সহিহ মুসলিম > জুতা পরিধান করে সলাত আদায় করা বৈধ

সহিহ মুসলিম ১১২৩

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا بشر بن المفضل، عن أبي مسلمة، سعيد بن يزيد قال قلت لأنس بن مالك أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في النعلين قال نعم ‏.

আবূ মাসলামাহ্ সা’ঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞাস করলামঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি জুতা পরে সলাত আদায় করতেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ১১১৬, ই.সে ১১২৫)

আবূ মাসলামাহ্ সা’ঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে জিজ্ঞাস করলামঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি জুতা পরে সলাত আদায় করতেন? জবাবে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ১১১৬, ই.সে ১১২৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا بشر بن المفضل، عن أبي مسلمة، سعيد بن يزيد قال قلت لأنس بن مالك أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في النعلين قال نعم ‏.


সহিহ মুসলিম ১১২৪

حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا عباد بن العوام، حدثنا سعيد بن يزيد أبو مسلمة، قال سألت أنسا ‏.‏ بمثله ‏.

আবূ মাসলামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) -কে অনুরূপ জিজ্ঞাস করলাম। (ই.ফা. ১১১৭, ই.সে ১১২৬)

আবূ মাসলামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) -কে অনুরূপ জিজ্ঞাস করলাম। (ই.ফা. ১১১৭, ই.সে ১১২৬)

حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا عباد بن العوام، حدثنا سعيد بن يزيد أبو مسلمة، قال سألت أنسا ‏.‏ بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম > নকশা বিশিষ্ট কাপড়ে সলাত আদায় করা মাকরূহ

সহিহ মুসলিম ১১২৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كانت له خميصة لها علم فكان يتشاغل بها في الصلاة فأعطاها أبا جهم وأخذ كساء له أنبجانيا ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর একখানা নক্‌শা করা চাদর ছিল। এ চাদর পরে সলাত আদায় করতে তাঁর মন সেদিকে আকৃষ্ট হত। সুতরাং তিনি উক্ত চাদর আবূ জাহ্‌মকে দিয়ে তাঁর সাদামাটা চাদরখানা নিলেন। (ই.ফা. ১১২০, ই.সে. ১১২৯)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর একখানা নক্‌শা করা চাদর ছিল। এ চাদর পরে সলাত আদায় করতে তাঁর মন সেদিকে আকৃষ্ট হত। সুতরাং তিনি উক্ত চাদর আবূ জাহ্‌মকে দিয়ে তাঁর সাদামাটা চাদরখানা নিলেন। (ই.ফা. ১১২০, ই.সে. ১১২৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كانت له خميصة لها علم فكان يتشاغل بها في الصلاة فأعطاها أبا جهم وأخذ كساء له أنبجانيا ‏.


সহিহ মুসলিম ১১২৬

حدثنا حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت قام رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في خميصة ذات أعلام فنظر إلى علمها فلما قضى صلاته قال ‏ "‏ اذهبوا بهذه الخميصة إلى أبي جهم بن حذيفة وائتوني بأنبجانيه فإنها ألهتني آنفا في صلاتي ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একখানা নকশা ও কারুকার্য করা চাদরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। সলাতের মধ্যে তিনি এর নকশার প্রতি দেখতে থাকেলন। (অর্থাৎ--কাপড়খানার নকশা ও কারুকার্য সলাতে তার একাগ্রতা নষ্ট করে দিলো।) তাই সলাত শেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ চাদরখানা নিয়ে আবূ জাহম ইবনু হুযায়ফাহ-এর কাছে যাও। আর আমাকে তার কম্বলখানা এনে দাও। কারণ এ চাদরখানা এখন সলাতের মধ্যে আমাকে অন্যমনস্ক করে ফেলছে। (ই.ফা. ১১১৯, ই.সে ১১২৮)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একখানা নকশা ও কারুকার্য করা চাদরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। সলাতের মধ্যে তিনি এর নকশার প্রতি দেখতে থাকেলন। (অর্থাৎ--কাপড়খানার নকশা ও কারুকার্য সলাতে তার একাগ্রতা নষ্ট করে দিলো।) তাই সলাত শেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ চাদরখানা নিয়ে আবূ জাহম ইবনু হুযায়ফাহ-এর কাছে যাও। আর আমাকে তার কম্বলখানা এনে দাও। কারণ এ চাদরখানা এখন সলাতের মধ্যে আমাকে অন্যমনস্ক করে ফেলছে। (ই.ফা. ১১১৯, ই.সে ১১২৮)

حدثنا حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت قام رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في خميصة ذات أعلام فنظر إلى علمها فلما قضى صلاته قال ‏ "‏ اذهبوا بهذه الخميصة إلى أبي جهم بن حذيفة وائتوني بأنبجانيه فإنها ألهتني آنفا في صلاتي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১২৫

حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، ح قال وحدثني أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ لزهير - قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى في خميصة لها أعلام وقال ‏ "‏ شغلتني أعلام هذه فاذهبوا بها إلى أبي جهم وائتوني بأنبجانيه ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একখানা নকশা অঙ্কিত কাপড়ের মধ্যে সলাত আদায় করলেন এবং (সলাত শেষে) বললেন, এ কাপড়ের নকশা ও কারুকার্য আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে নিয়েছে। এটা নিয়ে আবূ জাহম-এর কাছে যাও এবং তার সাদামাটা মোটা চাদরখানা আমাকে এনে দাও। (ই.ফা. ১১১৮, ই.সে ১১২৭)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একখানা নকশা অঙ্কিত কাপড়ের মধ্যে সলাত আদায় করলেন এবং (সলাত শেষে) বললেন, এ কাপড়ের নকশা ও কারুকার্য আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে নিয়েছে। এটা নিয়ে আবূ জাহম-এর কাছে যাও এবং তার সাদামাটা মোটা চাদরখানা আমাকে এনে দাও। (ই.ফা. ১১১৮, ই.সে ১১২৭)

حدثني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، ح قال وحدثني أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ لزهير - قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى في خميصة لها أعلام وقال ‏ "‏ شغلتني أعلام هذه فاذهبوا بها إلى أبي جهم وائتوني بأنبجانيه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাবার সামনে আসলে এবং তৎক্ষণাৎ খাবার ইচ্ছা থাকলে তা না খেয়ে ও পেশাব-পায়খানার বেগ চেপে রেখে সলাত আদায় করা মাকরূহ

সহিহ মুসলিম ১১৩৩

حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - هو ابن إسماعيل - عن يعقوب بن مجاهد، عن ابن أبي عتيق، قال تحدثت أنا والقاسم، عند عائشة - رضى الله عنها - حديثا وكان القاسم رجلا لحانة وكان لأم ولد فقالت له عائشة ما لك لا تحدث كما يتحدث ابن أخي هذا أما إني قد علمت من أين أتيت ‏.‏ هذا أدبته أمه وأنت أدبتك أمك - قال - فغضب القاسم وأضب عليها فلما رأى مائدة عائشة قد أتي بها قام ‏.‏ قالت أين قال أصلي ‏.‏ قالت اجلس ‏.‏ قال إني أصلي ‏.‏ قالت اجلس غدر إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا صلاة بحضرة الطعام ولا وهو يدافعه الأخبثان ‏"‏ ‏.

ইবনু আবূ 'আতীক্ব ('আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুর রহ্‌মান ইবনু আবূ বকর) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) আমি এবং ক্বাসিম (ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর) 'আয়িশাহ্ (রাঃ) -এর কাছে একটি হাদীস বর্ণনা করলাম। তবে ক্বাসিম বর্ণনায় অধিক ভুল-ত্রুটি করতেন। তিনি ছিলেন উম্মু ওয়ালাদ বা দাসীর পুত্র। 'আয়িশাহ্ (রাঃ) তাকে বললেনঃ কি ব্যাপার ! আমার এ ভাতিজা 'আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুর রহ্‌মান ইবনু আবূ বকর যেভাবে বর্ণনা করছে সেভাবে বর্ণনা করছ না কেন? তবে আমি জানি এরূপ কি করে হয়েছে। 'আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদকে শিক্ষা দিয়েছে, তার মা (যিনি স্বাধীনা) আর তোমাকে তোমার মা (যিনি ক্রীতদাসী ছিলেন) শিক্ষা দিয়েছে। একথা শুনে ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ রাগান্বিত হয়ে উঠলেন এবং 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) -এর প্রতি তীব্র ঘৃণা বিদ্বেষ প্রকাশ করলেন। এরপর আয়িশাহ্‌ (রাঃ) -এর খাবার (দস্তরখানা) আসা (প্রস্তুতি) দেখে উঠে দাঁড়ালেন। 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ কোথা যাচ্ছ? তিনি (ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ) বললেন, আমি সলাত আদায় করব। আয়িশাহ্‌ (রাঃ) বললেনঃ বসো, অকৃতজ্ঞ কোথাকার। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি খাবার হাজির হলে কোন সলাত আদায় চলবে না। কিংবা পায়খানা-পেশাবের বেগ নিয়ে সলাত আদায় চলবে না। (ই.ফা. ১১২৬, ই.সে. ১১৩৫)

ইবনু আবূ 'আতীক্ব ('আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুর রহ্‌মান ইবনু আবূ বকর) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) আমি এবং ক্বাসিম (ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর) 'আয়িশাহ্ (রাঃ) -এর কাছে একটি হাদীস বর্ণনা করলাম। তবে ক্বাসিম বর্ণনায় অধিক ভুল-ত্রুটি করতেন। তিনি ছিলেন উম্মু ওয়ালাদ বা দাসীর পুত্র। 'আয়িশাহ্ (রাঃ) তাকে বললেনঃ কি ব্যাপার ! আমার এ ভাতিজা 'আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুর রহ্‌মান ইবনু আবূ বকর যেভাবে বর্ণনা করছে সেভাবে বর্ণনা করছ না কেন? তবে আমি জানি এরূপ কি করে হয়েছে। 'আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদকে শিক্ষা দিয়েছে, তার মা (যিনি স্বাধীনা) আর তোমাকে তোমার মা (যিনি ক্রীতদাসী ছিলেন) শিক্ষা দিয়েছে। একথা শুনে ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ রাগান্বিত হয়ে উঠলেন এবং 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) -এর প্রতি তীব্র ঘৃণা বিদ্বেষ প্রকাশ করলেন। এরপর আয়িশাহ্‌ (রাঃ) -এর খাবার (দস্তরখানা) আসা (প্রস্তুতি) দেখে উঠে দাঁড়ালেন। 'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ কোথা যাচ্ছ? তিনি (ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ) বললেন, আমি সলাত আদায় করব। আয়িশাহ্‌ (রাঃ) বললেনঃ বসো, অকৃতজ্ঞ কোথাকার। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি খাবার হাজির হলে কোন সলাত আদায় চলবে না। কিংবা পায়খানা-পেশাবের বেগ নিয়ে সলাত আদায় চলবে না। (ই.ফা. ১১২৬, ই.সে. ১১৩৫)

حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - هو ابن إسماعيل - عن يعقوب بن مجاهد، عن ابن أبي عتيق، قال تحدثت أنا والقاسم، عند عائشة - رضى الله عنها - حديثا وكان القاسم رجلا لحانة وكان لأم ولد فقالت له عائشة ما لك لا تحدث كما يتحدث ابن أخي هذا أما إني قد علمت من أين أتيت ‏.‏ هذا أدبته أمه وأنت أدبتك أمك - قال - فغضب القاسم وأضب عليها فلما رأى مائدة عائشة قد أتي بها قام ‏.‏ قالت أين قال أصلي ‏.‏ قالت اجلس ‏.‏ قال إني أصلي ‏.‏ قالت اجلس غدر إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا صلاة بحضرة الطعام ولا وهو يدافعه الأخبثان ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩২

وحدثنا محمد بن إسحاق المسيبي، حدثني أنس، - يعني ابن عياض - عن موسى بن عقبة، ح وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن جريج، ح قال وحدثنا الصلت بن مسعود، حدثنا سفيان بن موسى، عن أيوب، كلهم عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১২৫, ই.সে. ১১৩৪)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১২৫, ই.সে. ১১৩৪)

وحدثنا محمد بن إسحاق المسيبي، حدثني أنس، - يعني ابن عياض - عن موسى بن عقبة، ح وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن جريج، ح قال وحدثنا الصلت بن مسعود، حدثنا سفيان بن موسى، عن أيوب، كلهم عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১১২৯

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن ابن شهاب، قال حدثني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قرب العشاء وحضرت الصلاة فابدءوا به قبل أن تصلوا صلاة المغرب ولا تعجلوا عن عشائكم ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাবার যদি সামনে হাজির করা হয় আর মাগরিবের সলাতের সময় হয়ে গেলেও সলাত আদায়ের পূর্বেই খাবার খেয়ে নিবে। খাবার রেখে সলাতের জন্য ব্যস্ত হয়ো না। (ই.ফা. ১১২২, ই.সে. ১১৩১)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাবার যদি সামনে হাজির করা হয় আর মাগরিবের সলাতের সময় হয়ে গেলেও সলাত আদায়ের পূর্বেই খাবার খেয়ে নিবে। খাবার রেখে সলাতের জন্য ব্যস্ত হয়ো না। (ই.ফা. ১১২২, ই.সে. ১১৩১)

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن ابن شهاب، قال حدثني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قرب العشاء وحضرت الصلاة فابدءوا به قبل أن تصلوا صلاة المغرب ولا تعجلوا عن عشائكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ১১২৮

أخبرني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، وأبو بكر بن أبي شيبة قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا حضر العشاء وأقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের খাবার উপস্থিত থাকবে, এমন অবস্থায় যদি সলাতের ইক্বামাতও দেয়া হয় তাহলে প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে। (ই.ফা. ১১২১, ই.সে. ১১৩০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের খাবার উপস্থিত থাকবে, এমন অবস্থায় যদি সলাতের ইক্বামাতও দেয়া হয় তাহলে প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে। (ই.ফা. ১১২১, ই.সে. ১১৩০)

أخبرني عمرو الناقد، وزهير بن حرب، وأبو بكر بن أبي شيبة قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا حضر العشاء وأقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩১

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا أبو أسامة، قالا حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا وضع عشاء أحدكم وأقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء ولا يعجلن حتى يفرغ منه ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার এসে গিয়েছে সলাতের ইক্বামাত হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থা হলে সে খাবার দিয়েই শুরু করবে। (অর্থাৎ- প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে) আবার খাবার খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সলাতের জন্য ব্যস্ত হবে না। (ই.ফা. ১১২৪, ই.সে. ১১৩৩)

‘আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার এসে গিয়েছে সলাতের ইক্বামাত হয়ে গিয়েছে। এমন অবস্থা হলে সে খাবার দিয়েই শুরু করবে। (অর্থাৎ- প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে) আবার খাবার খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সলাতের জন্য ব্যস্ত হবে না। (ই.ফা. ১১২৪, ই.সে. ১১৩৩)

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا أبو أسامة، قالا حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا وضع عشاء أحدكم وأقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء ولا يعجلن حتى يفرغ منه ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن نمير، وحفص، ووكيع، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث ابن عيينة عن الزهري عن أنس ‏.

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আনাস (রাঃ) বর্ণিত আনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১২৩, ই.সে. ১১৩২)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আনাস (রাঃ) বর্ণিত আনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১২৩, ই.সে. ১১৩২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن نمير، وحفص، ووكيع، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث ابن عيينة عن الزهري عن أنس ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩৪

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - أخبرني أبو حزرة القاص، عن عبد الله بن أبي عتيق، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ولم يذكر في الحديث قصة القاسم ‏.

'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ সম্পর্কিত ঘটনাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১১২৭, ই.সে. ১১৩৬)

'আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি ক্বাসিম ইবনু মুহাম্মাদ সম্পর্কিত ঘটনাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১১২৭, ই.সে. ১১৩৬)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - أخبرني أبو حزرة القاص، عن عبد الله بن أبي عتيق، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ولم يذكر في الحديث قصة القاسم ‏.


সহিহ মুসলিম > রসুন, পিঁয়াজ, মুলা অথবা এ জাতীয় (দুর্গন্ধযুক্ত) দ্রব্য আহার করে (মাসজিদে প্রবেশ) নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ১১৪০

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني عطاء بن أبي رباح، أن جابر بن عبد الله، قال - وفي رواية حرملة وزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من أكل ثوما أو بصلا فليعتزلنا أو ليعتزل مسجدنا وليقعد في بيته ‏"‏ ‏.‏ وأنه أتي بقدر فيه خضرات من بقول فوجد لها ريحا فسأل فأخبر بما فيها من البقول فقال ‏"‏ قربوها ‏"‏ ‏.‏ إلى بعض أصحابه فلما رآه كره أكلها قال ‏"‏ كل فإني أناجي من لا تناجي ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবুত্‌ ত্বহির-এর বর্ণনায় (আরবি) এবং হারমালাহ্‌-এর বর্ণনায় (আরবি) উল্লেখিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন ও পিঁয়াজ খায় তার উচিত আমাদের থেকে দূরে থাকা অথবা আমাদের মসজিদ থেকে সরে থাকা কিংবা বাড়ীতে বসে থাকা। কোন এক সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে শাক-সব্জি ভর্তি একটি ডেকচি আনা হলে তিনি তাতে খাবার গন্ধ দেখে তাতে কি আছে জানার জন্য জিজ্ঞেস করলেন। তাতে কি ধরনের সব্জি আছে তাকে তা জানানো হলে তিনি তখন তার কোন তার সহাবীর কাছে তা নিয়ে যেতে বললেন। এ কথা জেনে সহাবীও তা খাওয়া পছন্দ করলেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি খেতে পার। কারণ আমি যার (মালায়িকাহ্‌) সাথে কথা বলি তোমাকে তো তার সাথে কথা বলতে হয় না। (ই.ফা. ১১৩৩, ই.সে. ১১৪২)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবুত্‌ ত্বহির-এর বর্ণনায় (আরবি) এবং হারমালাহ্‌-এর বর্ণনায় (আরবি) উল্লেখিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন ও পিঁয়াজ খায় তার উচিত আমাদের থেকে দূরে থাকা অথবা আমাদের মসজিদ থেকে সরে থাকা কিংবা বাড়ীতে বসে থাকা। কোন এক সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে শাক-সব্জি ভর্তি একটি ডেকচি আনা হলে তিনি তাতে খাবার গন্ধ দেখে তাতে কি আছে জানার জন্য জিজ্ঞেস করলেন। তাতে কি ধরনের সব্জি আছে তাকে তা জানানো হলে তিনি তখন তার কোন তার সহাবীর কাছে তা নিয়ে যেতে বললেন। এ কথা জেনে সহাবীও তা খাওয়া পছন্দ করলেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি খেতে পার। কারণ আমি যার (মালায়িকাহ্‌) সাথে কথা বলি তোমাকে তো তার সাথে কথা বলতে হয় না। (ই.ফা. ১১৩৩, ই.সে. ১১৪২)

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني عطاء بن أبي رباح، أن جابر بن عبد الله، قال - وفي رواية حرملة وزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من أكل ثوما أو بصلا فليعتزلنا أو ليعتزل مسجدنا وليقعد في بيته ‏"‏ ‏.‏ وأنه أتي بقدر فيه خضرات من بقول فوجد لها ريحا فسأل فأخبر بما فيها من البقول فقال ‏"‏ قربوها ‏"‏ ‏.‏ إلى بعض أصحابه فلما رآه كره أكلها قال ‏"‏ كل فإني أناجي من لا تناجي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩৭

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - قال سئل أنس عن الثوم، فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة فلا يقربنا ولا يصلي معنا ‏"‏ ‏.

‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুন খাওয়া সম্পর্কে আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) -কে কিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে বা যারা এসব সব্জি (দুর্গন্ধ জাতীয় গাছ) খায় সে বা তারা যেন আমাদের কাছে না আসে [১] এবং আমাদের সাথে সলাত আদায় না করে। (ই.ফা. ১১৩০, ই.সে. ১১৩৯)

‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসুন খাওয়া সম্পর্কে আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) -কে কিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে বা যারা এসব সব্জি (দুর্গন্ধ জাতীয় গাছ) খায় সে বা তারা যেন আমাদের কাছে না আসে [১] এবং আমাদের সাথে সলাত আদায় না করে। (ই.ফা. ১১৩০, ই.সে. ১১৩৯)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - قال سئل أنس عن الثوم، فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة فلا يقربنا ولا يصلي معنا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩৫

حدثنا محمد بن المثنى، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في غزوة خيبر ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة - يعني الثوم - فلا يأتين المساجد ‏"‏ ‏.‏ قال زهير في غزوة ‏.‏ ولم يذكر خيبر ‏.

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার যুদ্ধের সময় বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছের কোন একটি খায় অর্থাৎ- রসুন বা অনুরূপ স্বাদ ও গন্ধের কোন কিছু খায় [১] সে যেন মাসজিদে না আসে। যুহায়রতার বর্ণনাতে "কোন একটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ" করেছেন। তিনি খায়বার যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১১২৮, ই.সে. ১১৩৭)

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার যুদ্ধের সময় বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছের কোন একটি খায় অর্থাৎ- রসুন বা অনুরূপ স্বাদ ও গন্ধের কোন কিছু খায় [১] সে যেন মাসজিদে না আসে। যুহায়রতার বর্ণনাতে "কোন একটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ" করেছেন। তিনি খায়বার যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১১২৮, ই.সে. ১১৩৭)

حدثنا محمد بن المثنى، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في غزوة خيبر ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة - يعني الثوم - فلا يأتين المساجد ‏"‏ ‏.‏ قال زهير في غزوة ‏.‏ ولم يذكر خيبر ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، عن هشام الدستوائي، عن أبي الزبير، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل البصل والكراث ‏.‏ فغلبتنا الحاجة فأكلنا منها فقال ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة المنتنة فلا يقربن مسجدنا فإن الملائكة تأذى مما يتأذى منه الإنس ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিঁয়াজ ও গোরসুন [১] খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু কোন এক সময় প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে তা খেলে তিনি বললেনঃ কেউ এসব দুর্গন্ধযুক্ত গাছ (উদ্ভিদ) খেলে সে যেন আমার মাসজিদের নিকটে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায় মালাকগণও (ফেরেশ্‌তামণ্ডলী) সেসব জিনিসে কষ্ট পায়। (ই.ফা. ১১৩২, ই.সে. ১১৪১)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিঁয়াজ ও গোরসুন [১] খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু কোন এক সময় প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে তা খেলে তিনি বললেনঃ কেউ এসব দুর্গন্ধযুক্ত গাছ (উদ্ভিদ) খেলে সে যেন আমার মাসজিদের নিকটে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায় মালাকগণও (ফেরেশ্‌তামণ্ডলী) সেসব জিনিসে কষ্ট পায়। (ই.ফা. ১১৩২, ই.সে. ১১৪১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، عن هشام الدستوائي، عن أبي الزبير، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل البصل والكراث ‏.‏ فغلبتنا الحاجة فأكلنا منها فقال ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة المنتنة فلا يقربن مسجدنا فإن الملائكة تأذى مما يتأذى منه الإنس ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن نمير، ح قال وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي قال، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أكل من هذه البقلة فلا يقربن مساجدنا حتى يذهب ريحها ‏"‏ ‏.‏ يعني الثوم ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ এসব সব্জি অর্থাৎ- রসুন ইত্যাদি খেলে (মুখ থেকে) তার গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন আমার মাসজিদের কাছে না আসে। (ই.ফা. ১১২৯, ই.সে. ১১৩৮)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ এসব সব্জি অর্থাৎ- রসুন ইত্যাদি খেলে (মুখ থেকে) তার গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন আমার মাসজিদের কাছে না আসে। (ই.ফা. ১১২৯, ই.সে. ১১৩৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن نمير، ح قال وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي قال، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أكل من هذه البقلة فلا يقربن مساجدنا حتى يذهب ريحها ‏"‏ ‏.‏ يعني الثوم ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৩৮

وحدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة فلا يقربن مسجدنا ولا يؤذينا بريح الثوم ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছ অর্থাৎ- উদ্ভিদ খাবে সে যেন আমার মাসজিদের নিকটেও না আসে এবং রসুনের গন্ধ দ্বারা আমাদেরকে কষ্ট না দেয়। (ই.ফা. ১১৩১, ই.সে. ১১৪০)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছ অর্থাৎ- উদ্ভিদ খাবে সে যেন আমার মাসজিদের নিকটেও না আসে এবং রসুনের গন্ধ দ্বারা আমাদেরকে কষ্ট না দেয়। (ই.ফা. ১১৩১, ই.সে. ১১৪০)

وحدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة فلا يقربن مسجدنا ولا يؤذينا بريح الثوم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৪১

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أكل من هذه البقلة الثوم - وقال مرة من أكل البصل والثوم والكراث - فلا يقربن مسجدنا فإن الملائكة تتأذى مما يتأذى منه بنو آدم ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবুদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে এ রসুন জাতীয় উদ্ভিদ খাবে- কোন কোন সময় আবার তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পিঁয়াজ, রসুন বা মুলা খাবে সে যেন আমার মাসজিদের কাছেও না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায় মালাকগণও সেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায়। (ই.ফা. ১১৩৪, ই.সে. ১১৪৩)

জাবির ইবনু ‘আবুদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে এ রসুন জাতীয় উদ্ভিদ খাবে- কোন কোন সময় আবার তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পিঁয়াজ, রসুন বা মুলা খাবে সে যেন আমার মাসজিদের কাছেও না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায় মালাকগণও সেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায়। (ই.ফা. ১১৩৪, ই.সে. ১১৪৩)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أكل من هذه البقلة الثوم - وقال مرة من أكل البصل والثوم والكراث - فلا يقربن مسجدنا فإن الملائكة تتأذى مما يتأذى منه بنو آدم ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৪২

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، قالا جميعا أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة - يريد الثوم - فلا يغشنا في مسجدنا ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر البصل والكراث ‏.

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব সব্জি জাতীয় গাছ অর্থাৎ -রসুন খাবে সে যেন আমার মাসজিদে- আমাদের কাছে না আসে। তবে তিনি (ইবনু জুরায়জ) বর্ণিত হাদিসে পিঁয়াজ ও গো-রসুনের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১১৩৫, ই.সে. ১১৪৪)

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব সব্জি জাতীয় গাছ অর্থাৎ -রসুন খাবে সে যেন আমার মাসজিদে- আমাদের কাছে না আসে। তবে তিনি (ইবনু জুরায়জ) বর্ণিত হাদিসে পিঁয়াজ ও গো-রসুনের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১১৩৫, ই.সে. ১১৪৪)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، قالا جميعا أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد ‏ "‏ من أكل من هذه الشجرة - يريد الثوم - فلا يغشنا في مسجدنا ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر البصل والكراث ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৪৩

وحدثني عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال لم نعد أن فتحت، خيبر فوقعنا أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في تلك البقلة الثوم والناس جياع فأكلنا منها أكلا شديدا ثم رحنا إلى المسجد فوجد رسول الله صلى الله عليه وسلم الريح فقال ‏"‏ من أكل من هذه الشجرة الخبيثة شيئا فلا يقربنا في المسجد ‏"‏ ‏.‏ فقال الناس حرمت حرمت ‏.‏ فبلغ ذاك النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أيها الناس إنه ليس بي تحريم ما أحل الله لي ولكنها شجرة أكره ريحها ‏"‏ ‏.

আবু সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খায়বার বিজিত হল। আমরা এখনো ফিরে আসিনি। ইতোমধ্যে আমরা, অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণ ঐ সব্জি অর্থাৎ- রসুনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। কারণ লোকজন সবাই ছিল ক্ষুধার্ত। এরপর আমরা মাসজিদে গেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রসুনের গন্ধ পেয়ে বললেনঃ যে ব্যক্তি এ কদর্য গাছ তথা সব্জি খাবে সে যেন মাসজিদে আমাদের নিকটেও না আসে। এ কথা শুনে সবাই বলতে শুরু করল রসুন হারাম হয়ে গিয়েছে। রসুন হারাম হয়ে গিয়েছে। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ খবর পৌঁছলে তিনি লোকজনকে সাক্ষ্য করে বললেনঃ হে লোক সকল! আমার জন্য আল্লাহ তা’আলা যা হালাল করে দিয়েছেন তা হারাম করার ক্ষমতা আমার নেই। তবে রসুন এমন একটি সব্জি (গাছ) যার গন্ধ আমি অপছন্দ করি। (ই.ফা. ১১৩৬, ই.সে. ১১৪৫)

আবু সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খায়বার বিজিত হল। আমরা এখনো ফিরে আসিনি। ইতোমধ্যে আমরা, অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণ ঐ সব্জি অর্থাৎ- রসুনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। কারণ লোকজন সবাই ছিল ক্ষুধার্ত। এরপর আমরা মাসজিদে গেলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রসুনের গন্ধ পেয়ে বললেনঃ যে ব্যক্তি এ কদর্য গাছ তথা সব্জি খাবে সে যেন মাসজিদে আমাদের নিকটেও না আসে। এ কথা শুনে সবাই বলতে শুরু করল রসুন হারাম হয়ে গিয়েছে। রসুন হারাম হয়ে গিয়েছে। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ খবর পৌঁছলে তিনি লোকজনকে সাক্ষ্য করে বললেনঃ হে লোক সকল! আমার জন্য আল্লাহ তা’আলা যা হালাল করে দিয়েছেন তা হারাম করার ক্ষমতা আমার নেই। তবে রসুন এমন একটি সব্জি (গাছ) যার গন্ধ আমি অপছন্দ করি। (ই.ফা. ১১৩৬, ই.সে. ১১৪৫)

وحدثني عمرو الناقد، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال لم نعد أن فتحت، خيبر فوقعنا أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في تلك البقلة الثوم والناس جياع فأكلنا منها أكلا شديدا ثم رحنا إلى المسجد فوجد رسول الله صلى الله عليه وسلم الريح فقال ‏"‏ من أكل من هذه الشجرة الخبيثة شيئا فلا يقربنا في المسجد ‏"‏ ‏.‏ فقال الناس حرمت حرمت ‏.‏ فبلغ ذاك النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أيها الناس إنه ليس بي تحريم ما أحل الله لي ولكنها شجرة أكره ريحها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৪৪

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، عن ابن خباب، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر على زراعة بصل هو وأصحابه فنزل ناس منهم فأكلوا منه ولم يأكل آخرون فرحنا إليه فدعا الذين لم يأكلوا البصل وأخر الآخرين حتى ذهب ريحها ‏.

আবু সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি পিঁয়াজের ক্ষেতে গেলেন। সাথে তাঁর সাহাবীগণও ছিলেন। কিছু সংখ্যক সহাবী ঐ ক্ষেতের পিঁয়াজ খেলেন এবং অবশিষ্ট সাহাবী খেলেন না। এরপর আমরা সবাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গেলাম। কিন্তু যারা পিঁয়াজ খাননি তিনি তাদেরকে প্রথমে কাছে ডেকে নিলেন। আর অন্যদেরকে যারা পিঁয়াজ খেয়েছিল পিঁয়াজের গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত কাছে ডাকলেন না। (ই.ফা. ১১৩৭, ই.সে. ১১৪৬)

আবু সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি পিঁয়াজের ক্ষেতে গেলেন। সাথে তাঁর সাহাবীগণও ছিলেন। কিছু সংখ্যক সহাবী ঐ ক্ষেতের পিঁয়াজ খেলেন এবং অবশিষ্ট সাহাবী খেলেন না। এরপর আমরা সবাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে গেলাম। কিন্তু যারা পিঁয়াজ খাননি তিনি তাদেরকে প্রথমে কাছে ডেকে নিলেন। আর অন্যদেরকে যারা পিঁয়াজ খেয়েছিল পিঁয়াজের গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত কাছে ডাকলেন না। (ই.ফা. ১১৩৭, ই.সে. ১১৪৬)

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، عن ابن خباب، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر على زراعة بصل هو وأصحابه فنزل ناس منهم فأكلوا منه ولم يأكل آخرون فرحنا إليه فدعا الذين لم يأكلوا البصل وأخر الآخرين حتى ذهب ريحها ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৪৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن سعيد بن أبي عروبة، ح قال وحدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن شبابة بن سوار، قال حدثنا شعبة، جميعا عن قتادة، في هذا الإسناد مثله ‏.

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(পূর্ব-বর্ণিত হাদীসের) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৩৯, ই.সে. ১১৪৮)

ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(পূর্ব-বর্ণিত হাদীসের) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১৩৯, ই.সে. ১১৪৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن سعيد بن أبي عروبة، ح قال وحدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن شبابة بن سوار، قال حدثنا شعبة، جميعا عن قتادة، في هذا الإسناد مثله ‏.


সহিহ মুসলিম ১১৪৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، أن عمر بن الخطاب، خطب يوم الجمعة فذكر نبي الله صلى الله عليه وسلم وذكر أبا بكر قال إني رأيت كأن ديكا نقرني ثلاث نقرات وإني لا أراه إلا حضور أجلي وإن أقواما يأمرونني أن أستخلف وإن الله لم يكن ليضيع دينه ولا خلافته ولا الذي بعث به نبيه صلى الله عليه وسلم فإن عجل بي أمر فالخلافة شورى بين هؤلاء الستة الذين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عنهم راض وإني قد علمت أن أقواما يطعنون في هذا الأمر أنا ضربتهم بيدي هذه على الإسلام فإن فعلوا ذلك فأولئك أعداء الله الكفرة الضلال ثم إني لا أدع بعدي شيئا أهم عندي من الكلالة ما راجعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في شىء ما راجعته في الكلالة وما أغلظ لي في شىء ما أغلظ لي فيه حتى طعن بإصبعه في صدري فقال ‏ "‏ يا عمر ألا تكفيك آية الصيف التي في آخر سورة النساء ‏"‏ ‏.‏ وإني إن أعش أقض فيها بقضية يقضي بها من يقرأ القرآن ومن لا يقرأ القرآن ثم قال اللهم إني أشهدك على أمراء الأمصار وإني إنما بعثتهم عليهم ليعدلوا عليهم وليعلموا الناس دينهم وسنة نبيهم صلى الله عليه وسلم ويقسموا فيهم فيئهم ويرفعوا إلى ما أشكل عليهم من أمرهم ثم إنكم أيها الناس تأكلون شجرتين لا أراهما إلا خبيثتين هذا البصل والثوم لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا وجد ريحهما من الرجل في المسجد أمر به فأخرج إلى البقيع فمن أكلهما فليمتهما طبخا ‏

মা’দান ইবনু আবু ত্বলহাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) কোন এক জুমু’আর দিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব খুতবাহ্ প্রদান করলেন। সে বক্তৃতায় তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবু বকরের কথা উল্লেখ করে বললেনঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন একটি মোরগ আমাকে তিনটি ঠোকর দিল। আমি মনে করি এ স্বপ্নের অর্থ আমার মৃত্যু নিকটবর্তী হওয়া ছাড়া অন্য কিছু নয়। কিছু সংখ্যক লোক বলছে আমি যেন পরবর্তী খালীফাহ মনোনীত করে যাই (কিন্তু আমি যদি পরবর্তী খালীফাহ্ মনোনীত না করেও যাই তাহলেও কোন ক্ষতি নেই)। কেননা, (আমি বিশ্বাস করি) মহান আল্লাহ এ দ্বীনকে এবং তাঁর খিলাফাত ব্যবস্থাকে বরবাদ করবেন না। কিংবা যা দিয়ে তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে পাঠিয়েছেন তাও ব্যর্থ করে দিবেন না। খুব শীঘ্রই যদি আমার মৃত্যু হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইন্তিকালের সময় পর্যন্ত যাদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন তাদের এ ছয়জনের [১] মধ্য থেকে পরামর্শের ভিত্তিতে খিলাফাতের ব্যাপারে ফায়সালা হবে। আমি জানি কিছু সংখ্যক লোক এ ব্যাপারে ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে। আমি তাদের এ জন্য আমার নিজ হাতে শাস্তি দিয়েছি এরপরে আবারও যদি তারা অনুরূপ কাজ করে (এ ব্যাপারে ইসলামের বদনাম করে) তাহলে তারা আল্লাহর শত্রু, কাফির ও গোমরাহ। এছাড়া আরো একটি বিষয় আছে আমার পরে আমার দৃষ্টিতে কালালাহ বা উত্তরাধিকারীবিহীন লোকের পরিত্যক্ত সম্পদের বিষয় ছাড়া সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আর কোন বিষয়ই রেখে যাচ্ছি না। (জেনে রেখো!) কালালাহ বা উত্তরাধিকারীবিহীন লোকের পরিত্যক্ত সম্পদ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যত বেশি জিজ্ঞেস করেছি অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে এত জিজ্ঞেস করিনি আর তিনিও এ বিষয়ে আমাকে যত কঠোরভাবে বলেছেন আর কোন বিষয়েই তত কঠোরভাবে বলেননি। এমনকি তিনি আমার বুকের উপর তাঁর আঙ্গুল ঠেসে ধরে বলেছেনঃ হে ‘উমার ! সূরাহ্ আন্ নিসার শেষের যে আয়াতটি গ্রীষ্মকালে অবতীর্ণ হয়েছিল (এ ব্যাপারে) সে আয়াতটি কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি যদি আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতাম তাহলে এ বিষয়ে (কালালাহ) এমন একটি ফায়সালা করতাম যা প্রত্যেকের মনের মত হত। চাই সে কুরআন মাজীদ পড়ে থাকুক বা না পড়ে থাকুক। তিনি [উমার (রাঃ) ] বললেনঃ হে আল্লাহ ! আমি তোমাকে বিভিন্ন জনপদের ‘উমারাদের (শাসনকর্তা) ব্যাপারে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাদের উদ্দেশ্য ঐসব এলাকার লোকদের শাসনকর্তা করে পাঠিয়েছি যে তারা তাদের প্রতি ন্যায় বিচার করবে, লোকদের দ্বীন সম্পর্কে শিক্ষাদান করবে, নাবীর সুন্নত সম্পর্কে অবহিত করবে এবং “ফাই” বা যুদ্ধের ময়দানে বিনাযুদ্ধে লব্ধ সম্পদ (সঠিকভাবে) বণ্টন করে দিবে। আর তাদের কোন ব্যাপার কঠিন বা সমস্যাপূর্ণ হলে তা আমার কাছে জেনে নিবে। হে লোকজন! আরেকটি কথা হল, তোমরা দু’টি (সব্জি জাতীয়) গাছ খেয়ে থাকো; অর্থাৎ পিঁয়াজ ও রসুন। আমি এ দু’টি জিনিসকে অরুচিকর বলে মনে করি। আমি দেখেছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের কোন লোকের মুখ থেকে ঐ দু’টি জিনিসের গন্ধ পেলে তাকে বের করে দিতে আদেশ করতেন। আর তাদেরকে বাক্বী’র দিকে বের করে দেয়া হত। তবে কেউ এ দু’টি জিনিস (পিঁয়াজ ও রসুন) খেতে চাইলে যেন রান্না করে গন্ধ দূর করে নেয়। (ই.ফা. ১১৩৮, ই.সে. ১১৪৭)

মা’দান ইবনু আবু ত্বলহাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) কোন এক জুমু’আর দিন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব খুতবাহ্ প্রদান করলেন। সে বক্তৃতায় তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবু বকরের কথা উল্লেখ করে বললেনঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন একটি মোরগ আমাকে তিনটি ঠোকর দিল। আমি মনে করি এ স্বপ্নের অর্থ আমার মৃত্যু নিকটবর্তী হওয়া ছাড়া অন্য কিছু নয়। কিছু সংখ্যক লোক বলছে আমি যেন পরবর্তী খালীফাহ মনোনীত করে যাই (কিন্তু আমি যদি পরবর্তী খালীফাহ্ মনোনীত না করেও যাই তাহলেও কোন ক্ষতি নেই)। কেননা, (আমি বিশ্বাস করি) মহান আল্লাহ এ দ্বীনকে এবং তাঁর খিলাফাত ব্যবস্থাকে বরবাদ করবেন না। কিংবা যা দিয়ে তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে পাঠিয়েছেন তাও ব্যর্থ করে দিবেন না। খুব শীঘ্রই যদি আমার মৃত্যু হয় তাহলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইন্তিকালের সময় পর্যন্ত যাদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন তাদের এ ছয়জনের [১] মধ্য থেকে পরামর্শের ভিত্তিতে খিলাফাতের ব্যাপারে ফায়সালা হবে। আমি জানি কিছু সংখ্যক লোক এ ব্যাপারে ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে। আমি তাদের এ জন্য আমার নিজ হাতে শাস্তি দিয়েছি এরপরে আবারও যদি তারা অনুরূপ কাজ করে (এ ব্যাপারে ইসলামের বদনাম করে) তাহলে তারা আল্লাহর শত্রু, কাফির ও গোমরাহ। এছাড়া আরো একটি বিষয় আছে আমার পরে আমার দৃষ্টিতে কালালাহ বা উত্তরাধিকারীবিহীন লোকের পরিত্যক্ত সম্পদের বিষয় ছাড়া সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আর কোন বিষয়ই রেখে যাচ্ছি না। (জেনে রেখো!) কালালাহ বা উত্তরাধিকারীবিহীন লোকের পরিত্যক্ত সম্পদ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যত বেশি জিজ্ঞেস করেছি অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে এত জিজ্ঞেস করিনি আর তিনিও এ বিষয়ে আমাকে যত কঠোরভাবে বলেছেন আর কোন বিষয়েই তত কঠোরভাবে বলেননি। এমনকি তিনি আমার বুকের উপর তাঁর আঙ্গুল ঠেসে ধরে বলেছেনঃ হে ‘উমার ! সূরাহ্ আন্ নিসার শেষের যে আয়াতটি গ্রীষ্মকালে অবতীর্ণ হয়েছিল (এ ব্যাপারে) সে আয়াতটি কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি যদি আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতাম তাহলে এ বিষয়ে (কালালাহ) এমন একটি ফায়সালা করতাম যা প্রত্যেকের মনের মত হত। চাই সে কুরআন মাজীদ পড়ে থাকুক বা না পড়ে থাকুক। তিনি [উমার (রাঃ) ] বললেনঃ হে আল্লাহ ! আমি তোমাকে বিভিন্ন জনপদের ‘উমারাদের (শাসনকর্তা) ব্যাপারে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাদের উদ্দেশ্য ঐসব এলাকার লোকদের শাসনকর্তা করে পাঠিয়েছি যে তারা তাদের প্রতি ন্যায় বিচার করবে, লোকদের দ্বীন সম্পর্কে শিক্ষাদান করবে, নাবীর সুন্নত সম্পর্কে অবহিত করবে এবং “ফাই” বা যুদ্ধের ময়দানে বিনাযুদ্ধে লব্ধ সম্পদ (সঠিকভাবে) বণ্টন করে দিবে। আর তাদের কোন ব্যাপার কঠিন বা সমস্যাপূর্ণ হলে তা আমার কাছে জেনে নিবে। হে লোকজন! আরেকটি কথা হল, তোমরা দু’টি (সব্জি জাতীয়) গাছ খেয়ে থাকো; অর্থাৎ পিঁয়াজ ও রসুন। আমি এ দু’টি জিনিসকে অরুচিকর বলে মনে করি। আমি দেখেছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের কোন লোকের মুখ থেকে ঐ দু’টি জিনিসের গন্ধ পেলে তাকে বের করে দিতে আদেশ করতেন। আর তাদেরকে বাক্বী’র দিকে বের করে দেয়া হত। তবে কেউ এ দু’টি জিনিস (পিঁয়াজ ও রসুন) খেতে চাইলে যেন রান্না করে গন্ধ দূর করে নেয়। (ই.ফা. ১১৩৮, ই.সে. ১১৪৭)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، أن عمر بن الخطاب، خطب يوم الجمعة فذكر نبي الله صلى الله عليه وسلم وذكر أبا بكر قال إني رأيت كأن ديكا نقرني ثلاث نقرات وإني لا أراه إلا حضور أجلي وإن أقواما يأمرونني أن أستخلف وإن الله لم يكن ليضيع دينه ولا خلافته ولا الذي بعث به نبيه صلى الله عليه وسلم فإن عجل بي أمر فالخلافة شورى بين هؤلاء الستة الذين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عنهم راض وإني قد علمت أن أقواما يطعنون في هذا الأمر أنا ضربتهم بيدي هذه على الإسلام فإن فعلوا ذلك فأولئك أعداء الله الكفرة الضلال ثم إني لا أدع بعدي شيئا أهم عندي من الكلالة ما راجعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في شىء ما راجعته في الكلالة وما أغلظ لي في شىء ما أغلظ لي فيه حتى طعن بإصبعه في صدري فقال ‏ "‏ يا عمر ألا تكفيك آية الصيف التي في آخر سورة النساء ‏"‏ ‏.‏ وإني إن أعش أقض فيها بقضية يقضي بها من يقرأ القرآن ومن لا يقرأ القرآن ثم قال اللهم إني أشهدك على أمراء الأمصار وإني إنما بعثتهم عليهم ليعدلوا عليهم وليعلموا الناس دينهم وسنة نبيهم صلى الله عليه وسلم ويقسموا فيهم فيئهم ويرفعوا إلى ما أشكل عليهم من أمرهم ثم إنكم أيها الناس تأكلون شجرتين لا أراهما إلا خبيثتين هذا البصل والثوم لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا وجد ريحهما من الرجل في المسجد أمر به فأخرج إلى البقيع فمن أكلهما فليمتهما طبخا ‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00