সহিহ মুসলিম > প্রথম আঘাতেই ধৈর্যধারণ হচ্ছে প্রকৃত ধৈর্যধারণ
সহিহ মুসলিম ২০২৪
حدثنا محمد بن بشار العبدي، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، عن ثابت، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الصبر عند الصدمة الأولى " .
সাবিত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করা হচ্ছে প্রকৃত ধৈর্য। (ই.ফা. ২০০৮, ই.সে. ২০১৫)
সাবিত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধারণ করা হচ্ছে প্রকৃত ধৈর্য। (ই.ফা. ২০০৮, ই.সে. ২০১৫)
حدثنا محمد بن بشار العبدي، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، عن ثابت، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الصبر عند الصدمة الأولى " .
সহিহ মুসলিম ২০২৫
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، أخبرنا شعبة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى على امرأة تبكي على صبي لها فقال لها " اتقي الله واصبري " . فقالت وما تبالي بمصيبتي . فلما ذهب قيل لها إنه رسول الله صلى الله عليه وسلم . فأخذها مثل الموت فأتت بابه فلم تجد على بابه بوابين فقالت يا رسول الله لم أعرفك . فقال " إنما الصبر عند أول صدمة " . أو قال " عند أول الصدمة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তার পুত্রের মৃত্যু শোকে কাঁদছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, আল্লাহকে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। স্ত্রীলোকটি বলল, আপনি তো আমার মতো মুসীবাতে পড়েননি। যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন, কেউ তাকে বলল, ইনিই তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এ কথা শুনে মহিলার অবস্থা মৃতবৎ হয়ে গেল। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরজায় এসে দেখল তাঁর দরজায় কোন দ্বাররক্ষী নেই। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে চিনতে পারিনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, প্রকৃত সবর হচ্ছে প্রথম আঘাতের সময় ধৈর্য ধারণ করা অথবা বলেছেন, বিপদের প্রথম লগ্নে। (ই.ফা. ২০০৯, ই.সে. ২০১৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তার পুত্রের মৃত্যু শোকে কাঁদছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, আল্লাহকে ভয় কর এবং ধৈর্য ধারণ কর। স্ত্রীলোকটি বলল, আপনি তো আমার মতো মুসীবাতে পড়েননি। যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন, কেউ তাকে বলল, ইনিই তো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এ কথা শুনে মহিলার অবস্থা মৃতবৎ হয়ে গেল। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরজায় এসে দেখল তাঁর দরজায় কোন দ্বাররক্ষী নেই। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি আপনাকে চিনতে পারিনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, প্রকৃত সবর হচ্ছে প্রথম আঘাতের সময় ধৈর্য ধারণ করা অথবা বলেছেন, বিপদের প্রথম লগ্নে। (ই.ফা. ২০০৯, ই.সে. ২০১৬)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، أخبرنا شعبة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى على امرأة تبكي على صبي لها فقال لها " اتقي الله واصبري " . فقالت وما تبالي بمصيبتي . فلما ذهب قيل لها إنه رسول الله صلى الله عليه وسلم . فأخذها مثل الموت فأتت بابه فلم تجد على بابه بوابين فقالت يا رسول الله لم أعرفك . فقال " إنما الصبر عند أول صدمة " . أو قال " عند أول الصدمة " .
সহিহ মুসলিম ২০২৬
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا عقبة بن مكرم العمي، حدثنا عبد الملك بن عمرو، ح وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا عبد الصمد، قالوا جميعا حدثنا شعبة، بهذا الإسناد نحو حديث عثمان بن عمر بقصته . وفي حديث عبد الصمد مر النبي صلى الله عليه وسلم بامرأة عند قبر .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী, ‘উক্ববাহ্ ইবনু মুকরিম আল ‘আম্মী, আহমাদ ইবনু ইব্রাহীম আদ দাওরাক্বী (রহঃ) …. সকলে শু‘বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু ‘উমার (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ‘আবদুস সামাদ-এর হাদীসে আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরের নিকট ক্রন্দনরত এক মহিলার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। (ই.ফা. ২০১০, ই.সে. ২০১৭)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী, ‘উক্ববাহ্ ইবনু মুকরিম আল ‘আম্মী, আহমাদ ইবনু ইব্রাহীম আদ দাওরাক্বী (রহঃ) …. সকলে শু‘বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু ‘উমার (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ‘আবদুস সামাদ-এর হাদীসে আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরের নিকট ক্রন্দনরত এক মহিলার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। (ই.ফা. ২০১০, ই.সে. ২০১৭)
وحدثناه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا عقبة بن مكرم العمي، حدثنا عبد الملك بن عمرو، ح وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا عبد الصمد، قالوا جميعا حدثنا شعبة، بهذا الإسناد نحو حديث عثمان بن عمر بقصته . وفي حديث عبد الصمد مر النبي صلى الله عليه وسلم بامرأة عند قبر .
সহিহ মুসলিম > মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয়
সহিহ মুসলিম ২০৩০
وحدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن ابن عمر، قال لما طعن عمر أغمي عليه فصيح عليه فلما أفاق قال أما علمتم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببكاء الحى " .
আলী ইবনু হুজ্র আস্ সা‘দী (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) (আততায়ীর আঘাতে) আহত হন এবং সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। লোকেরা চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করল। যখন তাঁর জ্ঞান ফিরে এল, তিনি বললেন, তোমরা কি জান না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়? (ই.ফা. ২০১৩, ই.সে. ২০২০)
আলী ইবনু হুজ্র আস্ সা‘দী (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) (আততায়ীর আঘাতে) আহত হন এবং সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। লোকেরা চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করল। যখন তাঁর জ্ঞান ফিরে এল, তিনি বললেন, তোমরা কি জান না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়? (ই.ফা. ২০১৩, ই.সে. ২০২০)
وحدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن ابن عمر، قال لما طعن عمر أغمي عليه فصيح عليه فلما أفاق قال أما علمتم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببكاء الحى " .
সহিহ মুসলিম ২০২৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، جميعا عن ابن بشر، - قال أبو بكر حدثنا محمد بن بشر العبدي، - عن عبيد الله بن عمر، قال حدثنا نافع، عن عبد الله، أن حفصة، بكت على عمر فقال مهلا يا بنية ألم تعلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت يعذب ببكاء أهله عليه " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাফ্সাহ্ (রাঃ) ‘উমারের জন্য (ঘাতক কর্তৃক আহত হলে) কাঁদছিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে স্নেহের কন্যা! তুমি কি জান না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১১, ই.সে. ২০১৮)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাফ্সাহ্ (রাঃ) ‘উমারের জন্য (ঘাতক কর্তৃক আহত হলে) কাঁদছিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে স্নেহের কন্যা! তুমি কি জান না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১১, ই.সে. ২০১৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، جميعا عن ابن بشر، - قال أبو بكر حدثنا محمد بن بشر العبدي، - عن عبيد الله بن عمر، قال حدثنا نافع، عن عبد الله، أن حفصة، بكت على عمر فقال مهلا يا بنية ألم تعلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت يعذب ببكاء أهله عليه " .
সহিহ মুসলিম ২০২৯
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن سعيد، بن المسيب عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الميت يعذب في قبره بما نيح عليه " .
‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন ক্ববরে ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. নেই, ই.সে. নেই)
‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন ক্ববরে ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. নেই, ই.সে. নেই)
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن سعيد، بن المسيب عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الميت يعذب في قبره بما نيح عليه " .
সহিহ মুসলিম ২০৩৩
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن عمر بن الخطاب، لما طعن عولت عليه حفصة فقال يا حفصة أما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " المعول عليه يعذب " . وعول عليه صهيب فقال عمر يا صهيب أما علمت " أن المعول عليه يعذب " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) যখন আহত হলেন, হাফ্সাহ্ (রাঃ) সশব্দে কাঁদতে লাগলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ওগো হাফ্সাহ্! তুমি কি শোননি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার জন্য উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করা হয় তাকে শাস্তি দেয়া হবে? তাঁর প্রতি সুহায়ব (রাঃ)-ও কাঁদতে থাকলে ‘উমার (রাঃ) তাকেও বললেন, হে সুহায়ব! তুমি কি জান না যার জন্য চিৎকার করে কান্নাকাটি করা হয় তাকে ‘আযাব দেয়া হবে? (ই.ফা. ২০১৬, ই.সে. ২০২৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) যখন আহত হলেন, হাফ্সাহ্ (রাঃ) সশব্দে কাঁদতে লাগলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, ওগো হাফ্সাহ্! তুমি কি শোননি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার জন্য উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করা হয় তাকে শাস্তি দেয়া হবে? তাঁর প্রতি সুহায়ব (রাঃ)-ও কাঁদতে থাকলে ‘উমার (রাঃ) তাকেও বললেন, হে সুহায়ব! তুমি কি জান না যার জন্য চিৎকার করে কান্নাকাটি করা হয় তাকে ‘আযাব দেয়া হবে? (ই.ফা. ২০১৬, ই.সে. ২০২৩)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن عمر بن الخطاب، لما طعن عولت عليه حفصة فقال يا حفصة أما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " المعول عليه يعذب " . وعول عليه صهيب فقال عمر يا صهيب أما علمت " أن المعول عليه يعذب " .
সহিহ মুসলিম ২০৪১
وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني عمر بن محمد، أنحدثه عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت يعذب ببكاء الحى " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার বংশধরের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০২০, ই.সে. ২০২৭)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার বংশধরের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০২০, ই.সে. ২০২৭)
وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني عمر بن محمد، أنحدثه عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت يعذب ببكاء الحى " .
সহিহ মুসলিম ২০৪০
وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، حدثنا سفيان، قال عمرو عن ابن أبي مليكة، كنا في جنازة أم أبان بنت عثمان وساق الحديث ولم ينص رفع الحديث عن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم كما نصه أيوب وابن جريج وحديثهما أتم من حديث عمرو .
ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা উম্মু আবান বিন্তু ‘উসমান (রাঃ)এর যামানায় উপস্থিত হলাম। অবশিষ্ট বর্ণনা উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে তিনি এ হাদীস ইবনু ‘উমার-এর সূত্রে সরাসরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেননি। কিন্তু আইয়ূব ও ইবনু জুরায়জ এটাকে মারফূ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের বর্ণনা আমর-এর বর্ণনার চেয়ে পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ২০১৯, ই.সে. ২০২৬)
ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা উম্মু আবান বিন্তু ‘উসমান (রাঃ)এর যামানায় উপস্থিত হলাম। অবশিষ্ট বর্ণনা উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে তিনি এ হাদীস ইবনু ‘উমার-এর সূত্রে সরাসরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেননি। কিন্তু আইয়ূব ও ইবনু জুরায়জ এটাকে মারফূ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের বর্ণনা আমর-এর বর্ণনার চেয়ে পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ২০১৯, ই.সে. ২০২৬)
وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، حدثنا سفيان، قال عمرو عن ابن أبي مليكة، كنا في جنازة أم أبان بنت عثمان وساق الحديث ولم ينص رفع الحديث عن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم كما نصه أيوب وابن جريج وحديثهما أتم من حديث عمرو .
সহিহ মুসলিম ২০৩২
وحدثني علي بن حجر، أخبرنا شعيب بن صفوان أبو يحيى، عن عبد الملك بن، عمير عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبي موسى، قال لما أصيب عمر أقبل صهيب من منزله حتى دخل على عمر فقام بحياله يبكي فقال عمر علام تبكي أعلى تبكي قال إي والله لعليك أبكي يا أمير المؤمنين . قال والله لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من يبكى عليه يعذب " . قال فذكرت ذلك لموسى بن طلحة فقال كانت عائشة تقول إنما كان أولئك اليهود .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) তাঁর গৃহ থেকে রওয়ানা হয়ে ‘উমারের কাছে এলেন এবং তার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন কাঁদছ, আমার জন্য কাঁদছ? তিনি বললেন, কসম আল্লাহর! হে আমীরুল মু‘মিনীন! হ্যাঁ, আপনার জন্যই কাঁদছি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর ক্বসম! তুমি তো অবশ্যই জান রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার জন্য কান্নাকাটি করা হবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে। (ই.ফা. ২০১৫, ই.সে. ২০২২) তিনি [আবূ মূসা (রাঃ)] বলেন, এরপর আমি এ কথাটি মূসা ইবনু ত্বলহার কাছে বললাম। তিনি বললেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলতেন, যাদের ‘আযাবের কথা বলা হয়েছে, তারা ছিল ইয়াহূদী সম্প্রদায়।
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) তাঁর গৃহ থেকে রওয়ানা হয়ে ‘উমারের কাছে এলেন এবং তার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন কাঁদছ, আমার জন্য কাঁদছ? তিনি বললেন, কসম আল্লাহর! হে আমীরুল মু‘মিনীন! হ্যাঁ, আপনার জন্যই কাঁদছি। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর ক্বসম! তুমি তো অবশ্যই জান রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার জন্য কান্নাকাটি করা হবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে। (ই.ফা. ২০১৫, ই.সে. ২০২২) তিনি [আবূ মূসা (রাঃ)] বলেন, এরপর আমি এ কথাটি মূসা ইবনু ত্বলহার কাছে বললাম। তিনি বললেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলতেন, যাদের ‘আযাবের কথা বলা হয়েছে, তারা ছিল ইয়াহূদী সম্প্রদায়।
وحدثني علي بن حجر، أخبرنا شعيب بن صفوان أبو يحيى، عن عبد الملك بن، عمير عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبي موسى، قال لما أصيب عمر أقبل صهيب من منزله حتى دخل على عمر فقام بحياله يبكي فقال عمر علام تبكي أعلى تبكي قال إي والله لعليك أبكي يا أمير المؤمنين . قال والله لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من يبكى عليه يعذب " . قال فذكرت ذلك لموسى بن طلحة فقال كانت عائشة تقول إنما كان أولئك اليهود .
সহিহ মুসলিম ২০২৮
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن سعيد بن المسيب، عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الميت يعذب في قبره بما نيح عليه " .
‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন ক্ববরে ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১২, ই.সে. ২০১৮)
‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন ক্ববরে ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১২, ই.সে. ২০১৮)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن سعيد بن المسيب، عن ابن عمر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الميت يعذب في قبره بما نيح عليه " .
সহিহ মুসলিম ২০৩৪
حدثنا داود بن رشيد، حدثنا إسماعيل ابن علية، حدثنا أيوب، عن عبد الله بن، أبي مليكة قال كنت جالسا إلى جنب ابن عمر ونحن ننتظر جنازة أم أبان بنت عثمان وعنده عمرو بن عثمان فجاء ابن عباس يقوده قائد فأراه أخبره بمكان ابن عمر، فجاء حتى جلس إلى جنبي فكنت بينهما فإذا صوت من الدار فقال ابن عمر - كأنه يعرض على عمرو أن يقوم فينهاهم - سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الميت ليعذب ببكاء أهله " . قال فأرسلها عبد الله مرسلة
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর পাশে বসা ছিলাম এবং আমরা ‘উসমানের কন্যা উম্মু আবান-এর জানাযাহ্ পড়ার জন্যে অপেক্ষা করছিলাম। আর তাঁর (ইবনু ‘উমার) নিকটেই ছিল ‘আম্র ইবনু ‘উসমান (রাঃ)। এমন সময় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আসলেন, তাঁকে একজন পথ নির্দেশনাকারী হাতে ধরে নিয়ে আসছে। আমার ধারণা সে তাঁকে ইবনু ‘উমারের উপস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছে। তিনি এসে আমার পাশে বসলেন। আমি উভয়ের মাঝখানে ছিলাম। হঠাৎ ঘর থেকে একটা (কান্নার) আওয়াজ শুনা গেল। তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, মনে হয় তিনি ‘আম্রের প্রতি ইঙ্গিত করছিলেন যেন তিনি উঠে তাদেরকে (কান্না থেকে) বিরত রাখেন-আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এ কথাটা সাধারণভাবে বলেই ছেড়ে দিলেন। (ই.ফা. ২০১৭, ই.সে. ২০২৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর পাশে বসা ছিলাম এবং আমরা ‘উসমানের কন্যা উম্মু আবান-এর জানাযাহ্ পড়ার জন্যে অপেক্ষা করছিলাম। আর তাঁর (ইবনু ‘উমার) নিকটেই ছিল ‘আম্র ইবনু ‘উসমান (রাঃ)। এমন সময় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আসলেন, তাঁকে একজন পথ নির্দেশনাকারী হাতে ধরে নিয়ে আসছে। আমার ধারণা সে তাঁকে ইবনু ‘উমারের উপস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ দিয়েছে। তিনি এসে আমার পাশে বসলেন। আমি উভয়ের মাঝখানে ছিলাম। হঠাৎ ঘর থেকে একটা (কান্নার) আওয়াজ শুনা গেল। তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, মনে হয় তিনি ‘আম্রের প্রতি ইঙ্গিত করছিলেন যেন তিনি উঠে তাদেরকে (কান্না থেকে) বিরত রাখেন-আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এ কথাটা সাধারণভাবে বলেই ছেড়ে দিলেন। (ই.ফা. ২০১৭, ই.সে. ২০২৪)
حدثنا داود بن رشيد، حدثنا إسماعيل ابن علية، حدثنا أيوب، عن عبد الله بن، أبي مليكة قال كنت جالسا إلى جنب ابن عمر ونحن ننتظر جنازة أم أبان بنت عثمان وعنده عمرو بن عثمان فجاء ابن عباس يقوده قائد فأراه أخبره بمكان ابن عمر، فجاء حتى جلس إلى جنبي فكنت بينهما فإذا صوت من الدار فقال ابن عمر - كأنه يعرض على عمرو أن يقوم فينهاهم - سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الميت ليعذب ببكاء أهله " . قال فأرسلها عبد الله مرسلة
সহিহ মুসলিম ২০৩৭
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبد الله بن أبي مليكة، قال توفيت ابنة لعثمان بن عفان بمكة قال فجئنا لنشهدها - قال - فحضرها ابن عمر وابن عباس قال وإني لجالس بينهما - قال - جلست إلى أحدهما ثم جاء الآخر فجلس إلى جنبي فقال عبد الله بن عمر لعمرو بن عثمان وهو مواجهه ألا تنهى عن البكاء فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببكاء أهله عليه "
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাক্কায় ‘উমার ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর এক কন্যা ইনতিকাল করলে আমরা তার জানাযায় হাজির হওয়ার জন্য আসলাম। জানাযায় ইবনু ‘উমার (রাঃ) ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উপস্থিত হলেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ বলেন, আমি উভয়ের মাঝখানে বসে ছিলাম। অথবা তিনি বলেন, প্রথমে আমি একজনের পাশে বসে ছিলাম। অতঃপর অন্যজন এসে আমার পাশে বসে গেলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার তার সামনে বসা ‘আম্র ইবনু ‘উসমানকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা কান্নাকাটি করা থেকে কেন বারণ করছ না? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১৮, ই.সে. ২০২৫)
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাক্কায় ‘উমার ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর এক কন্যা ইনতিকাল করলে আমরা তার জানাযায় হাজির হওয়ার জন্য আসলাম। জানাযায় ইবনু ‘উমার (রাঃ) ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) উপস্থিত হলেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ বলেন, আমি উভয়ের মাঝখানে বসে ছিলাম। অথবা তিনি বলেন, প্রথমে আমি একজনের পাশে বসে ছিলাম। অতঃপর অন্যজন এসে আমার পাশে বসে গেলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার তার সামনে বসা ‘আম্র ইবনু ‘উসমানকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা কান্নাকাটি করা থেকে কেন বারণ করছ না? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১৮, ই.সে. ২০২৫)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبد الله بن أبي مليكة، قال توفيت ابنة لعثمان بن عفان بمكة قال فجئنا لنشهدها - قال - فحضرها ابن عمر وابن عباس قال وإني لجالس بينهما - قال - جلست إلى أحدهما ثم جاء الآخر فجلس إلى جنبي فقال عبد الله بن عمر لعمرو بن عثمان وهو مواجهه ألا تنهى عن البكاء فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببكاء أهله عليه "
সহিহ মুসলিম ২০৩১
حدثني علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن أبي بردة، عن أبيه، قال لما أصيب عمر جعل صهيب يقول واأخاه . فقال له عمر يا صهيب أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببكاء الحى " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) আক্ষেপ করে বলতে লাগলেন, আহ! ভাই ‘উমার! ‘উমার (রাঃ)তাঁকে বললেন, হে সুহায়ব! তোমার কি মনে নেই, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়? (ই.ফা. ২০১৪, ই.সে. ২০২১)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘উমার (রাঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) আক্ষেপ করে বলতে লাগলেন, আহ! ভাই ‘উমার! ‘উমার (রাঃ)তাঁকে বললেন, হে সুহায়ব! তোমার কি মনে নেই, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়? (ই.ফা. ২০১৪, ই.সে. ২০২১)
حدثني علي بن حجر، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن أبي بردة، عن أبيه، قال لما أصيب عمر جعل صهيب يقول واأخاه . فقال له عمر يا صهيب أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببكاء الحى " .
সহিহ মুসলিম ২০৪২
وحدثنا خلف بن هشام، وأبو الربيع الزهراني، جميعا عن حماد، - قال خلف حدثنا حماد بن زيد، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال ذكر عند عائشة قول ابن عمر الميت يعذب ببكاء أهله عليه . فقالت رحم الله أبا عبد الرحمن سمع شيئا فلم يحفظه إنما مرت على رسول الله صلى الله عليه وسلم جنازة يهودي وهم يبكون عليه فقال " أنتم تبكون وإنه ليعذب " .
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে ইবনু ‘উমারের বক্তব্য “মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়” উল্লেখ করা হ’ল। তিনি বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানের (ইবনু ‘উমার) প্রতি রহমাত করুন। তিনি একটা কথা শুনেছেন, তবে স্মরণ রাখতে পারেননি। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে দিয়ে এক ইয়াহূদীর জানাযাহ্ যাচ্ছিল। তখন তার আত্মীয় স্বজনরা কাঁদছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কাঁদছ? অথচ তাকে এজন্য ‘আযাব দেয়া হচ্ছে। (ই.ফা. ২০২১, ই.সে. ২০২৮)
‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে ইবনু ‘উমারের বক্তব্য “মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়” উল্লেখ করা হ’ল। তিনি বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানের (ইবনু ‘উমার) প্রতি রহমাত করুন। তিনি একটা কথা শুনেছেন, তবে স্মরণ রাখতে পারেননি। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে দিয়ে এক ইয়াহূদীর জানাযাহ্ যাচ্ছিল। তখন তার আত্মীয় স্বজনরা কাঁদছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কাঁদছ? অথচ তাকে এজন্য ‘আযাব দেয়া হচ্ছে। (ই.ফা. ২০২১, ই.সে. ২০২৮)
وحدثنا خلف بن هشام، وأبو الربيع الزهراني، جميعا عن حماد، - قال خلف حدثنا حماد بن زيد، - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال ذكر عند عائشة قول ابن عمر الميت يعذب ببكاء أهله عليه . فقالت رحم الله أبا عبد الرحمن سمع شيئا فلم يحفظه إنما مرت على رسول الله صلى الله عليه وسلم جنازة يهودي وهم يبكون عليه فقال " أنتم تبكون وإنه ليعذب " .
সহিহ মুসলিম ২০৪৫
وحدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن عبد الله بن، أبي بكر عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، أنها أخبرته أنها، سمعت عائشة، وذكر، لها أن عبد الله بن عمر، يقول إن الميت ليعذب ببكاء الحى . فقالت عائشة يغفر الله لأبي عبد الرحمن أما إنه لم يكذب ولكنه نسي أو أخطأ إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على يهودية يبكى عليها فقال " إنهم ليبكون عليها وإنها لتعذب في قبرها " .
‘আমরাহ্ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) এর কাছে শুনেছেন যখন তার কাছে উল্লেখ করা হ’ল যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার বংশধরদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানকে (ইবনু ‘উমার) ক্ষমা করুন, কথাটা ঠিক নয়। তবে তিনি মিথ্যা বলেননি। বরং তিনি (প্রকৃত কথাটা) ভুলে গেছেন অথবা ভুল বুঝেছেন। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছেঃ একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহূদী নারীর ক্ববরের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলেন তার জন্য কান্নাকাটি করা হচ্ছে। তিনি বললেন, তারা এর জন্য কান্নাকাটি করছে আর এ নারীকে তার ক্ববরে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। (ই.ফা. ২০২৪, ই.সে. ২০৩১)
‘আমরাহ্ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) এর কাছে শুনেছেন যখন তার কাছে উল্লেখ করা হ’ল যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার বংশধরদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানকে (ইবনু ‘উমার) ক্ষমা করুন, কথাটা ঠিক নয়। তবে তিনি মিথ্যা বলেননি। বরং তিনি (প্রকৃত কথাটা) ভুলে গেছেন অথবা ভুল বুঝেছেন। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছেঃ একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহূদী নারীর ক্ববরের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলেন তার জন্য কান্নাকাটি করা হচ্ছে। তিনি বললেন, তারা এর জন্য কান্নাকাটি করছে আর এ নারীকে তার ক্ববরে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। (ই.ফা. ২০২৪, ই.সে. ২০৩১)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن عبد الله بن، أبي بكر عن أبيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، أنها أخبرته أنها، سمعت عائشة، وذكر، لها أن عبد الله بن عمر، يقول إن الميت ليعذب ببكاء الحى . فقالت عائشة يغفر الله لأبي عبد الرحمن أما إنه لم يكذب ولكنه نسي أو أخطأ إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على يهودية يبكى عليها فقال " إنهم ليبكون عليها وإنها لتعذب في قبرها " .
সহিহ মুসলিম ২০৪৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، قال ذكر عند عائشة أن ابن عمر، يرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم " إن الميت يعذب في قبره ببكاء أهله عليه " . فقالت وهل إنما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنه ليعذب بخطيئته أو بذنبه وإن أهله ليبكون عليه الآن " . وذاك مثل قوله إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على القليب يوم بدر وفيه قتلى بدر من المشركين فقال لهم ما قال " إنهم ليسمعون ما أقول " . وقد وهل إنما قال " إنهم ليعلمون أن ما كنت أقول لهم حق " . ثم قرأت { إنك لا تسمع الموتى} { وما أنت بمسمع من في القبور} يقول حين تبوءوا مقاعدهم من النار .
হিশাম তার পিতা [‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ)] থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করা হ’ল, ইবনু ‘উমার (রাঃ) সরাসরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণনা করেন, “মৃত ব্যক্তিকে তার ক্ববরে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়।” তিনি বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ভুলে গেছেন। আসলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কথা বলেছেন তা হচ্ছে এই: মৃত ব্যক্তিকে তার পাপের দরুন ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয়। আর তার পরিবার-পরিজনেরা তার জন্য কান্নাকাটি করছে। আর এটা হচ্ছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাদ্রের একটা কূপের পাশে দাঁড়িয়ে যাতে বদরের দিন নিহত কাফিরদের লাশ নিক্ষিপ্ত হয়েছিল- তাদেরকে সম্বোধন করে যেরূপ বলেছিলেন। তিনি তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন, তারা অবশ্যই আমি যা কিছু বলছি তা শুনতে পাচ্ছে অথচ তিনি (ইবনু ‘উমার) এ কথার অর্থ ভুল বুঝেছে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তার সঠিক তাৎপর্য হচ্ছে এইঃ আমি যা কিছু তাদেরকে তাদের জীবদ্দশায় বলেছিলাম, তারা এখন ভালভাবে তা অনুধাবন করেছে যে, তা সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত ও সত্য। অতঃপর তিনি (‘আয়িশাহ্) এ দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “আপনি অবশ্যই মৃত ব্যক্তিদেরকে শুনাতে সক্ষম নন”- (সূরাহ্ আন্ নাম্ল ২৭:৭০; সূরাহ্ রুম ৩০:৫২) এবং “আপনি ক্ববরের অধিবাসীদেরকেও শুনাতে সক্ষম নন”- (সূরাহ্ ফা-ত্বির ৩৫:২২২)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথাটা তখন বলেছিলেন যখন তারা জাহান্নামে নিজ ঠিকানায় পৌছে গেছে। (ই.ফা. ২০২২, ই.সে. ২০২৯)
হিশাম তার পিতা [‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ)] থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করা হ’ল, ইবনু ‘উমার (রাঃ) সরাসরি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণনা করেন, “মৃত ব্যক্তিকে তার ক্ববরে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়।” তিনি বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ভুলে গেছেন। আসলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কথা বলেছেন তা হচ্ছে এই: মৃত ব্যক্তিকে তার পাপের দরুন ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয়। আর তার পরিবার-পরিজনেরা তার জন্য কান্নাকাটি করছে। আর এটা হচ্ছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাদ্রের একটা কূপের পাশে দাঁড়িয়ে যাতে বদরের দিন নিহত কাফিরদের লাশ নিক্ষিপ্ত হয়েছিল- তাদেরকে সম্বোধন করে যেরূপ বলেছিলেন। তিনি তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন, তারা অবশ্যই আমি যা কিছু বলছি তা শুনতে পাচ্ছে অথচ তিনি (ইবনু ‘উমার) এ কথার অর্থ ভুল বুঝেছে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন তার সঠিক তাৎপর্য হচ্ছে এইঃ আমি যা কিছু তাদেরকে তাদের জীবদ্দশায় বলেছিলাম, তারা এখন ভালভাবে তা অনুধাবন করেছে যে, তা সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত ও সত্য। অতঃপর তিনি (‘আয়িশাহ্) এ দু’টি আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “আপনি অবশ্যই মৃত ব্যক্তিদেরকে শুনাতে সক্ষম নন”- (সূরাহ্ আন্ নাম্ল ২৭:৭০; সূরাহ্ রুম ৩০:৫২) এবং “আপনি ক্ববরের অধিবাসীদেরকেও শুনাতে সক্ষম নন”- (সূরাহ্ ফা-ত্বির ৩৫:২২২)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথাটা তখন বলেছিলেন যখন তারা জাহান্নামে নিজ ঠিকানায় পৌছে গেছে। (ই.ফা. ২০২২, ই.সে. ২০২৯)
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، قال ذكر عند عائشة أن ابن عمر، يرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم " إن الميت يعذب في قبره ببكاء أهله عليه " . فقالت وهل إنما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنه ليعذب بخطيئته أو بذنبه وإن أهله ليبكون عليه الآن " . وذاك مثل قوله إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على القليب يوم بدر وفيه قتلى بدر من المشركين فقال لهم ما قال " إنهم ليسمعون ما أقول " . وقد وهل إنما قال " إنهم ليعلمون أن ما كنت أقول لهم حق " . ثم قرأت { إنك لا تسمع الموتى} { وما أنت بمسمع من في القبور} يقول حين تبوءوا مقاعدهم من النار .
সহিহ মুসলিম ২০৪৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سعيد بن عبيد الطائي، ومحمد، بن قيس عن علي بن ربيعة، قال أول من نيح عليه بالكوفة قرظة بن كعب فقال المغيرة بن شعبة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نيح عليه فإنه يعذب بما نيح عليه يوم القيامة " .
‘আলী ইবনু রবী‘আহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সর্বপ্রথম যে ব্যক্তির প্রতি বিলাপ করা হয়েছে, সে হচ্ছে কুফা নগরীর ক্বারাযাহ্ ইবনু কা’ব। মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যার জন্য বিলাপ করে কান্না হয়, ক্বিয়ামাতের দিন তাকে এর জন্য ‘আযাব দেয়া হবে। (ই.ফা. ২০২৫, ই.সে. ২০৩২)
‘আলী ইবনু রবী‘আহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সর্বপ্রথম যে ব্যক্তির প্রতি বিলাপ করা হয়েছে, সে হচ্ছে কুফা নগরীর ক্বারাযাহ্ ইবনু কা’ব। মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যার জন্য বিলাপ করে কান্না হয়, ক্বিয়ামাতের দিন তাকে এর জন্য ‘আযাব দেয়া হবে। (ই.ফা. ২০২৫, ই.সে. ২০৩২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سعيد بن عبيد الطائي، ومحمد، بن قيس عن علي بن ربيعة، قال أول من نيح عليه بالكوفة قرظة بن كعب فقال المغيرة بن شعبة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نيح عليه فإنه يعذب بما نيح عليه يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ২০৩৬
فقمت فدخلت على عائشة فحدثتها بما، قال ابن عمر فقالت لا والله ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قط " إن الميت يعذب ببكاء أحد " . ولكنه قال " إن الكافر يزيده الله ببكاء أهله عذابا وإن الله لهو أضحك وأبكى ولا تزر وازرة وزر أخرى " . قال أيوب قال ابن أبي مليكة حدثني القاسم بن محمد قال لما بلغ عائشة قول عمر وابن عمر قالت إنكم لتحدثوني عن غير كاذبين ولا مكذبين ولكن السمع يخطئ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অতঃপর আমি উঠে গিয়ে ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর উক্তি সম্পর্কে জানালে তিনি বললেনঃ না, আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও এরূপ বলেননি যে, মৃত ব্যক্তিকে কারো কান্নার দরুন ‘আযাব দেয়া হবে বরং তিনি বলেছেন, কাফির ব্যক্তির ‘আযাব আল্লাহ তা‘আলা তার পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন আরও বাড়িয়ে দেন এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহই হাসান এবং কাঁদান। “আর কোন বহনকারীই অন্যের বোঝা বহন করবে না”- (সূরাহ আল ইসরা/ইসরাঈল ১৭:১৫)। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, ইবনু আবূ মূলায়কাহ্ বলেছেন, আমাকে ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ জানিয়েছেন, তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট যখন ‘উমার (রাঃ) ও ইবনু ‘উমার-এ বক্তব্য পৌছল তখন তিনি বললেন, তোমরা আমাকে এমন দু’ ব্যক্তির কথা শুনাচ্ছ, যারা মিথ্যাবাদী নন আর তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নও করা যায় না। তবে কখনও শুনতে ভুল হয়ে যেতে পারে। (ই.ফা. ২০১৭, ই.সে. ২০২৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অতঃপর আমি উঠে গিয়ে ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর উক্তি সম্পর্কে জানালে তিনি বললেনঃ না, আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও এরূপ বলেননি যে, মৃত ব্যক্তিকে কারো কান্নার দরুন ‘আযাব দেয়া হবে বরং তিনি বলেছেন, কাফির ব্যক্তির ‘আযাব আল্লাহ তা‘আলা তার পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন আরও বাড়িয়ে দেন এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহই হাসান এবং কাঁদান। “আর কোন বহনকারীই অন্যের বোঝা বহন করবে না”- (সূরাহ আল ইসরা/ইসরাঈল ১৭:১৫)। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, ইবনু আবূ মূলায়কাহ্ বলেছেন, আমাকে ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ জানিয়েছেন, তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট যখন ‘উমার (রাঃ) ও ইবনু ‘উমার-এ বক্তব্য পৌছল তখন তিনি বললেন, তোমরা আমাকে এমন দু’ ব্যক্তির কথা শুনাচ্ছ, যারা মিথ্যাবাদী নন আর তাদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্নও করা যায় না। তবে কখনও শুনতে ভুল হয়ে যেতে পারে। (ই.ফা. ২০১৭, ই.সে. ২০২৪)
فقمت فدخلت على عائشة فحدثتها بما، قال ابن عمر فقالت لا والله ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قط " إن الميت يعذب ببكاء أحد " . ولكنه قال " إن الكافر يزيده الله ببكاء أهله عذابا وإن الله لهو أضحك وأبكى ولا تزر وازرة وزر أخرى " . قال أيوب قال ابن أبي مليكة حدثني القاسم بن محمد قال لما بلغ عائشة قول عمر وابن عمر قالت إنكم لتحدثوني عن غير كاذبين ولا مكذبين ولكن السمع يخطئ .
সহিহ মুসলিম ২০৩৮
فقال ابن عباس قد كان عمر يقول بعض ذلك ثم حدث فقال صدرت مع عمر من مكة حتى إذا كنا بالبيداء إذا هو بركب تحت ظل شجرة فقال اذهب فانظر من هؤلاء الركب فنظرت فإذا هو صهيب - قال - فأخبرته فقال ادعه لي . قال فرجعت إلى صهيب فقلت ارتحل فالحق أمير المؤمنين . فلما أن أصيب عمر دخل صهيب يبكي يقول واأخاه واصاحباه . فقال عمر يا صهيب أتبكي على وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الميت يعذب ببعض بكاء أهله عليه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার (রাঃ) তো কোন কোন লোকের কথা বলতেন। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করলেন এবং বললেন, আমি একবার ‘উমারের সাথে মাক্কাহ্ থেকে রওয়ানা হয়ে “বায়দা” নামক সমতল ভূমিতে পৌছলাম। দেখলাম, একটা গাছের ছায়ায় একদল আরোহী। তাদেরকে দেখে তিনি [‘উমার (রাঃ)] বললেন, গিয়ে দেখ তো, এর কারা? আমি গিয়ে দেখলাম তথায় সুহায়ব (রাঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এসে তাঁকে (‘উমার) খবর দিলাম। তিনি বললেন, তাকে আমার কাছে ডেকে আন। আদেশ পেয়ে আমি সুহায়ব (রাঃ) এর নিকট ফিরে এসে বললাম চলুন, আমীরুল মু’মিনীনের সাথে সাক্ষাৎ করুন। এরপর যখন ‘উমার (রাঃ) আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) তাঁকে দেখতে এসে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন, আহ! ভাই ‘উমার! আহ ! সঙ্গী ‘উমার! ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে সুহায়ব! আমার জন্য কাঁদছ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১৮, ই.সে. ২০২৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার (রাঃ) তো কোন কোন লোকের কথা বলতেন। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করলেন এবং বললেন, আমি একবার ‘উমারের সাথে মাক্কাহ্ থেকে রওয়ানা হয়ে “বায়দা” নামক সমতল ভূমিতে পৌছলাম। দেখলাম, একটা গাছের ছায়ায় একদল আরোহী। তাদেরকে দেখে তিনি [‘উমার (রাঃ)] বললেন, গিয়ে দেখ তো, এর কারা? আমি গিয়ে দেখলাম তথায় সুহায়ব (রাঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এসে তাঁকে (‘উমার) খবর দিলাম। তিনি বললেন, তাকে আমার কাছে ডেকে আন। আদেশ পেয়ে আমি সুহায়ব (রাঃ) এর নিকট ফিরে এসে বললাম চলুন, আমীরুল মু’মিনীনের সাথে সাক্ষাৎ করুন। এরপর যখন ‘উমার (রাঃ) আহত হন, সুহায়ব (রাঃ) তাঁকে দেখতে এসে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন, আহ! ভাই ‘উমার! আহ ! সঙ্গী ‘উমার! ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে সুহায়ব! আমার জন্য কাঁদছ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের কান্নাকাটির দরুন ‘আযাব দেয়া হয়। (ই.ফা. ২০১৮, ই.সে. ২০২৫)
فقال ابن عباس قد كان عمر يقول بعض ذلك ثم حدث فقال صدرت مع عمر من مكة حتى إذا كنا بالبيداء إذا هو بركب تحت ظل شجرة فقال اذهب فانظر من هؤلاء الركب فنظرت فإذا هو صهيب - قال - فأخبرته فقال ادعه لي . قال فرجعت إلى صهيب فقلت ارتحل فالحق أمير المؤمنين . فلما أن أصيب عمر دخل صهيب يبكي يقول واأخاه واصاحباه . فقال عمر يا صهيب أتبكي على وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الميت يعذب ببعض بكاء أهله عليه
সহিহ মুসলিম ২০৩৫
فقال ابن عباس كنا مع أمير المؤمنين عمر بن الخطاب حتى إذا كنا بالبيداء إذا هو برجل نازل في شجرة فقال لي اذهب فاعلم لي من ذاك الرجل . فذهبت فإذا هو صهيب . فرجعت إليه فقلت إنك أمرتني أن أعلم لك من ذاك وإنه صهيب . قال مره فليلحق بنا . فقلت إن معه أهله . قال وإن كان معه أهله - وربما قال أيوب مره فليلحق بنا - فلما قدمنا لم يلبث أمير المؤمنين أن أصيب فجاء صهيب يقول واأخاه واصاحباه . فقال عمر ألم تعلم أو لم تسمع - قال أيوب أو قال أولم تعلم أولم تسمع - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببعض بكاء أهله " . قال فأما عبد الله فأرسلها مرسلة وأما عمر فقال ببعض
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা একবার আমীরুল মু’মিনীন ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব-এর সাথে ছিলাম। যখন আমরা ‘বায়দা’ নামক স্থানে পৌছলাম, হঠাৎ জনৈক ব্যক্তিকে একটা গাছের ছায়ায় অবস্থানরত দেখলাম। ‘উমার (রাঃ) আমাকে বললেন, এগিয়ে যাও তো! গিয়ে দেখ আমাকে জানাও ঐ ব্যক্তি কে? আমি গিয়ে দেখলাম তিনি সুহায়ব (রাঃ)। আমি ফিরে এসে বললাম, আপনি আমাকে আদেশ করেছেন, ঐ ব্যক্তির পরিচয় জেনে আপনাকে জানাতে। তিনি হচ্ছেন, সুহায়ব (রাঃ)। পুণরায় তিনি আমাকে বললেন, তাঁকে আমাদের সাথে মিলিত হতে বল। আমি বললাম, তার সাথে তার পরিবারবর্গ রয়েছে। তিনি বললেন, তার সাথে পরিবারবর্গ থাকলে তাতে কি আছে। কখনও আইয়ূব বলেছেন- “তাকে বল- সে যেন আমাদের নিকট আসে।” এরপর যখন আমরা মাদীনায় পৌছলাম, অল্প সময়ের মধ্যেই আমীরুল মু’মিনীন ‘উমার (রাঃ) আহত হলেন। সুহায়ব (রাঃ) তাঁকে দেখতে এসে দীর্ঘ-নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন, আহ! ভাই ‘উমার! আহ! সঙ্গী ‘উমার! ‘উমার (রাঃ) শুনে বললেন, সুহায়ব! তুমি কি অবহিত নও, অথবা শোননি- (আইয়ুব) বলেছেনঃ অথবা বলেছেন, “তুমি কি জান না, তুমি কি শোন না।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তিনি এ কথাটা সাধারণভাবে বলেছিলেন। কিন্তু ‘উমার (রাঃ) “কোন কোন লোকের” শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২০১৭, ই.সে. ২০২৪)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা একবার আমীরুল মু’মিনীন ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব-এর সাথে ছিলাম। যখন আমরা ‘বায়দা’ নামক স্থানে পৌছলাম, হঠাৎ জনৈক ব্যক্তিকে একটা গাছের ছায়ায় অবস্থানরত দেখলাম। ‘উমার (রাঃ) আমাকে বললেন, এগিয়ে যাও তো! গিয়ে দেখ আমাকে জানাও ঐ ব্যক্তি কে? আমি গিয়ে দেখলাম তিনি সুহায়ব (রাঃ)। আমি ফিরে এসে বললাম, আপনি আমাকে আদেশ করেছেন, ঐ ব্যক্তির পরিচয় জেনে আপনাকে জানাতে। তিনি হচ্ছেন, সুহায়ব (রাঃ)। পুণরায় তিনি আমাকে বললেন, তাঁকে আমাদের সাথে মিলিত হতে বল। আমি বললাম, তার সাথে তার পরিবারবর্গ রয়েছে। তিনি বললেন, তার সাথে পরিবারবর্গ থাকলে তাতে কি আছে। কখনও আইয়ূব বলেছেন- “তাকে বল- সে যেন আমাদের নিকট আসে।” এরপর যখন আমরা মাদীনায় পৌছলাম, অল্প সময়ের মধ্যেই আমীরুল মু’মিনীন ‘উমার (রাঃ) আহত হলেন। সুহায়ব (রাঃ) তাঁকে দেখতে এসে দীর্ঘ-নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন, আহ! ভাই ‘উমার! আহ! সঙ্গী ‘উমার! ‘উমার (রাঃ) শুনে বললেন, সুহায়ব! তুমি কি অবহিত নও, অথবা শোননি- (আইয়ুব) বলেছেনঃ অথবা বলেছেন, “তুমি কি জান না, তুমি কি শোন না।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবার-পরিজনের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তিনি এ কথাটা সাধারণভাবে বলেছিলেন। কিন্তু ‘উমার (রাঃ) “কোন কোন লোকের” শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২০১৭, ই.সে. ২০২৪)
فقال ابن عباس كنا مع أمير المؤمنين عمر بن الخطاب حتى إذا كنا بالبيداء إذا هو برجل نازل في شجرة فقال لي اذهب فاعلم لي من ذاك الرجل . فذهبت فإذا هو صهيب . فرجعت إليه فقلت إنك أمرتني أن أعلم لك من ذاك وإنه صهيب . قال مره فليلحق بنا . فقلت إن معه أهله . قال وإن كان معه أهله - وربما قال أيوب مره فليلحق بنا - فلما قدمنا لم يلبث أمير المؤمنين أن أصيب فجاء صهيب يقول واأخاه واصاحباه . فقال عمر ألم تعلم أو لم تسمع - قال أيوب أو قال أولم تعلم أولم تسمع - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن الميت ليعذب ببعض بكاء أهله " . قال فأما عبد الله فأرسلها مرسلة وأما عمر فقال ببعض
সহিহ মুসলিম ২০৪৪
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، بهذا الإسناد بمعنى حديث أبي أسامة وحديث أبي أسامة أتم .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে আবূ উসামাহ্-এর হাদীসের সমর্থনে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ উসামাহ্ এর বর্ণিত হাদীসই পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ২০২৩, ই.সে. ২০৩০)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে আবূ উসামাহ্-এর হাদীসের সমর্থনে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ উসামাহ্ এর বর্ণিত হাদীসই পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ২০২৩, ই.সে. ২০৩০)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، بهذا الإسناد بمعنى حديث أبي أسامة وحديث أبي أسامة أتم .
সহিহ মুসলিম ২০৩৯
فقال ابن عباس فلما مات عمر ذكرت ذلك لعائشة فقالت يرحم الله عمر لا والله ما حدث رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله يعذب المؤمن ببكاء أحد " . ولكن قال " إن الله يزيد الكافر عذابا ببكاء أهله عليه " قال وقالت عائشة حسبكم القرآن { ولا تزر وازرة وزر أخرى} قال وقال ابن عباس عند ذلك والله أضحك وأبكى . قال ابن أبي مليكة فوالله ما قال ابن عمر من شىء .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার (রাঃ) ইনতিকাল করলে আমি অত্র হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) নিকট ব্যক্ত করলাম। তিনি বললেন, ‘উমার (রাযিঃ- কে আল্লাহ রহমাত করুন! কখনও না আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও এমন হাদীস ব্যক্ত করেননি যে, ঈমানদার ব্যক্তিকে কারো কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হবে। বরং তিনি বলেছেনঃ কাফির ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন আল্লাহ তা‘আলা তার আযাবকে আরো বাড়িয়ে দিবেন। এছাড়া ‘আয়িশা (রাঃ) আরও বলেছেন, তোমাদের জন্য আল্লাহর কুরআনই যথেষ্ট। কুরআনে ঘোষিত হয়েছে, “কোন ব্যক্তিই অন্যের পাপের বোঝা বহন করবে না।” বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, “এবং আল্লাহই হাসান, আল্লাহই কাঁদান।” ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ বলেন, আল্লাহর ক্বসম! ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর ওপর আর কোন কথাই বলেননি। (ই.ফা. ২০১৮, ই.সে. ২০২৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার (রাঃ) ইনতিকাল করলে আমি অত্র হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ) নিকট ব্যক্ত করলাম। তিনি বললেন, ‘উমার (রাযিঃ- কে আল্লাহ রহমাত করুন! কখনও না আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও এমন হাদীস ব্যক্ত করেননি যে, ঈমানদার ব্যক্তিকে কারো কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হবে। বরং তিনি বলেছেনঃ কাফির ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের কান্নাকাটির দরুন আল্লাহ তা‘আলা তার আযাবকে আরো বাড়িয়ে দিবেন। এছাড়া ‘আয়িশা (রাঃ) আরও বলেছেন, তোমাদের জন্য আল্লাহর কুরআনই যথেষ্ট। কুরআনে ঘোষিত হয়েছে, “কোন ব্যক্তিই অন্যের পাপের বোঝা বহন করবে না।” বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, “এবং আল্লাহই হাসান, আল্লাহই কাঁদান।” ইবনু আবূ মুলায়কাহ্ বলেন, আল্লাহর ক্বসম! ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর ওপর আর কোন কথাই বলেননি। (ই.ফা. ২০১৮, ই.সে. ২০২৫)
فقال ابن عباس فلما مات عمر ذكرت ذلك لعائشة فقالت يرحم الله عمر لا والله ما حدث رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله يعذب المؤمن ببكاء أحد " . ولكن قال " إن الله يزيد الكافر عذابا ببكاء أهله عليه " قال وقالت عائشة حسبكم القرآن { ولا تزر وازرة وزر أخرى} قال وقال ابن عباس عند ذلك والله أضحك وأبكى . قال ابن أبي مليكة فوالله ما قال ابن عمر من شىء .
সহিহ মুসলিম ২০৪৭
وحدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، أخبرنا محمد بن قيس، الأسدي عن علي بن ربيعة الأسدي، عن المغيرة بن شعبة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০২৬, ই.সে. ২০৩৩)
মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০২৬, ই.সে. ২০৩৩)
وحدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، أخبرنا محمد بن قيس، الأسدي عن علي بن ربيعة الأسدي، عن المغيرة بن شعبة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
সহিহ মুসলিম ২০৪৮
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا مروان، - يعني الفزاري - حدثنا سعيد بن عبيد، الطائي عن علي بن ربيعة، عن المغيرة بن شعبة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০২৭, ই.সে. ২০৩৪)
মুগীরাহ্ ইবনু শু‘বাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০২৭, ই.সে. ২০৩৪)
وحدثناه ابن أبي عمر، حدثنا مروان، - يعني الفزاري - حدثنا سعيد بن عبيد، الطائي عن علي بن ربيعة، عن المغيرة بن شعبة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
সহিহ মুসলিম > বিলাপ করে কান্নাকাটি করার ব্যাপারে হুঁশিয়ারী
সহিহ মুসলিম ২০৪৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا أبان بن يزيد، ح وحدثني إسحاق، بن منصور - واللفظ له - أخبرنا حبان بن هلال، حدثنا أبان، حدثنا يحيى، أن زيدا، حدثه أن أبا سلام حدثه أن أبا مالك الأشعري حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أربع في أمتي من أمر الجاهلية لا يتركونهن الفخر في الأحساب والطعن في الأنساب والاستسقاء بالنجوم والنياحة " . وقال " النائحة إذا لم تتب قبل موتها تقام يوم القيامة وعليها سربال من قطران ودرع من جرب " .
আবূ মালিক আল আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে জাহিলী যুগের চারটি কু-প্রথা রয়ে গেছে যা লোকেরা পরিত্যাগ করতে চাইবে না। (১) বংশের গৌরব, (২) অন্যকে বংশের খোঁটা দেয়া, (৩) নক্ষত্রের মাধ্যমে বৃষ্টির জন্য প্রার্থণা করা, (৪) মৃতের জন্য বিলাপ করে কান্নাকাটি করা। তিনি আরও বলেন, বিলাপকারী যদি মৃত্যুর পূর্বে তাওবাহ্ না করে তাহলে ক্বিয়ামাতের দিন তাকে এভাবে উঠানো হবে যে, তার গায়ে আলকাতরার (চাদর) খসখসে চামড়ার ওড়না থাকবে। (ই.ফা. ২০২৮, ই.সে. ২০৩৪)
আবূ মালিক আল আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে জাহিলী যুগের চারটি কু-প্রথা রয়ে গেছে যা লোকেরা পরিত্যাগ করতে চাইবে না। (১) বংশের গৌরব, (২) অন্যকে বংশের খোঁটা দেয়া, (৩) নক্ষত্রের মাধ্যমে বৃষ্টির জন্য প্রার্থণা করা, (৪) মৃতের জন্য বিলাপ করে কান্নাকাটি করা। তিনি আরও বলেন, বিলাপকারী যদি মৃত্যুর পূর্বে তাওবাহ্ না করে তাহলে ক্বিয়ামাতের দিন তাকে এভাবে উঠানো হবে যে, তার গায়ে আলকাতরার (চাদর) খসখসে চামড়ার ওড়না থাকবে। (ই.ফা. ২০২৮, ই.সে. ২০৩৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا أبان بن يزيد، ح وحدثني إسحاق، بن منصور - واللفظ له - أخبرنا حبان بن هلال، حدثنا أبان، حدثنا يحيى، أن زيدا، حدثه أن أبا سلام حدثه أن أبا مالك الأشعري حدثه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أربع في أمتي من أمر الجاهلية لا يتركونهن الفخر في الأحساب والطعن في الأنساب والاستسقاء بالنجوم والنياحة " . وقال " النائحة إذا لم تتب قبل موتها تقام يوم القيامة وعليها سربال من قطران ودرع من جرب " .
সহিহ মুসলিম ২০৫৪
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن أبي معاوية، - قال زهير حدثنا محمد بن خازم، - حدثنا عاصم، عن حفصة، عن أم، عطية قالت لما نزلت هذه الآية { يبايعنك على أن لا يشركن بالله شيئا} { ولا يعصينك في معروف} قالت كان منه النياحة . قالت فقلت يا رسول الله إلا آل فلان فإنهم كانوا أسعدوني في الجاهلية فلا بد لي من أن أسعدهم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا آل فلان " .
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হ’ল- “সে মহিলারা আপনার নিকট এ কথার ওপর বাইয়াত করছে যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শারীক করবে না এবং কোন ভাল কাজে তারা নাফরমানী করবে না-(সূরাহ্ আল মুমতাহিনাহ্ ৬০:১২)।” উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ বলেন, মৃতের জন্য বিলাপ করে কান্নাও অন্তর্ভূক্ত ছিল। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে অমুকের পরিবার, তারা জাহিলী যুগে আমার সহায়তা করেছিল অতএব আমার ওপর তাদের সহায়তা করা জরুরী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাকে অনুমতি দিয়ে) বললেন, আচ্ছা! অমুকের পরিবার ছাড়া। (ই.ফা. ২০৩৩, ই.সে. ২০৩৯)
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হ’ল- “সে মহিলারা আপনার নিকট এ কথার ওপর বাইয়াত করছে যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শারীক করবে না এবং কোন ভাল কাজে তারা নাফরমানী করবে না-(সূরাহ্ আল মুমতাহিনাহ্ ৬০:১২)।” উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ বলেন, মৃতের জন্য বিলাপ করে কান্নাও অন্তর্ভূক্ত ছিল। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তবে অমুকের পরিবার, তারা জাহিলী যুগে আমার সহায়তা করেছিল অতএব আমার ওপর তাদের সহায়তা করা জরুরী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাকে অনুমতি দিয়ে) বললেন, আচ্ছা! অমুকের পরিবার ছাড়া। (ই.ফা. ২০৩৩, ই.সে. ২০৩৯)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن أبي معاوية، - قال زهير حدثنا محمد بن خازم، - حدثنا عاصم، عن حفصة، عن أم، عطية قالت لما نزلت هذه الآية { يبايعنك على أن لا يشركن بالله شيئا} { ولا يعصينك في معروف} قالت كان منه النياحة . قالت فقلت يا رسول الله إلا آل فلان فإنهم كانوا أسعدوني في الجاهلية فلا بد لي من أن أسعدهم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا آل فلان " .
সহিহ মুসলিম ২০৫২
حدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن محمد، عن أم عطية، قالت أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مع البيعة ألا ننوح فما وفت منا امرأة إلا خمس أم سليم وأم العلاء وابنة أبي سبرة امرأة معاذ أو ابنة أبي سبرة وامرأة معاذ .
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বায়‘আতের সঙ্গে এ ওয়া‘দাও নিয়েছেন যে, আমরা যেন মৃতের জন্যে বিলাপ করে কান্নাকাটি না করি। কিন্তু পরে মাত্র পাঁচজন মহিলা ছাড়া আমাদের কোন মহিলাই তা পালন করেনি। তাঁরা হচ্ছেন- উম্মু সুলায়ম, উম্মুল ‘আলা, আবূ সাবুরাহ্-এর কন্যা ও মু’আয -এর স্ত্রী প্রমুখ। (ই.ফা. ২০৩১, ই.সে. ২০৩৭)
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বায়‘আতের সঙ্গে এ ওয়া‘দাও নিয়েছেন যে, আমরা যেন মৃতের জন্যে বিলাপ করে কান্নাকাটি না করি। কিন্তু পরে মাত্র পাঁচজন মহিলা ছাড়া আমাদের কোন মহিলাই তা পালন করেনি। তাঁরা হচ্ছেন- উম্মু সুলায়ম, উম্মুল ‘আলা, আবূ সাবুরাহ্-এর কন্যা ও মু’আয -এর স্ত্রী প্রমুখ। (ই.ফা. ২০৩১, ই.সে. ২০৩৭)
حدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن محمد، عن أم عطية، قالت أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مع البيعة ألا ننوح فما وفت منا امرأة إلا خمس أم سليم وأم العلاء وابنة أبي سبرة امرأة معاذ أو ابنة أبي سبرة وامرأة معاذ .
সহিহ মুসলিম ২০৫৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا أسباط، حدثنا هشام، عن حفصة، عن أم عطية، قالت أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في البيعة ألا تنحن فما وفت منا غير خمس منهن أم سليم .
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়‘আতের সময় আমাদের নিকট থেকে এ ওয়া‘দা নিয়েছেন- যেন আমরা বিলাপ করে কান্নাকাটি না করি। কিন্তু আমাদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা ব্যতীত আর কেউই এ ওয়া‘দা পালন করতে পারেনি। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) এদের অন্যতম। (ই.ফা. ২০৩২, ই.সে. ২০৩৮)
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়‘আতের সময় আমাদের নিকট থেকে এ ওয়া‘দা নিয়েছেন- যেন আমরা বিলাপ করে কান্নাকাটি না করি। কিন্তু আমাদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা ব্যতীত আর কেউই এ ওয়া‘দা পালন করতে পারেনি। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) এদের অন্যতম। (ই.ফা. ২০৩২, ই.সে. ২০৩৮)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا أسباط، حدثنا هشام، عن حفصة، عن أم عطية، قالت أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في البيعة ألا تنحن فما وفت منا غير خمس منهن أم سليم .
সহিহ মুসলিম ২০৫০
وحدثنا ابن المثنى، وابن أبي عمر، قال ابن المثنى حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول أخبرتني عمرة، أنها سمعت عائشة، تقول لما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم قتل ابن حارثة وجعفر بن أبي طالب وعبد الله بن رواحة جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرف فيه الحزن قالت وأنا أنظر من صائر الباب - شق الباب - فأتاه رجل فقال يا رسول الله إن نساء جعفر وذكر بكاءهن فأمره أن يذهب فينهاهن فذهب فأتاه فذكر أنهن لم يطعنه فأمره الثانية أن يذهب فينهاهن فذهب ثم أتاه فقال والله لقد غلبننا يا رسول الله . قالت فزعمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذهب فاحث في أفواههن من التراب " . قالت عائشة فقلت أرغم الله أنفك والله ما تفعل ما أمرك رسول الله صلى الله عليه وسلم وما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء .
‘আমরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ) জা‘ফার ইবনু আবুত্ ত্বলিব (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু রওয়াহাহ্ (রাঃ)-এর শাহাদাতের খবর পৌছল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিমর্ষচিত্তে বসে পড়লেন। তাঁর চেহারায় শোকের ছাপ ফুটে উঠল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে তাদের লাশ দেখছিলাম। এমন সময় জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! জা’ফার-এর স্ত্রীগণ অথবা তার পরিবারের মহিলারা কান্নাকাটি করছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে গিয়ে তাঁদেরকে কাঁদতে নিষেধ করার জন্য আদেশ করলেন। লোকটি গিয়ে ফিরে এসে জানাল যে, তারা তার কথা শুনছে না। তখন দ্বিতীয়বার তাকে আদেশ করলেন যেন গিয়ে তাদেরকে নিষেধ করে। লোকটি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রসূল! তারা আমাদের ওপর প্রাধান্য লাভ করেছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয় এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এবার গিয়ে তাদের মুখে কিছু মাটি ঢেলে দাও। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, আল্লাহ তোমার নাককে ভূলুন্ঠিত করুক। আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে যে আদেশ করেছেন, তা তুমি পালন করছ না বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিরক্ত করা থেকেও রেহাই দিচ্ছ না। (ই.ফা. ২০২৯, ই.সে. ২০৩৫)
‘আমরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ) জা‘ফার ইবনু আবুত্ ত্বলিব (রাঃ) ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু রওয়াহাহ্ (রাঃ)-এর শাহাদাতের খবর পৌছল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিমর্ষচিত্তে বসে পড়লেন। তাঁর চেহারায় শোকের ছাপ ফুটে উঠল। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে তাদের লাশ দেখছিলাম। এমন সময় জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! জা’ফার-এর স্ত্রীগণ অথবা তার পরিবারের মহিলারা কান্নাকাটি করছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে গিয়ে তাঁদেরকে কাঁদতে নিষেধ করার জন্য আদেশ করলেন। লোকটি গিয়ে ফিরে এসে জানাল যে, তারা তার কথা শুনছে না। তখন দ্বিতীয়বার তাকে আদেশ করলেন যেন গিয়ে তাদেরকে নিষেধ করে। লোকটি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রসূল! তারা আমাদের ওপর প্রাধান্য লাভ করেছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয় এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এবার গিয়ে তাদের মুখে কিছু মাটি ঢেলে দাও। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, আল্লাহ তোমার নাককে ভূলুন্ঠিত করুক। আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে যে আদেশ করেছেন, তা তুমি পালন করছ না বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিরক্ত করা থেকেও রেহাই দিচ্ছ না। (ই.ফা. ২০২৯, ই.সে. ২০৩৫)
وحدثنا ابن المثنى، وابن أبي عمر، قال ابن المثنى حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول أخبرتني عمرة، أنها سمعت عائشة، تقول لما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم قتل ابن حارثة وجعفر بن أبي طالب وعبد الله بن رواحة جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرف فيه الحزن قالت وأنا أنظر من صائر الباب - شق الباب - فأتاه رجل فقال يا رسول الله إن نساء جعفر وذكر بكاءهن فأمره أن يذهب فينهاهن فذهب فأتاه فذكر أنهن لم يطعنه فأمره الثانية أن يذهب فينهاهن فذهب ثم أتاه فقال والله لقد غلبننا يا رسول الله . قالت فزعمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذهب فاحث في أفواههن من التراب " . قالت عائشة فقلت أرغم الله أنفك والله ما تفعل ما أمرك رسول الله صلى الله عليه وسلم وما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم من العناء .
সহিহ মুসলিম ২০৫১
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن معاوية بن صالح، ح وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - كلهم عن يحيى بن سعيد، بهذا الإسناد . نحوه . وفي حديث عبد العزيز وما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم من العي .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, আবুত্ ত্বহির, আহমাদ ইবনু ইব্রাহীম আদ্ দাওরাক্বী (রহঃ) ..... সকলেই ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ‘আবদুল আযীয (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে পরিশ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকছ না। (ই.ফা. ২০৩০, ই.সে. ২০৩৬)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, আবুত্ ত্বহির, আহমাদ ইবনু ইব্রাহীম আদ্ দাওরাক্বী (রহঃ) ..... সকলেই ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ‘আবদুল আযীয (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে পরিশ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকছ না। (ই.ফা. ২০৩০, ই.সে. ২০৩৬)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن معاوية بن صالح، ح وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - كلهم عن يحيى بن سعيد، بهذا الإسناد . نحوه . وفي حديث عبد العزيز وما تركت رسول الله صلى الله عليه وسلم من العي .
সহিহ মুসলিম > জানাযার পিছনে যেতে নারীদের নিষেধ প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ২০৫৬
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن هشام، عن حفصة، عن أم عطية، قالت نهينا عن اتباع الجنائز، ولم يعزم علينا .
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে জানাযায় অনুগমনে নিষেধ করা হয়েছে। তবে আমাদেরকে কঠোরতা আরোপ করা হয়নি। (ই.ফা. ২০৩৫, ই.সে. নেই)
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে জানাযায় অনুগমনে নিষেধ করা হয়েছে। তবে আমাদেরকে কঠোরতা আরোপ করা হয়নি। (ই.ফা. ২০৩৫, ই.সে. নেই)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن هشام، عن حفصة، عن أم عطية، قالت نهينا عن اتباع الجنائز، ولم يعزم علينا .
সহিহ মুসলিম ২০৫৫
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، أخبرنا أيوب، عن محمد بن سيرين، قال قالت أم عطية كنا ننهى عن اتباع الجنائز ولم يعزم علينا .
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদেরকে (মহিলাদেরকে) জানাযার অনুসরণ করতে (পিছনে যেতে) নিষেধ করা হত। কিন্তু আমাদেরকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হত না। (ই.ফা. ২০৩৪, ই.সে. ২০৪০)
উম্মু ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদেরকে (মহিলাদেরকে) জানাযার অনুসরণ করতে (পিছনে যেতে) নিষেধ করা হত। কিন্তু আমাদেরকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হত না। (ই.ফা. ২০৩৪, ই.সে. ২০৪০)
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، أخبرنا أيوب، عن محمد بن سيرين، قال قالت أم عطية كنا ننهى عن اتباع الجنائز ولم يعزم علينا .