সহিহ মুসলিম > ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ১২০৬

حدثنا هارون بن سعيد، وحرملة بن يحيى، قال هارون حدثنا وقال، حرملة أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، قال حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي امرأة من اليهود وهى تقول هل شعرت أنكم تفتنون في القبور قالت فارتاع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏"‏ إنما تفتن يهود ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة فلبثنا ليالي ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل شعرت أنه أوحي إلى أنكم تفتنون في القبور ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد يستعيذ من عذاب القبر ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে থেকে আমার কাছে আসলেন। তখন আমার কাছে একজন ইয়াহূদ মহিলা উপস্থিত ছিল। সে আমাকে বলছিলঃ তুমি কি জানো ক্ববরে তোমাদেরকে পরীক্ষা করা হবে? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ ইয়াহূদ মহিলার এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন। তিনি অবশ্য বললেনঃ পরীক্ষা বা ‘আযাব তো হবে ইয়াহূদদের। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমরা এভাবে কয়েক রাত কাটালাম। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি জানো আমার কাছে এ মর্মে ওয়াহী পাঠানো হয়েছে যে, তোমাদেরকে ক্ববরে পরীক্ষা করা হবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এর পরবর্তীকালে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ১১৯৫, ই.সে. ১২০৬)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে থেকে আমার কাছে আসলেন। তখন আমার কাছে একজন ইয়াহূদ মহিলা উপস্থিত ছিল। সে আমাকে বলছিলঃ তুমি কি জানো ক্ববরে তোমাদেরকে পরীক্ষা করা হবে? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ ইয়াহূদ মহিলার এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন। তিনি অবশ্য বললেনঃ পরীক্ষা বা ‘আযাব তো হবে ইয়াহূদদের। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমরা এভাবে কয়েক রাত কাটালাম। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি জানো আমার কাছে এ মর্মে ওয়াহী পাঠানো হয়েছে যে, তোমাদেরকে ক্ববরে পরীক্ষা করা হবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এর পরবর্তীকালে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ১১৯৫, ই.সে. ১২০৬)

حدثنا هارون بن سعيد، وحرملة بن يحيى، قال هارون حدثنا وقال، حرملة أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، قال حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي امرأة من اليهود وهى تقول هل شعرت أنكم تفتنون في القبور قالت فارتاع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ‏"‏ إنما تفتن يهود ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة فلبثنا ليالي ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل شعرت أنه أوحي إلى أنكم تفتنون في القبور ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد يستعيذ من عذاب القبر ‏.


সহিহ মুসলিম ১২০৭

وحدثني هارون بن سعيد، وحرملة بن يحيى، وعمرو بن سواد، قال حرملة أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك يستعيذ من عذاب القبر ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তারপর থেকে আমি রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ১১৯৬, ই সে. ১২০৭)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তারপর থেকে আমি রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ১১৯৬, ই সে. ১২০৭)

وحدثني هارون بن سعيد، وحرملة بن يحيى، وعمرو بن سواد، قال حرملة أخبرنا وقال الآخران، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك يستعيذ من عذاب القبر ‏.


সহিহ মুসলিম ১২০৮

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن جرير، قال زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن مسروق، عن عائشة، قالت دخلت على عجوزان من عجز يهود المدينة فقالتا إن أهل القبور يعذبون في قبورهم ‏.‏ قالت فكذبتهما ولم أنعم أن أصدقهما فخرجتا ودخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت له يا رسول الله إن عجوزين من عجز يهود المدينة دخلتا على فزعمتا أن أهل القبور يعذبون في قبورهم فقال ‏ "‏ صدقتا إنهم يعذبون عذابا تسمعه البهائم ‏"‏ ‏.‏ قالت فما رأيته بعد في صلاة إلا يتعوذ من عذاب القبر ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাদীনার দু’জন বৃদ্ধা ইয়াহুদিনী আমার কাছে আসলো। তারা বললঃ ক্ববরে মানুষকে ‘আযাব দেয়া হয়ে থাকে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাদের কথা মিথ্যা প্রতিপন্ন করলাম। তাদের কথা সত্য বলে বিশ্বাস করা আমার ভাল লাগলো না। পরে তারা চলে গেল। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আসলে আমি তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! মাদীনার দু’জন বৃদ্ধা ইয়াহুদিনী আমার কাছে এসেছিলেন। তারা বলল, ক্ববরে মানুষকে আযাব দেয়া হয় | এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা সত্য কথাই বলেছে | কেননা ক্ববরে মানুষকে এমন ‘আযাব দেয়া হয় যা চতুষ্পদ জীব-জন্তু পর্যন্ত শুনতে পায়। এ কথা বলে ‘আয়িশাহ্‌ বললেনঃ এরপর আমি সব সময় রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে দেখেছি। (ই.ফা. ১১৯৭, ই. সে. ১২০৮)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাদীনার দু’জন বৃদ্ধা ইয়াহুদিনী আমার কাছে আসলো। তারা বললঃ ক্ববরে মানুষকে ‘আযাব দেয়া হয়ে থাকে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাদের কথা মিথ্যা প্রতিপন্ন করলাম। তাদের কথা সত্য বলে বিশ্বাস করা আমার ভাল লাগলো না। পরে তারা চলে গেল। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আসলে আমি তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! মাদীনার দু’জন বৃদ্ধা ইয়াহুদিনী আমার কাছে এসেছিলেন। তারা বলল, ক্ববরে মানুষকে আযাব দেয়া হয় | এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা সত্য কথাই বলেছে | কেননা ক্ববরে মানুষকে এমন ‘আযাব দেয়া হয় যা চতুষ্পদ জীব-জন্তু পর্যন্ত শুনতে পায়। এ কথা বলে ‘আয়িশাহ্‌ বললেনঃ এরপর আমি সব সময় রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে দেখেছি। (ই.ফা. ১১৯৭, ই. সে. ১২০৮)

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن جرير، قال زهير حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن مسروق، عن عائشة، قالت دخلت على عجوزان من عجز يهود المدينة فقالتا إن أهل القبور يعذبون في قبورهم ‏.‏ قالت فكذبتهما ولم أنعم أن أصدقهما فخرجتا ودخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت له يا رسول الله إن عجوزين من عجز يهود المدينة دخلتا على فزعمتا أن أهل القبور يعذبون في قبورهم فقال ‏ "‏ صدقتا إنهم يعذبون عذابا تسمعه البهائم ‏"‏ ‏.‏ قالت فما رأيته بعد في صلاة إلا يتعوذ من عذاب القبر ‏.


সহিহ মুসলিম ১২০৯

حدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن أشعث، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة، بهذا الحديث وفيه قالت وما صلى صلاة بعد ذلك إلا سمعته يتعوذ من عذاب القبر ‏.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে আছে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, “এরপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই সলাত আদায় করেছেন, তখনই তাকে কবরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি”। (ই.ফা. ১১৯৮ ই.সে. ১২০৯০)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে আছে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, “এরপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই সলাত আদায় করেছেন, তখনই তাকে কবরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি”। (ই.ফা. ১১৯৮ ই.সে. ১২০৯০)

حدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن أشعث، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة، بهذا الحديث وفيه قالت وما صلى صلاة بعد ذلك إلا سمعته يتعوذ من عذاب القبر ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয়

সহিহ মুসলিম ১২১৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام، عن يحيى، عن أبي سلمة، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر وعذاب النار وفتنة المحيا والممات وشر المسيح الدجال ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল ক্ববরি ওয়া ‘আযা-বিন্‌ না-রি ওয়া ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়া শার্‌রিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ববরের ও জাহান্নামের ‘আযাব থেকে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্ থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই |)। (ই.ফা. ১২০৪, ই.সে. ১২১৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল ক্ববরি ওয়া ‘আযা-বিন্‌ না-রি ওয়া ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়া শার্‌রিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ববরের ও জাহান্নামের ‘আযাব থেকে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্ থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই |)। (ই.ফা. ১২০৪, ই.সে. ১২১৫)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام، عن يحيى، عن أبي سلمة، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر وعذاب النار وفتنة المحيا والممات وشر المسيح الدجال ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১৪

وحدثنيه الحكم بن موسى، حدثنا هقل بن زياد، ح قال وحدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، - يعني ابن يونس - جميعا عن الأوزاعي، بهذا الإسناد وقال ‏"‏ إذا فرغ أحدكم من التشهد ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ‏"‏ الآخر ‏"‏ ‏.

আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, “তোমাদের কেউ যখন তাশাহ্‌হুদ পাঠ করবে”। তারা ‘আ-খির বা শেষ তাশাহ্‌হুদ’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১২০৩, ই.সে. ১২১৪)

আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, “তোমাদের কেউ যখন তাশাহ্‌হুদ পাঠ করবে”। তারা ‘আ-খির বা শেষ তাশাহ্‌হুদ’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১২০৩, ই.সে. ১২১৪)

وحدثنيه الحكم بن موسى، حدثنا هقل بن زياد، ح قال وحدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى، - يعني ابن يونس - جميعا عن الأوزاعي، بهذا الإسناد وقال ‏"‏ إذا فرغ أحدكم من التشهد ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ‏"‏ الآخر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১৩

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني الأوزاعي، حدثنا حسان بن عطية، حدثني محمد بن أبي عائشة، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا فرغ أحدكم من التشهد الآخر فليتعوذ بالله من أربع من عذاب جهنم ومن عذاب القبر ومن فتنة المحيا والممات ومن شر المسيح الدجال ‏"

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন শেষ তাশাহ্‌হুদ পাঠ করবে তখন যেন সে চারটি জিনিস থেকে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চায়। জাহান্নামের ‘আযাব থেকে, ক্ববরের ‘আযাব থেকে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ্‌ থেকে এবং মাসীহ্‌ দাজ্জালের অপকারিতা থেকে। (ই.ফা. ১২০২, ই.সে. ১২১৩)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন শেষ তাশাহ্‌হুদ পাঠ করবে তখন যেন সে চারটি জিনিস থেকে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চায়। জাহান্নামের ‘আযাব থেকে, ক্ববরের ‘আযাব থেকে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ্‌ থেকে এবং মাসীহ্‌ দাজ্জালের অপকারিতা থেকে। (ই.ফা. ১২০২, ই.সে. ১২১৩)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني الأوزاعي، حدثنا حسان بن عطية، حدثني محمد بن أبي عائشة، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا فرغ أحدكم من التشهد الآخر فليتعوذ بالله من أربع من عذاب جهنم ومن عذاب القبر ومن فتنة المحيا والممات ومن شر المسيح الدجال ‏"


সহিহ মুসলিম ১২১২

حدثني أبو بكر بن إسحاق، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يدعو في الصلاة ‏"‏ اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر وأعوذ بك من فتنة المسيح الدجال وأعوذ بك من فتنة المحيا والممات اللهم إني أعوذ بك من المأثم والمغرم ‏"‏ ‏.‏ قالت فقال له قائل ما أكثر ما تستعيذ من المغرم يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ إن الرجل إذا غرم حدث فكذب ووعد فأخلف ‏"‏ ‏.

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের মধ্যে এ বলে দু’আ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’উযুবিকা মিন আযা-বিল ক্বব্‌রি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া-ওয়াল মামা-তি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল মা’সামি ওয়াল মাগ্‌রম” – (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিত্‌নাহ থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌না থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাই।)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি বলল - হে আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আপনি ঋণগ্রস্ত হওয়া থেকে এত আশ্রয় প্রার্থনা করেন কেন? (এ কথা শুনে) তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কেউ যখন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখন কথা বললে মিথ্যা বলে এবং প্রতিশ্রুতি দিলে তা ভঙ্গ করে। (ই.ফা. ১২০১, ই.সে. ১২১২)

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের মধ্যে এ বলে দু’আ করতেনঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’উযুবিকা মিন আযা-বিল ক্বব্‌রি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া-ওয়াল মামা-তি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল মা’সামি ওয়াল মাগ্‌রম” – (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিত্‌নাহ থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌না থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাই।)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি বলল - হে আল্লাহর রসূল (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আপনি ঋণগ্রস্ত হওয়া থেকে এত আশ্রয় প্রার্থনা করেন কেন? (এ কথা শুনে) তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কেউ যখন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখন কথা বললে মিথ্যা বলে এবং প্রতিশ্রুতি দিলে তা ভঙ্গ করে। (ই.ফা. ১২০১, ই.সে. ১২১২)

حدثني أبو بكر بن إسحاق، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يدعو في الصلاة ‏"‏ اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر وأعوذ بك من فتنة المسيح الدجال وأعوذ بك من فتنة المحيا والممات اللهم إني أعوذ بك من المأثم والمغرم ‏"‏ ‏.‏ قالت فقال له قائل ما أكثر ما تستعيذ من المغرم يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ إن الرجل إذا غرم حدث فكذب ووعد فأخلف ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১০

حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، قال حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يستعيذ في صلاته من فتنة الدجال ‏.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সলাতে দাজ্জালের ফিতনাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ১১৯৯, ই.সে. ১২১০)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সলাতে দাজ্জালের ফিতনাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ১১৯৯, ই.সে. ১২১০)

حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، قال حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يستعيذ في صلاته من فتنة الدجال ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১১

وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، وابن، نمير وأبو كريب وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، - قال أبو كريب حدثنا وكيع، - حدثنا الأوزاعي، عن حسان بن عطية، عن محمد بن أبي عائشة، عن أبي هريرة، وعن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا تشهد أحدكم فليستعذ بالله من أربع يقول اللهم إني أعوذ بك من عذاب جهنم ومن عذاب القبر ومن فتنة المحيا والممات ومن شر فتنة المسيح الدجال ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা কেউ যখন (সলাতে) তাশাহহুদ পড় তখন চারটি জিনিস থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রার্থনা করবে। এ বলে দু’আ করবেঃ “আল্লহুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বি জাহান্নাম ওয়ামিন ‘আযা-বিল কবরি ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়ামিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল”- (অর্থাৎ, হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জাহান্নাম ও কবরের ‘আযাব থেকে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।) (ই.ফা. ১২০০, ই.সে. ১২১১)

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা কেউ যখন (সলাতে) তাশাহহুদ পড় তখন চারটি জিনিস থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রার্থনা করবে। এ বলে দু’আ করবেঃ “আল্লহুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বি জাহান্নাম ওয়ামিন ‘আযা-বিল কবরি ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়ামিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল”- (অর্থাৎ, হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জাহান্নাম ও কবরের ‘আযাব থেকে, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনাহ থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।) (ই.ফা. ১২০০, ই.সে. ১২১১)

وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، وابن، نمير وأبو كريب وزهير بن حرب جميعا عن وكيع، - قال أبو كريب حدثنا وكيع، - حدثنا الأوزاعي، عن حسان بن عطية، عن محمد بن أبي عائشة، عن أبي هريرة، وعن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا تشهد أحدكم فليستعذ بالله من أربع يقول اللهم إني أعوذ بك من عذاب جهنم ومن عذاب القبر ومن فتنة المحيا والممات ومن شر فتنة المسيح الدجال ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১৬

وحدثنا محمد بن عباد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن طاوس، قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عوذوا بالله من عذاب الله عوذوا بالله من عذاب القبر عوذوا بالله من فتنة المسيح الدجال عوذوا بالله من فتنة المحيا والممات ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে তার ‘আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আশ্রয় চাও। ক্ববরের ‘আযাব থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। আর জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্‌ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। (ই.ফা. ১২০৫, ই.সে. ১২১৬)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে তার ‘আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আশ্রয় চাও। ক্ববরের ‘আযাব থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। আর জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্‌ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। (ই.ফা. ১২০৫, ই.সে. ১২১৬)

وحدثنا محمد بن عباد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن طاوس، قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عوذوا بالله من عذاب الله عوذوا بالله من عذاب القبر عوذوا بالله من فتنة المسيح الدجال عوذوا بالله من فتنة المحيا والممات ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১৭

حدثنا محمد بن عباد، حدثنا سفيان، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২০৬, ই.সে. ১২১৭)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২০৬, ই.সে. ১২১৭)

حدثنا محمد بن عباد، حدثنا سفيان، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১৮

وحدثنا محمد بن عباد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২০৭, ই.সে. ১২১৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২০৭, ই.সে. ১২১৮)

وحدثنا محمد بن عباد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.


সহিহ মুসলিম ১২১৯

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن بديل، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يتعوذ من عذاب القبر وعذاب جهنم وفتنة الدجال ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববর ও জাহান্নামের ‘আযাব ও দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাইতেন। (ই.ফা. ১২০৮, ই.সে. ১২১৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববর ও জাহান্নামের ‘আযাব ও দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাইতেন। (ই.ফা. ১২০৮, ই.সে. ১২১৯)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن بديل، عن عبد الله بن شقيق، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يتعوذ من عذاب القبر وعذاب جهنم وفتنة الدجال ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২০

وحدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، - فيما قرئ عليه - عن أبي الزبير، عن طاوس، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمهم هذا الدعاء كما يعلمهم السورة من القرآن يقول ‏ "‏ قولوا اللهم إنا نعوذ بك من عذاب جهنم وأعوذ بك من عذاب القبر وأعوذ بك من فتنة المسيح الدجال وأعوذ بك من فتنة المحيا والممات ‏"‏ ‏.‏ قال مسلم بن الحجاج بلغني أن طاوسا قال لابنه أدعوت بها في صلاتك فقال لا ‏.‏ قال أعد صلاتك لأن طاوسا رواه عن ثلاثة أو أربعة أو كما قال ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে যেভাবে কুরআন মাজীদের সূরাহ্‌ শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এ দু’আটিও শিখাতেন, দু’আটি হলোঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্না- না’ঊযুবিকা মিন আযা-বি জাহান্নাম ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বব্‌রি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া-ওয়াল মামা-ত” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের ‘আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাই।)। মুসলিম ইবনু হাজ্জাজা বলেনঃ ত্বাউস (একদিন) তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি সলাত আদায় করার সময় কি এ দু’আটি পড়েছ? সে বলল, ‘না’। এ কথা শুনে ত্বাউস বললেন, তুমি পুনরায় সলাত আদায় কর। কারণ ত্বাউস (তোমার পিতা) তিন, চার বা তার বক্তব্য অনুসারে কম বা বেশী লোকের নিকট থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি এরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ১২০৯, ই.সে. ১২২০-১২২১)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে যেভাবে কুরআন মাজীদের সূরাহ্‌ শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এ দু’আটিও শিখাতেন, দু’আটি হলোঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্না- না’ঊযুবিকা মিন আযা-বি জাহান্নাম ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বব্‌রি ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাসীহিদ্‌ দাজ্জা-ল, ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন ফিত্‌নাতিল মাহ্‌ইয়া-ওয়াল মামা-ত” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের ‘আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিত্‌নাহ্‌ থেকে আশ্রয় চাই।)। মুসলিম ইবনু হাজ্জাজা বলেনঃ ত্বাউস (একদিন) তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি সলাত আদায় করার সময় কি এ দু’আটি পড়েছ? সে বলল, ‘না’। এ কথা শুনে ত্বাউস বললেন, তুমি পুনরায় সলাত আদায় কর। কারণ ত্বাউস (তোমার পিতা) তিন, চার বা তার বক্তব্য অনুসারে কম বা বেশী লোকের নিকট থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি এরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ১২০৯, ই.সে. ১২২০-১২২১)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، - فيما قرئ عليه - عن أبي الزبير، عن طاوس، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمهم هذا الدعاء كما يعلمهم السورة من القرآن يقول ‏ "‏ قولوا اللهم إنا نعوذ بك من عذاب جهنم وأعوذ بك من عذاب القبر وأعوذ بك من فتنة المسيح الدجال وأعوذ بك من فتنة المحيا والممات ‏"‏ ‏.‏ قال مسلم بن الحجاج بلغني أن طاوسا قال لابنه أدعوت بها في صلاتك فقال لا ‏.‏ قال أعد صلاتك لأن طاوسا رواه عن ثلاثة أو أربعة أو كما قال ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ

সহিহ মুসলিম ১২২৩

وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبو خالد، - يعني الأحمر - عن عاصم، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ يا ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.

‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনি (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১২১২, ই.সে. ১২২৪)

‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনি (আরবী) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১২১২, ই.সে. ১২২৪)

وحدثناه ابن نمير، حدثنا أبو خالد، - يعني الأحمر - عن عاصم، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ يا ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২১

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد، عن الأوزاعي، عن أبي عمار، - اسمه شداد بن عبد الله - عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا انصرف من صلاته استغفر ثلاثا وقال ‏ "‏ اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.‏ قال الوليد فقلت للأوزاعي كيف الاستغفار قال تقول أستغفر الله أستغفر الله ‏.

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করে তিনবার ইসতিগ্‌ফার করতেন এবং বলতেন- “আল্লা-হুম্মা আন্‌তাস্‌ সালা-মু ওয়া মিনকাস্‌ সালা-মু তাবা-রক্‌তা যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সন্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী |)। হাদীস বর্ণনাকারী ওয়ালীদ বলেন- আমি আওযা’ঈকে জিজ্ঞেস করলাম | তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ইস্‌তিগফার করতেন। তিনি বললেন, তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন- ‘আস্‌তাগ্‌ফিরুল্ল-হ, আস্‌তাগ্‌ফিরুল্ল-হ’ | (ই.ফা. ১২১০, ই.সে. ১২২২)

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করে তিনবার ইসতিগ্‌ফার করতেন এবং বলতেন- “আল্লা-হুম্মা আন্‌তাস্‌ সালা-মু ওয়া মিনকাস্‌ সালা-মু তাবা-রক্‌তা যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সন্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী |)। হাদীস বর্ণনাকারী ওয়ালীদ বলেন- আমি আওযা’ঈকে জিজ্ঞেস করলাম | তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে ইস্‌তিগফার করতেন। তিনি বললেন, তিনি (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন- ‘আস্‌তাগ্‌ফিরুল্ল-হ, আস্‌তাগ্‌ফিরুল্ল-হ’ | (ই.ফা. ১২১০, ই.সে. ১২২২)

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد، عن الأوزاعي، عن أبي عمار، - اسمه شداد بن عبد الله - عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا انصرف من صلاته استغفر ثلاثا وقال ‏ "‏ اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.‏ قال الوليد فقلت للأوزاعي كيف الاستغفار قال تقول أستغفر الله أستغفر الله ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২৬

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وأحمد بن سنان قالوا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن المسيب بن رافع، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة عن المغيرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ مثله قال أبو بكر وأبو كريب في روايتهما قال فأملاها على المغيرة وكتبت بها إلى معاوية ‏.

মুগীরাহ্‌ ইবনু শায়বাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ বকর ও আবূ কুরায়ব তাদের বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, ওয়ার্‌রাদ বলেছেনঃ মুগীরাহ্‌ দু’আটি আমাকে শিখিয়েছেন। অতঃপর তা আমি মু’আবিয়াকে লিখে পাঠিয়েছি। (ই.ফা. ১২১৫, ই.সে. ১২২৭)

মুগীরাহ্‌ ইবনু শায়বাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ বকর ও আবূ কুরায়ব তাদের বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, ওয়ার্‌রাদ বলেছেনঃ মুগীরাহ্‌ দু’আটি আমাকে শিখিয়েছেন। অতঃপর তা আমি মু’আবিয়াকে লিখে পাঠিয়েছি। (ই.ফা. ১২১৫, ই.সে. ১২২৭)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وأحمد بن سنان قالوا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن المسيب بن رافع، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة عن المغيرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ مثله قال أبو بكر وأبو كريب في روايتهما قال فأملاها على المغيرة وكتبت بها إلى معاوية ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২৫

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن المسيب بن رافع، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة قال كتب المغيرة بن شعبة إلى معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا فرغ من الصلاة وسلم قال ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, মুগীরাহ্‌ বিন শু’বাহ্‌ মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) -কে লিখে পাঠান যে, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন- “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহ্‌ লা শারীকা লাহু লাহুল মুল্‌কু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর, আল্ল-হুম্মা লা-মা-নি’আ লিমা- আ’ত্বয়তা ওয়ালা- মু‘ত্বিয়া লিমা- মানা‘তা ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ” (অর্থাৎ - আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শারীক বিহীন। সার্ভৌম ক্ষমতা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।) (ই.ফা. ১২১৪, ই.সে. ১২২৬)

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, মুগীরাহ্‌ বিন শু’বাহ্‌ মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) -কে লিখে পাঠান যে, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন- “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহ্‌ লা শারীকা লাহু লাহুল মুল্‌কু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর, আল্ল-হুম্মা লা-মা-নি’আ লিমা- আ’ত্বয়তা ওয়ালা- মু‘ত্বিয়া লিমা- মানা‘তা ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ” (অর্থাৎ - আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শারীক বিহীন। সার্ভৌম ক্ষমতা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।) (ই.ফা. ১২১৪, ই.সে. ১২২৬)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن المسيب بن رافع، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة قال كتب المغيرة بن شعبة إلى معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا فرغ من الصلاة وسلم قال ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا أبو معاوية، عن عاصم، عن عبد الله بن الحارث، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا سلم لم يقعد إلا مقدار ما يقول ‏"‏ اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية ابن نمير ‏"‏ يا ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সলাতে সালাম ফিরানোর পরে নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ততটুকু সময় বসতেন- “আল্লা-হুম্মা আন্‌তাস সালাম-মু ওয়া মিনকাস্‌ সালা-মু তাবা-রক্‌তা যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সন্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।) এ দু’আটা পড়তে যতটুকু সময় লাগে। ইবনু নুমায়র-এর একটি বর্ণনায় (আরবী) -এর স্থলে (আরবী) উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ১২১১, ই.সেস. ১২২৩)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সলাতে সালাম ফিরানোর পরে নবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ততটুকু সময় বসতেন- “আল্লা-হুম্মা আন্‌তাস সালাম-মু ওয়া মিনকাস্‌ সালা-মু তাবা-রক্‌তা যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সন্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।) এ দু’আটা পড়তে যতটুকু সময় লাগে। ইবনু নুমায়র-এর একটি বর্ণনায় (আরবী) -এর স্থলে (আরবী) উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ১২১১, ই.সেস. ১২২৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا أبو معاوية، عن عاصم، عن عبد الله بن الحارث، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا سلم لم يقعد إلا مقدار ما يقول ‏"‏ اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية ابن نمير ‏"‏ يا ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২৪

وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، حدثنا شعبة، عن عاصم، عن عبد الله بن الحارث، وخالد، عن عبد الله بن الحارث، كلاهما عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏.‏ بمثله غير أنه كان يقول ‏ "‏ يا ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনাতে এ কথাটুকু নেই যে, তিনি (আরবী) (হে শান-শওকাতময়, দয়াবান) বলতেন। (ই.ফা. ১২১৩, ই.সে. ১২২৫)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনাতে এ কথাটুকু নেই যে, তিনি (আরবী) (হে শান-শওকাতময়, দয়াবান) বলতেন। (ই.ফা. ১২১৩, ই.সে. ১২২৫)

وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، حدثنا شعبة، عن عاصم، عن عبد الله بن الحارث، وخالد، عن عبد الله بن الحارث، كلاهما عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏.‏ بمثله غير أنه كان يقول ‏ "‏ يا ذا الجلال والإكرام ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২৭

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبدة بن أبي لبابة، أن ورادا، مولى المغيرة بن شعبة قال كتب المغيرة بن شعبة إلى معاوية - كتب ذلك الكتاب له وراد - إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين سلم ‏.‏ بمثل حديثهما ‏.‏ إلا قوله ‏ "‏ وهو على كل شىء قدير ‏"‏ ‏.‏ فإنه لم يذكر ‏.‏

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (আমীর) মু’আবিয়ার কাছে ওয়ার্‌রাদকে দিয়ে লিখিয়েছিলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতে শুনেছি...। তবে এ বর্ণনায় (আরবি) বাক্যটির উল্লেখ নেই, কেননা তিনি তা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১২১৬, ই.সে. ১২২৮)

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (আমীর) মু’আবিয়ার কাছে ওয়ার্‌রাদকে দিয়ে লিখিয়েছিলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতে শুনেছি...। তবে এ বর্ণনায় (আরবি) বাক্যটির উল্লেখ নেই, কেননা তিনি তা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১২১৬, ই.সে. ১২২৮)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عبدة بن أبي لبابة، أن ورادا، مولى المغيرة بن شعبة قال كتب المغيرة بن شعبة إلى معاوية - كتب ذلك الكتاب له وراد - إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين سلم ‏.‏ بمثل حديثهما ‏.‏ إلا قوله ‏ "‏ وهو على كل شىء قدير ‏"‏ ‏.‏ فإنه لم يذكر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১২২৮

وحدثنا حامد بن عمر البكراوي، حدثنا بشر، - يعني ابن المفضل ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني أزهر، جميعا عن ابن عون، عن أبي سعيد، عن وراد، كاتب المغيرة بن شعبة قال كتب معاوية إلى المغيرة ‏.‏ بمثل حديث منصور والأعمش ‏.

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) - এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়ার্‌রাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, (আমীর) মু’আবিয়াহ্‌ মুগীরাহ্‌ - এর কাছে লিখেছিলেন। ... এরপর তিনি মানসূর ও আ’মাশ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা.১২১৭, ই.সে.১২২৯)

মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) - এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়ার্‌রাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, (আমীর) মু’আবিয়াহ্‌ মুগীরাহ্‌ - এর কাছে লিখেছিলেন। ... এরপর তিনি মানসূর ও আ’মাশ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা.১২১৭, ই.সে.১২২৯)

وحدثنا حامد بن عمر البكراوي، حدثنا بشر، - يعني ابن المفضل ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني أزهر، جميعا عن ابن عون، عن أبي سعيد، عن وراد، كاتب المغيرة بن شعبة قال كتب معاوية إلى المغيرة ‏.‏ بمثل حديث منصور والأعمش ‏.


সহিহ মুসলিম ১২২৯

وحدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، حدثنا عبدة بن أبي لبابة، وعبد الملك بن عمير، سمعا ورادا، كاتب المغيرة بن شعبة يقول كتب معاوية إلى المغيرة اكتب إلى بشىء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال فكتب إليه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا قضى الصلاة ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.

‘আব্‌দাহ্‌ ইবনু আবূ লুবাবাহ্‌ ও ‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমায়র (উভয়ে) মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) - এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

(আমীর) মু’আবিয়াহ্‌ মুগীরাহ্‌ ইবনু শুবাহ্‌-এর কাছে পত্র লিখলেনঃ তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে শুনেছ এমন কিছু লিখে পাঠাও। ওয়ার্‌রাদ বর্ণনা করেনঃ এ পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে মুগীরাহ্‌ ইবনু শুবাহ্‌ তাকে লিখে জানালেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, তিনি সলাত শেষে (এ দু’আটি) বলতেন, “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুল্‌ক ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর, আল্ল-হুম্মা লা- মা-নি’আ লিমা- আ’ত্বয়তা ওয়ালা- মু’ত্বিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শারীকবিহীন। সার্বভৌম ক্ষমতা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।) (ই.ফা.১২১৮, ই.সে.১২৩০)

‘আব্‌দাহ্‌ ইবনু আবূ লুবাবাহ্‌ ও ‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমায়র (উভয়ে) মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) - এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়ার্‌রাদ থেকে বর্নিতঃ

(আমীর) মু’আবিয়াহ্‌ মুগীরাহ্‌ ইবনু শুবাহ্‌-এর কাছে পত্র লিখলেনঃ তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে শুনেছ এমন কিছু লিখে পাঠাও। ওয়ার্‌রাদ বর্ণনা করেনঃ এ পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে মুগীরাহ্‌ ইবনু শুবাহ্‌ তাকে লিখে জানালেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, তিনি সলাত শেষে (এ দু’আটি) বলতেন, “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুল্‌ক ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর, আল্ল-হুম্মা লা- মা-নি’আ লিমা- আ’ত্বয়তা ওয়ালা- মু’ত্বিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শারীকবিহীন। সার্বভৌম ক্ষমতা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।) (ই.ফা.১২১৮, ই.সে.১২৩০)

وحدثنا ابن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، حدثنا عبدة بن أبي لبابة، وعبد الملك بن عمير، سمعا ورادا، كاتب المغيرة بن شعبة يقول كتب معاوية إلى المغيرة اكتب إلى بشىء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال فكتب إليه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا قضى الصلاة ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩০

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا هشام، عن أبي الزبير، قال كان ابن الزبير يقول في دبر كل صلاة حين يسلم ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير لا حول ولا قوة إلا بالله لا إله إلا الله ولا نعبد إلا إياه له النعمة وله الفضل وله الثناء الحسن لا إله إلا الله مخلصين له الدين ولو كره الكافرون ‏"‏ ‏.‏ وقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهلل بهن دبر كل صلاة ‏.

আবুয্‌ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা-শারীকা লাহূ লাহুল মুল্‌কু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর, লা- হাওলা ওয়ালা- কূওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হি লা- ইলা- হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা- না’বুদু ইল্লা- ঈয়্যা-হু লাহুন্‌ নি’মাতু ওয়ালাহুল ফায্‌লু ওয়ালাহুস্‌ সানা-উল হাসানু লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলিসীনা লাহুদ্‌দীনা ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও শারীকবিহীন। তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন আশ্রয় এবং শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তাঁকে ছাড়া আর কারো ‘ইবাদাত করি না যদিও কাফিরদের তা পছন্দ নয়।) আর তিনি (ইবনুয্‌ যুবায়র) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। (ই.ফা.১২১৯, ই.সে.১২৩১)

আবুয্‌ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা-শারীকা লাহূ লাহুল মুল্‌কু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর, লা- হাওলা ওয়ালা- কূওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হি লা- ইলা- হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা- না’বুদু ইল্লা- ঈয়্যা-হু লাহুন্‌ নি’মাতু ওয়ালাহুল ফায্‌লু ওয়ালাহুস্‌ সানা-উল হাসানু লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলিসীনা লাহুদ্‌দীনা ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও শারীকবিহীন। তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন আশ্রয় এবং শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তাঁকে ছাড়া আর কারো ‘ইবাদাত করি না যদিও কাফিরদের তা পছন্দ নয়।) আর তিনি (ইবনুয্‌ যুবায়র) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। (ই.ফা.১২১৯, ই.সে.১২৩১)

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا هشام، عن أبي الزبير، قال كان ابن الزبير يقول في دبر كل صلاة حين يسلم ‏ "‏ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير لا حول ولا قوة إلا بالله لا إله إلا الله ولا نعبد إلا إياه له النعمة وله الفضل وله الثناء الحسن لا إله إلا الله مخلصين له الدين ولو كره الكافرون ‏"‏ ‏.‏ وقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهلل بهن دبر كل صلاة ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩১

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبي الزبير، مولى لهم أن عبد الله بن الزبير، كان يهلل دبر كل صلاة ‏.‏ بمثل حديث ابن نمير وقال في آخره ثم يقول ابن الزبير كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهلل بهن دبر كل صلاة ‏.

‘উরওয়াহ্‌ তাদের আযাদকৃত দাস আবুয্‌ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুয্‌ যুবায়র প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের শেষে ইবনু নুমায়র - এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ তাহলীল (অর্থাৎ- “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। হাদীসটির শেষে তিনি এভাবে বলেছেন, অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনুয্‌ যুবায়র বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথাগুলো বলে প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের পর তাহলীল বা আল্লাহর প্রশংসা করতেন। (ই.ফা.১২২০, ই.সে.১২৩২)

‘উরওয়াহ্‌ তাদের আযাদকৃত দাস আবুয্‌ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনুয্‌ যুবায়র প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের শেষে ইবনু নুমায়র - এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ তাহলীল (অর্থাৎ- “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। হাদীসটির শেষে তিনি এভাবে বলেছেন, অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনুয্‌ যুবায়র বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথাগুলো বলে প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের পর তাহলীল বা আল্লাহর প্রশংসা করতেন। (ই.ফা.১২২০, ই.সে.১২৩২)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبي الزبير، مولى لهم أن عبد الله بن الزبير، كان يهلل دبر كل صلاة ‏.‏ بمثل حديث ابن نمير وقال في آخره ثم يقول ابن الزبير كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يهلل بهن دبر كل صلاة ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩২

وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا ابن علية، حدثنا الحجاج بن أبي عثمان، حدثني أبو الزبير، قال سمعت عبد الله بن الزبير، يخطب على هذا المنبر وهو يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا سلم في دبر الصلاة أو الصلوات ‏.‏ فذكر بمثل حديث هشام بن عروة ‏.

আবুয্‌ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনুয্‌ যুবায়রকে এ মিম্বারে দাঁড়িয়ে এই বলে খুত্‌বাহ্‌ দিতে শুনেছি যে, সলাতের শেষে সালাম ফিরিয়ে রসূলুল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন...। অতঃপর তিনি হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্‌ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা.১২২১, ই.সে.১২৩৩)

আবুয্‌ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনুয্‌ যুবায়রকে এ মিম্বারে দাঁড়িয়ে এই বলে খুত্‌বাহ্‌ দিতে শুনেছি যে, সলাতের শেষে সালাম ফিরিয়ে রসূলুল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন...। অতঃপর তিনি হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্‌ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা.১২২১, ই.সে.১২৩৩)

وحدثني يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا ابن علية، حدثنا الحجاج بن أبي عثمان، حدثني أبو الزبير، قال سمعت عبد الله بن الزبير، يخطب على هذا المنبر وهو يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا سلم في دبر الصلاة أو الصلوات ‏.‏ فذكر بمثل حديث هشام بن عروة ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩৩

وحدثني محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يحيى بن عبد الله بن سالم، عن موسى بن عقبة، أن أبا الزبير المكي، حدثه أنه، سمع عبد الله بن الزبير، وهو يقول في إثر الصلاة إذا سلم ‏.‏ بمثل حديثهما وقال في آخره وكان يذكر ذلك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আবুয্‌ যুবায়র আল মাক্কী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) - কে প্রতি ওয়াক্ত সলামে ফিরানোর পর বলতে শুনেছেন - হিশাম ও হাজ্জাজ বর্ণিত পূর্বের হাদীসে উল্লেখিত দু’আর অনুরূপ দু’আ করতেন। অবশ্য এ হাদীসের শেষে তিনি এ কথা বলেছেনঃ বিষয়টি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতেন। (ই.ফা.১২২২, ই.সে.১২৩৪)

আবুয্‌ যুবায়র আল মাক্কী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) - কে প্রতি ওয়াক্ত সলামে ফিরানোর পর বলতে শুনেছেন - হিশাম ও হাজ্জাজ বর্ণিত পূর্বের হাদীসে উল্লেখিত দু’আর অনুরূপ দু’আ করতেন। অবশ্য এ হাদীসের শেষে তিনি এ কথা বলেছেনঃ বিষয়টি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতেন। (ই.ফা.১২২২, ই.সে.১২৩৪)

وحدثني محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يحيى بن عبد الله بن سالم، عن موسى بن عقبة، أن أبا الزبير المكي، حدثه أنه، سمع عبد الله بن الزبير، وهو يقول في إثر الصلاة إذا سلم ‏.‏ بمثل حديثهما وقال في آخره وكان يذكر ذلك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩৫

وحدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنهم قالوا يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم ‏.‏ بمثل حديث قتيبة عن الليث إلا أنه أدرج في حديث أبي هريرة قول أبي صالح ثم رجع فقراء المهاجرين ‏.‏ إلى آخر الحديث وزاد في الحديث يقول سهيل إحدى عشرة إحدى عشرة فجميع ذلك كله ثلاثة وثلاثون ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন গরীব মুহাজিররা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। অর্থাৎ - এভাবে তিনি লায়স থেকে কুতায়বাহ্‌ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তিনি আবূ হুরায়রা বর্ণিত হাদীসে আবূ সালিহ বর্ণিত হাদীসের “অতঃপর গরীব মুহাজিররা ফিরে আসলো” কথাটা শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন? আর হাদীসটির মধ্যে তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সুহায়ল বলেন, এগারবার করে সবগুলো মিলিয়ে মোট তেত্রিশবার পড়তে হবে। (ই.ফা.১২২৪, ই.সে.১২৩৬)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন গরীব মুহাজিররা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। অর্থাৎ - এভাবে তিনি লায়স থেকে কুতায়বাহ্‌ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তিনি আবূ হুরায়রা বর্ণিত হাদীসে আবূ সালিহ বর্ণিত হাদীসের “অতঃপর গরীব মুহাজিররা ফিরে আসলো” কথাটা শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন? আর হাদীসটির মধ্যে তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সুহায়ল বলেন, এগারবার করে সবগুলো মিলিয়ে মোট তেত্রিশবার পড়তে হবে। (ই.ফা.১২২৪, ই.সে.১২৩৬)

وحدثني أمية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنهم قالوا يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم ‏.‏ بمثل حديث قتيبة عن الليث إلا أنه أدرج في حديث أبي هريرة قول أبي صالح ثم رجع فقراء المهاجرين ‏.‏ إلى آخر الحديث وزاد في الحديث يقول سهيل إحدى عشرة إحدى عشرة فجميع ذلك كله ثلاثة وثلاثون ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩৪

حدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا المعتمر، حدثنا عبيد الله، ح قال وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، كلاهما عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، - وهذا حديث قتيبة أن فقراء، المهاجرين أتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ذهب أهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم ‏.‏ فقال ‏"‏ وما ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالوا يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ويتصدقون ولا نتصدق ويعتقون ولا نعتق ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أفلا أعلمكم شيئا تدركون به من سبقكم وتسبقون به من بعدكم ولا يكون أحد أفضل منكم إلا من صنع مثل ما صنعتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ تسبحون وتكبرون وتحمدون دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين مرة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو صالح فرجع فقراء المهاجرين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا سمع إخواننا أهل الأموال بما فعلنا ففعلوا مثله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء ‏"‏ ‏.‏ وزاد غير قتيبة في هذا الحديث عن الليث عن ابن عجلان قال سمى فحدثت بعض أهلي هذا الحديث فقال وهمت إنما قال ‏"‏ تسبح الله ثلاثا وثلاثين وتحمد الله ثلاثا وثلاثين وتكبر الله ثلاثا وثلاثين ‏"‏ ‏.‏ فرجعت إلى أبي صالح فقلت له ذلك فأخذ بيدي فقال الله أكبر وسبحان الله والحمد لله والله أكبر وسبحان الله والحمد لله حتى تبلغ من جميعهن ثلاثة وثلاثين ‏.‏ قال ابن عجلان فحدثت بهذا الحديث رجاء بن حيوة فحدثني بمثله عن أبي صالح عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ কুতায়বাহ্‌ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেনঃ একদিন গরীব মুহাজিরগণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গিয়ে বললেন, সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিভাবে? তারা বললেনঃ আমরা সলাত আদায় করি তারাও সলাত আদায় করে। আমরা সিয়াম পালন করি তারাও সিয়াম পালন করে। কিন্তু তারা দান করে আমরা দান করতে পারি না। আর তারা দাস মুক্ত করে আমরা দাস মুক্ত করতে পারি না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু শিখিয়ে দিব যা করলে তোমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রসর লোকদের সমকক্ষ হতে পারবে? আর যারা তোমাদের পিছনে পড়ে আছে তাদের পিছনে রেখে এগিয়ে যেতে পারবে? আর তোমাদের মতো কাজ না করে কেউ তোমাদের মতো উত্তম হতে পারবে না। তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! তা অবশ্যই বলবেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রত্যেক সলাতের পর তোমরা তেত্রিশবার করে তাসবীহ (সুবহানা-ল্ল-হ) , তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) ও তাহমীদ (আলহাম্‌দু লিল্লা-হ) বলবে। আবূ সালিহ বর্ণনা করেছেন এরপর গরীব মুহাজিরগণ পুনরায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বললেনঃ আমরা যা করেছি আমাদের সম্পদশালী ভাইয়েরা তা জেনে ফেলেছে। সুতরাং এখন তারাও এ কাজ করতে শুরু করেছে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ তো আল্লাহর মেহেরবানী। যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। কুতায়বাহ্‌ ছাড়া এ হাদীসটি লায়স ও ইবনু আজলান - এর মাধ্যমে সুমাই থেকে বর্ণনা করেছেন তারা এতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, সুমাই (হাদীসটির এক পর্যায়ের বর্ণনাকারী) বলেছনঃ আমি ভুলে গিয়েছি হাদীসটি বরং এভাবে বলা হয়েছেঃ তেত্রিশবার তাসবীহ বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার হাম্‌দ করবে আর তেত্রিশবার তাকবীর বলবে। সুতরাং (এ কথা শুনে) আমি আবূ সালিহ্‌-এর কাছে গিয়ে এ বিষয়টি বললে, তিনি আমার হাত ধরে বললেনঃ বরং তুমি বলবে- “আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হাম্‌দুলিল্লা-হি আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তাঁর। আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তাঁর।) এভাবে সবগুলো মোট তেত্রিশবার বলবে। ইবনু ‘আজলান বলেছেনঃ আমি রাজা ইবনু হাওাহ্‌-এর কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনিও আমাকে আবূ সালিহ ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) - এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে শোনালেন। (ই.ফা.১২২৩, ই.সে.১২৩৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ কুতায়বাহ্‌ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেনঃ একদিন গরীব মুহাজিরগণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে গিয়ে বললেন, সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিভাবে? তারা বললেনঃ আমরা সলাত আদায় করি তারাও সলাত আদায় করে। আমরা সিয়াম পালন করি তারাও সিয়াম পালন করে। কিন্তু তারা দান করে আমরা দান করতে পারি না। আর তারা দাস মুক্ত করে আমরা দাস মুক্ত করতে পারি না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু শিখিয়ে দিব যা করলে তোমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রসর লোকদের সমকক্ষ হতে পারবে? আর যারা তোমাদের পিছনে পড়ে আছে তাদের পিছনে রেখে এগিয়ে যেতে পারবে? আর তোমাদের মতো কাজ না করে কেউ তোমাদের মতো উত্তম হতে পারবে না। তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! তা অবশ্যই বলবেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রত্যেক সলাতের পর তোমরা তেত্রিশবার করে তাসবীহ (সুবহানা-ল্ল-হ) , তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) ও তাহমীদ (আলহাম্‌দু লিল্লা-হ) বলবে। আবূ সালিহ বর্ণনা করেছেন এরপর গরীব মুহাজিরগণ পুনরায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বললেনঃ আমরা যা করেছি আমাদের সম্পদশালী ভাইয়েরা তা জেনে ফেলেছে। সুতরাং এখন তারাও এ কাজ করতে শুরু করেছে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ তো আল্লাহর মেহেরবানী। যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। কুতায়বাহ্‌ ছাড়া এ হাদীসটি লায়স ও ইবনু আজলান - এর মাধ্যমে সুমাই থেকে বর্ণনা করেছেন তারা এতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, সুমাই (হাদীসটির এক পর্যায়ের বর্ণনাকারী) বলেছনঃ আমি ভুলে গিয়েছি হাদীসটি বরং এভাবে বলা হয়েছেঃ তেত্রিশবার তাসবীহ বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার হাম্‌দ করবে আর তেত্রিশবার তাকবীর বলবে। সুতরাং (এ কথা শুনে) আমি আবূ সালিহ্‌-এর কাছে গিয়ে এ বিষয়টি বললে, তিনি আমার হাত ধরে বললেনঃ বরং তুমি বলবে- “আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হাম্‌দুলিল্লা-হি আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তাঁর। আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তাঁর।) এভাবে সবগুলো মোট তেত্রিশবার বলবে। ইবনু ‘আজলান বলেছেনঃ আমি রাজা ইবনু হাওাহ্‌-এর কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনিও আমাকে আবূ সালিহ ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) - এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে শোনালেন। (ই.ফা.১২২৩, ই.সে.১২৩৫)

حدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا المعتمر، حدثنا عبيد الله، ح قال وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، كلاهما عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، - وهذا حديث قتيبة أن فقراء، المهاجرين أتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ذهب أهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم ‏.‏ فقال ‏"‏ وما ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالوا يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ويتصدقون ولا نتصدق ويعتقون ولا نعتق ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أفلا أعلمكم شيئا تدركون به من سبقكم وتسبقون به من بعدكم ولا يكون أحد أفضل منكم إلا من صنع مثل ما صنعتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ تسبحون وتكبرون وتحمدون دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين مرة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو صالح فرجع فقراء المهاجرين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا سمع إخواننا أهل الأموال بما فعلنا ففعلوا مثله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء ‏"‏ ‏.‏ وزاد غير قتيبة في هذا الحديث عن الليث عن ابن عجلان قال سمى فحدثت بعض أهلي هذا الحديث فقال وهمت إنما قال ‏"‏ تسبح الله ثلاثا وثلاثين وتحمد الله ثلاثا وثلاثين وتكبر الله ثلاثا وثلاثين ‏"‏ ‏.‏ فرجعت إلى أبي صالح فقلت له ذلك فأخذ بيدي فقال الله أكبر وسبحان الله والحمد لله والله أكبر وسبحان الله والحمد لله حتى تبلغ من جميعهن ثلاثة وثلاثين ‏.‏ قال ابن عجلان فحدثت بهذا الحديث رجاء بن حيوة فحدثني بمثله عن أبي صالح عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩৬

وحدثنا الحسن بن عيسى، أخبرنا ابن المبارك، أخبرنا مالك بن مغول، قال سمعت الحكم بن عتيبة، يحدث عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ معقبات لا يخيب قائلهن - أو فاعلهن - دبر كل صلاة مكتوبة ثلاث وثلاثون تسبيحة وثلاث وثلاثون تحميدة وأربع وثلاثون تكبيرة ‏"‏ ‏.

কা’ব ইবনু ‘উজ্‌রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ফরয সলাতের পরে কিছু দু’আ আছে, যে ব্যক্তি ঐগুলো পড়ে বা কাজে লাগায় কখনো নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তা হলোঃ তেত্রিশবার তাসবীহ (আলহাম্‌দু লিল্লা-হ) পড়া, তেত্রিশবার তাহমীদ (সুবহা-নাল্ল-হ) পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) পাঠ করা। (ই.ফা.১২২৫, ই.সে.১২৩৭)

কা’ব ইবনু ‘উজ্‌রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ফরয সলাতের পরে কিছু দু’আ আছে, যে ব্যক্তি ঐগুলো পড়ে বা কাজে লাগায় কখনো নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তা হলোঃ তেত্রিশবার তাসবীহ (আলহাম্‌দু লিল্লা-হ) পড়া, তেত্রিশবার তাহমীদ (সুবহা-নাল্ল-হ) পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) পাঠ করা। (ই.ফা.১২২৫, ই.সে.১২৩৭)

وحدثنا الحسن بن عيسى، أخبرنا ابن المبارك، أخبرنا مالك بن مغول، قال سمعت الحكم بن عتيبة، يحدث عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ معقبات لا يخيب قائلهن - أو فاعلهن - دبر كل صلاة مكتوبة ثلاث وثلاثون تسبيحة وثلاث وثلاثون تحميدة وأربع وثلاثون تكبيرة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩৭

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا أبو أحمد، حدثنا حمزة الزيات، عن الحكم، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ معقبات لا يخيب قائلهن - أو فاعلهن - ثلاث وثلاثون تسبيحة وثلاث وثلاثون تحميدة وأربع وثلاثون تكبيرة في دبر كل صلاة ‏"‏ ‏.

কা’ব ইবনু ‘উজ্‌রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিছু দু’আ আছে প্রত্যেক ফরযসলাতের পরে যে ব্যক্তি ঐগুলো পড়ে বা ‘আমাল করে সে কখনও নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দু’আগুলো হলোঃ তেত্রিশবার তাসবীহ (সুবহা-নাল্ল-হ, অর্থাৎ- আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করা) পড়া, তেত্রিশবার তাহমীদ (আলহাম্‌দুলিল্লা-হ, অর্থাৎ- আল্লহর প্রশংসা করা) পড়া এবং চৌত্রিশবার তাকবীর (আল্ল-হু আকবার, অর্থাৎ- আল্লহর মহত্ব বর্ণনা করা) পড়া। (ই.ফা.১২২৬, ই.সে.১২৩৮)

কা’ব ইবনু ‘উজ্‌রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিছু দু’আ আছে প্রত্যেক ফরযসলাতের পরে যে ব্যক্তি ঐগুলো পড়ে বা ‘আমাল করে সে কখনও নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দু’আগুলো হলোঃ তেত্রিশবার তাসবীহ (সুবহা-নাল্ল-হ, অর্থাৎ- আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করা) পড়া, তেত্রিশবার তাহমীদ (আলহাম্‌দুলিল্লা-হ, অর্থাৎ- আল্লহর প্রশংসা করা) পড়া এবং চৌত্রিশবার তাকবীর (আল্ল-হু আকবার, অর্থাৎ- আল্লহর মহত্ব বর্ণনা করা) পড়া। (ই.ফা.১২২৬, ই.সে.১২৩৮)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا أبو أحمد، حدثنا حمزة الزيات، عن الحكم، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ معقبات لا يخيب قائلهن - أو فاعلهن - ثلاث وثلاثون تسبيحة وثلاث وثلاثون تحميدة وأربع وثلاثون تكبيرة في دبر كل صلاة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৩৮

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا عمرو بن قيس الملائي، عن الحكم، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

হাকাম থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২২৭, ই.সে.১২৩৯)

হাকাম থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২২৭, ই.সে.১২৩৯)

حدثني محمد بن حاتم، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا عمرو بن قيس الملائي، عن الحكم، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১২৩৯

حدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن سهيل، عن أبي عبيد المذحجي، - قال مسلم أبو عبيد مولى سليمان بن عبد الملك - عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من سبح الله في دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين وحمد الله ثلاثا وثلاثين وكبر الله ثلاثا وثلاثين فتلك تسعة وتسعون وقال تمام المائة لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير غفرت خطاياه وإن كانت مثل زبد البحر ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের শেষে তেত্রিশবার আল্লহর তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার আল্লাহর তামহীদ বা আল্লাহর প্রশংসা করবে এবং তেত্রিশবার তাকবীর বা আল্লহর মহত্ব বর্ণনা করবে আর এভাবে নিরানব্বই বার হওয়ার পর শততম পূর্ণ করতে বলবে-“লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুল্‌কু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও তাঁর কোন অংশীদার নেই। সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র তিনিই। সম প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম-তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে সেয়া হয়।) (ই.ফা.১২২৮, ই.সে.১২৪০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত সলাতের শেষে তেত্রিশবার আল্লহর তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার আল্লাহর তামহীদ বা আল্লাহর প্রশংসা করবে এবং তেত্রিশবার তাকবীর বা আল্লহর মহত্ব বর্ণনা করবে আর এভাবে নিরানব্বই বার হওয়ার পর শততম পূর্ণ করতে বলবে-“লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুল্‌কু ওয়ালাহুল হাম্‌দু ওয়াহুওয়া ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন্‌ ক্বদীর” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও তাঁর কোন অংশীদার নেই। সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র তিনিই। সম প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম-তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে সেয়া হয়।) (ই.ফা.১২২৮, ই.সে.১২৪০)

حدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن سهيل، عن أبي عبيد المذحجي، - قال مسلم أبو عبيد مولى سليمان بن عبد الملك - عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من سبح الله في دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين وحمد الله ثلاثا وثلاثين وكبر الله ثلاثا وثلاثين فتلك تسعة وتسعون وقال تمام المائة لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير غفرت خطاياه وإن كانت مثل زبد البحر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৪০

وحدثنا محمد بن الصباح، حدثنا إسماعيل بن زكرياء، عن سهيل، عن أبي عبيد، عن عطاء، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এরপর উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২২৯, ই.সে.১২৪০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এরপর উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২২৯, ই.সে.১২৪০)

وحدثنا محمد بن الصباح، حدثنا إسماعيل بن زكرياء، عن سهيل، عن أبي عبيد، عن عطاء، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম > তাকবীরে তাহ্‌রীমা ও ক্বিরাআতের মধ্যে কি পাঠ করবে

সহিহ মুসলিম ১২৪৫

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل ابن علية، أخبرني الحجاج بن أبي عثمان، عن أبي الزبير، عن عون بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عمر، قال بينما نحن نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال رجل من القوم الله أكبر كبيرا والحمد لله كثيرا وسبحان الله بكرة وأصيلا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من القائل كلمة كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ قال رجل من القوم أنا يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ عجبت لها فتحت لها أبواب السماء ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عمر فما تركتهن منذ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সলাত আদায় করেছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ “আল্ল-হু আকবার কাবীরা-ওয়াল হাম্‌দুলিল্লা-হ কাসীরা-ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি বুকরাতান্‌ ওয়া আসীলা-” (অর্থাৎ- আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, বড়। সব প্রশংসা আল্লাহর। আর সকাল ও সন্ধ্যায় তারই পবিত্রতা বর্ণনা করতে হবে।) (সলাত শেষে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, এ কথাগুলো কে বলল? সবার মধ্যে থেকে জনৈক ব্যক্তি বল্লঃ হে আল্লাহর রসূল আমি ঐ কথাগুলো বলেছি। তখন রসূল্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কথাগুলো আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ কথাগুলোর জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়েছিল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথাগুলো বলতে শোনার পর থেকে তাঁর ওপর ‘আমাল করা কখনো ছাড়িনি। (ই.ফা.১২৩৩, ই.সে.১২৪৫)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সলাত আদায় করেছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ “আল্ল-হু আকবার কাবীরা-ওয়াল হাম্‌দুলিল্লা-হ কাসীরা-ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি বুকরাতান্‌ ওয়া আসীলা-” (অর্থাৎ- আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, বড়। সব প্রশংসা আল্লাহর। আর সকাল ও সন্ধ্যায় তারই পবিত্রতা বর্ণনা করতে হবে।) (সলাত শেষে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, এ কথাগুলো কে বলল? সবার মধ্যে থেকে জনৈক ব্যক্তি বল্লঃ হে আল্লাহর রসূল আমি ঐ কথাগুলো বলেছি। তখন রসূল্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কথাগুলো আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ কথাগুলোর জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়েছিল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ কথাগুলো বলতে শোনার পর থেকে তাঁর ওপর ‘আমাল করা কখনো ছাড়িনি। (ই.ফা.১২৩৩, ই.সে.১২৪৫)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل ابن علية، أخبرني الحجاج بن أبي عثمان، عن أبي الزبير، عن عون بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عمر، قال بينما نحن نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال رجل من القوم الله أكبر كبيرا والحمد لله كثيرا وسبحان الله بكرة وأصيلا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من القائل كلمة كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ قال رجل من القوم أنا يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ عجبت لها فتحت لها أبواب السماء ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عمر فما تركتهن منذ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৪১

حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كبر في الصلاة سكت هنية قبل أن يقرأ فقلت يا رسول الله بأبي أنت وأمي أرأيت سكوتك بين التكبير والقراءة ما تقول قال ‏ "‏ أقول اللهم باعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم نقني من خطاياى كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس اللهم اغسلني من خطاياى بالثلج والماء والبرد ‏"

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শুরু করলে তাকবীরে তাহরীমা বলে ক্বিরাআত শুরু করার আগে কিছুক্ষণ চুপ থাকতেন। এ দেখে আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক! আপনি সলাতের তাকবীরে তাহরীমা ও ক্বিরাআতের মাঝে যখন চুপ থাকেন তখন কি পড়েন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তখন বলিঃ “আল্ল-হুম্মা বা-‘ইদ বায়নী ওয়াবায়না খত্বা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-আদতা বায়নাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব, আল্লা-হুম্মা নাক্কিনী মিন খত্বা-ইয়া-ইয়া কামা-ইউনাক্কাস্‌ সাওবুল আব্‌ইয়াযু মিনাদ্‌ দানাস, আল্ল-হুম্মাগ সিল্‌নী মিন খত্বা-ইয়া-ইয়া বিস্‌সাল্‌জি ওয়াল মা-য়ি ওয়াল মা-য়ি ওয়াল বারাদ” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমার ও আমার পাপের মাঝে এতটা দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও পশ্চিম ও পূর্বের মধ্যে তুমি যে পরিমাণ দূরত্ব রেখেছ। হে আল্লাহ! আমাকে আমার পাপ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করে দাও যেমনভাবে সাদা কাপড় থেকে ময়লা পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! তুমি আমার পাপসমূহ বরফ, পানি ও তুষারের শুভ্রতা দ্বারা ধুয়ে পরিষ্কার করে দাও। (ই.ফা.১২৩০, ই.সে.১২৪২)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শুরু করলে তাকবীরে তাহরীমা বলে ক্বিরাআত শুরু করার আগে কিছুক্ষণ চুপ থাকতেন। এ দেখে আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক! আপনি সলাতের তাকবীরে তাহরীমা ও ক্বিরাআতের মাঝে যখন চুপ থাকেন তখন কি পড়েন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তখন বলিঃ “আল্ল-হুম্মা বা-‘ইদ বায়নী ওয়াবায়না খত্বা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-আদতা বায়নাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব, আল্লা-হুম্মা নাক্কিনী মিন খত্বা-ইয়া-ইয়া কামা-ইউনাক্কাস্‌ সাওবুল আব্‌ইয়াযু মিনাদ্‌ দানাস, আল্ল-হুম্মাগ সিল্‌নী মিন খত্বা-ইয়া-ইয়া বিস্‌সাল্‌জি ওয়াল মা-য়ি ওয়াল মা-য়ি ওয়াল বারাদ” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমার ও আমার পাপের মাঝে এতটা দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও পশ্চিম ও পূর্বের মধ্যে তুমি যে পরিমাণ দূরত্ব রেখেছ। হে আল্লাহ! আমাকে আমার পাপ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করে দাও যেমনভাবে সাদা কাপড় থেকে ময়লা পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! তুমি আমার পাপসমূহ বরফ, পানি ও তুষারের শুভ্রতা দ্বারা ধুয়ে পরিষ্কার করে দাও। (ই.ফা.১২৩০, ই.সে.১২৪২)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كبر في الصلاة سكت هنية قبل أن يقرأ فقلت يا رسول الله بأبي أنت وأمي أرأيت سكوتك بين التكبير والقراءة ما تقول قال ‏ "‏ أقول اللهم باعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم نقني من خطاياى كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس اللهم اغسلني من خطاياى بالثلج والماء والبرد ‏"


সহিহ মুসলিম ১২৪৩

قال مسلم وحدثت عن يحيى بن حسان، ويونس المؤدب، و غيرهما قالوا حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثني عمارة بن القعقاع، حدثنا أبو زرعة، قال سمعت أبا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نهض من الركعة الثانية استفتح القراءة بـ ‏{‏ الحمد لله رب العالمين‏}‏ ولم يسكت ‏.

ইমাম মুসলিম থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হাস্‌সান এবং ইউনুস আল মুআদ্‌দিব ও অন্যান্য ‘আবদুল ওয়াহিদ ইবনু যিয়াদ ও উমারাহ্‌ ইবনু ক্বা’ক্বা’ - এর মাধ্যমে আবূ যুর’আহ্‌ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে। আবূ যুর’আহ্‌ বলেছেন, আমি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - কে বলতে শুনেছিঃ সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বিতীয় রাক’আত শেষে উঠে দাঁড়িয়ে “আল হাম্‌দুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন” বলে শুরু করতেন। চুপ থাকতেন না (অর্থাৎ- দ্বিতীয় রা’আত থেকে উঠা এবং সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠের মাঝখানে কোন বিরতি থাকত না)। (ই.ফা.১২৩১, ই.সে.১২৪৪)

ইমাম মুসলিম থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হাস্‌সান এবং ইউনুস আল মুআদ্‌দিব ও অন্যান্য ‘আবদুল ওয়াহিদ ইবনু যিয়াদ ও উমারাহ্‌ ইবনু ক্বা’ক্বা’ - এর মাধ্যমে আবূ যুর’আহ্‌ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে। আবূ যুর’আহ্‌ বলেছেন, আমি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) - কে বলতে শুনেছিঃ সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বিতীয় রাক’আত শেষে উঠে দাঁড়িয়ে “আল হাম্‌দুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন” বলে শুরু করতেন। চুপ থাকতেন না (অর্থাৎ- দ্বিতীয় রা’আত থেকে উঠা এবং সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠের মাঝখানে কোন বিরতি থাকত না)। (ই.ফা.১২৩১, ই.সে.১২৪৪)

قال مسلم وحدثت عن يحيى بن حسان، ويونس المؤدب، و غيرهما قالوا حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثني عمارة بن القعقاع، حدثنا أبو زرعة، قال سمعت أبا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نهض من الركعة الثانية استفتح القراءة بـ ‏{‏ الحمد لله رب العالمين‏}‏ ولم يسكت ‏.


সহিহ মুসলিম ১২৪২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا ابن فضيل، ح وحدثنا أبو كامل، حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - كلاهما عن عمارة بن القعقاع، بهذا الإسناد نحو حديث جرير

‘উমরাহ্‌ ইবনু ক্বা’ক্বা’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে জারীর কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৩১, ই.সে.১২৪৩)

‘উমরাহ্‌ ইবনু ক্বা’ক্বা’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে জারীর কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১২৩১, ই.সে.১২৪৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا ابن فضيل، ح وحدثنا أبو كامل، حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - كلاهما عن عمارة بن القعقاع، بهذا الإسناد نحو حديث جرير


সহিহ মুসলিম ১২৪৪

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا قتادة، وثابت، وحميد، عن أنس، أن رجلا، جاء فدخل الصف وقد حفزه النفس فقال الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه ‏.‏ فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاته قال ‏"‏ أيكم المتكلم بالكلمات ‏"‏ ‏.‏ فأرم القوم فقال ‏"‏ أيكم المتكلم بها فإنه لم يقل بأسا ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل جئت وقد حفزني النفس فقلتها ‏.‏ فقال ‏"‏ لقد رأيت اثنى عشر ملكا يبتدرونها أيهم يرفعها ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে সলাতের ক্বাতারে ঢুকে পড়ল। তখন সে হাঁপাতে ছিল। এ অবস্থায় সে বলে উঠল- “আল হাম্‌দুলিল্লা-হি হামদান্‌ কাসীরান ত্বইয়্যিবাম্‌ মুবা-রকান ফীহ” (অর্থাৎ- সব প্রশংসাই মহান আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। তাঁর অনেক অনেক প্রশংসা যা পবিত্র কল্যাণময়।) সলাত শেষ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কথাগুলো কে বলেছ? তখন সবাই চুপ করে রইল। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ ঐ কথাগুলো যে বলেছে সে তো কোন খারাপ কথা বলেনি। তখন জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলঃ আমি এসে যখন সলাতে শরীক হই তখন আমি হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। তাই আমি এ কথাগুলো বলেছি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি দেখলাম, বারোজন মালায়িকাহ্‌ ঐ কথাগুলোকে আগে উঠিয়ে নেয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করছে। (ই.ফা.১২৩২, ই.সে.১২৪৫)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে সলাতের ক্বাতারে ঢুকে পড়ল। তখন সে হাঁপাতে ছিল। এ অবস্থায় সে বলে উঠল- “আল হাম্‌দুলিল্লা-হি হামদান্‌ কাসীরান ত্বইয়্যিবাম্‌ মুবা-রকান ফীহ” (অর্থাৎ- সব প্রশংসাই মহান আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। তাঁর অনেক অনেক প্রশংসা যা পবিত্র কল্যাণময়।) সলাত শেষ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কথাগুলো কে বলেছ? তখন সবাই চুপ করে রইল। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ ঐ কথাগুলো যে বলেছে সে তো কোন খারাপ কথা বলেনি। তখন জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলঃ আমি এসে যখন সলাতে শরীক হই তখন আমি হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। তাই আমি এ কথাগুলো বলেছি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি দেখলাম, বারোজন মালায়িকাহ্‌ ঐ কথাগুলোকে আগে উঠিয়ে নেয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করছে। (ই.ফা.১২৩২, ই.সে.১২৪৫)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا قتادة، وثابت، وحميد، عن أنس، أن رجلا، جاء فدخل الصف وقد حفزه النفس فقال الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه ‏.‏ فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاته قال ‏"‏ أيكم المتكلم بالكلمات ‏"‏ ‏.‏ فأرم القوم فقال ‏"‏ أيكم المتكلم بها فإنه لم يقل بأسا ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل جئت وقد حفزني النفس فقلتها ‏.‏ فقال ‏"‏ لقد رأيت اثنى عشر ملكا يبتدرونها أيهم يرفعها ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00