সহিহ মুসলিম > ইমামদেরকে সংক্ষেপে পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করানোর নির্দেশ

সহিহ মুসলিম ৯৩১

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس، عن أبي مسعود الأنصاري، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني لأتأخر عن صلاة الصبح من أجل فلان مما يطيل بنا ‏.‏ فما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم غضب في موعظة قط أشد مما غضب يومئذ فقال ‏ "‏ يا أيها الناس إن منكم منفرين فأيكم أم الناس فليوجز فإن من ورائه الكبير والضعيف وذا الحاجة ‏"‏ ‏.‏

আবূ মাস’উদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, অমুক লোকের কারণে আমি ফাজরের সলাতে দেরীতে উপস্থিত হই। কারণ সে খুব লম্বা কিরাআত পাঠ করে। (রাবী বলেন) আমি সেদিনকার মতো আর কোন দিনের ওয়াজে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এতোটা গোস্‌সা হতে দেখিনি। তিনি বললেন, হে জনগণ! তোমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা মানুষকে ভাগিয়ে দেয়। তোমাদের যে কেউ ইমামতি করে সে যেন সলাত সংক্ষেপ করে। কেননা তার পিছনে বৃদ্ধ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত লোকও রয়েছে। (ই.ফা. ৯২৬, ই.সে . ৯৩৮)

আবূ মাস’উদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, অমুক লোকের কারণে আমি ফাজরের সলাতে দেরীতে উপস্থিত হই। কারণ সে খুব লম্বা কিরাআত পাঠ করে। (রাবী বলেন) আমি সেদিনকার মতো আর কোন দিনের ওয়াজে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এতোটা গোস্‌সা হতে দেখিনি। তিনি বললেন, হে জনগণ! তোমাদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা মানুষকে ভাগিয়ে দেয়। তোমাদের যে কেউ ইমামতি করে সে যেন সলাত সংক্ষেপ করে। কেননা তার পিছনে বৃদ্ধ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত লোকও রয়েছে। (ই.ফা. ৯২৬, ই.সে . ৯৩৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس، عن أبي مسعود الأنصاري، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني لأتأخر عن صلاة الصبح من أجل فلان مما يطيل بنا ‏.‏ فما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم غضب في موعظة قط أشد مما غضب يومئذ فقال ‏ "‏ يا أيها الناس إن منكم منفرين فأيكم أم الناس فليوجز فإن من ورائه الكبير والضعيف وذا الحاجة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৪

حدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا ما قام أحدكم للناس فليخفف الصلاة فإن فيهم الكبير وفيهم الضعيف وإذا قام وحده فليطل صلاته ما شاء ‏"‏ ‏.‏

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্হ্ (রাঃ) মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। এগুলোর মধ্যে একটি হাদীস এই- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি লোকেদের সলাতে ইমামতি করতে দাঁড়ালে সে যেন সলাত সংক্ষেপ করে। কেননা তাদের মধ্যে যেমন বৃদ্ধরা রয়েছে তেমন দুর্বলরাও রয়েছে। যখন সে একাকি সলাত আদায় করে তখন নিজ ইচ্ছামত তার সলাত দীর্ঘ করতে পারে। (ই.ফা. ৯২৯, ই.সে. ৯৪১)

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্হ্ (রাঃ) মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। এগুলোর মধ্যে একটি হাদীস এই- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি লোকেদের সলাতে ইমামতি করতে দাঁড়ালে সে যেন সলাত সংক্ষেপ করে। কেননা তাদের মধ্যে যেমন বৃদ্ধরা রয়েছে তেমন দুর্বলরাও রয়েছে। যখন সে একাকি সলাত আদায় করে তখন নিজ ইচ্ছামত তার সলাত দীর্ঘ করতে পারে। (ই.ফা. ৯২৯, ই.সে. ৯৪১)

حدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن محمد، رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا ما قام أحدكم للناس فليخفف الصلاة فإن فيهم الكبير وفيهم الضعيف وإذا قام وحده فليطل صلاته ما شاء ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৫

وحدثنا حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا صلى أحدكم للناس فليخفف فإن في الناس الضعيف والسقيم وذا الحاجة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন লোকেদের নিয়ে সলাত আদায় করে সে যেন তা সংক্ষিপ্ত করে। কেননা এসব লোকের মধ্যে দুর্বল, রুগ্ন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যস্ত লোকও থাকতে পারে। (ই.ফা. ৯৩০, ই.সে. ৯৪২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন লোকেদের নিয়ে সলাত আদায় করে সে যেন তা সংক্ষিপ্ত করে। কেননা এসব লোকের মধ্যে দুর্বল, রুগ্ন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যস্ত লোকও থাকতে পারে। (ই.ফা. ৯৩০, ই.সে. ৯৪২)

وحدثنا حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا صلى أحدكم للناس فليخفف فإن في الناس الضعيف والسقيم وذا الحاجة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم، ووكيع، ح قال وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن إسماعيل، في هذا الإسناد بمثل حديث هشيم ‏.‏

ইসমা’ঈল (রহঃ) এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উপরের সানাদে হুশায়ম-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯২৭, ই.সে. ৯৩৯)

ইসমা’ঈল (রহঃ) এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উপরের সানাদে হুশায়ম-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯২৭, ই.সে. ৯৩৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم، ووكيع، ح قال وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن إسماعيل، في هذا الإسناد بمثل حديث هشيم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৩

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - وهو ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا أم أحدكم الناس فليخفف فإن فيهم الصغير والكبير والضعيف والمريض فإذا صلى وحده فليصل كيف شاء ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন লোকেদের ইমামতি করে সে যেন সলাত হালকা এবং সংক্ষেপ কর। কেননা তাদের মধ্যে বালক, বৃদ্ধ, দুর্বল এবং রুগ্ন ব্যক্তিরাও রয়েছে। সে যখন একাকি সলাত আদায় করবে, তখন যত ইচ্ছা দীর্ঘ সূরাহ্‌ পড়তে পারে। (ই.ফা. ৯২৮, ই.সে. ৯৪০)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন লোকেদের ইমামতি করে সে যেন সলাত হালকা এবং সংক্ষেপ কর। কেননা তাদের মধ্যে বালক, বৃদ্ধ, দুর্বল এবং রুগ্ন ব্যক্তিরাও রয়েছে। সে যখন একাকি সলাত আদায় করবে, তখন যত ইচ্ছা দীর্ঘ সূরাহ্‌ পড়তে পারে। (ই.ফা. ৯২৮, ই.সে. ৯৪০)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - وهو ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا أم أحدكم الناس فليخفف فإن فيهم الصغير والكبير والضعيف والمريض فإذا صلى وحده فليصل كيف شاء ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৬

وحدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، حدثني الليث بن سعد، حدثني يونس، عن ابن شهاب، حدثني أبو بكر بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أنه قال - بدل السقيم - الكبير ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনায় রুগ্নের পরিবর্তে বৃদ্ধের উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৯৩১, ই.সে. ৯৪৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনায় রুগ্নের পরিবর্তে বৃদ্ধের উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৯৩১, ই.সে. ৯৪৩)

وحدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، حدثني الليث بن سعد، حدثني يونس، عن ابن شهاب، حدثني أبو بكر بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أنه قال - بدل السقيم - الكبير ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৭

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا موسى بن طلحة، حدثني عثمان بن أبي العاص الثقفي، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له ‏"‏ أم قومك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله إني أجد في نفسي شيئا ‏.‏ قال ‏"‏ ادنه ‏"‏ ‏.‏ فجلسني بين يديه ثم وضع كفه في صدري بين ثديى ثم قال ‏"‏ تحول ‏"‏ ‏.‏ فوضعها في ظهري بين كتفى ثم قال ‏"‏ أم قومك فمن أم قوما فليخفف فإن فيهم الكبير وإن فيهم المريض وإن فيهم الضعيف وإن فيهم ذا الحاجة وإذا صلى أحدكم وحده فليصل كيف شاء ‏"‏ ‏.‏

‘উসমান ইবনু আবূল আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি তোমাদের গোত্রের লোকেদের সলাতে ইমামতি কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আসো। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে তাঁর হাত রাখলেন। তিনি পুনরায় বললেন, ঘুরে বসো। তিনি আমার পিঁছে কাঁধ বরাবর হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন,তুমি তোমার গোত্রের লোকেদের ইমামতি কর। যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করে সে যেন সলাত সংক্ষিপ্ত করে। কেননা তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দূর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকী সলাত আদায় করবে, সে তখন নিজ ইচ্ছামত সলাত আদায় করতে পারে। (ই.ফা. ৯৩২, ই.সে. ৯৪৪)

‘উসমান ইবনু আবূল আস সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি তোমাদের গোত্রের লোকেদের সলাতে ইমামতি কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আসো। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে তাঁর হাত রাখলেন। তিনি পুনরায় বললেন, ঘুরে বসো। তিনি আমার পিঁছে কাঁধ বরাবর হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন,তুমি তোমার গোত্রের লোকেদের ইমামতি কর। যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করে সে যেন সলাত সংক্ষিপ্ত করে। কেননা তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দূর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকী সলাত আদায় করবে, সে তখন নিজ ইচ্ছামত সলাত আদায় করতে পারে। (ই.ফা. ৯৩২, ই.সে. ৯৪৪)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا موسى بن طلحة، حدثني عثمان بن أبي العاص الثقفي، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له ‏"‏ أم قومك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله إني أجد في نفسي شيئا ‏.‏ قال ‏"‏ ادنه ‏"‏ ‏.‏ فجلسني بين يديه ثم وضع كفه في صدري بين ثديى ثم قال ‏"‏ تحول ‏"‏ ‏.‏ فوضعها في ظهري بين كتفى ثم قال ‏"‏ أم قومك فمن أم قوما فليخفف فإن فيهم الكبير وإن فيهم المريض وإن فيهم الضعيف وإن فيهم ذا الحاجة وإذا صلى أحدكم وحده فليصل كيف شاء ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৮

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت سعيد بن المسيب، قال حدث عثمان بن أبي العاص، قال آخر ما عهد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أممت قوما فأخف بهم الصلاة ‏"‏ ‏.‏

‘উসমান ইবনু আবূল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার প্রতি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সর্বশেষ নির্দেশ ছিলঃ তুমি যখন কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করবে তখন তাদের সলাত সংক্ষিপ্ত করবে। (ই.ফা. ৯৩৩, ই.সে. ৯৪৫)

‘উসমান ইবনু আবূল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার প্রতি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সর্বশেষ নির্দেশ ছিলঃ তুমি যখন কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করবে তখন তাদের সলাত সংক্ষিপ্ত করবে। (ই.ফা. ৯৩৩, ই.সে. ৯৪৫)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت سعيد بن المسيب، قال حدث عثمان بن أبي العاص، قال آخر ما عهد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أممت قوما فأخف بهم الصلاة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৩৯

وحدثنا خلف بن هشام، وأبو الربيع الزهراني، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يوجز في الصلاة ويتم ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ৯৩৪, ই.সে. ৯৪৬)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংক্ষিপ্ত অথচ পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ৯৩৪, ই.সে. ৯৪৬)

وحدثنا خلف بن هشام، وأبو الربيع الزهراني، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يوجز في الصلاة ويتم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪০

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى أخبرنا وقال، قتيبة حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان من أخف الناس صلاة في تمام ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেদের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাত ছিল সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ৯৩৫, ই.সে. ৯৪৭)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেদের মধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাত ছিল সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ৯৩৫, ই.সে. ৯৪৭)

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى أخبرنا وقال، قتيبة حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان من أخف الناس صلاة في تمام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪১

وحدثنا يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قال يحيى بن يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن شريك بن عبد الله بن أبي نمر، عن أنس بن مالك، أنه قال ما صليت وراء إمام قط أخف صلاة ولا أتم صلاة من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেছনে যত সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করেছি-এরূপ সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ সলাত আর কখনো কোন ইমামের পিছনে আদায় করিনি। (ই.ফা. ৯৩৬, ই.সে. ৯৪৮)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেছনে যত সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করেছি-এরূপ সংক্ষিপ্ত এবং পূর্ণাঙ্গ সলাত আর কখনো কোন ইমামের পিছনে আদায় করিনি। (ই.ফা. ৯৩৬, ই.সে. ৯৪৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، قال يحيى بن يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن شريك بن عبد الله بن أبي نمر، عن أنس بن مالك، أنه قال ما صليت وراء إمام قط أخف صلاة ولا أتم صلاة من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ৯৪২

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن ثابت البناني، عن أنس، قال أنس كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسمع بكاء الصبي مع أمه وهو في الصلاة فيقرأ بالسورة الخفيفة أو بالسورة القصيرة ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত রত অবস্থায় মায়ের সাথে আসা শিশুর কান্না শুনতে পেলে হালকা বা ছোটখাট সূরাহ্ দিয়ে সলাত শেষ করে দিতেন। (ই.ফা. ৯৩৭, ই.সে. ৯৪৯)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত রত অবস্থায় মায়ের সাথে আসা শিশুর কান্না শুনতে পেলে হালকা বা ছোটখাট সূরাহ্ দিয়ে সলাত শেষ করে দিতেন। (ই.ফা. ৯৩৭, ই.সে. ৯৪৯)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن ثابت البناني، عن أنس، قال أنس كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسمع بكاء الصبي مع أمه وهو في الصلاة فيقرأ بالسورة الخفيفة أو بالسورة القصيرة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪৩

وحدثنا محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لأدخل الصلاة أريد إطالتها فأسمع بكاء الصبي فأخفف من شدة وجد أمه به ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি সলাত শুরু করে তা দীর্ঘ করার ইচ্ছা করি। এমতাবস্থায় আমি শিশুর কান্না শুনতে পাই। আমি তখন তার মায়ের অস্থিরতার কথা চিন্তা করে সলাত সংক্ষিপ্ত করে দেই। (ই.ফা. ৯৩৮, ই.সে. ৯৫০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি সলাত শুরু করে তা দীর্ঘ করার ইচ্ছা করি। এমতাবস্থায় আমি শিশুর কান্না শুনতে পাই। আমি তখন তার মায়ের অস্থিরতার কথা চিন্তা করে সলাত সংক্ষিপ্ত করে দেই। (ই.ফা. ৯৩৮, ই.সে. ৯৫০)

وحدثنا محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لأدخل الصلاة أريد إطالتها فأسمع بكاء الصبي فأخفف من شدة وجد أمه به ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সলাতের রুকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করা এবং সংক্ষেপে পূর্ণাঙ্গরূপে সলাত আদায় করা

সহিহ মুসলিম ৯৪৪

وحدثنا حامد بن عمر البكراوي، وأبو كامل فضيل بن حسين الجحدري كلاهما عن أبي عوانة، - قال حامد حدثنا أبو عوانة، - عن هلال بن أبي حميد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن البراء بن عازب، قال رمقت الصلاة مع محمد صلى الله عليه وسلم فوجدت قيامه فركعته فاعتداله بعد ركوعه فسجدته فجلسته بين السجدتين فسجدته فجلسته ما بين التسليم والانصراف قريبا من السواء ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে তাঁর সলাত আদায় করার নিয়ম কানুন ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। তাঁর দাঁড়ানো (কিয়াম) , তাঁর রুকু‘ এবং রুকু‘ থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো, তাঁর সাজদাহ্ এবং দু’সাজদার মাঝে তাঁর বসা, অতঃপর তাঁর দ্বিতীয় সাজদাহ্, তাঁর সালাম ফিরানো, এবং সালাম ও সলাত শেষ করে চলে যাওয়ার মাঝখানে বসা-এর সবই প্রায় সমান (ব্যবধান) পেয়েছি। (ই.ফা. ৯৩৯, ই.সে. ৯৫১)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে তাঁর সলাত আদায় করার নিয়ম কানুন ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। তাঁর দাঁড়ানো (কিয়াম) , তাঁর রুকু‘ এবং রুকু‘ থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো, তাঁর সাজদাহ্ এবং দু’সাজদার মাঝে তাঁর বসা, অতঃপর তাঁর দ্বিতীয় সাজদাহ্, তাঁর সালাম ফিরানো, এবং সালাম ও সলাত শেষ করে চলে যাওয়ার মাঝখানে বসা-এর সবই প্রায় সমান (ব্যবধান) পেয়েছি। (ই.ফা. ৯৩৯, ই.সে. ৯৫১)

وحدثنا حامد بن عمر البكراوي، وأبو كامل فضيل بن حسين الجحدري كلاهما عن أبي عوانة، - قال حامد حدثنا أبو عوانة، - عن هلال بن أبي حميد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن البراء بن عازب، قال رمقت الصلاة مع محمد صلى الله عليه وسلم فوجدت قيامه فركعته فاعتداله بعد ركوعه فسجدته فجلسته بين السجدتين فسجدته فجلسته ما بين التسليم والانصراف قريبا من السواء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪৮

وحدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، قال ما صليت خلف أحد أوجز صلاة من صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمام كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم متقاربة وكانت صلاة أبي بكر متقاربة فلما كان عمر بن الخطاب مد في صلاة الفجر وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ قام حتى نقول قد أوهم ‏.‏ ثم يسجد ويقعد بين السجدتين حتى نقول قد أوهم ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে যেরূপ সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করেছি অনুরূপ আর কারো পিছনে আদায় করিনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাতের (রুকনগুলোর সময়ের) পরিমাণ প্রায় কাছকাছি ছিল। আবূ বকর (রাঃ) -এর সলাতের (রুকনগুলোও) পরস্পর কাছকাছি ছিল। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব তাঁর সময়ে ফযরের সলাত দীর্ঘ করে দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলে দাঁড়িয়ে যেতেন -এমনকি আমরা (মনে মনে) বলতাম, তিনি (সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। অতঃপর তিনি সাজদায় যেতেন। দু’সাজদার মাঝখানে তিনি এতক্ষণ বসতেন যে, আমরা (মনে মনে) বলতাম, তিনি (পরবর্তী সিজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। (ই.ফা. ৯৪৩, ই.সে. ৯৫৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে যেরূপ সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ সলাত আদায় করেছি অনুরূপ আর কারো পিছনে আদায় করিনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাতের (রুকনগুলোর সময়ের) পরিমাণ প্রায় কাছকাছি ছিল। আবূ বকর (রাঃ) -এর সলাতের (রুকনগুলোও) পরস্পর কাছকাছি ছিল। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব তাঁর সময়ে ফযরের সলাত দীর্ঘ করে দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলে দাঁড়িয়ে যেতেন -এমনকি আমরা (মনে মনে) বলতাম, তিনি (সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। অতঃপর তিনি সাজদায় যেতেন। দু’সাজদার মাঝখানে তিনি এতক্ষণ বসতেন যে, আমরা (মনে মনে) বলতাম, তিনি (পরবর্তী সিজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। (ই.ফা. ৯৪৩, ই.সে. ৯৫৪)

وحدثني أبو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، قال ما صليت خلف أحد أوجز صلاة من صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمام كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم متقاربة وكانت صلاة أبي بكر متقاربة فلما كان عمر بن الخطاب مد في صلاة الفجر وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ قام حتى نقول قد أوهم ‏.‏ ثم يسجد ويقعد بين السجدتين حتى نقول قد أوهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪৫

وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال غلب على الكوفة رجل - قد سماه - زمن ابن الأشعث فأمر أبا عبيدة بن عبد الله أن يصلي بالناس فكان يصلي فإذا رفع رأسه من الركوع قام قدر ما أقول اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد أهل الثناء والمجد لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏.‏ قال الحكم فذكرت ذلك لعبد الرحمن بن أبي ليلى فقال سمعت البراء بن عازب يقول كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وركوعه وإذا رفع رأسه من الركوع وسجوده وما بين السجدتين قريبا من السواء ‏.‏ قال شعبة فذكرته لعمرو بن مرة فقال قد رأيت ابن أبي ليلى فلم تكن صلاته هكذا ‏.

হাকাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু আশ’আস-এর সময় এক ব্যক্তি কূফাবাসীদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে। হাকাম তার নাম উল্লেখ করেছেন (মাতার ইবনু নাজিয়াহ্)। সে আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (ইবনু মাস’উদ) কে লোকদের সলাতে ইমামতি করার হুকুম দিলেন। তিনি সলাত আদায় করছিলেন। তিনি রুকু‘ থেকে মাথা তুলে একটি দু’আ পড়ার পরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন। দু’আটি হচ্ছে : আল্লা-হুম্মা রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিলআস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিলআ মা-শি‘তা মিন্ শাইয়িন বা’দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি লা-মা-নি‘আ লিমা-আ‘তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা-মানা’তা ওয়ালা-ইয়ানফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ। অর্থাৎ “হে আল্লাহ্‌! আমাদের প্রতিপালক প্রশংসা আপনারই জন্য যা আসমান ও জমীন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন। হে প্রশংসা ও মর্যাদার অধিকারী! আপনি যা দান করবেন তা রোধ করার কেউ নেই। আর আপনি যা রোধ করবেন তা দান করারও কেউ নেই এবং কোনও সম্পদশালীকেই তার সম্পদ আপনার শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবে না।” হাকাম বলেন, অতঃপর আমি এটা ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলার কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আমি বারা ইবনু আযিবকে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সলাত ছিল : তিনি রুকু‘তে যেতেন, রুকু‘ থেকে মাথা তুলে দাঁড়াতেন, সাজদাহ্ করতেন এবং দু’সাজদার মাঝে বিরতি দিতেন- এসবগুলোর সময়ের পরিমাণ প্রায় একই ছিল। শু’বাহ্ বলেন, আমি এটা ‘আমর ইবনু মুররাকে বললাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু আবূ লাইলাকে দেখেছি। কিন্তু তার সলাত তো এরূপ ছিল না। (ই.ফা. ৯৪০, ই.সে. ৯৫২)

হাকাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু আশ’আস-এর সময় এক ব্যক্তি কূফাবাসীদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে। হাকাম তার নাম উল্লেখ করেছেন (মাতার ইবনু নাজিয়াহ্)। সে আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (ইবনু মাস’উদ) কে লোকদের সলাতে ইমামতি করার হুকুম দিলেন। তিনি সলাত আদায় করছিলেন। তিনি রুকু‘ থেকে মাথা তুলে একটি দু’আ পড়ার পরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন। দু’আটি হচ্ছে : আল্লা-হুম্মা রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিলআস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিলআ মা-শি‘তা মিন্ শাইয়িন বা’দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি লা-মা-নি‘আ লিমা-আ‘তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা-মানা’তা ওয়ালা-ইয়ানফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ। অর্থাৎ “হে আল্লাহ্‌! আমাদের প্রতিপালক প্রশংসা আপনারই জন্য যা আসমান ও জমীন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন। হে প্রশংসা ও মর্যাদার অধিকারী! আপনি যা দান করবেন তা রোধ করার কেউ নেই। আর আপনি যা রোধ করবেন তা দান করারও কেউ নেই এবং কোনও সম্পদশালীকেই তার সম্পদ আপনার শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবে না।” হাকাম বলেন, অতঃপর আমি এটা ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলার কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আমি বারা ইবনু আযিবকে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সলাত ছিল : তিনি রুকু‘তে যেতেন, রুকু‘ থেকে মাথা তুলে দাঁড়াতেন, সাজদাহ্ করতেন এবং দু’সাজদার মাঝে বিরতি দিতেন- এসবগুলোর সময়ের পরিমাণ প্রায় একই ছিল। শু’বাহ্ বলেন, আমি এটা ‘আমর ইবনু মুররাকে বললাম। তিনি বললেন, আমি ইবনু আবূ লাইলাকে দেখেছি। কিন্তু তার সলাত তো এরূপ ছিল না। (ই.ফা. ৯৪০, ই.সে. ৯৫২)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال غلب على الكوفة رجل - قد سماه - زمن ابن الأشعث فأمر أبا عبيدة بن عبد الله أن يصلي بالناس فكان يصلي فإذا رفع رأسه من الركوع قام قدر ما أقول اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد أهل الثناء والمجد لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏.‏ قال الحكم فذكرت ذلك لعبد الرحمن بن أبي ليلى فقال سمعت البراء بن عازب يقول كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وركوعه وإذا رفع رأسه من الركوع وسجوده وما بين السجدتين قريبا من السواء ‏.‏ قال شعبة فذكرته لعمرو بن مرة فقال قد رأيت ابن أبي ليلى فلم تكن صلاته هكذا ‏.


সহিহ মুসলিম ৯৪৭

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال إني لا آلو أن أصلي بكم كما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بنا ‏.‏ قال فكان أنس يصنع شيئا لا أراكم تصنعونه كان إذا رفع رأسه من الركوع انتصب قائما حتى يقول القائل قد نسي ‏.‏ وإذا رفع رأسه من السجدة مكث حتى يقول القائل قد نسي ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদেরকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে সলাত আদায় করেছেন-আমি তোমাদের নিয়ে অনুরুপভাবে সলাত আদায় করতে মোটেই ত্রুটি করবনা। অধস্তন রাবী বলেন, আনাস (রাঃ) একটি কাজ করতেন যা আমি তোমাদেরকে করতে দেখি না। তিনি রুকু‘ থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। এমনকি কেউ (মনে মনে) বলত, তিনি (সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। তিনি সাজদাহ্ থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে বসে যেতেন। এমনকি কেউ (মনে মনে) বলত, তিনি (দ্বিতীয় সাজদাহ্ করতে) ভুলে গেছেন। (ই.ফা. ৯৪২, ই.সে. ৯৫৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদেরকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে সলাত আদায় করেছেন-আমি তোমাদের নিয়ে অনুরুপভাবে সলাত আদায় করতে মোটেই ত্রুটি করবনা। অধস্তন রাবী বলেন, আনাস (রাঃ) একটি কাজ করতেন যা আমি তোমাদেরকে করতে দেখি না। তিনি রুকু‘ থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। এমনকি কেউ (মনে মনে) বলত, তিনি (সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। তিনি সাজদাহ্ থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে বসে যেতেন। এমনকি কেউ (মনে মনে) বলত, তিনি (দ্বিতীয় সাজদাহ্ করতে) ভুলে গেছেন। (ই.ফা. ৯৪২, ই.সে. ৯৫৩)

حدثنا خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال إني لا آلو أن أصلي بكم كما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بنا ‏.‏ قال فكان أنس يصنع شيئا لا أراكم تصنعونه كان إذا رفع رأسه من الركوع انتصب قائما حتى يقول القائل قد نسي ‏.‏ وإذا رفع رأسه من السجدة مكث حتى يقول القائل قد نسي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪৬

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، أن مطر بن ناجية، لما ظهر على الكوفة أمر أبا عبيدة أن يصلي، بالناس ‏.‏ وساق الحديث ‏.‏

হাকাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাতার ইবনু নাজিয়াহ্ যখন কূফার উপর নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল, আবূ ‘উবাইদাকে লোকদের সলাতে ইমামতি করার নির্দেশ দিল। অবশিষ্ট হাদীস পূর্ববৎ। (ই.ফা. ৯৪১, ই.সে. ৯৫২)

হাকাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাতার ইবনু নাজিয়াহ্ যখন কূফার উপর নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করল, আবূ ‘উবাইদাকে লোকদের সলাতে ইমামতি করার নির্দেশ দিল। অবশিষ্ট হাদীস পূর্ববৎ। (ই.ফা. ৯৪১, ই.সে. ৯৫২)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، أن مطر بن ناجية، لما ظهر على الكوفة أمر أبا عبيدة أن يصلي، بالناس ‏.‏ وساق الحديث ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ইমামের অনুসরণ করা এবং প্রতিটি কাজ তার পরে করা

সহিহ মুসলিম ৯৫২

حدثنا زهير بن حرب، وابن، نمير قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا أبان، وغيره، عن الحكم، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن البراء، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم لا يحنو أحد منا ظهره حتى نراه قد سجد ‏.‏ فقال زهير حدثنا سفيان قال حدثنا الكوفيون أبان وغيره قال حتى نراه يسجد ‏.‏

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করতাম। আমরা যতক্ষণ তাঁকে সিজদায় পৌছতে না দেখতাম, ততক্ষণ আমাদের কেউ নিজের পিঠ বাঁকা করতাম না। যুহায়র বলেন, আমাদেরকে সুফইয়ান বলেছেন, ‘এমনকি যখন আমরা তাঁকে সাজদারত অবস্থায় দেখতাম।’ (ই.ফা. ৯৪৭, ই.সে. ৯৫৮)

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করতাম। আমরা যতক্ষণ তাঁকে সিজদায় পৌছতে না দেখতাম, ততক্ষণ আমাদের কেউ নিজের পিঠ বাঁকা করতাম না। যুহায়র বলেন, আমাদেরকে সুফইয়ান বলেছেন, ‘এমনকি যখন আমরা তাঁকে সাজদারত অবস্থায় দেখতাম।’ (ই.ফা. ৯৪৭, ই.সে. ৯৫৮)

حدثنا زهير بن حرب، وابن، نمير قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا أبان، وغيره، عن الحكم، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن البراء، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم لا يحنو أحد منا ظهره حتى نراه قد سجد ‏.‏ فقال زهير حدثنا سفيان قال حدثنا الكوفيون أبان وغيره قال حتى نراه يسجد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৪৯

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، ح قال وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن يزيد، قال حدثني البراء، وهو غير كذوب أنهم كانوا يصلون خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا رفع رأسه من الركوع لم أر أحدا يحني ظهره حتى يضع رسول الله صلى الله عليه وسلم جبهته على الأرض ثم يخر من وراءه سجدا ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বারা (রাঃ) এ হাদীস বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী নন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে মাথা তোলার পর আমি কাউকে (সাজদায় যাওয়ার জন্য) পিঠ বাঁকা করতে দেখেনি, যে পর্যন্ত না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের কপাল মাটিতে রাখতেন। অতঃপর সবাই সাজদায় লুটিয়ে পড়ত। (ই.ফা. ৯৪৪, ই.সে. ৯৫৫)

আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বারা (রাঃ) এ হাদীস বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী নন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে মাথা তোলার পর আমি কাউকে (সাজদায় যাওয়ার জন্য) পিঠ বাঁকা করতে দেখেনি, যে পর্যন্ত না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের কপাল মাটিতে রাখতেন। অতঃপর সবাই সাজদায় লুটিয়ে পড়ত। (ই.ফা. ৯৪৪, ই.সে. ৯৫৫)

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، ح قال وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن يزيد، قال حدثني البراء، وهو غير كذوب أنهم كانوا يصلون خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا رفع رأسه من الركوع لم أر أحدا يحني ظهره حتى يضع رسول الله صلى الله عليه وسلم جبهته على الأرض ثم يخر من وراءه سجدا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫৩

حدثنا محرز بن عون بن أبي عون، حدثنا خلف بن خليفة الأشجعي أبو أحمد، عن الوليد بن سريع، مولى آل عمرو بن حريث عن عمرو بن حريث، قال صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم الفجر فسمعته يقرأ ‏{‏ فلا أقسم بالخنس * الجوار الكنس‏}‏ وكان لا يحني رجل منا ظهره حتى يستتم ساجدا ‏.‏

‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে ফাজরের সলাত আদায় করলাম। আমি তাঁকে (আরবী) “আমি শপথ করি পশ্চাদপসরণকারী নাফসের, যা প্রত্যাগমন করে ও দৃশ্য হয়”- (সূরাহ আত-তাকবীর :১৫ :৬) পাঠ করতে শুনলাম। তিনি সম্পূর্ণভাবে সাজদায় না যাওয়া পর্যন্ত আমাদের কেউ নিজের পিঠ বাঁকা করত না। (ই.ফা. ৯৪৮, ই.সে. ৯৫৯)

‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে ফাজরের সলাত আদায় করলাম। আমি তাঁকে (আরবী) “আমি শপথ করি পশ্চাদপসরণকারী নাফসের, যা প্রত্যাগমন করে ও দৃশ্য হয়”- (সূরাহ আত-তাকবীর :১৫ :৬) পাঠ করতে শুনলাম। তিনি সম্পূর্ণভাবে সাজদায় না যাওয়া পর্যন্ত আমাদের কেউ নিজের পিঠ বাঁকা করত না। (ই.ফা. ৯৪৮, ই.সে. ৯৫৯)

حدثنا محرز بن عون بن أبي عون، حدثنا خلف بن خليفة الأشجعي أبو أحمد، عن الوليد بن سريع، مولى آل عمرو بن حريث عن عمرو بن حريث، قال صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم الفجر فسمعته يقرأ ‏{‏ فلا أقسم بالخنس * الجوار الكنس‏}‏ وكان لا يحني رجل منا ظهره حتى يستتم ساجدا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫১

حدثنا محمد بن عبد الرحمن بن سهم الأنطاكي، حدثنا إبراهيم بن محمد أبو إسحاق الفزاري، عن أبي إسحاق الشيباني، عن محارب بن دثار، قال سمعت عبد الله بن يزيد، يقول على المنبر حدثنا البراء، أنهم كانوا يصلون مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا ركع ركعوا وإذا رفع رأسه من الركوع فقال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ لم نزل قياما حتى نراه قد وضع وجهه في الأرض ثم نتبعه ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মিম্বারে দাঁড়িয়ে বললেন,আমাদেরকে বারা (রাঃ) বলেছেন, তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করতেন। তিনি যখন রুকু‘তে যেতেন, তারাও রুকু‘তে যেতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে মাথা তোলার সময় “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলতেন। আমরা দাঁড়িয়ে থাকতাম, এমনকি যখন দেখতাম তিনি তাঁর কপাল মাটিতে রেখেছেন তখন আমরা তাঁর অনুসরণ করতাম। (ই.ফা. ৯৪৬, ই.সে. ৯৫৭)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মিম্বারে দাঁড়িয়ে বললেন,আমাদেরকে বারা (রাঃ) বলেছেন, তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সলাত আদায় করতেন। তিনি যখন রুকু‘তে যেতেন, তারাও রুকু‘তে যেতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে মাথা তোলার সময় “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলতেন। আমরা দাঁড়িয়ে থাকতাম, এমনকি যখন দেখতাম তিনি তাঁর কপাল মাটিতে রেখেছেন তখন আমরা তাঁর অনুসরণ করতাম। (ই.ফা. ৯৪৬, ই.সে. ৯৫৭)

حدثنا محمد بن عبد الرحمن بن سهم الأنطاكي، حدثنا إبراهيم بن محمد أبو إسحاق الفزاري، عن أبي إسحاق الشيباني، عن محارب بن دثار، قال سمعت عبد الله بن يزيد، يقول على المنبر حدثنا البراء، أنهم كانوا يصلون مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا ركع ركعوا وإذا رفع رأسه من الركوع فقال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ لم نزل قياما حتى نراه قد وضع وجهه في الأرض ثم نتبعه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫০

وحدثني أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - حدثنا سفيان، حدثني أبو إسحاق، حدثني عبد الله بن يزيد، حدثني البراء، - وهو غير كذوب - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ لم يحن أحد منا ظهره حتى يقع رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجدا ثم نقع سجودا بعده ‏.‏

’আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বারা (রাঃ) এ হাদীস বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী নন। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলতেন- আমাদের কেউই (সাজদায় যাওয়ার জন্য) পিঠ বাঁকা করত না যতক্ষণ পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদায় না যেতেন। তাঁর পরে আমরা সাজদায় যেতাম। (ই.ফা. ৯৪৫, ই.সে. ৯৫৬)

’আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে বারা (রাঃ) এ হাদীস বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী নন। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলতেন- আমাদের কেউই (সাজদায় যাওয়ার জন্য) পিঠ বাঁকা করত না যতক্ষণ পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদায় না যেতেন। তাঁর পরে আমরা সাজদায় যেতাম। (ই.ফা. ৯৪৫, ই.সে. ৯৫৬)

وحدثني أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - حدثنا سفيان، حدثني أبو إسحاق، حدثني عبد الله بن يزيد، حدثني البراء، - وهو غير كذوب - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ لم يحن أحد منا ظهره حتى يقع رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجدا ثم نقع سجودا بعده ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রুকু‘ থেকে মাথা তুলে যা বলতে হবে

সহিহ মুসলিম ৯৫৮

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا مروان بن محمد الدمشقي، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن عطية بن قيس، عن قزعة، عن أبي سعيد الخدري، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع رأسه من الركوع قال ‏ "‏ ربنا لك الحمد ملء السموات والأرض وملء ما شئت من شىء بعد أهل الثناء والمجد أحق ما قال العبد وكلنا لك عبد اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা’দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি আহাক্কু মা- কা-লাল ‘আবদু ওয়া কুল্লুনা- লাকা ‘আবদুন, আল্ল-হুম্মা লা-মা-নি’আ লিমা-আ’তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দ।“ অর্থাৎ “আমাদের প্রতিপালক! তুমি আসমান-জমিন সম পরিপুর্ন প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পুর্ন করে প্রশংসা। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা কিছু বলে তুমি তার চাইতে বেশি হকদার। আমরা সবাই তোমার বান্দা; হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যা দেয়া বন্ধ করো, তা দান করার শক্তি কারো নেই। ধনবানদের ধন তোমার সামনে কোন কাজে আসে না। (ই.ফা. ৯৫৩, ই.সে. ৯৬৪)

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা’দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি আহাক্কু মা- কা-লাল ‘আবদু ওয়া কুল্লুনা- লাকা ‘আবদুন, আল্ল-হুম্মা লা-মা-নি’আ লিমা-আ’তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দ।“ অর্থাৎ “আমাদের প্রতিপালক! তুমি আসমান-জমিন সম পরিপুর্ন প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পুর্ন করে প্রশংসা। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা কিছু বলে তুমি তার চাইতে বেশি হকদার। আমরা সবাই তোমার বান্দা; হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যা দেয়া বন্ধ করো, তা দান করার শক্তি কারো নেই। ধনবানদের ধন তোমার সামনে কোন কাজে আসে না। (ই.ফা. ৯৫৩, ই.সে. ৯৬৪)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا مروان بن محمد الدمشقي، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن عطية بن قيس، عن قزعة، عن أبي سعيد الخدري، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع رأسه من الركوع قال ‏ "‏ ربنا لك الحمد ملء السموات والأرض وملء ما شئت من شىء بعد أهل الثناء والمجد أحق ما قال العبد وكلنا لك عبد اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫৬

حدثني محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن مجزأة بن زاهر، قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول ‏ "‏ اللهم لك الحمد ملء السماء وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد اللهم طهرني بالثلج والبرد والماء البارد اللهم طهرني من الذنوب والخطايا كما ينقى الثوب الأبيض من الوسخ ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : “আল্লা-হুম্মা লাকাল্ হামদু মিল্আস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন বা‘দু , আল্লা-হুম্মা তাহহিরনী বিসসালজি ওয়াল্ বারাদ ওয়াল্ মা-য়িল বা-রিদি আল্লা-হুম্মা তাহহিরনী মিনায্ যুনূবি ওয়াল্ খাতা-য়া-কামা- ইউনাক্কাস্ সাওবুল্ আবইয়াযু মিনাল্ ওয়াসাখ।” অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা-যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।” (ই.ফা. ৯৫১, ই.সে. ৯৬২)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : “আল্লা-হুম্মা লাকাল্ হামদু মিল্আস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন বা‘দু , আল্লা-হুম্মা তাহহিরনী বিসসালজি ওয়াল্ বারাদ ওয়াল্ মা-য়িল বা-রিদি আল্লা-হুম্মা তাহহিরনী মিনায্ যুনূবি ওয়াল্ খাতা-য়া-কামা- ইউনাক্কাস্ সাওবুল্ আবইয়াযু মিনাল্ ওয়াসাখ।” অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা-যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।” (ই.ফা. ৯৫১, ই.সে. ৯৬২)

حدثني محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن مجزأة بن زاهر، قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول ‏ "‏ اللهم لك الحمد ملء السماء وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد اللهم طهرني بالثلج والبرد والماء البارد اللهم طهرني من الذنوب والخطايا كما ينقى الثوب الأبيض من الوسخ ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫৭

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، قال وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد في رواية معاذ ‏"‏ كما ينقى الثوب الأبيض من الدرن ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية يزيد ‏"‏ من الدنس ‏"‏ ‏.‏

শু’বাহ (রহঃ) -এর সুত্রে মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সুত্রেও উপরের হাদীসের অনুরুপ বর্নিত হয়েছে।

শু’বাহ (রহঃ) -এর সুত্রে মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সুত্রেও উপরের হাদীসের অনুরুপ বর্নিত হয়েছে।

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، قال وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد في رواية معاذ ‏"‏ كما ينقى الثوب الأبيض من الدرن ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية يزيد ‏"‏ من الدنس ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن عبيد بن الحسن، عن ابن أبي أوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع ظهره من الركوع قال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে পিঠ উঠানোর সময় বলতেনঃ “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু।” অর্থাৎ, “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য-যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।” (ই.ফা. ৯৪৯, ই.সে. ৯৬০)

ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে পিঠ উঠানোর সময় বলতেনঃ “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু।” অর্থাৎ, “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য-যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।” (ই.ফা. ৯৪৯, ই.সে. ৯৬০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن عبيد بن الحسن، عن ابن أبي أوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع ظهره من الركوع قال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم بن بشير، أخبرنا هشام بن حسان، عن قيس بن سعد، عن عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رفع رأسه من الركوع قال ‏ "‏ اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وما بينهما وملء ما شئت من شىء بعد أهل الثناء والمجد لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু‘ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “আল্লা-হুম্মা রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামা- বায়নাহুমা- ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি লা-মা-নি’আ লিমা-আ’তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ানফা‘উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দ।” অর্থাৎ “আমাদের প্রতিপালক। তুমি আসমান-যমিন সম পরিপুর্ন প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পুর্ন করে প্রশংসার অধিকার। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। (হে আল্লাহ!) তুমি যাকে দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যাকে দেয়া বন্ধ করো, তাকে দান করার শক্তি কারো নেই। চেষ্টা সাধনাকারীর প্রচেষ্টা তোমার সামনে কোন কাজে আসে না”। (ই.ফা. ৯৫৪, ই.সে. ৯৬৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু‘ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “আল্লা-হুম্মা রব্বানা- লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামা- বায়নাহুমা- ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু আহলাস্ সানা-য়ি ওয়াল্ মাজদি লা-মা-নি’আ লিমা-আ’তাইতা ওয়ালা-মু’তিয়া লিমা- মানা’তা ওয়ালা- ইয়ানফা‘উ যাল্ জাদ্দি মিনকাল্ জাদ্দ।” অর্থাৎ “আমাদের প্রতিপালক। তুমি আসমান-যমিন সম পরিপুর্ন প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পুর্ন করে প্রশংসার অধিকার। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। (হে আল্লাহ!) তুমি যাকে দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যাকে দেয়া বন্ধ করো, তাকে দান করার শক্তি কারো নেই। চেষ্টা সাধনাকারীর প্রচেষ্টা তোমার সামনে কোন কাজে আসে না”। (ই.ফা. ৯৫৪, ই.সে. ৯৬৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم بن بشير، أخبرنا هشام بن حسان، عن قيس بن سعد، عن عطاء، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رفع رأسه من الركوع قال ‏ "‏ اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وما بينهما وملء ما شئت من شىء بعد أهل الثناء والمجد لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৫৫

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبيد بن الحسن، قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بهذا الدعاء ‏ "‏ اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (রুকু‘ থেকে উঠে) এ দু’আ পড়তেন : “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু।” অর্থাৎ, “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ্‌ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য-যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।” (ই.ফা. ৯৫০, ই.সে. ৯৬১)

‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (রুকু‘ থেকে উঠে) এ দু’আ পড়তেন : “সামি’আল্লা-হু লিমান হামিদাহ, আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল্ হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল্ আল আরযি ওয়ামিল্আ মা-শি’তা মিন্ শাইয়িন্ বা‘দু।” অর্থাৎ, “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ্‌ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য-যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।” (ই.ফা. ৯৫০, ই.সে. ৯৬১)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبيد بن الحسن، قال سمعت عبد الله بن أبي أوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بهذا الدعاء ‏ "‏ اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الأرض وملء ما شئت من شىء بعد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৯৬০

حدثنا ابن نمير، حدثنا حفص، حدثنا هشام بن حسان، حدثنا قيس بن سعد، عن عطاء، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم إلى قوله ‏ "‏ وملء ما شئت من شىء بعد ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ما بعده ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এ হাদীস (আরবী) পর্যন্ত বর্নিত হয়েছে। হাদীসের পরবর্তী অংশ এ সুত্রে বর্নীত হয়নি। (ই.ফা. ৯৫৫, ই.সে. ৯৬৬)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর এ হাদীস (আরবী) পর্যন্ত বর্নিত হয়েছে। হাদীসের পরবর্তী অংশ এ সুত্রে বর্নীত হয়নি। (ই.ফা. ৯৫৫, ই.সে. ৯৬৬)

حدثنا ابن نمير، حدثنا حفص، حدثنا هشام بن حسان، حدثنا قيس بن سعد، عن عطاء، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم إلى قوله ‏ "‏ وملء ما شئت من شىء بعد ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ما بعده ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00