সহিহ মুসলিম > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ
সহিহ মুসলিম ১০৫৩
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء أخبرنا ابن أبي زائدة، عن سعد بن طارق، حدثني ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثله .
হুযায়ফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ........ এরপর এ কথা বলে তিনি পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করলেন। (ই. ফা. ১০৪৭ ই. সে. ১০৫৬)
হুযায়ফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ........ এরপর এ কথা বলে তিনি পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করলেন। (ই. ফা. ১০৪৭ ই. সে. ১০৫৬)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء أخبرنا ابن أبي زائدة، عن سعد بن طارق، حدثني ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثله .
সহিহ মুসলিম ১০৫০
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن سيار، عن يزيد الفقير، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أعطيت خمسا لم يعطهن أحد قبلي كان كل نبي يبعث إلى قومه خاصة وبعثت إلى كل أحمر وأسود وأحلت لي الغنائم ولم تحل لأحد قبلي وجعلت لي الأرض طيبة طهورا ومسجدا فأيما رجل أدركته الصلاة صلى حيث كان ونصرت بالرعب بين يدى مسيرة شهر وأعطيت الشفاعة " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা অন্য কোন নাবীকে দেয়া হয়নি, প্রত্যেক নাবীকে শুধু তার কাওমের জন্য পাঠানো হতো। কিন্তু আমাকে সাদা ও কালো সবার জন্য নবী করে পাঠানো হয়েছে। আমার জন্য গণীমাত বা যুদ্ধলব্ধ অর্থ-সম্পদ হালাল করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমার পূর্বে আর কারো (কোন নাবীর) জন্য তা হালাল ছিল না। আমার জন্য গোটা পৃথিবী পাক-পবিত্র ও মসজিদ করে দেয়া হয়েছে। সুতরাং সলাতের সময় হলে যে কোন লোক যে কোন স্হানে সলাত আদায় করে নিতে পারে। আমাকে একমাসের পথের দূরত্ব পর্যন্ত অত্যন্ত শান শাওকাত সহকারে (শত্রু ও অন্তর ভীতি দ্বারা) সাহায্য করা হয়েছে। আর আমাকে শাফা’আতের সুযোগ দান করা হয়েছে। (ই. ফা. ১০৪৪ ই. সে. ১০৫৪)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা অন্য কোন নাবীকে দেয়া হয়নি, প্রত্যেক নাবীকে শুধু তার কাওমের জন্য পাঠানো হতো। কিন্তু আমাকে সাদা ও কালো সবার জন্য নবী করে পাঠানো হয়েছে। আমার জন্য গণীমাত বা যুদ্ধলব্ধ অর্থ-সম্পদ হালাল করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমার পূর্বে আর কারো (কোন নাবীর) জন্য তা হালাল ছিল না। আমার জন্য গোটা পৃথিবী পাক-পবিত্র ও মসজিদ করে দেয়া হয়েছে। সুতরাং সলাতের সময় হলে যে কোন লোক যে কোন স্হানে সলাত আদায় করে নিতে পারে। আমাকে একমাসের পথের দূরত্ব পর্যন্ত অত্যন্ত শান শাওকাত সহকারে (শত্রু ও অন্তর ভীতি দ্বারা) সাহায্য করা হয়েছে। আর আমাকে শাফা’আতের সুযোগ দান করা হয়েছে। (ই. ফা. ১০৪৪ ই. সে. ১০৫৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن سيار، عن يزيد الفقير، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أعطيت خمسا لم يعطهن أحد قبلي كان كل نبي يبعث إلى قومه خاصة وبعثت إلى كل أحمر وأسود وأحلت لي الغنائم ولم تحل لأحد قبلي وجعلت لي الأرض طيبة طهورا ومسجدا فأيما رجل أدركته الصلاة صلى حيث كان ونصرت بالرعب بين يدى مسيرة شهر وأعطيت الشفاعة " .
সহিহ মুসলিম ১০৪৯
حدثني علي بن حجر السعدي، أخبرنا علي بن مسهر، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم بن يزيد التيمي، قال كنت أقرأ على أبي القرآن في السدة فإذا قرأت السجدة سجد فقلت له يا أبت أتسجد في الطريق قال إني سمعت أبا ذر يقول سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أول مسجد وضع في الأرض قال " المسجد الحرام " . قلت ثم أى قال " المسجد الأقصى " . قلت كم بينهما قال " أربعون عاما ثم الأرض لك مسجد فحيثما أدركتك الصلاة فصل " .
ইবরাহীম ইবনু ইয়াযীদ আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে “সাদ্দাহ” অর্থাৎ মাসজিদের দরজার বাইরে কুরআন মাজীদ পাঠ করে শুনাতাম। আমি সাজদার আয়াত পড়লে তিনি তখন সাজদাহ্ করতেন। আমি তাকে বলতাম, আব্বাজান! আপনি রাস্তায় সাজদাহ করছেন? তিনি বলতেন, আমি আবূ যার-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পৃথিবীতে নির্মিত সর্বপ্রথম মসজিদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, মাসজিদুল হারাম (সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল) আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এর পর কোন মসজিদ (নির্মিত হয়েছিল?) তিনি বললেন, মাসজিদুল আক্বসা। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, এ দু’টি মাসজিদের (নির্মিত কাজের) মধ্যে কতদিনের ব্যবধান? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। এছাড়া গোটা পৃথিবীইতো মসজিদ। সুতরাং যেখানেই সলাতের সময় হবে, সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। (ই. ফা. ১০৪৩ ই. সে. ১০৫৩)
ইবরাহীম ইবনু ইয়াযীদ আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে “সাদ্দাহ” অর্থাৎ মাসজিদের দরজার বাইরে কুরআন মাজীদ পাঠ করে শুনাতাম। আমি সাজদার আয়াত পড়লে তিনি তখন সাজদাহ্ করতেন। আমি তাকে বলতাম, আব্বাজান! আপনি রাস্তায় সাজদাহ করছেন? তিনি বলতেন, আমি আবূ যার-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পৃথিবীতে নির্মিত সর্বপ্রথম মসজিদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, মাসজিদুল হারাম (সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল) আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এর পর কোন মসজিদ (নির্মিত হয়েছিল?) তিনি বললেন, মাসজিদুল আক্বসা। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, এ দু’টি মাসজিদের (নির্মিত কাজের) মধ্যে কতদিনের ব্যবধান? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। এছাড়া গোটা পৃথিবীইতো মসজিদ। সুতরাং যেখানেই সলাতের সময় হবে, সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। (ই. ফা. ১০৪৩ ই. সে. ১০৫৩)
حدثني علي بن حجر السعدي، أخبرنا علي بن مسهر، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم بن يزيد التيمي، قال كنت أقرأ على أبي القرآن في السدة فإذا قرأت السجدة سجد فقلت له يا أبت أتسجد في الطريق قال إني سمعت أبا ذر يقول سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أول مسجد وضع في الأرض قال " المسجد الحرام " . قلت ثم أى قال " المسجد الأقصى " . قلت كم بينهما قال " أربعون عاما ثم الأرض لك مسجد فحيثما أدركتك الصلاة فصل " .
সহিহ মুসলিম ১০৫২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبي مالك الأشجعي، عن ربعي، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فضلنا على الناس بثلاث جعلت صفوفنا كصفوف الملائكة وجعلت لنا الأرض كلها مسجدا وجعلت تربتها لنا طهورا إذا لم نجد الماء " . وذكر خصلة أخرى .
হুযায়ফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্য সব লোকের চেয়ে তিনটি বিষয়ে আমাদেরকে (উম্মাতে মুহাম্মাদীকে) মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাদের (সলাতের) কাতার বা সারি মালাকগণের (ফেরেশতাগণের) কাতার বা সারির মত করা হয়েছে। সমগ্র পৃথিবী আমাদের জন্য মসজিদ করে দেয়া হ্যেছে। আর পানি না পেলে পৃথিবীর মাটিকে আমাদের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি আরেকটি বিষয়ও উল্লেখ করলেন। (ই. ফা. ১০৪৬ ই. সে. ১০৫৫)
হুযায়ফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্য সব লোকের চেয়ে তিনটি বিষয়ে আমাদেরকে (উম্মাতে মুহাম্মাদীকে) মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাদের (সলাতের) কাতার বা সারি মালাকগণের (ফেরেশতাগণের) কাতার বা সারির মত করা হয়েছে। সমগ্র পৃথিবী আমাদের জন্য মসজিদ করে দেয়া হ্যেছে। আর পানি না পেলে পৃথিবীর মাটিকে আমাদের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি আরেকটি বিষয়ও উল্লেখ করলেন। (ই. ফা. ১০৪৬ ই. সে. ১০৫৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن أبي مالك الأشجعي، عن ربعي، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فضلنا على الناس بثلاث جعلت صفوفنا كصفوف الملائكة وجعلت لنا الأرض كلها مسجدا وجعلت تربتها لنا طهورا إذا لم نجد الماء " . وذكر خصلة أخرى .
সহিহ মুসলিম ১০৪৮
حدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الأعمش، ح قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال قلت يا رسول الله أى مسجد وضع في الأرض أول قال " المسجد الحرام " . قلت ثم أى قال " المسجد الأقصى " . قلت كم بينهما قال " أربعون سنة وأينما أدركتك الصلاة فصل فهو مسجد " . وفي حديث أبي كامل " ثم حيثما أدركتك الصلاة فصله فإنه مسجد " .
আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রসুল! পৃথিবীতে কোন্ মসজিদটি সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল? তিনি বললেন, মাসজিদুল হারাম। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম এরপর কোনটি (মসজিদটি)। তিনি বললেন, আল মাসজিদুল আক্বসা বা বায়তুল মাক্বদিস। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, এ দুটি মাসজিদের নির্মাণকালের মধ্যে ব্যবধান কত? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। (তিনি আরো বললেনঃ) যে স্হানেই সলাতের সময় উপস্হিত হবে, তুমি সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। কারণ সে জায়গাটাও মসজিদ। আবু কামিল বর্ণিত হাদীসে আছে, তাই যেখানেই সলাতের সময় হবে, তুমি সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। কারণ সেটিও মসজিদ। (ইসলামিক ফাঊন্ডেশন বাংলাদেশ ১০৪২, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার ১০৫২)
আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রসুল! পৃথিবীতে কোন্ মসজিদটি সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল? তিনি বললেন, মাসজিদুল হারাম। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম এরপর কোনটি (মসজিদটি)। তিনি বললেন, আল মাসজিদুল আক্বসা বা বায়তুল মাক্বদিস। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, এ দুটি মাসজিদের নির্মাণকালের মধ্যে ব্যবধান কত? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। (তিনি আরো বললেনঃ) যে স্হানেই সলাতের সময় উপস্হিত হবে, তুমি সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। কারণ সে জায়গাটাও মসজিদ। আবু কামিল বর্ণিত হাদীসে আছে, তাই যেখানেই সলাতের সময় হবে, তুমি সেখানেই সলাত আদায় করে নিবে। কারণ সেটিও মসজিদ। (ইসলামিক ফাঊন্ডেশন বাংলাদেশ ১০৪২, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার ১০৫২)
حدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الأعمش، ح قال وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال قلت يا رسول الله أى مسجد وضع في الأرض أول قال " المسجد الحرام " . قلت ثم أى قال " المسجد الأقصى " . قلت كم بينهما قال " أربعون سنة وأينما أدركتك الصلاة فصل فهو مسجد " . وفي حديث أبي كامل " ثم حيثما أدركتك الصلاة فصله فإنه مسجد " .
সহিহ মুসলিম ১০৫১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم، أخبرنا سيار، حدثنا يزيد الفقير، أخبرنا جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال . فذكر نحوه .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন..... অতঃপর তিনি উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৪৫ ই. সে. ১০৫৪)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন..... অতঃপর তিনি উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৪৫ ই. সে. ১০৫৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم، أخبرنا سيار، حدثنا يزيد الفقير، أخبرنا جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال . فذكر نحوه .
সহিহ মুসলিম ১০৫৪
وحدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " فضلت على الأنبياء بست أعطيت جوامع الكلم ونصرت بالرعب وأحلت لي الغنائم وجعلت لي الأرض طهورا ومسجدا وأرسلت إلى الخلق كافة وختم بي النبيون " .
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্য সব নাবীদের চাইতে আমাকে ছয়টি বিশেষ মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গণীমাতের (যুদ্ধলব্ধ) অর্থ সম্পদ হালাল করা হয়েছে। আমার জন্য গোটা পৃথিবীর ভূমি বা মাটি পবিত্রতা হাসিলকারী বা মসজিদ করা হয়েছে। আমাকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য (নাবী করে) পাঠানো হয়েছে। আর আমাকে দিয়ে নাবীদের আগমন-ধারা সমাপ্ত করা হয়েছে। (ই. ফা. ১০৪৮ ই. সে. ১০৫৭)
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অন্য সব নাবীদের চাইতে আমাকে ছয়টি বিশেষ মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গণীমাতের (যুদ্ধলব্ধ) অর্থ সম্পদ হালাল করা হয়েছে। আমার জন্য গোটা পৃথিবীর ভূমি বা মাটি পবিত্রতা হাসিলকারী বা মসজিদ করা হয়েছে। আমাকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য (নাবী করে) পাঠানো হয়েছে। আর আমাকে দিয়ে নাবীদের আগমন-ধারা সমাপ্ত করা হয়েছে। (ই. ফা. ১০৪৮ ই. সে. ১০৫৭)
وحدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " فضلت على الأنبياء بست أعطيت جوامع الكلم ونصرت بالرعب وأحلت لي الغنائم وجعلت لي الأرض طهورا ومسجدا وأرسلت إلى الخلق كافة وختم بي النبيون " .
সহিহ মুসলিম ১০৫৫
حدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، حدثني يونس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بعثت بجوامع الكلم ونصرت بالرعب وبينا أنا نائم أتيت بمفاتيح خزائن الأرض فوضعت في يدى " . قال أبو هريرة فذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنتم تنتثلونها .
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। একদিন ঘুমের মাঝে স্বপ্নে আমার কাছে পৃথিবীর ধনভান্ডারের চাবিসমূহ এনে আমার হাতে দেয়া হলো। আবু হুরায়রাহ্...... (এর ব্যাখ্যা করে) বলেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছেন, আর তোমরা তা আহরণ [১] করে চলেছ। (ই. ফা. ১০৪৯ ই. সে. ১০৫৮)
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। একদিন ঘুমের মাঝে স্বপ্নে আমার কাছে পৃথিবীর ধনভান্ডারের চাবিসমূহ এনে আমার হাতে দেয়া হলো। আবু হুরায়রাহ্...... (এর ব্যাখ্যা করে) বলেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছেন, আর তোমরা তা আহরণ [১] করে চলেছ। (ই. ফা. ১০৪৯ ই. সে. ১০৫৮)
حدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، حدثني يونس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بعثت بجوامع الكلم ونصرت بالرعب وبينا أنا نائم أتيت بمفاتيح خزائن الأرض فوضعت في يدى " . قال أبو هريرة فذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنتم تنتثلونها .
সহিহ মুসলিম ১০৫৬
وحدثنا حاجب بن الوليد، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول . مثل حديث يونس .
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, অতঃপর ইউনুছ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৫০ ই. সে. ১০৫৯)
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, অতঃপর ইউনুছ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৫০ ই. সে. ১০৫৯)
وحدثنا حاجب بن الوليد، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول . مثل حديث يونس .
সহিহ মুসলিম ১০৫৭
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، وأبي، سلمة عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৫১ ই. সে. ১০৬০)
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৫১ ই. সে. ১০৬০)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، وأبي، سلمة عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ১০৫৮
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن أبي يونس، مولى أبي هريرة أنه حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نصرت بالرعب على العدو وأوتيت جوامع الكلم وبينما أنا نائم أتيت بمفاتيح خزائن الأرض فوضعت في يدى " .
আবুত্ ত্বহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রবল প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দান করা হয়েছে। আর একদিন ঘুমের মাঝে স্বপ্নে আমার কাছে পৃথিবীর ধন-ভান্ডারের চাবিসমুহ এনে আমার হাতে দেয়া হয়েছে। (ই. ফা. ১০৫২ ই. সে. ১০৬১)
আবুত্ ত্বহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রবল প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দান করা হয়েছে। আর একদিন ঘুমের মাঝে স্বপ্নে আমার কাছে পৃথিবীর ধন-ভান্ডারের চাবিসমুহ এনে আমার হাতে দেয়া হয়েছে। (ই. ফা. ১০৫২ ই. সে. ১০৬১)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن أبي يونس، مولى أبي هريرة أنه حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نصرت بالرعب على العدو وأوتيت جوامع الكلم وبينما أنا نائم أتيت بمفاتيح خزائن الأرض فوضعت في يدى " .
সহিহ মুসলিম ১০৫৯
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نصرت بالرعب وأوتيت جوامع الكلم " .
হাম্মাদ ইবনু মুনাববিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) ... রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কিছু সংখ্যক হাদিস বর্ণনা করে আমাদের শুনালেন। তার মধ্যে একটি হাদিস হলো, তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে প্রবল প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। (ই. ফা. ১০৫৩ ই. সে. ১০৬২)
হাম্মাদ ইবনু মুনাববিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) ... রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কিছু সংখ্যক হাদিস বর্ণনা করে আমাদের শুনালেন। তার মধ্যে একটি হাদিস হলো, তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে প্রবল প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। (ই. ফা. ১০৫৩ ই. সে. ১০৬২)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نصرت بالرعب وأوتيت جوامع الكلم " .
সহিহ মুসলিম ১০৬১
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، حدثني أبو التياح، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي في مرابض الغنم قبل أن يبنى المسجد .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মসজিদ নির্মাণের পূর্বে বকরীর খোঁয়াড়েও সলাত আদায় করতেন। (ই. ফা. ১০৫৫ ই. সে. ১০৬৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মসজিদ নির্মাণের পূর্বে বকরীর খোঁয়াড়েও সলাত আদায় করতেন। (ই. ফা. ১০৫৫ ই. সে. ১০৬৪)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، حدثني أبو التياح، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي في مرابض الغنم قبل أن يبنى المسجد .
সহিহ মুসলিম ১০৬২
وحدثناه يحيى بن يحيى، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، عن أبي التياح، قال سمعت أنسا، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপরে বর্ণিত হাদীসটির বিষয়বস্তুর অনুরূপ করতেন। (ই. ফা. ১০৫৫ ই. সে. ১০৬৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপরে বর্ণিত হাদীসটির বিষয়বস্তুর অনুরূপ করতেন। (ই. ফা. ১০৫৫ ই. সে. ১০৬৪)
وحدثناه يحيى بن يحيى، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، عن أبي التياح، قال سمعت أنسا، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ১০৬০
حدثنا يحيى بن يحيى، وشيبان بن فروخ، كلاهما عن عبد الوارث، - قال يحيى أخبرنا عبد الوارث بن سعيد، عن أبي التياح الضبعي، حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم المدينة فنزل في علو المدينة في حى يقال لهم بنو عمرو بن عوف . فأقام فيهم أربع عشرة ليلة ثم إنه أرسل إلى ملإ بني النجار فجاءوا متقلدين بسيوفهم - قال - فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وأبو بكر ردفه وملأ بني النجار حوله حتى ألقى بفناء أبي أيوب - قال - فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي حيث أدركته الصلاة ويصلي في مرابض الغنم ثم إنه أمر بالمسجد قال فأرسل إلى ملإ بني النجار فجاءوا فقال " يا بني النجار ثامنوني بحائطكم هذا " . قالوا لا والله لا نطلب ثمنه إلا إلى الله . قال أنس فكان فيه ما أقول كان فيه نخل وقبور المشركين وخرب . فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالنخل فقطع وبقبور المشركين فنبشت وبالخرب فسويت - قال - فصفوا النخل قبلة وجعلوا عضادتيه حجارة - قال - فكانوا يرتجزون ورسول الله صلى الله عليه وسلم معهم وهم يقولون اللهم إنه لا خير إلا خير الآخره فانصر الأنصار والمهاجره
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরাত করে মদিনায় আগমন করলেন, মাদিনার উচ্চভূমিতে ‘বানী আমর ইবনু ‘আওফ গোত্রের এলাকায় অবতরণ করলেন, এবং সেখানে চৌদ্দ রাত অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি বানী নাজ্জার গোত্রের লোকজনকে ডেকে পাঠালেন তারা সবাই (খোলা) তরবারিসহ আগমন করলো। হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর সওয়ারী বা বাহনের উপর দেখতে পাচ্ছি। আবূ বাকর তাঁর পেছনে বসে আছেন এবং বানী নাজ্জারের লোকজন তাকে ঘিরে আছেন। অবশেষে তিনি আবূ আইয়ুবের (আনসারী) বাড়ীর আঙীনায় অবতরণ করলেন। বর্ণনাকারী আনাস বলেছেন, সলাতের সময় হলেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করে নিতেন। এমনকি তিনি বকরীর খোঁয়াড়েও সলাত আদায় করতেন। পরে তিনি মসজিদ নির্মাণ করতে আদিষ্ট হলে বানী নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্হায়ী লোকদের ডেকে পাঠালেন। তারা উপস্হিত হলে তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, হে বানী নাজ্জার! তোমরা তোমাদের এ বাগানটি অর্থের বিনিময়ে আমার কাছে বিক্রি কর। তারা বললো না, আল্লাহর শপথ, আমরা আল্লাহর নিকট ছাড়া আপনার কাছে এর মূল্য দাবী করব না। আনাস বলেন, ঐ বাগানটিতে যা ছিল তা আমি বর্ণনা করছি, ঐ বাগানে ছিল খেজুর গাছ, মুশরিকের কিছু কবর এবং কিছু ঘর-বাড়ির ধ্বংস স্তুপ। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নির্দেশে খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলা হলো, মুশরিকদের কবরগুলো খুঁড়ে ফেলা হলো এবং ধ্বংসাবশেষ গুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হলো। তারা (কর্তিত) খেজুর গাছের গুড়িসমুহ ক্বিবলার দিকে সারি করে রাখল এবং দরজার দু’পাশে পাথর স্হাপন করল। আনাস ইবনু মালিক বর্ণনা করেছেন। এসব কাজ করার সময় তারা একসুরে কবিতা আবৃতি করছিল। আর তাদের সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একসুরে কবিতা আবৃতি করছিলেন। তারা বলছিল, ‘হে আল্লাহ ! আখিরাতের কল্যান ছাড়া প্রকৃত কোন কল্যান নেই। তুমি আনসার ও মুহাজিরদের সাহায্য করো’’ (ই. ফা. ১০৫৪ ই. সে. ১০৬৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরাত করে মদিনায় আগমন করলেন, মাদিনার উচ্চভূমিতে ‘বানী আমর ইবনু ‘আওফ গোত্রের এলাকায় অবতরণ করলেন, এবং সেখানে চৌদ্দ রাত অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি বানী নাজ্জার গোত্রের লোকজনকে ডেকে পাঠালেন তারা সবাই (খোলা) তরবারিসহ আগমন করলো। হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর সওয়ারী বা বাহনের উপর দেখতে পাচ্ছি। আবূ বাকর তাঁর পেছনে বসে আছেন এবং বানী নাজ্জারের লোকজন তাকে ঘিরে আছেন। অবশেষে তিনি আবূ আইয়ুবের (আনসারী) বাড়ীর আঙীনায় অবতরণ করলেন। বর্ণনাকারী আনাস বলেছেন, সলাতের সময় হলেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করে নিতেন। এমনকি তিনি বকরীর খোঁয়াড়েও সলাত আদায় করতেন। পরে তিনি মসজিদ নির্মাণ করতে আদিষ্ট হলে বানী নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্হায়ী লোকদের ডেকে পাঠালেন। তারা উপস্হিত হলে তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, হে বানী নাজ্জার! তোমরা তোমাদের এ বাগানটি অর্থের বিনিময়ে আমার কাছে বিক্রি কর। তারা বললো না, আল্লাহর শপথ, আমরা আল্লাহর নিকট ছাড়া আপনার কাছে এর মূল্য দাবী করব না। আনাস বলেন, ঐ বাগানটিতে যা ছিল তা আমি বর্ণনা করছি, ঐ বাগানে ছিল খেজুর গাছ, মুশরিকের কিছু কবর এবং কিছু ঘর-বাড়ির ধ্বংস স্তুপ। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নির্দেশে খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলা হলো, মুশরিকদের কবরগুলো খুঁড়ে ফেলা হলো এবং ধ্বংসাবশেষ গুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হলো। তারা (কর্তিত) খেজুর গাছের গুড়িসমুহ ক্বিবলার দিকে সারি করে রাখল এবং দরজার দু’পাশে পাথর স্হাপন করল। আনাস ইবনু মালিক বর্ণনা করেছেন। এসব কাজ করার সময় তারা একসুরে কবিতা আবৃতি করছিল। আর তাদের সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একসুরে কবিতা আবৃতি করছিলেন। তারা বলছিল, ‘হে আল্লাহ ! আখিরাতের কল্যান ছাড়া প্রকৃত কোন কল্যান নেই। তুমি আনসার ও মুহাজিরদের সাহায্য করো’’ (ই. ফা. ১০৫৪ ই. সে. ১০৬৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، وشيبان بن فروخ، كلاهما عن عبد الوارث، - قال يحيى أخبرنا عبد الوارث بن سعيد، عن أبي التياح الضبعي، حدثنا أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم المدينة فنزل في علو المدينة في حى يقال لهم بنو عمرو بن عوف . فأقام فيهم أربع عشرة ليلة ثم إنه أرسل إلى ملإ بني النجار فجاءوا متقلدين بسيوفهم - قال - فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وأبو بكر ردفه وملأ بني النجار حوله حتى ألقى بفناء أبي أيوب - قال - فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي حيث أدركته الصلاة ويصلي في مرابض الغنم ثم إنه أمر بالمسجد قال فأرسل إلى ملإ بني النجار فجاءوا فقال " يا بني النجار ثامنوني بحائطكم هذا " . قالوا لا والله لا نطلب ثمنه إلا إلى الله . قال أنس فكان فيه ما أقول كان فيه نخل وقبور المشركين وخرب . فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالنخل فقطع وبقبور المشركين فنبشت وبالخرب فسويت - قال - فصفوا النخل قبلة وجعلوا عضادتيه حجارة - قال - فكانوا يرتجزون ورسول الله صلى الله عليه وسلم معهم وهم يقولون اللهم إنه لا خير إلا خير الآخره فانصر الأنصار والمهاجره
সহিহ মুসলিম > বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন
সহিহ মুসলিম ১০৬৬
حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، وعن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الغداة إذ جاءهم رجل . بمثل حديث مالك .
সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, লোকজন ফাজ্বরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখন একজন সেখানে এসে হাজির হলো ... এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই. ফা. ১০৬০ ই. সে. ১০৬৮)
সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, লোকজন ফাজ্বরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখন একজন সেখানে এসে হাজির হলো ... এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই. ফা. ১০৬০ ই. সে. ১০৬৮)
حدثني سويد بن سعيد، حدثني حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، وعن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الغداة إذ جاءهم رجل . بمثل حديث مالك .
সহিহ মুসলিম ১০৬৪
حدثنا محمد بن المثنى، وأبو بكر بن خلاد جميعا عن يحيى، - قال ابن المثنى حدثنا يحيى بن سعيد، - عن سفيان، حدثني أبو إسحاق، قال سمعت البراء، يقول صلينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نحو بيت المقدس ستة عشر شهرا أو سبعة عشر شهرا ثم صرفنا نحو الكعبة .
বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
আমরা বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পেছনে সলাত আদায় করেছি। এরপর আমাদেরকে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ - ষোল কিংবা সতের মাস পরে আমরা কা’বার দিকে মুখ করে সলাত আদায়ের নির্দেশ লাভ করি। (ই. ফা. ১০৫৮ ই. সে. ১০৬৬)
বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
আমরা বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পেছনে সলাত আদায় করেছি। এরপর আমাদেরকে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ - ষোল কিংবা সতের মাস পরে আমরা কা’বার দিকে মুখ করে সলাত আদায়ের নির্দেশ লাভ করি। (ই. ফা. ১০৫৮ ই. সে. ১০৬৬)
حدثنا محمد بن المثنى، وأبو بكر بن خلاد جميعا عن يحيى، - قال ابن المثنى حدثنا يحيى بن سعيد، - عن سفيان، حدثني أبو إسحاق، قال سمعت البراء، يقول صلينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نحو بيت المقدس ستة عشر شهرا أو سبعة عشر شهرا ثم صرفنا نحو الكعبة .
সহিহ মুসলিম ১০৬৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي نحو بيت المقدس فنزلت { قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام} فمر رجل من بني سلمة وهم ركوع في صلاة الفجر وقد صلوا ركعة فنادى ألا إن القبلة قد حولت . فمالوا كما هم نحو القبلة .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করতেন। তারপর এক সময় এ আয়াত অবর্তীর্ণ হলো (আরবি) অর্থাৎ- “আমি বার বার তোমাকে আসমানের দিকে তাকানো দেখছিলাম। এখন আমি তোমাকে তোমার পছন্দনীয় ক্বিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলাম। সুতরাং তুমি তোমার মুখ মাসজিদে হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও”- (সূরাহ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৩৩)। এরপর জনৈক ব্যক্তি ভোরবেলা বানী সালমাহ্ গোত্রের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করছিল। সে দেখতে পেলো তারা ফজর সলা্তের এক রাক’আত আদায় করেছে এবং দ্বিতীয় রাক’আতে রুকূ’রত আছে। তখন সে ডেকে বলল, ক্বিবলাহ্ কিন্তু পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। (এ কথা শুনার পর) তারা সলাতরত অবস্থায়ই (নতুন) ক্বিবলার দিকে ঘুরে গেল। (ই.ফা. ১০৬১, ই.সে. ১০৬৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে সলাত আদায় করতেন। তারপর এক সময় এ আয়াত অবর্তীর্ণ হলো (আরবি) অর্থাৎ- “আমি বার বার তোমাকে আসমানের দিকে তাকানো দেখছিলাম। এখন আমি তোমাকে তোমার পছন্দনীয় ক্বিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলাম। সুতরাং তুমি তোমার মুখ মাসজিদে হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও”- (সূরাহ আল বাক্বারাহ্ ২ : ১৩৩)। এরপর জনৈক ব্যক্তি ভোরবেলা বানী সালমাহ্ গোত্রের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করছিল। সে দেখতে পেলো তারা ফজর সলা্তের এক রাক’আত আদায় করেছে এবং দ্বিতীয় রাক’আতে রুকূ’রত আছে। তখন সে ডেকে বলল, ক্বিবলাহ্ কিন্তু পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। (এ কথা শুনার পর) তারা সলাতরত অবস্থায়ই (নতুন) ক্বিবলার দিকে ঘুরে গেল। (ই.ফা. ১০৬১, ই.সে. ১০৬৯)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي نحو بيت المقدس فنزلت { قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام} فمر رجل من بني سلمة وهم ركوع في صلاة الفجر وقد صلوا ركعة فنادى ألا إن القبلة قد حولت . فمالوا كما هم نحو القبلة .
সহিহ মুসলিম ১০৬৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى بيت المقدس ستة عشر شهرا حتى نزلت الآية التي في البقرة { وحيثما كنتم فولوا وجوهكم شطره} فنزلت بعد ما صلى النبي صلى الله عليه وسلم فانطلق رجل من القوم فمر بناس من الأنصار وهم يصلون فحدثهم فولوا وجوههم قبل البيت .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআন মাজীদের আয়াত ‘’ওয়া হায়সু মা কুনতুম ফাওয়ালু উজূহাকুম শাত্বরাহ্’’ (অর্থাৎ - এখন যেখানেই তোমরা অবস্হান করো না কেন, ঐ (কা’বাহ ঘরের) দিকে মুখ করে সলাত আদায় করো) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ষোল মাস যাবৎ বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ের পর এ আয়াত অবতীর্ণ হলো। তখন সবার মধ্য হতে জনৈক ব্যাক্তি উঠে রওয়ানা হলো। সে সলাতরত একদল আনসারের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদের কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তারা সবাই (সলাতরত অবস্থায়ই) মুখ ফিরিয়ে বায়তুল্লাহ বা কা’বাহ্ ঘরের দিকে করে নিলো। (ই. ফা. ১০৫৭ ই. সে. ১০৬৫)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআন মাজীদের আয়াত ‘’ওয়া হায়সু মা কুনতুম ফাওয়ালু উজূহাকুম শাত্বরাহ্’’ (অর্থাৎ - এখন যেখানেই তোমরা অবস্হান করো না কেন, ঐ (কা’বাহ ঘরের) দিকে মুখ করে সলাত আদায় করো) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ষোল মাস যাবৎ বায়তুল মাক্বদিসের দিকে মুখ করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায়ের পর এ আয়াত অবতীর্ণ হলো। তখন সবার মধ্য হতে জনৈক ব্যাক্তি উঠে রওয়ানা হলো। সে সলাতরত একদল আনসারের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদের কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তারা সবাই (সলাতরত অবস্থায়ই) মুখ ফিরিয়ে বায়তুল্লাহ বা কা’বাহ্ ঘরের দিকে করে নিলো। (ই. ফা. ১০৫৭ ই. সে. ১০৬৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم إلى بيت المقدس ستة عشر شهرا حتى نزلت الآية التي في البقرة { وحيثما كنتم فولوا وجوهكم شطره} فنزلت بعد ما صلى النبي صلى الله عليه وسلم فانطلق رجل من القوم فمر بناس من الأنصار وهم يصلون فحدثهم فولوا وجوههم قبل البيت .
সহিহ মুসলিম ১০৬৫
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - واللفظ له - عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الصبح بقباء إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة . وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها . وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, ‘কুবা’ নামক মাসজিদে লোকজন ফাজরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখনই একজন আগন্তুক এসে তাদেরকে বলল,আজ রাতে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে সলাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওপর একটি আয়াত অবর্তীণ হয়েছে। তখন তাদের (মাসজিদে কুবায় সলাত আদায়কারী মুসল্লীদের) মুখ ছিল শামের (বায়তুল মাক্বদিস বা মাসজিদে আক্বসার, বা যা বর্তমানে ফিলিস্তীনে অবস্হিত) দিকে। অতঃপর (সলাতরত অবস্হায়) তারা কা’বার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো। (ই. ফা. ১০৫৯ ই. সে. ১০৬৭)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, ‘কুবা’ নামক মাসজিদে লোকজন ফাজরের সলাত আদায় করছিল। ঠিক তখনই একজন আগন্তুক এসে তাদেরকে বলল,আজ রাতে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে সলাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওপর একটি আয়াত অবর্তীণ হয়েছে। তখন তাদের (মাসজিদে কুবায় সলাত আদায়কারী মুসল্লীদের) মুখ ছিল শামের (বায়তুল মাক্বদিস বা মাসজিদে আক্বসার, বা যা বর্তমানে ফিলিস্তীনে অবস্হিত) দিকে। অতঃপর (সলাতরত অবস্হায়) তারা কা’বার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো। (ই. ফা. ১০৫৯ ই. সে. ১০৬৭)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، - واللفظ له - عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال بينما الناس في صلاة الصبح بقباء إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة . وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها . وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة .
সহিহ মুসলিম > ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
সহিহ মুসলিম ১০৬৮
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن أم حبيبة، وأم سلمة ذكرتا كنيسة رأينها بالحبشة - فيها تصاوير - لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أولئك إذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا وصوروا فيه تلك الصور أولئك شرار الخلق عند الله يوم القيامة " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু হাবীবাহ্ ও উম্মু সালামাহ্ (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু’ স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এমন একটি গীর্জার বর্ণনা দিলো যার মধ্যে মূর্তি বা ছবি যা তারা হাবশায় দেখেছিলেন। তাদের কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা এরূপই করে থাকে। তাদের মধ্যেকার কোন নেক লোক মারা গেলে তারা তার ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং তার মধ্যে ছবি বা মূর্তি স্থাপন করে। ক্বিয়ামাতের দিন এরা হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট সৃষ্টি। (ই.ফা. ১০৬২, ই.সে. ১০৭০)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু হাবীবাহ্ ও উম্মু সালামাহ্ (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু’ স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এমন একটি গীর্জার বর্ণনা দিলো যার মধ্যে মূর্তি বা ছবি যা তারা হাবশায় দেখেছিলেন। তাদের কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তারা এরূপই করে থাকে। তাদের মধ্যেকার কোন নেক লোক মারা গেলে তারা তার ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং তার মধ্যে ছবি বা মূর্তি স্থাপন করে। ক্বিয়ামাতের দিন এরা হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট সৃষ্টি। (ই.ফা. ১০৬২, ই.সে. ১০৭০)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن أم حبيبة، وأم سلمة ذكرتا كنيسة رأينها بالحبشة - فيها تصاوير - لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أولئك إذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا وصوروا فيه تلك الصور أولئك شرار الخلق عند الله يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ১০৭৩
وحدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا الفزاري، عن عبيد الله بن الأصم، حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৭, ই.সে. ১০৭৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৭, ই.সে. ১০৭৫)
وحدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا الفزاري، عن عبيد الله بن الأصم، حدثنا يزيد بن الأصم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " .
সহিহ মুসলিম ১০৭০
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت ذكرن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم كنيسة رأينها بأرض الحبشة يقال لها مارية . بمثل حديثهم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ আবিসিনিয়ায় (যা বর্তমানে ইথিওপিয়া) ‘মারিয়াহ্’ নামক যে এক রকম গীর্জা দেখেছিলেন তার আলোচনা করলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী হাদীসটির অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৪ ই.সে. ১০৭২)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ আবিসিনিয়ায় (যা বর্তমানে ইথিওপিয়া) ‘মারিয়াহ্’ নামক যে এক রকম গীর্জা দেখেছিলেন তার আলোচনা করলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী হাদীসটির অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৪ ই.সে. ১০৭২)
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت ذكرن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم كنيسة رأينها بأرض الحبشة يقال لها مارية . بمثل حديثهم .
সহিহ মুসলিম ১০৭২
حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، ومالك، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قاتل الله اليهود اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদদের ধ্বংস করুন। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান বানিয়ে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৬, ই.সে. ১০৭৪)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ইয়াহূদদের ধ্বংস করুন। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান বানিয়ে নিয়েছে। (ই.ফা. ১০৬৬, ই.সে. ১০৭৪)
حدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، ومالك، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قاتل الله اليهود اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " .
সহিহ মুসলিম ১০৭১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا شيبان، عن هلال بن أبي حميد، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه " لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " . قالت فلولا ذاك أبرز قبره غير أنه خشي أن يتخذ مسجدا . وفي رواية ابن أبي شيبة ولولا ذاك لم يذكر قالت .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগ-শয্যায় বলেছিলেন, আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃস্টানদের) প্রতি লা’নাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ যদি এরূপ করার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে তাকে উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর দেয়া হত। কিন্তু যেহেতু তিনি আশংকা করতেন যে, তাঁর ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করা হতে পারে তাই উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর করতে দেননি। বরং ‘আয়িশাহ (রাঃ) -এর কক্ষে তাঁর ক্ববর করা হয়েছে। তবে ইবনু আবূ শায়বাহ্-এর বর্ণিত হাদীসে (আরবি) স্থানে (আরবি) কথাটি বর্ণনা করা হয়েছে। আর তিনি ক্বালাত শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৬৫ ই.সে. ১০৭৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগ-শয্যায় বলেছিলেন, আল্লাহ ইয়াহূদ ও নাসারাদের (খৃস্টানদের) প্রতি লা’নাত বর্ষণ করুন। কারণ তারা তাদের নাবীদের ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ যদি এরূপ করার আশঙ্কা না থাকতো তাহলে তাকে উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর দেয়া হত। কিন্তু যেহেতু তিনি আশংকা করতেন যে, তাঁর ক্ববরকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করা হতে পারে তাই উন্মুক্ত স্থানে ক্ববর করতে দেননি। বরং ‘আয়িশাহ (রাঃ) -এর কক্ষে তাঁর ক্ববর করা হয়েছে। তবে ইবনু আবূ শায়বাহ্-এর বর্ণিত হাদীসে (আরবি) স্থানে (আরবি) কথাটি বর্ণনা করা হয়েছে। আর তিনি ক্বালাত শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ১০৬৫ ই.সে. ১০৭৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا شيبان، عن هلال بن أبي حميد، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي لم يقم منه " لعن الله اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " . قالت فلولا ذاك أبرز قبره غير أنه خشي أن يتخذ مسجدا . وفي رواية ابن أبي شيبة ولولا ذاك لم يذكر قالت .
সহিহ মুসলিম ১০৬৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أنهم تذاكروا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه فذكرت أم سلمة وأم حبيبة كنيسة . ثم ذكر نحوه .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেছেনঃ ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পীড়িত তখন সাহাবীগণ তাঁর কাছে কাথা-বার্তা বললেন। তখন উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ্ গীর্জার কথা বর্ণনা করলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটিতে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৩, ই.সে. ১০৭১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেছেনঃ ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন পীড়িত তখন সাহাবীগণ তাঁর কাছে কাথা-বার্তা বললেন। তখন উম্মু সালামাহ্ ও উম্মু হাবীবাহ্ গীর্জার কথা বর্ণনা করলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসটিতে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। (ই.ফা. ১০৬৩, ই.সে. ১০৭১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أنهم تذاكروا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في مرضه فذكرت أم سلمة وأم حبيبة كنيسة . ثم ذكر نحوه .
সহিহ মুসলিম ১০৭৪
وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وحرملة بن يحيى، قال حرملة أخبرنا وقال، هارون حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، قالا لما نزلت برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه فإذا اغتم كشفها عن وجهه فقال وهو كذلك " لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " . يحذر مثل ما صنعوا .
‘আয়িশাহ্ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওয়াফাতের সময় ঘনিয়ে আসলে তিনি চাদর টেনে টেনে মুখমন্ডলের উপর দিচ্ছিলেন। কিন্তু আবার যখন অস্বস্তিবোধ করছিলেন তখন তা সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি বলছিলেন ইয়াহূদ (ইয়াহূদী) ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে (অর্থাৎ-সেখানে তারা সাজদাহ্ করে)। আর ইয়াহূদ ও নাসারাদের মতো না করতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার হুঁশিয়ার করে দিচ্ছিলেন। (ই.ফা. ১০৬৮, ই.সে. ১০৭৬)
‘আয়িশাহ্ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়েই বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ওয়াফাতের সময় ঘনিয়ে আসলে তিনি চাদর টেনে টেনে মুখমন্ডলের উপর দিচ্ছিলেন। কিন্তু আবার যখন অস্বস্তিবোধ করছিলেন তখন তা সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি বলছিলেন ইয়াহূদ (ইয়াহূদী) ও নাসারাদের (খৃষ্টানদের) ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। তারা তাদের নাবীদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ বা সাজদার স্থান করে নিয়েছে (অর্থাৎ-সেখানে তারা সাজদাহ্ করে)। আর ইয়াহূদ ও নাসারাদের মতো না করতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বার বার হুঁশিয়ার করে দিচ্ছিলেন। (ই.ফা. ১০৬৮, ই.সে. ১০৭৬)
وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، وحرملة بن يحيى، قال حرملة أخبرنا وقال، هارون حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبيد الله بن عبد الله، أن عائشة، وعبد الله بن عباس، قالا لما نزلت برسول الله صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه فإذا اغتم كشفها عن وجهه فقال وهو كذلك " لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد " . يحذر مثل ما صنعوا .
সহিহ মুসলিম ১০৭৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر - قال إسحاق أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا زكرياء بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن الحارث النجراني، قال حدثني جندب، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن يموت بخمس وهو يقول " إني أبرأ إلى الله أن يكون لي منكم خليل فإن الله تعالى قد اتخذني خليلا كما اتخذ إبراهيم خليلا ولو كنت متخذا من أمتي خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا ألا وإن من كان قبلكم كانوا يتخذون قبور أنبيائهم وصالحيهم مساجد ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إني أنهاكم عن ذلك " .
জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের মধ্যে থেকে আমার কোন খলীল বা একান্ত বন্ধু থাকার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে মুক্ত। কারণ মহান আল্লাহ ইব্রাহীমকে যেমন খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন, সে রকমভাবে আমাকেও খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমি আমার উম্মাতের মধ্যে থেকে কাউকে খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে চাইলে আবূ বকরকেই তা করতাম। সাবধান থেকো তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নবী ও নেককার লোকদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ (সাজদার স্থান) হিসেবে গ্রহণ করত। সাবধান তোমরা ক্ববরসমূহকে সাজদার স্থান বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদেরকে নিষেধ করে যাচ্ছি। (ই.ফা. ১০৬৯, ই.সে. ১০৭৭)
জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে তাঁকে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের মধ্যে থেকে আমার কোন খলীল বা একান্ত বন্ধু থাকার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে মুক্ত। কারণ মহান আল্লাহ ইব্রাহীমকে যেমন খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন, সে রকমভাবে আমাকেও খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমি আমার উম্মাতের মধ্যে থেকে কাউকে খলীল বা একান্ত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে চাইলে আবূ বকরকেই তা করতাম। সাবধান থেকো তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নবী ও নেককার লোকদের ক্ববরসমূহকে মসজিদ (সাজদার স্থান) হিসেবে গ্রহণ করত। সাবধান তোমরা ক্ববরসমূহকে সাজদার স্থান বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদেরকে নিষেধ করে যাচ্ছি। (ই.ফা. ১০৬৯, ই.সে. ১০৭৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر - قال إسحاق أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا زكرياء بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن الحارث النجراني، قال حدثني جندب، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن يموت بخمس وهو يقول " إني أبرأ إلى الله أن يكون لي منكم خليل فإن الله تعالى قد اتخذني خليلا كما اتخذ إبراهيم خليلا ولو كنت متخذا من أمتي خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا ألا وإن من كان قبلكم كانوا يتخذون قبور أنبيائهم وصالحيهم مساجد ألا فلا تتخذوا القبور مساجد إني أنهاكم عن ذلك " .
সহিহ মুসলিম > মসজিদ নির্মাণের ফাযীলত এবং তার প্রতি উৎসাহ প্রদান
সহিহ মুসলিম ১০৭৭
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك فأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله " .
মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেছেন) ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) মসজিদ নির্মাণ করতে মনস্থ করলে লোকজন তা করা পছন্দ করলো না। বরং মসজিদ যেমন আছে তেমন রেখে দেয়াই তারা ভাল মনে করলো। তখন ‘উসমান বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ মসজিদ নির্মাণ করলে আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ একখানা ঘর তৈরি করেন। (ই.ফা. ১০৭১, ই.সে. ১০৭৯)
মাহমূদ ইবনু লাবীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেছেন) ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) মসজিদ নির্মাণ করতে মনস্থ করলে লোকজন তা করা পছন্দ করলো না। বরং মসজিদ যেমন আছে তেমন রেখে দেয়াই তারা ভাল মনে করলো। তখন ‘উসমান বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কেউ মসজিদ নির্মাণ করলে আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ একখানা ঘর তৈরি করেন। (ই.ফা. ১০৭১, ই.সে. ১০৭৯)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا عبد الحميد بن جعفر، حدثني أبي، عن محمود بن لبيد، أن عثمان بن عفان، أراد بناء المسجد فكره الناس ذلك فأحبوا أن يدعه على هيئته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من بنى مسجدا لله بنى الله له في الجنة مثله " .
সহিহ মুসলিম ১০৭৬
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد الرسول صلى الله عليه وسلم . إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من بنى مسجدا لله تعالى - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله - بنى الله له بيتا في الجنة " . وقال ابن عيسى في روايته " مثله في الجنة " .
‘উবায়দুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) যে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ করলেন এবং এ কারণে লোকজন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলো তখন ‘উবায়দুল্লাহ খাওলানী ‘উসমানকে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করবে, হাদীস বর্ণনাকারী বুকায়র বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন এর মাধ্যমে (মসজিদ নির্মাণ) যদি সে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। ইবনু ‘ঈসা তাঁর বর্ণনায় (জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ১০৭০, ই.সে. ১০৭৮)
‘উবায়দুল্লাহ আল খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) যে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ করলেন এবং এ কারণে লোকজন তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে শুরু করলো তখন ‘উবায়দুল্লাহ খাওলানী ‘উসমানকে বলতে শুনেছেন, তোমরা আমার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মাণ করবে, হাদীস বর্ণনাকারী বুকায়র বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন এর মাধ্যমে (মসজিদ নির্মাণ) যদি সে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যাশা করে তাহলে মহান আল্লাহ তা’আলাও তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করেছেন। ইবনু ‘ঈসা তাঁর বর্ণনায় (জান্নাতের মধ্যে অনুরূপ) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ১০৭০, ই.সে. ১০৭৮)
حدثني هارون بن سعيد الأيلي، وأحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، أن بكيرا، حدثه أن عاصم بن عمر بن قتادة حدثه أنه، سمع عبيد الله الخولاني، يذكر أنه سمع عثمان بن عفان، عند قول الناس فيه حين بنى مسجد الرسول صلى الله عليه وسلم . إنكم قد أكثرتم وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من بنى مسجدا لله تعالى - قال بكير حسبت أنه قال - يبتغي به وجه الله - بنى الله له بيتا في الجنة " . وقال ابن عيسى في روايته " مثله في الجنة " .