সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি আযান শুনে তার জন্য মাসজিদে আসা ওয়াজিব
সহিহ মুসলিম ১৩৭২
وحدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، وسويد بن سعيد، ويعقوب الدورقي، كلهم عن مروان الفزاري، - قال قتيبة حدثنا الفزاري، - عن عبيد الله بن الأصم، قال حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل أعمى فقال يا رسول الله إنه ليس لي قائد يقودني إلى المسجد . فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرخص له فيصلي في بيته فرخص له فلما ولى دعاه فقال " هل تسمع النداء بالصلاة " . فقال نعم . قال " فأجب " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক অন্ধ লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ধরে মাসজিদে নিয়ে আসার মতো কেউ নেই’। অতঃপর তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি প্রদান করার জন্য সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর কাছে আবেদন জানাল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি দিলেন। কিন্তু যে সময় লোকটি ফিরে যেতে উদ্যত হলো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন? তুমি কি সলাতের আযান শুনতে পাও? সে বলল, হ্যাঁ (আমি আযান শুনতে পাই)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি মাসজিদে আসবে। (ই.ফা.১৩৫৯, ই.সে.১৩৭১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক অন্ধ লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ধরে মাসজিদে নিয়ে আসার মতো কেউ নেই’। অতঃপর তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি প্রদান করার জন্য সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর কাছে আবেদন জানাল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি দিলেন। কিন্তু যে সময় লোকটি ফিরে যেতে উদ্যত হলো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন? তুমি কি সলাতের আযান শুনতে পাও? সে বলল, হ্যাঁ (আমি আযান শুনতে পাই)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি মাসজিদে আসবে। (ই.ফা.১৩৫৯, ই.সে.১৩৭১)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، وسويد بن سعيد، ويعقوب الدورقي، كلهم عن مروان الفزاري، - قال قتيبة حدثنا الفزاري، - عن عبيد الله بن الأصم، قال حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل أعمى فقال يا رسول الله إنه ليس لي قائد يقودني إلى المسجد . فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرخص له فيصلي في بيته فرخص له فلما ولى دعاه فقال " هل تسمع النداء بالصلاة " . فقال نعم . قال " فأجب " .
সহিহ মুসলিম > জামা’আতের সাথে সলাত আদায় করা হিদায়াতের শামিল
সহিহ মুসলিম ১৩৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن أبي العميس، عن علي بن الأقمر، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال من سره أن يلقى الله غدا مسلما فليحافظ على هؤلاء الصلوات حيث ينادى بهن فإن الله شرع لنبيكم صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وإنهن من سنن الهدى ولو أنكم صليتم في بيوتكم كما يصلي هذا المتخلف في بيته لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم وما من رجل يتطهر فيحسن الطهور ثم يعمد إلى مسجد من هذه المساجد إلا كتب الله له بكل خطوة يخطوها حسنة ويرفعه بها درجة ويحط عنه بها سيئة ولقد رأيتنا وما يتخلف عنها إلا منافق معلوم النفاق ولقد كان الرجل يؤتى به يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল ক্বিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়। কেননা, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নাবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সলাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন জনৈক ব্যক্তি সলাতের জামা’আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সলাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সলাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পদ্ধতি পরিত্যাগ করো তাহলে অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সলাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মাসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মাসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা মনে করি যার মুনাফিক্বী সর্বজনবিদিত এমন মুনাফিক্ব ছাড়া কেউ-ই জামা’আতে সলাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যামানায় এমন ব্যক্তি জামা’আতে উপস্থিত হত যাকে দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে সলাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। (ই.ফা.১৩৬১, ই.সে.১৩৭৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল ক্বিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়। কেননা, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নাবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সলাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন জনৈক ব্যক্তি সলাতের জামা’আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সলাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সলাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পদ্ধতি পরিত্যাগ করো তাহলে অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সলাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মাসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মাসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা মনে করি যার মুনাফিক্বী সর্বজনবিদিত এমন মুনাফিক্ব ছাড়া কেউ-ই জামা’আতে সলাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর যামানায় এমন ব্যক্তি জামা’আতে উপস্থিত হত যাকে দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে সলাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। (ই.ফা.১৩৬১, ই.সে.১৩৭৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن أبي العميس، عن علي بن الأقمر، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال من سره أن يلقى الله غدا مسلما فليحافظ على هؤلاء الصلوات حيث ينادى بهن فإن الله شرع لنبيكم صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وإنهن من سنن الهدى ولو أنكم صليتم في بيوتكم كما يصلي هذا المتخلف في بيته لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم وما من رجل يتطهر فيحسن الطهور ثم يعمد إلى مسجد من هذه المساجد إلا كتب الله له بكل خطوة يخطوها حسنة ويرفعه بها درجة ويحط عنه بها سيئة ولقد رأيتنا وما يتخلف عنها إلا منافق معلوم النفاق ولقد كان الرجل يؤتى به يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا زكرياء بن أبي زائدة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن أبي الأحوص، قال قال عبد الله لقد رأيتنا وما يتخلف عن الصلاة إلا منافق قد علم نفاقه أو مريض إن كان المريض ليمشي بين رجلين حتى يأتي الصلاة - وقال - إن رسول الله صلى الله عليه وسلم علمنا سنن الهدى وإن من سنن الهدى الصلاة في المسجد الذي يؤذن فيه .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের ধারণা হলো মুনাফিক্ব যার নিফাক্ব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং রুগ্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউই সলাতের জামা’আত পরিত্যাগ করেনা। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর সময় রুগ্ন ব্যক্তিও দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে সলাতের জামা’আতে উপস্থিত হত। তিনি আরো বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের হিদায়াতের কথা শিখিয়েছেন। আর হিদায়াতের কথা ও পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো সে মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করা যে মাসজিদে আযান দেয়া হয়েছে। (ই.ফা.১৩৬০, ই.সে.১৩৭২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের ধারণা হলো মুনাফিক্ব যার নিফাক্ব স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং রুগ্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউই সলাতের জামা’আত পরিত্যাগ করেনা। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর সময় রুগ্ন ব্যক্তিও দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে সলাতের জামা’আতে উপস্থিত হত। তিনি আরো বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের হিদায়াতের কথা শিখিয়েছেন। আর হিদায়াতের কথা ও পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো সে মসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করা যে মাসজিদে আযান দেয়া হয়েছে। (ই.ফা.১৩৬০, ই.সে.১৩৭২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا زكرياء بن أبي زائدة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن أبي الأحوص، قال قال عبد الله لقد رأيتنا وما يتخلف عن الصلاة إلا منافق قد علم نفاقه أو مريض إن كان المريض ليمشي بين رجلين حتى يأتي الصلاة - وقال - إن رسول الله صلى الله عليه وسلم علمنا سنن الهدى وإن من سنن الهدى الصلاة في المسجد الذي يؤذن فيه .
সহিহ মুসলিম > জামা’আতের সাথে ‘ইশা ও ফাজরের সলাত আদায় করার ফযীলত
সহিহ মুসলিম ১৩৭৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن إبراهيم بن المهاجر، عن أبي الشعثاء، قال كنا قعودا في المسجد مع أبي هريرة فأذن المؤذن فقام رجل من المسجد يمشي فأتبعه أبو هريرة بصره حتى خرج من المسجد فقال أبو هريرة أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
আবুশ্ শা’সা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর সাথে মাসজিদে বসেছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন (সলাতের জন্য) আযান দিলো। এ সময়ে জনৈক ব্যক্তি মসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে থাকল। আর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তার প্রতি তাকিয়ে দেখতে থাকলেন। লোকটি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেল। এ দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেনঃ এ ব্যক্তি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর নীতি ও পদ্ধতির নাফরমানী করল। (ই.ফা.১৩৬২, ই.সে.১৩৭৪)
আবুশ্ শা’সা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর সাথে মাসজিদে বসেছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াযযিন (সলাতের জন্য) আযান দিলো। এ সময়ে জনৈক ব্যক্তি মসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে থাকল। আর আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তার প্রতি তাকিয়ে দেখতে থাকলেন। লোকটি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেল। এ দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেনঃ এ ব্যক্তি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর নীতি ও পদ্ধতির নাফরমানী করল। (ই.ফা.১৩৬২, ই.সে.১৩৭৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن إبراهيم بن المهاجر، عن أبي الشعثاء، قال كنا قعودا في المسجد مع أبي هريرة فأذن المؤذن فقام رجل من المسجد يمشي فأتبعه أبو هريرة بصره حتى خرج من المسجد فقال أبو هريرة أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৬
وحدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، - هو ابن عيينة - عن عمر بن سعيد، عن أشعث بن أبي الشعثاء المحاربي، عن أبيه، قال سمعت أبا هريرة، ورأى، رجلا يجتاز المسجد خارجا بعد الأذان فقال أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
আবুশ্ শা’সা আল মুহারিবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আযানের পর জনৈক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, এ লোকটি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আদেশ লঙ্ঘন করল। (ই.ফা.১৩৬৩, ই.সে.১৩৭৫)
আবুশ্ শা’সা আল মুহারিবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আযানের পর জনৈক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, এ লোকটি তো আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আদেশ লঙ্ঘন করল। (ই.ফা.১৩৬৩, ই.সে.১৩৭৫)
وحدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، - هو ابن عيينة - عن عمر بن سعيد، عن أشعث بن أبي الشعثاء المحاربي، عن أبيه، قال سمعت أبا هريرة، ورأى، رجلا يجتاز المسجد خارجا بعد الأذان فقال أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম > মুয়ায্যিন আযান দিলে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়া নিষেধ
সহিহ মুসলিম ১৩৮০
وحدثنيه يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا إسماعيل، عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندبا القسري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فإنه من يطلبه من ذمته بشىء يدركه ثم يكبه على وجهه في نار جهنم " .
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জুনদুব (ইবনু ‘আবদুল্লাহ) আল ক্বাসরীকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করল। আর আল্লাহ তা’আলা যদি তাঁর নিরাপত্তা প্রদানের হাক্ব কারো থেকে দাবী করে বসেন তাহলে সে আর রক্ষা পাবে না। তাই তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৭, ই.সে. ১৩৭৯)
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জুনদুব (ইবনু ‘আবদুল্লাহ) আল ক্বাসরীকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করল। আর আল্লাহ তা’আলা যদি তাঁর নিরাপত্তা প্রদানের হাক্ব কারো থেকে দাবী করে বসেন তাহলে সে আর রক্ষা পাবে না। তাই তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৭, ই.সে. ১৩৭৯)
وحدثنيه يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا إسماعيل، عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندبا القسري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فإنه من يطلبه من ذمته بشىء يدركه ثم يكبه على وجهه في نار جهنم " .
সহিহ মুসলিম ১৩৮১
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن هارون، عن داود بن أبي هند، عن الحسن، عن جندب بن سفيان، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا ولم يذكر " فيكبه في نار جهنم " .
জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি “তাকে উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৩৬৮, ই.সে. ১৩৮০)
জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি “তাকে উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১৩৬৮, ই.সে. ১৩৮০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن هارون، عن داود بن أبي هند، عن الحسن، عن جندب بن سفيان، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا ولم يذكر " فيكبه في نار جهنم " .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৭
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا المغيرة بن سلمة المخزومي، حدثنا عبد الواحد، - وهو ابن زياد - حدثنا عثمان بن حكيم، حدثنا عبد الرحمن بن أبي عمرة، قال دخل عثمان بن عفان المسجد بعد صلاة المغرب فقعد وحده فقعدت إليه فقال يا ابن أخي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صلى العشاء في جماعة فكأنما قام نصف الليل ومن صلى الصبح في جماعة فكأنما صلى الليل كله " .
‘আবদুর রহ্মান ইবনু আবূ ‘আম্রাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন মাগরিবের সলাতের পর ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান মাসজিদে এসে একাকী এক জায়গায় বসলেন। তখন আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বললেন - ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জামা’আতের সাথে ‘ইশার সলাত আদায় করল সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত সলাত আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত জামা’আতের সাথে আদায় করল সে যেন সারা রাত জেগে সলাত আদায় করল। (ই.ফা. ১৩৬৪, ই.সে. ১৩৭৬)
‘আবদুর রহ্মান ইবনু আবূ ‘আম্রাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন মাগরিবের সলাতের পর ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান মাসজিদে এসে একাকী এক জায়গায় বসলেন। তখন আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বললেন - ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জামা’আতের সাথে ‘ইশার সলাত আদায় করল সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত সলাত আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত জামা’আতের সাথে আদায় করল সে যেন সারা রাত জেগে সলাত আদায় করল। (ই.ফা. ১৩৬৪, ই.সে. ১৩৭৬)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا المغيرة بن سلمة المخزومي، حدثنا عبد الواحد، - وهو ابن زياد - حدثنا عثمان بن حكيم، حدثنا عبد الرحمن بن أبي عمرة، قال دخل عثمان بن عفان المسجد بعد صلاة المغرب فقعد وحده فقعدت إليه فقال يا ابن أخي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صلى العشاء في جماعة فكأنما قام نصف الليل ومن صلى الصبح في جماعة فكأنما صلى الليل كله " .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৮
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا محمد بن عبد الله الأسدي، ح وحدثني محمد بن رافع، قال حدثنا عبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن أبي سهل، عثمان بن حكيم بهذا الإسناد . مثله .
আবূ সাহ্ল ‘উসমান ইবনু হাকীম থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৬৫, ই.সে. ১৩৭৭)
আবূ সাহ্ল ‘উসমান ইবনু হাকীম থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩৬৫, ই.সে. ১৩৭৭)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا محمد بن عبد الله الأسدي، ح وحدثني محمد بن رافع، قال حدثنا عبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن أبي سهل، عثمان بن حكيم بهذا الإسناد . مثله .
সহিহ মুসলিম ১৩৭৯
وحدثني نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندب بن عبد الله، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فيدركه فيكبه في نار جهنم " .
জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো। আর আল্লাহ তোমাদের কারো কাছে তাঁর রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাদানের বিনিময়ে কোন অধিকার দাবী করেন না। যদি করেন তাহলে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করবেন যে, উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৬, ই.সে. ১৩৭৮)
জুনদুব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফাজ্রের সলাত আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো। আর আল্লাহ তোমাদের কারো কাছে তাঁর রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাদানের বিনিময়ে কোন অধিকার দাবী করেন না। যদি করেন তাহলে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করবেন যে, উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ই.ফা. ১৩৬৬, ই.সে. ১৩৭৮)
وحدثني نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن خالد، عن أنس بن سيرين، قال سمعت جندب بن عبد الله، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فيدركه فيكبه في نار جهنم " .