সহিহ মুসলিম > দানশীল ব্যক্তি ও কৃপণ ব্যক্তির উদাহরণ
সহিহ মুসলিম ২২৫১
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أحمد بن إسحاق الحضرمي، عن وهيب، حدثنا عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل البخيل والمتصدق مثل رجلين عليهما جنتان من حديد إذا هم المتصدق بصدقة اتسعت عليه حتى تعفي أثره وإذا هم البخيل بصدقة تقلصت عليه وانضمت يداه إلى تراقيه وانقبضت كل حلقة إلى صاحبتها " . قال فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " فيجهد أن يوسعها فلا يستطيع " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কৃপণ ও দানশীলদের উদাহরণ হচ্ছে এমন দু’ব্যক্তির মতো যাদের পরনে দু’টো লৌহবর্ম রয়েছে। অতঃপর দানশীল ব্যক্তি যখন দান করার ইচ্ছা করল তার বর্ম প্রশস্ত হয়ে গেল এমনকি তার পায়ের চিহ্ন পর্যন্ত মুছে ফেলতে লাগল। কিন্তু যখন কৃপণ ব্যক্তি দান করার ইচ্ছা করল তখন তা সঙ্কীর্ণ হয়ে গেল এবং তার হাত গলার সাথে আটকে পড়ল আর প্রতিটি গ্রন্থি অপরটির সাথে কষে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তারপর সে তা প্রশস্ত করার চেষ্টা করে কিন্তু তা করতে সক্ষম হয় না। (ই.ফা. ২২৩০, ই.সে.২২৩১)
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কৃপণ ও দানশীলদের উদাহরণ হচ্ছে এমন দু’ব্যক্তির মতো যাদের পরনে দু’টো লৌহবর্ম রয়েছে। অতঃপর দানশীল ব্যক্তি যখন দান করার ইচ্ছা করল তার বর্ম প্রশস্ত হয়ে গেল এমনকি তার পায়ের চিহ্ন পর্যন্ত মুছে ফেলতে লাগল। কিন্তু যখন কৃপণ ব্যক্তি দান করার ইচ্ছা করল তখন তা সঙ্কীর্ণ হয়ে গেল এবং তার হাত গলার সাথে আটকে পড়ল আর প্রতিটি গ্রন্থি অপরটির সাথে কষে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তারপর সে তা প্রশস্ত করার চেষ্টা করে কিন্তু তা করতে সক্ষম হয় না। (ই.ফা. ২২৩০, ই.সে.২২৩১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أحمد بن إسحاق الحضرمي، عن وهيب، حدثنا عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل البخيل والمتصدق مثل رجلين عليهما جنتان من حديد إذا هم المتصدق بصدقة اتسعت عليه حتى تعفي أثره وإذا هم البخيل بصدقة تقلصت عليه وانضمت يداه إلى تراقيه وانقبضت كل حلقة إلى صاحبتها " . قال فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " فيجهد أن يوسعها فلا يستطيع " .
সহিহ মুসলিম ২২৫০
حدثني سليمان بن عبيد الله أبو أيوب الغيلاني، حدثنا أبو عامر، - يعني العقدي - حدثنا إبراهيم بن نافع، عن الحسن بن مسلم، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل البخيل والمتصدق كمثل رجلين عليهما جنتان من حديد قد اضطرت أيديهما إلى ثديهما وتراقيهما فجعل المتصدق كلما تصدق بصدقة انبسطت عنه حتى تغشي أنامله وتعفو أثره وجعل البخيل كلما هم بصدقة قلصت وأخذت كل حلقة مكانها " . قال فأنا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بإصبعه في جيبه فلو رأيته يوسعها ولا توسع .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কৃপণ ও দাতার উদাহরণ দিতে গিয়ে এমন দু’ব্যক্তির উল্লেখ করেন যাদের গায়ে রয়েছে দু’টি লৌহবর্ম। এর কারণে তাদের দু’হাত তাদের বুকের ও গলার হাঁসুলির সাথে লেগে গেছে। অতঃপর দাতা যখন দান করতে চায় ঐ বর্ম প্রশস্ত হয়ে যায় এবং তার গ্রন্থগুলো আবৃত করে ফেলে। এমনকি তার পদচিহ্নকেও মুছে দেয়, আর কৃপণ ব্যক্তি যখন দান করতে চায় তখন তার বর্ম সংকুচিত হয়ে কষে যায় এবং এর প্রতিটি কড়া নিজ নিজ স্থানে ফেঁসে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর হাত দিয়ে জামার কলারের দিকে ইঙ্গিত করতে দেখেছি। আর যদি তোমরা তাকে দেখতে তাহলে সে বলত, প্রশস্ত করতে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ঐ বর্ম প্রশস্ত হচ্ছিল না। (ই.ফা. ২২২৯, ই.সে.২২৩০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কৃপণ ও দাতার উদাহরণ দিতে গিয়ে এমন দু’ব্যক্তির উল্লেখ করেন যাদের গায়ে রয়েছে দু’টি লৌহবর্ম। এর কারণে তাদের দু’হাত তাদের বুকের ও গলার হাঁসুলির সাথে লেগে গেছে। অতঃপর দাতা যখন দান করতে চায় ঐ বর্ম প্রশস্ত হয়ে যায় এবং তার গ্রন্থগুলো আবৃত করে ফেলে। এমনকি তার পদচিহ্নকেও মুছে দেয়, আর কৃপণ ব্যক্তি যখন দান করতে চায় তখন তার বর্ম সংকুচিত হয়ে কষে যায় এবং এর প্রতিটি কড়া নিজ নিজ স্থানে ফেঁসে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর হাত দিয়ে জামার কলারের দিকে ইঙ্গিত করতে দেখেছি। আর যদি তোমরা তাকে দেখতে তাহলে সে বলত, প্রশস্ত করতে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ঐ বর্ম প্রশস্ত হচ্ছিল না। (ই.ফা. ২২২৯, ই.সে.২২৩০)
حدثني سليمان بن عبيد الله أبو أيوب الغيلاني، حدثنا أبو عامر، - يعني العقدي - حدثنا إبراهيم بن نافع، عن الحسن بن مسلم، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل البخيل والمتصدق كمثل رجلين عليهما جنتان من حديد قد اضطرت أيديهما إلى ثديهما وتراقيهما فجعل المتصدق كلما تصدق بصدقة انبسطت عنه حتى تغشي أنامله وتعفو أثره وجعل البخيل كلما هم بصدقة قلصت وأخذت كل حلقة مكانها " . قال فأنا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بإصبعه في جيبه فلو رأيته يوسعها ولا توسع .
সহিহ মুসলিম ২২৪৯
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال عمرو وحدثنا سفيان بن عيينة قال وقال ابن جريج عن الحسن بن مسلم عن طاوس عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " مثل المنفق والمتصدق كمثل رجل عليه جبتان أو جنتان من لدن ثديهما إلى تراقيهما فإذا أراد المنفق - وقال الآخر فإذا أراد المتصدق - أن يتصدق سبغت عليه أو مرت وإذا أراد البخيل أن ينفق قلصت عليه وأخذت كل حلقة موضعها حتى تجن بنانه وتعفو أثره " . قال فقال أبو هريرة فقال يوسعها فلا تتسع .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ খরচকারী ও দান-খয়রাতকারী (এখানে বর্ণনাকারীর ভুল হয়ে গেছে সঠিক কথা হল- কৃপণ ও সদাক্বাক্বারির) উদাহরণ ঐ ব্যক্তির ন্যায় যার পরনে দু’টি জামা অথবা দু’টি বর্ম রয়েছে (বর্ম সম্পর্কে বর্ণনাকারী বলেন, যখন সদাক্বাকারী সদাক্বাহ্ দিতে ইচ্ছা করে) তখন ঐ বর্ম প্রশস্ত হয়ে যায় এবং তার সমস্ত শরীরে ছেয়ে যায়। আর যখন কৃপণ ব্যক্তি ব্যয় করতে চায় তখন ঐ বর্ম তার জন্য সঙ্কীর্ণ হয়ে এবং বর্মের পরিধি স্ব-স্ব স্থানে কমে যায়। এমনকি তার সব গ্রন্থিগুলো আবৃত করে ফেলে এবং তার পায়ের চিহ্নগুলোও মুছে ফেলে। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তার বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, “অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে তা প্রশস্ত করতে চায় কিন্তু প্রশস্ত হয় না।” (ই.ফা. ২২২৮, ই.সে.২২২৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ খরচকারী ও দান-খয়রাতকারী (এখানে বর্ণনাকারীর ভুল হয়ে গেছে সঠিক কথা হল- কৃপণ ও সদাক্বাক্বারির) উদাহরণ ঐ ব্যক্তির ন্যায় যার পরনে দু’টি জামা অথবা দু’টি বর্ম রয়েছে (বর্ম সম্পর্কে বর্ণনাকারী বলেন, যখন সদাক্বাকারী সদাক্বাহ্ দিতে ইচ্ছা করে) তখন ঐ বর্ম প্রশস্ত হয়ে যায় এবং তার সমস্ত শরীরে ছেয়ে যায়। আর যখন কৃপণ ব্যক্তি ব্যয় করতে চায় তখন ঐ বর্ম তার জন্য সঙ্কীর্ণ হয়ে এবং বর্মের পরিধি স্ব-স্ব স্থানে কমে যায়। এমনকি তার সব গ্রন্থিগুলো আবৃত করে ফেলে এবং তার পায়ের চিহ্নগুলোও মুছে ফেলে। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তার বর্ণিত হাদীসে বলেছেন, “অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে তা প্রশস্ত করতে চায় কিন্তু প্রশস্ত হয় না।” (ই.ফা. ২২২৮, ই.সে.২২২৯)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال عمرو وحدثنا سفيان بن عيينة قال وقال ابن جريج عن الحسن بن مسلم عن طاوس عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " مثل المنفق والمتصدق كمثل رجل عليه جبتان أو جنتان من لدن ثديهما إلى تراقيهما فإذا أراد المنفق - وقال الآخر فإذا أراد المتصدق - أن يتصدق سبغت عليه أو مرت وإذا أراد البخيل أن ينفق قلصت عليه وأخذت كل حلقة موضعها حتى تجن بنانه وتعفو أثره " . قال فقال أبو هريرة فقال يوسعها فلا تتسع .
সহিহ মুসলিম > সদাক্বাহ্ যদি কোন ফাসিক্ব বা অনুরূপ কোন অসৎ ব্যক্তির হাতে পড়ে তাহলেও দাতা এর সাওয়াব পাবে
সহিহ মুসলিম ২২৫২
حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لأتصدقن الليلة بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد زانية فأصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية . قال اللهم لك الحمد على زانية لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد غني فأصبحوا يتحدثون تصدق على غني . قال اللهم لك الحمد على غني لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق . فقال اللهم لك الحمد على زانية وعلى غني وعلى سارق . فأتي فقيل له أما صدقتك فقد قبلت أما الزانية فلعلها تستعف بها عن زناها ولعل الغني يعتبر فينفق مما أعطاه الله ولعل السارق يستعف بها عن سرقته " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি বলল, আমি আজ রাতে কিছু দান-খয়রাত করব। অতঃপর সে সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে এক যিনাকারীকে তা অর্পণ করল। ভোরে লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, আজ রাতে এক ব্যক্তি যিনাকারীকে দান-খয়রাত করেছে। অতঃপর সে ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ তো যিনাকারীর হাতে গিয়ে পড়েছে। এরপর সে (আবার) বলল, আজ আমি আরো কিছু সদাক্বাহ্ করব। অতঃপর সে তা নিয়ে বের হয়ে এক ধনী লোকের হাতে অর্পণ করল। লোকজন ভোরে আলাপ করতে লাগল যে, আজ রাতে কে যেন এক ধনী লোককে সদাক্বাহ্ দিয়ে গেছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার সদাক্বাহ্ তো ধনীর হাতে গিয়ে পড়েছে। তারপর সে পুনরায় বলল, আমি আজ রাতে কিছু সদাক্বাহ্ দিব। সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে সে এক চোরের হাতে অর্পণ করল। অতঃপর সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগল আজ রাতে কে যেন চোরকে সদাক্বাহ্ দিয়েছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমারাই। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ যিনাকারী, ধনী ও চোরের হাতে পড়ে গেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি (মালাক বা সে যুগের কোন নাবী) এসে তাকে বলল, তোমার প্রদত্ত সকল সদাক্বাহ্ই কবুল হয়েছে। যিনাকারীকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবুল হওয়ার কারণ হলো- সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে যিনা থেকে বিরত ছিল (কেননা সে পেটের জ্বালায় এ কাজ করত)। ধনী ব্যক্তিকে যে সদাক্বাহ্ দেয়া হয়েছিল তা কবূল হওয়ার কারণ হলো ধনী ব্যক্তি এতে লজ্জিত হয়ে হয়ত নাসীহাত গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর দেয়া সম্পদ থেকে সেও দান করবে বলে সঙ্কল্প করেছে। আর চোরকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবূল হওয়ার কারণ হলো সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে চুরি থেকে বিরত ছিল। কেননা সেও পেটের তাগিদে চুরি করত। (ই.ফা. ২২৩১, ই.সে.২২৩২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক ব্যক্তি বলল, আমি আজ রাতে কিছু দান-খয়রাত করব। অতঃপর সে সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে এক যিনাকারীকে তা অর্পণ করল। ভোরে লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, আজ রাতে এক ব্যক্তি যিনাকারীকে দান-খয়রাত করেছে। অতঃপর সে ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ তো যিনাকারীর হাতে গিয়ে পড়েছে। এরপর সে (আবার) বলল, আজ আমি আরো কিছু সদাক্বাহ্ করব। অতঃপর সে তা নিয়ে বের হয়ে এক ধনী লোকের হাতে অর্পণ করল। লোকজন ভোরে আলাপ করতে লাগল যে, আজ রাতে কে যেন এক ধনী লোককে সদাক্বাহ্ দিয়ে গেছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার সদাক্বাহ্ তো ধনীর হাতে গিয়ে পড়েছে। তারপর সে পুনরায় বলল, আমি আজ রাতে কিছু সদাক্বাহ্ দিব। সদাক্বাহ্ নিয়ে বের হয়ে সে এক চোরের হাতে অর্পণ করল। অতঃপর সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগল আজ রাতে কে যেন চোরকে সদাক্বাহ্ দিয়েছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমারাই। আমার প্রদত্ত সদাক্বাহ্ যিনাকারী, ধনী ও চোরের হাতে পড়ে গেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি (মালাক বা সে যুগের কোন নাবী) এসে তাকে বলল, তোমার প্রদত্ত সকল সদাক্বাহ্ই কবুল হয়েছে। যিনাকারীকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবুল হওয়ার কারণ হলো- সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে যিনা থেকে বিরত ছিল (কেননা সে পেটের জ্বালায় এ কাজ করত)। ধনী ব্যক্তিকে যে সদাক্বাহ্ দেয়া হয়েছিল তা কবূল হওয়ার কারণ হলো ধনী ব্যক্তি এতে লজ্জিত হয়ে হয়ত নাসীহাত গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর দেয়া সম্পদ থেকে সেও দান করবে বলে সঙ্কল্প করেছে। আর চোরকে দেয়া সদাক্বাহ্ কবূল হওয়ার কারণ হলো সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে চুরি থেকে বিরত ছিল। কেননা সেও পেটের তাগিদে চুরি করত। (ই.ফা. ২২৩১, ই.সে.২২৩২)
حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال رجل لأتصدقن الليلة بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد زانية فأصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية . قال اللهم لك الحمد على زانية لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد غني فأصبحوا يتحدثون تصدق على غني . قال اللهم لك الحمد على غني لأتصدقن بصدقة . فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق . فقال اللهم لك الحمد على زانية وعلى غني وعلى سارق . فأتي فقيل له أما صدقتك فقد قبلت أما الزانية فلعلها تستعف بها عن زناها ولعل الغني يعتبر فينفق مما أعطاه الله ولعل السارق يستعف بها عن سرقته " .
সহিহ মুসলিম > আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ ও স্ত্রী লোকের সদাক্বায় সাওয়াব হওয়া সম্পর্কে, স্ত্রী স্বামীর প্রকাশ্য অনুমতি সাপেক্ষে অথবা প্রচলিত প্রথামত স্বামীর সম্পদ থেকে দান করলে সে তার সাওয়াব পাবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو عامر الأشعري وابن نمير وأبو كريب كلهم عن أبي أسامة، - قال أبو عامر حدثنا أبو أسامة، - حدثنا بريد، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الخازن المسلم الأمين الذي ينفذ - وربما قال يعطي - ما أمر به فيعطيه كاملا موفرا طيبة به نفسه فيدفعه إلى الذي أمر له به - أحد المتصدقين " .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে মুসলিম আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ নির্দেশ মুতাবিক যথাযথভাবে হুকুম পালন করে বা দান করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাপককে পূর্ণমাত্রায় দান করে, সেও জনৈক দাতা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ সেও মূল মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব লাভ করবে। (ই.ফা. ২২৩২, ই.সে.২২৩৩)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে মুসলিম আমানাতদার কোষাধ্যক্ষ নির্দেশ মুতাবিক যথাযথভাবে হুকুম পালন করে বা দান করে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাপককে পূর্ণমাত্রায় দান করে, সেও জনৈক দাতা হিসেবে গণ্য, অর্থাৎ সেও মূল মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব লাভ করবে। (ই.ফা. ২২৩২, ই.সে.২২৩৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو عامر الأشعري وابن نمير وأبو كريب كلهم عن أبي أسامة، - قال أبو عامر حدثنا أبو أسامة، - حدثنا بريد، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن الخازن المسلم الأمين الذي ينفذ - وربما قال يعطي - ما أمر به فيعطيه كاملا موفرا طيبة به نفسه فيدفعه إلى الذي أمر له به - أحد المتصدقين " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من بيت زوجها غير مفسدة كان لها أجرها وله مثله بما اكتسب ولها بما أنفقت وللخازن مثل ذلك من غير أن ينتقص من أجورهم شيئا " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনরূপ ক্ষতির মনোভাব ছাড়া স্ত্রী যখন তার স্বামীর ঘর থেকে খরচ করে, স্বামী স্ত্রী উভয়েই এর সমান সাওয়াব লাভ করে। স্বামী সাওয়াব পায় তার উপার্জনের জন্য এবং স্ত্রী সাওয়াব পায় তার দানের জন্য। অনুরূপভাবে কোষাধ্যক্ষও সাওয়াব পাবে। তবে এদের সাওয়াব লাভের কারণে পরস্পরের সাওয়াবের কোন কমতি হবে না। (ই.ফা. ২২৩৫, ই.সে. ২২৩৬)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনরূপ ক্ষতির মনোভাব ছাড়া স্ত্রী যখন তার স্বামীর ঘর থেকে খরচ করে, স্বামী স্ত্রী উভয়েই এর সমান সাওয়াব লাভ করে। স্বামী সাওয়াব পায় তার উপার্জনের জন্য এবং স্ত্রী সাওয়াব পায় তার দানের জন্য। অনুরূপভাবে কোষাধ্যক্ষও সাওয়াব পাবে। তবে এদের সাওয়াব লাভের কারণে পরস্পরের সাওয়াবের কোন কমতি হবে না। (ই.ফা. ২২৩৫, ই.সে. ২২৩৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من بيت زوجها غير مفسدة كان لها أجرها وله مثله بما اكتسب ولها بما أنفقت وللخازن مثل ذلك من غير أن ينتقص من أجورهم شيئا " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৪
حدثنا يحيى بن يحيى، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، - قال يحيى - أخبرنا جرير، عن منصور، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا " .
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক ক্ষতির মনোভাব না নিয়ে স্বামীর ঘরের খাদ্যদ্রব্য দান করে, সে তার দানের সাওয়াব পাবে এবং তার স্বামীও তার উপার্জনের সাওয়াব পাবে। অনুরূপভাবে এ সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারীও মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। এতে একজনের দ্বারা অপরজনের প্রাপ্য সাওয়াব মোটেও কমবে না। (ই.ফা. ২২৩৩, ই.সে.২২৩৪)
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক ক্ষতির মনোভাব না নিয়ে স্বামীর ঘরের খাদ্যদ্রব্য দান করে, সে তার দানের সাওয়াব পাবে এবং তার স্বামীও তার উপার্জনের সাওয়াব পাবে। অনুরূপভাবে এ সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারীও মালিকের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। এতে একজনের দ্বারা অপরজনের প্রাপ্য সাওয়াব মোটেও কমবে না। (ই.ফা. ২২৩৩, ই.সে.২২৩৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، - قال يحيى - أخبرنا جرير، عن منصور، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أنفقت المرأة من طعام بيتها غير مفسدة كان لها أجرها بما أنفقت ولزوجها أجره بما كسب وللخازن مثل ذلك لا ينقص بعضهم أجر بعض شيئا " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৫
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، بهذا الإسناد وقال " من طعام زوجها " .
মানসূর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “তার ঘরে খাদ্যশস্যের” পরিবর্তে তার “স্বামীর খাদ্যশস্যের” কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ২২৩৪, ই.সে.২২৩৫)
মানসূর (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে “তার ঘরে খাদ্যশস্যের” পরিবর্তে তার “স্বামীর খাদ্যশস্যের” কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ২২৩৪, ই.সে.২২৩৫)
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، بهذا الإسناد وقال " من طعام زوجها " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৭
وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبي وأبو معاوية عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبي وأبو معاوية عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه
সহিহ মুসলিম > ক্রীতদাস তার মনিবের সম্পদ হতে যে পরিমাণ সম্পদ ব্যয় করতে পারবে
সহিহ মুসলিম ২২৫৯
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن يزيد، - يعني ابن أبي عبيد - قال سمعت عميرا، مولى آبي اللحم قال أمرني مولاى أن أقدد، لحما فجاءني مسكين فأطعمته منه فعلم بذلك مولاى فضربني فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فدعاه . فقال " لم ضربته " . فقال يعطي طعامي بغير أن آمره . فقال " الأجر بينكما " .
আবূ লাহম (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মালিক আমাকে গোশ্ত শুকানোর জন্য নির্দেশ দিলেন। আমার কাছে জৈনক মিসকীন আসলো। আমি তাকে এ থেকে খাওয়ার জন্য দিলাম। এটা টের পেয়ে আমার মালিক আমাকে মারধর করলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে ব্যাপারটি জানালাম। তিনি তাঁকে ডেকে এনে বললেন, তুমি একে মারলে কেন? আমার মালিক বলেন, আমার খাদ্যদ্রব্য আমার অনুমতি ছাড়াই সে দান করে। তিনি বলেন, তোমরা দু’জনেই এর সমান সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৮, ই.সে. ২২৩৯)
আবূ লাহম (রাঃ)-এর মুক্ত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মালিক আমাকে গোশ্ত শুকানোর জন্য নির্দেশ দিলেন। আমার কাছে জৈনক মিসকীন আসলো। আমি তাকে এ থেকে খাওয়ার জন্য দিলাম। এটা টের পেয়ে আমার মালিক আমাকে মারধর করলেন। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে ব্যাপারটি জানালাম। তিনি তাঁকে ডেকে এনে বললেন, তুমি একে মারলে কেন? আমার মালিক বলেন, আমার খাদ্যদ্রব্য আমার অনুমতি ছাড়াই সে দান করে। তিনি বলেন, তোমরা দু’জনেই এর সমান সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৮, ই.সে. ২২৩৯)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن يزيد، - يعني ابن أبي عبيد - قال سمعت عميرا، مولى آبي اللحم قال أمرني مولاى أن أقدد، لحما فجاءني مسكين فأطعمته منه فعلم بذلك مولاى فضربني فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فدعاه . فقال " لم ضربته " . فقال يعطي طعامي بغير أن آمره . فقال " الأجر بينكما " .
সহিহ মুসলিম ২২৬০
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تصم المرأة وبعلها شاهد إلا بإذنه ولا تأذن في بيته وهو شاهد إلا بإذنه وما أنفقت من كسبه من غير أمره فإن نصف أجره له " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার একটি এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী যেন (নফল) রোযা না রাখে। তার উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া সে যেন তার ঘরে প্রবেশ করার জন্য অন্য কাউকে অনুমতি না দেয়। তার (স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া সে তার উপার্জিত সম্পদ থেকে যা কিছু দান করবে তাতেও সে (স্বামী) অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৯, ই.সে. ২২৪০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তার একটি এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া স্ত্রী যেন (নফল) রোযা না রাখে। তার উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া সে যেন তার ঘরে প্রবেশ করার জন্য অন্য কাউকে অনুমতি না দেয়। তার (স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া সে তার উপার্জিত সম্পদ থেকে যা কিছু দান করবে তাতেও সে (স্বামী) অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৯, ই.সে. ২২৪০)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تصم المرأة وبعلها شاهد إلا بإذنه ولا تأذن في بيته وهو شاهد إلا بإذنه وما أنفقت من كسبه من غير أمره فإن نصف أجره له " .
সহিহ মুসলিম ২২৫৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وزهير بن حرب جميعا عن حفص، بن غياث - قال ابن نمير حدثنا حفص، - عن محمد بن زيد، عن عمير، مولى آبي اللحم قال كنت مملوكا فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أأتصدق من مال موالي بشىء قال " نعم والأجر بينكما نصفان " .
আবূ লাহ্ম-এর [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] আযাদকৃত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম ক্রীতদাস। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আমার মালিকের সম্পদ থেকে কিছু দান করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আর তোমরা দু’জনকেই এর অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৭, ই.সে. ২২৩৮)
আবূ লাহ্ম-এর [‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] আযাদকৃত গোলাম ‘উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম ক্রীতদাস। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আমার মালিকের সম্পদ থেকে কিছু দান করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আর তোমরা দু’জনকেই এর অর্ধেক সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২২৩৭, ই.সে. ২২৩৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وزهير بن حرب جميعا عن حفص، بن غياث - قال ابن نمير حدثنا حفص، - عن محمد بن زيد، عن عمير، مولى آبي اللحم قال كنت مملوكا فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أأتصدق من مال موالي بشىء قال " نعم والأجر بينكما نصفان " .