সহিহ মুসলিম > রাতের সালাতে ক্বিরাআত দীর্ঘ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ১৭০০

وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن جرير، - قال عثمان حدثنا جرير، - عن الأعمش، عن أبي وائل، قال قال عبد الله صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأطال حتى هممت بأمر سوء قال قيل وما هممت به قال هممت أن أجلس وأدعه ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সলাত আদায় করলাম। এ সালাতে তিনি ক্বিরআত এত দীর্ঘায়িত করলেন যে, আমি একটি মন্দ ইচ্ছা করে বসলাম। আবূ ওয়ায়িল বলেছেনঃ তাঁকে (‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদকে ) জিঞ্জেস করা হ’ল, আপনি কী ধরণের মন্দ ইচ্ছা করেছিলেন? জবাবে তিনি বললেনঃ আমি বসে পড়ার এবং তাঁর পিছনে এ সলাত পরিত্যাগ করার ইচ্ছা করেছিলাম। ( ই.ফা. ১৬৮৫, ই.সে. ১৬৯২)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সলাত আদায় করলাম। এ সালাতে তিনি ক্বিরআত এত দীর্ঘায়িত করলেন যে, আমি একটি মন্দ ইচ্ছা করে বসলাম। আবূ ওয়ায়িল বলেছেনঃ তাঁকে (‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদকে ) জিঞ্জেস করা হ’ল, আপনি কী ধরণের মন্দ ইচ্ছা করেছিলেন? জবাবে তিনি বললেনঃ আমি বসে পড়ার এবং তাঁর পিছনে এ সলাত পরিত্যাগ করার ইচ্ছা করেছিলাম। ( ই.ফা. ১৬৮৫, ই.সে. ১৬৯২)

وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن جرير، - قال عثمان حدثنا جرير، - عن الأعمش، عن أبي وائل، قال قال عبد الله صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأطال حتى هممت بأمر سوء قال قيل وما هممت به قال هممت أن أجلس وأدعه ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৯৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو معاوية ح وحدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، كلهم عن الأعمش، ح وحدثنا ابن، نمير - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن المستورد بن الأحنف، عن صلة بن زفر، عن حذيفة، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فافتتح البقرة فقلت يركع عند المائة ‏.‏ ثم مضى فقلت يصلي بها في ركعة فمضى فقلت يركع بها ‏.‏ ثم افتتح النساء فقرأها ثم افتتح آل عمران فقرأها يقرأ مترسلا إذا مر بآية فيها تسبيح سبح وإذا مر بسؤال سأل وإذا مر بتعوذ تعوذ ثم ركع فجعل يقول ‏"‏ سبحان ربي العظيم ‏"‏ ‏.‏ فكان ركوعه نحوا من قيامه ثم قال ‏"‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ ثم قام طويلا قريبا مما ركع ثم سجد فقال ‏"‏ سبحان ربي الأعلى ‏"‏ ‏.‏ فكان سجوده قريبا من قيامه ‏.‏ قال وفي حديث جرير من الزيادة فقال ‏"‏ سمع الله لمن حمده ربنا لك الحمد"‏ ‏.‏

হুযায়ফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে তাহাজ্জুদের সলাত আদায় করলাম। তিনি সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ পড়তে শুরু করলে আমি ভাবলাম তিনি হয়ত একশ আয়াত পড়ে রুকু’ করবেন। কিন্তু এর পরেও তিনি পড়ে চললেন। তখন আমি চিন্তা করলাম। তিনি এর (সূরা আল বাক্বারাহ্‌ ) দ্বারা পুরা দু’ রাকাত পড়ে সালাম ফিরাবেন। কিন্তু তিনি এরপরেও পড়তে থাকলে আমি ভাবলাম সূরাটি শেষ করে তিনি রুকু করবেন। কিন্তু এরপর তিনি সূরাহ নিসা পড়তে শুরু করলেন এবং তা পাঠ করলেন, অতঃপর তিনি সুরাহ্‌ আ-লি ‘ইমরান শুরু করলেন এবং তা পাঠ করলেন। তিনি থেমে থেমে ধীরে ধীরে পড়ছিলেন এবং তাসবীর আয়াত আসলে তাসবীহ পড়ছিলেন আর কিছু চাওয়ার আয়াত আসলে চাইলেন। যখন আশ্রয় প্রার্থনা করার কোন আয়াত পড়ছিলেন তখন প্রার্থনা করছিলেন। অতঃপর তিনি রুকু’ করলেন। রুকু’তে তিনি বলতে থাকলেন, “সুবহা-না রাব্বিয়াল ‘আযীম” (আমার মহান প্রভূ পবিত্র, আমি তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি)। তাঁর রুকু’ ক্বিয়ামের মতই দীর্ঘ ছিল। এরপর “সামি আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” (আল্লাহ শুনে থাকেন যে তাঁর প্রশংসা করে) বললেনঃ এরপর যতক্ষন সময় রুকু’ করেছিলেন প্রায় ততক্ষণ সময় পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। এরপর সাজদাহ্‌ করলেন। সাজদাতে তিনি বললেন, “সুবহা-না রাব্বিয়াল আ’লা” (মহান সুউচ্চ সত্তা আমার প্রভূ পবিত্র, আমি তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি)। তাঁর এ সাজদায়ও প্রায় ক্বিয়ামের সময়ের মতো দীর্ঘায়িত হলো। হাদীসটির বর্ণনা কারী বলেন যে, জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু কথা অধিক আছেঃ তিনি [রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু’ থেকে উঠে] বললেন, “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- লাকাল হাম্‌দ” ( আল্লাহ শুনেন যে ব্যক্তি তাঁর প্রশংসা করে। হে আমাদের প্রতিপালক, তোমার জন্যই সব প্রশংসা)। ( ই.ফা. ১৬৮৪, ই.সে. ১৬৯১)

হুযায়ফাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে তাহাজ্জুদের সলাত আদায় করলাম। তিনি সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ পড়তে শুরু করলে আমি ভাবলাম তিনি হয়ত একশ আয়াত পড়ে রুকু’ করবেন। কিন্তু এর পরেও তিনি পড়ে চললেন। তখন আমি চিন্তা করলাম। তিনি এর (সূরা আল বাক্বারাহ্‌ ) দ্বারা পুরা দু’ রাকাত পড়ে সালাম ফিরাবেন। কিন্তু তিনি এরপরেও পড়তে থাকলে আমি ভাবলাম সূরাটি শেষ করে তিনি রুকু করবেন। কিন্তু এরপর তিনি সূরাহ নিসা পড়তে শুরু করলেন এবং তা পাঠ করলেন, অতঃপর তিনি সুরাহ্‌ আ-লি ‘ইমরান শুরু করলেন এবং তা পাঠ করলেন। তিনি থেমে থেমে ধীরে ধীরে পড়ছিলেন এবং তাসবীর আয়াত আসলে তাসবীহ পড়ছিলেন আর কিছু চাওয়ার আয়াত আসলে চাইলেন। যখন আশ্রয় প্রার্থনা করার কোন আয়াত পড়ছিলেন তখন প্রার্থনা করছিলেন। অতঃপর তিনি রুকু’ করলেন। রুকু’তে তিনি বলতে থাকলেন, “সুবহা-না রাব্বিয়াল ‘আযীম” (আমার মহান প্রভূ পবিত্র, আমি তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি)। তাঁর রুকু’ ক্বিয়ামের মতই দীর্ঘ ছিল। এরপর “সামি আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” (আল্লাহ শুনে থাকেন যে তাঁর প্রশংসা করে) বললেনঃ এরপর যতক্ষন সময় রুকু’ করেছিলেন প্রায় ততক্ষণ সময় পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। এরপর সাজদাহ্‌ করলেন। সাজদাতে তিনি বললেন, “সুবহা-না রাব্বিয়াল আ’লা” (মহান সুউচ্চ সত্তা আমার প্রভূ পবিত্র, আমি তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি)। তাঁর এ সাজদায়ও প্রায় ক্বিয়ামের সময়ের মতো দীর্ঘায়িত হলো। হাদীসটির বর্ণনা কারী বলেন যে, জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু কথা অধিক আছেঃ তিনি [রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু’ থেকে উঠে] বললেন, “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- লাকাল হাম্‌দ” ( আল্লাহ শুনেন যে ব্যক্তি তাঁর প্রশংসা করে। হে আমাদের প্রতিপালক, তোমার জন্যই সব প্রশংসা)। ( ই.ফা. ১৬৮৪, ই.সে. ১৬৯১)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو معاوية ح وحدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، كلهم عن الأعمش، ح وحدثنا ابن، نمير - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن المستورد بن الأحنف، عن صلة بن زفر، عن حذيفة، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فافتتح البقرة فقلت يركع عند المائة ‏.‏ ثم مضى فقلت يصلي بها في ركعة فمضى فقلت يركع بها ‏.‏ ثم افتتح النساء فقرأها ثم افتتح آل عمران فقرأها يقرأ مترسلا إذا مر بآية فيها تسبيح سبح وإذا مر بسؤال سأل وإذا مر بتعوذ تعوذ ثم ركع فجعل يقول ‏"‏ سبحان ربي العظيم ‏"‏ ‏.‏ فكان ركوعه نحوا من قيامه ثم قال ‏"‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ ثم قام طويلا قريبا مما ركع ثم سجد فقال ‏"‏ سبحان ربي الأعلى ‏"‏ ‏.‏ فكان سجوده قريبا من قيامه ‏.‏ قال وفي حديث جرير من الزيادة فقال ‏"‏ سمع الله لمن حمده ربنا لك الحمد"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৭০১

وحدثناه إسماعيل بن الخليل، وسويد بن سعيد، عن علي بن مسهر، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৬৮৬, ই.সে. ১৬৯৩)

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৬৮৬, ই.সে. ১৬৯৩)

وحدثناه إسماعيل بن الخليل، وسويد بن سعيد، عن علي بن مسهر، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি রাত্র ঘুমিয়ে সকাল করল তার প্রসঙ্গে আলোচনা ।

সহিহ মুসলিম ১৭০২

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق، قال عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال ذكر عند رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل نام ليلة حتى أصبح قال ‏"‏ ذاك رجل بال الشيطان في أذنيه ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ في أذنه ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে বলা হ’ল যে, সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায় (অর্থাৎ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে না ) এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ ঐ লোকটি এমন যার কানে শাইত্বন পেশাব করে দিয়েছে অথবা বলেছেন, দু’ কানে।[৩৫] ( ই.ফা. ১৬৮৭, ই.সে.১৬৯৮)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে বলা হ’ল যে, সে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায় (অর্থাৎ রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ে না ) এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ ঐ লোকটি এমন যার কানে শাইত্বন পেশাব করে দিয়েছে অথবা বলেছেন, দু’ কানে।[৩৫] ( ই.ফা. ১৬৮৭, ই.সে.১৬৯৮)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق، قال عثمان حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال ذكر عند رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل نام ليلة حتى أصبح قال ‏"‏ ذاك رجل بال الشيطان في أذنيه ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ في أذنه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭০৩

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، عن علي بن حسين، أن الحسين بن علي، حدثه عن علي بن أبي طالب، أن النبي صلى الله عليه وسلم طرقه وفاطمة فقال ‏"‏ ألا تصلون ‏"‏ ‏.‏ فقلت يا رسول الله إنما أنفسنا بيد الله فإذا شاء أن يبعثنا بعثنا ‏.‏ فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قلت له ذلك ثم سمعته وهو مدبر يضرب فخذه ويقول ‏"‏ وكان الإنسان أكثر شىء جدلا ‏"‏ ‏.

‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন রাতের বেলা তাঁর ও ফাত্বিমাহ্‌ (রাঃ)–এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি (তাহাজ্জুদের) সলাত আদায় কর না? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সবাই তো আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি ইচ্ছা করলে আমাদেরকে জাগিয়ে দিতে পারেন। [‘আলী (রাঃ) বলেছেন] আমি এ কথা বললেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন। যখন তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন, আমি শুনলাম তখন তিনি উরুর উপরে সজোরে হাত চাপড়ে বলছেনঃ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিতর্ক করতে অভ্যস্ত। (ই.ফা. ১৬৮৮, ই.সে. ১৬৯৫)

‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন রাতের বেলা তাঁর ও ফাত্বিমাহ্‌ (রাঃ)–এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি (তাহাজ্জুদের) সলাত আদায় কর না? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সবাই তো আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি ইচ্ছা করলে আমাদেরকে জাগিয়ে দিতে পারেন। [‘আলী (রাঃ) বলেছেন] আমি এ কথা বললেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন। যখন তিনি ফিরে যাচ্ছিলেন, আমি শুনলাম তখন তিনি উরুর উপরে সজোরে হাত চাপড়ে বলছেনঃ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিতর্ক করতে অভ্যস্ত। (ই.ফা. ১৬৮৮, ই.সে. ১৬৯৫)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، عن علي بن حسين، أن الحسين بن علي، حدثه عن علي بن أبي طالب، أن النبي صلى الله عليه وسلم طرقه وفاطمة فقال ‏"‏ ألا تصلون ‏"‏ ‏.‏ فقلت يا رسول الله إنما أنفسنا بيد الله فإذا شاء أن يبعثنا بعثنا ‏.‏ فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قلت له ذلك ثم سمعته وهو مدبر يضرب فخذه ويقول ‏"‏ وكان الإنسان أكثر شىء جدلا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭০৪

حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم ثلاث عقد إذا نام بكل عقدة يضرب عليك ليلا طويلا فإذا استيقظ فذكر الله انحلت عقدة وإذا توضأ انحلت عقدتان فإذا صلى انحلت العقد فأصبح نشيطا طيب النفس وإلا أصبح خبيث النفس كسلان ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শাইত্বন তাঁর মাথার শেষ প্রান্তে অর্থাৎ ঘাড়ে তিনটা গিরা দেয়। প্রত্যেকটা গিরাতে সে ফুঁক দিয়ে বলে, এখনো অনেক রাত আছে (ঘুমিয়ে থাক) তাই যখন সে ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। এরপর সে ওযু করলে আরো একটি গিরাসহ মোট দু’টি গিরা খুলে যায়। আর যখন সে (তাহাজ্জুদের ) সলাত আদায় করে তখন সবগুলো গিরা খুলে যায়। এভাবে সে কর্মতৎপর ও প্রফুল্ল মনের অধিকারী হয়ে সকাল জেগে উঠে। অন্যথায় মানুষ বিমর্ষ ও অলস মন নিয়ে জেগে উঠে। ( ই.ফা. ১৬৮৯, ইউ.সে. ১৬৯৬)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌছিয়েছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শাইত্বন তাঁর মাথার শেষ প্রান্তে অর্থাৎ ঘাড়ে তিনটা গিরা দেয়। প্রত্যেকটা গিরাতে সে ফুঁক দিয়ে বলে, এখনো অনেক রাত আছে (ঘুমিয়ে থাক) তাই যখন সে ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। এরপর সে ওযু করলে আরো একটি গিরাসহ মোট দু’টি গিরা খুলে যায়। আর যখন সে (তাহাজ্জুদের ) সলাত আদায় করে তখন সবগুলো গিরা খুলে যায়। এভাবে সে কর্মতৎপর ও প্রফুল্ল মনের অধিকারী হয়ে সকাল জেগে উঠে। অন্যথায় মানুষ বিমর্ষ ও অলস মন নিয়ে জেগে উঠে। ( ই.ফা. ১৬৮৯, ইউ.সে. ১৬৯৬)

حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم ثلاث عقد إذا نام بكل عقدة يضرب عليك ليلا طويلا فإذا استيقظ فذكر الله انحلت عقدة وإذا توضأ انحلت عقدتان فإذا صلى انحلت العقد فأصبح نشيطا طيب النفس وإلا أصبح خبيث النفس كسلان ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > নাফ্‌ল সলাত নিজ গৃহে আদায় করা মুস্তাহাব, মাসজিদে আদায়ও জায়িয

সহিহ মুসলিম ১৭০৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن، عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اجعلوا من صلاتكم في بيوتكم ولا تتخذوها قبورا ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কিছু কিছু সলাত বাড়ীতে আদায় করবে। (বাড়ীতে কোন সলাত না আদায় করে) বাড়ীকে তোমরা ক্ববর সদৃশ করে রেখো না। (ই.ফা. ১৬৯০,ই.সে. ১৬৯৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কিছু কিছু সলাত বাড়ীতে আদায় করবে। (বাড়ীতে কোন সলাত না আদায় করে) বাড়ীকে তোমরা ক্ববর সদৃশ করে রেখো না। (ই.ফা. ১৬৯০,ই.সে. ১৬৯৭)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن، عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اجعلوا من صلاتكم في بيوتكم ولا تتخذوها قبورا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭০৬

وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، أخبرنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلوا في بيوتكم ولا تتخذوها قبورا ‏"‏ ‏.

'আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা বাড়ীতেও সলাত আদায় কর। বাড়ী গুলোকে ক্ববর সদৃশ করে রেখো না। (ই. ফ. ১৬৯১, ই.সে. ১৬৯৮)

'আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা বাড়ীতেও সলাত আদায় কর। বাড়ী গুলোকে ক্ববর সদৃশ করে রেখো না। (ই. ফ. ১৬৯১, ই.সে. ১৬৯৮)

وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، أخبرنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلوا في بيوتكم ولا تتخذوها قبورا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭০৮

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء، قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ مثل البيت الذي يذكر الله فيه والبيت الذي لا يذكر الله فيه مثل الحى والميت ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় আর যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় না এরূপ দু'টি ঘরের তুলনা করা যায় জীবিত ও মৃতের সঙ্গে। (ই.ফা. ১৬৯৩, ই.সে. ১৭০০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় আর যে ঘরে আল্লাহকে স্মরণ করা হয় না এরূপ দু'টি ঘরের তুলনা করা যায় জীবিত ও মৃতের সঙ্গে। (ই.ফা. ১৬৯৩, ই.সে. ১৭০০)

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، ومحمد بن العلاء، قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ مثل البيت الذي يذكر الله فيه والبيت الذي لا يذكر الله فيه مثل الحى والميت ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭০৭

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا قضى أحدكم الصلاة في مسجده فليجعل لبيته نصيبا من صلاته فإن الله جاعل في بيته من صلاته خيرا ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মাসজিদে সলাত আদায় করবে তখন সে যেন বাড়ীতে আদায় করার জন্যও তার সলাতের কিছু অংশ রেখে দেয়। কেননা তার সলাতের কারণে আল্লাহ তা'আলা তার বাড়ীতে বারাকাত ও কল্যাণ দান করে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৯২, ই.সে. ১৬৯৯)

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন মাসজিদে সলাত আদায় করবে তখন সে যেন বাড়ীতে আদায় করার জন্যও তার সলাতের কিছু অংশ রেখে দেয়। কেননা তার সলাতের কারণে আল্লাহ তা'আলা তার বাড়ীতে বারাকাত ও কল্যাণ দান করে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৯২, ই.সে. ১৬৯৯)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا قضى أحدكم الصلاة في مسجده فليجعل لبيته نصيبا من صلاته فإن الله جاعل في بيته من صلاته خيرا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭০৯

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تجعلوا بيوتكم مقابر إن الشيطان ينفر من البيت الذي تقرأ فيه سورة البقرة ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের ঘরসমূহকে ক্ববর সদৃশ করে রেখো না (অর্থাৎ নাফ্‌ল সলাত সমূহ বাড়ীতে আদায় করবে, কারণ যে ঘরে সূরাহ্ বাক্বারাহ্ পাঠ করা হয় শাইত্বন সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়)। (ই.ফা. ১৬৯৪, ই.সে. ১৭০১)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের ঘরসমূহকে ক্ববর সদৃশ করে রেখো না (অর্থাৎ নাফ্‌ল সলাত সমূহ বাড়ীতে আদায় করবে, কারণ যে ঘরে সূরাহ্ বাক্বারাহ্ পাঠ করা হয় শাইত্বন সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়)। (ই.ফা. ১৬৯৪, ই.সে. ১৭০১)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تجعلوا بيوتكم مقابر إن الشيطان ينفر من البيت الذي تقرأ فيه سورة البقرة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭১০

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا سالم أبو النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، قال احتجر رسول الله صلى الله عليه وسلم حجيرة بخصفة أو حصير فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي فيها - قال - فتتبع إليه رجال وجاءوا يصلون بصلاته - قال - ثم جاءوا ليلة فحضروا وأبطأ رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهم - قال - فلم يخرج إليهم فرفعوا أصواتهم وحصبوا الباب فخرج إليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم مغضبا‏ فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما زال بكم صنيعكم حتى ظننت أنه سيكتب عليكم فعليكم بالصلاة في بيوتكم فإن خير صلاة المرء في بيته إلا الصلاة المكتوبة ‏"‏ ‏.

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খেজুর পাতা অথবা চাটাই দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি ছোট কামরা তৈরী করে তাতে সলাত আদায় করতে গেলেন। এ দেখে কিছু সংখ্যক লোক এসে তাঁর সাথে সলাত আদায় করলেন। যায়দ ইবনু সাবিত বলেনঃ অন্য এক রাতেও লোকজন এসে জমা হ'ল। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সে রাতে) দেরী করলেন এবং এমনকি তিনি সে রাতে আসলেন না। তাই লোকজন উচ্চৈঃস্বরে তাঁকে ডাকাডাকি করল এবং বাড়ীর দরজায় কঙ্কর ছুঁড়তে শুরু করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হয়ে তাদের মাঝে এসে বললেনঃ তোমরা যখন ক্রমাগত এরূপ করছিলে তখন আমার ধারণা হ'ল যে, এ সলাত হয়ত তোমাদের জন্য ফরয করে দেয়া হবে। অতএব তোমরা বাড়িতেই (নাফ্‌ল) আদায় করবে। কেননা ফরয সলাত ছাড়া অন্যসব সলাত বাড়ীতে আদায় করা মানুষের জন্য সর্বোত্তম। (ই.ফা. ১৬৯৫, ই.সে. ১৭০২)

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খেজুর পাতা অথবা চাটাই দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি ছোট কামরা তৈরী করে তাতে সলাত আদায় করতে গেলেন। এ দেখে কিছু সংখ্যক লোক এসে তাঁর সাথে সলাত আদায় করলেন। যায়দ ইবনু সাবিত বলেনঃ অন্য এক রাতেও লোকজন এসে জমা হ'ল। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সে রাতে) দেরী করলেন এবং এমনকি তিনি সে রাতে আসলেন না। তাই লোকজন উচ্চৈঃস্বরে তাঁকে ডাকাডাকি করল এবং বাড়ীর দরজায় কঙ্কর ছুঁড়তে শুরু করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হয়ে তাদের মাঝে এসে বললেনঃ তোমরা যখন ক্রমাগত এরূপ করছিলে তখন আমার ধারণা হ'ল যে, এ সলাত হয়ত তোমাদের জন্য ফরয করে দেয়া হবে। অতএব তোমরা বাড়িতেই (নাফ্‌ল) আদায় করবে। কেননা ফরয সলাত ছাড়া অন্যসব সলাত বাড়ীতে আদায় করা মানুষের জন্য সর্বোত্তম। (ই.ফা. ১৬৯৫, ই.সে. ১৭০২)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا سالم أبو النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، قال احتجر رسول الله صلى الله عليه وسلم حجيرة بخصفة أو حصير فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي فيها - قال - فتتبع إليه رجال وجاءوا يصلون بصلاته - قال - ثم جاءوا ليلة فحضروا وأبطأ رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهم - قال - فلم يخرج إليهم فرفعوا أصواتهم وحصبوا الباب فخرج إليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم مغضبا‏ فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما زال بكم صنيعكم حتى ظننت أنه سيكتب عليكم فعليكم بالصلاة في بيوتكم فإن خير صلاة المرء في بيته إلا الصلاة المكتوبة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৭১১

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا موسى بن عقبة، قال سمعت أبا النضر، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة في المسجد من حصير فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ليالي حتى اجتمع إليه ناس ‏.‏ فذكر نحوه وزاد فيه ‏ "‏ ولو كتب عليكم ما قمتم به ‏"‏ ‏.

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাটাই দ্বারা ঘিরে মাসজিদের মধ্যে একটি কামরা বানালেন এবং কয়েক রাত পর্যন্ত সেখানে সলাত আদায় করলেন। তা দেখে কিছু লোক সেখানে সমবেত হ'ল। এতটুকু বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। এর বর্ণনাতে এতটুকু অধিক বর্ণনা হয়েছে যে, এ সলাতে যদি তোমাদের জন্য ফরয করে দেয়া হ'ত তাহলে তোমরা তা আদায় করতে সক্ষম হতে না। (ই.ফা. ১৬৯৬, ই.সে. ১৭০৩)

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাটাই দ্বারা ঘিরে মাসজিদের মধ্যে একটি কামরা বানালেন এবং কয়েক রাত পর্যন্ত সেখানে সলাত আদায় করলেন। তা দেখে কিছু লোক সেখানে সমবেত হ'ল। এতটুকু বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। এর বর্ণনাতে এতটুকু অধিক বর্ণনা হয়েছে যে, এ সলাতে যদি তোমাদের জন্য ফরয করে দেয়া হ'ত তাহলে তোমরা তা আদায় করতে সক্ষম হতে না। (ই.ফা. ১৬৯৬, ই.সে. ১৭০৩)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا موسى بن عقبة، قال سمعت أبا النضر، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة في المسجد من حصير فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ليالي حتى اجتمع إليه ناس ‏.‏ فذكر نحوه وزاد فيه ‏ "‏ ولو كتب عليكم ما قمتم به ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > রাতের সলাত ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিয়মিত 'আমালের ফযীলাত

সহিহ মুসলিম ১৭১৩

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، أنه سمع أبا سلمة، يحدث عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل أى العمل أحب إلى الله قال ‏ "‏ أدومه وإن قل ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ মর্মে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, আল্লাহ তা'আলার কাছে কোন্ ধরনের 'আমাল সবচাইতে বেশী প্রিয়। জবাবে তিনি বলেছিলেনঃ কম হলেও যে 'আমাল স্থায়ী (সে 'আমাল আল্লাহ তা'আলার কাছে সবচাইতে বেশী প্রিয়)। (ই.ফা. ১৬৯৮, ই.সে. ১৭০৫)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ মর্মে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, আল্লাহ তা'আলার কাছে কোন্ ধরনের 'আমাল সবচাইতে বেশী প্রিয়। জবাবে তিনি বলেছিলেনঃ কম হলেও যে 'আমাল স্থায়ী (সে 'আমাল আল্লাহ তা'আলার কাছে সবচাইতে বেশী প্রিয়)। (ই.ফা. ১৬৯৮, ই.সে. ১৭০৫)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، أنه سمع أبا سلمة، يحدث عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل أى العمل أحب إلى الله قال ‏ "‏ أدومه وإن قل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৭১৪

وحدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، قال سألت أم المؤمنين عائشة قال قلت يا أم المؤمنين كيف كان عمل رسول الله صلى الله عليه وسلم هل كان يخص شيئا من الأيام قالت لا ‏.‏ كان عمله ديمة وأيكم يستطيع ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستطيع .

'আলক্বামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। বললামঃ হে উম্মুল মু'মিনীন! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর 'আমাল কেমন ছিল। তিনি কি কোন নির্দিষ্ট 'ইবাদাতের জন্য কোন বিশেষ দিন নির্দিষ্ট করে নিতেন? জবাবে ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ না। তবে তাঁর 'আমাল ছিল স্থায়ী প্রকৃতির। আর তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কাজ করতে পারেন সেও সে কাজ করতে পারবে? (ই.ফা. ১৬৯৯, ই.সে. ১৭০৬)

'আলক্বামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। বললামঃ হে উম্মুল মু'মিনীন! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর 'আমাল কেমন ছিল। তিনি কি কোন নির্দিষ্ট 'ইবাদাতের জন্য কোন বিশেষ দিন নির্দিষ্ট করে নিতেন? জবাবে ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ না। তবে তাঁর 'আমাল ছিল স্থায়ী প্রকৃতির। আর তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কাজ করতে পারেন সেও সে কাজ করতে পারবে? (ই.ফা. ১৬৯৯, ই.সে. ১৭০৬)

وحدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، قال سألت أم المؤمنين عائشة قال قلت يا أم المؤمنين كيف كان عمل رسول الله صلى الله عليه وسلم هل كان يخص شيئا من الأيام قالت لا ‏.‏ كان عمله ديمة وأيكم يستطيع ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستطيع .


সহিহ মুসলিম ১৭১৫

وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سعد بن سعيد، أخبرني القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أحب الأعمال إلى الله تعالى أدومها وإن قل ‏"‏ ‏.‏ قال وكانت عائشة إذا عملت العمل لزمته ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে এমন 'আমাল সবচেয়ে প্রিয় যা কম হলেও স্থায়ীভাবে করা হয়। হাদীসের বর্ণনাকারী ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বলেছেনঃ ‘আয়িশা (রাঃ) কোন্ 'আমাল শুরু করলে তা স্থায়ী ও অবশ্য করণীয় করে নিতেন। (ই.ফা. ১৭০০, ই.সে. ১৭০৭)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে এমন 'আমাল সবচেয়ে প্রিয় যা কম হলেও স্থায়ীভাবে করা হয়। হাদীসের বর্ণনাকারী ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বলেছেনঃ ‘আয়িশা (রাঃ) কোন্ 'আমাল শুরু করলে তা স্থায়ী ও অবশ্য করণীয় করে নিতেন। (ই.ফা. ১৭০০, ই.সে. ১৭০৭)

وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سعد بن سعيد، أخبرني القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أحب الأعمال إلى الله تعالى أدومها وإن قل ‏"‏ ‏.‏ قال وكانت عائشة إذا عملت العمل لزمته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৭১২

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني الثقفي - حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي سلمة، عن عائشة، أنها قالت كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصير وكان يحجره من الليل فيصلي فيه فجعل الناس يصلون بصلاته ويبسطه بالنهار فثابوا ذات ليلة فقال ‏ "‏ يا أيها الناس عليكم من الأعمال ما تطيقون فإن الله لا يمل حتى تملوا وإن أحب الأعمال إلى الله ما دووم عليه وإن قل ‏"‏ ‏.‏ وكان آل محمد صلى الله عليه وسلم إذا عملوا عملا أثبتوه ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা চাটাই ছিল। রাতের বেলা তিনি এ চাটাই দিয়ে একটি কামরা বানাতেন এবং তার মধ্যে সলাত আদায় করতেন। লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে এ সলাত আদায় করত এবং দিনের বেলা বিছিয়ে নিত। এক রাতে লোকজন বেশী ভীড় করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকজনকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে লোকজন যতটা 'আমাল তোমরা স্থায়ীভাবে করতে সক্ষম হবে ততটা 'আমাল করবে। কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের 'ইবাদাতের সাওয়াব দিতে ক্লান্ত হবেন না। বরং তোমরাই 'ইবাদাত বন্দেগী করতে করতে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়বে। আর কম হলেও আল্লাহর কাছে স্থায়ী 'আমাল সর্বাপেক্ষা বেশী পছন্দনীয়। (বর্ণনাকারী বলেন) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসারী ও বংশধরগণ যে 'আমাল করতেন তা স্থায়ীভাবে সর্বদাই করতেন। (ই.ফা. ১৬৯৭, ই.সে. ১৭০৪)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখানা চাটাই ছিল। রাতের বেলা তিনি এ চাটাই দিয়ে একটি কামরা বানাতেন এবং তার মধ্যে সলাত আদায় করতেন। লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে এ সলাত আদায় করত এবং দিনের বেলা বিছিয়ে নিত। এক রাতে লোকজন বেশী ভীড় করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকজনকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে লোকজন যতটা 'আমাল তোমরা স্থায়ীভাবে করতে সক্ষম হবে ততটা 'আমাল করবে। কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের 'ইবাদাতের সাওয়াব দিতে ক্লান্ত হবেন না। বরং তোমরাই 'ইবাদাত বন্দেগী করতে করতে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পড়বে। আর কম হলেও আল্লাহর কাছে স্থায়ী 'আমাল সর্বাপেক্ষা বেশী পছন্দনীয়। (বর্ণনাকারী বলেন) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসারী ও বংশধরগণ যে 'আমাল করতেন তা স্থায়ীভাবে সর্বদাই করতেন। (ই.ফা. ১৬৯৭, ই.সে. ১৭০৪)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني الثقفي - حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي سلمة، عن عائشة، أنها قالت كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم حصير وكان يحجره من الليل فيصلي فيه فجعل الناس يصلون بصلاته ويبسطه بالنهار فثابوا ذات ليلة فقال ‏ "‏ يا أيها الناس عليكم من الأعمال ما تطيقون فإن الله لا يمل حتى تملوا وإن أحب الأعمال إلى الله ما دووم عليه وإن قل ‏"‏ ‏.‏ وكان آل محمد صلى الله عليه وسلم إذا عملوا عملا أثبتوه ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00