قال سمعت موسى بن طلحة، يحدث أن حكيم بن حزام، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أفضل الصدقة - أو خير الصدقة - عن ظهر غنى واليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول ".
হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বচ্ছলতা বজায় রেখে যে দান করা হয় সেটাই উত্তম দান। উপরের হাত (বা দাতা) নীচের হাতের (বা ভিক্ষাকারীর) চেয়ে উত্তম। আর যাদেরকে লালন পালন করো তাদেরকে দিয়ে অর্থাৎ নিজের নিকটাত্মীয়দের দিয়ে দান-খয়রাত শুরু কর। (ই.ফা. ২২৫৫, ই.সে. ২২৫৫)
হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বচ্ছলতা বজায় রেখে যে দান করা হয় সেটাই উত্তম দান। উপরের হাত (বা দাতা) নীচের হাতের (বা ভিক্ষাকারীর) চেয়ে উত্তম। আর যাদেরকে লালন পালন করো তাদেরকে দিয়ে অর্থাৎ নিজের নিকটাত্মীয়দের দিয়ে দান-খয়রাত শুরু কর। (ই.ফা. ২২৫৫, ই.সে. ২২৫৫)
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن حاتم، وأحمد بن عبدة، جميعا عن يحيى القطان، - قال ابن بشار حدثنا يحيى، - حدثنا عمرو بن عثمان، قال سمعت موسى بن طلحة، يحدث أن حكيم بن حزام، حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أفضل الصدقة - أو خير الصدقة - عن ظهر غنى واليد العليا خير من اليد السفلى وابدأ بمن تعول ".
সহিহ মুসলিম ২২৭৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وسعيد، عن حكيم بن حزام، قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم قال " إن هذا المال خضرة حلوة فمن أخذه بطيب نفس بورك له فيه ومن أخذه بإشراف نفس لم يبارك له فيه وكان كالذي يأكل ولا يشبع واليد العليا خير من اليد السفلى " .
হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে আমাকে কিছু দেয়ার জন্য আবেদন করলাম। তিনি আমাকে দিলেন। আমি আবার আবেদন করলাম। তিনি আবারও দিলেন। আমি পুনরায় আবেদন করলে তিনি দিলেন এবং বললেনঃ ““এ সম্পদ টাটকা এবং মিষ্টি।”” সুতরাং যে ব্যক্তি না চেয়ে এবং দাতার স্বত:স্ফূর্ত অনুদান হিসেবে এ মাল লাভ করল তাকে এর মধ্যে বারাকাত দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি কাকুতি মিনতি করে নিজেকে হীন ও অপমানিত করে তা লাভ করল তাকে এ মালের মধ্যে বারাকাত দেয়া হয় না। তার অবস্থানটা ঐ ব্যক্তির মত যে খায় অথচ তুষ্ট হয় না। আর উপরের হাত (বা দাতা) নীচের হাতের (গ্রহণকারীর) চেয়ে উত্তম। (ই.ফা. ২২৫৬, ই.সে. ২২৫৬)
হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে আমাকে কিছু দেয়ার জন্য আবেদন করলাম। তিনি আমাকে দিলেন। আমি আবার আবেদন করলাম। তিনি আবারও দিলেন। আমি পুনরায় আবেদন করলে তিনি দিলেন এবং বললেনঃ ““এ সম্পদ টাটকা এবং মিষ্টি।”” সুতরাং যে ব্যক্তি না চেয়ে এবং দাতার স্বত:স্ফূর্ত অনুদান হিসেবে এ মাল লাভ করল তাকে এর মধ্যে বারাকাত দেয়া হবে। আর যে ব্যক্তি কাকুতি মিনতি করে নিজেকে হীন ও অপমানিত করে তা লাভ করল তাকে এ মালের মধ্যে বারাকাত দেয়া হয় না। তার অবস্থানটা ঐ ব্যক্তির মত যে খায় অথচ তুষ্ট হয় না। আর উপরের হাত (বা দাতা) নীচের হাতের (গ্রহণকারীর) চেয়ে উত্তম। (ই.ফা. ২২৫৬, ই.সে. ২২৫৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وسعيد، عن حكيم بن حزام، قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم سألته فأعطاني ثم قال " إن هذا المال خضرة حلوة فمن أخذه بطيب نفس بورك له فيه ومن أخذه بإشراف نفس لم يبارك له فيه وكان كالذي يأكل ولا يشبع واليد العليا خير من اليد السفلى " .
সহিহ মুসলিম ২২৭৮
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، وزهير بن حرب، وعبد بن حميد، قالوا حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا شداد، قال سمعت أبا أمامة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ابن آدم إنك أن تبذل الفضل خير لك وأن تمسكه شر لك ولا تلام على كفاف وابدأ بمن تعول واليد العليا خير من اليد السفلى ".
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আদম সন্তান! তোমার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত যে মালামাল রয়েছে তা খরচ করতে থাক; এটা তোমার জন্য উত্তম। আর যদি তুমি তা দান না করে কুক্ষিগত করে রাখো তাহলে এটা তোমার জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে। তবে প্রয়োজন পরিমান রাখায় কোন দোষ নেই। এজন্য তোমাকে ভৎসনাও করা হবে না। যাদের প্রতিপালনের দায়িত্ব তোমার উপর রয়েছে তাদেরকে দিয়েই দান শুরু কর। উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। (ই.ফা. ২২৫৭, ই.সে. ২২৫৭)
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “হে আদম সন্তান! তোমার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত যে মালামাল রয়েছে তা খরচ করতে থাক; এটা তোমার জন্য উত্তম। আর যদি তুমি তা দান না করে কুক্ষিগত করে রাখো তাহলে এটা তোমার জন্য অকল্যাণ বয়ে আনবে। তবে প্রয়োজন পরিমান রাখায় কোন দোষ নেই। এজন্য তোমাকে ভৎসনাও করা হবে না। যাদের প্রতিপালনের দায়িত্ব তোমার উপর রয়েছে তাদেরকে দিয়েই দান শুরু কর। উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে উত্তম। (ই.ফা. ২২৫৭, ই.সে. ২২৫৭)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، وزهير بن حرب، وعبد بن حميد، قالوا حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا شداد، قال سمعت أبا أمامة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ابن آدم إنك أن تبذل الفضل خير لك وأن تمسكه شر لك ولا تلام على كفاف وابدأ بمن تعول واليد العليا خير من اليد السفلى ".