সহিহ মুসলিম > হালাল উপার্জন থেকে সদাক্বাহ্‌ গ্রহণ এবং সদাক্বার মাল রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ২২৩৫

وحدثنيه أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث يعقوب عن سهيل ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২১৪, ই.সে.২২১৫)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২১৪, ই.সে.২২১৫)

وحدثنيه أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث يعقوب عن سهيل ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৩২

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن سعيد بن يسار، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما تصدق أحد بصدقة من طيب - ولا يقبل الله إلا الطيب - إلا أخذها الرحمن بيمينه وإن كانت تمرة فتربو في كف الرحمن حتى تكون أعظم من الجبل كما يربي أحدكم فلوه أو فصيله ‏"‏ ‏.

আবূ হূরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পবিত্র অর্থাৎ হালাল দ্বারা সদাক্বাহ্‌ দেয়- আর আল্লাহ্‌ পবিত্র বা হালাল মাল ছাড়া গ্রহণ করেন না- করুণাময় আল্লাহ্‌ তার সদাক্বাহ্ ডান হাতে গ্রহণ করেন, যদিও তা একটি খেজুর হয়। অতঃপর এ সদাক্বাহ্ দয়াময় আল্লাহ্‌র হাতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। অবশেষে তা পাহাড়ের চেয়েও অনেক বড় হয়ে যাবে-যেমন তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার বা উটের বাচ্চাকে লালন পালন করে এবং সে দিন দিন বড় হতে থাকে। (ই.ফা. ২২১১, ই.সে.২২১২)

আবূ হূরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পবিত্র অর্থাৎ হালাল দ্বারা সদাক্বাহ্‌ দেয়- আর আল্লাহ্‌ পবিত্র বা হালাল মাল ছাড়া গ্রহণ করেন না- করুণাময় আল্লাহ্‌ তার সদাক্বাহ্ ডান হাতে গ্রহণ করেন, যদিও তা একটি খেজুর হয়। অতঃপর এ সদাক্বাহ্ দয়াময় আল্লাহ্‌র হাতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। অবশেষে তা পাহাড়ের চেয়েও অনেক বড় হয়ে যাবে-যেমন তোমাদের কেউ তার ঘোড়ার বা উটের বাচ্চাকে লালন পালন করে এবং সে দিন দিন বড় হতে থাকে। (ই.ফা. ২২১১, ই.সে.২২১২)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن سعيد بن يسار، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما تصدق أحد بصدقة من طيب - ولا يقبل الله إلا الطيب - إلا أخذها الرحمن بيمينه وإن كانت تمرة فتربو في كف الرحمن حتى تكون أعظم من الجبل كما يربي أحدكم فلوه أو فصيله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৩৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يتصدق أحد بتمرة من كسب طيب إلا أخذها الله بيمينه فيربيها كما يربي أحدكم فلوه أو قلوصه حتى تكون مثل الجبل أو أعظم ‏"‏ ‏.

আবূ হূরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হালাল ও পবিত্র উপার্জিত একটি খেজুর দান করলে আল্লাহ্‌ তা’আলা ডান হাতে তা গ্রহণ করেন এবং তোমাদের কেউ যেভাবে উটের বা ঘোড়ার বাচ্চা লালন পালন করে বড় করে থাকে, তিনিও সেভাবে এটা বাড়াতে থাকেন। অবশেষে তা পাহাড় অথবা এর চেয়েও অনেক বড় হয়। (ই.ফা. ২২১২, ই.সে.২২১৩)

আবূ হূরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার হালাল ও পবিত্র উপার্জিত একটি খেজুর দান করলে আল্লাহ্‌ তা’আলা ডান হাতে তা গ্রহণ করেন এবং তোমাদের কেউ যেভাবে উটের বা ঘোড়ার বাচ্চা লালন পালন করে বড় করে থাকে, তিনিও সেভাবে এটা বাড়াতে থাকেন। অবশেষে তা পাহাড় অথবা এর চেয়েও অনেক বড় হয়। (ই.ফা. ২২১২, ই.সে.২২১৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يتصدق أحد بتمرة من كسب طيب إلا أخذها الله بيمينه فيربيها كما يربي أحدكم فلوه أو قلوصه حتى تكون مثل الجبل أو أعظم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৩৬

وحدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا فضيل بن مرزوق، حدثني عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أيها الناس إن الله طيب لا يقبل إلا طيبا وإن الله أمر المؤمنين بما أمر به المرسلين فقال ‏{‏ يا أيها الرسل كلوا من الطيبات واعملوا صالحا إني بما تعملون عليم‏}‏ وقال ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا كلوا من طيبات ما رزقناكم‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر الرجل يطيل السفر أشعث أغبر يمد يديه إلى السماء يا رب يا رب ومطعمه حرام ومشربه حرام وملبسه حرام وغذي بالحرام فأنى يستجاب لذلك ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র, তিনি পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর প্রেরিত রসূলদের যে হুকুম দিয়েছেন মুমিনদেরকেও সে হুকুম দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “হে রসূলগণ! তোমরা পবিত্র ও হালাল জিনিস আহার কর এবং ভালো কাজ কর। আমি তোমাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে জ্ঞাত”। (সূরাহ্‌ আল মু’মিনূন ২৩:৫১) তিনি (আল্লাহ্‌) আরো বলেছেন, “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! আমি তোমাদের যে সব পবিত্র জিনিস রিয্‌ক্ব হিসেবে দিয়েছি তা খাও”- (সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ ২:১৭২)। অতঃপর তিনি এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সফর করে। ফলে সে ধুলি ধূসরিত রুক্ষ্ণ কেশধারী হয়ে পড়ে। অতঃপর সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, “হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পরিধেয় বস্ত্র হারাম এবং আহার্যও হারাম। কাজেই এমন ব্যক্তির দু’আ তিনি করে কবুল করতে পারেন?” (ই.ফা. ২২১৫, ই.সে.২২১৬)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র, তিনি পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর প্রেরিত রসূলদের যে হুকুম দিয়েছেন মুমিনদেরকেও সে হুকুম দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “হে রসূলগণ! তোমরা পবিত্র ও হালাল জিনিস আহার কর এবং ভালো কাজ কর। আমি তোমাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে জ্ঞাত”। (সূরাহ্‌ আল মু’মিনূন ২৩:৫১) তিনি (আল্লাহ্‌) আরো বলেছেন, “তোমরা যারা ঈমান এনেছ শোন! আমি তোমাদের যে সব পবিত্র জিনিস রিয্‌ক্ব হিসেবে দিয়েছি তা খাও”- (সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ ২:১৭২)। অতঃপর তিনি এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সফর করে। ফলে সে ধুলি ধূসরিত রুক্ষ্ণ কেশধারী হয়ে পড়ে। অতঃপর সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, “হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পরিধেয় বস্ত্র হারাম এবং আহার্যও হারাম। কাজেই এমন ব্যক্তির দু’আ তিনি করে কবুল করতে পারেন?” (ই.ফা. ২২১৫, ই.সে.২২১৬)

وحدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا فضيل بن مرزوق، حدثني عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أيها الناس إن الله طيب لا يقبل إلا طيبا وإن الله أمر المؤمنين بما أمر به المرسلين فقال ‏{‏ يا أيها الرسل كلوا من الطيبات واعملوا صالحا إني بما تعملون عليم‏}‏ وقال ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا كلوا من طيبات ما رزقناكم‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر الرجل يطيل السفر أشعث أغبر يمد يديه إلى السماء يا رب يا رب ومطعمه حرام ومشربه حرام وملبسه حرام وغذي بالحرام فأنى يستجاب لذلك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৩৪

وحدثني أمية بن بسطام، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح بن القاسم، ح وحدثنيه أحمد بن عثمان الأودي، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سليمان، - يعني ابن بلال - كلاهما عن سهيل، بهذا الإسناد ‏.‏ في حديث روح ‏"‏ من الكسب الطيب فيضعها في حقها ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث سليمان ‏"‏ فيضعها في موضعها ‏"‏ ‏.

সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে (রাবীদের বর্ণনায় কিছুটা শাব্দিক পার্থক্য রয়েছে) রাওহ্ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে বৈধ উপার্জন হতে, অতঃপর খরচ করে সে তা তার প্রাপ্য স্থানে এবং সুলায়মানের হাদীসে “অতঃপর সে ব্যয় করে তা যথাস্থানে”। (ই.ফা. ২২১৩, ই.সে.২২১৪)

সুহায়ল (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে (রাবীদের বর্ণনায় কিছুটা শাব্দিক পার্থক্য রয়েছে) রাওহ্ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে বৈধ উপার্জন হতে, অতঃপর খরচ করে সে তা তার প্রাপ্য স্থানে এবং সুলায়মানের হাদীসে “অতঃপর সে ব্যয় করে তা যথাস্থানে”। (ই.ফা. ২২১৩, ই.সে.২২১৪)

وحدثني أمية بن بسطام، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح بن القاسم، ح وحدثنيه أحمد بن عثمان الأودي، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سليمان، - يعني ابن بلال - كلاهما عن سهيل، بهذا الإسناد ‏.‏ في حديث روح ‏"‏ من الكسب الطيب فيضعها في حقها ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث سليمان ‏"‏ فيضعها في موضعها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > দানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা যদিও তা এক টুকরা খেজুর বা ভালো কথা বলার মাধ্যমে হয়, সদাক্বাহ্‌ জাহান্নামের অগ্নি থেকে হিফাযাতকারী

সহিহ মুসলিম ২২৩৭

حدثنا عون بن سلام الكوفي، حدثنا زهير بن معاوية الجعفي، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن معقل، عن عدي بن حاتم، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من استطاع منكم أن يستتر من النار ولو بشق تمرة فليفعل ‏"‏ ‏.

’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার সামর্থ্য রাখে সে যেন একটা খেজুর দিয়ে হলেও তাই করে। (অর্থাৎ দান যতই ক্ষুদ্র হোক তাঁকে খাটো করে দেখা যাবে না। সামান্য দানও কবূল হলে নাযাতের ওয়াসীলাহ্‌ হতে পারে)। (ই.ফা. ২২১৬, ই.সে.২২১৭)

’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার সামর্থ্য রাখে সে যেন একটা খেজুর দিয়ে হলেও তাই করে। (অর্থাৎ দান যতই ক্ষুদ্র হোক তাঁকে খাটো করে দেখা যাবে না। সামান্য দানও কবূল হলে নাযাতের ওয়াসীলাহ্‌ হতে পারে)। (ই.ফা. ২২১৬, ই.সে.২২১৭)

حدثنا عون بن سلام الكوفي، حدثنا زهير بن معاوية الجعفي، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن معقل، عن عدي بن حاتم، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من استطاع منكم أن يستتر من النار ولو بشق تمرة فليفعل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৩৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم النار فأعرض وأشاح ثم قال ‏"‏ اتقوا النار ‏"‏ ‏.‏ ثم أعرض وأشاح حتى ظننا أنه كأنما ينظر إليها ثم قال ‏"‏ اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر أبو كريب كأنما وقال حدثنا أبو معاوية حدثنا الأعمش ‏.

’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের শাস্তির কথা উল্লেখ করে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং চরম অস্বস্তির ভাব প্রকাশ করলেন- “তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর”। তিনি পুনরায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এমন ভাব প্রকাশ করলেন যাতে আমাদের মনে হচ্ছিল যে, তিনি তা দেখেছেন। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর যদি তা এক টুকরা খেজুরের বিনিময়েও হয়। আর যার এ সামর্থ্যটুকু নেই সে যেন ভাল কথার মাধ্যমে তা করে”। বর্ণনাকারী আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনায় (আরবী) ‘যেন’ শব্দটির উল্লেখ নেই। তিনি বলেন, আবূ মু’আবিয়াহ্‌ আমার কাছে বলেন এবং আ’মাশ তার কাছে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২২১৮, ই.সে.২২১৯)

’আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের শাস্তির কথা উল্লেখ করে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং চরম অস্বস্তির ভাব প্রকাশ করলেন- “তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর”। তিনি পুনরায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এমন ভাব প্রকাশ করলেন যাতে আমাদের মনে হচ্ছিল যে, তিনি তা দেখেছেন। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর যদি তা এক টুকরা খেজুরের বিনিময়েও হয়। আর যার এ সামর্থ্যটুকু নেই সে যেন ভাল কথার মাধ্যমে তা করে”। বর্ণনাকারী আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনায় (আরবী) ‘যেন’ শব্দটির উল্লেখ নেই। তিনি বলেন, আবূ মু’আবিয়াহ্‌ আমার কাছে বলেন এবং আ’মাশ তার কাছে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ২২১৮, ই.সে.২২১৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم النار فأعرض وأشاح ثم قال ‏"‏ اتقوا النار ‏"‏ ‏.‏ ثم أعرض وأشاح حتى ظننا أنه كأنما ينظر إليها ثم قال ‏"‏ اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر أبو كريب كأنما وقال حدثنا أبو معاوية حدثنا الأعمش ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৪০

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه ذكر النار فتعوذ منها وأشاح بوجهه ثلاث مرار ثم قال ‏ "‏ اتقوا النار ولو بشق تمرة فإن لم تجدوا فبكلمة طيبة ‏"‏ ‏.

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের কথা উল্লেখ করে (আল্লাহ্‌র কাছে) এর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করলেন এবং তিনবার মুখ ফিরিয়ে অস্বস্তির ভাব প্রকাশ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর যদি তা এক টুকরো খেজুরের মাধ্যমেও হয়। আর যদি তোমরা এতটুকু দান করতেও সমর্থ না হও তাহলে ভাল কথার মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে বাঁচো। (ই.ফা. ২২১৯, ই.সে.২২২০)

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাহান্নামের কথা উল্লেখ করে (আল্লাহ্‌র কাছে) এর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করলেন এবং তিনবার মুখ ফিরিয়ে অস্বস্তির ভাব প্রকাশ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর যদি তা এক টুকরো খেজুরের মাধ্যমেও হয়। আর যদি তোমরা এতটুকু দান করতেও সমর্থ না হও তাহলে ভাল কথার মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে বাঁচো। (ই.ফা. ২২১৯, ই.সে.২২২০)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه ذكر النار فتعوذ منها وأشاح بوجهه ثلاث مرار ثم قال ‏ "‏ اتقوا النار ولو بشق تمرة فإن لم تجدوا فبكلمة طيبة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৪৪

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن موسى بن عبد الله بن، يزيد وأبي الضحى عن عبد الرحمن بن هلال العبسي، عن جرير بن عبد الله، قال جاء ناس من الأعراب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عليهم الصوف فرأى سوء حالهم ‏.‏ قد أصابتهم حاجة ‏.‏ فذكر بمعنى حديثهم ‏.

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় গ্রাম থেকে কয়েক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদের দুরবস্থা দেখেন। তারা অভাব অনটনে নিমজ্জিত আছে। হাদীসের অবশিষ্ঠ বর্ণনা পূর্বের হাদীসসমূহের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২২৩, ই.সে.২২২৪)

জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় গ্রাম থেকে কয়েক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসল। তিনি তাদের দুরবস্থা দেখেন। তারা অভাব অনটনে নিমজ্জিত আছে। হাদীসের অবশিষ্ঠ বর্ণনা পূর্বের হাদীসসমূহের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২২৩, ই.সে.২২২৪)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن موسى بن عبد الله بن، يزيد وأبي الضحى عن عبد الرحمن بن هلال العبسي، عن جرير بن عبد الله، قال جاء ناس من الأعراب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عليهم الصوف فرأى سوء حالهم ‏.‏ قد أصابتهم حاجة ‏.‏ فذكر بمعنى حديثهم ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৩৮

حدثنا علي بن حجر السعدي، وإسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قال ابن حجر حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن خيثمة، عن عدي، بن حاتم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما منكم من أحد إلا سيكلمه الله ليس بينه وبينه ترجمان فينظر أيمن منه فلا يرى إلا ما قدم وينظر أشأم منه فلا يرى إلا ما قدم وينظر بين يديه فلا يرى إلا النار تلقاء وجهه فاتقوا النار ولو بشق تمرة ‏"‏ ‏.‏ زاد ابن حجر قال الأعمش وحدثني عمرو بن مرة عن خيثمة مثله وزاد فيه ‏"‏ ولو بكلمة طيبة ‏"‏ ‏.‏ وقال إسحاق قال الأعمش عن عمرو بن مرة عن خيثمة ‏.

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যকেকেই আল্লাহ্‌ তা’আলার সাথে কথা বলতে হবে তা এমনভাবে যে, আল্লাহ্‌ ও বান্দার মধ্যে কোন দোভাষী থাকবে না। সে ডান দিকে তাকালে তাঁর পৃথিবীতে করা যাবতীয় কাজ দেখতে পাবে। আর বাম দিকে তাকালেও সে তার কৃতকর্ম (ছাড়া আর কিছু) দেখতে পাবে না- যা তার মুখের কাছেই থাকবে। সুতরাং এক টুকরো খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামের আগুন থেকে নিষ্কৃতি লাভ কর। ইবনু হুজ্‌র (রহঃ) ... খায়সামাহ্‌ (রহঃ) থেকে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তবে তাঁর বর্ণনায় “একটি পবিত্র এবং ভালো কথার মাধ্যমে হলেও” কথাটি বর্ধিত বর্ণনা রয়েছে। ইসহাক্ব (রহঃ) ‘আম্‌র ইবনু মুর্‌রাহ্‌ (রহঃ)-এর সুত্রে খায়সামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২২১৭, ই.সে.২২১৮)

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যকেকেই আল্লাহ্‌ তা’আলার সাথে কথা বলতে হবে তা এমনভাবে যে, আল্লাহ্‌ ও বান্দার মধ্যে কোন দোভাষী থাকবে না। সে ডান দিকে তাকালে তাঁর পৃথিবীতে করা যাবতীয় কাজ দেখতে পাবে। আর বাম দিকে তাকালেও সে তার কৃতকর্ম (ছাড়া আর কিছু) দেখতে পাবে না- যা তার মুখের কাছেই থাকবে। সুতরাং এক টুকরো খেজুর দিয়ে হলেও জাহান্নামের আগুন থেকে নিষ্কৃতি লাভ কর। ইবনু হুজ্‌র (রহঃ) ... খায়সামাহ্‌ (রহঃ) থেকে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তবে তাঁর বর্ণনায় “একটি পবিত্র এবং ভালো কথার মাধ্যমে হলেও” কথাটি বর্ধিত বর্ণনা রয়েছে। ইসহাক্ব (রহঃ) ‘আম্‌র ইবনু মুর্‌রাহ্‌ (রহঃ)-এর সুত্রে খায়সামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২২১৭, ই.সে.২২১৮)

حدثنا علي بن حجر السعدي، وإسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قال ابن حجر حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن خيثمة، عن عدي، بن حاتم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما منكم من أحد إلا سيكلمه الله ليس بينه وبينه ترجمان فينظر أيمن منه فلا يرى إلا ما قدم وينظر أشأم منه فلا يرى إلا ما قدم وينظر بين يديه فلا يرى إلا النار تلقاء وجهه فاتقوا النار ولو بشق تمرة ‏"‏ ‏.‏ زاد ابن حجر قال الأعمش وحدثني عمرو بن مرة عن خيثمة مثله وزاد فيه ‏"‏ ولو بكلمة طيبة ‏"‏ ‏.‏ وقال إسحاق قال الأعمش عن عمرو بن مرة عن خيثمة ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৪২

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، العنبري حدثنا أبي قالا، جميعا حدثنا شعبة، حدثني عون بن أبي جحيفة، قال سمعت المنذر بن جرير، عن أبيه، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم صدر النهار ‏.‏ بمثل حديث ابن جعفر وفي حديث ابن معاذ من الزيادة قال ثم صلى الظهر ثم خطب ‏.

মুন্‌যির ইবনু জারীর (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা দিনের প্রথম ভাগে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম ... ইবনু জা’ফারের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। আর মু’আয (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আরো আছে : (আরবী) “অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন এবং ভাষণ দিলেন” উক্তিটি অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২২১, ই.সে.২২২২)

মুন্‌যির ইবনু জারীর (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা দিনের প্রথম ভাগে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম ... ইবনু জা’ফারের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। আর মু’আয (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আরো আছে : (আরবী) “অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন এবং ভাষণ দিলেন” উক্তিটি অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২২১, ই.সে.২২২২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، العنبري حدثنا أبي قالا، جميعا حدثنا شعبة، حدثني عون بن أبي جحيفة، قال سمعت المنذر بن جرير، عن أبيه، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم صدر النهار ‏.‏ بمثل حديث ابن جعفر وفي حديث ابن معاذ من الزيادة قال ثم صلى الظهر ثم خطب ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৪৩

حدثني عبيد الله بن عمر القواريري، وأبو كامل ومحمد بن عبد الملك الأموي قالوا حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن المنذر بن جرير، عن أبيه، قال كنت جالسا عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتاه قوم مجتابي النمار وساقوا الحديث بقصته وفيه فصلى الظهر ثم صعد منبرا صغيرا فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ أما بعد فإن الله أنزل في كتابه ‏{‏ يا أيها الناس اتقوا ربكم‏}‏ الآية ‏"‏ ‏.

মুন্‌যির ইবনু জারীর (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসা ছিলাম। এ সময় চামড়ার আবা পরিহিত একদল লোক আসলেন ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছে, অতঃপর তিনি যুহরের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর ছোট একটি মিম্বারে উঠে আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা ও গুণগান করলেন। অতঃপর বললেন, আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে নাযিল করেছেন-“হে মানব গোষ্ঠী! তোমরা তোমাদের প্রভুকে ভয় কর। (ই.ফা. ২২২২, ই.সে.২২২৩)

মুন্‌যির ইবনু জারীর (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসা ছিলাম। এ সময় চামড়ার আবা পরিহিত একদল লোক আসলেন ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছে, অতঃপর তিনি যুহরের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর ছোট একটি মিম্বারে উঠে আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা ও গুণগান করলেন। অতঃপর বললেন, আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে নাযিল করেছেন-“হে মানব গোষ্ঠী! তোমরা তোমাদের প্রভুকে ভয় কর। (ই.ফা. ২২২২, ই.সে.২২২৩)

حدثني عبيد الله بن عمر القواريري، وأبو كامل ومحمد بن عبد الملك الأموي قالوا حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن المنذر بن جرير، عن أبيه، قال كنت جالسا عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتاه قوم مجتابي النمار وساقوا الحديث بقصته وفيه فصلى الظهر ثم صعد منبرا صغيرا فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ أما بعد فإن الله أنزل في كتابه ‏{‏ يا أيها الناس اتقوا ربكم‏}‏ الآية ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৪১

حدثني محمد بن المثنى العنزي، أخبرنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عون، بن أبي جحيفة عن المنذر بن جرير، عن أبيه، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في صدر النهار قال فجاءه قوم حفاة عراة مجتابي النمار أو العباء متقلدي السيوف عامتهم من مضر بل كلهم من مضر فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم لما رأى بهم من الفاقة فدخل ثم خرج فأمر بلالا فأذن وأقام فصلى ثم خطب فقال ‏"‏ ‏{‏ يا أيها الناس اتقوا ربكم الذي خلقكم من نفس واحدة‏}‏ إلى آخر الآية ‏{‏ إن الله كان عليكم رقيبا‏}‏ والآية التي في الحشر ‏{‏ اتقوا الله ولتنظر نفس ما قدمت لغد واتقوا الله‏}‏ تصدق رجل من ديناره من درهمه من ثوبه من صاع بره من صاع تمره - حتى قال - ولو بشق تمرة ‏"‏ ‏.‏ قال فجاء رجل من الأنصار بصرة كادت كفه تعجز عنها بل قد عجزت - قال - ثم تتابع الناس حتى رأيت كومين من طعام وثياب حتى رأيت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتهلل كأنه مذهبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من سن في الإسلام سنة حسنة فله أجرها وأجر من عمل بها بعده من غير أن ينقص من أجورهم شىء ومن سن في الإسلام سنة سيئة كان عليه وزرها ووزر من عمل بها من بعده من غير أن ينقص من أوزارهم شىء ‏"‏ ‏.‏

মুনযির ইবনু জারীর থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা ভোরের দিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এ সময় তাঁর কাছে পাদুকাবিহীন, বস্ত্রহীন, গলার চামড়ার আবা পরিহিত এবং নিজেদের তরবারি ঝুলন্ত অবস্থায় একদল লোক আসল। এদের অধিকাংশ কিংবা সকলেই মুযার গোত্রের লোক ছিল। অভাব অনটনে তাদের এ করুণ অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল পরিবর্তিত ও বিষন্ন হয়ে গেল। তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন, অতঃপর বেরিয়ে আসলেন। তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। বিলাল (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত দিলেন। সলাত শেষ করে তিনি উপস্থিত মুসল্লীদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “হে মানব জাতি! তোমরা নিজেদের প্রতিপালককে ভয় কর যিনি তোমাদের একটি মাত্র ব্যক্তি থেকে [আদম (‘আঃ)]! থেকে সৃষ্টি করেছেন। ... নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের রক্ষণাবেক্ষণকারী”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪:১)। অতঃপর তিনি সূরাহ হাশ্রের শেষের দিকের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তি যেন ভবিষ্যতের জন্য কী সঞ্চয় করেছে সেদিকে লক্ষ্য করে”-(সূরাহ্ আল হাশ্র ৫৯:১৮)। অতঃপর উপস্থিত লোকদের কেউ তার দীনার, কেউ দিরহাম, কেউ কাপড়, কেউ এক সা’আটা ও কেউ এক সা’ খেজুর দান করল। অবশেষে তিনি বললেন, অন্ততঃ এক টুকরা খেজুর হলেও নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি একটি বিরাট থলি নিয়ে আসলেন। এর ভারে তার হাত অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে যাচ্ছিল কিংবা অবশ হয়ে গেল। রাবী আরো বলেন, অতঃপর লোকেরা সারিবদ্ধভাবে একের পর এক দান করতে থাকল। ফলে খাদ্য ও কাপড়ের দুটি স্তূপ হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মুবারক খাঁটি সোনার ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে হাসতে লাগল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে কোন উত্তম প্রথা বা কাজের প্রচলন করে সে তার এ কাজের সাওয়াব পাবে এবং তার পরে যারা তার এ কাজ দেখে তা করবে সে এর বিনিময়েও সাওয়াব পাবে। তবে এতে তাদের সাওয়াব কোন অংশে কমানো হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে (ইসলামের পরিপন্থী) কোন খারাপ প্রথা বা কাজের প্রচলন করবে, তাকে তার এ কাজের বোঝা (গুনাহ এবং শাস্তি) বহন করতে হবে। তারপর যারা তাকে অনুসরণ করে এ কাজ করবে তাদের সমপরিমাণ বোঝাও তাকে বইতে হবে। তবে এতে তাদের অপরাধ ও শাস্তি কোন অংশেই কমবে না। (ই.ফা. ২২২০, ই.সে. ২২২১)

মুনযির ইবনু জারীর থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা ভোরের দিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এ সময় তাঁর কাছে পাদুকাবিহীন, বস্ত্রহীন, গলার চামড়ার আবা পরিহিত এবং নিজেদের তরবারি ঝুলন্ত অবস্থায় একদল লোক আসল। এদের অধিকাংশ কিংবা সকলেই মুযার গোত্রের লোক ছিল। অভাব অনটনে তাদের এ করুণ অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল পরিবর্তিত ও বিষন্ন হয়ে গেল। তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন, অতঃপর বেরিয়ে আসলেন। তিনি বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। বিলাল (রাঃ) আযান ও ইক্বামাত দিলেন। সলাত শেষ করে তিনি উপস্থিত মুসল্লীদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “হে মানব জাতি! তোমরা নিজেদের প্রতিপালককে ভয় কর যিনি তোমাদের একটি মাত্র ব্যক্তি থেকে [আদম (‘আঃ)]! থেকে সৃষ্টি করেছেন। ... নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের রক্ষণাবেক্ষণকারী”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪:১)। অতঃপর তিনি সূরাহ হাশ্রের শেষের দিকের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তি যেন ভবিষ্যতের জন্য কী সঞ্চয় করেছে সেদিকে লক্ষ্য করে”-(সূরাহ্ আল হাশ্র ৫৯:১৮)। অতঃপর উপস্থিত লোকদের কেউ তার দীনার, কেউ দিরহাম, কেউ কাপড়, কেউ এক সা’আটা ও কেউ এক সা’ খেজুর দান করল। অবশেষে তিনি বললেন, অন্ততঃ এক টুকরা খেজুর হলেও নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি একটি বিরাট থলি নিয়ে আসলেন। এর ভারে তার হাত অবসাদ্গ্রস্ত হয়ে যাচ্ছিল কিংবা অবশ হয়ে গেল। রাবী আরো বলেন, অতঃপর লোকেরা সারিবদ্ধভাবে একের পর এক দান করতে থাকল। ফলে খাদ্য ও কাপড়ের দুটি স্তূপ হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মুবারক খাঁটি সোনার ন্যায় উজ্জ্বল হয়ে হাসতে লাগল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে কোন উত্তম প্রথা বা কাজের প্রচলন করে সে তার এ কাজের সাওয়াব পাবে এবং তার পরে যারা তার এ কাজ দেখে তা করবে সে এর বিনিময়েও সাওয়াব পাবে। তবে এতে তাদের সাওয়াব কোন অংশে কমানো হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে (ইসলামের পরিপন্থী) কোন খারাপ প্রথা বা কাজের প্রচলন করবে, তাকে তার এ কাজের বোঝা (গুনাহ এবং শাস্তি) বহন করতে হবে। তারপর যারা তাকে অনুসরণ করে এ কাজ করবে তাদের সমপরিমাণ বোঝাও তাকে বইতে হবে। তবে এতে তাদের অপরাধ ও শাস্তি কোন অংশেই কমবে না। (ই.ফা. ২২২০, ই.সে. ২২২১)

حدثني محمد بن المثنى العنزي، أخبرنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عون، بن أبي جحيفة عن المنذر بن جرير، عن أبيه، قال كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في صدر النهار قال فجاءه قوم حفاة عراة مجتابي النمار أو العباء متقلدي السيوف عامتهم من مضر بل كلهم من مضر فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم لما رأى بهم من الفاقة فدخل ثم خرج فأمر بلالا فأذن وأقام فصلى ثم خطب فقال ‏"‏ ‏{‏ يا أيها الناس اتقوا ربكم الذي خلقكم من نفس واحدة‏}‏ إلى آخر الآية ‏{‏ إن الله كان عليكم رقيبا‏}‏ والآية التي في الحشر ‏{‏ اتقوا الله ولتنظر نفس ما قدمت لغد واتقوا الله‏}‏ تصدق رجل من ديناره من درهمه من ثوبه من صاع بره من صاع تمره - حتى قال - ولو بشق تمرة ‏"‏ ‏.‏ قال فجاء رجل من الأنصار بصرة كادت كفه تعجز عنها بل قد عجزت - قال - ثم تتابع الناس حتى رأيت كومين من طعام وثياب حتى رأيت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتهلل كأنه مذهبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من سن في الإسلام سنة حسنة فله أجرها وأجر من عمل بها بعده من غير أن ينقص من أجورهم شىء ومن سن في الإسلام سنة سيئة كان عليه وزرها ووزر من عمل بها من بعده من غير أن ينقص من أوزارهم شىء ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সদাক্বাহ্‌ করার জন্য পারিশ্রমিকের বোঝা বহন করা, দানকারীর দান পরিমাণে কম করলে খোঁটা দেয়া বা তাকে হেয় মনে করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ২২৪৫

حدثني يحيى بن معين، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، ح وحدثنيه بشر بن خالد، - واللفظ له - أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن أبي وائل، عن أبي مسعود، قال أمرنا بالصدقة ‏.‏ قال كنا نحامل - قال - فتصدق أبو عقيل بنصف صاع - قال - وجاء إنسان بشىء أكثر منه فقال المنافقون إن الله لغني عن صدقة هذا وما فعل هذا الآخر إلا رياء فنزلت ‏{‏ الذين يلمزون المطوعين من المؤمنين في الصدقات والذين لا يجدون إلا جهدهم‏}‏ ولم يلفظ بشر بالمطوعين ‏.‏

আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বোঝা বহনকারী শ্রমিক ছিলাম, আমাদেরকে দান-খায়রাত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। অতঃপর আবূ ‘আক্বীল অর্ধ সা’ সদাক্বাহ্‌ করল এবং আরেক ব্যক্তি এর চেয়ে কিছু বেশী নিয়ে আসল। মুনাফিক্বরা বলতে লাগল আল্লাহ্‌র কাছে সামান্য দানের কোন মূল্য নেই এবং তিনি এর মুখাপেক্ষী নন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি (আবূ ‘আক্বীল) শুধু লোক দেখানোর উদ্দেশেই দান করেছেন। অতঃপর এ আয়াত নাযিল হলো: “যারা বিদ্রূপ করে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সদাক্বাহ্‌ প্রদানকারী মু’মিনদেরকে, আর তাদেরকে যাদের পারিশ্রমিক ছাড়া কোন আয় বা সামর্থ্য নেই”- (সূরাহ আত্‌ ত্বওবাহ্‌ ৯:৭৯)। বিশ্‌রের বর্ণনায় (আরবী) শব্দটি নেই। (ই.ফা. ২২২৪, ই.সে.২২২৫)

আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বোঝা বহনকারী শ্রমিক ছিলাম, আমাদেরকে দান-খায়রাত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। অতঃপর আবূ ‘আক্বীল অর্ধ সা’ সদাক্বাহ্‌ করল এবং আরেক ব্যক্তি এর চেয়ে কিছু বেশী নিয়ে আসল। মুনাফিক্বরা বলতে লাগল আল্লাহ্‌র কাছে সামান্য দানের কোন মূল্য নেই এবং তিনি এর মুখাপেক্ষী নন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি (আবূ ‘আক্বীল) শুধু লোক দেখানোর উদ্দেশেই দান করেছেন। অতঃপর এ আয়াত নাযিল হলো: “যারা বিদ্রূপ করে স্বেচ্ছায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সদাক্বাহ্‌ প্রদানকারী মু’মিনদেরকে, আর তাদেরকে যাদের পারিশ্রমিক ছাড়া কোন আয় বা সামর্থ্য নেই”- (সূরাহ আত্‌ ত্বওবাহ্‌ ৯:৭৯)। বিশ্‌রের বর্ণনায় (আরবী) শব্দটি নেই। (ই.ফা. ২২২৪, ই.সে.২২২৫)

حدثني يحيى بن معين، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، ح وحدثنيه بشر بن خالد، - واللفظ له - أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن أبي وائل، عن أبي مسعود، قال أمرنا بالصدقة ‏.‏ قال كنا نحامل - قال - فتصدق أبو عقيل بنصف صاع - قال - وجاء إنسان بشىء أكثر منه فقال المنافقون إن الله لغني عن صدقة هذا وما فعل هذا الآخر إلا رياء فنزلت ‏{‏ الذين يلمزون المطوعين من المؤمنين في الصدقات والذين لا يجدون إلا جهدهم‏}‏ ولم يلفظ بشر بالمطوعين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২২৪৬

وحدثنا محمد بن بشار، حدثني سعيد بن الربيع، ح وحدثنيه إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو داود، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديث سعيد بن الربيع قال كنا نحامل على ظهورنا ‏.

শু’বাহ্ (রাঃ) থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সা’ঈদ ইবনু রবী’-এর বর্ণনায় আছে: আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন, আমরা পিঠে করে বোঝা বহন করতাম। (ই.ফা. ২২২৫, ই.সে.২২২৬)

শু’বাহ্ (রাঃ) থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সা’ঈদ ইবনু রবী’-এর বর্ণনায় আছে: আবূ মাস’ঊদ (রাঃ) বলেন, আমরা পিঠে করে বোঝা বহন করতাম। (ই.ফা. ২২২৫, ই.সে.২২২৬)

وحدثنا محمد بن بشار، حدثني سعيد بن الربيع، ح وحدثنيه إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو داود، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديث سعيد بن الربيع قال كنا نحامل على ظهورنا ‏.


সহিহ মুসলিম > দুগ্ধবতী জন্তু বিনামূল্যে দান করার ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ২২৪৭

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به ‏ "‏ ألا رجل يمنح أهل بيت ناقة تغدو بعس وتروح بعس إن أجرها لعظيم ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

“যে ব্যক্তি কোন পরিবারকে এমন একটি উস্ট্রী দান করে যা সকাল ও সন্ধ্যা বড় একটি পাত্র ভর্তি দুধ দেয়, এর বিনিময়ে তার অনেক সাওয়াব হয়।” (ই.ফা. ২২২৬, ই.সে.২২২৭)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

“যে ব্যক্তি কোন পরিবারকে এমন একটি উস্ট্রী দান করে যা সকাল ও সন্ধ্যা বড় একটি পাত্র ভর্তি দুধ দেয়, এর বিনিময়ে তার অনেক সাওয়াব হয়।” (ই.ফা. ২২২৬, ই.সে.২২২৭)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به ‏ "‏ ألا رجل يمنح أهل بيت ناقة تغدو بعس وتروح بعس إن أجرها لعظيم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২২৪৮

حدثني محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا زكرياء بن عدي، أخبرنا عبيد الله، بن عمرو عن زيد، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى فذكر خصالا وقال ‏ "‏ من منح منيحة غدت بصدقة وراحت بصدقة صبوحها وغبوقها ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়ারাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কিছু সংখ্যক কাজ ও অভ্যাস পরিত্যাগের নির্দেশ দান করলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি মানীহাহ্ (অর্থাৎ দুগ্ধবতী জন্তু বিনামূল্যে দুধ পানের জন্য) দান করে, সকাল সন্ধ্যায় যখনই এর দুধ পান করা হয় তখনই সে একটি করে সদাকার সাওয়াব লাভ করে। (ই.ফা. ২২২৭, ই.সে.২২২৮)

আবূ হুরায়ারাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কিছু সংখ্যক কাজ ও অভ্যাস পরিত্যাগের নির্দেশ দান করলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি মানীহাহ্ (অর্থাৎ দুগ্ধবতী জন্তু বিনামূল্যে দুধ পানের জন্য) দান করে, সকাল সন্ধ্যায় যখনই এর দুধ পান করা হয় তখনই সে একটি করে সদাকার সাওয়াব লাভ করে। (ই.ফা. ২২২৭, ই.সে.২২২৮)

حدثني محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا زكرياء بن عدي، أخبرنا عبيد الله، بن عمرو عن زيد، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى فذكر خصالا وقال ‏ "‏ من منح منيحة غدت بصدقة وراحت بصدقة صبوحها وغبوقها ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00