সহিহ মুসলিম > সলাতে কথা বলা নিষেধ এবং এর পূর্ব অনুমতির বিধান রহিতকরণ

সহিহ মুসলিম ১০৮৯

حدثني ابن نمير، حدثني إسحاق بن منصور السلولي، حدثنا هريم بن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৩, ই.সে. ১০৯১)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৩, ই.সে. ১০৯১)

حدثني ابن نمير، حدثني إسحاق بن منصور السلولي، حدثنا هريم بن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الحارث بن شبيل، عن أبي عمرو الشيباني، عن زيد بن أرقم، قال كنا نتكلم في الصلاة يكلم الرجل صاحبه وهو إلى جنبه في الصلاة حتى نزلت ‏{‏ وقوموا لله قانتين‏}‏ فأمرنا بالسكوت ونهينا عن الكلام ‏.

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সলাতরত অবস্থায় কথা বলতাম। লোকে সলাতরত অবস্থায় তার পাশে (সলাতে) দাঁড়ানো অপর ব্যক্তির সাথে কথা বলত। এরপর আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ (আরবি) “আর তোমরা আল্লাহর প্রতি পূর্ণ অনুগত ও একনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়াও” – (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৩৮)। এ হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার পর আমাদেরকে সলাতের মধ্যে চুপ থাকতে আদেশ দেয়া হলো এবং কথা বলতে নিষেধ করা হলো। (ই.ফা. ১০৮৪, ই.সে. ১০৯২)

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সলাতরত অবস্থায় কথা বলতাম। লোকে সলাতরত অবস্থায় তার পাশে (সলাতে) দাঁড়ানো অপর ব্যক্তির সাথে কথা বলত। এরপর আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ (আরবি) “আর তোমরা আল্লাহর প্রতি পূর্ণ অনুগত ও একনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়াও” – (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৩৮)। এ হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার পর আমাদেরকে সলাতের মধ্যে চুপ থাকতে আদেশ দেয়া হলো এবং কথা বলতে নিষেধ করা হলো। (ই.ফা. ১০৮৪, ই.সে. ১০৯২)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الحارث بن شبيل، عن أبي عمرو الشيباني، عن زيد بن أرقم، قال كنا نتكلم في الصلاة يكلم الرجل صاحبه وهو إلى جنبه في الصلاة حتى نزلت ‏{‏ وقوموا لله قانتين‏}‏ فأمرنا بالسكوت ونهينا عن الكلام ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا ابن فضيل، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنا نسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة فيرد علينا فلما رجعنا من عند النجاشي سلمنا عليه فلم يرد علينا فقلنا يا رسول الله كنا نسلم عليك في الصلاة فترد علينا ‏.‏ فقال ‏ "‏ إن في الصلاة شغلا ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতেন সে অবস্থায় আমরা তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জবাব দিতেন কিন্তু (হাবশায় হিজরাতের পর) নাজাশীর কাছ থেকে আমরা ফিরে এসে তাঁকে (সলাতরত অবস্থায়) সালাম দিলে তিনি জবাব দিলেন না। তখন (সলাত শেষে) আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি সলাত আদায় করতেন এমন অবস্থায় আমরা আপনাকে সালাম দিলে তার জবাব দিতেন। (কিন্তু আজকে আমাদের সালামের জবাব দিলেন না!) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সলাতের মধ্যে নির্ধারিত করণীয় থাকে।[৫] (ই.ফা. ১০৮২, ই.সে. ১০৯০)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতেন সে অবস্থায় আমরা তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জবাব দিতেন কিন্তু (হাবশায় হিজরাতের পর) নাজাশীর কাছ থেকে আমরা ফিরে এসে তাঁকে (সলাতরত অবস্থায়) সালাম দিলে তিনি জবাব দিলেন না। তখন (সলাত শেষে) আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি সলাত আদায় করতেন এমন অবস্থায় আমরা আপনাকে সালাম দিলে তার জবাব দিতেন। (কিন্তু আজকে আমাদের সালামের জবাব দিলেন না!) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সলাতের মধ্যে নির্ধারিত করণীয় থাকে।[৫] (ই.ফা. ১০৮২, ই.সে. ১০৯০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا ابن فضيل، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنا نسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة فيرد علينا فلما رجعنا من عند النجاشي سلمنا عليه فلم يرد علينا فقلنا يا رسول الله كنا نسلم عليك في الصلاة فترد علينا ‏.‏ فقال ‏ "‏ إن في الصلاة شغلا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ووكيع، ح قال وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد نحوه ‏.

ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)

ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ووكيع، ح قال وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৭

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، بهذا الإسناد نحوه ‏.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮১, ই.সে. ১০৮৯)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮১, ই.সে. ১০৮৯)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، بهذا الإسناد نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৬

حدثنا أبو جعفر، محمد بن الصباح وأبو بكر بن أبي شيبة - وتقاربا في لفظ الحديث - قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن حجاج الصواف، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال بينا أنا أصلي، مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ عطس رجل من القوم فقلت يرحمك الله ‏.‏ فرماني القوم بأبصارهم فقلت واثكل أمياه ما شأنكم تنظرون إلى ‏.‏ فجعلوا يضربون بأيديهم على أفخاذهم فلما رأيتهم يصمتونني لكني سكت فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبأبي هو وأمي ما رأيت معلما قبله ولا بعده أحسن تعليما منه فوالله ما كهرني ولا ضربني ولا شتمني قال ‏"‏ إن هذه الصلاة لا يصلح فيها شىء من كلام الناس إنما هو التسبيح والتكبير وقراءة القرآن ‏"‏ ‏.‏ أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله إني حديث عهد بجاهلية وقد جاء الله بالإسلام وإن منا رجالا يأتون الكهان ‏.‏ قال ‏"‏ فلا تأتهم ‏"‏ ‏.‏ قال ومنا رجال يتطيرون ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك شىء يجدونه في صدورهم فلا يصدنهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن الصباح ‏"‏ فلا يصدنكم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ومنا رجال يخطون ‏.‏ قال ‏"‏ كان نبي من الأنبياء يخط فمن وافق خطه فذاك ‏"‏ ‏.‏ قال وكانت لي جارية ترعى غنما لي قبل أحد والجوانية فاطلعت ذات يوم فإذا الذيب قد ذهب بشاة من غنمها وأنا رجل من بني آدم آسف كما يأسفون لكني صككتها صكة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعظم ذلك على قلت يا رسول الله أفلا أعتقها قال ‏"‏ ائتني بها ‏"‏ ‏.‏ فأتيته بها فقال لها ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ قالت في السماء ‏.‏ قال ‏"‏ من أنا ‏"‏ ‏.‏ قالت أنت رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏ ‏.

মু’আবিয়াহ্ ইবনুল হাকাম আস্ সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সময় আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করছিলামভ। ইতোমধ্যে (সলাত আদায়কারীদের মধ্যে) কোন একজন লোক হাঁচি দিলে (জবাবে) আমি “ইয়ার্হামুকাল্ল-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন) বললাম। এতে সবাই রুষ্ট দৃষ্টিতে আমার প্রতি তাকাতে থাকল। তা দেখে আমি বললামঃ আমার মা আমার বিয়োগ ব্যথায় কাতর হোক। (অর্থাৎ-এভাবে আমি নিজেকে ভৎসনা করলাম)। কি ব্যাপার! তোমরা আমার দিকে এভাবে তাকাচ্ছ যে? তখন তারা নিজ নিজ উরুতে হাত চাপড়াতে থাকল। (আমার খুব রাগ হওয়া সত্ত্বেও) আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চায় তখন আমি চুপ করে রইলাম। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করলে আমি তাঁকে সবকিছু বললাম। আমার পিতা ও মাতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। আমি ইতোপূর্বে বা এর পরে আর কখনো অন্য কোন শিক্ষককে তাঁর চেয়ে উত্তম পন্থায় শিক্ষা দিতে দেখিনি। আল্লাহর শপথ করে বলছি, তিনি আমাকে ধমকালেন না বা মারলেন না কিংবা বকাঝকাও করলেন না। বরং বললেনঃ সলাতের মধ্যে কথাবার্তা ধরণের কিছু বলা যথোচিত নয়। বরং প্রয়োজনবশতঃ তাসবীহ, তাকবীর বা কুরআন পাঠ করতে হবে অথবা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ বলেছেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমি সবেমাত্র জাহিলিয়াত বর্জন করেছি এবং এরপর আল্লাহ আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক দিয়েছেন। আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা গণকদের কথায় বিশ্বাস করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এ কথা শুনে) বললেনঃ তুমি গণকদের কাছে যেয়ো না। সে বললঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা শুভ অশুভ লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে। তিনি বললেনঃ এটা তাদের হৃদয়ের বদ্ধমূল বিশ্বাস। এটি তাদেরকে (ভাল কাজ করতে) বাধা না দেয়। হাদীস বর্ণনাকারী সাববাহ বলেছেন, তা যেন তোমাকে বাধা না দেয়। লোকটি বর্ণনা করেছেন- আমি আবারও বললামঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা রেখা টেনে শুভ-অশুভ নির্ধারণ করে থাকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একজন নবী এভাবে রেখা টানতেন। সুতরাং কারো রেখা যদি (নাবীর রেখা) অনুরূপ হয় তাহলে তা ঠিক হবে।[৪] বর্ণনাকারী মু’আবিয়াহ্ বলেন, আমার এক দাসী ছিল সে উহুদ ও জাও্ওয়ানিয়্যাহ্ এলাকায় আমার বকরীপাল চরাত। একদিন আমি হঠাৎ সেখানে গিয়ে দেখলাম তার বকরীপাল থেকে বাঘে একটি বকরী নিয়ে গিয়েছে। আমি তো অন্যান্য আদম সন্তানের মত একজন মানুষ। তাদের মত আমিও ক্ষোভ ও চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম (এবং সব কথা বললাম) কেননা বিষয়টি আমার কাছে খুবই গুরুতর মনে হলো। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তাকে (দাসী) মুক্ত করে দিব? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। সুতরাং আমি তাকে এনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে হাজির করলাম। তিনি তাঁকে (দাসীকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ (বলো তো) আল্লাহ কোথায়? সে বলল- আকাশে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (বলো তো) আমি কে? সে বললঃ আপনি আল্লাহর রসূল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি তাকে মুক্ত করে দাও, সে একজন মু’মিনাহ্ নারী। (ই.ফা. ১০৮০, ই.সে. ১০৮৮)

মু’আবিয়াহ্ ইবনুল হাকাম আস্ সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সময় আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করছিলামভ। ইতোমধ্যে (সলাত আদায়কারীদের মধ্যে) কোন একজন লোক হাঁচি দিলে (জবাবে) আমি “ইয়ার্হামুকাল্ল-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন) বললাম। এতে সবাই রুষ্ট দৃষ্টিতে আমার প্রতি তাকাতে থাকল। তা দেখে আমি বললামঃ আমার মা আমার বিয়োগ ব্যথায় কাতর হোক। (অর্থাৎ-এভাবে আমি নিজেকে ভৎসনা করলাম)। কি ব্যাপার! তোমরা আমার দিকে এভাবে তাকাচ্ছ যে? তখন তারা নিজ নিজ উরুতে হাত চাপড়াতে থাকল। (আমার খুব রাগ হওয়া সত্ত্বেও) আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চায় তখন আমি চুপ করে রইলাম। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করলে আমি তাঁকে সবকিছু বললাম। আমার পিতা ও মাতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। আমি ইতোপূর্বে বা এর পরে আর কখনো অন্য কোন শিক্ষককে তাঁর চেয়ে উত্তম পন্থায় শিক্ষা দিতে দেখিনি। আল্লাহর শপথ করে বলছি, তিনি আমাকে ধমকালেন না বা মারলেন না কিংবা বকাঝকাও করলেন না। বরং বললেনঃ সলাতের মধ্যে কথাবার্তা ধরণের কিছু বলা যথোচিত নয়। বরং প্রয়োজনবশতঃ তাসবীহ, তাকবীর বা কুরআন পাঠ করতে হবে অথবা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ বলেছেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমি সবেমাত্র জাহিলিয়াত বর্জন করেছি এবং এরপর আল্লাহ আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক দিয়েছেন। আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা গণকদের কথায় বিশ্বাস করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এ কথা শুনে) বললেনঃ তুমি গণকদের কাছে যেয়ো না। সে বললঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা শুভ অশুভ লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে। তিনি বললেনঃ এটা তাদের হৃদয়ের বদ্ধমূল বিশ্বাস। এটি তাদেরকে (ভাল কাজ করতে) বাধা না দেয়। হাদীস বর্ণনাকারী সাববাহ বলেছেন, তা যেন তোমাকে বাধা না দেয়। লোকটি বর্ণনা করেছেন- আমি আবারও বললামঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা রেখা টেনে শুভ-অশুভ নির্ধারণ করে থাকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একজন নবী এভাবে রেখা টানতেন। সুতরাং কারো রেখা যদি (নাবীর রেখা) অনুরূপ হয় তাহলে তা ঠিক হবে।[৪] বর্ণনাকারী মু’আবিয়াহ্ বলেন, আমার এক দাসী ছিল সে উহুদ ও জাও্ওয়ানিয়্যাহ্ এলাকায় আমার বকরীপাল চরাত। একদিন আমি হঠাৎ সেখানে গিয়ে দেখলাম তার বকরীপাল থেকে বাঘে একটি বকরী নিয়ে গিয়েছে। আমি তো অন্যান্য আদম সন্তানের মত একজন মানুষ। তাদের মত আমিও ক্ষোভ ও চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম (এবং সব কথা বললাম) কেননা বিষয়টি আমার কাছে খুবই গুরুতর মনে হলো। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তাকে (দাসী) মুক্ত করে দিব? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। সুতরাং আমি তাকে এনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে হাজির করলাম। তিনি তাঁকে (দাসীকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ (বলো তো) আল্লাহ কোথায়? সে বলল- আকাশে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (বলো তো) আমি কে? সে বললঃ আপনি আল্লাহর রসূল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি তাকে মুক্ত করে দাও, সে একজন মু’মিনাহ্ নারী। (ই.ফা. ১০৮০, ই.সে. ১০৮৮)

حدثنا أبو جعفر، محمد بن الصباح وأبو بكر بن أبي شيبة - وتقاربا في لفظ الحديث - قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن حجاج الصواف، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال بينا أنا أصلي، مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ عطس رجل من القوم فقلت يرحمك الله ‏.‏ فرماني القوم بأبصارهم فقلت واثكل أمياه ما شأنكم تنظرون إلى ‏.‏ فجعلوا يضربون بأيديهم على أفخاذهم فلما رأيتهم يصمتونني لكني سكت فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبأبي هو وأمي ما رأيت معلما قبله ولا بعده أحسن تعليما منه فوالله ما كهرني ولا ضربني ولا شتمني قال ‏"‏ إن هذه الصلاة لا يصلح فيها شىء من كلام الناس إنما هو التسبيح والتكبير وقراءة القرآن ‏"‏ ‏.‏ أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله إني حديث عهد بجاهلية وقد جاء الله بالإسلام وإن منا رجالا يأتون الكهان ‏.‏ قال ‏"‏ فلا تأتهم ‏"‏ ‏.‏ قال ومنا رجال يتطيرون ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك شىء يجدونه في صدورهم فلا يصدنهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن الصباح ‏"‏ فلا يصدنكم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ومنا رجال يخطون ‏.‏ قال ‏"‏ كان نبي من الأنبياء يخط فمن وافق خطه فذاك ‏"‏ ‏.‏ قال وكانت لي جارية ترعى غنما لي قبل أحد والجوانية فاطلعت ذات يوم فإذا الذيب قد ذهب بشاة من غنمها وأنا رجل من بني آدم آسف كما يأسفون لكني صككتها صكة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعظم ذلك على قلت يا رسول الله أفلا أعتقها قال ‏"‏ ائتني بها ‏"‏ ‏.‏ فأتيته بها فقال لها ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ قالت في السماء ‏.‏ قال ‏"‏ من أنا ‏"‏ ‏.‏ قالت أنت رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني لحاجة ثم أدركته وهو يسير - قال قتيبة يصلي - فسلمت عليه فأشار إلى فلما فرغ دعاني فقال ‏ "‏ إنك سلمت آنفا وأنا أصلي ‏"‏ ‏.‏ وهو موجه حينئذ قبل المشرق ‏.

জাবির ইবনূ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম সওয়ারীতে আরোহণ করে (নাফ্ল সলাত আদায়রত) অতিক্রম করেছেন। কুতায়বাহ্ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করছিলেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি (ফিরে আসার পর ঐ অবস্থায়) তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইশারা করলেন (ইশারা দ্বারা সালামের জবাব দিলেন)। সলাত শেষ করে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেনঃ তুমি এইমাত্র আমাকে সালাম দিয়েছ। তখন আমি সলাত আদায় করছিলাম। ঐ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৬, ই.সে. ১০৯৪)

জাবির ইবনূ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম সওয়ারীতে আরোহণ করে (নাফ্ল সলাত আদায়রত) অতিক্রম করেছেন। কুতায়বাহ্ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করছিলেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি (ফিরে আসার পর ঐ অবস্থায়) তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইশারা করলেন (ইশারা দ্বারা সালামের জবাব দিলেন)। সলাত শেষ করে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেনঃ তুমি এইমাত্র আমাকে সালাম দিয়েছ। তখন আমি সলাত আদায় করছিলাম। ঐ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৬, ই.সে. ১০৯৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني لحاجة ثم أدركته وهو يسير - قال قتيبة يصلي - فسلمت عليه فأشار إلى فلما فرغ دعاني فقال ‏ "‏ إنك سلمت آنفا وأنا أصلي ‏"‏ ‏.‏ وهو موجه حينئذ قبل المشرق ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৩

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثني أبو الزبير، عن جابر، قال أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو منطلق إلى بني المصطلق فأتيته وهو يصلي على بعيره فكلمته فقال لي بيده هكذا - وأومأ زهير بيده - ثم كلمته فقال لي هكذا - فأومأ زهير أيضا بيده نحو الأرض - وأنا أسمعه يقرأ يومئ برأسه فلما فرغ قال ‏ "‏ ما فعلت في الذي أرسلتك له فإنه لم يمنعني أن أكلمك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.‏ قال زهير وأبو الزبير جالس مستقبل الكعبة فقال بيده أبو الزبير إلى بني المصطلق فقال بيده إلى غير الكعبة ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানী মুস্ত্বালিক্ব গোত্রের দিকে যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটের পিঠে বসে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে বললাম (অর্থাৎ- যে কাজে পাঠিয়েছিলেন সে সম্পর্কে) কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে হাত দ্বারা এভাবে ইশারা করলেন। বর্ণনাকারী যুহায়র ইবনু হারয্ তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ] কিভাবে ইশারা করেছিলেন তা দেখালেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি তখন শুনেছিলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু পড়ছেন এবং মাথা দ্বারা ইশারা করছেন। সলাত শেষ হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি তোমাকে যে জন্য পাঠিয়েছিলাম তার কি করেছ? আমি শুধু এ কারনে তোমার সাথে কথা বলিনি যে, আমি তখন সলাত আদায় করেছিলাম। হাদীসটির বর্ণনাকারী যুহ্য়র ইবনু হার্ব (রহঃ) বলেনঃ কথাগুলো বলার সময় আবুয্ যুবায়র কা’বার দিকে মুখ করে বসে ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি (আবুয্ যুবায়র) হাত দিয়ে ইশারা দেখাচ্ছিলেন তখন কা’বার দিকে মুখ না করে বানী মুস্তালিকের দিকে মুখ করে বলছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৭, ই.সে. ১০৯৫)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানী মুস্ত্বালিক্ব গোত্রের দিকে যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটের পিঠে বসে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে বললাম (অর্থাৎ- যে কাজে পাঠিয়েছিলেন সে সম্পর্কে) কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে হাত দ্বারা এভাবে ইশারা করলেন। বর্ণনাকারী যুহায়র ইবনু হারয্ তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ] কিভাবে ইশারা করেছিলেন তা দেখালেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি তখন শুনেছিলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু পড়ছেন এবং মাথা দ্বারা ইশারা করছেন। সলাত শেষ হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি তোমাকে যে জন্য পাঠিয়েছিলাম তার কি করেছ? আমি শুধু এ কারনে তোমার সাথে কথা বলিনি যে, আমি তখন সলাত আদায় করেছিলাম। হাদীসটির বর্ণনাকারী যুহ্য়র ইবনু হার্ব (রহঃ) বলেনঃ কথাগুলো বলার সময় আবুয্ যুবায়র কা’বার দিকে মুখ করে বসে ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি (আবুয্ যুবায়র) হাত দিয়ে ইশারা দেখাচ্ছিলেন তখন কা’বার দিকে মুখ না করে বানী মুস্তালিকের দিকে মুখ করে বলছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৭, ই.সে. ১০৯৫)

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثني أبو الزبير، عن جابر، قال أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو منطلق إلى بني المصطلق فأتيته وهو يصلي على بعيره فكلمته فقال لي بيده هكذا - وأومأ زهير بيده - ثم كلمته فقال لي هكذا - فأومأ زهير أيضا بيده نحو الأرض - وأنا أسمعه يقرأ يومئ برأسه فلما فرغ قال ‏ "‏ ما فعلت في الذي أرسلتك له فإنه لم يمنعني أن أكلمك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.‏ قال زهير وأبو الزبير جالس مستقبل الكعبة فقال بيده أبو الزبير إلى بني المصطلق فقال بيده إلى غير الكعبة ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৪

حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد بن زيد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فبعثني في حاجة فرجعت وهو يصلي على راحلته ووجهه على غير القبلة فسلمت عليه فلم يرد على فلما انصرف قال ‏ "‏ إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখতে পেলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর পিছে বসে কিবলাহ্ ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম। কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সালামের কোন জবাব দিলেন না। সলাত শেষ করে বললেনঃ আমি সলাত আদায় করছিলাম তাই তোমার সালামের কোন জবাব দিতে পারিনি। এছাড়া আর কিছুই আমাকে তোমার সালামের জবাব দেয়া থেকে বিরত রাখেনি। (ই.ফা. ১০৮৮, ই.সে. ১০৯৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখতে পেলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর পিছে বসে কিবলাহ্ ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম। কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সালামের কোন জবাব দিলেন না। সলাত শেষ করে বললেনঃ আমি সলাত আদায় করছিলাম তাই তোমার সালামের কোন জবাব দিতে পারিনি। এছাড়া আর কিছুই আমাকে তোমার সালামের জবাব দেয়া থেকে বিরত রাখেনি। (ই.ফা. ১০৮৮, ই.সে. ১০৯৬)

حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد بن زيد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فبعثني في حاجة فرجعت وهو يصلي على راحلته ووجهه على غير القبلة فسلمت عليه فلم يرد على فلما انصرف قال ‏ "‏ إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৫

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا كثير بن شنظير، عن عطاء، عن جابر، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة ‏.‏ بمعنى حديث حماد ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (এক সময়ে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন। এরপর তিনি হাম্মাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৮৯, ই.সে. ১০৯৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (এক সময়ে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন। এরপর তিনি হাম্মাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৮৯, ই.সে. ১০৯৬)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا كثير بن شنظير، عن عطاء، عن جابر، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة ‏.‏ بمعنى حديث حماد ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতে শায়ত্বনকে লা’নাত করা, শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা এবং ‘আমালে ক্বালীল’ (সামান্য কাজ) করা বৈধ

সহিহ মুসলিম ১০৯৮

حدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن معاوية بن صالح، يقول حدثني ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي الدرداء، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعناه يقول ‏"‏ أعوذ بالله منك ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألعنك بلعنة الله ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏.‏ وبسط يده كأنه يتناول شيئا فلما فرغ من الصلاة قلنا يا رسول الله قد سمعناك تقول في الصلاة شيئا لم نسمعك تقوله قبل ذلك ورأيناك بسطت يدك ‏.‏ قال ‏"‏ إن عدو الله إبليس جاء بشهاب من نار ليجعله في وجهي فقلت أعوذ بالله منك ‏.‏ ثلاث مرات ثم قلت ألعنك بلعنة الله التامة فلم يستأخر ثلاث مرات ثم أردت أخذه والله لولا دعوة أخينا سليمان لأصبح موثقا يلعب به ولدان أهل المدينة ‏"‏ ‏.

আবুদ্ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতে দাঁড়ালে আমরা শুনতে পেলাম, তিনি বলেছেনঃ (আরবি) “আউযু বিল্লা-হি মিন্‌কা” [অর্থাৎ- আমি তোমার (অনিষ্ট) থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (আমরা শুনলাম) এরপর তিনি বলছেনঃ (আরবি) “আল্‌ ‘আনুকা বি লা’নাতিল্লা-হি” (অর্থাৎ-আমি তাকে লা’নাত করছি যেমন আল্লাহ লা’নাত করেছিলেন)। তিনি এ কথাগুলো তিনবার বললেন। এ সময় (যে সময় তিনি লা’নাত করছিলেন) তিনি হাত বাড়ালেন যেন কিছু ধরতে যাচ্ছেন। সলাত শেষ করলে আমরা তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! (আজ) আমরা সলাতের মধ্যে আপনাকে এমন কিছু কথা বলতে শুনেছি যা ইতিপূর্বে আর কোন দিন বলতে শুনিনি। আর আমরা দেখলাম যে আপনি হাতও বাড়িয়ে দিলেন। (এর কারন কি?) তিনি বললেনঃ আল্লাহর দুশমন ইবলীশ আমার মুখের উপর নিক্ষেপ করার জন্য দগদগে অগ্নি-শিখা নিয়ে এসেছিল। তাই আমি তিনবারঃ (আরবি) বললাম। এরপর তিনবার (আরবি) বললাম। এ কথাটিও আমি তিনবার বললাম। কিন্তু তবু সে পিছু হটল না। অবশেষে আমি তাকে পাকড়াও করতে ইচ্ছা করলাম | আল্লাহ্‌র শপথ করে বলছি, আমাদের ভাই নবী সুলায়মান যদি দু’আ না করে থাকতেন তাহলে সে সকাল পর্যন্ত বাঁধা থাকত। আর সকালবেলা মাদীনাবাসীদের ছেলে সন্তানেরা তাকে নিয়ে আনন্দ করত বা মজা করে খেলত। (ই.ফা. ১০৯২, ই.সে. ১১০০)

আবুদ্ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতে দাঁড়ালে আমরা শুনতে পেলাম, তিনি বলেছেনঃ (আরবি) “আউযু বিল্লা-হি মিন্‌কা” [অর্থাৎ- আমি তোমার (অনিষ্ট) থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। (আমরা শুনলাম) এরপর তিনি বলছেনঃ (আরবি) “আল্‌ ‘আনুকা বি লা’নাতিল্লা-হি” (অর্থাৎ-আমি তাকে লা’নাত করছি যেমন আল্লাহ লা’নাত করেছিলেন)। তিনি এ কথাগুলো তিনবার বললেন। এ সময় (যে সময় তিনি লা’নাত করছিলেন) তিনি হাত বাড়ালেন যেন কিছু ধরতে যাচ্ছেন। সলাত শেষ করলে আমরা তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! (আজ) আমরা সলাতের মধ্যে আপনাকে এমন কিছু কথা বলতে শুনেছি যা ইতিপূর্বে আর কোন দিন বলতে শুনিনি। আর আমরা দেখলাম যে আপনি হাতও বাড়িয়ে দিলেন। (এর কারন কি?) তিনি বললেনঃ আল্লাহর দুশমন ইবলীশ আমার মুখের উপর নিক্ষেপ করার জন্য দগদগে অগ্নি-শিখা নিয়ে এসেছিল। তাই আমি তিনবারঃ (আরবি) বললাম। এরপর তিনবার (আরবি) বললাম। এ কথাটিও আমি তিনবার বললাম। কিন্তু তবু সে পিছু হটল না। অবশেষে আমি তাকে পাকড়াও করতে ইচ্ছা করলাম | আল্লাহ্‌র শপথ করে বলছি, আমাদের ভাই নবী সুলায়মান যদি দু’আ না করে থাকতেন তাহলে সে সকাল পর্যন্ত বাঁধা থাকত। আর সকালবেলা মাদীনাবাসীদের ছেলে সন্তানেরা তাকে নিয়ে আনন্দ করত বা মজা করে খেলত। (ই.ফা. ১০৯২, ই.সে. ১১০০)

حدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن معاوية بن صالح، يقول حدثني ربيعة بن يزيد، عن أبي إدريس الخولاني، عن أبي الدرداء، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعناه يقول ‏"‏ أعوذ بالله منك ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألعنك بلعنة الله ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏.‏ وبسط يده كأنه يتناول شيئا فلما فرغ من الصلاة قلنا يا رسول الله قد سمعناك تقول في الصلاة شيئا لم نسمعك تقوله قبل ذلك ورأيناك بسطت يدك ‏.‏ قال ‏"‏ إن عدو الله إبليس جاء بشهاب من نار ليجعله في وجهي فقلت أعوذ بالله منك ‏.‏ ثلاث مرات ثم قلت ألعنك بلعنة الله التامة فلم يستأخر ثلاث مرات ثم أردت أخذه والله لولا دعوة أخينا سليمان لأصبح موثقا يلعب به ولدان أهل المدينة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৬

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وإسحاق بن منصور، قالا أخبرنا النضر بن شميل، أخبرنا شعبة، حدثنا محمد، - وهو ابن زياد - قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن عفريتا من الجن جعل يفتك على البارحة ليقطع على الصلاة وإن الله أمكنني منه فذعته فلقد هممت أن أربطه إلى جنب سارية من سواري المسجد حتى تصبحوا تنظرون إليه أجمعون - أو كلكم - ثم ذكرت قول أخي سليمان رب اغفر لي وهب لي ملكا لا ينبغي لأحد من بعدي ‏.‏ فرده الله خاسئا ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن منصور شعبة عن محمد بن زياد ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গত রাতে এক দুষ্ট জিন আমার সলাত নষ্ট করার জন্য আমার উপর আক্রমন করতে শুরু করল। তবে আল্লাহ তা’আলা আমাকে তাকে কাবু করার শক্তি দান করলেন। আমি তাকে গলা টিপে ধরেছিলাম। আমার ইচ্ছে হলো তাকে মাসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি যাতে সকাল বেলা তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও। কিন্তু তখনই আমার স্মরণ হল আমার ভাই নবী সুলায়মানের দু’আর কথা। তিনি (‘আঃ) দু’আ করেছিলেনঃ (আরবি) “হে প্রভু; তুমি আমাকে এমন রাজত্ব দান করো যা আমার পরে আর কার জন্য যেন না হয়”- (সূরাহ্ সোয়াদ ৩৮ : ৩৫)। (অর্থাৎ- জিন, বাতাস ও পশু-পাখির ওপর রাজত্ব করার ক্ষমতা। তাই আমি তাকে বেঁধে রাখা থেকে বিরত থাকলাম।) অতঃপর আল্লাহ তা’আলা জিনটিকে (আমার হাতে) লাঞ্ছিত করে তাড়িয়ে দিলেন। ইবনু মানসূর, শু’বাহ্‌, মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৯০,ই.সে. ১০৯৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গত রাতে এক দুষ্ট জিন আমার সলাত নষ্ট করার জন্য আমার উপর আক্রমন করতে শুরু করল। তবে আল্লাহ তা’আলা আমাকে তাকে কাবু করার শক্তি দান করলেন। আমি তাকে গলা টিপে ধরেছিলাম। আমার ইচ্ছে হলো তাকে মাসজিদের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখি যাতে সকাল বেলা তোমরা সবাই তাকে দেখতে পাও। কিন্তু তখনই আমার স্মরণ হল আমার ভাই নবী সুলায়মানের দু’আর কথা। তিনি (‘আঃ) দু’আ করেছিলেনঃ (আরবি) “হে প্রভু; তুমি আমাকে এমন রাজত্ব দান করো যা আমার পরে আর কার জন্য যেন না হয়”- (সূরাহ্ সোয়াদ ৩৮ : ৩৫)। (অর্থাৎ- জিন, বাতাস ও পশু-পাখির ওপর রাজত্ব করার ক্ষমতা। তাই আমি তাকে বেঁধে রাখা থেকে বিরত থাকলাম।) অতঃপর আল্লাহ তা’আলা জিনটিকে (আমার হাতে) লাঞ্ছিত করে তাড়িয়ে দিলেন। ইবনু মানসূর, শু’বাহ্‌, মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৯০,ই.সে. ১০৯৮)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وإسحاق بن منصور، قالا أخبرنا النضر بن شميل، أخبرنا شعبة، حدثنا محمد، - وهو ابن زياد - قال سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن عفريتا من الجن جعل يفتك على البارحة ليقطع على الصلاة وإن الله أمكنني منه فذعته فلقد هممت أن أربطه إلى جنب سارية من سواري المسجد حتى تصبحوا تنظرون إليه أجمعون - أو كلكم - ثم ذكرت قول أخي سليمان رب اغفر لي وهب لي ملكا لا ينبغي لأحد من بعدي ‏.‏ فرده الله خاسئا ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن منصور شعبة عن محمد بن زياد ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، هو ابن جعفر ح قال وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، كلاهما عن شعبة، في هذا الإسناد وليس في حديث ابن جعفر قوله فذعته ‏.‏ وأما ابن أبي شيبة فقال في روايته فدعته ‏.

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কথা (আরবি) অর্থাৎ- “আমি তাকে গলা টিপে ধরেছিলাম” বর্ণিত হয়নি। আর আবূ বকর ইবনু আবূ শায়াবাহ্‌ বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা (আরবি) বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ১০৯১, ই.স.১০৯৯)

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কথা (আরবি) অর্থাৎ- “আমি তাকে গলা টিপে ধরেছিলাম” বর্ণিত হয়নি। আর আবূ বকর ইবনু আবূ শায়াবাহ্‌ বর্ণিত হাদীসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা (আরবি) বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ১০৯১, ই.স.১০৯৯)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، هو ابن جعفر ح قال وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، كلاهما عن شعبة، في هذا الإسناد وليس في حديث ابن جعفر قوله فذعته ‏.‏ وأما ابن أبي شيبة فقال في روايته فدعته ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতের শিশুদেরকে কাঁধে উঠানো যায়

সহিহ মুসলিম ১০৯৯

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا مالك، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قلت لمالك حدثك عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهو حامل أمامة بنت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأبي العاص بن الربيع فإذا قام حملها وإذا سجد وضعها قال يحيى قال مالك نعم ‏.

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতরত অবস্থায় তাঁর নাতনী আবুল ‘আস ইবনুর রাবী –এর ঔরশজাত কন্যা উমামাহ্‌ বিনতু যায়নাবকে কাঁধে উঠিয়ে সলাত আদায় করেছিলেন। তিনি যখন দাঁড়াচ্ছিলেন তাকে (উমামাহ্‌ বিনতু যায়নাবকে) উঠিয়ে নিচ্ছিলেন। আবার যখন সাজদাতে যাচ্ছিলেন তখন নামিয়ে রাখছিলেন। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া বলেন, (আমি এ হাদীসটি সম্পর্কে মালিককে জিজ্ঞেস করলে) মালিক বলেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ১০৯৩, ই.সে. ১১০১)

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতরত অবস্থায় তাঁর নাতনী আবুল ‘আস ইবনুর রাবী –এর ঔরশজাত কন্যা উমামাহ্‌ বিনতু যায়নাবকে কাঁধে উঠিয়ে সলাত আদায় করেছিলেন। তিনি যখন দাঁড়াচ্ছিলেন তাকে (উমামাহ্‌ বিনতু যায়নাবকে) উঠিয়ে নিচ্ছিলেন। আবার যখন সাজদাতে যাচ্ছিলেন তখন নামিয়ে রাখছিলেন। ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া বলেন, (আমি এ হাদীসটি সম্পর্কে মালিককে জিজ্ঞেস করলে) মালিক বলেনঃ হ্যাঁ। (ই.ফা. ১০৯৩, ই.সে. ১১০১)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا مالك، عن عامر بن عبد الله بن الزبير، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قلت لمالك حدثك عامر بن عبد الله بن الزبير، عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهو حامل أمامة بنت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأبي العاص بن الربيع فإذا قام حملها وإذا سجد وضعها قال يحيى قال مالك نعم ‏.


সহিহ মুসলিম ১১০০

حدثنا محمد بن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عثمان بن أبي سليمان، وابن، عجلان سمعا عامر بن عبد الله بن الزبير، يحدث عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة الأنصاري، قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يؤم الناس وأمامة بنت أبي العاص وهى ابنة زينب بنت النبي صلى الله عليه وسلم على عاتقه فإذا ركع وضعها وإذا رفع من السجود أعادها ‏.

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে লোকদের ইমামতি করছেন আর তাঁর নাতনী আবুল ‘আস ইবনুর রাবী’-এর ঔরসজাত কন্যা উমামাহ্‌-কে (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কন্যা যায়নাবের গর্ভজাত মেয়ে) তাঁর কাধের উপর রেখে ইমামতি করতে দেখেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু‘তে যাচ্ছেন তখন তাকে (কাঁধ থেকে) নামিয়ে রাখছেন, আবার সাজদাহ্ থেকে উঠার পড় পুনরায় কাঁধে উঠিয়ে নিচ্ছেন। (ই.ফা. ১০৯৪, ই.সে. ১১০২)

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে লোকদের ইমামতি করছেন আর তাঁর নাতনী আবুল ‘আস ইবনুর রাবী’-এর ঔরসজাত কন্যা উমামাহ্‌-কে (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কন্যা যায়নাবের গর্ভজাত মেয়ে) তাঁর কাধের উপর রেখে ইমামতি করতে দেখেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু‘তে যাচ্ছেন তখন তাকে (কাঁধ থেকে) নামিয়ে রাখছেন, আবার সাজদাহ্ থেকে উঠার পড় পুনরায় কাঁধে উঠিয়ে নিচ্ছেন। (ই.ফা. ১০৯৪, ই.সে. ১১০২)

حدثنا محمد بن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عثمان بن أبي سليمان، وابن، عجلان سمعا عامر بن عبد الله بن الزبير، يحدث عن عمرو بن سليم الزرقي، عن أبي قتادة الأنصاري، قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يؤم الناس وأمامة بنت أبي العاص وهى ابنة زينب بنت النبي صلى الله عليه وسلم على عاتقه فإذا ركع وضعها وإذا رفع من السجود أعادها ‏.


সহিহ মুসলিম ১১০১

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، عن مخرمة بن بكير، ح قال وحدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني مخرمة، عن أبيه، عن عمرو بن سليم الزرقي، قال سمعت أبا قتادة الأنصاري، يقول رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي للناس وأمامة بنت أبي العاص على عنقه فإذا سجد وضعها ‏.

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি দেখেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে লোকদের ইমামতি করছেন আর (তাঁর নাতনী) আবুল ‘আস্‌ ইবনু রাবী’-এর কন্যা উমামাহ্‌ (বিনতু যায়নাব) তাঁর কাঁধে বসে আছে। এমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ্ করার সময় তাকে নামিয়ে রাখছেন। (ই.ফা. ১০৯৫, ই.সে. ১১০৩)

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি দেখেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে লোকদের ইমামতি করছেন আর (তাঁর নাতনী) আবুল ‘আস্‌ ইবনু রাবী’-এর কন্যা উমামাহ্‌ (বিনতু যায়নাব) তাঁর কাঁধে বসে আছে। এমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ্ করার সময় তাকে নামিয়ে রাখছেন। (ই.ফা. ১০৯৫, ই.সে. ১১০৩)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، عن مخرمة بن بكير، ح قال وحدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني مخرمة، عن أبيه، عن عمرو بن سليم الزرقي، قال سمعت أبا قتادة الأنصاري، يقول رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي للناس وأمامة بنت أبي العاص على عنقه فإذا سجد وضعها ‏.


সহিহ মুসলিম ১১০২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، جميعا عن سعيد المقبري، عن عمرو بن سليم الزرقي، سمع أبا قتادة، يقول بينا نحن في المسجد جلوس خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بنحو حديثهم غير أنه لم يذكر أنه أم الناس في تلك الصلاة ‏.

আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা মাসজিদে বসেছিলাম এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন। এরপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সলাতে ইমামতি করছেন সে কথা তিনি এ হাদীসে উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১০৯৬, ই.সে. ১১০৪)

আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা মাসজিদে বসেছিলাম এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন। এরপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সলাতে ইমামতি করছেন সে কথা তিনি এ হাদীসে উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১০৯৬, ই.সে. ১১০৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، جميعا عن سعيد المقبري، عن عمرو بن سليم الزرقي، سمع أبا قتادة، يقول بينا نحن في المسجد جلوس خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بنحو حديثهم غير أنه لم يذكر أنه أم الناس في تلك الصلاة ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতে প্রয়োজনবশতঃ দু’ এক কদম চলা যায়

সহিহ মুসলিম ১১০৪

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري القرشي، حدثني أبو حازم، أن رجالا، أتوا سهل بن سعد ح قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي حازم، قال أتوا سهل بن سعد فسألوه من أى شىء منبر النبي صلى الله عليه وسلم وساقوا الحديث نحو حديث ابن أبي حازم ‏.

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হাযিম বলেছেনঃ কিছু সংখ্যক লোক সাহ্‌ল ইবনু সা’দ-এর কাছে আসলো। (অন্য সানদে) আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্‌, যুহায়র ইবনু হার্‌ব ও ইবনু আবূ ‘উমার সুফ্‌ইয়ান ইবনু ‘উয়াইনাহ্‌-এর মাধ্যমে আবূ হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন। আবূ হাযিম বলেছেন যে , তারা সাহ্‌ল ইবনু সা’দ-এর কাছে এসে তাকে জিজ্ঞেস করল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মিম্বার তৈরি ছিল? এতুকু বর্ণনা করার পর ইবনু আবূ হাযিম পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৯৮, ই.সে. ১১০৬)

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হাযিম বলেছেনঃ কিছু সংখ্যক লোক সাহ্‌ল ইবনু সা’দ-এর কাছে আসলো। (অন্য সানদে) আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্‌, যুহায়র ইবনু হার্‌ব ও ইবনু আবূ ‘উমার সুফ্‌ইয়ান ইবনু ‘উয়াইনাহ্‌-এর মাধ্যমে আবূ হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন। আবূ হাযিম বলেছেন যে , তারা সাহ্‌ল ইবনু সা’দ-এর কাছে এসে তাকে জিজ্ঞেস করল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মিম্বার তৈরি ছিল? এতুকু বর্ণনা করার পর ইবনু আবূ হাযিম পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৯৮, ই.সে. ১১০৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري القرشي، حدثني أبو حازم، أن رجالا، أتوا سهل بن سعد ح قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي حازم، قال أتوا سهل بن سعد فسألوه من أى شىء منبر النبي صلى الله عليه وسلم وساقوا الحديث نحو حديث ابن أبي حازم ‏.


সহিহ মুসলিম ১১০৩

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن عبد العزيز، قال يحيى أخبرنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، أن نفرا، جاءوا إلى سهل بن سعد قد تماروا في المنبر من أى عود هو فقال أما والله إني لأعرف من أى عود هو ومن عمله ورأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أول يوم جلس عليه - قال - فقلت له يا أبا عباس فحدثنا ‏.‏ قال أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى امرأة قال أبو حازم إنه ليسميها يومئذ ‏"‏ انظري غلامك النجار يعمل لي أعوادا أكلم الناس عليها ‏"‏ ‏.‏ فعمل هذه الثلاث درجات ثم أمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فوضعت هذا الموضع فهى من طرفاء الغابة ‏.‏ ولقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قام عليه فكبر وكبر الناس وراءه وهو على المنبر ثم رفع فنزل القهقرى حتى سجد في أصل المنبر ثم عاد حتى فرغ من آخر صلاته ثم أقبل على الناس فقال ‏"‏ يا أيها الناس إني صنعت هذا لتأتموا بي ولتعلموا صلاتي ‏"‏ ‏.

আবু হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (আবূ হাযিম) বলেছেনঃ সাহ্‌ল ইবনু সা’দ-এর কাছে একদল লোক আসল এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মিম্বার কী কাঠের তৈরি তা নিয়ে ঝগড়া করতে শুরু করল। তখন সাহ্‌ল ইবনু সা’দ বললেন, আল্লাহর সপথ করে বলছিঃ মিম্বার কী কাঠের তৈরি ছিল এবং কে তা তৈরি করেছিল। তা আমি জানি। আর প্রথম যেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত মিম্বারের উপর বসেছিলেন সেদিন আমি তাঁকে দেখেছিলাম। আবূ হাযিম বলেন, আমি তখন তাকে বললামঃ হে আবূ ‘আব্বাস (সাহল ইবনু সা’দ) ! বিষয়টি আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন একজন মহিলাকে বলে পাঠালেন যে, তোমার কাঠ-মিস্ত্রি গোলামকে বল সে আমাকে কিছু কাষ্ঠ-অর্থাৎ কাষ্ঠ-নির্মিত আসন তৈরি করে দিক। এর উপরে উঠে আমি মানুষের সামনে বক্তব্য পেশ করব। সে সময় আবূ হাযিম উক্ত মহিলার নামও উল্ল্যেখ করেছিলেন। সুতরাং ঐ মহিলার গোলাম এ তিন স্তর বিশিষ্ট মিম্বরটি তৈরি করে দিয়েছিল | আসনটি ছিল (মাদীনার) গাবাহ্‌ নামক বনের বন্য- ঝাউ কাঠ দিয়ে তৈরি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে তা এ স্থানে (মাসজিদে) স্থাপন করা হলো। সাহল্‌ ইবনু সা’দ বলেনঃ আমি দেখলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপর উঠে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর বললেন সলাতের জন্য। তাঁর সাথে সাথে লোকেরাও তাকবীর বলল। এ সময় তিনি মিম্বর এর উপর ছিলেন। এরপর তিনি রুকু’ থেকে মাথা উঠালেন এবং পিছনের দিকে হেঁটে মিম্বার থেকে নামলেন এবং মিম্বারের গোড়াতেই (পাশেই) সাজদাহ্ করলেন। এরপর আবার গিয়ে মিম্বারে উঠলেন এবং এভাবে সলাত শেষ করে লোকদের দিকে ঘুরে বললেনঃ হে লোকজন; আমি এরূপ এজন্য করলাম যাতে তোমরা আমাকে অনুসরণ করতে পারো এবং আমি কিভাবে সলাত আদায় করি তা শিখে নিতে পার। (ই.ফা. ১০৯৭, ই.সে. ১১০৫)

আবু হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (আবূ হাযিম) বলেছেনঃ সাহ্‌ল ইবনু সা’দ-এর কাছে একদল লোক আসল এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মিম্বার কী কাঠের তৈরি তা নিয়ে ঝগড়া করতে শুরু করল। তখন সাহ্‌ল ইবনু সা’দ বললেন, আল্লাহর সপথ করে বলছিঃ মিম্বার কী কাঠের তৈরি ছিল এবং কে তা তৈরি করেছিল। তা আমি জানি। আর প্রথম যেদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত মিম্বারের উপর বসেছিলেন সেদিন আমি তাঁকে দেখেছিলাম। আবূ হাযিম বলেন, আমি তখন তাকে বললামঃ হে আবূ ‘আব্বাস (সাহল ইবনু সা’দ) ! বিষয়টি আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন একজন মহিলাকে বলে পাঠালেন যে, তোমার কাঠ-মিস্ত্রি গোলামকে বল সে আমাকে কিছু কাষ্ঠ-অর্থাৎ কাষ্ঠ-নির্মিত আসন তৈরি করে দিক। এর উপরে উঠে আমি মানুষের সামনে বক্তব্য পেশ করব। সে সময় আবূ হাযিম উক্ত মহিলার নামও উল্ল্যেখ করেছিলেন। সুতরাং ঐ মহিলার গোলাম এ তিন স্তর বিশিষ্ট মিম্বরটি তৈরি করে দিয়েছিল | আসনটি ছিল (মাদীনার) গাবাহ্‌ নামক বনের বন্য- ঝাউ কাঠ দিয়ে তৈরি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে তা এ স্থানে (মাসজিদে) স্থাপন করা হলো। সাহল্‌ ইবনু সা’দ বলেনঃ আমি দেখলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপর উঠে দাঁড়ালেন এবং তাকবীর বললেন সলাতের জন্য। তাঁর সাথে সাথে লোকেরাও তাকবীর বলল। এ সময় তিনি মিম্বর এর উপর ছিলেন। এরপর তিনি রুকু’ থেকে মাথা উঠালেন এবং পিছনের দিকে হেঁটে মিম্বার থেকে নামলেন এবং মিম্বারের গোড়াতেই (পাশেই) সাজদাহ্ করলেন। এরপর আবার গিয়ে মিম্বারে উঠলেন এবং এভাবে সলাত শেষ করে লোকদের দিকে ঘুরে বললেনঃ হে লোকজন; আমি এরূপ এজন্য করলাম যাতে তোমরা আমাকে অনুসরণ করতে পারো এবং আমি কিভাবে সলাত আদায় করি তা শিখে নিতে পার। (ই.ফা. ১০৯৭, ই.সে. ১১০৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن عبد العزيز، قال يحيى أخبرنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، أن نفرا، جاءوا إلى سهل بن سعد قد تماروا في المنبر من أى عود هو فقال أما والله إني لأعرف من أى عود هو ومن عمله ورأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أول يوم جلس عليه - قال - فقلت له يا أبا عباس فحدثنا ‏.‏ قال أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى امرأة قال أبو حازم إنه ليسميها يومئذ ‏"‏ انظري غلامك النجار يعمل لي أعوادا أكلم الناس عليها ‏"‏ ‏.‏ فعمل هذه الثلاث درجات ثم أمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فوضعت هذا الموضع فهى من طرفاء الغابة ‏.‏ ولقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قام عليه فكبر وكبر الناس وراءه وهو على المنبر ثم رفع فنزل القهقرى حتى سجد في أصل المنبر ثم عاد حتى فرغ من آخر صلاته ثم أقبل على الناس فقال ‏"‏ يا أيها الناس إني صنعت هذا لتأتموا بي ولتعلموا صلاتي ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00