সহিহ মুসলিম > সদাক্বাহ্ যদি কোন ফাসিক্ব বা অনুরূপ কোন অসৎ ব্যক্তির হাতে পড়ে তাহলেও দাতা এর সাওয়াব পাবে
সহিহ মুসলিম ২২৫২
حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لأتصدقن الليلة بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد زانية فأصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية . قال اللهم لك الحمد على زانية لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد غني فأصبحوا يتحدثون تصدق على غني . قال اللهم لك الحمد على غني لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق . فقال اللهم لك الحمد على زانية وعلى غني وعلى سارق . فأتي فقيل له أما صدقتك فقد قبلت أما الزانية فلعلها تستعف بها عن زناها ولعل الغني يعتبر فينفق مما أعطاه الله ولعل السارق يستعف بها عن سرقته " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি বলল, আমি আজ রাতে কিছু দান-খয়রাত করব। অতঃপর সে সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে এক যিনাকারীকে তা অর্পণ করল। ভোরে লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, আজ রাতে এক ব্যক্তি যিনাকারীকে দান-খয়রাত করেছে। অতঃপর সে ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ তো যিনাকারীর হাতে গিয়ে পড়েছে। এরপর সে (আবার) বলল, আজ আমি আরো কিছু সদাক্বাহ্ করব। অতঃপর সে তা নিয়ে বের হয়ে এক ধনী লোকের হাতে অর্পণ করল। লোকজন ভোরে আলাপ করতে লাগল যে, আজ রাতে কে যেন এক ধনী লোককে সদাক্বাহ্ দিয়ে গেছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার সদাক্বাহ্ তো ধনীর হাতে গিয়ে পড়েছে। তারপর সে পুনরায় বলল, আমি আজ রাতে কিছু সদাক্বাহ্ দিব। সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে সে এক চোরের হাতে অর্পণ করল। অতঃপর সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগল আজ রাতে কে যেন চোরকে সদাক্বাহ্ দিয়েছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমারাই। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ যিনাকারী, ধনী ও চোরের হাতে পড়ে গেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি (মালাক বা সে যুগের কোন নাবী) এসে তাকে বলল, তোমার প্রদত্ত সকল সদাক্বাহ্ই কবুল হয়েছে। যিনাকারীকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবুল হওয়ার কারণ হলো- সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে যিনা থেকে বিরত ছিল (কেননা সে পেটের জ্বালায় এ কাজ করত)। ধনী ব্যক্তিকে যে সদাক্বাহ্ দেয়া হয়েছিল তা কবূল হওয়ার কারণ হলো ধনী ব্যক্তি এতে লজ্জিত হয়ে হয়ত নাসীহাত গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর দেয়া সম্পদ থেকে সেও দান করবে বলে সঙ্কল্প করেছে। আর চোরকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবূল হওয়ার কারণ হলো সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে চুরি থেকে বিরত ছিল। কেননা সেও পেটের তাগিদে চুরি করত। (ই.ফা. ২২৩১, ই.সে.২২৩২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি বলল, আমি আজ রাতে কিছু দান-খয়রাত করব। অতঃপর সে সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে এক যিনাকারীকে তা অর্পণ করল। ভোরে লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, আজ রাতে এক ব্যক্তি যিনাকারীকে দান-খয়রাত করেছে। অতঃপর সে ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ তো যিনাকারীর হাতে গিয়ে পড়েছে। এরপর সে (আবার) বলল, আজ আমি আরো কিছু সদাক্বাহ্ করব। অতঃপর সে তা নিয়ে বের হয়ে এক ধনী লোকের হাতে অর্পণ করল। লোকজন ভোরে আলাপ করতে লাগল যে, আজ রাতে কে যেন এক ধনী লোককে সদাক্বাহ্ দিয়ে গেছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার সদাক্বাহ্ তো ধনীর হাতে গিয়ে পড়েছে। তারপর সে পুনরায় বলল, আমি আজ রাতে কিছু সদাক্বাহ্ দিব। সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে সে এক চোরের হাতে অর্পণ করল। অতঃপর সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগল আজ রাতে কে যেন চোরকে সদাক্বাহ্ দিয়েছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমারাই। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ যিনাকারী, ধনী ও চোরের হাতে পড়ে গেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি (মালাক বা সে যুগের কোন নাবী) এসে তাকে বলল, তোমার প্রদত্ত সকল সদাক্বাহ্ই কবুল হয়েছে। যিনাকারীকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবুল হওয়ার কারণ হলো- সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে যিনা থেকে বিরত ছিল (কেননা সে পেটের জ্বালায় এ কাজ করত)। ধনী ব্যক্তিকে যে সদাক্বাহ্ দেয়া হয়েছিল তা কবূল হওয়ার কারণ হলো ধনী ব্যক্তি এতে লজ্জিত হয়ে হয়ত নাসীহাত গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর দেয়া সম্পদ থেকে সেও দান করবে বলে সঙ্কল্প করেছে। আর চোরকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবূল হওয়ার কারণ হলো সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে চুরি থেকে বিরত ছিল। কেননা সেও পেটের তাগিদে চুরি করত। (ই.ফা. ২২৩১, ই.সে.২২৩২)
حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لأتصدقن الليلة بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد زانية فأصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية . قال اللهم لك الحمد على زانية لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد غني فأصبحوا يتحدثون تصدق على غني . قال اللهم لك الحمد على غني لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق . فقال اللهم لك الحمد على زانية وعلى غني وعلى سارق . فأتي فقيل له أما صدقتك فقد قبلت أما الزانية فلعلها تستعف بها عن زناها ولعل الغني يعتبر فينفق مما أعطاه الله ولعل السارق يستعف بها عن سرقته " .
সহিহ মুসলিম > আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ ও স্ত্রী লোকের সদাক্বায় সাওয়াব হওয়া সম্পর্কে, স্ত্রী স্বামীর প্রকাশ্য অনুমতি সাপেক্ষে অথবা প্রচলিত প্রথামত স্বামীর সম্পদ থেকে দান করলে সে তার সাওয়াব পাবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو عامر الأشعري وابن نمير وأبو كريب كلهم عن أبي أسامة، - قال أبو عامر حدثنا أبو أسامة، - حدثنا بريد، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الخازن المسلم الأمين الذي ينفذ - وربما قال يعطي - ما أمر به فيعطيه كاملا موفرا طيبة به نفسه فيدفعه إلى الذي أمر له به - أحد المتصدقين " .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে মুসলিম আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ নির্দেশ মুতাবিক যথাযথভাবে হুকুম পালন করে বা দান করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাপককে পূর্ণমাত্রায় দান করে, সেও জনৈক দাতা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ সেও মূল মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব লাভ করবে। (ই.ফা. ২২৩২, ই.সে.২২৩৩)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে মুসলিম আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ নির্দেশ মুতাবিক যথাযথভাবে হুকুম পালন করে বা দান করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাপককে পূর্ণমাত্রায় দান করে, সেও জনৈক দাতা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ সেও মূল মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব লাভ করবে। (ই.ফা. ২২৩২, ই.সে.২২৩৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو عامر الأشعري وابن نمير وأبو كريب كلهم عن أبي أسامة، - قال أبو عامر حدثنا أبو أسامة، - حدثنا بريد، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الخازن المسلم الأمين الذي ينفذ - وربما قال يعطي - ما أمر به فيعطيه كاملا موفرا طيبة به نفسه فيدفعه إلى الذي أمر له به - أحد المتصدقين " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من بيت زوجها غير مفسدة كان لها أجرها وله مثله بما اكتسب ولها بما أنفقت وللخازن مثل ذلك من غير أن ينتقص من أجورهم شيئا " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনরূপ ক্ষতির মনোভাব ছাড়া স্ত্রী যখন তার স্বামীর ঘর থেকে খরচ করে, স্বামী স্ত্রী উভয়েই এর সমান সাওয়াব লাভ করে। স্বামী সাওয়াব পায় তার উপার্জনের জন্য এবং স্ত্রী সাওয়াব পায় তার দানের জন্য। অনুরূপভাবে কোষাধ্যক্ষও সাওয়াব পাবে। তবে এদের সাওয়াব লাভের কারণে পরস্পরের সাওয়াবের কোন কমতি হবে না। (ই.ফা. ২২৩৫, ই.সে. ২২৩৬)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনরূপ ক্ষতির মনোভাব ছাড়া স্ত্রী যখন তার স্বামীর ঘর থেকে খরচ করে, স্বামী স্ত্রী উভয়েই এর সমান সাওয়াব লাভ করে। স্বামী সাওয়াব পায় তার উপার্জনের জন্য এবং স্ত্রী সাওয়াব পায় তার দানের জন্য। অনুরূপভাবে কোষাধ্যক্ষও সাওয়াব পাবে। তবে এদের সাওয়াব লাভের কারণে পরস্পরের সাওয়াবের কোন কমতি হবে না। (ই.ফা. ২২৩৫, ই.সে. ২২৩৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من بيت زوجها غير مفسدة كان لها أجرها وله مثله بما اكتسب ولها بما أنفقت وللخازن مثل ذلك من غير أن ينتقص من أجورهم شيئا " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৪
حدثنا يحيى بن يحيى، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، - قال يحيى - أخبرنا جرير، عن منصور، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا " .
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক ক্ষতির মনোভাব না নিয়ে স্বামীর ঘরের খাদ্যদ্রব্য দান করে, সে তার দানের সাওয়াব পাবে এবং তার স্বামীও তার উপার্জনের সাওয়াব পাবে। অনুরূপভাবে এ সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারীও মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। এতে একজনের দ্বারা অপরজনের প্রাপ্য সাওয়াব মোটেও কমবে না। (ই.ফা. ২২৩৩, ই.সে.২২৩৪)
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক ক্ষতির মনোভাব না নিয়ে স্বামীর ঘরের খাদ্যদ্রব্য দান করে, সে তার দানের সাওয়াব পাবে এবং তার স্বামীও তার উপার্জনের সাওয়াব পাবে। অনুরূপভাবে এ সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারীও মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। এতে একজনের দ্বারা অপরজনের প্রাপ্য সাওয়াব মোটেও কমবে না। (ই.ফা. ২২৩৩, ই.সে.২২৩৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، - قال يحيى - أخبرنا جرير، عن منصور، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৫
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، بهذا الإسناد وقال " من طعام زوجها " .
মানসূর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “তার ঘরে খাদ্যশস্যের” পরিবর্তে তার “স্বামীর খাদ্যশস্যের” কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ২২৩৪, ই.সে.২২৩৫)
মানসূর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “তার ঘরে খাদ্যশস্যের” পরিবর্তে তার “স্বামীর খাদ্যশস্যের” কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ২২৩৪, ই.সে.২২৩৫)
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، بهذا الإسناد وقال " من طعام زوجها " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৭
وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبي وأبو معاوية عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبي وأبو معاوية عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه
সহিহ মুসলিম > ক্রীতদাস তার মনিবের সম্পদ হতে যে পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করতে পারবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৯
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن يزيد، - يعني ابن أبي عبيد - قال سمعت عميرا، مولى آبي اللحم قال أمرني مولاى أن أقدد، لحما فجاءني مسكين فأطعمته منه فعلم بذلك مولاى فضربني فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فدعاه . فقال " لم ضربته " . فقال يعطي طعامي بغير أن آمره . فقال " الأجر بينكما " .
আবূ লাহম (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মালিক আমাকে গোশ্ত শুকানোর জন্য নির্দেশ দিলেন। আমার কাছে জৈনক মিসকীন আসলো। আমি তাকে এ থেকে খাওয়ার জন্য দিলাম। এটা টের পেয়ে আমার মালিক আমাকে মারধর করলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে ব্যাপারটি জানালাম। তিনি তাঁকে ডেকে এনে বললেন, তুমি একে মারলে কেন? আমার মালিক বলেন, আমার খাদ্যদ্রব্য আমার অনুমতি ছাড়াই সে দান করে। তিনি বলেন, তোমরা দু’জনেই এর সমান সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৮, ই.সে. ২২৩৯)
আবূ লাহম (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মালিক আমাকে গোশ্ত শুকানোর জন্য নির্দেশ দিলেন। আমার কাছে জৈনক মিসকীন আসলো। আমি তাকে এ থেকে খাওয়ার জন্য দিলাম। এটা টের পেয়ে আমার মালিক আমাকে মারধর করলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে ব্যাপারটি জানালাম। তিনি তাঁকে ডেকে এনে বললেন, তুমি একে মারলে কেন? আমার মালিক বলেন, আমার খাদ্যদ্রব্য আমার অনুমতি ছাড়াই সে দান করে। তিনি বলেন, তোমরা দু’জনেই এর সমান সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৮, ই.সে. ২২৩৯)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن يزيد، - يعني ابن أبي عبيد - قال سمعت عميرا، مولى آبي اللحم قال أمرني مولاى أن أقدد، لحما فجاءني مسكين فأطعمته منه فعلم بذلك مولاى فضربني فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فدعاه . فقال " لم ضربته " . فقال يعطي طعامي بغير أن آمره . فقال " الأجر بينكما " .
সহিহ মুসলিম ২২৬০
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تصم المرأة وبعلها شاهد إلا بإذنه ولا تأذن في بيته وهو شاهد إلا بإذنه وما أنفقت من كسبه من غير أمره فإن نصف أجره له " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার একটি এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী যেন (নফল) রোযা না রাখে। তার উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া সে যেন তার ঘরে প্রবেশ করার জন্য অন্য কাউকে অনুমতি না দেয়। তার (স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া সে তার উপার্জিত সম্পদ থেকে যা কিছু দান করবে তাতেও সে (স্বামী) অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৯, ই.সে. ২২৪০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার একটি এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী যেন (নফল) রোযা না রাখে। তার উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া সে যেন তার ঘরে প্রবেশ করার জন্য অন্য কাউকে অনুমতি না দেয়। তার (স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া সে তার উপার্জিত সম্পদ থেকে যা কিছু দান করবে তাতেও সে (স্বামী) অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৯, ই.সে. ২২৪০)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تصم المرأة وبعلها شاهد إلا بإذنه ولا تأذن في بيته وهو شاهد إلا بإذنه وما أنفقت من كسبه من غير أمره فإن نصف أجره له " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وزهير بن حرب جميعا عن حفص، بن غياث - قال ابن نمير حدثنا حفص، - عن محمد بن زيد، عن عمير، مولى آبي اللحم قال كنت مملوكا فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أأتصدق من مال موالي بشىء قال " نعم والأجر بينكما نصفان " .
আবূ লাহ্ম-এর [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] আযাদকৃত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম ক্রীতদাস। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আমার মালিকের সম্পদ থেকে কিছু দান করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আর তোমরা দু’জনকেই এর অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৭, ই.সে. ২২৩৮)
আবূ লাহ্ম-এর [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] আযাদকৃত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম ক্রীতদাস। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আমার মালিকের সম্পদ থেকে কিছু দান করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আর তোমরা দু’জনকেই এর অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৭, ই.সে. ২২৩৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وزهير بن حرب جميعا عن حفص، بن غياث - قال ابن نمير حدثنا حفص، - عن محمد بن زيد، عن عمير، مولى آبي اللحم قال كنت مملوكا فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أأتصدق من مال موالي بشىء قال " نعم والأجر بينكما نصفان " .
সহিহ মুসলিম > দান-খায়রাতের সাথে অন্যান্য সাওয়াবের কাজও করা ফযীলত
সহিহ মুসলিম ২২৬৩
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا محمد بن عبد الله بن الزبير، حدثنا شيبان، ح وحدثني محمد بن حاتم، - واللفظ له - حدثنا شبابة، حدثني شيبان بن عبد الرحمن، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أنفق زوجين في سبيل الله دعاه خزنة الجنة كل خزنة باب أى فل هلم " . فقال أبو بكر يا رسول الله ذلك الذي لا توى عليه . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني لأرجو أن تكون منهم " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়ায় খরচ করবে জান্নাতের দরজাগুলোর প্রত্যেক কোষাধ্যক্ষ তাকে ডেকে বলবে, হে অমুক ! এখানে আসো, এখানে আসো। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যাকে এভাবে সবগুলো দরজা থেকে ডাকা হবে সে অসুবিধায় পড়ে যাবে না তো? তার কোন প্রকার অনিষ্টের সম্ভাবনা নেই তো? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি নিশ্চিতই আশা করি তুমিই হবে তাদের সেই ব্যক্তি। (ই.ফা. ২২৪২, ই.সে. ২২৪৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জোড়ায় খরচ করবে জান্নাতের দরজাগুলোর প্রত্যেক কোষাধ্যক্ষ তাকে ডেকে বলবে, হে অমুক ! এখানে আসো, এখানে আসো। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! যাকে এভাবে সবগুলো দরজা থেকে ডাকা হবে সে অসুবিধায় পড়ে যাবে না তো? তার কোন প্রকার অনিষ্টের সম্ভাবনা নেই তো? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি নিশ্চিতই আশা করি তুমিই হবে তাদের সেই ব্যক্তি। (ই.ফা. ২২৪২, ই.সে. ২২৪৩)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا محمد بن عبد الله بن الزبير، حدثنا شيبان، ح وحدثني محمد بن حاتم، - واللفظ له - حدثنا شبابة، حدثني شيبان بن عبد الرحمن، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أنفق زوجين في سبيل الله دعاه خزنة الجنة كل خزنة باب أى فل هلم " . فقال أبو بكر يا رسول الله ذلك الذي لا توى عليه . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني لأرجو أن تكون منهم " .
সহিহ মুসলিম ২২৬৪
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان، - يعني الفزاري - عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أصبح منكم اليوم صائما " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . قال " فمن تبع منكم اليوم جنازة " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . قال " فمن أطعم منكم اليوم مسكينا " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . قال " فمن عاد منكم اليوم مريضا " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما اجتمعن في امرئ إلا دخل الجنة " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজ তোমাদের মধ্যে কে রোযা রেখেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে জানাযার সাথে গেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে মিসকীনকে খাবার দিয়েছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তির মধ্যে এসব কাজের সমাবেশ ঘটে, সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে। (ই.ফা. ২২৪৩, ই.সে.২২৪৪)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজ তোমাদের মধ্যে কে রোযা রেখেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে জানাযার সাথে গেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে মিসকীনকে খাবার দিয়েছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। তিনি বললেন, আজ তোমাদের মধ্যে কে রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেছে? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আমি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তির মধ্যে এসব কাজের সমাবেশ ঘটে, সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে। (ই.ফা. ২২৪৩, ই.সে.২২৪৪)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان، - يعني الفزاري - عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أصبح منكم اليوم صائما " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . قال " فمن تبع منكم اليوم جنازة " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . قال " فمن أطعم منكم اليوم مسكينا " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . قال " فمن عاد منكم اليوم مريضا " . قال أبو بكر رضى الله عنه أنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما اجتمعن في امرئ إلا دخل الجنة " .
সহিহ মুসলিম ২২৬১
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى التجيبي، - واللفظ لأبي الطاهر - قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من أنفق زوجين في سبيل الله نودي في الجنة يا عبد الله هذا خير . فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ، ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقة ، ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان " ، قال أبو بكر الصديق : يا رسول الله ما على أحد يدعى من تلك الأبواب من ضرورة ، فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها ؟ ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " نعم وأرجو أن تكون منهم
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজ সম্পদ থেকে আল্লাহর রাস্তায় জোড়া খরচ করে জান্নাতে তাকে এই বলে ডাকা হবে যে, ওহে আল্লাহর বান্দা! এখানে আসো, এখানে তোমার জন্য উত্তম ও কল্যাণ রয়েছে। যে ব্যক্তি নামাযী তাকে সলাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে, যে ব্যক্তি মুজাহিদ তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। সদাক্বাহ্ দানকারীকে সদাক্বার দরজা দিয়ে ডাকা হবে এবং রোযাদারকে রোযার দরজা রাইয়্যান দিয়ে ডাকা হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কোন ব্যক্তিকে সবগুলো দরজা দিয়ে ডাকা হবে কি? অর্থাৎ এমন কোন ব্যক্তি হবে কি যাকে সবগুলো দরজা দিয়েই ডাকা হবে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, আর আমি আশা করি তুমিই হবে তাদের মধ্যে সে ব্যক্তি। (ই.ফা. ২২৪০, ই.সে.২২৪১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজ সম্পদ থেকে আল্লাহর রাস্তায় জোড়া খরচ করে জান্নাতে তাকে এই বলে ডাকা হবে যে, ওহে আল্লাহর বান্দা! এখানে আসো, এখানে তোমার জন্য উত্তম ও কল্যাণ রয়েছে। যে ব্যক্তি নামাযী তাকে সলাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে, যে ব্যক্তি মুজাহিদ তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। সদাক্বাহ্ দানকারীকে সদাক্বার দরজা দিয়ে ডাকা হবে এবং রোযাদারকে রোযার দরজা রাইয়্যান দিয়ে ডাকা হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কোন ব্যক্তিকে সবগুলো দরজা দিয়ে ডাকা হবে কি? অর্থাৎ এমন কোন ব্যক্তি হবে কি যাকে সবগুলো দরজা দিয়েই ডাকা হবে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, আর আমি আশা করি তুমিই হবে তাদের মধ্যে সে ব্যক্তি। (ই.ফা. ২২৪০, ই.সে.২২৪১)
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى التجيبي، - واللفظ لأبي الطاهر - قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من أنفق زوجين في سبيل الله نودي في الجنة يا عبد الله هذا خير . فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ، ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقة ، ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان " ، قال أبو بكر الصديق : يا رسول الله ما على أحد يدعى من تلك الأبواب من ضرورة ، فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها ؟ ، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " نعم وأرجو أن تكون منهم
সহিহ মুসলিম ২২৬২
حدثني عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، قالوا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد، الرزاق أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، بإسناد يونس ومعنى حديثه .
যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৪১, ই.সে. ২২৪২)
যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৪১, ই.সে. ২২৪২)
حدثني عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، قالوا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد، الرزاق أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، بإسناد يونس ومعنى حديثه .