সহিহ মুসলিম > আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন

সহিহ মুসলিম ৭৪৩

حدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أذن المؤذن أدبر الشيطان وله حصاص ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুওয়ায্‌যিন যখন আযান দেয় তখন শাইতান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়। (ই. ফা. ৭৪১, ই. সে. ৭৫৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুওয়ায্‌যিন যখন আযান দেয় তখন শাইতান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়। (ই. ফা. ৭৪১, ই. সে. ৭৫৪)

حدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أذن المؤذن أدبر الشيطان وله حصاص ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪২

حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لقتيبة - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الشيطان إذا سمع النداء بالصلاة أحال له ضراط حتى لا يسمع صوته فإذا سكت رجع فوسوس فإذا سمع الإقامة ذهب حتى لا يسمع صوته فإذا سكت رجع فوسوس ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ শাইতান যখন সলাতের আযান শুনতে পায় তখন বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে যেন আযানের শব্দ তার কানে পৌঁছতে না পারে। মুওয়ায্‌যিন যখন আযান শেষ করে তখন সে ফিরে এসে (সলাত আদায়কারীর) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। সে পুনরায় যখন ইকামাত শুনতে পায়- আবার চলে যায় যেন এর শব্দ তার কানে না যেতে পারে। যখন ইকামাত শেষ হয় তখন সে ফিরে এসে (সলাত আদায়কারীদের অন্তরে) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। (ই. ফা. ৭৪০, ই. সে. ৭৫৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ শাইতান যখন সলাতের আযান শুনতে পায় তখন বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে যেন আযানের শব্দ তার কানে পৌঁছতে না পারে। মুওয়ায্‌যিন যখন আযান শেষ করে তখন সে ফিরে এসে (সলাত আদায়কারীর) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। সে পুনরায় যখন ইকামাত শুনতে পায়- আবার চলে যায় যেন এর শব্দ তার কানে না যেতে পারে। যখন ইকামাত শেষ হয় তখন সে ফিরে এসে (সলাত আদায়কারীদের অন্তরে) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। (ই. ফা. ৭৪০, ই. সে. ৭৫৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لقتيبة - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الشيطان إذا سمع النداء بالصلاة أحال له ضراط حتى لا يسمع صوته فإذا سكت رجع فوسوس فإذا سمع الإقامة ذهب حتى لا يسمع صوته فإذا سكت رجع فوسوس ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبدة، عن طلحة بن يحيى، عن عمه، قال كنت عند معاوية بن أبي سفيان فجاءه المؤذن يدعوه إلى الصلاة فقال معاوية سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ المؤذنون أطول الناس أعناقا يوم القيامة ‏"‏

তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া তার চাচার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় মুওয়ায্‌যিন তাকে সলাতের জন্যে ডাকতে আসল। মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামাতের দিন মুওয়ায্‌যিনদের গর্দান সবচেয়ে বেশি উঁচু হবে। (ই. ফা. ৭৩৬, ই. সে. ৭৫১)

তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া তার চাচার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় মুওয়ায্‌যিন তাকে সলাতের জন্যে ডাকতে আসল। মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামাতের দিন মুওয়ায্‌যিনদের গর্দান সবচেয়ে বেশি উঁচু হবে। (ই. ফা. ৭৩৬, ই. সে. ৭৫১)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبدة، عن طلحة بن يحيى، عن عمه، قال كنت عند معاوية بن أبي سفيان فجاءه المؤذن يدعوه إلى الصلاة فقال معاوية سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ المؤذنون أطول الناس أعناقا يوم القيامة ‏"‏


সহিহ মুসলিম ৭৪০

حدثنا قتيبة بن سعيد، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الشيطان إذا سمع النداء بالصلاة ذهب حتى يكون مكان الروحاء ‏"‏ ‏.‏ قال سليمان فسألته عن الروحاء ‏.‏ فقال هي من المدينة ستة وثلاثون ميلا ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ শাইতান সলাতের আযানের শব্দ শুনে পালাতে পালাতে রাওহা পর্যন্ত চলে যায়। সুলাইমান (আ’মাশ) বলেন, আমি তাকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) রাওহা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এ স্থানটি মাদীনাহ্‌ থেকে ছত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত। (ই. ফা. ৭৩৮, ই. সে. ৭৫২)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ শাইতান সলাতের আযানের শব্দ শুনে পালাতে পালাতে রাওহা পর্যন্ত চলে যায়। সুলাইমান (আ’মাশ) বলেন, আমি তাকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) রাওহা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এ স্থানটি মাদীনাহ্‌ থেকে ছত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত। (ই. ফা. ৭৩৮, ই. সে. ৭৫২)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وعثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الشيطان إذا سمع النداء بالصلاة ذهب حتى يكون مكان الروحاء ‏"‏ ‏.‏ قال سليمان فسألته عن الروحاء ‏.‏ فقال هي من المدينة ستة وثلاثون ميلا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪১

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏

আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)

আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৩৯

وحدثنيه إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو عامر، حدثنا سفيان، عن طلحة بن يحيى، عن عيسى بن طلحة، قال سمعت معاوية، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله

‘ঈসা ইবনু তালহাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মু’আবিয়াহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৭, ই. সে. ৭৫১)

‘ঈসা ইবনু তালহাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মু’আবিয়াহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৭, ই. সে. ৭৫১)

وحدثنيه إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو عامر، حدثنا سفيان، عن طلحة بن يحيى، عن عيسى بن طلحة، قال سمعت معاوية، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله


সহিহ মুসলিম ৭৪৪

حدثني أمية بن بسطام، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح، عن سهيل، قال أرسلني أبي إلى بني حارثة - قال - ومعي غلام لنا - أو صاحب لنا - فناداه مناد من حائط باسمه - قال - وأشرف الذي معي على الحائط فلم ير شيئا فذكرت ذلك لأبي فقال لو شعرت أنك تلقى هذا لم أرسلك ولكن إذا سمعت صوتا فناد بالصلاة فإني سمعت أبا هريرة يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ إن الشيطان إذا نودي بالصلاة ولى وله حصاص ‏"‏ ‏.‏

সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বানু হারিসাহ্‌ গোত্রের কাছে পাঠালেন। রাবী বলেন, আমার সাথে একটি বালক অথবা আমার এক সাথী ছিল। একটি বাগানের ভিতর থেকে তার নাম ধরে কে যেন তাকে ডাকল। আমার সাথী বাগানের মধ্যে দৃষ্টি নিক্ষেপ করল, কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না। আমি এ ঘটনা আমার পিতার কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, আমি যদি জানতে পারতাম যে তুমি এমন অবস্থার মুখোমুখি হবে তবে তোমাকে পাঠাতাম না, কিন্তু যখন তুমি সেরূপ কোন শব্দ শুনতে পাও তখন সলাতের অনুরূপ আযান দিবে। কেননা আমি আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ যখন সলাতের আযান দেয়া হয় শাইতান বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়। (ই. ফা. ৭৪২, ই. সে. ৭৫৫)

সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বানু হারিসাহ্‌ গোত্রের কাছে পাঠালেন। রাবী বলেন, আমার সাথে একটি বালক অথবা আমার এক সাথী ছিল। একটি বাগানের ভিতর থেকে তার নাম ধরে কে যেন তাকে ডাকল। আমার সাথী বাগানের মধ্যে দৃষ্টি নিক্ষেপ করল, কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না। আমি এ ঘটনা আমার পিতার কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, আমি যদি জানতে পারতাম যে তুমি এমন অবস্থার মুখোমুখি হবে তবে তোমাকে পাঠাতাম না, কিন্তু যখন তুমি সেরূপ কোন শব্দ শুনতে পাও তখন সলাতের অনুরূপ আযান দিবে। কেননা আমি আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ যখন সলাতের আযান দেয়া হয় শাইতান বায়ু ছাড়তে ছাড়তে তাড়াতাড়ি পালিয়ে যায়। (ই. ফা. ৭৪২, ই. সে. ৭৫৫)

حدثني أمية بن بسطام، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح، عن سهيل، قال أرسلني أبي إلى بني حارثة - قال - ومعي غلام لنا - أو صاحب لنا - فناداه مناد من حائط باسمه - قال - وأشرف الذي معي على الحائط فلم ير شيئا فذكرت ذلك لأبي فقال لو شعرت أنك تلقى هذا لم أرسلك ولكن إذا سمعت صوتا فناد بالصلاة فإني سمعت أبا هريرة يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ إن الشيطان إذا نودي بالصلاة ولى وله حصاص ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا نودي للصلاة أدبر الشيطان له ضراط حتى لا يسمع التأذين فإذا قضي التأذين أقبل حتى إذا ثوب بالصلاة أدبر حتى إذا قضي التثويب أقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه يقول له اذكر كذا واذكر كذا لما لم يكن يذكر من قبل حتى يظل الرجل ما يدري كم صلى ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন সলাতের আযান দেয়া হয়, শাইতান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালিয়ে যায় যেন আযানের শব্দ সে শুনতে না পায়। আযান শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন সে পলায়ন করে। ইকামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে এবং সলাত আদায়কারীদের মনে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করতে থাকে। সে তাকে বলে, এটা স্মরণ কর, এটা স্মরণ কর। সে কথাগুলো সলাতের আগে তার স্মরণও ছিল না। শেষ পর্যন্ত সলাত আদায়কারী দ্বিধায় পড়ে যে, সে বলতেও পারে না যে, কত রাকা’আত পড়ল। (ই. ফা. ৭৪৩, ই. সে. ৭৫৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যখন সলাতের আযান দেয়া হয়, শাইতান পিছন ঘুরে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালিয়ে যায় যেন আযানের শব্দ সে শুনতে না পায়। আযান শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে। আবার যখন ইকামাত দেয়া হয় তখন সে পলায়ন করে। ইকামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে এবং সলাত আদায়কারীদের মনে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করতে থাকে। সে তাকে বলে, এটা স্মরণ কর, এটা স্মরণ কর। সে কথাগুলো সলাতের আগে তার স্মরণও ছিল না। শেষ পর্যন্ত সলাত আদায়কারী দ্বিধায় পড়ে যে, সে বলতেও পারে না যে, কত রাকা’আত পড়ল। (ই. ফা. ৭৪৩, ই. সে. ৭৫৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا نودي للصلاة أدبر الشيطان له ضراط حتى لا يسمع التأذين فإذا قضي التأذين أقبل حتى إذا ثوب بالصلاة أدبر حتى إذا قضي التثويب أقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه يقول له اذكر كذا واذكر كذا لما لم يكن يذكر من قبل حتى يظل الرجل ما يدري كم صلى ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪৬

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله غير أنه قال ‏ "‏ حتى يظل الرجل إن يدري كيف صلى ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনার শেষের অংশ নিম্নরূপঃ এমনকি লোকের খেয়ালই থাকে না যে, সে কিভাবে সলাত শেষ করল। (ই. ফা. ৭৪৪, ই. সে. ৭৫৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনার শেষের অংশ নিম্নরূপঃ এমনকি লোকের খেয়ালই থাকে না যে, সে কিভাবে সলাত শেষ করল। (ই. ফা. ৭৪৪, ই. সে. ৭৫৭)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله غير أنه قال ‏ "‏ حتى يظل الرجل إن يدري كيف صلى ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > তাকবীরে তাহরীমার সময়, রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে মাথা উঠানোর সময়, কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো (রফ’উল ইয়াদাইন) মুস্তাহাব, কিন্তু সাজদাহ্ থেকে ওঠার সময় এটা না করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৭৫১

حدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن نصر بن عاصم، عن مالك بن الحويرث، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا كبر رفع يديه حتى يحاذي بهما أذنيه وإذا ركع رفع يديه حتى يحاذي بهما أذنيه وإذا رفع رأسه من الركوع فقال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ فعل مثل ذلك ‏.‏

মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকবীর বলতেন, কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকূ’তে যেতেন উভয় হাত কান পর্যন্ত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকূ’ থেকে মাথা তুলতেন তখন “সামি’আল্ল-হ লিমান হামিদাহ” বলতেন এবং অনুরূপ (কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন) করতেন। (ই. ফা. ৭৪৯, ই. সে. ৭৬২)

মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকবীর বলতেন, কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকূ’তে যেতেন উভয় হাত কান পর্যন্ত উত্তোলন করতেন। তিনি যখন রুকূ’ থেকে মাথা তুলতেন তখন “সামি’আল্ল-হ লিমান হামিদাহ” বলতেন এবং অনুরূপ (কান পর্যন্ত উভয় হাত উত্তোলন) করতেন। (ই. ফা. ৭৪৯, ই. সে. ৭৬২)

حدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن نصر بن عاصم، عن مالك بن الحويرث، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا كبر رفع يديه حتى يحاذي بهما أذنيه وإذا ركع رفع يديه حتى يحاذي بهما أذنيه وإذا رفع رأسه من الركوع فقال ‏ "‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ فعل مثل ذلك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫২

وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، بهذا الإسناد أنه رأى نبي الله صلى الله عليه وسلم وقال حتى يحاذي بهما فروع أذنيه ‏.‏

কাতাদাহ্‌ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

[মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) বলেন যে,] তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কানের লতি বরাবর হাত তুলতে দেখেছেন। (ই. ফা. ৭৫০, ই. সে. ৭৬৩)

কাতাদাহ্‌ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

[মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ) বলেন যে,] তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কানের লতি বরাবর হাত তুলতে দেখেছেন। (ই. ফা. ৭৫০, ই. সে. ৭৬৩)

وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، بهذا الإسناد أنه رأى نبي الله صلى الله عليه وسلم وقال حتى يحاذي بهما فروع أذنيه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪৭

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وسعيد بن منصور، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وابن نمير كلهم عن سفيان بن عيينة، - واللفظ ليحيى قال أخبرنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا افتتح الصلاة رفع يديه حتى يحاذي منكبيه وقبل أن يركع وإذا رفع من الركوع ولا يرفعهما بين السجدتين ‏.‏

সালিম থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি-যখন তিনি সলাত শুরু করতেন তখন উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। তিনি রুকূ’তে যাওয়ার আগে এবং রুকূ’ থেকে উঠার সময়ও এরূপ করতেন। কিন্তু তিনি দুই সাজদার মাঝখানে হাত উঠাতেন না (ই. ফা. ৭৪৫, ই. সে. ৭৫৮)

সালিম থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি-যখন তিনি সলাত শুরু করতেন তখন উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। তিনি রুকূ’তে যাওয়ার আগে এবং রুকূ’ থেকে উঠার সময়ও এরূপ করতেন। কিন্তু তিনি দুই সাজদার মাঝখানে হাত উঠাতেন না (ই. ফা. ৭৪৫, ই. সে. ৭৫৮)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وسعيد بن منصور، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وابن نمير كلهم عن سفيان بن عيينة، - واللفظ ليحيى قال أخبرنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا افتتح الصلاة رفع يديه حتى يحاذي منكبيه وقبل أن يركع وإذا رفع من الركوع ولا يرفعهما بين السجدتين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪৮

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، أن ابن عمر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه ثم كبر فإذا أراد أن يركع فعل مثل ذلك وإذا رفع من الركوع فعل مثل ذلك ولا يفعله حين يرفع رأسه من السجود ‏.‏

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন নিজের দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, অতঃপর তাকবীর তাহরীমা বলতেন। তিনি রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে উঠার সময়ও কাঁধ পর্যন্ত দুই (আল্ল-হু আকবার) হাত তুলতেন। কিন্তু সাজদাহ্ থেকে মাথা তোলার সময় তিনি (এরূপ) করতেন না। (ই. ফা. ৭৪৬, ই. সে. ৭৫৯)

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন নিজের দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, অতঃপর তাকবীর তাহরীমা বলতেন। তিনি রুকূ’তে যাওয়ার সময় এবং রুকূ’ থেকে উঠার সময়ও কাঁধ পর্যন্ত দুই (আল্ল-হু আকবার) হাত তুলতেন। কিন্তু সাজদাহ্ থেকে মাথা তোলার সময় তিনি (এরূপ) করতেন না। (ই. ফা. ৭৪৬, ই. সে. ৭৫৯)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، أن ابن عمر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه ثم كبر فإذا أراد أن يركع فعل مثل ذلك وإذا رفع من الركوع فعل مثل ذلك ولا يفعله حين يرفع رأسه من السجود ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، أنه رأى مالك بن الحويرث إذا صلى كبر ثم رفع يديه وإذا أراد أن يركع رفع يديه وإذا رفع رأسه من الركوع رفع يديه وحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل هكذا ‏.‏

আবূ কিলাবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মালিক বিন হুওয়াইরিস (রাঃ)-কে দেখলেন যে, তিনি যখন রুকূ’তে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন তখনো উভয় হাত উত্তোলন করলেন এবং যখন রুকূ’ থেকে মাথা তুললেন তখনো হাত উত্তোলন করলেন। তিনি আরো বলেছেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। (ই. ফা. ৭৪৮, ই. সে. ৭৬১)

আবূ কিলাবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মালিক বিন হুওয়াইরিস (রাঃ)-কে দেখলেন যে, তিনি যখন রুকূ’তে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন তখনো উভয় হাত উত্তোলন করলেন এবং যখন রুকূ’ থেকে মাথা তুললেন তখনো হাত উত্তোলন করলেন। তিনি আরো বলেছেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। (ই. ফা. ৭৪৮, ই. সে. ৭৬১)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن خالد، عن أبي قلابة، أنه رأى مالك بن الحويرث إذا صلى كبر ثم رفع يديه وإذا أراد أن يركع رفع يديه وإذا رفع رأسه من الركوع رفع يديه وحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل هكذا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৪৯

حدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين، - وهو ابن المثنى - حدثنا الليث، عن عقيل، ح وحدثني محمد بن عبد الله بن قهزاذ، حدثنا سلمة بن سليمان، أخبرنا يونس، كلاهما عن الزهري، بهذا الإسناد كما قال ابن جريج كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه ثم كبر ‏.‏

যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর অবিকল বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতে দাঁড়াতেন, দুই হাত কাঁধ বরাবর উঁচু করতেন, অতঃপর ‘আল্ল-হু আকবার’ বলে তাকবীরে তাহরীমা করতেন। (ই. ফা. ৭৪৭, ই. সে. ৭৬০)

যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর অবিকল বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতে দাঁড়াতেন, দুই হাত কাঁধ বরাবর উঁচু করতেন, অতঃপর ‘আল্ল-হু আকবার’ বলে তাকবীরে তাহরীমা করতেন। (ই. ফা. ৭৪৭, ই. সে. ৭৬০)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين، - وهو ابن المثنى - حدثنا الليث، عن عقيل، ح وحدثني محمد بن عبد الله بن قهزاذ، حدثنا سلمة بن سليمان، أخبرنا يونس، كلاهما عن الزهري، بهذا الإسناد كما قال ابن جريج كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام للصلاة رفع يديه حتى تكونا حذو منكبيه ثم كبر ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সলাতের মধ্যে ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হয়ে উঠার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতে হবে, কিন্তু রুকূ’ থেকে উঠার সময় “সামি’আল্ল-হু লিমান হামিদাহ” বলতে হবে

সহিহ মুসলিম ৭৫৪

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني ابن شهاب، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة يكبر حين يقوم ثم يكبر حين يركع ثم يقول ‏"‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ حين يرفع صلبه من الركوع ثم يقول وهو قائم ‏"‏ ربنا ولك الحمد ‏"‏ ‏.‏ ثم يكبر حين يهوي ساجدا ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يكبر حين يسجد ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يفعل مثل ذلك في الصلاة كلها حتى يقضيها ويكبر حين يقوم من المثنى بعد الجلوس ثم يقول أبو هريرة إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতে দাঁড়াতেন ‘আল্ল-হু আকবার’ বলে সলাত শুরু করতেন। তিনি তাকবীর বলে রুকূ’তে যেতেন। তিনি রুকূ’ থেকে পিঠ সোজা করে দাঁড়ানোর সময় (আরবি) (যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেন আল্লাহ তার কথা শুনে থাকেন) বলতেন। অতঃপর দাঁড়ানো অবস্থায় (আরবি) (হে আল্লাহ! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা) বলতেন। তিনি তাকবীর সাজদাহ থেকে মাথা তোলার সময়ও তাকবীর বলতেন। প্রত্যেক রাক’আতে সলাত শেষ করা পর্যন্ত তিনি এরূপই করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতের বসার পর ওঠার সময়ও তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বললেন, আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫২, ই. সে. ৭৬৫)

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতে দাঁড়াতেন ‘আল্ল-হু আকবার’ বলে সলাত শুরু করতেন। তিনি তাকবীর বলে রুকূ’তে যেতেন। তিনি রুকূ’ থেকে পিঠ সোজা করে দাঁড়ানোর সময় (আরবি) (যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেন আল্লাহ তার কথা শুনে থাকেন) বলতেন। অতঃপর দাঁড়ানো অবস্থায় (আরবি) (হে আল্লাহ! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা) বলতেন। তিনি তাকবীর সাজদাহ থেকে মাথা তোলার সময়ও তাকবীর বলতেন। প্রত্যেক রাক’আতে সলাত শেষ করা পর্যন্ত তিনি এরূপই করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতের বসার পর ওঠার সময়ও তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বললেন, আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫২, ই. সে. ৭৬৫)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني ابن شهاب، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة يكبر حين يقوم ثم يكبر حين يركع ثم يقول ‏"‏ سمع الله لمن حمده ‏"‏ ‏.‏ حين يرفع صلبه من الركوع ثم يقول وهو قائم ‏"‏ ربنا ولك الحمد ‏"‏ ‏.‏ ثم يكبر حين يهوي ساجدا ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يكبر حين يسجد ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يفعل مثل ذلك في الصلاة كلها حتى يقضيها ويكبر حين يقوم من المثنى بعد الجلوس ثم يقول أبو هريرة إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫৭

حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، أن أبا هريرة، كان يكبر في الصلاة كلما رفع ووضع ‏.‏ فقلنا يا أبا هريرة ما هذا التكبير قال إنها لصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) সলাতের মধ্যে যখনই ঝুঁকতেন অথবা উঠতেন তাকবীর বলতেন। আমরা বললাম, হে আবূ হুরায়রা! এটা কিসের তাকবীর? তিনি বললেন, এটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের তাকবীর। (ই. ফা. ৭৫৫, ই. সে. ৭৬৮)

আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) সলাতের মধ্যে যখনই ঝুঁকতেন অথবা উঠতেন তাকবীর বলতেন। আমরা বললাম, হে আবূ হুরায়রা! এটা কিসের তাকবীর? তিনি বললেন, এটা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের তাকবীর। (ই. ফা. ৭৫৫, ই. সে. ৭৬৮)

حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، أن أبا هريرة، كان يكبر في الصلاة كلما رفع ووضع ‏.‏ فقلنا يا أبا هريرة ما هذا التكبير قال إنها لصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫৫

حدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني أبو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث، أنه سمع أبا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة يكبر حين يقوم بمثل حديث ابن جريج ولم يذكر قول أبي هريرة ‏.‏ إني أشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলে সলাত শুরু করতেন। ...... উপরের (ইবনু খুরায়য-এর) হাদীসের অনুরূপ। কিন্তু এ বর্ণনায় আবূ হুরাইরার কথা, “আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করতে পারি”- কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই. ফা. ৭৫৩, ই. সে. ৭৬৬)

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলে সলাত শুরু করতেন। ...... উপরের (ইবনু খুরায়য-এর) হাদীসের অনুরূপ। কিন্তু এ বর্ণনায় আবূ হুরাইরার কথা, “আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করতে পারি”- কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই. ফা. ৭৫৩, ই. সে. ৭৬৬)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني أبو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث، أنه سمع أبا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة يكبر حين يقوم بمثل حديث ابن جريج ولم يذكر قول أبي هريرة ‏.‏ إني أشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫৩

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، كان يصلي لهم فيكبر كلما خفض ورفع فلما انصرف قال والله إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) তাদের সলাত আদায় করে দেখাতেন। তিনি প্রতিবার ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হওয়ার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন। তিনি সলাত শেষে বলতেন, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের চেয়ে অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫১, ই. সে. ৭৬৪)

আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) তাদের সলাত আদায় করে দেখাতেন। তিনি প্রতিবার ঝুঁকে পড়ার সময় এবং সোজা হওয়ার সময় ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন। তিনি সলাত শেষে বলতেন, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের চেয়ে অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫১, ই. সে. ৭৬৪)

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، كان يصلي لهم فيكبر كلما خفض ورفع فلما انصرف قال والله إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه كان يكبر كلما خفض ورفع ويحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل ذلك ‏.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি প্রতিবার উঠা-বসায় তাকবীর বলতেন। তিনি বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই করতেন। (ই. ফা. ৭৫৬, ই. সে. ৭৬৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি প্রতিবার উঠা-বসায় তাকবীর বলতেন। তিনি বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই করতেন। (ই. ফা. ৭৫৬, ই. সে. ৭৬৯)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه كان يكبر كلما خفض ورفع ويحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل ذلك ‏.


সহিহ মুসলিম ৭৫৬

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، كان - حين يستخلفه مروان على المدينة - إذا قام للصلاة المكتوبة كبر ‏.‏ فذكر نحو حديث ابن جريج وفي حديثه فإذا قضاها وسلم أقبل على أهل المسجد قال والذي نفسي بيده إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান যখন আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে মাদীনায় খলীফা নিযুক্ত করলেন- তিনি যখন ফরয সলাতে দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলে শুরু করতেন। উপরের হাদীসের অনুরূপ। উক্ত হাদীসেই রয়েছে, তিনি সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে মাসজিদে উপস্থিত লোকেদের দিকে মুখ করে বসলেন। তিনি বললেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের চেয়ে রসূলুল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫৪, ই. সে. ৭৬৭)

আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান যখন আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে মাদীনায় খলীফা নিযুক্ত করলেন- তিনি যখন ফরয সলাতে দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলে শুরু করতেন। উপরের হাদীসের অনুরূপ। উক্ত হাদীসেই রয়েছে, তিনি সলাত শেষে সালাম ফিরিয়ে মাসজিদে উপস্থিত লোকেদের দিকে মুখ করে বসলেন। তিনি বললেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের চেয়ে রসূলুল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫৪, ই. সে. ৭৬৭)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، كان - حين يستخلفه مروان على المدينة - إذا قام للصلاة المكتوبة كبر ‏.‏ فذكر نحو حديث ابن جريج وفي حديثه فإذا قضاها وسلم أقبل على أهل المسجد قال والذي نفسي بيده إني لأشبهكم صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৫৯

حدثنا يحيى بن يحيى، وخلف بن هشام، جميعا عن حماد، - قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، - عن غيلان، عن مطرف، قال صليت أنا وعمران بن حصين، خلف علي بن أبي طالب فكان إذا سجد كبر وإذا رفع رأسه كبر وإذا نهض من الركعتين كبر فلما انصرفنا من الصلاة - قال - أخذ عمران بيدي ثم قال لقد صلى بنا هذا صلاة محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ أو قال قد ذكرني هذا صلاة محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏

মুতার্‌রিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) ‘আলী (রাঃ)-এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। তিনি যখন সিজদায় যেতেন ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাতেন তখনও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন এবং দুই রাক’আত পূর্ণ করে (তাশাহুদ পড়ার পর) উঠার সময়ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন। আমরা যখন সলাত শেষ করলাম, ‘ইমরান (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, তিনি (আলী) আমাদেরকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করালেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বললেন, তিনি (‘আলী) আমাদেরকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। (ই. ফা. ৭৫৭, ই. সে. ৭৭০)

মুতার্‌রিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) ‘আলী (রাঃ)-এর পিছনে সলাত আদায় করেছি। তিনি যখন সিজদায় যেতেন ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন, যখন সিজদা থেকে মাথা উঠাতেন তখনও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন এবং দুই রাক’আত পূর্ণ করে (তাশাহুদ পড়ার পর) উঠার সময়ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলতেন। আমরা যখন সলাত শেষ করলাম, ‘ইমরান (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, তিনি (আলী) আমাদেরকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করালেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বললেন, তিনি (‘আলী) আমাদেরকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। (ই. ফা. ৭৫৭, ই. সে. ৭৭০)

حدثنا يحيى بن يحيى، وخلف بن هشام، جميعا عن حماد، - قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، - عن غيلان، عن مطرف، قال صليت أنا وعمران بن حصين، خلف علي بن أبي طالب فكان إذا سجد كبر وإذا رفع رأسه كبر وإذا نهض من الركعتين كبر فلما انصرفنا من الصلاة - قال - أخذ عمران بيدي ثم قال لقد صلى بنا هذا صلاة محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ أو قال قد ذكرني هذا صلاة محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > প্রতি রাক’আতে সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়া অপরিহার্য, কেউ যদি (ভালভাবে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পড়তে বা শিখতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার সুবিধামত স্থান থেকে কিরাআত পাঠ করে নেয়

সহিহ মুসলিম ৭৬২

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن محمود بن الربيع الذي، مج رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهه من بئرهم أخبره أن عبادة بن الصامت أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا صلاة لمن لم يقرأ بأم القرآن ‏"‏ ‏.‏

‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে লোক উম্মুল কুরআন (সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করেনা তার সলাত ই হয় না। (ই. ফা. ৭৬০, ই. সে. ৭৭৩)

‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে লোক উম্মুল কুরআন (সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করেনা তার সলাত ই হয় না। (ই. ফা. ৭৬০, ই. সে. ৭৭৩)

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن محمود بن الربيع الذي، مج رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهه من بئرهم أخبره أن عبادة بن الصامت أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا صلاة لمن لم يقرأ بأم القرآن ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن سفيان، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن محمود بن الربيع، عن عبادة بن الصامت، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب ‏"‏ ‏.‏

‘উবাইদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি (সলাতে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করে না তার সলাত ই হয় না। (ই. ফা. ৭৫৮, ই. সে. ৭৭১)

‘উবাইদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি (সলাতে) সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করে না তার সলাত ই হয় না। (ই. ফা. ৭৫৮, ই. সে. ৭৭১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن سفيان، - قال أبو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن محمود بن الربيع، عن عبادة بن الصامت، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، عن العلاء بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا السائب، مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি (আগের হাদীসের ন্যায়)। (ই. ফা. ৭৬৩, ই. সে. ৭৭৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি (আগের হাদীসের ন্যায়)। (ই. ফা. ৭৬৩, ই. সে. ৭৭৫)

حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، عن العلاء بن عبد الرحمن، أنه سمع أبا السائب، مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ মুসলিম ৭৬১

حدثني أبو الطاهر، حدثنا ابن وهب، عن يونس، ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني محمود بن الربيع، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا صلاة لمن لم يقترئ بأم القرآن ‏"‏ ‏.‏

‘উবাদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে উম্মুল কুরআন (সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করে না তার সলাতই হয় না। (ই. ফা. ৭৫৯, ই. সে. ৭৭২)

‘উবাদাহ্‌ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে উম্মুল কুরআন (সুরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করে না তার সলাতই হয় না। (ই. ফা. ৭৫৯, ই. সে. ৭৭২)

حدثني أبو الطاهر، حدثنا ابن وهب، عن يونس، ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني محمود بن الربيع، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا صلاة لمن لم يقترئ بأم القرآن ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৩

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد مثله وزاد فصاعدا ‏.‏

ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম এবং ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ‘আবদুর রায্‌যাক। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মা’মার যুহরী হতে উক্তরূপ। (ই. ফা. ৭৬১, ই. সে. নেই)

ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম এবং ‘আব্‌দ ইবনু হুমায়দ-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ‘আবদুর রায্‌যাক। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মা’মার যুহরী হতে উক্তরূপ। (ই. ফা. ৭৬১, ই. সে. নেই)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد مثله وزاد فصاعدا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৪

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا سفيان بن عيينة، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهى خداج - ثلاثا - غير تمام ‏"‏ ‏.‏ فقيل لأبي هريرة إنا نكون وراء الإمام ‏.‏ فقال اقرأ بها في نفسك فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ قال الله تعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين ولعبدي ما سأل فإذا قال العبد ‏{‏ الحمد لله رب العالمين‏}‏ ‏.‏ قال الله تعالى حمدني عبدي وإذا قال ‏{‏ الرحمن الرحيم‏}‏ ‏.‏ قال الله تعالى أثنى على عبدي ‏.‏ وإذا قال ‏{‏ مالك يوم الدين‏}‏ ‏.‏ قال مجدني عبدي - وقال مرة فوض إلى عبدي - فإذا قال ‏{‏ إياك نعبد وإياك نستعين‏}‏ ‏.‏ قال هذا بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل ‏.‏ فإذا قال ‏{‏ اهدنا الصراط المستقيم * صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين‏}‏ ‏.‏ قال هذا لعبدي ولعبدي ما سأل ‏"‏ ‏.‏ قال سفيان حدثني به العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب دخلت عليه وهو مريض في بيته فسألته أنا عنه ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায় করল অথচ তাতে উম্মুল কুরাআন (সূরাহ্‌ ফা-তিহা) পাঠ করেনি তার সলাত ত্রুটিপূর্ণ থেকে গেল, পূর্ণাঙ্গ হল না। এ কথাটা তিনবার বলেছেন। আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, আমরা যখন ইমামের পিছনে সলাত আদায় করব তখন কী করব? তিনি বললেন, তোমারা চুপে চুপে তা পড়ে নাও। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমার এবং আমার বান্দার মাঝে আমি সলাত কে অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগ করে নিয়েছি এবং আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। বান্দা যখন বলে, (আরবী) (সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য), আল্লাহ তা’আলা তখন বলেনঃ আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। সে যখন বলে, (আরবি) (তিনি অতিশয় দয়ালু এবং করুণাময়); আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বান্দা আমার প্রশংসা করেছে, গুণগান করেছে। সে যখন বলে, (আরবি) (তিনি বিচার দিনের মালিক); তখন আল্লাহ বলেনঃ আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। আল্লাহ আরো বলেনঃ বান্দা তার সমস্ত কাজ আমার উপর সমর্পন করেছে। সে যখন বলে, (আরবি) (আমরা কেবল তোমারই ‘ইবাদাত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি); তখন আল্লাহ বলেনঃ এটা আমার এবং আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার। (এখন) আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। যখন সে বলে, (আরবি) আমাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালনা করুন। যেসব লোকদের আপনি নি’আমাত দান করেছেন, তাদের পথে নয় যাদের প্রতি আপনার গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে, তখন আল্লাহ বলেনঃ এসবই আমার বান্দার জন্যে এবং আমার বান্দার জন্যে রয়েছ সে যা চায়। সুফ্‌ইয়ান বলেন, আমি ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়া’কূবকে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করে শুনান। এ সময় তিনি রোগশয্যায় ছিলেন এবং আমি তাকে দেখতে গিয়াছিলাম। ( ই. ফা. ৭৬২, ই. সে. ৭৭৪)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সলাত আদায় করল অথচ তাতে উম্মুল কুরাআন (সূরাহ্‌ ফা-তিহা) পাঠ করেনি তার সলাত ত্রুটিপূর্ণ থেকে গেল, পূর্ণাঙ্গ হল না। এ কথাটা তিনবার বলেছেন। আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, আমরা যখন ইমামের পিছনে সলাত আদায় করব তখন কী করব? তিনি বললেন, তোমারা চুপে চুপে তা পড়ে নাও। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমার এবং আমার বান্দার মাঝে আমি সলাত কে অর্ধেক অর্ধেক করে ভাগ করে নিয়েছি এবং আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। বান্দা যখন বলে, (আরবী) (সমস্ত প্রশংসা বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য), আল্লাহ তা’আলা তখন বলেনঃ আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। সে যখন বলে, (আরবি) (তিনি অতিশয় দয়ালু এবং করুণাময়); আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বান্দা আমার প্রশংসা করেছে, গুণগান করেছে। সে যখন বলে, (আরবি) (তিনি বিচার দিনের মালিক); তখন আল্লাহ বলেনঃ আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। আল্লাহ আরো বলেনঃ বান্দা তার সমস্ত কাজ আমার উপর সমর্পন করেছে। সে যখন বলে, (আরবি) (আমরা কেবল তোমারই ‘ইবাদাত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি); তখন আল্লাহ বলেনঃ এটা আমার এবং আমার বান্দার মধ্যকার ব্যাপার। (এখন) আমার বান্দার জন্য রয়েছে সে যা চায়। যখন সে বলে, (আরবি) আমাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালনা করুন। যেসব লোকদের আপনি নি’আমাত দান করেছেন, তাদের পথে নয় যাদের প্রতি আপনার গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে, তখন আল্লাহ বলেনঃ এসবই আমার বান্দার জন্যে এবং আমার বান্দার জন্যে রয়েছ সে যা চায়। সুফ্‌ইয়ান বলেন, আমি ‘আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়া’কূবকে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করে শুনান। এ সময় তিনি রোগশয্যায় ছিলেন এবং আমি তাকে দেখতে গিয়াছিলাম। ( ই. ফা. ৭৬২, ই. সে. ৭৭৪)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا سفيان بن عيينة، عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهى خداج - ثلاثا - غير تمام ‏"‏ ‏.‏ فقيل لأبي هريرة إنا نكون وراء الإمام ‏.‏ فقال اقرأ بها في نفسك فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ قال الله تعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين ولعبدي ما سأل فإذا قال العبد ‏{‏ الحمد لله رب العالمين‏}‏ ‏.‏ قال الله تعالى حمدني عبدي وإذا قال ‏{‏ الرحمن الرحيم‏}‏ ‏.‏ قال الله تعالى أثنى على عبدي ‏.‏ وإذا قال ‏{‏ مالك يوم الدين‏}‏ ‏.‏ قال مجدني عبدي - وقال مرة فوض إلى عبدي - فإذا قال ‏{‏ إياك نعبد وإياك نستعين‏}‏ ‏.‏ قال هذا بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل ‏.‏ فإذا قال ‏{‏ اهدنا الصراط المستقيم * صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين‏}‏ ‏.‏ قال هذا لعبدي ولعبدي ما سأل ‏"‏ ‏.‏ قال سفيان حدثني به العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب دخلت عليه وهو مريض في بيته فسألته أنا عنه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৬

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، أن أبا السائب، مولى بني عبد الله بن هشام بن زهرة أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من صلى صلاة فلم يقرأ فيها بأم القرآن ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديث سفيان وفي حديثهما ‏"‏ قال الله تعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ‏"‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি সলাত আদায় করল অথচ তাতে সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করল না...... সুফ্‌ইয়ানের হাদীসের অনুরূপ। তাদের উভয়ের হাদীসে রয়েছে, মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি সলাত কে আমার ও আমার বান্দাদের মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করে নিয়েছি, এর অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার। (ই. ফা. ৭৬৩, ই. সে. ৭৭৫)

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি সলাত আদায় করল অথচ তাতে সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করল না...... সুফ্‌ইয়ানের হাদীসের অনুরূপ। তাদের উভয়ের হাদীসে রয়েছে, মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি সলাত কে আমার ও আমার বান্দাদের মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করে নিয়েছি, এর অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার। (ই. ফা. ৭৬৩, ই. সে. ৭৭৫)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، أن أبا السائب، مولى بني عبد الله بن هشام بن زهرة أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من صلى صلاة فلم يقرأ فيها بأم القرآن ‏"‏ ‏.‏ بمثل حديث سفيان وفي حديثهما ‏"‏ قال الله تعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ‏"‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৭

حدثني أحمد بن جعفر المعقري، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا أبو أويس، أخبرني العلاء، قال سمعت من أبي ومن أبي السائب، وكانا، جليسى أبي هريرة قالا قال أبو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من صلى صلاة لم يقرأ فيها بفاتحة الكتاب فهى خداج ‏"‏ ‏.‏ يقولها ثلاثا بمثل حديثهم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সলাত আদায় করল, কিন্তু তাতে ফাতিহাতুল কিতাব (সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করল না-তবে এ সলাত ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। এ কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। তাদের হাদীসের অনুরূপ। (ই. ফা. ৭৬৪, ই. সে. ৭৭৬)

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সলাত আদায় করল, কিন্তু তাতে ফাতিহাতুল কিতাব (সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌) পাঠ করল না-তবে এ সলাত ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। এ কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। তাদের হাদীসের অনুরূপ। (ই. ফা. ৭৬৪, ই. সে. ৭৭৬)

حدثني أحمد بن جعفر المعقري، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا أبو أويس، أخبرني العلاء، قال سمعت من أبي ومن أبي السائب، وكانا، جليسى أبي هريرة قالا قال أبو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من صلى صلاة لم يقرأ فيها بفاتحة الكتاب فهى خداج ‏"‏ ‏.‏ يقولها ثلاثا بمثل حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو أسامة، عن حبيب بن الشهيد، قال سمعت عطاء، يحدث عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا صلاة إلا بقراءة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة فما أعلن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلناه لكم وما أخفاه أخفيناه لكم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন পাঠ ছাড়া সলাত ই হয় না। আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সলাতে কিরাআত উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্য উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সলাতে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্যে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করি। (ই. ফা. ৭৬৫, ই. সে. ৭৭৭)

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন পাঠ ছাড়া সলাত ই হয় না। আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সলাতে কিরাআত উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্য উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সলাতে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্যে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করি। (ই. ফা. ৭৬৫, ই. সে. ৭৭৭)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبو أسامة، عن حبيب بن الشهيد، قال سمعت عطاء، يحدث عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا صلاة إلا بقراءة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة فما أعلن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلناه لكم وما أخفاه أخفيناه لكم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৬৯

حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا ابن جريج، عن عطاء، قال قال أبو هريرة في كل الصلاة يقرأ فما أسمعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أسمعناكم وما أخفى منا أخفينا منكم ‏.‏ فقال له رجل إن لم أزد على أم القرآن فقال إن زدت عليها فهو خير وإن انتهيت إليها أجزأت عنك ‏.‏

‘আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বলেছেন, সলাতের প্রতি রাক’আতে কুরআন থেকে পাঠ হবে (আমরা পাঠ করি)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সলাতে উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন, আমরাও সে সলাতে তোমাদের শুনিয়ে কুরআন পাঠ করি এবং যে সলাতে চুপিসারে কুরআন পাঠ করেছেন সে সলাতে আমরাও চুপিসারে কুরআন পাঠ করি। একজন লোক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি যদি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌র বেশি না পড়ি তবে কি আমার সলাত যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, তুমি যদি সূরাহ্‌ ফাতিহার পর আরো আয়াত পাঠ কর তবে এটা তোমার জন্য কল্যাণকর আর যদি তুমি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করেই থেমে যাও তবে সেটাও তোমার জন্য যথেষ্ট। (ই. ফা. ৭৬৬, ই. সে. ৭৭৮)

‘আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বলেছেন, সলাতের প্রতি রাক’আতে কুরআন থেকে পাঠ হবে (আমরা পাঠ করি)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সলাতে উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন, আমরাও সে সলাতে তোমাদের শুনিয়ে কুরআন পাঠ করি এবং যে সলাতে চুপিসারে কুরআন পাঠ করেছেন সে সলাতে আমরাও চুপিসারে কুরআন পাঠ করি। একজন লোক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি যদি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌র বেশি না পড়ি তবে কি আমার সলাত যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, তুমি যদি সূরাহ্‌ ফাতিহার পর আরো আয়াত পাঠ কর তবে এটা তোমার জন্য কল্যাণকর আর যদি তুমি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করেই থেমে যাও তবে সেটাও তোমার জন্য যথেষ্ট। (ই. ফা. ৭৬৬, ই. সে. ৭৭৮)

حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا ابن جريج، عن عطاء، قال قال أبو هريرة في كل الصلاة يقرأ فما أسمعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أسمعناكم وما أخفى منا أخفينا منكم ‏.‏ فقال له رجل إن لم أزد على أم القرآن فقال إن زدت عليها فهو خير وإن انتهيت إليها أجزأت عنك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৭০

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد، - يعني ابن زريع - عن حبيب المعلم، عن عطاء، قال قال أبو هريرة في كل صلاة قراءة فما أسمعنا النبي صلى الله عليه وسلم أسمعناكم وما أخفى منا أخفيناه منكم ومن قرأ بأم الكتاب فقد أجزأت عنه ومن زاد فهو أفضل ‏.‏

‘আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক সলাতেই কিরাআত পাঠ করতে হবে। নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সলাতে আমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সলাতে আওয়াজ না করে চুপিসারে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের না শুনিয়ে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করি। যে ব্যক্তি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করল তা তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি আরো সূরাহ্‌ পাঠ করল, এটা তার জন্য বেশি ভাল। (ই. ফা. ৭৬৭, ই. সে. ৭৭৯)

‘আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক সলাতেই কিরাআত পাঠ করতে হবে। নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে সলাতে আমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সলাতে আওয়াজ না করে চুপিসারে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের না শুনিয়ে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করি। যে ব্যক্তি সূরাহ্‌ ফা-তিহাহ্‌ পাঠ করল তা তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি আরো সূরাহ্‌ পাঠ করল, এটা তার জন্য বেশি ভাল। (ই. ফা. ৭৬৭, ই. সে. ৭৭৯)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد، - يعني ابن زريع - عن حبيب المعلم، عن عطاء، قال قال أبو هريرة في كل صلاة قراءة فما أسمعنا النبي صلى الله عليه وسلم أسمعناكم وما أخفى منا أخفيناه منكم ومن قرأ بأم الكتاب فقد أجزأت عنه ومن زاد فهو أفضل ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৭১

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال حدثني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فدخل رجل فصلى ثم جاء فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم السلام قال ‏"‏ ارجع فصل فإنك لم تصل ‏"‏ ‏.‏ فرجع الرجل فصلى كما كان صلى ثم جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسلم عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وعليك السلام ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ارجع فصل فإنك لم تصل ‏"‏ ‏.‏ حتى فعل ذلك ثلاث مرات فقال الرجل والذي بعثك بالحق ما أحسن غير هذا علمني ‏.‏ قال ‏"‏ إذا قمت إلى الصلاة فكبر ثم اقرأ ما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع حتى تعتدل قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تطمئن جالسا ثم افعل ذلك في صلاتك كلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)মাসজিদে প্রবেশ করলেন, অতঃপর এক লোক মাসজিদে প্রবেশ করে সলাত আদায় করল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে তাঁকে সালাম দিলে তিনি তার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ যাও পুনরায় সলাত আদায় কর, কেননা তুমি সলাত আদায় করনি। লোকটি ফিরে গিয়ে আগের মতোই সলাত আদায় করল। অতঃপর নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে সালাম করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়া ‘আলাইকাস সালাম। অতঃপর তিনি বললেনঃ যাও তুমি পুনরায় সলাত আদায় কর, কেননা তোমার সলাত আদায় হয়নি। তিনি পরপর তিনবার তাকে এ রকম নির্দেশ দিলেন। অতঃপর লোকটি বলল, সে সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে পাঠিয়েছেন; আমি এর চেয়ে সুন্দর করে সলাত আদায় করতে পারি না। আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তুমি যখন সলাতে দাঁড়াও, তাকবীর বল, অতঃপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ মনে হয় তা থেকে পাঠ কর। অতঃপর রুকূতে যাও এবং শান্তভাবে রুকূতে থাক। অতঃপর রুকূ’ থেকে সোজা মনে দাঁড়াও, অতঃপর সিজদায় যাও এবং সিজদার মধ্যে শান্তভাবে থাক, অতঃপর সিজদা থেকে উঠে আরামে বস। সমস্ত সলাত তুমি এভাবে আদায় কর। (ই. ফা. ৭৬৮, ই. সে. ৭৮০)

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)মাসজিদে প্রবেশ করলেন, অতঃপর এক লোক মাসজিদে প্রবেশ করে সলাত আদায় করল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে তাঁকে সালাম দিলে তিনি তার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ যাও পুনরায় সলাত আদায় কর, কেননা তুমি সলাত আদায় করনি। লোকটি ফিরে গিয়ে আগের মতোই সলাত আদায় করল। অতঃপর নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে সালাম করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওয়া ‘আলাইকাস সালাম। অতঃপর তিনি বললেনঃ যাও তুমি পুনরায় সলাত আদায় কর, কেননা তোমার সলাত আদায় হয়নি। তিনি পরপর তিনবার তাকে এ রকম নির্দেশ দিলেন। অতঃপর লোকটি বলল, সে সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে পাঠিয়েছেন; আমি এর চেয়ে সুন্দর করে সলাত আদায় করতে পারি না। আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তুমি যখন সলাতে দাঁড়াও, তাকবীর বল, অতঃপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ মনে হয় তা থেকে পাঠ কর। অতঃপর রুকূতে যাও এবং শান্তভাবে রুকূতে থাক। অতঃপর রুকূ’ থেকে সোজা মনে দাঁড়াও, অতঃপর সিজদায় যাও এবং সিজদার মধ্যে শান্তভাবে থাক, অতঃপর সিজদা থেকে উঠে আরামে বস। সমস্ত সলাত তুমি এভাবে আদায় কর। (ই. ফা. ৭৬৮, ই. সে. ৭৮০)

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال حدثني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فدخل رجل فصلى ثم جاء فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم السلام قال ‏"‏ ارجع فصل فإنك لم تصل ‏"‏ ‏.‏ فرجع الرجل فصلى كما كان صلى ثم جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسلم عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وعليك السلام ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ارجع فصل فإنك لم تصل ‏"‏ ‏.‏ حتى فعل ذلك ثلاث مرات فقال الرجل والذي بعثك بالحق ما أحسن غير هذا علمني ‏.‏ قال ‏"‏ إذا قمت إلى الصلاة فكبر ثم اقرأ ما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع حتى تعتدل قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع حتى تطمئن جالسا ثم افعل ذلك في صلاتك كلها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৭৭২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وعبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي قالا، حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، أن رجلا، دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية وساقا الحديث بمثل هذه القصة وزادا فيه ‏ "‏ إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক মাসজিদে প্রবেশ করে সলাত আদায় করল। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মাসজিদের) এক প্রান্তে বসা ছিলেন, হাদীসের পরবর্তী অংশ পূর্বের হাদীসের মতোই। কিন্তু এ বর্ণনায় আরও আছেঃ তুমি যখন সলাত আদায় করার ইচ্ছা পোষণ কর তখন ভাল করে ওযূ করে নাও। অতঃপর কিবলামূখী হও, অতঃপর ‘আল্ল-হু আকবার’ বল। (ই. ফা. ৭৬৯, ই. সে. ৭৮১)

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক মাসজিদে প্রবেশ করে সলাত আদায় করল। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মাসজিদের) এক প্রান্তে বসা ছিলেন, হাদীসের পরবর্তী অংশ পূর্বের হাদীসের মতোই। কিন্তু এ বর্ণনায় আরও আছেঃ তুমি যখন সলাত আদায় করার ইচ্ছা পোষণ কর তখন ভাল করে ওযূ করে নাও। অতঃপর কিবলামূখী হও, অতঃপর ‘আল্ল-হু আকবার’ বল। (ই. ফা. ৭৬৯, ই. সে. ৭৮১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وعبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي قالا، حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، أن رجلا، دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية وساقا الحديث بمثل هذه القصة وزادا فيه ‏ "‏ إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00