সহিহ মুসলিম > ইমামের পিছনে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করা মুক্তাদীদের জন্য নিষেধ
সহিহ মুসলিম ৭৭৪
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت زرارة بن أوفى، يحدث عن عمران بن حصين، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر فجعل رجل يقرأ خلفه بسبح اسم ربك الأعلى فلما انصرف قال " أيكم قرأ " أو " أيكم القارئ " فقال رجل أنا . فقال " قد ظننت أن بعضكم خالجنيها " .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। এক লোক তাঁর পিছনে সূরাহ্ ‘সাব্বিহিস্মা রাবি্কাল আ’লা-” পাঠ করল। সলাত শেষে নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কে সূরাহ্ পাঠ করেছে? লোকটি বলল, আমি। তিনি বললেনঃ আমি অনুসন্ধান করেছি তোমাদের কেউ কেউ আমার কাছ থেকে (কুরআন) পাঠ ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ই. ফা. ৭৭১, ই. সে. ৭৮৩)
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন। এক লোক তাঁর পিছনে সূরাহ্ ‘সাব্বিহিস্মা রাবি্কাল আ’লা-” পাঠ করল। সলাত শেষে নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কে সূরাহ্ পাঠ করেছে? লোকটি বলল, আমি। তিনি বললেনঃ আমি অনুসন্ধান করেছি তোমাদের কেউ কেউ আমার কাছ থেকে (কুরআন) পাঠ ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ই. ফা. ৭৭১, ই. সে. ৭৮৩)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت زرارة بن أوفى، يحدث عن عمران بن حصين، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر فجعل رجل يقرأ خلفه بسبح اسم ربك الأعلى فلما انصرف قال " أيكم قرأ " أو " أيكم القارئ " فقال رجل أنا . فقال " قد ظننت أن بعضكم خالجنيها " .
সহিহ মুসলিম ৭৭৩
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن أبي عوانة، قال سعيد حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الظهر - أو العصر - فقال " أيكم قرأ خلفي بسبح اسم ربك الأعلى " . فقال رجل أنا ولم أرد بها إلا الخير . قال " قد علمت أن بعضكم خالجنيها " .
‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যুহ্র অথবা ‘আস্র-এর সলাত আদায় করালেন। সলাত শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে আমার পিছনে (আরবি) (সূরাহ্ আ’লা) পাঠ করেছ? এক ব্যক্তি বলল, আমি। এর মাধ্যমে কল্যাণই কামনা করেছিলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার কাছ থেকে কুরআন ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ই. ফা. ৭৭০, ই. সে. ৭৮২)
‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যুহ্র অথবা ‘আস্র-এর সলাত আদায় করালেন। সলাত শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে আমার পিছনে (আরবি) (সূরাহ্ আ’লা) পাঠ করেছ? এক ব্যক্তি বলল, আমি। এর মাধ্যমে কল্যাণই কামনা করেছিলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার কাছ থেকে কুরআন ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ই. ফা. ৭৭০, ই. সে. ৭৮২)
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن أبي عوانة، قال سعيد حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الظهر - أو العصر - فقال " أيكم قرأ خلفي بسبح اسم ربك الأعلى " . فقال رجل أنا ولم أرد بها إلا الخير . قال " قد علمت أن بعضكم خالجنيها " .
সহিহ মুসলিম ৭৭৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، كلاهما عن ابن أبي عروبة، عن قتادة، بهذا الإسناد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر وقال " قد علمت أن بعضكم خالجنيها " .
কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন এবং বললেনঃ আমি জানতে পেরেছি তোমাদের কেউ কেউ আমার কাছ থেকে (কুরআন) ছিনিয়ে নিচ্ছো। (ই. ফা. ৭৭২, ই. সে. ৭৮৪)
কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত আদায় করলেন এবং বললেনঃ আমি জানতে পেরেছি তোমাদের কেউ কেউ আমার কাছ থেকে (কুরআন) ছিনিয়ে নিচ্ছো। (ই. ফা. ৭৭২, ই. সে. ৭৮৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، كلاهما عن ابن أبي عروبة، عن قتادة، بهذا الإسناد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر وقال " قد علمت أن بعضكم خالجنيها " .
সহিহ মুসলিম > ‘বিসমিল্লাহ’ সশব্দে না পড়ার পক্ষে দলীল
সহিহ মুসলিম ৭৭৬
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار كلاهما عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس، قال صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان فلم أسمع أحدا منهم يقرأ { بسم الله الرحمن الرحيم} .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্র(রাঃ), ‘উমার (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ)-এর সাথে সলাত আদায় করেছি। আমি তাদের কাউকে ‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রহীম” (সশব্দে) পড়তে শুনিনি। (ই. ফা. ৭৭৩, ই. সে. ৭৮৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাক্র(রাঃ), ‘উমার (রাঃ) ও ‘উসমান (রাঃ)-এর সাথে সলাত আদায় করেছি। আমি তাদের কাউকে ‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রহীম” (সশব্দে) পড়তে শুনিনি। (ই. ফা. ৭৭৩, ই. সে. ৭৮৫)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار كلاهما عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس، قال صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان فلم أسمع أحدا منهم يقرأ { بسم الله الرحمن الرحيم} .
সহিহ মুসলিম ৭৭৮
حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن عبدة، أن عمر بن الخطاب، كان يجهر بهؤلاء الكلمات يقول سبحانك اللهم وبحمدك تبارك اسمك وتعالى جدك ولا إله غيرك . وعن قتادة أنه كتب إليه يخبره عن أنس بن مالك أنه حدثه قال صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان فكانوا يستفتحون بـ { الحمد لله رب العالمين} لا يذكرون بسم الله الرحمن الرحيم في أول قراءة ولا في آخرها .
‘আবদাহ থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এ কথাগুলো উচ্চঃস্বরে পড়তেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “হে আল্লাহ, তোমারই পবিত্রতা বর্ণনা করি এবং তোমারই শুকর আদায় করি, তোমার নাম বড়ই বরকতপূর্ণ, তোমার মর্যাদা সর্বচ্চো, তুমি ছাড়া আর কেউ মা’বুদ নেই।” কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাকে বলেছেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) , ‘উমার (রাঃ)- এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। তারা সকলে সলাতে (আরবি) দিয়ে শুরু করতেন। তারা কিরাআতের শুরুতেও (আরবি) পড়তেন না , শেষেও না। (ই.ফা. ৭৭৫, ই.সে.৭৮৭)
‘আবদাহ থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এ কথাগুলো উচ্চঃস্বরে পড়তেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “হে আল্লাহ, তোমারই পবিত্রতা বর্ণনা করি এবং তোমারই শুকর আদায় করি, তোমার নাম বড়ই বরকতপূর্ণ, তোমার মর্যাদা সর্বচ্চো, তুমি ছাড়া আর কেউ মা’বুদ নেই।” কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাকে বলেছেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ) , ‘উমার (রাঃ)- এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। তারা সকলে সলাতে (আরবি) দিয়ে শুরু করতেন। তারা কিরাআতের শুরুতেও (আরবি) পড়তেন না , শেষেও না। (ই.ফা. ৭৭৫, ই.সে.৭৮৭)
حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن عبدة، أن عمر بن الخطاب، كان يجهر بهؤلاء الكلمات يقول سبحانك اللهم وبحمدك تبارك اسمك وتعالى جدك ولا إله غيرك . وعن قتادة أنه كتب إليه يخبره عن أنس بن مالك أنه حدثه قال صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر وعمر وعثمان فكانوا يستفتحون بـ { الحمد لله رب العالمين} لا يذكرون بسم الله الرحمن الرحيم في أول قراءة ولا في آخرها .
সহিহ মুসলিম ৭৭৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، في هذا الإسناد . وزاد قال شعبة فقلت لقتادة أسمعته من أنس قال نعم نحن سألناه عنه .
শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কাতাদাহ্ কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি উপরের হাদীসটি আনাস (রাঃ)- এর কাছে সরাসরি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাদের এ হাদীস শুনান। (ই.ফা. ৭৭৪, ই.সে .৭৮৬)
শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি কাতাদাহ্ কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি উপরের হাদীসটি আনাস (রাঃ)- এর কাছে সরাসরি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাদের এ হাদীস শুনান। (ই.ফা. ৭৭৪, ই.সে .৭৮৬)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، في هذا الإسناد . وزاد قال شعبة فقلت لقتادة أسمعته من أنس قال نعم نحن سألناه عنه .
সহিহ মুসলিম ৭৭৯
حدثنا محمد بن مهران، حدثنا الوليد بن مسلم، عن الأوزاعي، أخبرني إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك، يذكر ذلك .
ইসহাক্ ইবনু ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ তালহাহ্ (রহ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) – কে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। (ই.ফা.৭৭৬,ই.সে. ৭৮৮)
ইসহাক্ ইবনু ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ তালহাহ্ (রহ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) – কে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। (ই.ফা.৭৭৬,ই.সে. ৭৮৮)
حدثنا محمد بن مهران، حدثنا الوليد بن مسلم، عن الأوزاعي، أخبرني إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، أنه سمع أنس بن مالك، يذكر ذلك .
সহিহ মুসলিম > যারা বলে, বিসমিল্লা-হ, সূরাহ্ বারাআহ্ (তাওবাহ্) ছাড়া আর সব সূরারই অংশ তাদের দলীল
সহিহ মুসলিম ৭৮১
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء أخبرنا ابن فضيل، عن مختار بن فلفل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول أغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغفاءة . بنحو حديث ابن مسهر غير أنه قال " نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة عليه حوض " . ولم يذكر " آنيته عدد النجوم " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু মুসহির বর্ণিত (উপরোল্লিখিত) হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর উপর অচেতন ভাব দেখা গেল। ..... ইবনু মুসহির- এর হাদীসের অনুরুপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, কাওসার একটি সুন্দর ঝর্ণার নাম। আমার প্রতিপালক জান্নাতের এ ঝর্ণাধারা আমাকে দেয়ার ওয়া’দা করেছেন। এ বর্ণনায় ‘তারকার মতো অসংখ্য পানপাত্রের’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা.৭৭৮, ই.সে.৭৯০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু মুসহির বর্ণিত (উপরোল্লিখিত) হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর উপর অচেতন ভাব দেখা গেল। ..... ইবনু মুসহির- এর হাদীসের অনুরুপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, কাওসার একটি সুন্দর ঝর্ণার নাম। আমার প্রতিপালক জান্নাতের এ ঝর্ণাধারা আমাকে দেয়ার ওয়া’দা করেছেন। এ বর্ণনায় ‘তারকার মতো অসংখ্য পানপাত্রের’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা.৭৭৮, ই.সে.৭৯০)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء أخبرنا ابن فضيل، عن مختار بن فلفل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول أغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغفاءة . بنحو حديث ابن مسهر غير أنه قال " نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة عليه حوض " . ولم يذكر " آنيته عدد النجوم " .
সহিহ মুসলিম ৭৮০
حدثنا علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، أخبرنا المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، عن المختار، عن أنس، قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم بين أظهرنا إذ أغفى إغفاءة ثم رفع رأسه متبسما فقلنا ما أضحكك يا رسول الله قال " أنزلت على آنفا سورة " . فقرأ " بسم الله الرحمن الرحيم { إنا أعطيناك الكوثر * فصل لربك وانحر * إن شانئك هو الأبتر} " . ثم قال " أتدرون ما الكوثر " . فقلنا الله ورسوله أعلم . قال " فإنه نهر وعدنيه ربي عز وجل عليه خير كثير هو حوض ترد عليه أمتي يوم القيامة آنيته عدد النجوم فيختلج العبد منهم فأقول رب إنه من أمتي . فيقول ما تدري ما أحدثت بعدك " . زاد ابن حجر في حديثه بين أظهرنا في المسجد . وقال " ما أحدث بعدك " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর মাজলিসে উপস্থিত ছিলাম। হঠাৎ তাঁর উপর অচৈতন্য ভাব চেপে বসল। অতঃপর তিনি মুচকি হেসে মাথা তুললেন। আমরা বললাম , হে আল্লাহর রাসুল! আপনার হাসির কারন কি? তিনি বললেনঃ এ মাত্র আমার উপর একটি সুরাহ্ অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি পাঠ করলেনঃ ‘বিস্মিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’। নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে ‘কাওসার’ দান করেছি। অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের জন্য সলাত আদায় কর আবং কুরবানী দাও। তোমার কুৎসা রটনাকারীরাই মূলত শিকড়কাটা, নির্মূল। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা কি জান ‘কাওসার’ কি? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা একটা ঝর্ণা। আমার মহান প্রতিপালক আমাকে তা দেয়ার জন্য ওয়া’দা করেছেন। এর মধ্যে অশেষ কল্যাণ রয়েছে, আমার উম্মতের লোকেরা কিয়ামতের দিন এ হাওযের পানি পান করতে আসবে। এ হাওযে রয়েছে তারকার মত অসংখ্য পানপাত্র (গ্লাস)। এক ব্যাক্তিকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। আমি তখন বলবঃ প্রভু! সে আমার উম্মতেরই লোক। আমাকে তখন বলা হবে , তুমি জান না , তোমার মৃত্যুর পর এরা কি অভিনব কাজ (বিদ’আত) করেছে। ইবনু হজরের বর্ণনায় আরো আছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে আমাদের কাছে এসেছেন এবং আল্লাহ বলবেন, এ ব্যাক্তি আপনার পরে বিদ’আত চালু করেছে। (ই.ফা.৭৭৭,ই.সে. ৭৮৯)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর মাজলিসে উপস্থিত ছিলাম। হঠাৎ তাঁর উপর অচৈতন্য ভাব চেপে বসল। অতঃপর তিনি মুচকি হেসে মাথা তুললেন। আমরা বললাম , হে আল্লাহর রাসুল! আপনার হাসির কারন কি? তিনি বললেনঃ এ মাত্র আমার উপর একটি সুরাহ্ অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি পাঠ করলেনঃ ‘বিস্মিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’। নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে ‘কাওসার’ দান করেছি। অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের জন্য সলাত আদায় কর আবং কুরবানী দাও। তোমার কুৎসা রটনাকারীরাই মূলত শিকড়কাটা, নির্মূল। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা কি জান ‘কাওসার’ কি? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা একটা ঝর্ণা। আমার মহান প্রতিপালক আমাকে তা দেয়ার জন্য ওয়া’দা করেছেন। এর মধ্যে অশেষ কল্যাণ রয়েছে, আমার উম্মতের লোকেরা কিয়ামতের দিন এ হাওযের পানি পান করতে আসবে। এ হাওযে রয়েছে তারকার মত অসংখ্য পানপাত্র (গ্লাস)। এক ব্যাক্তিকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। আমি তখন বলবঃ প্রভু! সে আমার উম্মতেরই লোক। আমাকে তখন বলা হবে , তুমি জান না , তোমার মৃত্যুর পর এরা কি অভিনব কাজ (বিদ’আত) করেছে। ইবনু হজরের বর্ণনায় আরো আছেঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে আমাদের কাছে এসেছেন এবং আল্লাহ বলবেন, এ ব্যাক্তি আপনার পরে বিদ’আত চালু করেছে। (ই.ফা.৭৭৭,ই.সে. ৭৮৯)
حدثنا علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، أخبرنا المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، عن المختار، عن أنس، قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم بين أظهرنا إذ أغفى إغفاءة ثم رفع رأسه متبسما فقلنا ما أضحكك يا رسول الله قال " أنزلت على آنفا سورة " . فقرأ " بسم الله الرحمن الرحيم { إنا أعطيناك الكوثر * فصل لربك وانحر * إن شانئك هو الأبتر} " . ثم قال " أتدرون ما الكوثر " . فقلنا الله ورسوله أعلم . قال " فإنه نهر وعدنيه ربي عز وجل عليه خير كثير هو حوض ترد عليه أمتي يوم القيامة آنيته عدد النجوم فيختلج العبد منهم فأقول رب إنه من أمتي . فيقول ما تدري ما أحدثت بعدك " . زاد ابن حجر في حديثه بين أظهرنا في المسجد . وقال " ما أحدث بعدك " .
সহিহ মুসলিম > তাকবীরে তাহরীমার পর বুকের নিচে কিন্তু নাভির উপরে বাঁ হাতের উপর দান হাত রাখবে এবং সাজদাহরত অবস্থায় উভয় হাত কাঁধ বরাবর মাটিতে রাখবে
সহিহ মুসলিম ৭৮২
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا همام، حدثنا محمد بن جحادة، حدثني عبد الجبار بن وائل، عن علقمة بن وائل، ومولى، لهم أنهما حدثاه عن أبيه، وائل بن حجر، أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم رفع يديه حين دخل في الصلاة كبر - وصف همام حيال أذنيه - ثم التحف بثوبه ثم وضع يده اليمنى على اليسرى فلما أراد أن يركع أخرج يديه من الثوب ثم رفعهما ثم كبر فركع فلما قال " سمع الله لمن حمده " . رفع يديه فلما سجد سجد بين كفيه .
ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দেখলেন, তিনি সলাত শুরু করার সময় দুই হাত তুললেন এবং তাকবীর বললেন। হাম্মামের বর্ণনায় আছে, তিনি দুই হাত কান পর্যন্ত উঠালেন ; অতঃপর চাদরে ঢেকে নিলেন এবং ডান হাত বাঁ হাতের উপর রাখলেন। তিনি যখন রুকু’তে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, উভয় হাত কাপড়ের ভিতর থেকে বের করলেন, অতঃপর উভয় হাত উত্তোলন করলেন, অতঃপর তাকবীর বলে রুকু’তে গেলেন, তিনি যখন ‘সামিয়াল্লা-হু লিমান হামিদাহ’ বললেন দু’হাত উঠালেন। তিনি যখন সাজদায় গেলেন, দু’হাতের মাঝখানে সাজদাহ্ করলেন। [ই.ফা.৭৭৯, ই.সে. ৭৯১]
ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দেখলেন, তিনি সলাত শুরু করার সময় দুই হাত তুললেন এবং তাকবীর বললেন। হাম্মামের বর্ণনায় আছে, তিনি দুই হাত কান পর্যন্ত উঠালেন ; অতঃপর চাদরে ঢেকে নিলেন এবং ডান হাত বাঁ হাতের উপর রাখলেন। তিনি যখন রুকু’তে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, উভয় হাত কাপড়ের ভিতর থেকে বের করলেন, অতঃপর উভয় হাত উত্তোলন করলেন, অতঃপর তাকবীর বলে রুকু’তে গেলেন, তিনি যখন ‘সামিয়াল্লা-হু লিমান হামিদাহ’ বললেন দু’হাত উঠালেন। তিনি যখন সাজদায় গেলেন, দু’হাতের মাঝখানে সাজদাহ্ করলেন। [ই.ফা.৭৭৯, ই.সে. ৭৯১]
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا همام، حدثنا محمد بن جحادة، حدثني عبد الجبار بن وائل، عن علقمة بن وائل، ومولى، لهم أنهما حدثاه عن أبيه، وائل بن حجر، أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم رفع يديه حين دخل في الصلاة كبر - وصف همام حيال أذنيه - ثم التحف بثوبه ثم وضع يده اليمنى على اليسرى فلما أراد أن يركع أخرج يديه من الثوب ثم رفعهما ثم كبر فركع فلما قال " سمع الله لمن حمده " . رفع يديه فلما سجد سجد بين كفيه .