সহিহ মুসলিম > জামা’আতের সাথে সলাত আদায় করা হিদায়াতের শামিল
সহিহ মুসলিম ১৩৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن أبي العميس، عن علي بن الأقمر، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال من سره أن يلقى الله غدا مسلما فليحافظ على هؤلاء الصلوات حيث ينادى بهن فإن الله شرع لنبيكم صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وإنهن من سنن الهدى ولو أنكم صليتم في بيوتكم كما يصلي هذا المتخلف في بيته لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم وما من رجل يتطهر فيحسن الطهور ثم يعمد إلى مسجد من هذه المساجد إلا كتب الله له بكل خطوة يخطوها حسنة ويرفعه بها درجة ويحط عنه بها سيئة ولقد رأيتنا وما يتخلف عنها إلا منافق معلوم النفاق ولقد كان الرجل يؤتى به يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল ক্বিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়। কেননা, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নাবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সলাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন জনৈক ব্যক্তি সলাতের জামা’আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সলাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সলাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পদ্ধতি পরিত্যাগ করো তাহলে অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সলাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মাসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মাসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা মনে করি যার মুনাফিক্বী সর্বজনবিদিত এমন মুনাফিক্ব ছাড়া কেউ-ই জামা’আতে সলাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যামানায় এমন ব্যক্তি জামা’আতে উপস্থিত হত যাকে দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে সলাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। (ই.ফা.১৩৬১, ই.সে.১৩৭৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল ক্বিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়। কেননা, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নাবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সলাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন জনৈক ব্যক্তি সলাতের জামা’আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সলাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সলাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পদ্ধতি পরিত্যাগ করো তাহলে অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সলাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মাসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মাসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা মনে করি যার মুনাফিক্বী সর্বজনবিদিত এমন মুনাফিক্ব ছাড়া কেউ-ই জামা’আতে সলাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যামানায় এমন ব্যক্তি জামা’আতে উপস্থিত হত যাকে দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে সলাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। (ই.ফা.১৩৬১, ই.সে.১৩৭৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن أبي العميس، عن علي بن الأقمر، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال من سره أن يلقى الله غدا مسلما فليحافظ على هؤلاء الصلوات حيث ينادى بهن فإن الله شرع لنبيكم صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وإنهن من سنن الهدى ولو أنكم صليتم في بيوتكم كما يصلي هذا المتخلف في بيته لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم وما من رجل يتطهر فيحسن الطهور ثم يعمد إلى مسجد من هذه المساجد إلا كتب الله له بكل خطوة يخطوها حسنة ويرفعه بها درجة ويحط عنه بها سيئة ولقد رأيتنا وما يتخلف عنها إلا منافق معلوم النفاق ولقد كان الرجل يؤتى به يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا زكرياء بن أبي زائدة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن أبي الأحوص، قال قال عبد الله لقد رأيتنا وما يتخلف عن الصلاة إلا منافق قد علم نفاقه أو مريض إن كان المريض ليمشي بين رجلين حتى يأتي الصلاة - وقال - إن رسول الله صلى الله عليه وسلم علمنا سنن الهدى وإن من سنن الهدى الصلاة في المسجد الذي يؤذن فيه .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের ধারণা হলো মুনাফিক্ব যার নিফাক্ব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং রুগ্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউই সলাতের জামা’আত পরিত্যাগ করেনা। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর সময় রুগ্ন ব্যক্তিও দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে সলাতের জামা’আতে উপস্থিত হত। তিনি আরো বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের হিদায়াতের কথা শিখিয়েছেন। আর হিদায়াতের কথা ও পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো সে মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করা যে মাসজিদে আযান দেয়া হয়েছে। (ই.ফা.১৩৬০, ই.সে.১৩৭২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের ধারণা হলো মুনাফিক্ব যার নিফাক্ব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং রুগ্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউই সলাতের জামা’আত পরিত্যাগ করেনা। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর সময় রুগ্ন ব্যক্তিও দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে সলাতের জামা’আতে উপস্থিত হত। তিনি আরো বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের হিদায়াতের কথা শিখিয়েছেন। আর হিদায়াতের কথা ও পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো সে মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করা যে মাসজিদে আযান দেয়া হয়েছে। (ই.ফা.১৩৬০, ই.সে.১৩৭২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا زكرياء بن أبي زائدة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن أبي الأحوص، قال قال عبد الله لقد رأيتنا وما يتخلف عن الصلاة إلا منافق قد علم نفاقه أو مريض إن كان المريض ليمشي بين رجلين حتى يأتي الصلاة - وقال - إن رسول الله صلى الله عليه وسلم علمنا سنن الهدى وإن من سنن الهدى الصلاة في المسجد الذي يؤذن فيه .
সহিহ মুসলিম > জামা’আতের সাথে ‘ইশা ও ফাজরের সলাত আদায় করার ফযীলত
সহিহ মুসলিম ১৩৭৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن إبراهيم بن المهاجر، عن أبي الشعثاء، قال كنا قعودا في المسجد مع أبي هريرة فأذن المؤذن فقام رجل من المسجد يمشي فأتبعه أبو هريرة بصره حتى خرج من المسجد فقال أبو هريرة أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
আবুশ্ শা’সা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর সাথে মাসজিদে বসেছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন (সলাতের জন্য) আযান দিলো। এ সময়ে জনৈক ব্যক্তি মসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে থাকল। আর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তার প্রতি তাকিয়ে দেখতে থাকলেন। লোকটি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেল। এ দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেনঃ এ ব্যক্তি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর নীতি ও পদ্ধতির নাফরমানী করল। (ই.ফা.১৩৬২, ই.সে.১৩৭৪)
আবুশ্ শা’সা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর সাথে মাসজিদে বসেছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন (সলাতের জন্য) আযান দিলো। এ সময়ে জনৈক ব্যক্তি মসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে থাকল। আর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তার প্রতি তাকিয়ে দেখতে থাকলেন। লোকটি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেল। এ দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেনঃ এ ব্যক্তি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর নীতি ও পদ্ধতির নাফরমানী করল। (ই.ফা.১৩৬২, ই.সে.১৩৭৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن إبراهيم بن المهاجر، عن أبي الشعثاء، قال كنا قعودا في المسجد مع أبي هريرة فأذن المؤذن فقام رجل من المسجد يمشي فأتبعه أبو هريرة بصره حتى خرج من المسجد فقال أبو هريرة أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৬
وحدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، - هو ابن عيينة - عن عمر بن سعيد، عن أشعث بن أبي الشعثاء المحاربي، عن أبيه، قال سمعت أبا هريرة، ورأى، رجلا يجتاز المسجد خارجا بعد الأذان فقال أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
আবুশ্ শা’সা আল মুহারিবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আযানের পর জনৈক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, এ লোকটি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আদেশ লঙ্ঘন করল। (ই.ফা.১৩৬৩, ই.সে.১৩৭৫)
আবুশ্ শা’সা আল মুহারিবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আযানের পর জনৈক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, এ লোকটি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আদেশ লঙ্ঘন করল। (ই.ফা.১৩৬৩, ই.সে.১৩৭৫)
وحدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، - هو ابن عيينة - عن عمر بن سعيد، عن أشعث بن أبي الشعثاء المحاربي، عن أبيه، قال سمعت أبا هريرة، ورأى، رجلا يجتاز المسجد خارجا بعد الأذان فقال أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম > মুয়ায্যিন আযান দিলে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়া নিষেধ
সহিহ মুসলিম ১৩৮০
وحدثنيه يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا إسماعيل، عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندبا القسري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فإنه من يطلبه من ذمته بشىء يدركه ثم يكبه على وجهه في نار جهنم " .
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জুনদুব (ইবনু ‘আবদুল্লাহ) আল ক্বাসরীকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করল। আর আল্লাহ তা’আলা যদি তাঁর নিরাপত্তা প্রদানের হাক্ব কারো থেকে দাবী করে বসেন তাহলে সে আর রক্ষা পাবে না। তাই তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৭, ই.সে. ১৩৭৯)
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জুনদুব (ইবনু ‘আবদুল্লাহ) আল ক্বাসরীকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করল। আর আল্লাহ তা’আলা যদি তাঁর নিরাপত্তা প্রদানের হাক্ব কারো থেকে দাবী করে বসেন তাহলে সে আর রক্ষা পাবে না। তাই তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৭, ই.সে. ১৩৭৯)
وحدثنيه يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا إسماعيل، عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندبا القسري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فإنه من يطلبه من ذمته بشىء يدركه ثم يكبه على وجهه في نار جهنم " .
সহিহ মুসলিম ১৩৮১
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن هارون، عن داود بن أبي هند، عن الحسن، عن جندب بن سفيان، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا ولم يذكر " فيكبه في نار جهنم " .
জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি “তাকে উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৩৬৮, ই.সে. ১৩৮০)
জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি “তাকে উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৩৬৮, ই.সে. ১৩৮০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن هارون، عن داود بن أبي هند، عن الحسن، عن جندب بن سفيان، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا ولم يذكر " فيكبه في نار جهنم " .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৭
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا المغيرة بن سلمة المخزومي، حدثنا عبد الواحد، - وهو ابن زياد - حدثنا عثمان بن حكيم، حدثنا عبد الرحمن بن أبي عمرة، قال دخل عثمان بن عفان المسجد بعد صلاة المغرب فقعد وحده فقعدت إليه فقال يا ابن أخي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صلى العشاء في جماعة فكأنما قام نصف الليل ومن صلى الصبح في جماعة فكأنما صلى الليل كله " .
‘আবদুর রহ্মান ইবনু আবূ ‘আম্রাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন মাগরিবের সলাতের পর ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান মাসজিদে এসে একাকী এক জায়গায় বসলেন। তখন আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বললেন - ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জামা’আতের সাথে ‘ইশার সলাত আদায় করল সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত সলাত আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত জামা’আতের সাথে আদায় করল সে যেন সারা রাত জেগে সলাত আদায় করল। (ই.ফা. ১৩৬৪, ই.সে. ১৩৭৬)
‘আবদুর রহ্মান ইবনু আবূ ‘আম্রাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন মাগরিবের সলাতের পর ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান মাসজিদে এসে একাকী এক জায়গায় বসলেন। তখন আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বললেন - ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জামা’আতের সাথে ‘ইশার সলাত আদায় করল সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত সলাত আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত জামা’আতের সাথে আদায় করল সে যেন সারা রাত জেগে সলাত আদায় করল। (ই.ফা. ১৩৬৪, ই.সে. ১৩৭৬)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا المغيرة بن سلمة المخزومي، حدثنا عبد الواحد، - وهو ابن زياد - حدثنا عثمان بن حكيم، حدثنا عبد الرحمن بن أبي عمرة، قال دخل عثمان بن عفان المسجد بعد صلاة المغرب فقعد وحده فقعدت إليه فقال يا ابن أخي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صلى العشاء في جماعة فكأنما قام نصف الليل ومن صلى الصبح في جماعة فكأنما صلى الليل كله " .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৮
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا محمد بن عبد الله الأسدي، ح وحدثني محمد بن رافع، قال حدثنا عبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن أبي سهل، عثمان بن حكيم بهذا الإسناد . مثله .
আবূ সাহ্ল ‘উসমান ইবনু হাকীম থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৬৫, ই.সে. ১৩৭৭)
আবূ সাহ্ল ‘উসমান ইবনু হাকীম থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৬৫, ই.সে. ১৩৭৭)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا محمد بن عبد الله الأسدي، ح وحدثني محمد بن رافع، قال حدثنا عبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن أبي سهل، عثمان بن حكيم بهذا الإسناد . مثله .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৯
وحدثني نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندب بن عبد الله، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فيدركه فيكبه في نار جهنم " .
জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো। আর আল্লাহ তোমাদের কারো কাছে তাঁর রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাদানের বিনিময়ে কোন অধিকার দাবী করেন না। যদি করেন তাহলে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করবেন যে, উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৬, ই.সে. ১৩৭৮)
জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো। আর আল্লাহ তোমাদের কারো কাছে তাঁর রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাদানের বিনিময়ে কোন অধিকার দাবী করেন না। যদি করেন তাহলে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করবেন যে, উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৬, ই.সে. ১৩৭৮)
وحدثني نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندب بن عبد الله، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فيدركه فيكبه في نار جهنم " .
সহিহ মুসলিম > কোন ওযরবশতঃ জামা’আতে শারীক না হওয়া
সহিহ মুসলিম ১৩৮৪
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن الأوزاعي، قال حدثني الزهري، عن محمود بن الربيع، قال إني لأعقل مجة مجها رسول الله صلى الله عليه وسلم من دلو في دارنا . قال محمود فحدثني عتبان بن مالك قال قلت يا رسول الله إن بصري قد ساء . وساق الحديث إلى قوله فصلى بنا ركعتين وحبسنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على جشيشة صنعناها له . ولم يذكر ما بعده من زيادة يونس ومعمر .
মাহমূদ ইবনুর রাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাড়ীতে একটি বালতি থেকে পানি নিয়ে যে কুল্লি করেছিলেন তা এখনো আমার মনে আছে। মাহমূদ ইবনুর রাবী বলেন, ‘ইত্বান ইবনু মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করে, “তিনি আমাদের সাথে নিয়ে দু’রাক’আত সলাত আদায় করলেন। আর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য পাকানো জাশীশাহ্ নামক খাবার খেতে তাকে ঠেকিয়ে রাখলাম পর্যন্ত” উল্লেখ করলেন। তবে এরপর ইউনুস ও মা’মার বর্ণিত অতিরিক্ত কথাটুকু তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৩৭১, ই.সে. ১৩৮৩)
মাহমূদ ইবনুর রাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাড়ীতে একটি বালতি থেকে পানি নিয়ে যে কুল্লি করেছিলেন তা এখনো আমার মনে আছে। মাহমূদ ইবনুর রাবী বলেন, ‘ইত্বান ইবনু মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করে, “তিনি আমাদের সাথে নিয়ে দু’রাক’আত সলাত আদায় করলেন। আর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য পাকানো জাশীশাহ্ নামক খাবার খেতে তাকে ঠেকিয়ে রাখলাম পর্যন্ত” উল্লেখ করলেন। তবে এরপর ইউনুস ও মা’মার বর্ণিত অতিরিক্ত কথাটুকু তিনি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৩৭১, ই.সে. ১৩৮৩)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن الأوزاعي، قال حدثني الزهري، عن محمود بن الربيع، قال إني لأعقل مجة مجها رسول الله صلى الله عليه وسلم من دلو في دارنا . قال محمود فحدثني عتبان بن مالك قال قلت يا رسول الله إن بصري قد ساء . وساق الحديث إلى قوله فصلى بنا ركعتين وحبسنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على جشيشة صنعناها له . ولم يذكر ما بعده من زيادة يونس ومعمر .
সহিহ মুসলিম ১৩৮৩
وحدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، كلاهما عن عبد الرزاق، قال أخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثني محمود بن ربيع، عن عتبان بن مالك، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث بمعنى حديث يونس غير أنه قال فقال رجل أين مالك بن الدخشن أو الدخيشن وزاد في الحديث قال محمود فحدثت بهذا الحديث نفرا فيهم أبو أيوب الأنصاري فقال ما أظن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما قلت - قال - فحلفت إن رجعت إلى عتبان أن أسأله - قال - فرجعت إليه فوجدته شيخا كبيرا قد ذهب بصره وهو إمام قومه فجلست إلى جنبه فسألته عن هذا الحديث فحدثنيه كما حدثنيه أول مرة . قال الزهري ثم نزلت بعد ذلك فرائض وأمور نرى أن الأمر انتهى إليها فمن استطاع أن لا يغتر فلا يغتر .
‘ইত্বান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গেলাম। তবে এ হাদীসে তিনি এতটুকু অধিক বর্ণনা করেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি বলে উঠল, মালিক ইবনুদ্ দুখশুন অথবা বলল (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) মালিক ইবনুদ্ দুখায়শিন কোথায়? তিনি হাদীসটিতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বলেছেন, আমি এ হাদীসটি একদল লোকের কাছে বর্ণনা করলাম। তাদের মধ্যে (সহাবা) আবূ আইয়ূব আল আনসারীও ছিলেন। তিনি বললেন, তুমি যা বললে আমার মনে হয় না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা বলেছেন। মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বলেন, এ কথা শুনে আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে ‘ইত্বান ইবনু মালিককে আবার জিজ্ঞেস করার জন্য তার কাছে ফিরে যাব। তিনি বলেছেনঃ অতঃপর আমি তার কাছে গেলাম। তখন তিনি অত্যন্ত বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর দৃষ্টিশক্তিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তিনি ছিলেন তার ক্বওমের ইমাম। আমি গিয়ে পাশে বসে এ হাদীসটি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি আমাকে প্রথমবারের মতো করে হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালেন। হাদীসটির বর্ণনাকারী যুহরী বলেছেন, এ ঘটনার পরেও আরো অনেক ফারয ও অন্যান্য বিষয়ে হুকুম আহ্কাম অবতীর্ণ হয়েছে। আমরা মনে করি যে, (হুকুম-আহ্কামের) বিষয়টি এর পরেই শেষ হয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি ধোঁকায় পড়তে না চায়, সে যেন এর দ্বারা ধোঁকায় না পড়ে। (ই.ফা. ১৩৭০, ই.সে. ১৩৮২)
‘ইত্বান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গেলাম। তবে এ হাদীসে তিনি এতটুকু অধিক বর্ণনা করেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি বলে উঠল, মালিক ইবনুদ্ দুখশুন অথবা বলল (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) মালিক ইবনুদ্ দুখায়শিন কোথায়? তিনি হাদীসটিতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বলেছেন, আমি এ হাদীসটি একদল লোকের কাছে বর্ণনা করলাম। তাদের মধ্যে (সহাবা) আবূ আইয়ূব আল আনসারীও ছিলেন। তিনি বললেন, তুমি যা বললে আমার মনে হয় না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা বলেছেন। মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বলেন, এ কথা শুনে আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে ‘ইত্বান ইবনু মালিককে আবার জিজ্ঞেস করার জন্য তার কাছে ফিরে যাব। তিনি বলেছেনঃ অতঃপর আমি তার কাছে গেলাম। তখন তিনি অত্যন্ত বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁর দৃষ্টিশক্তিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তিনি ছিলেন তার ক্বওমের ইমাম। আমি গিয়ে পাশে বসে এ হাদীসটি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি আমাকে প্রথমবারের মতো করে হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালেন। হাদীসটির বর্ণনাকারী যুহরী বলেছেন, এ ঘটনার পরেও আরো অনেক ফারয ও অন্যান্য বিষয়ে হুকুম আহ্কাম অবতীর্ণ হয়েছে। আমরা মনে করি যে, (হুকুম-আহ্কামের) বিষয়টি এর পরেই শেষ হয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি ধোঁকায় পড়তে না চায়, সে যেন এর দ্বারা ধোঁকায় না পড়ে। (ই.ফা. ১৩৭০, ই.সে. ১৩৮২)
وحدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، كلاهما عن عبد الرزاق، قال أخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثني محمود بن ربيع، عن عتبان بن مالك، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث بمعنى حديث يونس غير أنه قال فقال رجل أين مالك بن الدخشن أو الدخيشن وزاد في الحديث قال محمود فحدثت بهذا الحديث نفرا فيهم أبو أيوب الأنصاري فقال ما أظن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما قلت - قال - فحلفت إن رجعت إلى عتبان أن أسأله - قال - فرجعت إليه فوجدته شيخا كبيرا قد ذهب بصره وهو إمام قومه فجلست إلى جنبه فسألته عن هذا الحديث فحدثنيه كما حدثنيه أول مرة . قال الزهري ثم نزلت بعد ذلك فرائض وأمور نرى أن الأمر انتهى إليها فمن استطاع أن لا يغتر فلا يغتر .
সহিহ মুসলিম ১৩৮২
حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن محمود بن الربيع الأنصاري، حدثه أن عتبان بن مالك وهو من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الأنصار أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني قد أنكرت بصري وأنا أصلي لقومي وإذا كانت الأمطار سال الوادي الذي بيني وبينهم ولم أستطع أن آتي مسجدهم فأصلي لهم وددت أنك يا رسول الله تأتي فتصلي في مصلى . فأتخذه مصلى . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سأفعل إن شاء الله " . قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر الصديق حين ارتفع النهار فاستأذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذنت له فلم يجلس حتى دخل البيت ثم قال " أين تحب أن أصلي من بيتك " . قال فأشرت إلى ناحية من البيت فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر فقمنا وراءه فصلى ركعتين ثم سلم - قال - وحبسناه على خزير صنعناه له - قال - فثاب رجال من أهل الدار حولنا حتى اجتمع في البيت رجال ذوو عدد فقال قائل منهم أين مالك بن الدخشن فقال بعضهم ذلك منافق لا يحب الله ورسوله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقل له ذلك ألا تراه قد قال لا إله إلا الله . يريد بذلك وجه الله " . قال قالوا الله ورسوله أعلم . قال فإنما نرى وجهه ونصيحته للمنافقين . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإن الله قد حرم على النار من قال لا إله إلا الله . يبتغي بذلك وجه الله " . قال ابن شهاب ثم سألت الحصين بن محمد الأنصاري - وهو أحد بني سالم وهو من سراتهم - عن حديث محمود بن الربيع فصدقه بذلك .
মাহ্মূদ ইবনুর রাবী’ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আনসারী সহাবী ‘ইত্বান ইবনু মালিক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি। অথচ আমি আমার ক্বওমের লোকদের ইমামাত করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে তাদের ও আমার এলাকার মধ্যবর্তী উপত্যকা প্লাবিত হয়ে যায়। তাই আমি মাসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করাতে পারি না। (এভাবে আমিও জামা’আতে সলাত আদায় করা থেকে বঞ্চিত হই) হে আল্লাহর রসূল! তাই আমার আকাঙ্ক্ষা হলো, আপনি আমার বাড়ীতে গিয়ে একটি জায়গায় সলাত আদায় করবেন। সে স্থানটিকে আমি আমার সলাতের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট করে নিব। হাদীস বর্ণনাকারী মাহমূদ ইবনুর রাবী’ আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগীর আমি তা করব। ‘ইত্বান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন: পরদিন সকালে কিছুটা বেলা হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) আসলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমার বাড়ীতে প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলে তিনি বাড়ীর ভিতরে গিয়ে না বসেই সোজা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং আমাকে জিজ্ঞেস করলেন। ঘরের কোন্ স্থানে সলাত আদায় করলে তোমার ভাল হয়? আমি তখন তাকে ঘরের এক কোণের দিকে ইশারা করে দেখিয়ে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে সলাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। তিনি তাকবীরে তাহরীমা বললে আমরাও তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি দু’ রাক’আত সলাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। ‘ইত্বান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন - আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য ছোট ছোট টুকরা করে যে গোশ্ত পাক করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাঁকে তৎক্ষণাৎ চলে যেতে বাধা দিলাম। ইতোমধ্যে (খবর ছড়িয়ে পড়াতে) আমাদের আশে-পাশের বাড়ীর লোকজন ছুটে আসল। শেষ পর্যন্ত ঘরে বেশ কিছু সংখ্যক লোক জমে গেল। তাদের মধ্যে একজন বলল, মালিক ইবনুদ্ দুখশুন কোথায়? (তাকে তো দেখছি না!) অন্য একজন বলে উঠল, আরে, সে তো মুনাফিক্ব। সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলকে মোটেই পছন্দ করে না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার সম্পর্কে এভাবে বলো না। তুমি কি মনে করো না যে, সে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” বলেছে। অর্থাৎ- “আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই” বলে বিশ্বাস করেছে। ‘ইত্বান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে উপস্থিত সবাই বলল, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই এ ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। একজন বলল, আমরা দেখি, সে মুনাফিক্বদের সাথে হাসিমুখে আলাপ করে এবং তাদের (উপদেশ দানের মাধ্যমে) কল্যাণ কামনা করে বা তাদের সাথে সলাপরামর্শ করে। (এ কথা শুনে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিমিত্তে ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই বলে ঘোষণা করেছে, আল্লাহ তা’আলা তাকে জাহান্নামের জন্য হারাম করেছেন। বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব বলেন- পরে আমি বানী সালিম গোত্রের নেতৃস্থানীয় হুসায়ন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারীকে মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বর্ণিত হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি হাদীসটির সত্যতা স্বীকার করলেন। (ই.ফা. ১৩৬৯, ই.সে. ১৩৮১)
মাহ্মূদ ইবনুর রাবী’ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আনসারী সহাবী ‘ইত্বান ইবনু মালিক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি। অথচ আমি আমার ক্বওমের লোকদের ইমামাত করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে তাদের ও আমার এলাকার মধ্যবর্তী উপত্যকা প্লাবিত হয়ে যায়। তাই আমি মাসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করাতে পারি না। (এভাবে আমিও জামা’আতে সলাত আদায় করা থেকে বঞ্চিত হই) হে আল্লাহর রসূল! তাই আমার আকাঙ্ক্ষা হলো, আপনি আমার বাড়ীতে গিয়ে একটি জায়গায় সলাত আদায় করবেন। সে স্থানটিকে আমি আমার সলাতের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট করে নিব। হাদীস বর্ণনাকারী মাহমূদ ইবনুর রাবী’ আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগীর আমি তা করব। ‘ইত্বান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন: পরদিন সকালে কিছুটা বেলা হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) আসলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমার বাড়ীতে প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলে তিনি বাড়ীর ভিতরে গিয়ে না বসেই সোজা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং আমাকে জিজ্ঞেস করলেন। ঘরের কোন্ স্থানে সলাত আদায় করলে তোমার ভাল হয়? আমি তখন তাকে ঘরের এক কোণের দিকে ইশারা করে দেখিয়ে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে সলাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। তিনি তাকবীরে তাহরীমা বললে আমরাও তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি দু’ রাক’আত সলাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। ‘ইত্বান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন - আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য ছোট ছোট টুকরা করে যে গোশ্ত পাক করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাঁকে তৎক্ষণাৎ চলে যেতে বাধা দিলাম। ইতোমধ্যে (খবর ছড়িয়ে পড়াতে) আমাদের আশে-পাশের বাড়ীর লোকজন ছুটে আসল। শেষ পর্যন্ত ঘরে বেশ কিছু সংখ্যক লোক জমে গেল। তাদের মধ্যে একজন বলল, মালিক ইবনুদ্ দুখশুন কোথায়? (তাকে তো দেখছি না!) অন্য একজন বলে উঠল, আরে, সে তো মুনাফিক্ব। সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলকে মোটেই পছন্দ করে না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার সম্পর্কে এভাবে বলো না। তুমি কি মনে করো না যে, সে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” বলেছে। অর্থাৎ- “আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই” বলে বিশ্বাস করেছে। ‘ইত্বান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে উপস্থিত সবাই বলল, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই এ ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। একজন বলল, আমরা দেখি, সে মুনাফিক্বদের সাথে হাসিমুখে আলাপ করে এবং তাদের (উপদেশ দানের মাধ্যমে) কল্যাণ কামনা করে বা তাদের সাথে সলাপরামর্শ করে। (এ কথা শুনে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিমিত্তে ‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই বলে ঘোষণা করেছে, আল্লাহ তা’আলা তাকে জাহান্নামের জন্য হারাম করেছেন। বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব বলেন- পরে আমি বানী সালিম গোত্রের নেতৃস্থানীয় হুসায়ন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারীকে মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বর্ণিত হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি হাদীসটির সত্যতা স্বীকার করলেন। (ই.ফা. ১৩৬৯, ই.সে. ১৩৮১)
حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أن محمود بن الربيع الأنصاري، حدثه أن عتبان بن مالك وهو من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الأنصار أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني قد أنكرت بصري وأنا أصلي لقومي وإذا كانت الأمطار سال الوادي الذي بيني وبينهم ولم أستطع أن آتي مسجدهم فأصلي لهم وددت أنك يا رسول الله تأتي فتصلي في مصلى . فأتخذه مصلى . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سأفعل إن شاء الله " . قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر الصديق حين ارتفع النهار فاستأذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فأذنت له فلم يجلس حتى دخل البيت ثم قال " أين تحب أن أصلي من بيتك " . قال فأشرت إلى ناحية من البيت فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر فقمنا وراءه فصلى ركعتين ثم سلم - قال - وحبسناه على خزير صنعناه له - قال - فثاب رجال من أهل الدار حولنا حتى اجتمع في البيت رجال ذوو عدد فقال قائل منهم أين مالك بن الدخشن فقال بعضهم ذلك منافق لا يحب الله ورسوله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقل له ذلك ألا تراه قد قال لا إله إلا الله . يريد بذلك وجه الله " . قال قالوا الله ورسوله أعلم . قال فإنما نرى وجهه ونصيحته للمنافقين . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإن الله قد حرم على النار من قال لا إله إلا الله . يبتغي بذلك وجه الله " . قال ابن شهاب ثم سألت الحصين بن محمد الأنصاري - وهو أحد بني سالم وهو من سراتهم - عن حديث محمود بن الربيع فصدقه بذلك .