সহিহ মুসলিম > মসজিদ নির্মাণের ফাযীলত এবং তার প্রতি উৎসাহ প্রদান

সহিহ মুসলিম ১০৭৭

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك فأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله ‏"‏ ‏.

মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেন) ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) মসজিদ নির্মাণ করতে মনস্থ করলে লোকজন তা করা পছন্দ করলো না। বরং মসজিদ যেমন আছে তেমন রেখে দেয়াই তারা ভাল মনে করলো। তখন ‘উসমান বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ মসজিদ নির্মাণ করলে আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ একখানা ঘর তৈরি করেন। (ই.ফা. ১০৭১, ই.সে. ১০৭৯)

মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেন) ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) মসজিদ নির্মাণ করতে মনস্থ করলে লোকজন তা করা পছন্দ করলো না। বরং মসজিদ যেমন আছে তেমন রেখে দেয়াই তারা ভাল মনে করলো। তখন ‘উসমান বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ মসজিদ নির্মাণ করলে আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ একখানা ঘর তৈরি করেন। (ই.ফা. ১০৭১, ই.সে. ১০৭৯)

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك فأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৬

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد الرسول صلى الله عليه وسلم ‏.‏ إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من بنى مسجدا لله تعالى - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله - بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن عيسى في روايته ‏"‏ مثله في الجنة ‏"‏ ‏.

‘উবায়দুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) যে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ করলেন এবং এ কারণে লোকজন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলো তখন ‘উবায়দুল্লাহ খাওলানী ‘উসমানকে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করবে, হাদীস বর্ণনাকারী বুকায়র বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন এর মাধ্যমে (মসজিদ নির্মাণ) যদি সে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। ইবনু ‘ঈসা তাঁর বর্ণনায় (জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ১০৭০, ই.সে. ১০৭৮)

‘উবায়দুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) যে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ করলেন এবং এ কারণে লোকজন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলো তখন ‘উবায়দুল্লাহ খাওলানী ‘উসমানকে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করবে, হাদীস বর্ণনাকারী বুকায়র বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন এর মাধ্যমে (মসজিদ নির্মাণ) যদি সে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। ইবনু ‘ঈসা তাঁর বর্ণনায় (জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ১০৭০, ই.সে. ১০৭৮)

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد الرسول صلى الله عليه وسلم ‏.‏ إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من بنى مسجدا لله تعالى - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله - بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن عيسى في روايته ‏"‏ مثله في الجنة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > রুকূর সময় দু’হাত হাঁটুতে রাখা উত্তম হওয়া এবং তাত্ববীক্ব(দু’ হাত জোড় করে দু’পায়ের মাঝখানে) রাখা রহিত হওয়া

সহিহ মুসলিম ১০৮০

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله فقال أصلى من خلفكم قالا نعم ‏.‏ فقام بينهما وجعل أحدهما عن يمينه والآخر عن شماله ثم ركعنا فوضعنا أيدينا على ركبنا فضرب أيدينا ثم طبق بين يديه ثم جعلهما بين فخذيه فلما صلى قال هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান আদ্ দারিমী (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (‘আলকামাহ্ ও আসওয়াদ) এক সময়ে ‘আবদুল্লাহর কাছে গেলে ‘আবদুল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, যারা (‘আমীর-উমারাগণ) থেকে গেল তারা কি সলাত আদায় করেছে? তারা বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি (‘আবদুল্লাহ) তাদের দু’জনের মাঝখানে দাঁড়ালেন। তখন তিনি তাদের দু’জনের একজনকে ডানে এবং অপরজনকে বামে দাঁড় করালেন। এরপর আমরা (তার সাথে) রুকূ’ করলাম। এতে তিনি আমাদের হাত আমাদের হাঁটুর উপর রাখলেন। তিনি আমাদের হাত ধরে তা পরস্পর মিলিয়ে (একত্রিত করে) দিয়ে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ১০৭৪, ই.সে. ১০৮২)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান আদ্ দারিমী (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (‘আলকামাহ্ ও আসওয়াদ) এক সময়ে ‘আবদুল্লাহর কাছে গেলে ‘আবদুল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, যারা (‘আমীর-উমারাগণ) থেকে গেল তারা কি সলাত আদায় করেছে? তারা বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি (‘আবদুল্লাহ) তাদের দু’জনের মাঝখানে দাঁড়ালেন। তখন তিনি তাদের দু’জনের একজনকে ডানে এবং অপরজনকে বামে দাঁড় করালেন। এরপর আমরা (তার সাথে) রুকূ’ করলাম। এতে তিনি আমাদের হাত আমাদের হাঁটুর উপর রাখলেন। তিনি আমাদের হাত ধরে তা পরস্পর মিলিয়ে (একত্রিত করে) দিয়ে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ১০৭৪, ই.সে. ১০৮২)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله فقال أصلى من خلفكم قالا نعم ‏.‏ فقام بينهما وجعل أحدهما عن يمينه والآخر عن شماله ثم ركعنا فوضعنا أيدينا على ركبنا فضرب أيدينا ثم طبق بين يديه ثم جعلهما بين فخذيه فلما صلى قال هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮২

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا أبو الأحوص، ح قال وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن أبي يعفور، بهذا الإسناد إلى قوله فنهينا عنه ‏.‏ ولم يذكرا ما بعده ‏.

আবূ ইয়া’ফুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ একই সানাদে (উপরে বর্ণিত হাদীসটি) “ফানুহীনা ‘আনহু” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়েই (ফানুহীনা ‘আনহু) পরবর্তী অংশটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৭৬, ই.সে. ১০৮৪)

আবূ ইয়া’ফুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ একই সানাদে (উপরে বর্ণিত হাদীসটি) “ফানুহীনা ‘আনহু” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়েই (ফানুহীনা ‘আনহু) পরবর্তী অংশটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৭৬, ই.সে. ১০৮৪)

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا أبو الأحوص، ح قال وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن أبي يعفور، بهذا الإسناد إلى قوله فنهينا عنه ‏.‏ ولم يذكرا ما بعده ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد، قال ركعت فقلت بيدى هكذا - يعني طبق بهما ووضعهما بين فخذيه - فقال أبي قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا بالركب ‏.

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (কোন এক সময়ে সলাত আদায় করতে) আমি রুকূ’তে গিয়ে হাত দু’টি একত্রে মিলিয়ে দু’ উরুর মাঝে রাখলাম। তখন আমার পিতা আমাকে বললেন, আমরাও এরূপ করতাম। কিন্তু এরপর আমাদেরকে হাঁটুর উপর হাত রাখতে আদেশ করা হয়েছে। (ইফা ১০৭৭, ইসে ১০৮৫)

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (কোন এক সময়ে সলাত আদায় করতে) আমি রুকূ’তে গিয়ে হাত দু’টি একত্রে মিলিয়ে দু’ উরুর মাঝে রাখলাম। তখন আমার পিতা আমাকে বললেন, আমরাও এরূপ করতাম। কিন্তু এরপর আমাদেরকে হাঁটুর উপর হাত রাখতে আদেশ করা হয়েছে। (ইফা ১০৭৭, ইসে ১০৮৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد، قال ركعت فقلت بيدى هكذا - يعني طبق بهما ووضعهما بين فخذيه - فقال أبي قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا بالركب ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮১

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري - واللفظ لقتيبة - قالا حدثنا أبو عوانة، عن أبي يعفور، عن مصعب بن سعد، قال صليت إلى جنب أبي قال وجعلت يدى بين ركبتى فقال لي أبي اضرب بكفيك على ركبتيك ‏.‏ قال ثم فعلت ذلك مرة أخرى فضرب يدى وقال إنا نهينا عن هذا وأمرنا أن نضرب بالأكف على الركب ‏.

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, ঐ সময় (পিতার সাথে সলাত আদায়ের সময়) আমি আমার হাত দু’টি দু’ হাঁটুর মাঝখানে রাখলে আমার পিতা আমাকে বললেন, তোমার হাত দু’টি হাঁটুর উপর রাখো। কিন্তু আবারও ঐ রকম করলে তিনি আমার হাত দু’টি ধরে বললেন, আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাতের তালু হাঁটুর উপর রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৫, ই.সে. ১০৮৩)

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, ঐ সময় (পিতার সাথে সলাত আদায়ের সময়) আমি আমার হাত দু’টি দু’ হাঁটুর মাঝখানে রাখলে আমার পিতা আমাকে বললেন, তোমার হাত দু’টি হাঁটুর উপর রাখো। কিন্তু আবারও ঐ রকম করলে তিনি আমার হাত দু’টি ধরে বললেন, আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাতের তালু হাঁটুর উপর রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৫, ই.সে. ১০৮৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري - واللفظ لقتيبة - قالا حدثنا أبو عوانة، عن أبي يعفور، عن مصعب بن سعد، قال صليت إلى جنب أبي قال وجعلت يدى بين ركبتى فقال لي أبي اضرب بكفيك على ركبتيك ‏.‏ قال ثم فعلت ذلك مرة أخرى فضرب يدى وقال إنا نهينا عن هذا وأمرنا أن نضرب بالأكف على الركب ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৯

وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح قال وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، كلهم عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله ‏.‏ بمعنى حديث أبي معاوية ‏.‏ وفي حديث ابن مسهر وجرير فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو راكع ‏.

মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) -এর কাছে গেলেন। এরপর তারা মু’আবিয়াহ্ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে ইবনু মুসহির ও জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করা হয়েছে যে, এ মুহূর্তে আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরস্পর বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে রাখা আঙ্গুলগুলো দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি রুকূ‘ অবস্থায় আছেন। (ই.ফা. ১০৭৩, ই.সে. ১০৮১)

মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) -এর কাছে গেলেন। এরপর তারা মু’আবিয়াহ্ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে ইবনু মুসহির ও জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করা হয়েছে যে, এ মুহূর্তে আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরস্পর বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে রাখা আঙ্গুলগুলো দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি রুকূ‘ অবস্থায় আছেন। (ই.ফা. ১০৭৩, ই.সে. ১০৮১)

وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح قال وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، كلهم عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله ‏.‏ بمعنى حديث أبي معاوية ‏.‏ وفي حديث ابن مسهر وجرير فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو راكع ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৮

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني أبو كريب، قال حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، وعلقمة، قالا أتينا عبد الله بن مسعود في داره فقال أصلى هؤلاء خلفكم فقلنا لا ‏.‏ قال فقوموا فصلوا ‏.‏ فلم يأمرنا بأذان ولا إقامة - قال - وذهبنا لنقوم خلفه فأخذ بأيدينا فجعل أحدنا عن يمينه والآخر عن شماله - قال - فلما ركع وضعنا أيدينا على ركبنا - قال - فضرب أيدينا وطبق بين كفيه ثم أدخلهما بين فخذيه - قال - فلما صلى قال إنه ستكون عليكم أمراء يؤخرون الصلاة عن ميقاتها ويخنقونها إلى شرق الموتى فإذا رأيتموهم قد فعلوا ذلك فصلوا الصلاة لميقاتها واجعلوا صلاتكم معهم سبحة وإذا كنتم ثلاثة فصلوا جميعا وإذا كنتم أكثر من ذلك فليؤمكم أحدكم وإذا ركع أحدكم فليفرش ذراعيه على فخذيه وليجنأ وليطبق بين كفيه فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأراهم ‏.

আসওয়াদ ও ‘আলক্বামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) বলেছেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) -এর বাড়িতে তার কাছে গেলাম। তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, এসব আমীর-উমারাহ্ এবং তাদের অনুসারীগণ যারা তোমাদের পেছনে রয়েছে তারা কি সলাত আদায় করেছে? জবাবে আমরা বললাম, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে উঠে সলাত আদায় করে নাও। (কারণ সলাতের সময় হয়ে গিয়েছে)। কিন্তু তিনি আমাদেরকে আযান কিংবা একামত দিতে বললেন না। [২] বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, সলাত আদায়ের জন্য আমরা তার পিছনে দাঁড়াতে গেলে তিনি আমাদের একজনকে ধরে তার ডানপাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন এবং অপরজনকে বাঁ পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন। [৩] তিনি রুকূ’তে গেলে আমরাও রুকূতে গিয়ে হাঁটুর উপর আমাদের হাত রাখলাম। তখন তিনি আমাদের হাত ধরলেন এবং হাতের দু’তালু একত্রিত করে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। পরে সলাত শেষে বললেন, অচিরেই এমন সব আমীর –উমারাহ্ ও ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গের আবির্ভাব ঘটবে যারা সময়মত সলাত না পড়ে বিলম্ব করবে এবং সলাতের সময় এত সংকীর্ণ করে ফেলবে যে, সূর্য অস্তমিত প্রায় হয়ে যাবে। তাদেরকে এরূপ করতে দেখলে তোমরা সময়মত সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে পুনরায় নফল হিসেবে পড়ে নিবে (ইমামকে মাঝখানে রেখে)। তিনের অধিকজন থাকলে একজন ইমাম হবে (সামনে দাঁড়াবে) আর রুকূ’ করার সময় দু’হাত উরুর উপর রেখে রুকূ’তে যাবে এবং উভয় (হাতের) তালু একত্রিত করে দু’ উরুর মাঝখানে রাখবে। (এসব কথা বলার পর তিনি বললেন, এ মুহূর্তে) আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক হাতের অঙ্গুলি অপর হাতের অঙ্গুলিতে ঢুকাতে দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি তা তাদেরকে দেখালেন। (ই.ফা. ১০৭২, ই.সে. ১০৮০)

আসওয়াদ ও ‘আলক্বামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) বলেছেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) -এর বাড়িতে তার কাছে গেলাম। তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, এসব আমীর-উমারাহ্ এবং তাদের অনুসারীগণ যারা তোমাদের পেছনে রয়েছে তারা কি সলাত আদায় করেছে? জবাবে আমরা বললাম, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে উঠে সলাত আদায় করে নাও। (কারণ সলাতের সময় হয়ে গিয়েছে)। কিন্তু তিনি আমাদেরকে আযান কিংবা একামত দিতে বললেন না। [২] বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, সলাত আদায়ের জন্য আমরা তার পিছনে দাঁড়াতে গেলে তিনি আমাদের একজনকে ধরে তার ডানপাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন এবং অপরজনকে বাঁ পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন। [৩] তিনি রুকূ’তে গেলে আমরাও রুকূতে গিয়ে হাঁটুর উপর আমাদের হাত রাখলাম। তখন তিনি আমাদের হাত ধরলেন এবং হাতের দু’তালু একত্রিত করে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। পরে সলাত শেষে বললেন, অচিরেই এমন সব আমীর –উমারাহ্ ও ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গের আবির্ভাব ঘটবে যারা সময়মত সলাত না পড়ে বিলম্ব করবে এবং সলাতের সময় এত সংকীর্ণ করে ফেলবে যে, সূর্য অস্তমিত প্রায় হয়ে যাবে। তাদেরকে এরূপ করতে দেখলে তোমরা সময়মত সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে পুনরায় নফল হিসেবে পড়ে নিবে (ইমামকে মাঝখানে রেখে)। তিনের অধিকজন থাকলে একজন ইমাম হবে (সামনে দাঁড়াবে) আর রুকূ’ করার সময় দু’হাত উরুর উপর রেখে রুকূ’তে যাবে এবং উভয় (হাতের) তালু একত্রিত করে দু’ উরুর মাঝখানে রাখবে। (এসব কথা বলার পর তিনি বললেন, এ মুহূর্তে) আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক হাতের অঙ্গুলি অপর হাতের অঙ্গুলিতে ঢুকাতে দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি তা তাদেরকে দেখালেন। (ই.ফা. ১০৭২, ই.সে. ১০৮০)

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني أبو كريب، قال حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، وعلقمة، قالا أتينا عبد الله بن مسعود في داره فقال أصلى هؤلاء خلفكم فقلنا لا ‏.‏ قال فقوموا فصلوا ‏.‏ فلم يأمرنا بأذان ولا إقامة - قال - وذهبنا لنقوم خلفه فأخذ بأيدينا فجعل أحدنا عن يمينه والآخر عن شماله - قال - فلما ركع وضعنا أيدينا على ركبنا - قال - فضرب أيدينا وطبق بين كفيه ثم أدخلهما بين فخذيه - قال - فلما صلى قال إنه ستكون عليكم أمراء يؤخرون الصلاة عن ميقاتها ويخنقونها إلى شرق الموتى فإذا رأيتموهم قد فعلوا ذلك فصلوا الصلاة لميقاتها واجعلوا صلاتكم معهم سبحة وإذا كنتم ثلاثة فصلوا جميعا وإذا كنتم أكثر من ذلك فليؤمكم أحدكم وإذا ركع أحدكم فليفرش ذراعيه على فخذيه وليجنأ وليطبق بين كفيه فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأراهم ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৪

حدثني الحكم بن موسى، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص، قال صليت إلى جنب أبي فلما ركعت شبكت أصابعي وجعلتهما بين ركبتى فضرب يدى فلما صلى قال قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا أن نرفع إلى الركب ‏.

মুস’আব ইবনু সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার পিতা [সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ]-এর পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। রুকূ’তে গিয়ে আমি এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অন্য হাতের আঙ্গুলসমূহের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে হাত দু’টি হাঁটুর মাঝে রাখলে তিনি আমার হাতে মৃদু আঘাত করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, প্রথমে আমরা এরূপই করতাম। কিন্তু পরে আমাদেরকে হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৮, ই.সে. ১০৮৬)

মুস’আব ইবনু সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার পিতা [সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ]-এর পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। রুকূ’তে গিয়ে আমি এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অন্য হাতের আঙ্গুলসমূহের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে হাত দু’টি হাঁটুর মাঝে রাখলে তিনি আমার হাতে মৃদু আঘাত করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, প্রথমে আমরা এরূপই করতাম। কিন্তু পরে আমাদেরকে হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৮, ই.সে. ১০৮৬)

حدثني الحكم بن موسى، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص، قال صليت إلى جنب أبي فلما ركعت شبكت أصابعي وجعلتهما بين ركبتى فضرب يدى فلما صلى قال قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا أن نرفع إلى الركب ‏.


সহিহ মুসলিম > গোড়ালির উপর নিতম্ব রেখে বসা

সহিহ মুসলিম ১০৮৫

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، ح قال وحدثنا حسن الحلواني، حدثنا عبد الرزاق، - وتقاربا في اللفظ - قالا جميعا أخبرنا ابن جريج أخبرني أبو الزبير أنه سمع طاوسا يقول قلنا لابن عباس في الإقعاء على القدمين فقال هي السنة ‏.‏ فقلنا له إنا لنراه جفاء بالرجل ‏.‏ فقال ابن عباس بل هي سنة نبيك صلى الله عليه وسلم ‏.

ত্বাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে দু’পায়ের উপর নিতম্ব রেখে বসা (ইক্ব’আ করা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এরূপ করা সুন্নাত। (এ কথা শুনে) আমি তাকে বললাম, এভাবে বসা তো মানুষের জন্য কষ্টকর। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস বললেন, এটা তো বরং তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সুন্নাত। (ই.ফা. ১০৭৯, ই.সে. ১০৮৭)

ত্বাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে দু’পায়ের উপর নিতম্ব রেখে বসা (ইক্ব’আ করা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এরূপ করা সুন্নাত। (এ কথা শুনে) আমি তাকে বললাম, এভাবে বসা তো মানুষের জন্য কষ্টকর। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস বললেন, এটা তো বরং তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সুন্নাত। (ই.ফা. ১০৭৯, ই.সে. ১০৮৭)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا محمد بن بكر، ح قال وحدثنا حسن الحلواني، حدثنا عبد الرزاق، - وتقاربا في اللفظ - قالا جميعا أخبرنا ابن جريج أخبرني أبو الزبير أنه سمع طاوسا يقول قلنا لابن عباس في الإقعاء على القدمين فقال هي السنة ‏.‏ فقلنا له إنا لنراه جفاء بالرجل ‏.‏ فقال ابن عباس بل هي سنة نبيك صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম > সলাতে কথা বলা নিষেধ এবং এর পূর্ব অনুমতির বিধান রহিতকরণ

সহিহ মুসলিম ১০৮৯

حدثني ابن نمير، حدثني إسحاق بن منصور السلولي، حدثنا هريم بن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৩, ই.সে. ১০৯১)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৩, ই.সে. ১০৯১)

حدثني ابن نمير، حدثني إسحاق بن منصور السلولي، حدثنا هريم بن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الحارث بن شبيل، عن أبي عمرو الشيباني، عن زيد بن أرقم، قال كنا نتكلم في الصلاة يكلم الرجل صاحبه وهو إلى جنبه في الصلاة حتى نزلت ‏{‏ وقوموا لله قانتين‏}‏ فأمرنا بالسكوت ونهينا عن الكلام ‏.

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সলাতরত অবস্থায় কথা বলতাম। লোকে সলাতরত অবস্থায় তার পাশে (সলাতে) দাঁড়ানো অপর ব্যক্তির সাথে কথা বলত। এরপর আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ (আরবি) “আর তোমরা আল্লাহর প্রতি পূর্ণ অনুগত ও একনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়াও” – (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৩৮)। এ হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার পর আমাদেরকে সলাতের মধ্যে চুপ থাকতে আদেশ দেয়া হলো এবং কথা বলতে নিষেধ করা হলো। (ই.ফা. ১০৮৪, ই.সে. ১০৯২)

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সলাতরত অবস্থায় কথা বলতাম। লোকে সলাতরত অবস্থায় তার পাশে (সলাতে) দাঁড়ানো অপর ব্যক্তির সাথে কথা বলত। এরপর আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ (আরবি) “আর তোমরা আল্লাহর প্রতি পূর্ণ অনুগত ও একনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়াও” – (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২ : ২৩৮)। এ হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার পর আমাদেরকে সলাতের মধ্যে চুপ থাকতে আদেশ দেয়া হলো এবং কথা বলতে নিষেধ করা হলো। (ই.ফা. ১০৮৪, ই.সে. ১০৯২)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الحارث بن شبيل، عن أبي عمرو الشيباني، عن زيد بن أرقم، قال كنا نتكلم في الصلاة يكلم الرجل صاحبه وهو إلى جنبه في الصلاة حتى نزلت ‏{‏ وقوموا لله قانتين‏}‏ فأمرنا بالسكوت ونهينا عن الكلام ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا ابن فضيل، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنا نسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة فيرد علينا فلما رجعنا من عند النجاشي سلمنا عليه فلم يرد علينا فقلنا يا رسول الله كنا نسلم عليك في الصلاة فترد علينا ‏.‏ فقال ‏ "‏ إن في الصلاة شغلا ‏"‏ ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতেন সে অবস্থায় আমরা তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জবাব দিতেন কিন্তু (হাবশায় হিজরাতের পর) নাজাশীর কাছ থেকে আমরা ফিরে এসে তাঁকে (সলাতরত অবস্থায়) সালাম দিলে তিনি জবাব দিলেন না। তখন (সলাত শেষে) আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি সলাত আদায় করতেন এমন অবস্থায় আমরা আপনাকে সালাম দিলে তার জবাব দিতেন। (কিন্তু আজকে আমাদের সালামের জবাব দিলেন না!) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সলাতের মধ্যে নির্ধারিত করণীয় থাকে।[৫] (ই.ফা. ১০৮২, ই.সে. ১০৯০)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করতেন সে অবস্থায় আমরা তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জবাব দিতেন কিন্তু (হাবশায় হিজরাতের পর) নাজাশীর কাছ থেকে আমরা ফিরে এসে তাঁকে (সলাতরত অবস্থায়) সালাম দিলে তিনি জবাব দিলেন না। তখন (সলাত শেষে) আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি সলাত আদায় করতেন এমন অবস্থায় আমরা আপনাকে সালাম দিলে তার জবাব দিতেন। (কিন্তু আজকে আমাদের সালামের জবাব দিলেন না!) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সলাতের মধ্যে নির্ধারিত করণীয় থাকে।[৫] (ই.ফা. ১০৮২, ই.সে. ১০৯০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا ابن فضيل، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنا نسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة فيرد علينا فلما رجعنا من عند النجاشي سلمنا عليه فلم يرد علينا فقلنا يا رسول الله كنا نسلم عليك في الصلاة فترد علينا ‏.‏ فقال ‏ "‏ إن في الصلاة شغلا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ووكيع، ح قال وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد نحوه ‏.

ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)

ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ووكيع، ح قال وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৭

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، بهذا الإسناد نحوه ‏.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮১, ই.সে. ১০৮৯)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ কাসীর থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮১, ই.সে. ১০৮৯)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، بهذا الإسناد نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৬

حدثنا أبو جعفر، محمد بن الصباح وأبو بكر بن أبي شيبة - وتقاربا في لفظ الحديث - قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن حجاج الصواف، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال بينا أنا أصلي، مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ عطس رجل من القوم فقلت يرحمك الله ‏.‏ فرماني القوم بأبصارهم فقلت واثكل أمياه ما شأنكم تنظرون إلى ‏.‏ فجعلوا يضربون بأيديهم على أفخاذهم فلما رأيتهم يصمتونني لكني سكت فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبأبي هو وأمي ما رأيت معلما قبله ولا بعده أحسن تعليما منه فوالله ما كهرني ولا ضربني ولا شتمني قال ‏"‏ إن هذه الصلاة لا يصلح فيها شىء من كلام الناس إنما هو التسبيح والتكبير وقراءة القرآن ‏"‏ ‏.‏ أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله إني حديث عهد بجاهلية وقد جاء الله بالإسلام وإن منا رجالا يأتون الكهان ‏.‏ قال ‏"‏ فلا تأتهم ‏"‏ ‏.‏ قال ومنا رجال يتطيرون ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك شىء يجدونه في صدورهم فلا يصدنهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن الصباح ‏"‏ فلا يصدنكم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ومنا رجال يخطون ‏.‏ قال ‏"‏ كان نبي من الأنبياء يخط فمن وافق خطه فذاك ‏"‏ ‏.‏ قال وكانت لي جارية ترعى غنما لي قبل أحد والجوانية فاطلعت ذات يوم فإذا الذيب قد ذهب بشاة من غنمها وأنا رجل من بني آدم آسف كما يأسفون لكني صككتها صكة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعظم ذلك على قلت يا رسول الله أفلا أعتقها قال ‏"‏ ائتني بها ‏"‏ ‏.‏ فأتيته بها فقال لها ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ قالت في السماء ‏.‏ قال ‏"‏ من أنا ‏"‏ ‏.‏ قالت أنت رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏ ‏.

মু’আবিয়াহ্ ইবনুল হাকাম আস্ সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সময় আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করছিলামভ। ইতোমধ্যে (সলাত আদায়কারীদের মধ্যে) কোন একজন লোক হাঁচি দিলে (জবাবে) আমি “ইয়ার্হামুকাল্ল-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন) বললাম। এতে সবাই রুষ্ট দৃষ্টিতে আমার প্রতি তাকাতে থাকল। তা দেখে আমি বললামঃ আমার মা আমার বিয়োগ ব্যথায় কাতর হোক। (অর্থাৎ-এভাবে আমি নিজেকে ভৎসনা করলাম)। কি ব্যাপার! তোমরা আমার দিকে এভাবে তাকাচ্ছ যে? তখন তারা নিজ নিজ উরুতে হাত চাপড়াতে থাকল। (আমার খুব রাগ হওয়া সত্ত্বেও) আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চায় তখন আমি চুপ করে রইলাম। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করলে আমি তাঁকে সবকিছু বললাম। আমার পিতা ও মাতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। আমি ইতোপূর্বে বা এর পরে আর কখনো অন্য কোন শিক্ষককে তাঁর চেয়ে উত্তম পন্থায় শিক্ষা দিতে দেখিনি। আল্লাহর শপথ করে বলছি, তিনি আমাকে ধমকালেন না বা মারলেন না কিংবা বকাঝকাও করলেন না। বরং বললেনঃ সলাতের মধ্যে কথাবার্তা ধরণের কিছু বলা যথোচিত নয়। বরং প্রয়োজনবশতঃ তাসবীহ, তাকবীর বা কুরআন পাঠ করতে হবে অথবা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ বলেছেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমি সবেমাত্র জাহিলিয়াত বর্জন করেছি এবং এরপর আল্লাহ আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক দিয়েছেন। আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা গণকদের কথায় বিশ্বাস করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এ কথা শুনে) বললেনঃ তুমি গণকদের কাছে যেয়ো না। সে বললঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা শুভ অশুভ লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে। তিনি বললেনঃ এটা তাদের হৃদয়ের বদ্ধমূল বিশ্বাস। এটি তাদেরকে (ভাল কাজ করতে) বাধা না দেয়। হাদীস বর্ণনাকারী সাববাহ বলেছেন, তা যেন তোমাকে বাধা না দেয়। লোকটি বর্ণনা করেছেন- আমি আবারও বললামঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা রেখা টেনে শুভ-অশুভ নির্ধারণ করে থাকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একজন নবী এভাবে রেখা টানতেন। সুতরাং কারো রেখা যদি (নাবীর রেখা) অনুরূপ হয় তাহলে তা ঠিক হবে।[৪] বর্ণনাকারী মু’আবিয়াহ্ বলেন, আমার এক দাসী ছিল সে উহুদ ও জাও্ওয়ানিয়্যাহ্ এলাকায় আমার বকরীপাল চরাত। একদিন আমি হঠাৎ সেখানে গিয়ে দেখলাম তার বকরীপাল থেকে বাঘে একটি বকরী নিয়ে গিয়েছে। আমি তো অন্যান্য আদম সন্তানের মত একজন মানুষ। তাদের মত আমিও ক্ষোভ ও চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম (এবং সব কথা বললাম) কেননা বিষয়টি আমার কাছে খুবই গুরুতর মনে হলো। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তাকে (দাসী) মুক্ত করে দিব? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। সুতরাং আমি তাকে এনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে হাজির করলাম। তিনি তাঁকে (দাসীকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ (বলো তো) আল্লাহ কোথায়? সে বলল- আকাশে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (বলো তো) আমি কে? সে বললঃ আপনি আল্লাহর রসূল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি তাকে মুক্ত করে দাও, সে একজন মু’মিনাহ্ নারী। (ই.ফা. ১০৮০, ই.সে. ১০৮৮)

মু’আবিয়াহ্ ইবনুল হাকাম আস্ সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সময় আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করছিলামভ। ইতোমধ্যে (সলাত আদায়কারীদের মধ্যে) কোন একজন লোক হাঁচি দিলে (জবাবে) আমি “ইয়ার্হামুকাল্ল-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন) বললাম। এতে সবাই রুষ্ট দৃষ্টিতে আমার প্রতি তাকাতে থাকল। তা দেখে আমি বললামঃ আমার মা আমার বিয়োগ ব্যথায় কাতর হোক। (অর্থাৎ-এভাবে আমি নিজেকে ভৎসনা করলাম)। কি ব্যাপার! তোমরা আমার দিকে এভাবে তাকাচ্ছ যে? তখন তারা নিজ নিজ উরুতে হাত চাপড়াতে থাকল। (আমার খুব রাগ হওয়া সত্ত্বেও) আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চায় তখন আমি চুপ করে রইলাম। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষ করলে আমি তাঁকে সবকিছু বললাম। আমার পিতা ও মাতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। আমি ইতোপূর্বে বা এর পরে আর কখনো অন্য কোন শিক্ষককে তাঁর চেয়ে উত্তম পন্থায় শিক্ষা দিতে দেখিনি। আল্লাহর শপথ করে বলছি, তিনি আমাকে ধমকালেন না বা মারলেন না কিংবা বকাঝকাও করলেন না। বরং বললেনঃ সলাতের মধ্যে কথাবার্তা ধরণের কিছু বলা যথোচিত নয়। বরং প্রয়োজনবশতঃ তাসবীহ, তাকবীর বা কুরআন পাঠ করতে হবে অথবা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ বলেছেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমি সবেমাত্র জাহিলিয়াত বর্জন করেছি এবং এরপর আল্লাহ আমাকে ইসলাম গ্রহণের তাওফীক দিয়েছেন। আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা গণকদের কথায় বিশ্বাস করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এ কথা শুনে) বললেনঃ তুমি গণকদের কাছে যেয়ো না। সে বললঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা শুভ অশুভ লক্ষণ নির্ধারণ করে থাকে। তিনি বললেনঃ এটা তাদের হৃদয়ের বদ্ধমূল বিশ্বাস। এটি তাদেরকে (ভাল কাজ করতে) বাধা না দেয়। হাদীস বর্ণনাকারী সাববাহ বলেছেন, তা যেন তোমাকে বাধা না দেয়। লোকটি বর্ণনা করেছেন- আমি আবারও বললামঃ আমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে যারা রেখা টেনে শুভ-অশুভ নির্ধারণ করে থাকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একজন নবী এভাবে রেখা টানতেন। সুতরাং কারো রেখা যদি (নাবীর রেখা) অনুরূপ হয় তাহলে তা ঠিক হবে।[৪] বর্ণনাকারী মু’আবিয়াহ্ বলেন, আমার এক দাসী ছিল সে উহুদ ও জাও্ওয়ানিয়্যাহ্ এলাকায় আমার বকরীপাল চরাত। একদিন আমি হঠাৎ সেখানে গিয়ে দেখলাম তার বকরীপাল থেকে বাঘে একটি বকরী নিয়ে গিয়েছে। আমি তো অন্যান্য আদম সন্তানের মত একজন মানুষ। তাদের মত আমিও ক্ষোভ ও চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসলাম (এবং সব কথা বললাম) কেননা বিষয়টি আমার কাছে খুবই গুরুতর মনে হলো। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি কি তাকে (দাসী) মুক্ত করে দিব? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। সুতরাং আমি তাকে এনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে হাজির করলাম। তিনি তাঁকে (দাসীকে) জিজ্ঞেস করলেনঃ (বলো তো) আল্লাহ কোথায়? সে বলল- আকাশে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (বলো তো) আমি কে? সে বললঃ আপনি আল্লাহর রসূল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি তাকে মুক্ত করে দাও, সে একজন মু’মিনাহ্ নারী। (ই.ফা. ১০৮০, ই.সে. ১০৮৮)

حدثنا أبو جعفر، محمد بن الصباح وأبو بكر بن أبي شيبة - وتقاربا في لفظ الحديث - قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن حجاج الصواف، عن يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال بينا أنا أصلي، مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ عطس رجل من القوم فقلت يرحمك الله ‏.‏ فرماني القوم بأبصارهم فقلت واثكل أمياه ما شأنكم تنظرون إلى ‏.‏ فجعلوا يضربون بأيديهم على أفخاذهم فلما رأيتهم يصمتونني لكني سكت فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبأبي هو وأمي ما رأيت معلما قبله ولا بعده أحسن تعليما منه فوالله ما كهرني ولا ضربني ولا شتمني قال ‏"‏ إن هذه الصلاة لا يصلح فيها شىء من كلام الناس إنما هو التسبيح والتكبير وقراءة القرآن ‏"‏ ‏.‏ أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت يا رسول الله إني حديث عهد بجاهلية وقد جاء الله بالإسلام وإن منا رجالا يأتون الكهان ‏.‏ قال ‏"‏ فلا تأتهم ‏"‏ ‏.‏ قال ومنا رجال يتطيرون ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك شىء يجدونه في صدورهم فلا يصدنهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن الصباح ‏"‏ فلا يصدنكم ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ومنا رجال يخطون ‏.‏ قال ‏"‏ كان نبي من الأنبياء يخط فمن وافق خطه فذاك ‏"‏ ‏.‏ قال وكانت لي جارية ترعى غنما لي قبل أحد والجوانية فاطلعت ذات يوم فإذا الذيب قد ذهب بشاة من غنمها وأنا رجل من بني آدم آسف كما يأسفون لكني صككتها صكة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعظم ذلك على قلت يا رسول الله أفلا أعتقها قال ‏"‏ ائتني بها ‏"‏ ‏.‏ فأتيته بها فقال لها ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ قالت في السماء ‏.‏ قال ‏"‏ من أنا ‏"‏ ‏.‏ قالت أنت رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني لحاجة ثم أدركته وهو يسير - قال قتيبة يصلي - فسلمت عليه فأشار إلى فلما فرغ دعاني فقال ‏ "‏ إنك سلمت آنفا وأنا أصلي ‏"‏ ‏.‏ وهو موجه حينئذ قبل المشرق ‏.

জাবির ইবনূ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম সওয়ারীতে আরোহণ করে (নাফ্ল সলাত আদায়রত) অতিক্রম করেছেন। কুতায়বাহ্ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করছিলেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি (ফিরে আসার পর ঐ অবস্থায়) তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইশারা করলেন (ইশারা দ্বারা সালামের জবাব দিলেন)। সলাত শেষ করে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেনঃ তুমি এইমাত্র আমাকে সালাম দিয়েছ। তখন আমি সলাত আদায় করছিলাম। ঐ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৬, ই.সে. ১০৯৪)

জাবির ইবনূ ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম সওয়ারীতে আরোহণ করে (নাফ্ল সলাত আদায়রত) অতিক্রম করেছেন। কুতায়বাহ্ বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করছিলেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি (ফিরে আসার পর ঐ অবস্থায়) তাঁকে সালাম দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইশারা করলেন (ইশারা দ্বারা সালামের জবাব দিলেন)। সলাত শেষ করে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেনঃ তুমি এইমাত্র আমাকে সালাম দিয়েছ। তখন আমি সলাত আদায় করছিলাম। ঐ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৬, ই.সে. ১০৯৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني لحاجة ثم أدركته وهو يسير - قال قتيبة يصلي - فسلمت عليه فأشار إلى فلما فرغ دعاني فقال ‏ "‏ إنك سلمت آنفا وأنا أصلي ‏"‏ ‏.‏ وهو موجه حينئذ قبل المشرق ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৩

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثني أبو الزبير، عن جابر، قال أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو منطلق إلى بني المصطلق فأتيته وهو يصلي على بعيره فكلمته فقال لي بيده هكذا - وأومأ زهير بيده - ثم كلمته فقال لي هكذا - فأومأ زهير أيضا بيده نحو الأرض - وأنا أسمعه يقرأ يومئ برأسه فلما فرغ قال ‏ "‏ ما فعلت في الذي أرسلتك له فإنه لم يمنعني أن أكلمك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.‏ قال زهير وأبو الزبير جالس مستقبل الكعبة فقال بيده أبو الزبير إلى بني المصطلق فقال بيده إلى غير الكعبة ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানী মুস্ত্বালিক্ব গোত্রের দিকে যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটের পিঠে বসে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে বললাম (অর্থাৎ- যে কাজে পাঠিয়েছিলেন সে সম্পর্কে) কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে হাত দ্বারা এভাবে ইশারা করলেন। বর্ণনাকারী যুহায়র ইবনু হারয্ তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ] কিভাবে ইশারা করেছিলেন তা দেখালেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি তখন শুনেছিলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু পড়ছেন এবং মাথা দ্বারা ইশারা করছেন। সলাত শেষ হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি তোমাকে যে জন্য পাঠিয়েছিলাম তার কি করেছ? আমি শুধু এ কারনে তোমার সাথে কথা বলিনি যে, আমি তখন সলাত আদায় করেছিলাম। হাদীসটির বর্ণনাকারী যুহ্য়র ইবনু হার্ব (রহঃ) বলেনঃ কথাগুলো বলার সময় আবুয্ যুবায়র কা’বার দিকে মুখ করে বসে ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি (আবুয্ যুবায়র) হাত দিয়ে ইশারা দেখাচ্ছিলেন তখন কা’বার দিকে মুখ না করে বানী মুস্তালিকের দিকে মুখ করে বলছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৭, ই.সে. ১০৯৫)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানী মুস্ত্বালিক্ব গোত্রের দিকে যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটের পিঠে বসে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে বললাম (অর্থাৎ- যে কাজে পাঠিয়েছিলেন সে সম্পর্কে) কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে হাত দ্বারা এভাবে ইশারা করলেন। বর্ণনাকারী যুহায়র ইবনু হারয্ তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে [তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ] কিভাবে ইশারা করেছিলেন তা দেখালেন। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেনঃ আমি তখন শুনেছিলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু পড়ছেন এবং মাথা দ্বারা ইশারা করছেন। সলাত শেষ হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি তোমাকে যে জন্য পাঠিয়েছিলাম তার কি করেছ? আমি শুধু এ কারনে তোমার সাথে কথা বলিনি যে, আমি তখন সলাত আদায় করেছিলাম। হাদীসটির বর্ণনাকারী যুহ্য়র ইবনু হার্ব (রহঃ) বলেনঃ কথাগুলো বলার সময় আবুয্ যুবায়র কা’বার দিকে মুখ করে বসে ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি (আবুয্ যুবায়র) হাত দিয়ে ইশারা দেখাচ্ছিলেন তখন কা’বার দিকে মুখ না করে বানী মুস্তালিকের দিকে মুখ করে বলছিলেন। (ই.ফা. ১০৮৭, ই.সে. ১০৯৫)

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثني أبو الزبير، عن جابر، قال أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو منطلق إلى بني المصطلق فأتيته وهو يصلي على بعيره فكلمته فقال لي بيده هكذا - وأومأ زهير بيده - ثم كلمته فقال لي هكذا - فأومأ زهير أيضا بيده نحو الأرض - وأنا أسمعه يقرأ يومئ برأسه فلما فرغ قال ‏ "‏ ما فعلت في الذي أرسلتك له فإنه لم يمنعني أن أكلمك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.‏ قال زهير وأبو الزبير جالس مستقبل الكعبة فقال بيده أبو الزبير إلى بني المصطلق فقال بيده إلى غير الكعبة ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৪

حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد بن زيد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فبعثني في حاجة فرجعت وهو يصلي على راحلته ووجهه على غير القبلة فسلمت عليه فلم يرد على فلما انصرف قال ‏ "‏ إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখতে পেলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর পিছে বসে কিবলাহ্ ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম। কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সালামের কোন জবাব দিলেন না। সলাত শেষ করে বললেনঃ আমি সলাত আদায় করছিলাম তাই তোমার সালামের কোন জবাব দিতে পারিনি। এছাড়া আর কিছুই আমাকে তোমার সালামের জবাব দেয়া থেকে বিরত রাখেনি। (ই.ফা. ১০৮৮, ই.সে. ১০৯৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখতে পেলাম তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সওয়ারীর পিছে বসে কিবলাহ্ ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন। আমি তাঁকে সালাম দিলাম। কিন্তু তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সালামের কোন জবাব দিলেন না। সলাত শেষ করে বললেনঃ আমি সলাত আদায় করছিলাম তাই তোমার সালামের কোন জবাব দিতে পারিনি। এছাড়া আর কিছুই আমাকে তোমার সালামের জবাব দেয়া থেকে বিরত রাখেনি। (ই.ফা. ১০৮৮, ই.সে. ১০৯৬)

حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد بن زيد، عن كثير، عن عطاء، عن جابر، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فبعثني في حاجة فرجعت وهو يصلي على راحلته ووجهه على غير القبلة فسلمت عليه فلم يرد على فلما انصرف قال ‏ "‏ إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كنت أصلي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৯৫

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا كثير بن شنظير، عن عطاء، عن جابر، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة ‏.‏ بمعنى حديث حماد ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (এক সময়ে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন। এরপর তিনি হাম্মাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৮৯, ই.সে. ১০৯৬)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (এক সময়ে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন। এরপর তিনি হাম্মাদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৮৯, ই.সে. ১০৯৬)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا كثير بن شنظير، عن عطاء، عن جابر، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة ‏.‏ بمعنى حديث حماد ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00