সহিহ মুসলিম > ‘আমর ইবনু ‘আবাসাহ্ (রাযিঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ

সহিহ মুসলিম ১৮১৫

حدثني أحمد بن جعفر المعقري، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا شداد بن عبد الله أبو عمار، ويحيى بن أبي كثير، عن أبي أمامة، - قال عكرمة ولقي شداد أبا أمامة وواثلة وصحب أنسا إلى الشام وأثنى عليه فضلا وخيرا - عن أبي أمامة قال قال عمرو بن عبسة السلمي كنت وأنا في الجاهلية أظن أن الناس على ضلالة وأنهم ليسوا على شىء وهم يعبدون الأوثان فسمعت برجل بمكة يخبر أخبارا فقعدت على راحلتي فقدمت عليه فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم مستخفيا جرءاء عليه قومه فتلطفت حتى دخلت عليه بمكة فقلت له ما أنت قال ‏"‏ أنا نبي ‏"‏ ‏.‏ فقلت وما نبي قال ‏"‏ أرسلني الله ‏"‏ ‏.‏ فقلت وبأى شىء أرسلك قال ‏"‏ أرسلني بصلة الأرحام وكسر الأوثان وأن يوحد الله لا يشرك به شىء ‏"‏ ‏.‏ قلت له فمن معك على هذا قال ‏"‏ حر وعبد ‏"‏ ‏.‏ قال ومعه يومئذ أبو بكر وبلال ممن آمن به ‏.‏ فقلت إني متبعك ‏.‏ قال ‏"‏ إنك لا تستطيع ذلك يومك هذا ألا ترى حالي وحال الناس ولكن ارجع إلى أهلك فإذا سمعت بي قد ظهرت فأتني ‏"‏ ‏.‏ قال فذهبت إلى أهلي وقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وكنت في أهلي فجعلت أتخبر الأخبار وأسأل الناس حين قدم المدينة حتى قدم على نفر من أهل يثرب من أهل المدينة فقلت ما فعل هذا الرجل الذي قدم المدينة فقالوا الناس إليه سراع وقد أراد قومه قتله فلم يستطيعوا ذلك ‏.‏ فقدمت المدينة فدخلت عليه فقلت يا رسول الله أتعرفني قال ‏"‏ نعم أنت الذي لقيتني بمكة ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت بلى ‏.‏ فقلت يا نبي الله أخبرني عما علمك الله وأجهله ‏.‏ أخبرني عن الصلاة قال ‏"‏ صل صلاة الصبح ثم أقصر عن الصلاة حتى تطلع الشمس حتى ترتفع فإنها تطلع حين تطلع بين قرنى شيطان وحينئذ يسجد لها الكفار ثم صل فإن الصلاة مشهودة محضورة حتى يستقل الظل بالرمح ثم أقصر عن الصلاة فإن حينئذ تسجر جهنم فإذا أقبل الفىء فصل فإن الصلاة مشهودة محضورة حتى تصلي العصر ثم أقصر عن الصلاة حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرنى شيطان وحينئذ يسجد لها الكفار ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت يا نبي الله فالوضوء حدثني عنه قال ‏"‏ ما منكم رجل يقرب وضوءه فيتمضمض ويستنشق فينتثر إلا خرت خطايا وجهه وفيه وخياشيمه ثم إذا غسل وجهه كما أمره الله إلا خرت خطايا وجهه من أطراف لحيته مع الماء ثم يغسل يديه إلى المرفقين إلا خرت خطايا يديه من أنامله مع الماء ثم يمسح رأسه إلا خرت خطايا رأسه من أطراف شعره مع الماء ثم يغسل قدميه إلى الكعبين إلا خرت خطايا رجليه من أنامله مع الماء فإن هو قام فصلى فحمد الله وأثنى عليه ومجده بالذي هو له أهل وفرغ قلبه لله إلا انصرف من خطيئته كهيئته يوم ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏ فحدث عمرو بن عبسة بهذا الحديث أبا أمامة صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له أبو أمامة يا عمرو بن عبسة انظر ما تقول في مقام واحد يعطى هذا الرجل فقال عمرو يا أبا أمامة لقد كبرت سني ورق عظمي واقترب أجلي وما بي حاجة أن أكذب على الله ولا على رسول الله لو لم أسمعه من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا مرة أو مرتين أو ثلاثا - حتى عد سبع مرات - ما حدثت به أبدا ولكني سمعته أكثر من ذلك ‏.‏ সমস্যা? রিপোর্ট করুন!

‘ইকরামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শাদ্দাদ (রহঃ), আবূ উমামাহ্ ও ওয়াসিলাহ্ (রাঃ)–এর সাক্ষাৎ লাভ করেছে এবং সিরিয়ায় আনাস (রাঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছে এবং তার উচ্ছসিত প্রশংসা ও গুণগান করেছে। আবূ উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, ‘আম্‌র ইবনু আবাসাহ্ আস্ সুলামী (রাঃ) বলেছেন, আমি জাহিলী যুগে ধারণা করতাম যে, সব লোকই পথভ্রষ্ট ও তাদের কোন ধর্ম নেই। তারা দেব-দেবীর পূজা করত। এ অবস্হায় আমি শুনতে পেলাম যে, মাক্কায় জনৈক ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয় বর্ণনা করেছেন। আমি আমার বাহনে উপবিষ্ট হয়ে তাঁর নিকট এসে পৌঁছে দেখলাম যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেকে জনসমাগম থেকে সরিয়ে রাখেন, তাঁর সম্প্রদায় তাঁকে অত্যাচার-নির্যাতন করে। আমি কৌশলে মাক্কায় তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি তাঁকে বললাম, আপনি কে? তিনি বলেনঃ আমি একজন নবী : আমি বললাম, নবী কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি বললাম, তিনি আপনাকে কোন্ জিনিস দিয়ে পাঠিয়েছেন? তিনি বলেন, তিনি আমাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখতে, মূর্তিসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে, আল্লাহ এক ব‘লে –ঘোষণা করতে এবং তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক না করতে পাঠিয়েছেন। আমি তাঁকে বললাম, এ ব্যাপারে আপনার সাথে কারা আছে? তিনি বলেনঃ স্বাধীন ও দাসেরা। বর্ণনাকারী বলেন, সেকালে তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর ওপর ঈমান আনয়নকারী আবূ বকর (রাঃ), বিলাল (রাঃ) প্রমুখ। আমি বললাম, আমিও আপনার অনুসারী হতে চাই। তিনি বলেনঃ বর্তমান পরিস্হিতিতে তুমি তাতে সক্ষম হবে না। তুমি কি আমার অবস্হা এবং (ঈমান আনয়নকারী) অন্যদের অবস্হা দেখছ না? বরং তুমি তোমার পরিবারে ফিরে যাও, যখন তুমি শুনতে পাবে যে, আমি বিজয়ী হয়েছি তখন আমার নিকট এসো। বর্ণনাকারী বলেন, তাই আমি আমার পরিবারে ফিরে এলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমন করলেন, আমি তখন আমার পরিবারের সাথে ছিলাম। তিনি মাদীনায় আসার পর থেকে আমি খবরাখবর নিতে থাকলাম এবং লোকজনের নিকট জিজ্ঞেস করতে থাকলাম। শেষে আমার নিকট ইয়াস্রিব- এর একদল লোক অর্থাৎ একদল মাদীনাহ্বাসী এলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, যে ব্যক্তি মাদীনায় এসেছেন তিনি কি করেন? তারা বলেন, লোকজন অতি দ্রুত তাঁর অনুসারী হচ্ছে, অথচ তাঁর জাতি তাঁকে হত্যা করতে বদ্ধ পরিকর, কিন্তু তারা তাতে সক্ষম হয়নি। অতএব, আমি মাদীনায় এসে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল ! আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তুমি তো মাক্কায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম : হ্যাঁ। আমি আরো বললাম, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনাকে যা শিখিয়েছেন এবং যে সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞ তা আমাকে শিক্ষা দিন , আমাকে সলাত সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বলেনঃ ফজরের সলাত আদায় কর, অতঃপর সূর্য উদিত হয়ে উপরে না ওঠা পর্যন্ত সলাত থেকে বিরত থাক। কারণ সূর্য উদিত হওয়ার সময় শাইত্বনের দু ‘শিং–এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সাজদাহ্ করে। অতঃপর তীরের ছায়া তার সমান না হওয়া পর্যন্ত তুমি সলাত আদায় কর, কারণ এ সলাতে মালায়িকাহ্ উপস্হিত হন। অতঃপর সলাত থেকে বিরত থাক, কারণ তখন জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়। অতঃপর সূর্য যখন ঢলে যায় তখন থেকে সলাত আদায় কর, এবং আসরের সলাত আদায় করা পর্যন্ত মালাকগণ (ফেরেশতামন্ডলী) উপস্হিত থাকেন। অতঃপর সূর্য অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত সলাত থেকে বিরত থাক। কারণ তা শাইত্বনের দু ‘শিং–এর মাঝখান দিয়ে অস্ত যায় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সাজদাহ্ করে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী ! ওযূ সম্পর্কে আমাকে বলুন। তিনি বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির নিকট ওযুর পানি পেশ করা হলে সে যেন কুলি করে, নাকে পানি দিয়ে তা পরিস্কার করে, এতে তার মূখমন্ডলের ও নাক গহবরের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর যখন সে আল্লাহর নির্দেশ মতো মূখমন্ডল ধৌত করে, তখন পানির সাথে তার মূখমন্ডল থেকে, এমনকি দাড়ির আশপাশের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর তার দু ‘হাত কনুই পর্যন্ত ধোয়ার সাথে সাথে তার আঙ্গুলসমূহ থেকে পানির সাথে গুনাহসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন তার পদদ্বয় ধৌত করে তখন তার আঙ্গুলসমূহ দিয়ে তার পাপসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যদি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করে, তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা বর্ণনা করে এবং আল্লাহর জন্য নিজের অন্তরকে পৃথক করে নেয় তাহলে সে তার জন্মদিনের মতো গুনাহমুক্ত হয়ে যায়। ‘আম্‌র ইবনু ‘আবাসাহ্ (রাঃ) এ হাদীসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহচর আবূ উমামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি তাকে বলেন, হে ‘আম্‌র ইবনু ‘আবাসাহ্! লক্ষ্য করুন আপনি বলেছেন, এক স্হানেই লোকটিকে এত সাওয়াব দেয়া হবে! ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, হে আবূ উমামাহ্ ! আমি বার্ধক্যে পৌছে গেছি, আমার হাড়গোড় দূর্বল হয়ে গেছে এবং আমার মৃত্যু সন্নিকটে। এ অবস্হায় আল্লাহ ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি মিথ্যারোপে আমার কি ফায়দাহ্। আমি যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ হাদীস একবার, দু ‘বার, তিনবার, এমনকি সাতবার গুণতাম তাহলে কখনো তা বর্ণনা করতম না, কিন্তু এর অধিক সংখ্যক বার তাঁর নিকট শুনেছি। (ই.ফা, ১৮০০.ই.সে. ১৮০৭)

‘ইকরামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শাদ্দাদ (রহঃ), আবূ উমামাহ্ ও ওয়াসিলাহ্ (রাঃ)–এর সাক্ষাৎ লাভ করেছে এবং সিরিয়ায় আনাস (রাঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেছে এবং তার উচ্ছসিত প্রশংসা ও গুণগান করেছে। আবূ উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, ‘আম্‌র ইবনু আবাসাহ্ আস্ সুলামী (রাঃ) বলেছেন, আমি জাহিলী যুগে ধারণা করতাম যে, সব লোকই পথভ্রষ্ট ও তাদের কোন ধর্ম নেই। তারা দেব-দেবীর পূজা করত। এ অবস্হায় আমি শুনতে পেলাম যে, মাক্কায় জনৈক ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয় বর্ণনা করেছেন। আমি আমার বাহনে উপবিষ্ট হয়ে তাঁর নিকট এসে পৌঁছে দেখলাম যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেকে জনসমাগম থেকে সরিয়ে রাখেন, তাঁর সম্প্রদায় তাঁকে অত্যাচার-নির্যাতন করে। আমি কৌশলে মাক্কায় তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি তাঁকে বললাম, আপনি কে? তিনি বলেনঃ আমি একজন নবী : আমি বললাম, নবী কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি বললাম, তিনি আপনাকে কোন্ জিনিস দিয়ে পাঠিয়েছেন? তিনি বলেন, তিনি আমাকে আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখতে, মূর্তিসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে, আল্লাহ এক ব‘লে –ঘোষণা করতে এবং তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক না করতে পাঠিয়েছেন। আমি তাঁকে বললাম, এ ব্যাপারে আপনার সাথে কারা আছে? তিনি বলেনঃ স্বাধীন ও দাসেরা। বর্ণনাকারী বলেন, সেকালে তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর ওপর ঈমান আনয়নকারী আবূ বকর (রাঃ), বিলাল (রাঃ) প্রমুখ। আমি বললাম, আমিও আপনার অনুসারী হতে চাই। তিনি বলেনঃ বর্তমান পরিস্হিতিতে তুমি তাতে সক্ষম হবে না। তুমি কি আমার অবস্হা এবং (ঈমান আনয়নকারী) অন্যদের অবস্হা দেখছ না? বরং তুমি তোমার পরিবারে ফিরে যাও, যখন তুমি শুনতে পাবে যে, আমি বিজয়ী হয়েছি তখন আমার নিকট এসো। বর্ণনাকারী বলেন, তাই আমি আমার পরিবারে ফিরে এলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমন করলেন, আমি তখন আমার পরিবারের সাথে ছিলাম। তিনি মাদীনায় আসার পর থেকে আমি খবরাখবর নিতে থাকলাম এবং লোকজনের নিকট জিজ্ঞেস করতে থাকলাম। শেষে আমার নিকট ইয়াস্রিব- এর একদল লোক অর্থাৎ একদল মাদীনাহ্বাসী এলে আমি জিজ্ঞেস করলাম, যে ব্যক্তি মাদীনায় এসেছেন তিনি কি করেন? তারা বলেন, লোকজন অতি দ্রুত তাঁর অনুসারী হচ্ছে, অথচ তাঁর জাতি তাঁকে হত্যা করতে বদ্ধ পরিকর, কিন্তু তারা তাতে সক্ষম হয়নি। অতএব, আমি মাদীনায় এসে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল ! আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তুমি তো মাক্কায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম : হ্যাঁ। আমি আরো বললাম, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনাকে যা শিখিয়েছেন এবং যে সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ অজ্ঞ তা আমাকে শিক্ষা দিন , আমাকে সলাত সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বলেনঃ ফজরের সলাত আদায় কর, অতঃপর সূর্য উদিত হয়ে উপরে না ওঠা পর্যন্ত সলাত থেকে বিরত থাক। কারণ সূর্য উদিত হওয়ার সময় শাইত্বনের দু ‘শিং–এর মাঝখান দিয়ে উদিত হয় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সাজদাহ্ করে। অতঃপর তীরের ছায়া তার সমান না হওয়া পর্যন্ত তুমি সলাত আদায় কর, কারণ এ সলাতে মালায়িকাহ্ উপস্হিত হন। অতঃপর সলাত থেকে বিরত থাক, কারণ তখন জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়। অতঃপর সূর্য যখন ঢলে যায় তখন থেকে সলাত আদায় কর, এবং আসরের সলাত আদায় করা পর্যন্ত মালাকগণ (ফেরেশতামন্ডলী) উপস্হিত থাকেন। অতঃপর সূর্য অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত সলাত থেকে বিরত থাক। কারণ তা শাইত্বনের দু ‘শিং–এর মাঝখান দিয়ে অস্ত যায় এবং তখন কাফিররা সূর্যকে সাজদাহ্ করে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী ! ওযূ সম্পর্কে আমাকে বলুন। তিনি বলেনঃ তোমাদের যে কোন ব্যক্তির নিকট ওযুর পানি পেশ করা হলে সে যেন কুলি করে, নাকে পানি দিয়ে তা পরিস্কার করে, এতে তার মূখমন্ডলের ও নাক গহবরের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর যখন সে আল্লাহর নির্দেশ মতো মূখমন্ডল ধৌত করে, তখন পানির সাথে তার মূখমন্ডল থেকে, এমনকি দাড়ির আশপাশের সমস্ত পাপ ঝরে যায়। অতঃপর তার দু ‘হাত কনুই পর্যন্ত ধোয়ার সাথে সাথে তার আঙ্গুলসমূহ থেকে পানির সাথে গুনাহসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন তার পদদ্বয় ধৌত করে তখন তার আঙ্গুলসমূহ দিয়ে তার পাপসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যদি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করে, তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদা বর্ণনা করে এবং আল্লাহর জন্য নিজের অন্তরকে পৃথক করে নেয় তাহলে সে তার জন্মদিনের মতো গুনাহমুক্ত হয়ে যায়। ‘আম্‌র ইবনু ‘আবাসাহ্ (রাঃ) এ হাদীসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহচর আবূ উমামাহ্ (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি তাকে বলেন, হে ‘আম্‌র ইবনু ‘আবাসাহ্! লক্ষ্য করুন আপনি বলেছেন, এক স্হানেই লোকটিকে এত সাওয়াব দেয়া হবে! ‘আম্‌র (রাঃ) বলেন, হে আবূ উমামাহ্ ! আমি বার্ধক্যে পৌছে গেছি, আমার হাড়গোড় দূর্বল হয়ে গেছে এবং আমার মৃত্যু সন্নিকটে। এ অবস্হায় আল্লাহ ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি মিথ্যারোপে আমার কি ফায়দাহ্। আমি যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ হাদীস একবার, দু ‘বার, তিনবার, এমনকি সাতবার গুণতাম তাহলে কখনো তা বর্ণনা করতম না, কিন্তু এর অধিক সংখ্যক বার তাঁর নিকট শুনেছি। (ই.ফা, ১৮০০.ই.সে. ১৮০৭)

حدثني أحمد بن جعفر المعقري، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا شداد بن عبد الله أبو عمار، ويحيى بن أبي كثير، عن أبي أمامة، - قال عكرمة ولقي شداد أبا أمامة وواثلة وصحب أنسا إلى الشام وأثنى عليه فضلا وخيرا - عن أبي أمامة قال قال عمرو بن عبسة السلمي كنت وأنا في الجاهلية أظن أن الناس على ضلالة وأنهم ليسوا على شىء وهم يعبدون الأوثان فسمعت برجل بمكة يخبر أخبارا فقعدت على راحلتي فقدمت عليه فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم مستخفيا جرءاء عليه قومه فتلطفت حتى دخلت عليه بمكة فقلت له ما أنت قال ‏"‏ أنا نبي ‏"‏ ‏.‏ فقلت وما نبي قال ‏"‏ أرسلني الله ‏"‏ ‏.‏ فقلت وبأى شىء أرسلك قال ‏"‏ أرسلني بصلة الأرحام وكسر الأوثان وأن يوحد الله لا يشرك به شىء ‏"‏ ‏.‏ قلت له فمن معك على هذا قال ‏"‏ حر وعبد ‏"‏ ‏.‏ قال ومعه يومئذ أبو بكر وبلال ممن آمن به ‏.‏ فقلت إني متبعك ‏.‏ قال ‏"‏ إنك لا تستطيع ذلك يومك هذا ألا ترى حالي وحال الناس ولكن ارجع إلى أهلك فإذا سمعت بي قد ظهرت فأتني ‏"‏ ‏.‏ قال فذهبت إلى أهلي وقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وكنت في أهلي فجعلت أتخبر الأخبار وأسأل الناس حين قدم المدينة حتى قدم على نفر من أهل يثرب من أهل المدينة فقلت ما فعل هذا الرجل الذي قدم المدينة فقالوا الناس إليه سراع وقد أراد قومه قتله فلم يستطيعوا ذلك ‏.‏ فقدمت المدينة فدخلت عليه فقلت يا رسول الله أتعرفني قال ‏"‏ نعم أنت الذي لقيتني بمكة ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت بلى ‏.‏ فقلت يا نبي الله أخبرني عما علمك الله وأجهله ‏.‏ أخبرني عن الصلاة قال ‏"‏ صل صلاة الصبح ثم أقصر عن الصلاة حتى تطلع الشمس حتى ترتفع فإنها تطلع حين تطلع بين قرنى شيطان وحينئذ يسجد لها الكفار ثم صل فإن الصلاة مشهودة محضورة حتى يستقل الظل بالرمح ثم أقصر عن الصلاة فإن حينئذ تسجر جهنم فإذا أقبل الفىء فصل فإن الصلاة مشهودة محضورة حتى تصلي العصر ثم أقصر عن الصلاة حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرنى شيطان وحينئذ يسجد لها الكفار ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت يا نبي الله فالوضوء حدثني عنه قال ‏"‏ ما منكم رجل يقرب وضوءه فيتمضمض ويستنشق فينتثر إلا خرت خطايا وجهه وفيه وخياشيمه ثم إذا غسل وجهه كما أمره الله إلا خرت خطايا وجهه من أطراف لحيته مع الماء ثم يغسل يديه إلى المرفقين إلا خرت خطايا يديه من أنامله مع الماء ثم يمسح رأسه إلا خرت خطايا رأسه من أطراف شعره مع الماء ثم يغسل قدميه إلى الكعبين إلا خرت خطايا رجليه من أنامله مع الماء فإن هو قام فصلى فحمد الله وأثنى عليه ومجده بالذي هو له أهل وفرغ قلبه لله إلا انصرف من خطيئته كهيئته يوم ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏ فحدث عمرو بن عبسة بهذا الحديث أبا أمامة صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له أبو أمامة يا عمرو بن عبسة انظر ما تقول في مقام واحد يعطى هذا الرجل فقال عمرو يا أبا أمامة لقد كبرت سني ورق عظمي واقترب أجلي وما بي حاجة أن أكذب على الله ولا على رسول الله لو لم أسمعه من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا مرة أو مرتين أو ثلاثا - حتى عد سبع مرات - ما حدثت به أبدا ولكني سمعته أكثر من ذلك ‏.‏ সমস্যা? রিপোর্ট করুন!


সহিহ মুসলিম > সূর্যোদয় ও অস্তকালে সলাত আদায় না করা

সহিহ মুসলিম ১৮১৬

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت وهم عمر إنما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتحرى طلوع الشمس وغروبها ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উমার (রাঃ) ধারণা করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তকালে সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা, ১৮০১.ই.সে. ১৮০৮)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উমার (রাঃ) ধারণা করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তকালে সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা, ১৮০১.ই.সে. ১৮০৮)

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت وهم عمر إنما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتحرى طلوع الشمس وغروبها ‏.


সহিহ মুসলিম ১৮১৭

وحدثنا حسن الحلواني، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت لم يدع رسول الله صلى الله عليه وسلم الركعتين بعد العصر ‏.‏ قال فقالت عائشة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تتحروا طلوع الشمس ولا غروبها فتصلوا عند ذلك ‏"‏ ‏.

'আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আস্‌রের সলাতের পর দু' রাক'আত (নাফ্‌ল) সলাত (আদায় করা) ত্যাগ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপেক্ষায় থেক না যে, তখন সলাত আদায় করবে। (ই.ফা. ১৮০২, ই.সে. ১৮০৯)

'আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আস্‌রের সলাতের পর দু' রাক'আত (নাফ্‌ল) সলাত (আদায় করা) ত্যাগ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন, 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপেক্ষায় থেক না যে, তখন সলাত আদায় করবে। (ই.ফা. ১৮০২, ই.সে. ১৮০৯)

وحدثنا حسن الحلواني، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت لم يدع رسول الله صلى الله عليه وسلم الركعتين بعد العصر ‏.‏ قال فقالت عائشة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تتحروا طلوع الشمس ولا غروبها فتصلوا عند ذلك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > 'আস্‌র সলাতের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পঠিত দু' রাক'আত সলাত সম্পর্কে জ্ঞাতব্য

সহিহ মুসলিম ১৮২১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثنا علي بن حجر، - واللفظ له - أخبرنا علي بن مسهر، أخبرنا أبو إسحاق الشيباني، عن عبد الرحمن، بن الأسود عن أبيه، عن عائشة، قالت صلاتان ما تركهما رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي قط سرا ولا علانية ركعتين قبل الفجر وركعتين بعد العصر ‏.‏

'আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে অবস্থানকালে দু'টি সলাত প্রকাশ্যে বা গোপনে কখনো ত্যাগ করেননিঃ ফাজ্‌রের সলাতের পূর্বে দু' রাক'আত এবং 'আস্‌র সলাতের পর দু' রাক'আত। (ই.ফা. ১৮০৬, ই.সে. ১৮১৩)

'আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে অবস্থানকালে দু'টি সলাত প্রকাশ্যে বা গোপনে কখনো ত্যাগ করেননিঃ ফাজ্‌রের সলাতের পূর্বে দু' রাক'আত এবং 'আস্‌র সলাতের পর দু' রাক'আত। (ই.ফা. ১৮০৬, ই.সে. ১৮১৩)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثنا علي بن حجر، - واللفظ له - أخبرنا علي بن مسهر، أخبرنا أبو إسحاق الشيباني، عن عبد الرحمن، بن الأسود عن أبيه، عن عائشة، قالت صلاتان ما تركهما رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي قط سرا ولا علانية ركعتين قبل الفجر وركعتين بعد العصر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৮২০

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي جميعا، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين بعد العصر عندي قط ‏.‏

'আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট (অবস্থানকালে) 'আস্‌র সলাতের পরের দু' রাক'আত কখনো ত্যাগ করেননি। (ই.ফা. ১৮০৫, ই.সে. ১৮১২)

'আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট (অবস্থানকালে) 'আস্‌র সলাতের পরের দু' রাক'আত কখনো ত্যাগ করেননি। (ই.ফা. ১৮০৫, ই.সে. ১৮১২)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي جميعا، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين بعد العصر عندي قط ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৮১৯

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وعلي بن حجر، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - أخبرني محمد، - وهو ابن أبي حرملة - قال أخبرني أبو سلمة، أنه سأل عائشة عن السجدتين اللتين، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما بعد العصر فقالت كان يصليهما قبل العصر ثم إنه شغل عنهما أو نسيهما فصلاهما بعد العصر ثم أثبتهما وكان إذا صلى صلاة أثبتها ‏.‏ قال يحيى بن أيوب قال إسماعيل تعني داوم عليها ‏.

আবূ সালামাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-কে দু' রাক'আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আস্‌র সলাতের পর আদায় করেছিলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আস্‌র সলাতের আগে ঐ দু' রাক'আত সলাত আদায় করতেন। অতঃপর ব্যস্ততার কারণে অথবা ভুলে গিয়ে তিনি তা আদায় করেননি। সে দু' রাক'আতই তিনি 'আস্‌র সলাতের পর আদায় করেছেন, অতঃপর তা নিয়মিত পড়তে থাকেন। তিনি কোন সলাত আদায় করলে তা নিয়মিত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৮০৪, ই.সে. ১৮১১)

আবূ সালামাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-কে দু' রাক'আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আস্‌র সলাতের পর আদায় করেছিলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'আস্‌র সলাতের আগে ঐ দু' রাক'আত সলাত আদায় করতেন। অতঃপর ব্যস্ততার কারণে অথবা ভুলে গিয়ে তিনি তা আদায় করেননি। সে দু' রাক'আতই তিনি 'আস্‌র সলাতের পর আদায় করেছেন, অতঃপর তা নিয়মিত পড়তে থাকেন। তিনি কোন সলাত আদায় করলে তা নিয়মিত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৮০৪, ই.সে. ১৮১১)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وعلي بن حجر، قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - أخبرني محمد، - وهو ابن أبي حرملة - قال أخبرني أبو سلمة، أنه سأل عائشة عن السجدتين اللتين، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما بعد العصر فقالت كان يصليهما قبل العصر ثم إنه شغل عنهما أو نسيهما فصلاهما بعد العصر ثم أثبتهما وكان إذا صلى صلاة أثبتها ‏.‏ قال يحيى بن أيوب قال إسماعيل تعني داوم عليها ‏.


সহিহ মুসলিম ১৮১৮

حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن بكير، عن كريب، مولى ابن عباس أن عبد الله بن عباس، وعبد الرحمن، بن أزهر والمسور بن مخرمة أرسلوه إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وقل إنا أخبرنا أنك تصلينهما وقد بلغنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنهما ‏.‏ قال ابن عباس وكنت أصرف مع عمر بن الخطاب الناس عنها ‏.‏ قال كريب فدخلت عليها وبلغتها ما أرسلوني به ‏.‏ فقالت سل أم سلمة ‏.‏ فخرجت إليهم فأخبرتهم بقولها فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني به إلى عائشة ‏.‏ فقالت أم سلمة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما ثم رأيته يصليهما أما حين صلاهما فإنه صلى العصر ثم دخل وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الجارية فقلت قومي بجنبه فقولي له تقول أم سلمة يا رسول الله إني أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين وأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري عنه - قال - ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال ‏ "‏ يا بنت أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني ناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان ‏"‏ ‏.

কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার ও মিস্‌ওয়ার ইবনু মাখরামাহ্‌ (রাঃ) প্রমুখ তাকে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তারা বললেন, তুমি তাকে ['আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-কে] আমাদের পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং 'আস্‌রের সলাতের পর দু' রাক'আত (নাফ্‌ল) সলাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, আপনি সে দু' রাক'আত আদায় করেন, অথচ আমরা জানতে পেরেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমিও 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-এর সাথে লোকজনকে এ সলাত থেকে বিরত রাখতাম। আবূ কুরায়ব (রাঃ) বলেন, তারা আমাকে যে বিষয়সহ পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁর ঘরে প্রবেশ করে তা তাকে পৌছে দিলাম। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস কর। আমি বের হয়ে তাদের নিকট এসে 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর কথা তাদেরকে অবহিত করলাম। অতঃপর তারা আমাকে যে বিষয়সহ 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠিয়েছিলেন, সেই একই বিষয়সহ উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সে সলাত আদায় করতে নিষেধ করতে শুনেছি, তা সত্ত্বেও পরে আমি তাকে তা আদায় করতে দেখেছি। তিনি যখন এ সলাত আদায় করেছেন তার বিবরণ এই যে, তিনি 'আস্‌রের সলাত আদায় করলেন, অতঃপর আমার নিকট প্রবেশ করলেন, তখন আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত বানূ হারাম-এর কতক মহিলা আমার নিকট উপস্থিত ছিল। তিনি দু' রাক'আত সলাত আদায় করলেন। আমি এক দাসীকে তাঁর নিকট পাঠিয়ে বললাম, তুমি গিয়ে তাঁর এক পাশে দাঁড়াবে, তারপর তাঁকে বলবে, উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল ! এ দু' রাক'আত সলাত আদায় করতে আপনি নিষেধ করেছেন তা আমি শুনেছি, আর এখন দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তাঁর জন্য অপেক্ষা করবে। বর্ণনাকারী বলেন, দাসী তাই করল। তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তাঁর জন্য অপেক্ষায় থাকে। তিনি সলাত থেকে অবসর হয়ে বলেনঃ হে আবূ উমাইয়্যাহ্‌-এর কন্যা ! তুমি 'আস্‌রের সলাতের পর দু' রাক'আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ। তার বিবরণ এই যে, 'আবদুল ক্বায়স গোত্রের কতক লোক স্বগোত্রের পক্ষ থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহনের উদ্দেশে আমার নিকট আসে। (তাদের নিয়ে) ব্যস্ত থাকার কারণে আমি যুহরের সলাতের পরবর্তী দু' রাক'আত সলাত আদায় করতে পারিনি। এ হ'ল সে দু' রাক'আত। (ই.ফা. ১৮০৩, ই.সে. ১৮১০)

কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

'আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার ও মিস্‌ওয়ার ইবনু মাখরামাহ্‌ (রাঃ) প্রমুখ তাকে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। তারা বললেন, তুমি তাকে ['আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-কে] আমাদের পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং 'আস্‌রের সলাতের পর দু' রাক'আত (নাফ্‌ল) সলাত আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, আপনি সে দু' রাক'আত আদায় করেন, অথচ আমরা জানতে পেরেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমিও 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-এর সাথে লোকজনকে এ সলাত থেকে বিরত রাখতাম। আবূ কুরায়ব (রাঃ) বলেন, তারা আমাকে যে বিষয়সহ পাঠিয়েছিলেন, আমি তাঁর ঘরে প্রবেশ করে তা তাকে পৌছে দিলাম। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস কর। আমি বের হয়ে তাদের নিকট এসে 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর কথা তাদেরকে অবহিত করলাম। অতঃপর তারা আমাকে যে বিষয়সহ 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠিয়েছিলেন, সেই একই বিষয়সহ উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সে সলাত আদায় করতে নিষেধ করতে শুনেছি, তা সত্ত্বেও পরে আমি তাকে তা আদায় করতে দেখেছি। তিনি যখন এ সলাত আদায় করেছেন তার বিবরণ এই যে, তিনি 'আস্‌রের সলাত আদায় করলেন, অতঃপর আমার নিকট প্রবেশ করলেন, তখন আনসার সম্প্রদায়ভুক্ত বানূ হারাম-এর কতক মহিলা আমার নিকট উপস্থিত ছিল। তিনি দু' রাক'আত সলাত আদায় করলেন। আমি এক দাসীকে তাঁর নিকট পাঠিয়ে বললাম, তুমি গিয়ে তাঁর এক পাশে দাঁড়াবে, তারপর তাঁকে বলবে, উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল ! এ দু' রাক'আত সলাত আদায় করতে আপনি নিষেধ করেছেন তা আমি শুনেছি, আর এখন দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তাঁর জন্য অপেক্ষা করবে। বর্ণনাকারী বলেন, দাসী তাই করল। তিনি তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করলে সে তাঁর জন্য অপেক্ষায় থাকে। তিনি সলাত থেকে অবসর হয়ে বলেনঃ হে আবূ উমাইয়্যাহ্‌-এর কন্যা ! তুমি 'আস্‌রের সলাতের পর দু' রাক'আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ। তার বিবরণ এই যে, 'আবদুল ক্বায়স গোত্রের কতক লোক স্বগোত্রের পক্ষ থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহনের উদ্দেশে আমার নিকট আসে। (তাদের নিয়ে) ব্যস্ত থাকার কারণে আমি যুহরের সলাতের পরবর্তী দু' রাক'আত সলাত আদায় করতে পারিনি। এ হ'ল সে দু' রাক'আত। (ই.ফা. ১৮০৩, ই.সে. ১৮১০)

حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن بكير، عن كريب، مولى ابن عباس أن عبد الله بن عباس، وعبد الرحمن، بن أزهر والمسور بن مخرمة أرسلوه إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وقل إنا أخبرنا أنك تصلينهما وقد بلغنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنهما ‏.‏ قال ابن عباس وكنت أصرف مع عمر بن الخطاب الناس عنها ‏.‏ قال كريب فدخلت عليها وبلغتها ما أرسلوني به ‏.‏ فقالت سل أم سلمة ‏.‏ فخرجت إليهم فأخبرتهم بقولها فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني به إلى عائشة ‏.‏ فقالت أم سلمة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما ثم رأيته يصليهما أما حين صلاهما فإنه صلى العصر ثم دخل وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الجارية فقلت قومي بجنبه فقولي له تقول أم سلمة يا رسول الله إني أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين وأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري عنه - قال - ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال ‏ "‏ يا بنت أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني ناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৮২২

وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن الأسود، ومسروق، قالا نشهد على عائشة أنها قالت ما كان يومه الذي كان يكون عندي إلا صلاهما رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي ‏.‏ تعني الركعتين بعد العصر ‏.

আসওয়াদ ও মাসরূক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা 'আয়িশাহ্ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পালার দিন আমার ঘরে অবস্থানকালে 'আস্র সলাতের পর দু' রাক'আত সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৮০৭, ই.সে. ১৮১৪)

আসওয়াদ ও মাসরূক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা 'আয়িশাহ্ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পালার দিন আমার ঘরে অবস্থানকালে 'আস্র সলাতের পর দু' রাক'আত সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৮০৭, ই.সে. ১৮১৪)

وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن الأسود، ومسروق، قالا نشهد على عائشة أنها قالت ما كان يومه الذي كان يكون عندي إلا صلاهما رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي ‏.‏ تعني الركعتين بعد العصر ‏.


সহিহ মুসলিম > মাগরিবের (ফার্‌য) সলাতের পূর্বক্ষণে দু' রাক'আত আদায় করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ১৮২৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب جميعا عن ابن فضيل، - قال أبو بكر حدثنا محمد بن فضيل، - عن مختار بن فلفل، قال سألت أنس بن مالك عن التطوع، بعد العصر فقال كان عمر يضرب الأيدي على صلاة بعد العصر وكنا نصلي على عهد النبي صلى الله عليه وسلم ركعتين بعد غروب الشمس قبل صلاة المغرب ‏.‏ فقلت له أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاهما قال كان يرانا نصليهما ‏.‏ فلم يأمرنا ولم ينهنا

মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর নিকট 'আস্‌র সলাতের পর দু' রাক'আত সলাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেন, 'উমার (রাঃ) 'আস্‌রের সলাতের পর সলাত আদায় করার অপরাধে লোকদের হাতে আঘাত করতেন। আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্যাস্তের পর মাগরিবের সলাতের পূর্বে দু' রাক'আত সলাত আদায় করতাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তা আদায় করতেন? তিনি বলেন, তিনি আমাদেরকে এ সলাত আদায় করতে দেখতেন, কিন্তু তিনি তা আদায় করতে আমাদের নির্দেশও দিতেন না এবং নিষেধও করতেন না। (ই.ফা. ১৮০৮, ই.সে. ১৮১৫)

মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর নিকট 'আস্‌র সলাতের পর দু' রাক'আত সলাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেন, 'উমার (রাঃ) 'আস্‌রের সলাতের পর সলাত আদায় করার অপরাধে লোকদের হাতে আঘাত করতেন। আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্যাস্তের পর মাগরিবের সলাতের পূর্বে দু' রাক'আত সলাত আদায় করতাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তা আদায় করতেন? তিনি বলেন, তিনি আমাদেরকে এ সলাত আদায় করতে দেখতেন, কিন্তু তিনি তা আদায় করতে আমাদের নির্দেশও দিতেন না এবং নিষেধও করতেন না। (ই.ফা. ১৮০৮, ই.সে. ১৮১৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب جميعا عن ابن فضيل، - قال أبو بكر حدثنا محمد بن فضيل، - عن مختار بن فلفل، قال سألت أنس بن مالك عن التطوع، بعد العصر فقال كان عمر يضرب الأيدي على صلاة بعد العصر وكنا نصلي على عهد النبي صلى الله عليه وسلم ركعتين بعد غروب الشمس قبل صلاة المغرب ‏.‏ فقلت له أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاهما قال كان يرانا نصليهما ‏.‏ فلم يأمرنا ولم ينهنا


সহিহ মুসলিম ১৮২৪

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس بن مالك، قال كنا بالمدينة فإذا أذن المؤذن لصلاة المغرب ابتدروا السواري فيركعون ركعتين ركعتين حتى إن الرجل الغريب ليدخل المسجد فيحسب أن الصلاة قد صليت من كثرة من يصليهما ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় ছিলাম। মুয়ায্‌যিন মাগরিবের সলাতের আযান দিলে তারা তাড়াহুড়া করে স্তম্ভের নিকট গিয়ে দু' রাক'আত সলাত আদায় করতেন। এমনকি কোন আগন্তুক মাসজিদে প্রবেশ করলে অধিক সংখ্যক সলাত আদায়কারীর কারণে মনে হ'ত যে, (ফারয্‌) সলাত শেষ হয়ে গেছে। (ই.ফা. ১৮০৯, ই.সে. ১৮১৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় ছিলাম। মুয়ায্‌যিন মাগরিবের সলাতের আযান দিলে তারা তাড়াহুড়া করে স্তম্ভের নিকট গিয়ে দু' রাক'আত সলাত আদায় করতেন। এমনকি কোন আগন্তুক মাসজিদে প্রবেশ করলে অধিক সংখ্যক সলাত আদায়কারীর কারণে মনে হ'ত যে, (ফারয্‌) সলাত শেষ হয়ে গেছে। (ই.ফা. ১৮০৯, ই.সে. ১৮১৬)

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس بن مالك، قال كنا بالمدينة فإذا أذن المؤذن لصلاة المغرب ابتدروا السواري فيركعون ركعتين ركعتين حتى إن الرجل الغريب ليدخل المسجد فيحسب أن الصلاة قد صليت من كثرة من يصليهما ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00