সহিহ মুসলিম > সর্বপ্রথম নিজের জন্য, অতঃপর ঘরের লোকের জন্য, অতঃপর আত্মীয়-স্বজনের জন্য ব্যয় করা
সহিহ মুসলিম ২২০৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، قال أعتق رجل من بني عذرة عبدا له عن دبر، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " ألك مال غيره " . فقال لا . فقال " من يشتريه مني " . فاشتراه نعيم بن عبد الله العدوي بثمانمائة درهم فجاء بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفعها إليه ثم قال " ابدأ بنفسك فتصدق عليها فإن فضل شىء فلأهلك فإن فضل عن أهلك شىء فلذي قرابتك فإن فضل عن ذي قرابتك شىء فهكذا وهكذا " . يقول فبين يديك وعن يمينك وعن شمالك .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বনু ‘উয্রাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে তার মৃত্যুর পর মুক্ত হওয়ার কথা দিলেন। অতঃপর এ সংবাদ রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কানে পৌছলে তিনি বললেন, এ ছাড়া তোমার কাছে কি আর কোন সম্পদ আছে? তিনি বললেন, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন কে আছ যে আমার কাছ থেকে এ গোলামটিকে ক্রয় করবে? নু’আয়ম ইবনু ‘‘আবদুল্লাহ আল ‘আদাবী (রাঃ) তাকে আটশ’ দিরহামে ক্রয় করলেন। তারপর তিনি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ দিরহামগুলো নিয়ে আসলেন। তিনি তা গোলামের মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে বললেন, “এ অর্থ তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর, তারপর যদি কিছু বাকি থাকে তাহলে তোমার পরিবারের লোকদের জন্য তা ব্যয় কর, অতঃপর তোমার নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর, এরপর ও যদি কিছু অবকাশ থাকে তাহলে তা এদিকে সেদিকে ব্যয় কর”। এ বলে তিনি সামনে ডানে ও বামে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। (ই.ফা. ২১৮২, ই.সে. ২১৮৪)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বনু ‘উয্রাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে তার মৃত্যুর পর মুক্ত হওয়ার কথা দিলেন। অতঃপর এ সংবাদ রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কানে পৌছলে তিনি বললেন, এ ছাড়া তোমার কাছে কি আর কোন সম্পদ আছে? তিনি বললেন, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন কে আছ যে আমার কাছ থেকে এ গোলামটিকে ক্রয় করবে? নু’আয়ম ইবনু ‘‘আবদুল্লাহ আল ‘আদাবী (রাঃ) তাকে আটশ’ দিরহামে ক্রয় করলেন। তারপর তিনি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ দিরহামগুলো নিয়ে আসলেন। তিনি তা গোলামের মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে বললেন, “এ অর্থ তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর, তারপর যদি কিছু বাকি থাকে তাহলে তোমার পরিবারের লোকদের জন্য তা ব্যয় কর, অতঃপর তোমার নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর, এরপর ও যদি কিছু অবকাশ থাকে তাহলে তা এদিকে সেদিকে ব্যয় কর”। এ বলে তিনি সামনে ডানে ও বামে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। (ই.ফা. ২১৮২, ই.সে. ২১৮৪)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، قال أعتق رجل من بني عذرة عبدا له عن دبر، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " ألك مال غيره " . فقال لا . فقال " من يشتريه مني " . فاشتراه نعيم بن عبد الله العدوي بثمانمائة درهم فجاء بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفعها إليه ثم قال " ابدأ بنفسك فتصدق عليها فإن فضل شىء فلأهلك فإن فضل عن أهلك شىء فلذي قرابتك فإن فضل عن ذي قرابتك شىء فهكذا وهكذا " . يقول فبين يديك وعن يمينك وعن شمالك .
সহিহ মুসলিম ২২০৪
وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن أيوب، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رجلا، من الأنصار - يقال له أبو مذكور - أعتق غلاما له عن دبر يقال له يعقوب وساق الحديث بمعنى حديث الليث .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ মাযকুর নামে আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি ছিল। তার মৃত্যুর পর তার গোলাম আযাদ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তার নাম ছিল ইয়া’কুব। হাদিসের অবশিষ্ট অংশ লায়স বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক। (ই.ফা. ২১৮৩, ই.সে. ২১৮৫)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ মাযকুর নামে আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি ছিল। তার মৃত্যুর পর তার গোলাম আযাদ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তার নাম ছিল ইয়া’কুব। হাদিসের অবশিষ্ট অংশ লায়স বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক। (ই.ফা. ২১৮৩, ই.সে. ২১৮৫)
وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن أيوب، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رجلا، من الأنصار - يقال له أبو مذكور - أعتق غلاما له عن دبر يقال له يعقوب وساق الحديث بمعنى حديث الليث .
সহিহ মুসলিম > নিকটাত্মীয়, স্বামী, সন্তান ও পিতামাতার জন্য ব্যয় করার ফাযীলাত যদিও তারা মুশরিক হয়
সহিহ মুসলিম ২২০৫
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي، طلحة أنه سمع أنس بن مالك، يقول كان أبو طلحة أكثر أنصاري بالمدينة مالا وكان أحب أمواله إليه بيرحى وكانت مستقبلة المسجد وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب . قال أنس فلما نزلت هذه الآية { لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون} قام أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن الله يقول في كتابه { لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون} وإن أحب أموالي إلى بيرحى وإنها صدقة لله أرجو برها وذخرها عند الله فضعها يا رسول الله حيث شئت . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بخ ذلك مال رابح ذلك مال رابح قد سمعت ما قلت فيها وإني أرى أن تجعلها في الأقربين " . فقسمها أبو طلحة في أقاربه وبني عمه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাদীনায় আনসার সম্প্রদায়ের মধ্যে আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) প্রচুর সম্পদের মালিক ছিলেন। তাঁর সকল সম্পদের মধ্যে “বায়রুহা” নামক বাগানটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ ছিল। এটি মাসজিদে নাবাবীর সামনেই অবস্থিত ছিল। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওই বাগানে যেতেন এবং এর মিষ্টি পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত- “তোমরা যতক্ষন তোমাদের নিজেদের প্রিয় জিনিস (আল্লাহর পথে) ব্যয় না করবে- ততক্ষন কিছুতেই প্রকৃত পুণ্য লাভ করতে পারবে না” (সূরাহ আল ইমরান ৩ঃ ৯২) অবতীর্ণ হল, আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, মহান আল্লাহ তায়ালা তার কিতাবে বলেন, “তোমরা কিছুতেই প্রকৃত পুণ্য লাভ করতে পারবে না যতক্ষন তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় না করবে”। আর আমার সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ হল “বায়রাহা” নামক বাগানটি। আমি তা আল্লাহর পথে সদাক্বাহ্ (দান) করলাম। আমি এর থেকে কল্যাণ পেতে চাই এবং আল্লাহর কাছে এর সাওয়াব জমা হওয়ার আশা রাখি। কাজেই ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আপনার ইচ্ছামত তা ব্যয় করুন’। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অত্যান্ত ভাল কথা; এটা তো খুব লাভজনক সম্পদ। এটা তো খুব লাভজনক সম্পদ। তোমার প্রিয়জন ও নিকটবর্তী আত্মীয়দের মাঝে তা বন্টন করে দাও। অতঃপর আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) এটা তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও তাঁর চাচাতো ভাইদের মধ্যে বন্টন করে দিলেন। (ই.ফা. ২১৮৪, ই.সে. ২১৮৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাদীনায় আনসার সম্প্রদায়ের মধ্যে আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) প্রচুর সম্পদের মালিক ছিলেন। তাঁর সকল সম্পদের মধ্যে “বায়রুহা” নামক বাগানটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ ছিল। এটি মাসজিদে নাবাবীর সামনেই অবস্থিত ছিল। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওই বাগানে যেতেন এবং এর মিষ্টি পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত- “তোমরা যতক্ষন তোমাদের নিজেদের প্রিয় জিনিস (আল্লাহর পথে) ব্যয় না করবে- ততক্ষন কিছুতেই প্রকৃত পুণ্য লাভ করতে পারবে না” (সূরাহ আল ইমরান ৩ঃ ৯২) অবতীর্ণ হল, আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে দাঁড়িয়ে বললেন, মহান আল্লাহ তায়ালা তার কিতাবে বলেন, “তোমরা কিছুতেই প্রকৃত পুণ্য লাভ করতে পারবে না যতক্ষন তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় না করবে”। আর আমার সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ হল “বায়রাহা” নামক বাগানটি। আমি তা আল্লাহর পথে সদাক্বাহ্ (দান) করলাম। আমি এর থেকে কল্যাণ পেতে চাই এবং আল্লাহর কাছে এর সাওয়াব জমা হওয়ার আশা রাখি। কাজেই ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আপনার ইচ্ছামত তা ব্যয় করুন’। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, অত্যান্ত ভাল কথা; এটা তো খুব লাভজনক সম্পদ। এটা তো খুব লাভজনক সম্পদ। তোমার প্রিয়জন ও নিকটবর্তী আত্মীয়দের মাঝে তা বন্টন করে দাও। অতঃপর আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) এটা তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও তাঁর চাচাতো ভাইদের মধ্যে বন্টন করে দিলেন। (ই.ফা. ২১৮৪, ই.সে. ২১৮৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي، طلحة أنه سمع أنس بن مالك، يقول كان أبو طلحة أكثر أنصاري بالمدينة مالا وكان أحب أمواله إليه بيرحى وكانت مستقبلة المسجد وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب . قال أنس فلما نزلت هذه الآية { لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون} قام أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن الله يقول في كتابه { لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون} وإن أحب أموالي إلى بيرحى وإنها صدقة لله أرجو برها وذخرها عند الله فضعها يا رسول الله حيث شئت . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بخ ذلك مال رابح ذلك مال رابح قد سمعت ما قلت فيها وإني أرى أن تجعلها في الأقربين " . فقسمها أبو طلحة في أقاربه وبني عمه .
সহিহ মুসলিম ২২০৭
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير، عن كريب، عن ميمونة بنت الحارث، أنها أعتقت وليدة في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لو أعطيتها أخوالك كان أعظم لأجرك " .
'আব্দুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় একটি দাসী আযাদ করে দেন। অতঃপর আমি এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জানালাম। তিনি বললেন, “যদি তুমি এ দাসীটি তোমার মামাদের দান করতে তাহলে অনেক বেশী সাওয়াব পেতে।” (ই.ফা. ২১৮৬, ই.সে. ২১৮৮)
'আব্দুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় একটি দাসী আযাদ করে দেন। অতঃপর আমি এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জানালাম। তিনি বললেন, “যদি তুমি এ দাসীটি তোমার মামাদের দান করতে তাহলে অনেক বেশী সাওয়াব পেতে।” (ই.ফা. ২১৮৬, ই.সে. ২১৮৮)
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير، عن كريب، عن ميمونة بنت الحارث، أنها أعتقت وليدة في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لو أعطيتها أخوالك كان أعظم لأجرك " .
সহিহ মুসলিম ২২০৬
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس، قال لما نزلت هذه الآية { لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون} قال أبو طلحة أرى ربنا يسألنا من أموالنا فأشهدك يا رسول الله أني قد جعلت أرضي بريحا لله . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اجعلها في قرابتك " . قال فجعلها في حسان بن ثابت وأبى بن كعب .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “তোমাদের প্রিয় বস্তু (আল্লাহর পথে) ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কিছুতেই প্রকৃত সাওয়াব লাভ করতে পারবেনা”- এ আয়াত যখন অবতীর্ণ হল আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) বলেন, এ তো মহা সুযোগ। আমাদের প্রতিপালক মহান আল্লাহ তা’আলা নিজেই আমাদের কাছ থেকে মাল চাচ্ছেন। তাই হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে স্বাক্ষী রেখে আমার “বায়রাহা” নামক বাগানটি আল্লাহর জন্য দান করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার এ বাগান তোমার আত্মীয়- স্বজনদের মধ্যে বন্টন করে দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি এটা হাস্সান বিন সাবিত ও উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) -এর মধ্যে বন্টন করে দিলেন। (ই.ফা. ২১৮৫, ই.সে. ২১৮৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “তোমাদের প্রিয় বস্তু (আল্লাহর পথে) ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কিছুতেই প্রকৃত সাওয়াব লাভ করতে পারবেনা”- এ আয়াত যখন অবতীর্ণ হল আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) বলেন, এ তো মহা সুযোগ। আমাদের প্রতিপালক মহান আল্লাহ তা’আলা নিজেই আমাদের কাছ থেকে মাল চাচ্ছেন। তাই হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে স্বাক্ষী রেখে আমার “বায়রাহা” নামক বাগানটি আল্লাহর জন্য দান করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার এ বাগান তোমার আত্মীয়- স্বজনদের মধ্যে বন্টন করে দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি এটা হাস্সান বিন সাবিত ও উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) -এর মধ্যে বন্টন করে দিলেন। (ই.ফা. ২১৮৫, ই.সে. ২১৮৭)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس، قال لما نزلت هذه الآية { لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون} قال أبو طلحة أرى ربنا يسألنا من أموالنا فأشهدك يا رسول الله أني قد جعلت أرضي بريحا لله . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اجعلها في قرابتك " . قال فجعلها في حسان بن ثابت وأبى بن كعب .
সহিহ মুসলিম ২২০৯
حدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثني شقيق، عن عمرو بن الحارث، عن زينب، امرأة عبد الله . قال فذكرت لإبراهيم فحدثني عن أبي عبيدة عن عمرو بن الحارث عن زينب امرأة عبد الله . بمثله سواء قال قالت كنت في المسجد فرآني النبي صلى الله عليه وسلم فقال " تصدقن ولو من حليكن " . وساق الحديث بنحو حديث أبي الأحوص .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
...... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তাতে এও আছে- যায়নাব (রাঃ) বলেন, আমি মাসজিদের ভিতরে ছিলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেন-“ “সদাক্বাহ্ দাও যদিও তা তোমার গহনাপত্রের মাধ্যম হয়।”” (ই.ফা.২১৮৮,ই.সে.২১৯০)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) -এর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
...... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তাতে এও আছে- যায়নাব (রাঃ) বলেন, আমি মাসজিদের ভিতরে ছিলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেন-“ “সদাক্বাহ্ দাও যদিও তা তোমার গহনাপত্রের মাধ্যম হয়।”” (ই.ফা.২১৮৮,ই.সে.২১৯০)
حدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، حدثني شقيق، عن عمرو بن الحارث، عن زينب، امرأة عبد الله . قال فذكرت لإبراهيم فحدثني عن أبي عبيدة عن عمرو بن الحارث عن زينب امرأة عبد الله . بمثله سواء قال قالت كنت في المسجد فرآني النبي صلى الله عليه وسلم فقال " تصدقن ولو من حليكن " . وساق الحديث بنحو حديث أبي الأحوص .
সহিহ মুসলিম ২২১২
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - عن عبد الله بن يزيد، عن أبي مسعود البدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن المسلم إذا أنفق على أهله نفقة وهو يحتسبها كانت له صدقة " .
আবূ মাস’’ঊদ আল বাদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিম ব্যক্তি সাওয়াবের আশায় তার পরিবার-পরিজনের জন্য যা কিছু খরচ করবে তা সবই তার জন্য সদাক্বাহ্ অর্থাৎ দান হিসেবে গণ্য হবে। (ই.ফা. ২১৯১, ই.সে. ২১৯৩)
আবূ মাস’’ঊদ আল বাদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিম ব্যক্তি সাওয়াবের আশায় তার পরিবার-পরিজনের জন্য যা কিছু খরচ করবে তা সবই তার জন্য সদাক্বাহ্ অর্থাৎ দান হিসেবে গণ্য হবে। (ই.ফা. ২১৯১, ই.সে. ২১৯৩)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - عن عبد الله بن يزيد، عن أبي مسعود البدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن المسلم إذا أنفق على أهله نفقة وهو يحتسبها كانت له صدقة " .
সহিহ মুসলিম ২২০৮
حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا أبو الأحوص، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عمرو بن الحارث، عن زينب، امرأة عبد الله قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تصدقن يا معشر النساء ولو من حليكن " . قالت فرجعت إلى عبد الله فقلت إنك رجل خفيف ذات اليد وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمرنا بالصدقة فأته فاسأله فإن كان ذلك يجزي عني وإلا صرفتها إلى غيركم . قالت فقال لي عبد الله بل ائتيه أنت . قالت فانطلقت فإذا امرأة من الأنصار بباب رسول الله صلى الله عليه وسلم حاجتي حاجتها - قالت - وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد ألقيت عليه المهابة - قالت - فخرج علينا بلال فقلنا له ائت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره أن امرأتين بالباب تسألانك أتجزي الصدقة عنهما على أزواجهما وعلى أيتام في حجورهما ولا تخبره من نحن - قالت - فدخل بلال على رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " من هما " . فقال امرأة من الأنصار وزينب . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أى الزيانب " . قال امرأة عبد الله . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " لهما أجران أجر القرابة وأجر الصدقة " .
‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহিলাদের উদ্দেশ্য করে বললেন, হে নারী সমাজ! তোমরা (দান) সদাক্বাহ্ কর যদিও তা তোমাদের গহনাপত্রের মাধ্যমে হয়। যায়নাব (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে আমি গিয়ে আমার স্বামী ‘‘‘আবদুল্লাহকে বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সদাক্বাহ্ করতে বলেছেন। আর তুমি তো গরীব অভাবী মানুষ, তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস কর, তোমাকে দান করলে তা দান হিসেবে গণ্য হবে কিনা? তা না হলে অপর কাউকে দান করব! রাবী বলেন, আমার স্বামী ‘আবদুল্লাহ আমাকে বললেন, বরং তুমি যাও। অতঃপর আমিই গেলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরজায় আনসার সম্প্রদায়ের অপর এক মহিলাকে একই উদ্দেশ্যে দাঁড়ানো দেখলাম। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ও প্রভাবশালী লোক। অতঃপর বিলাল (রাঃ) বের হয়ে আসলে আমরা তাঁকে বললাম, আপনি গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলুন, দু’’জন মহিলা দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। তারা আপনার কাছে জানতে চাচ্ছে- যদি তারা তাদের নিজ স্বামীকে দান করে এবং তাদের ঘরেই প্রতিপালিত ইয়াতীমকে দান করে তাহলে কি তা আদায় হবে? আর অনুরোধ হলো আমাদের পরিচয় তাঁকে জানাবেন না। রাবী বলেন, অতঃপর বিলাল (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, মহিলাদ্বয় কে কে? তিনি বললেন জনৈক আনসার গোত্রের এবং অপরজন যায়নাব? তিনি বললেন, ‘‘আবদুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব। অতঃপর তাঁকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা উভয়েই তাদের দানের জন্য দ্বিগুণ সাওয়াব পাবে। এক-নিকটাত্নীয়দের সাথে সদ্ব্যবহারের জন্য। দুই-সদাক্বাহ্ করার জন্য। (ই.ফা. ২১৮৭, ই.সে. ২১৮৯)
‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মহিলাদের উদ্দেশ্য করে বললেন, হে নারী সমাজ! তোমরা (দান) সদাক্বাহ্ কর যদিও তা তোমাদের গহনাপত্রের মাধ্যমে হয়। যায়নাব (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে আমি গিয়ে আমার স্বামী ‘‘‘আবদুল্লাহকে বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সদাক্বাহ্ করতে বলেছেন। আর তুমি তো গরীব অভাবী মানুষ, তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস কর, তোমাকে দান করলে তা দান হিসেবে গণ্য হবে কিনা? তা না হলে অপর কাউকে দান করব! রাবী বলেন, আমার স্বামী ‘আবদুল্লাহ আমাকে বললেন, বরং তুমি যাও। অতঃপর আমিই গেলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরজায় আনসার সম্প্রদায়ের অপর এক মহিলাকে একই উদ্দেশ্যে দাঁড়ানো দেখলাম। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ও প্রভাবশালী লোক। অতঃপর বিলাল (রাঃ) বের হয়ে আসলে আমরা তাঁকে বললাম, আপনি গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলুন, দু’’জন মহিলা দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। তারা আপনার কাছে জানতে চাচ্ছে- যদি তারা তাদের নিজ স্বামীকে দান করে এবং তাদের ঘরেই প্রতিপালিত ইয়াতীমকে দান করে তাহলে কি তা আদায় হবে? আর অনুরোধ হলো আমাদের পরিচয় তাঁকে জানাবেন না। রাবী বলেন, অতঃপর বিলাল (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, মহিলাদ্বয় কে কে? তিনি বললেন জনৈক আনসার গোত্রের এবং অপরজন যায়নাব? তিনি বললেন, ‘‘আবদুল্লাহর স্ত্রী যায়নাব। অতঃপর তাঁকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা উভয়েই তাদের দানের জন্য দ্বিগুণ সাওয়াব পাবে। এক-নিকটাত্নীয়দের সাথে সদ্ব্যবহারের জন্য। দুই-সদাক্বাহ্ করার জন্য। (ই.ফা. ২১৮৭, ই.সে. ২১৮৯)
حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا أبو الأحوص، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عمرو بن الحارث، عن زينب، امرأة عبد الله قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تصدقن يا معشر النساء ولو من حليكن " . قالت فرجعت إلى عبد الله فقلت إنك رجل خفيف ذات اليد وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمرنا بالصدقة فأته فاسأله فإن كان ذلك يجزي عني وإلا صرفتها إلى غيركم . قالت فقال لي عبد الله بل ائتيه أنت . قالت فانطلقت فإذا امرأة من الأنصار بباب رسول الله صلى الله عليه وسلم حاجتي حاجتها - قالت - وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد ألقيت عليه المهابة - قالت - فخرج علينا بلال فقلنا له ائت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره أن امرأتين بالباب تسألانك أتجزي الصدقة عنهما على أزواجهما وعلى أيتام في حجورهما ولا تخبره من نحن - قالت - فدخل بلال على رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " من هما " . فقال امرأة من الأنصار وزينب . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أى الزيانب " . قال امرأة عبد الله . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " لهما أجران أجر القرابة وأجر الصدقة " .
সহিহ মুসলিম ২২১৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء، قالت قلت يا رسول الله إن أمي قدمت على وهى راغبة - أو راهبة - أفأصلها قال " نعم " .
আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার আম্মা এসেছেন। তবে তিনি আমাদের দ্বীনের অনুসারী হতে আগ্রহী নন বা ইসলাম গ্রহণে বিমুখ, এখন আমি কি তার সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ২১৯৩, ই.সে. ২১৯৫)
আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার আম্মা এসেছেন। তবে তিনি আমাদের দ্বীনের অনুসারী হতে আগ্রহী নন বা ইসলাম গ্রহণে বিমুখ, এখন আমি কি তার সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ২১৯৩, ই.সে. ২১৯৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء، قالت قلت يا رسول الله إن أمي قدمت على وهى راغبة - أو راهبة - أفأصلها قال " نعم " .
সহিহ মুসলিম ২২১৫
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، قالت قدمت على أمي وهي مشركة في عهد قريش إذ عاهدهم فاستفتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله قدمت على أمي وهى راغبة أفأصل أمي قال " نعم صلي أمك " .
আবূ বাকরের কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার আম্মা আমার কাছে এসেছেন যে সময় কুরায়শদের সাথে সন্ধি বলবৎ ছিল আর তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। আসমা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললাম, আমার মা আমার কাছে এসেছেন আশা নিয়ে। আমি কি আমার আম্মার সাথে সদ্ব্যবহার করব? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার আম্মার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ কর। (ই.ফা. ২১৯৪, ই.সে. ২১৯৬)
আবূ বাকরের কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার আম্মা আমার কাছে এসেছেন যে সময় কুরায়শদের সাথে সন্ধি বলবৎ ছিল আর তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। আসমা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললাম, আমার মা আমার কাছে এসেছেন আশা নিয়ে। আমি কি আমার আম্মার সাথে সদ্ব্যবহার করব? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার আম্মার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ কর। (ই.ফা. ২১৯৪, ই.সে. ২১৯৬)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، قالت قدمت على أمي وهي مشركة في عهد قريش إذ عاهدهم فاستفتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله قدمت على أمي وهى راغبة أفأصل أمي قال " نعم صلي أمك " .
সহিহ মুসলিম ২২১০
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت قلت يا رسول الله هل لي أجر في بني أبي سلمة أنفق عليهم ولست بتاركتهم هكذا وهكذا إنما هم بني . فقال " نعم لك فيهم أجر ما أنفقت عليهم " .
যায়নাব বিনতে আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সালামার সন্তানদের জন্য আমি যা খরচ করি তার বিনিময়ে আমি কি সাওয়াব পাব? আর আমি চাই না যে, তারা আমার হাত ছাড়া হয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ুক। কেননা তারা তো আমারই সন্তান। অতঃপর তিনি (উত্তরে ) বললেনঃ হ্যাঁ, তাদেরকে তুমি যা দান করবে তার সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২১৮৯, ই.সে. ২১৯১)
যায়নাব বিনতে আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সালামার সন্তানদের জন্য আমি যা খরচ করি তার বিনিময়ে আমি কি সাওয়াব পাব? আর আমি চাই না যে, তারা আমার হাত ছাড়া হয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ুক। কেননা তারা তো আমারই সন্তান। অতঃপর তিনি (উত্তরে ) বললেনঃ হ্যাঁ, তাদেরকে তুমি যা দান করবে তার সাওয়াব পাবে। (ই.ফা. ২১৮৯, ই.সে. ২১৯১)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت قلت يا رسول الله هل لي أجر في بني أبي سلمة أنفق عليهم ولست بتاركتهم هكذا وهكذا إنما هم بني . فقال " نعم لك فيهم أجر ما أنفقت عليهم " .
সহিহ মুসলিম ২২১৩
وحدثناه محمد بن بشار، وأبو بكر بن نافع كلاهما عن محمد بن جعفر، ح وحدثناه أبو كريب، حدثنا وكيع، جميعا عن شعبة، في هذا الإسناد .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২১৯২, ই.সে. ২১৯৪)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২১৯২, ই.সে. ২১৯৪)
وحدثناه محمد بن بشار، وأبو بكر بن نافع كلاهما عن محمد بن جعفر، ح وحدثناه أبو كريب، حدثنا وكيع، جميعا عن شعبة، في هذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ২২১১
وحدثني سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، جميعا عن هشام بن عروة، في هذا الإسناد بمثله .
হিশাম ‘উরওয়াহ থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২১৯০, ই.সে. ২১৯২)
হিশাম ‘উরওয়াহ থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২১৯০, ই.সে. ২১৯২)
وحدثني سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، جميعا عن هشام بن عروة، في هذا الإسناد بمثله .
সহিহ মুসলিম > মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে দান করে তার জন্য সাওয়াব পৌছানো
সহিহ মুসলিম ২২১৬
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن أمي افتلتت نفسها ولم توص وأظنها لو تكلمت تصدقت أفلها أجر إن تصدقت عنها قال " نعم ".
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার মা হঠাৎ করে মারা গেছেন এবং কোন ওয়াসিয়্যাত করতে পারেননি। আমার মনে হয়, তিনি যদি কথা বলতে পারতেন তাহলে ওয়াসিয়্যাত করে যেতেন। এখন আমি যদি তার পক্ষ থেকে সদাক্বাহ্ করি তাহলে কি তিনি সাওয়াব পাবেন? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ২১৯৫, ই.সে. ২১৯৭)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার মা হঠাৎ করে মারা গেছেন এবং কোন ওয়াসিয়্যাত করতে পারেননি। আমার মনে হয়, তিনি যদি কথা বলতে পারতেন তাহলে ওয়াসিয়্যাত করে যেতেন। এখন আমি যদি তার পক্ষ থেকে সদাক্বাহ্ করি তাহলে কি তিনি সাওয়াব পাবেন? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ২১৯৫, ই.সে. ২১৯৭)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن أمي افتلتت نفسها ولم توص وأظنها لو تكلمت تصدقت أفلها أجر إن تصدقت عنها قال " نعم ".
সহিহ মুসলিম ২২১৭
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثني علي بن حجر، أخبرنا علي بن مسهر، ح حدثنا الحكم بن موسى، حدثنا شعيب بن إسحاق، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد . وفي حديث أبي أسامة ولم توص . كما قال ابن بشر ولم يقل ذلك الباقون .
যুহায়র ইবনু হারব, আবূ কুরায়ব, ‘আলী ইবনু হুজ্র ও হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ... থেকে বর্নিতঃ
বর্ণনাকারী হিশাম এ সানাদের মাধ্যমে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামার হাদীসে “তিনি ওয়াসিয়্যাত করেননি”” বলা হয়েছে যেমনটি ইবনু বিশর এর বর্ণনায় রয়েছে। কিন্তু বাকী রাবীগণ এ কথা বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ২১৯৬, ই.সে. ২১৯৮)
যুহায়র ইবনু হারব, আবূ কুরায়ব, ‘আলী ইবনু হুজ্র ও হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ... থেকে বর্নিতঃ
বর্ণনাকারী হিশাম এ সানাদের মাধ্যমে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামার হাদীসে “তিনি ওয়াসিয়্যাত করেননি”” বলা হয়েছে যেমনটি ইবনু বিশর এর বর্ণনায় রয়েছে। কিন্তু বাকী রাবীগণ এ কথা বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ২১৯৬, ই.সে. ২১৯৮)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثني علي بن حجر، أخبرنا علي بن مسهر، ح حدثنا الحكم بن موسى، حدثنا شعيب بن إسحاق، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد . وفي حديث أبي أسامة ولم توص . كما قال ابن بشر ولم يقل ذلك الباقون .
সহিহ মুসলিম > সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্
সহিহ মুসলিম ২২২২
وحدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا يحيى بن كثير، حدثنا علي، - يعني ابن المبارك - حدثنا يحيى، عن زيد بن سلام، عن جده أبي سلام، قال حدثني عبد الله، بن فروخ أنه سمع عائشة، تقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلق كل إنسان " . بنحو حديث معاوية عن زيد . وقال " فإنه يمشي يومئذ " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অতঃপর রাবী যায়দের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর হাদীসের মধ্যে ““সেদিন সে চলাফেরা করবে”” কথাটি বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২০১, ই.সে. ২২০৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অতঃপর রাবী যায়দের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর হাদীসের মধ্যে ““সেদিন সে চলাফেরা করবে”” কথাটি বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২০১, ই.সে. ২২০৩)
وحدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا يحيى بن كثير، حدثنا علي، - يعني ابن المبارك - حدثنا يحيى، عن زيد بن سلام، عن جده أبي سلام، قال حدثني عبد الله، بن فروخ أنه سمع عائشة، تقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلق كل إنسان " . بنحو حديث معاوية عن زيد . وقال " فإنه يمشي يومئذ " .
সহিহ মুসলিম ২২২৪
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد.
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(ই.ফা. ২২০৩, ই.সে. নেই)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(ই.ফা. ২২০৩, ই.সে. নেই)
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد.
সহিহ মুসলিম ২২১৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، كلاهما عن أبي مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، في حديث قتيبة قال قال نبيكم صلى الله عليه وسلم وقال ابن أبي شيبة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كل معروف صدقة " .
হুজায়ফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তবে কুতায়বাহ্ (রহঃ) -এর হাদীসে রয়েছে যে, “তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন”।” আর ইবনু শাইবাহ্ (রহঃ) এর হাদীসে আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ““প্রতিটি ভাল কাজই সদাক্বাহ্ অর্থাৎ দান হিসেবে গণ্য।”” (ই.ফা. ২১৯৭, ই.সে. ২১৯৯)
হুজায়ফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তবে কুতায়বাহ্ (রহঃ) -এর হাদীসে রয়েছে যে, “তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন”।” আর ইবনু শাইবাহ্ (রহঃ) এর হাদীসে আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ““প্রতিটি ভাল কাজই সদাক্বাহ্ অর্থাৎ দান হিসেবে গণ্য।”” (ই.ফা. ২১৯৭, ই.সে. ২১৯৯)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، كلاهما عن أبي مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، في حديث قتيبة قال قال نبيكم صلى الله عليه وسلم وقال ابن أبي شيبة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كل معروف صدقة " .
সহিহ মুসলিম ২২২৫
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل سلامى من الناس عليه صدقة كل يوم تطلع فيه الشمس - قال - تعدل بين الاثنين صدقة وتعين الرجل في دابته فتحمله عليها أو ترفع له عليها متاعه صدقة - قال - والكلمة الطيبة صدقة وكل خطوة تمشيها إلى الصلاة صدقة وتميط الأذى عن الطريق صدقة " .
হাম্মাদ ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। এর মধ্যে একটি হলো- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ব্যক্তির শরীরের প্রত্যেকটি গ্রন্থির উপর প্রতিদিনের সদাক্বাহ্ ধার্য রয়েছে। দু’ব্যক্তির মধ্যে ইনসাফ করে দেয়াও একটি সদাক্বাহ্। কোন ব্যক্তিকে সওয়ারীর উপর আরোহণে সাহায্য করা অথবা তার মালামাল সওয়ারীর উপরে তুলে দেয়াও একটি সদাক্বাহ্। তিনি আরো বলেন, সকল প্রকার ভাল কথাই এক একটি সদাক্বাহ্, সালাত আদায়ের জন্য মাসজিদে যেতে যতটি পদক্ষেপ ফেলা হয় তার প্রতিটিই এক একটি সদাক্বাহ্ এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও একটি সদাক্বাহ্। (ই.ফা. ২২০৪, ই.সে. ২২০৫)
হাম্মাদ ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। এর মধ্যে একটি হলো- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ব্যক্তির শরীরের প্রত্যেকটি গ্রন্থির উপর প্রতিদিনের সদাক্বাহ্ ধার্য রয়েছে। দু’ব্যক্তির মধ্যে ইনসাফ করে দেয়াও একটি সদাক্বাহ্। কোন ব্যক্তিকে সওয়ারীর উপর আরোহণে সাহায্য করা অথবা তার মালামাল সওয়ারীর উপরে তুলে দেয়াও একটি সদাক্বাহ্। তিনি আরো বলেন, সকল প্রকার ভাল কথাই এক একটি সদাক্বাহ্, সালাত আদায়ের জন্য মাসজিদে যেতে যতটি পদক্ষেপ ফেলা হয় তার প্রতিটিই এক একটি সদাক্বাহ্ এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও একটি সদাক্বাহ্। (ই.ফা. ২২০৪, ই.সে. ২২০৫)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق بن همام، حدثنا معمر، عن همام بن، منبه قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل سلامى من الناس عليه صدقة كل يوم تطلع فيه الشمس - قال - تعدل بين الاثنين صدقة وتعين الرجل في دابته فتحمله عليها أو ترفع له عليها متاعه صدقة - قال - والكلمة الطيبة صدقة وكل خطوة تمشيها إلى الصلاة صدقة وتميط الأذى عن الطريق صدقة " .
সহিহ মুসলিম ২২১৯
حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا مهدي بن ميمون، حدثنا واصل، مولى أبي عيينة عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الديلي، عن أبي، ذر أن ناسا، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قالوا للنبي صلى الله عليه وسلم يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالأجور يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ويتصدقون بفضول أموالهم . قال " أوليس قد جعل الله لكم ما تصدقون إن بكل تسبيحة صدقة وكل تكبيرة صدقة وكل تحميدة صدقة وكل تهليلة صدقة وأمر بالمعروف صدقة ونهى عن منكر صدقة وفي بضع أحدكم صدقة " . قالوا يا رسول الله أيأتي أحدنا شهوته ويكون له فيها أجر قال " أرأيتم لو وضعها في حرام أكان عليه فيها وزر فكذلك إذا وضعها في الحلال كان له أجر " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কিছু সংখ্যক সাহাবী তার কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ধন সম্পদের মালিকরা তো সব সাওয়াব নিয়ে নিচ্ছে। কেননা আমরা যেভাবে সালাত আদায় করি তারাও সেভাবে আদায় করে। আমরা যেভাবে সিয়াম পালন করি তারাও সেভাবে সিয়াম পালন করে। কিন্তু তারা তাদের অতিরিক্ত সম্পদ দান করে সাওয়াব লাভ করছে অথচ আমাদের পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা কি তোমাদেরকে এমন কিছু দান করেননি যা সদাক্বাহ্ করে তোমরা সাওয়াব পেতে পার? আর তা হলো প্রতেক তাসবীহ (সুবহা-নাল্ল-হ) একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক তাকবীর (আল্ল-হু-আকবার) একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) বলা একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক ‘‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্-হ’’ বলা একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক ভাল কাজের আদেশ দেয়া এবং মন্দ কাজ করতে দেখলে নিষেধ করা ও বাধা দেয়া একটি সদাক্বাহ্। এমনকি তোমাদের শরীরের অংশে সদাক্বাহ্ রয়েছে। অর্থাৎ আপন স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও একটি সদাক্বাহ্। সাহাবীগণ বললেন, ‘‘হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের কেউ তার কাম প্রবৃত্তিকে চরিতার্থ করবে বৈধ পথে আর এতেও কি তার সাওয়াব হবে? তিনি বললেন, তোমরা বল দেখি, যদি তোমাদের কেউ হারাম পথে নিজের চাহিদা মেটাতে বা যিনা করত তাহলে কি তার গুনাহ হত না? অনুরূপভাবে যখন সে হালাল বা বৈধ পথে কামাচার করবে তাতে তার সাওয়াব হবে। (ই.ফা. ২১৯৮, ই.সে. ২২০০)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কিছু সংখ্যক সাহাবী তার কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ধন সম্পদের মালিকরা তো সব সাওয়াব নিয়ে নিচ্ছে। কেননা আমরা যেভাবে সালাত আদায় করি তারাও সেভাবে আদায় করে। আমরা যেভাবে সিয়াম পালন করি তারাও সেভাবে সিয়াম পালন করে। কিন্তু তারা তাদের অতিরিক্ত সম্পদ দান করে সাওয়াব লাভ করছে অথচ আমাদের পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা কি তোমাদেরকে এমন কিছু দান করেননি যা সদাক্বাহ্ করে তোমরা সাওয়াব পেতে পার? আর তা হলো প্রতেক তাসবীহ (সুবহা-নাল্ল-হ) একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক তাকবীর (আল্ল-হু-আকবার) একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) বলা একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক ‘‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্-হ’’ বলা একটি সদাক্বাহ্, প্রত্যেক ভাল কাজের আদেশ দেয়া এবং মন্দ কাজ করতে দেখলে নিষেধ করা ও বাধা দেয়া একটি সদাক্বাহ্। এমনকি তোমাদের শরীরের অংশে সদাক্বাহ্ রয়েছে। অর্থাৎ আপন স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও একটি সদাক্বাহ্। সাহাবীগণ বললেন, ‘‘হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের কেউ তার কাম প্রবৃত্তিকে চরিতার্থ করবে বৈধ পথে আর এতেও কি তার সাওয়াব হবে? তিনি বললেন, তোমরা বল দেখি, যদি তোমাদের কেউ হারাম পথে নিজের চাহিদা মেটাতে বা যিনা করত তাহলে কি তার গুনাহ হত না? অনুরূপভাবে যখন সে হালাল বা বৈধ পথে কামাচার করবে তাতে তার সাওয়াব হবে। (ই.ফা. ২১৯৮, ই.সে. ২২০০)
حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا مهدي بن ميمون، حدثنا واصل، مولى أبي عيينة عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الديلي، عن أبي، ذر أن ناسا، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قالوا للنبي صلى الله عليه وسلم يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالأجور يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ويتصدقون بفضول أموالهم . قال " أوليس قد جعل الله لكم ما تصدقون إن بكل تسبيحة صدقة وكل تكبيرة صدقة وكل تحميدة صدقة وكل تهليلة صدقة وأمر بالمعروف صدقة ونهى عن منكر صدقة وفي بضع أحدكم صدقة " . قالوا يا رسول الله أيأتي أحدنا شهوته ويكون له فيها أجر قال " أرأيتم لو وضعها في حرام أكان عليه فيها وزر فكذلك إذا وضعها في الحلال كان له أجر " .
সহিহ মুসলিম ২২২০
حدثنا حسن بن علي الحلواني، حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - عن زيد، أنه سمع أبا سلام، يقول حدثني عبد الله بن فروخ، أنه سمع عائشة، تقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إنه خلق كل إنسان من بني آدم على ستين وثلاثمائة مفصل فمن كبر الله وحمد الله وهلل الله وسبح الله واستغفر الله وعزل حجرا عن طريق الناس أو شوكة أو عظما عن طريق الناس وأمر بمعروف أو نهى عن منكر عدد تلك الستين والثلاثمائة السلامى فإنه يمشي يومئذ وقد زحزح نفسه عن النار " . قال أبو توبة وربما قال " يمسي " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’‘আলা প্রত্যেক আদাম সন্তানকেই ৩৬০ টি গ্রন্থি বিশিষ্ট করে সৃষ্টি করেছেন। অতএব যে ব্যক্তি ঐ সংখ্যা পরিমাণ ‘আল্ল-হ-আকবার’ বলবে, ‘‘আলহামদু লিল্লাহ’’ বলবে, ‘‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’’ বলবে, ‘‘সুবহা-নাল্ল-হ’’ বলবে, ‘‘আস্তাগফিরুল্ল-হ’’ বলবে, মানুষের চলার পথ থেকে একটি পাথর বা একটি কাঁটা বা একটি হাড় সরাবে, সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে, সে ক্বিয়ামাতের দিন এমনভাবে চলাফেরা করবে যে, সে নিজেকে ৩৬০ (গ্রন্থি) সংখ্যা পরিমাণ জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে অর্থাৎ বেঁচে থাকবে। আবূ তাওবাহ্ তাঁর বর্ণনায় এ কথাও উল্লেখ করেছেন যে, সে এ অবস্থায় সন্ধ্যা করবে। (ই.ফা. ২১৯৯, ই.সে. ২২০১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’‘আলা প্রত্যেক আদাম সন্তানকেই ৩৬০ টি গ্রন্থি বিশিষ্ট করে সৃষ্টি করেছেন। অতএব যে ব্যক্তি ঐ সংখ্যা পরিমাণ ‘আল্ল-হ-আকবার’ বলবে, ‘‘আলহামদু লিল্লাহ’’ বলবে, ‘‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’’ বলবে, ‘‘সুবহা-নাল্ল-হ’’ বলবে, ‘‘আস্তাগফিরুল্ল-হ’’ বলবে, মানুষের চলার পথ থেকে একটি পাথর বা একটি কাঁটা বা একটি হাড় সরাবে, সৎ কাজের আদেশ দিবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে, সে ক্বিয়ামাতের দিন এমনভাবে চলাফেরা করবে যে, সে নিজেকে ৩৬০ (গ্রন্থি) সংখ্যা পরিমাণ জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে অর্থাৎ বেঁচে থাকবে। আবূ তাওবাহ্ তাঁর বর্ণনায় এ কথাও উল্লেখ করেছেন যে, সে এ অবস্থায় সন্ধ্যা করবে। (ই.ফা. ২১৯৯, ই.সে. ২২০১)
حدثنا حسن بن علي الحلواني، حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - عن زيد، أنه سمع أبا سلام، يقول حدثني عبد الله بن فروخ، أنه سمع عائشة، تقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إنه خلق كل إنسان من بني آدم على ستين وثلاثمائة مفصل فمن كبر الله وحمد الله وهلل الله وسبح الله واستغفر الله وعزل حجرا عن طريق الناس أو شوكة أو عظما عن طريق الناس وأمر بمعروف أو نهى عن منكر عدد تلك الستين والثلاثمائة السلامى فإنه يمشي يومئذ وقد زحزح نفسه عن النار " . قال أبو توبة وربما قال " يمسي " .
সহিহ মুসলিম ২২২১
وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا يحيى بن حسان، حدثني معاوية، أخبرني أخي، زيد بهذا الإسناد . مثله غير أنه قال " أو أمر بمعروف " . وقال " فإنه يمسي يومئذ " .
মু’‘আবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ প্রসঙ্গে একটি হাদীস বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, আমার ভাই যায়দ এ সানাদে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এখানে ““আও ‘আমারা বিল মা’‘রূফ”” (সৎকাজের আদেশ দিবে) এ কথাটি ব্যতীত উল্লেখ করেছেন এবং অন্য সূত্রে তিনি বলেছেন যে, “সে ঐ দিন ঐ অবস্থায় সন্ধ্যা করবে। ” (ই.ফা. ২২০০, ই.সে. ২২০২)
মু’‘আবিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ প্রসঙ্গে একটি হাদীস বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, আমার ভাই যায়দ এ সানাদে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এখানে ““আও ‘আমারা বিল মা’‘রূফ”” (সৎকাজের আদেশ দিবে) এ কথাটি ব্যতীত উল্লেখ করেছেন এবং অন্য সূত্রে তিনি বলেছেন যে, “সে ঐ দিন ঐ অবস্থায় সন্ধ্যা করবে। ” (ই.ফা. ২২০০, ই.সে. ২২০২)
وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا يحيى بن حسان، حدثني معاوية، أخبرني أخي، زيد بهذا الإسناد . مثله غير أنه قال " أو أمر بمعروف " . وقال " فإنه يمسي يومئذ " .
সহিহ মুসলিম ২২২৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن شعبة، عن سعيد بن أبي، بردة عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " على كل مسلم صدقة " . قيل أرأيت إن لم يجد قال " يعتمل بيديه فينفع نفسه ويتصدق " . قال قيل أرأيت إن لم يستطع قال " يعين ذا الحاجة الملهوف " . قال قيل له أرأيت إن لم يستطع قال " يأمر بالمعروف أو الخير " . قال أرأيت إن لم يفعل قال " يمسك عن الشر فإنها صدقة " .
সা’ঈদ ইবনু আবূ বুরদাহ (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর সদাক্বাহ্ করা ওয়াজিব। প্রশ্ন করা হলো, যদি সদাক্বাহ্ করার জন্য কিছু না পায় তবে? তিনি বললেন, তবে সে নিজ হাতে উপার্জন করবে এবং নিজে উপকৃত হবে ও সদাক্বাহ্ করবে। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে এতেও সক্ষম না হয় তবে কী হবে? তিনি বললেন, তাহলে সে অসহায় আর্ত মানুষের সাহায্য করবে। রাবী বলেন, আবার জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে এতেও সক্ষম না হয়? তিনি বললেন, তাহলে সৎ কাজের কিংবা কল্যাণের আদেশ করবে। আবারো জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে তাও না করে? তিনি বললেন, তবে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবে। কেননা এটাও সদাক্বাহ্। (ই.ফা. ২২০২, ই.সে. ২২০৪)
সা’ঈদ ইবনু আবূ বুরদাহ (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর সদাক্বাহ্ করা ওয়াজিব। প্রশ্ন করা হলো, যদি সদাক্বাহ্ করার জন্য কিছু না পায় তবে? তিনি বললেন, তবে সে নিজ হাতে উপার্জন করবে এবং নিজে উপকৃত হবে ও সদাক্বাহ্ করবে। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে এতেও সক্ষম না হয় তবে কী হবে? তিনি বললেন, তাহলে সে অসহায় আর্ত মানুষের সাহায্য করবে। রাবী বলেন, আবার জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে এতেও সক্ষম না হয়? তিনি বললেন, তাহলে সৎ কাজের কিংবা কল্যাণের আদেশ করবে। আবারো জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে তাও না করে? তিনি বললেন, তবে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবে। কেননা এটাও সদাক্বাহ্। (ই.ফা. ২২০২, ই.সে. ২২০৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن شعبة، عن سعيد بن أبي، بردة عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " على كل مسلم صدقة " . قيل أرأيت إن لم يجد قال " يعتمل بيديه فينفع نفسه ويتصدق " . قال قيل أرأيت إن لم يستطع قال " يعين ذا الحاجة الملهوف " . قال قيل له أرأيت إن لم يستطع قال " يأمر بالمعروف أو الخير " . قال أرأيت إن لم يفعل قال " يمسك عن الشر فإنها صدقة " .