সহিহ মুসলিম > ফজরের সলাত প্রত্যুষে প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব যে সময়কে ‘তাগলীস্’ বলা হয় এবং তাতে কিরাআতের পরিমাণ

সহিহ মুসলিম ১৩৪৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، كلهم عن سفيان بن عيينة، - قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن نساء المؤمنات، كن يصلين الصبح مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يرجعن متلفعات بمروطهن لا يعرفهن أحد ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুমিন মহিলারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ফজরের সলাত আদায় করতেন এবং তা সর্বাঙ্গে কাপড় জড়িয়ে ঘরে ফিরতেন। (তখনও এরূপ অন্ধকার থাকত যে,) তাদেরকে কেউ চিনতে পারত না। (ই.ফা.১৩৩০, ই.সে.১৩৪২)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুমিন মহিলারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ফজরের সলাত আদায় করতেন এবং তা সর্বাঙ্গে কাপড় জড়িয়ে ঘরে ফিরতেন। (তখনও এরূপ অন্ধকার থাকত যে,) তাদেরকে কেউ চিনতে পারত না। (ই.ফা.১৩৩০, ই.সে.১৩৪২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، كلهم عن سفيان بن عيينة، - قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن نساء المؤمنات، كن يصلين الصبح مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يرجعن متلفعات بمروطهن لا يعرفهن أحد ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৪৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، قال لما قدم الحجاج المدينة فسألنا جابر بن عبد الله فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة والعصر والشمس نقية والمغرب إذا وجبت والعشاء أحيانا يؤخرها وأحيانا يعجل كان إذا رآهم قد اجتمعوا عجل وإذا رآهم قد أبطئوا أخر والصبح كانوا أو - قال - كان النبي صلى الله عليه وسلم يصليها بغلس ‏.

মুহাম্মদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাসান ইবনু ‘আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাজ্জাজ মাদীনাতে আসলে আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে সলাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত বেলা গড়িয়ে যাওয়ার পর প্রচন্ড গরম থাকতে, ‘আসরের সলাত সূর্যের আলো উজ্জ্বল থাকতে, মাগরিবের সলাত সূর্য অস্তমিত হতে এবং ইশার সলাত কখনো দেরী করে এবং কখনো আগে ভাগেই আদায় করতেন। কিন্তু লোকজনের আসতে দেরী দেখলে তিনিও দেরী করে আদায় করতেন। আর ফাজরের সলাত বেশ অন্ধকার থাকতেই আদায় করতেন। (ই.ফা.১৩৩৩, ই.সে.১৩৪৫)

মুহাম্মদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাসান ইবনু ‘আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাজ্জাজ মাদীনাতে আসলে আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে সলাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত বেলা গড়িয়ে যাওয়ার পর প্রচন্ড গরম থাকতে, ‘আসরের সলাত সূর্যের আলো উজ্জ্বল থাকতে, মাগরিবের সলাত সূর্য অস্তমিত হতে এবং ইশার সলাত কখনো দেরী করে এবং কখনো আগে ভাগেই আদায় করতেন। কিন্তু লোকজনের আসতে দেরী দেখলে তিনিও দেরী করে আদায় করতেন। আর ফাজরের সলাত বেশ অন্ধকার থাকতেই আদায় করতেন। (ই.ফা.১৩৩৩, ই.সে.১৩৪৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، قال لما قدم الحجاج المدينة فسألنا جابر بن عبد الله فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة والعصر والشمس نقية والمغرب إذا وجبت والعشاء أحيانا يؤخرها وأحيانا يعجل كان إذا رآهم قد اجتمعوا عجل وإذا رآهم قد أبطئوا أخر والصبح كانوا أو - قال - كان النبي صلى الله عليه وسلم يصليها بغلس ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৪৪

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، أن ابن شهاب، أخبره قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لقد كان نساء من المؤمنات يشهدن الفجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم متلفعات بمروطهن ثم ينقلبن إلى بيوتهن وما يعرفن من تغليس رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصلاة ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঈমানদার স্ত্রী লোকেরা সর্বাঙ্গে চাদর জড়িয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে ফজরের সলাত আদায় করত। কিন্তু যেহেতু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্ধকার থাকতেই ফজরের সলাত আদায় করতেন তাই সলাত শেষে যখন তারা ঘরে ফিরত তখনও তাদেরকে চেনা যেত না। (ই.ফা.১৩৩১, ই.সে.১৩৪৩)

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঈমানদার স্ত্রী লোকেরা সর্বাঙ্গে চাদর জড়িয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে ফজরের সলাত আদায় করত। কিন্তু যেহেতু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্ধকার থাকতেই ফজরের সলাত আদায় করতেন তাই সলাত শেষে যখন তারা ঘরে ফিরত তখনও তাদেরকে চেনা যেত না। (ই.ফা.১৩৩১, ই.সে.১৩৪৩)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، أن ابن شهاب، أخبره قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لقد كان نساء من المؤمنات يشهدن الفجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم متلفعات بمروطهن ثم ينقلبن إلى بيوتهن وما يعرفن من تغليس رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصلاة ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৪৮

وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، أخبرني سيار بن سلامة، قال سمعت أبي يسأل أبا برزة، عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - قلت آنت سمعته قال فقال كأنما أسمعك الساعة - قال - سمعت أبي يسأله عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان لا يبالي بعض تأخيرها - قال يعني العشاء - إلى نصف الليل ولا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها ‏.‏ قال شعبة ثم لقيته بعد فسألته فقال وكان يصلي الظهر حين تزول الشمس والعصر يذهب الرجل إلى أقصى المدينة والشمس حية - قال - والمغرب لا أدري أى حين ذكر ‏.‏ قال ثم لقيته بعد فسألته فقال وكان يصلي الصبح فينصرف الرجل فينظر إلى وجه جليسه الذي يعرف فيعرفه ‏.‏ قال وكان يقرأ فيها بالستين إلى المائة ‏.

সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি শুনেছি আমার পিতা সালামাহ্ আবূ বারযাহ্-কে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি নিজে কি জিজ্ঞেস করতে শুনেছ? এ কথা শুনে সাইয়্যার বললেনঃ হ্যাঁ। আমার মনে হচ্ছে যেন আমি এখনই জিজ্ঞেস করতে শুনছি। সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ বললেনঃ আমি শুনলাম আমার পিতা তাকে (আবূ বারযাহ্) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে আবূ বারযাহ্ বললেন- ‘ইশার সলাত আদায় করতে রাত দ্বি-প্রহর পর্যন্ত দেরী করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মোটেই দ্বিধা করতেন না। তবে ইশার সলাত আদায় না করে ঘুমানো এবং ইশার সলাতের পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। শু’বাহ্ বলেন, পরে এক সময়ে আবার আমি সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, সূর্য মাথার উপর থেকে পশ্চিমে ঢলে পড়লেই যুহরের সলাত আদায় করতেন। আর আসরের সলাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সলাত শেষ করে মাদীনার শহরতলীর দূরবর্তীস্থানে গিয়ে পৌছার পরও সূর্যের তেজ থাকত। এরপর সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ বললেনঃ মাগরিবের সলাত কোন সময় তিনি আদায় করার কথা তিনি বলে ছিলেন তা আমি মনে করতে পারছি না। সালামাহ্ বলেছেনঃ পরে আবার এক সময় আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করে আমি তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাতের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তিনি ফাজরের সলাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সলাত শেষে লোকজন তার পাশের পরিচিত লোকের দিকে তাকিয়ে তাকে চিনতে পারত না। আবূ বারযাহ্ আরো বলেছেন, ফাজরের সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ষাট থেকে একশ’ পর্যন্ত আয়াত তিলাওয়াত করতেন। (ই.ফা.১৩৩৫, ই.সে.১৩৪৭)

সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি শুনেছি আমার পিতা সালামাহ্ আবূ বারযাহ্-কে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি নিজে কি জিজ্ঞেস করতে শুনেছ? এ কথা শুনে সাইয়্যার বললেনঃ হ্যাঁ। আমার মনে হচ্ছে যেন আমি এখনই জিজ্ঞেস করতে শুনছি। সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ বললেনঃ আমি শুনলাম আমার পিতা তাকে (আবূ বারযাহ্) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে আবূ বারযাহ্ বললেন- ‘ইশার সলাত আদায় করতে রাত দ্বি-প্রহর পর্যন্ত দেরী করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মোটেই দ্বিধা করতেন না। তবে ইশার সলাত আদায় না করে ঘুমানো এবং ইশার সলাতের পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। শু’বাহ্ বলেন, পরে এক সময়ে আবার আমি সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, সূর্য মাথার উপর থেকে পশ্চিমে ঢলে পড়লেই যুহরের সলাত আদায় করতেন। আর আসরের সলাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সলাত শেষ করে মাদীনার শহরতলীর দূরবর্তীস্থানে গিয়ে পৌছার পরও সূর্যের তেজ থাকত। এরপর সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ বললেনঃ মাগরিবের সলাত কোন সময় তিনি আদায় করার কথা তিনি বলে ছিলেন তা আমি মনে করতে পারছি না। সালামাহ্ বলেছেনঃ পরে আবার এক সময় আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করে আমি তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাতের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তিনি ফাজরের সলাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সলাত শেষে লোকজন তার পাশের পরিচিত লোকের দিকে তাকিয়ে তাকে চিনতে পারত না। আবূ বারযাহ্ আরো বলেছেন, ফাজরের সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ষাট থেকে একশ’ পর্যন্ত আয়াত তিলাওয়াত করতেন। (ই.ফা.১৩৩৫, ই.সে.১৩৪৭)

وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، أخبرني سيار بن سلامة، قال سمعت أبي يسأل أبا برزة، عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - قلت آنت سمعته قال فقال كأنما أسمعك الساعة - قال - سمعت أبي يسأله عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان لا يبالي بعض تأخيرها - قال يعني العشاء - إلى نصف الليل ولا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها ‏.‏ قال شعبة ثم لقيته بعد فسألته فقال وكان يصلي الظهر حين تزول الشمس والعصر يذهب الرجل إلى أقصى المدينة والشمس حية - قال - والمغرب لا أدري أى حين ذكر ‏.‏ قال ثم لقيته بعد فسألته فقال وكان يصلي الصبح فينصرف الرجل فينظر إلى وجه جليسه الذي يعرف فيعرفه ‏.‏ قال وكان يقرأ فيها بالستين إلى المائة ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৪৭

وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد، سمع محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، قال كان الحجاج يؤخر الصلوات فسألنا جابر بن عبد الله بمثل حديث غندر ‏.

মুহাম্মদ ইবনু ‘আমর ইবনুল হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) সলাত দেরী করে আদায় করতেন। তাই আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। (ই.ফা.১৩৩৪, ই.সে.১৩৪৬)

মুহাম্মদ ইবনু ‘আমর ইবনুল হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) সলাত দেরী করে আদায় করতেন। তাই আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। (ই.ফা.১৩৩৪, ই.সে.১৩৪৬)

وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد، سمع محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، قال كان الحجاج يؤخر الصلوات فسألنا جابر بن عبد الله بمثل حديث غندر ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৪৫

وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، وإسحاق بن موسى الأنصاري، قالا حدثنا معن، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة، قالت إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي الصبح فينصرف النساء متلفعات بمروطهن ما يعرفن من الغلس ‏.‏ وقال الأنصاري في روايته متلففات ‏.

’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় ফজরের সলাত আাদয় করতেন যে, সলাত শেষে মেয়েরা শরীরে চাদর জড়িয়ে ঘরে ফিরত। কিন্তু তখনও এরূপ অন্ধকার থাকত যে, তাদের কাউকে চেনা যেত না। আনসারী তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) শব্দের স্থানে (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩৩২,ই.সে.১৩৪৪)

’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় ফজরের সলাত আাদয় করতেন যে, সলাত শেষে মেয়েরা শরীরে চাদর জড়িয়ে ঘরে ফিরত। কিন্তু তখনও এরূপ অন্ধকার থাকত যে, তাদের কাউকে চেনা যেত না। আনসারী তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) শব্দের স্থানে (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩৩২,ই.সে.১৩৪৪)

وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، وإسحاق بن موسى الأنصاري، قالا حدثنا معن، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة، قالت إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي الصبح فينصرف النساء متلفعات بمروطهن ما يعرفن من الغلس ‏.‏ وقال الأنصاري في روايته متلففات ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৪৯

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سيار بن سلامة، قال سمعت أبا برزة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبالي بعض تأخير صلاة العشاء إلى نصف الليل وكان لا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها ‏.‏ قال شعبة ثم لقيته مرة أخرى فقال أو ثلث الليل ‏.

আবূ বারযাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সলাত দেরী করে মধ্যরাতে আদায় করতে কোন দ্বিধা বা ভ্রূক্ষেপ করতেন না। হাদীসের বর্ণনাকারী শু’বাহ্ বলেছেন, পরবর্তী সময়ে আমি আবার আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আগের কথার সাথে এ কথাটুকু যোগ করে বলেলনঃ অথবা রাতের এক তৃ্তীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে ‘ইশার সলাত আদায় করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভ্রূক্ষেপ করতেন না। (ই.ফা.১৩৩৬, ই.সে.১৩৪৮)

আবূ বারযাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সলাত দেরী করে মধ্যরাতে আদায় করতে কোন দ্বিধা বা ভ্রূক্ষেপ করতেন না। হাদীসের বর্ণনাকারী শু’বাহ্ বলেছেন, পরবর্তী সময়ে আমি আবার আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আগের কথার সাথে এ কথাটুকু যোগ করে বলেলনঃ অথবা রাতের এক তৃ্তীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে ‘ইশার সলাত আদায় করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভ্রূক্ষেপ করতেন না। (ই.ফা.১৩৩৬, ই.সে.১৩৪৮)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سيار بن سلامة، قال سمعت أبا برزة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبالي بعض تأخير صلاة العشاء إلى نصف الليل وكان لا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها ‏.‏ قال شعبة ثم لقيته مرة أخرى فقال أو ثلث الليل ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫০

وحدثناه أبو كريب، حدثنا سويد بن عمرو الكلبي، عن حماد بن سلمة، عن سيار بن سلامة أبي المنهال، قال سمعت أبا برزة الأسلمي، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤخر العشاء إلى ثلث الليل ويكره النوم قبلها والحديث بعدها وكان يقرأ في صلاة الفجر من المائة إلى الستين وكان ينصرف حين يعرف بعضنا وجه بعض ‏.

আবূ বারযাহ্ আল আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সলাত রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে আদায় করতেন। তিনি ইশার সলাতের পূর্বে ঘুমানো এবং কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। আর ফাজরের সলাতে ষাট থেকে একশ’ আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন এবং এমন সময় সলাত শেষ করতেন যখন আমরা পরস্পরকে মুখ দেখে চিনতে পারতাম না। (ই.ফা.১৩৩৭, ই.সে.১৩৪৯)

আবূ বারযাহ্ আল আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সলাত রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে আদায় করতেন। তিনি ইশার সলাতের পূর্বে ঘুমানো এবং কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। আর ফাজরের সলাতে ষাট থেকে একশ’ আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন এবং এমন সময় সলাত শেষ করতেন যখন আমরা পরস্পরকে মুখ দেখে চিনতে পারতাম না। (ই.ফা.১৩৩৭, ই.সে.১৩৪৯)

وحدثناه أبو كريب، حدثنا سويد بن عمرو الكلبي، عن حماد بن سلمة، عن سيار بن سلامة أبي المنهال، قال سمعت أبا برزة الأسلمي، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤخر العشاء إلى ثلث الليل ويكره النوم قبلها والحديث بعدها وكان يقرأ في صلاة الفجر من المائة إلى الستين وكان ينصرف حين يعرف بعضنا وجه بعض ‏.


সহিহ মুসলিম > নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্বে সলাত আদায় করা মাকরূহ আর ইমাম বিলম্ব করলে মুক্তাদী কি করবে?

সহিহ মুসলিম ১৩৫৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن شعبة، عن أبي عمران، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال إن خليلي أوصاني أن أسمع وأطيع وإن كان عبدا مجدع الأطراف وأن أصلي الصلاة لوقتها ‏ "‏ فإن أدركت القوم وقد صلوا كنت قد أحرزت صلاتك وإلا كانت لك نافلة ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার বন্ধু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমীরের বা নেতার আদেশ শুনতে ও মানতে আদেশ করেছেন যদিও সে একজন হাত-পা কাটা ক্রীতদাস হয়। আর আমি যেন সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করি। এরপরে তুমি দেখ যে, লোকজন (জামা‘আতে) সলাত আদায় করে নিয়েছে তাহলে তুমি তো আগেই তোমার সলাত হিফাযাত করেছ। অন্যথায় (অর্থাৎ- তাদের সাথে জামা‘আতের সলাত পেলে) তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। (ই.ফা.১৩৪০, ই.সে.১৩৫২)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার বন্ধু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমীরের বা নেতার আদেশ শুনতে ও মানতে আদেশ করেছেন যদিও সে একজন হাত-পা কাটা ক্রীতদাস হয়। আর আমি যেন সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করি। এরপরে তুমি দেখ যে, লোকজন (জামা‘আতে) সলাত আদায় করে নিয়েছে তাহলে তুমি তো আগেই তোমার সলাত হিফাযাত করেছ। অন্যথায় (অর্থাৎ- তাদের সাথে জামা‘আতের সলাত পেলে) তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। (ই.ফা.১৩৪০, ই.সে.১৩৫২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن شعبة، عن أبي عمران، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال إن خليلي أوصاني أن أسمع وأطيع وإن كان عبدا مجدع الأطراف وأن أصلي الصلاة لوقتها ‏ "‏ فإن أدركت القوم وقد صلوا كنت قد أحرزت صلاتك وإلا كانت لك نافلة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫৪

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن بديل، قال سمعت أبا العالية، يحدث عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وضرب فخذي ‏"‏ كيف أنت إذا بقيت في قوم يؤخرون الصلاة عن وقتها ‏"‏ ‏.‏ قال قال ما تأمر قال ‏"‏ صل الصلاة لوقتها ثم اذهب لحاجتك فإن أقيمت الصلاة وأنت في المسجد فصل ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উরুর উপর সজোরে হাত মেরে বললেনঃ যারা সময় মতো সলাত আদায় না করে দেরী করে আদায় করে, তোমাকে যদি এমন লোকদের মাঝে থাকতে হয় তাহলে কী করবে? বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনুস সাবিত বলেন - আবূ যার জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে আপনি আমাকে কী আদেশ করছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নাও এবং নিজের কাজে চলে যাও। তারপর যখন সলাত আদায় করা হবে তখন যদি তুমি মসজিদে উপস্থিত থাক তাহলে (তাদের সাথে জামা‘আতে) সলাত আদায় করে নাও। (ই.ফা.১৩৪১, ই.সে.১৩৫৩)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উরুর উপর সজোরে হাত মেরে বললেনঃ যারা সময় মতো সলাত আদায় না করে দেরী করে আদায় করে, তোমাকে যদি এমন লোকদের মাঝে থাকতে হয় তাহলে কী করবে? বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনুস সাবিত বলেন - আবূ যার জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে আপনি আমাকে কী আদেশ করছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নাও এবং নিজের কাজে চলে যাও। তারপর যখন সলাত আদায় করা হবে তখন যদি তুমি মসজিদে উপস্থিত থাক তাহলে (তাদের সাথে জামা‘আতে) সলাত আদায় করে নাও। (ই.ফা.১৩৪১, ই.সে.১৩৫৩)

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن بديل، قال سمعت أبا العالية، يحدث عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وضرب فخذي ‏"‏ كيف أنت إذا بقيت في قوم يؤخرون الصلاة عن وقتها ‏"‏ ‏.‏ قال قال ما تأمر قال ‏"‏ صل الصلاة لوقتها ثم اذهب لحاجتك فإن أقيمت الصلاة وأنت في المسجد فصل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫৬

وحدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن أبي نعامة، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال ‏ "‏ كيف أنتم - أو قال كيف أنت - إذا بقيت في قوم يؤخرون الصلاة عن وقتها فصل الصلاة لوقتها ثم إن أقيمت الصلاة فصل معهم فإنها زيادة خير ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ যার তাকে বললেন - তোমরা অথবা বললেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) তুমি যদি এমন লোকদের মধ্যে অবস্থান করো যারা সময় মতো সলাত আদায় না করে দেরী করে পড়ে তাহলে কী করবে? এরপর আবার নিজেই বললেন, তুমি সময়মত (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। তারপর জামা‘আতে সলাত হলে তাদের সাথেও সলাত আদায় করে নিবে। কারণ এটি তোমার জন্য বাড়তি সওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হবে। (ই.ফা.১৩৪৩, ই.সে.১৩৫৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ যার তাকে বললেন - তোমরা অথবা বললেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) তুমি যদি এমন লোকদের মধ্যে অবস্থান করো যারা সময় মতো সলাত আদায় না করে দেরী করে পড়ে তাহলে কী করবে? এরপর আবার নিজেই বললেন, তুমি সময়মত (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। তারপর জামা‘আতে সলাত হলে তাদের সাথেও সলাত আদায় করে নিবে। কারণ এটি তোমার জন্য বাড়তি সওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হবে। (ই.ফা.১৩৪৩, ই.সে.১৩৫৫)

وحدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن أبي نعامة، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال ‏ "‏ كيف أنتم - أو قال كيف أنت - إذا بقيت في قوم يؤخرون الصلاة عن وقتها فصل الصلاة لوقتها ثم إن أقيمت الصلاة فصل معهم فإنها زيادة خير ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫২

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أبا ذر إنه سيكون بعدي أمراء يميتون الصلاة فصل الصلاة لوقتها فإن صليت لوقتها كانت لك نافلة وإلا كنت قد أحرزت صلاتك ‏"‏ ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে আবূ যার! আমার পরে অচিরেই এমন আমীর বা শাসকদের আবির্ভাব ঘটবে যারা একেবারে শেষ ওয়াক্তে সলাত আদায় করবে। এরূপ হলে তুমি কিন্তু সময় মতো (সলাতের উত্তম সময়ে) সলাত আদায় করে নিবে। পরে যদি তুমি তাদের সাথে সলাত আদায় করো তাহলে তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি তা না হয় তাহলে তুমি অন্তত তোমার সলাত রক্ষা করতে সক্ষম হলে। (ই.ফা.১৩৩৯, ই.সে.১৩৫১)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে আবূ যার! আমার পরে অচিরেই এমন আমীর বা শাসকদের আবির্ভাব ঘটবে যারা একেবারে শেষ ওয়াক্তে সলাত আদায় করবে। এরূপ হলে তুমি কিন্তু সময় মতো (সলাতের উত্তম সময়ে) সলাত আদায় করে নিবে। পরে যদি তুমি তাদের সাথে সলাত আদায় করো তাহলে তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি তা না হয় তাহলে তুমি অন্তত তোমার সলাত রক্ষা করতে সক্ষম হলে। (ই.ফা.১৩৩৯, ই.সে.১৩৫১)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أبا ذر إنه سيكون بعدي أمراء يميتون الصلاة فصل الصلاة لوقتها فإن صليت لوقتها كانت لك نافلة وإلا كنت قد أحرزت صلاتك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫৫

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن أبي العالية البراء، قال أخر ابن زياد الصلاة فجاءني عبد الله بن الصامت فألقيت له كرسيا فجلس عليه فذكرت له صنيع ابن زياد فعض على شفته وضرب فخذي وقال إني سألت أبا ذر كما سألتني فضرب فخذي كما ضربت فخذك وقال إني سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما سألتني فضرب فخذي كما ضربت فخذك وقال ‏ "‏ صل الصلاة لوقتها فإن أدركتك الصلاة معهم فصل ولا تقل إني قد صليت فلا أصلي ‏"‏ ‏.

আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) ‘আবদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ সলাত আদায় করতে দেরী করল। এরপরেই ‘আবদুল্লাহ ইবনুস্ সামিত আমার কাছে আসলেন। আমি তাকে একখানা চেয়ার পেতে দিলে তিনি বসলেন। তখন আমি তার কাছে আবদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ - এর কৃতকর্মের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি ঠোঁট কামড়িয়ে সজোরে আমার উরুর উপর হাত মেরে বললেন - আমিও এ ব্যাপারে আবূ যারকে জিজ্ঞেস করে ছিলাম, তুমি যেমন আমাকে জিজ্ঞেস করলে। আর আমি যেভাবে তোমার উরুর উপরে সজোরে হাত মারলাম তেমনি তিনিও আমার উরুর উপর হাত মেরে বললেন, তুমি যেমন আমাকে জিজ্ঞেস করলে ঠিক তেমনি আমিও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। আর আমি যেমন তোমার উরুর উপর সজোরে আঘাত করলাম ঠিক তেমনি তিনিও আমার উরুর উপর হাত মেরে বললেনঃ তুমি সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। তবে সবার সাথে জামা‘আতে যদি সলাত আদায় করার সুযোগ হয় তাহলে তাদের সাথেও সলাত আদায় করে নিবে - এক্ষেত্রে বলবে না যে, আমি সলাত আদায় করে নিয়েছি তাই এখন আমি সলাত আদায় করব না। (ই.ফা.১৩৪২, ই.সে.১৩৫৪)

আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) ‘আবদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ সলাত আদায় করতে দেরী করল। এরপরেই ‘আবদুল্লাহ ইবনুস্ সামিত আমার কাছে আসলেন। আমি তাকে একখানা চেয়ার পেতে দিলে তিনি বসলেন। তখন আমি তার কাছে আবদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ - এর কৃতকর্মের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি ঠোঁট কামড়িয়ে সজোরে আমার উরুর উপর হাত মেরে বললেন - আমিও এ ব্যাপারে আবূ যারকে জিজ্ঞেস করে ছিলাম, তুমি যেমন আমাকে জিজ্ঞেস করলে। আর আমি যেভাবে তোমার উরুর উপরে সজোরে হাত মারলাম তেমনি তিনিও আমার উরুর উপর হাত মেরে বললেন, তুমি যেমন আমাকে জিজ্ঞেস করলে ঠিক তেমনি আমিও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। আর আমি যেমন তোমার উরুর উপর সজোরে আঘাত করলাম ঠিক তেমনি তিনিও আমার উরুর উপর হাত মেরে বললেনঃ তুমি সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। তবে সবার সাথে জামা‘আতে যদি সলাত আদায় করার সুযোগ হয় তাহলে তাদের সাথেও সলাত আদায় করে নিবে - এক্ষেত্রে বলবে না যে, আমি সলাত আদায় করে নিয়েছি তাই এখন আমি সলাত আদায় করব না। (ই.ফা.১৩৪২, ই.সে.১৩৫৪)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن أبي العالية البراء، قال أخر ابن زياد الصلاة فجاءني عبد الله بن الصامت فألقيت له كرسيا فجلس عليه فذكرت له صنيع ابن زياد فعض على شفته وضرب فخذي وقال إني سألت أبا ذر كما سألتني فضرب فخذي كما ضربت فخذك وقال إني سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما سألتني فضرب فخذي كما ضربت فخذك وقال ‏ "‏ صل الصلاة لوقتها فإن أدركتك الصلاة معهم فصل ولا تقل إني قد صليت فلا أصلي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫১

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، ح قال وحدثني أبو الربيع الزهراني، وأبو كامل الجحدري قالا حدثنا حماد، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله ‏"‏ كيف أنت إذا كانت عليك أمراء يؤخرون الصلاة عن وقتها أو يميتون الصلاة عن وقتها ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فما تأمرني قال ‏"‏ صل الصلاة لوقتها فإن أدركتها معهم فصل فإنها لك نافلة ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر خلف عن وقتها ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি যদি এমন ইমামের অধীনস্থ হয়ে পড় যে উত্তম সময়ে সলাত আদায় না করে দেরী করে আদায় করবে তাহলে কী করবে? আবূ যার বলেন - এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম (হে আল্লাহর রসূল!) , এরূপ অবস্থায় পতিত হলে আপনি আমাকে কী করতে আদেশ করছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি উত্তম সময়ে সলাত আদায় করে নিবে। তারপরে যদি তাদের সাথে অর্থাৎ- ইমামের সাথে জামাআতে সলাত পাও তাহলে তাদের সাথেও আদায় করবে। এটা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। তবে বর্ণনাকারী খালাফ তার বর্ণনায় (আরবী) কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১৩৩৮, ই.সে.১৩৫০)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি যদি এমন ইমামের অধীনস্থ হয়ে পড় যে উত্তম সময়ে সলাত আদায় না করে দেরী করে আদায় করবে তাহলে কী করবে? আবূ যার বলেন - এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম (হে আল্লাহর রসূল!) , এরূপ অবস্থায় পতিত হলে আপনি আমাকে কী করতে আদেশ করছেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি উত্তম সময়ে সলাত আদায় করে নিবে। তারপরে যদি তাদের সাথে অর্থাৎ- ইমামের সাথে জামাআতে সলাত পাও তাহলে তাদের সাথেও আদায় করবে। এটা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। তবে বর্ণনাকারী খালাফ তার বর্ণনায় (আরবী) কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১৩৩৮, ই.সে.১৩৫০)

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، ح قال وحدثني أبو الربيع الزهراني، وأبو كامل الجحدري قالا حدثنا حماد، عن أبي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله ‏"‏ كيف أنت إذا كانت عليك أمراء يؤخرون الصلاة عن وقتها أو يميتون الصلاة عن وقتها ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فما تأمرني قال ‏"‏ صل الصلاة لوقتها فإن أدركتها معهم فصل فإنها لك نافلة ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر خلف عن وقتها ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫৭

وحدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - حدثني أبي، عن مطر، عن أبي العالية البراء، قال قلت لعبد الله بن الصامت نصلي يوم الجمعة خلف أمراء فيؤخرون الصلاة - قال - فضرب فخذي ضربة أوجعتني وقال سألت أبا ذر عن ذلك فضرب فخذي وقال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال ‏ "‏ صلوا الصلاة لوقتها واجعلوا صلاتكم معهم نافلة ‏"‏ ‏.‏ قال وقال عبد الله ذكر لي أن نبي الله صلى الله عليه وسلم ضرب فخذ أبي ذر ‏.

আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুস সামিতকে বললাম, আমি এমন সব আমীর বা নেতার পিছনে জুমু‘আর সলাত আদায় করি যারা দেরী করে সলাত আদায় করে থাকে। মাত্বার বলেনঃ এ কথা শুনে আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা আমার উরুর উপরে সজোরে এমনভাবে হাত দিয়ে চাপড়ালেন যে, আমি ব্যথাই পেলাম। এবার তিনি বললেন- এ বিষয়ে আমি আবূ যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনিও আমার উরুর উপরে সজোরে হাত দিয়ে চাপড়িয়ে বললেন - আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এমতাবস্থায় তোমরা সময়মত (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে জামা‘আতের সলাতকে নাফল হিসেবে আদায় করবে। আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা আরো বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুস্ সামিত বলেছেন, আমি জানতে পেরেছি যে, (এ কথা বলার সময়) আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ যার - এর উরুর উপর সজোরে চাপড় দিয়েছিলেন। (ই.ফা.১৩৪৪, ই.সে.১৩৫৬)

আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুস সামিতকে বললাম, আমি এমন সব আমীর বা নেতার পিছনে জুমু‘আর সলাত আদায় করি যারা দেরী করে সলাত আদায় করে থাকে। মাত্বার বলেনঃ এ কথা শুনে আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা আমার উরুর উপরে সজোরে এমনভাবে হাত দিয়ে চাপড়ালেন যে, আমি ব্যথাই পেলাম। এবার তিনি বললেন- এ বিষয়ে আমি আবূ যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনিও আমার উরুর উপরে সজোরে হাত দিয়ে চাপড়িয়ে বললেন - আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এমতাবস্থায় তোমরা সময়মত (প্রথম ওয়াক্তে) সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে জামা‘আতের সলাতকে নাফল হিসেবে আদায় করবে। আবুল ‘আলিয়াহ্ আল বাররা আরো বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুস্ সামিত বলেছেন, আমি জানতে পেরেছি যে, (এ কথা বলার সময়) আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ যার - এর উরুর উপর সজোরে চাপড় দিয়েছিলেন। (ই.ফা.১৩৪৪, ই.সে.১৩৫৬)

وحدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - حدثني أبي، عن مطر، عن أبي العالية البراء، قال قلت لعبد الله بن الصامت نصلي يوم الجمعة خلف أمراء فيؤخرون الصلاة - قال - فضرب فخذي ضربة أوجعتني وقال سألت أبا ذر عن ذلك فضرب فخذي وقال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال ‏ "‏ صلوا الصلاة لوقتها واجعلوا صلاتكم معهم نافلة ‏"‏ ‏.‏ قال وقال عبد الله ذكر لي أن نبي الله صلى الله عليه وسلم ضرب فخذ أبي ذر ‏.


সহিহ মুসলিম > জামা‘আতে সলাত আদায়ের ফযীলত এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি কঠোরতা

সহিহ মুসলিম ১৩৬৩

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الجماعة أفضل من صلاة الفذ بسبع وعشرين درجة ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা‘আতের সাথে সলাত আদায় করা সলাত একাকী আদায় করা সলাত থেকে সাতাশ গুণ অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। (ই.ফা.১৩৫০, ই.সে.১৩৬২)

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা‘আতের সাথে সলাত আদায় করা সলাত একাকী আদায় করা সলাত থেকে সাতাশ গুণ অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। (ই.ফা.১৩৫০, ই.সে.১৩৬২)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الجماعة أفضل من صلاة الفذ بسبع وعشرين درجة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১৩৬২

حدثني هارون بن عبد الله، ومحمد بن حاتم، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني عمر بن عطاء بن أبي الخوار، أنه بينا هو جالس مع نافع بن جبير بن مطعم إذ مر بهم أبو عبد الله ختن زيد بن زبان مولى الجهنيين فدعاه نافع فقال سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صلاة مع الإمام أفضل من خمس وعشرين صلاة يصليها وحده ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইমামের সাথে এক ওয়াক্ত সলাত আদায় করা একাকী পঁচিশ ওয়াক্ত সলাত আদায় করার চেয়েও উত্তম। (ই.ফা.১৩৪৯, ই.সে.১৩৬১)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইমামের সাথে এক ওয়াক্ত সলাত আদায় করা একাকী পঁচিশ ওয়াক্ত সলাত আদায় করার চেয়েও উত্তম। (ই.ফা.১৩৪৯, ই.সে.১৩৬১)

حدثني هارون بن عبد الله، ومحمد بن حاتم، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني عمر بن عطاء بن أبي الخوار، أنه بينا هو جالس مع نافع بن جبير بن مطعم إذ مر بهم أبو عبد الله ختن زيد بن زبان مولى الجهنيين فدعاه نافع فقال سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صلاة مع الإمام أفضل من خمس وعشرين صلاة يصليها وحده ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ تفضل صلاة في الجميع على صلاة الرجل وحده خمسا وعشرين درجة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ وتجتمع ملائكة الليل وملائكة النهار في صلاة الفجر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة اقرءوا إن شئتم ‏{‏ وقرآن الفجر إن قرآن الفجر كان مشهودا‏}

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা‘আতের সাথে সলাত আদায় করা একাকী সলাত আদায় করার চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশী উত্তম। তিনি আরো বলেছেনঃ রাতের কর্তব্যরত মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) এবং দিনের কর্তব্যরত মালায়িকাহ্ ফাজ্বরের সলাতের সময় একত্র হয় | এ কথা বলে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, এক্ষেত্রে তোমরা ইচ্ছা করলে কুরআনের আয়াতটি পাঠ করো - (আরবী) অর্থাৎ- “ফাজরের ওয়াক্তের কুরআন পাঠে উপস্থিত থাকে”- (সূরাহ্ ইসরা ১৭:৭৮)। (ই.ফা.১৩৪৬, ই.সে.১৩৫৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা‘আতের সাথে সলাত আদায় করা একাকী সলাত আদায় করার চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশী উত্তম। তিনি আরো বলেছেনঃ রাতের কর্তব্যরত মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) এবং দিনের কর্তব্যরত মালায়িকাহ্ ফাজ্বরের সলাতের সময় একত্র হয় | এ কথা বলে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বললেন, এক্ষেত্রে তোমরা ইচ্ছা করলে কুরআনের আয়াতটি পাঠ করো - (আরবী) অর্থাৎ- “ফাজরের ওয়াক্তের কুরআন পাঠে উপস্থিত থাকে”- (সূরাহ্ ইসরা ১৭:৭৮)। (ই.ফা.১৩৪৬, ই.সে.১৩৫৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ تفضل صلاة في الجميع على صلاة الرجل وحده خمسا وعشرين درجة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ وتجتمع ملائكة الليل وملائكة النهار في صلاة الفجر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة اقرءوا إن شئتم ‏{‏ وقرآن الفجر إن قرآن الفجر كان مشهودا‏}


সহিহ মুসলিম ১৩৬০

وحدثني أبو بكر بن إسحاق، حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني سعيد، وأبو سلمة أن أبا هريرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ بمثل حديث عبد الأعلى عن معمر إلا أنه قال ‏ "‏ بخمس وعشرين جزءا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ……। তবে আবূ বাকর ইবনু ইসহাক্ব তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) এর পরিবর্তে (আরবী) কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩৪৬, ই.সে.১৩৫৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ……। তবে আবূ বাকর ইবনু ইসহাক্ব তার বর্ণিত হাদীসে (আরবী) এর পরিবর্তে (আরবী) কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩৪৬, ই.সে.১৩৫৮)

وحدثني أبو بكر بن إسحاق، حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني سعيد، وأبو سلمة أن أبا هريرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ بمثل حديث عبد الأعلى عن معمر إلا أنه قال ‏ "‏ بخمس وعشرين جزءا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৫৮

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الجماعة أفضل من صلاة أحدكم وحده بخمسة وعشرين جزءا ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা‘আতে সলাত আদায় করা তোমাদের কারো একাকী সলাত আদায় করার চাইতে পঁচিশ গুণ বেশী উত্তম। (ই.ফা.১৩৪৫, ই.সে.১৩৫৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জামা‘আতে সলাত আদায় করা তোমাদের কারো একাকী সলাত আদায় করার চাইতে পঁচিশ গুণ বেশী উত্তম। (ই.ফা.১৩৪৫, ই.সে.১৩৫৭)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الجماعة أفضل من صلاة أحدكم وحده بخمسة وعشرين جزءا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬১

وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا أفلح، عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن سلمان الأغر، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صلاة الجماعة تعدل خمسا وعشرين من صلاة الفذ ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ওয়াক্ত সলাত জামা‘আতের সাথে আদায় করা পঁচিশ ওয়াক্ত একাকী সলাত আদায় করার সমান। (ই.ফা.১৩৪৮, ই.সে.১৩৬০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ওয়াক্ত সলাত জামা‘আতের সাথে আদায় করা পঁচিশ ওয়াক্ত একাকী সলাত আদায় করার সমান। (ই.ফা.১৩৪৮, ই.সে.১৩৬০)

وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا أفلح، عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن سلمان الأغر، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صلاة الجماعة تعدل خمسا وعشرين من صلاة الفذ ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬৪

وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الرجل في الجماعة تزيد على صلاته وحده سبعا وعشرين ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির জামা‘আতে সলাত আদায় করা তার একাকী আদায় করা সলাত থেকে সাতাশ গুণ অধিক (মর্যাদাসম্পন্ন)। (ই.ফা.১৩৫১, ই.সে.১৩৬৩)

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির জামা‘আতে সলাত আদায় করা তার একাকী আদায় করা সলাত থেকে সাতাশ গুণ অধিক (মর্যাদাসম্পন্ন)। (ই.ফা.১৩৫১, ই.সে.১৩৬৩)

وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الرجل في الجماعة تزيد على صلاته وحده سبعا وعشرين ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬৫

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير ح قال وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي قالا، حدثنا عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ قال ابن نمير عن أبيه، ‏"‏ بضعا وعشرين ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو بكر في روايته ‏"‏ سبعا وعشرين درجة ‏"‏ ‏.

ইবনু নুমায়র (রহঃ) তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

যে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাতে “বিশগুণের কিছু বেশী” মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন। আর আবূ বাকর (রহঃ) -এর বর্ণনায় “সাতাশগুণ” মর্যাদার কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা.১৩৫২, ই.সে.১৩৬৪)

ইবনু নুমায়র (রহঃ) তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

যে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাতে “বিশগুণের কিছু বেশী” মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন। আর আবূ বাকর (রহঃ) -এর বর্ণনায় “সাতাশগুণ” মর্যাদার কথা উল্লেখ আছে। (ই.ফা.১৩৫২, ই.সে.১৩৬৪)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير ح قال وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي قالا، حدثنا عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ قال ابن نمير عن أبيه، ‏"‏ بضعا وعشرين ‏"‏ ‏.‏ وقال أبو بكر في روايته ‏"‏ سبعا وعشرين درجة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬৬

وحدثناه ابن رافع، أخبرنا ابن أبي فديك، أخبرنا الضحاك، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بضعا وعشرين ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিশগুণের চেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন। [১] (ই.ফা.১৩৫৩, ই.সে.১৩৬৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিশগুণের চেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন। [১] (ই.ফা.১৩৫৩, ই.সে.১৩৬৫)

وحدثناه ابن رافع، أخبرنا ابن أبي فديك، أخبرنا الضحاك، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بضعا وعشرين ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬৭

وحدثني عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقد ناسا في بعض الصلوات فقال ‏ "‏ لقد هممت أن آمر رجلا يصلي بالناس ثم أخالف إلى رجال يتخلفون عنها فآمر بهم فيحرقوا عليهم بحزم الحطب بيوتهم ولو علم أحدهم أنه يجد عظما سمينا لشهدها ‏"‏ ‏.‏ يعني صلاة العشاء ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কোন এক ওয়াক্ত সলাত জামা‘আতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু সংখ্যক লোককে না পেয়ে বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছি যে, কোন জনৈক ব্যক্তিকে আমি সলাতে ইমামাত করার আদেশ করি এবং যারা সলাতে জামা‘আতে আসে না তাদের কাছে যাই এবং কাঠ-খড় দ্বারা আগুন জ্বালিয়ে তাদের বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দিতে আদেশ করি। তাদের কেউ যদি জানত যে তারা একখন্ড গোশত হাড্ডি পাবে তাহলে তারা তাতে অবশ্যই উপস্থিত হত। অর্থাৎ- ‘ইশার সলাতে (উপস্থিত হত)। (ই.ফা.১৩৫৪, ই.সে.১৩৬৬)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কোন এক ওয়াক্ত সলাত জামা‘আতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু সংখ্যক লোককে না পেয়ে বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছি যে, কোন জনৈক ব্যক্তিকে আমি সলাতে ইমামাত করার আদেশ করি এবং যারা সলাতে জামা‘আতে আসে না তাদের কাছে যাই এবং কাঠ-খড় দ্বারা আগুন জ্বালিয়ে তাদের বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দিতে আদেশ করি। তাদের কেউ যদি জানত যে তারা একখন্ড গোশত হাড্ডি পাবে তাহলে তারা তাতে অবশ্যই উপস্থিত হত। অর্থাৎ- ‘ইশার সলাতে (উপস্থিত হত)। (ই.ফা.১৩৫৪, ই.সে.১৩৬৬)

وحدثني عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقد ناسا في بعض الصلوات فقال ‏ "‏ لقد هممت أن آمر رجلا يصلي بالناس ثم أخالف إلى رجال يتخلفون عنها فآمر بهم فيحرقوا عليهم بحزم الحطب بيوتهم ولو علم أحدهم أنه يجد عظما سمينا لشهدها ‏"‏ ‏.‏ يعني صلاة العشاء ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬৮

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لهما - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أثقل صلاة على المنافقين صلاة العشاء وصلاة الفجر ولو يعلمون ما فيهما لأتوهما ولو حبوا ولقد هممت أن آمر بالصلاة فتقام ثم آمر رجلا فيصلي بالناس ثم أنطلق معي برجال معهم حزم من حطب إلى قوم لا يشهدون الصلاة فأحرق عليهم بيوتهم بالنار ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘ইশা ও ফাজরের সলাত আদায় করা মুনাফিক্বদের সর্বাপেক্ষা কঠিন। তারা যদি জানত যে, এ দু’টি সলাতের পুরষ্কার বা সাওয়াব কত তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বুক হেঁচড়ে হলেও তারা এ দু’ওয়াক্ত জামাআতে উপস্থিত হত | আমি ইচ্ছা করেছি সলাত আদায় করার আদেশ দিয়ে কাউকে ইমামতি করতে বলি। আর আমি কিছু লোককে নিয়ে জ্বালানী কাঠের বোঝাসহ যারা সলাতের জামা‘আতে আসে না তাদের কাছে যাই এবং আগুন দিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেই। (ই.ফা.১৩৫৫, ই.সে.১৩৬৭)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘ইশা ও ফাজরের সলাত আদায় করা মুনাফিক্বদের সর্বাপেক্ষা কঠিন। তারা যদি জানত যে, এ দু’টি সলাতের পুরষ্কার বা সাওয়াব কত তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বুক হেঁচড়ে হলেও তারা এ দু’ওয়াক্ত জামাআতে উপস্থিত হত | আমি ইচ্ছা করেছি সলাত আদায় করার আদেশ দিয়ে কাউকে ইমামতি করতে বলি। আর আমি কিছু লোককে নিয়ে জ্বালানী কাঠের বোঝাসহ যারা সলাতের জামা‘আতে আসে না তাদের কাছে যাই এবং আগুন দিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেই। (ই.ফা.১৩৫৫, ই.সে.১৩৬৭)

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأعمش، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب - واللفظ لهما - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أثقل صلاة على المنافقين صلاة العشاء وصلاة الفجر ولو يعلمون ما فيهما لأتوهما ولو حبوا ولقد هممت أن آمر بالصلاة فتقام ثم آمر رجلا فيصلي بالناس ثم أنطلق معي برجال معهم حزم من حطب إلى قوم لا يشهدون الصلاة فأحرق عليهم بيوتهم بالنار ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৬৯

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لقد هممت أن آمر فتياني أن يستعدوا لي بحزم من حطب ثم آمر رجلا يصلي بالناس ثم تحرق بيوت على من فيها ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হাদীস হলো, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মনস্থ করেছি যে, লোকজনকে জ্বালানী কাঠের স্তূপ করতে বলি। তারপর একজনকে সলাতে ইমামাত করতে আদেশ করি এবং লোকজনসহ গিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেই, যারা জামা‘আতে উপস্থিত হয় না। (ই.ফা.১৩৫৬, ই.সে.১৩৬৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হাদীস হলো, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মনস্থ করেছি যে, লোকজনকে জ্বালানী কাঠের স্তূপ করতে বলি। তারপর একজনকে সলাতে ইমামাত করতে আদেশ করি এবং লোকজনসহ গিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেই, যারা জামা‘আতে উপস্থিত হয় না। (ই.ফা.১৩৫৬, ই.সে.১৩৬৮)

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لقد هممت أن آمر فتياني أن يستعدوا لي بحزم من حطب ثم آمر رجلا يصلي بالناس ثم تحرق بيوت على من فيها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৭১

وحدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن أبي الأحوص، سمعه منه، عن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لقوم يتخلفون عن الجمعة ‏ "‏ لقد هممت أن آمر رجلا يصلي بالناس ثم أحرق على رجال يتخلفون عن الجمعة بيوتهم ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জুমু’আর সলাত আদায় করতে আসে না এমন এক দল লোক সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার ইচ্ছা হয় যে, জনৈক ব্যক্তিকে সলাতে ইমামত করার নির্দেশ দেই আর আমি গিয়ে যারা জুমু’আর সলাত আদায় করতে আসে না, আগুন লাগিয়ে তাদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দেই। (ই.ফা.১৩৫৮, ই.সে.১৩৭০)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জুমু’আর সলাত আদায় করতে আসে না এমন এক দল লোক সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার ইচ্ছা হয় যে, জনৈক ব্যক্তিকে সলাতে ইমামত করার নির্দেশ দেই আর আমি গিয়ে যারা জুমু’আর সলাত আদায় করতে আসে না, আগুন লাগিয়ে তাদের ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দেই। (ই.ফা.১৩৫৮, ই.সে.১৩৭০)

وحدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن أبي الأحوص، سمعه منه، عن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لقوم يتخلفون عن الجمعة ‏ "‏ لقد هممت أن آمر رجلا يصلي بالناس ثم أحرق على رجال يتخلفون عن الجمعة بيوتهم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩৭০

وحدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم عن وكيع، عن جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بنحوه ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৩৫৭, ই.সে.১৩৬৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৩৫৭, ই.সে.১৩৬৯)

وحدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم عن وكيع، عن جعفر بن برقان، عن يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بنحوه ‏.


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি আযান শুনে তার জন্য মাসজিদে আসা ওয়াজিব

সহিহ মুসলিম ১৩৭২

وحدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، وسويد بن سعيد، ويعقوب الدورقي، كلهم عن مروان الفزاري، - قال قتيبة حدثنا الفزاري، - عن عبيد الله بن الأصم، قال حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل أعمى فقال يا رسول الله إنه ليس لي قائد يقودني إلى المسجد ‏.‏ فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرخص له فيصلي في بيته فرخص له فلما ولى دعاه فقال ‏"‏ هل تسمع النداء بالصلاة ‏"‏ ‏.‏ فقال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فأجب ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক অন্ধ লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ধরে মাসজিদে নিয়ে আসার মতো কেউ নেই’। অতঃপর তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি প্রদান করার জন্য সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর কাছে আবেদন জানাল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি দিলেন। কিন্তু যে সময় লোকটি ফিরে যেতে উদ্যত হলো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন? তুমি কি সলাতের আযান শুনতে পাও? সে বলল, হ্যাঁ (আমি আযান শুনতে পাই)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি মাসজিদে আসবে। (ই.ফা.১৩৫৯, ই.সে.১৩৭১)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক অন্ধ লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল ‘হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ধরে মাসজিদে নিয়ে আসার মতো কেউ নেই’। অতঃপর তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি প্রদান করার জন্য সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) - এর কাছে আবেদন জানাল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বাড়ীতে সলাত আদায় করার অনুমতি দিলেন। কিন্তু যে সময় লোকটি ফিরে যেতে উদ্যত হলো তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন? তুমি কি সলাতের আযান শুনতে পাও? সে বলল, হ্যাঁ (আমি আযান শুনতে পাই)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি মাসজিদে আসবে। (ই.ফা.১৩৫৯, ই.সে.১৩৭১)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، وسويد بن سعيد، ويعقوب الدورقي، كلهم عن مروان الفزاري، - قال قتيبة حدثنا الفزاري، - عن عبيد الله بن الأصم، قال حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل أعمى فقال يا رسول الله إنه ليس لي قائد يقودني إلى المسجد ‏.‏ فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرخص له فيصلي في بيته فرخص له فلما ولى دعاه فقال ‏"‏ هل تسمع النداء بالصلاة ‏"‏ ‏.‏ فقال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فأجب ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00