সহিহ মুসলিম > সূরাহ্‌ আল কাহ্‌ফ ও আয়াতুল কুরসীর ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ১৭৭০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، عن الجريري، عن أبي السليل، عن عبد الله بن رباح الأنصاري، عن أبى بن كعب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا المنذر أتدري أى آية من كتاب الله معك أعظم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ يا أبا المنذر أتدري أى آية من كتاب الله معك أعظم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله لا إله إلا هو الحى القيوم ‏.‏ قال فضرب في صدري وقال ‏"‏ والله ليهنك العلم أبا المنذر ‏"‏ ‏.

উবাই ইবনু কা’ব (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আবুল মুনযিরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে আবুল মুনযির! আল্লাহর কিতাবের কোন্‌ আয়াতটি তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? আবুল মুনযির বলেন, জবাবে আমি বললাম : এ বিষয়ে আল্লাহ ও আল্লাহর রসূলই সর্বাধিক অবগত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেনঃ হে আবুল মুনযির! আল্লাহর কিতাবের কোন্‌ আয়াতটি তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? তখন আমি বললাম, (আরবী) (এ আয়াতটি আমার কাছে বেশী গুরুত্বপূর্ণ)। এ কথা শুনে তিনি আমার বুকের উপর হাত মেরে বললেনঃ হে আবুল মুনযির! তোমার জ্ঞানকে স্বাগতম। (ই.ফা. ১৭৫৫, ই.সে. ১৭৬২)

উবাই ইবনু কা’ব (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন আবুল মুনযিরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে আবুল মুনযির! আল্লাহর কিতাবের কোন্‌ আয়াতটি তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? আবুল মুনযির বলেন, জবাবে আমি বললাম : এ বিষয়ে আল্লাহ ও আল্লাহর রসূলই সর্বাধিক অবগত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেনঃ হে আবুল মুনযির! আল্লাহর কিতাবের কোন্‌ আয়াতটি তোমার কাছে সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ? তখন আমি বললাম, (আরবী) (এ আয়াতটি আমার কাছে বেশী গুরুত্বপূর্ণ)। এ কথা শুনে তিনি আমার বুকের উপর হাত মেরে বললেনঃ হে আবুল মুনযির! তোমার জ্ঞানকে স্বাগতম। (ই.ফা. ১৭৫৫, ই.সে. ১৭৬২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، عن الجريري، عن أبي السليل، عن عبد الله بن رباح الأنصاري، عن أبى بن كعب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا المنذر أتدري أى آية من كتاب الله معك أعظم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ يا أبا المنذر أتدري أى آية من كتاب الله معك أعظم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله لا إله إلا هو الحى القيوم ‏.‏ قال فضرب في صدري وقال ‏"‏ والله ليهنك العلم أبا المنذر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৬৮

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن سالم، بن أبي الجعد الغطفاني عن معدان بن أبي طلحة اليعمري، عن أبي الدرداء، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من حفظ عشر آيات من أول سورة الكهف عصم من الدجال ‏"

আবুদ্‌ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা আল কাহ্‌ফ-এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্হ করবে সে দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে নিরাপদ থাকবে। (ই.ফা. ১৭৫৩, ই.সে. ১৭৬০)

আবুদ্‌ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা আল কাহ্‌ফ-এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্হ করবে সে দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে নিরাপদ থাকবে। (ই.ফা. ১৭৫৩, ই.সে. ১৭৬০)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن سالم، بن أبي الجعد الغطفاني عن معدان بن أبي طلحة اليعمري، عن أبي الدرداء، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من حفظ عشر آيات من أول سورة الكهف عصم من الدجال ‏"


সহিহ মুসলিম ১৭৬৯

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا همام، جميعا عن قتادة، بهذا الإسناد قال شعبة من آخر الكهف ‏.‏ وقال همام من أول الكهف كما قال هشام

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে বর্ণিত। তবে শু’বাহ্ (রহঃ) বলেছেন, সূরা আল কাহ্‌ফ-এর শেষ থেকে আর হাম্মাম বলেন, ‘সূরা আল কাহ্‌ফ-এর প্রথম থেকে’ যেমনটি বলেছেন হিশাম। (ই.ফা. ১৭৫৪, ই.সে. ১৭৬১)

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে বর্ণিত। তবে শু’বাহ্ (রহঃ) বলেছেন, সূরা আল কাহ্‌ফ-এর শেষ থেকে আর হাম্মাম বলেন, ‘সূরা আল কাহ্‌ফ-এর প্রথম থেকে’ যেমনটি বলেছেন হিশাম। (ই.ফা. ১৭৫৪, ই.সে. ১৭৬১)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا همام، جميعا عن قتادة، بهذا الإسناد قال شعبة من آخر الكهف ‏.‏ وقال همام من أول الكهف كما قال هشام


সহিহ মুসলিম > সূরাহ্‌ ইখলাস পাঠের ফাযীলাত (মর্যাদা)

সহিহ মুসলিম ১৭৭৩

وحدثني محمد بن حاتم، ويعقوب بن إبراهيم، جميعا عن يحيى، - قال ابن حاتم حدثنا يحيى بن سعيد، - حدثنا يزيد بن كيسان، حدثنا أبو حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احشدوا فإني سأقرأ عليكم ثلث القرآن ‏"‏ ‏.‏ فحشد من حشد ثم خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم فقرأ ‏{‏ قل هو الله أحد‏}‏ ثم دخل فقال بعضنا لبعض إني أرى هذا خبر جاءه من السماء فذاك الذي أدخله ‏.‏ ثم خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إني قلت لكم سأقرأ عليكم ثلث القرآن ألا إنها تعدل ثلث القرآن ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সবাইকে লক্ষ্য করে) বললেনঃ তোমরা এক জায়গায় জমায়েত হও। কারণ আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমাদেরকে কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশ পড়ে শুনাব। সুতরাং যাদের জমায়েত হওয়ার তারা জমায়েত হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে আসলেন এবং “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” সূরাটি পড়লেন। তারপর তিনি গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। তখন আমরা একে অপরকে বলতে থাকলাম, আমার মনে হয় আসমান থেকে কোন খবর এসেছে আর সে জন্যই তিনি ভিতরে প্রবেশ করেছেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এসে বললেনঃ আমি তোমাদের বলেছিলাম যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি তোমাদেরকে কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশ পাঠ করে শোনাব। জেনে রাখ এটি (সূরা ইখলাস) কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশের সমান। (ই.ফা. ১৭৫৮, ই.সে. ১৭৬৫)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সবাইকে লক্ষ্য করে) বললেনঃ তোমরা এক জায়গায় জমায়েত হও। কারণ আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমাদেরকে কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশ পড়ে শুনাব। সুতরাং যাদের জমায়েত হওয়ার তারা জমায়েত হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে আসলেন এবং “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” সূরাটি পড়লেন। তারপর তিনি গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন। তখন আমরা একে অপরকে বলতে থাকলাম, আমার মনে হয় আসমান থেকে কোন খবর এসেছে আর সে জন্যই তিনি ভিতরে প্রবেশ করেছেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এসে বললেনঃ আমি তোমাদের বলেছিলাম যে, কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি তোমাদেরকে কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশ পাঠ করে শোনাব। জেনে রাখ এটি (সূরা ইখলাস) কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশের সমান। (ই.ফা. ১৭৫৮, ই.সে. ১৭৬৫)

وحدثني محمد بن حاتم، ويعقوب بن إبراهيم، جميعا عن يحيى، - قال ابن حاتم حدثنا يحيى بن سعيد، - حدثنا يزيد بن كيسان، حدثنا أبو حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احشدوا فإني سأقرأ عليكم ثلث القرآن ‏"‏ ‏.‏ فحشد من حشد ثم خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم فقرأ ‏{‏ قل هو الله أحد‏}‏ ثم دخل فقال بعضنا لبعض إني أرى هذا خبر جاءه من السماء فذاك الذي أدخله ‏.‏ ثم خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إني قلت لكم سأقرأ عليكم ثلث القرآن ألا إنها تعدل ثلث القرآن ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭১

وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن بشار، قال زهير حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، عن قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أيعجز أحدكم أن يقرأ في ليلة ثلث القرآن ‏" قالوا : وكيف يقرأ ثلث القرآن ؟ قال : " قل هو الله أحد تعدل ثلث القرآن " ‏.

আবূদ্‌ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

(একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ পাঠ করতে সক্ষম? সবাই জিজ্ঞেস করলেন, এক রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ কীভাবে পড়ব? তিনি বললেনঃ “ কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” সূরাটি কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশের সমান। (ই.ফা. ১৭৫৬, ই.সে. ১৭৬৩)

আবূদ্‌ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

(একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ পাঠ করতে সক্ষম? সবাই জিজ্ঞেস করলেন, এক রাতে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ কীভাবে পড়ব? তিনি বললেনঃ “ কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” সূরাটি কুরআন মাজীদের এক তৃতীয়াংশের সমান। (ই.ফা. ১৭৫৬, ই.সে. ১৭৬৩)

وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن بشار، قال زهير حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، عن قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ أيعجز أحدكم أن يقرأ في ليلة ثلث القرآن ‏" قالوا : وكيف يقرأ ثلث القرآن ؟ قال : " قل هو الله أحد تعدل ثلث القرآن " ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭৪

وحدثنا واصل بن عبد الأعلى، حدثنا ابن فضيل، عن بشير أبي إسماعيل، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أقرأ عليكم ثلث القرآن ‏"‏ ‏.‏ فقرأ ‏{‏ قل هو الله أحد * الله الصمد‏}‏ حتى ختمها ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বললেন ; আমি তোমাদেরকে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ে শুনাচ্ছি। তারপর তিনি "কুল হওয়াল্ল-হু আহাদ, আল্ল-হুস সামাদ" সূরাটি শেষ পর্যন্ত পড়ে শোনালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৫৯, ইসলামীক সেন্টার ১৭৬৬)।

আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বললেন ; আমি তোমাদেরকে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়ে শুনাচ্ছি। তারপর তিনি "কুল হওয়াল্ল-হু আহাদ, আল্ল-হুস সামাদ" সূরাটি শেষ পর্যন্ত পড়ে শোনালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৫৯, ইসলামীক সেন্টার ১৭৬৬)।

وحدثنا واصل بن عبد الأعلى، حدثنا ابن فضيل، عن بشير أبي إسماعيل، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أقرأ عليكم ثلث القرآن ‏"‏ ‏.‏ فقرأ ‏{‏ قل هو الله أحد * الله الصمد‏}‏ حتى ختمها ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭২

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا أبان العطار، جميعا عن قتادة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهما من قول النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله جزأ القرآن ثلاثة أجزاء فجعل قل هو الله أحد جزءا من أجزاء القرآن ‏"‏ ‏.

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথার এ অংশটুকু উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা সমগ্র কুরআন মাজীদকে তিনটি অংশে ভাগ করেছেন আর “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরাহ্ আল ইখলাস)-কে একটি অংশ বলে নির্দিষ্ট করেছেন। (ই.ফা. ১৭৫৭, ই.সে. ১৭৬৪)

ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথার এ অংশটুকু উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা সমগ্র কুরআন মাজীদকে তিনটি অংশে ভাগ করেছেন আর “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরাহ্ আল ইখলাস)-কে একটি অংশ বলে নির্দিষ্ট করেছেন। (ই.ফা. ১৭৫৭, ই.সে. ১৭৬৪)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا أبان العطار، جميعا عن قتادة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهما من قول النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله جزأ القرآن ثلاثة أجزاء فجعل قل هو الله أحد جزءا من أجزاء القرآن ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭৫

حدثنا أحمد بن عبد الرحمن بن وهب، حدثنا عمي عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، عن سعيد بن أبي هلال، أن أبا الرجال، محمد بن عبد الرحمن حدثه عن أمه، عمرة بنت عبد الرحمن وكانت في حجر عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث رجلا على سرية وكان يقرأ لأصحابه في صلاتهم فيختم بـ ‏{‏ قل هو الله أحد‏}‏ فلما رجعوا ذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ سلوه لأى شىء يصنع ذلك ‏"‏ ‏.‏ فسألوه فقال لأنها صفة الرحمن فأنا أحب أن أقرأ بها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أخبروه أن الله يحبه

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে জনৈক ব্যক্তিকে সেনাদলের নেতা করে পাঠালেন। সে সলাতে তার অনুসারীদের ইমামাত করতে গিয়ে কুরআন পড়ত এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রেই “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরাহ্ ইখলাস) পড়ে শেষ করত। সেনাদল ফিরে আসলে তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি বললেন। তিনি বললেনঃ জিজ্ঞেস কর যে, সে কেন এরূপ করে থাকে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলল, যেহেতু এ সূরাতে মহান দয়ালু আল্লাহর গুণাবলী উল্লেখ আছে, তাই ঐ সূরাটি পাঠ করতে ভালবাসি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তাকে ভালবাসেন। (ই.ফা. ১৭৬০, ই.সে. ১৭৬৭)

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে জনৈক ব্যক্তিকে সেনাদলের নেতা করে পাঠালেন। সে সলাতে তার অনুসারীদের ইমামাত করতে গিয়ে কুরআন পড়ত এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রেই “কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ” (সূরাহ্ ইখলাস) পড়ে শেষ করত। সেনাদল ফিরে আসলে তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি বললেন। তিনি বললেনঃ জিজ্ঞেস কর যে, সে কেন এরূপ করে থাকে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলল, যেহেতু এ সূরাতে মহান দয়ালু আল্লাহর গুণাবলী উল্লেখ আছে, তাই ঐ সূরাটি পাঠ করতে ভালবাসি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তাকে ভালবাসেন। (ই.ফা. ১৭৬০, ই.সে. ১৭৬৭)

حدثنا أحمد بن عبد الرحمن بن وهب، حدثنا عمي عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، عن سعيد بن أبي هلال، أن أبا الرجال، محمد بن عبد الرحمن حدثه عن أمه، عمرة بنت عبد الرحمن وكانت في حجر عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث رجلا على سرية وكان يقرأ لأصحابه في صلاتهم فيختم بـ ‏{‏ قل هو الله أحد‏}‏ فلما رجعوا ذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ سلوه لأى شىء يصنع ذلك ‏"‏ ‏.‏ فسألوه فقال لأنها صفة الرحمن فأنا أحب أن أقرأ بها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أخبروه أن الله يحبه


সহিহ মুসলিম > মু’আব্‌বিযাতায়ন (সূরা আল ফালাক্ব ও সূরাহ্‌ আন্‌ নাস) পাঠের ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ১৭৭৬

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن بيان، عن قيس بن أبي حازم، عن عقبة بن عامر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألم تر آيات أنزلت الليلة لم ير مثلهن قط ‏{‏ قل أعوذ برب الفلق‏}‏ و ‏{‏ قل أعوذ برب الناس‏}‏ ‏"‏ ‏.

উক্ববাহ্‌ ইবনু 'আমির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ আজ রাতে যে আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলোর মতো আর কখনো দেখা যায়নি। সেগুলো হ’ল- “কুল আ’উযু বিরব্বিল ফালাক্ব” (সূরাহ্‌ আল ফালাক্ব) এবং “কুল আ’ঊযু বিরব্বিন্‌ না-স” (সূরাহ্‌ আন্‌ না-স)-এর আয়াত। (ই.ফা. ১৭৬১, ই.সে. ১৭৬৮)

উক্ববাহ্‌ ইবনু 'আমির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ আজ রাতে যে আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলোর মতো আর কখনো দেখা যায়নি। সেগুলো হ’ল- “কুল আ’উযু বিরব্বিল ফালাক্ব” (সূরাহ্‌ আল ফালাক্ব) এবং “কুল আ’ঊযু বিরব্বিন্‌ না-স” (সূরাহ্‌ আন্‌ না-স)-এর আয়াত। (ই.ফা. ১৭৬১, ই.সে. ১৭৬৮)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن بيان، عن قيس بن أبي حازم، عن عقبة بن عامر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألم تر آيات أنزلت الليلة لم ير مثلهن قط ‏{‏ قل أعوذ برب الفلق‏}‏ و ‏{‏ قل أعوذ برب الناس‏}‏ ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭৭

وحدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا إسماعيل، عن قيس، عن عقبة بن عامر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنزل - أو أنزلت - على آيات لم ير مثلهن قط المعوذتين ‏"‏ ‏.

'উকবাহ্‌ ইবনু 'আমির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদিন) আমাকে বললেনঃ আমার প্রতি এমন কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ করা হয়েছে যার অনুরূপ আর কখনো দেখা যায়নি। আর সেগুলো হ’ল মু’আব্‌বিযাতায়ন বা সূরাহ্‌ আল ফালাক্ব ও সূরাহ্‌ আন্‌ না-স এর আয়াতসমূহ। (ই.ফা. ১৭৬২, ই.সে. ১৭৬৯)

'উকবাহ্‌ ইবনু 'আমির (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদিন) আমাকে বললেনঃ আমার প্রতি এমন কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ করা হয়েছে যার অনুরূপ আর কখনো দেখা যায়নি। আর সেগুলো হ’ল মু’আব্‌বিযাতায়ন বা সূরাহ্‌ আল ফালাক্ব ও সূরাহ্‌ আন্‌ না-স এর আয়াতসমূহ। (ই.ফা. ১৭৬২, ই.সে. ১৭৬৯)

وحدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا إسماعيل، عن قيس، عن عقبة بن عامر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنزل - أو أنزلت - على آيات لم ير مثلهن قط المعوذتين ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭৮

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو أسامة، كلاهما عن إسماعيل، بهذا الإسناد مثله ‏.‏ وفي رواية أبي أسامة عن عقبة، بن عامر الجهني وكان من رفعاء أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم ‏.

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... উভয়ে ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ উসামার 'উক্ববাহ্ ইবনু 'আমির আল জুহানী থেকে এবং তিনি ছিলেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মানিত সাহাবীগণের অন্যতম। (ই.ফা. ১৭৬৩, ই.সে. ১৭৭০)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... উভয়ে ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ উসামার 'উক্ববাহ্ ইবনু 'আমির আল জুহানী থেকে এবং তিনি ছিলেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মানিত সাহাবীগণের অন্যতম। (ই.ফা. ১৭৬৩, ই.সে. ১৭৭০)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو أسامة، كلاهما عن إسماعيل، بهذا الإسناد مثله ‏.‏ وفي رواية أبي أسامة عن عقبة، بن عامر الجهني وكان من رفعاء أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম > কুরআন অধ্যয়ন ও শিক্ষায় নিমগ্ন ব্যক্তির ফাযীলাত এবং যে ব্যক্তি ফিক্‌হ ইত্যাদির সূক্ষ্মজ্ঞান আহরণ করে তদনুসারে (নেক) 'আমাল করে ও শিক্ষা দেয় তার ফাযীলাত

সহিহ মুসলিম ১৭৮০

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني سالم بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حسد إلا على اثنتين رجل آتاه الله هذا الكتاب فقام به آناء الليل وآناء النهار ورجل آتاه الله مالا فتصدق به آناء الليل وآناء النهار ‏"‏ ‏.

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ জায়িয নয়। একটি হ’ল-যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা এ কিতাবের (কুরআনের) জ্ঞান দিয়েছেন এবং সে তদনুযায়ী দিন-রাত 'আমাল করে; এ ক্ষেত্রে ঈর্ষা পোষণ করার অর্থ তার চেয়ে বেশী করার (জ্ঞান আহরণের) চেষ্টা করা। আর অপরটি হ’ল- যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন আর সে রাত-দিন তা থেকে সদাক্বাহ্‌ করে (এ ব্যক্তির সাথে এ অর্থে ঈর্ষা পোষণ করা যে, তার চেয়ে বেশী দান করবে)। (ই.ফা. ১৭৬৫, ই.সে. ১৭৭২)

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ জায়িয নয়। একটি হ’ল-যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা এ কিতাবের (কুরআনের) জ্ঞান দিয়েছেন এবং সে তদনুযায়ী দিন-রাত 'আমাল করে; এ ক্ষেত্রে ঈর্ষা পোষণ করার অর্থ তার চেয়ে বেশী করার (জ্ঞান আহরণের) চেষ্টা করা। আর অপরটি হ’ল- যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন আর সে রাত-দিন তা থেকে সদাক্বাহ্‌ করে (এ ব্যক্তির সাথে এ অর্থে ঈর্ষা পোষণ করা যে, তার চেয়ে বেশী দান করবে)। (ই.ফা. ১৭৬৫, ই.সে. ১৭৭২)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني سالم بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حسد إلا على اثنتين رجل آتاه الله هذا الكتاب فقام به آناء الليل وآناء النهار ورجل آتاه الله مالا فتصدق به آناء الليل وآناء النهار ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৮৩

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، وأبو بكر بن إسحاق قالا أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني عامر بن واثلة الليثي، أن نافع بن، عبد الحارث الخزاعي لقي عمر بن الخطاب بعسفان ‏.‏ بمثل حديث إبراهيم بن سعد عن الزهري، ‏.

'আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্‌ আল লায়সী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাফি' ইবনু আবদুল হারিস আল খুযা’ঈ (রাঃ) 'উসফান নামক স্থানে 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাবের সাথে সাক্ষাৎ করলেন ..... এভাবে তিনি যুহরী থেকে ইব্‌রাহীম ইবনু সা’দ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৭৬৮, ই.সে. ১৭৭৫)

'আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্‌ আল লায়সী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাফি' ইবনু আবদুল হারিস আল খুযা’ঈ (রাঃ) 'উসফান নামক স্থানে 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাবের সাথে সাক্ষাৎ করলেন ..... এভাবে তিনি যুহরী থেকে ইব্‌রাহীম ইবনু সা’দ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৭৬৮, ই.সে. ১৭৭৫)

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، وأبو بكر بن إسحاق قالا أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني عامر بن واثلة الليثي، أن نافع بن، عبد الحارث الخزاعي لقي عمر بن الخطاب بعسفان ‏.‏ بمثل حديث إبراهيم بن سعد عن الزهري، ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৮১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن إسماعيل، عن قيس، قال قال عبد الله بن مسعود ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ومحمد بن بشر، قالا حدثنا إسماعيل، عن قيس، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله مالا فسلطه على هلكته في الحق ورجل آتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها ‏"‏ ‏.

'আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’ প্রকারের লোক ছাড়া কারো সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। এক প্রকারের লোক হ’ল- যাকে আল্লাহ অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন এবং হাক্ব পথে তা ব্যয় করার তাওফীক্ব তাকে দিয়েছেন। আর অন্য ব্যক্তি হ’ল যাকে আল্লাহ তা’আলা ‘হিক্বমাহ্‌’ বা সঠিক জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী কাজ করে এবং তা অন্যদের শিক্ষা দেয়। (ই.ফা. ১৭৬৬, ই.সে ১৭৭৩)

'আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’ প্রকারের লোক ছাড়া কারো সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। এক প্রকারের লোক হ’ল- যাকে আল্লাহ অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন এবং হাক্ব পথে তা ব্যয় করার তাওফীক্ব তাকে দিয়েছেন। আর অন্য ব্যক্তি হ’ল যাকে আল্লাহ তা’আলা ‘হিক্বমাহ্‌’ বা সঠিক জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী কাজ করে এবং তা অন্যদের শিক্ষা দেয়। (ই.ফা. ১৭৬৬, ই.সে ১৭৭৩)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن إسماعيل، عن قيس، قال قال عبد الله بن مسعود ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ومحمد بن بشر، قالا حدثنا إسماعيل، عن قيس، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله مالا فسلطه على هلكته في الحق ورجل آتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৭৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، كلهم عن ابن عيينة، - قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، - حدثنا الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا حسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله القرآن فهو يقوم به آناء الليل وآناء النهار ورجل آتاه الله مالا فهو ينفقه آناء الليل وآناء النهار ‏"‏ ‏.

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। একটি হ’ল- এমন ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ কুরআনের জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী রাত-দিন 'আমাল করে। আরেক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন। সে রাত-দিন তা (আল্লাহর পথে) খরচ করে। (এ দু’ ব্যক্তির সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায়। অর্থাৎ এদের সাথে 'আমাল ও দানের ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যে অনুকূল 'ইল্‌ম ও মালের আকাঙ্ক্ষা করা যায়। তবে ঐ ব্যক্তির 'ইল্‌ম বিলুপ্ত হয়ে যাক কিংবা ঐ মালদারের মাল ধ্বংস হয়ে যাক- এরূপ কামনা করা যাবে না।) [৩৮] (ই.ফা. ১৭৬৪, ই.সে. ১৭৭১)

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। একটি হ’ল- এমন ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ কুরআনের জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী রাত-দিন 'আমাল করে। আরেক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন। সে রাত-দিন তা (আল্লাহর পথে) খরচ করে। (এ দু’ ব্যক্তির সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায়। অর্থাৎ এদের সাথে 'আমাল ও দানের ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্যে অনুকূল 'ইল্‌ম ও মালের আকাঙ্ক্ষা করা যায়। তবে ঐ ব্যক্তির 'ইল্‌ম বিলুপ্ত হয়ে যাক কিংবা ঐ মালদারের মাল ধ্বংস হয়ে যাক- এরূপ কামনা করা যাবে না।) [৩৮] (ই.ফা. ১৭৬৪, ই.সে. ১৭৭১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، كلهم عن ابن عيينة، - قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، - حدثنا الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا حسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله القرآن فهو يقوم به آناء الليل وآناء النهار ورجل آتاه الله مالا فهو ينفقه آناء الليل وآناء النهار ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭৮২

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثني أبي، عن ابن شهاب، عن عامر بن واثلة، أن نافع بن عبد الحارث، لقي عمر بعسفان وكان عمر يستعمله على مكة فقال من استعملت على أهل الوادي فقال ابن أبزى ‏.‏ قال ومن ابن أبزى قال مولى من موالينا ‏.‏ قال فاستخلفت عليهم مولى قال إنه قارئ لكتاب الله عز وجل وإنه عالم بالفرائض ‏.‏ قال عمر أما إن نبيكم صلى الله عليه وسلم قد قال ‏ "‏ إن الله يرفع بهذا الكتاب أقواما ويضع به آخرين ‏"‏ ‏.

'আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাফি ইবনু 'আবদুল হারিস (রাঃ) 'উসফান নামক স্থানে 'উমার (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। 'উমার (রাঃ) তাকে মাক্কায় (রাজস্ব আদায়কারী) নিয়োগ করলেন। অতঃপর তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : তুমি প্রান্তরবাসীদের জন্য কাকে কাজে নিয়োগ করেছ? সে বলল- ইবনু আব্‌যা-কে। 'উমার (রাঃ) বললেন, ইবনু আব্‌যা কে? সে (নাফি) বলল, আমাদের আযাদকৃত ক্রীতদাসের একজন। উমার (রাঃ) বললেন, তুমি একজন ক্রীতদাসকে তাদের জন্য তোমার স্থলাভিষিক্ত নিয়োগ করেছ? নাফি বললেন- সে (ক্রীতদাসটি) মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর কিতাবের একজন ভাল ক্বারী বা 'আলিম। আর সে ফারায়িয শাস্ত্রেও অভিজ্ঞ। তখন 'উমার (রাঃ) বললেনঃ তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা এ কিতাব দ্বারা অনেক জাতিকে মর্যাদায় উন্নীত করেন আর অন্যদের অবনত করেন। অর্থাৎ যারা এ কিতাদের অনুসারী হবে তারা দুনিয়ায় মর্যাদাবান এবং আখিরাতে জান্নাত লাভ করবে। আর যারা একে অস্বীকার করবে তারা দুনিয়ায় লাঞ্ছিত ও পরকালে জাহান্নামে পতিত হবে। (ই.ফা. ১৭৬৭, ই.সে. ১৭৭৪)

'আমির ইবনু ওয়াসিলাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাফি ইবনু 'আবদুল হারিস (রাঃ) 'উসফান নামক স্থানে 'উমার (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। 'উমার (রাঃ) তাকে মাক্কায় (রাজস্ব আদায়কারী) নিয়োগ করলেন। অতঃপর তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : তুমি প্রান্তরবাসীদের জন্য কাকে কাজে নিয়োগ করেছ? সে বলল- ইবনু আব্‌যা-কে। 'উমার (রাঃ) বললেন, ইবনু আব্‌যা কে? সে (নাফি) বলল, আমাদের আযাদকৃত ক্রীতদাসের একজন। উমার (রাঃ) বললেন, তুমি একজন ক্রীতদাসকে তাদের জন্য তোমার স্থলাভিষিক্ত নিয়োগ করেছ? নাফি বললেন- সে (ক্রীতদাসটি) মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর কিতাবের একজন ভাল ক্বারী বা 'আলিম। আর সে ফারায়িয শাস্ত্রেও অভিজ্ঞ। তখন 'উমার (রাঃ) বললেনঃ তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা এ কিতাব দ্বারা অনেক জাতিকে মর্যাদায় উন্নীত করেন আর অন্যদের অবনত করেন। অর্থাৎ যারা এ কিতাদের অনুসারী হবে তারা দুনিয়ায় মর্যাদাবান এবং আখিরাতে জান্নাত লাভ করবে। আর যারা একে অস্বীকার করবে তারা দুনিয়ায় লাঞ্ছিত ও পরকালে জাহান্নামে পতিত হবে। (ই.ফা. ১৭৬৭, ই.সে. ১৭৭৪)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثني أبي، عن ابن شهاب، عن عامر بن واثلة، أن نافع بن عبد الحارث، لقي عمر بعسفان وكان عمر يستعمله على مكة فقال من استعملت على أهل الوادي فقال ابن أبزى ‏.‏ قال ومن ابن أبزى قال مولى من موالينا ‏.‏ قال فاستخلفت عليهم مولى قال إنه قارئ لكتاب الله عز وجل وإنه عالم بالفرائض ‏.‏ قال عمر أما إن نبيكم صلى الله عليه وسلم قد قال ‏ "‏ إن الله يرفع بهذا الكتاب أقواما ويضع به آخرين ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00