সহিহ মুসলিম > ফারয সলাত জামা’আতে আদায়ের ফাযীলত এবং সলাতের জন্য অপেক্ষা করা

সহিহ মুসলিম ১৩৯৬

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال أحدكم في صلاة ما دامت الصلاة تحبسه لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত সলাতের জন্য কোন ব্যক্তি অপেক্ষা করে এবং শুধু সলাতের কারণেই সে ঘরে (পরিবার-পরিজনের কাছে) ফিরে যায় না ততক্ষণ পর্যন্ত সে যেন সলাতরত অবস্থায়ই থাকে (অর্থাৎ- যতক্ষণ পর্যন্ত সে সলাতের জন্য অপেক্ষা করল ততক্ষণ সে সলাত আদায় করল বলেই ধরে নেয়া হবে)। (ই.ফা. ১৩৮২, ই.সে. ১৩৯৪)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত সলাতের জন্য কোন ব্যক্তি অপেক্ষা করে এবং শুধু সলাতের কারণেই সে ঘরে (পরিবার-পরিজনের কাছে) ফিরে যায় না ততক্ষণ পর্যন্ত সে যেন সলাতরত অবস্থায়ই থাকে (অর্থাৎ- যতক্ষণ পর্যন্ত সে সলাতের জন্য অপেক্ষা করল ততক্ষণ সে সলাত আদায় করল বলেই ধরে নেয়া হবে)। (ই.ফা. ১৩৮২, ই.সে. ১৩৯৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال أحدكم في صلاة ما دامت الصلاة تحبسه لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৯৭

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، ح وحدثني محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن ابن هرمز، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أحدكم ما قعد ينتظر الصلاة في صلاة ما لم يحدث تدعو له الملائكة اللهم اغفر له اللهم ارحمه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সলাতের জন্য অপেক্ষা করে তখন ওযূ ভঙ্গ না করা পর্যন্ত সে যেন সলাতরত থাকল। এ সময়ে মালাকগণ এ বলে তার জন্য দু’আ করতে থাকো যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি রহম করো। (ই.ফা. ১৩৮৩, ই.সে. ১৩৯৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সলাতের জন্য অপেক্ষা করে তখন ওযূ ভঙ্গ না করা পর্যন্ত সে যেন সলাতরত থাকল। এ সময়ে মালাকগণ এ বলে তার জন্য দু’আ করতে থাকো যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি রহম করো। (ই.ফা. ১৩৮৩, ই.সে. ১৩৯৫)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، ح وحدثني محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن ابن هرمز، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أحدكم ما قعد ينتظر الصلاة في صلاة ما لم يحدث تدعو له الملائكة اللهم اغفر له اللهم ارحمه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৯৫

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال العبد في صلاة ما كان في مصلاه ينتظر الصلاة وتقول الملائكة اللهم اغفر له اللهم ارحمه ‏.‏ حتى ينصرف أو يحدث ‏"‏ ‏.‏ قلت ما يحدث قال يفسو أو يضرط ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সলাতের জন্য বসে সলাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সলাতরত থাকে আর মালায়িকাহ্‌ও ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য এ বলে দু’আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহম করো। (আর মালায়িকাহ্‌) ততক্ষণ পর্যন্ত এরূপ দু’আ করতে থাকে যতক্ষণ সে সেখান থেকে উঠে চলে না যায় কিংবা যতক্ষণ ওযূ নষ্ট না করে। হাদীস বর্ণনাকারী রাফি’ বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম ‘হাদাস বা ওযূ নষ্ট করা কাকে বলে? তিনি বললেনঃ নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু নিঃসরণ করা। (ই.ফা. ১৩৮১, ই.সে. ১৩৯৩)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সলাতের জন্য বসে সলাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সলাতরত থাকে আর মালায়িকাহ্‌ও ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য এ বলে দু’আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহম করো। (আর মালায়িকাহ্‌) ততক্ষণ পর্যন্ত এরূপ দু’আ করতে থাকে যতক্ষণ সে সেখান থেকে উঠে চলে না যায় কিংবা যতক্ষণ ওযূ নষ্ট না করে। হাদীস বর্ণনাকারী রাফি’ বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম ‘হাদাস বা ওযূ নষ্ট করা কাকে বলে? তিনি বললেনঃ নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু নিঃসরণ করা। (ই.ফা. ১৩৮১, ই.সে. ১৩৯৩)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال العبد في صلاة ما كان في مصلاه ينتظر الصلاة وتقول الملائكة اللهم اغفر له اللهم ارحمه ‏.‏ حتى ينصرف أو يحدث ‏"‏ ‏.‏ قلت ما يحدث قال يفسو أو يضرط ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৯২

حدثني عمرو الناقد، حدثنا عيسى بن يونس، ح قال وحدثنا أبو كامل، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - ح قال وحدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا سليم بن أخضر، كلهم عن التيمي، بهذا الإسناد ‏.‏ غير أنهم لم يقولوا خلف أبي القاسم صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মাসজিদে জামা’আতের সাথে সলাত আদায় করলে তা তার বাড়ীতে বা বাজারে সলাত আদায় করার চেয়ে বিশগুণেরও অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। কারণ কোন লোক যখন সলাতের জন্য ওযূ করে এবং ভালভাবে ওযূ করে মাসজিদে আসে তাকে সলাত ছাড়া আর কিছুই মাসজিদে আনে না; আর সে সলাত ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যও পোষণ করে না। সুতরাং এ উদ্দেশে সে যখনই পদক্ষেপ করে তখন থেকে মাসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত তার প্রতিটি নেকীর বদলে ঐ ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি করে পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর মাসজিদে প্রবেশ করার পর যতক্ষণ সে সলাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ যেন সে সলাতরত থাকে। আর তোমাদের কেউ যখন সলাত আদায় করার পর সলাতের স্থানেই বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ্‌ (ফেরেশ্‌তাগণ) তার জন্য এ বলে দু’আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তার তাওবাহ্‌ ক্ববূল করো। এরূপ দু’আ ততক্ষণ পর্যন্ত করতে থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত ওযূ নষ্ট না করে। [১] (ই.ফা. ১৩৭৮, ই.সে. ১৩৯১)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মাসজিদে জামা’আতের সাথে সলাত আদায় করলে তা তার বাড়ীতে বা বাজারে সলাত আদায় করার চেয়ে বিশগুণেরও অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। কারণ কোন লোক যখন সলাতের জন্য ওযূ করে এবং ভালভাবে ওযূ করে মাসজিদে আসে তাকে সলাত ছাড়া আর কিছুই মাসজিদে আনে না; আর সে সলাত ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যও পোষণ করে না। সুতরাং এ উদ্দেশে সে যখনই পদক্ষেপ করে তখন থেকে মাসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত তার প্রতিটি নেকীর বদলে ঐ ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি করে পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর মাসজিদে প্রবেশ করার পর যতক্ষণ সে সলাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ যেন সে সলাতরত থাকে। আর তোমাদের কেউ যখন সলাত আদায় করার পর সলাতের স্থানেই বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ্‌ (ফেরেশ্‌তাগণ) তার জন্য এ বলে দু’আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তার তাওবাহ্‌ ক্ববূল করো। এরূপ দু’আ ততক্ষণ পর্যন্ত করতে থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত ওযূ নষ্ট না করে। [১] (ই.ফা. ১৩৭৮, ই.সে. ১৩৯১)

حدثني عمرو الناقد، حدثنا عيسى بن يونس، ح قال وحدثنا أبو كامل، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - ح قال وحدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا سليم بن أخضر، كلهم عن التيمي، بهذا الإسناد ‏.‏ غير أنهم لم يقولوا خلف أبي القاسم صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৩৯৪

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أيوب السختياني، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مجلسه تقول اللهم اغفر له اللهم ارحمه ما لم يحدث وأحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সলাতের পর উক্ত স্থানে বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ্‌ এ বলে তার জন্য দু’আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহ্‌মাত দান করো। আর তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি ততক্ষণ সলাতরত বলেই গণ্য হবে যতক্ষণ সে সলাতের জন্য অপেক্ষামান থাকে। [ই.ফা. ১৩৮০, ই.সে. ১৩৯২ (ক) ]

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সলাতের পর উক্ত স্থানে বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ্‌ এ বলে তার জন্য দু’আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহ্‌মাত দান করো। আর তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি ততক্ষণ সলাতরত বলেই গণ্য হবে যতক্ষণ সে সলাতের জন্য অপেক্ষামান থাকে। [ই.ফা. ১৩৮০, ই.সে. ১৩৯২ (ক) ]

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أيوب السختياني، عن ابن سيرين، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مجلسه تقول اللهم اغفر له اللهم ارحمه ما لم يحدث وأحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৯৩

حدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، أخبرنا عبثر، ح وحدثني محمد بن بكار بن الريان، قال حدثنا إسماعيل بن زكرياء، ح وحدثنا ابن المثنى، قال حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، كلهم عن الأعمش، في هذا الإسناد بمثل معناه ‏.

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৭৯, ই.সে. ১৩৯২)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৭৯, ই.সে. ১৩৯২)

حدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، أخبرنا عبثر، ح وحدثني محمد بن بكار بن الريان، قال حدثنا إسماعيل بن زكرياء، ح وحدثنا ابن المثنى، قال حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، كلهم عن الأعمش، في هذا الإسناد بمثل معناه ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৯৮

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحو هذا ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৪, ই.সে. ১৩৯৬)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৪, ই.সে. ১৩৯৬)

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحو هذا ‏.


সহিহ মুসলিম > মাসজিদের দিকে অধিক পদচারণা ও যাতায়াতের ফাযীলত

সহিহ মুসলিম ১৪০৪

وحدثنا حجاج بن الشاعر، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا زكرياء بن إسحاق، حدثنا أبو الزبير، قال سمعت جابر بن عبد الله، قال كانت ديارنا نائية عن المسجد، فأردنا أن نبيع، بيوتنا فنقترب من المسجد فنهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ إن لكم بكل خطوة درجة ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের বাড়ী মসজিদ থেকে দূরে অবস্থিত ছিল। আমরা মাসজিদের আশে-পাশে বাড়ী নির্মাণের জন্য ঐ ঘর-বাড়ী বেঁচে ফেলতে মনস্থ করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা করতে নিষেধ করেন। তিনি (আমাদের সম্বোধন করে) বললেনঃ (সলাতের জন্য মাসজিদের আসার) প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তোমাদের মর্যাদা ও সাওয়াব বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। (ই.ফা. ১৩৯০, ই.সে. ১৪০২)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের বাড়ী মসজিদ থেকে দূরে অবস্থিত ছিল। আমরা মাসজিদের আশে-পাশে বাড়ী নির্মাণের জন্য ঐ ঘর-বাড়ী বেঁচে ফেলতে মনস্থ করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা করতে নিষেধ করেন। তিনি (আমাদের সম্বোধন করে) বললেনঃ (সলাতের জন্য মাসজিদের আসার) প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে তোমাদের মর্যাদা ও সাওয়াব বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। (ই.ফা. ১৩৯০, ই.সে. ১৪০২)

وحدثنا حجاج بن الشاعر، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا زكرياء بن إسحاق، حدثنا أبو الزبير، قال سمعت جابر بن عبد الله، قال كانت ديارنا نائية عن المسجد، فأردنا أن نبيع، بيوتنا فنقترب من المسجد فنهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ إن لكم بكل خطوة درجة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৯৯

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن أعظم الناس أجرا في الصلاة أبعدهم إليها ممشى فأبعدهم والذي ينتظر الصلاة حتى يصليها مع الإمام أعظم أجرا من الذي يصليها ثم ينام ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية أبي كريب ‏"‏ حتى يصليها مع الإمام في جماعة ‏"‏ ‏.

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার হাঁটার পথ (অর্থাৎ-ঘর) মসজিদ থেকে বেশী দূরে সে সলাতের অধিক সাওয়াব লাভের হাক্বদ্বার আর যে ব্যক্তি সলাতের জন্য অপেক্ষা করে ইমামের সাথে (জামা’আতে) সলাত আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে বেশী সাওয়াবের হাক্বদ্বার যে একাকী সলাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে “জামা‘আতে ইমামের সাথে সলাত আদায় করে” কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১৩৮৫, ই.সে. ১৩৯৭)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার হাঁটার পথ (অর্থাৎ-ঘর) মসজিদ থেকে বেশী দূরে সে সলাতের অধিক সাওয়াব লাভের হাক্বদ্বার আর যে ব্যক্তি সলাতের জন্য অপেক্ষা করে ইমামের সাথে (জামা’আতে) সলাত আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে বেশী সাওয়াবের হাক্বদ্বার যে একাকী সলাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে “জামা‘আতে ইমামের সাথে সলাত আদায় করে” কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১৩৮৫, ই.সে. ১৩৯৭)

حدثنا عبد الله بن براد الأشعري، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن أعظم الناس أجرا في الصلاة أبعدهم إليها ممشى فأبعدهم والذي ينتظر الصلاة حتى يصليها مع الإمام أعظم أجرا من الذي يصليها ثم ينام ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية أبي كريب ‏"‏ حتى يصليها مع الإمام في جماعة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০৩

وحدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، ومحمد بن أبي عمر، كلاهما عن ابن عيينة، ح وحدثنا سعيد بن أزهر الواسطي، قال حدثنا وكيع، حدثنا أبي كلهم، عن عاصم، بهذا الإسناد نحوه ‏.

‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৯, ই.সে. ১৪০১)

‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৯, ই.সে. ১৪০১)

وحدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، ومحمد بن أبي عمر، كلاهما عن ابن عيينة، ح وحدثنا سعيد بن أزهر الواسطي، قال حدثنا وكيع، حدثنا أبي كلهم، عن عاصم، بهذا الإسناد نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبثر، عن سليمان التيمي، عن أبي عثمان النهدي، عن أبى بن كعب، قال كان رجل لا أعلم رجلا أبعد من المسجد منه وكان لا تخطئه صلاة - قال - فقيل له أو قلت له لو اشتريت حمارا تركبه في الظلماء وفي الرمضاء ‏.‏ قال ما يسرني أن منزلي إلى جنب المسجد إني أريد أن يكتب لي ممشاى إلى المسجد ورجوعي إذا رجعت إلى أهلي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد جمع الله لك ذلك كله ‏"‏ ‏.

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জৈনিক লোক সম্পর্কে জানি যার বাড়ী অপেক্ষা কারো বাড়ী মসজিদ থেকে অধিক দূরে ছিল বলে আমার জানা নেই। জামা’আতের সাথে কোন ওয়াক্তের সলাত আদায় করা তিনি ছাড়তেন না। উবাই ইবনু কা’ব বলেনঃ তাকে বলা হলো অথবা (বর্ণনাকারী আবূ ‘উসমান নাহদীর সন্দেহ) আমি বললামঃ যদি তুমি একটি গাধা কিনে নাও এবং তার পিঠে আরোহণ করে রাতের অন্ধকারে এবং রোদের মধ্যে সলাত আদায় করতে আসো তাহলে তো বেশ ভালই হয়। একথা শুনে সে বললঃ আমার বাড়ী মাসজিদের পাশে হোক তা আমি পছন্দ করি না। আমি চাই মাসজিদে হেঁটে আসা এবং মাসজিদে থেকে ঘরে আমার পরিবার-পরিজনের কাছে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ আমার জন্য (‘আমালনামায়) লিপিবদ্ধ হোক। তার এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ তা’আলা তোমার জন্য অনুরূপ সাওয়াবই একত্রিত করে রেখেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৬, ই.সে. ১৩৯৮)

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জৈনিক লোক সম্পর্কে জানি যার বাড়ী অপেক্ষা কারো বাড়ী মসজিদ থেকে অধিক দূরে ছিল বলে আমার জানা নেই। জামা’আতের সাথে কোন ওয়াক্তের সলাত আদায় করা তিনি ছাড়তেন না। উবাই ইবনু কা’ব বলেনঃ তাকে বলা হলো অথবা (বর্ণনাকারী আবূ ‘উসমান নাহদীর সন্দেহ) আমি বললামঃ যদি তুমি একটি গাধা কিনে নাও এবং তার পিঠে আরোহণ করে রাতের অন্ধকারে এবং রোদের মধ্যে সলাত আদায় করতে আসো তাহলে তো বেশ ভালই হয়। একথা শুনে সে বললঃ আমার বাড়ী মাসজিদের পাশে হোক তা আমি পছন্দ করি না। আমি চাই মাসজিদে হেঁটে আসা এবং মাসজিদে থেকে ঘরে আমার পরিবার-পরিজনের কাছে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ আমার জন্য (‘আমালনামায়) লিপিবদ্ধ হোক। তার এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ তা’আলা তোমার জন্য অনুরূপ সাওয়াবই একত্রিত করে রেখেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৬, ই.সে. ১৩৯৮)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبثر، عن سليمان التيمي، عن أبي عثمان النهدي، عن أبى بن كعب، قال كان رجل لا أعلم رجلا أبعد من المسجد منه وكان لا تخطئه صلاة - قال - فقيل له أو قلت له لو اشتريت حمارا تركبه في الظلماء وفي الرمضاء ‏.‏ قال ما يسرني أن منزلي إلى جنب المسجد إني أريد أن يكتب لي ممشاى إلى المسجد ورجوعي إذا رجعت إلى أهلي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد جمع الله لك ذلك كله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০১

وحدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال أخبرنا جرير، كلاهما عن التيمي، بهذا الإسناد ‏.‏ بنحوه ‏.

আত্‌ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৭, ই.সে. ১৩৯৯)

আত্‌ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৮৭, ই.সে. ১৩৯৯)

وحدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، قال أخبرنا جرير، كلاهما عن التيمي، بهذا الإسناد ‏.‏ بنحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০২

حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا عباد بن عباد، حدثنا عاصم، عن أبي عثمان، عن أبى بن كعب، قال كان رجل من الأنصار بيته أقصى بيت في المدينة فكان لا تخطئه الصلاة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فتوجعنا له فقلت له يا فلان لو أنك اشتريت حمارا يقيك من الرمضاء ويقيك من هوام الأرض ‏.‏ قال أما والله ما أحب أن بيتي مطنب ببيت محمد صلى الله عليه وسلم قال فحملت به حملا حتى أتيت نبي الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته - قال - فدعاه فقال له مثل ذلك وذكر له أنه يرجو في أثره الأجر ‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن لك ما احتسبت ‏"‏ ‏.

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক আনসারী ছিল যার বাড়ী মাদীনার অন্য লোকদের বাড়ীর তুলনায় (মাসজিদে নাবাবী থেকে) দূরে অবস্থিত ছিল। কিন্ত সে জামা’আতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে এক ওয়াক্ত সলাতও ছাড়ত না। উবাই ইবনু কা’ব বলেন, আমরা তার জন্য সমবেদনা অনুভব করলাম। তাই তাকে বললাম, হে অমুক! আপনি যদি একটি গাধা খরিদ করে নিতেন তাহলে সূর্যের খরতাপ থেকে রক্ষা পেতেন এবং বিষাক্ত পোকা-মাকড় থেকেও নিরাপত্তা লাভ করতে পারতেন। সে বলল, আল্লাহ্‌র শপথ!মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরের সাথেই আমার ঘর হোক তা আমি পছন্দ করি না। তার এ কথা আমার কাছে খুবই দুর্বিষহ মনে হলো। তাই আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন- সে পুনরায় অনুরূপ কথা বলল। সে এ কথাও বলল যে, এভাবে সে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সাওয়াব বা পুরস্কার আশা করে। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি যা আশা করেছ তা তুমি অবশ্যই লাভ করবে। (ই.ফা. ১৩৮৮, ই.সে. ১৪০০)

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক আনসারী ছিল যার বাড়ী মাদীনার অন্য লোকদের বাড়ীর তুলনায় (মাসজিদে নাবাবী থেকে) দূরে অবস্থিত ছিল। কিন্ত সে জামা’আতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে এক ওয়াক্ত সলাতও ছাড়ত না। উবাই ইবনু কা’ব বলেন, আমরা তার জন্য সমবেদনা অনুভব করলাম। তাই তাকে বললাম, হে অমুক! আপনি যদি একটি গাধা খরিদ করে নিতেন তাহলে সূর্যের খরতাপ থেকে রক্ষা পেতেন এবং বিষাক্ত পোকা-মাকড় থেকেও নিরাপত্তা লাভ করতে পারতেন। সে বলল, আল্লাহ্‌র শপথ!মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরের সাথেই আমার ঘর হোক তা আমি পছন্দ করি না। তার এ কথা আমার কাছে খুবই দুর্বিষহ মনে হলো। তাই আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গিয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন- সে পুনরায় অনুরূপ কথা বলল। সে এ কথাও বলল যে, এভাবে সে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে সাওয়াব বা পুরস্কার আশা করে। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি যা আশা করেছ তা তুমি অবশ্যই লাভ করবে। (ই.ফা. ১৩৮৮, ই.সে. ১৪০০)

حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا عباد بن عباد، حدثنا عاصم، عن أبي عثمان، عن أبى بن كعب، قال كان رجل من الأنصار بيته أقصى بيت في المدينة فكان لا تخطئه الصلاة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فتوجعنا له فقلت له يا فلان لو أنك اشتريت حمارا يقيك من الرمضاء ويقيك من هوام الأرض ‏.‏ قال أما والله ما أحب أن بيتي مطنب ببيت محمد صلى الله عليه وسلم قال فحملت به حملا حتى أتيت نبي الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته - قال - فدعاه فقال له مثل ذلك وذكر له أنه يرجو في أثره الأجر ‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن لك ما احتسبت ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، قال سمعت أبي يحدث، قال حدثني الجريري، عن أبي نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال خلت البقاع حول المسجد فأراد بنو سلمة أن ينتقلوا إلى قرب المسجد فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لهم ‏"‏ إنه بلغني أنكم تريدون أن تنتقلوا قرب المسجد ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم يا رسول الله قد أردنا ذلك ‏.‏ فقال ‏"‏ يا بني سلمة دياركم تكتب آثاركم دياركم تكتب آثاركم ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাসজিদে নাবাবীর পাশে কিছু জায়গা খালি হলে বানূ সাল্যমাহ্‌ গোত্র সেখানে এসে বসতি স্থাপন করতে মনস্থ করল। বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌছলে তিনি তাদের (বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকদের) উদ্দেশে বললেনঃ আমি জানতে পেরেছি যে, তোমরা মাসজিদের কাছে চলে আসতে চাও। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তাই মনস্থ করেছি। এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঐ বাড়ীতেই থাকো। কারণ তোমাদের সলাতের জন্য মাসজিদে আসার প্রতিটি পদক্ষেপ লিপিবদ্ধ করা হয়। (ই.ফা. ১৩৯১, ই.সে. ১৪০৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাসজিদে নাবাবীর পাশে কিছু জায়গা খালি হলে বানূ সাল্যমাহ্‌ গোত্র সেখানে এসে বসতি স্থাপন করতে মনস্থ করল। বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌছলে তিনি তাদের (বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকদের) উদ্দেশে বললেনঃ আমি জানতে পেরেছি যে, তোমরা মাসজিদের কাছে চলে আসতে চাও। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তাই মনস্থ করেছি। এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঐ বাড়ীতেই থাকো। কারণ তোমাদের সলাতের জন্য মাসজিদে আসার প্রতিটি পদক্ষেপ লিপিবদ্ধ করা হয়। (ই.ফা. ১৩৯১, ই.সে. ১৪০৩)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، قال سمعت أبي يحدث، قال حدثني الجريري، عن أبي نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال خلت البقاع حول المسجد فأراد بنو سلمة أن ينتقلوا إلى قرب المسجد فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لهم ‏"‏ إنه بلغني أنكم تريدون أن تنتقلوا قرب المسجد ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم يا رسول الله قد أردنا ذلك ‏.‏ فقال ‏"‏ يا بني سلمة دياركم تكتب آثاركم دياركم تكتب آثاركم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০৬

حدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا معتمر، قال سمعت كهمسا، يحدث عن أبي نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال أراد بنو سلمة أن يتحولوا، إلى قرب المسجد ‏.‏ - قال - والبقاع خالية فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ يا بني سلمة دياركم تكتب آثاركم ‏"‏ ‏.‏ فقالوا ما كان يسرنا أنا كنا تحولنا ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকজন মাসজিদে নাবাবীর কাছে এসে উক্ত খালি স্থানে বসতি স্থাপন করতে মনস্থ করল| মাসজিদের নাবাবীর পাশে কিছু খালি জায়গা ছিল। বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবগত হলে তিনি তাদেরকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকজন ! তোমরা তোমাদের বর্তমান ঘর-বাড়ীতেই থাকো | সলাতের জন্য মাসজিদে আসতে তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ (পদক্ষেপের বিনিময়ে সাওয়াব) লিখিত হয় | নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা শুনে তারা বললঃ আমরা এতে (এ কথায় এতো খুশী হলাম যে) আমাদের বাড়ী-ঘর স্থানান্তরিত করে মাসজিদের কাছে আসলেও তত খুশী হতাম না। (ই.ফা. ১৩৯২, ই.সে. ১৪০৪)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকজন মাসজিদে নাবাবীর কাছে এসে উক্ত খালি স্থানে বসতি স্থাপন করতে মনস্থ করল| মাসজিদের নাবাবীর পাশে কিছু খালি জায়গা ছিল। বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবগত হলে তিনি তাদেরকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে বানূ সালিমাহ্‌ গোত্রের লোকজন ! তোমরা তোমাদের বর্তমান ঘর-বাড়ীতেই থাকো | সলাতের জন্য মাসজিদে আসতে তোমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ (পদক্ষেপের বিনিময়ে সাওয়াব) লিখিত হয় | নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা শুনে তারা বললঃ আমরা এতে (এ কথায় এতো খুশী হলাম যে) আমাদের বাড়ী-ঘর স্থানান্তরিত করে মাসজিদের কাছে আসলেও তত খুশী হতাম না। (ই.ফা. ১৩৯২, ই.সে. ১৪০৪)

حدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا معتمر، قال سمعت كهمسا، يحدث عن أبي نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال أراد بنو سلمة أن يتحولوا، إلى قرب المسجد ‏.‏ - قال - والبقاع خالية فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ يا بني سلمة دياركم تكتب آثاركم ‏"‏ ‏.‏ فقالوا ما كان يسرنا أنا كنا تحولنا ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতের জন্য পদচারণা করা যদ্বারা পাপ মোচন ও মর্যাদা বৃদ্ধি হয়।

সহিহ মুসলিম ১৪০৭

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا زكرياء بن عدي، أخبرنا عبيد الله، - يعني ابن عمرو - عن زيد بن أبي أنيسة، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من تطهر في بيته ثم مشى إلى بيت من بيوت الله ليقضي فريضة من فرائض الله كانت خطوتاه إحداهما تحط خطيئة والأخرى ترفع درجة ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বাড়ী থেকে পাক-পবিত্র হয়ে (ওযূ করে) তারপর কোন ফারয সলাত আদায় করার জন্য হেঁটে আল্লাহর কোন ঘরে (মাসজিদে) যায় তার প্রতিটি পদক্ষেপের একটি পাপ ঝরে পড়ে এবং অপরটিতে মর্যাদা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। (ই.ফা. ১৩৯৩, ই.সে. ১৪০৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বাড়ী থেকে পাক-পবিত্র হয়ে (ওযূ করে) তারপর কোন ফারয সলাত আদায় করার জন্য হেঁটে আল্লাহর কোন ঘরে (মাসজিদে) যায় তার প্রতিটি পদক্ষেপের একটি পাপ ঝরে পড়ে এবং অপরটিতে মর্যাদা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। (ই.ফা. ১৩৯৩, ই.সে. ১৪০৫)

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا زكرياء بن عدي، أخبرنا عبيد الله، - يعني ابن عمرو - عن زيد بن أبي أنيسة، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من تطهر في بيته ثم مشى إلى بيت من بيوت الله ليقضي فريضة من فرائض الله كانت خطوتاه إحداهما تحط خطيئة والأخرى ترفع درجة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪১০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا محمد بن مطرف، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من غدا إلى المسجد أو راح أعد الله له في الجنة نزلا كلما غدا أو راح ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে এবং সন্ধ্যায় সলাত আদায় করতে মাসজিদে যায় এবং যতবার যায় আল্লাহ তা’আলা ততবারই তার জন্য জান্নাতের মধ্যে মেহমানদারীর উপকরণ প্রস্তত করেন। (ই.ফা. ১৩৯৬, ই.সে. ১৪০৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে এবং সন্ধ্যায় সলাত আদায় করতে মাসজিদে যায় এবং যতবার যায় আল্লাহ তা’আলা ততবারই তার জন্য জান্নাতের মধ্যে মেহমানদারীর উপকরণ প্রস্তত করেন। (ই.ফা. ১৩৯৬, ই.সে. ১৪০৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا محمد بن مطرف، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من غدا إلى المسجد أو راح أعد الله له في الجنة نزلا كلما غدا أو راح ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০৮

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وقال قتيبة حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - كلاهما عن ابن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وفي حديث بكر أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شىء ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا يبقى من درنه شىء ‏.‏ قال ‏"‏ فذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তবে বকরের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদের কারো বাড়ীর দরজার সামনেই যদি একটি নদী থাকে আর সে ঐ নদীতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে তাহলে কি তার শরীরে কোন ময়লা থাকতে পারে? এ ব্যাপারে তোমরা কি বলো? সবাই বললঃ না, তার শরীরে কোন প্রকার ময়লা থাকবে না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটিই পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের দৃষ্টান্ত | এর দ্বারা আল্লাহ তা’আলা সকল পাপ মুছে নিঃশেষ করে দেন। (ই.ফা. ১৩৯৪, ই.সে. ১৪০৬)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তবে বকরের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদের কারো বাড়ীর দরজার সামনেই যদি একটি নদী থাকে আর সে ঐ নদীতে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে তাহলে কি তার শরীরে কোন ময়লা থাকতে পারে? এ ব্যাপারে তোমরা কি বলো? সবাই বললঃ না, তার শরীরে কোন প্রকার ময়লা থাকবে না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটিই পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের দৃষ্টান্ত | এর দ্বারা আল্লাহ তা’আলা সকল পাপ মুছে নিঃশেষ করে দেন। (ই.ফা. ১৩৯৪, ই.সে. ১৪০৬)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وقال قتيبة حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - كلاهما عن ابن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وفي حديث بكر أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شىء ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا يبقى من درنه شىء ‏.‏ قال ‏"‏ فذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪০৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، - وهو ابن عبد الله - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مثل الصلوات الخمس كمثل نهر جار غمر على باب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات ‏"‏ ‏.‏ قال قال الحسن وما يبقي ذلك من الدرن

জাবির থেকে বর্ণিত, যিনি ‘আবদুল্লাহর পুত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচ ওয়াক্ত সলাতকে তোমাদের কারোর বাড়ীর দরজার পাশ দিয়ে দু’কূল ছাপিয়ে উঠা প্রবহমান নদীর সাথে উপমা দেয়া যেতে পারে। আর ঐ নদীতে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে। বর্ণনাকারী বলেন, হাসান বলেছেনঃ এভাবে (গোসল করলে) কোন ময়লা অবশিস্ট থাকবে না। (ই.ফা. ১৩৯৫, ই.সে. ১৪০৭)

জাবির থেকে বর্ণিত, যিনি ‘আবদুল্লাহর পুত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচ ওয়াক্ত সলাতকে তোমাদের কারোর বাড়ীর দরজার পাশ দিয়ে দু’কূল ছাপিয়ে উঠা প্রবহমান নদীর সাথে উপমা দেয়া যেতে পারে। আর ঐ নদীতে সে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে। বর্ণনাকারী বলেন, হাসান বলেছেনঃ এভাবে (গোসল করলে) কোন ময়লা অবশিস্ট থাকবে না। (ই.ফা. ১৩৯৫, ই.সে. ১৪০৭)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، - وهو ابن عبد الله - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مثل الصلوات الخمس كمثل نهر جار غمر على باب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات ‏"‏ ‏.‏ قال قال الحسن وما يبقي ذلك من الدرن


সহিহ মুসলিম > ফাজরের সলাতের পর বসে থাকার এবং মসজিদসমূহের ফাযীলত

সহিহ মুসলিম ১৪১১

حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سماك، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال أخبرنا أبو خيثمة، عن سماك بن حرب، قال قلت لجابر بن سمرة أكنت تجالس رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم كثيرا كان لا يقوم من مصلاه الذي يصلي فيه الصبح أو الغداة حتى تطلع الشمس فإذا طلعت الشمس قام وكانوا يتحدثون فيأخذون في أمر الجاهلية فيضحكون ويتبسم ‏.

সিমাক ইবনু হার্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্‌-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি (ফাজ্‌রের সলাতের পর) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে বসতেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, অনেক দিন বসেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের যে জায়গায় ফাজ্‌রের সলাত (অথবা বলেছেন ভোরের সলাত) আদায় করতেন সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে থেকে উঠতেন না। সূর্য উদিত হওয়ার পর তিনি সেখান থেকে উঠতেন। লোকজন তখন জাহিলী যুগের ঘটনাবলী সম্পর্কে আলোচনা করত। এসব ঘটনা আলোচনা করতে গিয়ে লোকজন হাসত আর তা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসতেন। (ই.ফা. ১৩৯৭, ই.সে. ১৪০৯)

সিমাক ইবনু হার্‌ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্‌-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি (ফাজ্‌রের সলাতের পর) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে বসতেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, অনেক দিন বসেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের যে জায়গায় ফাজ্‌রের সলাত (অথবা বলেছেন ভোরের সলাত) আদায় করতেন সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে থেকে উঠতেন না। সূর্য উদিত হওয়ার পর তিনি সেখান থেকে উঠতেন। লোকজন তখন জাহিলী যুগের ঘটনাবলী সম্পর্কে আলোচনা করত। এসব ঘটনা আলোচনা করতে গিয়ে লোকজন হাসত আর তা দেখে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসতেন। (ই.ফা. ১৩৯৭, ই.সে. ১৪০৯)

حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سماك، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال أخبرنا أبو خيثمة، عن سماك بن حرب، قال قلت لجابر بن سمرة أكنت تجالس رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم كثيرا كان لا يقوم من مصلاه الذي يصلي فيه الصبح أو الغداة حتى تطلع الشمس فإذا طلعت الشمس قام وكانوا يتحدثون فيأخذون في أمر الجاهلية فيضحكون ويتبسم ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪১৪

وحدثنا هارون بن معروف، وإسحاق بن موسى الأنصاري، قالا حدثنا أنس بن عياض، - حدثني ابن أبي ذباب، في رواية هارون - وفي حديث الأنصاري حدثني الحارث - عن عبد الرحمن بن مهران مولى أبي هريرة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أحب البلاد إلى الله مساجدها وأبغض البلاد إلى الله أسواقها ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার কাছে সব চাইতে প্রিয় জায়গা হলো মসজিদসমূহ আর সব চাইতে খারাপ জায়গা হলো বাজারসমূহ। (ই.ফা. ১৪০০, ই.সে. ১৪১২)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার কাছে সব চাইতে প্রিয় জায়গা হলো মসজিদসমূহ আর সব চাইতে খারাপ জায়গা হলো বাজারসমূহ। (ই.ফা. ১৪০০, ই.সে. ১৪১২)

وحدثنا هارون بن معروف، وإسحاق بن موسى الأنصاري، قالا حدثنا أنس بن عياض، - حدثني ابن أبي ذباب، في رواية هارون - وفي حديث الأنصاري حدثني الحارث - عن عبد الرحمن بن مهران مولى أبي هريرة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أحب البلاد إلى الله مساجدها وأبغض البلاد إلى الله أسواقها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪১২

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، قال أبو بكر وحدثنا محمد بن بشر، عن زكرياء، كلاهما عن سماك، عن جابر بن سمرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا صلى الفجر جلس في مصلاه حتى تطلع الشمس حسنا ‏.

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজ্‌রের সলাত আদায়ের পর সূর্য স্পষ্টভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সলাতের জায়গায় বসে থাকতেন। (ই.ফা. ১৩৯৮, ই.সে. ১৪১০)

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজ্‌রের সলাত আদায়ের পর সূর্য স্পষ্টভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সলাতের জায়গায় বসে থাকতেন। (ই.ফা. ১৩৯৮, ই.সে. ১৪১০)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، قال أبو بكر وحدثنا محمد بن بشر، عن زكرياء، كلاهما عن سماك، عن جابر بن سمرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا صلى الفجر جلس في مصلاه حتى تطلع الشمس حسنا ‏.


সহিহ মুসলিম ১৪১৩

وحدثنا قتيبة، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو الأحوص، ح قال وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلاهما عن سماك، بهذا الإسناد ‏.‏ ولم يقولا حسنا ‏.

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণিত। কিন্ত তাতে ‘ভালভাবে’ শব্দটির উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ১৩৯৯, ই.সে. ১৪১১)

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে বর্ণিত। কিন্ত তাতে ‘ভালভাবে’ শব্দটির উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ১৩৯৯, ই.সে. ১৪১১)

وحدثنا قتيبة، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا أبو الأحوص، ح قال وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلاهما عن سماك، بهذا الإسناد ‏.‏ ولم يقولا حسنا ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00