সহিহ মুসলিম > সলাতে তাশাহহুদ পাঠ করা
সহিহ মুসলিম ৭৮৩
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال كنا نقول في الصلاة خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم السلام على الله السلام على فلان . فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " إن الله هو السلام فإذا قعد أحدكم في الصلاة فليقل التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين فإذا قالها أصابت كل عبد لله صالح في السماء والأرض أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ثم يتخير من المسألة ما شاء " .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন , আমরা রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সলাত আদায় করার সময় (বৈঠকে) বলতাম, ‘আল্লাহর উপর সালাম হোক, অমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক,একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ বস্তুত আল্লাহ নিজেই সালাম (শান্তিদাতা)। অতএব তোমাদের কেউ যখন সলাতে বসে সে যেন বলে, “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি ওয়াস্ সলাওয়া-তু ওয়াত্ তইয়্যিবা-তু আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়ুহান্ নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকাতুহু আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-ইবা-দিল্লা-হিস স-লিহীন’ অর্থাৎ “ যাবতীয় মান-মর্যাদা , প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমাত ও বরকত অবতীর্ণ হোক। আমাদের এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি নেমে আসুক।” যখন সে এ কথা গুলো বলে, তখন তা আল্লাহর প্রতিটি নেক বান্দাদের নিকট পৌঁছে যায়, সে আসমানে বা জমিনেই থাক। (অতঃপর বলবে) “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারসুলুহু” অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল।” অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু’আ পড়তে পারে। (ই.ফা. ৭৮০, ই. সে. ৭৯২)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন , আমরা রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সলাত আদায় করার সময় (বৈঠকে) বলতাম, ‘আল্লাহর উপর সালাম হোক, অমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক,একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ বস্তুত আল্লাহ নিজেই সালাম (শান্তিদাতা)। অতএব তোমাদের কেউ যখন সলাতে বসে সে যেন বলে, “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি ওয়াস্ সলাওয়া-তু ওয়াত্ তইয়্যিবা-তু আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়ুহান্ নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকাতুহু আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-ইবা-দিল্লা-হিস স-লিহীন’ অর্থাৎ “ যাবতীয় মান-মর্যাদা , প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমাত ও বরকত অবতীর্ণ হোক। আমাদের এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি নেমে আসুক।” যখন সে এ কথা গুলো বলে, তখন তা আল্লাহর প্রতিটি নেক বান্দাদের নিকট পৌঁছে যায়, সে আসমানে বা জমিনেই থাক। (অতঃপর বলবে) “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারসুলুহু” অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল।” অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু’আ পড়তে পারে। (ই.ফা. ৭৮০, ই. সে. ৭৯২)
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال كنا نقول في الصلاة خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم السلام على الله السلام على فلان . فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " إن الله هو السلام فإذا قعد أحدكم في الصلاة فليقل التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين فإذا قالها أصابت كل عبد لله صالح في السماء والأرض أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ثم يتخير من المسألة ما شاء " .
সহিহ মুসলিম ৭৮৫
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين الجعفي، عن زائدة، عن منصور، بهذا الإسناد مثل حديثهما وذكر في الحديث " ثم ليتخير بعد من المسألة ما شاء أو ما أحب " .
‘আবদা ইবনু হুমায়দ- এর সানাদে মানসুর থেকে বর্নিতঃ
একই হাদীস অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় শেষ অংশ হছেঃ অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইছানুযায়ী অথবা নিজের পছন্দমত যে কোন দু’আ পড়তে পারে। (ই.ফা.৭৮২, ই.সে.৭৯৪)
‘আবদা ইবনু হুমায়দ- এর সানাদে মানসুর থেকে বর্নিতঃ
একই হাদীস অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় শেষ অংশ হছেঃ অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইছানুযায়ী অথবা নিজের পছন্দমত যে কোন দু’আ পড়তে পারে। (ই.ফা.৭৮২, ই.সে.৭৯৪)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين الجعفي، عن زائدة، عن منصور، بهذا الإسناد مثل حديثهما وذكر في الحديث " ثم ليتخير بعد من المسألة ما شاء أو ما أحب " .
সহিহ মুসলিম ৭৮৬
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله بن مسعود، قال كنا إذا جلسنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في الصلاة . بمثل حديث منصور وقال " ثم يتخير بعد من الدعاء " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে সলাতের মধ্যে বসতাম ... মানসুরের হাদীসের অনুরুপ। এর শেষাংশের বর্ণনা হলোঃ তারপর সে যে কোন দু’আ পাঠ করবে। (ই.ফা.৭৮৩, ই.সে. ৭৯৫)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে সলাতের মধ্যে বসতাম ... মানসুরের হাদীসের অনুরুপ। এর শেষাংশের বর্ণনা হলোঃ তারপর সে যে কোন দু’আ পাঠ করবে। (ই.ফা.৭৮৩, ই.সে. ৭৯৫)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله بن مسعود، قال كنا إذا جلسنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في الصلاة . بمثل حديث منصور وقال " ثم يتخير بعد من الدعاء " .
সহিহ মুসলিম ৭৮৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو نعيم، حدثنا سيف بن سليمان، قال سمعت مجاهدا، يقول حدثني عبد الله بن سخبرة، قال سمعت ابن مسعود، يقول علمني رسول الله صلى الله عليه وسلم التشهد كفي بين كفيه كما يعلمني السورة من القرآن . واقتص التشهد بمثل ما اقتصوا .
ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হাত তাঁর উভয় হাতের মধ্যে নিয়ে আমাকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিয়েছেন, যেভাবে তিনি আমাকে কুরআনের সুরাহ শিক্ষা দিতেন, (অধস্তন রাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাখবারাহ্ বলেন), অন্যান্যরা যেরূপ তাশাহহুদের বর্ণনা দিয়েছেন, তিনি (ইবনু মাস’উদ) অনুরূপ তাশাহহুদের বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭৮৪, ই. সে. ৭৯৬)
ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হাত তাঁর উভয় হাতের মধ্যে নিয়ে আমাকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিয়েছেন, যেভাবে তিনি আমাকে কুরআনের সুরাহ শিক্ষা দিতেন, (অধস্তন রাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাখবারাহ্ বলেন), অন্যান্যরা যেরূপ তাশাহহুদের বর্ণনা দিয়েছেন, তিনি (ইবনু মাস’উদ) অনুরূপ তাশাহহুদের বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭৮৪, ই. সে. ৭৯৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو نعيم، حدثنا سيف بن سليمان، قال سمعت مجاهدا، يقول حدثني عبد الله بن سخبرة، قال سمعت ابن مسعود، يقول علمني رسول الله صلى الله عليه وسلم التشهد كفي بين كفيه كما يعلمني السورة من القرآن . واقتص التشهد بمثل ما اقتصوا .
সহিহ মুসলিম ৭৮৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن سعيد بن جبير، وعن طاوس، عن ابن عباس، أنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد كما يعلمنا السورة من القرآن فكان يقول " التحيات المباركات الصلوات الطيبات لله السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا رسول الله " . وفي رواية ابن رمح كما يعلمنا القرآن .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যেভাবে কুরআনের সূরাহ্ শিক্ষা দিতেন, ঠিক সেভাবেই আমাদেরকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ আত্তাহিয়্যা-তুল-মুবা-রাকা-তুস সলাওয়া-তুত্ তাইয়্যিবা-তু লিল্লা-হিস্ সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যুহান্ নাবিয়্যু ওয়ারহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকা-তুহ্ আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-‘ইবা-দিল্লা হিস স-লিহীন , আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্ল-হ”। অর্থাৎ “যাবতীয় সম্মান ও মর্যাদা , প্রাচুর্য , প্রশংসা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বারাকাত অবতীর্ণ হোক। আমাদের ও আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল।” ইবনু রুমহ এর বর্ণনায় আছেঃ তিনি যেভাবে আমাদের কুরআন শিক্ষা দিতেন। (ই.ফা. ৭৮৫, ই.সে. ৭৯৭)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যেভাবে কুরআনের সূরাহ্ শিক্ষা দিতেন, ঠিক সেভাবেই আমাদেরকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ আত্তাহিয়্যা-তুল-মুবা-রাকা-তুস সলাওয়া-তুত্ তাইয়্যিবা-তু লিল্লা-হিস্ সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যুহান্ নাবিয়্যু ওয়ারহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকা-তুহ্ আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-‘ইবা-দিল্লা হিস স-লিহীন , আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্ল-হ”। অর্থাৎ “যাবতীয় সম্মান ও মর্যাদা , প্রাচুর্য , প্রশংসা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বারাকাত অবতীর্ণ হোক। আমাদের ও আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল।” ইবনু রুমহ এর বর্ণনায় আছেঃ তিনি যেভাবে আমাদের কুরআন শিক্ষা দিতেন। (ই.ফা. ৭৮৫, ই.সে. ৭৯৭)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن سعيد بن جبير، وعن طاوس، عن ابن عباس، أنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد كما يعلمنا السورة من القرآن فكان يقول " التحيات المباركات الصلوات الطيبات لله السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا رسول الله " . وفي رواية ابن رمح كما يعلمنا القرآن .
সহিহ মুসলিম ৭৮৪
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، بهذا الإسناد مثله ولم يذكر " ثم يتخير من المسألة ما شاء " .
মানসূর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সূত্রে একই হাদীস বর্ণীত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় “অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু’আ পড়তে পারে।” এ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৭৮১, ই. সে. ৭৯৩)
মানসূর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সূত্রে একই হাদীস বর্ণীত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় “অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু’আ পড়তে পারে।” এ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৭৮১, ই. সে. ৭৯৩)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، بهذا الإسناد مثله ولم يذكر " ثم يتخير من المسألة ما شاء " .
সহিহ মুসলিম ৭৮৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا عبد الرحمن بن حميد، حدثني أبو الزبير، عن طاوس، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد كما يعلمنا السورة من القرآن .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যেভাবে কুরআন শিক্ষা দিতেন, সেভাবেই আমাদেরকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন। (ই.ফা. ৭৮৬, ই.সে.৭৯৮)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যেভাবে কুরআন শিক্ষা দিতেন, সেভাবেই আমাদেরকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন। (ই.ফা. ৭৮৬, ই.সে.৭৯৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا عبد الرحمن بن حميد، حدثني أبو الزبير، عن طاوس، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد كما يعلمنا السورة من القرآن .
সহিহ মুসলিম ৭৯১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، ح وحدثنا أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي ح، وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن سليمان التيمي، كل هؤلاء عن قتادة، في هذا الإسناد بمثله . وفي حديث جرير عن سليمان عن قتادة من الزيادة " وإذا قرأ فأنصتوا " . وليس في حديث أحد منهم " فإن الله قال على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده " . إلا في رواية أبي كامل وحده عن أبي عوانة . قال أبو إسحاق قال أبو بكر ابن أخت أبي النضر في هذا الحديث فقال مسلم تريد أحفظ من سليمان فقال له أبو بكر فحديث أبي هريرة فقال هو صحيح يعني وإذا قرأ فأنصتوا . فقال هو عندي صحيح . فقال لم لم تضعه ها هنا قال ليس كل شىء عندي صحيح وضعته ها هنا . إنما وضعت ها هنا ما أجمعوا عليه .
কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে এ সুত্রে থেকে বর্নিতঃ
একই হাদীস বর্ণনা হয়েছে। জারীর সুলাইমানের সুত্রে কাতাদার এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনায় আরো আছে, ‘ইমাম যখন কুরআন পাঠ করে তোমরা তখন চুপ থাক।’ আবূ আওয়ানার সূত্রে কেবল আবূ কামিলের বর্ণনা ছাড়া আর কোন রাবীর বর্ণনায় এ কথাগুলো নেইঃ ‘মহান আল্লাহ তার নাবীর কণ্ঠে বলেছেনঃ ‘সামিআল্ল-হু লিমান হামিদাহ”। আবূ ইসহাক্ বলেন, আবূ নাযর এর বোনের ছেলে আবূ বাক্র বলেছেন, এ হাদীসটির সমালোচনা করা হলে ইমাম মুসলিম তাকে বললেন, সুলাইমানের চেয়েও কি বড় হাফিয কেউ আছে? আবূ বাক্র তাকে বললেন, আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ)- এ বর্ণনা সম্পর্কে আপনার কী মত? তিনি বললেন, তার বর্ণনা সহীহ ইমাম যখন কুরআন পাঠ করে তোমরা চুপ থাক। ইমাম মুসলিম বলেন, এ হাদীস আমার মতে সহীহ। আবূ বাক্র বললেন, তাহলে আপনার কিতাবে তা যোগ করেননি কেন? তিনি বললেন, আমি যেটা সহীহ মনে করি শুধু তাই আমার কিতাবে লিপিবদ্ধ করা জরুরী মনে করিনা। বরং যেসব হাদীস সহীহ বলে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমি কেবল তাই আমার কিতাবে সংকলন করেছি। (ই. ফা. ৭৮৮, ই. সে. ৮০০)
কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে এ সুত্রে থেকে বর্নিতঃ
একই হাদীস বর্ণনা হয়েছে। জারীর সুলাইমানের সুত্রে কাতাদার এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনায় আরো আছে, ‘ইমাম যখন কুরআন পাঠ করে তোমরা তখন চুপ থাক।’ আবূ আওয়ানার সূত্রে কেবল আবূ কামিলের বর্ণনা ছাড়া আর কোন রাবীর বর্ণনায় এ কথাগুলো নেইঃ ‘মহান আল্লাহ তার নাবীর কণ্ঠে বলেছেনঃ ‘সামিআল্ল-হু লিমান হামিদাহ”। আবূ ইসহাক্ বলেন, আবূ নাযর এর বোনের ছেলে আবূ বাক্র বলেছেন, এ হাদীসটির সমালোচনা করা হলে ইমাম মুসলিম তাকে বললেন, সুলাইমানের চেয়েও কি বড় হাফিয কেউ আছে? আবূ বাক্র তাকে বললেন, আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ)- এ বর্ণনা সম্পর্কে আপনার কী মত? তিনি বললেন, তার বর্ণনা সহীহ ইমাম যখন কুরআন পাঠ করে তোমরা চুপ থাক। ইমাম মুসলিম বলেন, এ হাদীস আমার মতে সহীহ। আবূ বাক্র বললেন, তাহলে আপনার কিতাবে তা যোগ করেননি কেন? তিনি বললেন, আমি যেটা সহীহ মনে করি শুধু তাই আমার কিতাবে লিপিবদ্ধ করা জরুরী মনে করিনা। বরং যেসব হাদীস সহীহ বলে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমি কেবল তাই আমার কিতাবে সংকলন করেছি। (ই. ফা. ৭৮৮, ই. সে. ৮০০)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، ح وحدثنا أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا أبي ح، وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن سليمان التيمي، كل هؤلاء عن قتادة، في هذا الإسناد بمثله . وفي حديث جرير عن سليمان عن قتادة من الزيادة " وإذا قرأ فأنصتوا " . وليس في حديث أحد منهم " فإن الله قال على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده " . إلا في رواية أبي كامل وحده عن أبي عوانة . قال أبو إسحاق قال أبو بكر ابن أخت أبي النضر في هذا الحديث فقال مسلم تريد أحفظ من سليمان فقال له أبو بكر فحديث أبي هريرة فقال هو صحيح يعني وإذا قرأ فأنصتوا . فقال هو عندي صحيح . فقال لم لم تضعه ها هنا قال ليس كل شىء عندي صحيح وضعته ها هنا . إنما وضعت ها هنا ما أجمعوا عليه .
সহিহ মুসলিম ৭৯০
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري ومحمد بن عبد الملك الأموي - واللفظ لأبي كامل - قالوا حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن يونس بن جبير عن حطان بن عبد الله الرقاشي قال صليت مع أبي موسى الأشعري صلاة فلما كان عند القعدة قال رجل من القوم أقرت الصلاة بالبر والزكاة - قال - فلما قضى أبو موسى الصلاة وسلم انصرف فقال أيكم القائل كلمة كذا وكذا قال فأرم القوم ثم قال أيكم القائل كلمة كذا وكذا فأرم القوم فقال لعلك يا حطان قلتها قال ما قلتها ولقد رهبت أن تبكعني بها . فقال رجل من القوم أنا قلتها ولم أرد بها إلا الخير . فقال أبو موسى أما تعلمون كيف تقولون في صلاتكم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطبنا فبين لنا سنتنا وعلمنا صلاتنا فقال " إذا صليتم فأقيموا صفوفكم ثم ليؤمكم أحدكم فإذا كبر فكبروا وإذا قال غير المغضوب عليهم ولا الضالين فقولوا آمين . يجبكم الله فإذا كبر وركع فكبروا واركعوا فإن الإمام يركع قبلكم ويرفع قبلكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فتلك بتلك وإذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . يسمع الله لكم فإن الله تبارك وتعالى قال على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده . وإذا كبر وسجد فكبروا واسجدوا فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فتلك بتلك . وإذا كان عند القعدة فليكن من أول قول أحدكم التحيات الطيبات الصلوات لله السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله " .
হিততান ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর্ রাকাশী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মুসা আশ’আরী (রাঃ)- এর সাথে সলাত আদায় করলাম। তিনি যখন তাশাহহুদে বসলেন, জামা’আতের মধ্য হতে এক ব্যাক্তি বলে উঠল, ‘সলাত পুণ্য ও যাকাতের সাথে ফারয করা হয়েছে’। রাবী বললেন, আবূ মুসা (রাঃ) সলাত শেষ করে সালাম ফিরানোর পর বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এরূপ বলেছে? লোকেরা নিরব থাকল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন , তোমাদের মধ্যে কে এরূপ এরূপ বলেছে? এবারও লোকেরা নীরব থাকল। অতঃপর তিনি বললেন , হে হিততান ! সম্ভবত তুমিই এটা বলেছ। তিনি ( হিততান ) বললেন, আমি তা বলিনি। অবশ্য আমার ভয় হচ্ছিল যে আপনি আমার উপর এজন্যে রেগে যান কি-না ! এমন সময় লোকদের মধ্যে হতে এক ব্যাক্তি বলল, আমি এরুপ বলেছি। আমি এর মাধ্যমে কল্যাণই আশা করেছিলাম। আবূ মুসা (রাঃ) বললেন, নিজেদের সলাতের মধ্যে কী বলতে হবে তা কি তোমরা জান না? রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন, তিনি আমাদেরকে নিয়মকানুন স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন এবং আমাদেরকে সলাত আদায় করার শিক্ষা দিয়েছেন। তা হচ্ছেঃ তোমরা যখন সলাত আদায় করবে, তোমাদের লাইনগুলো ঠিক করে নিবে। অতঃপর তোমাদের কেউ তোমাদের ইমামতি করবে। সে যখন তাকবীর বলবে, তোমরাও তাকবীর বলবে। সে যখন “গাইরিল মাগযুবি ‘আলাইহিম ওয়ালায্ যোল্লীন” বলবে তোমরা তখন ‘আমীন’ বলবে। আল্লাহ তোমাদের ডাকে সারা দিবেন। সে যখন তাকবীর বলে রুকু‘তে যাবে, তোমরাও তাকবীর বলে রুকু ‘তে যাবে। কেননা , ইমাম তোমাদের আগে রুকু‘তে যাবে এবং তোমাদের আগে রুকু’ থেকে উঠবে। রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এটা ওটার বিনিময়ে, তথা ইমাম যেমন রুকু’ সাজদার আগে যাবে, তেমনি আগে উঠবে। সে যখন ‘সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলবে ,তোমরা তখন “আল্ল-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলবে, আল্লাহ তোমাদের এই কথা শুনবেন। কেননা আল্লাহ তা’আলা তার নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভাষায় বলেছেনঃ ‘সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” (আল্লাহ তার প্রশংসাকারীর প্রশংসা শুনেন)। সে যখন তাকবীর বলবে এবং সাজদায় যাবে , তোমরাও তার পরপর তাকবীর বলে সাজদায় যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে সাজদায় যাবে এবং তোমাদের আগে সাজদা থেকে উঠবে। রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের তাকবীর ও সাজদাহ্ ইমামের পরে হবে। যখন তোমরা বৈঠকে বসবে, তোমাদের পাঠ হবেঃ আত্তাহিয়্যাতুত্ তাইয়্যিবা-তুস্ সালাওয়া-তু লিল্লা-হি আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়া বারাকা-তুহু আসসালামু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-‘ইবা-দিল্লা হিস্ স-লিহীন , আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রাসুলুহ” অর্থাৎ- সকল প্রকার পবিত্র ও একান্ত মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ‘ইবাদাতসমুহ আল্লাহরই জন্য। হে নাবী! আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি, রহমত ও বারাকাত নাযিল হোক এবং আমাদের উপর ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপরও শান্তি বর্ষিত হোক।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ‘ইবাদাতের যোগ্য নয় এবং আমি এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর দাস ও তাঁর দূত।” (ই.ফা. ৭৮৭, ই. সে. ৭৯৯)
হিততান ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর্ রাকাশী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ মুসা আশ’আরী (রাঃ)- এর সাথে সলাত আদায় করলাম। তিনি যখন তাশাহহুদে বসলেন, জামা’আতের মধ্য হতে এক ব্যাক্তি বলে উঠল, ‘সলাত পুণ্য ও যাকাতের সাথে ফারয করা হয়েছে’। রাবী বললেন, আবূ মুসা (রাঃ) সলাত শেষ করে সালাম ফিরানোর পর বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এরূপ বলেছে? লোকেরা নিরব থাকল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন , তোমাদের মধ্যে কে এরূপ এরূপ বলেছে? এবারও লোকেরা নীরব থাকল। অতঃপর তিনি বললেন , হে হিততান ! সম্ভবত তুমিই এটা বলেছ। তিনি ( হিততান ) বললেন, আমি তা বলিনি। অবশ্য আমার ভয় হচ্ছিল যে আপনি আমার উপর এজন্যে রেগে যান কি-না ! এমন সময় লোকদের মধ্যে হতে এক ব্যাক্তি বলল, আমি এরুপ বলেছি। আমি এর মাধ্যমে কল্যাণই আশা করেছিলাম। আবূ মুসা (রাঃ) বললেন, নিজেদের সলাতের মধ্যে কী বলতে হবে তা কি তোমরা জান না? রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন, তিনি আমাদেরকে নিয়মকানুন স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন এবং আমাদেরকে সলাত আদায় করার শিক্ষা দিয়েছেন। তা হচ্ছেঃ তোমরা যখন সলাত আদায় করবে, তোমাদের লাইনগুলো ঠিক করে নিবে। অতঃপর তোমাদের কেউ তোমাদের ইমামতি করবে। সে যখন তাকবীর বলবে, তোমরাও তাকবীর বলবে। সে যখন “গাইরিল মাগযুবি ‘আলাইহিম ওয়ালায্ যোল্লীন” বলবে তোমরা তখন ‘আমীন’ বলবে। আল্লাহ তোমাদের ডাকে সারা দিবেন। সে যখন তাকবীর বলে রুকু‘তে যাবে, তোমরাও তাকবীর বলে রুকু ‘তে যাবে। কেননা , ইমাম তোমাদের আগে রুকু‘তে যাবে এবং তোমাদের আগে রুকু’ থেকে উঠবে। রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এটা ওটার বিনিময়ে, তথা ইমাম যেমন রুকু’ সাজদার আগে যাবে, তেমনি আগে উঠবে। সে যখন ‘সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলবে ,তোমরা তখন “আল্ল-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলবে, আল্লাহ তোমাদের এই কথা শুনবেন। কেননা আল্লাহ তা’আলা তার নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভাষায় বলেছেনঃ ‘সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” (আল্লাহ তার প্রশংসাকারীর প্রশংসা শুনেন)। সে যখন তাকবীর বলবে এবং সাজদায় যাবে , তোমরাও তার পরপর তাকবীর বলে সাজদায় যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে সাজদায় যাবে এবং তোমাদের আগে সাজদা থেকে উঠবে। রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের তাকবীর ও সাজদাহ্ ইমামের পরে হবে। যখন তোমরা বৈঠকে বসবে, তোমাদের পাঠ হবেঃ আত্তাহিয়্যাতুত্ তাইয়্যিবা-তুস্ সালাওয়া-তু লিল্লা-হি আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়া বারাকা-তুহু আসসালামু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-‘ইবা-দিল্লা হিস্ স-লিহীন , আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রাসুলুহ” অর্থাৎ- সকল প্রকার পবিত্র ও একান্ত মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ‘ইবাদাতসমুহ আল্লাহরই জন্য। হে নাবী! আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি, রহমত ও বারাকাত নাযিল হোক এবং আমাদের উপর ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপরও শান্তি বর্ষিত হোক।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ‘ইবাদাতের যোগ্য নয় এবং আমি এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর দাস ও তাঁর দূত।” (ই.ফা. ৭৮৭, ই. সে. ৭৯৯)
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، وأبو كامل الجحدري ومحمد بن عبد الملك الأموي - واللفظ لأبي كامل - قالوا حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن يونس بن جبير عن حطان بن عبد الله الرقاشي قال صليت مع أبي موسى الأشعري صلاة فلما كان عند القعدة قال رجل من القوم أقرت الصلاة بالبر والزكاة - قال - فلما قضى أبو موسى الصلاة وسلم انصرف فقال أيكم القائل كلمة كذا وكذا قال فأرم القوم ثم قال أيكم القائل كلمة كذا وكذا فأرم القوم فقال لعلك يا حطان قلتها قال ما قلتها ولقد رهبت أن تبكعني بها . فقال رجل من القوم أنا قلتها ولم أرد بها إلا الخير . فقال أبو موسى أما تعلمون كيف تقولون في صلاتكم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطبنا فبين لنا سنتنا وعلمنا صلاتنا فقال " إذا صليتم فأقيموا صفوفكم ثم ليؤمكم أحدكم فإذا كبر فكبروا وإذا قال غير المغضوب عليهم ولا الضالين فقولوا آمين . يجبكم الله فإذا كبر وركع فكبروا واركعوا فإن الإمام يركع قبلكم ويرفع قبلكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فتلك بتلك وإذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . يسمع الله لكم فإن الله تبارك وتعالى قال على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده . وإذا كبر وسجد فكبروا واسجدوا فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فتلك بتلك . وإذا كان عند القعدة فليكن من أول قول أحدكم التحيات الطيبات الصلوات لله السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله " .
সহিহ মুসলিম ৭৯২
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، عن عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، بهذا الإسناد وقال في الحديث " فإن الله عز وجل قضى على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده " .
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সানাদ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মহান আল্লাহ তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভাষায় বলেনঃ ‘সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” অর্থাৎ যে আল্লাহর প্রশংসা করে তিনি তা শুনেন। ( ই. ফা. ৭৮৯, ই. সে. ৮০১)
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সানাদ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মহান আল্লাহ তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ভাষায় বলেনঃ ‘সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” অর্থাৎ যে আল্লাহর প্রশংসা করে তিনি তা শুনেন। ( ই. ফা. ৭৮৯, ই. সে. ৮০১)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، عن عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، بهذا الإسناد وقال في الحديث " فإن الله عز وجل قضى على لسان نبيه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده " .
সহিহ মুসলিম > তাশাহহুদ পড়ার পর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরূদ পাঠ করা
সহিহ মুসলিম ৭৯৫
حدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، ومسعر، عن الحكم، بهذا الإسناد مثله . وليس في حديث مسعر ألا أهدي لك هدية
হাকাম থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু মিস’আরের বর্ণনায় ‘আমি কি তোমাকে কিছু উপহার দিব না’ কথাটুকু নেই। (ই.ফা. ৭৯২, ই.সে.৮০৪)
হাকাম থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু মিস’আরের বর্ণনায় ‘আমি কি তোমাকে কিছু উপহার দিব না’ কথাটুকু নেই। (ই.ফা. ৭৯২, ই.সে.৮০৪)
حدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، ومسعر، عن الحكم، بهذا الإسناد مثله . وليس في حديث مسعر ألا أهدي لك هدية
সহিহ মুসলিম ৭৯৮
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من صلى على واحدة صلى الله عليه عشرا " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরুদ পড়ে আল্লাহ তার উপর দশবার রহমাত নাযিল করেন।(ই.ফা. ৭৯৫ ,ই.সে.৮০৭ )
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরুদ পড়ে আল্লাহ তার উপর দশবার রহমাত নাযিল করেন।(ই.ফা. ৭৯৫ ,ই.সে.৮০৭ )
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من صلى على واحدة صلى الله عليه عشرا " .
সহিহ মুসলিম ৭৯৩
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر، أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري، - وعبد الله بن زيد هو الذي كان أري النداء بالصلاة - أخبره عن أبي مسعود الأنصاري قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله تعالى أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قولوا " اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد . والسلام كما قد علمتم " .
আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা তখন সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ) এর বৈঠক এ উপস্থিত ছিলাম। বাশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল ! মহান আল্লাহ আপনার উপর দুরূদ পাঠ করার জন্যে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দুরূদ পাঠ করব? রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা আফসোস করে বললাম, সে যদি তাঁকে এ প্রশ্ন না করত ! অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা-সল্লাইতা আলা-আ-লি ইবর-হীমা ওয়াবা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বা-রকতা ‘আলা আ-লি ইবর-হীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ “ হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ও তার পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করো-যেভাবে তুমি ইবরাহীম (আঃ) এর পরিবার-পরিজনের উপর রহমাত বর্ষণ করেছ। তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনকে বারাকাত ও প্রাচুর্য দান করো-যেভাবে তুমি ইবরাহীম (‘আঃ)- এর পরিবার-পরিজনকে দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাত ও প্রাচুর্য দান করেছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।“ আর সালাম দেয়ার নিয়ম যা তোমরা ইতিপূর্বে জেনেছ। (ই.ফা.৭৯০, ই.সে. ৮০২)
আবূ মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা তখন সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ) এর বৈঠক এ উপস্থিত ছিলাম। বাশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল ! মহান আল্লাহ আপনার উপর দুরূদ পাঠ করার জন্যে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দুরূদ পাঠ করব? রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা আফসোস করে বললাম, সে যদি তাঁকে এ প্রশ্ন না করত ! অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা-সল্লাইতা আলা-আ-লি ইবর-হীমা ওয়াবা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বা-রকতা ‘আলা আ-লি ইবর-হীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ “ হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ ও তার পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করো-যেভাবে তুমি ইবরাহীম (আঃ) এর পরিবার-পরিজনের উপর রহমাত বর্ষণ করেছ। তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনকে বারাকাত ও প্রাচুর্য দান করো-যেভাবে তুমি ইবরাহীম (‘আঃ)- এর পরিবার-পরিজনকে দুনিয়া ও আখিরাতে বারাকাত ও প্রাচুর্য দান করেছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।“ আর সালাম দেয়ার নিয়ম যা তোমরা ইতিপূর্বে জেনেছ। (ই.ফা.৭৯০, ই.সে. ৮০২)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر، أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري، - وعبد الله بن زيد هو الذي كان أري النداء بالصلاة - أخبره عن أبي مسعود الأنصاري قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله تعالى أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قولوا " اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد . والسلام كما قد علمتم " .
সহিহ মুসলিম ৭৯৭
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا روح، وعبد الله بن نافع، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، - واللفظ له - قال أخبرنا روح، عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرو بن سليم، أخبرني أبو حميد الساعدي، أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك قال " قولوا اللهم صل على محمد وعلى أزواجه وذريته كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى أزواجه وذريته كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد " .
ইবনু নুমায়র ও ‘আমর ইবনু সুলায়ম বলেন, আবূ হুমায়দ আস সা‘ইদী থেকে বর্নিতঃ
তারা (সহাবাগণ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল ! আমরা আপনার উপর কিভাবে দরূদ পড়বো? তিনি বললেনঃ বল, “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা-সল্লাইতা ‘আলা-আ-লি ইবরাহীমা ওয়াবা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা-বা-রাকতা ‘আলা-আ-লি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ হে আল্লাহ ! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বিবিগন এবং তাঁর বংশধরগনের প্রতি রহমাত বর্ষন কর, যেভাবে তুমি রহমাত বর্ষন করেছ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর পরিজনের প্রতি- তুমি বারাকাত নাযিল কর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বিবিগনের প্রতি যেভাবে তুমি বারাকাত নাযিল করেছ ইবরাহীম (‘আ)-এর পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত।(ই.ফা. ৭৯৪, ই.সে.৮০৬)
ইবনু নুমায়র ও ‘আমর ইবনু সুলায়ম বলেন, আবূ হুমায়দ আস সা‘ইদী থেকে বর্নিতঃ
তারা (সহাবাগণ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল ! আমরা আপনার উপর কিভাবে দরূদ পড়বো? তিনি বললেনঃ বল, “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা-সল্লাইতা ‘আলা-আ-লি ইবরাহীমা ওয়াবা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আয্ওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা-বা-রাকতা ‘আলা-আ-লি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ হে আল্লাহ ! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বিবিগন এবং তাঁর বংশধরগনের প্রতি রহমাত বর্ষন কর, যেভাবে তুমি রহমাত বর্ষন করেছ ইবরাহীম (‘আঃ)-এর পরিজনের প্রতি- তুমি বারাকাত নাযিল কর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর বিবিগনের প্রতি যেভাবে তুমি বারাকাত নাযিল করেছ ইবরাহীম (‘আ)-এর পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সন্মানিত।(ই.ফা. ৭৯৪, ই.সে.৮০৬)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا روح، وعبد الله بن نافع، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، - واللفظ له - قال أخبرنا روح، عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن أبي بكر، عن أبيه، عن عمرو بن سليم، أخبرني أبو حميد الساعدي، أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك قال " قولوا اللهم صل على محمد وعلى أزواجه وذريته كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى أزواجه وذريته كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد " .
সহিহ মুসলিম ৭৯৬
حدثنا محمد بن بكار، حدثنا إسماعيل بن زكرياء، عن الأعمش، وعن مسعر، وعن مالك بن مغول، كلهم عن الحكم، بهذا الإسناد مثله غير أنه قال " وبارك على محمد " . ولم يقل اللهم .
হাকাম থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ সূত্রে “ওয়া বা-রিক’আলা-মুহাম্মাদিন” উল্লেখ করেছেন এবং “আল্ল-হুম্মা” শব্দের উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭৯৩,ই.সে.৮০৫)
হাকাম থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদ সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ সূত্রে “ওয়া বা-রিক’আলা-মুহাম্মাদিন” উল্লেখ করেছেন এবং “আল্ল-হুম্মা” শব্দের উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৭৯৩,ই.সে.৮০৫)
حدثنا محمد بن بكار، حدثنا إسماعيل بن زكرياء، عن الأعمش، وعن مسعر، وعن مالك بن مغول، كلهم عن الحكم، بهذا الإسناد مثله غير أنه قال " وبارك على محمد " . ولم يقل اللهم .
সহিহ মুসলিম ৭৯৪
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ابن أبي ليلى، قال لقيني كعب بن عجرة فقال ألا أهدي لك هدية خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا قد عرفنا كيف نسلم عليك فكيف نصلي عليك قال " قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد " .
ইবনু আবূ লাইলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কা’ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, আমি কি তোমাকে কিছু উপহার দিব না? রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা বললাম আমরা আপনাকে কিভাবে সালাম করবো তা জানতে পেরেছি কিন্তু আপনার উপর কিভাবে দূরুদ পাঠ করব? তিনি বললেনঃ তোমরা বল, “ আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা-সল্লাইতা ‘আলা- আ-লি ইবর-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ, আল্ল-হুম্মা বা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা- বা-রকতা ‘আলা আ-লি ইবর-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর বংশধরদের উপর ঐরূপ রহমাত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর বংশধরদের উপর ঐরূপ বারাকাত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইবরাহীম (‘আঃ) এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়।” (ই.ফা. ৭৯১, ই.সে.৮০৩)
ইবনু আবূ লাইলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কা’ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, আমি কি তোমাকে কিছু উপহার দিব না? রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে আসলেন, আমরা বললাম আমরা আপনাকে কিভাবে সালাম করবো তা জানতে পেরেছি কিন্তু আপনার উপর কিভাবে দূরুদ পাঠ করব? তিনি বললেনঃ তোমরা বল, “ আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা-সল্লাইতা ‘আলা- আ-লি ইবর-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ, আল্ল-হুম্মা বা-রিক ‘আলা-মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা-আ-লি মুহাম্মাদিন কামা- বা-রকতা ‘আলা আ-লি ইবর-হীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।” অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর বংশধরদের উপর ঐরূপ রহমাত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইবরাহীম (‘আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর বংশধরদের উপর ঐরূপ বারাকাত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইবরাহীম (‘আঃ) এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়।” (ই.ফা. ৭৯১, ই.সে.৮০৩)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، قال سمعت ابن أبي ليلى، قال لقيني كعب بن عجرة فقال ألا أهدي لك هدية خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا قد عرفنا كيف نسلم عليك فكيف نصلي عليك قال " قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد " .
সহিহ মুসলিম > তাসমী’ , তাহমীদ ও আমীন সর্ম্পকে
সহিহ মুসলিম ৮০১
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، وأبي، سلمة بن عبد الرحمن أنهما أخبراه عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أمن الإمام فأمنوا فإنه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه " . قال ابن شهاب كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " آمين " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেনঃ ইমাম যখন ‘আ-মীন’ বলে, তোমরাও তখন ‘আ-মীন’ বল। কেননা যার ‘আ-মীন’ বলা মালায়িকাদের (ফেরেশতাদের)‘আ-মীন’ বলার সাথে মিলে যাবে তার আগেকার গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। ইবনু শিহাব বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আ-মীন’ বলতেন।(ই.ফা. ৭৯৮ , ই.সে. ৮১০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেনঃ ইমাম যখন ‘আ-মীন’ বলে, তোমরাও তখন ‘আ-মীন’ বল। কেননা যার ‘আ-মীন’ বলা মালায়িকাদের (ফেরেশতাদের)‘আ-মীন’ বলার সাথে মিলে যাবে তার আগেকার গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। ইবনু শিহাব বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আ-মীন’ বলতেন।(ই.ফা. ৭৯৮ , ই.সে. ৮১০)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، وأبي، سلمة بن عبد الرحمن أنهما أخبراه عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أمن الإمام فأمنوا فإنه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه " . قال ابن شهاب كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " آمين " .
সহিহ মুসলিম ৮০৩
حدثني حرملة بن يحيى، حدثني ابن وهب، أخبرني عمرو، أن أبا يونس، حدثه عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال أحدكم في الصلاة آمين . والملائكة في السماء آمين . فوافق إحداهما الأخرى غفر له ما تقدم من ذنبه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ সলাতে ‘আ-মীন’ বলল এবং আকাশমণ্ডলীর মালায়িকারাও (ফেরেশতারাও)‘আ-মীন’ বলল। একজনের ‘আ-মীন’ এর সাথে আরেকজনের ‘আ-মীন’ মিলে গেল। তার আগের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।(ই.ফা. ৮০০ , ই.সে. ৮১২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ সলাতে ‘আ-মীন’ বলল এবং আকাশমণ্ডলীর মালায়িকারাও (ফেরেশতারাও)‘আ-মীন’ বলল। একজনের ‘আ-মীন’ এর সাথে আরেকজনের ‘আ-মীন’ মিলে গেল। তার আগের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।(ই.ফা. ৮০০ , ই.সে. ৮১২)
حدثني حرملة بن يحيى، حدثني ابن وهب، أخبرني عمرو، أن أبا يونس، حدثه عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال أحدكم في الصلاة آمين . والملائكة في السماء آمين . فوافق إحداهما الأخرى غفر له ما تقدم من ذنبه " .
সহিহ মুসলিম ৮০৪
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا المغيرة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قال أحدكم آمين . والملائكة في السماء آمين . فوافقت إحداهما الأخرى غفر له ما تقدم من ذنبه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন ‘আ-মীন’ বলে এবং আকাশমণ্ডলীর মালায়িকারাও (ফেরেশতারাও)‘আ-মীন’ বলে। উভয়ের ‘আ-মীন’ যদি একই সাথে মিলে যায়, তবে আল্লাহ তার আগের গুনাহ মাফ করে দেবেন।(ই.ফা. ৮০১, ই.সে. ৮১৩ )
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন ‘আ-মীন’ বলে এবং আকাশমণ্ডলীর মালায়িকারাও (ফেরেশতারাও)‘আ-মীন’ বলে। উভয়ের ‘আ-মীন’ যদি একই সাথে মিলে যায়, তবে আল্লাহ তার আগের গুনাহ মাফ করে দেবেন।(ই.ফা. ৮০১, ই.সে. ৮১৩ )
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا المغيرة، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قال أحدكم آمين . والملائكة في السماء آمين . فوافقت إحداهما الأخرى غفر له ما تقدم من ذنبه " .
সহিহ মুসলিম ৮০২
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني ابن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث مالك ولم يذكر قول ابن شهاب .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি...... উপরের (মালিকের) হাদীসের অবিকল। কিন্তু এ বর্ণনায় ইবনু শিহাবের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি। (ই.ফা. ৭৯৯ , ই.সে. ৮১১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি...... উপরের (মালিকের) হাদীসের অবিকল। কিন্তু এ বর্ণনায় ইবনু শিহাবের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি। (ই.ফা. ৭৯৯ , ই.সে. ৮১১)
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني ابن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث مالك ولم يذكر قول ابن شهاب .
সহিহ মুসলিম ৭৯৯
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال الإمام سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . فإنه من وافق قوله قول الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেনঃ ইমাম যখন “সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরা তখন “আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বল। কেননা যার এ কথা মালায়িকাদের (ফেরেশতাদের) কথার সাথে মিলে যাবে তার আগের গুনাহ্ মাফ করে দেয়া হবে। (ই.ফা. ৭৯৬ , ই.সে. ৮০৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেনঃ ইমাম যখন “সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরা তখন “আল্লা-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বল। কেননা যার এ কথা মালায়িকাদের (ফেরেশতাদের) কথার সাথে মিলে যাবে তার আগের গুনাহ্ মাফ করে দেয়া হবে। (ই.ফা. ৭৯৬ , ই.সে. ৮০৮)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال الإمام سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . فإنه من وافق قوله قول الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه " .
সহিহ মুসলিম ৮০০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث سمى .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট থেকে উপরের হাদীসের অনূরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।(ই.ফা. ৭৯৭ , ই.সে. ৮০৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট থেকে উপরের হাদীসের অনূরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।(ই.ফা. ৭৯৭ , ই.সে. ৮০৯)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث سمى .
সহিহ মুসলিম ৮০৫
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে।(ই.ফা. ৮০২, ই.সে. ৮১৪ )
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে।(ই.ফা. ৮০২, ই.সে. ৮১৪ )
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৮০৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال القارئ غير المغضوب عليهم ولا الضالين . فقال من خلفه آمين . فوافق قوله قول أهل السماء غفر له ما تقدم من ذنبه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কারী (ইমাম) যখন সলাতে غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলে, তখন তার পিছনের লোকেরাও (মুক্তাদীগন)أمين (আ-মীন) বলবে। তাদের এ কথা আকাশমণ্ডলীর অধিবাসী মালায়িকাদের কথার সাথে একত্রে উচ্চারিত হলে, তাদের (মুক্তাদী) পিছনের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।(ই.ফা. ৮০৩, ই.সে. ৮১৫ )
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কারী (ইমাম) যখন সলাতে غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলে, তখন তার পিছনের লোকেরাও (মুক্তাদীগন)أمين (আ-মীন) বলবে। তাদের এ কথা আকাশমণ্ডলীর অধিবাসী মালায়িকাদের কথার সাথে একত্রে উচ্চারিত হলে, তাদের (মুক্তাদী) পিছনের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।(ই.ফা. ৮০৩, ই.সে. ৮১৫ )
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا قال القارئ غير المغضوب عليهم ولا الضالين . فقال من خلفه آمين . فوافق قوله قول أهل السماء غفر له ما تقدم من ذنبه " .
সহিহ মুসলিম > মুক্তাদীগণ ইমামের অনুসরন করবে
সহিহ মুসলিম ৮১২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل عليه ناس من أصحابه يعودونه فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا فصلوا بصلاته قياما فأشار إليهم أن اجلسوا . فجلسوا فلما انصرف قال " إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا " .
’আয়িশাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলেন। সহাবাদের কিছু সংখ্যক লোক তাঁকে দেখতে আসলেন। রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে বসে সলাত আদায় করলেন। তাঁরা তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতে শুরু করলে তিনি তাদেরকে ইশারায় বললেনঃ তোমরা বসে যাও। তাঁরা বসে গেলেন। সলাত শেষ করে তিনি বললেনঃ অনুসরন করার জন্যেই ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সে যখন রুকু ‘তে যাবে তোমরাও তখন রুকু‘তে যাবে। সে যখন মাথা উঠাবে তোমরাও তখন মাথা উঠাবে। সে যখন বসে বসে সলাত আদায় করবে তোমরাও বসে বসে সলাত আদায় করবে। (ই.ফা. ৮০৯, ই.সে. ৮২১)
’আয়িশাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলেন। সহাবাদের কিছু সংখ্যক লোক তাঁকে দেখতে আসলেন। রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে বসে সলাত আদায় করলেন। তাঁরা তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করতে শুরু করলে তিনি তাদেরকে ইশারায় বললেনঃ তোমরা বসে যাও। তাঁরা বসে গেলেন। সলাত শেষ করে তিনি বললেনঃ অনুসরন করার জন্যেই ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সে যখন রুকু ‘তে যাবে তোমরাও তখন রুকু‘তে যাবে। সে যখন মাথা উঠাবে তোমরাও তখন মাথা উঠাবে। সে যখন বসে বসে সলাত আদায় করবে তোমরাও বসে বসে সলাত আদায় করবে। (ই.ফা. ৮০৯, ই.সে. ৮২১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل عليه ناس من أصحابه يعودونه فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا فصلوا بصلاته قياما فأشار إليهم أن اجلسوا . فجلسوا فلما انصرف قال " إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا " .
সহিহ মুসলিম ৮১১
حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم سقط من فرسه فجحش شقه الأيمن . وساق الحديث وليس فيه زيادة يونس ومالك .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। এতে তাঁর শরীরের ডানপাশে আঘাত পেলেন। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় ইউনুস ও মালিকের বর্ধিত বর্ণনাটুকু নেই। (ই. ফা.৮০৮, ই.সে. ৮২০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। এতে তাঁর শরীরের ডানপাশে আঘাত পেলেন। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় ইউনুস ও মালিকের বর্ধিত বর্ণনাটুকু নেই। (ই. ফা.৮০৮, ই.সে. ৮২০)
حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم سقط من فرسه فجحش شقه الأيمن . وساق الحديث وليس فيه زيادة يونس ومالك .
সহিহ মুসলিম ৮১০
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا معن بن عيسى، عن مالك بن أنس، عن الزهري، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا فصرع عنه فجحش شقه الأيمن . بنحو حديثهم وفيه " إذا صلى قائما فصلوا قياما " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার সওয়ার হলেন। তিনি এর পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আঘাতপ্রাপ্ত হল। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছেঃ সে (ইমাম) যখন দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর। (ই. ফা.৮০৭, ই.সে.৮১৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার সওয়ার হলেন। তিনি এর পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আঘাতপ্রাপ্ত হল। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছেঃ সে (ইমাম) যখন দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর। (ই. ফা.৮০৭, ই.সে.৮১৯)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا معن بن عيسى، عن مالك بن أنس، عن الزهري، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا فصرع عنه فجحش شقه الأيمن . بنحو حديثهم وفيه " إذا صلى قائما فصلوا قياما " .
সহিহ মুসলিম ৮০৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، قال خر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش فصلى لنا قاعدا . ثم ذكر نحوه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তিনি বসে বসে আমাদের সলাত আদায় করালেন। ............ অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরুপ।(ই.ফা. ৮০৫, ই.সে. ৮১৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তিনি বসে বসে আমাদের সলাত আদায় করালেন। ............ অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরুপ।(ই.ফা. ৮০৫, ই.সে. ৮১৭)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، قال خر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش فصلى لنا قاعدا . ثم ذكر نحوه .
সহিহ মুসলিম ৮০৭
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وأبو كريب جميعا عن سفيان، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، قال سمعت أنس بن مالك، يقول سقط النبي صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش شقه الأيمن فدخلنا عليه نعوده فحضرت الصلاة فصلى بنا قاعدا فصلينا وراءه قعودا فلما قضى الصلاة قال " إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا وإذا سجد فاسجدوا وإذا رفع فارفعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا ربنا ولك الحمد . وإذا صلى قاعدا فصلوا قعودا أجمعون " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন , নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আহত হল। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম। ইতিমধ্যে সলাতের সময় হয়ে গেল। তিনি আমাদের নিয়ে বসে বসে সলাত আদায় করলেন। আমরাও তার পেছনে বসে সলাত আদায় করলাম। তিনি সলাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম এজন্যই বানানো হয় যে, তার অনুসরন করা হবে। অতএব সে যখন আল্ল-হু আকবার বলে তোমরাও ‘আল্ল-হু আকবার’ বল। সে যখন সাজদাহ্ করে , তোমরাও সাজদাহ্ কর।সে যখন হাত উঁচু করে দাঁড়ায় তোমরাও হাত উঁচু করে দাঁড়াও। সে যখন ‘সামি আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে, তোমরা তখন ‘রব্বানা- ওয়ালাকাল হামদ” বল। সে যখন বসে সলাত আদায় করে (ইমামতি করে) , তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় কর। (ই.ফা.৮০৪, ই.সে. ৮১৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন , নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আহত হল। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম। ইতিমধ্যে সলাতের সময় হয়ে গেল। তিনি আমাদের নিয়ে বসে বসে সলাত আদায় করলেন। আমরাও তার পেছনে বসে সলাত আদায় করলাম। তিনি সলাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম এজন্যই বানানো হয় যে, তার অনুসরন করা হবে। অতএব সে যখন আল্ল-হু আকবার বলে তোমরাও ‘আল্ল-হু আকবার’ বল। সে যখন সাজদাহ্ করে , তোমরাও সাজদাহ্ কর।সে যখন হাত উঁচু করে দাঁড়ায় তোমরাও হাত উঁচু করে দাঁড়াও। সে যখন ‘সামি আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে, তোমরা তখন ‘রব্বানা- ওয়ালাকাল হামদ” বল। সে যখন বসে সলাত আদায় করে (ইমামতি করে) , তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় কর। (ই.ফা.৮০৪, ই.সে. ৮১৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وأبو كريب جميعا عن سفيان، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، قال سمعت أنس بن مالك، يقول سقط النبي صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش شقه الأيمن فدخلنا عليه نعوده فحضرت الصلاة فصلى بنا قاعدا فصلينا وراءه قعودا فلما قضى الصلاة قال " إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا وإذا سجد فاسجدوا وإذا رفع فارفعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا ربنا ولك الحمد . وإذا صلى قاعدا فصلوا قعودا أجمعون " .
সহিহ মুসলিম ৮০৯
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صرع عن فرس فجحش شقه الأيمن بنحو حديثهما وزاد " فإذا صلى قائما فصلوا قياما " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আহত হল। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছে, ইমাম যখন দাঁড়িয়ে পড়ে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর। (ই. ফা. ৮০৬, ই. সে. ৮১৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তাঁর শরীরের ডানপাশ আহত হল। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছে, ইমাম যখন দাঁড়িয়ে পড়ে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় কর। (ই. ফা. ৮০৬, ই. সে. ৮১৮)
حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صرع عن فرس فجحش شقه الأيمن بنحو حديثهما وزاد " فإذا صلى قائما فصلوا قياما " .
সহিহ মুসলিম ৮১৩
حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد يعني ابن زيد، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، قال حدثنا أبي جميعا، عن هشام بن عروة، بهذا الإسناد نحوه .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.,৮১০, ই.সে.৮২২)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.,৮১০, ই.সে.৮২২)
حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد يعني ابن زيد، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا ابن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، قال حدثنا أبي جميعا، عن هشام بن عروة، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম ৮১৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، قال اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلينا وراءه وهو قاعد وأبو بكر يسمع الناس تكبيره فالتفت إلينا فرآنا قياما فأشار إلينا فقعدنا فصلينا بصلاته قعودا فلما سلم قال " إن كدتم آنفا لتفعلون فعل فارس والروم يقومون على ملوكهم وهم قعود فلا تفعلوا ائتموا بأئمتكم إن صلى قائما فصلوا قياما وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তাঁর পিছনে সলাত আদায় করলাম। তিনি বসে বসে সলাত আদায় করছিলেন। আবূ বাকর (রাঃ) লোকদেরকে তার তাকবীর জোরে শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি আমাদের দিকে খেয়াল করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি আমাদের ইশারা করলেন। সে জন্য আমরা বসে গেলাম। আমরা তাঁর সাথে বসে সলাত আদায় করলাম। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ তোমরা পারস্য ও রোমের (সাম্রাজ্যের) লোকদের মতোই করতে যাচ্ছিলে। তাদের বাদশাহ বসে থাকে আর তারা দাঁড়িয়ে থাকে। তোমরা কখনো এমন করো না। সবসময় তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করবে। সে যদি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করবে। সে যদি বসে সলাত আদায় করে তোমরাও বসে সলাত আদায় করবে। (ই.ফা.,৮১১, ই.সে.৮২৩)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তাঁর পিছনে সলাত আদায় করলাম। তিনি বসে বসে সলাত আদায় করছিলেন। আবূ বাকর (রাঃ) লোকদেরকে তার তাকবীর জোরে শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি আমাদের দিকে খেয়াল করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি আমাদের ইশারা করলেন। সে জন্য আমরা বসে গেলাম। আমরা তাঁর সাথে বসে সলাত আদায় করলাম। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ তোমরা পারস্য ও রোমের (সাম্রাজ্যের) লোকদের মতোই করতে যাচ্ছিলে। তাদের বাদশাহ বসে থাকে আর তারা দাঁড়িয়ে থাকে। তোমরা কখনো এমন করো না। সবসময় তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করবে। সে যদি দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করবে। সে যদি বসে সলাত আদায় করে তোমরাও বসে সলাত আদায় করবে। (ই.ফা.,৮১১, ই.সে.৮২৩)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، قال اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلينا وراءه وهو قاعد وأبو بكر يسمع الناس تكبيره فالتفت إلينا فرآنا قياما فأشار إلينا فقعدنا فصلينا بصلاته قعودا فلما سلم قال " إن كدتم آنفا لتفعلون فعل فارس والروم يقومون على ملوكهم وهم قعود فلا تفعلوا ائتموا بأئمتكم إن صلى قائما فصلوا قياما وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا " .
সহিহ মুসলিম ৮১৫
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا حميد بن عبد الرحمن الرؤاسي، عن أبيه، عن أبي الزبير، عن جابر، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر خلفه فإذا كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر أبو بكر ليسمعنا . ثم ذكر نحو حديث الليث .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সলাত আদায় করালেন। আবূ বাক্র(রাঃ) তার পেছনেই ছিলেন রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকবীর বললেন, আবূ বাক্র আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে তাকবীর বললেন। ......হাদীসের অবশিষ্ট অংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.. ৮১২, ই.সে.৮২৪)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সলাত আদায় করালেন। আবূ বাক্র(রাঃ) তার পেছনেই ছিলেন রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকবীর বললেন, আবূ বাক্র আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে তাকবীর বললেন। ......হাদীসের অবশিষ্ট অংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা.. ৮১২, ই.সে.৮২৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا حميد بن عبد الرحمن الرؤاسي، عن أبيه، عن أبي الزبير، عن جابر، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر خلفه فإذا كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر أبو بكر ليسمعنا . ثم ذكر نحو حديث الليث .
সহিহ মুসলিম ৮১৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إنما الإمام ليؤتم به فلا تختلفوا عليه فإذا كبر فكبروا وإذا ركع فاركعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . وإذا سجد فاسجدوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইমাম এজন্য নিযুক্ত করা হয় যে, তার অনুসরন করা হবে, তোমরা কখনো তার উল্টো করো না। সে যখন আল্ল-হু আকবার বলে, তোমরাও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলো। সে যখন রুকু‘ করে, তোমরাও তখন রুকু‘ করো। সে যখন “সামি‘আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরাও তখন ‘আল্ল-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলো। সে যখন সাজদায় যায়, তোমরাও তখন সাজদায় যাও। সে যখন বসে সলাত আদায় করে, তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় করো। (ই.ফ.৮১৩, ই.সে. ৮২৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইমাম এজন্য নিযুক্ত করা হয় যে, তার অনুসরন করা হবে, তোমরা কখনো তার উল্টো করো না। সে যখন আল্ল-হু আকবার বলে, তোমরাও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলো। সে যখন রুকু‘ করে, তোমরাও তখন রুকু‘ করো। সে যখন “সামি‘আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরাও তখন ‘আল্ল-হুম্মা রব্বানা-লাকাল হামদ” বলো। সে যখন সাজদায় যায়, তোমরাও তখন সাজদায় যাও। সে যখন বসে সলাত আদায় করে, তোমরাও সবাই মিলে বসে সলাত আদায় করো। (ই.ফ.৮১৩, ই.সে. ৮২৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إنما الإمام ليؤتم به فلا تختلفوا عليه فإذا كبر فكبروا وإذا ركع فاركعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . وإذا سجد فاسجدوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون " .
সহিহ মুসলিম ৮১৭
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৮১৪, ই.সে.৮২৬)
আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৮১৪, ই.সে.৮২৬)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .