সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি এ আশঙ্কা করে যে, সে শেষ রাত্রে (ঘুম থেকে) জাগ্রত হতে পারবে না, সে যেন রাতের প্রথম অংশেই তা আদায় করে নেয়।

সহিহ মুসলিম ১৬৫১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص، وأبو معاوية عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من خاف أن لا يقوم من آخر الليل فليوتر أوله ومن طمع أن يقوم آخره فليوتر آخر الليل فإن صلاة آخر الليل مشهودة وذلك أفضل ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو معاوية محضورة ‏.

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে কারো আশঙ্কা হলে সে যেন রাতের প্রথমভাগেই ('ইশার সলাতের পর) বিত্‌র আদায় করে নেয়। আর কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে আগ্রহী থাকে (অর্থাৎ শেষ রাতে জাগতে পারবে বলে নিশ্চিত হতে পারে) তাহলে সে যেন শেষভাগে বিত্‌র আদায় করে নেয়। কেননা, শেষ রাতের সলাতে (মালাকগণের) উপস্থিতি থাকে। আর এটাই সর্বোত্তম ব্যবস্থা। হাদীসটি বর্ণনাকারীর আবূ মু‘আবিয়াহ্ (আরবী) শব্দের পরিবর্তে (আরবী) শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৬৩৬, ই.সে. ১৬৪৩)

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে কারো আশঙ্কা হলে সে যেন রাতের প্রথমভাগেই ('ইশার সলাতের পর) বিত্‌র আদায় করে নেয়। আর কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে আগ্রহী থাকে (অর্থাৎ শেষ রাতে জাগতে পারবে বলে নিশ্চিত হতে পারে) তাহলে সে যেন শেষভাগে বিত্‌র আদায় করে নেয়। কেননা, শেষ রাতের সলাতে (মালাকগণের) উপস্থিতি থাকে। আর এটাই সর্বোত্তম ব্যবস্থা। হাদীসটি বর্ণনাকারীর আবূ মু‘আবিয়াহ্ (আরবী) শব্দের পরিবর্তে (আরবী) শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৬৩৬, ই.সে. ১৬৪৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص، وأبو معاوية عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من خاف أن لا يقوم من آخر الليل فليوتر أوله ومن طمع أن يقوم آخره فليوتر آخر الليل فإن صلاة آخر الليل مشهودة وذلك أفضل ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو معاوية محضورة ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৫২

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - عن أبي الزبير، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ أيكم خاف أن لا يقوم من آخر الليل فليوتر ثم ليرقد ومن وثق بقيام من الليل فليوتر من آخره فإن قراءة آخر الليل محضورة وذلك أفضل ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে তাহলে বিত্‌র সলাত আদায় করে ঘুমাবে। আর যার শেষরাতে জাগতে পারার আত্মবিশ্বাস বা নিশ্চয়তা আছে সে শেষ রাতে বিত্‌র আদায় করবে। কেননা শেষ রাতের কুরআন পাঠে মালায়িকাহ্ উপস্থিত থাকে। আর এটা সর্বাপেক্ষা উত্তমও বটে। (ই.ফা. ১৬৩৭, ই.সে. ১৬৪৪)

জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে তাহলে বিত্‌র সলাত আদায় করে ঘুমাবে। আর যার শেষরাতে জাগতে পারার আত্মবিশ্বাস বা নিশ্চয়তা আছে সে শেষ রাতে বিত্‌র আদায় করবে। কেননা শেষ রাতের কুরআন পাঠে মালায়িকাহ্ উপস্থিত থাকে। আর এটা সর্বাপেক্ষা উত্তমও বটে। (ই.ফা. ১৬৩৭, ই.সে. ১৬৪৪)

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - عن أبي الزبير، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ أيكم خاف أن لا يقوم من آخر الليل فليوتر ثم ليرقد ومن وثق بقيام من الليل فليوتر من آخره فإن قراءة آخر الليل محضورة وذلك أفضل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > ঐ সলাত সর্বোত্তম যাতে ক্বিরাআত লম্বা করা হয়

সহিহ মুসলিম ১৬৫৩

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا أبو عاصم، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أفضل الصلاة طول القنوت ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সলাতে দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে ক্বিরাআত পড়া হয় সে সলাতই সর্বোত্তম সলাত। (ই.ফা. ১৬৩৮, ই.সে. ১৬৪৫)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সলাতে দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে ক্বিরাআত পড়া হয় সে সলাতই সর্বোত্তম সলাত। (ই.ফা. ১৬৩৮, ই.সে. ১৬৪৫)

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا أبو عاصم، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أفضل الصلاة طول القنوت ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৫৪

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الصلاة أفضل قال ‏ "‏ طول القنوت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بكر حدثنا أبو معاوية عن الأعمش ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : কোন্ সলাত সবচেয়ে উত্তম? জবাবে তিনি বলেছিলেন : দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে যে সলাত আদায় করা হয় সে সলাত সবচেয়ে উত্তম। আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শায়বাহ্ বলেছেন যে, হাদীসটি আবূ মু‘আবিয়াহ্ আ‘মাশের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৬৩৯, ই.সে. ১৬৪৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : কোন্ সলাত সবচেয়ে উত্তম? জবাবে তিনি বলেছিলেন : দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে যে সলাত আদায় করা হয় সে সলাত সবচেয়ে উত্তম। আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শায়বাহ্ বলেছেন যে, হাদীসটি আবূ মু‘আবিয়াহ্ আ‘মাশের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৬৩৯, ই.সে. ১৬৪৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الصلاة أفضل قال ‏ "‏ طول القنوت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بكر حدثنا أبو معاوية عن الأعمش ‏.


সহিহ মুসলিম > রাতে এমন একটি সময় রয়েছে যে সময় দু‘আ কবূল হয়

সহিহ মুসলিম ১৬৫৫

وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن في الليل لساعة لا يوافقها رجل مسلم يسأل الله خيرا من أمر الدنيا والآخرة إلا أعطاه إياه وذلك كل ليلة ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : সারা রাতের মধ্যে এমন একটি বিশেষ সময় আছে যে সময়ে কোন মুসলিম আল্লাহর কাছে দুন্ইয়া ও আখিরাতের কোন কল্যাণ প্রার্থনা করলে তিনি তাকে তা দান করেন। আর ঐ বিশেষ সময়টি প্রত্যেক রাতেই থাকে। (ই.ফা. ১৬৪০, ই.সে. ১৬৪৭)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : সারা রাতের মধ্যে এমন একটি বিশেষ সময় আছে যে সময়ে কোন মুসলিম আল্লাহর কাছে দুন্ইয়া ও আখিরাতের কোন কল্যাণ প্রার্থনা করলে তিনি তাকে তা দান করেন। আর ঐ বিশেষ সময়টি প্রত্যেক রাতেই থাকে। (ই.ফা. ১৬৪০, ই.সে. ১৬৪৭)

وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن في الليل لساعة لا يوافقها رجل مسلم يسأل الله خيرا من أمر الدنيا والآخرة إلا أعطاه إياه وذلك كل ليلة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৫৬

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن من الليل ساعة لا يوافقها عبد مسلم يسأل الله خيرا إلا أعطاه إياه ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের মধ্যে একটি বিশেষ সময় আছে, সে সময় কোন মুসলিম বান্দা যদি আল্লাহর কাছে কোন কল্যাণ প্রার্থনা করে তাহলে তিনি তাকে তা দান করেন। (ই.ফা. ১৬৪১, ই.সে. ১৬৪৮)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের মধ্যে একটি বিশেষ সময় আছে, সে সময় কোন মুসলিম বান্দা যদি আল্লাহর কাছে কোন কল্যাণ প্রার্থনা করে তাহলে তিনি তাকে তা দান করেন। (ই.ফা. ১৬৪১, ই.সে. ১৬৪৮)

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن من الليل ساعة لا يوافقها عبد مسلم يسأل الله خيرا إلا أعطاه إياه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > শেষ রাতে যিক্‌র ও প্রার্থনা করা এবং দু‘আ কবূল হওয়ার আলোচনা

সহিহ মুসলিম ১৬৫৭

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أبي عبد الله الأغر، وعن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ينزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا حين يبقى ثلث الليل الآخر فيقول من يدعوني فأستجيب له ومن يسألني فأعطيه ومن يستغفرني فأغفر له ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ থাকে তখন আমাদের প্রতিপালক মহান ও কল্যাণময় আল্লাহ দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন : কে এমন আছ, যে এখন আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিব। এখন কে এমন আছ যে, আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব। আর কে এমন আছ, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। (ই.ফা. ১৬৪২, ই.সে. ১৬৪৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ থাকে তখন আমাদের প্রতিপালক মহান ও কল্যাণময় আল্লাহ দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন : কে এমন আছ, যে এখন আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিব। এখন কে এমন আছ যে, আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব। আর কে এমন আছ, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। (ই.ফা. ১৬৪২, ই.সে. ১৬৪৯)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أبي عبد الله الأغر، وعن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ينزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا حين يبقى ثلث الليل الآخر فيقول من يدعوني فأستجيب له ومن يسألني فأعطيه ومن يستغفرني فأغفر له ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৫৮

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ينزل الله إلى السماء الدنيا كل ليلة حين يمضي ثلث الليل الأول فيقول أنا الملك أنا الملك من ذا الذي يدعوني فأستجيب له من ذا الذي يسألني فأعطيه من ذا الذي يستغفرني فأغفر له فلا يزال كذلك حتى يضيء الفجر ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক রাতে যখন রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হয় তখন আল্লাহ তা‘আলা দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন-আমিই একমাত্র বাদশাহ্! কে এমন আছ আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে এমন আছ আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব। কে এমন আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব, ফাজ্‌রের আলো ছড়িয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা এরূপ বলতে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৪৩, ই.সে. ১৬৫০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক রাতে যখন রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হয় তখন আল্লাহ তা‘আলা দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন-আমিই একমাত্র বাদশাহ্! কে এমন আছ আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে এমন আছ আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব। কে এমন আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব, ফাজ্‌রের আলো ছড়িয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা এরূপ বলতে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৪৩, ই.সে. ১৬৫০)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ينزل الله إلى السماء الدنيا كل ليلة حين يمضي ثلث الليل الأول فيقول أنا الملك أنا الملك من ذا الذي يدعوني فأستجيب له من ذا الذي يسألني فأعطيه من ذا الذي يستغفرني فأغفر له فلا يزال كذلك حتى يضيء الفجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৫৯

حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا يحيى، حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا مضى شطر الليل أو ثلثاه ينزل الله تبارك وتعالى إلى السماء الدنيا فيقول هل من سائل يعطى هل من داع يستجاب له هل من مستغفر يغفر له حتى ينفجر الصبح ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের অর্ধেক অথবা দু‘ তৃতীয়াংশ অতিক্রম হলে মহান ও বারাকাতময় আল্লাহ দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন : কোন প্রার্থনাকারী আছে কি যাকে দেয়া হবে? কোন আহ্বানকারী আছে কি যার আহ্বানে সাড়া দেয়া হবে? কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি, যাকে ক্ষমা করা হবে? আল্লাহ তাআলা ভোর প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এরূপ বলতে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৪৪, ই.সে. ১৬৫১)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের অর্ধেক অথবা দু‘ তৃতীয়াংশ অতিক্রম হলে মহান ও বারাকাতময় আল্লাহ দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন : কোন প্রার্থনাকারী আছে কি যাকে দেয়া হবে? কোন আহ্বানকারী আছে কি যার আহ্বানে সাড়া দেয়া হবে? কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি, যাকে ক্ষমা করা হবে? আল্লাহ তাআলা ভোর প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এরূপ বলতে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৪৪, ই.সে. ১৬৫১)

حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا يحيى، حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا مضى شطر الليل أو ثلثاه ينزل الله تبارك وتعالى إلى السماء الدنيا فيقول هل من سائل يعطى هل من داع يستجاب له هل من مستغفر يغفر له حتى ينفجر الصبح ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৬২

حدثنا عثمان، وأبو بكر ابنا أبي شيبة وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي - واللفظ لابنى أبي شيبة - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي إسحاق، عن الأغر أبي مسلم، يرويه عن أبي سعيد، وأبي، هريرة قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يمهل حتى إذا ذهب ثلث الليل الأول نزل إلى السماء الدنيا فيقول هل من مستغفر هل من تائب هل من سائل هل من داع حتى ينفجر الفجر ‏"‏ ‏.

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবকাশ দেন বা দেরী করেন না। এভাবে যখন রাতের প্রথম এক তৃতীয়াংশ অতিক্রম হয়ে যায় তখন তিনি দুন্ইয়ার আকাশে নেমে এসে বলতে থাকেন : কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি (যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আর আমি তাকে ক্ষমা করব)? কোন তাওবাহ্‌কারী আছে কি (যে তাওবাহ্‌ করবে আর আমি তার তাওবাহ্‌ ক্ববুল করব)? কোন প্রার্থনাকারী আছে কি (যে প্রার্থনা করবে আর আমি তার প্রার্থনা ক্ববূল করব)? কোন আহ্বানকারী আছে কি(আমি যার আহ্বানে দিব)? এভাবে ফাজ্‌রের ওয়াক্ত পর্যন্ত তিনি বলতে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৪৭,ই.সে. ১৬৫৪)

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবকাশ দেন বা দেরী করেন না। এভাবে যখন রাতের প্রথম এক তৃতীয়াংশ অতিক্রম হয়ে যায় তখন তিনি দুন্ইয়ার আকাশে নেমে এসে বলতে থাকেন : কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি (যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আর আমি তাকে ক্ষমা করব)? কোন তাওবাহ্‌কারী আছে কি (যে তাওবাহ্‌ করবে আর আমি তার তাওবাহ্‌ ক্ববুল করব)? কোন প্রার্থনাকারী আছে কি (যে প্রার্থনা করবে আর আমি তার প্রার্থনা ক্ববূল করব)? কোন আহ্বানকারী আছে কি(আমি যার আহ্বানে দিব)? এভাবে ফাজ্‌রের ওয়াক্ত পর্যন্ত তিনি বলতে থাকেন। (ই.ফা. ১৬৪৭,ই.সে. ১৬৫৪)

حدثنا عثمان، وأبو بكر ابنا أبي شيبة وإسحاق بن إبراهيم الحنظلي - واللفظ لابنى أبي شيبة - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي إسحاق، عن الأغر أبي مسلم، يرويه عن أبي سعيد، وأبي، هريرة قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يمهل حتى إذا ذهب ثلث الليل الأول نزل إلى السماء الدنيا فيقول هل من مستغفر هل من تائب هل من سائل هل من داع حتى ينفجر الفجر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৬০

حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا محاضر أبو المورع، حدثنا سعد بن سعيد، قال أخبرني ابن مرجانة، قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ينزل الله في السماء الدنيا لشطر الليل أو لثلث الليل الآخر فيقول من يدعوني فأستجيب له أو يسألني فأعطيه ‏.‏ ثم يقول من يقرض غير عديم ولا ظلوم ‏"‏ ‏.‏ قال مسلم ابن مرجانة هو سعيد بن عبد الله ومرجانة أمه

ইবনু মারজানাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের অর্ধেকের সময় অথবা শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে মহান আল্লাহ দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন : কে আছে আহ্বানকারী? (আহ্বান কর) আমি তার আহবানে সাড়া দান করব। কে আছে প্রার্থনাকারী? (প্রার্থনা কর) আমি দান করব। এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলতে থাকেন : এমন সত্তাকে কে কর্জ দিবে যিনি কখনো ফকির বা দরিদ্র হবেন না বা যুল্‌ম করতে পারেন না? [৩২] ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ ইবনু মারজানাহ্ হলেন সা‘ঈদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। মারজানাহ্ তার মায়ের নাম। (ই.ফা. ১৬৪৫, ই.সে. ১৬৫২)

ইবনু মারজানাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের অর্ধেকের সময় অথবা শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে মহান আল্লাহ দুন্‌ইয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন : কে আছে আহ্বানকারী? (আহ্বান কর) আমি তার আহবানে সাড়া দান করব। কে আছে প্রার্থনাকারী? (প্রার্থনা কর) আমি দান করব। এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলতে থাকেন : এমন সত্তাকে কে কর্জ দিবে যিনি কখনো ফকির বা দরিদ্র হবেন না বা যুল্‌ম করতে পারেন না? [৩২] ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ ইবনু মারজানাহ্ হলেন সা‘ঈদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। মারজানাহ্ তার মায়ের নাম। (ই.ফা. ১৬৪৫, ই.সে. ১৬৫২)

حدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا محاضر أبو المورع، حدثنا سعد بن سعيد، قال أخبرني ابن مرجانة، قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ينزل الله في السماء الدنيا لشطر الليل أو لثلث الليل الآخر فيقول من يدعوني فأستجيب له أو يسألني فأعطيه ‏.‏ ثم يقول من يقرض غير عديم ولا ظلوم ‏"‏ ‏.‏ قال مسلم ابن مرجانة هو سعيد بن عبد الله ومرجانة أمه


সহিহ মুসলিম ১৬৬৩

وحدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، بهذا الإسناد ‏.‏ غير أن حديث، منصور أتم وأكثر ‏.

শু‘বাহ্-এর মাধ্যমে আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মানসূর (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ ও বেশী স্পষ্ট। (ই.ফা. ১৬৪৮, ই.সে. ১৬৫৫)

শু‘বাহ্-এর মাধ্যমে আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মানসূর (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ ও বেশী স্পষ্ট। (ই.ফা. ১৬৪৮, ই.সে. ১৬৫৫)

وحدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، بهذا الإسناد ‏.‏ غير أن حديث، منصور أتم وأكثر ‏.


সহিহ মুসলিম ১৬৬১

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني سليمان بن بلال، عن سعد بن سعيد، بهذا الإسناد وزاد ‏"‏ ثم يبسط يديه تبارك وتعالى يقول من يقرض غير عدوم ولا ظلوم ‏"‏ ‏.

সা‘দ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা‘দ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে এই একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি অতিরিক্ত এতটুকু বর্ণনা করেছেন যে, অতঃপর মহান ও বারাকাতময় আল্লাহ নিজের দু‘হাত প্রসারিত করে বলেনঃ যিনি কখনো দরিদ্র হবেন না, কিংবা যুলম করেন না এমন সত্তাকে ঋন দেয়ার জন্য কে আছ? (ই.ফা. ১৬৪৬, ই.সে. ১৬৫৩)

সা‘দ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা‘দ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে এই একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি অতিরিক্ত এতটুকু বর্ণনা করেছেন যে, অতঃপর মহান ও বারাকাতময় আল্লাহ নিজের দু‘হাত প্রসারিত করে বলেনঃ যিনি কখনো দরিদ্র হবেন না, কিংবা যুলম করেন না এমন সত্তাকে ঋন দেয়ার জন্য কে আছ? (ই.ফা. ১৬৪৬, ই.সে. ১৬৫৩)

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني سليمان بن بلال، عن سعد بن سعيد، بهذا الإسناد وزاد ‏"‏ ثم يبسط يديه تبارك وتعالى يقول من يقرض غير عدوم ولا ظلوم ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00