সহিহ মুসলিম > বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন

সহিহ মুসলিম ১০৬৬

حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، وعن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الغداة إذ جاءهم رجل ‏.‏ بمثل حديث مالك ‏.

সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, লোকজন ফাজ্বরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখন একজন সেখানে এসে হাজির হলো ... এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই. ফা. ১০৬০ ই. সে. ১০৬৮)

সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, লোকজন ফাজ্বরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখন একজন সেখানে এসে হাজির হলো ... এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই. ফা. ১০৬০ ই. সে. ১০৬৮)

حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، وعن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الغداة إذ جاءهم رجل ‏.‏ بمثل حديث مالك ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৬৪

حدثنا محمد بن المثنى، وأبو بكر بن خلاد جميعا عن يحيى، - قال ابن المثنى حدثنا يحيى بن سعيد، - عن سفيان، حدثني أبو إسحاق، قال سمعت البراء، يقول صلينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نحو بيت المقدس ستة عشر شهرا أو سبعة عشر شهرا ثم صرفنا نحو الكعبة ‏.

বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

আমরা বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পেছনে সলাত আদায় করেছি। এরপর আমাদেরকে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ - ষোল কিংবা সতের মাস পরে আমরা কা’বার দিকে মুখ করে সলাত আদায়ের নির্দেশ লাভ করি। (ই. ফা. ১০৫৮ ই. সে. ১০৬৬)

বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

আমরা বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পেছনে সলাত আদায় করেছি। এরপর আমাদেরকে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ - ষোল কিংবা সতের মাস পরে আমরা কা’বার দিকে মুখ করে সলাত আদায়ের নির্দেশ লাভ করি। (ই. ফা. ১০৫৮ ই. সে. ১০৬৬)

حدثنا محمد بن المثنى، وأبو بكر بن خلاد جميعا عن يحيى، - قال ابن المثنى حدثنا يحيى بن سعيد، - عن سفيان، حدثني أبو إسحاق، قال سمعت البراء، يقول صلينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نحو بيت المقدس ستة عشر شهرا أو سبعة عشر شهرا ثم صرفنا نحو الكعبة ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৬৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي نحو بيت المقدس فنزلت ‏{‏ قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام‏}‏ فمر رجل من بني سلمة وهم ركوع في صلاة الفجر وقد صلوا ركعة فنادى ألا إن القبلة قد حولت ‏.‏ فمالوا كما هم نحو القبلة ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করতেন। তারপর এক সময় এ আয়াত অবর্তীর্ণ হলো (আরবি) অর্থাৎ- “আমি বার বার তোমাকে আসমানের দিকে তাকানো দেখছিলাম। এখন আমি তোমাকে তোমার পছন্দনীয় ক্বিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলাম। সুতরাং তুমি তোমার মুখ মাসজিদে হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও”- (সূরাহ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৩৩)। এরপর জনৈক ব্যক্তি ভোরবেলা বানী সালমাহ্ গোত্রের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করছিল। সে দেখতে পেলো তারা ফজর সলা্তের এক রাক’আত আদায় করেছে এবং দ্বিতীয় রাক’আতে রুকূ’রত আছে। তখন সে ডেকে বলল, ক্বিবলাহ্ কিন্তু পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। (এ কথা শুনার পর) তারা সলাতরত অবস্থায়ই (নতুন) ক্বিবলার দিকে ঘুরে গেল। (ই.ফা. ১০৬১, ই.সে. ১০৬৯)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করতেন। তারপর এক সময় এ আয়াত অবর্তীর্ণ হলো (আরবি) অর্থাৎ- “আমি বার বার তোমাকে আসমানের দিকে তাকানো দেখছিলাম। এখন আমি তোমাকে তোমার পছন্দনীয় ক্বিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলাম। সুতরাং তুমি তোমার মুখ মাসজিদে হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও”- (সূরাহ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৩৩)। এরপর জনৈক ব্যক্তি ভোরবেলা বানী সালমাহ্ গোত্রের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করছিল। সে দেখতে পেলো তারা ফজর সলা্তের এক রাক’আত আদায় করেছে এবং দ্বিতীয় রাক’আতে রুকূ’রত আছে। তখন সে ডেকে বলল, ক্বিবলাহ্ কিন্তু পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। (এ কথা শুনার পর) তারা সলাতরত অবস্থায়ই (নতুন) ক্বিবলার দিকে ঘুরে গেল। (ই.ফা. ১০৬১, ই.সে. ১০৬৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي نحو بيت المقدس فنزلت ‏{‏ قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام‏}‏ فمر رجل من بني سلمة وهم ركوع في صلاة الفجر وقد صلوا ركعة فنادى ألا إن القبلة قد حولت ‏.‏ فمالوا كما هم نحو القبلة ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৬৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى بيت المقدس ستة عشر شهرا حتى نزلت الآية التي في البقرة ‏{‏ وحيثما كنتم فولوا وجوهكم شطره‏}‏ فنزلت بعد ما صلى النبي صلى الله عليه وسلم فانطلق رجل من القوم فمر بناس من الأنصار وهم يصلون فحدثهم فولوا وجوههم قبل البيت ‏.

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরআন মাজীদের আয়াত ‘’ওয়া হায়সু মা কুনতুম ফাওয়ালু উজূহাকুম শাত্বরাহ্’’ (অর্থাৎ - এখন যেখানেই তোমরা অবস্হান করো না কেন, ঐ (কা’বাহ ঘরের) দিকে মুখ করে সলাত আদায় করো) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ষোল মাস যাবৎ বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ের পর এ আয়াত অবতীর্ণ হলো। তখন সবার মধ্য হতে জনৈক ব্যাক্তি উঠে রওয়ানা হলো। সে সলাতরত একদল আনসারের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদের কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তারা সবাই (সলাতরত অবস্থায়ই) মুখ ফিরিয়ে বায়তুল্লাহ বা কা’বাহ্ ঘরের দিকে করে নিলো। (ই. ফা. ১০৫৭ ই. সে. ১০৬৫)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরআন মাজীদের আয়াত ‘’ওয়া হায়সু মা কুনতুম ফাওয়ালু উজূহাকুম শাত্বরাহ্’’ (অর্থাৎ - এখন যেখানেই তোমরা অবস্হান করো না কেন, ঐ (কা’বাহ ঘরের) দিকে মুখ করে সলাত আদায় করো) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ষোল মাস যাবৎ বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ের পর এ আয়াত অবতীর্ণ হলো। তখন সবার মধ্য হতে জনৈক ব্যাক্তি উঠে রওয়ানা হলো। সে সলাতরত একদল আনসারের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদের কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তারা সবাই (সলাতরত অবস্থায়ই) মুখ ফিরিয়ে বায়তুল্লাহ বা কা’বাহ্ ঘরের দিকে করে নিলো। (ই. ফা. ১০৫৭ ই. সে. ১০৬৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى بيت المقدس ستة عشر شهرا حتى نزلت الآية التي في البقرة ‏{‏ وحيثما كنتم فولوا وجوهكم شطره‏}‏ فنزلت بعد ما صلى النبي صلى الله عليه وسلم فانطلق رجل من القوم فمر بناس من الأنصار وهم يصلون فحدثهم فولوا وجوههم قبل البيت ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৬৫

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - واللفظ له - عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الصبح بقباء إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة ‏.‏ وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها ‏.‏ وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, ‘কুবা’ নামক মাসজিদে লোকজন ফাজরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখনই একজন আগন্তুক এসে তাদেরকে বলল,আজ রাতে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে সলাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওপর একটি আয়াত অবর্তীণ হয়েছে। তখন তাদের (মাসজিদে কুবায় সলাত আদায়কারী মুসল্লীদের) মুখ ছিল শামের (বায়তুল মাক্বদিস বা মাসজিদে আক্বসার, বা যা বর্তমানে ফিলিস্তীনে অবস্হিত) দিকে। অতঃপর (সলাতরত অবস্হায়) তারা কা’বার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো। (ই. ফা. ১০৫৯ ই. সে. ১০৬৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, ‘কুবা’ নামক মাসজিদে লোকজন ফাজরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখনই একজন আগন্তুক এসে তাদেরকে বলল,আজ রাতে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে সলাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওপর একটি আয়াত অবর্তীণ হয়েছে। তখন তাদের (মাসজিদে কুবায় সলাত আদায়কারী মুসল্লীদের) মুখ ছিল শামের (বায়তুল মাক্বদিস বা মাসজিদে আক্বসার, বা যা বর্তমানে ফিলিস্তীনে অবস্হিত) দিকে। অতঃপর (সলাতরত অবস্হায়) তারা কা’বার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো। (ই. ফা. ১০৫৯ ই. সে. ১০৬৭)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - واللفظ له - عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الصبح بقباء إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة ‏.‏ وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها ‏.‏ وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة ‏.


সহিহ মুসলিম > ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা

সহিহ মুসলিম ১০৬৮

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن أم حبيبة، وأم سلمة ذكرتا كنيسة رأينها بالحبشة - فيها تصاوير - لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أولئك إذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا وصوروا فيه تلك الصور أولئك شرار الخلق عند الله يوم القيامة ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু হাবীবাহ্ ও উম্মু সালামাহ্ (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু’ স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এমন একটি গীর্জার বর্ণনা দিলো যার মধ্যে মূর্তি বা ছবি যা তারা হাবশায় দেখেছিলেন। তাদের কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা এরূপই করে থাকে। তাদের মধ্যেকার কোন নেক লোক মারা গেলে তারা তার ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং তার মধ্যে ছবি বা মূর্তি স্থাপন করে। ক্বিয়ামাতের দিন এরা হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট সৃষ্টি। (ই.ফা. ১০৬২, ই.সে. ১০৭০)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু হাবীবাহ্ ও উম্মু সালামাহ্ (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু’ স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এমন একটি গীর্জার বর্ণনা দিলো যার মধ্যে মূর্তি বা ছবি যা তারা হাবশায় দেখেছিলেন। তাদের কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা এরূপই করে থাকে। তাদের মধ্যেকার কোন নেক লোক মারা গেলে তারা তার ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং তার মধ্যে ছবি বা মূর্তি স্থাপন করে। ক্বিয়ামাতের দিন এরা হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট সৃষ্টি। (ই.ফা. ১০৬২, ই.সে. ১০৭০)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن أم حبيبة، وأم سلمة ذكرتا كنيسة رأينها بالحبشة - فيها تصاوير - لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أولئك إذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا وصوروا فيه تلك الصور أولئك شرار الخلق عند الله يوم القيامة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৩

وحدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا الفزاري، عن عبيد الله بن الأصم، حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৭, ই.সে. ১০৭৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৭, ই.সে. ১০৭৫)

وحدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا الفزاري، عن عبيد الله بن الأصم، حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭০

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت ذكرن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم كنيسة رأينها بأرض الحبشة يقال لها مارية ‏.‏ بمثل حديثهم ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ আবিসিনিয়ায় (যা বর্তমানে ইথিওপিয়া) ‘মারিয়াহ্’ নামক যে এক রকম গীর্জা দেখেছিলেন তার আলোচনা করলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী হাদীসটির অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৪ ই.সে. ১০৭২)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ আবিসিনিয়ায় (যা বর্তমানে ইথিওপিয়া) ‘মারিয়াহ্’ নামক যে এক রকম গীর্জা দেখেছিলেন তার আলোচনা করলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী হাদীসটির অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৪ ই.সে. ১০৭২)

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت ذكرن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم كنيسة رأينها بأرض الحبشة يقال لها مارية ‏.‏ بمثل حديثهم ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭২

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، ومالك، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قاتل الله اليهود اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদদের ধ্বংস করুন। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান বানিয়ে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৬, ই.সে. ১০৭৪)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদদের ধ্বংস করুন। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান বানিয়ে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৬, ই.সে. ১০৭৪)

حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، ومالك، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قاتل الله اليهود اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا شيبان، عن هلال بن أبي حميد، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه ‏ "‏ لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.‏ قالت فلولا ذاك أبرز قبره غير أنه خشي أن يتخذ مسجدا ‏.‏ وفي رواية ابن أبي شيبة ولولا ذاك لم يذكر قالت ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগ-শয্যায় বলেছিলেন, আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃস্টানদের) প্রতি লা’নাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ যদি এরূপ করার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে তাকে উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর দেয়া হত। কিন্তু যেহেতু তিনি আশংকা করতেন যে, তাঁর ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করা হতে পারে তাই উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর করতে দেননি। বরং ‘আয়িশাহ (রাঃ) -এর কক্ষে তাঁর ক্ববর করা হয়েছে। তবে ইবনু আবূ শায়বাহ্-এর বর্ণিত হাদীসে (আরবি) স্থানে (আরবি) কথাটি বর্ণনা করা হয়েছে। আর তিনি ক্বালাত শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৬৫ ই.সে. ১০৭৩)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগ-শয্যায় বলেছিলেন, আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃস্টানদের) প্রতি লা’নাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ যদি এরূপ করার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে তাকে উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর দেয়া হত। কিন্তু যেহেতু তিনি আশংকা করতেন যে, তাঁর ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করা হতে পারে তাই উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর করতে দেননি। বরং ‘আয়িশাহ (রাঃ) -এর কক্ষে তাঁর ক্ববর করা হয়েছে। তবে ইবনু আবূ শায়বাহ্-এর বর্ণিত হাদীসে (আরবি) স্থানে (আরবি) কথাটি বর্ণনা করা হয়েছে। আর তিনি ক্বালাত শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৬৫ ই.সে. ১০৭৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا شيبان، عن هلال بن أبي حميد، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه ‏ "‏ لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.‏ قالت فلولا ذاك أبرز قبره غير أنه خشي أن يتخذ مسجدا ‏.‏ وفي رواية ابن أبي شيبة ولولا ذاك لم يذكر قالت ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أنهم تذاكروا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه فذكرت أم سلمة وأم حبيبة كنيسة ‏.‏ ثم ذكر نحوه ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পীড়িত তখন সাহাবীগণ তাঁর কাছে কাথা-বার্তা বললেন। তখন উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ্ গীর্জার কথা বর্ণনা করলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটিতে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৩, ই.সে. ১০৭১)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেনঃ ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পীড়িত তখন সাহাবীগণ তাঁর কাছে কাথা-বার্তা বললেন। তখন উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ্ গীর্জার কথা বর্ণনা করলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটিতে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৩, ই.সে. ১০৭১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أنهم تذاكروا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه فذكرت أم سلمة وأم حبيبة كنيسة ‏.‏ ثم ذكر نحوه ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৪

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وحرملة بن يحيى، قال حرملة أخبرنا وقال، هارون حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، قالا لما نزلت برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه فإذا اغتم كشفها عن وجهه فقال وهو كذلك ‏ "‏ لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.‏ يحذر مثل ما صنعوا ‏.

‘আয়িশাহ্ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওয়াফাতের সময় ঘনিয়ে আসলে তিনি চাদর টেনে টেনে মুখমন্ডলের উপর দিচ্ছিলেন। কিন্তু আবার যখন অস্বস্তিবোধ করছিলেন তখন তা সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি বলছিলেন ইয়াহূদ (ইয়াহূদী) ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে (অর্থাৎ-সেখানে তারা সাজদাহ্ করে)। আর ইয়াহূদ ও নাসারাদের মতো না করতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার হুঁশিয়ার করে দিচ্ছিলেন। (ই.ফা. ১০৬৮, ই.সে. ১০৭৬)

‘আয়িশাহ্ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওয়াফাতের সময় ঘনিয়ে আসলে তিনি চাদর টেনে টেনে মুখমন্ডলের উপর দিচ্ছিলেন। কিন্তু আবার যখন অস্বস্তিবোধ করছিলেন তখন তা সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি বলছিলেন ইয়াহূদ (ইয়াহূদী) ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে (অর্থাৎ-সেখানে তারা সাজদাহ্ করে)। আর ইয়াহূদ ও নাসারাদের মতো না করতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার হুঁশিয়ার করে দিচ্ছিলেন। (ই.ফা. ১০৬৮, ই.সে. ১০৭৬)

وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وحرملة بن يحيى، قال حرملة أخبرنا وقال، هارون حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، قالا لما نزلت برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه فإذا اغتم كشفها عن وجهه فقال وهو كذلك ‏ "‏ لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد ‏"‏ ‏.‏ يحذر مثل ما صنعوا ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر - قال إسحاق أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا زكرياء بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن الحارث النجراني، قال حدثني جندب، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن يموت بخمس وهو يقول ‏ "‏ إني أبرأ إلى الله أن يكون لي منكم خليل فإن الله تعالى قد اتخذني خليلا كما اتخذ إبراهيم خليلا ولو كنت متخذا من أمتي خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا ألا وإن من كان قبلكم كانوا يتخذون قبور أنبيائهم وصالحيهم مساجد ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إني أنهاكم عن ذلك ‏"‏ ‏.

জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের মধ্যে থেকে আমার কোন খলীল বা একান্ত বন্ধু থাকার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে মুক্ত। কারণ মহান আল্লাহ ইব্রাহীমকে যেমন খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন, সে রকমভাবে আমাকেও খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমি আমার উম্মাতের মধ্যে থেকে কাউকে খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে চাইলে আবূ বকরকেই তা করতাম। সাবধান থেকো তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নবী ও নেককার লোকদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ (সাজদার স্থান) হিসেবে গ্রহণ করত। সাবধান তোমরা ক্ববরসমূহকে সাজদার স্থান বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদেরকে নিষেধ করে যাচ্ছি। (ই.ফা. ১০৬৯, ই.সে. ১০৭৭)

জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের মধ্যে থেকে আমার কোন খলীল বা একান্ত বন্ধু থাকার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে মুক্ত। কারণ মহান আল্লাহ ইব্রাহীমকে যেমন খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন, সে রকমভাবে আমাকেও খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমি আমার উম্মাতের মধ্যে থেকে কাউকে খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে চাইলে আবূ বকরকেই তা করতাম। সাবধান থেকো তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নবী ও নেককার লোকদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ (সাজদার স্থান) হিসেবে গ্রহণ করত। সাবধান তোমরা ক্ববরসমূহকে সাজদার স্থান বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদেরকে নিষেধ করে যাচ্ছি। (ই.ফা. ১০৬৯, ই.সে. ১০৭৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر - قال إسحاق أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا زكرياء بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن الحارث النجراني، قال حدثني جندب، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن يموت بخمس وهو يقول ‏ "‏ إني أبرأ إلى الله أن يكون لي منكم خليل فإن الله تعالى قد اتخذني خليلا كما اتخذ إبراهيم خليلا ولو كنت متخذا من أمتي خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا ألا وإن من كان قبلكم كانوا يتخذون قبور أنبيائهم وصالحيهم مساجد ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إني أنهاكم عن ذلك ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > মসজিদ নির্মাণের ফাযীলত এবং তার প্রতি উৎসাহ প্রদান

সহিহ মুসলিম ১০৭৭

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك فأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله ‏"‏ ‏.

মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেন) ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) মসজিদ নির্মাণ করতে মনস্থ করলে লোকজন তা করা পছন্দ করলো না। বরং মসজিদ যেমন আছে তেমন রেখে দেয়াই তারা ভাল মনে করলো। তখন ‘উসমান বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ মসজিদ নির্মাণ করলে আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ একখানা ঘর তৈরি করেন। (ই.ফা. ১০৭১, ই.সে. ১০৭৯)

মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(তিনি বলেছেন) ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) মসজিদ নির্মাণ করতে মনস্থ করলে লোকজন তা করা পছন্দ করলো না। বরং মসজিদ যেমন আছে তেমন রেখে দেয়াই তারা ভাল মনে করলো। তখন ‘উসমান বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ মসজিদ নির্মাণ করলে আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ একখানা ঘর তৈরি করেন। (ই.ফা. ১০৭১, ই.সে. ১০৭৯)

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك فأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৬

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد الرسول صلى الله عليه وسلم ‏.‏ إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من بنى مسجدا لله تعالى - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله - بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن عيسى في روايته ‏"‏ مثله في الجنة ‏"‏ ‏.

‘উবায়দুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) যে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ করলেন এবং এ কারণে লোকজন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলো তখন ‘উবায়দুল্লাহ খাওলানী ‘উসমানকে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করবে, হাদীস বর্ণনাকারী বুকায়র বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন এর মাধ্যমে (মসজিদ নির্মাণ) যদি সে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। ইবনু ‘ঈসা তাঁর বর্ণনায় (জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ১০৭০, ই.সে. ১০৭৮)

‘উবায়দুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) যে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ করলেন এবং এ কারণে লোকজন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলো তখন ‘উবায়দুল্লাহ খাওলানী ‘উসমানকে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করবে, হাদীস বর্ণনাকারী বুকায়র বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন এর মাধ্যমে (মসজিদ নির্মাণ) যদি সে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। ইবনু ‘ঈসা তাঁর বর্ণনায় (জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ১০৭০, ই.সে. ১০৭৮)

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد الرسول صلى الله عليه وسلم ‏.‏ إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من بنى مسجدا لله تعالى - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله - بنى الله له بيتا في الجنة ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن عيسى في روايته ‏"‏ مثله في الجنة ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > রুকূর সময় দু’হাত হাঁটুতে রাখা উত্তম হওয়া এবং তাত্ববীক্ব(দু’ হাত জোড় করে দু’পায়ের মাঝখানে) রাখা রহিত হওয়া

সহিহ মুসলিম ১০৮০

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله فقال أصلى من خلفكم قالا نعم ‏.‏ فقام بينهما وجعل أحدهما عن يمينه والآخر عن شماله ثم ركعنا فوضعنا أيدينا على ركبنا فضرب أيدينا ثم طبق بين يديه ثم جعلهما بين فخذيه فلما صلى قال هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান আদ্ দারিমী (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (‘আলকামাহ্ ও আসওয়াদ) এক সময়ে ‘আবদুল্লাহর কাছে গেলে ‘আবদুল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, যারা (‘আমীর-উমারাগণ) থেকে গেল তারা কি সলাত আদায় করেছে? তারা বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি (‘আবদুল্লাহ) তাদের দু’জনের মাঝখানে দাঁড়ালেন। তখন তিনি তাদের দু’জনের একজনকে ডানে এবং অপরজনকে বামে দাঁড় করালেন। এরপর আমরা (তার সাথে) রুকূ’ করলাম। এতে তিনি আমাদের হাত আমাদের হাঁটুর উপর রাখলেন। তিনি আমাদের হাত ধরে তা পরস্পর মিলিয়ে (একত্রিত করে) দিয়ে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ১০৭৪, ই.সে. ১০৮২)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান আদ্ দারিমী (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (‘আলকামাহ্ ও আসওয়াদ) এক সময়ে ‘আবদুল্লাহর কাছে গেলে ‘আবদুল্লাহ তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, যারা (‘আমীর-উমারাগণ) থেকে গেল তারা কি সলাত আদায় করেছে? তারা বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি (‘আবদুল্লাহ) তাদের দু’জনের মাঝখানে দাঁড়ালেন। তখন তিনি তাদের দু’জনের একজনকে ডানে এবং অপরজনকে বামে দাঁড় করালেন। এরপর আমরা (তার সাথে) রুকূ’ করলাম। এতে তিনি আমাদের হাত আমাদের হাঁটুর উপর রাখলেন। তিনি আমাদের হাত ধরে তা পরস্পর মিলিয়ে (একত্রিত করে) দিয়ে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। (ই.ফা. ১০৭৪, ই.সে. ১০৮২)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن منصور، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله فقال أصلى من خلفكم قالا نعم ‏.‏ فقام بينهما وجعل أحدهما عن يمينه والآخر عن شماله ثم ركعنا فوضعنا أيدينا على ركبنا فضرب أيدينا ثم طبق بين يديه ثم جعلهما بين فخذيه فلما صلى قال هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮২

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا أبو الأحوص، ح قال وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن أبي يعفور، بهذا الإسناد إلى قوله فنهينا عنه ‏.‏ ولم يذكرا ما بعده ‏.

আবূ ইয়া’ফুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ একই সানাদে (উপরে বর্ণিত হাদীসটি) “ফানুহীনা ‘আনহু” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়েই (ফানুহীনা ‘আনহু) পরবর্তী অংশটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৭৬, ই.সে. ১০৮৪)

আবূ ইয়া’ফুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ একই সানাদে (উপরে বর্ণিত হাদীসটি) “ফানুহীনা ‘আনহু” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়েই (ফানুহীনা ‘আনহু) পরবর্তী অংশটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৭৬, ই.সে. ১০৮৪)

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا أبو الأحوص، ح قال وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن أبي يعفور، بهذا الإسناد إلى قوله فنهينا عنه ‏.‏ ولم يذكرا ما بعده ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد، قال ركعت فقلت بيدى هكذا - يعني طبق بهما ووضعهما بين فخذيه - فقال أبي قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا بالركب ‏.

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (কোন এক সময়ে সলাত আদায় করতে) আমি রুকূ’তে গিয়ে হাত দু’টি একত্রে মিলিয়ে দু’ উরুর মাঝে রাখলাম। তখন আমার পিতা আমাকে বললেন, আমরাও এরূপ করতাম। কিন্তু এরপর আমাদেরকে হাঁটুর উপর হাত রাখতে আদেশ করা হয়েছে। (ইফা ১০৭৭, ইসে ১০৮৫)

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (কোন এক সময়ে সলাত আদায় করতে) আমি রুকূ’তে গিয়ে হাত দু’টি একত্রে মিলিয়ে দু’ উরুর মাঝে রাখলাম। তখন আমার পিতা আমাকে বললেন, আমরাও এরূপ করতাম। কিন্তু এরপর আমাদেরকে হাঁটুর উপর হাত রাখতে আদেশ করা হয়েছে। (ইফা ১০৭৭, ইসে ১০৮৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد، قال ركعت فقلت بيدى هكذا - يعني طبق بهما ووضعهما بين فخذيه - فقال أبي قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا بالركب ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮১

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري - واللفظ لقتيبة - قالا حدثنا أبو عوانة، عن أبي يعفور، عن مصعب بن سعد، قال صليت إلى جنب أبي قال وجعلت يدى بين ركبتى فقال لي أبي اضرب بكفيك على ركبتيك ‏.‏ قال ثم فعلت ذلك مرة أخرى فضرب يدى وقال إنا نهينا عن هذا وأمرنا أن نضرب بالأكف على الركب ‏.

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, ঐ সময় (পিতার সাথে সলাত আদায়ের সময়) আমি আমার হাত দু’টি দু’ হাঁটুর মাঝখানে রাখলে আমার পিতা আমাকে বললেন, তোমার হাত দু’টি হাঁটুর উপর রাখো। কিন্তু আবারও ঐ রকম করলে তিনি আমার হাত দু’টি ধরে বললেন, আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাতের তালু হাঁটুর উপর রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৫, ই.সে. ১০৮৩)

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, ঐ সময় (পিতার সাথে সলাত আদায়ের সময়) আমি আমার হাত দু’টি দু’ হাঁটুর মাঝখানে রাখলে আমার পিতা আমাকে বললেন, তোমার হাত দু’টি হাঁটুর উপর রাখো। কিন্তু আবারও ঐ রকম করলে তিনি আমার হাত দু’টি ধরে বললেন, আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাতের তালু হাঁটুর উপর রাখার আদেশ দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৫, ই.সে. ১০৮৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري - واللفظ لقتيبة - قالا حدثنا أبو عوانة، عن أبي يعفور، عن مصعب بن سعد، قال صليت إلى جنب أبي قال وجعلت يدى بين ركبتى فقال لي أبي اضرب بكفيك على ركبتيك ‏.‏ قال ثم فعلت ذلك مرة أخرى فضرب يدى وقال إنا نهينا عن هذا وأمرنا أن نضرب بالأكف على الركب ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৯

وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح قال وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، كلهم عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله ‏.‏ بمعنى حديث أبي معاوية ‏.‏ وفي حديث ابن مسهر وجرير فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو راكع ‏.

মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) -এর কাছে গেলেন। এরপর তারা মু’আবিয়াহ্ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে ইবনু মুসহির ও জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করা হয়েছে যে, এ মুহূর্তে আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরস্পর বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে রাখা আঙ্গুলগুলো দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি রুকূ‘ অবস্থায় আছেন। (ই.ফা. ১০৭৩, ই.সে. ১০৮১)

মিনজাব ইবনুল হারিস আত্ তামীমী, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ‘আলক্বামাহ্ ও আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) -এর কাছে গেলেন। এরপর তারা মু’আবিয়াহ্ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে ইবনু মুসহির ও জারীর বর্ণিত হাদীসে এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করা হয়েছে যে, এ মুহূর্তে আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরস্পর বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে রাখা আঙ্গুলগুলো দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি রুকূ‘ অবস্থায় আছেন। (ই.ফা. ১০৭৩, ই.সে. ১০৮১)

وحدثنا منجاب بن الحارث التميمي، أخبرنا ابن مسهر، ح قال وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، كلهم عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، والأسود، أنهما دخلا على عبد الله ‏.‏ بمعنى حديث أبي معاوية ‏.‏ وفي حديث ابن مسهر وجرير فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو راكع ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৭৮

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني أبو كريب، قال حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، وعلقمة، قالا أتينا عبد الله بن مسعود في داره فقال أصلى هؤلاء خلفكم فقلنا لا ‏.‏ قال فقوموا فصلوا ‏.‏ فلم يأمرنا بأذان ولا إقامة - قال - وذهبنا لنقوم خلفه فأخذ بأيدينا فجعل أحدنا عن يمينه والآخر عن شماله - قال - فلما ركع وضعنا أيدينا على ركبنا - قال - فضرب أيدينا وطبق بين كفيه ثم أدخلهما بين فخذيه - قال - فلما صلى قال إنه ستكون عليكم أمراء يؤخرون الصلاة عن ميقاتها ويخنقونها إلى شرق الموتى فإذا رأيتموهم قد فعلوا ذلك فصلوا الصلاة لميقاتها واجعلوا صلاتكم معهم سبحة وإذا كنتم ثلاثة فصلوا جميعا وإذا كنتم أكثر من ذلك فليؤمكم أحدكم وإذا ركع أحدكم فليفرش ذراعيه على فخذيه وليجنأ وليطبق بين كفيه فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأراهم ‏.

আসওয়াদ ও ‘আলক্বামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) বলেছেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) -এর বাড়িতে তার কাছে গেলাম। তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, এসব আমীর-উমারাহ্ এবং তাদের অনুসারীগণ যারা তোমাদের পেছনে রয়েছে তারা কি সলাত আদায় করেছে? জবাবে আমরা বললাম, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে উঠে সলাত আদায় করে নাও। (কারণ সলাতের সময় হয়ে গিয়েছে)। কিন্তু তিনি আমাদেরকে আযান কিংবা একামত দিতে বললেন না। [২] বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, সলাত আদায়ের জন্য আমরা তার পিছনে দাঁড়াতে গেলে তিনি আমাদের একজনকে ধরে তার ডানপাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন এবং অপরজনকে বাঁ পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন। [৩] তিনি রুকূ’তে গেলে আমরাও রুকূতে গিয়ে হাঁটুর উপর আমাদের হাত রাখলাম। তখন তিনি আমাদের হাত ধরলেন এবং হাতের দু’তালু একত্রিত করে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। পরে সলাত শেষে বললেন, অচিরেই এমন সব আমীর –উমারাহ্ ও ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গের আবির্ভাব ঘটবে যারা সময়মত সলাত না পড়ে বিলম্ব করবে এবং সলাতের সময় এত সংকীর্ণ করে ফেলবে যে, সূর্য অস্তমিত প্রায় হয়ে যাবে। তাদেরকে এরূপ করতে দেখলে তোমরা সময়মত সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে পুনরায় নফল হিসেবে পড়ে নিবে (ইমামকে মাঝখানে রেখে)। তিনের অধিকজন থাকলে একজন ইমাম হবে (সামনে দাঁড়াবে) আর রুকূ’ করার সময় দু’হাত উরুর উপর রেখে রুকূ’তে যাবে এবং উভয় (হাতের) তালু একত্রিত করে দু’ উরুর মাঝখানে রাখবে। (এসব কথা বলার পর তিনি বললেন, এ মুহূর্তে) আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক হাতের অঙ্গুলি অপর হাতের অঙ্গুলিতে ঢুকাতে দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি তা তাদেরকে দেখালেন। (ই.ফা. ১০৭২, ই.সে. ১০৮০)

আসওয়াদ ও ‘আলক্বামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (উভয়ে) বলেছেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) -এর বাড়িতে তার কাছে গেলাম। তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, এসব আমীর-উমারাহ্ এবং তাদের অনুসারীগণ যারা তোমাদের পেছনে রয়েছে তারা কি সলাত আদায় করেছে? জবাবে আমরা বললাম, না। তখন তিনি বললেন, তাহলে উঠে সলাত আদায় করে নাও। (কারণ সলাতের সময় হয়ে গিয়েছে)। কিন্তু তিনি আমাদেরকে আযান কিংবা একামত দিতে বললেন না। [২] বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, সলাত আদায়ের জন্য আমরা তার পিছনে দাঁড়াতে গেলে তিনি আমাদের একজনকে ধরে তার ডানপাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন এবং অপরজনকে বাঁ পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন। [৩] তিনি রুকূ’তে গেলে আমরাও রুকূতে গিয়ে হাঁটুর উপর আমাদের হাত রাখলাম। তখন তিনি আমাদের হাত ধরলেন এবং হাতের দু’তালু একত্রিত করে দু’উরুর মাঝখানে স্থাপন করলেন। পরে সলাত শেষে বললেন, অচিরেই এমন সব আমীর –উমারাহ্ ও ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গের আবির্ভাব ঘটবে যারা সময়মত সলাত না পড়ে বিলম্ব করবে এবং সলাতের সময় এত সংকীর্ণ করে ফেলবে যে, সূর্য অস্তমিত প্রায় হয়ে যাবে। তাদেরকে এরূপ করতে দেখলে তোমরা সময়মত সলাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে পুনরায় নফল হিসেবে পড়ে নিবে (ইমামকে মাঝখানে রেখে)। তিনের অধিকজন থাকলে একজন ইমাম হবে (সামনে দাঁড়াবে) আর রুকূ’ করার সময় দু’হাত উরুর উপর রেখে রুকূ’তে যাবে এবং উভয় (হাতের) তালু একত্রিত করে দু’ উরুর মাঝখানে রাখবে। (এসব কথা বলার পর তিনি বললেন, এ মুহূর্তে) আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এক হাতের অঙ্গুলি অপর হাতের অঙ্গুলিতে ঢুকাতে দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি তা তাদেরকে দেখালেন। (ই.ফা. ১০৭২, ই.সে. ১০৮০)

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني أبو كريب، قال حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، وعلقمة، قالا أتينا عبد الله بن مسعود في داره فقال أصلى هؤلاء خلفكم فقلنا لا ‏.‏ قال فقوموا فصلوا ‏.‏ فلم يأمرنا بأذان ولا إقامة - قال - وذهبنا لنقوم خلفه فأخذ بأيدينا فجعل أحدنا عن يمينه والآخر عن شماله - قال - فلما ركع وضعنا أيدينا على ركبنا - قال - فضرب أيدينا وطبق بين كفيه ثم أدخلهما بين فخذيه - قال - فلما صلى قال إنه ستكون عليكم أمراء يؤخرون الصلاة عن ميقاتها ويخنقونها إلى شرق الموتى فإذا رأيتموهم قد فعلوا ذلك فصلوا الصلاة لميقاتها واجعلوا صلاتكم معهم سبحة وإذا كنتم ثلاثة فصلوا جميعا وإذا كنتم أكثر من ذلك فليؤمكم أحدكم وإذا ركع أحدكم فليفرش ذراعيه على فخذيه وليجنأ وليطبق بين كفيه فلكأني أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأراهم ‏.


সহিহ মুসলিম ১০৮৪

حدثني الحكم بن موسى، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص، قال صليت إلى جنب أبي فلما ركعت شبكت أصابعي وجعلتهما بين ركبتى فضرب يدى فلما صلى قال قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا أن نرفع إلى الركب ‏.

মুস’আব ইবনু সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার পিতা [সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ]-এর পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। রুকূ’তে গিয়ে আমি এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অন্য হাতের আঙ্গুলসমূহের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে হাত দু’টি হাঁটুর মাঝে রাখলে তিনি আমার হাতে মৃদু আঘাত করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, প্রথমে আমরা এরূপই করতাম। কিন্তু পরে আমাদেরকে হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৮, ই.সে. ১০৮৬)

মুস’আব ইবনু সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার পিতা [সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ]-এর পাশে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছি। রুকূ’তে গিয়ে আমি এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অন্য হাতের আঙ্গুলসমূহের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে হাত দু’টি হাঁটুর মাঝে রাখলে তিনি আমার হাতে মৃদু আঘাত করলেন। সলাত শেষে তিনি বললেন, প্রথমে আমরা এরূপই করতাম। কিন্তু পরে আমাদেরকে হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ করা হয়েছে। (ই.ফা. ১০৭৮, ই.সে. ১০৮৬)

حدثني الحكم بن موسى، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن الزبير بن عدي، عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص، قال صليت إلى جنب أبي فلما ركعت شبكت أصابعي وجعلتهما بين ركبتى فضرب يدى فلما صلى قال قد كنا نفعل هذا ثم أمرنا أن نرفع إلى الركب ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00