সহিহ মুসলিম > পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সলাতের সময়

সহিহ মুসলিম ১২৬৮

قال عروة ولقد حدثتني عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس في حجرتها قبل أن تظهر ‏.

উরওয়াহ্‌ থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী আয়িশাহ্‌ (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতেন যখন সূর্য কিরণ তাঁর কামরার মধ্যে আদায় করত। তখনো তা দেয়ালের উপর উঠে যেত না। (ই. ফা. ১২৫৫, ই. সে. ১২৬৮)

উরওয়াহ্‌ থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী আয়িশাহ্‌ (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতেন যখন সূর্য কিরণ তাঁর কামরার মধ্যে আদায় করত। তখনো তা দেয়ালের উপর উঠে যেত না। (ই. ফা. ১২৫৫, ই. সে. ১২৬৮)

قال عروة ولقد حدثتني عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس في حجرتها قبل أن تظهر ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৬৭

أخبرنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، أن عمر بن عبد العزيز، أخر الصلاة يوما فدخل عليه عروة بن الزبير فأخبره أن المغيرة بن شعبة أخر الصلاة يوما وهو بالكوفة فدخل عليه أبو مسعود الأنصاري فقال ما هذا يا مغيرة أليس قد علمت أن جبريل نزل فصلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏ "‏ بهذا أمرت ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر لعروة انظر ما تحدث يا عروة أوإن جبريل عليه السلام هو أقام لرسول الله صلى الله عليه وسلم وقت الصلاة فقال عروة كذلك كان بشير بن أبي مسعود يحدث عن أبيه ‏.

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) একদিন সলাত আদায় করতে (বেশ দেরী করে ফেললেন) তাই ‘উরওয়াহ্‌ ইবনু মাস’ঊদ তার কাছে গিয়ে বললেন, কুফায় (গভর্নর) থাকাকালীন একদিন মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ (রহঃ) (আস্‌রের) সলাত আদায় করতে করতে দেরী করে ফেললেন। আবূ মাস’ঊদ আল আনসারী (রাঃ) গিয়ে তাঁকে বললেন, মুগীরাহ্‌! একি করছ তুমি? তুমি কি জানো না যে, এক সময় জিব্‌রীল (আঃ) এসে সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে সলাত আদায় করলেন। তিনি [জিব্‌রীল (আঃ) ] আবার (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে আবার সলাত আদায় করলেন। তিনি জিব্‌রীল (আঃ) পুনরায় (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় এ সলাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। তিনি [জিব্‌রীল (আঃ) ] আবারও (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সলাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। এরপর জিব্‌রীল (আঃ) বললেন, আপনি এভাবে সলাত আদায় করতে আদিষ্ট হয়েছেন। একথা শুনে উমার ইবনু আযীয উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়রকে বললেনঃ ‘উরওয়াহ্‌! তুমি কি বলছ তা কি চিন্তা করে দেখেছো? জিব্‌রীল (আঃ) নিজে কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য সলাতের সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন? জবাবে উরওয়াহ্‌ বলেন, বাশীর ইবনু আবূ মাস’ঊদ তাঁর পিতা আবূ মাস’ঊদের নিকট থেকে তা এরূপই (সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া) বর্ণনা করতেন। (ই. ফা. ১২৫৫, ই. সে. ১২৬৮) ’

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) একদিন সলাত আদায় করতে (বেশ দেরী করে ফেললেন) তাই ‘উরওয়াহ্‌ ইবনু মাস’ঊদ তার কাছে গিয়ে বললেন, কুফায় (গভর্নর) থাকাকালীন একদিন মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ (রহঃ) (আস্‌রের) সলাত আদায় করতে করতে দেরী করে ফেললেন। আবূ মাস’ঊদ আল আনসারী (রাঃ) গিয়ে তাঁকে বললেন, মুগীরাহ্‌! একি করছ তুমি? তুমি কি জানো না যে, এক সময় জিব্‌রীল (আঃ) এসে সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে সলাত আদায় করলেন। তিনি [জিব্‌রীল (আঃ) ] আবার (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে আবার সলাত আদায় করলেন। তিনি জিব্‌রীল (আঃ) পুনরায় (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় এ সলাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। তিনি [জিব্‌রীল (আঃ) ] আবারও (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সলাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। এরপর জিব্‌রীল (আঃ) বললেন, আপনি এভাবে সলাত আদায় করতে আদিষ্ট হয়েছেন। একথা শুনে উমার ইবনু আযীয উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়রকে বললেনঃ ‘উরওয়াহ্‌! তুমি কি বলছ তা কি চিন্তা করে দেখেছো? জিব্‌রীল (আঃ) নিজে কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য সলাতের সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন? জবাবে উরওয়াহ্‌ বলেন, বাশীর ইবনু আবূ মাস’ঊদ তাঁর পিতা আবূ মাস’ঊদের নিকট থেকে তা এরূপই (সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া) বর্ণনা করতেন। (ই. ফা. ১২৫৫, ই. সে. ১২৬৮) ’

أخبرنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، أن عمر بن عبد العزيز، أخر الصلاة يوما فدخل عليه عروة بن الزبير فأخبره أن المغيرة بن شعبة أخر الصلاة يوما وهو بالكوفة فدخل عليه أبو مسعود الأنصاري فقال ما هذا يا مغيرة أليس قد علمت أن جبريل نزل فصلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏ "‏ بهذا أمرت ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر لعروة انظر ما تحدث يا عروة أوإن جبريل عليه السلام هو أقام لرسول الله صلى الله عليه وسلم وقت الصلاة فقال عروة كذلك كان بشير بن أبي مسعود يحدث عن أبيه ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৬৬

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا ابن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، أن عمر بن عبد العزيز، أخر العصر شيئا فقال له عروة أما إن جبريل قد نزل فصلى إمام رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال له عمر اعلم ما تقول يا عروة ‏.‏ فقال سمعت بشير بن أبي مسعود يقول سمعت أبا مسعود يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ نزل جبريل فأمني فصليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ‏"‏ ‏.‏ يحسب بأصابعه خمس صلوات ‏.

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) একদিন ‘আস্‌রের সলাত আদায় করতে দেরী করলে ‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) তাকে বললেনঃ একদিন জিব্‌রীল (‘আঃ) এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ইমাম হয়ে সলাত আদায় করলেন। এ কথা শুনে ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ‘উরওয়াহ্‌কে বললেনঃ ‘উরওয়াহ্‌! তুমি যা বলছ তা ভালমতো চিন্তা ভাবনা করে বলো। ‘উরওয়াহ্‌ বললেনঃ আমি বাশীর ইবনু আবূ মাস’উদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলছেনঃ আমি আবূ মাস’উদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি। একদিন জিব্‌রীল (‘আঃ) এসে আমার ইমামতি করলেন। আমি তার সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর আমি তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর পুনরায় আমি তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এরপর আমি আবার তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর আমি আরো একবার তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এভাবে তিনি আঙ্গুল গুণে পাঁচ (ওয়াক্ত) সলাতের কথা বললেন। (ই.ফা. ১২৫৪, ই.সে. ১২৬৭)

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) একদিন ‘আস্‌রের সলাত আদায় করতে দেরী করলে ‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) তাকে বললেনঃ একদিন জিব্‌রীল (‘আঃ) এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর ইমাম হয়ে সলাত আদায় করলেন। এ কথা শুনে ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ‘উরওয়াহ্‌কে বললেনঃ ‘উরওয়াহ্‌! তুমি যা বলছ তা ভালমতো চিন্তা ভাবনা করে বলো। ‘উরওয়াহ্‌ বললেনঃ আমি বাশীর ইবনু আবূ মাস’উদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলছেনঃ আমি আবূ মাস’উদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি। একদিন জিব্‌রীল (‘আঃ) এসে আমার ইমামতি করলেন। আমি তার সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর আমি তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর পুনরায় আমি তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এরপর আমি আবার তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। তারপর আমি আরো একবার তাঁর সাথে সলাত আদায় করলাম। এভাবে তিনি আঙ্গুল গুণে পাঁচ (ওয়াক্ত) সলাতের কথা বললেন। (ই.ফা. ১২৫৪, ই.সে. ১২৬৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا ابن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، أن عمر بن عبد العزيز، أخر العصر شيئا فقال له عروة أما إن جبريل قد نزل فصلى إمام رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال له عمر اعلم ما تقول يا عروة ‏.‏ فقال سمعت بشير بن أبي مسعود يقول سمعت أبا مسعود يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ نزل جبريل فأمني فصليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ثم صليت معه ‏"‏ ‏.‏ يحسب بأصابعه خمس صلوات ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قال عمرو حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي العصر والشمس طالعة في حجرتي لم يفئ الفىء بعد ‏.‏ وقال أبو بكر لم يظهر الفىء بعد ‏.

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতেন যে, তখনো সূর্য কিরণ আমাদের কামরার মধ্যে ঝলমল করত। বেশ কিছুক্ষণ পরও কামরার মধ্যে ছায়া পড়ত না। আবূ বকর বলছেনঃ এরপরও বেশ কিছুক্ষণ উপরে উঠত না। (ই. ফা. ১২৫৬, ই. সে. ১২৬৯)

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতেন যে, তখনো সূর্য কিরণ আমাদের কামরার মধ্যে ঝলমল করত। বেশ কিছুক্ষণ পরও কামরার মধ্যে ছায়া পড়ত না। আবূ বকর বলছেনঃ এরপরও বেশ কিছুক্ষণ উপরে উঠত না। (ই. ফা. ১২৫৬, ই. সে. ১২৬৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قال عمرو حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي العصر والشمس طالعة في حجرتي لم يفئ الفىء بعد ‏.‏ وقال أبو بكر لم يظهر الفىء بعد ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭০

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس في حجرتها لم يظهر الفىء في حجرتها ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় আসরের সলাত আদায় করতেন তখন সূর্যের কিরণ তাঁর কামরার মধ্যে থাকত এবং তা কামরার মধ্যে থেকে উপরের দিকে (দেয়ালে) উঠে যেত না। (ই. ফা. ১২৫৭, ই. সে. ১২৭০)

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় আসরের সলাত আদায় করতেন তখন সূর্যের কিরণ তাঁর কামরার মধ্যে থাকত এবং তা কামরার মধ্যে থেকে উপরের দিকে (দেয়ালে) উঠে যেত না। (ই. ফা. ১২৫৭, ই. সে. ১২৭০)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس في حجرتها لم يظهر الفىء في حجرتها ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي العصر والشمس واقعة في حجرتي ‏.

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় আসরের সলাত আদায় করতেন সূর্যের কিরণ তখন আমার কামরার মধ্যেই থাকত। (ই. ফা. ১২৫৮, ই. সে. ১২৭১)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় আসরের সলাত আদায় করতেন সূর্যের কিরণ তখন আমার কামরার মধ্যেই থাকত। (ই. ফা. ১২৫৮, ই. সে. ১২৭১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي العصر والشمس واقعة في حجرتي ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭২

حدثنا أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي أيوب، عن عبد الله بن عمرو، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا صليتم الفجر فإنه وقت إلى أن يطلع قرن الشمس الأول ثم إذا صليتم الظهر فإنه وقت إلى أن يحضر العصر فإذا صليتم العصر فإنه وقت إلى أن تصفر الشمس فإذا صليتم المغرب فإنه وقت إلى أن يسقط الشفق فإذا صليتم العشاء فإنه وقت إلى نصف الليل ‏"‏ ‏

আবদুল্লাহ ইবনু আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যখন ফজরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো ফজরের সলাতের সময় হলো সূর্যের প্রান্তভাগ বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত। তোমরা যখন যুহরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো যে, এর সময় হলো- ‘আসরের ওয়াক্ত শুরু না হওয়া পর্যন্ত। তোমরা যখন আসরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো ‘আসরের সলাতের সময় হলো সূর্য বিবর্ণ হয়ে হলুদ (সোনালি বা তাম্রবর্ণও বলা যেতে পারে) বর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। [১৭] তোমরা যখন মাগরিবেরে সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো যে, মাগরিবের সলাতের সময় থেকে পশ্চিম দিগন্তের রক্তিম আভা বা লালিমা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। আর তোমরা যখন ঈশার সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখ ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধেক রাত পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৫৯ ই. সে. ১২৭২)

আবদুল্লাহ ইবনু আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যখন ফজরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো ফজরের সলাতের সময় হলো সূর্যের প্রান্তভাগ বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত। তোমরা যখন যুহরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো যে, এর সময় হলো- ‘আসরের ওয়াক্ত শুরু না হওয়া পর্যন্ত। তোমরা যখন আসরের সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো ‘আসরের সলাতের সময় হলো সূর্য বিবর্ণ হয়ে হলুদ (সোনালি বা তাম্রবর্ণও বলা যেতে পারে) বর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। [১৭] তোমরা যখন মাগরিবেরে সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখো যে, মাগরিবের সলাতের সময় থেকে পশ্চিম দিগন্তের রক্তিম আভা বা লালিমা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। আর তোমরা যখন ঈশার সলাত আদায় করবে তখন জেনে রেখ ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধেক রাত পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৫৯ ই. সে. ১২৭২)

حدثنا أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي أيوب، عن عبد الله بن عمرو، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا صليتم الفجر فإنه وقت إلى أن يطلع قرن الشمس الأول ثم إذا صليتم الظهر فإنه وقت إلى أن يحضر العصر فإذا صليتم العصر فإنه وقت إلى أن تصفر الشمس فإذا صليتم المغرب فإنه وقت إلى أن يسقط الشفق فإذا صليتم العشاء فإنه وقت إلى نصف الليل ‏"‏ ‏


সহিহ মুসলিম ১২৭৩

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي أيوب، - واسمه يحيى بن مالك الأزدي ويقال المراغي والمراغ حى من الأزد - عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ وقت الظهر ما لم يحضر العصر ووقت العصر ما لم تصفر الشمس ووقت المغرب ما لم يسقط ثور الشفق ووقت العشاء إلى نصف الليل ووقت الفجر ما لم تطلع الشمس ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আসরের সলাতের ওয়াক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুহরের সলাতের ওয়াক্ত থাকে। আর সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালি বা তাম্রবর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত আসরের সলাতের ওয়াক্ত থাকে। সন্ধ্যাকালীন গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তের রক্তিম আভা অন্তর্হিত না হওয়া পর্যন্ত মাগরিবের সলাতের ওয়াক্ত থাকে। ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধ-রাত্রি পর্যন্ত। আর ফজরের সলাতের সময় থাকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৬০, ই. সে. ১২৭৩)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আসরের সলাতের ওয়াক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুহরের সলাতের ওয়াক্ত থাকে। আর সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালি বা তাম্রবর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত আসরের সলাতের ওয়াক্ত থাকে। সন্ধ্যাকালীন গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তের রক্তিম আভা অন্তর্হিত না হওয়া পর্যন্ত মাগরিবের সলাতের ওয়াক্ত থাকে। ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধ-রাত্রি পর্যন্ত। আর ফজরের সলাতের সময় থাকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৬০, ই. সে. ১২৭৩)

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي أيوب، - واسمه يحيى بن مالك الأزدي ويقال المراغي والمراغ حى من الأزد - عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ وقت الظهر ما لم يحضر العصر ووقت العصر ما لم تصفر الشمس ووقت المغرب ما لم يسقط ثور الشفق ووقت العشاء إلى نصف الليل ووقت الفجر ما لم تطلع الشمس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭৪

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا أبو عامر العقدي، ح قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهما قال شعبة رفعه مرة ولم يرفعه مرتين ‏.

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ও ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) উভয়ই শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি শু’বাহ মারফূ হাদিস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে একের অধিকবার মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেন নি। (ই. ফা. ১২৬১, ই. সে. ১২৭৪)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ও ইয়াহ্ইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) উভয়ই শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি শু’বাহ মারফূ হাদিস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে একের অধিকবার মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেন নি। (ই. ফা. ১২৬১, ই. সে. ১২৭৪)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا أبو عامر العقدي، ح قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن أبي بكير، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهما قال شعبة رفعه مرة ولم يرفعه مرتين ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭৫

وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أبي أيوب، عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ وقت الظهر إذا زالت الشمس وكان ظل الرجل كطوله ما لم يحضر العصر ووقت العصر ما لم تصفر الشمس ووقت صلاة المغرب ما لم يغب الشفق ووقت صلاة العشاء إلى نصف الليل الأوسط ووقت صلاة الصبح من طلوع الفجر ما لم تطلع الشمس فإذا طلعت الشمس فأمسك عن الصلاة فإنها تطلع بين قرنى شيطان ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুহরের সলাতের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন সূর্য (মাথার উপর থেকে পশ্চিম দিকে) হেলে পড়ে এবং মানুষের ছায়া তাঁর দৈর্ঘ্যের সমান হয়। আর আসরের সলাতের সময় না হওয়া পর্যন্ত তা থাকে। আসরের সলাতের সময় থাকে সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালি বা তাম্রবর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। মাগরিবের সলাতের সময় থাকে সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যা গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তে উদ্ভাসিত লালিমা অন্তর্হিত না হওয়া পর্যন্ত। ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধরাত্রি অর্থাৎ- মধ্যরাত পর্যন্ত। আর ফজরের সলাতের সময় শুরু হয় ফজর বা ঊষার উদয় থেকে শুরু করে সূর্যোদয় পর্যন্ত। অতএব সূর্যোদয়ের সময় সলাত আদায় করা বন্ধ রাখবে। কারণ সূর্য শায়ত্বনের দু’ শিঙয়ের মধ্যখানে উদিত হয়। [১৮] (ই. ফা. ১২৬২, ই. সে. ১২৭৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুহরের সলাতের ওয়াক্ত শুরু হয় যখন সূর্য (মাথার উপর থেকে পশ্চিম দিকে) হেলে পড়ে এবং মানুষের ছায়া তাঁর দৈর্ঘ্যের সমান হয়। আর আসরের সলাতের সময় না হওয়া পর্যন্ত তা থাকে। আসরের সলাতের সময় থাকে সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালি বা তাম্রবর্ণ ধারণ না করা পর্যন্ত। মাগরিবের সলাতের সময় থাকে সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যা গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তে উদ্ভাসিত লালিমা অন্তর্হিত না হওয়া পর্যন্ত। ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধরাত্রি অর্থাৎ- মধ্যরাত পর্যন্ত। আর ফজরের সলাতের সময় শুরু হয় ফজর বা ঊষার উদয় থেকে শুরু করে সূর্যোদয় পর্যন্ত। অতএব সূর্যোদয়ের সময় সলাত আদায় করা বন্ধ রাখবে। কারণ সূর্য শায়ত্বনের দু’ শিঙয়ের মধ্যখানে উদিত হয়। [১৮] (ই. ফা. ১২৬২, ই. সে. ১২৭৫)

وحدثني أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثنا عبد الصمد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أبي أيوب، عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ وقت الظهر إذا زالت الشمس وكان ظل الرجل كطوله ما لم يحضر العصر ووقت العصر ما لم تصفر الشمس ووقت صلاة المغرب ما لم يغب الشفق ووقت صلاة العشاء إلى نصف الليل الأوسط ووقت صلاة الصبح من طلوع الفجر ما لم تطلع الشمس فإذا طلعت الشمس فأمسك عن الصلاة فإنها تطلع بين قرنى شيطان ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭৬

وحدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمر بن عبد الله بن رزين، حدثنا إبراهيم، - يعني ابن طهمان - عن الحجاج، - وهو ابن حجاج - عن قتادة، عن أبي أيوب، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن وقت الصلوات فقال ‏ "‏ وقت صلاة الفجر ما لم يطلع قرن الشمس الأول ووقت صلاة الظهر إذا زالت الشمس عن بطن السماء ما لم يحضر العصر ووقت صلاة العصر ما لم تصفر الشمس ويسقط قرنها الأول ووقت صلاة المغرب إذا غابت الشمس ما لم يسقط الشفق ووقت صلاة العشاء إلى نصف الليل ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তিনি বললেনঃ সূর্যের উপর দিকের প্রান্তভাগ দেখা না যাওয়া পর্যন্ত ফজর সলাতের সময় থাকে। যুহরের সলাতের সময় থাকে আকাশের মধ্যভাগ থেকে সূর্য গড়িয়ে আসরের সময় না হওয়া পর্যন্ত। আসরের সলাতের সময় থাকে সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালি বা তাম্রবর্ণ ধারণ করার পর উপরের প্রান্তভাগ অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। মাগরিবের সলাতের সময় থাকে সূর্যাস্ত থেকে সান্ধ্যকালীন গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তের লালিমা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। আর ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধ-রাত্রি পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৬৩, ই. সে. ১২৭৬)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। তিনি বললেনঃ সূর্যের উপর দিকের প্রান্তভাগ দেখা না যাওয়া পর্যন্ত ফজর সলাতের সময় থাকে। যুহরের সলাতের সময় থাকে আকাশের মধ্যভাগ থেকে সূর্য গড়িয়ে আসরের সময় না হওয়া পর্যন্ত। আসরের সলাতের সময় থাকে সূর্য বিবর্ণ হয়ে সোনালি বা তাম্রবর্ণ ধারণ করার পর উপরের প্রান্তভাগ অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। মাগরিবের সলাতের সময় থাকে সূর্যাস্ত থেকে সান্ধ্যকালীন গোধূলি বা পশ্চিম দিগন্তের লালিমা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত। আর ইশার সলাতের সময় থাকে অর্ধ-রাত্রি পর্যন্ত। (ই. ফা. ১২৬৩, ই. সে. ১২৭৬)

وحدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا عمر بن عبد الله بن رزين، حدثنا إبراهيم، - يعني ابن طهمان - عن الحجاج، - وهو ابن حجاج - عن قتادة، عن أبي أيوب، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن وقت الصلوات فقال ‏ "‏ وقت صلاة الفجر ما لم يطلع قرن الشمس الأول ووقت صلاة الظهر إذا زالت الشمس عن بطن السماء ما لم يحضر العصر ووقت صلاة العصر ما لم تصفر الشمس ويسقط قرنها الأول ووقت صلاة المغرب إذا غابت الشمس ما لم يسقط الشفق ووقت صلاة العشاء إلى نصف الليل ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭৭

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال أخبرنا عبد الله بن يحيى بن أبي كثير، قال سمعت أبي يقول، لا يستطاع العلم براحة الجسم ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, দৈহিক আরাম উপভোগের সাথে জ্ঞানার্জন কখনও সম্ভব নয়। (ই.ফা. ১২৬৪, ই.সে. ১২৭৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, দৈহিক আরাম উপভোগের সাথে জ্ঞানার্জন কখনও সম্ভব নয়। (ই.ফা. ১২৬৪, ই.সে. ১২৭৭)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال أخبرنا عبد الله بن يحيى بن أبي كثير، قال سمعت أبي يقول، لا يستطاع العلم براحة الجسم ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭৮

حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، كلاهما عن الأزرق، - قال زهير حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، - حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أن رجلا سأله عن وقت الصلاة فقال له ‏"‏ صل معنا هذين ‏"‏ ‏.‏ يعني اليومين فلما زالت الشمس أمر بلالا فأذن ثم أمره فأقام الظهر ثم أمره فأقام العصر والشمس مرتفعة بيضاء نقية ثم أمره فأقام المغرب حين غابت الشمس ثم أمره فأقام العشاء حين غاب الشفق ثم أمره فأقام الفجر حين طلع الفجر فلما أن كان اليوم الثاني أمره فأبرد بالظهر فأبرد بها فأنعم أن يبرد بها وصلى العصر والشمس مرتفعة أخرها فوق الذي كان وصلى المغرب قبل أن يغيب الشفق وصلى العشاء بعد ما ذهب ثلث الليل وصلى الفجر فأسفر بها ثم قال ‏"‏ أين السائل عن وقت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ فقال الرجل أنا يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ وقت صلاتكم بين ما رأيتم ‏"‏ ‏.

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাতের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি আমাদের সাথে দু’দিন সলাত আদায় কর (লোকটি তাই করল)। সূর্য যখন মাথার উপর থেকে হেলে পড়ল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলেন। বিলাল আযান দিলেন। অতঃপর তিনি তাকে ইক্বামত দিতে বললে তিনি যুহরের সলাতের ইক্বামত দিলাম (অর্থাৎ- তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন)। এরপর (‘আসরের সময় হলে) তিনি তাকে ‘আসরের সলাতের ইক্বামত দিতে বললেন। বিলাল ইক্বামত দিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন ‘আসরের সলাত আদায় করলেন। সূর্য তখনও বেশ উপরে ছিল এবং পরিষ্কার ও আলো ঝলমল দেখাচ্ছিল। তারপর আদেশ দিলে বিলাল মাগরিবের আযান দিলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাগরিবের সলাত আদায় করলেন তখন সূর্য ডু্বে গেছে। এরপর তিনি বিলালকে ‘ইশার সলাতের ইক্বামত দিতে বললেন বিলাল ইক্বামত দিলেন এবং সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে যে সান্ধ্যকালীন লালিমা বা রক্তিম আভা দেখা যায় তা অন্তর্হিত হওয়ার পরপরই ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। পরে বিলালকে তিনি ফজরের সলাতের ইক্বামত দিতে বললেন এবং উষার অভ্যূদয়ের সাথে সাথেই ফজরের সলাত আদায় করলেন। দ্বিতীয় দিনে তিনি বিলালকে আদেশ করলেন এবং বেশ দেরী করে যুহরের সলাত আদায় করলেন। (দ্বিতীয় দিনে) তিনি এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করলেন সূর্য তখনও বেশ উপরে ছিল। তবে আগের দিনের তুলনায় বেশ দেরী করে পড়লেন। তিনি সান্ধ্যকালীন গোধূলি বা লালিমা অন্তর্হিত হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। আর রাতের এক তৃতীয়াংশ অতি বাহিত হওয়ার পর ‘ইশার সলাত আদায় করলেন এবং সর্বশেষ বেশ ফর্সা হয়ে গেলে ফজরের সলাত আদায় করলেন। এরপর জিজ্ঞেস করলেনঃ সলাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেসকারী ব্যক্তি কোথায়? লোকটি তখন বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি উপস্থিত আছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটিকে বললেনঃ দু’দিন যে দু’টি সময়ে আমি সলাত আদায় করলাম এরই মধ্যবর্তী সময়টুকু হলো সলাতের ওয়াক্তসমূহ। (ই.ফা.১২৬৫, ই.সে.১২৭৮)

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাতের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি আমাদের সাথে দু’দিন সলাত আদায় কর (লোকটি তাই করল)। সূর্য যখন মাথার উপর থেকে হেলে পড়ল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলেন। বিলাল আযান দিলেন। অতঃপর তিনি তাকে ইক্বামত দিতে বললে তিনি যুহরের সলাতের ইক্বামত দিলাম (অর্থাৎ- তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন)। এরপর (‘আসরের সময় হলে) তিনি তাকে ‘আসরের সলাতের ইক্বামত দিতে বললেন। বিলাল ইক্বামত দিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন ‘আসরের সলাত আদায় করলেন। সূর্য তখনও বেশ উপরে ছিল এবং পরিষ্কার ও আলো ঝলমল দেখাচ্ছিল। তারপর আদেশ দিলে বিলাল মাগরিবের আযান দিলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাগরিবের সলাত আদায় করলেন তখন সূর্য ডু্বে গেছে। এরপর তিনি বিলালকে ‘ইশার সলাতের ইক্বামত দিতে বললেন বিলাল ইক্বামত দিলেন এবং সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে যে সান্ধ্যকালীন লালিমা বা রক্তিম আভা দেখা যায় তা অন্তর্হিত হওয়ার পরপরই ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। পরে বিলালকে তিনি ফজরের সলাতের ইক্বামত দিতে বললেন এবং উষার অভ্যূদয়ের সাথে সাথেই ফজরের সলাত আদায় করলেন। দ্বিতীয় দিনে তিনি বিলালকে আদেশ করলেন এবং বেশ দেরী করে যুহরের সলাত আদায় করলেন। (দ্বিতীয় দিনে) তিনি এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করলেন সূর্য তখনও বেশ উপরে ছিল। তবে আগের দিনের তুলনায় বেশ দেরী করে পড়লেন। তিনি সান্ধ্যকালীন গোধূলি বা লালিমা অন্তর্হিত হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। আর রাতের এক তৃতীয়াংশ অতি বাহিত হওয়ার পর ‘ইশার সলাত আদায় করলেন এবং সর্বশেষ বেশ ফর্সা হয়ে গেলে ফজরের সলাত আদায় করলেন। এরপর জিজ্ঞেস করলেনঃ সলাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেসকারী ব্যক্তি কোথায়? লোকটি তখন বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি উপস্থিত আছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকটিকে বললেনঃ দু’দিন যে দু’টি সময়ে আমি সলাত আদায় করলাম এরই মধ্যবর্তী সময়টুকু হলো সলাতের ওয়াক্তসমূহ। (ই.ফা.১২৬৫, ই.সে.১২৭৮)

حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، كلاهما عن الأزرق، - قال زهير حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، - حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أن رجلا سأله عن وقت الصلاة فقال له ‏"‏ صل معنا هذين ‏"‏ ‏.‏ يعني اليومين فلما زالت الشمس أمر بلالا فأذن ثم أمره فأقام الظهر ثم أمره فأقام العصر والشمس مرتفعة بيضاء نقية ثم أمره فأقام المغرب حين غابت الشمس ثم أمره فأقام العشاء حين غاب الشفق ثم أمره فأقام الفجر حين طلع الفجر فلما أن كان اليوم الثاني أمره فأبرد بالظهر فأبرد بها فأنعم أن يبرد بها وصلى العصر والشمس مرتفعة أخرها فوق الذي كان وصلى المغرب قبل أن يغيب الشفق وصلى العشاء بعد ما ذهب ثلث الليل وصلى الفجر فأسفر بها ثم قال ‏"‏ أين السائل عن وقت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ فقال الرجل أنا يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ وقت صلاتكم بين ما رأيتم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৭৯

وحدثني إبراهيم بن محمد بن عرعرة السامي، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن مواقيت الصلاة فقال ‏"‏ اشهد معنا الصلاة ‏"‏ ‏.‏ فأمر بلالا فأذن بغلس فصلى الصبح حين طلع الفجر ثم أمره بالظهر حين زالت الشمس عن بطن السماء ثم أمره بالعصر والشمس مرتفعة ثم أمره بالمغرب حين وجبت الشمس ثم أمره بالعشاء حين وقع الشفق ثم أمره الغد فنور بالصبح ثم أمره بالظهر فأبرد ثم أمره بالعصر والشمس بيضاء نقية لم تخالطها صفرة ثم أمره بالمغرب قبل أن يقع الشفق ثم أمره بالعشاء عند ذهاب ثلث الليل أو بعضه - شك حرمي - فلما أصبح قال ‏"‏ أين السائل ما بين ما رأيت وقت ‏"‏ ‏.

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে সলাতের সময় সম্পর্কে এসে জিজ্ঞেস করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি আমাদের সাথে সলাত আদায় করো (জানতে পারবে)। অতঃপর ফাজরের সলাতের জন্য বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলে তিনি (বিলাল) বেশ কিছু অন্ধকার থাকতে আযান দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উষার আলো প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে ফাজরের সলাত আদায় করলেন। পরে সূর্য আকাশের মধ্যভাগ থেকে হেলে পড়লে তিনি বিলালকে যুহরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং যুহরের সলাত আদায় করলেন)। অতঃপর সূর্য কিছু উপরে থাকতেই তিনি বিলালকে ‘আসরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং আসরের সলাত আদায় করলেন)। তারপর সান্ধ্যকালীন গোধূলি (বা সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে দৃশ্যমান রক্তিম আভা) অন্তর্হিত হওয়ার সাথে সাথে বিলালকে ‘ইশার আযান দিতে বললেন (এবং ‘ইশার সলাত আদায় করলেন)। পরদিন প্রত্যুষে বেশ ফর্সা হয়ে গেলে তিনি বিলালকে ফাজ্বরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং ফাজরের সলাত আদায় করলেন)। তারপর যুহরের সলাতের আযান দিতে বললেন এবং বেশ দেরী করে (সূর্যের উত্তাপ কমলে) যুহরের সলাত আদায় করলেন। এরপর সূর্য তাম্র বর্ণ ধারণ করার পূর্বেই এর আলো পরিষ্কার এবং ঝলমলে থাকতেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ‘আসরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং ‘আসরের সলাত আদায় করলেন) এরপর সন্ধ্যা-গোধূলি অদৃশ্য হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং মাগরিবের সলাত আদায় করলেন)। অতঃপর রাতের এক তৃতীয়াংশ অথবা কিছু অংশ (বর্ণনাকারী হারামী ইবনু ‘উমারাহ্ সন্দেহ করেছেন) অতিবাহিত হওয়ার পর ‘ইশার সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং ‘ইশার সলাত আদায় করলেন)। পরদিন সকালে তিনি জিজ্ঞেস করলেন (সলাতের সময় সম্পর্কে) প্রশ্নকারী কোথায়? (দু’দিন সলাত আদায়ের) সময়ের মধ্যে তুমি যে ব্যবধান দেখলে তার মাঝখানেই হলো সলাতের সময়। (ই.ফা.১২৬৬, ই.সে.১২৭৯)

বুরায়দাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে সলাতের সময় সম্পর্কে এসে জিজ্ঞেস করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি আমাদের সাথে সলাত আদায় করো (জানতে পারবে)। অতঃপর ফাজরের সলাতের জন্য বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলে তিনি (বিলাল) বেশ কিছু অন্ধকার থাকতে আযান দিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উষার আলো প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে ফাজরের সলাত আদায় করলেন। পরে সূর্য আকাশের মধ্যভাগ থেকে হেলে পড়লে তিনি বিলালকে যুহরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং যুহরের সলাত আদায় করলেন)। অতঃপর সূর্য কিছু উপরে থাকতেই তিনি বিলালকে ‘আসরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং আসরের সলাত আদায় করলেন)। তারপর সান্ধ্যকালীন গোধূলি (বা সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে দৃশ্যমান রক্তিম আভা) অন্তর্হিত হওয়ার সাথে সাথে বিলালকে ‘ইশার আযান দিতে বললেন (এবং ‘ইশার সলাত আদায় করলেন)। পরদিন প্রত্যুষে বেশ ফর্সা হয়ে গেলে তিনি বিলালকে ফাজ্বরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং ফাজরের সলাত আদায় করলেন)। তারপর যুহরের সলাতের আযান দিতে বললেন এবং বেশ দেরী করে (সূর্যের উত্তাপ কমলে) যুহরের সলাত আদায় করলেন। এরপর সূর্য তাম্র বর্ণ ধারণ করার পূর্বেই এর আলো পরিষ্কার এবং ঝলমলে থাকতেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ‘আসরের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং ‘আসরের সলাত আদায় করলেন) এরপর সন্ধ্যা-গোধূলি অদৃশ্য হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং মাগরিবের সলাত আদায় করলেন)। অতঃপর রাতের এক তৃতীয়াংশ অথবা কিছু অংশ (বর্ণনাকারী হারামী ইবনু ‘উমারাহ্ সন্দেহ করেছেন) অতিবাহিত হওয়ার পর ‘ইশার সলাতের আযান দিতে বললেন (এবং ‘ইশার সলাত আদায় করলেন)। পরদিন সকালে তিনি জিজ্ঞেস করলেন (সলাতের সময় সম্পর্কে) প্রশ্নকারী কোথায়? (দু’দিন সলাত আদায়ের) সময়ের মধ্যে তুমি যে ব্যবধান দেখলে তার মাঝখানেই হলো সলাতের সময়। (ই.ফা.১২৬৬, ই.সে.১২৭৯)

وحدثني إبراهيم بن محمد بن عرعرة السامي، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن مواقيت الصلاة فقال ‏"‏ اشهد معنا الصلاة ‏"‏ ‏.‏ فأمر بلالا فأذن بغلس فصلى الصبح حين طلع الفجر ثم أمره بالظهر حين زالت الشمس عن بطن السماء ثم أمره بالعصر والشمس مرتفعة ثم أمره بالمغرب حين وجبت الشمس ثم أمره بالعشاء حين وقع الشفق ثم أمره الغد فنور بالصبح ثم أمره بالظهر فأبرد ثم أمره بالعصر والشمس بيضاء نقية لم تخالطها صفرة ثم أمره بالمغرب قبل أن يقع الشفق ثم أمره بالعشاء عند ذهاب ثلث الليل أو بعضه - شك حرمي - فلما أصبح قال ‏"‏ أين السائل ما بين ما رأيت وقت ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن بدر بن عثمان، عن أبي بكر بن أبي موسى، سمعه منه، عن أبيه، أن سائلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن مواقيت الصلاة ‏.‏ بمثل حديث ابن نمير غير أنه قال فصلى المغرب قبل أن يغيب الشفق في اليوم الثاني ‏.

আবূ মূসা আল আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে তাকে সলাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল - পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। তবে এ হাদীসের বর্ণনাকারী বলেছেন যে, দ্বিতীয় দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা অন্তর্হিত হওয়ার পূর্বে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা.১২৬৮, ই.সে.১২৮১)

আবূ মূসা আল আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে তাকে সলাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল - পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। তবে এ হাদীসের বর্ণনাকারী বলেছেন যে, দ্বিতীয় দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা অন্তর্হিত হওয়ার পূর্বে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। (ই.ফা.১২৬৮, ই.সে.১২৮১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن بدر بن عثمان، عن أبي بكر بن أبي موسى، سمعه منه، عن أبيه، أن سائلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله عن مواقيت الصلاة ‏.‏ بمثل حديث ابن نمير غير أنه قال فصلى المغرب قبل أن يغيب الشفق في اليوم الثاني ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮০

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا بدر بن عثمان، حدثنا أبو بكر بن أبي موسى، عن أبيه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أتاه سائل يسأله عن مواقيت الصلاة فلم يرد عليه شيئا - قال - فأقام الفجر حين انشق الفجر والناس لا يكاد يعرف بعضهم بعضا ثم أمره فأقام بالظهر حين زالت الشمس والقائل يقول قد انتصف النهار وهو كان أعلم منهم ثم أمره فأقام بالعصر والشمس مرتفعة ثم أمره فأقام بالمغرب حين وقعت الشمس ثم أمره فأقام العشاء حين غاب الشفق ثم أخر الفجر من الغد حتى انصرف منها والقائل يقول قد طلعت الشمس أو كادت ثم أخر الظهر حتى كان قريبا من وقت العصر بالأمس ثم أخر العصر حتى انصرف منها والقائل يقول قد احمرت الشمس ثم أخر المغرب حتى كان عند سقوط الشفق ثم أخر العشاء حتى كان ثلث الليل الأول ثم أصبح فدعا السائل فقال ‏ "‏ الوقت بين هذين ‏"‏ ‏.

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে সলাতের সময় সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জবাব দিলেন না [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাজের মাধ্যমে তাকে দেখিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন]। বর্ণনাকারী সাহাবী আবূ মূসা বলেন, উষার আগমনের সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাত আদায় করলেন। তখনও অন্ধকার এতটা ছিল যে, লোকজন একে অপরকে দেখে চিনতে পারছিল না। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আযান দিতে আদেশ করলেন এবং লোকজন বলাবলি করছিল যে, দুপুর হয়েছে। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এ বিষয়ে তাদের চেয়ে বেশী অবহিত। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করলেন যখন সূর্য আকাশের বেশ উপরের দিকে ছিল। অতঃপর তিনি মাগরিবের সলাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় সলাত আদায় করলেন যখন সবেমাত্র সূর্যাস্ত হয়েছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ইশার সলাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় ‘ইশার সলাত আদায় করলেন যখন সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। এরপর দিন সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাত দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, যখন সলাত শেষ করলেন তখন লোকজন বলাবলি করছিল- সূর্যোদয় ঘটেছে বা সূর্যোদয়ের উপক্রম হয়েছে। এরপর যুহরের সলাত এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, গত দিনের ‘আসরের সলাত যে সময় আদায় করে ছিলেন প্রায় সে সময় এসে গেল। অতঃপর ‘আসরের সলাতটাও এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, সলাত শেষ করলে লোকজন বলাবলি করতে লাগল - সূর্য রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর মাগরিবের সলাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করলেন যে সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা তখন অন্তর্হিত হয়ে যাচ্ছিল। এরপর ‘ইশার সলাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়ে গেল এবং অতিক্রান্ত হওয়ার উপক্রম হলো। অতঃপর সকাল বেলা প্রশ্নকারীকে ডেকে বললেনঃ এ দুটি সময়ের মধ্যবর্তী সময়টুকুই সলাতসমূহের সময় (অর্থাৎ- দু’দিনে আমি একই সময়ে সলাত আদায় না করে একই সলাতের সময়ের মধ্যে কিছু তারতম্য করে আদায় করলাম। এ উভয় সময়ের মধ্যকার সময়টুকু প্রত্যেক ওয়াক্তের প্রকৃত সময়)। (ই.ফা.১২৬৭, ই.সে.১২৮০)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে সলাতের সময় সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জবাব দিলেন না [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাজের মাধ্যমে তাকে দেখিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন]। বর্ণনাকারী সাহাবী আবূ মূসা বলেন, উষার আগমনের সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাত আদায় করলেন। তখনও অন্ধকার এতটা ছিল যে, লোকজন একে অপরকে দেখে চিনতে পারছিল না। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আযান দিতে আদেশ করলেন এবং লোকজন বলাবলি করছিল যে, দুপুর হয়েছে। অথচ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এ বিষয়ে তাদের চেয়ে বেশী অবহিত। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করলেন যখন সূর্য আকাশের বেশ উপরের দিকে ছিল। অতঃপর তিনি মাগরিবের সলাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় সলাত আদায় করলেন যখন সবেমাত্র সূর্যাস্ত হয়েছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ইশার সলাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় ‘ইশার সলাত আদায় করলেন যখন সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। এরপর দিন সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজরের সলাত দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, যখন সলাত শেষ করলেন তখন লোকজন বলাবলি করছিল- সূর্যোদয় ঘটেছে বা সূর্যোদয়ের উপক্রম হয়েছে। এরপর যুহরের সলাত এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, গত দিনের ‘আসরের সলাত যে সময় আদায় করে ছিলেন প্রায় সে সময় এসে গেল। অতঃপর ‘আসরের সলাতটাও এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, সলাত শেষ করলে লোকজন বলাবলি করতে লাগল - সূর্য রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর মাগরিবের সলাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করলেন যে সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা তখন অন্তর্হিত হয়ে যাচ্ছিল। এরপর ‘ইশার সলাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়ে গেল এবং অতিক্রান্ত হওয়ার উপক্রম হলো। অতঃপর সকাল বেলা প্রশ্নকারীকে ডেকে বললেনঃ এ দুটি সময়ের মধ্যবর্তী সময়টুকুই সলাতসমূহের সময় (অর্থাৎ- দু’দিনে আমি একই সময়ে সলাত আদায় না করে একই সলাতের সময়ের মধ্যে কিছু তারতম্য করে আদায় করলাম। এ উভয় সময়ের মধ্যকার সময়টুকু প্রত্যেক ওয়াক্তের প্রকৃত সময়)। (ই.ফা.১২৬৭, ই.সে.১২৮০)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا بدر بن عثمان، حدثنا أبو بكر بن أبي موسى، عن أبيه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أتاه سائل يسأله عن مواقيت الصلاة فلم يرد عليه شيئا - قال - فأقام الفجر حين انشق الفجر والناس لا يكاد يعرف بعضهم بعضا ثم أمره فأقام بالظهر حين زالت الشمس والقائل يقول قد انتصف النهار وهو كان أعلم منهم ثم أمره فأقام بالعصر والشمس مرتفعة ثم أمره فأقام بالمغرب حين وقعت الشمس ثم أمره فأقام العشاء حين غاب الشفق ثم أخر الفجر من الغد حتى انصرف منها والقائل يقول قد طلعت الشمس أو كادت ثم أخر الظهر حتى كان قريبا من وقت العصر بالأمس ثم أخر العصر حتى انصرف منها والقائل يقول قد احمرت الشمس ثم أخر المغرب حتى كان عند سقوط الشفق ثم أخر العشاء حتى كان ثلث الليل الأول ثم أصبح فدعا السائل فقال ‏ "‏ الوقت بين هذين ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ১২৮৩

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، أن ابن شهاب، أخبره قال أخبرني أبو سلمة، وسعيد بن المسيب، أنهما سمعا أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله سواء ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ……… পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। (ই.ফা.১২৭০, ই.সে.১২৮৩)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ……… পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। (ই.ফা.১২৭০, ই.সে.১২৮৩)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، أن ابن شهاب، أخبره قال أخبرني أبو سلمة، وسعيد بن المسيب، أنهما سمعا أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله سواء ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخ برنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، وأبي، سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة، أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا اشتد الحر فأبردوا بالصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরমের প্রচন্ডতা দেখা দিলে (যুহরের) সলাত দেরী করে গরমের প্রচন্ডতা কমলে আদায় করো। গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই হয়ে থাকে। (ই.ফা.১২৬৯, ই.সে.১২৮২)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরমের প্রচন্ডতা দেখা দিলে (যুহরের) সলাত দেরী করে গরমের প্রচন্ডতা কমলে আদায় করো। গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই হয়ে থাকে। (ই.ফা.১২৬৯, ই.সে.১২৮২)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخ برنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، وأبي، سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة، أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا اشتد الحر فأبردوا بالصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮৬

حدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أبردوا عن الحر في الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) আমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হলো, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তীব্র গরমের সময় সলাত আদায় না করে পরে (গরম কমলে) সলাত আদায় কর। কেননা, প্রচন্ড গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণেই সৃষ্টি হয়। (ই.ফা.১২৭৩, ই.সে.১২৮৬)

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) আমার কাছে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হলো, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তীব্র গরমের সময় সলাত আদায় না করে পরে (গরম কমলে) সলাত আদায় কর। কেননা, প্রচন্ড গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণেই সৃষ্টি হয়। (ই.ফা.১২৭৩, ই.সে.১২৮৬)

حدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أبردوا عن الحر في الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮৫

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن هذا الحر من فيح جهنم فأبردوا بالصلاة ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ (প্রচন্ডতা) গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই উৎপন্ন হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা (যুহরের) সলাত দেরী করে (গরম কমে গেলে) আদায় কর। (ই.ফা.১২৭২, ই.সে.১২৮৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ (প্রচন্ডতা) গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই উৎপন্ন হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা (যুহরের) সলাত দেরী করে (গরম কমে গেলে) আদায় কর। (ই.ফা.১২৭২, ই.সে.১২৮৫)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن هذا الحر من فيح جهنم فأبردوا بالصلاة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮৭

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت مهاجرا أبا الحسن، يحدث أنه سمع زيد بن وهب، يحدث عن أبي ذر، قال أذن مؤذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بالظهر فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبرد أبرد ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ انتظر انتظر ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ إن شدة الحر من فيح جهنم فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو ذر حتى رأينا فىء التلول ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মুয়াযযিন যুহরের সলাতের আযান দিলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেছেনঃ আরে একটু ঠান্ডা হতে দাও না। অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ কিছু সময় অপেক্ষা কর। তিনি আরো বললেন যে, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণে হয়ে থাকে। সুতরাং গরম প্রচন্ডতা ধারণ করলে সলাত দেরী করে একটু ঠান্ডা হলে আদায় কর। আবূ যার (হাদীস বর্ণনাকারীর সহাবী) বলেনঃ (প্রচন্ড গরমের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় সলাত আদায় করতেন যে সময়) আমরা টিলার ছায়া দেখতে পেতাম। (ই.ফা.১২৭৪, ই.সে.১২৮৭)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মুয়াযযিন যুহরের সলাতের আযান দিলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেছেনঃ আরে একটু ঠান্ডা হতে দাও না। অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ কিছু সময় অপেক্ষা কর। তিনি আরো বললেন যে, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণে হয়ে থাকে। সুতরাং গরম প্রচন্ডতা ধারণ করলে সলাত দেরী করে একটু ঠান্ডা হলে আদায় কর। আবূ যার (হাদীস বর্ণনাকারীর সহাবী) বলেনঃ (প্রচন্ড গরমের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় সলাত আদায় করতেন যে সময়) আমরা টিলার ছায়া দেখতে পেতাম। (ই.ফা.১২৭৪, ই.সে.১২৮৭)

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت مهاجرا أبا الحسن، يحدث أنه سمع زيد بن وهب، يحدث عن أبي ذر، قال أذن مؤذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بالظهر فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبرد أبرد ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ انتظر انتظر ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ إن شدة الحر من فيح جهنم فإذا اشتد الحر فأبردوا عن الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو ذر حتى رأينا فىء التلول ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮৪

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وعمرو بن سواد، وأحمد بن عيسى، قال عمرو أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه عن بسر بن سعيد، وسلمان الأغر، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا كان اليوم الحار فأبردوا بالصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏ قال عمرو وحدثني أبو يونس عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏ قال عمرو وحدثني ابن شهاب عن ابن المسيب وأبي سلمة عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو ذلك

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরমের দিনে (যুহরের) সলাত (গরমের প্রচন্ডতা হ্রাস পেয়ে ঠান্ডা হলে) আদায় করো। কারণ গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ‘আমর বলেছেনঃ আবূ ইউনুস আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা উত্তাপ ঠান্ডা হলে যুহরের সলাত আদায় কর, কেননা গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ইবনু শিহাব, ইবনু মুসাইয়্যিব এবং আবূ সালামাহ্ ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর মাধ্যমে ‘আমর (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৭১, ই.সে.১২৮৪)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরমের দিনে (যুহরের) সলাত (গরমের প্রচন্ডতা হ্রাস পেয়ে ঠান্ডা হলে) আদায় করো। কারণ গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ‘আমর বলেছেনঃ আবূ ইউনুস আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা উত্তাপ ঠান্ডা হলে যুহরের সলাত আদায় কর, কেননা গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ইবনু শিহাব, ইবনু মুসাইয়্যিব এবং আবূ সালামাহ্ ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - এর মাধ্যমে ‘আমর (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৭১, ই.সে.১২৮৪)

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وعمرو بن سواد، وأحمد بن عيسى، قال عمرو أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه عن بسر بن سعيد، وسلمان الأغر، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا كان اليوم الحار فأبردوا بالصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏ قال عمرو وحدثني أبو يونس عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏ قال عمرو وحدثني ابن شهاب عن ابن المسيب وأبي سلمة عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو ذلك


সহিহ মুসলিম ১২৮৮

وحدثني عمرو بن سواد، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا ‏.‏ فأذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فهو أشد ما تجدون من الحر وأشد ما تجدون من الزمهرير ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে এ বলে ফরিয়াদ করল যে, তার এক অংশ আরেক অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামকে দু’বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। একবার শীতকালে এবং আরেক বার গ্রীস্মকালে। তোমরা যে প্রচন্ড গরমের অনুভব করে থাকো তা এ কারণেই। (ই.ফা.১২৭৫, ই.সে.১২৮৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে এ বলে ফরিয়াদ করল যে, তার এক অংশ আরেক অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামকে দু’বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। একবার শীতকালে এবং আরেক বার গ্রীস্মকালে। তোমরা যে প্রচন্ড গরমের অনুভব করে থাকো তা এ কারণেই। (ই.ফা.১২৭৫, ই.সে.১২৮৮)

وحدثني عمرو بن سواد، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اشتكت النار إلى ربها فقالت يا رب أكل بعضي بعضا ‏.‏ فأذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فهو أشد ما تجدون من الحر وأشد ما تجدون من الزمهرير ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৮৯

وحدثني إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن عبد الله بن يزيد، مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، ومحمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا كان الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.‏ وذكر ‏"‏ أن النار اشتكت إلى ربها فأذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরমের সময় যুহরের সলাত দেরী করে (গরমের প্রচন্ডতা কমলে) আদায় কর। কেননা, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়াতেই হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে অভিযোগ করলে মহান আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রতি বছর দু’বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। শীতকালে একবার এবং গ্রীস্মকালে একবার। (ই.ফা.১২৭৬, ই.সে.১২৮৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গরমের সময় যুহরের সলাত দেরী করে (গরমের প্রচন্ডতা কমলে) আদায় কর। কেননা, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়াতেই হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে অভিযোগ করলে মহান আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রতি বছর দু’বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। শীতকালে একবার এবং গ্রীস্মকালে একবার। (ই.ফা.১২৭৬, ই.সে.১২৮৯)

وحدثني إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن عبد الله بن يزيد، مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، ومحمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا كان الحر فأبردوا عن الصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم ‏"‏ ‏.‏ وذكر ‏"‏ أن النار اشتكت إلى ربها فأذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯০

وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرنا حيوة، قال حدثني يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قالت النار رب أكل بعضي بعضا فأذن لي أتنفس ‏.‏ فأذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فما وجدتم من برد أو زمهرير فمن نفس جهنم وما وجدتم من حر أو حرور فمن نفس جهنم ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম অভিযোগ করে আল্লাহর কাছে বলল, হে আমার প্রভু! আমার এক অংশ অন্য অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আমাকে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের অনুমতি দিন। তাই আল্লাহ তা’আলা তাকে দুবার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দান করলেন। একবার শীত মৌসুমে আরেকবার গ্রীষ্ম মৌসুমে। তোমরা শীতকালে যে ঠান্ডা অনুভব করে থাকো তা জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণ। আবার যে গরমে বা প্রচন্ড উত্তাপ অনুভব করে থাকো তাও জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে। (ই.ফা.১২৭৭, ই.সে.১২৯০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নাম অভিযোগ করে আল্লাহর কাছে বলল, হে আমার প্রভু! আমার এক অংশ অন্য অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আমাকে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের অনুমতি দিন। তাই আল্লাহ তা’আলা তাকে দুবার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দান করলেন। একবার শীত মৌসুমে আরেকবার গ্রীষ্ম মৌসুমে। তোমরা শীতকালে যে ঠান্ডা অনুভব করে থাকো তা জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণ। আবার যে গরমে বা প্রচন্ড উত্তাপ অনুভব করে থাকো তাও জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে। (ই.ফা.১২৭৭, ই.সে.১২৯০)

وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرنا حيوة، قال حدثني يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قالت النار رب أكل بعضي بعضا فأذن لي أتنفس ‏.‏ فأذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فما وجدتم من برد أو زمهرير فمن نفس جهنم وما وجدتم من حر أو حرور فمن نفس جهنم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > প্রচন্ড রোদ না হলে যুহরের সলাত আও্ওয়াল ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ১২৯২

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن أبي إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال شكونا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة في الرمضاء فلم يشكنا ‏.

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা গরমের সময় সলাত আদায় করা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করলে তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন। (ই.ফা.১২৭৯, ই.সে.১২৯২)

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা গরমের সময় সলাত আদায় করা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করলে তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন। (ই.ফা.১২৭৯, ই.সে.১২৯২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن أبي إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال شكونا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة في الرمضاء فلم يشكنا ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯১

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، كلاهما عن يحيى القطان، وابن، مهدي - قال ابن المثنى حدثني يحيى بن سعيد، - عن شعبة، قال حدثنا سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال ابن المثنى وحدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر إذا دحضت الشمس ‏.

জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূর্য (মাথার উপর থেকে) হেলে পড়লেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা.১২৭৮, ই.সে.১২৯১)

জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূর্য (মাথার উপর থেকে) হেলে পড়লেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা.১২৭৮, ই.সে.১২৯১)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، كلاهما عن يحيى القطان، وابن، مهدي - قال ابن المثنى حدثني يحيى بن سعيد، - عن شعبة، قال حدثنا سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال ابن المثنى وحدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر إذا دحضت الشمس ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯৩

وحدثنا أحمد بن يونس، وعون بن سلام، - قال عون أخبرنا وقال ابن يونس، واللفظ، له حدثنا زهير، - قال حدثنا أبو إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فشكونا إليه حر الرمضاء فلم يشكنا ‏.‏ قال زهير قلت لأبي إسحاق أفي الظهر قال نعم ‏.‏ قلت أفي تعجيلها قال نعم ‏.

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গিয়ে প্রচন্ড গরমের (সলাত আদায়ের ব্যাপারে) অভিযোগ করলাম। কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না। বর্ণনাকারী যুহায়র বললেন, আমি আবূ ইসহাক্বকে জিজ্ঞেস করলামঃ তারা (খাব্বাব ও অন্য সাহাবীগণ) কি যুহরের সলাত (প্রচন্ড গরমের মধ্যে) আদায় করা সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।আমি (যুহায়র) আবারও জিজ্ঞেস করলাম (যুহরের সলাত) আগে ভাগে অর্থাৎ- ওয়াক্তের প্রথম দিকে আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? তিনি এবারও বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা.১২৮০, ই.সে.১২৯৩)

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গিয়ে প্রচন্ড গরমের (সলাত আদায়ের ব্যাপারে) অভিযোগ করলাম। কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না। বর্ণনাকারী যুহায়র বললেন, আমি আবূ ইসহাক্বকে জিজ্ঞেস করলামঃ তারা (খাব্বাব ও অন্য সাহাবীগণ) কি যুহরের সলাত (প্রচন্ড গরমের মধ্যে) আদায় করা সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।আমি (যুহায়র) আবারও জিজ্ঞেস করলাম (যুহরের সলাত) আগে ভাগে অর্থাৎ- ওয়াক্তের প্রথম দিকে আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? তিনি এবারও বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা.১২৮০, ই.সে.১২৯৩)

وحدثنا أحمد بن يونس، وعون بن سلام، - قال عون أخبرنا وقال ابن يونس، واللفظ، له حدثنا زهير، - قال حدثنا أبو إسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فشكونا إليه حر الرمضاء فلم يشكنا ‏.‏ قال زهير قلت لأبي إسحاق أفي الظهر قال نعم ‏.‏ قلت أفي تعجيلها قال نعم ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯৪

حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا بشر بن المفضل، عن غالب القطان، عن بكر بن عبد الله، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شدة الحر فإذا لم يستطع أحدنا أن يمكن جبهته من الأرض بسط ثوبه فسجد عليه ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, প্রচন্ড গরমের সময়ও আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে (যুহরের) সলাত আদায় করতাম। আমাদের কেউ যখন (গরমের প্রচন্ডতার কারণে সাজদার সময়) কপাল মাটিতে স্থাপন করতে পারত না তখন সে কাপড় বিছিয়ে তার উপর সাজদাহ্ করত। (ই.ফা.১২৮১, ই.সে.১২৯৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, প্রচন্ড গরমের সময়ও আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে (যুহরের) সলাত আদায় করতাম। আমাদের কেউ যখন (গরমের প্রচন্ডতার কারণে সাজদার সময়) কপাল মাটিতে স্থাপন করতে পারত না তখন সে কাপড় বিছিয়ে তার উপর সাজদাহ্ করত। (ই.ফা.১২৮১, ই.সে.১২৯৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا بشر بن المفضل، عن غالب القطان، عن بكر بن عبد الله، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شدة الحر فإذا لم يستطع أحدنا أن يمكن جبهته من الأرض بسط ثوبه فسجد عليه ‏.


সহিহ মুসলিম > ‘আসরের সলাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ১২৯৮

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يخرج الإنسان إلى بني عمرو بن عوف فيجدهم يصلون العصر ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে তারপর লোকজন বানী ‘আমর ইকনু ‘আওফ গোত্রের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেত যে, তারা তখন মাত্র আসরের সলাত আদায় করছে। (ই.ফা.১২৮৫, ই.সে.১২৯৭)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাথে এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে তারপর লোকজন বানী ‘আমর ইকনু ‘আওফ গোত্রের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেত যে, তারা তখন মাত্র আসরের সলাত আদায় করছে। (ই.ফা.১২৮৫, ই.সে.১২৯৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يخرج الإنسان إلى بني عمرو بن عوف فيجدهم يصلون العصر ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩০০

وحدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا أمامة بن سهل، يقول صلينا مع عمر بن عبد العزيز الظهر ثم خرجنا حتى دخلنا على أنس بن مالك فوجدناه يصلي العصر فقلت يا عم ما هذه الصلاة التي صليت قال العصر وهذه صلاة رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم التي كنا نصلي معه ‏.

আবূ ‘উসামাহ্ ইবনু সাহর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একদিন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) -এর সাথে যুহরের সলাত আদায় করলাম এবং সেখান থেকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর কাছে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি ‘আসরের সলাত আদায় করছেন। সলাত শেষে আমি জিজ্ঞেস করলামঃ চাচাজান, এখন আপনি কোন ওয়াক্তের সলাত আদায় করলেন? তিনি বললেনঃ ‘আসর , আর এটিই হচ্ছে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত যা আমরা তার সাথে আদায় করতাম। (ই.ফা.১২৮৭, ই.সে.১৩৯৯)

আবূ ‘উসামাহ্ ইবনু সাহর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একদিন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) -এর সাথে যুহরের সলাত আদায় করলাম এবং সেখান থেকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর কাছে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি ‘আসরের সলাত আদায় করছেন। সলাত শেষে আমি জিজ্ঞেস করলামঃ চাচাজান, এখন আপনি কোন ওয়াক্তের সলাত আদায় করলেন? তিনি বললেনঃ ‘আসর , আর এটিই হচ্ছে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাত যা আমরা তার সাথে আদায় করতাম। (ই.ফা.১২৮৭, ই.সে.১৩৯৯)

وحدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا أمامة بن سهل، يقول صلينا مع عمر بن عبد العزيز الظهر ثم خرجنا حتى دخلنا على أنس بن مالك فوجدناه يصلي العصر فقلت يا عم ما هذه الصلاة التي صليت قال العصر وهذه صلاة رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم التي كنا نصلي معه ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯৯

وحدثنا يحيى بن أيوب، ومحمد بن الصباح، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر وداره بجنب المسجد فلما دخلنا عليه قال أصليتم العصر فقلنا له إنما انصرفنا الساعة من الظهر ‏.‏ قال فصلوا العصر ‏.‏ فقمنا فصلينا فلما انصرفنا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تلك صلاة المنافق يجلس يرقب الشمس حتى إذا كانت بين قرنى الشيطان قام فنقرها أربعا لا يذكر الله فيها إلا قليلا ‏"‏ ‏.

‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তিনি একদিন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর বসরাস্থ বাড়ীতে গেলেন। আর বাড়ীটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র যুহরের সলাত আদায় করছেন। ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেনঃ আমরা তাঁর (আনাস ইবনু মালিকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি আসরের সলাত আদায় করেছ? আমরা জবাবে তাঁকে বললাম, আমরা এইমাত্র যুহরের সলাত আদায় করে আসলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ যাও ‘আসরের সলাত আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের সলাত আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ ঐ সলাত হলো মুনাফিকের সলাত যে বসে বসে সূর্যের প্রতি তাকাতে থাকে আর যখন তা অস্তপ্রায় হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে চারবার ঠোকর মেরে আসে।এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে। (ই.ফা.১২৮৬, ই.সে.১২৯৮)

‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তিনি একদিন আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) - এর বসরাস্থ বাড়ীতে গেলেন। আর বাড়ীটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র যুহরের সলাত আদায় করছেন। ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান বলেনঃ আমরা তাঁর (আনাস ইবনু মালিকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি আসরের সলাত আদায় করেছ? আমরা জবাবে তাঁকে বললাম, আমরা এইমাত্র যুহরের সলাত আদায় করে আসলাম। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ যাও ‘আসরের সলাত আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের সলাত আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ ঐ সলাত হলো মুনাফিকের সলাত যে বসে বসে সূর্যের প্রতি তাকাতে থাকে আর যখন তা অস্তপ্রায় হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে চারবার ঠোকর মেরে আসে।এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে। (ই.ফা.১২৮৬, ই.সে.১২৯৮)

وحدثنا يحيى بن أيوب، ومحمد بن الصباح، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، أنه دخل على أنس بن مالك في داره بالبصرة حين انصرف من الظهر وداره بجنب المسجد فلما دخلنا عليه قال أصليتم العصر فقلنا له إنما انصرفنا الساعة من الظهر ‏.‏ قال فصلوا العصر ‏.‏ فقمنا فصلينا فلما انصرفنا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ تلك صلاة المنافق يجلس يرقب الشمس حتى إذا كانت بين قرنى الشيطان قام فنقرها أربعا لا يذكر الله فيها إلا قليلا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس مرتفعة حية فيذهب الذاهب إلى العوالي فيأتي العوالي والشمس مرتفعة ‏.‏ ولم يذكر قتيبة فيأتي العوالي ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় সলাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। (অর্থাৎ-তেজ কমে বর্ণ পরিবর্তন হত না) সলাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মাদীনার ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত।[১] তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সময় সলাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। (অর্থাৎ-তেজ কমে বর্ণ পরিবর্তন হত না) সলাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মাদীনার ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত।[১] তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ তার বর্ণনায় “তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা.১২৮২, ই.সে.১২৯৫)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أنه أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس مرتفعة حية فيذهب الذاهب إلى العوالي فيأتي العوالي والشمس مرتفعة ‏.‏ ولم يذكر قتيبة فيأتي العوالي ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯৭

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يذهب الذاهب إلى قباء فيأتيهم والشمس مرتفعة ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর আমাদের মধ্যে থেকে কেউ চাইলে (মাদীনার শহরতলীর) কুবা নামক স্থানে যেয়ে পৌছত। অথচ সূর্য তখনও অনেক উপরে অবস্থান করত। (ই.ফা. ১২৮৪, ই.সে. ১২৯৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এমন সময় ‘আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর আমাদের মধ্যে থেকে কেউ চাইলে (মাদীনার শহরতলীর) কুবা নামক স্থানে যেয়ে পৌছত। অথচ সূর্য তখনও অনেক উপরে অবস্থান করত। (ই.ফা. ১২৮৪, ই.সে. ১২৯৬)

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يذهب الذاهب إلى قباء فيأتيهم والشمس مرتفعة ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৯৬

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن ابن شهاب، عن أنس، ‏.‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر بمثله سواء ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের সলাত আদায় করতেন যখন ছায়া প্রতিটি বস্তুর সমান হত। (ই.ফা.১২৮৩, ই.সে.১২৯৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসরের সলাত আদায় করতেন যখন ছায়া প্রতিটি বস্তুর সমান হত। (ই.ফা.১২৮৩, ই.সে.১২৯৫)

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن ابن شهاب، عن أنس، ‏.‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر بمثله سواء ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩০১

حدثنا عمرو بن سواد العامري، ومحمد بن سلمة المرادي، وأحمد بن عيسى، - وألفاظهم متقاربة - قال عمرو أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، أن موسى بن سعد الأنصاري، حدثه عن حفص بن عبيد الله، عن أنس بن مالك، أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر فلما انصرف أتاه رجل من بني سلمة فقال يا رسول الله إنا نريد أن ننحر جزورا لنا ونحن نحب أن تحضرها ‏.‏ قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فانطلق وانطلقنا معه فوجدنا الجزور لم تنحر فنحرت ثم قطعت ثم طبخ منها ثم أكلنا قبل أن تغيب الشمس ‏.‏ وقال المرادي حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة وعمرو بن الحارث في هذا الحديث ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে আসরের সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে বানী সালামাহ্ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমরা আমাদের একটা উট যবেহ করতে চাই। আমরা চাই আপনিও সেখানে উপস্থিত থাকুন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, ঠিক আছে। এরপর তিনি রওয়ানা হলে আমরাও তাঁর সাথে রওয়ানা হলাম। আমরা গিয়ে দেখলাম উটটি তখনও যবেহ করা হয়নি। উটটি যবেহ করতে প্রস্তুত করা হলো এবং তার কিছু গোশত রান্না করা হলো। সূর্যাস্তের পূর্বেই আমরা তা খেলাম। (ই.ফা.১২৮৮, ই.সে.১৩০০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে আসরের সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে বানী সালামাহ্ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমরা আমাদের একটা উট যবেহ করতে চাই। আমরা চাই আপনিও সেখানে উপস্থিত থাকুন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আচ্ছা, ঠিক আছে। এরপর তিনি রওয়ানা হলে আমরাও তাঁর সাথে রওয়ানা হলাম। আমরা গিয়ে দেখলাম উটটি তখনও যবেহ করা হয়নি। উটটি যবেহ করতে প্রস্তুত করা হলো এবং তার কিছু গোশত রান্না করা হলো। সূর্যাস্তের পূর্বেই আমরা তা খেলাম। (ই.ফা.১২৮৮, ই.সে.১৩০০)

حدثنا عمرو بن سواد العامري، ومحمد بن سلمة المرادي، وأحمد بن عيسى، - وألفاظهم متقاربة - قال عمرو أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، أن موسى بن سعد الأنصاري، حدثه عن حفص بن عبيد الله، عن أنس بن مالك، أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر فلما انصرف أتاه رجل من بني سلمة فقال يا رسول الله إنا نريد أن ننحر جزورا لنا ونحن نحب أن تحضرها ‏.‏ قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فانطلق وانطلقنا معه فوجدنا الجزور لم تنحر فنحرت ثم قطعت ثم طبخ منها ثم أكلنا قبل أن تغيب الشمس ‏.‏ وقال المرادي حدثنا ابن وهب عن ابن لهيعة وعمرو بن الحارث في هذا الحديث ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩০২

حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن أبي النجاشي، قال سمعت رافع بن خديج، يقول كنا نصلي العصر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم تنحر الجزور فتقسم عشر قسم ثم تطبخ فنأكل لحما نضيجا قبل مغيب الشمس ‏.

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর উট যাবাহ করা হত। [১] তা দশ ভাগে বিভক্ত করা হত। এরপর তা রান্না করে সূর্যাস্তের পূর্বেই সু-সিদ্ধ গোশত খেতাম। (ই.ফা.১২৮৯, ই.সে.১৩০১)

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে এমন সময় আসরের সলাত আদায় করতাম যে সলাতের পর উট যাবাহ করা হত। [১] তা দশ ভাগে বিভক্ত করা হত। এরপর তা রান্না করে সূর্যাস্তের পূর্বেই সু-সিদ্ধ গোশত খেতাম। (ই.ফা.১২৮৯, ই.সে.১৩০১)

حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن أبي النجاشي، قال سمعت رافع بن خديج، يقول كنا نصلي العصر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم تنحر الجزور فتقسم عشر قسم ثم تطبخ فنأكل لحما نضيجا قبل مغيب الشمس ‏.


সহিহ মুসলিম ১৩০৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، وشعيب بن إسحاق الدمشقي، قالا حدثنا الأوزاعي، بهذا الإسناد غير أنه قال كنا ننحر الجزور على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد العصر ‏.‏ ولم يقل كنا نصلي معه ‏.

আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে আমরা আসরের সলাতের পর উট যবেহ করতাম। কিন্তু তিনি বলেননি যে, ‘আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে (‘আসরের) সলাত আদায় করতাম’। (ই.ফা.১২৯০, ই.সে.১৩০২)

আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে আমরা আসরের সলাতের পর উট যবেহ করতাম। কিন্তু তিনি বলেননি যে, ‘আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে (‘আসরের) সলাত আদায় করতাম’। (ই.ফা.১২৯০, ই.সে.১৩০২)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، وشعيب بن إسحاق الدمشقي، قالا حدثنا الأوزاعي، بهذا الإسناد غير أنه قال كنا ننحر الجزور على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد العصر ‏.‏ ولم يقل كنا نصلي معه ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00