সহিহ মুসলিম > মাইয়্যিতের দৃষ্টি বন্ধ করা এবং মৃত্যু উপস্থিত হলে তার জন্য দু‘আ করা
সহিহ মুসলিম ২০১৫
حدثني زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، عن خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن قبيصة بن ذؤيب، عن أم سلمة، قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي سلمة وقد شق بصره فأغمضه ثم قال " إن الروح إذا قبض تبعه البصر " . فضج ناس من أهله فقال " لا تدعوا على أنفسكم إلا بخير فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون " . ثم قال " اللهم اغفر لأبي سلمة وارفع درجته في المهديين واخلفه في عقبه في الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له في قبره . ونور له فيه " .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ সালামাহ্কে দেখতে এলেন, তখন চোখ খোলা ছিল। তিনি তার চোখ বন্ধ করে দিলেন এবং বললেন, যখন রূহ্ ক্ববয করা হয়, তখন চোখ তার অনুসরণ করে। আবূ সালামাহ্-এর পরিবারের লোকেরা কান্না শুরু করে দিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তোমাদের নিজেদের ব্যাপারে ভাল কথা ছাড়া কোন খারাপ কিছু বলাবলি করো না। কেননা, তোমরা যা কিছু বল তার স্বপক্ষে মালায়িকাহ্ ‘আমীন’ বলে থাকে। এরপর তিনি এভাবে দু‘আ করলেন, “হে আল্লাহ! আবূ সালামাহ্-কে ক্ষমা কর এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর মর্যাদাকে উঁচু করে দাও, তুমি তাঁর বংশধরদের অভিভাবক হয়ে যাও। হে রব্বুল ‘আলামীন! তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। তার ক্ববরকে প্রশস্ত কর এবং তা জ্যোতির্ময় করে দাও।” (ই.ফা. ১৯৯৯, ই.সে. ২০০৬)
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ সালামাহ্কে দেখতে এলেন, তখন চোখ খোলা ছিল। তিনি তার চোখ বন্ধ করে দিলেন এবং বললেন, যখন রূহ্ ক্ববয করা হয়, তখন চোখ তার অনুসরণ করে। আবূ সালামাহ্-এর পরিবারের লোকেরা কান্না শুরু করে দিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তোমাদের নিজেদের ব্যাপারে ভাল কথা ছাড়া কোন খারাপ কিছু বলাবলি করো না। কেননা, তোমরা যা কিছু বল তার স্বপক্ষে মালায়িকাহ্ ‘আমীন’ বলে থাকে। এরপর তিনি এভাবে দু‘আ করলেন, “হে আল্লাহ! আবূ সালামাহ্-কে ক্ষমা কর এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর মর্যাদাকে উঁচু করে দাও, তুমি তাঁর বংশধরদের অভিভাবক হয়ে যাও। হে রব্বুল ‘আলামীন! তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। তার ক্ববরকে প্রশস্ত কর এবং তা জ্যোতির্ময় করে দাও।” (ই.ফা. ১৯৯৯, ই.সে. ২০০৬)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، عن خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن قبيصة بن ذؤيب، عن أم سلمة، قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي سلمة وقد شق بصره فأغمضه ثم قال " إن الروح إذا قبض تبعه البصر " . فضج ناس من أهله فقال " لا تدعوا على أنفسكم إلا بخير فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون " . ثم قال " اللهم اغفر لأبي سلمة وارفع درجته في المهديين واخلفه في عقبه في الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له في قبره . ونور له فيه " .
সহিহ মুসলিম ২০১৬
وحدثنا محمد بن موسى القطان الواسطي، حدثنا المثنى بن معاذ بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله بن الحسن، حدثنا خالد الحذاء، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال " واخلفه في تركته " . وقال " اللهم أوسع له في قبره " . ولم يقل " افسح له " . وزاد قال خالد الحذاء ودعوة أخرى سابعة نسيتها .
খালিদ আল হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যতিক্রম এই যে, এ সূত্রে বলেছেন, “তাঁর পরিবার পরিজনদের অভিভাবক হও।” এছাড়া বলেছেন, ‘তার ক্ববরকে প্রশস্ত করে দাও’ কিন্তু “আফসিহ” শব্দটি এ বর্ণনায় নেই। খালিদ আল হায্যা এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেন, সপ্তম অন্য আরেকটি দু‘আ আছে যা আমি ভুলে গেছি। (ই.ফা. ২০০০, ই.সে. ২০০৭)
খালিদ আল হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যতিক্রম এই যে, এ সূত্রে বলেছেন, “তাঁর পরিবার পরিজনদের অভিভাবক হও।” এছাড়া বলেছেন, ‘তার ক্ববরকে প্রশস্ত করে দাও’ কিন্তু “আফসিহ” শব্দটি এ বর্ণনায় নেই। খালিদ আল হায্যা এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেন, সপ্তম অন্য আরেকটি দু‘আ আছে যা আমি ভুলে গেছি। (ই.ফা. ২০০০, ই.সে. ২০০৭)
وحدثنا محمد بن موسى القطان الواسطي، حدثنا المثنى بن معاذ بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله بن الحسن، حدثنا خالد الحذاء، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال " واخلفه في تركته " . وقال " اللهم أوسع له في قبره " . ولم يقل " افسح له " . وزاد قال خالد الحذاء ودعوة أخرى سابعة نسيتها .
সহিহ মুসলিম > (রূহ ক্ববয হওয়ার পর) রূহের দিকে মাইয়্যিতের অপলক দৃষ্টিতে তাকানো
সহিহ মুসলিম ২০১৭
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن العلاء بن، يعقوب قال أخبرني أبي أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألم تروا الإنسان إذا مات شخص بصره " . قالوا بلى . قال " فذلك حين يتبع بصره نفسه " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা কি দেখ না, মানুষ যখন মারা যায় তার চোখ খোলা থেকে যায়? লোকেরা বলল, হ্যাঁ দেখেছি। তিনি বলেনঃ যখন তার চোখ তার রূহকে অনুসরণ করে তখন এ অবস্থা হয়। (ই.ফা. ২০০১, ই.সে. ২০০৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা কি দেখ না, মানুষ যখন মারা যায় তার চোখ খোলা থেকে যায়? লোকেরা বলল, হ্যাঁ দেখেছি। তিনি বলেনঃ যখন তার চোখ তার রূহকে অনুসরণ করে তখন এ অবস্থা হয়। (ই.ফা. ২০০১, ই.সে. ২০০৮)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن العلاء بن، يعقوب قال أخبرني أبي أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألم تروا الإنسان إذا مات شخص بصره " . قالوا بلى . قال " فذلك حين يتبع بصره نفسه " .
সহিহ মুসলিম ২০১৮
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن العلاء، بهذا الإسناد .
‘আলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০০২, ই.সে. ২০০৯)
‘আলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০০২, ই.সে. ২০০৯)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن العلاء، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > মৃতের নিকট কাঁদা
সহিহ মুসলিম ২০১৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وإسحاق بن إبراهيم كلهم عن ابن، عيينة - قال ابن نمير حدثنا سفيان، - عن ابن أبي نجيح، عن أبيه، عن عبيد بن عمير، قال قالت أم سلمة لما مات أبو سلمة قلت غريب وفي أرض غربة لأبكينه بكاء يتحدث عنه . فكنت قد تهيأت للبكاء عليه إذ أقبلت امرأة من الصعيد تريد أن تسعدني فاستقبلها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " أتريدين أن تدخلي الشيطان بيتا أخرجه الله منه " . مرتين فكففت عن البكاء فلم أبك .
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করলেন আমি (আক্ষেপ করলাম) বললাম, আহ! নির্বাসিত ব্যক্তি! আহ! বিদেশ ভূমিতে মারা গেল! আমি তাঁর জন্য এমনভাবে (বুক ফাটিয়ে) কান্নাকাটি করব যা মানুষের মাঝে চর্চা হতে থাকবে। আমি কান্নার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, এমন সময় একজন মহিলা আমাকে সঙ্গ দেয়ার মনোভাব নিয়ে মাদীনায় উঁচু এলাকা থেকে আসলেন এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সামনে এগিয়ে এসে বললেনঃ আরে! তুমি কি শাইত্বনকে ঐ ঘরে ঢুকাতে চাচ্ছ যেখান থেকে মহান আল্লাহ তাকে দু’বার তাড়িয়ে দিয়েছেন? (উম্মু সালামাহ্ বলেন) এ কথা শুনামাত্র আমি কান্না বন্ধ করলাম এবং আর কাঁদলাম না। (ই.ফা. ২০০৩, ই.সে. ২০১০)
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করলেন আমি (আক্ষেপ করলাম) বললাম, আহ! নির্বাসিত ব্যক্তি! আহ! বিদেশ ভূমিতে মারা গেল! আমি তাঁর জন্য এমনভাবে (বুক ফাটিয়ে) কান্নাকাটি করব যা মানুষের মাঝে চর্চা হতে থাকবে। আমি কান্নার জন্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, এমন সময় একজন মহিলা আমাকে সঙ্গ দেয়ার মনোভাব নিয়ে মাদীনায় উঁচু এলাকা থেকে আসলেন এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সামনে এগিয়ে এসে বললেনঃ আরে! তুমি কি শাইত্বনকে ঐ ঘরে ঢুকাতে চাচ্ছ যেখান থেকে মহান আল্লাহ তাকে দু’বার তাড়িয়ে দিয়েছেন? (উম্মু সালামাহ্ বলেন) এ কথা শুনামাত্র আমি কান্না বন্ধ করলাম এবং আর কাঁদলাম না। (ই.ফা. ২০০৩, ই.সে. ২০১০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وإسحاق بن إبراهيم كلهم عن ابن، عيينة - قال ابن نمير حدثنا سفيان، - عن ابن أبي نجيح، عن أبيه، عن عبيد بن عمير، قال قالت أم سلمة لما مات أبو سلمة قلت غريب وفي أرض غربة لأبكينه بكاء يتحدث عنه . فكنت قد تهيأت للبكاء عليه إذ أقبلت امرأة من الصعيد تريد أن تسعدني فاستقبلها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " أتريدين أن تدخلي الشيطان بيتا أخرجه الله منه " . مرتين فكففت عن البكاء فلم أبك .
সহিহ মুসলিম ২০২০
حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن عاصم الأحول، عن أبي عثمان النهدي، عن أسامة بن زيد، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فأرسلت إليه إحدى بناته تدعوه وتخبره أن صبيا لها - أو ابنا لها - في الموت فقال للرسول " ارجع إليها فأخبرها إن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل شىء عنده بأجل مسمى فمرها فلتصبر ولتحتسب " فعاد الرسول فقال إنها قد أقسمت لتأتينها . قال فقام النبي صلى الله عليه وسلم وقام معه سعد بن عبادة ومعاذ بن جبل وانطلقت معهم فرفع إليه الصبي ونفسه تقعقع كأنها في شنة ففاضت عيناه فقال له سعد ما هذا يا رسول الله قال " هذه رحمة جعلها الله في قلوب عباده وإنما يرحم الله من عباده الرحماء " .
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে ছিলাম। এমন সময় তাঁর এক কন্যা তাঁর কাছে সংবাদ পাঠালেন যে, তাঁর একটা শিশু অথবা ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে, তিনি যেন এখানে আসেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংবাদ বাহককে বললেন, তুমি গিয়ে তাকে বল, আল্লাহ যা নিয়ে গেছেন তা তাঁরই আর যা দান করেছেন তাও তাঁরই। আর প্রত্যেক বস্তুর জন্য তাঁর কাছে একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে। তাকে বলে দাও যেন সে সবর করে এবং আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা করে। সংবাদদাতা ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! তিনি আল্লাহর কসম দিয়ে বলেছেন, যাতে আপনি একটু আসেন। উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে রওয়ানা হলেন। সা‘দ ইবনু উবাদাহ্ (রাঃ) ও মু‘আয্ ইবনু জাবাল (রাঃ) তার সাথে গেলেন আমিও তাদের সাথে গেলাম। সেখানে পৌছলে শিশুটিকে তাঁর কাছে উঠিয়ে আনা হল। বাচ্চাটির রূহ এমনভাবে ধড়ফড় করছে যেন পুরাতন মশকের মধ্যে ঝনঝন শব্দ হচ্ছে। এ করুণ অবস্থা দেখে তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। সা‘দ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, একি হে আল্লাহর রসূল? তিনি উত্তরে বললেন, এ হচ্ছে দয়া, যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের অন্তঃকরণে সৃষ্টি করে রেখেছেন। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়ালু ও স্নেহপরায়ণদের প্রতি দয়া করেন। (ই.ফা. ২০০৪, ই.সে. ২০১১)
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে ছিলাম। এমন সময় তাঁর এক কন্যা তাঁর কাছে সংবাদ পাঠালেন যে, তাঁর একটা শিশু অথবা ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে, তিনি যেন এখানে আসেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংবাদ বাহককে বললেন, তুমি গিয়ে তাকে বল, আল্লাহ যা নিয়ে গেছেন তা তাঁরই আর যা দান করেছেন তাও তাঁরই। আর প্রত্যেক বস্তুর জন্য তাঁর কাছে একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে। তাকে বলে দাও যেন সে সবর করে এবং আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা করে। সংবাদদাতা ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! তিনি আল্লাহর কসম দিয়ে বলেছেন, যাতে আপনি একটু আসেন। উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে রওয়ানা হলেন। সা‘দ ইবনু উবাদাহ্ (রাঃ) ও মু‘আয্ ইবনু জাবাল (রাঃ) তার সাথে গেলেন আমিও তাদের সাথে গেলাম। সেখানে পৌছলে শিশুটিকে তাঁর কাছে উঠিয়ে আনা হল। বাচ্চাটির রূহ এমনভাবে ধড়ফড় করছে যেন পুরাতন মশকের মধ্যে ঝনঝন শব্দ হচ্ছে। এ করুণ অবস্থা দেখে তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। সা‘দ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, একি হে আল্লাহর রসূল? তিনি উত্তরে বললেন, এ হচ্ছে দয়া, যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের অন্তঃকরণে সৃষ্টি করে রেখেছেন। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়ালু ও স্নেহপরায়ণদের প্রতি দয়া করেন। (ই.ফা. ২০০৪, ই.সে. ২০১১)
حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن عاصم الأحول، عن أبي عثمان النهدي، عن أسامة بن زيد، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فأرسلت إليه إحدى بناته تدعوه وتخبره أن صبيا لها - أو ابنا لها - في الموت فقال للرسول " ارجع إليها فأخبرها إن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل شىء عنده بأجل مسمى فمرها فلتصبر ولتحتسب " فعاد الرسول فقال إنها قد أقسمت لتأتينها . قال فقام النبي صلى الله عليه وسلم وقام معه سعد بن عبادة ومعاذ بن جبل وانطلقت معهم فرفع إليه الصبي ونفسه تقعقع كأنها في شنة ففاضت عيناه فقال له سعد ما هذا يا رسول الله قال " هذه رحمة جعلها الله في قلوب عباده وإنما يرحم الله من عباده الرحماء " .
সহিহ মুসলিম ২০২২
حدثنا يونس بن عبد الأعلى الصدفي، وعمرو بن سواد العامري، قالا أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن سعيد بن الحارث الأنصاري، عن عبد، الله بن عمر قال اشتكى سعد بن عبادة شكوى له فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم يعوده مع عبد الرحمن بن عوف وسعد بن أبي وقاص وعبد الله بن مسعود فلما دخل عليه وجده في غشية فقال " أقد قضى " . قالوا لا يا رسول الله . فبكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى القوم بكاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بكوا فقال " ألا تسمعون إن الله لا يعذب بدمع العين ولا بحزن القلب ولكن يعذب بهذا - وأشار إلى لسانه - أو يرحم " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ) কঠিন পীড়ায় আক্রান্ত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ , সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে তাকে দেখতে গেলেন। তিনি সেখানে পৌছে তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, অবস্থা কি শেষ? লোকেরা বলল, না হে আল্লাহর রসূল! অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁদতে লাগলেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর কান্না দেখে কাঁদতে শুরু করল। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি শোননি যে, আল্লাহ তা‘আলা চোখের অশ্রুর কারণে ও হৃদয়ের অস্থিরতার জন্যে বান্দাকে শাস্তি দিবেন না? বরং তিনি এ কারণে ‘আযাব করবেন বা করুণা প্রদর্শন করবেন, তিনি জিহ্ববার দিকে ইঙ্গিত করলেন। (ই.ফা. ২০০৬, ই.সে. ২০১৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ) কঠিন পীড়ায় আক্রান্ত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ , সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে তাকে দেখতে গেলেন। তিনি সেখানে পৌছে তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, অবস্থা কি শেষ? লোকেরা বলল, না হে আল্লাহর রসূল! অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁদতে লাগলেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর কান্না দেখে কাঁদতে শুরু করল। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি শোননি যে, আল্লাহ তা‘আলা চোখের অশ্রুর কারণে ও হৃদয়ের অস্থিরতার জন্যে বান্দাকে শাস্তি দিবেন না? বরং তিনি এ কারণে ‘আযাব করবেন বা করুণা প্রদর্শন করবেন, তিনি জিহ্ববার দিকে ইঙ্গিত করলেন। (ই.ফা. ২০০৬, ই.সে. ২০১৩)
حدثنا يونس بن عبد الأعلى الصدفي، وعمرو بن سواد العامري، قالا أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن سعيد بن الحارث الأنصاري، عن عبد، الله بن عمر قال اشتكى سعد بن عبادة شكوى له فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم يعوده مع عبد الرحمن بن عوف وسعد بن أبي وقاص وعبد الله بن مسعود فلما دخل عليه وجده في غشية فقال " أقد قضى " . قالوا لا يا رسول الله . فبكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى القوم بكاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بكوا فقال " ألا تسمعون إن الله لا يعذب بدمع العين ولا بحزن القلب ولكن يعذب بهذا - وأشار إلى لسانه - أو يرحم " .
সহিহ মুসলিম ২০২১
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابن فضيل، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة حدثنا أبو معاوية، جميعا عن عاصم الأحول، بهذا الإسناد . غير أن حديث حماد أتم وأطول .
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সকলেই ‘আসিম আল আহ্ওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদের বর্ণিত হাদীসটি অপেক্ষাকৃত পূর্ণাঙ্গ ও লম্বা। (ই.ফা. ২০০৫, ই.সে. ২০১২)
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সকলেই ‘আসিম আল আহ্ওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদের বর্ণিত হাদীসটি অপেক্ষাকৃত পূর্ণাঙ্গ ও লম্বা। (ই.ফা. ২০০৫, ই.সে. ২০১২)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابن فضيل، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي، شيبة حدثنا أبو معاوية، جميعا عن عاصم الأحول، بهذا الإسناد . غير أن حديث حماد أتم وأطول .
সহিহ মুসলিম > রোগীকে দেখতে যাওয়া
সহিহ মুসলিম ২০২৩
وحدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا محمد بن جهضم، حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن عمارة، - يعني ابن غزية - عن سعيد بن الحارث بن المعلى، عن عبد الله بن عمر، أنه قال كنا جلوسا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رجل من الأنصار فسلم عليه ثم أدبر الأنصاري فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أخا الأنصار كيف أخي سعد بن عبادة " . فقال صالح . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من يعوده منكم " . فقام وقمنا معه ونحن بضعة عشر ما علينا نعال ولا خفاف ولا قلانس ولا قمص نمشي في تلك السباخ حتى جئناه فاستأخر قومه من حوله حتى دنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه الذين معه .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বসা ছিলাম। এমন সময় আনসারদের জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁকে সালাম করল। অতঃপর সে ফিরে যাচ্ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আনসারদের ভাই! আমার ভাই সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ কেমন আছে? সে বলল, ভাল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে কে তাঁকে দেখতে যাবে? এই বলে তিনি উঠলেন। আমরাও তাঁর সাথে উঠে রওয়ানা হলাম। আমাদের সংখ্যা দশের অধিক ছিল। আমাদের পায়ে জুতা-মোজাও ছিল না। গায়ে জামাও ছিল না। মাথায় টুপিও ছিল না। আমরা পায়ে হেঁটে কঙ্করময় পথ অতিক্রম করে সেখানে গিয়ে পৌছলাম। তার পাশে উপস্থিত লোকেরা সরে গেল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাথী সাহাবীগণ সা‘দ এর কাছে গেলেন। (ই.ফা. ২০০৭, ই.সে. ২০১৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বসা ছিলাম। এমন সময় আনসারদের জনৈক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁকে সালাম করল। অতঃপর সে ফিরে যাচ্ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আনসারদের ভাই! আমার ভাই সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ কেমন আছে? সে বলল, ভাল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে কে তাঁকে দেখতে যাবে? এই বলে তিনি উঠলেন। আমরাও তাঁর সাথে উঠে রওয়ানা হলাম। আমাদের সংখ্যা দশের অধিক ছিল। আমাদের পায়ে জুতা-মোজাও ছিল না। গায়ে জামাও ছিল না। মাথায় টুপিও ছিল না। আমরা পায়ে হেঁটে কঙ্করময় পথ অতিক্রম করে সেখানে গিয়ে পৌছলাম। তার পাশে উপস্থিত লোকেরা সরে গেল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাথী সাহাবীগণ সা‘দ এর কাছে গেলেন। (ই.ফা. ২০০৭, ই.সে. ২০১৪)
وحدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا محمد بن جهضم، حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن عمارة، - يعني ابن غزية - عن سعيد بن الحارث بن المعلى، عن عبد الله بن عمر، أنه قال كنا جلوسا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رجل من الأنصار فسلم عليه ثم أدبر الأنصاري فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أخا الأنصار كيف أخي سعد بن عبادة " . فقال صالح . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من يعوده منكم " . فقام وقمنا معه ونحن بضعة عشر ما علينا نعال ولا خفاف ولا قلانس ولا قمص نمشي في تلك السباخ حتى جئناه فاستأخر قومه من حوله حتى دنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه الذين معه .