সহিহ মুসলিম > ‘আসরের সলাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ১২৯৮
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يخرج الإنسان إلى بني عمرو بن عوف فيجدهم يصلون العصر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে তারপর লোকজন বানী ‘আমর ইকনু ‘আওফ গোত্রের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেত যে, তারা তখন মাত্র আসরের সলাত আদায় করছে। (ই.ফা.১২৮৫, ই.সে.১২৯৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে তারপর লোকজন বানী ‘আমর ইকনু ‘আওফ গোত্রের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেত যে, তারা তখন মাত্র আসরের সলাত আদায় করছে। (ই.ফা.১২৮৫, ই.সে.১২৯৭)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يخرج الإنسان إلى بني عمرو بن عوف فيجدهم يصلون العصر .
সহিহ মুসলিম ১৩০০
وحدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا أمامة بن سهل، يقول صلينا مع عمر بن عبد العزيز الظهر ثم خرجنا حتى دخلنا على أنس بن مالك فوجدناه يصلي العصر فقلت يا عم ما هذه الصلاة التي صليت قال العصر وهذه صلاة رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم التي كنا نصلي معه .
আবূ ‘উসামাহ্ ইবনু সাহর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একদিন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) -এর সাথে যুহরের সলাত আদায় করলাম এবং সেখান থেকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর কাছে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি ‘আসরের সলাত আদায় করছেন। সলাত শেষে আমি জিজ্ঞেস করলামঃ চাচাজান, এখন আপনি কোন ওয়াক্তের সলাত আদায় করলেন? তিনি বললেনঃ ‘আসর , আর এটিই হচ্ছে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত যা আমরা তার সাথে আদায় করতাম। (ই.ফা.১২৮৭, ই.সে.১৩৯৯)
আবূ ‘উসামাহ্ ইবনু সাহর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একদিন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) -এর সাথে যুহরের সলাত আদায় করলাম এবং সেখান থেকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর কাছে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি ‘আসরের সলাত আদায় করছেন। সলাত শেষে আমি জিজ্ঞেস করলামঃ চাচাজান, এখন আপনি কোন ওয়াক্তের সলাত আদায় করলেন? তিনি বললেনঃ ‘আসর , আর এটিই হচ্ছে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত যা আমরা তার সাথে আদায় করতাম। (ই.ফা.১২৮৭, ই.সে.১৩৯৯)
وحدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا أمامة بن سهل، يقول صلينا مع عمر بن عبد العزيز الظهر ثم خرجنا حتى دخلنا على أنس بن مالك فوجدناه يصلي العصر فقلت يا عم ما هذه الصلاة التي صليت قال العصر وهذه صلاة رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم التي كنا نصلي معه .
সহিহ মুসলিম ১২৯৯
وحدثنا يحيى بن أيوب، ومحمد بن الصباح، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر وداره بجنب المسجد فلما دخلنا عليه قال أصليتم العصر فقلنا له إنما انصرفنا الساعة من الظهر . قال فصلوا العصر . فقمنا فصلينا فلما انصرفنا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " تلك صلاة المنافق يجلس يرقب الشمس حتى إذا كانت بين قرنى الشيطان قام فنقرها أربعا لا يذكر الله فيها إلا قليلا " .
‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি একদিন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর বসরাস্থ বাড়ীতে গেলেন। আর বাড়ীটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র যুহরের সলাত আদায় করছেন। ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেনঃ আমরা তাঁর (আনাস ইবনু মালিকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি আসরের সলাত আদায় করেছ? আমরা জবাবে তাঁকে বললাম, আমরা এইমাত্র যুহরের সলাত আদায় করে আসলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ যাও ‘আসরের সলাত আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের সলাত আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ ঐ সলাত হলো মুনাফিকের সলাত যে বসে বসে সূর্যের প্রতি তাকাতে থাকে আর যখন তা অস্তপ্রায় হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে চারবার ঠোকর মেরে আসে।এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে। (ই.ফা.১২৮৬, ই.সে.১২৯৮)
‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি একদিন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর বসরাস্থ বাড়ীতে গেলেন। আর বাড়ীটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র যুহরের সলাত আদায় করছেন। ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেনঃ আমরা তাঁর (আনাস ইবনু মালিকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি আসরের সলাত আদায় করেছ? আমরা জবাবে তাঁকে বললাম, আমরা এইমাত্র যুহরের সলাত আদায় করে আসলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ যাও ‘আসরের সলাত আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের সলাত আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ ঐ সলাত হলো মুনাফিকের সলাত যে বসে বসে সূর্যের প্রতি তাকাতে থাকে আর যখন তা অস্তপ্রায় হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে চারবার ঠোকর মেরে আসে।এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে। (ই.ফা.১২৮৬, ই.সে.১২৯৮)
وحدثنا يحيى بن أيوب، ومحمد بن الصباح، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر وداره بجنب المسجد فلما دخلنا عليه قال أصليتم العصر فقلنا له إنما انصرفنا الساعة من الظهر . قال فصلوا العصر . فقمنا فصلينا فلما انصرفنا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " تلك صلاة المنافق يجلس يرقب الشمس حتى إذا كانت بين قرنى الشيطان قام فنقرها أربعا لا يذكر الله فيها إلا قليلا " .
সহিহ মুসলিম ১২৯৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس مرتفعة حية فيذهب الذاهب إلى العوالي فيأتي العوالي والشمس مرتفعة . ولم يذكر قتيبة فيأتي العوالي .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় সলাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। (অর্থাৎ-তেজ কমে বর্ণ পরিবর্তন হত না) সলাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মাদীনার ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত।[১] তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় সলাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। (অর্থাৎ-তেজ কমে বর্ণ পরিবর্তন হত না) সলাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মাদীনার ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত।[১] তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس مرتفعة حية فيذهب الذاهب إلى العوالي فيأتي العوالي والشمس مرتفعة . ولم يذكر قتيبة فيأتي العوالي .
সহিহ মুসলিম ১২৯৭
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يذهب الذاهب إلى قباء فيأتيهم والشمس مرتفعة .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর আমাদের মধ্যে থেকে কেউ চাইলে (মাদীনার শহরতলীর) কুবা নামক স্থানে যেয়ে পৌছত। অথচ সূর্য তখনও অনেক উপরে অবস্থান করত। (ই.ফা. ১২৮৪, ই.সে. ১২৯৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর আমাদের মধ্যে থেকে কেউ চাইলে (মাদীনার শহরতলীর) কুবা নামক স্থানে যেয়ে পৌছত। অথচ সূর্য তখনও অনেক উপরে অবস্থান করত। (ই.ফা. ১২৮৪, ই.সে. ১২৯৬)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يذهب الذاهب إلى قباء فيأتيهم والشمس مرتفعة .
সহিহ মুসলিম ১২৯৬
وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن ابن شهاب، عن أنس، . أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر بمثله سواء .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের সলাত আদায় করতেন যখন ছায়া প্রতিটি বস্তুর সমান হত। (ই.ফা.১২৮৩, ই.সে.১২৯৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের সলাত আদায় করতেন যখন ছায়া প্রতিটি বস্তুর সমান হত। (ই.ফা.১২৮৩, ই.সে.১২৯৫)
وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن ابن شهاب، عن أنس، . أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر بمثله سواء .
সহিহ মুসলিম ১৩০১
حدثنا عمرو بن سواد العامري، ومحمد بن سلمة المرادي، وأحمد بن عيسى، - وألفاظهم متقاربة - قال عمرو أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، أن موسى بن سعد الأنصاري، حدثه عن حفص بن عبيد الله، عن أنس بن مالك، أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر فلما انصرف أتاه رجل من بني سلمة فقال يا رسول الله إنا نريد أن ننحر جزورا لنا ونحن نحب أن تحضرها . قال " نعم " . فانطلق وانطلقنا معه فوجدنا الجزور لم تنحر فنحرت ثم قطعت ثم طبخ منها ثم أكلنا قبل أن تغيب الشمس . وقال المرادي حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة وعمرو بن الحارث في هذا الحديث .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে আসরের সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে বানী সালামাহ্ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমরা আমাদের একটা উট যবেহ করতে চাই। আমরা চাই আপনিও সেখানে উপস্থিত থাকুন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, ঠিক আছে। এরপর তিনি রওয়ানা হলে আমরাও তাঁর সাথে রওয়ানা হলাম। আমরা গিয়ে দেখলাম উটটি তখনও যবেহ করা হয়নি। উটটি যবেহ করতে প্রস্তুত করা হলো এবং তার কিছু গোশত রান্না করা হলো। সূর্যাস্তের পূর্বেই আমরা তা খেলাম। (ই.ফা.১২৮৮, ই.সে.১৩০০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে আসরের সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে বানী সালামাহ্ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমরা আমাদের একটা উট যবেহ করতে চাই। আমরা চাই আপনিও সেখানে উপস্থিত থাকুন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, ঠিক আছে। এরপর তিনি রওয়ানা হলে আমরাও তাঁর সাথে রওয়ানা হলাম। আমরা গিয়ে দেখলাম উটটি তখনও যবেহ করা হয়নি। উটটি যবেহ করতে প্রস্তুত করা হলো এবং তার কিছু গোশত রান্না করা হলো। সূর্যাস্তের পূর্বেই আমরা তা খেলাম। (ই.ফা.১২৮৮, ই.সে.১৩০০)
حدثنا عمرو بن سواد العامري، ومحمد بن سلمة المرادي، وأحمد بن عيسى، - وألفاظهم متقاربة - قال عمرو أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، أن موسى بن سعد الأنصاري، حدثه عن حفص بن عبيد الله، عن أنس بن مالك، أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر فلما انصرف أتاه رجل من بني سلمة فقال يا رسول الله إنا نريد أن ننحر جزورا لنا ونحن نحب أن تحضرها . قال " نعم " . فانطلق وانطلقنا معه فوجدنا الجزور لم تنحر فنحرت ثم قطعت ثم طبخ منها ثم أكلنا قبل أن تغيب الشمس . وقال المرادي حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة وعمرو بن الحارث في هذا الحديث .
সহিহ মুসলিম ১৩০২
حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن أبي النجاشي، قال سمعت رافع بن خديج، يقول كنا نصلي العصر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم تنحر الجزور فتقسم عشر قسم ثم تطبخ فنأكل لحما نضيجا قبل مغيب الشمس .
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর উট যাবাহ করা হত। [১] তা দশ ভাগে বিভক্ত করা হত। এরপর তা রান্না করে সূর্যাস্তের পূর্বেই সু-সিদ্ধ গোশত খেতাম। (ই.ফা.১২৮৯, ই.সে.১৩০১)
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর উট যাবাহ করা হত। [১] তা দশ ভাগে বিভক্ত করা হত। এরপর তা রান্না করে সূর্যাস্তের পূর্বেই সু-সিদ্ধ গোশত খেতাম। (ই.ফা.১২৮৯, ই.সে.১৩০১)
حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن أبي النجاشي، قال سمعت رافع بن خديج، يقول كنا نصلي العصر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم تنحر الجزور فتقسم عشر قسم ثم تطبخ فنأكل لحما نضيجا قبل مغيب الشمس .
সহিহ মুসলিম ১৩০৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، وشعيب بن إسحاق الدمشقي، قالا حدثنا الأوزاعي، بهذا الإسناد غير أنه قال كنا ننحر الجزور على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد العصر . ولم يقل كنا نصلي معه .
আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে আমরা আসরের সলাতের পর উট যবেহ করতাম। কিন্তু তিনি বলেননি যে, ‘আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে (‘আসরের) সলাত আদায় করতাম’। (ই.ফা.১২৯০, ই.সে.১৩০২)
আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে আমরা আসরের সলাতের পর উট যবেহ করতাম। কিন্তু তিনি বলেননি যে, ‘আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে (‘আসরের) সলাত আদায় করতাম’। (ই.ফা.১২৯০, ই.সে.১৩০২)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، وشعيب بن إسحاق الدمشقي، قالا حدثنا الأوزاعي، بهذا الإسناد غير أنه قال كنا ننحر الجزور على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد العصر . ولم يقل كنا نصلي معه .
সহিহ মুসলিম > ‘আসরের সলাত ছুটে যাওয়া সম্পর্কে
সহিহ মুসলিম ১৩০৪
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الذي تفوته صلاة العصر كأنما وتر أهله وماله " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তির ‘আসরের সলাত ক্বাযা হয় তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল। [১] (ই.ফা.১২৯১, ই.সে.১৩০৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তির ‘আসরের সলাত ক্বাযা হয় তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল। [১] (ই.ফা.১২৯১, ই.সে.১৩০৩)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الذي تفوته صلاة العصر كأنما وتر أهله وماله " .
সহিহ মুসলিম ১৩০৫
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، . قال عمرو يبلغ به . وقال أبو بكر رفعه .
হাদীসটি ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তবে ‘আমর শুধু বর্ণনাই করেছেন। আর আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ মারফূ’ হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৯২, ই.সে.১৩০৪)
হাদীসটি ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তবে ‘আমর শুধু বর্ণনাই করেছেন। আর আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ মারফূ’ হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৯২, ই.সে.১৩০৪)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، . قال عمرو يبلغ به . وقال أبو بكر رفعه .
সহিহ মুসলিম ১৩০৮
وحدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا المعتمر بن سليمان، جميعا عن هشام، بهذا الإسناد .
হিশাম (রহঃ) - এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৯৫, ই.সে.১৩০৭)
হিশাম (রহঃ) - এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৯৫, ই.সে.১৩০৭)
وحدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا المعتمر بن سليمان، جميعا عن هشام، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ১৩০৬
وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، - واللفظ له - قال حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من فاتته العصر فكأنما وتر أهله وماله " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আসরের সলাত ক্বাযা হলো তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল। (ই.ফা.১২৯৩, ই.সে.১৩০৫)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আসরের সলাত ক্বাযা হলো তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল। (ই.ফা.১২৯৩, ই.সে.১৩০৫)
وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، - واللفظ له - قال حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من فاتته العصر فكأنما وتر أهله وماله " .
সহিহ মুসলিম ১৩০৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن محمد، عن عبيدة، عن علي، قال لما كان يوم الأحزاب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ملأ الله قبورهم وبيوتهم نارا كما حبسونا وشغلونا عن الصلاة الوسطى حتى غابت الشمس " .
‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা’আলা তাদের ক্ববর ও ঘর-বাড়ী যেন আগুন দিয়ে ভরে দেন। কারণ তারা আমাদেরকে যুদ্ধের কাজ-কর্মে ব্যস্ত রেখে ‘সলাতুল উসত্বা’ (আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল। (ই.ফা.১২৯৪, ই.সে.১৩০৬)
‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা’আলা তাদের ক্ববর ও ঘর-বাড়ী যেন আগুন দিয়ে ভরে দেন। কারণ তারা আমাদেরকে যুদ্ধের কাজ-কর্মে ব্যস্ত রেখে ‘সলাতুল উসত্বা’ (আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল। (ই.ফা.১২৯৪, ই.সে.১৩০৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن محمد، عن عبيدة، عن علي، قال لما كان يوم الأحزاب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ملأ الله قبورهم وبيوتهم نارا كما حبسونا وشغلونا عن الصلاة الوسطى حتى غابت الشمس " .
সহিহ মুসলিম > যারা বলে মধ্যবর্তী সলাত হচ্ছে ‘আসরের সলাত-তার দলীল
সহিহ মুসলিম ১৩১১
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، عن الحكم، عن يحيى بن الجزار، عن علي، ح وحدثناه عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - قال حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن يحيى، سمع عليا، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب وهو قاعد على فرضة من فرض الخندق " شغلونا عن الصلاة الوسطى حتى غربت الشمس ملأ الله قبورهم وبيوتهم - أو قال قبورهم وبطونهم - نارا " .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন খন্দকের একটি খাঁজ বা সংকীর্ণ পথের উপর বসে বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে “সলাতুল উসত্বা” (মধ্যবর্তী সময়ের সলাত বা আসরের সলাত) আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে এবং এমনকি এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ক্ববর ও বাড়ি-ঘর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ ক্ববরসমূহ অথবা পেট আগুন দ্বারা যেন ভর্তি করে দেন। (ই.ফা.১২৯৮, ই.সে.১৩১০)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন খন্দকের একটি খাঁজ বা সংকীর্ণ পথের উপর বসে বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে “সলাতুল উসত্বা” (মধ্যবর্তী সময়ের সলাত বা আসরের সলাত) আদায় করা থেকে বিরত রেখেছে এবং এমনকি এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ক্ববর ও বাড়ি-ঘর অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ ক্ববরসমূহ অথবা পেট আগুন দ্বারা যেন ভর্তি করে দেন। (ই.ফা.১২৯৮, ই.সে.১৩১০)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، عن الحكم، عن يحيى بن الجزار، عن علي، ح وحدثناه عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - قال حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن يحيى، سمع عليا، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب وهو قاعد على فرضة من فرض الخندق " شغلونا عن الصلاة الوسطى حتى غربت الشمس ملأ الله قبورهم وبيوتهم - أو قال قبورهم وبطونهم - نارا " .
সহিহ মুসলিম ১৩১৪
وحدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن زيد بن أسلم، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي يونس، مولى عائشة أنه قال أمرتني عائشة أن أكتب لها مصحفا وقالت إذا بلغت هذه الآية فآذني { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى} فلما بلغتها آذنتها فأملت على حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر . وقوموا لله قانتين . قالت عائشة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) - এর আযাদকৃত ক্রীতদাস আবূ ইউনুস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময়ে ‘আয়িশাহ্ আমাকে কুরআন মাজীদের এক কপি হাতে লিখে দিতে বললেনঃ লিখতে লিখতে যখন (আরবী) “তোমরা সলাতের প্রতি যত্নবান হবে বিশেষতঃ মধ্যবর্তী সলাতের” এ আয়াত পর্যন্ত পৌছবে তখন আমাকে জানাবে। আবূ ইউনুস বলেন, আমি এ আয়াতের কাছে পৌছলে তাঁকে জানালাম। তখন তিনি আমাকে আয়াতটি এভাবে লিখতে বললেন, (আরবী) “সব সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ কর। আর সলাতুল ‘উসত্বা (মধ্যবর্তী সলাতের) ও ‘আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ কর এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে অনুগত ও বিনীত হয়ে দাঁড়াও”।এভাবে লেখানোর পর ‘আয়িশাহ্ বললেনঃ আমি আয়াতটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। (ই.ফা.১৩০১, ই.সে.১৩১৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) - এর আযাদকৃত ক্রীতদাস আবূ ইউনুস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক সময়ে ‘আয়িশাহ্ আমাকে কুরআন মাজীদের এক কপি হাতে লিখে দিতে বললেনঃ লিখতে লিখতে যখন (আরবী) “তোমরা সলাতের প্রতি যত্নবান হবে বিশেষতঃ মধ্যবর্তী সলাতের” এ আয়াত পর্যন্ত পৌছবে তখন আমাকে জানাবে। আবূ ইউনুস বলেন, আমি এ আয়াতের কাছে পৌছলে তাঁকে জানালাম। তখন তিনি আমাকে আয়াতটি এভাবে লিখতে বললেন, (আরবী) “সব সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ কর। আর সলাতুল ‘উসত্বা (মধ্যবর্তী সলাতের) ও ‘আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ কর এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে অনুগত ও বিনীত হয়ে দাঁড়াও”।এভাবে লেখানোর পর ‘আয়িশাহ্ বললেনঃ আমি আয়াতটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। (ই.ফা.১৩০১, ই.সে.১৩১৩)
وحدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن زيد بن أسلم، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي يونس، مولى عائشة أنه قال أمرتني عائشة أن أكتب لها مصحفا وقالت إذا بلغت هذه الآية فآذني { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى} فلما بلغتها آذنتها فأملت على حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر . وقوموا لله قانتين . قالت عائشة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ১৩১৩
وحدثنا عون بن سلام الكوفي، أخبرنا محمد بن طلحة اليامي، عن زبيد، عن مرة، عن عبد الله، قال حبس المشركون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة العصر حتى احمرت الشمس أو اصفرت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شغلونا عن الصلاة الوسطى صلاة العصر ملأ الله أجوافهم وقبورهم نارا " . أو قال " حشا الله أجوافهم وقبورهم نارا " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন মুশরিকগণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাত থেকে বিরত রাখল। এমনকি সূর্য লাল অথবা (বলেছেন) তাম্রবর্ণ ধারণ করল। এ অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (মুশরিকরা) আমাকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে ‘সলাতুল উসত্বা’ (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রাখল। আল্লাহ যেন তাদের পেট ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দেন অথবা তিনি বললেনঃ (আরবী) (এখানে শুধু শাব্দিক তারতম্য দেখানো হয়েছে। অর্থের কোন পার্থক্য নেই)। (ই.ফা.১৩০০, ই.সে.১৩১২)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন মুশরিকগণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাত থেকে বিরত রাখল। এমনকি সূর্য লাল অথবা (বলেছেন) তাম্রবর্ণ ধারণ করল। এ অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (মুশরিকরা) আমাকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে ‘সলাতুল উসত্বা’ (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রাখল। আল্লাহ যেন তাদের পেট ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দেন অথবা তিনি বললেনঃ (আরবী) (এখানে শুধু শাব্দিক তারতম্য দেখানো হয়েছে। অর্থের কোন পার্থক্য নেই)। (ই.ফা.১৩০০, ই.সে.১৩১২)
وحدثنا عون بن سلام الكوفي، أخبرنا محمد بن طلحة اليامي، عن زبيد، عن مرة، عن عبد الله، قال حبس المشركون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة العصر حتى احمرت الشمس أو اصفرت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شغلونا عن الصلاة الوسطى صلاة العصر ملأ الله أجوافهم وقبورهم نارا " . أو قال " حشا الله أجوافهم وقبورهم نارا " .
সহিহ মুসলিম ১৩১২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو كريب قالوا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم بن صبيح، عن شتير بن شكل، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب " شغلونا عن الصلاة الوسطى صلاة العصر ملأ الله بيوتهم وقبورهم نارا " . ثم صلاها بين العشاءين بين المغرب والعشاء .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা কাফিররা আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাতুল উসত্বা (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ঘর-বাড়ী ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। অতঃপর তিনি এ সলাত মাগরিব এবং ইশার সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করলেন। [১] (ই.ফা.১২৯৯, ই.সে.১৩১১)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা কাফিররা আমাদেরকে যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে সলাতুল উসত্বা (মধ্যবর্তীকালীন সলাত, অর্থাৎ- আসরের সলাত) থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তা’আলা ওদের ঘর-বাড়ী ও কবরসমূহ আগুন দিয়ে ভরে দিন। অতঃপর তিনি এ সলাত মাগরিব এবং ইশার সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করলেন। [১] (ই.ফা.১২৯৯, ই.সে.১৩১১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو كريب قالوا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن مسلم بن صبيح، عن شتير بن شكل، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب " شغلونا عن الصلاة الوسطى صلاة العصر ملأ الله بيوتهم وقبورهم نارا " . ثم صلاها بين العشاءين بين المغرب والعشاء .
সহিহ মুসলিম ১৩০৯
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أبي حسان، عن عبيدة، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب " شغلونا عن صلاة الوسطى حتى آبت الشمس ملأ الله قبورهم نارا أو بيوتهم أو بطونهم " . شك شعبة في البيوت والبطون .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদের (যুদ্ধ তৎপরতায়) ব্যস্ত রাখার কারণে আমরা আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা যেন তাদের ক্ববর, বাড়ী-ঘর ও পেটসমূহ আগুন দ্বারা ভর্তি করে দেন। বর্ণনাকারী শু‘বাহ্ ঘর-বাড়ী ও পেটসমূহ কথাটি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন। (ই.ফা.১২৯৬, ই.সে.১৩০৮)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদের (যুদ্ধ তৎপরতায়) ব্যস্ত রাখার কারণে আমরা আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা যেন তাদের ক্ববর, বাড়ী-ঘর ও পেটসমূহ আগুন দ্বারা ভর্তি করে দেন। বর্ণনাকারী শু‘বাহ্ ঘর-বাড়ী ও পেটসমূহ কথাটি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন। (ই.ফা.১২৯৬, ই.সে.১৩০৮)
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أبي حسان، عن عبيدة، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب " شغلونا عن صلاة الوسطى حتى آبت الشمس ملأ الله قبورهم نارا أو بيوتهم أو بطونهم " . شك شعبة في البيوت والبطون .
সহিহ মুসলিম ১৩১০
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، بهذا الإسناد وقال " بيوتهم وقبورهم " . ولم يشك .
কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে ‘বুয়ূতাহুম ও কুবূরাহুম’ তাদের ‘ঘর-বাড়ী ও ক্ববরসমূহ’ সম্পর্কে কোন সন্দেহ পোষণ করেননি। (ই.ফা.১২৯৭, ই.সে.১৩০৯)
কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে ‘বুয়ূতাহুম ও কুবূরাহুম’ তাদের ‘ঘর-বাড়ী ও ক্ববরসমূহ’ সম্পর্কে কোন সন্দেহ পোষণ করেননি। (ই.ফা.১২৯৭, ই.সে.১৩০৯)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، بهذا الإسناد وقال " بيوتهم وقبورهم " . ولم يشك .
সহিহ মুসলিম ১৩১৫
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا الفضيل بن مرزوق، عن شقيق بن عقبة، عن البراء بن عازب، قال نزلت هذه الآية حافظوا على الصلوات وصلاة العصر . فقرأناها ما شاء الله ثم نسخها الله فنزلت { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى} فقال رجل كان جالسا عند شقيق له هي إذا صلاة العصر . فقال البراء قد أخبرتك كيف نزلت وكيف نسخها الله . والله أعلم . قال مسلم ورواه الأشجعي عن سفيان الثوري، عن الأسود بن قيس، عن شقيق بن عقبة، عن البراء بن عازب، قال قرأناها مع النبي صلى الله عليه وسلم زمانا . بمثل حديث فضيل بن مرزوق .
বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এ আয়াতটি এভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল- (আরবী)। যতদিন আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ততদিন এভাবেই আমরা আয়াতটি তিলাওয়াত করতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ আয়াতটি ‘মানসূখ’ বা বাতিল ঘোষণা করে এভাবে অবতীর্ণ করলেন, (আরবী) (পূর্বোক্ত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাত সমূহের ও আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। পরবর্তীকালে নাযিলকৃত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাতসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করো এবং (আরবী) বা মধ্যবর্তী কালীন সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। বর্ণনাকারী শ্বাক্বীক ইবনু ‘উকবাহ্ এর কাছে জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। এ কথা শুনে তিনি বারা ইবনু ‘আযিবকে লক্ষ্য করে বললঃ তাহলে তো এ কথা দ্বারা আসরের সলাতই বুঝায়। বারা ইবনু ‘আযিব তাকে বললেনঃ কী পরিস্থিতিতে কেমন করে পূর্বোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে কেমন করে তা ‘মানসূখ’ বা বাতিল হয়েছিল, তা আমি তোমাকে বলে দিয়েছি। আর আল্লাহ তা’আলাই এ সম্পর্কে সমধিক পরিজ্ঞাত। (ই.সে.১৩১৪) ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ আশজা’ঈ (রহঃ) …… বারাইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ আমরা ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতটি (পূর্বোক্তরূপে) পড়তাম। ফুযায়ল ইবনু মারযূক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.১৩০২, ই.সে.১৩১৪ (ক) )
বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এ আয়াতটি এভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল- (আরবী)। যতদিন আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ততদিন এভাবেই আমরা আয়াতটি তিলাওয়াত করতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ আয়াতটি ‘মানসূখ’ বা বাতিল ঘোষণা করে এভাবে অবতীর্ণ করলেন, (আরবী) (পূর্বোক্ত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাত সমূহের ও আসরের সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। পরবর্তীকালে নাযিলকৃত আয়াতটির অর্থ দাঁড়ায় সলাতসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ করো এবং (আরবী) বা মধ্যবর্তী কালীন সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করো। বর্ণনাকারী শ্বাক্বীক ইবনু ‘উকবাহ্ এর কাছে জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। এ কথা শুনে তিনি বারা ইবনু ‘আযিবকে লক্ষ্য করে বললঃ তাহলে তো এ কথা দ্বারা আসরের সলাতই বুঝায়। বারা ইবনু ‘আযিব তাকে বললেনঃ কী পরিস্থিতিতে কেমন করে পূর্বোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে কেমন করে তা ‘মানসূখ’ বা বাতিল হয়েছিল, তা আমি তোমাকে বলে দিয়েছি। আর আল্লাহ তা’আলাই এ সম্পর্কে সমধিক পরিজ্ঞাত। (ই.সে.১৩১৪) ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ আশজা’ঈ (রহঃ) …… বারাইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বেশ কিছু দিন যাবৎ আমরা ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতটি (পূর্বোক্তরূপে) পড়তাম। ফুযায়ল ইবনু মারযূক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.১৩০২, ই.সে.১৩১৪ (ক) )
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا الفضيل بن مرزوق، عن شقيق بن عقبة، عن البراء بن عازب، قال نزلت هذه الآية حافظوا على الصلوات وصلاة العصر . فقرأناها ما شاء الله ثم نسخها الله فنزلت { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى} فقال رجل كان جالسا عند شقيق له هي إذا صلاة العصر . فقال البراء قد أخبرتك كيف نزلت وكيف نسخها الله . والله أعلم . قال مسلم ورواه الأشجعي عن سفيان الثوري، عن الأسود بن قيس، عن شقيق بن عقبة، عن البراء بن عازب، قال قرأناها مع النبي صلى الله عليه وسلم زمانا . بمثل حديث فضيل بن مرزوق .
সহিহ মুসলিম ১৩১৬
وحدثني أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، عن معاذ بن هشام، - قال أبو غسان حدثنا معاذ بن هشام، - حدثني أبي، عن يحيى بن أبي كثير، قال حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله، أن عمر بن الخطاب، يوم الخندق جعل يسب كفار قريش وقال يا رسول الله والله ما كدت أن أصلي العصر حتى كادت أن تغرب الشمس . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فوالله إن صليتها " . فنزلنا إلى بطحان فتوضأ رسول الله صلى الله عليه وسلم وتوضأنا فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر بعد ما غربت الشمس ثم صلى بعدها المغرب .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খন্দকে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব কাফির কুরায়শদের ভর্ৎসনা ও গালমন্দ করতে থাকলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! সূর্য এখন ডুবন্ত প্রায়। কিন্তু আজ আমি এখন পর্যন্ত আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ, আমিও আজ এখন পর্যন্ত আসরের সলাত পড়িনি। এরপর আমরা একটি কংকরময় ভূমিতে গেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে ওযূ করলেন, আমরাও ওযূ করলাম। এরপর তিনি (আমাদের সাথে নিয়ে) আসরের সলাত আদায় করলেন। তখন সূর্য ডু্বে গিয়েছিল। এর (আসরের সলাত আদায়ের) পর তিনি মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা.১৩০৩, ই.সে.১৩১৫)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খন্দকে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব কাফির কুরায়শদের ভর্ৎসনা ও গালমন্দ করতে থাকলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! সূর্য এখন ডুবন্ত প্রায়। কিন্তু আজ আমি এখন পর্যন্ত আসরের সলাত আদায় করতে পারিনি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ, আমিও আজ এখন পর্যন্ত আসরের সলাত পড়িনি। এরপর আমরা একটি কংকরময় ভূমিতে গেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে ওযূ করলেন, আমরাও ওযূ করলাম। এরপর তিনি (আমাদের সাথে নিয়ে) আসরের সলাত আদায় করলেন। তখন সূর্য ডু্বে গিয়েছিল। এর (আসরের সলাত আদায়ের) পর তিনি মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা.১৩০৩, ই.সে.১৩১৫)
وحدثني أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، عن معاذ بن هشام، - قال أبو غسان حدثنا معاذ بن هشام، - حدثني أبي، عن يحيى بن أبي كثير، قال حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله، أن عمر بن الخطاب، يوم الخندق جعل يسب كفار قريش وقال يا رسول الله والله ما كدت أن أصلي العصر حتى كادت أن تغرب الشمس . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فوالله إن صليتها " . فنزلنا إلى بطحان فتوضأ رسول الله صلى الله عليه وسلم وتوضأنا فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر بعد ما غربت الشمس ثم صلى بعدها المغرب .
সহিহ মুসলিম ১৩১৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال أبو بكر حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا وكيع، عن علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، في هذا الإسناد بمثله .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৩০৪, ই.সে.১৩১৬)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৩০৪, ই.সে.১৩১৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال أبو بكر حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا وكيع، عن علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، في هذا الإسناد بمثله .
সহিহ মুসলিম > ফজর ও ‘আসর সলাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া
সহিহ মুসলিম ১৩২২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم جميعا عن وكيع، - قال أبو كريب حدثنا وكيع، - عن ابن أبي خالد، ومسعر، والبختري بن المختار، سمعوه من أبي بكر بن عمارة بن رؤيبة، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لن يلج النار أحد صلى قبل طلوع الشمس وقبل غروبها " . يعني الفجر والعصر . فقال له رجل من أهل البصرة آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم . قال الرجل وأنا أشهد أني سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعته أذناى ووعاه قلبي .
আবূ বাকর ইবনু ‘উমারাহ্ ইবনু রুআয়বাহ্ তার পিতা রুআয়বাহ্ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত অর্থাৎ- ফজর ও আসরের সলাত আদায় করে। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ কথা শুনেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন লোকটি বলে উঠল, আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। আমার দু’কান তা শুনেছে আর মন তা স্মরণ রেখেছে। (ই.ফা.১৩০৯, ই.সে.১৩২১)
আবূ বাকর ইবনু ‘উমারাহ্ ইবনু রুআয়বাহ্ তার পিতা রুআয়বাহ্ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত অর্থাৎ- ফজর ও আসরের সলাত আদায় করে। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী একটি লোক তাকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ কথা শুনেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন লোকটি বলে উঠল, আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। আমার দু’কান তা শুনেছে আর মন তা স্মরণ রেখেছে। (ই.ফা.১৩০৯, ই.সে.১৩২১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم جميعا عن وكيع، - قال أبو كريب حدثنا وكيع، - عن ابن أبي خالد، ومسعر، والبختري بن المختار، سمعوه من أبي بكر بن عمارة بن رؤيبة، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لن يلج النار أحد صلى قبل طلوع الشمس وقبل غروبها " . يعني الفجر والعصر . فقال له رجل من أهل البصرة آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم . قال الرجل وأنا أشهد أني سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعته أذناى ووعاه قلبي .
সহিহ মুসলিম ১৩১৯
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " والملائكة يتعاقبون فيكم " . بمثل حديث أبي الزناد .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মালায়িকাহ্ এক দলের পর আরেক দল তোমাদের কাছে এসে থাকে। এরপর আবুয্ যিনাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩০৬, ই.সে. ১৩১৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মালায়িকাহ্ এক দলের পর আরেক দল তোমাদের কাছে এসে থাকে। এরপর আবুয্ যিনাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৩০৬, ই.সে. ১৩১৮)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " والملائكة يتعاقبون فيكم " . بمثل حديث أبي الزناد .
সহিহ মুসলিম ১৩২৩
وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا شيبان، عن عبد الملك بن عمير، عن ابن عمارة بن رؤيبة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يلج النار من صلى قبل طلوع الشمس وقبل غروبها " . وعنده رجل من أهل البصرة فقال آنت سمعت هذا من النبي صلى الله عليه وسلم قال نعم أشهد به عليه . قال وأنا أشهد لقد سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقوله بالمكان الذي سمعته منه .
‘উমার ইবনু রুআয়বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে সলাত আদায় করবে সে জাহান্নামে যাবে না। এ সময় তার কাছে বাসরার অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। সে বলল, তুমি কি সরাসরি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী লোকটি বলল-আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আমিও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে যে স্থানে তুমি শুনেছ সে স্থানেই শুনেছি। (ই.ফা.১৩১০, ই.সে.১৩২২)
‘উমার ইবনু রুআয়বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে সলাত আদায় করবে সে জাহান্নামে যাবে না। এ সময় তার কাছে বাসরার অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। সে বলল, তুমি কি সরাসরি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি এ হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে শুনেছি। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী লোকটি বলল-আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আমিও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট থেকে যে স্থানে তুমি শুনেছ সে স্থানেই শুনেছি। (ই.ফা.১৩১০, ই.সে.১৩২২)
وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا شيبان، عن عبد الملك بن عمير، عن ابن عمارة بن رؤيبة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يلج النار من صلى قبل طلوع الشمس وقبل غروبها " . وعنده رجل من أهل البصرة فقال آنت سمعت هذا من النبي صلى الله عليه وسلم قال نعم أشهد به عليه . قال وأنا أشهد لقد سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقوله بالمكان الذي سمعته منه .
সহিহ মুসলিম ১৩২০
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد، حدثنا قيس بن أبي حازم، قال سمعت جرير بن عبد الله، وهو يقول كنا جلوسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ نظر إلى القمر ليلة البدر فقال " أما إنكم سترون ربكم كما ترون هذا القمر لا تضامون في رؤيته فإن استطعتم أن لا تغلبوا على صلاة قبل طلوع الشمس وقبل غروبها " . يعني العصر والفجر ثم قرأ جرير { وسبح بحمد ربك قبل طلوع الشمس وقبل غروبها} .
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে বসেছিলাম। এক সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই (জান্নাতে) তো তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহ তা’আলাকে এমন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবে যেন এ চাঁদকে অবাধে দেখতে পাচ্ছ। (সুতরাং যদি এরূপ চাও) তাহলে সাধ্যমত সূর্যোদয়ের পূর্বের সলাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত উত্তম সময়ে আদায়ের মাধ্যমে আয়ত্তে রাখ। এ কথা দ্বারা তিনি ফজর ও আসরের সলাত বুঝালেন। অতঃপর জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ এ আয়াতটি পাঠ করলেন, (আরবী) “তুমি তোমার প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা ও প্রশংসা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে - (সূরাহ্ ত্ব-হা ২০:১৩০) ”। (ই.ফা.১৩০৭, ই.সে.১৩১৯)
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে বসেছিলাম। এক সময় তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ অচিরেই (জান্নাতে) তো তোমরা তোমাদের প্রভু আল্লাহ তা’আলাকে এমন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবে যেন এ চাঁদকে অবাধে দেখতে পাচ্ছ। (সুতরাং যদি এরূপ চাও) তাহলে সাধ্যমত সূর্যোদয়ের পূর্বের সলাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সলাত উত্তম সময়ে আদায়ের মাধ্যমে আয়ত্তে রাখ। এ কথা দ্বারা তিনি ফজর ও আসরের সলাত বুঝালেন। অতঃপর জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ এ আয়াতটি পাঠ করলেন, (আরবী) “তুমি তোমার প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা ও প্রশংসা কর সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে - (সূরাহ্ ত্ব-হা ২০:১৩০) ”। (ই.ফা.১৩০৭, ই.সে.১৩১৯)
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، أخبرنا إسماعيل بن أبي خالد، حدثنا قيس بن أبي حازم، قال سمعت جرير بن عبد الله، وهو يقول كنا جلوسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ نظر إلى القمر ليلة البدر فقال " أما إنكم سترون ربكم كما ترون هذا القمر لا تضامون في رؤيته فإن استطعتم أن لا تغلبوا على صلاة قبل طلوع الشمس وقبل غروبها " . يعني العصر والفجر ثم قرأ جرير { وسبح بحمد ربك قبل طلوع الشمس وقبل غروبها} .
সহিহ মুসলিম ১৩১৮
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة الفجر وصلاة العصر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم ربهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের বেলা ও দিনের বেলা মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) এক দলের পর আর এক দল তোমাদের কাছে এসে থাকে এবং তাদের উভয় দল ফজর ও আসর সলাতের সময় একত্রিত হয়। অতঃপর যারা তোমাদের সাথে রাত্রি যাপন করেছে তারা উঠে যায়। তখন তাদের প্রভু মহান আল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কিরূপ অবস্থায় রেখে আসলে? যদিও তিনি তাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত। মালায়িকাহ্ তখন বলেন, আমরা যখন তাদেরকে ছেড়ে চলে আসলাম তখন তারা সলাত আদায় করছিল। আবার তাদের কাছে আমরা যখন গিয়েছিলাম তখনও তারা সলাত আদায় করছিল। (ই.ফা.১৩০৫, ই.সে.১৩১৭)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের বেলা ও দিনের বেলা মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ) এক দলের পর আর এক দল তোমাদের কাছে এসে থাকে এবং তাদের উভয় দল ফজর ও আসর সলাতের সময় একত্রিত হয়। অতঃপর যারা তোমাদের সাথে রাত্রি যাপন করেছে তারা উঠে যায়। তখন তাদের প্রভু মহান আল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কিরূপ অবস্থায় রেখে আসলে? যদিও তিনি তাদের সম্পর্কে সম্যক অবগত। মালায়িকাহ্ তখন বলেন, আমরা যখন তাদেরকে ছেড়ে চলে আসলাম তখন তারা সলাত আদায় করছিল। আবার তাদের কাছে আমরা যখন গিয়েছিলাম তখনও তারা সলাত আদায় করছিল। (ই.ফা.১৩০৫, ই.সে.১৩১৭)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة الفجر وصلاة العصر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم ربهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون " .
সহিহ মুসলিম ১৩২১
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة ووكيع بهذا الإسناد وقال " أما إنكم ستعرضون على ربكم فترونه كما ترون هذا القمر " . وقال ثم قرأ . ولم يقل جرير .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) বলেন, “আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ উসামাহ্ ও ওয়াকী’ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেনঃ তোমাদেরকে তোমাদের প্রভুর দরবারে পেশ করা হবে। তখন তোমরা তাঁকে এমনভাবে স্পষ্ট দেখতে পাবে যেমনভাবে এ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তিনি আরো বলেছেনঃ অতঃপর তিনি (আয়াত) পাঠ করলেন। তবে জারীর (পাঠ করলেন) কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১৩০৮, ই.সে.১৩২০)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) বলেন, “আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ উসামাহ্ ও ওয়াকী’ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেনঃ তোমাদেরকে তোমাদের প্রভুর দরবারে পেশ করা হবে। তখন তোমরা তাঁকে এমনভাবে স্পষ্ট দেখতে পাবে যেমনভাবে এ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তিনি আরো বলেছেনঃ অতঃপর তিনি (আয়াত) পাঠ করলেন। তবে জারীর (পাঠ করলেন) কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১৩০৮, ই.সে.১৩২০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، وأبو أسامة ووكيع بهذا الإسناد وقال " أما إنكم ستعرضون على ربكم فترونه كما ترون هذا القمر " . وقال ثم قرأ . ولم يقل جرير .
সহিহ মুসলিম ১৩২৪
وحدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا همام بن يحيى، حدثني أبو جمرة الضبعي، عن أبي بكر، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من صلى البردين دخل الجنة " .
আবূ বাকর তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দু’টি ঠান্ডা সময়ের (ফজর ও আসর) সলাত ঠিকমত আদায় করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ই.ফা.১৩১১, ই.সে.১৩২৩)
আবূ বাকর তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দু’টি ঠান্ডা সময়ের (ফজর ও আসর) সলাত ঠিকমত আদায় করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ই.ফা.১৩১১, ই.সে.১৩২৩)
وحدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا همام بن يحيى، حدثني أبو جمرة الضبعي، عن أبي بكر، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من صلى البردين دخل الجنة " .
সহিহ মুসলিম ১৩২৫
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا بشر بن السري، ح قال وحدثنا ابن خراش، حدثنا عمرو بن عاصم، قالا جميعا حدثنا همام، بهذا الإسناد ونسبا أبا بكر فقالا ابن أبي موسى .
হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে উপরে বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু খিরাশ ও বিশর ইবনুস্ সারী আবূ বাকরকে আবূ মূসার সাথে সম্পর্কিত করে আবূ বাকর ইবনু আবূ মূসা বলে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩১২, ই.সে.১৩২৪)
হাম্মাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে উপরে বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু খিরাশ ও বিশর ইবনুস্ সারী আবূ বাকরকে আবূ মূসার সাথে সম্পর্কিত করে আবূ বাকর ইবনু আবূ মূসা বলে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা.১৩১২, ই.সে.১৩২৪)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا بشر بن السري، ح قال وحدثنا ابن خراش، حدثنا عمرو بن عاصم، قالا جميعا حدثنا همام، بهذا الإسناد ونسبا أبا بكر فقالا ابن أبي موسى .