সহিহ মুসলিম > ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলে মাইয়্যিতকে ‘তালক্বীন’ দেয়া
সহিহ মুসলিম ২০১০
وحدثنا أبو بكر، وعثمان، ابنا أبي شيبة ح وحدثني عمرو الناقد، قالوا جميعا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقنوا موتاكم لا إله إلا الله " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” (আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই) তাল্ক্বীন করো। (ই.ফা. ১৯৯৪, ই.সে. ২০০১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” (আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই) তাল্ক্বীন করো। (ই.ফা. ১৯৯৪, ই.সে. ২০০১)
وحدثنا أبو بكر، وعثمان، ابنا أبي شيبة ح وحدثني عمرو الناقد، قالوا جميعا حدثنا أبو خالد الأحمر، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقنوا موتاكم لا إله إلا الله " .
সহিহ মুসলিম ২০০৮
وحدثنا أبو كامل الجحدري، فضيل بن حسين وعثمان بن أبي شيبة كلاهما عن بشر، - قال أبو كامل حدثنا بشر بن المفضل، - حدثنا عمارة بن غزية، حدثنا يحيى، بن عمارة قال سمعت أبا سعيد الخدري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقنوا موتاكم لا إله إلا الله " .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ‘উমারাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা মুমূর্ষ ব্যক্তিকে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ”(আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই) তাল্ক্বীন দাও (পড়াও)। (ই.ফা. ১৯৯২, ই.সে. ১৯৯৯)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ‘উমারাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা মুমূর্ষ ব্যক্তিকে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ”(আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই) তাল্ক্বীন দাও (পড়াও)। (ই.ফা. ১৯৯২, ই.সে. ১৯৯৯)
وحدثنا أبو كامل الجحدري، فضيل بن حسين وعثمان بن أبي شيبة كلاهما عن بشر، - قال أبو كامل حدثنا بشر بن المفضل، - حدثنا عمارة بن غزية، حدثنا يحيى، بن عمارة قال سمعت أبا سعيد الخدري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقنوا موتاكم لا إله إلا الله " .
সহিহ মুসলিম ২০০৯
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز يعني الدراوردي، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان بن بلال، جميعا بهذا الإسناد .
কুতায়বাহ্ ইবনু সা‘ঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু বিলাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলে ঐ সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৯৯৩, ই.সে. ২০০০)
কুতায়বাহ্ ইবনু সা‘ঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু বিলাল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলে ঐ সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৯৯৩, ই.সে. ২০০০)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز يعني الدراوردي، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان بن بلال، جميعا بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > বিপদাপদের সময় যা বলতে হবে
সহিহ মুসলিম ২০১১
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - أخبرني سعد بن سعيد، عن عمر بن كثير بن أفلح، عن ابن، سفينة عن أم سلمة، أنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من مسلم تصيبه مصيبة فيقول ما أمره الله إنا لله وإنا إليه راجعون اللهم أجرني في مصيبتي وأخلف لي خيرا منها . إلا أخلف الله له خيرا منها " . قالت فلما مات أبو سلمة قلت أى المسلمين خير من أبي سلمة أول بيت هاجر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . ثم إني قلتها فأخلف الله لي رسول الله صلى الله عليه وسلم . قالت أرسل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حاطب بن أبي بلتعة يخطبني له فقلت إن لي بنتا وأنا غيور . فقال " أما ابنتها فندعو الله أن يغنيها عنها وأدعو الله أن يذهب بالغيرة " .
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলিমের ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- “ইন্না-লিল্লা-হি ওয়া ইন্না-ইলায়হি র-জি‘উন” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তাঁরই কাছে ফিরে যাব) বলে এবং এ দু‘আ পাঠ করে- “আল্ল-হুম্মা’ জুর্নী ফী মুসীবাতী ও আখলিফ লী খয়রাম্ মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্ল-হু লাহূ খয়রাম্ মিনহা-” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবাতে সাওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন)। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কোন্ মুসলিম আবূ সালামাহ্ থেকে উত্তম? তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যিনি হিজরাত করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পৌছে গেছেন। এতদসত্বেও আমি এ দু‘আগুলো পাঠ করলাম। এরপর মহান আল্লাহ আবূ সালামার স্থলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মতো স্বামী দান করেছেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আমার নিকট রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিয়ের পয়গাম পৌঁছাবার উদ্দেশে হাত্বিব ইবনু আবূ বাল্তা‘আহ্ কে পাঠালেন। আমি বললাম, আমার একটা কন্যা আছে আর আমার জিদ বেশী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার কন্যা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে দু‘আ করব যাতে তিনি তাকে তাঁর কন্যার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন। আর (তার সম্পর্কে) দু‘আ করব যেন আল্লাহ তার জিদ দূর করে দেন। (ই.ফা. ১৯৯৫, ই.সে. ২০০২)
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলিমের ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- “ইন্না-লিল্লা-হি ওয়া ইন্না-ইলায়হি র-জি‘উন” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তাঁরই কাছে ফিরে যাব) বলে এবং এ দু‘আ পাঠ করে- “আল্ল-হুম্মা’ জুর্নী ফী মুসীবাতী ও আখলিফ লী খয়রাম্ মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্ল-হু লাহূ খয়রাম্ মিনহা-” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবাতে সাওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন)। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কোন্ মুসলিম আবূ সালামাহ্ থেকে উত্তম? তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যিনি হিজরাত করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পৌছে গেছেন। এতদসত্বেও আমি এ দু‘আগুলো পাঠ করলাম। এরপর মহান আল্লাহ আবূ সালামার স্থলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মতো স্বামী দান করেছেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আমার নিকট রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিয়ের পয়গাম পৌঁছাবার উদ্দেশে হাত্বিব ইবনু আবূ বাল্তা‘আহ্ কে পাঠালেন। আমি বললাম, আমার একটা কন্যা আছে আর আমার জিদ বেশী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার কন্যা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে দু‘আ করব যাতে তিনি তাকে তাঁর কন্যার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন। আর (তার সম্পর্কে) দু‘আ করব যেন আল্লাহ তার জিদ দূর করে দেন। (ই.ফা. ১৯৯৫, ই.সে. ২০০২)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل بن جعفر، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - أخبرني سعد بن سعيد، عن عمر بن كثير بن أفلح، عن ابن، سفينة عن أم سلمة، أنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من مسلم تصيبه مصيبة فيقول ما أمره الله إنا لله وإنا إليه راجعون اللهم أجرني في مصيبتي وأخلف لي خيرا منها . إلا أخلف الله له خيرا منها " . قالت فلما مات أبو سلمة قلت أى المسلمين خير من أبي سلمة أول بيت هاجر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . ثم إني قلتها فأخلف الله لي رسول الله صلى الله عليه وسلم . قالت أرسل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حاطب بن أبي بلتعة يخطبني له فقلت إن لي بنتا وأنا غيور . فقال " أما ابنتها فندعو الله أن يغنيها عنها وأدعو الله أن يذهب بالغيرة " .
সহিহ মুসলিম ২০১৩
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سعد بن سعيد، أخبرني عمر، - يعني ابن كثير - عن ابن سفينة، مولى أم سلمة عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بمثل حديث أبي أسامة وزاد قالت فلما توفي أبو سلمة قلت من خير من أبي سلمة صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم عزم الله لي فقلتها . قالت فتزوجت رسول الله صلى الله عليه وسلم .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, ..... পরবর্তী বর্ণনা উসামাহ্-এর হাদীস সদৃশ। তবে এ কথাটুকু বাড়িয়েছেনঃ উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করলেন, আমি মনে মনে বললামঃ আবূ সালামাহ্ (রাঃ)-এর চেয়ে উত্তম মানুষ কে আছেন যিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিশিষ্ট সহাবী? অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দৃঢ়তা দান করলেন এবং আমি ঐরূপ দু‘আ করলাম। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর আমার বিয়ে হ’ল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে। (ই.ফা. ১৯৯৭, ই.সে. ২০০৪)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, ..... পরবর্তী বর্ণনা উসামাহ্-এর হাদীস সদৃশ। তবে এ কথাটুকু বাড়িয়েছেনঃ উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করলেন, আমি মনে মনে বললামঃ আবূ সালামাহ্ (রাঃ)-এর চেয়ে উত্তম মানুষ কে আছেন যিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিশিষ্ট সহাবী? অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দৃঢ়তা দান করলেন এবং আমি ঐরূপ দু‘আ করলাম। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর আমার বিয়ে হ’ল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে। (ই.ফা. ১৯৯৭, ই.সে. ২০০৪)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سعد بن سعيد، أخبرني عمر، - يعني ابن كثير - عن ابن سفينة، مولى أم سلمة عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بمثل حديث أبي أسامة وزاد قالت فلما توفي أبو سلمة قلت من خير من أبي سلمة صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم عزم الله لي فقلتها . قالت فتزوجت رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ২০১২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن سعد بن سعيد، قال أخبرني عمر بن كثير بن أفلح، قال سمعت ابن سفينة، يحدث أنه سمع أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من عبد تصيبه مصيبة فيقول إنا لله وإنا إليه راجعون اللهم أجرني في مصيبتي وأخلف لي خيرا منها إلا أجره الله في مصيبته وأخلف له خيرا منها " . قالت فلما توفي أبو سلمة قلت كما أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخلف الله لي خيرا منه رسول الله صلى الله عليه وسلم .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কোন বান্দার ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলে “ইন্না-লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলায়হি র-জিউন, আল্লা-হুম্মা’ জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খয়রাম্ মিনহা-ইল্লা- আজারাহুল্ল-হু ফী মুসীবাতিহী ওয়া আখলা ফা লাহূ খয়রাম্ মিনহা-” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহর জন্যে এবং আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমাকে এ মুসীবাতের বিনিময় দান কর এবং এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর। তবে আল্লাহ তাকে তার মুসীবাতের বিনিময় দান করবেন এবং তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করবেন।)। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করলেন, আমি ঐরূপ দু‘আ করলাম যেরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করেছেন। অতঃপর মহান আল্লাহ আমাকে তাঁর চেয়েও উত্তম নি‘আমাত অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্বামীরূপে দান করলেন। (ই.ফা. ১৯৯৬, ই.সে. ২০০৩)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কোন বান্দার ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলে “ইন্না-লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলায়হি র-জিউন, আল্লা-হুম্মা’ জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খয়রাম্ মিনহা-ইল্লা- আজারাহুল্ল-হু ফী মুসীবাতিহী ওয়া আখলা ফা লাহূ খয়রাম্ মিনহা-” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহর জন্যে এবং আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমাকে এ মুসীবাতের বিনিময় দান কর এবং এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর। তবে আল্লাহ তাকে তার মুসীবাতের বিনিময় দান করবেন এবং তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করবেন।)। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করলেন, আমি ঐরূপ দু‘আ করলাম যেরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করেছেন। অতঃপর মহান আল্লাহ আমাকে তাঁর চেয়েও উত্তম নি‘আমাত অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্বামীরূপে দান করলেন। (ই.ফা. ১৯৯৬, ই.সে. ২০০৩)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن سعد بن سعيد، قال أخبرني عمر بن كثير بن أفلح، قال سمعت ابن سفينة، يحدث أنه سمع أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من عبد تصيبه مصيبة فيقول إنا لله وإنا إليه راجعون اللهم أجرني في مصيبتي وأخلف لي خيرا منها إلا أجره الله في مصيبته وأخلف له خيرا منها " . قالت فلما توفي أبو سلمة قلت كما أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخلف الله لي خيرا منه رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম > রোগী ও মৃতের নিকট যা বলতে হয়
সহিহ মুসলিম ২০১৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن أم سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا حضرتم المريض أو الميت فقولوا خيرا فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون " . قالت فلما مات أبو سلمة أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن أبا سلمة قد مات قال " قولي اللهم اغفر لي وله وأعقبني منه عقبى حسنة " . قالت فقلت فأعقبني الله من هو خير لي منه محمدا صلى الله عليه وسلم .
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা পীড়িত ব্যক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির নিকট হাজির হও তখন তার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য কর। কেননা তোমরা যেরূপ বল তার ওপর মালাকগণ (ফেরেশতামন্ডলী) আমীন বলেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম। হে আল্লাহর রসূল! আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তুমি বল, হে আল্লাহ! আমাকে ও তাঁকে ক্ষমা কর এবং তাঁর পরে আমাকে উত্তম পরিণাম দান কর।” উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি তা বললাম। আল্লাহ আমাকে তার (আবূ সালামাহ্-এর) চেয়ে উত্তম প্রতিদান হিসেবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দান করলেন। (ই.ফা. ১৯৯৮, ই.সে. ২০০৫)
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা পীড়িত ব্যক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির নিকট হাজির হও তখন তার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য কর। কেননা তোমরা যেরূপ বল তার ওপর মালাকগণ (ফেরেশতামন্ডলী) আমীন বলেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম। হে আল্লাহর রসূল! আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তুমি বল, হে আল্লাহ! আমাকে ও তাঁকে ক্ষমা কর এবং তাঁর পরে আমাকে উত্তম পরিণাম দান কর।” উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি তা বললাম। আল্লাহ আমাকে তার (আবূ সালামাহ্-এর) চেয়ে উত্তম প্রতিদান হিসেবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দান করলেন। (ই.ফা. ১৯৯৮, ই.সে. ২০০৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن أم سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا حضرتم المريض أو الميت فقولوا خيرا فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون " . قالت فلما مات أبو سلمة أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن أبا سلمة قد مات قال " قولي اللهم اغفر لي وله وأعقبني منه عقبى حسنة " . قالت فقلت فأعقبني الله من هو خير لي منه محمدا صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম > মাইয়্যিতের দৃষ্টি বন্ধ করা এবং মৃত্যু উপস্থিত হলে তার জন্য দু‘আ করা
সহিহ মুসলিম ২০১৫
حدثني زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، عن خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن قبيصة بن ذؤيب، عن أم سلمة، قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي سلمة وقد شق بصره فأغمضه ثم قال " إن الروح إذا قبض تبعه البصر " . فضج ناس من أهله فقال " لا تدعوا على أنفسكم إلا بخير فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون " . ثم قال " اللهم اغفر لأبي سلمة وارفع درجته في المهديين واخلفه في عقبه في الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له في قبره . ونور له فيه " .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ সালামাহ্কে দেখতে এলেন, তখন চোখ খোলা ছিল। তিনি তার চোখ বন্ধ করে দিলেন এবং বললেন, যখন রূহ্ ক্ববয করা হয়, তখন চোখ তার অনুসরণ করে। আবূ সালামাহ্-এর পরিবারের লোকেরা কান্না শুরু করে দিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তোমাদের নিজেদের ব্যাপারে ভাল কথা ছাড়া কোন খারাপ কিছু বলাবলি করো না। কেননা, তোমরা যা কিছু বল তার স্বপক্ষে মালায়িকাহ্ ‘আমীন’ বলে থাকে। এরপর তিনি এভাবে দু‘আ করলেন, “হে আল্লাহ! আবূ সালামাহ্-কে ক্ষমা কর এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর মর্যাদাকে উঁচু করে দাও, তুমি তাঁর বংশধরদের অভিভাবক হয়ে যাও। হে রব্বুল ‘আলামীন! তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। তার ক্ববরকে প্রশস্ত কর এবং তা জ্যোতির্ময় করে দাও।” (ই.ফা. ১৯৯৯, ই.সে. ২০০৬)
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ সালামাহ্কে দেখতে এলেন, তখন চোখ খোলা ছিল। তিনি তার চোখ বন্ধ করে দিলেন এবং বললেন, যখন রূহ্ ক্ববয করা হয়, তখন চোখ তার অনুসরণ করে। আবূ সালামাহ্-এর পরিবারের লোকেরা কান্না শুরু করে দিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা তোমাদের নিজেদের ব্যাপারে ভাল কথা ছাড়া কোন খারাপ কিছু বলাবলি করো না। কেননা, তোমরা যা কিছু বল তার স্বপক্ষে মালায়িকাহ্ ‘আমীন’ বলে থাকে। এরপর তিনি এভাবে দু‘আ করলেন, “হে আল্লাহ! আবূ সালামাহ্-কে ক্ষমা কর এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর মর্যাদাকে উঁচু করে দাও, তুমি তাঁর বংশধরদের অভিভাবক হয়ে যাও। হে রব্বুল ‘আলামীন! তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। তার ক্ববরকে প্রশস্ত কর এবং তা জ্যোতির্ময় করে দাও।” (ই.ফা. ১৯৯৯, ই.সে. ২০০৬)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، عن خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن قبيصة بن ذؤيب، عن أم سلمة، قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي سلمة وقد شق بصره فأغمضه ثم قال " إن الروح إذا قبض تبعه البصر " . فضج ناس من أهله فقال " لا تدعوا على أنفسكم إلا بخير فإن الملائكة يؤمنون على ما تقولون " . ثم قال " اللهم اغفر لأبي سلمة وارفع درجته في المهديين واخلفه في عقبه في الغابرين واغفر لنا وله يا رب العالمين وافسح له في قبره . ونور له فيه " .
সহিহ মুসলিম ২০১৬
وحدثنا محمد بن موسى القطان الواسطي، حدثنا المثنى بن معاذ بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله بن الحسن، حدثنا خالد الحذاء، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال " واخلفه في تركته " . وقال " اللهم أوسع له في قبره " . ولم يقل " افسح له " . وزاد قال خالد الحذاء ودعوة أخرى سابعة نسيتها .
খালিদ আল হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যতিক্রম এই যে, এ সূত্রে বলেছেন, “তাঁর পরিবার পরিজনদের অভিভাবক হও।” এছাড়া বলেছেন, ‘তার ক্ববরকে প্রশস্ত করে দাও’ কিন্তু “আফসিহ” শব্দটি এ বর্ণনায় নেই। খালিদ আল হায্যা এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেন, সপ্তম অন্য আরেকটি দু‘আ আছে যা আমি ভুলে গেছি। (ই.ফা. ২০০০, ই.সে. ২০০৭)
খালিদ আল হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যতিক্রম এই যে, এ সূত্রে বলেছেন, “তাঁর পরিবার পরিজনদের অভিভাবক হও।” এছাড়া বলেছেন, ‘তার ক্ববরকে প্রশস্ত করে দাও’ কিন্তু “আফসিহ” শব্দটি এ বর্ণনায় নেই। খালিদ আল হায্যা এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেন, সপ্তম অন্য আরেকটি দু‘আ আছে যা আমি ভুলে গেছি। (ই.ফা. ২০০০, ই.সে. ২০০৭)
وحدثنا محمد بن موسى القطان الواسطي، حدثنا المثنى بن معاذ بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله بن الحسن، حدثنا خالد الحذاء، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال " واخلفه في تركته " . وقال " اللهم أوسع له في قبره " . ولم يقل " افسح له " . وزاد قال خالد الحذاء ودعوة أخرى سابعة نسيتها .