সহিহ মুসলিম > যাকাত আদায়কারীকে সন্তুষ্ট করা

সহিহ মুসলিম ২১৮৮

حدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا محمد بن أبي إسماعيل، حدثنا عبد الرحمن بن هلال العبسي، عن جرير بن عبد الله، قال جاء ناس من الأعراب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا إن ناسا من المصدقين يأتوننا فيظلموننا ‏.‏ قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ارضوا مصدقيكم ‏"‏ ‏.‏ قال جرير ما صدر عني مصدق منذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا وهو عني راض ‏.‏

জারীর ইবনু ‘‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কয়েকজন গ্রাম্য লোক এসে রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে অভিযোগ করলেন যে, কোন কোন যাকাত আদায়কারী আমাদের কাছে গিয়ে আমাদের উপরে যুলুম করে। (ভাল ভাল জন্তু ও মালামাল যাকাত হিসেবে নিয়ে আসে অথচ শারী’আতের বিধানানুযায়ী মধ্যম ধরনের বস্তু যাকাত হিসেবে গ্রহন করা উচিৎ) বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা যাকাত আদায়কারীদেরকে সন্তষ্ট করে দিবে (যদিও তার কিছু বাড়াবাড়ি করে)। জারীর (রাঃ) বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এ কথা শুনার পর যখনই কোন যাকাত আদায়কারী আমার কাছে আসত আমি তাকে সন্তষ্ট না করে ছাড়তাম না। (ই.ফা. ২১৬৭, ই.সে. ২১৬৯)

জারীর ইবনু ‘‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কয়েকজন গ্রাম্য লোক এসে রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে অভিযোগ করলেন যে, কোন কোন যাকাত আদায়কারী আমাদের কাছে গিয়ে আমাদের উপরে যুলুম করে। (ভাল ভাল জন্তু ও মালামাল যাকাত হিসেবে নিয়ে আসে অথচ শারী’আতের বিধানানুযায়ী মধ্যম ধরনের বস্তু যাকাত হিসেবে গ্রহন করা উচিৎ) বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা যাকাত আদায়কারীদেরকে সন্তষ্ট করে দিবে (যদিও তার কিছু বাড়াবাড়ি করে)। জারীর (রাঃ) বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এ কথা শুনার পর যখনই কোন যাকাত আদায়কারী আমার কাছে আসত আমি তাকে সন্তষ্ট না করে ছাড়তাম না। (ই.ফা. ২১৬৭, ই.সে. ২১৬৯)

حدثنا أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا محمد بن أبي إسماعيل، حدثنا عبد الرحمن بن هلال العبسي، عن جرير بن عبد الله، قال جاء ناس من الأعراب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا إن ناسا من المصدقين يأتوننا فيظلموننا ‏.‏ قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ارضوا مصدقيكم ‏"‏ ‏.‏ قال جرير ما صدر عني مصدق منذ سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا وهو عني راض ‏.‏


সহিহ মুসলিম ২১৮৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، ح وحدثنا محمد، بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا أبو أسامة، كلهم عن محمد، بن أبي إسماعيل بهذا الإسناد نحوه ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ইসমা’ঈল (রহঃ) তারা সকলেই মুহাম্মাদ ইবনু ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২১৬৮, ই.সে. ২১৭০)

মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ইসমা’ঈল (রহঃ) তারা সকলেই মুহাম্মাদ ইবনু ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২১৬৮, ই.সে. ২১৭০)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، ح وحدثنا محمد، بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا أبو أسامة، كلهم عن محمد، بن أبي إسماعيل بهذا الإسناد نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম > যারা যাকাত আদায় করবে না তাদেরকে কঠোর শাস্তি দেয়া

সহিহ মুসলিম ২১৯১

وحدثناه أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن المعرور، عن أبي ذر، قال انتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في ظل الكعبة ‏.‏ فذكر نحو حديث وكيع غير أنه قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده ما على الأرض رجل يموت فيدع إبلا أو بقرا أو غنما لم يؤد زكاتها ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বাহ শরীফের ছায়ায় বসে ছিলেন। এমন সময় আমি তাঁর কাছে গিয়ে হাজির হলাম। হাদীসটির বাকি অংশে বর্ণনাকারী ওয়াকী’-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, তিনি বলেছেনঃ “সে মহান প্রভুর শপথ যাঁর হাতে আমার জীবন! যেসব লোক উট, গরু ও ছাগল রেখে মারা যায় এবং যাকাত আদায় করেনি ....।“ (ই.ফা. ২১৭০, ই.সে. ২১৭২)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বাহ শরীফের ছায়ায় বসে ছিলেন। এমন সময় আমি তাঁর কাছে গিয়ে হাজির হলাম। হাদীসটির বাকি অংশে বর্ণনাকারী ওয়াকী’-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, তিনি বলেছেনঃ “সে মহান প্রভুর শপথ যাঁর হাতে আমার জীবন! যেসব লোক উট, গরু ও ছাগল রেখে মারা যায় এবং যাকাত আদায় করেনি ....।“ (ই.ফা. ২১৭০, ই.সে. ২১৭২)

وحدثناه أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن المعرور، عن أبي ذر، قال انتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في ظل الكعبة ‏.‏ فذكر نحو حديث وكيع غير أنه قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده ما على الأرض رجل يموت فيدع إبلا أو بقرا أو غنما لم يؤد زكاتها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২১৯২

حدثنا عبد الرحمن بن سلام الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما يسرني أن لي أحدا ذهبا تأتي على ثالثة وعندي منه دينار إلا دينار أرصده لدين على ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি উহুদ পাহাড় আমার জন্য স্বর্ণে পরিনত হয় এবং তিন দিনের বেশী আমার কাছে এক দীনারও অবশিষ্ট থাকুক-এটা আমি চাই না। তবে আমার উপর যে ঋণ রয়েছে তা পরিশোধ করার পরিমাণ অর্থ আমার কাছে থাকুক। (ই.ফা. ২১৭১, ই.সে. ২১৭৩)

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি উহুদ পাহাড় আমার জন্য স্বর্ণে পরিনত হয় এবং তিন দিনের বেশী আমার কাছে এক দীনারও অবশিষ্ট থাকুক-এটা আমি চাই না। তবে আমার উপর যে ঋণ রয়েছে তা পরিশোধ করার পরিমাণ অর্থ আমার কাছে থাকুক। (ই.ফা. ২১৭১, ই.সে. ২১৭৩)

حدثنا عبد الرحمن بن سلام الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد بن زياد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما يسرني أن لي أحدا ذهبا تأتي على ثالثة وعندي منه دينار إلا دينار أرصده لدين على ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২১৯৩

وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، قال سمعت أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২১৭২, ই.সে. ২১৭৪)

মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনেছি। (ই.ফা. ২১৭২, ই.সে. ২১৭৪)

وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، قال سمعت أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ২১৯০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن المعرور بن سويد، عن أبي ذر، قال انتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في ظل الكعبة ‏.‏ فلما رآني قال ‏"‏ هم الأخسرون ورب الكعبة ‏"‏ ‏.‏ قال فجئت حتى جلست فلم أتقار أن قمت فقلت يا رسول الله فداك أبي وأمي من هم قال ‏"‏ هم الأكثرون أموالا إلا من قال هكذا وهكذا وهكذا - من بين يديه ومن خلفه وعن يمينه وعن شماله - وقليل ما هم ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي زكاتها إلا جاءت يوم القيامة أعظم ما كانت وأسمنه تنطحه بقرونها وتطؤه بأظلافها كلما نفدت أخراها عادت عليه أولاها حتى يقضى بين الناس ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বা’বার ছায়ায় বসা ছিলেন। এমন সময় আমি গিয়ে তার কাছে উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে দেখে বললেন, কা’বার প্রভুর শপথ! তারাই ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি গিয়ে তার কাছে বসলাম কিন্তু অনতিবিলম্বে দাঁড়িয়ে বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক, সে ক্ষতিগ্রস্ত লোকেরা কারা?” তিনি বলেনঃ এরা হল সব ধনাঢ্য ব্যক্তি তবে তারা নয় এদিকে ওদিকে সামনে থেকে, পিছন থেকে, ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে অকাতরে (আল্লাহর পথে) খরচ করে। তবে সংখ্যায় এরা খুব কম। আর যে সব উট, গরু ও ছাগলের মালিক এর যাকাত আদায় করবে না, কিয়ামতের দিন উট, গরু, ছাগল মোটা-তাজা অবস্থায় মালিকের নিকট আসবে এবং তাকে (মালিককে) ওদের পা ও ক্ষুর দিয়ে দলিত মথিত করবে এবং শিং দিয়ে আঘাত করবে। এর শেষ পশুটি অতিক্রম করলে প্রথমটি পুনরায় এসে ঐরূপ করতে আরম্ভ করবে। আর এভাবে চলতে থাকবে যতক্ষন না বান্দাদের বিচার শেষ হবে। (ই.ফা. ২১৬৯, ই.সে. ২১৭১)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বা’বার ছায়ায় বসা ছিলেন। এমন সময় আমি গিয়ে তার কাছে উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে দেখে বললেন, কা’বার প্রভুর শপথ! তারাই ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি গিয়ে তার কাছে বসলাম কিন্তু অনতিবিলম্বে দাঁড়িয়ে বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আমার মাতা-পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক, সে ক্ষতিগ্রস্ত লোকেরা কারা?” তিনি বলেনঃ এরা হল সব ধনাঢ্য ব্যক্তি তবে তারা নয় এদিকে ওদিকে সামনে থেকে, পিছন থেকে, ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে অকাতরে (আল্লাহর পথে) খরচ করে। তবে সংখ্যায় এরা খুব কম। আর যে সব উট, গরু ও ছাগলের মালিক এর যাকাত আদায় করবে না, কিয়ামতের দিন উট, গরু, ছাগল মোটা-তাজা অবস্থায় মালিকের নিকট আসবে এবং তাকে (মালিককে) ওদের পা ও ক্ষুর দিয়ে দলিত মথিত করবে এবং শিং দিয়ে আঘাত করবে। এর শেষ পশুটি অতিক্রম করলে প্রথমটি পুনরায় এসে ঐরূপ করতে আরম্ভ করবে। আর এভাবে চলতে থাকবে যতক্ষন না বান্দাদের বিচার শেষ হবে। (ই.ফা. ২১৬৯, ই.সে. ২১৭১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن المعرور بن سويد، عن أبي ذر، قال انتهيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في ظل الكعبة ‏.‏ فلما رآني قال ‏"‏ هم الأخسرون ورب الكعبة ‏"‏ ‏.‏ قال فجئت حتى جلست فلم أتقار أن قمت فقلت يا رسول الله فداك أبي وأمي من هم قال ‏"‏ هم الأكثرون أموالا إلا من قال هكذا وهكذا وهكذا - من بين يديه ومن خلفه وعن يمينه وعن شماله - وقليل ما هم ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي زكاتها إلا جاءت يوم القيامة أعظم ما كانت وأسمنه تنطحه بقرونها وتطؤه بأظلافها كلما نفدت أخراها عادت عليه أولاها حتى يقضى بين الناس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > সদাক্বাহ্ প্রদানে উৎসাহ প্রদান

সহিহ মুসলিম ২১৯৪

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وابن نمير وأبو كريب كلهم عن أبي معاوية، - قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، - عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن أبي، ذر قال كنت أمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرة المدينة عشاء ونحن ننظر إلى أحد فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لبيك يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ ما أحب أن أحدا ذاك عندي ذهب أمسى ثالثة عندي منه دينار إلا دينارا أرصده لدين إلا أن أقول به في عباد الله هكذا - حثا بين يديه - وهكذا - عن يمينه - وهكذا - عن شماله ‏"‏ ‏.‏ قال ثم مشينا فقال ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لبيك يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ إن الأكثرين هم الأقلون يوم القيامة إلا من قال هكذا وهكذا وهكذا ‏"‏ ‏.‏ مثل ما صنع في المرة الأولى قال ثم مشينا قال ‏"‏ يا أبا ذر كما أنت حتى آتيك ‏"‏ ‏.‏ قال فانطلق حتى توارى عني - قال - سمعت لغطا وسمعت صوتا - قال - فقلت لعل رسول الله صلى الله عليه وسلم عرض له - قال - فهممت أن أتبعه قال ثم ذكرت قوله ‏"‏ لا تبرح حتى آتيك ‏"‏ ‏.‏ قال فانتظرته فلما جاء ذكرت له الذي سمعت - قال - فقال ‏"‏ ذاك جبريل أتاني فقال من مات من أمتك لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال قلت وإن زنى وإن سرق قال ‏"‏ وإن زنى وإن سرق ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা দুপুরের পর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে মাদীনার কঙ্করময় মাঠ দিয়ে চলছিলাম এবং আমরা উহুদ পাহাড়ের দিকে তাকাচ্ছিলাম। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ “যদি এ উহুদ পাহাড় আমার জন্য স্বর্ণে পরিণত হয় তাহলে তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ঋণ পরিশোধ করার পরিমান অর্থ ছাড়া অতিরিক্ত একটি দীনারও আমার কাছে অবশিষ্ট থাক তা আমি পছন্দ করি না। তা আমার হস্তগত হলে আমি আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এভাবে বন্টন করে দিব। তিনি সামনের দিকে, ডানে এবং বামে হাতের ইংগিতে এক এক ভরা মুঠ দেখালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা আবার অগ্রসর হলাম। তিনি আবার বললেন, হে আবূ যার! আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি হাজির আছি। তিনি বললেন, ক্বিয়ামাতের দিন অঢেল সম্পদের মালিকেরা কম সাওয়াব লাভ করবে। তবে যারা সৎপাত্রে যথোচিতভাবে এভাবে দান করবে তাদের সাওয়াব কোন অংশেই কম হবে না। তিনি মুষ্টি ভরে পূর্বের ন্যায় ইংগিত করে দেখালেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা চলতে থাকলাম। কিছু দূর অগ্রসর হলে তিনি বললেন, হে আবূ যার! তুমি এখানে অপেক্ষা কর এবং আমার ফিরে না আসা পর্যন্ত কোথাও যাবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি চলে গেলেন এবং আমার দৃষ্টির আড়াল হয়ে গেলেন। তারপর আমি কিছু গোলমাল ও শব্দ শুনতে পেয়ে মনে করলাম, বোধ হয় রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। আমি তাঁকে খোঁজার জন্য মনস্থ করলাম। কিন্তু সাথে সাথে এ স্থান ত্যাগ না করার জন্য তার নির্দেশ আমার মনে পড়ে গেল। তাই আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম। অতঃপর তিনি ফিরে আসলে আমি যা কিছু শুনেছিলাম তা তাকে জানালাম। তিনি বললেন, তুমি যার শব্দ শুনেছ তিনি ছিলেন জিবরীল। তিনি আমার কাছে এসেছিলেন এবং আমাকে বলেছেন, “আপনার উম্মাতের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন প্রকার শির্ক না করা অবস্থায় মারা যাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, যদি সে যিনা করে এবং চুরি করে (তবুও কি) তিনি বললেন, যদিও সে যিনা করে এবং চুরি করে তবুও। (ই.ফা. ২১৭৩, ই.সে. ২১৭৫)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা দুপুরের পর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে মাদীনার কঙ্করময় মাঠ দিয়ে চলছিলাম এবং আমরা উহুদ পাহাড়ের দিকে তাকাচ্ছিলাম। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ “যদি এ উহুদ পাহাড় আমার জন্য স্বর্ণে পরিণত হয় তাহলে তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ঋণ পরিশোধ করার পরিমান অর্থ ছাড়া অতিরিক্ত একটি দীনারও আমার কাছে অবশিষ্ট থাক তা আমি পছন্দ করি না। তা আমার হস্তগত হলে আমি আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এভাবে বন্টন করে দিব। তিনি সামনের দিকে, ডানে এবং বামে হাতের ইংগিতে এক এক ভরা মুঠ দেখালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা আবার অগ্রসর হলাম। তিনি আবার বললেন, হে আবূ যার! আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি হাজির আছি। তিনি বললেন, ক্বিয়ামাতের দিন অঢেল সম্পদের মালিকেরা কম সাওয়াব লাভ করবে। তবে যারা সৎপাত্রে যথোচিতভাবে এভাবে দান করবে তাদের সাওয়াব কোন অংশেই কম হবে না। তিনি মুষ্টি ভরে পূর্বের ন্যায় ইংগিত করে দেখালেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা চলতে থাকলাম। কিছু দূর অগ্রসর হলে তিনি বললেন, হে আবূ যার! তুমি এখানে অপেক্ষা কর এবং আমার ফিরে না আসা পর্যন্ত কোথাও যাবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি চলে গেলেন এবং আমার দৃষ্টির আড়াল হয়ে গেলেন। তারপর আমি কিছু গোলমাল ও শব্দ শুনতে পেয়ে মনে করলাম, বোধ হয় রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। আমি তাঁকে খোঁজার জন্য মনস্থ করলাম। কিন্তু সাথে সাথে এ স্থান ত্যাগ না করার জন্য তার নির্দেশ আমার মনে পড়ে গেল। তাই আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম। অতঃপর তিনি ফিরে আসলে আমি যা কিছু শুনেছিলাম তা তাকে জানালাম। তিনি বললেন, তুমি যার শব্দ শুনেছ তিনি ছিলেন জিবরীল। তিনি আমার কাছে এসেছিলেন এবং আমাকে বলেছেন, “আপনার উম্মাতের মধ্যে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন প্রকার শির্ক না করা অবস্থায় মারা যাবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, যদি সে যিনা করে এবং চুরি করে (তবুও কি) তিনি বললেন, যদিও সে যিনা করে এবং চুরি করে তবুও। (ই.ফা. ২১৭৩, ই.সে. ২১৭৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وابن نمير وأبو كريب كلهم عن أبي معاوية، - قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، - عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن أبي، ذر قال كنت أمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرة المدينة عشاء ونحن ننظر إلى أحد فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لبيك يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ ما أحب أن أحدا ذاك عندي ذهب أمسى ثالثة عندي منه دينار إلا دينارا أرصده لدين إلا أن أقول به في عباد الله هكذا - حثا بين يديه - وهكذا - عن يمينه - وهكذا - عن شماله ‏"‏ ‏.‏ قال ثم مشينا فقال ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لبيك يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ إن الأكثرين هم الأقلون يوم القيامة إلا من قال هكذا وهكذا وهكذا ‏"‏ ‏.‏ مثل ما صنع في المرة الأولى قال ثم مشينا قال ‏"‏ يا أبا ذر كما أنت حتى آتيك ‏"‏ ‏.‏ قال فانطلق حتى توارى عني - قال - سمعت لغطا وسمعت صوتا - قال - فقلت لعل رسول الله صلى الله عليه وسلم عرض له - قال - فهممت أن أتبعه قال ثم ذكرت قوله ‏"‏ لا تبرح حتى آتيك ‏"‏ ‏.‏ قال فانتظرته فلما جاء ذكرت له الذي سمعت - قال - فقال ‏"‏ ذاك جبريل أتاني فقال من مات من أمتك لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال قلت وإن زنى وإن سرق قال ‏"‏ وإن زنى وإن سرق ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ২১৯৫

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن عبد العزيز، - وهو ابن رفيع - عن زيد بن وهب، عن أبي ذر، قال خرجت ليلة من الليالي فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمشي وحده ليس معه إنسان قال فظننت أنه يكره أن يمشي معه أحد - قال - فجعلت أمشي في ظل القمر فالتفت فرآني فقال ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ فقلت أبو ذر جعلني الله فداءك ‏.‏ قال ‏"‏ يا أبا ذر تعاله ‏"‏ ‏.‏ قال فمشيت معه ساعة فقال ‏"‏ إن المكثرين هم المقلون يوم القيامة إلا من أعطاه الله خيرا فنفح فيه يمينه وشماله وبين يديه ووراءه وعمل فيه خيرا ‏"‏ ‏.‏ قال فمشيت معه ساعة فقال ‏"‏ اجلس ها هنا ‏"‏ ‏.‏ قال فأجلسني في قاع حوله حجارة فقال لي ‏"‏ اجلس ها هنا حتى أرجع إليك ‏"‏ ‏.‏ قال فانطلق في الحرة حتى لا أراه فلبث عني فأطال اللبث ثم إني سمعته وهو مقبل وهو يقول ‏"‏ وإن سرق وإن زنى ‏"‏ ‏.‏ قال فلما جاء لم أصبر فقلت يا نبي الله جعلني الله فداءك من تكلم في جانب الحرة ما سمعت أحدا يرجع إليك شيئا ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك جبريل عرض لي في جانب الحرة فقال بشر أمتك أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة ‏.‏ فقلت يا جبريل وإن سرق وإن زنى قال نعم ‏.‏ قال قلت وإن سرق وإن زنى قال نعم ‏.‏ قال قلت وإن سرق وإن زنى قال نعم وإن شرب الخمر ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক রাতে আমি বাইরে বের হলাম। হঠাত রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে একাকী চলতে দেখলাম, তাঁর সাথে অন্য কোন লোক ছিল না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি ধারণা করলাম, তিনি বোধ হয় কাউকে সাথী করতে পছন্দ করছেন না, তাই এভাবে একাকী চলছেন (অন্যথায় সাহাবিগণ তো কোন সময়েই তাকে একাকী বের হতে দিতেন না)। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তাই আমি চাঁদের আলোকে বা ছায়ায় চলতে লাগলাম (যাতে তিনি আমাকে দেখতে না পান)। তিনি পিছনের দিকে ফিরে আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন কে? আমি বললাম “আবূ যার! আল্লাহ আমাকে আপনার খিদমাতে উৎসর্গকারী হিসেবে কবুল করুন”। তিনি বললেন, হে আবূ যার! আমার সাথে এসো। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তারপর কিছু সময় তাঁর সাথে চলার পর তিনি বললেন, যারা এ পার্থিব জীবনে অগাধ সম্পদের মালিক তারা কিয়ামাতের দিন নিঃস্ব হবে। তবে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা সম্পদ দানের পর তারা নিজেদের সম্পদ ডানে, বামে, সামনে, পিছনে ছড়িয়ে দিবে এবং এর দ্বারা বিভিন্নমুখী পূন্যের কাজ করবে তারা এর ব্যতিক্রম। (অর্থাৎ এরা ধনী হলেও পরকালে মর্যাদার দিক থেকে কোন প্রকার পিছিয়ে থাকবে না।) আবূ যার (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি কিছু সময় তাঁর সাথে হাঁটার পর তিনি আমাকে বললেন, এখানে তুমি বসে থাক। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে এমন একটি পরিষ্কার স্থানে বসালেন যার চতুষ্পার্শে পাথর ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার ফিরে আসা পর্যন্ত তুমি এখানে বসে থাকবে। আবূ যার (রাঃ) আরও বললেন, অতঃপর তিনি পাথুরে মাঠের মধ্যে চলে গেলেন এবং এতদূরে গেলেন যে, আমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবস্থান করলেন। তারপর আমি তাঁকে আসতে আসতে এ কথা বলতে শুনলাম, “যদিও চুরি করে, যদিও যিনা করে।” তিনি যখন ফিরে আসলেন আমি আর ধৈর্য ধরতে পারলাম না। তাই তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ হিসেবে কবুল করুন, ঐ পাথুরে স্থানে আপনি কার সাথে আলাপ করছিলেন? আমিতো আপনার কথার জবাব দানকারী কাউকে দেখতে পাইনি! তিনি বললেন, জিবরীল (‘আঃ)। পাথুরে স্থানে আমার আগেই তিনি এসেছিলেন এবং আমাকে বলেছেন, “আপনি আপনার উম্মাতকে সুসংবাদ দিন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শির্ক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে। “অতঃপর আমি বললাম, হে জিবরীল! যদি আমার সে উম্মাত চুরি করে এবং যিনা করে? তিনি এবারো বললেন, তবুও। তিনি বলেন, আমি পুনরায় বললামঃ যদিও সে চুরি করে এবং যিনায় লিপ্ত হয়? তিনি বললেন, হ্যা যদিও সে শরাব (মাদক দ্রব্য) পান করে। (ই.ফা. ২১৭৪, ই.সে. ২১৭৬)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক রাতে আমি বাইরে বের হলাম। হঠাত রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে একাকী চলতে দেখলাম, তাঁর সাথে অন্য কোন লোক ছিল না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি ধারণা করলাম, তিনি বোধ হয় কাউকে সাথী করতে পছন্দ করছেন না, তাই এভাবে একাকী চলছেন (অন্যথায় সাহাবিগণ তো কোন সময়েই তাকে একাকী বের হতে দিতেন না)। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তাই আমি চাঁদের আলোকে বা ছায়ায় চলতে লাগলাম (যাতে তিনি আমাকে দেখতে না পান)। তিনি পিছনের দিকে ফিরে আমাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন কে? আমি বললাম “আবূ যার! আল্লাহ আমাকে আপনার খিদমাতে উৎসর্গকারী হিসেবে কবুল করুন”। তিনি বললেন, হে আবূ যার! আমার সাথে এসো। আবূ যার (রাঃ) বলেন, তারপর কিছু সময় তাঁর সাথে চলার পর তিনি বললেন, যারা এ পার্থিব জীবনে অগাধ সম্পদের মালিক তারা কিয়ামাতের দিন নিঃস্ব হবে। তবে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা সম্পদ দানের পর তারা নিজেদের সম্পদ ডানে, বামে, সামনে, পিছনে ছড়িয়ে দিবে এবং এর দ্বারা বিভিন্নমুখী পূন্যের কাজ করবে তারা এর ব্যতিক্রম। (অর্থাৎ এরা ধনী হলেও পরকালে মর্যাদার দিক থেকে কোন প্রকার পিছিয়ে থাকবে না।) আবূ যার (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি কিছু সময় তাঁর সাথে হাঁটার পর তিনি আমাকে বললেন, এখানে তুমি বসে থাক। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে এমন একটি পরিষ্কার স্থানে বসালেন যার চতুষ্পার্শে পাথর ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার ফিরে আসা পর্যন্ত তুমি এখানে বসে থাকবে। আবূ যার (রাঃ) আরও বললেন, অতঃপর তিনি পাথুরে মাঠের মধ্যে চলে গেলেন এবং এতদূরে গেলেন যে, আমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। সেখানে তিনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবস্থান করলেন। তারপর আমি তাঁকে আসতে আসতে এ কথা বলতে শুনলাম, “যদিও চুরি করে, যদিও যিনা করে।” তিনি যখন ফিরে আসলেন আমি আর ধৈর্য ধরতে পারলাম না। তাই তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ হিসেবে কবুল করুন, ঐ পাথুরে স্থানে আপনি কার সাথে আলাপ করছিলেন? আমিতো আপনার কথার জবাব দানকারী কাউকে দেখতে পাইনি! তিনি বললেন, জিবরীল (‘আঃ)। পাথুরে স্থানে আমার আগেই তিনি এসেছিলেন এবং আমাকে বলেছেন, “আপনি আপনার উম্মাতকে সুসংবাদ দিন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শির্ক না করা অবস্থায় মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে। “অতঃপর আমি বললাম, হে জিবরীল! যদি আমার সে উম্মাত চুরি করে এবং যিনা করে? তিনি এবারো বললেন, তবুও। তিনি বলেন, আমি পুনরায় বললামঃ যদিও সে চুরি করে এবং যিনায় লিপ্ত হয়? তিনি বললেন, হ্যা যদিও সে শরাব (মাদক দ্রব্য) পান করে। (ই.ফা. ২১৭৪, ই.সে. ২১৭৬)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن عبد العزيز، - وهو ابن رفيع - عن زيد بن وهب، عن أبي ذر، قال خرجت ليلة من الليالي فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم يمشي وحده ليس معه إنسان قال فظننت أنه يكره أن يمشي معه أحد - قال - فجعلت أمشي في ظل القمر فالتفت فرآني فقال ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ فقلت أبو ذر جعلني الله فداءك ‏.‏ قال ‏"‏ يا أبا ذر تعاله ‏"‏ ‏.‏ قال فمشيت معه ساعة فقال ‏"‏ إن المكثرين هم المقلون يوم القيامة إلا من أعطاه الله خيرا فنفح فيه يمينه وشماله وبين يديه ووراءه وعمل فيه خيرا ‏"‏ ‏.‏ قال فمشيت معه ساعة فقال ‏"‏ اجلس ها هنا ‏"‏ ‏.‏ قال فأجلسني في قاع حوله حجارة فقال لي ‏"‏ اجلس ها هنا حتى أرجع إليك ‏"‏ ‏.‏ قال فانطلق في الحرة حتى لا أراه فلبث عني فأطال اللبث ثم إني سمعته وهو مقبل وهو يقول ‏"‏ وإن سرق وإن زنى ‏"‏ ‏.‏ قال فلما جاء لم أصبر فقلت يا نبي الله جعلني الله فداءك من تكلم في جانب الحرة ما سمعت أحدا يرجع إليك شيئا ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك جبريل عرض لي في جانب الحرة فقال بشر أمتك أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة ‏.‏ فقلت يا جبريل وإن سرق وإن زنى قال نعم ‏.‏ قال قلت وإن سرق وإن زنى قال نعم ‏.‏ قال قلت وإن سرق وإن زنى قال نعم وإن شرب الخمر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > সম্পদ পুঞ্জিভুতকারী ও তাদের শাস্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে

সহিহ মুসলিম ২১৯৭

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، حدثنا خليد العصري، عن الأحنف، بن قيس قال كنت في نفر من قريش فمر أبو ذر وهو يقول بشر الكانزين بكى في ظهورهم يخرج من جنوبهم وبكى من قبل أقفائهم يخرج من جباههم ‏.‏ - قال - ثم تنحى فقعد ‏.‏ - قال - قلت من هذا قالوا هذا أبو ذر ‏.‏ قال فقمت إليه فقلت ما شىء سمعتك تقول قبيل قال ما قلت إلا شيئا قد سمعته من نبيهم صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قلت ما تقول في هذا العطاء قال خذه فإن فيه اليوم معونة فإذا كان ثمنا لدينك فدعه‏.

আহ্‌নাফ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি কুরায়শ গোত্রের কতিপয় লোকের সাথে বসা ছিলাম। এমন সময় আবূ যার (রাঃ) সেখানে এসে বলতে লাগলেন, অগাধ সম্পদ পুঞ্জিভুতকারীদেরকে এমন এক দাগের সুসংবাদ দাও যা পিঠে লাগানো হবে এবং পার্শ্বদেশ ভেদ করে বের হবে। আর ঘাড়ে লাগানো হবে এবং তা কপাল ভেদ করে বের হবে। অতঃপর তিনি এক পাশে গিয়ে বসলেন। আমি লোকদেরকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা (উত্তরে) বলল, ইনি আবূ যার (রাঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, একটু আগে আপনাকে যে কথাটি বলতে শুনলাম তা কী কথা ছিল? তিনি (আবূ যার) বললেন, আমি তো সে কথাই বলছিলাম যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছ থেকে শুনেছি। রাবী বলেন, আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, এসব দান (অর্থাৎ আমীরগন গনীমাতের মালের যে অংশ মুসলিমদেরকে দিচ্ছে) এ সম্পর্কে আপনার মত কী? তিনি বললেন, তোমরা তা গ্রহন করতে থাক, কেননা ব্যয়ভার বহনের জন্য এর দ্বারা এখন সাহায্য হচ্ছে। কিন্তু যখন এ দান বা গনিমাত তোমার দ্বীনের বিনিময়ে (মানে হলো দ্বীন ও ঈমান বিক্রি করা তোমাকে দ্বীনের পরিপন্থি কাজে ব্য্যবহারের চেষ্টা কল্পে হয়) তখন এ দান গ্রহন করো না। (ই.ফা. ২১৭৬, ই.সে. ২১৭৮)

আহ্‌নাফ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি কুরায়শ গোত্রের কতিপয় লোকের সাথে বসা ছিলাম। এমন সময় আবূ যার (রাঃ) সেখানে এসে বলতে লাগলেন, অগাধ সম্পদ পুঞ্জিভুতকারীদেরকে এমন এক দাগের সুসংবাদ দাও যা পিঠে লাগানো হবে এবং পার্শ্বদেশ ভেদ করে বের হবে। আর ঘাড়ে লাগানো হবে এবং তা কপাল ভেদ করে বের হবে। অতঃপর তিনি এক পাশে গিয়ে বসলেন। আমি লোকদেরকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ইনি কে? তারা (উত্তরে) বলল, ইনি আবূ যার (রাঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, একটু আগে আপনাকে যে কথাটি বলতে শুনলাম তা কী কথা ছিল? তিনি (আবূ যার) বললেন, আমি তো সে কথাই বলছিলাম যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছ থেকে শুনেছি। রাবী বলেন, আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, এসব দান (অর্থাৎ আমীরগন গনীমাতের মালের যে অংশ মুসলিমদেরকে দিচ্ছে) এ সম্পর্কে আপনার মত কী? তিনি বললেন, তোমরা তা গ্রহন করতে থাক, কেননা ব্যয়ভার বহনের জন্য এর দ্বারা এখন সাহায্য হচ্ছে। কিন্তু যখন এ দান বা গনিমাত তোমার দ্বীনের বিনিময়ে (মানে হলো দ্বীন ও ঈমান বিক্রি করা তোমাকে দ্বীনের পরিপন্থি কাজে ব্য্যবহারের চেষ্টা কল্পে হয়) তখন এ দান গ্রহন করো না। (ই.ফা. ২১৭৬, ই.সে. ২১৭৮)

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، حدثنا خليد العصري، عن الأحنف، بن قيس قال كنت في نفر من قريش فمر أبو ذر وهو يقول بشر الكانزين بكى في ظهورهم يخرج من جنوبهم وبكى من قبل أقفائهم يخرج من جباههم ‏.‏ - قال - ثم تنحى فقعد ‏.‏ - قال - قلت من هذا قالوا هذا أبو ذر ‏.‏ قال فقمت إليه فقلت ما شىء سمعتك تقول قبيل قال ما قلت إلا شيئا قد سمعته من نبيهم صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قلت ما تقول في هذا العطاء قال خذه فإن فيه اليوم معونة فإذا كان ثمنا لدينك فدعه‏.


সহিহ মুসলিম ২১৯৬

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، عن أبي، العلاء عن الأحنف بن قيس، قال قدمت المدينة فبينا أنا في، حلقة فيها ملأ من قريش إذ جاء رجل أخشن الثياب أخشن الجسد أخشن الوجه فقام عليهم فقال بشر الكانزين برضف يحمى عليه في نار جهنم فيوضع على حلمة ثدى أحدهم حتى يخرج من نغض كتفيه ويوضع على نغض كتفيه حتى يخرج من حلمة ثدييه يتزلزل قال فوضع القوم رءوسهم فما رأيت أحدا منهم رجع إليه شيئا - قال - فأدبر واتبعته حتى جلس إلى سارية فقلت ما رأيت هؤلاء إلا كرهوا ما قلت لهم ‏.‏ قال إن هؤلاء لا يعقلون شيئا إن خليلي أبا القاسم صلى الله عليه وسلم دعاني فأجبته فقال ‏"‏ أترى أحدا ‏"‏ ‏.‏ فنظرت ما على من الشمس وأنا أظن أنه يبعثني في حاجة له فقلت أراه ‏.‏ فقال ‏"‏ ما يسرني أن لي مثله ذهبا أنفقه كله إلا ثلاثة دنانير ‏"‏ ‏.‏ ثم هؤلاء يجمعون الدنيا لا يعقلون شيئا ‏.‏ قال قلت ما لك ولإخوتك من قريش لا تعتريهم وتصيب منهم ‏.‏ قال لا وربك لا أسألهم عن دنيا ولا أستفتيهم عن دين حتى ألحق بالله ورسوله ‏.

আহনাফ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাদীনায় আসার পর একদা কুরায়শদের এক সমাবেশে বসা ছিলাম। সেখানে তাদের (গোত্রীয় নেতা) দলপতিও উপস্থিত ছিল। এমন সময় মোটা কাপড় পরিহিত সুঠাম দেহের অধিকারী ও রুক্ষ চেহারার এক ব্যক্তি আসল। এসে দাঁড়িয়ে বলল, সম্পদ কুক্ষিগতকারীদের সুসংবাদ দাও যে, একটি পাথর জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করে, তাদের কারো বুকের মাঝখানে রাখা হবে। এমনকি তার কাঁধের হাড় ভেদ করে বেরিয়ে যাবে এবং কাঁধের হাড়ের উপর রাখা হলে তা স্তনের বোঁটা ভেদ করে বেরিয়ে যাবে এবং পাথরটি (আগুনের উত্তাপের ফলে) কাঁপতে থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকেরা সবাই মাথা নত করে থাকল এবং তার বক্তব্যের প্রত্যুত্তরে কাউকে কিছু বলতে দেখলাম না। অতঃপর সে পিছন ফিরে এসে একটি খুটির কাছে বসে পড়ল, আমিও তাকে অনুসরণ করলাম। অর্থাৎ তার কাছে এসে বসলাম। অতঃপর আমি বললাম যে, এরাতো তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি। তিনি (উত্তরে) বললেন, এরা (দ্বীন সম্পর্কে) কিছুই বোঝে না বা জ্ঞান রাখে না। আমার বন্ধুবর আবূল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাকে ডাকলেন এবং আমি উপস্থিত হলাম। অতঃপর তিনি বললেন, “তুমি উহুদ পাহাড় দেখতে পাচ্ছ? আমি তখন সূর্যের দিকে আমার দৃষ্টি নিবন্ধ করলাম এবং ধারণা করলাম তিনি হয়তো আমাকে কোন কাজে পাঠাবেন। আমি বললাম, হ্যাঁ দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি বললেন, আমি এটা চাই না যে, এ পাহাড় আমার জন্য সোনা হোক আর যদি এত অঢেল সম্পদের মালিক আমি হয়েও যাই তাহলে ঋন পরিশোধের জন্য, শুধু তিন দীনার রেখে বাকি সব খরচ করে দিব। অতঃপর এরা শুধু দুনিয়া সঞ্চয় করেছে, আর কিছুই বুঝছে না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে বললাম তুমি ও তোমার কুরায়শ গোত্রীয় ভাইদের কী হয়েছে; তুমি তাদের কাছে প্রয়োজনে কেন যাওনা, মেলামেশা কর না আর কেন বা কোন কিছু গ্রহন করো না? উত্তরে সে বললো, তোমার প্রভুর শপথ! আমি আল্লাহ তাঁর রাসূলের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে (অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত) তাদের কাছে পার্থিব কোন কিছু চাই না এবং দ্বীন সম্পর্কেও কোন কিছু জিজ্ঞেস করব না। (ই.ফা. ২১৭৫, ই.সে. ২১৭৭)

আহনাফ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাদীনায় আসার পর একদা কুরায়শদের এক সমাবেশে বসা ছিলাম। সেখানে তাদের (গোত্রীয় নেতা) দলপতিও উপস্থিত ছিল। এমন সময় মোটা কাপড় পরিহিত সুঠাম দেহের অধিকারী ও রুক্ষ চেহারার এক ব্যক্তি আসল। এসে দাঁড়িয়ে বলল, সম্পদ কুক্ষিগতকারীদের সুসংবাদ দাও যে, একটি পাথর জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করে, তাদের কারো বুকের মাঝখানে রাখা হবে। এমনকি তার কাঁধের হাড় ভেদ করে বেরিয়ে যাবে এবং কাঁধের হাড়ের উপর রাখা হলে তা স্তনের বোঁটা ভেদ করে বেরিয়ে যাবে এবং পাথরটি (আগুনের উত্তাপের ফলে) কাঁপতে থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকেরা সবাই মাথা নত করে থাকল এবং তার বক্তব্যের প্রত্যুত্তরে কাউকে কিছু বলতে দেখলাম না। অতঃপর সে পিছন ফিরে এসে একটি খুটির কাছে বসে পড়ল, আমিও তাকে অনুসরণ করলাম। অর্থাৎ তার কাছে এসে বসলাম। অতঃপর আমি বললাম যে, এরাতো তোমার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছে বলে আমি দেখতে পাচ্ছি। তিনি (উত্তরে) বললেন, এরা (দ্বীন সম্পর্কে) কিছুই বোঝে না বা জ্ঞান রাখে না। আমার বন্ধুবর আবূল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার আমাকে ডাকলেন এবং আমি উপস্থিত হলাম। অতঃপর তিনি বললেন, “তুমি উহুদ পাহাড় দেখতে পাচ্ছ? আমি তখন সূর্যের দিকে আমার দৃষ্টি নিবন্ধ করলাম এবং ধারণা করলাম তিনি হয়তো আমাকে কোন কাজে পাঠাবেন। আমি বললাম, হ্যাঁ দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি বললেন, আমি এটা চাই না যে, এ পাহাড় আমার জন্য সোনা হোক আর যদি এত অঢেল সম্পদের মালিক আমি হয়েও যাই তাহলে ঋন পরিশোধের জন্য, শুধু তিন দীনার রেখে বাকি সব খরচ করে দিব। অতঃপর এরা শুধু দুনিয়া সঞ্চয় করেছে, আর কিছুই বুঝছে না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে বললাম তুমি ও তোমার কুরায়শ গোত্রীয় ভাইদের কী হয়েছে; তুমি তাদের কাছে প্রয়োজনে কেন যাওনা, মেলামেশা কর না আর কেন বা কোন কিছু গ্রহন করো না? উত্তরে সে বললো, তোমার প্রভুর শপথ! আমি আল্লাহ তাঁর রাসূলের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে (অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত) তাদের কাছে পার্থিব কোন কিছু চাই না এবং দ্বীন সম্পর্কেও কোন কিছু জিজ্ঞেস করব না। (ই.ফা. ২১৭৫, ই.সে. ২১৭৭)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، عن أبي، العلاء عن الأحنف بن قيس، قال قدمت المدينة فبينا أنا في، حلقة فيها ملأ من قريش إذ جاء رجل أخشن الثياب أخشن الجسد أخشن الوجه فقام عليهم فقال بشر الكانزين برضف يحمى عليه في نار جهنم فيوضع على حلمة ثدى أحدهم حتى يخرج من نغض كتفيه ويوضع على نغض كتفيه حتى يخرج من حلمة ثدييه يتزلزل قال فوضع القوم رءوسهم فما رأيت أحدا منهم رجع إليه شيئا - قال - فأدبر واتبعته حتى جلس إلى سارية فقلت ما رأيت هؤلاء إلا كرهوا ما قلت لهم ‏.‏ قال إن هؤلاء لا يعقلون شيئا إن خليلي أبا القاسم صلى الله عليه وسلم دعاني فأجبته فقال ‏"‏ أترى أحدا ‏"‏ ‏.‏ فنظرت ما على من الشمس وأنا أظن أنه يبعثني في حاجة له فقلت أراه ‏.‏ فقال ‏"‏ ما يسرني أن لي مثله ذهبا أنفقه كله إلا ثلاثة دنانير ‏"‏ ‏.‏ ثم هؤلاء يجمعون الدنيا لا يعقلون شيئا ‏.‏ قال قلت ما لك ولإخوتك من قريش لا تعتريهم وتصيب منهم ‏.‏ قال لا وربك لا أسألهم عن دنيا ولا أستفتيهم عن دين حتى ألحق بالله ورسوله ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00